পরীক্ষা আর্কাইভ

Science Expert

পরীক্ষাScience Expertতারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়07 minutes
মোট প্রশ্ন১২
সিলেবাস
পরীক্ষা – ৯ ডায়োড, ট্রানজিষ্টর, আইসি এবং তরঙ্গ ও শব্দ। [ক্লাস ১২]
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

Science Expert

Science Expert · তারিখ অনির্ধারিত · ১২ প্রশ্ন

.
পর্যাবৃত্ত গতির উদাহরণ কোনটি?
  1. সাইকেলের চাকার গতি
  2. সরল দোলকের গতি
  3. ঘড়ির কাঁটার গতি
  4. সবগুলোই
ব্যাখ্যা
পর্যাবৃত্ত গতি: 
- কোনো বস্তু নির্দ্দিষ্ট সময় পরপর একই দিক থেকে একটি নির্দিষ্ট বিন্দুকে অতিক্রম করলে যে গতি উৎপন্ন হয় তাকে পর্যাবৃত্ত গতি বলে।
- পর্যায় গতিসম্পন্ন বস্তু বা বস্তু কণার একই দিক থেকে নির্দিষ্ট বিন্দুটি অতিক্রম করতে যে সময় লাগে তাকে পর্যায়কাল বলে।
- পর্যাবৃত্ত গতি দু’ ধরণের।
যেমন- ঘুর্ণন গতি ও স্পন্দন গতি।
- এই গতি বৃত্তাকার, উপবৃত্তাকার, সরল রৈখিকও হতে পারে। 

- ঘড়ির কাঁটার গতি, সিলিং ফ্যানের গতি, সাইকেলের চাকার গতি, সরল দোলকের গতি  সবগুলোই পর্যাবৃত্ত গতির উদাহরণ।
 
উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এস এস সি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
মানুষের কানের শ্রাব্য কম্পাঙ্কের সীমা সর্বোচ্চ কত হার্জ?
  1. ক) ২০০ হার্জ
  2. খ) ২,০০০ হার্জ
  3. গ) ২০,০০০ হার্জ
  4. ঘ) ২০,০০,০০০ হার্জ
ব্যাখ্যা
মানুষের কানের শ্রাব্য কম্পাঙ্কের সীমা ২০ থেকে ২০,০০০ হয়ে থাকে।

- এই সীমার মধ্যে কম্পাঙ্কের শব্দকে শ্রাব্য শব্দ বলে।
- কম্পাঙ্কের যে সীমার মধ্যে সৃষ্ট শব্দ মানুষ শুনতে পায় তাকে শ্রাব্যতার সীমা বলে।
- যে শব্দ শুনতে পাওয়া যায় না তাকে অশ্রাব্য শব্দ বলে। অশ্রাব্য শব্দের কম্পাঙ্ক ২০ হার্জের কম এবং ২০,০০০ হার্জের বেশি হয়। এ শব্দ কুকুর, বাদুড়, মাকড়সা ইত্যাদি প্রাণী শুনতে পায়।

সূত্র: সাধারণ বিজ্ঞান, সপ্তম শ্রেণি।
.
তরঙ্গ সঞ্চারণকারী কোনো কণার যে কোনো মুহূর্তের গতির সম্যক অবস্থানকে কি বলে?
  1. পর্যায়কাল
  2. কম্পাঙ্ক
  3. বিস্তার
  4. দশা
ব্যাখ্যা
পর্যায়কাল (Time period): 
তরঙ্গ সঞ্চারণকারী কোন কণার একটি স্পন্দন সম্পন্ন করতে যে সময় লাগে তাকে ঐ তরঙ্গের পর্যায়কাল বলে। পর্যায়কালকে T অক্ষর দ্বারা প্রকাশ করা হয়। পর্যায়কালের একক সেকেন্ড (s) ।

দশা (Phase): তরঙ্গ সঞ্চারণকারী কোনো কণার যে কোনো মুহূর্তের গতির সম্যক অবস্থানকে তার দশা বলে। 

কম্পাঙ্ক (Frequency): তরঙ্গ সঞ্চারণকারী কোনো কণা এক সেকেন্ডে যতগুলো স্পন্দন সম্পন্ন করে তাকে ঐ কণার বা তরঙ্গের কম্পাঙ্ক বলে। কম্পাঙ্ককে সাধারণত f দ্বারা প্রকাশ করা হয়। কম্পাঙ্কের একক হার্জ। সংক্ষেপে লেখা হয়, Hz।

বিস্তার (Amplitude): তরঙ্গ সঞ্চারণকারী কোনো কণা সাম্য অবস্থান থেকে যে কোনো একদিকে সর্বাধিক যে দূরত্ব অতিক্রম করে তাকে তরঙ্গের বিস্তার বলে। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এস এস সি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
একটি টানা তারের দৈর্ঘ্য পরিবর্তন না করে এর উপর প্রযুক্ত টান নয়গুণ করা হলে, তারের কম্পাঙ্কের কত পরিবর্তন হবে?
  1. ৮১ গুণ
  2. ১ গুণ
  3. ৩ গুণ
  4. ৯ গুণ
ব্যাখ্যা
- কম্পমান তারের দৈর্ঘ্য অপরিবর্তিত থাকলে কম্পাঙ্ক (f), টানের(T) বর্গমূলের সমানুপাতিক। 
- f ∝ √T
- অতএব, টান নয়গুণ করলে কম্পাঙ্ক তিনগুণ বৃদ্ধি পাবে। 

সূত্র: পদার্থ বিজ্ঞান, এসএসসি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
ইন্টিগ্রেটেড সার্কিটে থাকে-
  1. রেজিস্টর
  2. ট্রানজিস্টর
  3. ক্যাপাসিটর
  4. সবগুলোই
ব্যাখ্যা
- আধুনিক কম্পিউটারের দ্রুত অগ্রগতির মূলে রয়েছে ইন্টিগ্রেটেড সার্কিট।
- ১৯৫৮ সালে জ্যাক কেলবি নামক একজন বিজ্ঞানী ট্রানজিস্টর, রেজিস্টর এবং ক্যাপাসিটর সমন্বিত করে একটি সার্কিট তৈরি করেন যা আইসি নামে পরিচিত লাভ করে।
- আইসি ব্যবহারের ফলে কম্পিউটার আকার ছোট হয় এবং এর ক্ষমতা অনেক বেড়ে যায়।
- যার ফলে সাথে সাথে কমে আসে কম্পিউটার মূল্য এবং হিসাব নিকাশের সময়।

উৎস: পদার্থ বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
.
পানিতে ঢিল ফেললে নিচের কোন তরঙ্গের সৃষ্টি হয়?
  1. অগ্রগামী তরঙ্গ
  2. স্থির তরঙ্গ
  3. দীঘল তরঙ্গ
  4. অনুদৈর্ঘ তরঙ্গ
ব্যাখ্যা
অগ্রগামী তরঙ্গ 
যখন কোনো মাধ্যমের  ভিতর আন্দোলন এক স্তর থেকে অন্য স্তরে তরঙ্গ আকারে সঞ্চারিত হতে হতে নির্দিষ্ট বেগে কেবল সামনের দিকে অগ্রসর হয় তখন তাকে অগ্রগামী তরঙ্গ বলে।
 
- পুকুরের পানিতে ঢিল ছোঁড়া হলে ঢেউ পানির মধ্য দিয়ে ক্রমাগত অগ্রসর হতে থাকে। এটি অগ্রগামী তরঙ্গের উদাহরণ।

স্থির তরঙ্গ 
একই রকম দুটি অগ্রগামী তরঙ্গ বিপরীত দিক থেকে সমভাবে অগ্রসর হয়ে একে অপরের উপর আপতিত হলে যে তরঙ্গের উদ্ভব  হয় তাকে স্থির তরঙ্গ বলে । 

অনুদৈর্ঘ তরঙ্গ 
যে তরঙ্গ মাধ্যমের কণাগুলোর কম্পনের দিকের সাথে সমান্তরালে অগ্রসর হয় সেটাই দীঘল তরঙ্গ/অনুদৈর্ঘ্য তরঙ্গ।
- বায়ু মাধ্যমে প্রবাহিত শব্দ তরঙ্গ দীঘল তরঙ্গ/অনুদৈর্ঘ্য তরঙ্গের একটি উদাহরণ।


উৎস: পদার্থ  বিজ্ঞান, এইচ এস সি পোগ্রাম , বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
কোনো বস্তু t সেকেন্ডে N সংখ্যক স্পন্দন সম্পন্ন করলে বস্তুটির কম্পাঙ্ক কত?
  1. N/t 
  2. 1/t 
  3. t/N
  4. N
ব্যাখ্যা
তরঙ্গ সৃষ্টিকারী কণা বা কম্পনশীল বস্তু প্রতি সেকেন্ডে যতটি স্পন্দন সম্পন্ন করে তাকে কম্পাঙ্ক বলে।
কোনো বস্তু t সেকেন্ডে N সংখ্যক স্পন্দন সম্পন্ন করে 
⇒ 1  সেকেন্ডে N/t সংখ্যক স্পন্দন সম্পন্ন করে। 

∴ কম্পাঙ্ক, f = N/t 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এস এস সি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
শূন্য ডিগ্রী সেলসিয়াস তাপমাত্রায় প্রতিধ্বনি শোনার জন্য উৎস ও প্রতিফলকের মধ্যবর্তী ন্যূনতম দূরত্ব কত?
  1. ৩৩ মিটার
  2. ১৭.৬ মিটার
  3. ১৬.৫ মিটার
  4. ১৫.৬ মিটার
ব্যাখ্যা
- মানুষের মস্তিষ্কে কোন শব্দের শোনার পর ০.১ সেকেন্ড এটার রেশ থাকে।
- এই সময়ের আগে প্রতিধ্বনি শুনলে মস্তিষ্ক সেটাকে মূল শব্দ থেকে আলাদা করতে পারে না।
- শব্দের বেগ ৩৩০ মি./ সেকেন্ড, সুতরাং, ০.১ সেকেন্ড এর ব্যবধান তৈরি করার জন্য শব্দকে কমপক্ষে ৩৩ মি. দূরত্ব অতিক্রম করতে হয়।
সুতরাং, ১৬.৫ মি. বা ১৬৫০ সে.মি. দূরত্বের কোন প্রতিফলকে শব্দ উৎস থেকে গিয়ে বাধা পেয়ে ফিরে আসতে ০.১ সেকেন্ড সময় পার হয়।

উৎস: নবম-দশম শ্রেণী, পদার্থ বিজ্ঞান বই।
.
একটি সুরে কতটি কম্পাঙ্ক থাকতে পারে?
  1. ১ টি
  2. ২ টি
  3. ৪ টি
  4. অসংখ্য
ব্যাখ্যা
সুর ও স্বর:
- যদি কোনো উৎস থেকে উৎপন্ন শব্দের একটি মাত্র কম্পাঙ্ক থাকে, তবে তাকে সুর বলে।
- কোনো শব্দের মধ্যে যদি একাধিক কম্পাঙ্ক থাকে তবে তাকে স্বর বলে।

মৌলিক সুর ও উপসুর:
কোনো স্বরের মধ্যে যে সব বিভিন্ন সুর থাকে তাদের মধ্যে যে সুরের কম্পাঙ্ক সবচেয়ে কম তাকে মৌলিক সুর বলে ।
- বাকি সকল সুরই উপসুর।

হারমোনিক :
উপসুরগুলোর কম্পাঙ্ক যদি মূলসুরের কম্পাঙ্কের অখন্ড বা সরল গুণিতক হয় তবে সেসব উপসুরগুলোকে সমমেল বা সুর সঙ্গতি বা হারমোনিক বলে।

অষ্টক:
উপসুরগুলোর কোনোটির কম্পাঙ্ক মূল সুরের কম্পাঙ্কের দ্বিগুণ হলে তাকে অষ্টক বলে ।

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এস এস সি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১০.
কম্পাঙ্কের একক কোনটি?
  1. মিটার
  2. সেকেন্ড
  3. হার্জ
  4. ডায়াপ্টার
ব্যাখ্যা
পর্যায়কাল (Time period) :
তরঙ্গ সঞ্চারণকারী কোন কণার একটি স্পন্দন সম্পন্ন করতে যে সময় লাগে তাকে ঐ তরঙ্গের পর্যায়কাল বলে। পর্যায়কালকে T অক্ষর দ্বারা প্রকাশ করা হয়। পর্যায়কালের একক সেকেন্ড (s) ।

কম্পাঙ্ক (Frequency) : তরঙ্গ সঞ্চারণকারী কোনো কণা এক সেকেন্ডে যতগুলো স্পন্দন সম্পন্ন করে তাকে ঐ কণার বা তরঙ্গের কম্পাঙ্ক বলে। কম্পাঙ্ককে সাধারণত f দ্বারা প্রকাশ করা হয়।
- কম্পাঙ্কের একক হার্জ। সংক্ষেপে লেখা হয়, Hz।

বিস্তার (Amplitude) : তরঙ্গ সঞ্চারণকারী কোনো কণা সাম্য অবস্থান থেকে যে কোনো একদিকে সর্বাধিক যে দূরত্ব অতিক্রম করে তাকে তরঙ্গের বিস্তার বলে। 

দশা (Phase) : তরঙ্গ সঞ্চারণকারী কোনো কণার যে কোনো মুহূর্তের গতির সম্যক অবস্থানকে তার দশা বলে।

অন্যদিকে, লেন্সের ক্ষমতার একক ডায়াপ্টার। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এস এস সি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১১.
পরপর কয়টি সুস্পন্দ বিন্দুর মধ্যকার দূরত্বই স্থির তরঙ্গের তরঙ্গ দৈর্ঘ্য?
  1. ১ টি
  2. ২ টি
  3. ৩ টি
  4. ৪ টি
ব্যাখ্যা
স্থির তরঙ্গ:
- একই রকম দুটি অগ্রগামী তরঙ্গ বিপরীত দিক থেকে সমভাবে অগ্রসর হয়ে একে অপরের উপর আপতিত হলে যে তরঙ্গের উদ্ভব হয় তাকে স্থির তরঙ্গ বলে।
- একটি তারের বা মোটা দড়ির এক প্রান্ত একটি দৃঢ় অবলম্বনে বেঁধে অন্য প্রান্ত ধরে উপর নিচে দোলালে একটি তরঙ্গ তার বেয়ে অগ্রসর হবে এবং বন্ধ প্রান্তে প্রতিফলিত হয়ে আবার ফিরে আসবে।
- তরঙ্গের উদ্ভবের সময় দেখা যাবে তারের কোনো কোনো বিন্দুতে কোনো স্পন্দন নাইয়দা- আবার কোনো কোনো বিন্দুতে সব সময় সর্বাধিক স্পন্দন হতে থাকবে।
- যে বিন্দুতে কোনো স্পন্দন নাই সে বিন্দুগুলোকে নিস্পন্দ বিন্দু (Node) এবং যে বিন্দুতে সব সময় সর্বাধিক স্পন্দন হয় সে বিন্দুগুলোকে সুস্পন্দ বিন্দু (Antinode) বলে। 
- নিস্পন্দ ও সুস্পন্দ বিন্দুগুলোর অবস্থানগুলো সব সময় স্থির।
- পরপর তিনটি নিস্পন্দ বিন্দু বা তিনটি সুস্পন্দ বিন্দুর মধ্যের দূরত্বই স্থির তরঙ্গের তরঙ্গ দৈর্ঘ্য।
- গীটার, একতারা, সেতার ইত্যাদি বাদ্য যন্ত্রের তারে স্থির তরঙ্গ উৎপন্ন হয়। 

উৎস: পদার্থ প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১২.
গঠন ও প্রকৃতি অনুসারে জাংশন ট্রানজিস্টর কত প্রকার?
ব্যাখ্যা
ট্রানজিস্টর
- ট্রানজিস্টরকে বিংশ শতাব্দীর শ্রেষ্ঠ আবিষ্কার বলা যায়।
- ১৯৪৮ সালে যুক্তরাষ্ট্রের বেল টেলিফোন ল্যাবরেটরির তিনজন গবেষক জে. বার্ডিন ( J. Bardeen ), ডবিণ্ঢউ ব্রাটেন (W. Brattain) ও ডবিউ সকলে (W. Shockley) ট্রানজিস্টর আবিষ্কার করেন।
- এই গুরত্বপূর্ণ আবিষ্কারের জন্য তিনজনকে ১৯৫৬ সালে পদার্থবিজ্ঞানে নোবেল পুরষ্কার প্রদান করা হয়।
- ট্রানজিস্টর দুর্বল তড়িৎ সংকেতকে বিবর্ধন করতে পারে এবং উচ্চগতিসম্পন্ন সুইচ হিসেবে ব্যবহার করা যায়।

সংজ্ঞা: দুটি একই ধরনের অর্ধপরিবাহীর (n-টাইপ অথবা p-টাইপ) মাঝখানে এদের বিপরীত ধরনের (p-টাইপ অথবা n টাইপ) অর্ধপরিবাহী বিশেষ প্রক্রিয়ায় পরস্পরের সাথে যুক্ত করে যে যন্ত্র তৈরি করা হয় তাকে ট্রানজিস্টর বলে।
সুতরাং একটি জাংশন ট্রানজিস্টর দুটি p-n জাংশনের সমন্বয়ে গঠিত।

গঠন ও প্রকৃতি অনুসারে জাংশন ট্রানজিস্টর দুই প্রকার:
(১) p-n-p ট্রানজিস্টর এবং
(২) n-p-n ট্রানজিস্টর। 
 
উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এস এস সি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।