পরীক্ষা আর্কাইভ

শিক্ষক নিবন্ধন (NTRCA) প্রস্তুতি [১৯তম]

পরীক্ষাশিক্ষক নিবন্ধন (NTRCA) প্রস্তুতি [১৯তম]তারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়18 minutes
মোট প্রশ্ন৩৭
সিলেবাস
পরীক্ষা - ৫৮ সাবজেক্ট ফাইনাল - সাধারণ জ্ঞান (বিজ্ঞান ও কম্পিউটার বিষয়ক)
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

শিক্ষক নিবন্ধন (NTRCA) প্রস্তুতি [১৯তম]

শিক্ষক নিবন্ধন (NTRCA) প্রস্তুতি [১৯তম] · তারিখ অনির্ধারিত · ৩৭ প্রশ্ন

.
হাড়ে ফ্র্যাকচার নির্ণয়ের জন্য কী ধরনের রশ্মি ব্যবহার করা হয়?
  1. গামা রশ্মি
  2. বিটা রশ্মি
  3. আলফা রশ্মি
  4. রঞ্জন রশ্মি
সঠিক উত্তর:
রঞ্জন রশ্মি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রঞ্জন রশ্মি
ব্যাখ্যা

• হাড়ে ফ্র্যাকচার বা ভাঙা হাড় নির্ণয়ের জন্য রঞ্জন রশ্মি (X-ray) ব্যবহার করা হয়। রঞ্জন রশ্মি হাড়ের ঘনত্ব বেশি জায়গায় সহজেই প্রতিফলিত হয়, ফলে হাড় স্পষ্টভাবে দেখা যায়। এই রশ্মি শরীরের নরম অংশের মধ্য দিয়ে সহজে যেতে পারে, তাই হাড়ের অবস্থান, ফ্র্যাকচার বা অন্য কোনো অস্বাভাবিকতা নির্ধারণে এটি খুব কার্যকর। চিকিৎসক X-ray ছবি দেখে হাড়ের সঠিক ভাঙন ও চিকিৎসার পরিকল্পনা করতে পারেন। তাই হাড় পরীক্ষা করার জন্য সবচেয়ে সাধারণ এবং কার্যকর পদ্ধতি হলো রঞ্জন রশ্মি।

- উত্তর: ঘ) রঞ্জন রশ্মি।

• এক্সরে (রঞ্জন রশ্মি):
- জার্মান পদার্থবিদ উইলহেলম রন্টজেন এক্স-রশ্মি আবিষ্কার করেন।
- ১৮৯৫ সালে এক্স-রশ্মি আবিষ্কৃত হয়।
- এক্স-রশ্মি আবিষ্কারের জন্য বিজ্ঞানী রন্টজেন 1901 সালে নোবেল পুরষ্কার লাভ করেন।
- এটি একটি তড়িৎচুম্বকীয় তরঙ্গ।
- এক্স-রশ্মির তরঙ্গদৈর্ঘ্য 10- 8 m থেকে 10- 13 m পর্যন্ত।
- এক্স-রশ্মি উচ্চভেদন ক্ষমতাসম্পন্ন।

• এক্সরে এর ব্যবহার:
- হীরক সনাক্তকরণ,
- স্থানচ্যুত হাড়, হাড়ে দাগ বা ফাটল শনাক্ত করা,
- শরীরের ভিতরের কোন বস্তুর বা ফুসফুসে কোন ক্ষতের অবস্থান নির্ণয়,
- গোয়েন্দা বিভাগে কাঠের বাক্স বা চামড়ার থলিতে বিস্ফোরক রাখলে তা খুঁজে বের করতে এক্স রশ্মি বা রঞ্জন রশ্মি ব্যবহৃত হয়।

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

.
কোন মাধ্যমে শব্দ সঞ্চালন করতে পারে না?
  1. কঠিন মাধ্যমে
  2. শূন্য মাধ্যমে
  3. বায়বীয় মাধ্যমে
  4. তরল মাধ্যমে
সঠিক উত্তর:
শূন্য মাধ্যমে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শূন্য মাধ্যমে
ব্যাখ্যা

• শব্দ একটি যান্ত্রিক তরঙ্গ, যা কণার কম্পনের মাধ্যমে সঞ্চালিত হয়। এটি কম্পনের শক্তি স্থানান্তর করে মাধ্যমে প্রেরণ করে। কঠিন, তরল এবং বায়বীয় মাধ্যমে শব্দ সঞ্চালিত হতে পারে, কারণ এগুলিতে কণা থাকে যা কম্পন প্রেরণ করতে সক্ষম। কিন্তু শূন্য মাধ্যমে কোনো কণা নেই, তাই কোনো কম্পন স্থানান্তর সম্ভব নয়। তাই শূন্য মাধ্যমে শব্দ সঞ্চালন করতে পারে না।
- সুতরাং সঠিক উত্তর হলো খ) শূন্য মাধ্যমে।


শব্দের সঞ্চালন: 
- কম্পনশীল বস্তু শব্দ সৃষ্টিকরে। 
- কোনো মাধ্যমের কণাগুলোর কম্পনের ফলে সৃষ্ট যে আন্দোলন, মাধ্যমের মধ্য দিয়ে চলে বা সঞ্চালিত হয়, তাকে ঢেউ বলে। 
- শব্দের এক স্থান থেকে অন্যস্থানে যাতায়াতকে শব্দ সঞ্চালন বলে। 
- শব্দ সঞ্চালনের জন্য মাধ্যম প্রয়োজন, এই মাধ্যম হতে পারে কঠিন, তরল ও বায়বীয়।
- কঠিন মাধ্যমে শব্দ বায়ু ও তরল মাধ্যমের চেয়ে দ্রুত ও ভালোভাবে সঞ্চালিত হয়। আবার শব্দ বায়ু মাধ্যমের চেয়ে দ্রুত ও ভালোভাবে তরল মাধ্যমে সঞ্চালিত হয়। 
- মাধ্যম ছাড়া শব্দ সঞ্চালিত হয় না, অর্থাৎ শূন্য মাধ্যমে শব্দ সঞ্চালিত হয় না। 

উৎস: বিজ্ঞান, সপ্তম শ্রেণি।

.
কোন সরঞ্জাম বিদ্যুৎ শক্তিকে শব্দে রূপান্তরিত করতে সক্ষম?
  1. মাইক্রোফোন
  2. উইন্ডমিল
  3. জেনারেটর
  4. লাউড স্পিকার
সঠিক উত্তর:
লাউড স্পিকার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
লাউড স্পিকার
ব্যাখ্যা

• বিদ্যুৎ শক্তিকে শব্দে রূপান্তরিত করতে সক্ষম সরঞ্জাম হলো লাউডস্পিকার। লাউডস্পিকার বৈদ্যুতিক সিগন্যাল গ্রহণ করে তা যান্ত্রিক কম্পন বা স্পন্দনে রূপান্তর করে, যা আমাদের কানে শব্দ হিসেবে শোনা যায়। অন্যদিকে, মাইক্রোফোন শব্দকে বিদ্যুতের সিগন্যাল বা সংকেত হিসেবে রূপান্তরিত করে। জেনারেটর বা উইন্ডমিল বিদ্যুৎ উৎপাদনের জন্য ব্যবহৃত হয়, কিন্তু সরাসরি শব্দ তৈরি করতে পারে না। তাই শব্দ উৎপাদনের জন্য মূলত লাউডস্পিকার ব্যবহৃত হয়।

শক্তির রূপান্তর: 
- মাইক্রোফোন শব্দ শক্তিকে বিদ্যুৎ শক্তিতে রূপান্তর করে। 
- বৈদ্যুতিক মোটর তড়িৎ শক্তিকে যান্ত্রিক শক্তিতে রূপান্তর করে। 
- জেনারেটর বা ডায়নামো যান্ত্রিক শক্তিকে তড়িৎ শক্তিতে রূপান্তর করে। 
- লাউড স্পিকার ও বৈদ্যুতিক ঘন্টা বিদ্যুৎ শক্তিকে শব্দ শক্তিতে রূপান্তর করে। 
- মোবাইল ফোনের ব্যাটারিকে বিদ্যুৎ দিয়ে চার্জ দেওয়ার ফলে তড়িৎ শক্তি রাসায়নিক শক্তিতে রূপান্তরিত হয়।

উৎস: সাধারণ বিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

.
AC কে DC-তে রূপান্তর করতে কোন ডিভাইস ব্যবহার করা হয়?
  1. রেকটিফায়ার
  2. মোটর
  3. ডায়নামো
  4. ট্রান্সফর্মার
সঠিক উত্তর:
রেকটিফায়ার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রেকটিফায়ার
ব্যাখ্যা

• AC-কে DC-তে রূপান্তর করতে যা ব্যবহার করা হয় তাকে রেকটিফায়ার বলা হয়। রেকটিফায়ার মূলত বৈদ্যুতিক বর্তমানকে একমুখী ধারায় পরিবর্তন করার জন্য ব্যবহৃত হয়। এটি সেমিকন্ডাক্টর উপাদান যেমন ডায়োডের মাধ্যমে কাজ করে। যখন AC প্রবাহ রেকটিফায়ারের মধ্য দিয়ে যায়, তখন এটি শুধুমাত্র একদিকে প্রবাহিত হয় এবং বিপরীত দিকের কারেন্ট ব্লক হয়ে যায়। ফলে আমাদের কাছে একমুখী DC প্রবাহ পাওয়া যায়। এটি বিভিন্ন ইলেকট্রনিক ডিভাইস এবং চার্জিং সিস্টেমে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
- সুতরাং সঠিক উত্তর হলো ক) রেকটিফায়ার।


• রেকটিফায়ার:
- যে সার্কিট অলটারনেটিং বা AC কারন্টকে ডাইরেক্ট বা DC কারেন্টে রূপান্তর করে তা রেকটিফায়ার।
- একমুখীকরণের কাজটি যে যন্ত্র দ্বারা সম্পন্ন করা হয় তাকে রেকটিফায়ার বলে।
- ডায়োড যখন সম্মুখী ঝোঁকে থাকে তখন এর মধ্য দিয়ে তড়িৎ প্রবাহিত হয় এবং যখন এটি বিমুখী ঝোঁকে থাকে তখন এর মধ্য দিয়ে তড়িৎ প্রবাহিত হয় না।
- জাংশন ডায়োডের এ বিশেষ ধর্মকে কাজে লাগিয়ে রেকটিফিকেশন বা একমুখীকরণের কাজটি সম্পন্ন করা হয়।
- এটি মূলত AC কারেন্টকে পালসেটিং DC তে রূপান্তর করে।
- অধিকাংশ ইলেকট্রিক সার্কিট লো- ভোল্টেজ এবং লো-ডি.সি. কারেন্টে চলে।
- এই বিপুল পরিমাণ পাওয়ারের চাহিদা মেটাতে সেল ব্যবহার সাশ্রয়ী নয়।
- তাই এ.সি. কে প্রয়োজনীয় মানে কমিয়ে ডি.সি. তে রূপান্তরিত করে ব্যবহার করা হয়।

• রেকটিফায়ার সার্কিটের প্রকারভেদ:
১. হাফ ওয়েভ রেকটিফায়ার (Half Wave Rectifier),
২. ফুল ওয়েভ রেকটিফায়ার (Full Wave Rectifier),
৩. সেন্টার ট্যাপ ফুল ওয়েভ রেকটিফায়ার (Center Tape Full Wave Rectifier),
৪. ব্রীজ ফুল ওয়েভ রেকটিফায়ার (Bridge Full Wave Rectifier)।

উৎস:
- পদার্থ দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

.
আলোর প্রতিসরণের সূত্র কে আবিষ্কার করেছিলেন?
  1. হাইগেন
  2. স্নেল
  3. রবার্ট হুক
  4. গিলবার্ট
সঠিক উত্তর:
স্নেল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্নেল
ব্যাখ্যা

• আলোর প্রতিসরণের সূত্র বা Refraction of Light এর সূত্র প্রথম আবিষ্কার করেন হল্যান্ডের বিজ্ঞানী স্নেল, যিনি এটি স্নেলস সূত্র (Snell’s Law) হিসেবে পরিচিতি পান। এই সূত্রটি আলোর প্রবাহ একটি মাধ্যম থেকে অন্য মাধ্যমে প্রবেশ করার সময় তার দিক পরিবর্তনের পরিমাণ নির্ধারণ করে। সূত্র অনুযায়ী, আলোর পতনের কোণ এবং প্রতিসরণের কোণের sine এর অনুপাত সমান হয় দুই মাধ্যমের মধ্যে আলোর বেগের অনুপাতের। স্নেল এই সম্পর্কটি গণিতগতভাবে স্থাপন করে আলোর প্রতিসরণের বিজ্ঞানকে আরও বৈজ্ঞানিক ভিত্তি প্রদান করেন।
- সুতরাং সঠিক উত্তর হলো খ) স্নেল।


• প্রতিসরণ:
- এক স্বচ্ছ মাধ্যম থেকে অন্য স্বচ্ছ মাধ্যমে যাওয়ার সময় দুই মাধ্যমের বিভেদ তলে তীর্যকভাবে আপতিত আলোক রশ্মির দিক পরিবর্তনের ঘটনাকে আলোর প্রতিসরণ বলে।
অর্থাৎ, দুটি স্বচ্ছ মাধ্যমের বিভেদ তলে আলোক রশ্মির দিক পরিবর্তনের ঘটনাকে আলোর প্রতিসরণ বলে।
- বিভেদ তলের উপর আপতন বিন্দুতে অঙ্কিত লম্বকে অভিলম্ব বলে।
- আপতন বিন্দুতে আপতিত রশ্মি ও অভিলম্বের মধ্যে সৃষ্ট কোণকে আপতন কোণ এবং প্রতিসরিত রশ্মি ও অভিলম্বের মধ্যে সৃষ্ট কোণকে প্রতিসরণ কোণ বলে।

• প্রতিসরণের সূত্র (Laws of Refraction):
- আলোর প্রতিসরণ দু'টি সূত্র মেনে চলে এদের প্রতিসরণের সূত্র বলে।
- ১৬২০ সালে বিজ্ঞানী স্নেল (Willebrord Snellius) সর্বপ্রথম এ সূত্র প্রকাশ করেন। তাই এ সূত্রগুলোকে স্নেলের সূত্রও বলা হয়।
- সূত্র দু'টি হলো-
১. দুই মাধ্যমের বিভেদ তলে আপতিত রশ্মি, আপতন বিন্দুতে অঙ্কিত অভিলম্ব এবং প্রতিসরিত রশ্মি একই সমতলে অবস্থান করে।
২. এক জোড়া নির্দিষ্ট মাধ্যম এবং নির্দিষ্ট বর্ণের আলোর জন্য আপতন কোণের সাইন এবং প্রতিসরণ কোণের সাইনের অনুপাত সর্বদা ধ্রুব।
অর্থাৎ, sin i/sin r = একটি ধ্রুব (সংখ্যা)।

• অপশন আলোচনা:
- রবার্ট হুক পদার্থের স্থিতিস্থাপকতার সূত্র আবিষ্কার করেন।
- বিজ্ঞানী হাইগেনস আলোর তরঙ্গ তত্ত্বের ব্যাখ্যা প্রদান করেন।
- ডা. গিলবার্ট চুম্বকত্ব নিয়ে গবেষণা করেন। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

.
মা এবং নবজাতককে টিটেনাস থেকে রক্ষা করতে কোন ভ্যাকসিন ব্যবহার করা হয়?
  1. Zero dose
  2. Measles vaccine
  3. Tetanus toxoid
  4. Bacillus Calmette Guerin
সঠিক উত্তর:
Tetanus toxoid
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Tetanus toxoid
ব্যাখ্যা

• মা এবং নবজাতককে টিটেনাস থেকে রক্ষা করতে টিটেনাস টক্সয়েড (Tetanus toxoid) ভ্যাকসিন ব্যবহার করা হয়। এটি একটি নিরাপদ এবং কার্যকরী ভ্যাকসিন যা গর্ভবতী মহিলাকে দেওয়া হলে নবজাতকেও টিটেনাস থেকে সুরক্ষা প্রদান করে। ভ্যাকসিনটি মা-এর শরীরে প্রতিরক্ষা শক্তি তৈরি করে এবং শিশুর জন্মের সময় তার শরীরে সেই প্রতিরক্ষা স্থানান্তরিত হয়। এই ভ্যাকসিন সাধারণত গর্ভাবস্থার বিভিন্ন পর্যায়ে নির্দিষ্ট ডোজে দেওয়া হয়। ফলে মা ও শিশু দুজনেই টিটেনাস রোগের ঝুঁকিমুক্ত থাকে।

- সঠিক উত্তর: গ) Tetanus toxoid.

• ভ্যাকসিনেশন:
- বাংলাদেশে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (World Health Organization-WHO) এর (Expended Programe on Immounization -EPI) কার্যক্রমের আওতায় শিশুদের প্রাণঘাতী বিভিন্ন রোগ যথা- যক্ষ্মা, ডিপথেরিয়া, হুপিংকাশি, টিটেনাস, পোলিও এবং হাম ইত্যাদির ভ্যাকসিন দেওয়া হয়।
- এছাড়াও হেপাটাইটিস-বি এবং হিমোফাইলা ইনফ্লুয়েঞ্জা-বি-এর ভ্যাকসিন দেওয়া হয়।
 

উৎস: প্রাণিবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

.
পটাশ এলামকে সাধারণত কী নামে ডাকা হয়?
  1. ডিটারজেন্ট
  2. সেভিং সোপ
  3. কস্টিক সোডা
  4. ফিটকিরি
সঠিক উত্তর:
ফিটকিরি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ফিটকিরি
ব্যাখ্যা

• পটাশ এলামকে সাধারণত ফিটকিরি নামে ডাকা হয়। এটি একটি যৌগ, যা মূলত পানিতে দ্রবীভূত হয়ে অ্যালুমিনিয়াম আয়ন এবং পটাশিয়াম আয়ন তৈরি করে। প্রাচীনকাল থেকে পটাশ এলামকে বিভিন্ন কাজে ব্যবহার করা হয়েছে, যেমন কাপড়ের রঙ ধরানোর সময় বা পানি পরিশোধনের ক্ষেত্রে। ফিটকিরি ব্যবহার করলে জল স্বচ্ছ হয় এবং ময়লা কণা নীচে বসে যায়। তাই, কস্টিক সোডা বা ডিটারজেন্টের সঙ্গে এটি মিলিত নয়; এটি আলাদা রূপে প্রাকৃতিক ও রাসায়নিক প্রয়োগে ব্যবহারযোগ্য।

- সঠিক উত্তর: ঘ) ফিটকিরি।

• অ্যালুমিনিয়াম সালফেটের চলতি বাংলা ফিটকিরি।
- রাসায়নিক সংকেত: [K2SO4.Al2(SO4)3. 24H2O] (পটাশিয়াম সালফেট এলুমিনিয়াম সালফেট, ২৪ অণু পানি);
•একে পটাশ এলামও বলা হয়ে থাকে।

• ফিটকিরি:
- পটাশ অ্যালাম বা ফিটকিরি একটি দ্বি-লবণ।
- এটি সাধারণত পানি বিশুদ্ধকরণ কাজে ব্যবহৃত হয়।
- এটি একটি দ্বি-লবণ অর্থাৎ দুটি লবণ (পটাসিয়াম সালফেট এবং অ্যালুমিনিয়াম সালফেট) এর সাধারণ মিশ্রণ।
-অ্যালাম কঠিন অবস্থায় সুনির্দিষ্ট আকৃতির কেলাস।
- পটাস অ্যালামে 24 অণু কেলাস পানি যুক্ত থাকে।

উৎস: রসায়ন, নবম-দশম শ্রেণি ; রসায়ন, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

.
জীবাশ্ম জ্বালানির উদাহরণ হচ্ছে - 
  1. বায়োগ্যাস
  2. জিওথার্মাল
  3. পেট্রোলিয়াম
  4. জলবিদ্যুৎ
সঠিক উত্তর:
পেট্রোলিয়াম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পেট্রোলিয়াম
ব্যাখ্যা

• জীবাশ্ম জ্বালানি হলো সেই ধরনের জ্বালানি যা প্রাকৃতিকভাবে পৃথিবীতে সৃষ্টি হওয়া মৃত উদ্ভিদ ও প্রাণীর অবশিষ্ট থেকে তৈরি হয়। পেট্রোলিয়াম, কয়লা এবং প্রাকৃতিক গ্যাস এর মধ্যে প্রধান উদাহরণ। এই জ্বালানি নির্দিষ্ট সময়ে নিঃশেষ হয়ে যায় এবং পুনঃপ্রয়োগযোগ্য নয়।
- প্রশ্নে উল্লিখিত অপশন গুলির মধ্যে, পেট্রোলিয়াম হলো জীবাশ্ম জ্বালানির একটি উদাহরণ। বায়োগ্যাস এবং জিওথার্মাল নবায়নযোগ্য জ্বালানি, আর জলবিদ্যুৎও পুনঃনবীকরণযোগ্য উৎস থেকে উৎপন্ন হয়, তাই সেগুলো জীবাশ্ম জ্বালানির উদাহরণ নয়।

• জীবাশ্ম জ্বালানি:
- কোটি কোটি বছর পূর্বে গাছপালা, জীবজন্তু প্রভৃতি প্রচন্ড ভুমিকম্প বা কোন প্রাকৃতিক বিপর্যয়ের কারণে কাদা ও বালির বেশ গভীরে ঢাকা পড়ে। এদেরই দেহাবশেষ এ জীবাশ্ম কঠিন বা তরল আকারে খনি থেকে তুলে তাপ শক্তি উৎপাদনের কাজে ব্যবহার করা হয়। এদেরকে জীবাশ্ম জ্বালানি বলে। 

• জীবাশ্ম জ্বালানির উদাহরণ:
- কয়লা,
- খনিজ তেল,
- প্রাকৃতিক গ্যাস।

• পেট্রোলিয়াম:
- পেট্রোলিয়াম এক ধরনের জীবাশ্ম জ্বালানি।
- তেলের প্রতিশব্দ হচ্ছে পেট্রোলিয়াম।
- ইহা একটি ল্যাটিন শব্দ যা দুটো শব্দ নিয়ে গঠিত পেট্রো + অলিয়াম। পেট্রো শব্দের অর্থ রক বা শিলা এবং অলিয়াম শব্দের অর্থ অয়েল বা তৈল। অর্থাৎ পাথরের বা শিলার স্তরে সঞ্চিত যে তেল তাহাকে পেট্রোলিয়াম বলে।
- আজ থেকে প্রায় পাঁচশত কোটি বছর আগে সমুদ্রের তলদেশে পাললিক শিলার স্তরে গাছ-পালা ও প্রাণিদেহের দেহাবশেষ জৈব বিধ্বংসী পাতন প্রক্রিয়ার ফলে খনিজ তেলের সৃষ্টি হয়।
- ইহা কার্বন ও হাইড্রোজেন গ্যাসের সমন্বয়ে গঠিত একটি যৌগ। তাই পেট্রোলিয়াম হচ্ছে তরল জীবাশ্ম জ্বালানি।

• অন্যান্য অপশন আলোচনা:
- জল বিদ্যুৎ ও জিও থার্মাল, বায়োগ্যাস নবায়নযোগ্য জ্বালানি।

উৎস: সাধারণ বিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

.
কোন ধাতু তুলনামূলকভাবে সবচেয়ে হালকা?
  1. হিলিয়াম
  2. পারদ
  3. লিথিয়াম
  4. সোডিয়াম
সঠিক উত্তর:
লিথিয়াম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
লিথিয়াম
ব্যাখ্যা

• সঠিক উত্তর হলো গ) লিথিয়াম।
লিথিয়াম একটি ধাতু যা খুবই হালকা। এটি প্রধানত ব্যাটারি এবং বিভিন্ন রাসায়নিক যৌগে ব্যবহৃত হয়। হিলিয়াম ধাতু নয়, এটি একটি গ্যাস। পারদ এবং সোডিয়াম ধাতু হলেও ওদের ঘনত্ব লিথিয়ামের তুলনায় অনেক বেশি। তাই তুলনামূলকভাবে লিথিয়াম সবচেয়ে হালকা ধাতু হিসেবে পরিচিত। এটি খুব কম ঘনত্বের কারণে সহজে ভাসতে পারে এবং বিভিন্ন হালকা যন্ত্রপাতিতে ব্যবহার করা যায়। লিথিয়ামের এই বৈশিষ্ট্য এর ব্যবহারকে আরো কার্যকরী করে তোলে।

 
 • লিথিয়াম (Li):
- লিথিয়াম (Li) হলো বিশ্বের সবচেয়ে হালকা ধাতু।
- এটি পারমাণবিক সংখ্যা ৩ এবং ঘনত্ব পানির ঘনত্ব এর চেয়েও কম।
- ফলে লিথিয়াম পানিতে ভাসতে পারে।

• লিথিয়ামের বিশেষ বৈশিষ্ট্য:
- এটি পর্যায় সারণির ক্ষারীয় ধাতু (Alkali Metal) গ্রুপে অন্তর্ভুক্ত।
- এটি খুবই হালকা এবং নরম, ছুরি দিয়ে কাটা যায়।
- এটি খুব বেশি বিক্রিয়াশীল (reactive), বিশেষ করে পানির সাথে তীব্র বিক্রিয়া করে।
- লিথিয়াম ব্যাটারি, ওষুধ (বাইপোলার ডিসঅর্ডার), মহাকাশ প্রযুক্তি, এবং হালকা সংকর ধাতু (alloy) তৈরিতে ব্যবহৃত হয়।

• কয়েকটি ধাতু সম্পর্কে গুরত্বপূর্ণ তথ্য:
- পারদ একমাত্র ধাতু যা তরল অবস্থায় থাকে, এটি তাপ কুপরিবাহী, ধাতুর মধ্যে পারদের গলনাঙ্ক সবচেয়ে কম।
- সবচেয়ে সক্রিয় ধাতু- পটাসিয়াম (K)।
- সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত ধাতু- লোহা।
- উড়োজাহাজ তৈরিতে অ্যালুমিনিয়াম ধাতু ব্যবহার করা হয়।
- লিথিয়াম, সোডিয়াম এবং পটাসিয়াম ধাতু পানি আপেক্ষা হালকা।
- লোহা বায়ুর অক্সিজেনের সাথে বিক্রিয়া করে মরিচা (Fe2O3.nH2O) গঠন করে।
- সোডিয়াম ধাতুকে কেরোসিনের নিচে রাখা হয়।
- সবচেয়ে মূল্যবান ধাতু- প্লাটিনাম।

উৎস: একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, রসায়ন এবং ব্রিটানিকা।

১০.
বৃক্কের সবচেয়ে ছোট কাঠামোগত ইউনিট কী?
  1. নিউরন
  2. রেনিন
  3. টিউবিউল
  4. নেফ্রন
সঠিক উত্তর:
নেফ্রন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নেফ্রন
ব্যাখ্যা

• বৃক্কের সবচেয়ে ছোট কাঠামোগত এবং কার্যকরী ইউনিট হলো নেফ্রন। নেফ্রন মূলত রক্তকে পরিশোধন করে মূত্র উৎপন্ন করে এবং শরীর থেকে অতিরিক্ত জল, লবণ ও বর্জ্য পদার্থ বের করে। প্রতিটি বৃক্কে প্রায় এক মিলিয়ন নেফ্রন থাকে। নেফ্রন দুটি প্রধান অংশ নিয়ে গঠিত: গ্লোমেরুলাস এবং টিউবিউল। গ্লোমেরুলাস রক্ত ফিল্টার করার কাজ করে, আর টিউবিউল ফিল্টার হওয়া তরল থেকে প্রয়োজনীয় উপাদান শোষণ করে এবং বর্জ্য পদার্থ মূত্রে পরিণত করে। তাই নেফ্রন বৃক্কের কার্যকারিতা বজায় রাখার মূল একক।

- সঠিক উত্তর: ঘ) নেফ্রন।

নেফ্রন:
- বৃক্কের ইউরিনিফেরাস নালিকার ক্ষরণকারী অংশ ও কার্যকরী একককে নেফ্রন বলে।
- মানুষের প্রতিটি বৃক্কে ১০-১২ লাখ নেফ্রন থাকে।

• বৃক্ক:
- যে প্রক্রিয়ায় কোষীয় বিপাকের ফলে সৃষ্ট নাইট্রোজেন ঘটিত বর্জ্য পদার্থ দেহ থেকে নিষ্কাশিত হয় তাকে রেচন বলে।
- যে তন্ত্রের মাধ্যমে রেচনকার্য সম্পন্ন হয় তাকে রেচনতন্ত্র বলে।
- বৃক্ক মানবদেহের প্রধান রেচন অঙ্গ।
- একটি পরিণত বৃক্কের দৈর্ঘ্য ১০-১২ সেন্টিমিটার,প্রস্থ ৫-৬ সেন্টিমিটার এবং স্থুলত্ব ৩ সেন্টিমিটার।
- পুরুষ মানুষের প্রতিটি বৃক্কের ওজন ১৫০-১৭০ গ্রাম এবং প্রতিটি মহিলা মানুষের বৃক্কের ওজন ১৩০-১৫০ গ্রাম।

• বৃক্কের কাজ:
- রক্ত থেকে নাইট্রোজেনযুক্ত বর্জ্য পদার্থ অপসারণ করা।
- দেহে ও রক্তে পানির ভারসাম্য রক্ষা করা।
- রক্তে বিভিন্ন লবণের পরিমাণ নিয়ন্ত্রণ করা।
- রক্ত অম্ল ও ক্ষারের ভারসাম্য রক্ষা করা।
- হরমোন ও এনজাইম নিঃসরণ করা।
- দেহের রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ করা।
- ভিটামিন ডি ও লোহিত রক্ত কণিকা উৎপাদনে অংশগ্রহণ করা।

উৎস: জীববিজ্ঞান,একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি,গাজী আজমল ও প্রাণিবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১১.
কোন রোগটি ব্যাকটেরিয়ার সংক্রমণের ফল নয়?
  1. গণোরিয়া
  2. জন্ডিস 
  3. টিটেনাস
  4. কলেরা
সঠিক উত্তর:
জন্ডিস 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জন্ডিস 
ব্যাখ্যা

• ব্যাকটেরিয়ার সংক্রমণের ফলে সাধারণত এমন রোগগুলো হয় যা সরাসরি ব্যাকটেরিয়া দ্বারা সৃষ্ট। উদাহরণ হিসেবে গণোরিয়া, কলেরা এবং টিটেনাস ব্যাকটেরিয়ার কারণে হয়। তবে জন্ডিস সাধারণত ভাইরাসজনিত বা লিভারের সমস্যার কারণে হয়, তাই এটি ব্যাকটেরিয়ার সংক্রমণের ফল নয়। তাই এই চারটির মধ্যে ব্যাকটেরিয়ার সংক্রমণের ফল নয় জন্ডিস।
 
 • ব্যাকটেরিয়া জনিত রোগ নয় জন্ডিস।
- এটি একটি ভাইরাস জনিত রোগ।

• ব্যাকটেরিয়া জনিত রোগ:
- ডিপথেরিয়া,
- গণোরিয়া,
- টাইফয়েড,
- জ্বর,
- কুষ্ঠ,
- টিটেনাস,
- নিউমোনিয়া,
- কলেরা ইত্যাদি।

• ভাইরাস জনিত রোগ:
- বসন্ত,
- হাম,
- সর্দি,
- ইনফ্লুয়েঞ্জা,
- জন্ডিস,
- এইডস,
- পোলিও ইত্যাদি।

- উল্লেখ্য, জ্বর সাধারণত শরীরের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার প্রতিক্রিয়া, যা বিভিন্ন কারণে হতে পারে, যেমন ভাইরাস, ব্যাকটেরিয়া বা অন্যান্য সংক্রমণ।

উৎস: বিজ্ঞান, সপ্তম শ্রেণি।

১২.
রক্ত কণিকার উৎপত্তি কোথায় ঘটে?
  1. ফুসফুস 
  2. হৃৎপিণ্ড
  3. অস্থিমজ্জা
  4. যকৃত
সঠিক উত্তর:
অস্থিমজ্জা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অস্থিমজ্জা
ব্যাখ্যা

• রক্ত কণিকার উৎপত্তি প্রধানত অস্থিমজ্জাতে ঘটে। অস্থিমজ্জা হল হাড়ের মধ্যবর্তী স্পঞ্জ জাতীয় অংশ, যা লাল ও হলুদ মজ্জা দ্বারা গঠিত। লাল অস্থিমজ্জা মূলত রক্তকণিকা উৎপাদনের জন্য দায়ী। এখানে স্টেম সেল বা মূল কোষ থাকে, যেগুলো থেকে লোহিত কণিকা, শ্বেতকণিকা এবং রক্তের অন্যান্য কোষ গঠিত হয়। শিশু ও তরুণদের হাড়ের অধিকাংশ অংশে লাল অস্থিমজ্জা থাকে, কিন্তু বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে এটি কিছুটা কমে যায় এবং হলুদ মজ্জার পরিমাণ বৃদ্ধি পায়। তাই রক্ত কণিকার উৎপত্তি অস্থিমজ্জাই।

- সঠিক উত্তর: গ) অস্থিমজ্জা।

• রক্ত:
- রক্ত একটি অস্বচ্ছ তরল পদার্থ।
- লোহিত রক্ত কণিকায় হিমোগ্লোবিন নামক রঞ্জক পদার্থ থাকার কারণে রক্তের রং লাল দেখায়।
- এটি ক্ষারধর্মী, লবণাক্ত স্বাদযুক্ত পদার্থ।
- এটি রক্তরস ও রক্ত কণিকার সমন্বয়ে গঠিত।

• রক্ত কণিকা:
- মানবদেহে তিন প্রকার রক্ত কণিকা দেখা যায়।
যথা-
- লোহিত রক্ত কণিকা,
- শ্বেত রক্ত কণিকা এবং
- অণুচক্রিকা।

• অন্যান্য অপশন আলোচনা:
- হৃৎপিণ্ডে রক্ত সঞ্চালনে ভুমিকা রাখে।
- যকৃত রক্তের গ্লুকোজের মাত্রা নিয়ন্ত্রণ করে।

উৎস: জীববিজ্ঞান, ৯ম-১০ম শ্রেণী, NCTB।

১৩.
মানবদেহের সর্বাধিক বৃহৎ গ্রন্থির নাম কী?
  1. থাইরয়েড
  2. ত্বক
  3. যকৃত
  4. নিউরন
সঠিক উত্তর:
যকৃত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যকৃত
ব্যাখ্যা

• মানবদেহের সর্বাধিক বৃহৎ গ্রন্থি হলো যকৃত। যকৃত শরীরের একটি গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গ যা বিভিন্ন ধরনের রসায়নিক প্রক্রিয়ায় অংশগ্রহণ করে। এটি রক্তের বিষাক্ত পদার্থ দূর করে, প্রোটিন উৎপাদন করে, এবং পাচনতন্ত্রের জন্য গুরুত্বপূর্ণ পিত্ত প্রস্তুত করে। যকৃত শরীরের বিপাক নিয়ন্ত্রণে সহায়ক এবং শক্তি সঞ্চয় ও ব্যবহার নিশ্চিত করে। অন্যান্য বিকল্প যেমন থাইরয়েড একটি ছোট গ্রন্থি, ত্বক একটি অঙ্গ, আর নিউরন স্নায়ুতন্ত্রের কোষ, তাই এগুলো বৃহৎ গ্রন্থি হিসেবে বিবেচিত হয় না।

- তাই সঠিক উত্তর হলো গ) যকৃত।

• যকৃত:
- মধ্যচ্ছদার নিচে পাকস্থলীর ডানপাশে গাঢ় বাদামী বর্ণের ত্রিকোণাকার অঙ্গ।
- যকৃতের সাথে কলস আকৃতির পিত্তথলি সংযুক্ত থাকে।
- যকৃত থেকে নিঃসৃত পিত্তরস পিত্তথলিতে জমা থাকে।
- পিত্তরস ক্ষারীয় গুণসম্পন্ন গাঢ় সবুজ বর্ণের এবং তিক্ত স্বাদবিশিষ্ট।
- পিত্তনালির মাধ্যমে পিত্তরস যকৃত থেকে ডিওডেনামে আসে।
- যকৃতে বিভিন্ন রকম জৈব রাসায়নিক বিক্রিয়া ঘটে, তাই একে রসায়ন গবেষণাগার বলা হয়।

• যকৃতের কাজ:
- যকৃত পিত্তরস তৈরি করে।
- ক্ষারীয় পিত্তরস পিত্তথলিতে জামা রাখে।
- পিত্তরসে কোন এনজাইম থাকে না, তাই যকৃত উদ্বৃত্ত গ্লুকোজ নিজ দেহে গ্লাইকোজেন হিসেবে সঞ্চিত রাখে।
- রক্তে গ্লুকোজের ঘাটতি হলে গ্লুকোজ সরবরাহ করে রক্তে গ্লুকোজের মাত্রা নিয়ন্ত্রণ করে।
- পিত্তরস চর্বি জাতীয় খাদ্যকে ক্ষুদ্র দানায় পরিণত করে পরিপাকে সহায়তা করে।
- অতিরিক্ত অ্যামাইনো অ্যাসিড যকৃতে আসার পর রাসায়নিক প্রক্রিয়ার মাধ্যমে ইউরিয়া, ইউরিক অ্যাসিড ও নাইট্রোজনজনিত বর্জ্য পদার্থ তৈরি করে এবং স্নেহ জাতীয় পদার্থ শোষণে সাহায্য করে।

উৎস: জীববিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১৪.
সাইক্লোন সৃষ্টিতে কোনটি প্রধান ভূমিকা রাখে?
  1. নিম্নচাপ
  2. সমুদ্রস্রোত
  3. নিম্ন তাপমাত্রা
  4. উচ্চচাপ
সঠিক উত্তর:
নিম্নচাপ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নিম্নচাপ
ব্যাখ্যা

• সাইক্লোন সৃষ্টিতে প্রধান ভূমিকা রাখে নিম্নচাপ। যখন কোনো অঞ্চলে বাতাসের চাপ অন্যান্য এলাকাগুলোর চেয়ে কম থাকে, তখন আশেপাশের উচ্চচাপযুক্ত বাতাস সেই অঞ্চলের দিকে চলে আসে। এই বাতাসের প্রবাহ ঘূর্ণায়মানভাবে আবর্তিত হয়ে শক্তিশালী বাতাস ও মেঘ তৈরি করে, যা সাইক্লোনের রূপ নেয়। সাধারণত উষ্ণ সমুদ্রের উপরে বাতাসের তাপমাত্রা বৃদ্ধি পাওয়ায় নিম্নচাপ সৃষ্টি হয় এবং বাতাসের ঘূর্ণন বৃদ্ধি পায়। তাই, সাইক্লোনের মূল কারণ হলো নিম্নচাপ এবং তার সঙ্গে যুক্ত বাতাসের ঘূর্ণন।
 
 সাইক্লোন: 
- সাইক্লোন সৃষ্টির পেছনে ‍গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে নিম্নচাপ এবং উচ্চ তাপমাত্রা। 
- সাধারণভাবে সাগরের তাপমাত্রা ২৭ ডিগ্রি সেলসিয়াসের বেশি হলে তা সাইক্লোন সৃষ্টির জন্যে উপযোগী হয়। 
- বঙ্গোপসাগরে প্রায় সারাবছর এই পরিমাণ তাপমাত্রা থাকার কারণে বাংলাদেশ সাইক্লোনের জন্যে অধিক ঝুঁকিপূর্ণ। 
- বাতাসের গতিবেগ ঘণ্টায় ৬৩ কিলোমিটার বা তার বেশি হলে একে সাইক্লোন হিসেবে গণ্য করা হয়। 

উৎস: সাধারণ বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।

১৫.
ওজোন স্তরটি বায়ুমণ্ডলের কোন অংশে অবস্থিত?
  1. মেসোমণ্ডল
  2. তাপমণ্ডল
  3. ট্রপোমণ্ডল
  4. স্ট্রাটোমণ্ডল
সঠিক উত্তর:
স্ট্রাটোমণ্ডল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্ট্রাটোমণ্ডল
ব্যাখ্যা

• ওজোন স্তর মূলত স্ট্রাটোমণ্ডল-এ অবস্থিত। এটি পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলের প্রায় ২০ থেকে ৩০ কিলোমিটার উচ্চতায় থাকে। ওজোন স্তর সূর্য থেকে আসা ক্ষতিকর অতিবেগুনি (UV) রশ্মি শোষণ করে, যা পৃথিবীর জীবজগতে মারাত্মক প্রভাব ফেলতে পারে। এই স্তর না থাকলে মানুষের ত্বকে ক্ষত, চোখে সমস্যা এবং উদ্ভিদ ও প্রাণীর ওপর ক্ষতিকর প্রভাব পড়ত। স্ট্রাটোমণ্ডলে থাকা ওজোন সূর্যের অতিবেগুনি রশ্মি প্রতিরোধ করে পৃথিবীকে নিরাপদ রাখে। তাই এটি পরিবেশ ও জীবন রক্ষায় অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

- উত্তর: ঘ) স্ট্রাটোমণ্ডল।

স্ট্রাটোমণ্ডল: 
- বায়ুমণ্ডলের দ্বিতীয় স্তরটি হলো স্ট্রাটোমণ্ডল। 
- যা ভূ-পৃষ্ঠ থেকে উপরের দিকে প্রায় ৫০ কিলোমিটার পর্যন্ত বিস্তৃত। 
- এ স্তরে ২০ কিলোমিটার উচ্চতা পর্যন্ত তাপমাত্রার কোনো পরিবর্তন হয় না। 
- স্ট্রাটোবিরতিতে তাপমাত্রা ০° সেলসিয়াস বা এর কাছাকাছি হয়। 
- স্ট্রাটোমণ্ডলের উপরের দিকে ওজোন গ্যাসের স্তর রয়েছে যা ওজোনমণ্ডল নামে পরিচিত। 
- এ স্তরটির গভীরতা ১২-১৬ কিলোমিটার। 
- ওজোন স্তর সূর্যরশ্মির অতি বেগুনি রশ্মি শোষণ করে। 

উৎস: ভূগোল প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১৬.
প্রাণী ও উদ্ভিদের বিবর্তনের অধ্যয়নকে কী বলা হয়?
  1. Evolution
  2. Microbiology
  3. Mycology
  4. Embryology
সঠিক উত্তর:
Evolution
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Evolution
ব্যাখ্যা

• প্রাণী ও উদ্ভিদের বিবর্তনের অধ্যয়নকে Evolution বা বিবর্তনবিজ্ঞান বলা হয়। এটি জীববিজ্ঞানের একটি শাখা, যা জীবজগতের পরিবর্তন ও প্রজাতির উদ্ভব, বিবর্তন, এবং বিভিন্ন জেনেটিক বৈশিষ্ট্যের ইতিহাস নিয়ে আলোচনা করে। বিবর্তনবিজ্ঞান দেখায় কিভাবে প্রজাতি সময়ের সাথে সাথে অভিযোজিত হয় এবং পরিবেশের সঙ্গে খাপ খায়। উদ্ভিদ ও প্রাণীর শারীরিক, জেনেটিক এবং আচরণগত বৈশিষ্ট্যের পরিবর্তন পর্যবেক্ষণ করে বিজ্ঞানীরা জীবনের বিবর্তনের পদ্ধতি ও কারণ সম্পর্কে ধারণা লাভ করেন।
- তাই সঠিক উত্তর হলো ক) Evolution.

অন্যদিকে, 
- ভ্রুণ সম্পর্কিত বিদ্যাকে বলা হয় Embryology, 
- অণুজীব বিষয়ক বিদ্যাকে বলা হয় Microbiology,  
- ছত্রাক সম্পর্কিত বিদ্যাকে বলা হয় Mycology. 

উৎস: জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।

১৭.
হার্ডডিস্ককে কী হিসেবে সংজ্ঞায়িত করা হয়?
  1. Internal Memory
  2. Secondary Memory
  3. Main Memory
  4. Primary Memory
সঠিক উত্তর:
Secondary Memory
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Secondary Memory
ব্যাখ্যা

• হার্ডডিস্ক একটি কম্পিউটার স্টোরেজ ডিভাইস যা বড় পরিমাণের তথ্য স্থায়ীভাবে সংরক্ষণ করতে সক্ষম। এটি প্রধানত তথ্য সংরক্ষণের জন্য ব্যবহৃত হয়, যা পাওয়ার বন্ধ থাকা সত্ত্বেও হারায় না। কম্পিউটারে হার্ডডিস্ককে Secondary Memory হিসেবে শ্রেণীবদ্ধ করা হয়, কারণ এটি প্রধান বা প্রাথমিক মেমরির চেয়ে ধীর গতিতে কাজ করে এবং র‌্যাম-এর মতো তাত্ক্ষণিক প্রসেসিংয়ের জন্য ব্যবহার হয় না। হার্ডডিস্কে অপারেটিং সিস্টেম, সফটওয়্যার এবং ব্যক্তিগত ডেটা সংরক্ষণ করা হয়।
- তাই সঠিক উত্তর হলো: খ) Secondary Memory.


• হার্ডডিস্ক:
- হার্ডডিস্ক পার্সোনাল কম্পিউটারের জনপ্রিয় ও বহুল ব্যবহৃত স্টোরেজ ডিভাইস ।
- হার্ড ডিস্কে রক্ষিত তথ্যসমূহ সহজে নষ্ট হয় না বলে প্রয়োজনীয় সকল প্যাকেজ এবং গুরুত্বপূর্ণ তথ্যসমূহ হার্ডডিস্কে সংরক্ষণ করা হয় হার্ডডিস্ক নষ্ট হওয়া বা মোছনীয় কোনো কমা ব্যতীত এখানকার তথ্যসমূহ নষ্ট হয় না।
- হার্ডডিস্ক হচ্ছে কম্পিউটারের স্টোরেজ মিডিয়াগুলোর মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ স্টোরেজ মিডিয়া।
- হার্ডডিস্ক কতগুলো ট্র্যাক এবং ট্রাকগুলোর কয়েকটি সেক্টরের সমন্বয়ে গঠিত।

• সহায়ক মেমরি (Secondary Memory):
- কম্পিউটারের যে মেমরিতে বিভিন্ন তথ্য, নির্দেশাবলি, অডিও, ভিডিও, ইমেজ স্থায়ীভাবে সংরক্ষণ করা যায় তাকে সহায়ক মেমরি বলা হয়।
- এ ধরনের মেমরির কেন্দ্রীয় প্রক্রিয়াকরণ অংশের সঙ্গে সরাসরি সংযোগ থাকে না বিধায় ধীরগতি সম্পন্ন হয়।
- বিদ্যুৎ চলে গেলে বা কম্পিউটার বন্ধ করলেও প্রোগ্রাম হারিয়ে বা মুছে যায় না।

• সহায়ক মেমরি (Secondary Memory) এর উদাহরণ:
- হার্ডডিস্ক
- সিডি
- ডিভিডি
- পেনড্রাইভ
- জিপ ড্রাইভ
- ম্যাগনেটিক টেপ ইত্যাদি।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১৮.
"লাইটপেন" কোন ক্যাটাগরির ডিভাইসের অন্তর্গত?
  1. ইনপুট-আউটপুট ডিভাইস
  2. স্টোরেজ ডিভাইস
  3. ইনপুট ডিভাইস
  4. আউটপুট ডিভাইস
সঠিক উত্তর:
ইনপুট ডিভাইস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইনপুট ডিভাইস
ব্যাখ্যা

• লাইটপেন একটি ইনপুট ডিভাইস। এটি ব্যবহারকারীকে সরাসরি স্ক্রিনের উপর পয়েন্ট বা নির্বাচন করতে সাহায্য করে। লাইটপেন একটি বিশেষ ধরনের পেন যা টেলিভিশন বা কম্পিউটার মনিটরের উপর আলোকে সংবেদন করে। যখন এটি স্ক্রিনের সঙ্গে স্পর্শ করা হয়, তখন স্ক্রিনের নির্দিষ্ট স্থান থেকে লাইটপেন সিগন্যাল গ্রহণ করে এবং কম্পিউটারে প্রেরণ করে। এর মাধ্যমে ব্যবহারকারী সহজে প্রোগ্রাম বা গ্রাফিক্স নির্বাচন, আঁকা বা কমান্ড দেওয়ার কাজ করতে পারে। তাই এটি ইনপুট ডিভাইস হিসেবে শ্রেণীবদ্ধ।

- উত্তর: গ) ইনপুট ডিভাইস।

• পেরিফেরাল ডিভাইস:
- সাধারণত কম্পিউটারের সঙ্গে সংযুক্ত ইনপুট-আউটপুট ডিভাইসগুলোকে বলা হয় কম্পিউটার পেরিফেরালস।
• তথ্য প্রবাহের দিক বিবেচনা করে কম্পিউটার পেরিফেরালকে সাধারণত তিনটি ভাগে ভাগ করা যায়। যথা:

১. ইনপুট ডিভাইস:
- কম্পিউটার বিভিন্ন ধরনের হার্ডওয়্যারের বা ডিভাইসের মাধ্যমে ব্যবহারকারীর কাছ থেকে কিংবা বিভিন্ন পরিবেশ থেকে হার্ডওয়্যার সমূহই হলো ইনপুট পেরিফেরাল।
- যেমন: কী-বোর্ড, ওএমআর, মাউস, স্ক্যানার, জয়স্টিক, ডিজিটাইজার, লাইটপেন, বার কোড রিডার ইত্যাদি।

২. আউটপুট ডিভাইস:
- কম্পিউটারের ইনপুট হার্ডওয়্যার সমূহের মাধ্যমে প্রাপ্ত ডেটাসমূহ প্রক্রিয়াকরণ অংশে প্রক্রিয়াজাত হয়ে যে সকল হার্ডওয়্যারের সাহায্যে ফলাফল প্রদান বা প্রর্দশন করে সেগুলোকে আউটপুট পেরিফেরাল বলা হয়।
- যেমন: মনিটর, প্রিন্টার, প্লটার, স্পিকার, মাল্টিমিডিয়া প্রজেক্টর ইত্যাদি।

৩. ইনপুট ও আউটপুট ডিভাইস:
- কম্পিউটারের সঙ্গে সংযুক্ত যে সকল ডিভাইসগুলো ইনপুট ও আউটপুট যন্ত্র হিসেবে ব্যবহার করা হয় তাদেরকে ইনপুট ও আউটপুট পেরিফেরাল বলা হয়।
- যেমন: হার্ডডিস্ক, সিডি বা ডিভিডি, পেনড্রাইভ ইত্যাদি।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১৯.
মাদারবোর্ডে কোন অংশ গ্রাফিক্স কার্ড-এর সংযোগ স্থাপন করে?
  1. Optical Drive
  2. Hard Drive
  3. Power Supply
  4. Expansion Slots
সঠিক উত্তর:
Expansion Slots
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Expansion Slots
ব্যাখ্যা

• মাদারবোর্ডে গ্রাফিক্স কার্ড সংযোগ করার জন্য Expansion Slots ব্যবহার করা হয়। এগুলি সাধারণত PCI Express (PCIe) ধরণের হয়। গ্রাফিক্স কার্ড একটি উচ্চগতির ডেটা ট্রান্সফার ডিভাইস, যা প্রসেসর এবং মেমরির সাথে দ্রুত যোগাযোগ করতে পারে। Optical Drive বা Hard Drive ডেটা সংরক্ষণ বা অপটিক্যাল ডিস্ক পড়ার জন্য ব্যবহৃত হয়, আর Power Supply শুধুমাত্র বিদ্যুৎ সরবরাহ করে। তাই মাদারবোর্ডে গ্রাফিক্স কার্ড স্থাপনের জন্য Expansion Slotsই উপযুক্ত অংশ।

• মাদারবোর্ড:
- মাদারবোর্ডই হচ্ছে একটি কম্পিউটারের মূল অংশ, যা সিস্টেম ইউনিটের অভ্যন্তরে সংযুক্ত থাকে।
- সাধারণত কম্পিউটারের সমস্ত যন্ত্রাংশের সংযোগ স্থানকে বলা হয় মাদারবোর্ড।
- এটি সিস্টেম বোর্ড বা মেইনবোর্ড হিসেবেও পরিচিত।
- কম্পিউটারের ব্রেইন হিসেবে পরিচিত প্রসেসর মাদারবোর্ডের মধ্যেই থাকে।
- মাদারবোর্ডের মধ্যে কম্পিউটারের বিভিন্ন ডিভাইস যেমন, কী-বোর্ড, মাউস, মনিটর, প্রিন্টার, হার্ড ডিস্কড্রাইভ, ফ্লোপি ডিস্ক ড্রাইভ, পেনড্রাইভ ইত্যাদি লাগানোর ব্যবস্থা থাকে।
- বর্তমানে Intel, GIGABYTE, ASUS, MSI ইত্যাদি ব্র্যান্ডের মাদারবোর্ডগুলো বাজারে পাওয়া যায়।
- মাদারবোর্ডে Expansion Slots উপাদানটি CPU এবং RAM সংযুক্ত করে।
- যে সকল বাস প্রধান বাসের সাহায্যকারী বাস হিসেবে কাজ করে তাকে সম্প্রসারিত বাস বা এক্সপানশন বাস বলে।
- CPU এক্সপানশন বাসের সাহায্যে কম্পিউটারের ইনপুট/আউটপুট ও অন্যান্য পেরিফেরিয়াল ডিভাইসের সাথে যোগাযোগ করে।
- কম্পিউটারে বর্ধিত সুবিধা পাবার জন্য মাদারবোর্ডে কোনো ডিভাইস (যেমন- নেটওয়াক কার্ড, সাউন্ড কার্ড, এজিপি কার্ড, টিভি কার্ড ইত্যাদি) যে স্লটে স্থাপন করা হয় তাকে এক্সপানশন স্লট বলে।
- গতির দিক থেকে সকল এক্সপানশন বাস একই রকম হয় না।
- মাইক্রোপ্রসেসর যে গতিতে ডেটা সঞ্চালন করতে পারে অধিকাংশ এক্সপানশন বাস তার চেয়ে অনেক কম গতির হয়ে থাকে।
- উল্লেখযোগ্য এক্সপানশন বাসগুলো হচ্ছে- ISA বাস, EISA বাস, Local বাস ইত্যাদি।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

২০.
কম্পিউটারে BIOS কী ভূমিকা পালন করে?
  1. ডাটা স্টোরেজ ম্যানেজমেন্ট
  2. হার্ডওয়্যার সিকিউরিটি ও মেইন্টেন্যান্স
  3. ভাইরাস স্ক্যানিং
  4. অপারেটিং সিস্টেম লোড করা
সঠিক উত্তর:
অপারেটিং সিস্টেম লোড করা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অপারেটিং সিস্টেম লোড করা
ব্যাখ্যা

• কম্পিউটারে BIOS (Basic Input Output System) মূলত হার্ডওয়্যার এবং অপারেটিং সিস্টেমের মধ্যে একটি সেতুর মতো কাজ করে। এটি কম্পিউটার চালু হলে প্রথমে সক্রিয় হয় এবং হার্ডওয়্যার ডিভাইসগুলো ঠিকভাবে কাজ করছে কি না তা পরীক্ষা করে। BIOS এর প্রধান ভূমিকা হলো অপারেটিং সিস্টেম লোড করা, অর্থাৎ স্টোরেজ থেকে OS কে মেমরিতে নিয়ে আসা, যাতে ব্যবহারকারী কম্পিউটার ব্যবহার করতে পারে। এটি ডাটা ম্যানেজমেন্ট বা ভাইরাস স্ক্যানিং নয়, বরং হার্ডওয়্যার সঠিকভাবে শনাক্ত ও পরিচালনার জন্য গুরুত্বপূর্ণ।
- সুতরাং সঠিক উত্তর হলো ঘ) অপারেটিং সিস্টেম লোড করা।


• BIOS:
- কম্পিউটারের মাদারবোর্ডের ফার্মওয়্যার চিপের মধ্যে থাকা কতগুলো নির্দেশনার সমষ্টি হল BIOS.
- BIOS এর পূর্ণরূপ হলো- Basic Input/Output System.
- কম্পিউটার Boot হওয়ার পরপরই যে প্রোগ্রামটি Run হয় সেটি হল BIOS.
- অর্থাৎ, BIOS এর প্রাথমিক কাজ হচ্ছে Boot process নিয়ন্ত্রণ করা।
- এটি System BIOS, ROM BIOS, PC BIOS হিসেবে পরিচিত।
- BIOS মাধ্যমে কম্পিউটারের সিস্টেম কনফিগারেশন নির্ধারণ করা হয়।

উৎস: ব্রিটানিকা।

২১.
রেজিস্টার তৈরির জন্য কোন উপকরণ ব্যবহৃত হয়?
  1. সেমিকন্ডাক্টর
  2. ডায়োড
  3. ফ্লিপ-ফ্লপ
  4. ট্রানজিস্টর
সঠিক উত্তর:
ফ্লিপ-ফ্লপ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ফ্লিপ-ফ্লপ
ব্যাখ্যা

• রেজিস্টার একটি মূলত তথ্য সংরক্ষণের উপাদান, যা কম্পিউটারের প্রসেসরে অস্থায়ীভাবে ডেটা রাখার জন্য ব্যবহৃত হয়। এটি সাধারণত ফ্লিপ-ফ্লপ দ্বারা গঠিত, কারণ ফ্লিপ-ফ্লপ একটি দ্বি-স্থিতিশীল সার্কিট যা একটি বিট তথ্য ধরে রাখতে সক্ষম। প্রতিটি ফ্লিপ-ফ্লপ একটি একক বিট সংরক্ষণ করতে পারে এবং অনেকগুলো ফ্লিপ-ফ্লপ একত্র করে একটি রেজিস্টার তৈরি করা হয়। যদিও সেমিকন্ডাক্টর, ট্রানজিস্টর ও ডায়োড ফ্লিপ-ফ্লপের নির্মাণে ব্যবহৃত হয়, সরাসরি রেজিস্টারের মূল উপকরণ হিসেবে ফ্লিপ-ফ্লপ বিবেচিত হয়।
- তাই রেজিস্টারের কার্যকরী এবং মৌলিক উপাদান হলো ফ্লিপ-ফ্লপ।


• ইন্টারনাল মেমরি:
- কম্পিউটারের ইন্টারনাল মেমরি বলতে রেজিস্টার ও ক্যাশ মেমরিকে বোঝানো হয়।

• রেজিস্টার:
- মূলত মাইক্রোপ্রসেসরের অস্থায়ী মেমরি রেজিস্টার হিসেবে কাজ করে।
- রেজিস্টার তৈরি হয় ফ্লিপ- ফ্লপের সাহায্যে।
- এগুলোর কাজ করার ক্ষমতা অত্যন্ত দ্রুত।
- মাইক্রোপ্রসেসরের কার্যাবলি সম্পাদানের জন্য এর অভ্যন্তরে বিভিন্ন ধরনের রেজিস্টার ব্যবহৃত হয়। যেমন- অ্যাকুমুলেটর, ইনস্ট্রাকশন রেজিস্টার, প্রোগ্রাম কাউন্টার ইত্যাদি।
- মাইক্রোপ্রসেসর যখন হিসাব-নিকাশের কার্যাবলি সম্পাদন করে তখন ডেটাকে সাময়িকভাবে জমা রাখার জন্য রেজিস্টারসমূহ ব্যবহৃত হয়।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

২২.
MICR-এর বিস্তারিত রূপ কী?
  1. Magnetic Ink Character Recognition
  2. Multi Ink Character Recognition
  3. Machine Integrated Code Reader
  4. Magnetic Information Code Reader
সঠিক উত্তর:
Magnetic Ink Character Recognition
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Magnetic Ink Character Recognition
ব্যাখ্যা

• MICR-এর পূর্ণরূপ হলো Magnetic Ink Character Recognition। এটি একটি প্রযুক্তি যার মাধ্যমে ব্যাংকিং খাতে চেক, ড্রাফট ও অন্যান্য আর্থিক নথিতে থাকা অক্ষর ও সংখ্যা স্বয়ংক্রিয়ভাবে সনাক্ত করা যায়। MICR কালি ব্যবহার করে লেখা হয়, যা চৌম্বকীয়ভাবে সক্রিয় এবং বিশেষ যন্ত্র দিয়ে পড়া যায়। এটি তথ্য প্রক্রিয়াকরণকে দ্রুত এবং সঠিক করে তোলে, কারণ মানুষের হাতে পড়ার সময় ত্রুটি কম হয়। মূলত ব্যাংকগুলো চেক ক্লিয়ারিং প্রক্রিয়ায় এই প্রযুক্তি ব্যবহার করে থাকে।

উত্তর: ক) Magnetic Ink Character Recognition.

• MICR:
- MICR এর পূর্ণরূপ Magnetic Ink Character Recognition/Reader.
- MICR চেক ব্যাংক লেনদেনের জন্য নিরাপদ এবং সময় সাশ্রয়ী।
- MICR এমন একটি প্রযুক্তি, যার মাধ্যমে চেকের বৈধতা যাচাই করা যায়।
- এতে চুম্বকীয় কালি (Magnetic Ink) ব্যবহার করা হয়।
- এই চেক স্ক্যান করার সময় এর চুম্বকীয় ডিজিট, কম্পিউটার নির্দিষ্ট সফটওয়্যারের মাধ্যমে পাঠ করে এবং ব্যবহারের জন্য সংরক্ষণ করে।

সকল রিলায়েবল সোর্সেই MICR এর পূর্ণরূপ হিসাবে Magnetic Ink Character Recognition এর কথা বলা হয়েছে।
তবে অপশনে Recognition না থেকে শুধু reader দেওয়া থাকলে উত্তর হিসাবে Magnetic Ink Character Reader দেয়া যাবে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি মাহবুবুর রহমান, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।

২৩.
কোনটি কম্পিউটারের জন্য অ্যান্টিভাইরাস হিসেবে পরিচিত?
  1. স্টোন
  2. ঢাকা
  3. মাইক্রো
  4. পান্ডা
সঠিক উত্তর:
পান্ডা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পান্ডা
ব্যাখ্যা

• কম্পিউটারের জন্য অ্যান্টিভাইরাস হিসেবে পরিচিত পান্ডা। এটি একটি সফটওয়্যার যা কম্পিউটার বা মোবাইল ডিভাইসে ভাইরাস, ম্যালওয়্যার, ট্রোজান এবং অন্যান্য ক্ষতিকর প্রোগ্রাম সনাক্ত ও দূর করতে সাহায্য করে। অ্যান্টিভাইরাস ব্যবহার করলে ডিভাইসের ডেটা নিরাপদ থাকে এবং সিস্টেমের কর্মক্ষমতা ঠিক থাকে। বাজারে বিভিন্ন অ্যান্টিভাইরাস পাওয়া যায়, তবে পান্ডা বিশেষভাবে বিশ্বব্যাপী পরিচিত এবং ব্যবহারকারীদের মধ্যে জনপ্রিয়। এটি স্বয়ংক্রিয়ভাবে ভাইরাস স্ক্যান ও আপডেট করতে সক্ষম, যা কম্পিউটার সুরক্ষার জন্য অত্যন্ত জরুরি।

- সঠিক উত্তর: ঘ) পান্ডা।

• এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার:
- কম্পিউটারে ভাইরাসের আক্রমণ থেকে রক্ষা পেতে এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার ব্যবহার করা হয়।
- এন্টিভাইরাস ব্যবহার করলে কম্পিউটারে ভাইরাস আক্রমণের পূর্বেই তা রোধ করে অথবা ব্যবহারকারীকে সতর্ক করে দেয়।

• উল্লেখযোগ্য কয়েকটি এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার:
- এভিজি এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার,
- অ্যাভাস্ট এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার,
- নরটন এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার,
- এভিরা এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার,
- পান্ডা এন্টিভাইরাস,
- কোবরা এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার ইত্যাদি।

• কম্পিউটার ভাইরাস:
- প্রখ্যাত গবেষক ফ্রেড কোহেন কম্পিউটার ভাইরাসের নামকরণ করেন।
- মূলত কম্পিউটার ভাইরাস কম্পিউটারে প্রবেশ করার পর ভাইরাসের বংশবিস্তার হতে থাকে এবং একপর্যায়ে সম্পূর্ণ কম্পিউটারকে সংক্রমিত করে অচল করে দেয়।

• উল্লেখযোগ্য কয়েকটি কম্পিউটার ভাইরাস:
- ভিবিএস/হেল্পার,
- ওয়ার্ম,
- ভিবিএস/আকুই,
- ট্রোজান হর্স,
- এক্স ৯৭এম/হপার.আর,
- মাইক্রো ভাইরাস,
- বুট সেক্টর ভাইরাস,
- জেরুজালেম,
- স্টোন,
- ঢাকা ভাইরাস,
- ভিয়েনা,
- সিআইএইচ ইত্যাদি।

উৎস:
- মৌলক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
- ব্রিটানিকা।

২৪.
OS-এর মূল কম্পোনেন্ট কী নামে পরিচিত?
  1. কার্নেল
  2. চিপ
  3. বায়োস
  4. শেল
সঠিক উত্তর:
কার্নেল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কার্নেল
ব্যাখ্যা

• অপারেটিং সিস্টেমের (OS) মূল কম্পোনেন্টকে কার্নেল (Kernel) নামে পরিচিত। কার্নেল হলো OS-এর অন্তর্নিহিত অংশ, যা সরাসরি হার্ডওয়্যারের সঙ্গে কাজ করে এবং সিস্টেমের বিভিন্ন রিসোর্স যেমন CPU, মেমরি, ডিভাইস ইত্যাদিকে নিয়ন্ত্রণ ও পরিচালনা করে। এটি প্রোগ্রাম এবং হার্ডওয়্যারের মধ্যে মধ্যস্থতাকারীর কাজ করে, যাতে ব্যবহারকারীর প্রোগ্রাম নিরাপদ ও কার্যকরভাবে চলতে পারে। কার্নেল ছাড়া OS কার্যকরভাবে কাজ করতে পারে না, কারণ এটি সিস্টেমের মূল ফাংশন যেমন প্রসেস ম্যানেজমেন্ট, মেমরি ম্যানেজমেন্ট এবং ইনপুট-আউটপুট নিয়ন্ত্রণ সামলায়।
- সুতরাং, OS-এর মূল কম্পোনেন্ট হল কার্নেল।

 
 • কার্নেল (Kernel):
- অপারেটিং সিস্টেমের মূল অংশের নাম হলো কার্নেল।
- কার্নেল হলো অপারেটিং সিস্টেমের মৌলিক এবং সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অংশ যা হার্ডওয়্যার এবং সফটওয়্যার এর মধ্যে যোগদান করে অপারেটিং সিস্টেমকে চালু এবং পরিচালনা করে।

• কার্নেলের কাজ:
- সিপিইউ শিডিউলিংয়ের দায়িত্ব পালন করা হয়।
- ইনকামিং প্রক্রিয়ার অবস্থা নির্ধারণ এবং টাস্ক ব্যবস্থাপনা নিয়ন্ত্রণের জন্য ব্যবহৃত হয়।
- মেমরি ম্যানেজমেন্ট এবং ডিভাইস ম্যানেজমেন্টের কাজ পরিচালনা করে।
- ইনপুট/আউটপুট ডিভাইসের সাথে কম্পিউটারের কেন্দ্রীয় প্রক্রিয়াকরণ ইউনিটের সংযোগ স্থাপন করা হয়।

উৎস:
- sciencedirect [link]

২৫.
বুলিয়ান অ্যালজেবরায় কমপ্লিমেন্ট বা পূরক বের করতে কোন লজিক গেইট ব্যবহৃত হয়?
  1. নর গেইট
  2. অ্যান্ড গেইট
  3. অর গেইট
  4. নট গেইট
সঠিক উত্তর:
নট গেইট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নট গেইট
ব্যাখ্যা

• বুলিয়ান অ্যালজেবরায় কোনো ভেরিয়েবলের কমপ্লিমেন্ট বা পূরক বের করার জন্য নট গেইট (NOT gate) ব্যবহৃত হয়। নট গেইট ইনপুটের মান উল্টে দেয়। অর্থাৎ, যদি ইনপুট ১ হয়, আউটপুট হবে ০, আর যদি ইনপুট ০ হয়, আউটপুট হবে ১। এটি এক ধরনের ইউনারি গেইট, যা শুধুমাত্র একটি ইনপুট নেয় এবং তার বিপরীত আউটপুট দেয়। কমপ্লিমেন্ট বের করার ক্ষেত্রে নট গেইট সবচেয়ে মৌলিক এবং গুরুত্বপূর্ণ।
- তাই সঠিক উত্তর হলো ঘ) নট গেইট।

 
 • লজিক গেইট:
- লজিক গেইট হচ্ছে এক ধরনের ইলেকট্রনিক সার্কিট যা এক বা একাধিক ইনপুট গ্রহণ করে কোন যুক্তির ভিত্তিতে একটি মাত্র আউটপুট প্রদান করে।
- লজিক গেইটে ব্যবহৃত দুটি ইনপুট হলো 1 এবং 0।

• মৌলিক লজিক গেইট তিনটি। যথা:
১. অর গেইট:
- বুলিয়ান অ্যালজেবরার যোগের কাজ সম্পাদনের জন্য অর লজিক গেইট ব্যবহার করা হয়।

২. অ্যান্ড গেইট:
- বুলিয়ান অ্যালজেবরার গুণনের কাজ সম্পাদনের জন্য এন্ড লজিক গেইট ব্যবহার করা হয়।

৩. নট গেইট:
- বুলিয়ান অ্যালজেবরার পূরকের কাজ সম্পাদনের জন্য নট লজিক গেইট ব্যবহার করা হয়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।

২৬.
কোন ভাইরাসটিকে Spacefiller বলা হয়?
  1. Trojan Horse
  2. CIH
  3. Worm
  4. Avira
সঠিক উত্তর:
CIH
উত্তর
সঠিক উত্তর:
CIH
ব্যাখ্যা

• “Spacefiller” শব্দটি মূলত এমন ধরনের ভাইরাসের জন্য ব্যবহৃত হয় যা ফাইলের ফাঁকা স্থানে (unused space) প্রবেশ করে এবং ফাইলের আকার বাড়ায় না। এটি মূলত ফাইল-ভিত্তিক ভাইরাসের একটি বিশেষ প্রকার। এই ধরনের ভাইরাস ফাইল সিস্টেমে সহজে শনাক্ত হয় না এবং কম্পিউটারের কাজকে প্রভাবিত করতে পারে।
- দেওয়া অপশনগুলোর মধ্যে Trojan Horse, CIH, Worm, এবং Avira-এর মধ্যে, Spacefiller ভাইরাস হল CIH. CIH ভাইরাসের আরেক নাম “Chernobyl” ভাইরাস, যা ফাইলের ফাঁকা স্থানে প্রবেশ করে ফাইলের আকার না বাড়িয়ে ক্ষতি করতে পারে। এটি কম্পিউটারকে ধ্বংসাত্মকভাবে প্রভাবিত করার জন্য পরিচিত।


• কম্পিউটার ভাইরাস:
- কম্পিউটার ভাইরাস একটি ক্ষতিকারক প্রােগ্রাম।।
- CIH ভাইরাসের রচয়িতা Chen Ing-hau (চেন ইং-হাও) যিনি তাইওয়ানের Tatung University এর ছাত্র ছিলেন।
- তার নামের আদ্যাক্ষর নিয়েই মূলত এই ভাইরাসের নামকরণ করা হয়েছে- Chen Ing-hau (CIH)।
- চেরনোবিল ভাইরাস কে CIH ভাইরাসও বলা হয়।
- CIH ভাইরাসকে Chernobyl বা Spacefiller-ও বলা হয়।

• কয়েকটি কম্পিউটার ভাইরাসের নাম:
- ভিবিএস/হেল্পার,
- ওয়ার্ম,
- ভিবিএস/আকুই,
- ট্রোজান হর্স,
- এক্স ৯৭এম/হপার.আর,
- মাইক্রো ভাইরাস,
- বুট সেক্টর ভাইরাস,
- জেরুজালেম,
- স্টোন,
- ঢাকা ভাইরাস,
- ভিয়েনা,
- সিআইএইচ ইত্যাদি।

উৎস:
১. মাধ্যমিক কম্পিউটার শিক্ষা, নবম-দশম শ্রেণি।
২. মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

২৭.
নিচের কোনটি ডকুমেন্ট তৈরি করার সফটওয়্যার নয়?
  1. Qrater Pro
  2. Ms Word
  3. Word Perfect
  4. Word Star
সঠিক উত্তর:
Qrater Pro
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Qrater Pro
ব্যাখ্যা

• ডকুমেন্ট তৈরি করার সফটওয়্যার হলো এমন প্রোগ্রাম যা ব্যবহারকারীদের লেখা, রিপোর্ট, চিঠি বা অন্যান্য টেক্সট ফাইল তৈরি, সম্পাদনা এবং ফরম্যাট করার সুবিধা দেয়। এর মধ্যে Ms Word, Word Perfect এবং Word Star সুপরিচিত ডকুমেন্ট প্রসেসর। তবে Qrater Pro ডকুমেন্ট তৈরি করার জন্য নয়; এটি মূলত প্রুফরিডিং বা লেখা যাচাই করার কাজে ব্যবহৃত হয়।
- তাই প্রশ্নে উল্লিখিত চারটি অপশনের মধ্যে Qrater Pro হলো ডকুমেন্ট তৈরি করার সফটওয়্যার নয়। এটি মূলত লেখার মান পরীক্ষা এবং বানান বা ব্যাকরণ ঠিক করার জন্য ব্যবহৃত হয়।


• অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার:
- অ্যাপ্লিকেশন সফট্ওয়্যার কম্পিউটারে বিভিন্ন ধরনের ব্যবহারিক কাজের জন্য তৈরি হয়।
- ব্যবহারকারী যে সকল সফটওয়্যার ব্যবহার করে ব্যবহারিক সমস্যা সমাধান বা ডেটা প্রক্রিয়াকরণের কাজ করতে পারে তাকে অ্যাপ্লিকেশন প্রোগ্রাম বা ব্যবহারিক সফটওয়্যার বলা হয়।

যেমন-
• Word Processing Package Program: Word Star, Word Perfect, Ms Word, Word Note.
• Spreadsheet Package Program: Lotus 1-2-3, Ms-Excel, Qrater Pro.
• Database Package Program : dBase, Foxpro, Oracle, Informix, Access ইত্যাদি।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রােগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

২৮.
কোনটি ইউটিলিটি সফটওয়্যারের অন্তর্গত নয়?
  1. Backup Software
  2. Disk Defragmenter
  3. Compression tools
  4. Rename statement
সঠিক উত্তর:
Rename statement
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Rename statement
ব্যাখ্যা

• “Rename statement” ইউটিলিটি সফটওয়্যারের অন্তর্গত নয়। Rename statement ডাটা ডেফিনেশন ল্যাঙ্গুয়েজ। ইউটিলিটি সফটওয়্যার হলো সেই ধরনের প্রোগ্রাম যা কম্পিউটারের হার্ডওয়্যার এবং সফটওয়্যারের কার্যকারিতা উন্নত করতে, রক্ষণাবেক্ষণ করতে এবং সিস্টেম অপ্টিমাইজ করতে ব্যবহৃত হয়। উদাহরণ হিসেবে Backup Software, Disk Defragmenter এবং Compression tools অন্তর্ভুক্ত।
Backup Software ডেটা সুরক্ষার জন্য ব্যাকআপ তৈরি করে, Disk Defragmenter হার্ডডিস্কের ফাইলকে পুনর্বিন্যস্ত করে দ্রুততা বাড়ায়, আর Compression tools ফাইলের আকার কমায়। তবে Rename statement একটি প্রোগ্রামিং কমান্ড, যা কেবল ফাইল বা ভেরিয়েবলের নাম পরিবর্তনের কাজ করে, এটি সিস্টেম অপ্টিমাইজেশন বা রক্ষণাবেক্ষণের কাজে ব্যবহৃত হয় না।

• ইউটিলিটি সফটওয়্যার:
- সিস্টেম সফটওয়্যারে ইউটিলিটি প্রোগ্রাম অন্তর্ভুক্ত থাকে মূলত কাজ বের করা (যেমন- অনুলিপি তৈরি, প্রাইমারি স্টোরেজ পরিষ্কার রাখা ইত্যাদি) এবং রুটিন কাজের জন্য।
- কম্পিউটারে নতুন ফাইল তৈরি করা অথবা পুরানো ফাইল মুছে ফেলা অথবা ডিস্ককে ফরম্যাট করা এ ধরনের কাজগুলো ইউটিলিটি প্রোগ্রামের দ্বারা করা হয়ে থাকে।

• ইউটিলিটি সফটওয়্যারের উদাহরণ:
- Antivirus Software,
- Disk Cleanup,
- Disk Defragmenter,
- Backup Software,
- System Monitoring Utilities,
- System Cleanup Utilities
- Compression tools ইত্যাদি।

• ইউটিলিটি সফটওয়্যারের কাজ:
- সংরক্ষণ করা,
- কোনো কিছু ডিলিট করা,
- ডিস্ক ফরমেট ও
- অন্যান্য অ্যাপ্লিকেশন প্রোগ্রাম লোড করা ইত্যাদি।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, এমবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

২৯.
প্রাইভেট নেটওয়ার্ককে বাইরের আক্রমণ থেকে সুরক্ষিত রাখার জন্য কোনটি ব্যবহার করা হয়?
  1. Malware
  2. Firewall
  3. Access Point
  4. সবগুলোই
সঠিক উত্তর:
Firewall
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Firewall
ব্যাখ্যা

• প্রাইভেট নেটওয়ার্ককে বাইরের আক্রমণ থেকে সুরক্ষিত রাখার জন্য ফায়ারওয়াল (Firewall) ব্যবহার করা হয়। এটি একটি নিরাপত্তা ব্যবস্থা, যা নেটওয়ার্কে আসা এবং যাওয়া ডেটার উপর নিয়ন্ত্রণ রাখে। ফায়ারওয়াল অনুমোদিত ডেটাকে প্রবেশ করতে দেয় এবং সন্দেহজনক বা ক্ষতিকর ডেটাকে ব্লক করে। এটি হ্যাকার, ভাইরাস বা অন্যান্য অননুমোদিত অ্যাক্সেস থেকে নেটওয়ার্ককে সুরক্ষিত রাখে। অন্য অপশন যেমন ম্যালওয়্যার বা অ্যাক্সেস পয়েন্ট এই ধরনের সুরক্ষা সরাসরি প্রদান করে না।
- তাই সঠিক উত্তর হলো খ) Firewall.


• ফায়ারওয়াল:
- ফায়ারওয়াল (Firewall) ব্যবহৃত হয় নেটওয়ার্ক রিসোর্সকে অননুমোদিত ব্যবহারকারীর হাত থেকে রক্ষা করতে এবং সাইবার আক্রমণ প্রতিরোধে।
- অননুমোদিত ফায়ারওয়াল হলো এমন একটি নিরাপত্তা ব্যবস্থা যা একটি প্রতিষ্ঠানের নিজস্ব নেটওয়ার্ক (ইন্ট্রানেট) এবং ইন্টারনেট নেটওয়ার্কের মধ্যে অবৈধ অ্যাক্সেস নিয়ন্ত্রণ করে।
- ফায়ারওয়াল সাধারণত কম্পিউটারের সফটওয়্যারের নিরাপত্তা সুরক্ষিত করতে তৈরি করা হয়।
- একটি ফায়ারওয়ালের সাথে সাধারণত রাউটার (Router) বা ডেডিকেটেড সার্ভার (Dedicated server) যুক্ত থাকে, যা সম্পূর্ণ ফায়ারওয়াল হিসেবে কাজ করে।
- ফায়ারওয়াল একটি প্রতিষ্ঠানের গেইট কিপার (Gate Keeper) হিসেবে কাজ করে, যা প্রবেশ পথকে নিরাপদ রাখে এবং ডেটার ফিল্টারিং করে।
- ফায়ারওয়াল হ্যাকিং প্রতিরোধে সহায়ক হলেও সবসময় সফলভাবে প্রতিরোধ করতে পারে না।

উৎস:
১. মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২. কম্পিউটার শিক্ষা, এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩. ব্রিটানিকা।

৩০.
ASCII টেবিলে "B" এর মান কত?
  1. 97
  2. 65
  3. 66
  4. 67
সঠিক উত্তর:
66
উত্তর
সঠিক উত্তর:
66
ব্যাখ্যা

• ASCII (American Standard Code for Information Interchange) হলো একটি স্ট্যান্ডার্ড কোডিং সিস্টেম যা কম্পিউটার ও অন্যান্য ডিভাইসে অক্ষর, সংখ্যা এবং প্রতীককে বাইনারি ফরম্যাটে উপস্থাপন করে। প্রতিটি অক্ষরের একটি নির্দিষ্ট সংখ্যা মান থাকে।
যেমন, বড় হাতের "B" অক্ষরের ASCII মান হলো 66। তাই প্রদত্ত অপশন গুলোর মধ্যে সঠিক উত্তর হলো গ) 66। ASCII কোড ব্যবহার করে কম্পিউটার অক্ষরগুলিকে সনাক্ত করে এবং তথ্য প্রক্রিয়াকরণ সহজ হয়। বড় হাতের অক্ষরগুলো সাধারণত 65 থেকে 90 পর্যন্ত মানের মধ্যে থাকে।

 
 • অ্যাসকি কোড (ASCII Code):
- ASCII শব্দের পূর্ণরূপ হলো American Standard Code for Information Interchange.
- 1963 সালে আমেরিকান ন্যাশনাল স্ট্যান্ডার্ড ইনস্টিটিউড (ANSI) কর্তৃক ASCII কোডটি আবিষ্কৃত হয়।
- এটি বহুল ব্যবহৃত একটি 7 বিটের কোড, যার দ্বারা 128টি বিভিন্ন অংক, অক্ষরসহ বিভিন্ন চিহ্ন এবং আরো কতকগুলো বিশেষ চিহ্নকে প্রকাশ বা নির্দিষ্ট করা যায়।
এটি ASCII-7 কোড নামে পরিচিত।
- ASCII-7 কোডের সর্ব বামে একটি প্যারিটি বিট যোগ করলে ASCII-৪ কোড তৈরি হয়। ASCII-8 কোডের মাধ্যমে 256টি বিভিন্ন অংক, অক্ষরসহ বিভিন্ন চিহ্ন এবং আরো কতকগুলো বিশেষ চিহ্নকে প্রকাশ বা নির্দিষ্ট করা যায়।

'A' এর ASCII code = 65
'B' এর ASCII code = 66
'C' এর ASCII code = 67
'a' এর ASCII code = 97
'b' এর ASCII code = 98
'c' এর ASCII code = 99

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৩১.
SQL-এর সম্পূর্ণ রূপ কী?
  1. Systematic Question Logic
  2. Simple Query List
  3. Standard Question Language
  4. Structured Query Language
সঠিক উত্তর:
Structured Query Language
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Structured Query Language
ব্যাখ্যা

• SQL-এর সম্পূর্ণ রূপ হলো Structured Query Language (ঘ)। এটি একটি প্রোগ্রামিং ভাষা যা ডাটাবেস ব্যবস্থাপনায় ব্যবহৃত হয়। SQL ব্যবহার করে ব্যবহারকারীরা ডাটাবেসে তথ্য সংরক্ষণ, সংশোধন, আপডেট এবং অনুসন্ধান করতে পারে। এটি মূলত রিলেশনাল ডাটাবেস ম্যানেজমেন্ট সিস্টেমের (RDBMS) সাথে কাজ করে এবং ডাটার উপর বিভিন্ন ধরনের অপারেশন সম্পাদন করতে সাহায্য করে। SQL-এর মাধ্যমে সহজেই টেবিল তৈরি, তথ্য যোগ বা মুছে ফেলা, এবং জটিল কুয়েরি চালানো সম্ভব। তাই এটি ডাটাবেস ম্যানেজমেন্টে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
 
• SQL Query:
- SQL এর পুরো অর্থ হচ্ছে Structured Query Language।
- এটি একটি অনন্য শক্তিশালী ডাটা মেনিপুলেশন ও ডেফিনেশন ল্যাংগুয়েজ।
- রিলেশনাল ডাটাবেজ অ্যাকসেস করার জন্য SQL হচ্ছে একটি হাতিয়ার।
- অতীতে SQL কেবল মেইনফ্রেম কম্পিউটারে ব্যবহার করা হতো।
- বর্তমানে ডেস্কটপ কম্পিউটারেও রিলেশনাল ডাটাবেজ প্লাটফর্ম ব্যবহৃত হওয়ার ফলে SQL ব্যবহার শুরু হগুলো এক বা একাধিক ডাটাবেজ, টেবিল, কলাম ইনডেক্স ইত্যাদিতে প্রয়োগ করা যায়।
- অধিকাংশ SQL স্টেটমেন্টই ফলাফল হিসেবে এক সেট রেকর্ড প্রদান করে।
- ১৯৭৪ সালে IBM (International Business Machine) এর Research Center SQL তৈরি করা হয়েছে।

• SQL ফিচার সুবিধা:
- SQL ইংরেজি ভাষার কাছাকাছি একটি কোয়েরি ল্যাঙ্গুয়েজ। এতে SELECT, INSERT, DELETE এ রকম শব্দ দ্বারা কমান্ড সেট তৈরি করা হয়েছে।
- SQL একটি non-procedural ল্যাঙ্গুয়েজ। যে তথ্যাবলি দরকার কেবল তা বলে দিলেই হয়, কীভাবে কোয়েরি করা যাবে তা বলার দরকার হয় না।
- SQL একই সময়ে এক একটি রেকর্ডকে প্রসেস না করে বরং এক সেট রেকর্ড প্রসেস করে।
- SQL বিভিন্ন শ্রেণির ব্যবহারকারী ব্যবহার করতে পারে। যেমন- ডাটাবেজ এডমিনিস্ট্রেটর, প্রোগ্রামার, ম্যানেজমেন্ট বা বিভিন্ন এ্যান্ড ইউজারগণ।

• SQL বিভিন্ন শ্রেণির কার্যসম্পাদনের জন্য ব্যবহার করা যায়।যেমন-
- ডাটা কোয়েরি করা।
- ডাটা সন্নিবেশ, আপডেট বা মুছে ফেলা।
- ডাটাবেজ অবজেক্ট তৈরি, সংশোধন বা মুছে ফেলা।
- ডাটাবেজ অবজেক্ট অ্যাকসেস নিয়ন্ত্রণ।
- ডাটাবেজ Consistency-এর নিশ্চয়তা প্রদান।

উৎস: কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি-২, ভোকেশনাল।

৩২.
সিস্টেমে ঢুকে আর্থিক বা তথ্যগত ক্ষতি ঘটায় -
  1. গ্রে হ্যাট হ্যাকার
  2. হোয়াইট হ্যাট হ্যাকার
  3. ডার্ক হ্যাট হ্যাকার
  4. ব্ল‍্যাক হ্যাট হ্যাকার
সঠিক উত্তর:
ব্ল‍্যাক হ্যাট হ্যাকার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্ল‍্যাক হ্যাট হ্যাকার
ব্যাখ্যা

• সঠিক উত্তর হলো ঘ) ব্ল‍্যাক হ্যাট হ্যাকার।
ব্ল‍্যাক হ্যাট হ্যাকাররা কোনো প্রতিষ্ঠানের অনুমতি ছাড়া সিস্টেমে প্রবেশ করে এবং ব্যক্তিগত, আর্থিক বা সংবেদনশীল তথ্য চুরি করতে পারে। তারা সাধারণত লাভ বা ক্ষতি ঘটানোর উদ্দেশ্যে হ্যাকিং করে। অন্যদিকে, হোয়াইট হ্যাট হ্যাকাররা সিস্টেমের নিরাপত্তা পরীক্ষা করে এবং সমস্যাগুলো ঠিক করে, আর গ্রে হ্যাট হ্যাকাররা মাঝে মাঝে অনুমতি ছাড়া হ্যাক করে কিন্তু ক্ষতি করার উদ্দেশ্য থাকে না। ব্ল‍্যাক হ্যাট হ্যাকারদের কাজ অবৈধ এবং ক্ষতিকর।

• হ্যাকিং (Hacking):
প্রোগ্রাম রচনা ও প্রয়োগের মাধ্যমে কোনো কম্পিউটার সিস্টেম বা নেটওয়ার্কের ক্ষতিসাধন করাকে হ্যাকিং বলা হয়।

• বর্তমানে প্রধানত তিন ধরনের হ্যাকার দেখতে পাওয়া যায়। যথা-
ক. হোয়াইট হ্যাট হ্যাকার:
- সাধারণত এরা ডেটা বা সিস্টেমের ক্ষতি করে না, তবে কাজের ক্ষেত্রে ভীষণ দক্ষ হয়।

খ. ব্ল‍্যাক হ্যাট হ্যাকার:
- বিভিন্ন ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের গুরুত্বপূর্ণ তথ্য, আর্থিক তথ্যাদি হাতিয়ে নিয়ে আর্থিক ক্ষতিসাধন করে।

গ. গ্রে হ্যাট হ্যাকার:
- এরা নেটওয়ার্কের দুর্বলতাকে খুঁজে বের করে তা যথাযথ কর্তৃপক্ষকে অবহিত করে এবং দুর্বল দিকগুলোর ঠিক করার মাধ্যমে নেটওয়ার্কের সুরক্ষার জন্য কাজ করে অর্থ উপার্জন করে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।

৩৩.
গুগল কর্তৃক উদ্ভাবিত কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা কোনটি?
  1. Gemini
  2. Alexa
  3. Siri
  4. উপরের সবগুলো
সঠিক উত্তর:
Gemini
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Gemini
ব্যাখ্যা

• গুগল কর্তৃক উদ্ভাবিত কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা হলো Gemini. এটি গুগলের উন্নত প্রযুক্তি ব্যবহার করে মানুষের ভাষা বোঝার এবং প্রাসঙ্গিক উত্তর প্রদানের জন্য ডিজাইন করা হয়েছে।
অন্যদিকে, Alexa হলো অ্যামাজনের কণ্ঠভিত্তিক সহকারী এবং Siri হলো অ্যাপলের কণ্ঠভিত্তিক সহকারী। তাই এই তিনটির মধ্যে শুধুমাত্র Gemini গুগলের কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা। এটি বিভিন্ন কাজে ব্যবহারযোগ্য, যেমন তথ্য অনুসন্ধান, স্বয়ংক্রিয় উত্তর প্রদান এবং ব্যবহারকারীর সাথে স্বাভাবিক কথোপকথন চালানো।

• কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা:
- কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা হচ্ছে বিজ্ঞান এবং প্রযুক্তির সমন্বয়।
- মানুষ যেভাবে চিন্তা করে তেমনি কৃত্রিম উপায়ে কম্পিউটারে সেভাবে চিন্তা ভাবনার রূপদান করাকে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বলে।
- কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার প্রধান উদ্দেশ্য হলো কম্পিউটারকে উন্নত করা যাতে কম্পিউটার চিন্তা করার ক্ষমতা, পাশাপাশি দেখতে পারা, শুনতে পারা, হাঁটা এবং অনুভব করার ক্ষমতা পায়।

• কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তায় যেসব স্বতন্ত্র্য বৈশিষ্ট্য পরিলক্ষিত হয় তা নিম্নরূপ:
১। কোন বিষয় সম্পর্কে ধারণা গ্রহণ।
২। সমস্যার কারণ নির্ণয়পূর্বক সমাধানের পথ নির্দেশ।
৩। সিদ্ধান্ত গ্রহণ ক্ষমতা।
৪। সমস্যা সমাধানের ক্ষমতা।

৫।নতুন নতুন জ্ঞান অর্জন।
৬। ভাষা বুঝার ক্ষমতা।
৭। অর্জিত জ্ঞান কাজে লাগাবার মত সক্ষমতা।
৮। মানুষের মত অভিজ্ঞতা কাজে লাগানো।

৯। পরস্পর সম্পর্কিত বিভিন্ন বিষয় অনুধাবন এবং সাড়া দেয়ার ক্ষমতা।
১। ভুল, অপ্রাসঙ্গিক এবং অসম্পূর্ণ তথ্য-উপাত্ত পরিচালনা।
১১। জটিল অবস্থা অনুধাবন ও পরিচালনার ক্ষমতা।
১২। নতুন পরিস্থিতিতে খাপ খাইয়ে নেয়ার ক্ষমতা; ইত্যাদি।

- গুগলের তৈরিকৃত কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার নাম জেমিনি।
- জেমিনি নামের এই এআই একই সঙ্গে ছবি, ভিডিও, অডিও ও টেক্সটের মতো বিভিন্ন ধরনের মাল্টিমিডিয়া বুঝতে পারে এবং সে অনুযায়ী উত্তর দিতে পারে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৩৪.
এমবেডেড কম্পিউটার সাধারণ কম্পিউটার থেকে কীভাবে ভিন্ন?
  1. ইন্টারনেট ব্যবহার করতে পারে না
  2. আকারে বড় ও ব্যয়বহুল 
  3. নির্দিষ্ট কাজের জন্য ডিজাইন করা
  4. অপারেটিং সিস্টেম নেই
সঠিক উত্তর:
নির্দিষ্ট কাজের জন্য ডিজাইন করা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নির্দিষ্ট কাজের জন্য ডিজাইন করা
ব্যাখ্যা

• এমবেডেড কম্পিউটার সাধারণ কম্পিউটারের থেকে ভিন্ন কারণ এটি নির্দিষ্ট কাজের জন্য ডিজাইন করা হয়। সাধারণ কম্পিউটার যেমন ল্যাপটপ বা ডেস্কটপ বিভিন্ন ধরনের কাজ করতে পারে, যেমন ইন্টারনেট ব্রাউজিং, ডকুমেন্ট তৈরি বা গেম খেলা। কিন্তু এমবেডেড কম্পিউটার বিশেষ কোনো যন্ত্র বা সিস্টেমে যেমন ওয়াশিং মেশিন, মোবাইল ফোন বা গাড়ির নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থায় ব্যবহার হয় এবং শুধুমাত্র সেই নির্দিষ্ট কাজ সম্পাদনের জন্য প্রোগ্রাম করা থাকে। তাই এটি সাধারণ কম্পিউটারের মতো বহুমুখী নয়।

 এমবেডেড কম্পিউটার:
- এমবেডেড কম্পিউটার হলো একটি বিশেষায়িত কম্পিউটার সিস্টেম যা একটি বৃহৎ সিস্টেম বা মেশিনের অংশবিশেষ হিসাবে ব্যবহৃত হয়।
- এটি হলো মাইক্রোপ্রসেসর, সুনির্দিষ্ট নির্দেশনা সম্বলিত মেমরি বা রম এবং ইনপুট/আউটপুট সিস্টেমের সমন্বয়ে গঠিত এক প্রকার কম্পিউটার।
- এমবেডেড সিস্টেমে সাধারণত একটি মাইক্রোপ্রসেসর বোর্ড এবং কিছু সুনির্দিষ্ট প্রোগ্রাম সম্বলিত রম থাকে।
- আধুনিক এমবেডেড সিস্টেমে মাইক্রো কন্ট্রোলার এর ব্যবহার হয়।
- এতে মনিটর কিংবা অন্যান্য হার্ডওয়্যার থাকে না।
- সেল ফোন, এসি, প্রিন্টার, থার্মোস্ট্যাট, ভিডিও গেমস্, ATM, ওয়াশিং মেশিন, স্মার্ট ওয়াচ প্রভৃতিতে এমবেডেড সিস্টেম ব্যবহৃত হয়।
- এমবেডেড সিস্টেমে ব্যবহৃত জনপ্রিয় প্রোগ্রামিং ল্যাংগুয়েজ হচ্ছে— C, C++, Python, Java, Assembly. 

উৎস: 
- sciencedirect [link]

৩৫.
RFID কোন কোন ক্ষেত্রে প্রয়োগ করা হয়?
  1. স্বয়ংক্রিয় টোল আদায়
  2. সুরক্ষা ও উপস্থিতি ট্র্যাকিং
  3. স্টক ম্যানেজমেন্ট
  4. বর্ণিত সবগুলো
সঠিক উত্তর:
বর্ণিত সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বর্ণিত সবগুলো
ব্যাখ্যা

• RFID (Radio Frequency Identification) প্রযুক্তি বিভিন্ন ক্ষেত্রে ব্যবহার করা হয়। এটি স্বয়ংক্রিয় টোল আদায়ে ব্যবহার করা হয়, যার মাধ্যমে যানবাহনের তথ্য শনাক্ত করে দ্রুত টোল সংগ্রহ করা যায়। এছাড়াও, এটি সুরক্ষা ও উপস্থিতি ট্র্যাকিংয়ে কাজে লাগে, যেমন কর্মচারী বা ছাত্রদের উপস্থিতি নজরদারি করা। স্টক ম্যানেজমেন্টেও RFID ব্যবহৃত হয়, যাতে পণ্য বা মালামালের চলাচল ও অবস্থান সহজে ট্র্যাক করা যায়।
- তাই, উপরের সব ক্ষেত্রেই RFID প্রযুক্তি কার্যকরভাবে ব্যবহৃত হয়। উত্তর: ঘ) বর্ণিত সবগুলো।

 
• RFID:

- RFID প্রযুক্তি ১৯৭০ সাল থেকে বাণিজ্যিকভাবে ব্যবহার হয়।
- এর পূর্ণরূপ: Radio Frequency Identification.
- রেডিও ফ্রিকোয়েন্সি আইডেন্টিফিকেশন (RFID) একটি ওয়্যারলেস প্রযুক্তি।
- যা রেডিও তরঙ্গ ব্যবহার করে বস্তু বা ব্যক্তিকে চিহ্নিত করে।
- ২০ থেকে ৩০ ফুট পর্যন্ত দূরত্ব বস্তু চিহ্নিত করা যায়।​

• প্রযুক্তির উপাদান:
- ট্যাগ (Tag): ডিজিটাল তথ্য সংরক্ষণকারী চিপ ও অ্যান্টেনা।
- রিডার (Reader): ট্যাগ থেকে তথ্য পড়ে ডাটাবেসে প্রেরণকারী ডিভাইস।​

• কার্যপ্রণালী:
- রিডার রেডিও তরঙ্গ প্রেরণ করে।
- ট্যাগ সেই তরঙ্গ গ্রহণ করে তথ্য প্রেরণ করে।
- রিডার প্রাপ্ত তথ্য ডাটাবেসে আপডেট করে।​

• ব্যবহার ক্ষেত্রসমূহ:
- গাড়ির চাবি ও নিরাপত্তা প্রবেশ কার্ড: অ্যাক্সেস কন্ট্রোল।
- সুরক্ষা ও উপস্থিতি ট্র্যাকিং।
- স্বাস্থ্যসেবা ব্যবস্থাপনা।
- স্বয়ংক্রিয় টোল আদায়।
- স্টক ম্যানেজমেন্ট,
- পশুদের পরিচয় নিশ্চিতকরণ।​

• নিরাপত্তা ও গোপনীয়তা:
- RFID কার্ডে কোনো ব্যক্তিগত তথ্য সংরক্ষিত থাকে না।
- শুধু একটি নম্বর থাকে, যা নিরাপদ ডাটাবেসে সংরক্ষিত তথ্যের দিকে নির্দেশ করে।
- তথ্য এনক্রিপশন ও পাসওয়ার্ড সুরক্ষা ব্যবস্থার মাধ্যমে নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হয়।

• উদাহরণস্বরূপ:
- NEXUS, SENTRI, FAST.
- ১৯৯৫ সাল থেকে সীমান্তে যাত্রীদের দ্রুত প্রবেশের জন্য ভিসিনিটি RFID প্রযুক্তি ব্যবহার করে আসছে।

উৎস: US Homeland Security and Britannica. [Link]

৩৬.
প্লেজিয়ারিজম বলতে সাধারণত কী বোঝায়?
  1. নেটওয়ার্কে অযাচিত প্রবেশ করা
  2. ডেটাকে কম্পিউটার থেকে সরিয়ে ফেলা
  3. অন্যের লেখা চুরি করে নিজের নামে চালিয়ে দেওয়া
  4. বেশি পরিমাণে রিকোয়েস্ট পাঠায়ে সিস্টেম ক্র্যাশ করা
সঠিক উত্তর:
অন্যের লেখা চুরি করে নিজের নামে চালিয়ে দেওয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অন্যের লেখা চুরি করে নিজের নামে চালিয়ে দেওয়া
ব্যাখ্যা

• প্লেজিয়ারিজম বলতে সাধারণত অন্য কারো লেখা, গবেষণা, বা আইডিয়া চুরি করে তা নিজের নামে প্রকাশ করা বোঝায়। এটি শুধুমাত্র শব্দের অনুলিপি নয়, বরং অন্যের ভাবনা বা তথ্যকে নিজের মূল ধারণা হিসেবে উপস্থাপন করাটাও অন্তর্ভুক্ত। শিক্ষাক্ষেত্রে, লেখালেখি ও গবেষণায় এটি একটি গুরুতর অসদাচরণের মধ্যে গণ্য হয়। অনৈতিকভাবে কপিরাইট লঙ্ঘন করা, বা অন্যের অবদানকে মানসিকভাবে গ্রহণ না করে ব্যবহার করা, সবকিছুই প্লেজিয়ারিজমের মধ্যে পড়ে। তাই লেখালেখি বা প্রবন্ধে সঠিকভাবে উদ্ধৃতিসহ মূল লেখকের অবদান স্বীকৃতি দেওয়া জরুরি।

উত্তর: গ) অন্যের লেখা চুরি করে নিজের নামে চালিয়ে দেওয়া।

• সাইবার অপরাধ:
- বিভিন্ন ধরনের সাইবার অপরাধ হয়ে থাকে। নিচে অতি সংক্ষিপ্তভাবে অপরাধসমূহের তালিকা দেওয়া হলো:
- কম্পিউটার সিস্টেম অথবা নেটওয়ার্কে অযাচিত প্রবেশ করা।
- ইলেকট্রনিক ফর্মে থাকা তথ্য চুরি করা।
- প্লেজিয়ারিজম- অন্যের লেখা চুরি করে নিজের নামে চালিয়ে দেওয়া বা প্রকাশ করা।
- স্নিকিং- গোপনে ব্যবহারকারীর চোখ এড়িয়ে কম্পিউটার বা নেটওয়ার্ক সিস্টেমে প্রবেশ করে নিজের আওতায় আনা।

- ই-মেইল বম্বিং (বিশাল ই-মেইল পাঠানোর মাধ্যমে সিস্টেম ক্র্যাশ করা)।
- Data diddling (কম্পিউটার প্রসেসিং এর পূর্বে কোন ডেটাকে কম্পিউটার থেকে সরিয়ে ফেলা এবং প্রসেসিং সম্পন্ন হবার পর পুনরায় সে ডেটাকে কম্পিউটারে স্থাপন করা।)
- Salami Attack (অবৈধ আর্থিক বিনিময় কিংবা আর্থিক ক্ষতি সাধন।)
- Denial of Service Attack (বেশি পরিমাণে রিকোয়েস্ট পাঠায়ে সিস্টেম ক্র্যাশ করা)।

- ভাইরাস/ওয়ার্ম আক্রমণ।
- লজিক বম্ব (ইভেন্ট নির্ভর প্রোগ্রামের মাধ্যমে সিস্টেমে এ্যাটাক করা)।
- ট্রোজান এ্যাটাক (পরোক্ষভাবে কারো সিস্টেমে প্রবেশ করে সিস্টেমের কন্ট্রোল গ্রহণ করা।
- ইন্টারনেটের ব্যবহার্য সময় বা ইউনিট চুরি।
- ওয়েব সাইট হ্যাক করে তথ্য পরিবর্তন করা।

উৎস:
- কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি-২, ভোকেশনাল।
- তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।

৩৭.
কোনটি ডেটাবেস ম্যানেজমেন্ট টুল হিসেবে ব্যবহৃত হয় না?
  1. Google Docs
  2. Postgre SQL
  3. SQLite
  4. Oracle
সঠিক উত্তর:
Google Docs
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Google Docs
ব্যাখ্যা

• ডেটাবেস ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম (DBMS) হলো এমন সফটওয়্যার যা ডেটা সংরক্ষণ, পরিচালনা ও পুনরুদ্ধার সহজ করে। দেওয়া অপশনগুলির মধ্যে Google Docs ডেটাবেস ম্যানেজমেন্ট টুল নয়। এটি মূলত একটি অনলাইন ডকুমেন্ট এডিটিং এবং শেয়ারিং প্ল্যাটফর্ম। অন্যদিকে PostgreSQL, SQLite, এবং Oracle হলো জনপ্রিয় DBMS যা বিভিন্ন ধরণের ডেটা সংরক্ষণ ও পরিচালনার জন্য ব্যবহৃত হয়।
- তাই ডেটা ম্যানেজমেন্টের ক্ষেত্রে Google Docs এর কোনো ভূমিকা নেই।

• ডেটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম:
যে সফটওয়্যার ডেটা সংরক্ষণ, ব্যবহার ও ব্যবস্থাপনায় সাহায্য করে তা হচ্ছে ডেটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম।

• ডেটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম এর প্রধান ৩টি কাজ হচ্ছে:
- ডেটাবেজ তৈরি,
- ডেটাবেজ ইন্টারোগেশন ও
- ডেটাবেজ রক্ষণাবেক্ষণ।

• কয়েকটি DBMS উদাহরণ হচ্ছে-
১. মাইএসকিউএল (MySQL),
২. ওরাকল (Oracle),
৩. মাইক্রোসফট অ্যাকসেস (Micorsoft Access),
৪. মাইক্রোসফট এসকিউএল সার্ভার (Microsoft SQL Server),
৫. পোস্টগ্রি এসকিউএল (Postgre SQL),
৬. এসকিউলাইট (SQLite), ইত্যাদি।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, মো. মাহবুবুর রহমান।