উত্তর
ব্যাখ্যা
• হাড়ে ফ্র্যাকচার বা ভাঙা হাড় নির্ণয়ের জন্য রঞ্জন রশ্মি (X-ray) ব্যবহার করা হয়। রঞ্জন রশ্মি হাড়ের ঘনত্ব বেশি জায়গায় সহজেই প্রতিফলিত হয়, ফলে হাড় স্পষ্টভাবে দেখা যায়। এই রশ্মি শরীরের নরম অংশের মধ্য দিয়ে সহজে যেতে পারে, তাই হাড়ের অবস্থান, ফ্র্যাকচার বা অন্য কোনো অস্বাভাবিকতা নির্ধারণে এটি খুব কার্যকর। চিকিৎসক X-ray ছবি দেখে হাড়ের সঠিক ভাঙন ও চিকিৎসার পরিকল্পনা করতে পারেন। তাই হাড় পরীক্ষা করার জন্য সবচেয়ে সাধারণ এবং কার্যকর পদ্ধতি হলো রঞ্জন রশ্মি।
- উত্তর: ঘ) রঞ্জন রশ্মি।
• এক্সরে (রঞ্জন রশ্মি):
- জার্মান পদার্থবিদ উইলহেলম রন্টজেন এক্স-রশ্মি আবিষ্কার করেন।
- ১৮৯৫ সালে এক্স-রশ্মি আবিষ্কৃত হয়।
- এক্স-রশ্মি আবিষ্কারের জন্য বিজ্ঞানী রন্টজেন 1901 সালে নোবেল পুরষ্কার লাভ করেন।
- এটি একটি তড়িৎচুম্বকীয় তরঙ্গ।
- এক্স-রশ্মির তরঙ্গদৈর্ঘ্য 10- 8 m থেকে 10- 13 m পর্যন্ত।
- এক্স-রশ্মি উচ্চভেদন ক্ষমতাসম্পন্ন।
• এক্সরে এর ব্যবহার:
- হীরক সনাক্তকরণ,
- স্থানচ্যুত হাড়, হাড়ে দাগ বা ফাটল শনাক্ত করা,
- শরীরের ভিতরের কোন বস্তুর বা ফুসফুসে কোন ক্ষতের অবস্থান নির্ণয়,
- গোয়েন্দা বিভাগে কাঠের বাক্স বা চামড়ার থলিতে বিস্ফোরক রাখলে তা খুঁজে বের করতে এক্স রশ্মি বা রঞ্জন রশ্মি ব্যবহৃত হয়।
উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।