পরীক্ষা আর্কাইভ

ডেইলি কুইজ [২০০ দিন]

পরীক্ষাডেইলি কুইজ [২০০ দিন]তারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়09 minutes
মোট প্রশ্ন
সিলেবাস
বিষয় - সাধারণ বিজ্ঞান টপিক - ভৌত বিজ্ঞান: পদার্থ বিজ্ঞান বিষয়ক কাজ, শক্তি ও ক্ষমতা; তাপ ও তাপগতি বিদ্যা, পদার্থের গ্যাসীয় ধর্ম, আলোর প্রকৃতি, স্থির এবং চল তড়িৎ, আলোক বিজ্ঞান ও আলোক যন্ত্রপাতি, ট্রান্সফরমার, এক্সরে, তেজস্ক্রিয়তা। উৎস: ষষ্ঠ থেকে মাধ্যমিক শ্রেণির বিজ্ঞান বোর্ড বই, মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শ্রেণির পদার্থ বিজ্ঞান বোর্ড বই [NCTB ও উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়], ব্রিটানিকা, যেকোনো গাইডবই। [গাইড বই থেকে পড়ার ক্ষেত্রে কনফিউজিং বিষয়গুলো ক্রসচেক করে পড়া উত্তম।]।
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

ডেইলি কুইজ [২০০ দিন]

ডেইলি কুইজ [২০০ দিন] · তারিখ অনির্ধারিত · প্রশ্ন

.
সেলসিয়াস স্কেলে মৌলিক ব্যবধানকে সমান কতভাগে বিভক্ত করা হয়?
  1. 25 ভাগ
  2. 32 ভাগ
  3. 75 ভাগ
  4. 100 ভাগ
ব্যাখ্যা
সেলসিয়াস স্কেল: 
- যে স্কেলে বরফ বিন্দুকে 0° এবং স্টিম বিন্দুকে 100° ধরে মধ্যবর্তী মৌলিক ব্যবধানকে 100 ভাগে ভাগ করা হয়েছে, সেই স্কেলকে সেলসিয়াস স্কেল বলে। 
- সেলসিয়াস স্কেলের এক এক ভাগকে এক ডিগ্রি সেলসিয়াস (1° C) বলা হয়। 
যেহেতু, সেলসিয়াস স্কেলে θice = 0° C, θsteam = 100° C এবং N = θsteam - θice = 100° C - 0° C =  100° C. 
সুতরাং, সেলসিয়াস স্কেলের জন্য সমীকরটির রূপ হলো - 
(θ - 0° C)/100° C = (Xθ - Xice)/(Xsteam - Xice
বা, θ = (Xθ - Xice)/(Xsteam - Xice) × 100° C. 
- সেলসিয়াস স্কেলে থার্মোমিটার দাগাঙ্কের জন্য এই সমীকরণ ব্যবহার করা হয়। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান প্রথম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি (ড. শাহজাহান তপন)।
.
কিলোওয়াট-ঘণ্টা নিচের কোন রাশিটির একক নয়?
  1. কাজ
  2. শক্তি
  3. ক্ষমতা
  4. বিদ্যুৎশক্তি
ব্যাখ্যা
- কিলোওয়াট-ঘণ্টা 'ক্ষমতা' রাশিটির একক নয়। 

শক্তি: 

- কোনো বস্তুর কাজ করা সামর্থ্যকে শক্তি বলে। বস্তু সর্বমোট যতটুকু কাজ করতে পারে তা দিয়েই বস্তুর শক্তির পরিমাপ করা হয়। 
- কাজের মাত্রা ও শক্তির মাত্রা একই অর্থাৎ  ML2T -2
- কাজের একক ও শক্তির একক একই অর্থাৎ জুল (J)। 

কিলোওয়াট-ঘণ্টা: 
- সাধারণত বিদ্যুৎ শক্তির হিসাব-নিকাশের সময় কিলোওয়াট-ঘণ্টা (KWh) এককটি ব্যবহৃত হয়। 
- এক কিলোওয়াট ক্ষমতা সম্পন্ন কোনো যন্ত্র এক ঘণ্টা কাজ করলে যে শক্তি ব্যয় হউ তাকে এক কিলোওয়াট-ঘণ্টা বলে। 
1 KWh = 1000 Wh 
= 1000 J s -1 × 3600 s 
∴ 1 KWh = 3.6 × 106 J. 

অন্যদিকে, 
- বৈদ্যুতিক ক্ষমতার একক ওয়াট। 
- ক্ষমতা কাজ ও সময়ের মধ্যে সম্পর্ক নির্ধারণ করে। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় এবং পদার্থবিজ্ঞান প্রথম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি (ড. শাহজাহান তপন)।
.
আয়তন গুণাঙ্কের বিপরীত রাশি কোনটি?
  1. দৃড়তার গুণাঙ্ক
  2. সংনম্যতা
  3. ইয়ং গুণাঙ্ক
  4. পয়সনের অনুপাত
ব্যাখ্যা
আয়তন গুণাঙ্ক: 
- স্থিতিস্থাপক সীমার মধ্যে বস্তুর আয়তন পীড়ন ও আয়তন বিকৃতির অনুপাত একটি ধ্রুব সংখ্যা। এ ধ্রুব সংখ্যাকে বস্তুর উপাদানের আয়তন গুণাঙ্ক বলে। 
- আয়তন গুণাঙ্ককে B দ্বারা প্রকাশ করা হয়। 
অর্থাৎ, আয়তন গুণাঙ্ক, B = আয়তন পীড়ন/আয়তন বিকৃতি। 
- কঠিন, তরল ও গ্যাস সবারই আয়তন থাকায় আয়তন গুণাঙ্ক পদার্থের একটি সাধারণ বৈশিষ্ট্য। 

সংনম্যতা: 
- স্থিতিস্থাপক সীমার মধ্যে আয়তন বিকৃতি ও আয়তন পীড়নের অনুপাততে সংনম্যতা বলে। 
∴ সংনম্যতা =  আয়তন বিকৃতি/আয়তন পীড়ন = 1/(আয়তন পীড়ন/আয়তন বিকৃতি) = 1/আয়তন গুণাঙ্ক = 1/B. 
অর্থাৎ, সংনম্যতা হচ্ছে আয়তন গুণাঙ্কের বিপরীত রাশি। 
- আয়তন গুণাঙ্ককে তাই কখনো কখনো অসংনম্যতা বলা হয়। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান প্রথম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি (ড. শাহজাহান তপন)।
.
ওয়াট-এর সাথে অশ্বক্ষমতার সম্পর্ক কোনটি? 
  1. 1 H.P. = 550 W
  2. 1 H.P. = 3.6 × 106 W
  3. 1 H.P. = 746 W
  4. কোনোটিই নয়
ব্যাখ্যা
ওয়াট: 
- 1 সেকেন্ডে 1 জুল (J) কাজ করার ক্ষমতাকে 1 ওয়াট (W) বলে। 
∴ 1 W = 1 J s -1
1 কিলোওয়াট (kW) = 1000 ওয়াট (W) 
1 মেগাওয়াট (MW) = 1000 কিলোওয়াট (kW) = 106 W = 106 Hs-1

অশ্বক্ষমতা: 
- এককের আন্তর্জাতিক পদ্ধতি চালুর পূর্বে ক্ষমতার একটি ব্যবহারিক একক ছিল অশ্বক্ষমতা। 
- ওয়াট-এর সাথে অশ্বক্ষমতার সম্পর্ক হলো - 
1 H.P. = 746 Watt. 

উৎস:
পদার্থবিজ্ঞান প্রথম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি (ড. শাহজাহান তপন)।
.
কোন বিজ্ঞানী সর্বপ্রথম কাজ ও তাপের মধ্যে একটি সম্পর্ক স্থাপন করেন?
  1. জুল
  2. ফ্যারাডে
  3. নিউটন
  4. গ্যালিলিও
ব্যাখ্যা
তাপগতিবিদ্যার প্রথম সূত্র: 
- কাজ তথা যান্ত্রিক শক্তিকে তাপে বা তাপশক্তিকে কাজে তথা যান্ত্রিক শক্তিতে রূপান্তরিত করা হলে যান্ত্রিক শক্তি এবং তাপ পরস্পরের সমানুপাতিক হবে। 
সুতরাং, W ∝ H. 
বা, W = JH 
এখানে, W হলো কাজের পরিমাণ, H হলো তাপের পরিমাণ এবং J হচ্ছে জুলের ধ্রুবক। J কে তাপের যান্ত্রিক সমতা বা জুল তুল্যাঙ্কও বলা হয়। 
- বিজ্ঞানী জুল সর্বপ্রথম কাজ ও তাপের মধ্যে সম্পর্ক স্থাপন করেন এবং এ সম্পর্কটি একটি সূত্রের সাহায্যে প্রকাশ করেন। 
- এ সূত্রকে জুলের সূত্র আবার তাপগতিবিদ্যার প্রথম সূত্রও বলা হয়। 

উৎস: পদার্থ প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
কোন প্রক্রিয়ায় এনট্রপির কোনো পরিবর্তন হয় না?
  1. সমচাপ প্রক্রিয়া
  2. সমোষ্ণ প্রক্রিয়া
  3. রুদ্ধতাপীয় প্রক্রিয়া
  4. অপ্রত্যাবর্তী প্রক্রিয়া
ব্যাখ্যা
এনট্রপি: 
- কোনো সিষ্টেমের বিশৃঙ্খলা সূচক পরিমাপকে এন্ট্রপি বলে।
- আমরা জানি, কোনো গ্যাসকে রুদ্ধতাপীয় প্রক্রিয়ায় সঙ্কুচিত করার সময় কিছু কাজ করা হয়। ফলে গ্যাসের অভ্যন্তরীণ শক্তি এবং তাপমাত্রা বৃদ্ধি পায়।
- আবার রুদ্ধতাপীয় প্রক্রিয়ায় গ্যাসকে প্রসারিত হতে দিলে গ্যাসকে কিছু কাজ করতে হয়। অন্তর্নিহিত শক্তির দ্বারা গ্যাস এই কাজ করে। ফলে গ্যাসের অভ্যন্তরীণ শক্তি ও তাপমাত্রা উভয়েই হ্রাস পায়।
- বিজ্ঞানী ক্লসিয়াস তাপগতিবিদ্যার দ্বিতীয় সূত্র নিয়ে পরীক্ষা-নিরীক্ষার সময় উপলব্ধি করেন যে, সমোষ্ণ প্রক্রিয়ায় যেমন তাপমাত্রা স্থির থাকে, রুদ্ধতাপীয় প্রক্রিয়াও তেমনি কোনো একটি রাশি স্থির থাকে।
- ক্লসিয়াস এই রাশিটির নাম দেন এনট্রপি। 
- রুদ্ধতাপীয় প্রক্রিয়ায় এনট্রপির কোনো পরিবর্তন হয় না। 
- পৃথিবীর এনট্রপি ক্রমাগত বাড়ছে। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় এবং পদার্থবিজ্ঞান প্রথম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি (ড. শাহজাহান তপন)।
.
তরল পদার্থের প্রসারণ বলতে বুঝায় - 
  1. আয়তন প্রসারণ
  2. ক্ষেত্র প্রসারণ
  3. দৈর্ঘ্য প্রসারণ
  4. তলীয় প্রসারণ
ব্যাখ্যা
তরল পদার্থের প্রসারণ: 
- তাপ প্রয়োগে কঠিন পদার্থের মতো তরল পদার্থেরও প্রসারণ ঘটে। 
- কঠিন পদার্থের সুনির্দিষ্ট আকার থাকায় এর বিভিন্ন প্রসারণ স্পষ্টভাবে প্রতিভাত হয়। এর দৈর্ঘ্য, ক্ষেত্রফল এবং আয়তনের প্রসারণ সম্পর্কে সুস্পষ্ট ধারণা সহজ হয়। 
- কিন্তু তরল পদার্থের নির্দিষ্ট আয়তন থাকলেও আকার বা দৈর্ঘ্য নেই। 
- যে পাত্রে রাখা হয় সেই পাত্রের আকার ধারণ করে। 
- তাপের প্রভাবে তরল পদার্থের আয়তনের পরিবর্তনই কেবল প্রতীয়মান হয়। 
- তাই তরল পদার্থের প্রসারণ বলতে এর আয়তনের প্রসারণকেই বুঝায়। 
- পরীক্ষা করে দেখা গেছে, একই পরিমাণ তাপ প্রয়োগে সম আয়তনের কঠিন পদার্থের তুলনায় তরল পদার্থের আয়তনের প্রসারণ বেশি হয়। 
- আবার একই পরিমাণ তাপে বিভিন্ন প্রকার তরলের প্রসারণের পরিমাণও সমান হয় না। 
- তাপে পদার্থের প্রসারণ পর্যবেক্ষণের জন্য ঐ পদার্থকে তাপ দিতে হয়। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
.
রোধ কোন বিষয়ের উপর নির্ভর করে না?
  1. উপাদান
  2. তড়িৎ প্রবাহ
  3. দৈর্ঘ্য
  4. প্রস্থচ্ছেদের ক্ষেত্রফল
ব্যাখ্যা
রোধ: 
- পরিবাহীর যে ধর্মের জন্য এর মধ্য দিয়ে তড়িৎ প্রবাহ বিঘ্নিত হয় তাকে রোধ বলে। 

রোধের নির্ভরশীলতা: 
- কোনো পরিবাহীর রোধ চারটি বিষয়ের উপর নির্ভর করে।  
যথা- 
১.পরিবাহীর দৈর্ঘ্য,
২.পরিবাহীর প্রস্থচ্ছেদের ক্ষেত্রফল
৩.পরিবাহীর উপাদান এবং 
৪.পরিবাহীর তাপমাত্রা। 

- রোধের এস.আই. বা আন্তর্জাতিক একক হচ্ছে ও'ম। 
- কোনো পরিবাহীর রোধ 50 Ω বলতে বোঝায় এর দুই প্রান্তের বিভব পার্থক্য 50 V হলে এর মধ্যদিয়ে 1 A তড়িৎ প্রবাহ চলবে। 
- আন্তর্জাতিক পদ্ধতিতে প্রবাহের একক হলো অ্যাম্পিয়ার (A)। 
- আন্তর্জাতিক পদ্ধতিতে বিভব পার্থক্যের একক হলো ভোল্ট (V)।  

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান প্রথম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি (ড. শাহজাহান তপন)।