পরীক্ষা আর্কাইভ

১৪তম - ২০তম গ্রেড পরীক্ষার প্রস্তুতি

পরীক্ষা১৪তম - ২০তম গ্রেড পরীক্ষার প্রস্তুতিতারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়09 minutes
মোট প্রশ্ন
সিলেবাস
পরীক্ষা - ৩৫ --------------- সাধারণ জ্ঞান: পরীক্ষা - ৯ টপিক: [বাংলাদেশের সংবিধান] ১. প্রস্তাবনা ও বৈশিষ্ট্য ২. রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতিসমূহ ৩. মৌলিক অধিকারস্মূহ ৪. গুরত্বপূর্ণ অনুচ্ছেদ সমূহ ৫. সংবিধানের সংশোধনীসমূহ
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

১৪তম - ২০তম গ্রেড পরীক্ষার প্রস্তুতি

১৪তম - ২০তম গ্রেড পরীক্ষার প্রস্তুতি · তারিখ অনির্ধারিত · প্রশ্ন

.
তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা করা হয়েছিল বাংলাদেশ সংবিধানের কোন সংশোধনীর মাধ্যমে?
  1. পঞ্চদশ সংশোধনী
  2. ত্রয়োদশ সংশোধনী
  3. ষষ্ঠদশ সংশোধনী
  4. চতুর্থ সংশোধনী
ব্যাখ্যা
• ত্রয়োদশ সংশোধনী: 
- তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা করা হয়েছিল বাংলাদেশ সংবিধানের ত্রয়োদশ সংশোধনীর মাধ্যমে।
১৯৯৬ সালের ২৭ মার্চ সংবিধানের ত্রয়োদশ সংশোধনী গৃহীত হয়।
- এই সংশোধনীর মাধ্যমে অবাধ ও নিরপেক্ষ জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠানের জন্যে তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থার বিধান সংবিধানে সন্নিবেশ করা হয়।

• পঞ্চদশ সংশোধনী: 
- পঞ্চদশ সংশোধনী আইন  সংবিধান আইন ২০১১ (পঞ্চদশ সংশোধনী) পাস হয় ২০১১ সালের ২৫ জুন।
- এই সংশোধনী দ্বারা সংবিধানে ধর্মনিরপেক্ষতা ও ধর্মীয় স্বাধীনতা পুনর্বহাল করা হয় এবং রাষ্টীয় মুলনীতি হিসেবে জাতীয়তাবাদ, সমাজতন্ত্র, গণতন্ত্র ও ধর্মনিরপেক্ষতার নীতি সংযোজন করা হয়।
- এই সংশোধনীর মাধ্যমে দেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের নায়ক শেখ মুজিবুর রহমানকে জাতির জনক হিসেবে স্বীকৃতিও দেয়া হয়।
 - এই সংশোধনীর দ্বারা তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা বাতিল করা হয়, জাতীয় সংসদে মহিলাদের জন্য সংরক্ষিত আসন সংখ্যা বিদ্যমান ৪৫-এর স্থলে ৫০ করা হয়।
- সংবিধানে ৭ অনুচ্ছেদের পরে ৭ (ক) ও ৭ (খ) অনুচ্ছেদ সংযোজন করে সংবিধান বহির্ভূত পন্থায় রাষ্টীয় ক্ষমতা দখলের পথ রুদ্ধ করা হয়। 

উৎস:- বাংলাপিডিয়া।
.
বাংলাদেশ সংবিধানের কত নং অনুচ্ছেদে 'সুপ্রীম কোর্ট প্রতিষ্ঠা'র কথা বলা হয়েছে?
  1. ৯৫নং অনুচ্ছেদে
  2. ৯৪নং অনুচ্ছেদে
  3. ৯৭নং অনুচ্ছেদে
  4. ১০০নং অনুচ্ছেদে
ব্যাখ্যা
• সুপ্রীম কোর্ট প্রতিষ্ঠা:
- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের ষষ্ঠ ভাগে বাংলাদেশ সুপ্রীম কোর্টের এখতিয়ার বর্ণিত হয়েছে।
- সংবিধানের ৯৪ (১) অনুচ্ছেদে বর্ণিত হয়েছে যে, আপিল বিভাগ এবং হাইকোর্ট বিভাগ নিয়ে বাংলাদেশের জন্য সুপ্রীম কোর্ট গঠিত হবে। 

অন্যদিকে: 
- ৯৫নং অনুচ্ছেদে বিচারক-নিয়োগ। 
- ৯৭নং অনুচ্ছেদে অস্থায়ী প্রধান বিচারপতি নিয়োগ। 
- ১০০নং অনুচ্ছেদে সুপ্রীম কোর্টের আসন। 

সূত্র: বাংলাদেশের সংবিধান।
.
বাংলাদেশের সংবিধান অনুসারে, কার সম্মতি ব্যতীত যুদ্ধ ঘোষণা করা যাবেনা?
  1. রাষ্ট্রপতির
  2. সুপ্রিমকোর্টের
  3. প্রধানমন্ত্রীর
  4. সংসদের
ব্যাখ্যা
• সংবিধান:
- ১১ এপ্রিল ১৯৭২ সালে গণপরিষদের প্রথম অধিবেশনের দ্বিতীয় দিন।
- এদিন পরিষদের সামনে সকল প্রস্তাব উত্থাপন করেন আইনমন্ত্রী ড. কামাল হোসেন।
- শুধু 'খসড়া সংবিধান প্রণয়ন কমিটি' সংক্রান্ত প্রস্তাবটি গণপরিষদে উত্থাপন করেন যোগাযোগ মন্ত্রী এম মনসুর আলী।
- সংবিধানের খসড়া প্রণয়নের লক্ষ্যে ১৯৭২ সালের ১১ এপ্রিল ড. কামাল হোসেনকে  আহবায়ক করে ৩৪ সদস্যবিশিষ্ট একটি কমিটি গঠন করা হয়।

• অনুচ্ছেদ - ৬৩ : যুদ্ধ - 

১. সংসদের সম্মতি ব্যতীত যুদ্ধ ঘোষণা করা যাবে না কিংবা প্রজাতন্ত্র কোন যুদ্ধে অংশ গ্রহণ করবে না।

উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান।
.
৭ই মার্চের ঐতিহাসিক ভাষণকে সংবিধানের কোন তফসিলে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে?
  1. চতুর্থ তফসিল
  2. ষষ্ঠ তফসিল
  3. সপ্তম তফসিল
  4. পঞ্চম তফসিল
ব্যাখ্যা
• সংবিধানের তফসিল:
- বাংলাদেশ সংবিধানে মোট ৭টি তফসিল সংযোজন করা হয়েছে।

৭টি তফসিল:
- প্রথম তফসিল: অন্যান্য বিধান সত্ত্বেও কার্যকর আইন।
- দ্বিতীয় তফসিল: রাষ্ট্রপতি নির্বাচন (বর্তমানে বিলুপ্ত)।
- তৃতীয় তফসিল: শপথ ও ঘোষণা।
- চতুর্থ তফসিল: ক্রান্তিকালীন ও অস্থায়ী বিধানবলী।
- পঞ্চম তফসিল: ১৯৭১ সালের ৭ মার্চের ঢাকার রেসকোর্স ময়দানে বঙ্গবন্ধুর দেওয়া ঐতিহাসিক ভাষণ।
- ষষ্ঠ তফসিল: ১৯৭১ সালের ২৬ মার্চের স্বাধীনতার ঘোষণা।
- সপ্তম তফসিল: ১৯৭১ সালের ১০ এপ্রিল মুজিবনগর সরকারের স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র।

উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান - আরিফ খান।
.
কার পূর্ব অনুমোদন ব্যতীত বাংলাদেশের কোনো নাগরিক কোনো বিদেশি রাষ্ট্রের নিকট থেকে কোন খেতাব, সম্মান, পুরস্কার বা ভূষণ গ্রহণ করতে পারবে না?
  1. স্পীকার
  2. প্রধানমন্ত্রী
  3. রাষ্ট্রপতি
  4. প্রধান বিচারপতি
ব্যাখ্যা
• বাংলাদেশের কোনো নাগরিক কোনো বিদেশি রাষ্ট্রের নিকট থেকে কোন খেতাব, সম্মান, পুরস্কার বা ভূষণ গ্রহণ করার পূর্বে রাষ্ট্রপতির  অনুমোদন লাগবে। 

• সংবিধানের ৩০ নং অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে: 
- রাষ্ট্রপতির পূর্বানুমোদন ব্যতীত কোন নাগরিক কোন বিদেশী রাষ্ট্রের নিকট হইতে কোন উপাধি, খেতাব, সম্মান, পুরস্কার বা ভূষণ গ্রহণ করিবেন না। 

সূত্র: বাংলাদেশের সংবিধান।
.
বাংলাদেশ সংবিধানের কত নং অনুচ্ছেদে ‘ন্যায়পাল’ এর কথা উল্লেখ করা হয়েছে?
  1. অনুচ্ছেদ - ৭৬
  2. অনুচ্ছেদ - ৭৭
  3. অনুচ্ছেদ - ৭৩
  4. অনুচ্ছেদ - ৭১
ব্যাখ্যা
- সংবিধানের ৭৭ নং অনুচ্ছেদে ‘ন্যায়পাল’ এর কথা উল্লেখ করা হয়েছে। 

• অনুচ্ছেদ - ৭৭ : ন্যায়পাল: 
১. সংসদ আইনের দ্বারা ন্যায়পালের পদ-প্রতিষ্ঠার জন্য বিধান করতে পারবেন।
২. সংসদ আইনের দ্বারা ন্যায়পালকে কোন মন্ত্রণালয়, সরকারী কর্মচারী বা সংবিধিবদ্ধ সরকারী কর্তৃপক্ষের যে কোন কার্য সম্পর্কে তদন্ত পরিচালনার ক্ষমতাসহ যেরূপ ক্ষমতা কিংবা যেরকম দায়িত্ব প্রদান করবেন, ন্যায়পাল সেইরূপ ক্ষমতা প্রয়োগ ও দায়িত্ব পালন করবেন।
৩. ন্যায়পাল তার দায়িত্বপালন সম্পর্কে বাৎসরিক রিপোর্ট প্রণয়ন করবেন এবং অনুরূপ রিপোর্ট সংসদে উপস্থাপিত হবে।

অন্যদিকে: 
- ৭১ নং অনুচ্ছেদে দ্বৈত সদস্যতায় বাধা, 
- ৭৬ নং অনুচ্ছেদ : সংসদের স্থায়ী কমিটিসমূহ, 
- ৭৩ নং অনুচ্ছেদে সংসদে রাষ্ট্রপতির ভাষণ ও বাণী। 

সূত্র:- বাংলাদেশের সংবিধান।
.
বাংলাদেশের সংবিধানের 'অনুচ্ছেদ - ৩' এর বিষয়বস্তু কী?
  1. রাষ্ট্রভাষা
  2. রাষ্ট্রধর্ম
  3. নাগরিকত্ব
  4. রাজধানী
ব্যাখ্যা
- অনুচ্ছেদ ৩: রাষ্ট্রভাষা - প্রজাতন্ত্রের রাষ্ট্রভাষা বাংলা। 

অন্যদিকে: 
- অনুচ্ছেদ ২ক: রাষ্ট্রধর্ম, 
- অনুচ্ছেদ ৫: রাজধানী। 
- অনুচ্ছেদ ৬: নাগরিকত্ব।

উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান।