পরীক্ষা আর্কাইভ

খাদ্য অধিদপ্তর নিয়োগ প্রস্তুতি

পরীক্ষাখাদ্য অধিদপ্তর নিয়োগ প্রস্তুতিতারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়10 minutes
মোট প্রশ্ন১৬
সিলেবাস
পরীক্ষা – ১২ বিষয়: সাধারণ জ্ঞান টপিক: বিজ্ঞান অংশ: ১. পদার্থ বিজ্ঞান গুরুত্বপূর্ণ টপিক: বিভিন্ন পরিমাপক যন্ত্র, বলবিদ্যা, ধাতু ও অধাতু, চৌম্বক, তরঙ্গ ও শব্দ, কাজ, ক্ষমতা ও শক্তি, তাপ, আলো, মহাকর্ষ ও অভিকর্ষ, ইত্যাদি, ২. রসায়ন বিজ্ঞান গুরুত্বপূর্ণ টপিক: পদার্থের অবস্থা, পরমাণুর গঠন, পর্যায় সারণি, রাসায়নিক বিক্রিয়া, এসিড, ক্ষার, লবণ, জৈব রসায়ন। ৩. জীববিজ্ঞান গুরুত্বপূর্ণ টপিক: কোষ, মানবদেহ, খাদ্য-পুষ্টি**, রোগ-জীবানু, ভাইরাস, ব্যাকটেরিয়া, ছত্রাক, ভ্যাক্সিনেশন, পরাগায়ন, আধুনিক চাষবিষয়ক বিদ্যা, সালোকসংশ্লেষণ, উদ্ভিদের পুষ্টি, ইত্যাদি। ৪. আধুনিক বিজ্ঞান: গুরুত্বপূর্ণ টপিক: বিভিন্ন রশ্মি (এক্সরে, আলফা, বিটা, গামা, ইত্যাদি), স্বাস্থ্য ও চিকিৎসা, ডায়োড-ট্রানজিস্টর, আইসি, ট্রান্সফর্মার, নবায়নযোগ্য শক্তি, আধুনিক জ্যোতির্বিদা। কম্পিউটার ও তথ্য-প্রযুক্তি অংশ: কম্পিউটার বিষয়ক মৌলিক তথ্য, তথ্য প্রযুক্তির মৌলিক বিষয়সমূহ।
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

খাদ্য অধিদপ্তর নিয়োগ প্রস্তুতি

খাদ্য অধিদপ্তর নিয়োগ প্রস্তুতি · তারিখ অনির্ধারিত · ১৬ প্রশ্ন

.
কোন মাধ্যমে শব্দের গতি সবচেয়ে বেশি?
  1. কঠিন
  2. তরল
  3. বায়বীয়
  4. শূন্য
ব্যাখ্যা
• কঠিন মাধ্যমে শব্দের গতি সবচেয়ে বেশি। 

• শব্দ:
- শব্দ হলো একটি যান্ত্রিক তরঙ্গ (mechanical wave), যা কম্পনের মাধ্যমে উৎপন্ন হয় এবং মাধ্যমের (বায়ু, পানি, কঠিন পদার্থ) কণাগুলোর অনুনাদ বা কম্পনের মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে।

• শব্দ শোনার জন্য শর্ত:
- একটি উৎস (source of vibration),
- একটি মাধ্যম (বায়ু, পানি, ইত্যাদি),
- একটি গ্রাহক (যেমন: কান)।

• মাধ্যমের ঘনত্ব যত বেশি শব্দের গতি তত বেশি হয়।
- কঠিন পদার্থের ঘনত্ব বেশি হওয়ায় কঠিন পদার্থে শব্দের গতি সবচেয়ে বেশি। যেমন- লোহাতে শব্দের গতি সবচেয়ে বেশি।
- তরল মাধ্যমে শব্দের গতি কঠিন পদার্থের থেকে কম,
- বায়বীয় মাধ্যমে শব্দের বেগ তরল মাধ্যমের থেকে কম।
- শূন্য মাধ্যমে শব্দের বেগ শূন্য হয় কারণ শূন্য মাধ্যমে শব্দ পরিবহনের জন্য কোন কণা থাকে না।

তথ্যসূত্র:
- মাধ্যমিক পদার্থবিজ্ঞান, ৯ম ও ১০ম শ্রেণি।
.
তাপ সঞ্চালনের পদ্ধতি নয় কোনটি?
  1. পরিবহন
  2. পরিচলন
  3. বিকিরণ
  4. প্রতিফলন
ব্যাখ্যা
• প্রতিফলন তাপ সঞ্চালনের পদ্ধতি নয়, বরং এটি আলো বা তরঙ্গের একটি ধর্ম।

• তাপ সঞ্চালন:
- উচ্চ তাপমাত্রার স্থান থেকে নিম্ন তাপমাত্রার স্থানে তাপের প্রবাহই হলো তাপ সঞ্চালন।

• তাপ সঞ্চালনের (Heat Transfer) তিনটি প্রধান পদ্ধতি রয়েছে:
→ পরিবহন (Conduction):
- কঠিন পদার্থে তাপের সঞ্চালন ঘটে এই পদ্ধতিতে।
- অণুগুলোর মধ্যে সংঘর্ষের মাধ্যমে তাপ স্থানান্তরিত হয়।
- উদাহরণ: লোহার রডের এক প্রান্ত গরম করলে অন্য প্রান্তে তাপ পৌঁছায়।

→ পরিচলন (Convection):
- তরল বা গ্যাসীয় মাধ্যমে তাপের সঞ্চালন ঘটে এই পদ্ধতিতে।
- পদার্থের অণুগুলোর চলাচলের মাধ্যমে তাপ স্থানান্তরিত হয়।
- উদাহরণ: পানির তাপমাত্রা বাড়লে তা উপরের দিকে উঠে যায়।

→ বিকিরণ (Radiation):
- তাপ শক্তি তড়িৎচুম্বকীয় তরঙ্গ (যেমন: ইনফ্রারেড) আকারে স্থানান্তরিত হয়।
- মাধ্যমের প্রয়োজন হয় না (শূন্যস্থানেও কাজ করে)।
- উদাহরণ: সূর্যের তাপ পৃথিবীতে পৌঁছায়।

তথ্যসূত্র:
- পদার্থবিজ্ঞান ১ম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম; উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
দহন কোন ধরনের বিক্রিয়ার অন্তর্ভুক্ত?
  1. সংযোজন
  2. বিয়োজন
  3. প্রতিস্থাপন
  4. জারণ-বিজারণ
ব্যাখ্যা
• দহন বিক্রিয়া জারণ-বিজারণ বিক্রিয়ার অন্তর্ভুক্ত। 

• দহন বিক্রিয়া:
- কোনো মৌল বা যৌগকে বাতাসের অক্সিজেনের উপস্থিতিতে পুড়িয়ে তার উপাদান মৌলের অক্সাইডে পরিণত করার প্রক্রিয়াকে দহন বিক্রিয়া বলে।

• দহন বিক্রিয়ার উদাহরণ:
CH4(g) + 2O2(g) → CO2 (g) + 2H2O(g) + তাপ

- দহন বিক্রিয়ায় সব সময় তাপ উৎপন্ন হয়। এই প্রক্রিয়ায় ইলেকট্রন এর আদান-প্রদান ঘটে। 
- দহন বিক্রিয়ার প্রতিক্ষেত্রেই অক্সিজেন ইলেকট্রন গ্রহণ করে অপর যৌগ বা মৌল ইলেকট্রন ত্যাগ করে।
সুতরাং দহন বিক্রিয়া জারণ-বিজারণ বিক্রিয়ার অন্তর্ভুক্ত।

অন্যদিকে,
• সংযোজন বিক্রিয়া: যে জারণ-বিজারণ বিক্রিয়ায় দুই বা ততোধিক রাসায়নিক পদার্থ পরস্পরের সাথে যুক্ত হয়ে একটিমাত্র উৎপাদ উৎপন্ন করে তাকে সংযোজন বিক্রিয়া বলে।
- যেমন: 2FeCl2(aq) + Cl2(g) → FeCl3(aq)

• বিয়োজন বিক্রিয়া: যে বিক্রিয়ায় একটি যৌগ ভেঙে একাধিক যৌগ বা মৌলে উৎপন্ন হয় তাকে বিয়োজন বিক্রিয়া বলা হয়।
- যেমন: PCl5 →  PCl3 + Cl2

• প্রতিস্থাপন বিক্রিয়া: কোনো অধিক সক্রিয় মৌল বা যৌগমূলক অপর কোনো কম সক্রিয় মৌল বা যৌগমূলককে প্রতিস্থাপন করে নতুন যৌগ উৎপন্ন করার প্রক্রিয়াকে প্রতিস্থাপন বিক্রিয়া বলে।
- যেমন: Zn(s) + H2SO4 (l) →ZnSO4(aq) + H2(g)

তথ্যসূত্র:
- মাধ্যমিক রসায়ন, ৯ম ও ১০ম শ্রেণি।
.
ইন্টিগ্রেটেড সার্কিট (IC) এর প্রধান উপাদান কী?
  1. তামা
  2. সিলিকন
  3. গ্যালিয়াম
  4. সোনা
ব্যাখ্যা
• ইন্টিগ্রেটেড সার্কিট (IC) এর প্রধান উপাদান সিলিকন। 

• ইন্টিগ্রেটেড সার্কিট:
- ইন্টিগ্রেটেড সার্কিট (IC) হল একটি ছোট আকারের ইলেকট্রনিক ডিভাইস, যেখানে অসংখ্য ট্রানজিস্টর, রেজিস্টর, ক্যাপাসিটর ইত্যাদি একটি একক চিপে যুক্ত থাকে। একে সিলিকন চিপও বলা হয়। 
- পঞ্চাশের দশকে একটি সিলিকনের পাতলা পাতে (Wafer) অসংখ্য ট্রানজিস্টর তৈরি করে সেগুলো কেটে আলাদা করে নেওয়া হতো।
- তখন শুধু ট্রানজিস্টর তৈরি না করে তার সাথে ডায়োড কিংবা রেজিস্টর এবং ক্যাপাসিটর বসিয়ে পূর্ণাঙ্গ একটি সার্কিট তৈরি করা শুরু হয়। এভাবেই আইসি তৈরির যাত্রা শুরু হয়। 

• IC এর প্রধান উপাদান:
→ সিলিকন (Silicon):
- এটি সেমিকন্ডাক্টর হিসেবে কাজ করে।
- সিলিকন সহজে বিদ্যুৎ পরিবাহিতা নিয়ন্ত্রণ করতে পারে, যা IC তৈরির জন্য একে উপযুক্ত।

• সিলিকন ব্যবহারের কারণ:
- এটির সহজলভ্যতা বেশী। 
- এটি তুলনামূলকভাবে সস্তা। 
- এর বৈদ্যুতিক বৈশিষ্ট্য IC তৈরির জন্য উপযোগী । 

তথ্যসূত্র:
- মাধ্যমিক পদার্থবিজ্ঞান, ৯ম ও ১০ম শ্রেণি। 
.
পৃথিবীতে কোনো বস্তুর ওজন ৫০ নিউটন হলে চাঁদে তার মান কেমন হবে?
  1. হ্রাস পাবে
  2. বৃদ্ধি পাবে
  3. অপরিবর্তিত থাকবে
  4. শূন্য হবে
ব্যাখ্যা
• পৃথিবীতে কোনো বস্তুর ওজন ৫০ নিউটন হলে চাঁদে তার মান হবে ১/৬ অংশ অর্থাৎ হ্রাস পাবে। 

• অভিকর্ষজ ত্বরণ:
- অভিকর্ষ বলে প্রভাব মুক্তভাবে ভূ-পৃষ্ঠে পড়তে থাকা বস্তুর ত্বরণ বা বেগ বৃদ্ধির হারকে অভিকর্ষজ ত্বরণ বলে।

• একে g অক্ষর দ্বারা প্রকাশ করা হয়।
- g - মান নিরপেক্ষ হলেও স্থান নিরপেক্ষ নয়। এর মান পৃথিবীর ব্যাসার্ধের উপর নির্ভর করে।
- ব্যাসার্ধ বেশি হলে g এর মান কম হয় এবং ব্যাসার্ধ কম হলে g এর মান বেশি হয়।
- বিষুব রেখা থেকে যতই মেরুর দিকে যাওয়া যায় ব্যাসার্ধ R-এর মান ততই কমতে থাকে এবং মেরু বিন্দুতে সর্ব নিম্ন হয়।
- বিষুব অক্ষরে g এর মান কম কারণ সেখানে পৃথিবীর ব্যাসার্ধ বেশি। বিষুব রেখা বরাবর g-এর মান প্রায় 9.78 ms-2.
- অপরদিকে মেরু অঞ্চলে পৃথিবীর ব্যাসার্ধ কম হওয়ার কারণে g এর মান সেখানে বেশি হয় যা সর্বাধিক। মেরু এলাকায় g-এর মান প্রায় 9.83 ms-2.

• ওজন:
- কোনো বস্তুর ওজন বস্তুর ভর ও অভিকর্ষজ ত্বরণের উপর নির্ভর করে।
- অভিকর্ষজ ত্বরণের মান কম হলে বস্তুর ওজন কম হবে এবং ত্বরণের মান বেশি হলে ওজনও বেশি হবে।
- চাঁদের অভিকর্ষজ ত্বরণের মান পৃথিবীর অভিকর্ষজ ত্বরণের ১/৬ অংশ।
- অর্থাৎ পৃথিবীতে কোনো বস্তুর ওজন যত হবে চাঁদে তার ১/৬ অংশ হবে অর্থাৎ ওজন হ্রাস পাবে।

তথ্যসূত্র:
- পদার্থবিজ্ঞান ১ম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম; উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
- ব্রিটানিকা।
.
অপটিক্যাল ফাইবার আলোর কোন নীতি অনুসারে কাজ করে?
  1. প্রতিসরণ
  2. ব্যাতিচার
  3. বিচ্ছুরণ
  4. পূর্ণ অভ্যন্তরীণ প্রতিফলন
ব্যাখ্যা
• অপটিক্যাল ফাইবার আলোর পূর্ণ অভ্যন্তরীণ প্রতিফলন নীতি অনুসারে কাজ করে। 

• পূর্ণ অভ্যন্তরীণ প্রতিফলন:
- আলোকরশ্মি যখন ঘন মাধ্যম থেকে হালকা মাধ্যমে ক্রান্তি কোণের চেয়ে বড় মানের কোণে আপতিত হয় তখন প্রতিসরণের পরিবর্তে আলোকরশ্মি সম্পূর্ণরূপে ঘন মাধ্যমের অভ্যন্তরে প্রতিফলনের সূত্রানুযায়ী প্রতিফলিত হয়। এই ঘটনাকে আলোর পূর্ণ অভ্যন্তরীণ প্রতিফলন বলে।

• আলোর পূর্ণ অভ্যন্তরীণ প্রতিফলনের বাস্তব উদাহরণ-
- হীরক উজ্জ্বল দেখায়।
- পদ্ম পাতার উপর বৃষ্টির ফোটা পড়লে চকচক করে।
- গ্রীষ্মের প্রখর রৌদ্রে উত্তপ্ত পিচঢালা মসৃন রাজপথকে বৃষ্টির অব্যবহিত পরবর্তী সময়ের মত ভেজা ও চকচকে মনে হয়।
- মরুভূমির মরীচিকার (Mirage) সৃষ্টি হয়।

• অপটিক্যাল ফাইবার:
• অপটিক্যাল ফাইবার হলো এক ধরনের পাতলা স্বচ্ছ কাচ নির্মিত তার, যার মাধ্যমে আলো এক প্রান্ত থেকে অপর প্রান্তে প্রবাহিত হয়। 
• আলোর পূর্ণ অভ্যন্তরীণ প্রতিফলন ধর্মকে কাজে লাগিয়ে অপটিক্যাল ফাইবার বা ফাইবার অপটিক ক্যাবল তৈরি করা হয়েছে। 
• সাধারণত টেলিযোগাযোগ ও ইন্টারনেট পরিবহনে এটি ব্যবহৃত হয়। 

তথ্যসূত্র:
- মাধ্যমিক পদার্থবিজ্ঞান, ৯ম ও ১০ম শ্রেণি
.
কলেরা রোগ সৃষ্টিকারী অণুজীব কোনটি?
  1. ভাইরাস
  2. ব্যাকটেরিয়া
  3. ফাঙ্গাস
  4. প্রোটোজোয়া
ব্যাখ্যা
• কলেরা রোগ সৃষ্টিকারী অণুজীব হলো ব্যাকটেরিয়া। 

• কলেরা:
- কলেরা (Cholera) একটি পানিবাহিত সংক্রামক রোগ, যার প্রধান লক্ষণ হলো অতিরিক্ত ডায়রিয়া এবং পানি শূন্যতা (dehydration)।

• রোগের কারণ:
- এই রোগের কারণ হলো Vibrio cholerae নামক একটি ব্যাকটেরিয়া।
- এই ব্যাকটেরিয়া দূষিত পানি বা খাবারের মাধ্যমে শরীরে প্রবেশ করে এবং অন্ত্রে সংক্রমণ সৃষ্টি করে।

• রোগের লক্ষণ:
- হঠাৎ পানির মতো পাতলা ডায়রিয়া। 
- বমি।
- শরীরের পানি ও লবণ ঘাটতি।
- চোখ বসে যাওয়া, দুর্বলতা, ও যদি দ্রুত চিকিৎসা না হয়, মৃত্যু পর্যন্ত হতে পারে ।

• প্রতিকারের উপায়:
- বিশুদ্ধ পানি পান করা। 
- সঠিক পয়ঃনিষ্কাশন ব্যবস্থা।
- ভ্যাকসিন (Oral Cholera Vaccine – OCV) গ্রহণ। 
- ORS (Oral Rehydration Salts) দ্রুত প্রয়োগ। 

তথ্যসূত্র:
- জীববিজ্ঞান ১ম পত্র, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণী; ড. মোহাম্মদ আবুল হাসান।
- স্বাস্থ্য অধিদপ্তর, বাংলাদেশ।
- World Health Organization (WHO).
.
ডায়নামোতে যান্ত্রিক শক্তি কোন শক্তিতে রূপান্তরিত হয়?
  1. তাপ শক্তি
  2. বৈদ্যুতিক শক্তি
  3. রাসায়নিক শক্তি
  4. চৌম্বকীয় শক্তি
ব্যাখ্যা
• ডায়নামোতে যান্ত্রিক শক্তি বৈদ্যুতিক শক্তিতে রূপান্তরিত হয়।

• তড়িৎ-চৌম্বকীয় আবেশ:
- একটি গতিশীল চুম্বক বা তড়িৎবাহী বর্তনীর সাহায্যে অন্য একটি বদ্ধ বর্তনীতে ক্ষণস্থায়ী তড়িচ্চালক শক্তি ও তড়িৎ প্রবাহ উৎপন্ন হওয়ার পদ্ধতিকে তড়িৎ-চৌম্বকীয় আবেশ বলে।

• ডায়নামো:
- ডায়নামো হলো একটি যন্ত্র যা যান্ত্রিক শক্তিকে বৈদ্যুতিক শক্তিতে রূপান্তর করে। এটি তড়িৎ-চৌম্বকীয় আবেশ (Electromagnetic Induction) এর নীতিতে কাজ করে।

• ডায়নামোর কার্যপ্রণালী:
→ যান্ত্রিক শক্তির প্রয়োগ:
- ডায়নামোর একটি কয়েল (তামার তারের পেঁচানো অংশ) চৌম্বক ক্ষেত্রের মধ্যে ঘুরানো হয়।
- এই ঘূর্ণন সাধারণত বাইরে থেকে যান্ত্রিক শক্তি প্রয়োগের মাধ্যমে করা হয় (যেমন: সাইকেলের প্যাডেল, হাইড্রো টারবাইন বা বায়ু টারবাইন, ডিজেল বা পেট্রোল ইঞ্জিন)।
→ তড়িৎ-চৌম্বকীয় আবেশ:
- ফ্যারাডের সূত্র অনুসারে, চৌম্বক ক্ষেত্রের মধ্যে কয়েল ঘুরালে তাতে বিদ্যুৎপ্রবাহ (তড়িৎ শক্তি) উৎপন্ন হয়।
- এই প্রক্রিয়ায় যান্ত্রিক শক্তি → বৈদ্যুতিক শক্তি রূপান্তরিত হয়।

তথ্যসূত্র:
- পদার্থবিজ্ঞান ২য় পত্র, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, ড. শাহজাহান তপন।
- Faraday's Law of Electromagnetic Induction – Britannica. 
.
নিচের কোনটি সম্পৃক্ত হাইড্রোকার্বন?
  1. ইথিন
  2. বিউটিন
  3. ইথাইন
  4. ইথেন
ব্যাখ্যা
• ইথেন হলো একটি সম্পৃক্ত হাইড্রোকার্বন বা অ্যালকেন। 

• হাইড্রোকার্বন:
- হাইড্রোজেন ও কার্বন দ্বারা গঠিত সরলতম জৈব যৌগসমূহকে হাইড্রোকার্বন (Hydrocarbon) বলে।

• সম্পৃক্ত হাইড্রোকার্বন:
- যে সকল হাইড্রোকার্বন অণুর কার্বন শিকলে কেবলমাত্র একক বন্ধন বিদ্যমান এবং এদের অবশিষ্ট যোজনীগুলো হাইড্রোজেন দ্বারা পূর্ণ থাকে তাদেরকে অ্যালিফেটিক বা সম্পৃক্ত হাইড্রোকার্বন বা অ্যালকেন (alkane) বলা হয়।
- এদের সাধারণ সংকেত হলো CnH2n+2 যেখানে n=1,2,3 ইত্যাদি।

• ইথেন:
- ইথেন একটি সম্পৃক্ত হাইড্রোকার্বন বা অ্যালকেন। ইথেনের রাসায়নিক সংকেত হলো: C2H
- এটি হলো ২ কার্বন বিশিষ্ট অ্যালকেন। এতে ২ টি কার্বনের সাথে ৬ টি হাইড্রোজেন পরমাণু একক বন্ধনের মাধ্যমে যুক্ত থাকে।

তথ্যসূত্র:
- রসায়ন ২য় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১০.
বিগ ব্যাং তত্ত্ব অনুযায়ী কত বছর আগে মহাবিশ্ব সৃষ্টি হয়েছে?
  1. ৪.৬ বিলিয়ন
  2. ১০.৫ বিলিয়ন
  3. ১৩.৮ বিলিয়ন
  4. ২০ বিলিয়ন
ব্যাখ্যা
• বিগ ব্যাং তত্ত্ব অনুযায়ী ১৩.৮ বিলিয়ন বছর আগে মহাবিশ্ব সৃষ্টি হয়েছে। 

• বিগ ব্যাং:
- বিগ ব্যাং তত্ত্ব হলো মহাবিশ্ব সৃষ্টির রহস্য উদ্‌ঘাটনের তত্ত্ব। 

•  অতি সাম্প্রতিক হিসাবে দেখা গেছে আজ থেকে 13.8 বিলিয়ন বছর বা, 13.8 × 109 বছর  আগে আমাদের এ মহাবিশ্বের উদ্ভব।
- বিগ ব্যাং তত্ত্ব (Big Bang Theory) অনুযায়ী একটি অত্যন্ত ক্ষুদ্র, প্রচণ্ড উত্তপ্ত ও ঘন বিন্দু থেকে মহাবিস্ফোরণের মাধ্যমে মহাবিশ্বের উৎপত্তি হয়েছে।
- তারপর মহাবিশ্ব অবিশ্বাস্য দ্রুতবেগে প্রসারিত হয়েছে এবং ক্রমেই ঠান্ডা হতে হতে বিভিন্ন কণার মধ্যে পারস্পরিক মিথস্ক্রিয়ার ফলে ধীরে ধীরে তৈরি হয়েছে বিভিন্ন পদার্থ।
- ক্রমে উপগ্রহ, গ্রহ, নক্ষত্র, গ্যালাক্সি সবকিছু তৈরি হয়েছে। 

• পৃথিবী সৃষ্টি হয়েছে প্রায় ৪.৫৪ বিলিয়ন বছর আগে, অর্থাৎ ৪৫৪ কোটি বছর আগে।
- এই তথ্য ভূতাত্ত্বিক গবেষণার ভিত্তিতে পাওয়া যায়। বিশেষ করে প্রাচীনতম শিলা ও চন্দ্র এবং উল্কাপিণ্ড থেকে পাওয়া উপাদানের রেডিওঅ্যাকটিভ ডেটিংয়ের মাধ্যমে এই তথ্য জানা যায়।

তথ্যসূত্র:
- পদার্থবিজ্ঞান ২য় পত্র, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি; ড. শাহজাহান তপন।
১১.
RAM-এর বৈশিষ্ট্য কোনটি? 
  1. স্থায়ী মেমোরি
  2. ভোলাটাইল মেমোরি
  3. শুধুমাত্র রিড করা যায়
  4. শুধুমাত্র BIOS সংরক্ষণ করে
ব্যাখ্যা
• RAM-এর বৈশিষ্ট্য হলো এটি একটি ভোলাটাইল মেমোরি। 

• RAM:
- RAM বা Random Access Memory হল একটি ভোলাটাইল মেমোরি, অর্থাৎ বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ হলে এর তথ্য মুছে যায়।
- এটি কম্পিউটারের প্রাথমিক (Primary) মেমোরি হিসেবে ব্যবহৃত হয়। 
- এটি এমন একটি স্টোরেজ ডিভাইস যেখানে কম্পিউটার প্রসেসর কাজ করার সময় প্রয়োজনীয় ডেটা ও প্রোগ্রাম সাময়িকভাবে সংরক্ষণ করে।

• RAM-এর বৈশিষ্ট্যসমূহ:
→ ভোলাটাইল মেমোরি (Volatile Memory): বিদ্যুৎ না থাকলে RAM-এর সব ডেটা মুছে যায়।
→ প্রাথমিক মেমোরি: এটি কম্পিউটারের প্রধান মেমোরি, যা প্রসেসিংয়ের সময় সক্রিয় থাকে।
→ রানিং প্রোগ্রাম ও প্রসেস: বর্তমানে চালু থাকা সফটওয়্যার, অ্যাপ্লিকেশন এবং অপারেটিং সিস্টেমের অংশবিশেষ RAM-এ লোড থাকে।
→ দ্রুত ডেটা অ্যাক্সেস: CPU, RAM থেকে খুব দ্রুত তথ্য পড়তে ও লিখতে পারে।
- কম্পিউটারের কার্যক্ষমতা নির্ভর করে RAM-এর আকার ও গতির উপর।

অন্যদিকে, 
→ স্থায়ী মেমোরি (Permanent Memory): এটি ROM বা হার্ড ডিস্ক-এর বৈশিষ্ট্য।
→ শুধুমাত্র রিড করা যায়: এটি ROM-এর বৈশিষ্ট্য, RAM থেকে ডেটা রিড এবং রাইট উভয়ই করা যায়।
→ শুধুমাত্র BIOS সংরক্ষণ করে: BIOS সাধারণত ROM বা Flash Memory-তে সংরক্ষিত থাকে, RAM-এ নয়।

তথ্যসুত্র:
- কম্পিউটার ও তথ্য প্রযুক্তি-১(ভোকেশনাল), ৯ম ও ১০ম শ্রেণি।
- "Computer Organization and Design" by David A. Patterson & John L. Hennessy.
- Intel - What is RAM?
১২.
কোন তাপমাত্রায় ফারেনহাইট ও সেলসিয়াস স্কেলের তাপমাত্রার মান সমান হয়?
  1. ০°
  2. ৪°
  3. - ৪০°
  4. ২৭৩.১৫°
ব্যাখ্যা
• - 40° তাপমাত্রায় ফারেনহাইট ও সেলসিয়াস স্কেলের তাপমাত্রার মান সমান হয়। 

• তাপমাত্রা পরিমাপের স্কেলের মধ্যে অন্যতম হলো সেলসিয়াস স্কেল ও ফারেনহাইট স্কেল।

আমরা জানি, সেলসিয়াস (C) ও ফারেনহাইট (F) এর মধ্যে সম্পর্ক:
C/5 = (F - 32)/9

ধরি,
সেলসিয়াস স্কেলের পাঠ C = ফারেনহাইট স্কেলের পাঠ F

এখন,
C/5 = (C - 32)/9
⇒ 5(C - 32) = 9C
⇒ 5C - 160 = 9C
⇒ 9C - 5C = - 160
⇒ 4C = - 160
⇒ C = - 160/4 = - 40 

∴ C = F = - 40°

অর্থাৎ - 40° তাপমাত্রায় সেলসিয়াস ও ফারেনহাইট স্কেলের মান সমান হবে।
১৩.
উদ্ভিদের প্রজনন অঙ্গ কোনটি?
  1. মূল
  2. ফুল
  3. পাতা
  4. কাণ্ড
ব্যাখ্যা
• উদ্ভিদের প্রজনন অঙ্গ হলো ফুল। 

• আবৃতবীজী উদ্ভিদে ডিম্বাণু সৃষ্টি হয় ডিম্বকে, ডিম্বক সৃষ্টি হয় ফুলের স্ত্রীকেশরের গর্ভাশয়ে।
- শুক্রাণু সৃষ্টি হয় পরাগরেণুতে, পরাগরেণু সৃষ্টি হয় ফুলের পুংকেশরের পরাগধানীতে।
- কাজেই ফুলই আবৃতবীজী উদ্ভিদে জননাঙ্গ ধারণ করে।
• ফুল হলো উদ্ভিদের বংশবিস্তারের (প্রজননের) জন্য বিশেষভাবে রূপান্তরিত বিটপ (shoot)।
- অর্থাৎ উদ্ভিদের প্রজনন অঙ্গ হলো ফুল। 

• ফুল প্রধানত চারটি মূল অংশে বিভক্ত। যথা-
- বৃতি (Calyx) – ফুলকে রক্ষা করে। 
- পত্রমন্ডল (Corolla) – পোকামাকড় আকৃষ্ট করে। 
- পুংকেশর (Androecium) – পুরুষ প্রজনন অঙ্গ (পরাগ উৎপন্ন করে)। 
- স্ত্রীকেশর (Gynoecium) – স্ত্রী প্রজনন অঙ্গ (ডিম্বাণু বহন করে)। 

• পরাগায়ন ও নিষেকের মাধ্যমে ফুলে ফল ও বীজ তৈরি হয়।

তথ্যসূত্র:
- জীববিজ্ঞান ১ম পত্র, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণী; ড. মোহাম্মদ আবুল হাসান।
১৪.
কোন রশ্মির ভেদন ক্ষমতা সবচেয়ে কম?
  1. গামা 
  2. আলফা 
  3. বিটা 
  4. সবগুলোই সমান ভেদনক্ষমতা বিশিষ্ট
ব্যাখ্যা
• আলফা রশ্মির ভেদন ক্ষমতা সবচেয়ে কম। 

• ভেদন ক্ষমতা:
- ভেদন ক্ষমতা (Penetrating Power) বলতে বোঝায় কোনো বিকিরণ পদার্থের কতটুকু গভীরে বা কতদূর ভেদ করে যেতে পারে।
- এটি নির্ভর করে কণার শক্তি, ভর ও আধান-এর উপর।

• তেজস্ক্রিয় পদার্থ হতে তিন ধরনের রশ্মি নির্গত হয়।
যথা:
- আলফা, বিটা, গামা । 

• আলফা কণার ধর্ম:
- আলফা কণার ধনাত্মক আধানযুক্ত। এর আধান 3.2 × 10-19 C । 
- এ কণা চৌম্বক ও তড়িৎক্ষেত্র দ্বারা বিচ্যুত হয়।
- এ কণা তীব্র আয়নায়ন সৃষ্টি করতে পারে।
- এর ভর বেশি হওয়ায় ভেদনক্ষমতা কম।

• বিটা কণার ধর্ম:
- এ কণা ঋণাত্মক আধানযুক্ত। এর আধান 1.6 × 10 -19 C ।
- এ কণা চৌম্বক ও তড়িৎক্ষেত্র দ্বারা বিক্ষিপ্ত হয়।
- এ কণা অত্যন্ত দ্রুত নির্গত হয়। এর দ্রুতি আলোর দ্রুতির শতকরা 98 ভাগ পর্যন্ত হতে পারে।
- এ কণা অতি উচ্চ দ্রুতিসম্পন্ন ইলেকট্রনের প্রবাহ। এর ভেদন ক্ষমতা আলফা ও গামা রশ্মির মাঝামাঝি। 

• গামা রশ্মির ধর্ম:
- এ রশ্মি আধান নিরপেক্ষ।
- এ রশ্মি তড়িৎ ও চৌম্বকক্ষেত্র দ্বারা বিচ্যুত হয় না।
- এর বেগ আলোর বেগের সমান অর্থাৎ 3 × 108 ms-1
- আলফা ও বিটা কণার চেয়ে এ রশ্মির ভেদনক্ষমতা বেশি। এটি কয়েক সেন্টিমিটার পুরু সীসার পাত ভেদ করে যেতে পারে।

• তিনটি বিকিরণের মধ্যে গামা রশ্মি সবচেয়ে বেশি ভেদন ক্ষমতাসম্পন্ন।
- সবচেয়ে কম ভেদনক্ষমতা সম্পন্ন রশ্মি হলো আলফা।
- বিটা রশ্মির ভেদন ক্ষমতা আলফা ও গামা রশ্মির মাঝামাঝি। 

তথ্যসূত্র:
- পদার্থবিজ্ঞান ২য় পত্র, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, ড. শাহজাহান তপন।
১৫.
কোন উপাদানটিকে Fruit Sugar বলা হয়?
  1. সেলুলোজ
  2. গ্লুকোজ
  3. সুক্রোজ
  4. ফ্রুকটোজ
ব্যাখ্যা
• ফ্রুকটোজকে ফল শর্করা বা Fruit sugar বলা হয়। 

• শর্করা:

- শর্করা হচ্ছে মানুষের প্রধান খাদ্য। কার্বন, হাইড্রোজেন এবং অক্সিজেন নিয়ে শর্করা তৈরি হয়।
- শর্করা বর্ণহীন, গন্ধহীন এবং অল্প মিষ্টি স্বাদযুক্ত।
- শর্করা আমাদের শরীরে কর্মক্ষমতা বৃদ্ধি করে এবং তাপশক্তি উৎপাদন করে।

• উৎস অনুসারে শর্করা ২ প্রকার। যথা-
- উদ্ভিজ্জ শর্করা ও প্রাণীজ শর্করা। 

• উদ্ভিজ্জ শর্করার প্রকারভেদ:
→ শ্বেতসার বা স্টার্চ:
- ধান, গম, ভুট্টা এবং অন্যান্য শস্য দানা স্টার্চের প্রধান উৎস। এছাড়া আলু, রাঙা আলু বা কচুতেও শ্বেতসার বা স্টার্চ পাওয়া যায়।
→ গ্লুকোজ:
- এটি চিনির তুলনায় কম মিষ্টি। এই শর্করাটি আঙুর, আপেল, গাজর, খেজুর ইত্যাদিতে পাওয়া যায়।
→ ফ্রুকটোজ:
- আম, পেঁপে, কলা, কমলালেবু প্রভৃতি মিষ্টি ফলে এবং ফুলের মধুতে ফ্রুকটোজ থাকে। একে ফল শর্করাও (Fruit Sugar) বলা হয়ে থাকে।
→ সুক্রোজ:
- আখের রস, চিনি, গুড়, মিছরি এর উৎস।
→ সেলুলোজ:
- বেল, আম, কলা, তরমুজ, বাদাম, শুকনো ফল এবং সব ধরনের শাকসবজিতে সেলুলোজ থাকে।

তথ্যসূত্র:
- সাধারণ বিজ্ঞান,  ৯ম ও ১০ম শ্রেণি।
১৬.
একটি পূর্ণতরঙ্গ রেকটিফায়ার কয়টি ডায়োড দ্বারা তৈরি হয়?
  1. ৪ টি
  2. ৫ টি
  3. ৬ টি
  4. ৮ টি
ব্যাখ্যা
• একটি পূর্ণতরঙ্গ রেকটিফায়ার ৪ টি ডায়োড দ্বারা তৈরি হয়। 

• ডায়োড:
- ডায়োড হলো একটি দুই প্রান্ত বিশিষ্ট ইলেকট্রনিক উপাদান যা একদিকে বিদ্যুৎ প্রবাহ হতে দেয়, কিন্তু বিপরীত দিকে বিদ্যুৎ প্রবাহকে বাধা দেয়।

• ডায়োডের বৈশিষ্ট্য:
- একটি p টাইপ অর্ধপরিবাহী ও একটি n টাইপ অর্ধপরিবাহী পাশাপাশি জোড়া লাগিয়ে p-n জাংশন ডায়োড তৈরি করা হয়।
- ডায়োড মূলত রেকটিফায়ার হিসেবে কাজ করে।
- রেকটিফায়ার এসি প্রবাহকে ডিসি প্রবাহে রূপান্তর করে।

• পূর্ণ তরঙ্গ ব্রিজ রেকটিফায়ার:
- পূর্ণ তরঙ্গ ব্রিজ রেকটিফায়ার হলো একটি ইলেকট্রনিক সার্কিট যা অল্টারনেটিং কারেন্ট (এসি) কে সরাসরি কারেন্ট (ডিসি) তে রূপান্তর করে।

• পূর্ণ তরঙ্গ ব্রিজ রেকটিফায়ার চারটি ডায়োড দ্বারা তৈরি করা হয়। 
- এই ৪টি ডায়োড এমনভাবে সংযুক্ত থাকে যাতে AC ইনপুটের উভয় অংশকে DC আউটপুটে রূপান্তর করা যায়।

• নিম্নের চিত্রে চারটি ডায়োড D1, D2, D3, D4 পরস্পর যুক্ত হয়ে একটি পূর্ণ তরঙ্গ ব্রিজ রেকটিফায়ার তৈরি করে। 


তথ্যসূত্র:
- পদার্থবিজ্ঞান ২য় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম; উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।