পরীক্ষা আর্কাইভ

প্রাইমারি শিক্ষক নিয়োগ প্রস্তুতি [লং কোর্স]

পরীক্ষাপ্রাইমারি শিক্ষক নিয়োগ প্রস্তুতি [লং কোর্স]তারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়18 minutes
মোট প্রশ্ন২৫
সিলেবাস
বাংলা ব্যাকরণঃ পদ প্রকরণ, কাল, উপসর্গ, বাক্য। সোর্সঃ যেকোনো গাইড বই, যেকোনো একাডেমিক ব্যক্তির বই এবং বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণী। [শিক্ষক নিয়োগের বিগত বছরের প্রশ্নে ২ নভেম্বর থেকে Job Solution বাটনে নিয়মিত পরীক্ষা হচ্ছে।]
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

প্রাইমারি শিক্ষক নিয়োগ প্রস্তুতি [লং কোর্স]

প্রাইমারি শিক্ষক নিয়োগ প্রস্তুতি [লং কোর্স] · তারিখ অনির্ধারিত · ২৫ প্রশ্ন

.
‘হাফ-প্যান্ট’ শব্দের ‘হাফ’ কোন ভাষার উপসর্গ?
  1. ক) তৎসম
  2. খ) আরবি
  3. গ) ইংরেজি
  4. ঘ) ফারসি
ব্যাখ্যা
ফুল, হাফ, হেড, সাব ইত্যাদি ইংরেজি উপসর্গ।
অর্ধেক অর্থে হাফ-প্যান্ট, হাফ-চান্স, হাফ-ডজন ইত্যাদি হাফ উপসর্গযোগে গঠিত শব্দ।
উৎস- বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি।
.
উপসর্গ সম্পর্কে নিচের কোন উক্তিটি সঠিক নয়?
  1. ক) উপসর্গ শব্দের অর্থের সংকোচন করে
  2. খ) উপসর্গ শব্দের অর্থের পরিবর্তন করে
  3. গ) উপসর্গ শব্দের অর্থের সম্প্রসারণ করে
  4. ঘ) উপসর্গ শব্দের পরে বসে
ব্যাখ্যা
বাংলা ভাষায় এমন কতগুলো অব্যয়সূচক শব্দাংশ রয়েছে, যা স্বাধীন পদ হিসেবে বাক্যে ব্যবহৃত হতে পারে না। এগুলো অন্যে শব্দের আগে বসে। এর প্রভাবে শব্দটির কয়েক ধরনের পরিবর্তন সাধিত হয়।
যেমন- নতুন অর্থবোধক শব্দ তৈরি হয়, শব্দের অর্থের পূর্ণতা সাধিত হয়, শব্দের অর্থের সম্প্রসারণ ঘটে, শব্দের অর্থের সংকোচন ঘটে এবং শব্দের অর্থের পরিবর্তন ঘটে।
ভাষায় ব্যবহৃত এসব অব্যয়সূচক শব্দাংশেরই নাম উপসর্গ।
উৎস- বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি।
.
‘পাতিশিয়াল’ শব্দটিতে ‘পাতি’ উপসর্গটি কী অর্থ বোঝায়?
  1. ক) মন্দ
  2. খ) বড়
  3. গ) বিপ্সা
  4. ঘ) ক্ষুদ্র
ব্যাখ্যা
‘পাতি’ বাংলা উপসর্গ। এটি ক্ষুদ্র বা ছোট অর্থে ব্যবহৃত হয়।
যেমন- পাতিহাঁস, পাতিশিয়াল, পাতিলেবু, পাতকুয়ো ইত্যাদি।
উৎস- বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি।
.
‘বেতার’ এখানে ‘বে’ উপসর্গটি কোন ভাষার?
  1. ক) ফারসি
  2. খ) আরবি
  3. গ) ফারসি এবং আরবি
  4. ঘ) তৎসম
ব্যাখ্যা
বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত কিছু ফারসি উপসর্গ হলো- কার, দর, না, নিম, ফি, বদ, বে, বর, ব, কম।
এখানে বেতার শব্দটিতে ‘বে’ ফারসি উপসর্গ।
উৎস- বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি।
.
নিচের কোনটি ব্যতিক্রম?
আড়, আন, কদ, কু, অনু, পাতি, আব, হা
  1. ক) আন
  2. খ) কু
  3. গ) অনু
  4. ঘ) হা
ব্যাখ্যা
বাংলা ভাষায় মোট উপসর্গ ২১টি।
যথা- অ, অঘা, অজ, অনা, আ, আর, আন, আব, ইতি, ঊন(ঊনা), কদ, কু, নি, পাতি, বি, ভর, স, সা, সু, হা। অন্যদিকে অনু তৎসম বা সংস্কৃত উপসর্গ।
উৎস- বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি।
.
‘খোদা তোমার মঙ্গল করুন’- বাক্যটি কোন ধরনের?
  1. ক) আদেশ বাচক বাক্য
  2. খ) ইচ্ছাসূচক বাক্য
  3. গ) বিবৃতিমূলক বাক্য
  4. ঘ) বিস্ময়সূচক বাক্য
ব্যাখ্যা
যে বাক্যে শুভ প্রার্থনা, আশিস, আকাঙ্ক্ষা ইত্যাদি প্রকাশ করা হয় তাকে ইচ্ছাসূচক বাক্য বলে।
যেমন-
তোমার মঙ্গল হোক।
পরীক্ষায় সফল হও।
খোদা তোমার মঙ্গল করুন ইত্যাদি
উৎস- বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি।
.
‘তুমি আমার সাথে প্রপঞ্চ করেছো’-বাক্যটিতে রীতিসিদ্ধ অর্থবাচকতার ক্ষেত্রে কোন ধরনের ভুল রয়েছে?
  1. ক) উপমার ভুল
  2. খ) দুর্বোধ্যতা
  3. গ) বাহুল্য
  4. ঘ) গুরুচণ্ডালী দোষ
ব্যাখ্যা
বাক্যে ব্যবহৃত ‘প্রপঞ্চ’ শব্দটি প্রচলিত বাংলা শব্দ নয়। এজন্য এ শব্দটি বাক্যে ব্যবহার করার কারনে বাক্যের অর্থে দুর্বোধ্যতা তৈরি হয়েছে। যা বাক্যের যোগ্যতার অভাবের পর্যায়ভূক্ত।
উৎস- বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি।
.
নিচের কোনটি অনুজ্ঞামূলক বাক্য নয়?
  1. ক) ঐ দিকে যেয়ো না
  2. খ) কাল একবার এসো
  3. গ) কাজটি করো
  4. ঘ) সূর্য পূর্বদিকে উদিত হয়
ব্যাখ্যা
যে বাক্যে আদেশ, নিষেধ, অনুরোধ, উপদেশ, ইত্যাদি বোঝায় তাকে অনুজ্ঞা বলে। এ বাক্যে সাধারণভাবে কর্তাটি উহ্য থাকে।
যেমন-
কাজটি করো (আদেশ)
ঐ দিকে যেয়ো না (নিষেধ)
কাল একবার এসো (অনুরোধ)
সদা সত্যকথা বলবে ( উপদেশ)।
‘অন্যদিকে সূর্য পূর্বদিকে উদিত হয়’- এটি বিবৃতিমূলক বাক্য।
উৎস : শীকর বাংলা ভাষা ও সাহিত্য, মোহসীনা নাজিলা।
.
স্নেহময়ী জননী স্বীয় সন্তানকে প্রাণাপেক্ষা ভালোবাসেন-এ বাক্যে উদ্দেশ্য কী বা কে?
  1. ক) স্নেহময়ী
  2. খ) স্নেহময়ী জননী
  3. গ) স্বীয় সন্তান
  4. ঘ) অধিক ভালোবাসেন
ব্যাখ্যা
বাক্যের যে অংশে কাউকে উদ্দেশ্য করে কিছু বলা হয়, তাকে উদ্দেশ্য এবং উদ্দেশ্য সম্মন্ধে যা বলা হয় তাকে বিধেয় বলে।
যেমন – স্নেহময়ী জননী (উদ্দেশ্য) স্বীয় সন্তানকে প্রাণাপেক্ষা ভালোবাসেন (বিধেয়)।
উৎস- বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি।
১০.
একটি পরিপূর্ণ বাক্যে কোন বিষয়টি থাকলে তা যোগ্যতাহীন বলে বিবেচিত হবে না?
  1. ক) বাগধারার রদবদল
  2. খ) গুরুচণ্ডালী দোষ
  3. গ) উপমার সঠিক প্রয়োগ
  4. ঘ) উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা
রীতিসিদ্ধ অর্থবাচকতা, দুর্বোধ্যতা, উপমার ভুল প্রয়োগ, বাহুল্যদোষ, বাগধারার রদবদল, ‍গুরুচন্ডালী দোষ ইত্যাদি থাকলে বাক্য যোগ্যতাহীন বলে বিবেচিত হয়।
উৎস- বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি।
১১.
''এ গ্রামে যে দরগাহ আছে, সেটি সুলতানী আমলে নির্মিত হয়েছে।'' বাক্যের ধরণ নির্ণয় করুন -
  1. ক) জটিল
  2. খ) যৌগিক
  3. গ) মিশ্র
  4. ঘ) ক ও গ উভয়ই
ব্যাখ্যা
যে বাক্যে একটি প্রধান খন্ডবাক্যের এক বা একাধিক আশ্রিত বাক্য পরস্পর সাপেক্ষ ভাবে ব্যবহৃত হয়, তাকে মিশ্র বা জটিল বাক্য বলে।
খেয়াল করুন-
যৌগিক বাক্য-এ গ্রামে একটি দরগাহ আছে, সেটি সুলতানী আমলে নির্মিত হয়েছে।
জটিল বা মিশ্র বাক্য – এ গ্রামে যে দরগাহ আছে, সেটি সুলতানী আমলে নির্মিত হয়েছে।
উল্লেখ্য যে, জটিল বাক্যের অন্য নাম মিশ্র বাক্য।
উৎস- বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি।
১২.
''বিশ্ববিখ্যাত সাহিত্যিকরা ঐন্দ্রজালিক শক্তিসম্পন্ন লেখনী দ্বারা অমরতার সঙ্গীত রচনা করেন।'' বাক্যটি __ বাক্য।
  1. ক) যৌগিক
  2. খ) জটিল
  3. গ) মিশ্র
  4. ঘ) সরল
ব্যাখ্যা
যে বাক্যে একটি মাত্র কর্তা এবং একটি মাত্র সমাপিকা ক্রিয়া থাকে, তাকে সরল বাক্য বলে।
যেমন-
বিশ্ববিখ্যাত সাহিত্যিকরা ঐন্দ্রজালিক শক্তিসম্পন্ন লেখনী দ্বারা অমরতার সঙ্গীত রচনা করেন।
মহারাজ শুদ্ধোদনের পুত্র শাক্যসিংহ যৌবনে সংসার ত্যাগ করেন।
উৎস- বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি।
১৩.
নিচের কোন শব্দে তৎসম উপসর্গ ব্যবহৃত হয়েছে?
  1. ক) আকাঠা
  2. খ) নিদাঘ
  3. গ) সুনজর
  4. ঘ) বিনামা
ব্যাখ্যা
বাংলা এবং তৎসম উভয় প্রকার শব্দে আ, ‍সু, বি, নি-এই ৪টি উপসর্গ পাওয়া যায়। এগুলো বাংলা শব্দের সাথে সংযুক্ত হলে উপসর্গটি বাংলা হয়।
যেমন- আকাঠা, সুনজর, বিনামা, নিলাজ।
আবার এরা তৎসম শব্দের সাথে সংযুক্ত হলে উপসর্গটি তৎসম হয়।
যেমন-আকণ্ঠ, সুতীক্ষ্ণ, বিপক্ষ ও নিদাঘ।
উৎস- বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি।
১৪.
বাংলা ভাষায় কত প্রকারের উপসর্গ আছে?
  1. ক) ২ প্রকারের
  2. খ) ৩ প্রকারের
  3. গ) ৪ প্রকারের
  4. ঘ) ৫ প্রকারের
ব্যাখ্যা
বাংলা ভাষায় তিন প্রকারের উপসর্গ আছে।
যথা - খাঁটি বাংলা, তৎসম এবং বিদেশী উপসর্গ।
উৎস- বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি।
১৫.
উপসর্গকে ইংরেজি ব্যাকরণে কী বলে?
  1. ক) Suffix
  2. খ) Prefix
  3. গ) Affix
  4. ঘ) None of them
ব্যাখ্যা
উপসর্গকে ইংরেজী ব্যাকরণে Prefix বলে।
বিভক্তি ও প্রত্যয়কে ইংরেজি ব্যাকরণে Suffix বলে।
উৎস- বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি।
১৬.
নিচের কোনটি ক্রিয়া-বিশেষণ স্থানীয় বাক্য?
  1. ক) যে এই সভায় অনুপস্থিত, সে বড় দুর্ভাগা।
  2. খ) তিনি বাড়ি ছিলেন কি না, আমি জানি না।
  3. গ) আমি মাঠে গিয়ে দেখলাম, খেলা শেষ হয়ে গেছে।
  4. ঘ) তুমি আসবে বলে আমি অপেক্ষা করছি।
ব্যাখ্যা
যে আশ্রিত খন্ডবাক্যে ক্রিয়া পদের স্থান, কাল ও কারন নির্দেশক অর্থে ব্যবহৃত হয় তাকে ক্রিয়া পদ-বিশেষণ স্থানীয় আশ্রিত খন্ডবাক্য বলে।
যেমন-
যতই করিবে দান, তত যাবে বেড়ে।
তুমি আসবে বলে আমি অপেক্ষা করছি ইত্যাদি।
উৎস- বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি।
১৭.
‘অরণ্যে রোদন’ এর পরিবর্তে বাক্যে ‘বনে ক্রন্দন’ ব্যবহার করলে বাক্য তার কোন গুণটি হারাবে?
  1. ক) আকঙ্ক্ষা
  2. খ) যোগ্যতা
  3. গ) আসত্তি
  4. ঘ) কোনটি নয়
ব্যাখ্যা
বাগধারার অর্থ পরিবর্তন করলে বাক্য তার যোগ্যতা হারায়।
উৎস- বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি।
১৮.
সব্যয় পদ কত প্রকার?
  1. ক) ৫ প্রকার
  2. খ) ২ প্রকার
  3. গ) ৩ প্রকার
  4. ঘ) ৪ প্রকার
ব্যাখ্যা
পদ প্রধানত দুই প্রকার। যথা-সব্যয় পদ ও অব্যয় পদ। সব্যয় পদ চার প্রকার।
যথা- বিশেষ্য, বিশেষণ, সর্বণাম ও ক্রিয়া।
সুতরাং পদ মোট পাঁচ প্রকার।
যথা- বিশেষ্য, বিশেষণ, সর্বণাম, ক্রিয়া ও অব্যয়।
উৎস- বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি।
১৯.
‘পঞ্চায়েত’ শব্দটি কোন পদের অন্তর্ভুক্ত?
  1. ক) বস্তুবাচক বিশেষ্য
  2. খ) ভাববাচক বিশেষ্য
  3. গ) সমষ্টিবাচক বিশেষ্য
  4. ঘ) গুণবাচক বিশেষ্য
ব্যাখ্যা
যে পদে বেশ কিছু সংখ্যক ব্যাক্তি বা প্রাণির সমষ্টি বোঝায় তা-ই সমষ্টিবাচক বিশেষ্য।
যেমন- সভা, জনতা, সমিতি, পঞ্চায়েত, মাহফিল, ঝাঁক, বহর, দল ইত্যাদি।
উৎস- বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি।
২০.
‘জন্য’ শব্দটি কোন পদ?
  1. ক) বিশেষণ
  2. খ) সর্বনাম
  3. গ) ক্রিয়া
  4. ঘ) অব্যয়
ব্যাখ্যা
যার ব্যয় বা পরিবর্তন হয় না, অর্থ্যাৎ যা অপরিবর্তনীয় শব্দ তাই অব্যয়।
যেমন- এবং, জন্য, আর, কিন্তু, ও, আবার ইত্যাদি।
উৎস- বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি।
২১.
বাক্যে ব্যবহৃত বিভক্তিযুক্ত শব্দ ও ধাতুকে ____ বলে।
  1. ক) শব্দ
  2. খ) পদ
  3. গ) উপসর্গ
  4. ঘ) প্রত্যয়
ব্যাখ্যা
বাক্যে ব্যবহৃত বিভক্তিযুক্ত শব্দ ও ধাতুকে পদ বলে।
উৎস- বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি।
২২.
নিচের কোনগুলো ব্যতিহারিক সর্বনাম পদ?
  1. ক) স্বয়ং, খোদ, আপনি
  2. খ) এ, ইহারা, ইনি
  3. গ) নিজে নিজে, আপসে, পরস্পর
  4. ঘ) সব, সকল, তাবৎ
ব্যাখ্যা
প্রদত্ত অপশন গুলোর মধ্যে - স্বয়ং, খোদ,
আপনি- আত্মবাচক সর্বনাম
এ, ইহারা, ইনি - সমীপ্যবাচক সর্বনাম
নিজে নিজে, আপসে, পরস্পর - ব্যতিহারিক সর্বনাম এবং
সব, সকল, তাবৎ - সাকুল্যবাচক সর্বনাম পদ।
উৎস- বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি।
২৩.
কোন পদ দুটির ‘পুরুষ’ নাই?
  1. ক) বিশেষ্য ও ক্রিয়া
  2. খ) বিশেষ্য ও সর্বনাম
  3. গ) বিশেষণ ও অব্যয়
  4. ঘ) সব পদেরই পুরুষ রয়েছে
ব্যাখ্যা
বিশেষ্য, সর্বনাম ও ক্রিয়াপদের পুরুষ আছে; অন্যদিকে বিশেষণ ও অব্যয় পদের পুরুষ নাই।
উৎস- বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি।
২৪.
আমি আজ ‘আলবত’ যাব-কোন ধরনের অব্যয়?
  1. ক) সমুচ্চয়ী অব্যয়
  2. খ) অনন্বয়ী অব্যয়
  3. গ) অনুসর্গ অব্যয়
  4. ঘ) অনুকার অব্যয়
ব্যাখ্যা
যে সকল অব্যয় বাক্যের অন্য পদের সঙ্গে কোন সম্মন্ধ না রেখে স্বাধীনভাবে নানাবিধ ভাব প্রকাশে ব্যবহৃত হয়, তাদের অনন্বয়ী অব্যয় বলে। যেমন- প্রশ্নে উল্লেখিত বাক্যটি তে ‘আলবত’ অব্যয় সম্মতি প্রকাশে ব্যবহৃত হয়েছে।
সহজ কথায়, যে অব্যয়বাচক শব্দ ছাড়াই বাক্যের অর্থ সম্পন্ন হয় তাকে অনন্বয়ী অব্যয় বলে।
উৎস- বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি।
২৫.
নিচের কোনটি নিত্যবৃত্ত অতীত কালের উদাহরণ নয়?
  1. ক) আজ যদি সুমন আসত, কেমন মজা হত।
  2. খ) সাতাশ হতো যদি একশ সাতাশ।
  3. গ) তুমি যদি যেতে, তবে ভালোই হতো।
  4. ঘ) কাল সন্ধ্যায় বৃষ্টি পড়ছিল।
ব্যাখ্যা
অতীত কালে যে ক্রিয়া সাধারণ অভ্যস্ততা অর্থে ব্যবহৃত হয়, তাকে নিত্যবৃত্ত অতীত কাল বলে।
যেমন-
আজ যদি সুমন আসত, কেমন মজা হত (কামনা প্রকাশে)
সাতাশ হতো যদি একশ সাতাশ (অসম্ভব কল্পনায়)
তুমি যদি যেতে, তবে ভালোই হতো (সম্ভাবনা প্রকাশে)
অন্যদিকে
‘কাল সন্ধ্যায় বৃষ্টি পড়ছিল’-ঘটমান অতীত কাল।
উৎস- বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি।