পরীক্ষা আর্কাইভ

১৪০ দিনে ৫১তম বিসিএস প্রস্তুতি

পরীক্ষা১৪০ দিনে ৫১তম বিসিএস প্রস্তুতিতারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়17 minutes
মোট প্রশ্ন৩২
সিলেবাস
পরীক্ষা - ৯৩: বিষয় - সাধারণ বিজ্ঞান টপিক - আধুনিক বিজ্ঞান ও অন্যান্য ১. মানবদেহ ও এর শারীরবৃত্তীয় প্রক্রিয়া, রোগের কারণ ও প্রতিকার, সংক্রামক রোগ, রোগ জীবাণুর জীবনধারণ, মা ও শিশু স্বাস্থ্য, আধুনিক চিকিৎসা পদ্ধতি, ভাইরাস, ব্যাকটেরিয়া, মাইক্রোবায়োলজি, ইম্যুনাইজেশন এবং ভ্যাকসিনেশন, এইচআইভি, এইডস, টিবি, পোলিও, আধুনিক চাষাবাদ পদ্ধতি - এপিকালচার, সেরিকালচার, পিসিকালচার, হর্টিকালচার ইত্যাদি। ২. ইলেকট্রনিক্স, আধুনিক যোগাযোগ ব্যবস্থা, শক্তির উৎস ও প্রয়োগ, শক্তির রূপান্তর, নবায়নযোগ্য শক্তির উৎস, পারমাণবিক শক্তি, খনিজ উৎস ও জীবাশ্ম ইত্যাদি। এবং বিষয় - বাংলা ভাষা ও ব্যাকরণ টপিক - বাক্য প্রকরণ [প্রয়োগ ও অপপ্রয়োগ; বানান ও বাক্যশুদ্ধি; যতিচিহ্ন ও এর ব্যবহার; পরিভাষা; বাগ্‌ধারা; সমার্থক শব্দ/প্রতিশব্দ; বিপরীতার্থক শব্দ; শব্দজোড় ও প্রায় সমোচ্চারিত শব্দ; এক কথায় প্রকাশ/বাক্য সংক্ষেপ বিবিধ।] ------------------ [এই রুটিনে সারাবছর জুড়ে পরীক্ষা চলমান থাকে। আজ বা যেকোন সময় পরীক্ষা শুরু করা হলেও নির্দিষ্ট সময়ে পুরো সিলেবাস সম্পন্ন হবে]
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

১৪০ দিনে ৫১তম বিসিএস প্রস্তুতি

১৪০ দিনে ৫১তম বিসিএস প্রস্তুতি · তারিখ অনির্ধারিত · ৩২ প্রশ্ন

.
HIV ভাইরাস মূলত কোন কোষ ধ্বংস করে? 
  1. প্লেটলেট
  2. নিউরন
  3. লোহিত রক্ত কণিকা
  4. T4 লিম্ফোসাইট ও ম্যাক্রোফেজ
সঠিক উত্তর:
T4 লিম্ফোসাইট ও ম্যাক্রোফেজ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
T4 লিম্ফোসাইট ও ম্যাক্রোফেজ
ব্যাখ্যা

এইডস: 
- AIDS হলো Acquired Immune Deficiency Syndrome এর সংক্ষিপ্ত রূপ। 
অর্থাৎ, বিশেষ কারণে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমে যাওয়াকে এইডস (AIDS) বলে। 
- Human Immune Deficiency Virus সংক্ষেপে HIV নামক ভাইরাস দ্বারা এ রোগ সৃষ্টি হয়। 
- HIV ভাইরাসের আক্রমণে মানুষের শ্বেত রক্ত কণিকার ম্যাক্রোফেজ ও T4 লিম্ফোসাইট ধ্বংস প্রাপ্ত হয়। 
- এইডস ভাইরাসে আক্রান্ত রোগীর শ্বেত রক্ত কণিকা ধ্বংস প্রাপ্ত হয়। 
- বর্তমান বিশ্বে AIDS একটি মারাত্মক রোগ। 
- আফ্রিকার দেশসমূহে HIV র আক্রমণ বেশি লক্ষ করা যায়। 
- ধারণা করা হয় বানরের দেহে এ ভাইরাসটি ছিল যা সর্বপ্রথম আফ্রিকায় বানর থেকে মানুষে স্থানান্তরিত হয় এবং পরে তা আমেরিকা, ইউরোপ তথা সমগ্রবিশ্বে ছড়িয়ে পড়ে। 

AIDS এর বিস্তার: 
- বিভিন্ন উপায়ে এইডসের ভাইরাস একজন সুস্থ মানুষের শরীরে প্রবেশ করতে পারে।
যেমন-
• নারী পুরুষের অস্বাভাবিক ও অসামাজিক যৌন আচরণ,
• সংক্রমিত সিরিঞ্জ ব্যবহার,
• সংক্রমিত রক্ত গ্রহণ,
• সংক্রমিত মায়ের গর্ভে জন্ম গ্রহণকারী শিশু,
• সেলুনে একই ব্লেড বা ক্ষুর বিভিন্ন জনে ব্যবহার করা,
• দন্ত চিকিৎসা ও শল্য চিকিৎসা গ্রহণকারী ইত্যাদি। 

উৎস: প্রাণিবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

.
মানব শ্বাসতন্ত্রের প্রথম অংশের নাম কী? 
  1. ফুসফুস
  2. শ্বাসনালী
  3. নাসিকা
  4. গলবিল
সঠিক উত্তর:
নাসিকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নাসিকা
ব্যাখ্যা

মানুষের শ্বাসতন্ত্রের প্রধান অংশসমূহের নাম:
- দেহের যে অঙ্গগুলো শ্বসন প্রক্রিয়ায় সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করে, সেগুলোকে একত্রে শ্বাসতন্ত্র বলে। 
- যে সকল অঙ্গগুলো নিয়ে মানব শ্বাসতন্ত্র গঠিত তা হলো- নাসারন্ধ্র ও নাসাপথ (Nasal cavity), গলবিল ও গলনালি (Pharynx), স্বরযন্ত্র (Larynx), শ্বাসনালি (Trachea), বায়ুনালি বা ব্রঙ্কাস (Bronchus), ফুসফুস (Lung) ও মধ্যচ্ছদা (Diaphragm) । 

নাসারন্ধ্র বা নাসাপথ: 
- মানব শ্বাসতন্ত্রের প্রথম অংশের নাম নাসিকা। 
- এটা মুখ গহ্বরে উপরে অবস্থিত একটি ত্রিকোণাকার গহ্বর, এর সাহায্যে কোন বস্তুর সুগন্ধ বা দুর্গন্ধ বোঝা যায়। 
- একটি বিশেষ ধরনের স্নায়ু এ অঙ্গকে উদ্দীপিত করে, ফলে গন্ধ পাওয়া যায়। 
- একটি পাতলা পর্দা দ্বারা এটি দু'ভাগে বিভক্ত। 
- ইহার সম্মুখ ভাগ লোম দ্বারা আবৃত ও পেছনের দিকের অংশ শ্লেষ্মা প্রস্তুতকারী পর্দা দ্বারা আবৃত। 
- শ্বাস-প্রশ্বাসের সময় বায়ুতে বিদ্যমান ধূলিকণা, রোগ জীবাণু ও আবর্জনা থাকলে তা এ লোম ও পর্দাতে আটকে যায়। 
- ফলে বায়ু ফুসফুসে প্রবেশের পূর্বে অনেকটা নির্মল হয়ে যায়। 
- এছাড়া শ্বসনের জন্য গৃহীত বায়ু নাসাপথ দিয়ে যাওয়ার সময় কিছুটা শুষ্ক ও আর্দ্র হয়। এর ফলে হঠাৎ ঠান্ডা বায়ু ফুসফুসে প্রবেশ করে কোন প্রকার ক্ষতি করতে পারে না। 

উৎস: জীববিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

.
মোবাইলে টেলিফোনের ব্যাটারিকে বিদ্যুৎ দিয়ে চার্জ করা হয়, কারণ সেখানে- 
  1. তড়িৎ শক্তি চৌম্বক শক্তিতে রূপান্তরিত হয়
  2. তড়িৎ শক্তি আলোক শক্তিতে রূপান্তরিত হয়
  3. তড়িৎ শক্তি যান্ত্রিক শক্তিতে রূপান্তরিত হয়
  4. তড়িৎ শক্তি রাসায়নিক শক্তিতে রূপান্তরিত হয়
সঠিক উত্তর:
তড়িৎ শক্তি রাসায়নিক শক্তিতে রূপান্তরিত হয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তড়িৎ শক্তি রাসায়নিক শক্তিতে রূপান্তরিত হয়
ব্যাখ্যা

বিদ্যুৎ বা তড়িৎশক্তি (Electrical Energy): 
- শক্তির রূপান্তরের সবার আগে বিদ্যুৎ বা তড়িৎশক্তির কথা বলা হয় কারণ এই শক্তিকে সবচেয়ে সহজে অন্যান্য শক্তিতে রূপান্তর করা যায়।
- শুধু তা-ই নয় এক জায়গা থেকে অন্য জায়গায় বিদ্যুৎশক্তি সরবরাহ করা সবচেয়ে সহজ।
- দৈনন্দিন জীবনে বৈদ্যুতিক পাখা বা অন্যান্য মোটরে তড়িৎ বা বৈদ্যুতিক শক্তিকে যান্ত্রিক শক্তিতে রূপান্তর করা যায়।
(যদিও চৌম্বক শক্তি আসলে বিদ্যুৎ বা তড়িৎশক্তি থেকে ভিন্ন কিছু নয়, তার পরেও মোটর বা বৈদ্যুতিক পাখার ভেতরে বিদ্যুৎশক্তিকে প্রথমে চৌম্বক শক্তিতে রূপান্তর করে সেখান থেকে যান্ত্রিক শক্তিতে রূপান্তর হতে হয়।) - বৈদ্যুতিক ইস্ত্রি বা হিটারে বিদ্যুৎ বা তড়িৎশক্তি তাপশক্তিতে রূপান্তরিত হয়।
- বাল্ব, টিউবলাইট বা এলইডিতে তড়িৎশক্তি আলোক শক্তিতে রূপান্তরিত হয়।
- শব্দশক্তি তৈরি করার জন্য সাধারণত কোনো কিছুকে কাঁপাতে হয় যা এক ধরনের যান্ত্রিক শক্তি। যেমন- স্পিকারে বিদ্যুৎশক্তি শব্দশক্তিতে রূপান্তরিত হয়।
- মোবাইলে টেলিফোনের ব্যাটারিকে বিদ্যুৎ দিয়ে চার্জ করা হয়, যেখানে তড়িৎ শক্তি রাসায়নিক শক্তিতে রূপান্তরিত হয়। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।

.
নিচের কোনটি জীবাশ্ম জ্বালানি নয়?
  1. প্রাকৃতিক গ্যাস
  2. বায়োগ্যাস
  3. কয়লা 
  4. তরল পেট্রোলিয়াম
সঠিক উত্তর:
বায়োগ্যাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বায়োগ্যাস
ব্যাখ্যা
জ্বালানি ও জীবাশ্ম জ্বালানি: 
- যে সব পদার্থ থেকে রাসায়নিক বিক্রিয়ার মাধ্যমে প্রচুর তাপশক্তি উৎপাদিত হয়, সেগুলোকে জ্বালানি বলা হয়। 
- জ্বালানিই তাপশক্তির প্রধান উৎস। 

জীবাশ্ম জ্বালানি: 
- কয়লা, প্রাকৃতিক গ্যাস ও তরল পেট্রোলিয়াম হলো জীবাশ্ম জ্বালানি। 
- এগুলো প্রায় ২০০ মিলিয়ন বছরেরও বেশি সময় ধরে মৃত উদ্ভিদ ও প্রাণীর উচ্চ চাপ ও তাপে পরিবর্তিত হয়ে তৈরি হয়।

অন্যদিকে, 
- বায়োগ্যাস জীবাশ্ম জ্বালানি নয় কারণ এটি পুনঃনবীকরণযোগ্য জ্বালানি উৎস
- এটি সাম্প্রতিক জৈব পদার্থের পচন থেকে উৎপন্ন হয়, যা স্বল্প সময়ে পুনরায় উৎপাদনযোগ্য। 

উৎস: রসায়ন বিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

.
কোন রক্তকোষ জীবাণু ধ্বংস করে দেহের প্রকৃতিগত আত্মরক্ষায় অংশ নেয়? 
  1. অণুচক্রিকা
  2. প্লাজমা
  3. শ্বেত রক্তকোষ
  4. লোহিত রক্তকোষ
সঠিক উত্তর:
শ্বেত রক্তকোষ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শ্বেত রক্তকোষ
ব্যাখ্যা

রক্ত: 
- রক্ত এক ধরনের ক্ষারীয়, ঈষৎ লবণাক্ত এবং লালবর্ণের তরল যোজক টিস্যু। 
- ধমনি, শিরা ও কৈশিকনালির মধ্য দিয়ে প্রবাহিত হয়ে রক্ত অভ্যন্তরীণ পরিবহনে অংশ নেয়। 
- উষ্ণ রক্তবাহী প্রাণীর দেহে রক্ত তাপমাত্রার ভারসাম্য রক্ষা করে। 
- রক্তের উপাদান দুটি। যথা- রক্তরস (55%) এবং রক্তকোষ (45%)। 

রক্তরস: 
- রক্তরস (Plasma) রক্তের তরল অংশ, এর রং ঈষৎ হলুদাভ। 
- রক্তরসের প্রায় 91-92% অংশ পানি এবং ৪-9% অংশ জৈব ও অজৈব পদার্থ। 
- এসব রক্তরসের ভিতর বিভিন্ন ধরনের প্রোটিন এবং বর্জ্য পদার্থ থাকে। 

রক্তকোষ: 
- রক্তকোষ তিন ধরনের। 
যথা- লোহিত রক্তকোষ (Erythrocyte বা Red blood cells বা RBC), শ্বেত রক্তকোষ (Leukocyte বা white blood cells বা WBC) এবং অণুচক্রিকা (Thrombocytes বা Blood platelet)। 
- লোহিত রক্তকোষ হিমোগ্লোবিন নামে একটি লৌহজাত যৌগ থাকে, যার জন্য রক্ত লাল হয়। 
- হিমোগ্লোবিন অক্সিজেনের সঙ্গে যুক্ত হয়ে একটি অক্সিহিমোগ্লোবিন যৌগ গঠন করে এবং শরীরের বিভিন্ন স্থানে অক্সিজেন পরিবহন করে। 
- শ্বেত রক্তকোষ জীবাণু ধ্বংস করে দেহের প্রকৃতিগত আত্মরক্ষায় অংশ নেয়। 
- মানবদেহে বেশ কয়েক ধরনের শ্বেত রক্তকোষ থাকে। 
- অণুচক্রিকা রক্ত জমাট বাঁধায় অংশ নেয়। 

উৎস: জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।

.
মায়ের দুধে কোন ধরনের ইমিউনোগ্লোবিউলিন পাওয়া যায়?
  1. IgG
  2. IgA
  3. IgE
  4. IgM
সঠিক উত্তর:
IgA
উত্তর
সঠিক উত্তর:
IgA
ব্যাখ্যা

অ্যান্টিবডি: 
- দেহের প্রতিরক্ষাতন্ত্র (immune system) থেকে উৎপন্ন এক ধরনের দ্রবণীয় গ্লাইকোপ্রোটিন যা রোগ-ব্যাধি সৃষ্টিকারী নির্দিষ্ট অ্যান্টিজেনকে (যেমন-ভাইরাস, ব্যাকটেরিয়া) ধ্বংস করে তাকে অ্যান্টিবডি বলে। 
- প্রত্যেকটি অ্যান্টিবডি হচ্ছে ইমিউনোগ্লোবিউলিন (সংক্ষেপে Ig) নামে বিশেষ ধরনের একেকটি প্রোটিন অণু। 
- শ্বেত রক্তকণিকার অন্যতম প্রধান কণিকা লিম্ফোসাইট। লিম্ফোসাইট দু'ধরনের: (১) T-কোষ ও (২) B-কোষ। 
- B-লিম্ফোসাইট কয়েক উপধরনে বিভক্ত যার একটি হচ্ছে প্লাজমা B-কোষ, সংক্ষেপে প্লাজমাকোষ নামে পরিচিত।
- প্লাজমাকোষ থেকে অ্যান্টিবডি উৎপন্ন হয়। 
- প্রয়োজনে প্রত্যেক প্লাজমাকোষ প্রতি সেকেন্ডে কয়েক হাজার অ্যান্টিবডি উৎপন্ন করতে পারে। 
- মানুষের দেহে প্রায় ১০০ মিলিয়ন (১০ কোটি) ধরনের অ্যান্টিবডি উৎপন্ন হতে পারে। 

অ্যান্টিবডির প্রকারভেদ: 
- অ্যান্টিবডির গড়নে যে ভারী শৃঙ্খল রয়েছে তাতে অ্যামিনো এসিডের ক্রমের (sequence) ভিত্তিতে ভারী শৃঙ্খল ৫ ধরনের: γ-(gamma), α-(alpha), μ-(mu), €-(epsilon) এবং δ-(delta)। 
- এ পাঁচ ধরনের ভারী শৃঙ্খলবিশিষ্ট অ্যান্টিবডিগুলো নিচে বর্ণিত ৫টি শ্রেণিতে বিভক্ত। 
যেমন- 
১। ইমিউনোগ্লোবিউলিন G (IgG), 
২। ইমিউনোগ্লোবিউলিন A (IgA), 
৩। ইমিউনোগ্লোবিউলিন M (IgM), 
৪। ইমিউনোগ্লোবিউলিন D (IgD) এবং 
৫। ইমিউনোগ্লোবিউলিন E (IgE) । 

ইমিউনোগ্লোবিউলিন A (IgA): 
- দেহের মোট Ig-র মধ্যে ১৫% হচ্ছে IgA । 
- এ ধরনের অ্যান্টিবডি মিউকাস ঝিল্লিতে আবৃত থাকে, যেমন-পরিপাক, জনন ও শ্বসনতন্ত্রে বিস্তৃত হয় এবং সেখানে রোগ সৃষ্টিকারী অনুজীর ও অণুকণাকে প্রশমিত করে। 
- মায়ের দুধেও IgA পাওয়া যায় এবং বুকের দুধ খাওয়ানোর সময় শিশুদেছে স্থানান্তরিত হয়

উৎস: জীববিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্র : একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি (গাজী আজমল)।

.
ইলেকট্রনিকস পদ্ধতির উদাহরণ কোনটি? 
  1. বৈদ্যুতিক মোটর
  2. জলবাষ্প ইঞ্জিন
  3. টেলিফোন লাইন
  4. টেলিভিশন
সঠিক উত্তর:
টেলিভিশন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
টেলিভিশন
ব্যাখ্যা

ইলেকট্রনিকস পদ্ধতি: 
- বিশেষ কোনো প্রয়োগের উদ্দেশ্যে ব্যবহৃত অনেকগুলি ইলেকট্রনিকস বর্তনীকে সমষ্টিগতভাবে ইলেকট্রনিকস পদ্ধতি বলা হয়। 
যেমন- কম্পিউটার, টেলিভিশন, রেডিও, ইলেকট্রনিকস ঘড়ি, ক্যালকুলেটর ইত্যাদি বহুল পরিচিত ইলেকট্রনিকস পদ্ধতির উদাহরণ। 

ডিজিটাল পদ্ধতি: 
- ডিজিটাল সংকেত হলো বিচ্ছিন্ন তড়িৎ সংকেত।
- এই সংকেতের সর্বনিম্ন ও সর্বোচ্চ মান আছে। এই দুই মানের মাঝে অন্য কোনো স্তর নাই। সময়ের সাথে এর মান হয় সর্বোচ্চ না হয় সর্বনিম্ন মানে পরিবর্তিত হয়। এই সংকেত চৌকো তরঙ্গের (square waves)।
- ডিজিটাল পদ্ধতিতে ক্রম-পরিবর্তনশীল এনালগ সংকেতের বদলে স্তর পরিবর্তনশীল সংকেত ব্যবহার করা হয়।
- ইলেকট্রনিকসের ডিজিটাল পদ্ধতির এই সংকেতকে ডিজিটাল বা বাইনারী (binary) সংকেত বলা হয়।
- দুটি পৃথক অবস্থায় কাজ করে এমন যন্ত্রাংশ ব্যবহার করে এই সংকেত পাওয়া যায়।
যেমন- ট্রানজিস্টারের সচল বা অন (on) এবং অচল বা অফ (off) অবস্থা দ্বারা দুটি পৃথক অবস্থা বোঝানো সম্ভব। প্রজ্জ্বলিত বাতি এবং নির্বাপিত বাতি অথবা টেপের চৌম্বকায়িত অবস্থা বা অচৌম্বকায়িত অবস্থা দিয়ে ডিজিটাল সংকেতের স্তর দুটিকে সহজে চিহ্নিত করা সম্ভব।
- ডিজিটাল সংকেতের স্তর দুটিকে ০ এবং ১ (0 and 1), সত্য এবং মিথ্যা (true and false), কিম্বা উচ্চ এবং নিম্ন (high and low) দিয়ে প্রকাশ করা হয়।
- ডিজিটাল ঘড়ি, ক্যালকুলেটর ইত্যাদি ডিজিটাল ইলেকট্রনিকস পদ্ধতির জনপ্রিয় উদাহরণ। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

.
মানুষের লালায় কোন ধরনের এনজাইম থাকে? 
  1. লাইপেজ
  2. টায়ালিন
  3. ট্রিপসিন
  4. গ্লুকাগন
সঠিক উত্তর:
টায়ালিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
টায়ালিন
ব্যাখ্যা

খাদ্য পরিপাক ক্রিয়া: 
- যে জৈব রাসায়নিক প্রক্রিয়ায় মানুষের পৌষ্টিক নালির অভ্যন্তরে জটিল, অদ্রবণীয়, অশোষণযোগ্য খাদ্য উপাদানগুলো নির্দিষ্ট উৎসেচক বা এনজাইম এবং প্রাণরস বা হরমোনের উপস্থিতিতে বিশ্লেষিত হয়ে শোষণযোগ্য এবং দ্রবণীয় সরল উপাদানে পরিণত হয়, তাকে পরিপাক বলে।
- এ প্রক্রিয়ায় খাদ্য প্রথমত সরল দ্রবণীয় অবস্থায় রূপান্তরিত হয় এবং পরবর্তী সময়ে কোষ আবরণীর ভিতর দিয়ে অতি সহজে কোষের ভিতরে প্রবেশ করে।
- সবশেষে রক্ত এই পরিপাককৃত সরল উপাদানগুলোকে দেহের বিভিন্ন অংশে সরবরাহ করে। 

মুখে পরিপাক: 
- মুখগহ্বরে দাঁত ও জিহ্বার সাহায্যে খাদ্য চিবানোর ফলে খাদ্যবস্তু ছোট ছোট টুকরোয় পরিণত হয়।
- এ সময় লালাগ্রন্থি থেকে লালা নিঃসৃত হয়ে খাদ্যের সাথে মিশে যায়। লালা খাদ্যবস্তুকে গলাধঃকরণে সাহায্য করে।
- লালায় টায়ালিন বা স্যালাইভারি অ্যামাইলেজ নামক উৎসেচক বা এনজাইম থাকে
- এটি অ্যামাইলেজ নামেও পরিচিত এবং শর্করা হজমের প্রাথমিক ধাপে সহায়তা করে।
- এটি শ্বেতসারকে মলটোজে পরিণত করে।
- মুখগহ্বরে আমিষ বা স্নেহজাতীয় খাদ্যের কোনোরূপ পরিবর্তন হয় না।
- মুখগহ্বর থেকে খাদ্যদ্রব্য পেরিস্টালসিস (Peristalsis) প্রক্রিয়ায় অন্ননালির মধ্য দিয়ে পাকস্থলীতে প্রবেশ করে।
- পৌষ্টিক নালিগাত্রের পেশির পর্যায়ক্রমিক সংকোচন ও প্রসারণের ফলে খাদ্যদ্রব্য সামনের দিকে অগ্রসর হয়।
- অন্ননালিতে খাদ্যের কোনো পরিপাক ঘটে না। 

অন্যদিকে, 
- ট্রিপসিন প্রোটিন হজমকারী এনজাইম।
- লাইপেজ একটি চর্বি হজমকারী এনজাইম।
- গ্লুকাগন একটি হরমোন যা লিভারে গ্লুকোজ উৎপন্ন করার জন্য কাজ করে। 

উৎস: জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।

.
কোনটি অপপ্রয়োগ?
  1. আরক্ত
  2. স্বাগত
  3. সুস্বাস্থ্য
  4. সমূল
সঠিক উত্তর:
সুস্বাস্থ্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সুস্বাস্থ্য
ব্যাখ্যা

• 'সুস্বাস্থ্য' - শব্দটি অপপ্রয়োগ।
- এটি সমার্থ শব্দের বাহুল্যজনিত কারণে অপপ্রয়োগ।
- এর শুদ্ধ প্রয়োগ হচ্ছে - স্বাস্থ্য।

অন্যদিকে,
- সমূল,
- স্বাগত,
- আরক্ত।
উপরিউক্ত শব্দগুলো প্রয়োগ শুদ্ধ।

উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।

১০.
‘ইঁদুর কপালে’- এর বিপরীত বাগধারা কোনটি ?
  1.  একাদশে বৃহস্পতি
  2. কেউকেটা
  3. গাছপাথর
  4. অদৃষ্টের পরিহাস
সঠিক উত্তর:
 একাদশে বৃহস্পতি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
 একাদশে বৃহস্পতি
ব্যাখ্যা

• ‘ইঁদুর কপালে’- এর বিপরীত বাগধারা  একাদশে বৃহস্পতি।

- একাদশে বৃহস্পতি: সোভাগ্যের বিষয়।
- ইঁদুর কপালে’ অর্থ: মন্দভাগ্য।
- কেউকাটা: তুচ্ছ বা নগণ্য ব্যক্তি।
- গাছপাথর: হিসাব নিকাশ।
- অদৃষ্টের পরিহাস: হতভাগ্য।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা।

১১.
নিচের কোন বানানটি শুদ্ধ?
  1. অপরাহ্ন
  2. ন্যুনতম
  3. আকাঙ্ক্ষা
  4. শিরচ্ছেদ
সঠিক উত্তর:
আকাঙ্ক্ষা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আকাঙ্ক্ষা
ব্যাখ্যা

বাংলা একাডেমী আধুনিক বানান অভিধান অনুসারে,
• আকাঙ্ক্ষা বানানটি শুদ্ধ।

অন্য শব্দগুলোর বানানের শুদ্ধরূপ:
- ‘শিরশ্ছেদ’ 
- ন্যূনতম
- অপরাহ্ণ

উৎস: বাংলা একাডেমি আধুনিক বানান অভিধান।

১২.
এক কথায় প্রকাশ করুন' স্বর্গ ও মর্ত্য'-
  1. ক্রন্দসী 
  2. রোদশি
  3. স্বর্গলোক
  4. স্বর্গার্ত্য
সঠিক উত্তর:
ক্রন্দসী 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক্রন্দসী 
ব্যাখ্যা

'স্বর্গ ও মর্ত্য' এর এক কথায় প্রকাশ হবে - ক্রন্দসী।



অন্যদিকে,
- স্বর্গলোক - দেবলোক, স্বর্গ।
- রোদসী অর্থ: পৃথিবী ও স্বর্গ।

উৎস: বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান।

১৩.
'সৌম্য' এর বিপরীত শব্দ কোনটি?
  1. ফর্সা
  2. কাপুরুষ
  3. ভদ্র
  4. কোনোটিই নয়।
সঠিক উত্তর:
কোনোটিই নয়।
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কোনোটিই নয়।
ব্যাখ্যা

• 'সৌম্য' এর বিপরীত শব্দ অস্থির, অধীর।


অন্যদিকে,
- ভদ্র - অভদ্র।
- কাপুরুষ - সুপুরুষ/ সাহসী।
- ফর্সা - অসীত, কৃষ্ণ।

উৎস: বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান।

১৪.
“কলকে পাওয়া” বাগ্‌ধারার অর্থ কোনটি ?
  1.  কিনারা পাওয়া
  2.  নেশায় পাওয়া
  3. স্বীকৃতি পাওয়া
  4. খারাপ সংবাদ পাওয়া
সঠিক উত্তর:
স্বীকৃতি পাওয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্বীকৃতি পাওয়া
ব্যাখ্যা

•  “কলকে পাওয়া” বাগ্‌ধারার অর্থ স্বীকৃতি পাওয়া।

•কিছু গুরুত্বপূর্ণ বাগধারা:
- শাখের করাত = উভয় সংকট।
- আটকপালে = হতভাগ্য।
- কাঁচা টাকা = নগদ উপার্জন।
- কেতাদুরস্ত = পরিপাটি।
- কৈ মাছের প্রাণ = যা সহজে মরে না।
- গোবর গণেশ = মূর্খ।

উৎস: ভাষা শিক্ষা- হায়াৎ মামুদ, বাংলা একাডেমী, আধুনিক বাংলা অভিধান।

১৫.
কোনটিতে অপপ্রয়োগ ঘটেছে?
  1. সরলতা
  2. লঘুত্ব
  3. অধীনস্থ
  4. বহুলতা
সঠিক উত্তর:
অধীনস্থ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অধীনস্থ
ব্যাখ্যা

• 'অধীনস্থ' - শব্দটিতে প্রত্যয়ের অপপ্রয়োগ-জনিত অশুদ্ধি ঘটেছে।

- শুদ্ধ শব্দ: অধীন।

অন্যদিকে,
সরলতা, লঘুত্ব, বহুলতা - শব্দগুলোতে শুদ্ধ প্রয়োগ ঘটেছে।

• প্রত্যয়ের অপপ্রয়োগ-জনিত অশুদ্ধি:
প্রত্যয়ের অপপ্রয়োগের ফলে শব্দগঠন বা বাক্যে পদ ব্যবহারের সময় বানানে যে সব ভুল হয় সেরকম কিছু শব্দের তালিকা নিচে দেওয়া হলো:

• অশুদ্ধ শব্দ - শুদ্ধ শব্দ:
- আবশ্যকীয় - আবশ্যক;
- একত্রিত - একত্র;
- অধীনস্থ - অধীন;
- করিতকর্মী - করিতকর্মা;
- গণ্যনীয় - গণনীয়;
- জ্ঞানমান - জ্ঞানবান;
- ঘূর্ণীয়মান - ঘূর্ণায়মান;
- পুজ্য - পূজ্য;
- বাহ্যিক - বাহ্য।

উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।

১৬.
'জল' শব্দের সমার্থক শব্দ কোনটি?
  1. তোয়দ
  2. সরিৎ
  3.  অম্বু
  4. নির
সঠিক উত্তর:
 অম্বু
উত্তর
সঠিক উত্তর:
 অম্বু
ব্যাখ্যা

'জল' শব্দের সমার্থক শব্দ-  অম্বু।

• ‘পানি' শব্দের সমার্থক শব্দ:
অম্বু, জল, নীর, সলিল, অপ, উদক, তোয়, জীবন ইত্যাদি।

অন্যদিকে,
- তোয়দ - মেঘ,
- সরিৎ - নদী,
- নীর - পানি।

উৎস:  ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ ও বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান।

১৭.
'Chancellor' এর বাংলা পরিভাষা কোনটি ?
  1. আচার্য
  2.  উপাচার্য
  3.  প্রাধ্যক্ষ
  4. মন্ত্রী
সঠিক উত্তর:
আচার্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আচার্য
ব্যাখ্যা

• 'Chancellor' এর বাংলা পরিভাষা 'আচার্য'। 

কিছু পারিভাষিক শব্দ:
- Provoke- উস্কানি দেওয়া। 
- Parole- সাময়িক মুক্তি। 
- Prominent- প্রখ্যাত। 
- Play truant- স্কুল থেকে পালানো। 
- Quarterly- ত্রৈমাসিক। 
- Quorum- গণপূর্তি। 
- Quack- হাতুড়ে। 
- Quotation- মূল্যজ্ঞাপন। 

উৎস: বাংলা একাডেমি, প্রশাসনিক পরিভাষা।

১৮.
নিচের কোন শব্দটি শুদ্ধ ?
  1.  অন্তস্থল
  2.  অন্তঃস্থল
  3.  অন্তস্তল
  4.  অন্তঃস্তল
সঠিক উত্তর:
 অন্তস্তল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
 অন্তস্তল
ব্যাখ্যা

বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান অনুসারে,

 অন্তস্তল বানান শুদ্ধ।
- অন্তস্তল( বিশেষ্য)
- এটি একটি সংস্কৃত শব্দ।
- অন্তর + তল।
- অর্থ: মনো-মধ্য: মন হদয়।

উৎস: বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান।

১৯.
'ধীর' শব্দের বিপরীতার্থক শব্দ কোনটি? 
  1. কুৎসিত
  2. শক্তিশালী
  3. নির্বোধ
  4. কোনোটিই নয়।
সঠিক উত্তর:
নির্বোধ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নির্বোধ
ব্যাখ্যা

বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান অনুসারে,
- 'ধীর' শব্দের বিপরীতার্থক শব্দ নির্বোধ।
• ধীর শব্দের অর্থ পণ্ডিত।



উৎস: বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান।

২০.
'তিনটি নদীর মিলনস্থল' -এক কথায় কী হবে ?
  1.  তিন মোহনা
  2.  ত্রয়ী
  3. ত্রিমোহনা
  4. তেমোহনা
সঠিক উত্তর:
তেমোহনা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তেমোহনা
ব্যাখ্যা

• 'তিনটি নদীর মিলনস্থল - তেমোহনা।



কিছু গুরুত্বপুর্ণ এক কথায় প্রকাশ:
- 'হনন করার ইচ্ছা' এর এক কথায় প্রকাশ - জিঘাংসা।
- 'নিন্দা করার ইচ্ছা' এর এক কথায় প্রকাশ - জুগুপ্সা ।
- 'ভোজন করার ইচ্ছা' এর এক কথায় প্রকাশ - বুভুক্ষা।
- 'লাভ করার ইচ্ছা' এর এক কথায় প্রকাশ - লিপ্সা।
- 'দেখবার ইচ্ছা' এর এক কথায় প্রকাশ - দিদৃক্ষা।
- 'বলবার ইচ্ছা' এর এক কথায় প্রকাশ - বিবক্ষা।

উৎস: ভাষা শিক্ষা, হায়াৎ মামুদ।

২১.
'তীর্থের কাক' বাগ্‌ধারাটির অর্থ- 
  1. ধর্মপ্রাণ ব্যক্তি
  2. সুযোগ সন্ধানী
  3. কপট
  4. সৌভাগ্যবান
সঠিক উত্তর:
সুযোগ সন্ধানী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সুযোগ সন্ধানী
ব্যাখ্যা

• 'তীর্থের কাক' বাগ্‌ধারাটির অর্থ - সুযোগ সন্ধানী।

• কিছু গুরুত্বপূর্ণ বাগ্‌ধারা: 
- 'কালে ভদ্রে' - কদাচিৎ।
- ‘পায়া ভারি’ - অহঙ্কার।
- ‘কানকাটা’ - বেহায়া।
- 'কেউ কেটা' - সামান্য ।
- ‘কাকভূষণ্ডী’ - দীর্ঘজীবী।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা এবং ভাষা শিক্ষা, হায়াৎ মামুদ।

২২.
'কলাপী' শব্দের সমার্থক শব্দ কোনটি
  1. বৃক্ষ
  2. বন
  3. ময়ূর
  4. কবুতর
সঠিক উত্তর:
ময়ূর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ময়ূর
ব্যাখ্যা

• কলাপী শব্দের সমার্থক শব্দ - ময়ূর।

ময়ূর' শব্দের সমার্থক শব্দ :
- কলাপী , কেকী , শিখী , শিখণ্ডী , বর্হী , বর্হিণ।

• বৃক্ষ শব্দের সমার্থক শব্দ:
- গাছ, পাদপ, দ্রুম, তরু, বিটপী, শাখী, পণী, শৃঙ্গী, শিখরী, মহীরুহ ইত্যাদি।

‘কবুতর’ এর সমার্থক শব্দ:
- কপোত, পায়রা, পারাবত, নোটন।

উৎস: বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান।

 

২৩.
নিচের কোনটি অশুদ্ধ বানান -
  1. আশিস
  2. আত্নস্থ
  3. ঋদ্ধিমান
  4. আটপৌরে
সঠিক উত্তর:
আত্নস্থ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আত্নস্থ
ব্যাখ্যা

• অশুদ্ধ বানান - 'আত্নস্থ'
- শব্দের শুদ্ধ বানান - 'আত্মস্থ'
শব্দটির অর্থ: আত্মগত; আত্মনিষ্ঠ, প্রকৃতিস্থ, আত্মসমাহিত, আত্মনিমগ্ন।

অন্যদিকে,
- ঋদ্ধিমান, আশিস এবং আটপৌরে- শব্দগুলোর বানান শুদ্ধ।

উৎস: বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান।

২৪.
‘বিদ্যুৎ’ শব্দটির সমার্থক শব্দ –
  1. প্রভাকর
  2. সুধাকর
  3.  দামিনী
  4. দ্রুম
সঠিক উত্তর:
 দামিনী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
 দামিনী
ব্যাখ্যা

 • 'বিদ্যুৎ' শব্দের সমার্থক শব্দ:
- তড়িৎ, বিজলি, বিজুরি, অশনি, ক্ষণপ্রভা, সৌদামিনী, দামিনী, চপলা।

অন্যদিকে,
- 'সুধাকর' এর সমার্থক শব্দ: চাঁদ।
- 'প্রভাকর' এর সমার্থক শব্দ: সূর্য।
- ' দ্রুম' এর সমার্থক শব্দ: বৃক্ষ।

উৎস:  ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ ও বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান।

২৫.
'কূট' ও 'কুট' শব্দের অর্থ যথাক্রমে-
  1. কেল্লা ও জটিল
  2. জটিল ও পর্বত
  3. বৃক্ষ ও জটিল
  4. বৃক্ষ ও দূর্গ
সঠিক উত্তর:
জটিল ও পর্বত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জটিল ও পর্বত
ব্যাখ্যা

• 'কূট' অর্থ-
১)কুটিল; বক্স
২) জটিল (কূটপ্রশ্ন)।
৩) কপট; মিথ্যা
৪) শঠ (কূটচরিত্র)।

• 'কুট' অর্থ -  
১) কেল্লা, দুর্গ, গড়।
২) পর্বত; পর্বতশৃঙ্গ।
৩) বৃক্ষ।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর ও বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান।

২৬.
'উলুখাগড়া' শব্দটির অর্থ কী ?
  1.  একশ্রেণীভুক্ত
  2.  গুরুত্বহীন লোক
  3. উপকারী লোক
  4. সম্প্রীতি বিনষ্ট
সঠিক উত্তর:
 গুরুত্বহীন লোক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
 গুরুত্বহীন লোক
ব্যাখ্যা

• 'উলুখাগড়া' শব্দটির অর্থ  গুরুত্বহীন লোক।

• কিছু গুরুত্বপূর্ণ বাগধারা:
- কেঁচেগণ্ডূষ = নতুন করে আরম্ভ করা।
- কূপমণ্ডূক = সীমাবদ্ধ জ্ঞান।
- কলির সন্ধ্যা = মাত্র সূচনা ।
- বিসমিল্লায় গলদ = গোড়ায় ভুল।

উৎস: ভাষা শিক্ষা, হায়াৎ মামুদ।

২৭.
'Cosmology' এর বাংলা পরিভাষা -  
  1. সৃষ্টিক্রম
  2. সৃষ্টিতত্ত্ব
  3. বিশ্বজনীন
  4. নভশ্চারী
সঠিক উত্তর:
সৃষ্টিতত্ত্ব
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সৃষ্টিতত্ত্ব
ব্যাখ্যা

• 'Cosmology' এর বাংলা পরিভাষা - সৃষ্টিতত্ত্ব। মহাবিশ্ব সম্পর্কিত বিজ্ঞান।

অন্যদিকে,
• 'Cosmogony' - সৃষ্টিক্রম,
• 'Cosmopolitan'- বিশ্বজনীন,
• 'Cosmonaut' - নভশ্চারী।

উৎস: বাংলা একাডেমি প্রশাসনিক পরিভাষা।

২৮.
'অনূঢ়া' কোনটির বাক্য সংকোচন ?
  1.  যে নারীর কোন সন্তান হয় না
  2. যে নারীর স্বামী ও পুত্র মৃত
  3.  যে নারীর সন্তান বাঁচে না
  4.  যে মেয়ের বিয়ে হয়নি
সঠিক উত্তর:
 যে মেয়ের বিয়ে হয়নি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
 যে মেয়ের বিয়ে হয়নি
ব্যাখ্যা

 • যে মেয়ের বিয়ে হয়নি - অনূঢ়া

অন্যদিকে,
- যে নারীর বিয়ে হয়েছে = ঊঢ়া।
- 'যে নারীর সন্তান বাঁচে না' - মৃতবৎসা।
- যে নারীর স্বামী ও পুত্র মৃত = অবীরা।

উৎস: ভাষা শিক্ষা, হায়াৎ মামুদ।

২৯.
শুদ্ধ বাক্য নির্ণয় করুন-
  1.  এ সৌন্দর্য ছেড়ে কোথাও নড়িতে ইচ্ছা হয় না।
  2. আকণ্ঠ পর্যন্ত ভোজন করলাম।
  3. একটা গোপন কথা বলি।
  4.  নৌকা স্রোতে ভাসিয়া চলিয়াছিল। 
সঠিক উত্তর:
 নৌকা স্রোতে ভাসিয়া চলিয়াছিল। 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
 নৌকা স্রোতে ভাসিয়া চলিয়াছিল। 
ব্যাখ্যা

• নৌকা স্রোতে ভাসিয়া চলিয়াছিল।বাক্যটি শুদ্ধ।

- অশুদ্ধ বাক্য:  এ সৌন্দর্য ছেড়ে কোথাও নড়িতে ইচ্ছা হয় না।
- শুদ্ধ বাক্য:  এ সৌন্দর্য ছেড়ে কোথাও নড়তে ইচ্ছা হয় না।

- অশুদ্ধ বাক্য: আকণ্ঠ পর্যন্ত ভোজন করলাম।
- শুদ্ধ বাক্য: আকণ্ঠ ভোজন করলাম।

- অশুদ্ধ বাক্য: একটা গোপন কথা বলি।
- শুদ্ধ বাক্য: একটা গোপনীয় কথা বলি।

উৎস: ভাষা শিক্ষা, হায়াৎ মামুদ।

৩০.
'তামসিক' এর বিপরীত শব্দ -
  1. পারত্রিক
  2. রাজসিক
  3. নৈসর্গিক
  4. নির্ভীক
সঠিক উত্তর:
রাজসিক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাজসিক
ব্যাখ্যা

• 'তামসিক' শব্দের বিপরীত শব্দ - 'রাজসিক'।

- 'তামসিক' শব্দের অর্থ: অন্ধকার।
- 'রাজসিক' শব্দের অর্থ: আড়ম্বরপূর্ণ। 

অন্যদিকে, 
- 'ঐহিক' - পারত্রিক।
- 'নৈসর্গিক' - কৃত্রিম/অনৈসর্গিক।
- 'ভীরু' - নির্ভীক।

উৎস: ভাষা শিক্ষা, হায়াৎ মামুদ।

৩১.
বাক্যে সেমিকোলন থাকলে কতক্ষন থামতে হয় ?
  1.  ১ বলতে যে সময় লাগে
  2.  এক সেকেন্ড
  3.  ১ বলার দ্বিগুণ সময়
  4. থামার প্রয়োজন নেই
সঠিক উত্তর:
 ১ বলার দ্বিগুণ সময়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
 ১ বলার দ্বিগুণ সময়
ব্যাখ্যা

• সেমিকোলন (;) :
- স্বাধীন অথচ ঘনিষ্ঠভাবে সম্পর্কিত একাধিক বাক্যকে এক বাক্যে পরিণত করার কাজে অথবা একই ধরনের বর্গকে পাশাপাশি সাজাতে সেমিকোলন ব্যবহৃত হয়।
• সেমিকোলন এর সময়কাল এক বলার দ্বিগুন সময়।
যেমন-
• সোহাগ ক্রিকেট পছন্দ করে; আমি ফুটবল পছন্দ করি।
• কোনো বইয়ের সমালোচনা করা সহজ; কিন্তু বই লেখা অত সহজ নয়।
• তিনি পড়েছেন বিজ্ঞান; পেশা ব্যাংকার; আর নেশা সাহিত্যচর্চা।

উৎস : বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম ও দশম শ্রেণি (২০২৫ সংস্করণ)।

৩২.
 শুদ্ধ বাক্যটি চিহ্নিত করুন-
  1.  বিদ্বান মূর্খ অপেক্ষা শ্রেষ্ঠতর।
  2. বিদ্যান মূর্খ অপেক্ষা শ্রেষ্ঠতর।
  3. বিদ্যান মুর্খ অপেক্ষা শ্রেষ্ঠ।
  4.  বিদ্বান মূর্খ অপেক্ষা শ্রেষ্ঠ।
সঠিক উত্তর:
 বিদ্বান মূর্খ অপেক্ষা শ্রেষ্ঠ।
উত্তর
সঠিক উত্তর:
 বিদ্বান মূর্খ অপেক্ষা শ্রেষ্ঠ।
ব্যাখ্যা

• বিদ্বান মূর্খ অপেক্ষা শ্রেষ্ঠ। বাক্যটি শুদ্ধ।

• তৎসম শব্দের অতিশায়নে দুয়ের মধ্যে তুলনায় 'ঈয়স্' প্রত্যয় এবং বহুর মধ্যে তুলনায় 'ইষ্ঠ' প্রত্যয় যুক্ত হয়। বাংলায় সাধারণত 'ঈয়স্' প্রত্যয়ান্ত শব্দগুলো ব্যবহৃত হয় না। যেমন-
- মূল বিশেষণ- দুয়ের তুলনায়- বহুর তুলনায়
- লঘু - লঘিয়ান - লঘিষ্ঠ।
- অল্প - কনীয়ান (বাংলায় ব্যবহার নেই) - কনিষ্ঠ।
- বৃদ্ধ - জ্যায়ান - জ্যেষ্ঠ।
- শ্রেয় - শ্রেয়ান - শ্রেষ্ঠ।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৮-সংস্করণ)।