পরীক্ষা আর্কাইভ

ব্যাংক নিয়োগ প্রস্তুতি ⎯ লং কোর্স

পরীক্ষাব্যাংক নিয়োগ প্রস্তুতি ⎯ লং কোর্সতারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়10 minutes
মোট প্রশ্ন১৮
সিলেবাস
Bangla - 02: শব্দ ও পদের গঠন, বানান, শব্দের উৎস, শব্দের শ্রেণি বিভাগ।
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

ব্যাংক নিয়োগ প্রস্তুতি ⎯ লং কোর্স

ব্যাংক নিয়োগ প্রস্তুতি ⎯ লং কোর্স · তারিখ অনির্ধারিত · ১৮ প্রশ্ন

.
কোন বানানগুচ্ছের সবগুলো বানান শুদ্ধ?
  1. ক) পূর্বাহ্ণ, মধ্যাহ্ন, সূচ্যগ্র
  2. খ) ভগ্নস্তুপ, ভৌগোলিক, ভস্মীভূত
  3. গ) অনূর্বর, পিপীলিকা, দুরবস্থা
  4. ঘ) শ্রদ্ধাঞ্জলী, ভুঁড়িওয়ালা, প্রজ্বলন
ব্যাখ্যা
• অপশন 'ক' এর সবগুলো বানানই শুদ্ধ।

- অপশন খ এর বানানগুচ্ছের 'ভগ্নস্তুপ' বানানটি অশুদ্ধ। এর শুদ্ধরূপ - ভগ্নস্তূপ।
- অপশন গ এর বানানগুচ্ছের ‘অনূর্বর’ বানানটি অশুদ্ধ। এর শুদ্ধরূপ - অনুর্বর।
- অপশন ঘ এর বানানগুচ্ছের ‘শ্রদ্ধাঞ্জলী’ বানানটি অশুদ্ধ। এর শুদ্ধরূপ - শ্রদ্ধাঞ্জলি।

উৎস: আধুনিক বাংলা অভিধান, বাংলা একাডেমি।
.
'বৃহদার্থে' তদ্ধিত প্রত্যয় সাধিত শব্দ কোনটি?
  1. ক) মিঠাই
  2. খ) চোরা
  3. গ) বাঘা
  4. ঘ) ঢাকাই
ব্যাখ্যা
'বৃহদার্থে' তদ্ধিত প্রত্যয় সাধিত শব্দ: বাঘা।

তাছাড়া,
'জাত অর্থে' তদ্ধিত প্রত্যয় সাধিত শব্দ: 'ঢাকাই'।
অবজ্ঞার্থে' তদ্ধিত প্রত্যয় সাধিত শব্দ: চোরা।
'সমগুণবাচক' বিশেষ্য গঠনে শব্দ: মিঠাই।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ)।
.
নিচের শব্দের ব্যুৎপত্তিগত অর্থ ও ব্যবহারিক অর্থ একই?
  1. ক) গবেষণা
  2. খ) মধুর
  3. গ) গোলাপ
  4. ঘ) প্রবীণ
ব্যাখ্যা
• যৌগিক শব্দ:
যে সব শব্দের ব্যুৎপত্তিগত অর্থ ও ব্যবহারিক অর্থ একই, তাদের যৌগিক শব্দ বলে।

অর্থাৎ, শব্দগঠনের প্রক্রিয়ায় যাদের অর্থ পরিবর্তিত হয় না, তাদেরকে যৌগিক শব্দ বলে।
যেমন:
- গায়ক (মূল শব্দ) - গৈ+অক (শব্দ গঠন অর্থ) - যে গান করে (অর্থ)।
- মধুর = মধু + র; অর্থ - মধুর মতো মিষ্টি গুণযুক্ত।

অন্যদিকে,
'গোলাপ' - মৌলিক শব্দ।
'প্রবীণ' ও 'গবেষণা' - রূঢ়ি শব্দ।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম ও দশম শ্রেণি ২০১৯ সংস্করণ।
.
ঈষৎ অর্থ প্রকাশ করেছে কোন উপসর্গ যুক্ত শব্দটি?
  1. ক) আখাম্বা
  2. খ) উপকূল
  3. গ) অবদান
  4. ঘ) আরক্ত
ব্যাখ্যা
• উপসর্গ:
যেসব শব্দাংশ শব্দমূলের পূর্বে বসে নতুন শব্দ গঠন করে, সেগুলােকে উপসর্গ বলে। ‘পরিচালক’ শব্দের ‘পরি অংশ একটি উপসর্গ।
- নতুন শব্দ তৈরি করা এবং শব্দের অর্থের পরিবর্তন করা উপসর্গের কাজ। 

• 'আরক্ত= আ+রক্ত ' শব্দে 'আ' শব্দটি 'ঈষৎ' অর্থে দ্যোতনার সৃষ্টি করেছে।
- 'আখাম্বা = আ+ খাম্বা'  শব্দে 'আ' শব্দটি 'সদৃশ' দ্যোতনার সৃষ্টি করেছে।
- অবদান বিশেষ অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে।
- 'উপকূল' নিকট অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে।

উৎস: মাধ্যমিক বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি (২০২২ সংস্করণ)।
.
'পঙ্কজ' কোন শব্দের উদাহরণ?
  1. ক) যৌগিক শব্দ
  2. খ) রূঢ়ি শব্দ
  3. গ) যোগরূড় শব্দ
  4. ঘ) কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা
'পঙ্কজ' যোগরূড় শব্দের উদাহরণ।

• অর্থ অনুসারে শব্দ তিন প্রকার। যথা:
- যৌগিক শব্দ,
- রূঢ়ি শব্দ,
- যোগরূড় শব্দ।

যোগরূড় শব্দ:
সমাস নিষ্পন্ন যেসব শব্দ, সমস্যমান পদস্মূহের অর্থের অনুগামী না হয়ে অন্য এক বিশেষ অর্থে ব্যবহৃত হয় সেসব শব্দকে যোগরূঢ় শব্দ বলে। যেমন: 
- যা পঙ্কে বা কাদায় জন্মে - পঙ্কজ।
কিন্তু ব্যবহারিক অর্থ পদ্ম।

উৎস: প্রমিত বাংলা ব্যাকরণ ও নির্মিতি, ড. হায়াৎ মামুদ ও ড. মোহাম্মদ আমীন।
.
প্রত্যয়যোগে সাধিত শব্দ কোনটি?
  1. ক) নাচন
  2. খ) অবেলা
  3. গ) সুখের
  4. ঘ) বিদ্যালয়
ব্যাখ্যা
সাধিত শব্দ:
যেসব শব্দকে বিশ্লেষণ করা যায় অর্থাৎ যেসব শব্দ প্রত্যয়, উপসর্গ, বিভক্তি, সন্ধি, সমাস ইত্যাদি নিয়মে গঠিত হয় তাদের সাধিত শব্দ বলে। 
যেমন -
প্রত্যয়যোগে:

• ধাতুর সঙ্গে প্রত্যয়যোগে -
রাঁধ + না = রান্না,
নাচ্‌ + অন = নাচন।

• শব্দের সঙ্গে তদ্ধিত প্রত্যয়যোগে-
ঢাকা + আই = ঢাকাই,
মোঘল + আই = মোঘলাই,
ছেলে + আমি = ছেলেমি।

উপসর্গে:
অ + বেলা = অবেলা,
আ + হার = আহার,
প্র + হার = প্রহার,
বি + হার = বিহার,
সু + নজর = সুনজর।

বিভক্তিযোগে:
মানুষ + কে = মানুষকে,
সুখ + এর = সুখের,
কলাম + এ = কলামে।

সন্ধিযোগে:
বিদ্যা + আলয় = বিদ্যালয়,
সিংহ + আসন = সিংহাসন।

উৎস: প্রমিত বাংলা ব্যাকরণ ও নির্মিতি, ড. হায়াৎ মামুদ ও ড. মোহাম্মদ আমীন।
.
শব্দ যখন বাক্যের মধ্যে থাকে, তখন তাকে কী বলে?
  1. ক) পদ
  2. খ) বাক্যাংশ
  3. গ) প্রকৃতি
  4. ঘ) বচন
ব্যাখ্যা
• শব্দ যখন বাক্যের মধ্যে থাকে, তখন তার নাম হয় পদ।
বাক্যের অন্তর্গত এসব শব্দ বা পদকে মােট আটটি শ্রেণিতে ভাগে বর্ণনা করা যায়:
- বিশেষ্য
- সর্বনাম
- বিশেষণ
- ক্রিয়া
- ক্রিয়াবিশেষণ
- অনুসর্গ
- যােজক 
- আবেগ

পদে পরিণত হওয়ার সময়ে শব্দের সঙ্গে যেসব শব্দাংশ যুক্ত থাকে এগুলোর নাম লগ্নক।
• লগ্নক চার ধরণের:
বিভক্তি
- নির্দেশক
- বচন
- বলক

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি ২০২২ সংস্করণ।
.
গঠনগতভাবে পদ কত প্রকার?
  1. ক) দুই
  2. খ) তিন
  3. গ) চার
  4. ঘ) পাঁচ
ব্যাখ্যা
গঠনগতভাবে পদ দুই রকমের। যথা -
- অলগ্নক পদ
- সলগ্নক পদ

সলগ্নক পদ:
• বাক্যের যেসব পদে লগ্নক থাকে সেগুলোকে সলগ্নক পদ বলে। যেমন -
'ছেলেরা ক্রিকেট খেলে'
- এ বাক্যে 'ছেলেরা' ও 'খেলে' সংলগ্নক পদ।

অলগ্নক পদ:
• যেসব পদে লগ্নক থাকে না সেগুলোকে অলগ্নক পদ বলে। যেমন -
'ছেলেরা ক্রিকেট খেলে'
- এ বাক্যে 'ক্রিকেট' অলগ্নক পদ।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি ২০২২ সংস্করণ।
.
নিচের কোনটি মৌলিক শব্দ নয়?
  1. ক) লাল
  2. খ) হাত
  3. গ) জনক
  4. ঘ) মা
ব্যাখ্যা
প্রদত্ত প্রশ্নের সঠিক উত্তর: জনক।

সাধিত শব্দ:
একাধিক শব্দের সমাস হয়ে বা ধাতু ও শব্দের সঙ্গে প্রত্যয় যোগ হয়ে যে শব্দ তৈরি হয়, তাকে সাধিত শব্দ বলে।

• মৌলিক শব্দ ছাড়া অন্য সকল শব্দই সাধিত শব্দ। যেমন-'জনক' শব্দটি বাংলা কৃৎ প্রত্যয় যোগে গঠিত।
এখানে জনক= √ জন্ +অক।

মৌলিক শব্দ:
যে শব্দকে আর কোনভাবে বিশ্লেষণ করা যায়না বা ভাঙ্গা যায়না, তাকে মৌলিক শব্দ বলে।
- উপরের হাত, লাল, মা এই তিনটি শব্দকে আর আলাদা করে বিশ্লেষণ করা যায়না।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা- ড. সৌমিত্র শেখর, ভাষা-শিক্ষা-ড. হায়াৎ মামুদ।
১০.
নিচের কোন বানানটি অশুদ্ধ?
  1. ক) এষণ
  2. খ) এরুপ
  3. গ) এক্ষণ
  4. ঘ) এজেন্সি
ব্যাখ্যা
অশুদ্ধ বানান - এরুপ।
- এর শুদ্ধ বানান - এরূপ।
এরূপ ( বিশেষ্য, বিশেষণ, ক্রিয়া বিশেষণ, সর্বনাম)
- বাংলা শব্দ।
অর্থ:
- এরকম
- এই প্রকার

উৎস: আধুনিক বাংলা অভিধান, বাংলা একাডেমি।
১১.
কোন শব্দটির বানান শুদ্ধ?
  1. ক) ত্রিভূজ
  2. খ) পুর্ণ
  3. গ) ভূবন
  4. ঘ) শূন্য
ব্যাখ্যা
'শূন্য' শব্দটি শুদ্ধ বানানে লেখা হয়েছে।
- এটি সংস্কৃত শব্দ।
- প্রকৃতি প্রত্যয় = √শ্বন+য
অর্থ:
- অবিদ্যমানতাসূচক চিহ্ন
- পরিমাণ বা আয়তনের অভাব
- অভাব
- অবিদ্য-মানতা

অন্যান্য অশুদ্ধ বানানের শুদ্ধ রূপ:
ত্রিভূজ - ত্রিভুজ
পুর্ণ - পূর্ণ
ভূবন - ভুবন

উৎস: আধুনিক বাংলা অভিধান, বাংলা একাডেমি।
১২.
কোনটি মৌলিক শব্দ নয়?
  1. ক) ভাত
  2. খ) লতা
  3. গ) চল্‌
  4. ঘ) ছেলেমি
ব্যাখ্যা
'ছেলেমি' শব্দটি মৌলিক শব্দ নয়।
- এটি শব্দের সঙ্গে তদ্ধিত প্রত্যয়যোগে সাধিত শব্দ।

সাধিত শব্দ:
যেসব শব্দকে বিশ্লেষণ করা যায় অর্থাৎ যেসব শব্দ প্রত্যয়, উপসর্গ, বিভক্তি, সন্ধি, সমাস ইত্যাদি নিয়মে গঠিত হয় তাদের সাধিত শব্দ বলে। 
যেমন -
প্রত্যয়যোগে:

• ধাতুর সঙ্গে প্রত্যয়যোগে -
রাঁধ + না = রান্না
নাচ্‌ + অন = নাচন

• শব্দের সঙ্গে তদ্ধিত প্রত্যয়যোগে-
ঢাকা + আই = ঢাকাই
মোঘল + আই = মোঘলাই
ছেলে + আমি = ছেলেমি

উৎস: প্রমিত বাংলা ব্যাকরণ ও নির্মিতি, ড. হায়াৎ মামুদ ও ড. মোহাম্মদ আমীন।
১৩.
নিচের কোন বানানগুচ্ছের সবগুলো বানানই অশুদ্ধ?
  1. ক) মুহূর্ত, মন্ত্রিত্ব, ত্রিভুজ
  2. খ) স্নেহাশিস, অপরাহ্ণ, সমীচীন
  3. গ) মনোযোগ, পলায়ন, রামায়ণ
  4. ঘ) ভুতুড়ে, কর্মচারি, কর্মকান্ড
ব্যাখ্যা
- ক, খ, ও গ অপশনের বানানগুলো শুদ্ধ।

ঘ অপশনের বানানগুলো অশুদ্ধ।

এদের শুদ্ধরূপ -
ভুতুড়ে - ভূতুড়ে,
কর্মচারি - কর্মচারী,
কর্মকান্ড - কর্মকাণ্ড।

উৎস: আধুনিক বাংলা অভিধান, বাংলা একাডেমি।
১৪.
কোনটি তদ্ভব শব্দ?
  1. ক) গাত্র
  2. খ) কেষ্ট
  3. গ) ঘরনি
  4. ঘ) পেট
ব্যাখ্যা
'ঘরনি' - তদ্ভব শব্দ।
- এটি সংস্কৃত শব্দ 'গৃহিণী' থেকে তদ্ভব এ রূপ নিয়েছে।
অর্থ:
- সংসারের কর্ত্রী
- পত্নী
- সংসারকর্মে নিপুণা নারী।

অন্যদিকে,
গাত্র - তৎসম শব্দ,
কেষ্ট - অর্ধ তৎসম শব্দ,
পেট - দেশি শব্দ।

উৎস: বাংলা ব্যাকরণ ও নির্মিতি, ড. হায়াৎ মামুদ ও ড. মোহাম্মদ আমীন ও আধুনিক বাংলা অভিধান, বাংলা একাডেমি।
১৫.
শব্দের শেষে যুক্ত হয়না কোনটি?
  1. ক) প্রত্যয়
  2. খ) উপসর্গ
  3. গ) নির্দেশক
  4. ঘ) বলক
ব্যাখ্যা
শব্দের শেষে যুক্ত হয়না - উপসর্গ।

উপসর্গ:
যেসব শব্দাংশ শব্দমূলের পূর্বে বসে নতুন শব্দ গঠন করে, সেগুলোকে উপসর্গ বলে। 'পরিচালক' শব্দের ‘পরি অংশ একটি উপসর্গ ।
প্রত্যয়:
যেসব শব্দাংশ শব্দমূলের পরে বসে নতুন শব্দ গঠন করে, সেগুলোকে প্রত্যয় বলে। সাংবাদিক” শব্দের ইক’ অংশ একটি প্রত্যয়।
নির্দেশক:
যেসব শব্দাংশ পদের সঙ্গে যুক্ত হয়ে পদকে নির্দিষ্ট করে, সেগুলোকে নির্দেশক বলে। ‘লোকটি বা ভালোটুকু পদের টি' বা ‘টুকু হলো নির্দেশকের উদাহরণ।
বলক:
যেসব শব্দাংশ পদের সঙ্গে যুক্ত হলে বক্তব্য জোরালো হয়, সেগুলোকে বলক বলে। তখনই বা ‘এখনও পদের ই বা ‘ও’ হলো বলকের উদাহরণ।

উৎস: মাধ্যমিক বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি ২০২২ সংস্করণ।
১৬.
নিচের কোনটি রূঢ়ি শব্দ?
  1. ক) হস্তী
  2. খ) কর্তব্য
  3. গ) জলধি
  4. ঘ) পঙ্কজ
ব্যাখ্যা
• অর্থগত দিক থেকে শব্দ তিন প্রকার‌।
যথা-
- যৌগিক শব্দ,
- রূঢ়ি বা রূঢ় শব্দ
- যোগরূঢ় শব্দ।

রূঢ়ি শব্দ:
যে সব শব্দের অর্থ তাদের প্রকৃতি ও প্রত্যয়ের অর্থের অনুগামী না হয়ে ভিন্ন অর্থ প্রকাশ করে, সেসব শব্দকে বলা হয় রূঢ় বা রূঢ়ী শব্দ।
যেমন: হস্ত + ইন্ = হস্তী, অর্থ- হাত আছে যার;
কিন্তু 'হস্তী' বলতে একটি বিশেষ পশু হাতিকে বােঝায়। 
এরকম : বাঁশি, তৈল, প্রবীণ, সন্দেশ ইত্যাদি।

যৌগিক শব্দ: যেসব শব্দের অর্থ তাদের প্রকৃতি ও প্রত্যয়ের অর্থানুযায়ী নির্ধারিত হয়ে থাকে তাদের যৌগিক শব্দ বলে।
যেমন: গৈ+অক = গায়ক, কৃ+তব্য=কর্তব্য।

যোগরূঢ় শব্দ: সমাসবদ্ধ অথবা একাধিক শব্দ বা ধাতুর দ্বারা নিষ্পন্ন শব্দ যখন কোনো আপেক্ষিক অর্থ না বুঝিয়ে অন্য বিশেষ অর্থ প্রকাশ করে, তখন তাদের যোগরূঢ় শব্দ বলে।
যেমন: 'জলধি, পঙ্কজ’ যোগরূঢ় শব্দ।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম ও দশম শ্রেণি ২০১৯ সংস্করণ।
১৭.
'চাবি' শব্দটি বাংলা ভাষায় এসেছে-
  1. ক) আরবী ভাষা হতে
  2. খ) দেশি ভাষা হতে
  3. গ) পর্তুগিজ ভাষা হতে
  4. ঘ) ওলন্দাজ ভাষা হতে
ব্যাখ্যা
বাংলা একডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান অনুসারে,
'চাবি' শব্দটি বাংলা ভাষায় এসেছে - পর্তুগিজ ভাষা হতে।

চাবি (বিশেষ্য):
- পর্তুগিজ ভাষার শব্দ।
অর্থ:
- তালা বন্ধ করা ও খোলার শলাকা।
- যন্ত্রাদি চালু বা বন্ধ করার কাঠিবিশেষ (গাড়ির চাবি)।
- ঘড়ির কাঁটা ঘোরানো বা দম দেওয়ার হাতল।

উৎস: আধুনিক বাংলা অভিধান, বাংলা একডেমি।
১৮.
নিচের কোন শব্দটি 'উয়া' প্রত্যয় যোগে গঠিত?
  1. ক) লাগোয়া
  2. খ) ঘরোয়া
  3. গ) মাছুয়া
  4. ঘ) রিকশাওয়ালা
ব্যাখ্যা
• ‘উয়া’ প্রত্যয় যোগে গঠিত কৃৎপ্রত্যয়:
- পড়ুয়া = পড়ু + উয়া (কৃৎপ্রত্যয়)।
- মাছুয়া = মাছ + উয়া (তদ্ধিতান্ত প্রত্যয়)।

• বাকি অপশনগুলো হচ্ছে:
- লাগোয়া = লাগ্‌ + ওয়া (তদ্ধিতান্ত প্রত্যয়)।
- ঘরোয়া = ঘর + ওয়া (তদ্ধিতান্ত প্রত্যয়)।
- রিক্সাওয়ালা = রিকশা + ওয়ালা (তদ্ধিতান্ত প্রত্যয়)।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি, (২০২২ সংস্করণ)।