পরীক্ষা আর্কাইভ

GKPedia - বাংলাদেশ বিষয়াবলি

পরীক্ষাGKPedia - বাংলাদেশ বিষয়াবলিতারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়07 minutes
মোট প্রশ্ন১৪
সিলেবাস
পরীক্ষা – ১৮ টপিক: রিভিশন পরীক্ষা [Exam – 16 & 17] [Live Class -23,25 & 24 মেন্টর: আসিফ আসাদ]
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

GKPedia - বাংলাদেশ বিষয়াবলি

GKPedia - বাংলাদেশ বিষয়াবলি · তারিখ অনির্ধারিত · ১৪ প্রশ্ন

.
সংবিধান সংস্কার কমিশন কোন শব্দটি ‘প্রজাতন্ত্র’ এর পরিবর্তে ব্যবহারের সুপারিশ করে?
  1. সমাজতন্ত্র
  2. জনতন্ত্র
  3. নাগরিকতন্ত্র
  4. গণতন্ত্র
সঠিক উত্তর:
নাগরিকতন্ত্র
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নাগরিকতন্ত্র
ব্যাখ্যা
সংবিধান সংস্কার কমিশন:
- ‘সংবিধান সংস্কার কমিশন’ গঠন করে প্রজ্ঞাপন জারি করেছে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ।
- ৯ সদস্য বিশিষ্ট এ কমিশন গঠন করা হয়েছে।
- সংবিধান সংস্কার কমিশনের প্রধান অধ্যাপক আলী রীয়াজ।

উল্লেখ্য
⇒ নাগরিকতন্ত্র
- কমিশন সুপারিশ করছে যে, সংবিধানের প্রযোজ্য সকল ক্ষেত্রে 'প্রজাতন্ত্র' এবং 'গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ' শব্দগুলোর পরিবর্তে 'নাগরিকতন্ত্র' এবং 'জনগণতন্ত্রী বাংলাদেশ' শব্দগুলো ব্যবহৃত হবে। তবে ইংরেজি সংস্করণে "Republic" ও "People's Republic of Bangladesh" শব্দগুলো থাকছে।

এছাড়াও,
- নাগরিকত্ব 'বাংলাদেশের জনগণ জাতি হিসেবে বাঙালি...' কমিশন এই বিধানটি বিলুপ্ত করার সুপারিশ করছে। সুপারিশ করা হচ্ছে যে, বর্তমান অনুচ্ছেদ ৬(২) নিম্নোক্তভাবে সংশোধন করা হোক "বাংলাদেশের নাগরিকগণ 'বাংলাদেশি' বলে পরিচিত হবেন" হিসেবে প্রতিস্থাপিত হোক।
- সংবিধান বিষয়ক অপরাধ ও সংবিধান সংশোধনের সীমাবদ্ধতা কমিশন সংবিধানের অনুচ্ছেদ ৭ক এবং ৭খ বিলুপ্তির সুপারিশ করছে।

উৎস: i) লেজিসলেটিভ ও সংসদ বিষয়ক বিভাগ।
ii) সংবিধান সংস্কার কমিশন।
.
সংবিধানের ৫২ ধারা অনুযায়ী, 'ইমপিচমেন্ট' দ্বারা কাকে অভিশংসন করা হয়?
  1. প্রধানমন্ত্রী
  2. রাষ্ট্রপতি
  3. আইনমন্ত্রী
  4. স্পীকার
সঠিক উত্তর:
রাষ্ট্রপতি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাষ্ট্রপতি
ব্যাখ্যা
সংবিধানের "ইমপিচমেন্ট" (Impeachment) দ্বারা সাধারণত রাষ্ট্রপতিকে অভিশংসন করা হয়।

রাষ্ট্রপতির অভিশংসন (Impeachment of the President):
- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের চতুর্থ ভাগ নির্বাহী বিভাগের ৫২ নং অনুচ্ছেদে রাষ্ট্রপতির অভিশংসন (Impeachment of the President) সম্পর্কে বলা আছে।

⇒ গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের চতুর্থ ভাগ নির্বাহী বিভাগের ৫২ নং অনুচ্ছেদে রাষ্ট্রপতির অভিশংসন সম্পর্কে বলা আছে।
- ৫২ (১) এই সংবিধান লংঘন বা গুরুতর অসদাচরণের অভিযোগে রাষ্ট্রপতিকে অভিশংসিত করা যেতে পারবে; এর জন্য সংসদের মোট সদস্যের সংখ্যাগরিষ্ঠ অংশের স্বাক্ষরে অনুরূপ অভিযোগের বিবরণ লিপিবদ্ধ করে একটি প্রস্তাবের নোটিশ স্পীকারের নিকট প্রদান করতে হবে; স্পীকারের নিকট অনুরূপ নোটিশ প্রদানের দিন হতে চৌদ্দ দিনের পূর্বে বা ত্রিশ দিনের পর এই প্রস্তাব আলোচিত হতে পারবে না; এবং সংসদ অধিবেশনরত না থাকলে স্পীকার অবিলম্বে সংসদ আহবান করবেন।
- ৫২ (২) এই অনুচ্ছেদের অধীন কোন অভিযোগ তদন্তের জন্য সংসদ কর্তৃক নিযুক্ত বা আখ্যায়িত কোন আদালত, ট্রাইব্যুনাল বা কর্তৃপক্ষের নিকট সংসদ রাষ্ট্রপতির আচরণ গোচর করতে পারবেন।
- ৫২ (৩) অভিযোগ-বিবেচনাকালে রাষ্ট্রপতির উপস্থিত থাকবার এবং প্রতিনিধি-প্রেরণের অধিকার থাকবে।
- ৫২ (৪) অভিযোগ-বিবেচনার পর মোট সদস্য-সংখ্যার অন্যূন দুই-তৃতীয়াংশ ভোটে অভিযোগ যথার্থ বলিয়া ঘোষণা করে সংসদ কোন প্রস্তাব গ্রহণ করলে প্রস্তাব গৃহীত হবার তারিখে রাষ্ট্রপতির পদ শূন্য হবে।
- ৫২ (৫) এই সংবিধানের ৫৪ অনুচ্ছেদ-অনুযায়ী স্পীকার কর্তৃক রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব-পালনকালে এই অনুচ্ছেদের বিধানাবলী এই পরিবর্তন-সাপেক্ষে প্রযোজ্য হবে যে, এই অনুচ্ছেদের (১) দফায় স্পীকারের উল্লেখ ডেপুটি স্পীকারের উল্লেখ বলিয়া গণ্য হবে এবং (৪) দফায় রাষ্ট্রপতির পদ শূন্য হইবার উল্লেখ স্পীকারের পদ শূন্য হইবার উল্লেখ বলিয়া গণ্য হবে; এবং (৪) দফায় বর্ণিত কোন প্রস্তাব গৃহীত হলে স্পীকার রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালনে বিরত হবেন।

উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান।
.
নিম্নের কোনটি সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান নয়?
  1. বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন
  2. সরকারি কর্ম কমিশন
  3. রাষ্ট্রপতির কার্যালয়
  4. মহাহিসাব নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রকের কার্যালয়
সঠিক উত্তর:
বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন
ব্যাখ্যা
বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশন সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান নয়। এটি একটি বিধিবদ্ধ সংস্থা, যা ১৯৭২ সালের ১৬ই ডিসেম্বর প্রতিষ্ঠিত হয় এবং ১৯৭৩ সালে রাষ্ট্রপতির আদেশের মাধ্যমে এটি উচ্চশিক্ষার একটি স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান হিসাবে স্বীকৃতি লাভ করে। 

সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান:

- বাংলাদেশের সংবিধানের আওতায় বেশ কয়েকটি সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান রয়েছে।
- এই সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানসমূহ বাংলাদেশ সরকারের আইনি প্রতিষ্ঠান হিসেবে সরকারের আইনি কার্যক্রম পরিচালনা করে থাকে।
- সংবিধানিক প্রতিষ্ঠানের প্রতিষ্ঠা, পদের মেয়াদ, পদমর্যাদা, পদত্যাগ ও অপসারণ পদ্ধতি এবং দায়িত্ব সংবিধানে সুনির্দিষ্ট ও সুষ্পষ্টভাবে লিপিবদ্ধ রয়েছে। এগুলো হলো:
• নির্বাহী বিভাগ বা শাসন বিভাগ (প্রধানমন্ত্রী ও রাষ্ট্রপতির কার্যালয় ও প্রসাশনিক মন্ত্রনালয়),
• আইন বিভাগ (জাতীয় সংসদ),
• বিচার বিভাগ (হাইকোট, সুপ্রীম কোট, অধীনস্থ আদালত ও ট্রাইবুনাল),
• নির্বাচন কমিশন,
• সরকারি কর্ম কমিশন,
• অ্যাটর্নি জেনারেলের কার্যালয়,
• মহাহিসাব নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রকের কার্যালয়।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
.
বাংলাদেশের সংবিধানের তৃতীয় তফসিলে কয়টি পদে নির্বাচিত বা নিযুক্ত ব্যক্তির শপথগ্রহণ বা ঘোষণাপত্র পাঠের বিষয় উল্লেখ আছে?
  1. ৭টি
  2. ৮টি
  3. ৯টি
  4. ১১টি
সঠিক উত্তর:
৯টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৯টি
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের সংবিধানের তৃতীয় তফসিল: [১৪৮ অনুচ্ছেদ]- শপথ ও ঘোষণা।
- বাংলাদেশের সংবিধানের তৃতীয় তফসিলে ৯টি পদে নির্বাচিত বা নিযুক্ত ব্যক্তির শপথগ্রহণ বা ঘোষণাপত্র পাঠের বিষয় উল্লেখ আছে।

⇒ সংবিধানের তৃতীয় তফসিল অনুসারে:
১। রাষ্ট্রপতি [শপথ বাক্য পাঠ করান স্পীকার]।
২। প্রধানমন্ত্রী এবং অন্যান্য মন্ত্রী, প্রতি-মন্ত্রী ও উপমন্ত্রী [শপথ বাক্য পাঠ করান রাষ্ট্রপতি]।
৩। স্পীকার [শপথ বাক্য পাঠ করান রাষ্ট্রপতি]।
৩। ডেপুটি স্পীকার [শপথ বাক্য পাঠ করান রাষ্ট্রপতি]।
৫। সংসদ সদস্য [শপথ বাক্য পাঠ করান স্পীকার]।
৬। প্রধান বিচারপতি বা বিচারক [শপথ বাক্য পাঠ করান রাষ্ট্রপতি]।
৭। প্রধান নির্বাচন কমিশনার বা নির্বাচন কমিশনার [শপথ বাক্য পাঠ করান প্রধান বিচারপতি]।
৮। মহা হিসাব-নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রক [শপথ বাক্য পাঠ করান প্রধান বিচারপতি।
৯। সরকারী কর্ম কমিশনের সদস্য [শপথ বাক্য পাঠ করান প্রধান বিচারপতি]।

উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান।
.
কোনটি গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের বৈশিষ্ট্য নয়?
  1. অলিখিত দলিল
  2. দুষ্পরিবর্তনীয়
  3. সাংবিধানিক প্রাধান্য
  4. রাষ্ট্রপরিচালনার মূলনীতি
সঠিক উত্তর:
অলিখিত দলিল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অলিখিত দলিল
ব্যাখ্যা
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের বৈশিষ্ট্য নয় - অলিখিত দলিল।

গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের বৈশিষ্ট্য:

⇒ ১৯৭২ সালের মূল সংবিধান গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের একটি মূল দলিল।
- এ সংবিধানটি উৎকৃষ্ট এবং বিভিন্ন দিক দিয়ে বৈশিষ্ট্যমণ্ডিত। এর প্রধান বৈশিষ্ট্যগুলো নিম্নরূপ:
• লিখিত দলিল।
দুষ্পরিবর্তনীয়
• রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতি।
• মৌলিক অধিকার।
• এককেন্দ্রিক রাষ্ট্র।
• প্রজাতন্ত্র।
• এক-কক্ষবিশিষ্ট আইনসভা।
• সংসদীয় পদ্ধতির সরকার।
• বিচার বিভাগের স্বাধীনতা।
• ন্যায়পাল।
• সাংবিধানিক প্রাধান্য।

উৎস: i) বাংলাদেশের সংবিধান।
ii) পৌরনীতি, এস এস সি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
কোনটি বাংলাদেশ সংবিধানের তৃতীয় ভাগের অংশ নয়?
  1. গৃহ ও যোগাযোগের রক্ষণ
  2. দায়মুক্তি ক্ষমতা
  3. যুদ্ধ ঘোষণা
  4. পেশার স্বাধীনতা
সঠিক উত্তর:
যুদ্ধ ঘোষণা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যুদ্ধ ঘোষণা
ব্যাখ্যা
যুদ্ধ ঘোষণা বাংলাদেশ সংবিধানের তৃতীয় ভাগের অংশ নয়।

সংবিধানের তৃতীয় ভাগ: মৌলিক অধিকার

- বাংলাদেশ সংবিধানের তৃতীয় ভাগে (অনুচ্ছেদ ২৬-৪৭) মৌলিক অধিকার লিপিবদ্ধ রয়েছে। এগুলো হলো: 
২৬। মৌলিক অধিকারের সহিত অসমঞ্জস আইন বাতিল,
২৭। আইনের দৃষ্টিতে সমতা,
২৮। ধর্ম প্রভৃতি কারণে বৈষম্য,
২৯। সরকারী নিয়োগলাভে সুযোগের সমতা,
৩০। বিদেশী খেতার প্রভৃতি গ্রহণ নিষিদ্ধকরণ,
৩১। আইনের আশ্রয় লাভের অধিকার,
৩২। জীবন ও ব্যক্তি-স্বাধীনতার অধিকার-রক্ষণ,
৩৩। গ্রেফতার ও আটক সম্পর্কে রক্ষাকবচ,
৩৪। জবরদস্তি-শ্রম নিষিদ্ধকরণ,
৩৫। বিচার ও দন্ড সম্পর্কে রক্ষণ,
৩৬। চলাফেরার স্বাধীনতা,
৩৭। সমাবেশের স্বাধীনতা,
৩৮। সংগঠনের স্বাধীনতা,
৩৮। চিন্তা ও বিবেকের স্বাধীনতা এবং বাক-স্বাধীনতা,
৪০। পেশা বা বৃত্তির স্বাধীনতা,
৪১। ধর্মীয় স্বাধীনতা,
৪২। সম্পত্তির অধিকার,
৪৩। গৃহ ও যোগাযোগের রক্ষণ,
88। মৌলিক অধিকার বলবৎকরণ,
৪৫। শৃঙ্খলামূলক আইনের ক্ষেত্রে অধিকারের পরিবর্তন,
৪৬। দায়মুক্তি-বিধানের ক্ষমতা,
৪৭। কতিপয় আইনের হেফাজত।

অন্যদিকে,
- যুদ্ধ ঘোষণা বাংলাদেশ সংবিধানের ৪র্থ ভাগের অংশ।

উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান।
.
বাংলাদেশে প্রথম গণপরিষদের ডেপুটি স্পিকার কে ছিলেন?
  1. মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ
  2. শাহ আবদুল হামিদ
  3. মাহমুদুল্লাহ
  4. মোহাম্মদ উল্লাহ
সঠিক উত্তর:
মোহাম্মদ উল্লাহ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মোহাম্মদ উল্লাহ
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের প্রথম গণপরিষদ:
- গণপরিষদ গঠন সংবিধান হলো রাষ্ট্র পরিচালনার মৌলিক বিধি-বিধানের সমষ্টি। পৃথিবীর অধিকাংশ দেশে সংবিধান প্রণয়নের জন্য গণপরিষদ গঠন করা হয়। বাংলাদেশের সংবিধান প্রণয়নেও এমন একটি গণপরিষদ গঠন করা হয়।
- ১৯৭২ সালের ২৩ মার্চ তৎকালীন বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি গণরিষদ গঠনের আদেশ জারি করেন।
- এ আদেশ ১৯৭১ সালের ২৬ মার্চ থেকে কার্যকরী বলে ধরে নেয়া হয়।
- এ আদেশ বলে ১৯৭০ সালের ৭ ডিসেম্বর থেকে ১৯৭১ সালের ১ মার্চ পর্যন্ত জাতীয় ও প্রাদেশিক পরিষদে বাংলাদেশ থেকে নির্বাচিত প্রতিনিধিদের নিয়ে গণপরিষদ গঠন করা হয়।
- মৃত্যু এবং অন্য কোন কারণে বা আইনে অযোগ্য বলে ঘোষিত হওয়ার ফলে সর্বমোট (১৬৯+৩০০) ৪৬৯ জন সদস্যের স্থলে ৪০৩ জন সদস্য নিয়ে গণপরিষদ গঠিত হয়।
- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের জন্য একটি স্থায়ী সংবিধান প্রণয়নের গুরুদায়িত্ব গণপরিষদের ওপর ন্যস্ত করা হয়।

উল্লেখ্য,
- মওলানা আবদুর রশীদ তর্কবাগীশের সভাপতিত্বে গণপরিষদের প্রথম অধিবেশনে শাহ আবদুল হামিদ স্পিকার ও মোহাম্মদ উল্লাহ ডেপুটি স্পিকার নির্বাচিত হন
- ২ মে, ১৯৭২ শাহ আবদুল হামিদ মারা গেলে মোহাম্মদ উল্লাহ স্পিকার নির্বাচিত হন।

• গণপরিষদের অধিবেশন:
- ১৯৭২ সালের ১০ এপ্রিল গণপরিষদের প্রথম অধিবেশন অনুষ্ঠিত হয়।
- সরকারের আইনমন্ত্রী ড. কামাল হোসেনকে আহ্বায়ক করে ৩৪ সদস্যের এ কমিটি গঠন করা হয়।
- ১৯৭২ সালের ১২ অক্টোবর গণপরিষদের দ্বিতীয় অধিবেশনে তৎকালীন আইনমন্ত্রী ড. কামাল হোসেন খসড়া সংবিধান বিল আকারে উত্থাপন করেন।
- ১৬ ডিসেম্বর ১৯৭২ (বিজয় দিবস) সংবিধান থেকে কার্যকর হয়।

উৎস: i) বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থা।
ii) বাংলাদেশের রাজনৈতিক উন্নয়ন, এসএসএইচএল, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
বাংলাদেশের সংবিধানের কততম সংশোধনী অনুযায়ী নির্দলীয় তত্ত্বাবধায়ক সরকার গঠন করার আইন পাস করা হয়?
  1. দ্বাদশ
  2. ত্রয়োদশ
  3. দশম
  4. পঞ্চদশ
সঠিক উত্তর:
ত্রয়োদশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ত্রয়োদশ
ব্যাখ্যা
ত্রয়োদশ সংশোধনী:
- ২৭ মার্চ, ১৯৯৬ ত্রয়োদশ সংশোধনী আনা হয়।
- এই সংশোধনীর মাধ্যমে সাধারণ নির্বাচন ব্যবস্থায় বড় ধরনের পরিবর্তন আনা হয়েছিল।
- নির্বাচন অনুষ্ঠানের জন্য তিন মাস মেয়াদের 'নির্দলীয়'-'নিরপেক্ষ' তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা প্রবর্তন করা হয়েছিল।
- একজন প্রধান উপদেষ্টা এবং দশ জন উপদেষ্টা নিয়ে এই সরকার গঠিত হতো।
- উচ্চ আদালতের আদেশে ২০১১ সালে এই সংশোধনীটি বাতিল হয়।

উল্লেখ্য,
- সংবিধান (পঞ্চদশ সংশোধন) আইন, ২০১১ (২০১১ সনের ১৪ নং আইন)-এর ২১ ধারাবলে ত্রয়োদশ সংশোধনী বাতিল করা হয়।

উৎস: i) BBC.
ii) বাংলাদেশের সংবিধান। 
.
'গিরিকন্যা' চলচ্চিত্রটি কোন ভাষায় নির্মিত?
  1. চাকমা
  2. মারমা
  3. ম্রো
  4. মণিপুরী
সঠিক উত্তর:
মারমা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মারমা
ব্যাখ্যা
গিরিকন্যা:
- মারমা ভাষায় প্রথম চলচ্চিত্র ‘তংস্মাসে বা গিরিকন্যা’।
- চলচ্চিত্রের নির্মাতা প্রদীপ ঘোষ।
- মারমা জনগোষ্ঠীর প্রাণ-প্রকৃতি রক্ষার অঙ্গীকার নিয়ে মারমা ভাষায় প্রথম চলচ্চিত্র “গিরিকন্যা”।

উল্লেখ্য,
- বান্দরবানের মারমা জনগোষ্ঠীর প্রবীণ চিকিৎসক ডা. মং উষা থোয়াই-এর গল্প অবলম্বনে ‘গিরিকন্যা’ নির্মিত হয়েছে।

উৎস: i) প্রথম আলো।
ii) বিবিসি।
১০.
বাংলাদেশের সংবিধান প্রণয়ন কমিটির প্রধান ছিলেন কে?
  1. ড. কামাল হোসেন
  2. সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত
  3. মোহাম্মদ উল্লাহ
  4. শাহ আবদুল হামিদ
সঠিক উত্তর:
ড. কামাল হোসেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ড. কামাল হোসেন
ব্যাখ্যা
সংবিধান প্রনয়ণ কমিটি:
- সংবিধান রচনার জন্য তৎকালীন রাষ্ট্রপতি বিচারপতি আবু সাঈদ চৌধুরী ১৯৭২ সালের ২৩ মার্চ 'বাংলাদেশ গণপরিষদ আদেশ’ জারি করেন।
- এ আদেশ বলে ১৯৭০ সালের ৭ ডিসেম্বর থেকে ১৯৭১ সালের ১ মার্চ পর্যন্ত জাতীয় ও প্রাদেশিক পরিষদে বাংলাদেশ থেকে নির্বাচিত প্রতিনিধিদের নিয়ে গণপরিষদ গঠন করা হয়।
- গণপরিষদের মোট সদস্য সংখ্যা ছিল ৪০৩ জন।
- সংবিধান প্রণয়নই ছিল গণপরিষদের একমাত্র লক্ষ্য।
- এই আদেশ জারির মধ্য দিয়ে সংবিধান প্রণয়নের আনুষ্ঠানিক কাজ শুরু হয়।

⇒ গণপরিষদের প্রথম অধিবেশনে আইন ও সংসদ বিষয়কমন্ত্রী ড. কামাল হোসেনের নেতৃত্বে ৩৪ সদস্যবিশিষ্ট একটি 'খসড়া সংবিধান প্রণয়ন কমিটি' গঠন করা হয়।
- কমিটি প্রথম বৈঠকে করে ১৯৭২ সালে ১৭ এপ্রিল।
- ১৯৭২ সালের ১০ জুন কমিটির শেষ বৈঠকে সংবিধানের প্রাথমিক খসড়াটি অনুমোদন করা হয়।
- ১৯৭২ সালের ১০ জুনের মধ্যে কমিটি বিল আকারে একটি খসড়া শাসনতন্ত্রসহ রিপোর্ট পেশ করার কথা থাকলেও কমিটির পক্ষে সভাপতি কামাল হোসেন ১২ অক্টোবর ১৯৭২ 'সংবিধান বিল' গণপরিষদে উত্থাপন করেন।
- একই বছরের ৪ নভেম্বর গণপরিষদে বাংলাদেশের সংবিধান গৃহীত হয়।

উৎস: i) বাংলাদেশ স্টাডিজ, বিবিএস প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ii) বাংলাদেশের রাজনৈতিক উন্নয়ন, এসএসএইচএল, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১১.
সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে ন্যায়পাল প্রতিষ্ঠা করার কথা বলা হয়েছে?
  1. ৭২ নং অনুচ্ছেদে
  2. ৭৩ নং অনুচ্ছেদে
  3. ৭৬ নং অনুচ্ছেদে
  4. ৭৭ নং অনুচ্ছেদে
সঠিক উত্তর:
৭৭ নং অনুচ্ছেদে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৭৭ নং অনুচ্ছেদে
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের সংবিধানের ৭৭ নং অনুচ্ছেদে ‘ন্যায়পাল’ পদটির উল্লেখ আছে।

বাংলাদেশের সংবিধানের ৭৭ নং অনুচ্ছেদ: ন্যায়পাল:

১. সংসদ আইনের দ্বারা ন্যায়পালের পদ-প্রতিষ্ঠার জন্য বিধান করতে পারবেন।
২. সংসদ আইনের দ্বারা ন্যায়পালকে কোন মন্ত্রণালয়, সরকারী কর্মচারী বা সংবিধিবদ্ধ সরকারী কর্তৃপক্ষের যে কোন কার্য সম্পর্কে তদন্ত পরিচালনার ক্ষমতাসহ যেরূপ ক্ষমতা কিংবা যেরকম দায়িত্ব প্রদান করবেন, ন্যায়পাল সেইরূপ ক্ষমতা প্রয়োগ ও দায়িত্ব পালন করবেন।
৩. ন্যায়পাল তার দায়িত্বপালন সম্পর্কে বাৎসরিক রিপোর্ট প্রণয়ন করবেন এবং অনুরূপ রিপোর্ট সংসদে উপস্থাপিত হবে।

অন্যদিকে -
- বাংলাদেশের সংবিধানের ৭২ নং অনুচ্ছেদে 'সংসদের অধিবেশন'-এর উল্লেখ আছে।
- বাংলাদেশের সংবিধানের ৭৩ নং অনুচ্ছেদে 'সংসদ সম্পর্কে মন্ত্রীগণের অধিকার'-এর উল্লেখ আছে।
- বাংলাদেশের সংবিধানের ৭৬ নং অনুচ্ছেদে 'সংসদের স্থায়ী কমিটিসমূহ'-এর উল্লেখ আছে।

উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান।
১২.
বিদ্যুৎ উৎপাদনের দিক থেকে বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ বিদ্যুৎকেন্দ্র কোনটি?
  1. পায়রা তাপ বিদ্যুৎকেন্দ্র
  2. রামপাল তাপ বিদ্যুৎকেন্দ্র
  3. রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র
  4. তিস্তা সোলার লিমিটেড
সঠিক উত্তর:
পায়রা তাপ বিদ্যুৎকেন্দ্র
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পায়রা তাপ বিদ্যুৎকেন্দ্র
ব্যাখ্যা
পায়রা তাপ বিদ্যুৎ কেন্দ্র:
- বিদ্যুৎ উৎপাদনের দিক থেকে বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ বিদ্যুৎকেন্দ্র হলো পায়রা তাপ বিদ্যুৎকেন্দ্র।
- এটি পটুয়াখালী জেলার কলাপাড়া উপজেলায় অবস্থিত।
- এটি কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্র।
- পায়রা বিদ্যুৎ কেন্দ্রের মোট বিদ্যুৎ উৎপাদন ক্ষমতা ১৩২০ মেগাওয়াট।

⇒ বিদ্যুৎকেন্দ্রটি তৈরি হয়েছে বাংলাদেশ ও চীনের যৌথ উদ্যোগে।
- ২০১৪ সালে এই সংক্রান্ত চুক্তি হয়েছিল।
- নির্মাণের কাজ করেছে বাংলাদেশ-চায়না পাওয়ার কোম্পানি লিমিটেড।
- আড়াইশো কোটি ডলার ব্যয়ে এই কেন্দ্র নির্মাণের সিংহভাগ অর্থায়ন করেছে চীন।
- ২০১৬ সালের অক্টোবরে এ বিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণের ভিত্তি প্রস্তর উদ্বোধন করা হয়েছিল।
- এর কাছেই রয়েছে পায়রা বন্দর।
- যেখান থেকে বিদ্যুৎকেন্দ্রের জ্বালানি কয়লা আমদানি সহজ হবে বলে সরকার আশা করছে।

উল্লেখ্য,
- বাংলাদেশে বিদ্যুৎ সরবরাহকারীদের মধ্যে আদানি গ্রুপই সবচেয়ে বড়।
- এরপর যথাক্রমে রয়েছে পায়রা (১ হাজার ২৪৪ মেগাওয়াট), রামপাল (১ হাজার ২৩৪ মেগাওয়াট) এবং এসএস পাওয়ার (১ হাজার ২২৪ মেগাওয়াট)।
- বড়পুকুরিয়া বিদ্যুৎকেন্দ্রে দেশীয় কয়লা ব্যবহার হলেও তিনটি ইউনিটের মধ্যে দুটি উৎপাদনে আছে, বিদ্যুৎকেন্দ্রটির মোট উৎপাদন সক্ষমতা ৪৪৪ মেগাওয়াট।

উৎস: i) জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
ii) The Daily Star Bangla.
১৩.
বাংলাদেশের সংবিধানের কততম অনুচ্ছেদে 'জীবন ও ব্যক্তি স্বাধীনতার অধিকার' দেওয়া হয়েছে?
  1. ২৬ নং
  2. ২৮ নং
  3. ৩২ নং
  4. ৩৮ নং
সঠিক উত্তর:
৩২ নং
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩২ নং
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের সংবিধান:
- বাংলাদেশ সংবিধানের তৃতীয় ভাগে ২৬ নং অনুচ্ছেদ থেকে ৪৭ নং অনুচ্ছেদ পর্যন্ত মৌলিক অধিকারসমূহ সন্নিবেশিত রয়েছে।
- সংবিধানের ৩২ নং অনুচ্ছেদে, বর্ণিত হয়েছে: জীবন ও ব্যক্তি-স্বাধীনতার অধিকার-রক্ষণ।
• আইনানুযায়ী ব্যতীত জীবন ও ব্যক্তিস্বাধীনতা হতে কোন ব্যক্তিকে বঞ্চিত করা যাবে না।

অন্যদিকে,
- সংবিধানের ২৬ নং অনুচ্ছেদে, বর্ণিত হয়েছে: মৌলিক অধিকারের অসমঞ্জস আইন বাতিল।
- সংবিধানের ২৮ নং অনুচ্ছেদে, বর্ণিত হয়েছে: ধর্ম প্রভৃতি কারণে বৈষম্য।
- সংবিধানের ৩৮ নং অনুচ্ছেদে, বর্ণিত হয়েছে: সংগঠনের স্বাধীনতা। 

উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান।
১৪.
বাংলাদেশের সংবিধানের কোন সংশোধনীতে "বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম" যুক্ত করা হয়?
  1. দ্বিতীয় সংশোধনী
  2. পঞ্চম সংশোধনী
  3. সপ্তম সংশোধনী
  4. অষ্টম সংশোধনী
সঠিক উত্তর:
পঞ্চম সংশোধনী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পঞ্চম সংশোধনী
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ সংবিধানের পঞ্চম সংশোধনী:
- জাতীয় সংসদে এ সংশোধনী আনা হয় ১৯৭৯ সালের ৬ এপ্রিল।
- বাংলাদেশের রাজনীতিতে ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট থেকে ১৯৭৯ সালের ৬ এপ্রিল পর্যন্ত সামরিক শাসন বিরাজ করছিল।
- এ সময় রাষ্ট্রপতি ও প্রধান সামরিক আইন প্রশাসক কর্তৃক জারিকৃত আদেশ ও ঘোষণার দ্বারা বাংলাদেশ সংবিধানের কিছু কিছু সংশোধনী আনা হয়।
- পঞ্চম সংশোধনীর দ্বারা এ সংশোধনীকে বৈধতা দান করা হয়।
- তৎকালীন সময়ে রাষ্ট্রপ্রধান কর্তৃক পরিবর্তন ও সংশোধনী বিষয়াবলী হল:
(১) বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম,
(২) 'বাঙালি' শব্দটির পরিবর্তে 'বাংলাদেশী',
(৩) ধর্ম নিরপেক্ষতার পরিবর্তে সর্বশক্তিমান আল্লাহর উপর পূর্ণ আস্থা ও বিশ্বাস,
(৪) 'সমাজতন্ত্র' মানে অর্থনৈতিক ও সামাজিক ন্যায় বিচার,
(৫) মন্ত্রিসভার সদস্যগণের চার-পঞ্চমাংশের সংসদ সদস্য হবার বিধান,
(৬) মৌলিক অধিকার বলবৎ করার ব্যাপারে সুপ্রীম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগে মামলা রুজু করা,
(৭) সুপ্রীম জুডিসিয়াল কাউন্সিল গঠন,
(৮) গণভোট ইত্যাদি সংযোজন, পরিবর্তন ও সংশোধন করা হয়। 

উল্লেখ্য,
- দীর্ঘ সময় পর ২০১০ সালে উচ্চ আদালতের এক রায়ে এই পঞ্চম সংশোধনী অবৈধ ঘোষণা করা হয়েছে।

উৎস: i) BBC.
ii) বাংলাদেশের রাজনৈতিক উন্নয়ন, এসএসএইচএল, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।