পরীক্ষা আর্কাইভ

নতুনদের বিসিএস প্রস্তুতি - ২০০ দিনে পুরো সিলেবাস

পরীক্ষানতুনদের বিসিএস প্রস্তুতি - ২০০ দিনে পুরো সিলেবাসতারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়28 minutes
মোট প্রশ্ন৩৪
সিলেবাস
[For iPad Mania: Season - 2] --------------------------- রিভিশন পরীক্ষা [নতুনদের বিসিএস প্রস্তুতি বাটনের বিগত ৬টি পরীক্ষার টপিকের উপর রিভিশন পরীক্ষা]
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

নতুনদের বিসিএস প্রস্তুতি - ২০০ দিনে পুরো সিলেবাস

নতুনদের বিসিএস প্রস্তুতি - ২০০ দিনে পুরো সিলেবাস · তারিখ অনির্ধারিত · ৩৪ প্রশ্ন

.
বিশ্বব্যাংক কর্তৃক বৈশ্বিক উষ্ণায়নের জন্য ২০০৯ সালে চিহ্নিত ৫টি ঝুঁকিপূর্ণ দিকের কোনটিতে বাংলাদেশের অবস্থান শীর্ষে?
  1. মরুকরণ
  2. বন্যা
  3. ঝড়
  4. সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি
ব্যাখ্যা
- ২০০৯ সালে বিশ্বব্যাংক বৈশ্বিক উষ্ণায়নের জন্য ৫টি ঝুঁকিপূর্ণ দিক চিহ্নিত করেছে।
- এগুলো হলো: মরুকরণ, বন্যা, ঝড়, সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি এবং কৃষিক্ষেত্রে অধিকতর অনিশ্চয়তা।
- এগুলোর প্রতিটিতে শীর্ষ ঝুঁকিপূর্ণ ১২টি দেশের তালিকা তৈরি করা হয়েছে।
- সেই তালিকার ৫টি ভাগের একটিতে (বন্যায়) শীর্ষ ঝুঁকিপূর্ণসহ ৩টিতে নাম আছে বাংলাদেশের।
- ঝড়ের ঝুঁকিতে বাংলাদেশ দ্বিতীয় এবং সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধির ঝুঁকিতে বাংলাদেশের অবস্থান দশম।
- বৈশ্বিক উষ্ণায়নের প্রভাবে সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ দেশ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে বাংলাদেশ।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণী, NCTB।
.
বিপদের গুরুত্ব অনুযায়ী নদী বন্দরের জন্য কয় ধরনের ঝড় সতর্কীকরণ সংকেত প্রদান করা হয়?
ব্যাখ্যা
- আবহাওয়া বিভাগ সমুদ্র ও নদী বন্দরের জন্য পৃথক সংকেত প্রচার করে।
- বিপদের গুরুত্ব অনুযায়ী সমুদ্র বন্দরের জন্য এক থেকে দশ (১-১০) ধরনের ও নদী বন্দরের জন্য এক থেকে চার (১-৪) ধরনের ঝড় সতর্কীকরণ সংকেত প্রদান করে।
- অধুনা আবহাওয়া বিভাগের প্রচারিত সতর্কীকরণ বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী ঘূর্ণিঝড় প্রস্তুতি কর্মসূচী বা সাইক্লোন প্রিপেয়ার্ডনেস প্রোগ্রাম (CPP) এর আঞ্চলিক দপ্তরসমূহ থেকে স্বেচ্ছাসেবকদের মাধ্যমে মোবাইল ও জনসংযোগের মাধ্যমে বিভিন্ন এলাকায় জনসাধারণকে ঝড়ের পূর্বাভাস দেবার পাশাপাশি তাদেরকে ঝুঁকিপূর্ণ স্থান থেকে সরিয়ে নিতে কাজ করছে।
- এর পাশাপাশি ১টি থেকে ৩টি পতাকা উত্তোলন ও মাইক, মেগাফোন ইত্যাদির সাহায্যে সিপিপি ও অন্যান্য বেসরকারি সংস্থাসমূহ সম্ভাব্য ঘূর্ণিঝড় উপদ্রুত এলাকার জনগণকে সতর্ক করে।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
.
সিলেট এলাকায় কি ধরণের বৃষ্টিপাত হয়?
  1. পরিচলন বৃষ্টি
  2. শৈলোৎক্ষেপ বৃষ্টি
  3. ঘূর্ণিবাত বৃষ্টি
  4. সংঘর্ষ বৃষ্টি
ব্যাখ্যা
বৃষ্টিপাতের প্রকারভেদ:
- মোট ৪টি উপায়ে জলীয়বাষ্পপূর্ণ বায়ু ঊর্ধ্বাকাশে উত্থিত হয়ে বৃষ্টিপাত ঘটায় বলে বৃষ্টিপাত প্রধানত ৪টি ভাগে বিভক্ত।
- এই ৪টি প্রকারভেদ হলো, 
১। পরিচলন বৃষ্টিপাত: ভূ-পৃষ্ঠের বায়ু উষ্ণ হলে প্রচুর জলীয়বাষ্প সম্পন্ন হালকা বায়ু উপরে উঠে যায়।
- এ সময়ে শীতল বায়ুর সংস্পর্শে এসে ঐ জলীয়বাষ্প প্রথমে মেঘ ও পরে বৃষ্টিতে পরিণত হয়ে সোজা নিচে নেমে আসে।
- এই বৃষ্টিপাতকে বলা হয় পরিচলন বৃষ্টি। নিরক্ষীয় নিম্নচাপ এলাকায় পরিচলন বৃষ্টিপাত বেশি হয় কারণ এই সব এলাকার উর্ধ্বগামী বায়ুতে প্রচুর জলীয়বাষ্পপূর্ণ বায়ু থাকে। 
২। শৈলোৎক্ষেপ বৃষ্টিপাত: জলীয়বাষ্পপূর্ণ উষ্ণ ও আর্দ্র বায়ু ভূ-পৃষ্ঠের উপর দিয়ে প্রবাহিত হওয়ায় সময় পর্বতে বাধাপ্রাপ্ত হলে তা পর্বতের ঢাল বেয়ে উপরের দিকে উঠে যায়।
- এই বায়ু শীতল হয়ে পর্বতের প্রতিবাত ঢালে যে বৃষ্টিপাত ঘটায় তাকে শৈলোৎক্ষেপ বৃষ্টি বলে।
- দক্ষিণ-পশ্চিম মৌসুমি বায়ু মেঘালয় পাহাড়ে বাধা পাওয়ায় সিলেট এলাকায় প্রচুর শৈলোৎক্ষেপ বৃষ্টি হয়। 
৩। ঘূর্ণিবাত বৃষ্টিপাত: ঘূর্ণিবাত কেন্দ্রের বায়ু যখন উপরে উঠে যায় তখন তাপমাত্রা হ্রাস পায় ও শীতল হয়।
- এ সময় বায়ুতে থাকা জলীয়বাষ্প অতিরিক্ত ঘণীভূত হয়ে ঘূর্ণিবাত বৃষ্টিপাত ঘটায়।
৪। সংঘর্ষ বৃষ্টিপাত: শীতল ও উষ্ণ বায়ুপুঞ্জ যখন মুখোমুখি হয় তখন শীতল বায়ুর সংস্পর্শে উষ্ণ বায়ুর তাপমাত্রা হ্রাস পায় এবং শিশিরাঙ্কে পৌঁছায়।
- আরও ঘনীভূত হয়ে বায়ুপুঞ্জের সংযোগস্থলে বৃষ্টিপাত ঘটায়।
- এই প্রকার বৃষ্টি নাতিশীতোষ্ণ বৃষ্টিপাত নামে পরিচিত। এই ধরনের বৃষ্টি নাতিশীতোষ্ণ অঞ্চলে দেখা যায়।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
.
ওজোন রক্ষায় স্বাক্ষরিত চুক্তি কোনটি?
  1. কিয়োটো প্রটোকল
  2. মন্ট্রিল প্রটোকল
  3. কার্টাগেনা প্রটোকল
  4. নাগোয়া প্রটোকল
ব্যাখ্যা
মন্ট্রিল প্রটোকল:
- এটি হলো বায়ুমন্ডলের ওজোনস্তর রক্ষা বিষয়ক একটি আন্তর্জাতিক চুক্তি বা প্রটোকল, যার পুরো নাম Montreal Protocol on Substances that Deplete the Ozone Layer।
- ১৯৮৭ সালের ১৬ সেপ্টেম্বর, কানাডার মন্ট্রিলে প্রটোকলটি গৃহীত হয় এবং কার্যকর হয় ১৯৮৯ সালের ১ জানুয়ারি। 
- মন্ট্রিল প্রটোকলের লক্ষ্য হলো পৃথিবীর বায়ুমন্ডলে স্ট্র্যাটোস্ফিয়ারে অবস্থিত ওজোন স্তরের ক্ষয়কারী রাসায়নিক পদার্থের উৎপাদন ও ব্যবহার নিয়ন্ত্রণ করা।
- প্রাথমিকভাবে, প্রটোকলটিতে ৪৬টি দেশ স্বাক্ষর করে, এই চুক্তিতে এখন পর্যন্ত বর্তমানে দুইশর কাছাকাছি দেশ এই প্রোটোকলের সাথে চুক্তিবদ্ধ আছে।
- বাংলাদেশ সরকার ১৯৯০ সালের ২ আগস্ট মন্ট্রিল প্রটোকল অনুস্বাক্ষর করে।
এছাড়া, 
- কিয়োটো প্রটোকল একটি আন্তর্জাতিক চুক্তি যা বায়ুমণ্ডলে কার্বন ডাই অক্সাইড নির্গমন এবং গ্রিনহাউস গ্যাসের উপস্থিতি হ্রাস করা সম্পর্কিত।
- জাতিসংঘের জৈব নিরাপত্তা বিষয়ক একটি চুক্তি কার্টাগেনা প্রটোকল।
- নাগোয়া প্রটোকল বন্যপ্রাণী সংরক্ষণ বিষয়ক।

উৎস: এনসাইক্লোপেডিয়া ব্রিটানিকা। [লিঙ্ক]
.
টেকসই উন্নয়ন অভীষ্ট সমূহের কত নং অভীষ্ট জলবায়ু বিষয়ক?
  1. ৭ নং
  2. ৯ নং
  3. ১১ নং
  4. ১৩ নং
ব্যাখ্যা
টেকসই উন্নয়ন অভীষ্ট:
- ২০১৫ সালের ২৫ সেপ্টেম্বর জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের বিশেষ অধিবেশনে এসডিজি বা এজেন্ডা ২০৩০ গৃহীত হয়।
- এসডিজির ১৭টি অভীষ্ট রয়েছে, যার মধ্যে সুনির্দিষ্ট লক্ষ্যমাত্রা রয়েছে ১৬৯টি।
- ১৭টি অভীষ্ট নিম্নরূপ:
১. সর্বত্র সকল ধরনের দারিদ্রের অবসান,
২. ক্ষুধা নিবারণ, খাদ্য নিরাপত্তা, সুষম পুষ্টি ও টেকসই কৃষি,
৩. সুস্বাস্থ্য ও সুস্থতা,
৪. মানসম্পন্ন শিক্ষা,
৫. লিঙ্গ সমতা,
৬. সবার জন্য স্যানিটেশন ও সুপেয় পানি,
৭. সাশ্রয়ী নির্ভরযোগ্য, টেকসই, আধুনিক ও দূষণমুক্ত জ্বালানি,
৮. স্থিতিশীল, অন্তর্ভুক্তিমূলক ও টেকসই প্রবৃদ্ধি অর্জন এবং সবার জন্য পূর্ণাঙ্গ ও উৎপাদনশীল কর্মসংস্থান এবং শোভন কাজের সুযোগ সৃষ্টি করা,
৯. শিল্প, উদ্ভাবন ও অবকাঠামো, 
১০. বৈষম্য হ্রাস,
১১. টেকসই নগর ও সম্প্রদায়,
১২. দায়িত্বশীল ভোগ ও উৎপাদন নিশ্চিতকরণ,
১৩. জলবায়ু বিষয়ক বিরূপ প্রভাব মোকাবেলায় জরুরী পদক্ষেপ,
১৪. জলজ জীবনমান উন্নয়ন,
১৫. স্থলে জীবনমান উন্নয়ন,
১৬. শান্তি ও ন্যায়বিচার নিশ্চিতকরণ,
১৭. টেকসই উন্নয়নের জন্য অংশীদারিত্ব।

উৎস: জাতিসংঘ বাংলাদেশ এর ওয়েবসাইট। [লিঙ্ক]
.
কোনটিকে দেহ গঠনের খাদ্য বলা হয়?
  1. আমিষ
  2. শর্করা
  3. ভিটামিন
  4. ফ্যাট
ব্যাখ্যা
খাদ্য উপাদান: 
- পুষ্টিবিজ্ঞান অনুসারে তাদেরকেই খাদ্য বলে যেগুলো জীবদেহের বৃদ্ধি, শক্তি উৎপাদন, রোগ প্রতিরোধ এবং ক্ষয়পূরণ করে অর্থাৎ এক কথায় দেহের পুষ্টি সাধন করে। 
- পুষ্টি হলো পরিবেশ থেকে প্রয়োজনীয় খাদ্যবস্তু আহরণ করে খাদ্যবস্তুকে পরিপাক ও শোষণ করে এবং আত্তীকরণ দ্বারা দেহের শক্তির চাহিদা পূরণ, রোগ প্রতিরোধ, বৃদ্ধি ও ক্ষয়পূরণ করে। 
- খাদ্যের কাজ প্রধানত তিনটি।
যথা:
১। খাদ্য দেহের গঠন, বৃদ্ধিসাধন, ক্ষয়পূরণ ও রক্ষণাবেক্ষণ করে। 
২। খাদ্য দেহে তাপ উৎপাদন করে, কর্মশক্তি প্রদান করে।
৩। খাদ্য রোগ প্রতিরোধ করে, দেহকে সুস্থ, সবল এবং কর্মক্ষম রাখে।

- খাদ্যের উপাদান মোট ৬ টি।
যথা: শর্করা, আমিষ, স্নেহ, ভিটামিন, খনিজ লবণ  এবং পানি। 
- এগুলোর মধ্যে শর্করা, আমিষ ও স্নেহ পদার্থ ( বা ফ্যাট) দেহ পরিপোষক খাদ্য।
- খাদ্যের শর্করা ও স্নেহকে বলা হয় শক্তি উৎপাদক খাদ্য এবং আমিষযুক্ত খাদ্যকে বলা হয় দেহ গঠনের খাদ্য
- ভিটামিন, খনিজ লবণ ও পানি দেহ সংরক্ষক খাদ্য উপাদান, যেগুলো দেহের রোগ প্রতিরোধে সাহায্য করে।

উৎস: বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
.
ক্রোমোপ্লাস্টে কোন ধরনের রঞ্জক পদার্থ থাকে?
  1. জ্যান্থফিল
  2. ক্যারোটিন
  3. ফাইকোসায়ানিন
  4. সবগুলোই
ব্যাখ্যা
প্লাস্টিড: 
- প্লাস্টিড উদ্ভিদ কোষের একটি গুরত্বপূর্ণ অঙ্গাণু। 
- প্লাস্টিডের প্রধান কাজ খাদ্য প্রস্তুত করা, খাদ্য সঞ্চয় করা এবং উদ্ভিদদেহকে বর্ণময় ও আকর্ষণীয় করে পরাগায়নে সাহায্য করা। 
প্লাস্টিড তিন ধরনের - ক্লোরোপ্লাস্ট, ক্রোমোপ্লাস্ট এবং লিউকোপ্লাস্ট। 

ক্লোরোপ্লাস্ট: 
- সবুজ রঙের প্লাস্টিডকে ক্লোরোপ্লাস্ট বলে। 
- পাতা, কচি কান্ড ও অন্যান্য সবুজ অংশে এদের পাওয়া যায়। 
- প্লাস্টিডের গ্রানা অংশ সূর্যালোককে আবদ্ধ করে রাসায়নিক শক্তিতে রূপান্তরিত করে। 
- এই আবদ্ধ সৌরশক্তি স্ট্রোমাতে অবস্থিত উৎসেচক সমষ্টি, বায়ু থেকে গৃহীত কার্বন ডাই-অক্সাইড এবং কোষের ভেতরকার পানি ব্যবহার করে সরল শর্করা তৈরি করে। 
- এতে ক্যারোটিনয়েড নামে এক ধরনের রঞ্জকও থাকে। 

ক্রোমোপ্লাস্ট: 
- এগুলো রঙিন প্লাস্টিড তবে সবুজ নয়। 
- এসব প্লাস্টিডে জ্যান্থফিল, ক্যারোটিন, ফাইকোএরিথ্রিন, ফাইকোসায়ানিন ইত্যাদি রঞ্জক থাকে, তাই কোনটিকে হলুদ, কোনটিকে নীল আবার কোনটিকে লাল দেখায়। 
- এদের মিশ্রণজনিত কারণে ফুল, পাতা এবং উদ্ভদের অন্যান্য অংশ আকর্ষণীয় হয়ে ওঠে। রঙিন ফুল, পাতা এবং গাজরের মূলে এদের পাওয়া যায়। 
- ফুলকে আকর্ষণীয় করে পরাগায়নে সাহায্য করা ক্রোমোপ্লাস্টের প্রধান কাজ। 
- এরা বিভিন্ন ধরনের রঞ্জক পদার্থ সংশ্লেষণ করে জমা করে রাখে। 

লিউকোপ্লাস্ট: 
- যেসব প্লাস্টিডে কোনো রঞ্জক পদার্থ থাকে না, তাদের লিউকোপ্লাস্ট বলে। 
- যেসব কোষে সূর্যের আলো পৌঁছায় না (যেমন: মূল, ভ্রূণ, জনন কোষ ইত্যাদি), সেখানে এদের পাওয়া যায়। 
- এদের প্রধান কাজ খাদ্য সঞ্চয় করা। 
- আলোর সংস্পর্শে এলে লিউকোপ্লাস্ট, ক্লোরোপ্লাস্টে রূপান্তরিত হতে পারে। 

উৎস: জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি। 
.
প্রাণী টিস্যু প্রধানত কয় প্রকার?
  1. দুই
  2. তিন
  3. চার
  4. পাঁচ
ব্যাখ্যা
প্রাণী টিস্যুর প্রকারভেদ: 
- কোন বিশেষ টিস্যু গঠনকারী কোষের সংখ্যা, বৈশিষ্ট্য এবং তাদের নিঃসৃত বা সৃষ্ট আন্তঃকোষীয় পদার্থ বা মাতৃকার বৈশিষ্ট্য, পরিমাণ, উপস্থিতি ও অনুপস্থিতির উপর নির্ভর করে প্রাণী টিস্যুকে প্রধানত চার ভাগে ভাগ করা হয়েছে। 
যথা - 
(ক) আবরণী টিস্যু, 
(খ) যোজক টিস্যু, 
(গ) পেশি টিস্যু এবং 
(ঘ) স্নায়ু টিস্যু। 

উৎস: জীববিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
Choose the meaning of the phrase 'A dark horse'.
  1. A very rare horse.
  2. A mysterious person who keeps their interests secret.
  3. Someone who is uncomfortable in a specific situation.
  4. A disfavored member of a group.
ব্যাখ্যা
♦ A dark horse
English Meaning: a mysterious person who keeps their interests and ideas secret.
Bangla Meaning: রহস্যময় ব্যক্তি যে তার উদ্দেশ্য গোপন রাখে। 

Ex. Sentence: Bangladesh cricket team could be the dark horse for the upcoming World Cup.
Bangla Meaning: আসন্ন বিশ্বকাপে বাংলাদেশ ক্রিকেট দল বাজির ঘোড়া হতে পারে।

অন্য অপশন,
- A fish out of water
English Meaning: someone who is uncomfortable in a specific situation.
Bangla Meaning: অস্বস্তিকর অবস্থা / বেকায়দা অবস্থা। 

- A black sheep
English Meaning: 1. a disfavored or disreputable member of a group.
Bangla Meaning: দুশ্চরিত্র, কুলাঙ্গার। 

Source: Live MCQ Lecture. 
১০.
"She got the acceptance email last week." Here the underlined part is
  1. Adjective phrase
  2. Noun phrase
  3. Prepositional phrase
  4. Adverbial phrase
ব্যাখ্যা
• "She got the acceptance email last week." Here the underlined part is an - adverbial phrase.

- Phrase হল দুই বা ততোধিক শব্দগুচ্ছ যা মাত্র একটি part of speech-এর মত করে বাক্যে ব্যবহৃত হয়।
- এই বাক্যে last week শব্দটি সময়কে নির্দেশ করছে। এটি adverb-এর কাজ করছে। তাই, এটি adverbial phrase.

• Adverbial Phrase:
- যে phrase বাক্যে ব্যবহৃত হয় adverb এর মত কাজ করে তাকে Adverbial Phrase বলে ৷
- সাধারণত বাক্যকে কখন (when), কোথায় (where), কেন (why) ও কিভাবে (how) দ্বারা প্রশ্ন করলে উত্তর হিসেবে যে phrase পাওয়া যায় সেটি Adverbial phrase.

• "She got the acceptance email last week."
- এই বাক্যে when দ্বারা প্রশ্ন করলে উত্তর পাওয়া যাবে।
- যেমন: 'কখন পেয়েছে?' এর উত্তর পাওয়া যায় 'last week' পেয়েছে। 
- তাই এটি Adverbial Phrase.
১১.
Despite facing a challenging situation, she remains ________.
  1. as per
  2. as cool as a cucumber
  3. as to
  4. at bottom
ব্যাখ্যা
♦ As cool as a cucumber
English Meaning: very calm and controlled.
Bangla Meaning: শান্ত এবং ধীরস্থির। 

Ex. Sentence: My boss is as cool as a cucumber even when he speaks in front of hundreds of people.
Bangla Meaning: আমার তত্ত্বাবধায়ক / বস শত শত লোকের সামনে কথা বলার সময়ও শান্ত এবং ধীরস্থির থাকেন৷

Complete sentence: Despite facing a challenging situation, she remains as calm as a cucumber.

অন্য অপশন,
- As per
English Meaning: in accordance with.
Bangla Meaning: অনুসারে। 

- As to
English Meaning: about.
Bangla Meaning: সম্বন্ধে। 

- At bottom
English Meaning: in a basic way.
Bangla Meaning: মূলত। 

Source: Live MCQ Lecture.
১২.
We could not see him at the time of his arrival. The underlined phrase is an example of a/an -
  1. Gerundial phrase
  2. Adjective phrase
  3. Adverbial Phrase
  4. Noun Phrase
ব্যাখ্যা
♦ We could not see him at the time of his arrival. The underlined phrase is an example of a - noun phrase.

- অধিকাংশ সময়ই, Noun phrase  মূলত: একটি Noun বা Pronoun এর কাজ করে। 
- তবে, প্রদত্ত বাক্যে Noun Phrase টি Preposition এর Object হিসেবে ভূমিকা পালন করছে। 

• Noun phrase:
- A noun phrase consists of a pronoun or noun and any associated modifiers, including adjectives, adjective phrases, adjective clauses, and other nouns in the possessive case.

এছাড়া, অর্থ এবং বাক্যে অবস্থান অনুযায়ী Noun phrase বিভিন্ন ভূমিকা পালন করে । যেমন: 

- Subject হিসেবে।
- Object of a verb হিসেবে।
- Object of a preposition হিসেবে। 
- Subject complement হিসেবে। 
- Object complement হিসেবে I

 Source: Cliff's TOEFL
১৩.
She has been practicing the piano for hours every day. Here 'has been practicing' is an example of -
  1. Phrasal Verb
  2. Verb Phrase
  3. Adjective phrase
  4. Adverbial phrase
ব্যাখ্যা
♦ The scientist has been conducting experiments in the lab for weeks, collecting data for her research. Here 'has been conducting' is an example of - Verb Phrase.

• Verb Phrase:
- যে phrase - verb এর কাজ করে সেটি Verb Phrase.
-A verb phrase consists of a main verb alone, or a main verb plus any modal and/or auxiliary verbs.
- The main verb always comes last in the verb phrase
- এখানে 'has been conducting' verb এর কাজ করছে। 
- তাই এটি Verb Phrase.

• অন্যদিকে,
• Phrasal Verb:
- বাক্যে Verb + preposition/adverb থাকলে সেটা Phrasal Verb হয়।
- যেমন - look down upon, give up, look after.
- তাই এখানে Phrasal Verb (verb + preposition) হচ্ছে phrasal verb.
১৪.
Fill in the blank: They used creative accounting techniques to ______ and avoid paying taxes.
  1. cook the books
  2. make and books
  3. cope with
  4. cry wolf
ব্যাখ্যা
♦ Cook the books
English Meaning: alter facts or figures dishonestly or illegally.
Bangla Meaning: কারচুপি করা। 

Complete Sentence: They used creative accounting techniques to cook the books and avoid paying taxes.

অন্য অপশন,
- Cope with
English Meaning: to deal with (something) usually skillfully or efficiently.
Bangla Meaning: কোনোকিছু দক্ষতার সাথে সামলানো, মানিয়ে নেওয়া। 

- Cry wolf
English Meaning: call for help when it is not needed, with the effect that one is not believed when one really does need help.
Bangla Meaning: অপ্রয়োজনে সাহায্য চেয়ে প্রয়োজনের সময় সাহায্য না পাওয়া

Source: Live MCQ Lecture.
১৫.
She set the picnic basket down in front of the tree. Here the underlined phrase is an example of -
  1. Adverbial phrase
  2. Noun phrase
  3. Prepositional phrase
  4. Phrase preposition
ব্যাখ্যা
♦ She set the picnic basket down in front of the tree. Here the underlined phrase is an example of - Phrase preposition.

• Phrase preposition: 
- কয়েকটি word গুচ্ছগতভাবে Preposition এর কাজ করে।
- Phrase preposition এর শুরুতে এবং শেষে preposition থাকে।
- যেমন - in front of, because of, according to ইত্যাদি।

সে অনুসারে, in front of হচ্ছে Phrase preposition.

• Prepositional Phrase:
- Prepositional Phrase - Preposition দিয়ে শুরু হয়, কিন্তু Adjective Phrase বা Adverb Phrase এর মতো কাজ করে। যেমন -
- A man of high intellect often feels lonely. (Prepositional Phrase/ Adjective Phrase)
- He went there with a jolly mind. (Prepositional Phrase/ Adverb Phrase)
১৬.
বঙ্গবন্ধু ‘আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলাকে' কি নামে নামকরণ করেছিলেন?
  1. পশ্চিম-পাকিস্তান ষড়যন্ত্র মামলা
  2. করাচি ষড়যন্ত্র মামলা
  3. লাহোর ষড়যন্ত্র মামলা
  4. ইসলামাবাদ ষড়যন্ত্র মামলা
ব্যাখ্যা
আগরতলা মামলা:  
- বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে আগরতলা মামলা একটি গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা।
- ১৯৬৮ সালের ৬ জানুয়ারি পাকিস্তান সরকার এক প্রেস বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে ঘোষণা করে যে, পাকিস্তানকে বিচ্ছিন্ন করার জন্য একটি ষড়যন্ত্র উদ্ঘাটিত হয়েছে।
- এর সাথে জড়িত থাকার অভিযোগে দুইজন আওয়ামী লীগ নেতা, সিভিল সার্ভিসের দুইজন বাঙালি কর্মকর্তাসহ ২৮ জনকে গ্রেফতার করা হয়।

♣ ১৮ জানুয়ারি শেখ মুজিবুর রহমানকে গ্রেপ্তারের পর আরেকটি প্রেসবিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে শেখ মুজিবুর রহমানকে উক্ত মামলার ১নং আসামী বলে ঘোষণা করা হয়।
- এই মামলার সরকারি নাম ‘রাষ্ট্র বনাম শেখ মুজিবুর রহমান ও অন্যান্য'।
- আসামী মোট ৩৫ জন। 
- লোকমুখে এই মামলা পরিচিতি লাভ করে ‘আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা' হিসেবে।
- বঙ্গবন্ধু এই মামলার নামকরণ করেছিলেন 'ইসলামাবাদ ষড়যন্ত্র মামলা' নামে।   

- ১৯৬৯ সালের গণ অভ্যুত্থানে বাধ্য হয়ে আইয়ুব-মোনায়েম সরকার ২২ ফেব্রুয়ারি আগরতলা মামলা প্রত্যাহার করে। শেখ মুজিবসহ সকল রাজবন্দীকে নিঃশর্ত মুক্তি প্রদান করা হয়। 

উৎস: পৌরনীতি ও সুশাসন দ্বিতীয় পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রফেসর মোঃ মোজাম্মেল হক এবং বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৭.
‘সর্বদলীয় ছাত্র সংগ্রাম পরিষদ' কবে গঠিত হয়?
  1. ১৯৪৯ সালের ৪ঠা জানুয়ারি
  2. ১৯৬৮ সালের ৪ঠা জানুয়ারি
  3. ১৯৬৯ সালের ৪ঠা জানুয়ারি
  4. ১৯৭০ সালের ৪ঠা জানুয়ারি
ব্যাখ্যা
১৯৬৯ সালের গণ অভ্যুত্থান:
- ১৯৬৮ সালের নভেম্বর মাসের ছাত্র অসন্তোষ মওলানা ভাসানীর নেতৃত্বে গণআন্দোলনে পরিণত হয়। 
- ২৯শে ডিসেম্বর ঘেরাও আন্দোলনের সূচনা হয়।

♣ ১৯৬৯ সালের ৪ঠা জানুয়ারি পূর্ব পাকিস্তান ছাত্র ইউনিয়ন (মতিয়া ও মেনন গ্রুপ), পূর্ব পাকিস্তান ছাত্রলীগ ও ডাকসুর নেতৃবৃন্দ মিলে ‘সর্বদলীয় ছাত্র সংগ্রাম পরিষদ' গঠন করেন। 
- ছাত্র সংগ্রাম পরিষদ বঙ্গবন্ধুর ছয় দফার সাথে মিলিয়ে আরও কয়েকটি দাবি নিয়ে ১১ দফা দাবি পেশ করে ।
- ৮ই জানুয়ারি পাকিস্তানের ৮টি রাজনৈতিক দল মিলে ‘গণতান্ত্রিক সংগ্রাম পরিষদ' (ডাক) নামক মোর্চা গঠন করে এবং ৮ দফা দাবি পেশ করে ।

- ২০শে জানুয়ারি ছাত্ররা পূর্ব পাকিস্তানে হরতাল পালন করেন।
- হরতাল পালনকালে ঢাকা মেডিকেল কলেজের সামনে ছাত্রনেতা আসাদুজ্জামান পুলিশের গুলিতে নিহত হন। 
- ২৪ তারিখে সারা দেশে হরতাল চলাকালে আবারও পুলিশের গুলিতে নবম শ্রেণির ছাত্র কিশোর মতিউর নিহত হয় এবং অসংখ্য মানুষ আহত হয়। 

- ১৫ই ফেব্রুয়ারি ঢাকা ক্যান্টনমেন্টে ঐতিহাসিক আগরতলা মামলার অন্যতম অভিযুক্ত সার্জেন্ট জহুরুল হককে নৃশংসভাবে গুলি করে হত্যা করা হয়। 
- ১৮ই ফেব্রুয়ারি সেনাবাহিনী রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর ড. শামসুজ্জোহাকে বেয়োনেট চার্জ করে হত্যা করে। 
- ১৮ই ফেব্রুয়ারির পর থেকে আন্দোলন আরও বেগবান হলে দেশের সার্বিক পরিস্থিতির ব্যাপক অবনতি ঘটে। 

- অবশেষে আইয়ুব খান বুঝতে পারেন, আগরতলা মামলা প্রত্যাহার ও অভিযুক্তদের মুক্তি না দিলে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যাবে।
- ১৯৬৯ সালের গণ অভ্যুত্থানে বাধ্য হয়ে আইয়ুব-মোনায়েম সরকার ২২ ফেব্রুয়ারি আগরতলা মামলা প্রত্যাহার করে। শেখ মুজিবসহ সকল রাজবন্দীকে নিঃশর্ত মুক্তি প্রদান করা হয়। 
- ২৩ ফেব্রুয়ারি ছাত্র সংগ্রাম পরিষদের পক্ষ যে রেসকোর্স ময়দানের সংবর্ধনা সভায় শেখ মুজিবুর রহমানকে “বঙ্গবন্ধু" উপাধিতে ভূষিত করা হয়।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি এবং বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
১৮.
১৯৭০ সালে অনুষ্ঠিত পূর্ব পাকিস্তান প্রাদেশিক পরিষদের নির্বাচনে আওয়ামী লীগ মোট কত আসন লাভ করেন?
  1. ৩১০
  2. ২৮৮
  3. ২৯৮
  4. ১৬৭
ব্যাখ্যা
♣ সত্তরের নির্বাচন: 
- বাংলাদেশের স্বাধীনতা আন্দোলনের ইতিহাসে ১৯৭০ সালের নির্বাচন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
- ১৯৬৯ সালের অভ্যুত্থানে ২৫শে মার্চ আইয়ুব খান পদত্যাগ করলে তাঁর উত্তরসূরি জেনারেল ইয়াহিয়া খান ১৯৭০ সালের ২৬শে মার্চ - এক বেতার ভাষণে পরবর্তী নির্বাচন ও নির্বাচিত প্রতিনিধিদের হাতে ক্ষমতা ছেড়ে দেয়ার প্রতিশ্রুতি দেন।
- যার পরিপ্রেক্ষিতে ১৯৭০ সালে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়।

- শেষ পর্যন্ত ৭ই ডিসেম্বর জাতীয় পরিষদ এবং ১৭ই ডিসেম্বর প্রাদেশিক পরিষদের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়।
- তবে ১২ই নভেম্বর পূর্ব পাকিস্তানের উপকূল অঞ্চলে ভয়াবহ ঘূর্ণিঝড় ও জলোচ্ছ্বাস হওয়ায় ঐ সব অঞ্চলে ১৯৭১ সালের ১৭ই জানুয়ারি নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। 

♣ নির্বাচনের ফলাফল: 
- নির্বাচনে পূর্ব পাকিস্তান আওয়ামী লীগ নিরংকুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করে।
- জাতীয় পরিষদে পূর্ব পাকিস্তানের জন্য নির্ধারিত ১৬৯টি আসনের মধ্যে ১৬৭টি (সংরক্ষিত মহিলা আসনসহ) আসন আওয়ামী লীগ লাভ করে। 
- ১০ দিন পর অনুষ্ঠিত পূর্ব পাকিস্তান প্রাদেশিক পরিষদের নির্বাচনে আওয়ামী লীগ ৩০০টি আসনের মধ্যে ২৮৮টি আসন লাভ করে।
- সংরক্ষিত মহিলা আসনসহ ৩১০ আসনের মধ্যে ২৯৮ টি আসন লাভ করেন।  
- অপরপক্ষে জাতীয় পরিষদের নির্বাচনে পাকিস্তান পিপলস পার্টি (পিপিপি) পশ্চিম পাকিস্তানে ১৪৪টি আসনের মধ্যে ৮৮টি আসন লাভ করে।  

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি এবং বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৯.
বাংলাদেশের 'স্বাধীনতার ইশতেহার' ঘোষণা করেন-
  1. আ. স. ম. আব্দুর রব
  2. মোঃ ইউসুফ আলী
  3. বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান
  4. স্বাধীন বাংলা ছাত্র সংগ্রাম পরিষদ
ব্যাখ্যা
♣ স্বাধীনতার ইশতেহার:
- ১৯৭১ সালের ১ মার্চ ইয়াহিয়া খানের জাতীয় পরিষদের অধিবেশন স্থগিত করার অপ্রত্যাশিত ঘোষণায় সমগ্র পূর্ব-পাকিস্তান বিক্ষোভে ফেটে পড়ে।
- স্বাধিকার আন্দোলন পরিণত হয় স্বাধীনতা আন্দোলনে। 

- ১ মার্চ বঙ্গবন্ধুর নির্দেশে ছাত্রলীগ সভাপতি নূরে আলম সিদ্দিকী, ছাত্রলীগ সাধারণ সম্পাদক শাজাহান সিরাজ, ডাকসু সহ-সভাপতি আ. স. ম. আব্দুর রব এবং ডাকসু সাধারণ সম্পাদক আব্দুল কুদ্দুস মাখন এক বৈঠকে বসে 'স্বাধীন বাংলা ছাত্র সংগ্রাম পরিষদ' গঠন করেন। 

- ২ মার্চ হরতাল চলাকালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কলাভবনে 'স্বাধীন বাংলা ছাত্র সংগ্রাম পরিষদের' ছাত্র সমাবেশে স্বাধীন বাংলার মানচিত্র খচিত বাংলাদেশের পতাকা উত্তোলন করা হয়। 

- ৩ মার্চ পল্টন ময়দানে ছাত্রলীগ আয়োজিত বিক্ষোভ গণসমাবেশে 'স্বাধীন বাংলাদেশের ছাত্রসংগ্রাম পরিষদ' ‘স্বাধীনতার ইশতেহার' ঘোষণা করেন।
- এ ইশতেহারে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে স্বাধীন ও সার্বভৌম 'বাংলাদেশের সর্বাধিনায়ক’ ঘোষণা করা হয় ।
- এদিনের এ ছাত্র-গণ জমায়েতে প্রধান অতিথি ছিলেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান।
- তিনি এদিন এ সমাবেশে তাঁর ভাষণে স্বৈরাচারী সরকারের বিরুদ্ধে 'অসহযোগ আন্দোলনের’ ডাক দেন। 

উৎস: পৌরনীতি ও সুশাসন দ্বিতীয় পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রফেসর মোঃ মোজাম্মেল হক।
২০.
১৯৭২ সালের ১২ই জানুয়ারি 'বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান' কার নিকট প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ গ্রহণ করেন?
  1. বিচারপতি আবু সাঈদ চৌধুরী
  2. বিচারপতি আবু সাদাত মোহাম্মদ সায়েম
  3. বিচারপতি আব্দুস সাত্তার
  4. তাজউদ্দিন আহমেদ
ব্যাখ্যা
♣ বঙ্গবন্ধুর স্বদেশ প্রত্যাবর্তন:  
- ১৯৭২ সালের ১০ই জানুয়ারি দেশে ফেরার আগে বঙ্গবন্ধুকে পাকিস্তানি বাহিনীর বিশেষ বিমানে লন্ডন নিয়ে যাওয়া হয়।
- অতঃপর ব্রিটিশ রাজকীয় বিমানে দিল্লি হয়ে তিনি ঢাকায় আসেন।   
- ঢাকায় মহান নেতাকে জানানো হয় অভূতপূর্ব অভিনন্দন। 

- মুক্তিযুদ্ধের সূচনালগ্নে গঠিত বাংলাদেশ সরকারের রাষ্ট্রপতি ছিলেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান।
- স্বদেশ প্রত্যাবর্তনের পরদিনই ১৯৭২ সালের ১১ই জানুয়ারি বঙ্গবন্ধু মন্ত্রিসভায় দীর্ঘ আলোচনার পর ‘অস্থায়ী সংবিধান আদেশ' জারির মাধ্যমে দেশে সংসদীয় পদ্ধতির সরকারব্যবস্থা প্রবর্তন করেন।

- ১৯৭২ সালের ১২ জানুয়ারি বঙ্গবন্ধু রাষ্ট্রপতি পদে ইস্তফা দিয়ে প্রধানমন্ত্রী হন। নতুন রাষ্ট্রপতি হন বিচারপতি আবু সাঈদ চৌধুরী।

ঘটনাপ্রবাহ:
বঙ্গবন্ধু প্রথমে রাষ্ট্রপতি পদে ইস্তফা দেন। নতুন রাষ্ট্রপতি হিসেবে বিচারপতি আবু সাঈদ চৌধুরীকে শপথ করান প্রধান বিচারপতি আবু সাদাত মোহাম্মদ সায়েম। এরপর রাষ্ট্রপতি আবু সাঈদ চৌধুরী বঙ্গবন্ধু ও তাঁর মন্ত্রিসভার অন্য সদস্যদের শপথবাক্য পাঠ করান। এর আগে তাজউদ্দীন আহমদ নতুন রাষ্ট্রপতির কাছে পদত্যাগপত্র জমা দেন। পদত্যাগপত্র গ্রহণকালে তাজউদ্দীন আহমদ ও তাঁর সহকর্মীদের ভূয়সী প্রশংসা করেন নতুন রাষ্ট্রপতি। এরপর তিনি বঙ্গবন্ধুকে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেওয়ার জন্য অনুরোধ জানান এবং তাঁকে জাতির জনক হিসেবে অভিহিত করেন।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি এবং প্রথম আলো পত্রিকা রিপোর্ট। [লিঙ্ক]
২১.
বাংলাদেশের প্রথম সাধারণ নির্বাচনের পর বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বে কবে নতুন মন্ত্রিসভা গঠিত হয়?
  1. ১৯৭২ সালের ১২ই জানুয়ারি
  2. ১৯৭৩ সালের ৭ই মার্চ
  3. ১৯৭৩ সালের ১৬ই মার্চ
  4. ১৯৭৩ সালের ১৮ই মার্চ
ব্যাখ্যা
♣ বাংলাদেশের প্রথম সাধারণ নির্বাচন, ১৯৭৩: 
- স্বাধীন বাংলাদেশে প্রথম সাধারণ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয় ১৯৭৩ সালের ৭ই মার্চ।  
- বাংলাদেশের সংবিধান কার্যকর হওয়ার পর গণপরিষদ ভেঙে দেয়া হয়।
- স্বাধীনতা লাভের স্বল্প সময়ের মধ্যে বঙ্গবন্ধুর সরকার সাধারণ নির্বাচনের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে গণতন্ত্রের পথে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখে।
- নির্বাচনে আওয়ামী লীগ নিরঙ্কুশ বিজয় অর্জন করে ।
- জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত মহিলা আসনসহ ৩১৫টি আসনের মধ্যে আওয়ামী লীগ ৩০৮ আসনে জয়লাভ করেন। 

- বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বে ১৯৭৩ সালের ১৬ই মার্চ নতুন মন্ত্রিসভা গঠিত হয়। 

- ১৯৭৫ সালের ২৫শে জানুয়ারি দেশে রাষ্ট্রপতি শাসিত সরকার পদ্ধতির প্রবর্তন করা হয়। 
- সংবিধানের চতুর্থ সংশোধনীর মাধ্যমে সরকার পদ্ধতিতে পরিবর্তন আনা হয়।
- এই সংশোধনী অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি জনগণের প্রত্যক্ষ ভোটে ৫ বছরের জন্য নির্বাচিত হবেন।
- ১৯৭৫ সালের ২৪শে ফেব্রুয়ারি রাষ্ট্রপতি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান অন্যান্য রাজনৈতিক দল ভেঙে দিয়ে ‘বাংলাদেশ কৃষক শ্রমিক আওয়ামী লীগ' (বাকশাল) নামে একটি জাতীয় রাজনৈতিক দল গঠন করেন। 
- এই দলের চেয়ারম্যান হলেন বঙ্গবন্ধু এবং সাধারণ সম্পাদক হলেন এম. মনসুর আলী। 

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি।
২২.
তাজউদ্দীন আহমেদ হিসেবে ১৯৭১ সালের ১০ এপ্রিল সারা দেশকে কয়টি রণাঙ্গনে বিভক্ত করেছিলেন?
  1. ৪টি
  2. ৮টি
  3. ১১টি
  4. ৭টি
ব্যাখ্যা
♣♣ সামরিক প্রতিরোধ: 
- বাঙালি আফিসারদের মধ্যে সমন্বয় সাধনের উদ্দেশ্যে;
- ৪ এপ্রিল সিলেটের তেলিয়াপাড়ায় এক সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। 
- ঐ সম্মেলনে অংশগ্রহণ করেন এম.এ.জি. ওসমানী, মেজর খালেদ মোশাররফ, মেজর কে.এম. সফিউল্লাহ এবং কর্নেল এম. এ. রব।
- সেখানে চার সিনিয়র অফিসারকে মুক্তিযুদ্ধের দায়িত্ব দেয়া হয়:
(১) মেজর কে. এম. সফিউল্লাহ-এর কমান্ডে ব্রাহ্মণবাড়িয়া ও ময়মনসিংহ,
(২) মেজর খালেদ মোশাররফ-এর নেতৃত্বে কুমিল্লা ও সিলেট,
(৩) মেজর জিয়াউর রহমানের কমান্ডে চট্টগ্রাম ও পার্বত্য চট্টগ্রাম এবং
(৪) মেজর আবু ওসমান চৌধুরীকে কুষ্টিয়া অঞ্চলে।

♠♠
- প্রবাসী সরকারের প্রধানমন্ত্রী তাজউদ্দীন আহমেদ ১০ এপ্রিল বেতারে তিনি যে ভাষণ দেন;
- তাতে তিনি সারা দেশকে ৮টি রণাঙ্গনে বিভক্ত করেছিলেন।   
- সেগুলো হলো:
১. মেজর খালেদ মোশাররফ- সিলেট ও কুমিল্লা অঞ্চল।
২. মেজর জিয়াউর রহমান- চট্টগ্রাম ও নোয়াখালী অঞ্চল।
৩. মেজর আবু ওসমান চৌধুরী- কুষ্টিয়া ও যশোর অঞ্চল।
৪. মেজর কে এম সফিউল্লাহ- ময়মনসিংহ ও টাঙ্গাইল অঞ্চল।
৫. মেজর গিয়াস উদ্দিন আহমেদ- রাজশাহী অঞ্চল।
৬. মেজর নাজমুল হক- সৈয়দপুর অঞ্চল।
৭. মেজর নওয়াজেশ- রংপুর অঞ্চল।
৮. মেজর জলিল- ফরিদপুর, খুলনা, বরিশাল, পটুয়াখালী অঞ্চল। 

♠♠
- ১৪ এপ্রিল কর্নেল এম. এ. ওসমানীকে মুক্তিবাহিনীর জি. মুক্তিবাহিনীর প্রধান সেনাপতি নিযুক্ত করা হয়। 
- মে ও জুন মাসে তিনটি ব্রিগেড গঠিত হয়।
- ফোর্সগুলির নাম ছিল : ‘জেড ফোর্স’, ‘এস ফোর্স' এবং ‘কে ফোর্স'.
- অধিনায়ক ছিলেন যথাক্রমে লেঃ কর্ণেল জিয়াউর রহমান, লেঃ কর্ণেল কে. এম সফিউল্লাহ ও লেঃ কর্ণেল খালেদ মোশাররফ।

♠♠
- ১১ থেকে ১৭ জুলাই কোলকাতায় ইতোপূর্বে গঠিত ৮টি রণাঙ্গনের কমান্ডারদের এক সভা অনুষ্ঠিত হয়।
- তাজউদ্দিন আহমেদ উক্ত সভায় সভাপতিত্ব করেন।
- এই সভাতেই বাংলাদশেকে ১১টি সেক্টরে বিভক্ত করা হয়।
- বাংলাদেশ বাহিনীর হেড কোয়ার্টার স্থাপিত হয় কোলকাতার ৮ নম্বর থিয়েটার রোডে। 

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২৩.
১৬ই ডিসেম্বর পাকিস্তানি বাহিনীর নিঃশর্ত আত্মসমর্পণের সময়ে বাংলাদেশ সরকারের প্রতিনিধিত্ব করেন-
  1. কর্নেল এম.এ.জি. ওসমানী
  2. মেজর খালেদ মোশাররফ
  3. কর্নেল এম. এ. রব
  4. গ্রুপ ক্যাপ্টেন এ. কে. খন্দকার
ব্যাখ্যা
♣♣ স্বাধীন বাংলাদেশের অভ্যুদয়: 
- বিশ্ব ইতিহাসে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ খুবই তাৎপর্যপূর্ণ ঘটনা।
- বাংলাদেশ হচ্ছে তৃতীয় বিশ্বের মধ্যে প্রথম দেশ, যে দেশ সশস্ত্র মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে স্বাধীনতা অর্জন করেছে। 
- মুক্তিযুদ্ধের শুরু থেকেই ভারত আমাদের নানাভাবে সাহায্য-সহযোগিতা করেছে। 

- বিশেষভাবে ১৯৭১ সালের ২১শে নভেম্বর মুক্তিবাহিনী ও ভারতীয় বাহিনী মিলে ‘যৌথ কমান্ড’ গঠন ছিল অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা। 
- পাকিস্তান ৩রা ডিসেম্বর ভারত আক্রমণ করলে যুদ্ধের তীব্রতা বৃদ্ধি পায়।  
- ৬ থেকে ১৬ই ডিসেম্বর মুক্তিবাহিনীর সঙ্গে ভারতের সেনা, নৌ, বিমানবাহিনীও পাকিস্তানি বাহিনীর বিরুদ্ধে যুদ্ধে যোগ দেয়।

♠♠
- যৌথ বাহিনীর সুপরিকল্পিত আক্রমণে আনুষ্ঠানিক আত্মসমর্পণের পূর্বেই হানাদার পাকিস্তানি বাহিনীর নৈতিক পরাজয় ঘটে। 
- অবশেষে ১৯৭১ সালের ১৬ই ডিসেম্বর বিকেল ৪টা ৩১ মিনিটে ঢাকার রেসকোর্স ময়দানে (সোহরাওয়ার্দী উদ্যান);
- পাকিস্তানের ইস্টার্ন কমান্ডের অধিনায়ক লে. জেনারেল আমির আবদুল্লাহ খান নিয়াজি প্রায় ৯৩ হাজার সৈন্যসহ বাংলাদেশ ও ভারতের যৌথ বাহিনীর পূর্বাঞ্চলীয় প্রধান লে. জেনারেল জগজিৎ সিং অরোরার কাছে নিঃশর্ত আত্মসমর্পণ করেন। 
- বাংলাদেশ সরকারের প্রতিনিধিত্ব করেন গ্রুপ ক্যাপ্টেন এ. কে. খন্দকার।    

উৎস:
বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি। 
২৪.
A = {a, b, c, d, e} এর প্রকৃত উপসেট কতটি?
  1. 32
  2. 21
  3. 31
  4. 16
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: A = {a, b, c, d, e} এর প্রকৃত উপসেট কতটি?

সমাধান:
আমরা জানি,
কোন সেটের প্রকৃত উপসেট = 2n - 1

এখানে,
n = সেটের উপাদান সংখ্যা = 5

∴ প্রকৃত উপসেট = 2n - 1
= 25 - 1
= 32 - 1
= 31
 
২৫.
12, 22, 17, 27, 25, 20, 24, 19, 2, 23, 26, 21, 11, 28 এবং 19 সংখ্যাগুলোর মধ্যক কত?
  1. 22
  2. 21
  3. 23
  4. 20
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: 12, 22, 17, 27, 25, 20, 24, 19, 2, 23, 26, 21, 11, 28 এবং 19 সংখ্যাগুলোর মধ্যক কত?

সমাধান
সংখ্যাগুলোকে মানের ক্রমানুসারে সাজিয়ে পাই,
2, 11, 12, 17, 19, 19, 20, 21, 22, 23, 24, 25, 26, 27, 28

এখানে, 
পদসংখ্যা = 15 
∴ উপাত্তগুলোর মধ্যক হবে ৮ম পদ
∴ ৮ম পদ = 21 

∴ মধ্যক = 21
২৬.
"MANAGEMENT" শব্দটির অক্ষরগুলি কত প্রকারে সাজানো যায় যেখানে প্রথমে ও শেষে M থাকবে?
  1. 4020
  2. 5020
  3. 2510
  4. 5040
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: "MANAGEMENT" শব্দটির অক্ষরগুলি কত প্রকারে সাজানো যায় যেখানে প্রথমে ও শেষে M থাকবে?

সমাধান:
"MANAGEMENT" শব্দটিতে 10টি অক্ষর আছে।
তন্মধ্যে 2টি A, 2টি E এবং ২টি N আছে।
প্রথমে ও শেষে M থাকবে এরুপে সাজানো সংখ্যা = 8!/(2! 2! 2!)
= 5040
২৭.
1 থেকে 150 পর্যন্ত সংখ্যাগুলোর একটি দৈবচয়ন পদ্ধতিতে নেওয়া হলে সংখ্যাটি বর্গসংখ্যা হওয়ার সম্ভাবনা কত?
  1. 1/20
  2. 4/75
  3. 1/25
  4. 2/25
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: 1 থেকে 150 পর্যন্ত সংখ্যাগুলোর একটি দৈবচয়ন পদ্ধতিতে নেওয়া হলে সংখ্যাটি বর্গসংখ্যা হওয়ার সম্ভাবনা কত?

সমাধান:
1 থেকে 150 পর্যন্ত মোট সংখ্যা 150টি।
150 এর মধ্যে পূর্ণ বর্গসংখ্যা 12টি, অর্থাৎ, 1 থেকে 12 পর্যন্ত।

∴ বর্গসংখ্যাগুলো হওয়ার সম্ভাবনা = অনুকূল ঘটনা/মোট ঘটনা
= 12/150
= 2/25
২৮.
4 × nP3 = nP4 হলে n এর মান কত?
  1. 8
  2. 7
  3. 6
  4. 3
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: 4 × nP3 = nP4 হলে n এর মান কত?

সমাধান: 
4 × nP3 = nP4
⇒ 4 × n!/(n - 3)! = n!/(n - 4)!
⇒ 4 × n!/(n - 3)(n - 4)! = n!/(n - 4)!
⇒ 4/(n - 3)  = 1
⇒ n - 3 = 4
∴ n = 7
২৯.
0, 1, 2, 3, 4, 5, 6 অঙ্কগুলোর প্রত্যেকটি একবার ব্যবহার করে অঙ্কগুলি দ্বারা সাত অঙ্কের কতগুলো অর্থপূর্ণ সংখ্যা তৈরি করা যাবে?
  1. 5040
  2. 5320
  3. 4320
  4. 3320
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: 0, 1, 2, 3, 4, 5, 6 অঙ্কগুলোর প্রত্যেকটি একবার ব্যবহার করে অঙ্কগুলি দ্বারা সাত অঙ্কের কতগুলো অর্থপূর্ণ সংখ্যা তৈরি করা যাবে?

সমাধান:
মোট বিন্যাস সংখ্যা = 7! = 5040
0 কে প্রথমে রেখে বিন্যাস সংখ্যা = 6! = 720

∴ ছয় অঙ্কের অর্থপূর্ণ সংখ্যা = (5040 - 720)
= 4320
৩০.
চাকুরির নিয়োগ পরীক্ষায় 2টি খালি পদের জন্য 10 জন প্রার্থী আছেন। খালি পদের সংখ্যা বেশি নয় এরুপ যে কোনো সংখ্যক প্রার্থীকে নির্বাচিত করা যেতে পারে। কত প্রকারে প্রার্থী নির্বাচন করা যায়?
  1. 55
  2. 45
  3. 35
  4. 450
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: চাকুরির নিয়োগ পরীক্ষায় 2টি খালি পদের জন্য 10 জন প্রার্থী আছেন। খালি পদের সংখ্যা বেশি নয় এরুপ যে কোনো সংখ্যক প্রার্থীকে নির্বাচিত করা যেতে পারে। কত প্রকারে প্রার্থী নির্বাচন করা যায়?

সমাধান:
2টি খালি পদের জন্য প্রার্থী সংখ্যা 10 জন
1 জনকে নির্বাচনের উপায় = 10C1 = 10
2 জনকে নির্বাচনের উপায় = 10C2 = 45

∴ নির্বাচনের মোট উপায় = 10 + 45
= 55
৩১.
প্রদত্ত চিত্র অনুসারে (A ∩ B) ∪ C এর মান নিচের কোনটি?
  1. {m, n, o, p}
  2. {m, n, o, p, q}
  3. {p, q}
  4. {o, p, q, s}
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: প্রদত্ত চিত্র অনুসারে (A ∩ B) ∪ C এর মান নিচের কোনটি?

সমাধান:
প্রদত্ত চিত্র হতে পাই,
A = {m, n, o, p}
B = {o, p, q, r}
C= {p, q, s}

এখন,
A ∩ B = {m, n, o, p} ∩ {o, p, q, r}
= {o, p}
(A ∩ B) ∪ C = {o, p} ∪ {p, q, s}
= {o, p, q, s}
৩২.
৪০টি টিকেটে ১ থেকে ৪০ পর্যন্ত ক্রমিক সংখ্যা দেয়া আছে। টিকেটগুলো ভালোভাবে মিশিয়ে একটি টিকেট দৈবভাবে নেয়া হলো। টিকেটটি ৩৫ এর চেয়ে বড় হওয়ার সম্ভাবনা কত? 
  1. ৪/১৫
  2. ৩/৮
  3. ১/৮
  4. ৮/১৫
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: ৪০টি টিকেটে ১ থেকে ৪০ পর্যন্ত ক্রমিক সংখ্যা দেয়া আছে। টিকেটগুলো ভালোভাবে মিশিয়ে একটি টিকেট দৈবভাবে নেয়া হলো। টিকেটটি ৩৫ এর চেয়ে বড় হওয়ার সম্ভাবনা কত? 

সমাধান
১ থেকে ৪০ পর্যন্ত ৩৫ এর চেয়ে বড় সংখ্যাগুলো হলো = ৩৬, ৩৭, ৩৮, ৩৯, ৪০

১ থেকে ৪০ পর্যন্ত ৩৫ এর চেয়ে বড় সংখ্যা = ৫টি 

∴ টিকেটটি ৩৫ এর চেয়ে বড় হওয়ার সম্ভাবনা = ৫/৪০
= ১/৮
 
৩৩.
৩, ৯, ৭, ৪, ২, ৯, ৪, ৬, ২, ৩, ১১, ৯, ১২ ও ১৪ সংখ্যাগুলোর প্রচুরক কত?  
  1. ১৪
  2. প্রচুরক নেই
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: ৩, ৯, ৭, ৪, ২, ৯, ৪, ৬, ২, ৩, ১১, ৯, ১২ ও ১৪ সংখ্যাগুলোর প্রচুরক কত? 

সমাধান:
উপাত্তের মধ্যে যে সংখ্যাটি সব থেকে বেশি সংখ্যকবার থাকে তাকে প্রচুরক বলে।

প্রদত্ত উপাত্তে ৯ সংখ্যাটি তিন বার আছে।
এখানে প্রচুরক = ৯
৩৪.
দীনবন্ধু মিত্রের প্রহসন কোনটি?
  1. বিয়ে পাগলা বুড়ো
  2. বুড়ো শালিকের ঘাড়ে রোঁ
  3. একেই কি বলে সভ্যতা
  4. চিরকুমারসভা
ব্যাখ্যা
বিয়ে পাগলা বুড়ো:
- সমাজের প্রাচীনপন্থীদের ব্যঙ্গ করে রচিত দীনবন্ধু মিত্রের প্রহসন 'বিয়ে পাগলা বুড়ো'।
- এটি (১৮৬৬) নাটকটি ১৮৭২ সালে প্রথম মঞ্চস্থ হয়।
- এ প্রহসনে বিবাহবাতিকগ্রস্ত এক বৃদ্ধের নকল বিয়ের আয়োজন করে স্কুলের অপরিপক্ব ছেলেরা কিভাবে তাকে নাস্তানাবুদ করে, সে কাহিনিই এ প্রহসনের বিষয়।

দীনবন্ধু মিত্র: 
- তিনি একজন নাট্যকার ছিলেন।
- ১৮৩০ সালে পশ্চিমবঙ্গের নদীয়া জেলার চৌবেড়িয়া গ্রামে এক দরিদ্র পরিবারে তিনি জন্মগ্রহণ করেন। 
- তিনি কলেজে পড়ার সময়ই ঈশ্বর গুপ্তের সংস্পর্শে গিয়ে সংবাদ প্রভাকর, সাধুরঞ্জন প্রভৃতি পত্রিকায় কবিতা লিখতে শুরু করেন।
- তবে নাটক ও প্রহসন লিখেই তিনি সর্বাধিক খ্যাতি অর্জন করেন।
- নীলদর্পণ তাঁর শ্রেষ্ঠ নাটক এবং শ্রেষ্ঠ রচনাও।

তাঁর উল্লেখযোগ্য প্রহসনগুলি হচ্ছে:
- বিয়ে পাগলা বুড়ো ,
- সধবার একাদশী,
- জামাই বরিক।

অন্যদিকে:
- 'একেই কি বলে সভ্যতা' এবং 'বুড়ো শালিকের ঘাড়ে রোঁ' মাইকেল মধুসূদন দত্তের প্রহসন।
- 'চিরকুমারসভা' রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের প্রহসন।

উৎস:
১) বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর। 
২) বাংলাপিডিয়া।