পরীক্ষা আর্কাইভ

GKpedia - আন্তর্জাতিক বিষয়াবলি

পরীক্ষাGKpedia - আন্তর্জাতিক বিষয়াবলিতারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়09 minutes
মোট প্রশ্ন২১
সিলেবাস
পরীক্ষা – ৩ টপিক: রিভিশন পরীক্ষা সিলেবাস - পরীক্ষা ১ ও ২ [Live Class – 1, 2, 3, 4]
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

GKpedia - আন্তর্জাতিক বিষয়াবলি

GKpedia - আন্তর্জাতিক বিষয়াবলি · তারিখ অনির্ধারিত · ২১ প্রশ্ন

.
'এক দেশ, দুই নীতি' কোন দেশে প্রযোজ্য?
  1. ভারত
  2. চীন
  3. জাপান
  4. দক্ষিণ কোরিয়া
ব্যাখ্যা

‘এক দেশ, দুই ব্যবস্থা’ নীতি:
- ‘এক দেশ, দুই ব্যবস্থা’ নীতি চালু আছে চীনে।
- চীনের দুটি বিশেষ প্রশাসনিক অঞ্চলের একটি হংকং, অন্যটি ম্যাকাও।
- হংকং চীনের দক্ষিণ-পূর্ব উপকূলের একটি সমৃদ্ধিশালী দ্বীপ।
- চীনের ‘প্রবেশদ্বার’ নামে পরিচিত হংকং আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র।

উল্লেখ্য,
- প্রথম আফিম যুদ্ধে চীন পরাজিত হলে ১৮৪১ সালে ব্রিটেন হংকং দ্বীপ দখল করে নেয় এবং হংকংকে সামরিক ঘাঁটি হিসেবে ব্যবহার করে।
- নানকিং চুক্তির মাধ্যমে হংকং ব্রিটিশ সাম্রাজ্যের ‘ক্রাউন কলোনি’তে পরিণত হয়।
- ১৯৮৪ সালে বেইজিংয়ের ‘হল অব দ্য পিপল’-এ ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী মার্গারেট থ্যাচার এবং চীনা প্রধানমন্ত্রী ঝাও জিয়াং হংকংকে চীনের কাছে ফিরিয়ে দেওয়ার যৌথ ঘোষণাপত্রে স্বাক্ষর করেন।
- ঘোষণাপত্র অনুযায়ী ব্রিটেন হংকংকে ১৯৯৭ সালের ১ জুলাই চীনের কাছে হস্তান্তর করতে রাজি হয়।
- ১৯৯৭ সালের ১ জুলাই মধ্যরাতে তৎকালীন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী টনি ব্লেয়ার, প্রিন্স চার্লস, চীনের প্রেসিডেন্ট জিয়াং জেমিন, মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ম্যাডেলিন অলব্রাইটসহ অনেক আন্তর্জাতিক নেতার অংশগ্রহণে হংকংকে শান্তিপূর্ণভাবে চীনের কাছে হস্তান্তর করা হয়।
- ঘোষণাপত্রের অন্যতম শর্ত ছিল চীনের অধীনে যাওয়ার ৫০ বছর পর্যন্ত চীন হংকংকে ‘এক দেশ, দুই ব্যবস্থা’ নীতি অনুযায়ী শাসন করবে অর্থাৎ পররাষ্ট্র ও নিরাপত্তার বিষয়গুলো ছাড়া হংকং পূর্ণ স্বায়ত্তশাসন ভোগ করবে।
- ২০৪৭ সালে ‘এক দেশ, দুই ব্যবস্থা’ নীতির বাধ্যবাধকতা উঠে গেলে চীন হংকংকে নিজেদের একটি প্রদেশ হিসেবে ঘোষণা করবে।

তথ্যসূত্র: Britannica.

.
“নিজেকে জানো” - এই উপদেশমূলক বাণী কার?
  1. সক্রেটিস
  2. প্লেটো
  3. এরিস্টটল
  4. আলেকজান্ডার
ব্যাখ্যা

• গ্রিক দর্শন ও নীতিবিদ্যা:
- সক্রেটিসকে বলা হয় প্রাশ্চাত্য রাজনৈতিক দর্শনের পিতামহ এবং নীতি শাস্ত্রের পুরোধা।
- সক্রেটিসের বিখ্যাত উক্তি হচ্ছে- 'Know Thyself' এর অর্থ হচ্ছে- 'নিজেকে জানো'।
- গ্রিক দার্শনিকদের যুক্তি, ব্যাখ্যা ও দর্শন জগতকে সমৃদ্ধিশালী করে।
- অদ্যাবধি জ্ঞানের জগতে যে সকল গ্রিক কবি দার্শনিক জ্ঞানের আলোক বর্তিকা বিতরণ করেছেন তাদের মধ্যে বিশ্ব বিখ্যাত শিক্ষাগুরু সক্রেটিস।
- এই উক্তিটি মানুষকে নিজের মধ্যে গভীরভাবে দৃষ্টি নিক্ষেপ করার এবং আত্ম-পর্যবেক্ষণের মাধ্যমে নিজেকে সঠিকভাবে বুঝতে উৎসাহিত করে।
- এর মূল উদ্দেশ্য হল মানুষকে নিজের প্রকৃত স্বভাব, ইচ্ছা, দুর্বলতা ও শক্তিগুলি সম্পর্কে সচেতন করা এবং আত্ম-উন্নয়নের জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ার উপর গুরুত্বারোপ করা।

তথ্যসূত্র: ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

.
রাজনৈতিক দর্শনের বিখ্যাত গ্রন্থ ‘দ্য পলিটিক্স’ কার লেখা?
  1. সক্রেটিস
  2. এরিস্টটল
  3. প্লেটো
  4. মাকিয়াভেলি
ব্যাখ্যা

• এরিস্টটল:
-  তিনি ছিলেন একজন প্রচীন গ্রিক দার্শনিক ।
- এরিস্টটলের মতে আভিজ্ঞতাই জ্ঞানের উৎস।
-অ্যারিস্টটলের জন্ম উত্তর মেসিডোনিয়ার ক্যালসিডিক উপদ্বীপে।
- তাকে রাষ্ট্র বিজ্ঞানের জনক বলা হয়।
 - এরিস্টটলের শিক্ষক ছিলেন- প্লটো।
- তার বিখ্যাত গ্রন্থ - দ্যা পলিটিক্স।
- লাইসিয়াম তার শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের নাম।

তথ্যসূত্র: ব্রিটানিকা ও ইতিহাস, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

.
'খেমাররুজ গণহত্যা' কোন দেশে সংঘটিত হয়েছিল?
  1.  ভিয়েতনাম
  2. কম্বোডিয়া
  3.  লাওস
  4. থাইল্যান্ড
ব্যাখ্যা

• খেমার রুজ গণহত্যা:
- খেমার রুজ গণহত্যা কম্বোডিয়াতে সংঘটিত হয়েছিল।
- এটি ১৯৭৫ থেকে ১৯৭৯ সাল পর্যন্ত খেমার রুজ নামক রাজনৈতিক গোষ্ঠীর শাসনামলে ঘটে, যখন পল পট নেতৃত্বাধীন খেমার রুজ সরকার কম্বোডিয়ার জনগণকে একটি "কৃষিকেন্দ্রিক" সমাজে পরিণত করার চেষ্টা করে। 
- এই শাসনের সময়ে লক্ষ লক্ষ মানুষ হত্যা, বিপর্যস্ততা এবং অত্যাচারের শিকার হয়।
- খেমার রুজের শাসনকালে প্রায় ২০ লাখ মানুষ নিহত হয়, যা দেশের মোট জনসংখ্যার এক চতুর্থাংশ ছিল।

• কম্বোডিয়া:
- দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার উন্নয়নশীল দেশ কম্বোডিয়া। 
- রাজধানী: নমপেন।
- গুরুত্বপূর্ণ শহর: সিয়ানুক‌ভিল। 
- সরকার প্রধান: প্রধানমন্ত্রী।
- সরকারী ভাষা: খমের।
- মুদ্রা: রিয়েল।

তথ্যসূত্র: ব্রিটানিকা।

.
প্রাচীন 'আলেকজান্দ্রিয়া' শহরটি কোন সাগরের তটে গড়ে উঠেছিল?
  1.  ভূমধ্যসাগর
  2. কাস্পিয়ান সাগর
  3. লোহিত সাগর
  4. আরব সাগর
ব্যাখ্যা

•আলেকজান্দ্রিয়া:
- আলেকজান্দ্রিয়া মিশরের প্রধান শহর।
- এটি ভূমধ্যসাগরীয় বিশ্বের অন্যতম প্রধান শহর এবং হেলেনিক বৃত্তি ও বিজ্ঞানের কেন্দ্র হিসেবে পরিচিত।
- ইতিহাস জুড়ে এটি বিশ্বজনীন শহর হিসেবে ভূমধ্যসাগরের সাথে বিস্তৃত।
- প্রতিষ্ঠাতা: আলেকজান্ডার দি গ্রেট, ৩৩২ খ্রিস্টপূর্বাব্দ।
- মিশরের রাজধানী হিসেবে ব্যবহৃত: ৩৩২ খ্রিস্টপূর্বাব্দ থেকে ৬৪২ খ্রিস্টাব্দ পর্যন্ত।
- ৬৪২ খ্রিস্টাব্দে আরব বাহিনী (আমর ইবনে আল-আস) কর্তৃক দখল।

• ভৌগোলিক অবস্থান:
- কায়রো থেকে: প্রায় ১১৪ মাইল (১৮৩ কিমি) উত্তর-পশ্চিমে।
- নীল নদের ব-দ্বীপের পশ্চিম প্রান্তে, ভূমধ্যসাগরের ধারে।
- শহরের আয়তন: ১১৬ বর্গমাইল (৩০০ বর্গকিমি)।

• প্রধান বৈশিষ্ট্য:
- প্রধান সমুদ্রবন্দর এবং শিল্প কেন্দ্র।
- ভূমধ্যসাগরের উত্তরের বাতাস শহরের জলবায়ুকে মরুভূমির থেকে আলাদা করেছে।
- সাংস্কৃতিক দিক থেকে শহরটি মিশরের দিকে পিঠ এবং ভূমধ্যসাগরের দিকে মুখ করে বিস্তৃত।

তথ্যসূত্র: ব্রিটানিকা।

.
'ইন্দোচীন' অঞ্চলের বাইরে অবস্থিত দেশ কোনটি?
  1. থাইল্যান্ড
  2. লাওস
  3. ভিয়েতনাম
  4. কম্বোডিয়া
ব্যাখ্যা

- থাইল্যান্ড 'ইন্দোচীন' অঞ্চলের অন্তর্ভুক্ত নয়। 'ইন্দোচীন' অঞ্চল ভিয়েতনাম, লাওস ও কম্বোডিয়া দেশ নিয়ে গঠিত। 

• ইন্দোচীন:
 
- ইন্দোচীন হলো দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার একটি অঞ্চল।
- ইন্দোচীন একটি ভৌগোলিক শব্দ যা ঊনবিংশ শতাব্দীতে জনপ্রিয় ছিল।
- এই মহাদেশীয় অঞ্চলটি বর্তমানে দক্ষিণপূর্ব এশিয়া হিসাবে অধিক পরিচিত।
- এই অঞ্চল ভিয়েতনাম, লাওস ও কম্বোডিয়া দেশ নিয়ে গঠিত। 
- এই অঞ্চলগুলিতে ভারত ও চীন সভ্যতার প্রভাব আছে।

তথ্যসূত্র: ওয়ার্ল্ড এটলাস।

.
ব্যাবিলনীয় সভ্যতা কোন বিষয়ের জন্য সবচেয়ে বেশি খ্যাত?
  1. স্থাপত্য
  2. আইন প্রণয়ন
  3. যুদ্ধনীতি
  4. জ্যোতির্বিদ্যা
ব্যাখ্যা

• ব্যাবিলনীয় সভ্যতা:
- ব্যাবিলনীয় সভ্যতা হলো মেসোপটেমিয়ায় গড়ে উঠা দ্বিতীয় সভ্যতা। 
- খ্রিস্টপূর্ব ১৮০০ থেকে খ্রিস্টপূর্ব ১৬০০ অব্দে ব্যাবিলনীয় সভ্যতা বিকশিত হয়।
- অ্যামেরাইট জাতি এই সভ্যতা গড়ে তোলে।

- ব্যাবিলনীয় সভ্যতা আইন প্রণয়নের জন্যে বিখ্যাত।
- ব্যাবিলনীয় রাজা হাম্বুরাবি পৃথিবীর প্রথম আইনপ্রণেতা হিসেবে বিবেচিত।
- ফ্রান্সের লুভ্যর মিউজিয়ামে সংরক্ষিত একটি স্তম্ভে ২৮২টি আইনের উল্লেখ পাওয়া যায়।

- আইন প্রণয়নের পাশাপাশি বিজ্ঞান, জ্যোতিষশাস্ত্র, গণিত ও শিল্পকলায়ও ব্যাবিলনীয় সভ্যতার অবদান রয়েছে।
- ব্যাবিলনীয় সভ্যতায় মাসকে ৩০দিনে, সপ্তাহকে ৭দিনে এবং দিনকে ২৪ ঘন্টায় বিভক্ত করা হয়।

তথ্যসূত্র: ইতিহাস ও সামাজিক বিজ্ঞান, ষষ্ঠ শ্রেণী।

.
ভারতের কোন অংশকে ‘সেভেন সিস্টার্স’ বলা হয়?
  1. উত্তর-পূর্বাঞ্চলের সাতটি রাজ্য
  2. দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের সাতটি রাজ্য
  3. পশ্চিম ভারতের সাতটি রাজ্য
  4. বাংলাদেশের সীমান্তবর্তী সাতটি রাজ্য
ব্যাখ্যা

• সেভেন সিস্টার্স:
- উত্তর-পূর্ব ভারতের সাতটি রাজ্য সেভেন সিস্টার্স নামে পরিচিত।
- রাজ্যগুলাে হচ্ছে: অরুণাচল, আসাম, মণিপুর, মেঘালয়, মিজোরাম, নাগাল্যান্ড, ত্রিপুরা।
- ত্রিপুরার সাংবাদিক জ্যোতি প্রসাদ সাইকিয়া সর্বপ্রথম রাজ্যগুলোকে একত্রে ‘সেভেন সিস্টার্স’ নামে উল্লেখ করেন। 
- ১৯৭২ সালে এই সাত রাজ্যকে সেভেন সিস্টার্সের মর্যাদা দেওয়া হয়।
- এই সাত রাজ্যের আয়তন ২,৬২,১৭৯ বর্গকিলোমিটার, যা ভারতের মোট এলাকার প্রায় ৭.৯৭ শতাংশ।
- এ অঞ্চলের জনসংখ্যা ভারতের মোট জনসংখ্যার ৩.৭৮ শতাংশ।
- আসামের গুয়াহাটিকে সেভেন সিস্টার্স রাজ্যের প্রবেশদ্বার বলা হয়।

তথ্যসূত্র: ব্রিটানিকা।

.
কোন সভ্যতা বৃত্তকে ৩৬০ ডিগ্রিতে ভাগ করার পদ্ধতি ব্যবহার করেছিল?
  1. অ্যাসেরীয়
  2. মেসোপটেমীয়
  3. সুমেরীয়
  4. ক্যালডীয়
ব্যাখ্যা

• অ্যাসেরীয় সভ্যতা:
- প্রাচীন মেসোপটেমীয় অঞ্চলে বেশ কয়েকটি নগর সভ্যতার বিকাশ ঘটে যার একটি হলো অ্যাশেরীয় সভ্যতা।
- বিজ্ঞান ও জ্যোতিশাস্ত্রে অ্যাশেরীয়রা অতুলনীয় অবদান রাখেন যা বর্তমান সময়েও কাজে লাগে৷
- অ্যাসেরীয়রা বৃত্তকে ৩৬০ ডিগ্রী কোণে ভাগ করে।
- তারা সর্বপ্রথম পৃথিবীকে অক্ষাংশ ও দ্রাঘিমাংশে ভাগ করেন।
- জ্ঞান-বিজ্ঞানের প্রসারের জন্য তারা মেসোপটেমিয়ায় সর্বপ্রথম লাইব্রেরি স্থাপন করেন যা বর্তমানে ইরাকের ‘নিনেভাহ'-তে অবস্থিত।
- এটি পৃথিবীর প্রাচীনতম লাইব্রেরী হিসাবে পরিচিত যা মিশরের আলেক্সান্দ্রিয়া লাইব্রেরী থেকেও কয়েকশ বছরের পুরনো।
- ৬২৬ খ্রিস্টপূর্বাব্দে ব্যাবিলন হাত ছাড়া হওয়ার মাধ্যমে ক্যালেডীয়দের কাছে অ্যাশেরীয় সাম্রাজ্যের পতন শুরু হয় এবং ৬১৪ খ্রিস্টপূর্বাব্দে নেবুচাঁদনেজারের হাতে পূর্ণাঙ্গরূপে পতন ঘটে।

তথ্যসূত্র: Britannica & History.com 

১০.
জাপানের সবচেয়ে বড় দ্বীপের নাম কি?
  1. কিউশু
  2. শিকোকু
  3. হনসু
  4. হোক্কাইডো
ব্যাখ্যা

- জাপানের সবচেয়ে বড় দ্বীপের নাম হনসু।

• জাপান:
- সংবিধানিক রাজতন্ত্র (Constitutional Monarchy).
- সম্রাটের ক্ষমতা আনুষ্ঠানিক কিন্তু কার্যকর শাসন প্রধানমন্ত্রীর মাধ্যমে পরিচালিত হয়।
- রাজধানী: টোকিও (Tokyo) ১৮৬৮ সালে ইডো থেকে টোকিওতে স্থানান্তরিত হয়।
- ভৌগোলিক অবস্থান: পূর্ব এশিয়ার প্রশান্ত মহাসাগরে অবস্থিত দ্বীপদেশ; চারটি প্রধান দ্বীপ: হোক্কাইডো, হনসু , শিকোকু, কিউশু।
- জাপানের আয়তন: ৩৭৭,৯১৫ বর্গকিলোমিটার।
- সবচেয়ে বড় দ্বীপ: হোনশু।
- আয়তন প্রায় ২২৭,৯৬২ বর্গকিলোমিটার
- জনসংখ্যা (২০২৫ আনুমানিক): প্রায় ১২৩,১০৫,০০০ জন।
- জাতীয় ভাষা: জাপানি (Japanese)।
- ধর্ম: শিন্তো ও বৌদ্ধ ধর্ম প্রধান; খ্রিস্টান ও অন্যান্য ধর্মের অনুসারীও রয়েছে।

তথ্যসূত্র: ব্রিটানিকা।

১১.
'অ্যাজটেক সভ্যতা' কোন দেশে গড়ে উঠেছিল?
  1. পেরু
  2. মেক্সিকো
  3. চিলি
  4. ব্রাজিল
ব্যাখ্যা

• অ্যাজটেক সভ্যতা: 
- ১৫১৯ সালের দিকে মধ্য মেক্সিকোতে অ্যাজটেক সভ্যতার এক সমৃদ্ধ নগরের সন্ধান পায়।
- প্রথম বসতি গড়েছিল আজলটান অঞ্চলে। 
- জায়গাটি ছিল মেক্সিকোর উত্তরে কিংবা উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলের কোথাও। 
- সভ্যতা বিকাশের গোড়ার দিকে আজটেকরা ছিল যাযাবর।

উল্লেখ্য, 
- মায়া সভ্যতা গড়ে ওঠে মধ্য আমেরিকায়।
- ইনকা সভ্যতা গড়ে ওঠে  পেরুতে।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ ও বিশ্বসভ্যতা,  নবম- দশম শ্রেণি।

১২.
ক্রুসেড বা ধর্মযুদ্ধের ব্যাপ্তিকাল কত? 
  1. ১০৫০-১২০০
  2. ১২০০-১৩৫০
  3. ১০৯৬-১২৯১
  4. ১০০০-১১০০
ব্যাখ্যা

• ক্রুসেড: 
- ১০৯৪ সালে সেলজুকগণ অভিযান চালিয়ে বাইজানটাইন রাজধানী কনস্টানটিনোপোলের নিকটবর্তী হলে সম্রাট আলেকসিয়াস কমনেনাস আতঙ্কিত হয়ে পোপের নিকট সাহায্যের আবেদন করেন। 
- পোপ দ্বিতীয় আরবান জেরুজালেমসহ এশিয়া মাইনর পুনরুদ্ধারের লক্ষ্যে ১০৯৫ সালে ফ্রান্সের ক্লেরমোন্ট শহরে আহূত এক সম্মেলনে মুসলিমদের বিরুদ্ধে ধর্মযুদ্ধের আহ্বান করেন। 
- ধর্মযুদ্ধে অংশগ্রহণকারীদের পাপমোচন ও স্বর্গ লাভের আশ্বাস দেয়া হয়। 
- ১০৯৬ সালে সালে প্রথম ক্রুসেড শুরু হয় এবং সর্বমোট ৮টি পর্বে ক্রুসেড সম্পন্ন হবার পর ১২৯১ সালে পরিসমাপ্তি ঘটে। 
- ধর্মযুদ্ধে বেশিরভাগ ক্ষেত্রে ইতালি, ফ্রান্স, জার্মানি ও ইংল্যান্ডের ধর্মযোদ্ধাগণ অংশগ্রহণ করে।  
- ক্রুসেডের সময় এশিয়া মাইনর, এডেসা, এন্টিয়ক, জাফফা, আক্কা, সিডন, বৈরুত, ত্রিপলি, জেরুজালেম, আলেপ্পো, মসুল, হাররান, হিডিন গুরুত্বপূর্ণ যুদ্ধক্ষেত্রে পরিণত হয়। 
- প্রায় দুশ বছর ব্যাপী ধর্মযুদ্ধ জয়-পরাজয়ের মধ্য দিয়ে অতিবাহিত হয় এবং শেষ পর্যন্ত জেরুজালেমে মুসলিমরা আধিপত্য বহাল রাখতে সক্ষম হয়।

তথ্যসূত্র: ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় ।

১৩.
'আচেহ' প্রদেশ কোন দেশের অংশ?
  1. ইন্দোনেশিয়া
  2. ফিলিপাইন
  3. মালয়েশিয়া
  4. ব্রুনেই
ব্যাখ্যা

- আচেহ প্রদেশ অবস্থিত ইন্দোনেশিয়ায়।

• ইন্দোনেশিয়া:
- ইন্দোনেশিয়া পৃথিবীর বৃহত্তম দ্বীপরাষ্ট্র।
- ইন্দোনেশিয়াতে সর্বমোট ১৭,০০০+ দ্বীপ রয়েছে।
- ইন্দোনেশিয়ার প্রধান দ্বীপগুলো হচ্ছে-সুমাত্রা, জাভা, বালি ইত্যাদি।
- বৃহত্তম দ্বীপ সুমাত্রা।
- আচেহ প্রদেশ অবস্থিত ইন্দোনেশিয়ায়।
- জনবহুল দ্বীপ জাভা (রাজধানী জাকার্তা অবস্থিত)।
- দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দেশ ইন্দোনেশিয়া নেদারল্যান্ডসের উপনিবেশ ছিল।
- নেদারল্যান্ডের কাছ থেকে দেশটি আন্দোলনের মাধ্যমে ১৯৪৯ সালে স্বাধীন হয়।
- ইন্দোনেশিয়ার প্রথম রাষ্ট্রপতি (স্বাধীনতার নেতৃত্ব প্রদান) মেঘবতী সুকর্ণপুত্রী।
- মেঘবতী সুকর্ণপুত্রী (২০০১ সালে রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত)।
- তিনি মুসলিম বিশ্বের প্রথম নির্বাচিত মহিলা প্রধান।

তথ্যসূত্র: ওয়ার্ল্ড এটলাস।

১৪.
বাইজেন্টাইন সাম্রাজ্যের সমাপ্তি ঘটে কোন শক্তির হাতে?
  1. তুর্কি
  2. স্পেন
  3. পর্তুগিজ
  4. মঙ্গোল
ব্যাখ্যা

• বাইজান্টাইন সাম্রাজ্য:
- খ্রিস্টপূর্ব ৭৫৩ সালে ইতালির টাইবার নদীর তীরে রোম নগরী স্থাপিত হয়।
- এই নগরীর গোড়াপত্তন করেন রোমাস ও রমুলাস নামে দুই ভাই।
- এই বিশাল সাম্রাজ্য শাসনের জন্য রোমান সম্রাট কনস্টানটাইন সাম্রাজ্যের পূর্বাঞ্চলে কৃষ্ণসাগর তীরবর্তী বাইজান্টিয়াম নামক স্থানে দ্বিতীয় রাজধানী প্রতিষ্ঠা করেন।
- ৩৩০ সালে প্রতিষ্ঠিত এই দ্বিতীয় রাজধানীর নামকরণ করা হয় কনস্টান্টিনোপল।
- পূর্ব রাজধানীকে কেন্দ্র করে রোমান সাম্রাজ্যের পূর্বাঞ্চল তথা পূর্ব ইউরোপ, পূর্ব-ভূমধ্যসাগরীয় অঞ্চল, কৃষ্ণসাগরীয় অঞ্চল, এশিয়া মাইনরসহ পশ্চিম এশিয়া অঞ্চল শাসিত হতো।

• বাইজান্টাইন সাম্রাজ্যের পতন:
- পশ্চিম এশিয়া অঞ্চলে ইসলামী সভ্যতার উত্থান ও বিকাশের পটভূমিতে বাইজান্টাইন সাম্রাজ্যের সীমা ষষ্ঠ শতাব্দী থেকে ক্রমাগত সংকুচিত হয়ে পড়তে থাকে।
- আব্বাসীয় শাসনামল পর্যন্ত ইসলামী সাম্রাজ্য পশ্চিম ইউরোপের স্পেন, সমগ্র উত্তর আফ্রিকা, মধ্য এশিয়া এবং দক্ষিণ এশিয়া অঞ্চল পর্যন্ত বিস্তৃত হয়।
- ১২৫৮ সালে মোঙ্গল নেতা হালাকু খানের হাতে বাগদাদের পতন ঘটার পর ইসলামী সভ্যতার নেতৃত্ব গ্রহণ করে ওসমানীয় তুর্কিরা।
- চতুর্দশ শতাব্দী থেকে ওসমানীয় তুর্কিদের শক্তি ব্যাপকভাবে বৃদ্ধি পায়।
- ১৪৫৩ সালে ওসমানীয় তুর্কি খলিফা দ্বিতীয় মোহাম্মদের হাতে বাইজান্টাইন সাম্রাজ্যের রাজধানী কনস্টান্টিনোপলের পতন ঘটে।
- পরবর্তী পর্যায়ে তুর্কি শক্তি সমগ্র গ্রিস অঞ্চলসহ পূর্ব ইউরোপের বিস্তীর্ণ অঞ্চলে তাদের সাম্রাজ্য প্রতিষ্ঠা করে।

তথ্যসূত্র: আধুনিক ইউরোপের ইতিহাস, এস এস এইচ এল, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১৫.
প্রাচীন 'কনস্ট্যান্টিনোপল' শহরটির বর্তমান নাম কী?
  1. বাগদাদ
  2. ইস্তাম্বুল
  3. তেহরান
  4. জেরুজালেম
ব্যাখ্যা

- কনস্ট্যান্টিনোপল শহরটির বর্তমান নাম ইস্তাম্বুল।

• ইস্তাম্বুল:
- অবস্থান: উত্তর-পশ্চিম তুরস্কে, ইউরোপ ও এশিয়ার সংযোগস্থলে বসফরাস প্রণালীর দুই পাশে অবস্থিত।
- বর্তমান দেশ: তুরস্ক (Turkey).
- প্রাচীন নাম: বাইজান্টিয়াম, কনস্ট্যান্টিনোপল।
- কনস্টান্টিনোপলের বর্তমান নাম ইস্তানবুল। 
- মহাদেশ: ইউরোপ ও এশিয়া দুই মহাদেশে বিস্তৃত।
- তুরস্কের সবচেয়ে বড় শহর ও অর্থনৈতিক, সাংস্কৃতিক ও ঐতিহাসিক কেন্দ্র।
- প্রাচীন বাইজান্টাইন সাম্রাজ্য, পরে ইস্টার্ন রোমান সাম্রাজ্য (Byzantine Empire)-এর রাজধানী। 

» ঐতিহাসিক স্থাপনা: 
- হায়া সোফিয়া (Hagia Sophia).
- নীল মসজিদ (Blue Mosque).
- তপকাপি প্রাসাদ (Topkapi Palace).
- গ্র্যান্ড বাজার (Grand Bazaar).

তথ্যসূত্র: ব্রিটানিকা। 

১৬.
ফিলিপাইনের রাজধানী ম্যানিলা কোন দ্বীপে অবস্থিত?
  1. লুজন
  2. মিন্দানাও
  3. পাব্লো
  4. সেবু
ব্যাখ্যা

- লুজন দ্বীপে ফিলিপাইনের রাজধানী ম্যানিলা অবস্থিত।

• ফিলিপাইন:

- ফিলিপাইন প্রশান্ত মহাসাগরে অবস্থিত একটি দ্বীপরাষ্ট্র।
- বিশ্বের সপ্তম সর্বোচ্চ দ্বীপ রয়েছে ফিলিপাইনে।
- লুজন, ভিসায়াস এবং মিন্দানাও ফিলিপাইনের প্রধান দ্বীপ।
- লুজন ফিলিপাইনের বৃহত্তম ও সর্বাধিক জনবহুল দ্বীপ।
- এই দ্বীপে ফিলিপাইনের রাজধানী ম্যানিলা অবস্থিত।

তথ্যসূত্র: worldatlas.com

১৭.
বর্ণমালা প্রথম উদ্ভাবন কারা করেছিলেন?
  1. মেসোপটেমীয়
  2. ফিনিশীয়
  3. মিশরীয়
  4. গ্রিক
ব্যাখ্যা

• ফিনিশীয় সভ্যতা:
- ভূমধ্যসাগর এবং লেবানন পর্বতের মাঝে একখণ্ড সরু উপকূল অঞ্চলে ফিনিশীয় নামের ক্ষুদ্র রাষ্ট্রটি গড়ে উঠেছিল।
- ফিনিশীয়দের সামনে ছিল সাগর আর পিছনে ছিল পাহাড়।
- প্রাচীন সভ্যতার ইতিহাসে ফিনিশীয়দের পরিচয় শ্রেষ্ঠতম নাবিক ও জাহাজ নির্মাতা হিসেবে।
- মূলত ফিনিশীয়রাই প্রথম পৃথিবীর ইতিহাসে সমৃদ্ধ বাণিজ্যিক সভ্যতা গড়ে তোলে।
 - ফিনিশীয় নাবিকরা রাতে তারা দেখে জাহাজ চালাত। 
- এ কারণে ধ্রুবতারাকে অনেকে ফিনিশীয় তারা বলে থাকে। 
- সভ্যতার ইতিহাসে ফিনিশীয়দের বড় অবদান হলো বর্ণমালার উদ্ভাবন।
- তারা ২২টি ব্যঞ্জনবর্ণের উদ্ভাবন করে।

তথ্যসূত্র: ইতিহাস, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১৮.
উপনিবেশবাদী শক্তির শাসন থেকে মুক্ত ছিল কোন দেশটি?
  1. সিঙ্গাপুর
  2. থাইল্যান্ড
  3. ভিয়েতনাম
  4. মিয়ানমার
ব্যাখ্যা

• থাইল্যান্ড:
- থাইল্যান্ড অর্থ মুক্তভূমি।
- থাইল্যান্ডকে আনুষ্ঠানিকভাবে ১৯৩৯ সাল সিয়াম পর্যন্ত বলা হত।
- এটি কখনো বিদেশী শক্তির নিয়ন্ত্রণে ছিল না (যুদ্ধকালীন সময় ছাড়া)।
- ১৭৮২ থেকে ১৯৩২ সাল পর্যন্ত চক্রী রাজবংশের শাসন (নিরঙ্কুশ রাজতন্ত্র)। 
- ১৯৩২সালে বিদ্রোহের ফলে শাসনতান্ত্রিক রাজতন্ত্র চালু হয়। 
- ১৯৪৬ সাল থেকে ২০১৬ সাল: রাজা ভূমিবল অতুল্যতেজ (দীর্ঘস্থায়ী রাজা - ৭০ বছর শাসন)।

উল্লেখ্য,
- সিঙ্গাপুর ও মিয়ানমার ব্রিটিশ উপনিবেশের অন্তর্ভুক্ত ছিল।
- ভিয়েতনাম ফরাসি উপনিবেশের অন্তর্ভুক্ত ছিল। 

তথ্যসূত্র: ব্রিটানিকা।

১৯.
'মাচ্চু পিচ্চু' কোন প্রাচীন সভ্যতার স্থাপত্য নিদর্শন?
  1. মায়া
  2. আজটেক
  3. ইনকা
  4. রোমান
ব্যাখ্যা

 • ইনকা সভ্যতা:
- ইনকা সভ্যতা দক্ষিণ আমেরিকার একটি প্রাচীন সভ্যতা।
- পেরুকে কেন্দ্র করে গড়ে উঠেছিলো ইনকা সভ্যতা।
- ইনকা সভ্যতার ধ্বংসাবশেষ দেখা যায় মাচু পিচুতে।
- সভ্যতার উত্থান-পতনকাল হচ্ছে ১৪০০-১৫৭২ খ্রিস্টাব্দ পর্যন্ত।
- ইনকা সভ্যতার স্থপতি মানকো কাপেন।

তথ্যসূত্র: ব্রিটানিকা।

২০.
সিঙ্গাপুরকে আধুনিক উন্নত রাষ্ট্রে রূপদানকারী নেতা কে ছিলেন?
  1. লি কুয়ান ইউ
  2. লিম চুয়ান 
  3. গি চোক 
  4. টনি তান
ব্যাখ্যা

• লি কুয়ান ইউ:
- আধুনিক সিঙ্গাপুরের জনক হলেন লি কুয়ান ইউ।
- লি কুয়ান ইউ ১৯৫৯ সালের জুন মাসে সিঙ্গাপুরের প্রধানমন্ত্রী হন।
- তিনি ১৯৫৯ থেকে ১৯৯০ সাল পর্যন্ত সিঙ্গাপুরের প্রধানমন্ত্রী ছিলেন।
- তাঁর দীর্ঘ শাসনামলে , সিঙ্গাপুর দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার সবচেয়ে সমৃদ্ধ দেশ হয়ে ওঠে ।
-  তার নেতৃত্বে, সিঙ্গাপুর এশিয়ার সর্বোচ্চ মাথাপিছু জিডিপির একটি শক্তিশালী অর্থনীতি গড়ে তুলেছিল। 
-  ২০২৩ সাল পর্যন্ত, সিঙ্গাপুরের মাথাপিছু জিডিপি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের তুলনায় বেশি ছিল এবং বিশ্বের অন্যতম শক্তিশালী পাসপোর্ট ছিল, যার ফলে ১৯০ টিরও বেশি দেশে ভিসা-মুক্ত বা ভিসা-অন-অ্যারাইভাল অ্যাক্সেস সম্ভব হয়েছিল।

তথ্যসূত্র: ব্রিটানিকা।

২১.
‘সানশাইন পলিসি’ কোন দুটি দেশের আন্তঃসম্পর্কের উন্নয়নের জন্য প্রণীত?
  1. জাপান ও চীন
  2. দক্ষিণ কোরিয়া ও উত্তর কোরিয়া
  3. ভারত ও পাকিস্তান
  4. রাশিয়া ও যুক্তরাষ্ট্র
ব্যাখ্যা

- ‘সানশাইন পলিসি’ হলো দক্ষিণ কোরিয়া ও উত্তর কোরিয়ার মধ্যে আন্তঃসম্পর্কের উন্নয়নের জন্য প্রণীত একটি কূটনৈতিক নীতি।

•সানশাইন পলিসি: 
- "সানশাইন নীতি” হল দক্ষিণ কোরিয়ার একটি কূটনৈতিক নীতি।
- এই ভিত্তির সাথে লক্ষ্য ছিল উত্তর কোরিয়ার সম্পর্ক উন্নয়ন এবং সহাবস্থান নিশ্চিত করা।
- দক্ষিণ কোরিয়ার নেতা কিম দে-জুং এই ব্যাখ্যা প্রবর্তন করেন।
-  ১৯৯৮ থেকে ২০০৮ সাল পর্যন্ত  এ নীতি কার্যকর ছিল।
-  সানশাইন পলিসি বাস্তবায়নে ফলে, কিম দা-জুংকে ২০০০ সালে শান্তিতে নোবেল পুরষ্কার লাভ করেন।

তথ্যসূত্র: ব্রিটানিকা।