পরীক্ষা আর্কাইভ

সহকারী থানা শিক্ষা অফিসার (ATEO)

পরীক্ষাসহকারী থানা শিক্ষা অফিসার (ATEO)তারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়10 minutes
মোট প্রশ্ন১৭
সিলেবাস
[ATEO - নিয়োগ প্রস্তুতি: পরীক্ষা - ১] সাধারণ জ্ঞান পরীক্ষা - ১ টপিক: ১. ভৌগোলিক অবস্থান ও গুরুত্বপূর্ণ বিষয়াবলি [নদ-নদী, সাগর-মহাসাগর, পাহাড় ইত্যাদি] ২. বাংলাদেশ ও উপমহাদেশের ইতিহাস প্রাচীন জনপদ ও মধ্যযুগ, ৩. বাংলাদেশের গুরত্বপূর্ণ স্থাপনা, ব্যক্তি। উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ সম্পর্কিত অষ্টম, মাধ্যমিক ও উচ্চ-মাধ্যমিক শ্রেণির বোর্ড বই, ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা সংশ্লিষ্ট NCTB ও উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের বই, বাংলাপিডিয়া ওয়ার্ল্ড এটলাস ওয়েবসাইট, ব্রিটানিকা এবং যেকোনো ভালো গাইড বই। [গাইড বই থেকে পড়ার ক্ষেত্রে কনফিউজিং বিষয়গুলো ক্রসচেক করে পড়া উত্তম।]
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

সহকারী থানা শিক্ষা অফিসার (ATEO)

সহকারী থানা শিক্ষা অফিসার (ATEO) · তারিখ অনির্ধারিত · ১৭ প্রশ্ন

.
কোন প্রণালী রাশিয়া ও শাখালিন দ্বীপকে বিচ্ছিন্ন করেছে?
  1. তাতার প্রণালী
  2. মেসিনা প্রণালী
  3. ডোভার প্রণালী
  4. হরমুজ প্রণালী
ব্যাখ্যা
তাতার প্রণালী:
- তাতার প্রণালী (Tatar Strait) হলো একটি সামুদ্রিক প্রণালী যা রাশিয়ার প্রিমোরি অঞ্চলের পূর্ব উপকূলে এবং সাখালিন দ্বীপের পশ্চিম উপকূলে অবস্থিত।
- এটি জাপান সাগর এবং ওখোটস্ক সাগর কে যুক্ত করেছে।
- এটি রাশিয়া ও শাখালিন দ্বীপকে বিচ্ছিন্ন করেছে।

উল্লেখ্য,
- এর দৈর্ঘ্য প্রায় ৭০ কিলোমিটার (৪৩ মাইল) এবং প্রস্থ সর্বোচ্চ ১৫০ কিলোমিটার (৯৩ মাইল)।
- শাখালিন দ্বীপ নিয়ে রাশিয়া ও জাপানের মধ্যে বিরোধ রয়েছে।

অন্যদিকে,
- মেসিনা প্রণালী পৃথক করেছে ইতালী-সিসিলি।
- আরব আমিরাত ও ইরানকে পৃথক করেছে হরমুজ প্রণালী।
- ডোভার প্রণালী গ্রেট ব্রিটেন দ্বীপকে ফ্রান্স থেকে পৃথক করেছে।

উৎস: Britannica.
.
বাংলাদেশে কয়টি ওয়ার সিমেট্রি রয়েছে?
  1. ১টি
  2. ২টি
  3. ৩টি
  4. ৪টি
ব্যাখ্যা
ওয়ার সিমেট্রি:
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে বার্মায় সংঘটিত যুদ্ধে যে ৪৫০০০ কমনওয়েলথ সৈনিক নিহত হন, তাদের স্মৃতি রক্ষার্থে মায়ানমার (তৎকালীন বার্মা), আসাম, এবং বাংলাদেশে ৯টি রণ সমাধিক্ষেত্র তৈরি করা হয়েছে।
- বাংলাদেশে দুটি কমনওয়েলথ রণ সমাধিক্ষেত্র আছে, যার একটি কুমিল্লায় এবং অপরটি চট্টগ্রামে অবস্থিত।

⇒ ময়নামতি ওয়ার সিমেট্রি বাংলাদেশের কুমিল্লাতে অবস্থিত একটি কমনওয়েলথ যুদ্ধ সমাধি। ময়নামতি রণ সমাধিক্ষেত্র মূলত দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে (১৯০৩-১৯৪৫) নিহত ভারতীয় (তৎকালীন) ও বৃটিশ সৈন্যদের কবরস্থান। এটি ১৯৪৬ সালে তৈরি হয়েছে। কুমিল্লা শহর থেকে প্রায় ৯ কিলোমিটার দূরে কুমিল্লা ক্যান্টনমেন্টের খুব কাছেই এই যুদ্ধ সমাধির অবস্থান। এই সমাধিক্ষেত্রটি Commonwealth War Graves Commission (CWGC) কর্তৃক প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল ও তারাই এ সমাধিক্ষেত্র পরিচালনা করেন। প্রতি বছর নভেম্বর মাসে সকল ধর্মের ধর্মগুরুদের সমন্বয়ে এখানে একটি বার্ষিক প্রার্থনাসভা অনুষ্ঠিত হয়। সমাধিক্ষেত্রটিতে ৭৩৬টি কবর আছে। এর মধ্যে অধিকাংশ কবর হল সে সময়কার হাসপাতালের মৃত সৈনিকগণের। তাছাড়াও যুদ্ধের পর বিভিন্ন স্থান থেকে কিছু লাশ স্থানান্তর করেও এখানে সমাহিত করা হয়। সর্বমোট ৭২৩ জন নিহতের পরিচয় জানা সম্ভব হয়েছিল।

⇒ চট্টগ্রাম রণ সমাধিক্ষেত্র ১৯৪৩-১৯৪৪ সালে তৈরি হয়েছে। চট্টগ্রামে তৎকালীন সময়ে ছিল অনেক বড় হাসপাতাল। এছাড়া চট্টগ্রাম ছিল যুদ্ধ-সরঞ্জাম সরবরাহের ক্ষেত্র, গভীর সমুদ্র বন্দর যেখান থেকে মিত্র বাহিনী আরাকান এলাকায় তাঁদের সামরিক অভিযান পরিচালনা করতো। ব্রিটিশ সেনাবাহিনী দ্বারা নির্মিত এই সমাধিক্ষেত্রে প্রথম দিকে ৪০০টি কবর ছিল। বর্তমানেএই সমাধিক্ষেত্রের ৭৫৫টি কবর আছে। সর্বমোট ৭৩৮ জন নিহতের পরিচয় জানা সম্ভব হয়েছিল।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
.
মাউন্ট এভারেস্টের উচ্চতা কত?
  1. ৮,৮৪৮ মিটার
  2. ৮,৮৪৮ ফুট
  3. ৮,৮৪৬ মিটার
  4. ৮,৮৪৬ ফুট
ব্যাখ্যা
এভারেস্ট পর্বত:
- মাউন্ট এভারেস্ট পৃথিবীর সর্বোচ্চ পর্বত।
- এটি দক্ষিণ এশিয়ার গ্রেট হিমালয়ের চূড়ায় অবস্থিত পর্বত যা চীন ও নেপালের সীমান্ত অঞ্চলে অবস্থিত।
- তিব্বত এবং নেপালের সীমান্তে উত্থিত, লক্ষ লক্ষ বছর আগে ভারতীয় এবং ইউরেশিয়ান টেকটোনিক প্লেটের মধ্যে একটি টেকটোনিক সংঘর্ষ থেকে মাউন্ট এভারেস্ট তৈরি হয়েছিল।
- মাউন্ট এভারেস্ট হিমালয়ের মাঝের অংশে অবস্থিত।
- এভারেস্টের উচ্চতা ৮,৮৪৮.৮৬ মিটার বা ২৯,০৩২ ফুট।

উৎস: i) Britannica।
ii) National Geographic।
.
'কিলিমানজারো' কোন ধরনের পর্বত?
  1. ল্যাকোলিথ
  2. আগ্নেয়
  3. ভঙ্গিল
  4. চ্যুতি-স্তূপ
ব্যাখ্যা
পর্বত (Mountains):
- সমুদ্র সমতল থেকে অন্তত ১,০০০ মিটার-এর অধিক উঁচু, সুবিস্তৃত, খাড়া ঢালবিশিষ্ট শিলাস্তূপকে পর্বত বলে।
- অপর দিকে, সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে ৬০০ থেকে ১,০০০ মিটার উঁচু, স্বল্প বিস্তৃত শিলাস্তূপকে পাহাড় বলে।
- পর্বতের ভূ-প্রকৃতি বন্ধুর, ঢাল খুব খাড়া এবং সাধারণত চূড়া বিশিষ্ট হয়।
- কোনো কোনো পর্বত বিচ্ছিন্নভাবে অবস্থান করে, যেমন- পূর্ব আফ্রিকার কিলিমানজারো।
- আবার কিছু পর্বত অনেকগুলো পৃথক শৃঙ্গসহ ব্যাপক এলাকা জুড়ে অবস্থান করে, যেমন- হিমালয় পর্বতমালা।

• পর্বতের প্রকারভেদ:
- উৎপত্তিগত বৈশিষ্ট্য ও গঠন প্রকৃতির ভিত্তিতে পর্বত প্রধানত চার প্রকার। যথা:
(ক) ভঙ্গিল পর্বত (Fold Mountains),
(খ) আগ্নেয় পর্বত (Volcanic Mountains),
( গ) চ্যুতি-স্তূপ পর্বত (Fault-block Mountains) এবং
(ঘ) ল্যাকোলিথ পর্বত (Dome/Laccolith Mountains)।

⇒ আগ্নেয় পর্বত (Volcanic Mountain):
- ভূ-অভ্যন্তরস্থ ক্রিয়াকলাপের জন্য ম্যাগমা লাভা হিসাবে উদগিরিত হয়ে চারদিকে সঞ্চিত হয়।
- পরবর্তীতে জমে ঠান্ডা হয়ে যে শিলাস্তূপের সৃষ্টি করে তাকে আগ্নেয় পর্বত বলে।
- লাভার প্রকৃতির ওপর আগ্নেয় পর্বতের বিস্তৃতি ও আকৃতি নির্ভর করে।
- আগ্নেয় পর্বতের উৎপত্তি কোনো কোনো ক্ষেত্রে ভূ-আলোড়নের জন্য ভূ-ত্বকের দুর্বল অংশের ফাটলের মধ্য দিয়ে ভূ-গর্ভস্থ উত্তপ্ত লাভা, নানা প্রকার গ্যাস ও বাষ্প, ছাই, ধাতু ইত্যাদি প্রবল বেগে বেরিয়ে আসে।
- এই উত্তপ্ত লাভা ফাটলের চতুর্দিকে সঞ্চিত হতে হতে উঁচু পর্বতের সৃষ্টি করে।
- যেমন- জাপানের ফুজিয়ামা, হাওয়াই দ্বীপের মওনালোয়া, ইতালির ভিসুভিয়াস, আফ্রিকার কিলিমানজারো ইত্যাদি।

উৎস: i) ভূগোল ও পরিবেশ, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ii) ভূগোল ১ম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
যমুনা নদীর উপনদী কোনটি?
  1. করতোয়া
  2. ডাকাতিয়া
  3. ধলেশ্বরী
  4. হালদা
ব্যাখ্যা
যমুনা (Jamuna):
- ব্রহ্মপুত্র একসময় বিশাল স্রোতধারা নিয়ে ছিল দেশের গুরুত্বপূর্ণ নদ।
- আজকের চঞ্চলা যমুনা নদীও ছিল ব্রহ্মপুত্রের শাখা নদী।
- মূলত ১৭৮৭ সালের ভূমিকম্পের ফলে ব্রহ্মপুত্রের স্রোতধারা দেওয়ানগঞ্জের কাছে এসে ওই শীর্ণকায় খাল দিয়ে প্রবাহিত হয়।
- সেটিই আজকের যমুনা নদী।
- এটি দক্ষিণ দিকে প্রবাহিত হয়ে রাজবাড়ি জেলার গোয়ালন্দের নিকট পদ্মার সাথে মিলিত হয়।
- এরপর এই মিলিত স্রোত দক্ষিণ-পূর্ব দিকে পদ্মা নামে প্রবাহিত হয়েছে।
- যমুনার প্রধান শাখানদী ধলেশ্বরী এবং ধলেশ্বরীর শাখানদী বুড়িগঙ্গা।
- যমুনার উপনদীগুলোর মধ্যে ধরলা, তিস্তা, করতোয়া, আত্রাই অন্যতম।

উৎস: i) বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, SSC প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ii) জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
.
কলোরাডো মালভূমি কোন মহাদেশে অবস্থিত?
  1. এশিয়া
  2. ইউরোপ
  3. উত্তর আমেরিকা
  4. উপরের কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা
কলোরাডো মালভূমি:
- কলোরাডো মালভূমি উত্তর আমেরিকা মহাদেশে অবস্থিত।

উল্লেখ্য,
- এটি বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্রের চারটি রাজ্য কলোরাডো, নিউ মেক্সিকো, ইউটা এবং অ্যারিজোনাতে বিস্তৃত।
- এই মালভূমিটি অত্যন্ত ঐতিহাসিক এবং ভূগোলিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ, কারণ এখানে বহু জাতীয় উদ্যান, যেমন গ্র্যান্ড ক্যানিয়ন, আর্চস, ক্যাটেড্রাল ভ্যালি এবং মেসা ভার্ডে অবস্থিত।
- এটি পাদদেশীয় মালভূমি।
- কলোরাডো মালভূমিতে সর্বাপেক্ষা দীর্ঘ ও গভীর গিরিখাতটির নাম গ্র্যান্ড ক্যানিয়ন।

উৎস: Britannica.
.
'স্বোপার্জিত স্বাধীনতা' ভাস্কর্যটির স্থপতি কে?
  1. আবদুর রাজ্জাক
  2. শামীম শিকদার
  3. সৈয়দ আব্দুল্লাহ খালেদ
  4. মাইনুল হোসেন
ব্যাখ্যা
স্বোপার্জিত স্বাধীনতা:
- স্বোপার্জিত স্বাধীনতা ভাস্কর্য ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের টিএসসির সামনের সড়কের মোড়ে অবস্থিত।
- ভাস্কর্যটির স্থপতি: শামীম শিকদার।
- ভাস্কর্য কর্মে সহায়তা করেন হিমাংশু রায় ও আনোয়ার চৌধুরী।
- মুক্তিযুদ্ধের প্রেক্ষাপটে নির্মিত এই ভাস্কর্যটি।
- ১৯৮৮ সালের ২৫ মার্চ তারিখে, অধ্যাপক আব্দুর রাজ্জাক এ ভাস্কর্যটির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন।

উল্লেখ্য,
- শামীম শিকদার ২০০০ সালে একুশে পদক অর্জন করেন।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
.
নিম্নের কোন জেলায় পাদদেশীয় সমভূমি অবস্থিত?
  1. কুমিল্লা
  2. ফরিদপুর
  3. দিনাজপুর
  4. নোয়াখালী
ব্যাখ্যা
সাম্প্রতিককালের প্লাবন সমভূমি:
- সাম্প্রতিককালের প্লাবন সমভূমি বাংলাদেশকে একটি উর্বর কৃষিপ্রধান দেশে পরিণত করেছে। 
- পদ্মা, মেঘনা, যমুনাসহ অসংখ্যা ছোট-বড় নদী সারা দেশে জালের ন্যায় ছড়িয়ে আছে।
- এসব নদী সমতল ভূমির ওপর দিয়ে প্রবাহিত হওয়ায় প্রায় প্রতি বছর বন্যার সৃষ্টি হয়।
- এভাবে বন্যার সঙ্গে বাহিত পলিমাটি সঞ্চিত হয়ে দেশের বিস্তীর্ণ প্লাবন সমভূমি সৃষ্টি হয়েছে।
- এ প্লাবন সমভূমি উত্তর দিক থেকে ক্রমশ ঢালু হয়ে দক্ষিণে প্রায় সমুদ্র সমতলে মিশেছে।
- দক্ষিণের সুন্দরবন অঞ্চল প্রায় সমুদ্র সমতলে অবস্থিত।
- সমুদ্র সমতল থেকে দিনাজপুরের উচ্চতা ৩৭.৫০ মিটার, বগুড়ার উচ্চতা ২০ মিটার, ময়মনসিংহের উচ্চতা ১৮ মিটার, নারায়নগঞ্জ ও যশোরের উচ্চতা ৮ মিটার।
- এ অঞ্চলের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ বৈশিষ্ট্য হলো বিক্ষিপ্তভাবে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা অসংখ্য জলাভূমি ও নিম্নভূমি।
- স্থানীয়ভাবে এসব জলাভূমি ও নিম্নভূমিকে বিল, ঝিল বা হাওড় বলে।
- রাজশাহীর চলনবিল, ঢাকার আড়িয়াল বিল, গোপালগঞ্জের বিল এবং সিলেট, সুনামগঞ্জ, মৌলভীবাজার, ময়মনসিংহ, কিশোরগঞ্জ, নেত্রকোণা ও শেরপুর জেলার বিল ও হাওড় অন্যতম।
- মেঘনা নদীর মোহনায় রয়েছে হাতিয়া ও সদ্বীপ।
- এছাড়া বাংলাদেশের দক্ষিণ উপকূলে আরোও কিছু ছোট ছোট দ্বীপ রয়েছে।
- এসব দ্বীপের মাটি উর্বর এবং মানব বসতির উপযোগী। 

⇒ সাম্প্রতিককালের প্লাবন সমভূমিকে কয়েকটি ভাগে ভাগ করা যায়।
• পাদদেশীয় সমভূমি:
- হিমালয় পর্বত হতে বাহিত পলল দ্বারা গঠিত রংপুর ও দিনাজপুরের পাদদেশীয় সমভূমি।
• বন্যাপ্রবণ সমভূমি:
- ঢাকা, টাঙ্গাইল, ময়মনসিংহ, জামালপুর, পাবনা, নোয়াখালী, কুমিল্লা ও সিলেট জেলার বন্যাপ্রবণ সমভূমি।
• স্রোতজ সমভূমি:
- খুলনা, পটুয়াখালী এবং বরগুনা জেলার অংশবিশেষ নিয়ে স্রোতজ সমভূমি।
- এ অঞ্চলের নদীতে প্লাবন কম হয়, তবে নিয়মিত জোয়ার-ভাটা হয়।
• উপকূলীয় সমভূমি:
- নোয়াখালী ও ফেনী নদীর নিম্নভাগ থেকে কক্সবাজার পর্যন্ত বিস্তৃত চট্টগ্রামের উপকূলীয় সমভূমি।
- এখানকার পতেঙ্গা সৈকত, কক্সবাজার সৈকত এবং টেকনাফ সৈকত পর্যটনের জন্য বিশেষ প্রসিদ্ধ।
• ব-দ্বীপ সমভূমি:
- ফরিদপুর, কুষ্টিয়া, যশোর, খুলনা এবং ঢাকা অঞ্চলের অংশবিশেষ নিয়ে ব-দ্বীপ সমভূমি।

উৎস: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, SSC প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
কলিঙ্গ যুদ্ধের ভয়াবহতা দেখে কে বৌদ্ধ ধর্ম গ্রহণ করেন?
  1. চন্দ্রগুপ্ত মৌর্য
  2. সম্রাট অশোক
  3. বিষ্ণুগুপ্ত
  4. রাজা গোপাল
ব্যাখ্যা
সম্রাট অশোক:
- সম্রাট অশোক ২৭৩ খ্রিস্টপূর্বাব্দে সিংহাসনে আরোহণ করেন।
- সিংহাসনে আরোহণের চার বছর পর ২৬৯ খ্রিস্টপূর্বাব্দে তাঁর অভিষেক অনুষ্ঠিত হয়।
- তিনি তাঁর পূর্বসুরীদের সাম্রাজ্য সম্প্রসারণনীতি অনুসরণ করেন।
- তিনি পাটলীপুত্র হতে তাঁর বিশাল সাম্রাজ্য শাসন করতেন।
- রাজত্বের ত্রয়োদশ বছরে তিনি কলিঙ্গ আক্রমণ করে জয় করেন।
- তিনি ২৩২ খ্রিস্টপূর্বাব্দ পর্যন্ত রাজ্য শাসন করেন।
- প্রায় ৪০ বছর রাজত্বের পর ২৩২ খ্রিস্টপূর্বাব্দে মহামতি অশোক মৃত্যুবরণ করেন।

উল্লেখ্য,
- রক্তক্ষয়ী কলিঙ্গ যুদ্ধের পর অশোকের রাজনৈতিক ও নৈতিক দৃষ্টিভঙ্গীতে আমূল পরিবর্তন আসে।
- তিনি মৌর্য সম্রাটদের চিরাচরিত দ্বিগ্বিজয় নীতি পরিত্যাগ করে ঘোষণা করেন তাঁর পুত্র, প্রপৌত্র কেউই ভবিষ্যতে আর যুদ্ধ করবে না।
- জীবনের অবশিষ্ট সময় অহিংস ধর্ম (বৌদ্ধ ধর্ম) তাঁর পথপ্রদশর্কের ভূমিকা পালন করে।

উৎস: i) বাংলাপিডিয়া।
ii) ইতিহাস, এস এস এইচ এল, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১০.
'ঢাকেশ্বরী মন্দির' কোন শাসনামলে নির্মিত হয়?
  1. পাল
  2. সেন
  3. মুঘল
  4. সুলতানি
ব্যাখ্যা
ঢাকেশ্বরী মন্দির:
- বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকায় অবস্থিত ঢাকেশ্বরী একটি মন্দির।
- এই মন্দিরটি বাংলাদেশের জাতীয় মন্দির হিসেবে পরিচিত।

⇒ ঢাকার পুরোনো ইতিহাস ঐতিহ্য এবং সনাতন ধর্মের সবচেয়ে বড় নিদর্শন হলো ঢাকার শ্রী শ্রী ঢাকেশ্বরী জাতীয় মন্দির।
- মন্দির অঙ্গনে প্রবেশের জন্য রয়েছে একটি সিংহদ্বার।
- সিংহদ্বারটি নহবতখানা তোরণ নামে অভিহিত।

⇒ ধারণা করা হয়, সেন রাজবংশের রাজা বল্লাল সেন ১২শ শতাব্দীতে এটি প্রতিষ্ঠা করেন।
- তবে সেই সময়কার নির্মাণশৈলীর সঙ্গে এর স্থাপত্যকলার মিল পাওয়া যায় না বলেও অনেক ইতিহাসবিদ মনে করেন।
- এটি ঢাকার আদি ও প্রথম মন্দির।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
১১.
সেনদের মধ্যে কে প্রথম ‘গৌড়েশ্বর’ উপাধি ধারণ করেন?
  1. বিজয় সেন
  2. লক্ষ্মণ সেন
  3. বল্লাল সেন
  4. হেমন্ত সেন
ব্যাখ্যা
লক্ষ্মণ সেন:
- লক্ষ্মণসেন সেন বংশের তৃতীয় শাসক।
- লক্ষ্মণসেন প্রায় ২৮ বছর রাজত্ব করেন।
- বল্লাল সেন ও রমাদেবীর পুত্র লক্ষ্মণ সেন ১১৭৯ সালে প্রায় ৬০ বছর বয়সে সিংহাসনে আরোহণ করেন।
- লক্ষ্মণ সেন গৌড়, কলিঙ্গ, কামরূপ ও কাশীতে বিজয় অভিযান পরিচালনা করেছিলেন।
- গৌড় লক্ষ্মণসেনের রাজত্বকালেই পুরোপুরি সেন সাম্রাজ্যভুক্ত হয়েছিল।
- তিনিই সেনদের মধ্যে প্রথম রাজা যিনি ‘গৌড়েশ্বর’ উপাধি ধারণ করেন
- ১২০৪ সালে বখতিয়ার খিলজি বাংলা আক্রমণ করেন।
- লক্ষ্মণ সেনের নদীয়া ত্যাগের মাধ্যমেই বাংলায় হিন্দুশাসনের পতন হয়েছিল।

উল্লেখ্য,
- লক্ষ্মণ সেন একজন বিদ্বান ও কবি ছিলেন।
- তিনি বল্লাল সেনের অসমাপ্ত অদ্ভুতসাগর সমাপ্ত করেছিলেন।
- ভারত প্রসিদ্ধ পণ্ডিত হলায়ূধ তাঁর প্রধানমন্ত্রী ছিলেন।

উৎস: i) বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ii) বাংলাপিডিয়া।
১২.
ঢাকাকে সর্বপ্রথম সুবাহ বাংলার রাজধানী ঘোষণা করা হয় -
  1. ১৬০২ সালে
  2. ১৬০৫ সালে
  3. ১৬১০ সালে
  4. ১৬১২ সালে
ব্যাখ্যা
রাজধানী ঢাকা:
- এটি বাংলাদেশের বুড়িগঙ্গা নদীর তীরে অবস্থিত বৃহত্তম শহর।
- মুঘল সম্রাট আকবরের সময় বাংলার রাজধানী ছিল বিহারের রাজমহল।
- মোঘল সম্রাট জাহাঙ্গীরের ইচ্ছানুযায়ী ১৬১০ সালে ঢাকাকে সর্বপ্রথম সুবাহ বাংলার রাজধানী ঘোষণা করা হয়।
- সম্রাট জাহাঙ্গীর-এর নাম অনুসারে রাজধানীর নাম জাহাঙ্গীরনগর রাখা হয়।

উল্লেখ্য,
- জনপদ হিসেবে ঢাকার গোড়াপত্তন হয় ৭৫০ খ্রিস্টাব্দে।
- শহর হিসেবে এর গোড়াপত্তন হয় ১২২৯ খ্রিস্টাব্দে।
- ১৬৫০ খ্রিষ্টাব্দে সুবেদার শাহ সুজা রাজধানী আবার রাজমহলে স্থানান্তর করেছিলেন। শাহ সুজার পতনের পর ১৬৬০ খ্রিষ্টাব্দে সুবেদার মীর জুমলা আবার রাজধানী ঢাকায় স্থানান্তর করেন।
- ১৭১৭ খ্রিষ্টাব্দে সুবেদার মুর্শিদ কুলি খান রাজধানী মুর্শিদাবাদে স্থানান্তর করেন। বঙ্গভঙ্গের পর ১৯০৫ সালে ঢাকাকে আসাম ও বাংলার রাজধানী করা হয়।
- কংগ্রেসের বাধার মুখে ব্রিটিশ রাজ আবার ১৯১১ সালে রাজধানী কলকাতায় ফিরিয়ে নেয়। ১৯৪৭ সালে ব্রিটিশ ঔপনিবেশিক শাসনের অবসান এবং স্বাধীন পাকিস্তান রাষ্ট্রের প্রতিষ্ঠার পর পূর্ব বাংলা নামে নতুন প্রদেশের রাজধানী হওয়ায় ঢাকার উথানে অধিকতর স্থায়ী উন্নয়ন সাধিত হয়।
- ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর বাংলাদেশ চূড়ান্ত বিজয় অর্জন করে। একটি স্বাধীন সার্বভৌম রাষ্ট্রের রাজধানী হিসেবে ঢাকা রাজনৈতিক , প্রশাসনিক কার্যকলাপ এবং অর্থনৈতিক, সামাজিক, শিক্ষা ও সাংস্কৃতিক কার্যক্রমের সর্বাধিক গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্ররূপে মর্যাদা লাভ করে।

উৎস: i) জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
ii) The Business Standard.
১৩.
গ্রেট বেরিয়ার রিফ কোন দেশের অন্তর্গত?
  1. যুক্তরাষ্ট্র
  2. কানাডা
  3. অস্ট্রেলিয়া
  4. নিউজিল্যান্ড
ব্যাখ্যা
গ্রেট বেরিয়ার রিফ:
- গ্রেট ব্যারিয়ার রিফ হলো পৃথিবীর বৃহত্তম ও দীর্ঘতম প্রবাল প্রাচীর।
- এটি ২৯০০ এর বেশি একক রিফের সমন্বয়ে গঠিত।
- রিফটি অস্ট্রেলিয়ার কুইন্সল্যান্ড রাজ্যের উপকূল ঘেঁষা প্রশান্ত মহাসাগরের কোরাল সাগরে অবস্থিত।
- UNESCO এটিকে ১৯৮১ সালে বিশ্ব হেরিটেজ সাইটেও অন্তর্ভুক্ত করে।

⇒ প্রশান্ত মহাসাগর দক্ষিণে অ্যান্টার্কটিক অঞ্চল থেকে উত্তরে আর্কটিক বৃত্ত পর্যন্ত বিস্তৃত।
- পশ্চিমে এশিয়া ও অস্ট্রেলিয়া মহাদেশ এবং পূর্বে উত্তর ও দক্ষিণ আমেরিকার মধ্যে অবস্থিত।
- পৃথিবীর বৃহত্তম প্রবাল প্রাচীর গ্রেট ব্যারিয়ার রিফ প্রশান্ত মহাসাগরে অবস্থিত।
- প্রশান্ত মহাসাগর পৃথিবীর পৃষ্ঠের প্রায় এক-তৃতীয়াংশ জুড়ে রয়েছে।

উৎস: World Atlas.
১৪.
ফজলে হাসান আবেদ নিম্নের কোন প্রতিষ্ঠানটি প্রতিষ্ঠা করেন?
  1. ব্র্যাক
  2. আশা
  3. বার্ড
  4. গ্রামীন ব্যাংক
ব্যাখ্যা
ফজলে হাসান আবেদ:
- স্যার ফজলে হাসান আবেদ ১৯৩৬ সালের ২৭শে এপ্রিল হবিগঞ্জ জেলার বানিয়াচং গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।
- তাঁর বাবার নাম মরহুম সিদ্দিক হাসান এবং মায়ের নাম মরহুমা সৈয়দা সুফিয়া খাতুন।
- ফজলে হাসান আবেদ ব্র্যাকের প্রতিষ্ঠাতা।

উল্লেখ্য,
- যুক্তরাজ্যের সর্বোচ্চ সম্মানসূচক উপাধি 'নাইট'।
- দ্বিতীয় বাঙালি এবং স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম ও একমাত্র বাংলাদেশি হিসেবে এ গৌরবময় উপাধি অর্জন করেন ব্র্যাকের প্রতিষ্ঠাতা ফজলে হাসান আবেদ।

⇒ BRAC:
- BRAC-এর পূর্ণরূপ: Bangladesh Rural & Advancement Committee।
- এটি বিশ্বের বৃহত্তম এনজিও বা বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা।
- ১৯৭২ সালে স্যার ফজলে হাসান আবেদ BRAC প্রতিষ্ঠা করেন।
- ব্র্যাক হলো একটি আন্তর্জাতিক উন্নয়ন সংস্থা।
- এটি নারী ও শিশুদের উপর বিশেষ ফোকাস রেখে কাজ করে।

উৎস: i) ব্র্যাক ওয়েবসাইট।
ii) ৩ নভেম্বর ২০১৭, প্রথম আলো।
১৫.
পৃথিবীর কোন দেশে সবচেয়ে বেশি পাহাড় রয়েছে?
  1. তাজিকিস্তান
  2. কিরগিজস্তান
  3. ভুটান
  4. মন্টেনিগ্রো
ব্যাখ্যা
সবচেয়ে বেশি পাহাড় আছে যে দেশে:
- পৃথিবীতে সবচেয়ে বেশি পাহাড়ি অঞ্চল ভুটানে। 
- এর ৯৮ দশমিক ৮ শতাংশ পাহাড়ে আবৃত। 
- তিব্বত ও ভারতের মধ্যে স্থলবেষ্টিত এই দেশ।
- পূর্ব হিমালয়ের কোলে অবস্থিত এই দেশটি ‘ল্যান্ড অফ দ্য থান্ডার ড্রাগন’ নামেও পরিচিত। 
- সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে ১০,৭৬০ ফুট উচ্চতায় অবস্থিত এই দেশ।
- ভুটান বিশ্বের প্রথম কার্বন-নেতিবাচক দেশ হিসাবে স্বীকৃত হয়েছে।

অন্যদিকে,
- ২য় স্থানে রয়েছে তাজিকিস্তান  (৯১.৯%)।
- ২য় স্থানে রয়েছে কিরগিজস্তান (৯০.৭%)।

উৎস: Worldatlas.
১৬.
বাংলার নাম 'জান্নাতাবাদ' করেন কে?
  1. সম্রাট হুমায়ুন
  2. সম্রাট আকবর
  3. সম্রাট বাবর
  4. সম্রাট জাহাঙ্গীর
ব্যাখ্যা
সম্রাট হুমায়ুন:
- মুঘল বংশের প্রতিষ্ঠাতা জহির উদ্দিন মুহম্মদ বাবরের জ্যেষ্ঠপুত্র হুমায়ুন।
- বাবরের শাসনামলে হুমায়ুন বাদাখশান, হিসার ফিরোজা এবং সম্বলের শাসক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
- পিতা বাবরের মৃত্যুর পর ১৫৩০ খ্রিস্টাব্দের ৩০শে ডিসেম্বর মাত্র ২৩ বছর বয়সে পিতৃ মনোনয়ন অনুসারে হুমায়ুন ‘নাসির উদ্দিন মুহম্মদ হুমায়ুন' নাম ধারণ করে দিল্লির সিংহাসনে আরোহণ করেন।
- হুমায়ুনের শাসনামলে বাংলার রাজধানী ছিল গৌড়।
- সম্রাট হুমায়ুন বাংলার নতুন নামকরণ করেন 'জান্নাতাবাদ'।

উল্লেখ্য,
- ১৫২৬ খ্রিস্টাব্দে সম্রাট জহিরউদ্দিন বাবর কর্তৃক ভারতবর্ষে মোগল বংশের শাসন প্রতিষ্ঠিত হয়।
- সম্রাট আকবর ছিলেন মুঘল সাম্রাজ্যের প্রকৃত প্রতিষ্ঠাতা।
- সম্রাট আকবর এর প্রথম পুত্র জাহাঙ্গীর তাঁর পিতার উত্তরাধিকারী হিসেবে নূরুদ্দীন মুহম্মদ জাহাঙ্গীর উপাধি গ্রহণ করে ১৬০৫ খ্রিস্টাব্দে আগ্রার সিংহাসনে আরোহণ করেন। তাঁর সময়ে ইসলাম খান বাংলার সুবাদার নিযুক্ত হয়েছিলেন। তিনি ১৬১০ খ্রিস্টাব্দে বাংলার রাজধানী রাজমহল থেকে ঢাকায় স্থানান্তর করেন এবং সম্রাটের নামে এর নামকরণ করেন ‘জাহাঙ্গীরনগর’।

উৎস: i) ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি ২য় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ii) বাংলাপিডিয়া।
১৭.
কুসুম্বা মসজিদ কোন জেলায় অবস্থিত?
  1. নাটোর
  2. রাজশাহী
  3. নওগাঁ
  4. বগুড়া
ব্যাখ্যা
কুসুম্বা মসজিদ:
- নওগাঁর মান্দা উপজেলায় ঐতিহাসিক কুসুম্বা মসজিদের অবস্থান।
- মসজিদটি ধরে রেখেছে সুলতানি আমলের অনন্য নিদর্শন।
- এর মিহরাবের ওপর সুলতান আলাউদ্দীন হোসেন শাহর নাম লিপিবদ্ধ করা।
- ধারণা করা হয়, তাঁর শাসনামলে মসজিদটি নির্মিত।
- এটি চারকোনাবিশিষ্ট। কালো ও ধূসর রঙের পাথর আর পোড়ামাটির ইটে গড়া এই মসজিদ।

উল্লেখ্য,
- বাংলাদেশের ৫ টাকার নোটে কুসুম্বা মসজিদের ছবি ছাপানো আছে।

উৎস: প্রথম আলো।