পরীক্ষা আর্কাইভ

১৯তম জুডিসিয়াল সার্ভিস (BJS) প্রস্তুতি

পরীক্ষা১৯তম জুডিসিয়াল সার্ভিস (BJS) প্রস্তুতিতারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়12 minutes
মোট প্রশ্ন২৯
সিলেবাস
পরীক্ষা - ২৪ আইন বিষয়াবলী - ১০ Subject: The Code of Criminal Procedure, 1898 Topic: Section 337- 487 (General Provisions for Inquiries and Trials, Mode of Taking and Recording Evidence, Judgments, Submission of Sentences for Confirmation, Execution, Suspension, Remission, Commutation of Sentences, Appeals, Reference, and Revision, Lunatics, Offences Affecting Justice).
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

১৯তম জুডিসিয়াল সার্ভিস (BJS) প্রস্তুতি

১৯তম জুডিসিয়াল সার্ভিস (BJS) প্রস্তুতি · তারিখ অনির্ধারিত · ২৯ প্রশ্ন

.
The Code of Criminal Procedure, 1898 এর ৩৪২ ধারায় প্রসিকিউশনের সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে আদালত কী করবে?
  1. নতুন সাক্ষী ডাকবে
  2. রায় ঘোষণা করবে 
  3. ন্যায়সঙ্গত অনুমান করবে
  4. অভিযুক্তকে জিজ্ঞাসাবাদ করবে
ব্যাখ্যা

ধারা ৩৪২ – অভিযুক্ত ব্যক্তিকে জিজ্ঞাসাবাদ করার ক্ষমতা:
(১) অভিযুক্ত ব্যক্তিকে তার বিরুদ্ধে উপস্থাপিত প্রমাণে যে কোনো পরিস্থিতি ব্যাখ্যা করার সুযোগ দেওয়ার জন্য আদালত তদন্ত বা বিচারকার্যের যে কোনো পর্যায়ে, পূর্বে কোনো সতর্কীকরণ ছাড়াই, তাকে প্রয়োজনীয় প্রশ্ন করতে পারে। প্রসিকিউশনের সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে এবং অভিযুক্তকে আত্মপক্ষ সমর্থনের জন্য আহ্বান করার পূর্বে আদালত মামলার বিষয়ে তাকে সাধারণভাবে জিজ্ঞাসাবাদ করবে।

(২) অভিযুক্ত ব্যক্তি এমন প্রশ্নের উত্তর দিতে অস্বীকৃতি জানালেও বা ভুল উত্তর দিলেও সে জন্য তাকে কোনো শাস্তির অধিকারী হবে না; তবে এর ফলে আদালত যে ন্যায়সঙ্গত ধারণা বা অনুমান গঠন করতে পারে, তা গ্রহণ করতে পারবে।

(৩) অভিযুক্ত ব্যক্তির দেওয়া উত্তরসমূহ সংশ্লিষ্ট তদন্ত বা বিচারের ক্ষেত্রে বিবেচনায় নেওয়া যেতে পারে, এবং সেই উত্তর অন্য কোনো তদন্ত বা বিচারের ক্ষেত্রেও প্রমাণ হিসেবে ব্যবহার করা যেতে পারে- যদি সেই উত্তর তার অন্য কোনো অপরাধ সংঘটনের ইঙ্গিত দেয়।

(৪) অভিযুক্ত ব্যক্তিকে কোনো অবস্থাতেই শপথবদ্ধ করা যাবে না।

.
৩৩৭ ধারায় তদন্তাধীন অপরাধে ক্ষমা দিতে হলে কার অনুমতি প্রয়োজন?
  1. হাইকোর্ট বিভাগের
  2. দায়রা আদালতের
  3. চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটের
  4. তদন্তকারী অফিসারের
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর: গ) চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটের।

ধারা ৩৩৭ – সহঅভিযুক্তকে ক্ষমা প্রদানের ক্ষমতা:

(১) যে সকল অপরাধ- শুধুমাত্র দায়রা আদালতে বিচারযোগ্য, অথবা যার সর্বোচ্চ শাস্তি ১০ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড, অথবা দণ্ডবিধির ধারা ২১১ অনুযায়ী যার শাস্তি ৭ বছর পর্যন্ত, এছাড়া দণ্ডবিধির ধারা ২১৬A, ৩৬৯, ৪০১, ৪৩৫, ৪৭৭A–এ উল্লিখিত অপরাধগুলোর ক্ষেত্রে,
একজন মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট বা প্রথম শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেট- তদন্ত, অনুসন্ধান বা বিচারকার্যের যে কোনো পর্যায়ে অপরাধে প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে জড়িত বা অপরাধ সম্পর্কে অবগত কোনো ব্যক্তিকে পূর্ণ সত্য প্রকাশের শর্তে ক্ষমা (pardon) দিতে পারেন।

শর্ত হলো-
তিনি তার জানা অপরাধ সম্পর্কিত সব তথ্য এবং অপরাধে অন্য যেসব ব্যক্তি মূল বা সহায়ক ভূমিকা পালন করেছে, সেসবের সম্পূর্ণ ও সত্য বিবরণ দেবেন।

প্রথম দফা শর্ত (Proviso):
যখন অপরাধ অনুসন্ধান বা বিচারাধীন, তখন প্রথম শ্রেণির কোনো ম্যাজিস্ট্রেট ক্ষমা দিতে পারবেন না, যদি না তিনি নিজেই মামলার অনুসন্ধান করছেন, বা নিজেই বিচার পরিচালনা করছেন। আর যখন অপরাধ তদন্তাধীন, তখন ক্ষমা দিতে পারবেন কেবল যে ম্যাজিস্ট্রেটের ওই অপরাধ বিচার করার এখতিয়ার আছে, এবং চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটের অনুমতি নিতে হবে।
 
(১ক) যে ম্যাজিস্ট্রেট ক্ষমা (pardon) দেবেন- তাকে লিখিতভাবে কারণ উল্লেখ করতে হবে। অভিযুক্ত চাইলে তিনি সেই নথির একটি কপি পাবেন (কপি পেতে খরচ দিতে হবে, যদি না ম্যাজিস্ট্রেট বিশেষ কারণে বিনা খরচে দেন)।
 
(২) যে ব্যক্তি ক্ষমা গ্রহণ করবে (approver), তাকে অপরাধ সম্পর্কে জ্ঞাত আদালতে (যে ম্যাজিস্ট্রেট Cognizance নেন), এবং
পরবর্তীকালের বিচারেও সাক্ষী হিসেবে পরীক্ষা করা হবে।
 
(২ক) যে ক্ষেত্রে কোনো ব্যক্তি ক্ষমা গ্রহণ করেছে এবং (২)–এর অধীনে সাক্ষ্য দিয়েছে ম্যাজিস্ট্রেট যদি সন্তুষ্ট হন যে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে অভিযোগের যৌক্তিক ভিত্তি আছে, তবে তিনি মামলাটি দায়রা আদালতে পাঠাবেন।

(৩) যে ব্যক্তি ক্ষমা গ্রহণ করেছে, যদি জামিনে না থাকে, তাহলে বিচার শেষ হওয়া পর্যন্ত তাকে হেফাজতে রাখা হবে।

.
Section 419 deals with which aspect of appeal?
  1. How appeals are heard
  2. Time limitations for appeal
  3. Powers of appellate court
  4. Petition of Appeal
ব্যাখ্যা

⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898:-Section 419: Petition of Appeal:
Every appeal shall be made in the form of a petition in writing presented by the appellant or his pleader, and every such petition shall (unless the Court to which it is presented otherwise directs) be accompanied by a copy of the judgment or order appealed against.

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৪১৯ ধারার বিধান: আপিলে দায়েরের পদ্ধতি:
প্রত্যেকটি আপিল দায়ের করতে হবে পিটিশন বা দরখাস্ত আকারে। আপিলের পিটিশন আপিলকারী বা তার উকিল দাখিল করবে। যে রায় বা আদেশের বিরুদ্ধে আপিল করা হচ্ছে তার কপি আপিলের পিটিশনের সাথে দাখিল করতে হবে।

.
ধারা ৩৮৪ অনুযায়ী দণ্ড কার্যকরীর পরোয়ানা কাকে উদ্দেশ্য করে ইস্যু করা হবে?
  1. পুলিশ সুপার
  2. জেলা ম্যাজিস্ট্রেট
  3. সংশ্লিষ্ট কারাগারের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা
  4. স্থানীয় থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৩৮৪- দণ্ড কার্যকরীর জন্য পরোয়ানার নির্দেশ:
- কারাদণ্ড কার্যকরীর প্রত্যেকটি পরোয়ানা আসামী যে কারাগারে বা অন্য যে স্থানে আটক রয়েছে বা থাকবে, সেই কারাগারের বা স্থানের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা বরাবর নির্দেশিত হবে।

The Code of Criminal Procedure,1898 Section 384: Direction of the warrant for execution:

Every warrant for the execution of a sentence of imprisonment shall be directed to the officer in charge of the jail or other place in which the prisoner is, or is to be, confined.

.
Before dismissing an appeal under Section 421, the Appellate Court:
  1. Must call for the record of the case
  2. Is prohibited from calling for the record
  3. May call for the record but is not bound to do so
  4. Must hear all prosecution witnesses again
ব্যাখ্যা

Section 421- Summary dismissal of appeal:
(1) On receiving the petition and copy under section 419 or section 420, the Appellate Court shall pursue the same, and if it considers that there is no sufficient ground for interfering, it may dismiss the appeal summarily: Provided that no appeal presented under section 419 shall be dismissed unless the appellant or his pleader has had a reasonable opportunity of being heard in support of the same.

(2) Before dismissing an appeal under this section, the Court may call for the record of the case, but shall not be bound to do so.

ধারা ৪২১- আপিলের সংক্ষিপ্ত খারিজ:
(১) ধারা ৪১৯ বা ৪২০ এর আওতায় দরখাস্ত ও নকল পাবার পর আপিল আদালত উহা পড়বেন, এবং যদি ইহা বিবেচনা করেন যে, হস্তক্ষেপ করার মত পর্যাপ্ত কারণ নেই, সেক্ষেত্রে সঙ্গে সঙ্গে আপিল খারিজ করতে পারবেন-
শর্ত থাকে যে, ধারা-৪১৯ এর আওতায় দাখিলকৃত আপিলের ক্ষেত্রে আপিলকারী বা তার উকিলকে বক্তব্য পেশ করার যৌক্তিক সুযোগ না দিয়ে আপিল খারিজ করা যাবে না।

(২) এই ধারার আওতায় আপিল খারিজ করার পূর্বে আদালত মামলার নথি তলব করতে পারবেন, কিন্তু আদালত এরূপ তলব করতে বাধ্য হবেন না।

.
মহানগর দায়রা আদালতের সিদ্ধান্ত ও দণ্ডাদেশের অনুলিপি কার কাছে প্রেরণ করা হবে?
  1. চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট
  2. চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট
  3. মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট
  4. ক এবং খ উভয়ের কাছে
ব্যাখ্যা

ধারা ৩৭৩: দায়রা আদালত সিদ্ধান্ত ও দণ্ডাদেশের অনুলিপি জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট প্রেরণ-
দায়রা আদালত তার সিদ্ধান্ত ও দণ্ডাদেশের একটি নকল চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট বা চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটের এবং জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট প্রেরণ করবেন।

অর্থাৎ,
⇒ মহানগর দায়রা আদালত হলে চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট এবং জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট প্রেরণ করবেন।
⇒ এবং অন্যান্য ক্ষেত্রে, চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট এবং জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট প্রেরণ করবেন।

.
'প্রত্যেক রায় আদালতের ভাষায় বা ইংরেজিতে আদালতের বিচারক কর্তৃক লিখিত হবে'- ফৌজদারি কার্যবিধির কত ধারার বিধান?
  1. ৩৫৭ ধারা
  2. ৩৬১ ধারা
  3. ৩৬৭ ধারা
  4. ৩৬৯ ধারা
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৬৭ ধারার বিধান: রায়ের ভাষা ও বিষয়বস্তু:
(১) এই কোডে যা না থাকুক, প্রত্যেকটি এইরূপ রায় আদালতের ভাষায় বা ইংরেজিতে আদালতের বিচারক কর্তৃক লিখিত হবে অথবা তার দিকনির্দেশনা অনুযায়ী লিখিত হবে; এবং এতে নির্ধারণীয় বিষয় বা বিষয়সমূহ, সেগুলির সিদ্ধান্ত এবং সিদ্ধান্তের কারণসমূহ থাকবে; এবং তারিখ এবং বিচারকের স্বাক্ষর থাকবে, যা রায় ঘোষণার সময় আদালতে তিনি স্বহস্তে লিখবেন; এবং যদি বিচারক নিজেই না লিখে থাকেন, তাহলে রায়ের প্রত্যেকটি পৃষ্ঠায় তার স্বাক্ষর থাকবে।

(২) এতে বিচারিত অপরাধ (যদি থাকে), দণ্ডবিধি বা অন্য আইনের যে ধারায় অভিযুক্তকে দোষী সাব্যস্ত করা হয়েছে এবং তাকে যে শাস্তি প্রদান করা হয়েছে তা উল্লেখ থাকবে।

.
আদালত অভিযুক্তর অনুপস্থিতিতে বিচার শুরুর জন্য কোন পরিস্থিতিকে প্রাথমিক শর্ত হিসেবে বিবেচনা করে?
  1. মামলাটি গুরুতর হওয়া
  2. মামলাটি দীর্ঘদিন স্থগিত থাকা
  3. অভিযুক্তের জামিন আবেদন প্রত্যাখ্যান হওয়া
  4. তাকে গ্রেপ্তার করার কোনো তাৎক্ষণিক সম্ভাবনা না থাকা
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর: গ) তাকে গ্রেপ্তার করার কোনো তাৎক্ষণিক সম্ভাবনা না থাকা।

ধারা ৩৩৯খ – অনুপস্থিতিতে বিচার (Trial in Absentia):

(১) যদি আদালত বিশ্বাস করার যুক্তিসঙ্গত কারণ পায় যে- কোনো অভিযুক্ত ব্যক্তি পলাতক, অথবা তিনি নিজেকে লুকিয়ে রেখেছেন, যার ফলে তাকে গ্রেপ্তার করে আদালতে হাজির করা সম্ভব হচ্ছে না, এবং তাকে গ্রেপ্তারের তাৎক্ষণিক কোনো সম্ভাবনা নেই, তাহলে আদালত, যে আদালত অপরাধের বিষয়ে cognizance গ্রহণ করেছে, সেই অভিযুক্তকে একটি জাতীয় দৈনিক প্রচারিত বাংলা পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের মাধ্যমে নির্দেশ দিবে, যাতে তাকে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে আদালতে উপস্থিত হতে বলা হবে।

যদি অভিযুক্ত উক্ত নির্দেশ অনুযায়ী উপস্থিত না হন, তাহলে আদালত তার অনুপস্থিতিতে বিচার (Trial in Absentia) চালিয়ে যেতে পারবে।

প্রথম শর্ত (Proviso):
আদালত চাইলে এই উপস্থিতির নির্দেশটি নিম্নলিখিত যেকোনো সরকারি ওয়েবসাইটে প্রকাশের নির্দেশও দিতে পারে- জেলা ও দায়রা জজ আদালত, চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত, চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালত, জেলা প্রশাসকের অফিস, বাংলাদেশ পুলিশ অথবা অন্যান্য সরকারী ওয়েবসাইট যেখানে জনগণের ব্যাপক প্রবেশাধিকার রয়েছে।
 
(২) যদি কোনো মামলায় অভিযুক্ত একবার আদালতে উপস্থিত হয় বা জামিনে মুক্তি পায়, তারপর সে পলাতক হয়ে যায় বা আদালতে আর হাজির না হয়, তাহলে উপ-ধারা (১)-এর বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের নিয়ম প্রযোজ্য হবে না।

এ ক্ষেত্রে, যে আদালত সেই মামলার বিচার করতে সক্ষম, সে আদালত নিজস্ব সিদ্ধান্ত লিপিবদ্ধ করে, অভিযুক্তের অনুপস্থিতিতেই বিচার (Trial in Absentia) চালিয়ে যাবে।

.
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৪০৩(৩) অনুযায়ী, প্রথম শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেট A–কে B–র কাছ থেকে চুরি করার জন্য দণ্ডিত করেন। একই ঘটনার ভিত্তিতে A–কে দস্যুতার অভিযোগে-
  1. পরবর্তীতে বিচার করা যাবে
  2. নতুন অভিযোগ গ্রহণ করা যাবে না
  3. পরবর্তীতে বিচার করা যাবে না
  4. খ এবং গ
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো- ক) পরবর্তীতে বিচার করা যাবে।

কারণ:
ধারা ৪০৩(৩) অনুযায়ী, কোনো ব্যক্তি যে অপরাধে দণ্ডিত হয়েছে, যদি সেই কাজের ফলে পরবর্তীতে এমন কিছু ঘটে যা একটি নতুন ও ভিন্ন অপরাধ সৃষ্টি করে, এবং যা দণ্ডাদেশের সময় ঘটেনি বা জানা ছিল না- তাহলে তাকে সেই নতুন অপরাধে পরবর্তীতে বিচার করা যাবে।

ধারা ৪০৩ – একবার দণ্ডিত বা খালাসপ্রাপ্ত ব্যক্তিকে একই অপরাধে পুনরায় বিচার করা যাবে না:
(১) কোনো ব্যক্তি যদি কোনো অপরাধে উপযুক্ত আদালতে বিচারপ্রাপ্ত হয়ে দণ্ডিত বা খালাসপ্রাপ্ত হন, এবং সেই দণ্ড বা খালাস বলবৎ থাকে- তাহলে তাকে একই অপরাধের জন্য আবার বিচার করা যাবে না। এমনকি একই ঘটনার ভিত্তিতে এমন কোনো ভিন্ন অভিযোগেও বিচার করা যাবে না, যা ধারা ২৩৬ অনুযায়ী আনা যেত বা ধারা ২৩৭ অনুযায়ী যার জন্য তাকে দোষী সাব্যস্ত করা যেত।

(২) কোনো ব্যক্তি যদি কোনো অপরাধে খালাসপ্রাপ্ত বা দণ্ডিত হন, তবুও তিনি ভিন্ন ও পৃথক কোনো অপরাধে পরবর্তীতে বিচারিত হতে পারেন- যদি ধারা ২৩৫(১) অনুযায়ী আগের বিচারেই তাকে আলাদা অভিযোগ হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা যেত।

(৩) কোনো ব্যক্তি যে অপরাধে দণ্ডিত হয়েছে, যদি সেই কাজের ফলে পরবর্তীতে এমন কিছু ঘটে যা একটি নতুন ও ভিন্ন অপরাধ সৃষ্টি করে, এবং যা দণ্ডাদেশের সময় ঘটেনি বা জানা ছিল না- তাহলে তাকে সেই নতুন অপরাধে পরবর্তীতে বিচার করা যাবে।

(৪) কোনো ব্যক্তি একই কাজের ভিত্তিতে কোনো অপরাধে খালাসপ্রাপ্ত বা দণ্ডিত হলেও, যদি প্রথম আদালত পরবর্তীতে যার জন্য বিচার হবে সেই অপরাধটি বিচার করার ক্ষমতা না রাখে, তাহলে তাকে সেই অপরাধে পরবর্তীতে বিচার করা যাবে।

(৫) এই ধারার কিছুই General Clauses Act, 1897-এর ধারা ২৬ বা CrPC-এর ধারা ১৮৮–এর বিধানকে বাধাগ্রস্ত করবে না।

ব্যাখ্যা: যে পরিস্থিতিতে- অভিযোগ খারিজ, ধারা ২৪৯ অনুসারে কার্যক্রম স্থগিত, অথবা অভিযুক্তের ডিসচার্জ- এসবকে এই ধারার উদ্দেশ্যে খালাস হিসেবে গণ্য করা হবে না।

Illustrations (উদাহরণসমূহ)
(a) A একজন চাকর হিসেবে চুরি করার অভিযোগে বিচার হয়ে খালাস পায়। তাকে একই ঘটনার ভিত্তিতে চাকর হিসেবে চুরি, সাধারণ চুরি, অথবা অপরাধমূলক আত্মসাৎ-এই কোনোটিতেই পুনরায় বিচার করা যাবে না।

(b) A হত্যার অভিযোগে বিচার হয়ে খালাস পায়। বিচারের সময় দেখা যায়, হত্যার সময় সে ডাকাতিও করেছে। তাকে পরে ডাকাতির অভিযোগে বিচার করা যাবে।

(c) A গুরুতর আঘাত করার অপরাধে দণ্ডিত হয়। পরে আহত ব্যক্তি মারা গেলে- A কে culpable homicide–এর অভিযোগে পুনরায় বিচার করা যাবে।

(d) A সেশন কোর্টে B–কে হত্যার (culpable homicide) অভিযোগে দোষী সাব্যস্ত হয়। পরে একই ঘটনার ভিত্তিতে তাকে মার্ডার–এর অভিযোগে বিচার করা যাবে না।

(e) A কে প্রাথমিক আদালতের ম্যাজিস্ট্রেট B–কে আঘাত করার অপরাধে দণ্ডিত করে। একই ঘটনার ভিত্তিতে তাকে গুরুতর আঘাত (grievous hurt)–এর অভিযোগে বিচার করা যাবে না- যদি না এটি উপ-ধারা (৩)-এর আওতায় আসে (যেমন: আঘাতের ফল পরে গুরুতর হয়েছে ইত্যাদি)।

(f) দ্বিতীয় শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেট A–কে B–র কাছ থেকে চুরি করার জন্য দণ্ডিত করেন। একই ঘটনার ভিত্তিতে তাকে robbery–র অভিযোগে পরবর্তীতে বিচার করা যাবে।

(g) A, B, C–কে প্রথম শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেট D–কে ডাকাতি করার অপরাধে দণ্ডিত করেন। একই ঘটনার ভিত্তিতে তাদের dacoity–এর অভিযোগে পরবর্তীতে বিচার করা যাবে।

১০.
ধারা ৪১৩ অনুযায়ী, কোন পরিস্থিতি “তুচ্ছ মামলা” হিসেবে বিবেচিত হয়?
  1. কারাদণ্ড সর্বোচ্চ ১ মাস অথবা জরিমানা সর্বোচ্চ ১,০০০ টাকা হলে
  2. কারাদণ্ড সর্বোচ্চ ১ মাস অথবা জরিমানা সর্বোচ্চ ৫,০০০ টাকা হলে
  3. কারাদণ্ড সর্বোচ্চ ৩ মাস অথবা জরিমানা সর্বোচ্চ ৫,০০০ টাকা হলে
  4. কারাদণ্ড সর্বোচ্চ ৬ মাস অথবা জরিমানা সর্বোচ্চ ১,০০০ টাকা হলে
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর: খ) কারাদণ্ড সর্বোচ্চ ১ মাস অথবা জরিমানা সর্বোচ্চ ৫,০০০ টাকা হলে।

ধারা ৪১৩ – তুচ্ছ মামলায় আপিলের অধিকার নেই:
উপরের বিধানগুলো থাকা সত্ত্বেও, যে সকল ক্ষেত্রে দণ্ডিত ব্যক্তি তুচ्छ শাস্তি পেয়েছেন, সেখানে তিনি আপিল করতে পারবেন না।

যে ক্ষেত্রে আপিল করা যাবে না:
যদি সেশন আদালত এক মাসের বেশি নয়—এমন মেয়াদের সাধারণ কারাদণ্ড (imprisonment) প্রদান করে, তবে সেই দণ্ডের বিরুদ্ধে কোনো আপিল করা যাবে না।

যদি সেশন আদালত, চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট, মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট, অথবা প্রথম শ্রেণির অন্যান্য ম্যাজিস্ট্রেট ৫,০০০ টাকা পর্যন্ত জরিমানা প্রদান করেন, তবে সেই জরিমানার বিরুদ্ধে কোনো আপিল করা যাবে না।
 
ব্যাখ্যা: যদি আদালত জরিমানা পরিশোধে ব্যর্থতার কারণে (default of payment of fine) কারাদণ্ড প্রদান করে, কিন্তু কোনো প্রকৃত (substantive) কারাদণ্ড না দেয়, তাহলে সেই ডিফল্ট কারাদণ্ডের বিরুদ্ধেও কোনো আপিল করা যাবে না।

১১.
ধারা ৪৩৫ অনুযায়ী হাইকোর্ট বিভাগ বা দায়রা জজ তলবের সময় নিম্নের কোন আদেশ দিতে পারেন?
  1. মামলাটি বাতিল করতে
  2. দণ্ড কার্যকর স্থগিত রাখতে
  3. মামলাটি স্থগিত রাখতে
  4. উল্লিখিত সকল আদেশ
ব্যাখ্যা

ধারা ৪৩৫- নিম্ন আদালতের নথি তলব করার ক্ষমতা:
১) হাইকোর্ট বিভাগ বা দায়রা জজ তার অধিক্ষেত্রের স্থানীয় সীমার মধ্যে অবস্থিত কোন নিম্নতর ফৌজদারি আদালত কর্তৃক লিপিবদ্ধকৃত বা প্রদত্ত কোন সিদ্ধান্ত, দণ্ড বা আদেশের নির্ভুলতা, বৈধতা বা যৌক্তিকতা এবং উক্ত আদালতের কোন কার্যক্রমের নিয়মানুগতা সম্পর্কে পরিতুষ্ট হইবার জন্য উক্ত আদালতের কোন মােকদ্দমার নথিপত্র তলব করতে ও তা পরীক্ষা করতে পারবেন, এবং অনুরূপ নথি তলবের সময় নির্দেশ দিতে পারবেন যে, নথিপত্রের পরীক্ষা সাপেক্ষে কোন দণ্ড কার্যকরিকরণ স্থগিত থাকবে এবং আসামি আটক থাকলে তাকে জামিনে বা তার নিজের দেয়া বন্ডে মুক্তি দিতে হবে।

ব্যাখ্যা- নির্বাহী অথবা জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট, যাই হউক, সকল ম্যাজিস্ট্রেট এই ধারার উদ্দেশ্য পূরণকল্পে দায়রা জজের অধঃস্তন বলে গণ্য হবে।

১২.
Which authority has the power to postpone the execution of a death sentence of a pregnant woman according to Section 382?
  1. Sessions Judge
  2. Chief Judicial Magistrate
  3. High Court Division
  4. Appellate Division
ব্যাখ্যা

⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898, Section- 382. Postponement of capital sentence on pregnant woman:
If a woman sentenced to death is found to be pregnant, the High Court Division shall order the execution of the sentence to be postponed, and may, if it thinks fit, commute the sentence to transportation for life.

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৩৮২ অনুযায়ী,
মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত কোনো নারী যদি গর্ভবতী হিসেবে প্রমাণিত হন, তাহলে হাইকোর্ট বিভাগ মৃত্যুদণ্ড স্থগিত করার আদেশ দিবে; এবং চাইলে, সেই মৃত্যুদণ্ডকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে (transportation for life) রূপান্তর করতে পারে।

১৩.
৩৩৯গ ধারায় বিচারের উদ্দেশ্যে সময় গণনার ক্ষেত্রে অভিযুক্ত জামিনে থেকে পলাতক হলে, উক্ত সময়-
  1. আলাদাভাবে গণনা হবে
  2. বিচারকার্যের সময়ের মধ্যে গণনা হবে
  3. বিচারকার্যের সময় থেকে বাদ যাবে
  4. বিচারকার্যের সময়ের সাথে যোগ করা হবে
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর: গ) বিচারকার্যের সময় থেকে বাদ যাবে।

ধারা ৩৩৯গ- মামলা নিষ্পত্তির সময়:

১) ম্যাজিস্ট্রেট বিচারের জন্য মােকদ্দমা প্রাপ্ত হওয়ার তারিখ হতে একশত আশি দিনের মধ্যেই অবশ্যই বিচার সমাপ্ত করবেন।

২) কোন দায়রা জজ, অতিরিক্ত দায়রা জজ বা যুগ্ম দায়রা জজ বিচারের জন্য মােকদ্দমা প্রাপ্ত হওয়ার তারিখ হতে তিনশত ষাট দিনের মধ্যে অবশ্যই বিচার সমাপ্ত করবেন।

২ক) উপ-ধারা (১) বা উপ-ধারা (২) এ যাই থাকুক না কেন যেক্ষেত্রে কোন ব্যক্তি একাধিক মােকদ্দমায় আসামি হয় এবং বিচারের জন্য তাকে ম্যাজিস্ট্রেট বা দায়রা আদালতে হাজির করা হয়, সেক্ষেত্রে এইরূপ মােকদ্দমাগুলির বিচার সমাপ্ত করার জন্য (১) ও (২) উপ-ধারায় নির্ধারিত সময় ধারাবাহিকভাবে গণনা করা হবে।


২খ) এক আদালত হতে অপর আদালতে মােকদ্দমা হস্তান্তর সম্পর্কে যাই থাকুক না কেন (১) বা (২) উপ-ধারায় বর্ণিত সময় মােকদ্দমার বিচারের সময় হবে।


৪) নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে যদি বিচার কার্য সম্পন্ন করা না যায়, তা হলে আদালত অন্যরূপ নির্দেশ না দিলে জামিন অযােগ্য অপরাধের ক্ষেত্রে আদালতের সন্তুষ্টি সাপেক্ষে আসামিকে জামিনে মুক্তি প্রদান করা হতে পারে।

৫) দণ্ডবিধি (১৮৬০ সনের ৪৫ নং আইন) এর ধারা ৪০০ বা ধারা ৪০১-এর কোন মােকদ্দমার বিচারের ক্ষেত্রে কিংবা যে মােকদ্দমার বিচারের জন্য চৌত্রিশতম অধ্যায় নিহিত বিধান প্রযােজ্য সেই মােকদ্দমার বিচারের ক্ষেত্রে অত্র ধারার কোন কিছুই প্রযােজ্য হবে না।

৬) এই ধারায়, বিচারের উদ্দেশ্যে সময় নির্ধারণের নিমিত্তে-
খ) জামিনে গিয়া কোন আসামির পলায়নের কারণে যে সময় ব্যয় হবে উহা পরিগণনা করতে হবে না।

১৪.
পক্ষগণের উপর নোটিশ জারি হওয়ার কত দিনের মধ্যে ফৌজদারি আদালত রিভিশন নিষ্পত্তি করবে?
  1. ৩০ দিন
  2. ৬০ দিন
  3. ৯০ দিন
  4. ১২০ দিন
ব্যাখ্যা

ফৌজদারি কার্যবিধির ৪৪২ক ধারার বিধান: আপিল ও রিভিশন নিষ্পত্তির সময়:
(১) কোন আপিল আদালত ইহার নিকট দায়েরকৃত আপিল রেসপন্ডেন্টের উপর নোটিশ জারী হবার তারিখ হতে ৯০ (নব্বই) দিনের মধ্যে নিষ্পত্তি করবেন।

(২) রিভিশনের ক্ষমতা সম্পন্ন আদালত পক্ষগণের উপর নোটিশ জারী হবার তারিখ হতে ৯০ (নব্বই) দিনের মধ্যে রিভিশনের কার্যক্রম নিষ্পত্তি করবেন।


(৩) এই ধারায় সময় নির্ধারণের জন্য কেবল কার্যদিবস গণনা করতে হবে।

১৫.
কোন আদালত ধারা ৩৪৪-এর অধীনে প্রদত্ত আদেশ লিখিত হওয়ার বাধ্যবাধকতা থেকে অব্যাহতি পায়?
  1. দায়রা আদালত
  2. হাইকোর্ট বিভাগ
  3. ম্যাজিস্ট্রেট আদালত
  4. কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর: হাইকোর্ট বিভাগ।

ধারা ৩৪৪- কার্যক্রম স্থগিত বা মুলতবি রাখার ক্ষমতা:

(১) কোন সাক্ষীর অনুপস্থিতি বা অন্য কোন যৌক্তিক কারণে যদি কোন অনুসন্ধান বা বিচার আরম্ভ, স্থগিত রাখা বা মুলতবি রাখা প্রয়োজনীয় বা সংগত হয়ে পড়ে, সেক্ষেত্রে আদালত সঠিক মনে করলে কারণ উল্লেখপূর্বক লিখিত আদেশ দ্বারা যে শর্তে সঠিক মনে করেন সে শর্তে, যে সময়ের জন্য যৌক্তিক মনে করেন সেই সময়ের জন্য সময়ে সময়ে তা স্থগিত বা মুলতবি রাখতে পারবেন এবং আসামী হাজতে থাকলে পরোয়ানা দ্বারা তাকে রিমান্ডে দিতে পারবেনঃ

রিমান্ডঃ শর্ত থাকে যে, এই ধারা অনুসারে, কোন ম্যাজিস্ট্রেট কোন আসামীকে একসঙ্গে ১৫ (পনের) দিনের অধিক মেয়াদের জন্য রিমান্ডে পাঠাতে পারবেন না।

(২) হাইকোর্ট বিভাগ ব্যতিরেকে অন্য কোন আদালত কর্তৃক এই ধারার অধীন প্রদত্ত প্রত্যেকটি আদেশ লিখিত ও বিচারকারী জজ বা ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক স্বাক্ষরিত হবে।

ব্যাখ্যাঃ আসামী অপরাধ করে থাকতে পারে এ মর্মে সন্দেহ সৃষ্টির মত পর্যাপ্ত সাক্ষ্য যদি সংগ্রহ হয়ে থাকে, এবং রিমান্ডের দ্বারা আরও সাক্ষ্য হতে পারে বলে যদি প্রতীয়মান হয়, তাহলে তা আসামীকে রিমান্ডে দিবার একটি যৌক্তিক কারণ হবে।

১৬.
ধারা ৪৮০ অনুযায়ী অপরাধীকে সর্বোচ্চ কত টাকা জরিমানা করা যেতে পারে?
  1. ১০০ টাকা
  2. ১৫০ টাকা
  3. ২০০ টাকা
  4. ৫০০ টাকা
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৪৮০ ধারার বিধান:- অবমাননার কতিপয় ক্ষেত্রে পদ্ধতি:
কোন দেওয়ানী, ফৌজদারি বা রাজস্ব আদালতের দৃষ্টি গোচরে বা উপস্থিতিতে দণ্ডবিধির ধারা-১৭৫, ১৭৮, ১৭৯, ১৮০ বা ২২৮ এ উল্লিখিত কোন অপরাধ করা হলে উক্ত আদালত অপরাধীকে কারাগারে আটক রাখার ব্যবস্থা গ্রহণ করতে পারবেন এবং ঐদিন আদালতের অধিবেশন শেষ হবার পূর্বে যেকোনো সময় উপযুক্ত মনে করলে অপরাধটি আমলে নিতে পারবেন এবং অপরাধীকে সর্বোচ্চ ২০০ (দু'শত) টাকা অর্থদণ্ডে এবং যথাশীঘ্র জরিমানার টাকা প্রদান করা না হলে এক মাস পর্যন্ত বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত করতে পারবেন।

১৭.
Section 409 of the Code of Criminal Procedure, 1898 deals with the appeal hearing procedure of which court?
  1. Court of Session
  2. Appellate Division
  3. High Court Division
  4. Chief Judicial Magistrate
ব্যাখ্যা

Section 409- Appeals to Court of Session how heard:
An appeal to the Court of Session or Sessions Judge shall be heard by the Sessions Judge or by an Additional Sessions Judge: Provided that an Additional Sessions Judge shall hear only such appeals as the Government may by general or special order, direct or as the Sessions Judge of the Division may make over to him.

ধারা ৪০৯- দায়রা আদালতে আপীলের শুনানীর পদ্ধতি-
দায়রা আদালতে বা দায়রা জজ বরাবর দাখিলকৃত আপীল দায়রা জজ বা অতিরিক্ত দায়রা জজ শ্রবণ করবেন।
শর্ত থাকে যে, অতিরিক্ত দায়রা জজ সেই আপীলই শ্রবণ করবেন, যেগুলোর বিষয়ে সরকার সাধারণ বা বিশেষ আদেশ দ্বারা নির্দেশ প্রদান করবেন বা দায়রা জজ যেগুলো তাঁর বরাবর অর্পণ করেন।

১৮.
ধারা ৩৩৮ অনুযায়ী ক্ষমা প্রদর্শনের নির্দেশ দেওয়া যায়-
  1. রায় ঘোষণার পরে যে কোনো সময়
  2. তদন্ত সমাপ্তির পূর্বে যে কোনো সময়
  3. রায় দেওয়ার পূর্বে যে কোনো সময়
  4. চার্জ গঠনের যে কোনো সময়
ব্যাখ্যা

ধারা ৩৩৮- ক্ষমা প্রদর্শনের নির্দেশ দানের ক্ষমতা:
রায় দেয়ার পূর্বে যে কোন সময় যে দায়রা আদালত মােকদ্দমার বিচার করছেন সেই আদালত বিচারকালে সংশ্লিষ্ট অপরাধের সাথে প্রত্যক্ষ বা পরােক্ষভাবে জড়িত বা সেই সম্পর্কে গােপন তথ্যের অধিকারি বলে অনুমতি কোন ব্যক্তির সাক্ষ্য গ্রহণের উদ্দেশ্যে তাকে এই শর্তে ক্ষমা প্রদর্শন করতে পারবেন বা চীফ মেটোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট বা চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটকে ক্ষমা মঞ্জুর করার আদেশ দিতে পারেন।

Section 338- Power to direct tender of pardon:
At any time before the judgment is passed, the Court of Session trying the case may, with the view of obtaining on the trial the evidence of any person supposed to have been directly or indirectly concerned in or privy to, any such offence, tender, or order or the Chief Metropolitan Magistrate or the Chief Judicial Magistrate to tender, a pardon on the same condition to such person.

১৯.
ধারা ৩৯৯ অনুযায়ী কোন বয়সের ব্যক্তিকে কারাদণ্ড দেওয়া হলে, তাকে জেলে না পাঠিয়ে সংশোধনাগারে পাঠানো হবে?
  1. ২১ বছরের কম
  2. ১৮ বছরের কম
  3. ১৬ বছরের কম
  4. ১৫ বছরের কম
ব্যাখ্যা

ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৯৯ ধারা- কিশোর অপরাধীকে চরিত্র সংশোধনী প্রতিষ্ঠানে আটক রাখা:
(১) যখন কোন ফৌজদারী আদালত পনের বৎসরের কম বয়স্ক কোন ব্যক্তিকে কোন অপরাধের জন্য কারাদণ্ড দেন, তখন উক্ত আদালত নির্দেশ দিবেন যে, উক্ত ব্যক্তিকে ফৌজদারী জেলে বন্দী না করে আটকের উপযুক্ত স্থানে সরকার কর্তৃক স্থাপিত সংশোধনাগারে আটক রাখতে হবে যেখানে উপযুক্ত শৃংখলা ও কোন দরকারী শিল্পের কোন শাখায় শিক্ষার ব্যবস্থা রয়েছে অথবা তাকে কোন ব্যক্তি কর্তৃক পরিচালিত অনুরূপ প্রতিষ্ঠানে আটক রাখতে হবে, যে ব্যক্তি আটক ব্যক্তিদের শৃংখলা ও শিক্ষার জন্য সরকার কর্তৃক প্রণীত নিয়মাবলী অনুসরণ করতে ইচ্ছুক।

(২) এই ধারার অধীন সকল ব্যক্তির প্রতি উক্তরূপ নির্ধারিত নিয়মাবলী প্রযোজ্য হবে।

২০.
ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮ এর ধারা ৪৩১ অনুযায়ী, অভিযুক্তের মৃত্যু হলে ধারা ৪১৭ বা ৪১৭ক এর অধীনে করা আপিলের কী হয়? 
  1. হাইকোর্টে স্থানান্তরিত হয়
  2. চূড়ান্তভাবে অবসান হয়
  3. পুনর্বিবেচনায় রূপান্তরিত হয়
  4. উত্তরাধিকারীদের মাধ্যমে চলতে থাকে
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৪৩১ মতে- ৪১৭ ধারা ও ৪১৭ক ধারা অধীন প্রত্যেকটি আপিলে আসামীর মৃত্যু হলে চূড়ান্তভাবে পণ্ড হয়ে যাবে এবং এই অধ্যায়ের অধীন অন্যান্য প্রত্যেকটি আপিল (জরিমানার বিরুদ্ধে আপিল ব্যতীত) আপিলকারীর মৃত্যু হলে চূড়ান্তভাবে পণ্ড বা আপিল Abatement হয়ে যাবে।

- The Code of Criminal Procedure, 1898, Section-431. Abatement of appeals:
Every appeal under section 417 or section 417A shall finally abate on the death of the accused, and every other appeal under this Chapter (except an appeal from a sentence of fine) shall finally abate on the death of the appellant.

২১.
The Code of Criminal Procedure, 1898 এর ৪০২ ধারায় কার শাস্তি পরিবর্তনের ক্ষমতা আছে?
  1. হাইকোর্ট
  2. দায়রা জজ
  3. সরকার
  4. রাষ্ট্রপতি
ব্যাখ্যা

ধারা ৪০২- শাস্তি পরিবর্তনের ক্ষমতা:
(১) সরকার, দণ্ডপ্রাপ্ত ব্যক্তির সম্মতি ছাড়াই, নিম্নলিখিত যে কোনো একটি শাস্তিকে তার পরে উল্লিখিত অন্য যে কোনো শাস্তিতে পরিবর্তন করতে পারে:
মৃত্যুদণ্ড, নির্বাসন, কঠোর কারাদণ্ড যার মেয়াদ তার প্রাপ্য সর্বোচ্চ সময়সীমা অতিক্রম করবে না, একই মেয়াদের সাধারণ কারাদণ্ড, জরিমানা।

(২) এই ধারায় উল্লিখিত কোনো কিছুই দণ্ডবিধির ৫৪ ধারা বা ৫৫ ধারার বিধানগুলিকে প্রভাবিত করবে না।

Section 402- Power to commute punishment:
(1) The Government may, without the consent of the person sentenced, commute any one of the following sentences for any other mentioned after it:-
death, transportation, rigorous imprisonment for a term not exceeding that to which he might have been sentenced, simple imprisonment for a like term, fine.

(2) Nothing in this section shall affect the provisions of section 54 or section 55 of the Penal Code.

২২.
বিচারকার্যের কোন পর্যায়ে জনগণের প্রবেশ নিষিদ্ধ করা যেতে পারে?
  1. কেবল চার্জ গঠনের সময়
  2. কেবল বিচারের যে কোনো ধাপে
  3. কেবল রায় প্রদানের সময়
  4. অনুসন্ধান বা বিচারের যে কোনো ধাপে
ব্যাখ্যা
• ধারা ৩৫২: আদালত উন্মুক্ত থাকবে-
কোন অপরাধের তদন্ত বা বিচারের উদ্দেশ্যে যে স্থানে কোন ফৌজদারি আদালতের অধিবেশন বসে, ঐ স্থানকে উন্মুক্ত আদালত হিসেবে পরিগণিত করতে হবে এবং যে পর্যন্ত সেখানে সুবিধাজনক স্থান সংকুলান হয়, সে পর্যন্ত সেখানে সর্ব সাধারণের প্রবেশাধিকার থাকতে পারেঃ

শর্ত থাকে যে, বিচারকারী জজ বা ম্যাজিস্ট্রেট সঠিক মর্মে মনে করলে কোন বিশেষ মামলার অনুসন্ধান বা বিচারের যেকোন ধাপে আদেশ প্রদান করতে পারবেন যে, সর্বসাধারণ বা কোন বিশেষ ব্যক্তি আদালত কর্তৃক ব্যবহৃত কক্ষ বা ভবনে প্রবেশ করতে বা অন্য কোন জায়গায় অবস্থান করতে পারবে না।
২৩.
রিভিশন ক্ষমতা প্রয়োগের সময় আদালত কোন শর্তে পক্ষকে বক্তব্য দেওয়ার সুযোগ দিতে পারে?
  1. যখন মামলাটি গুরুতর হয়
  2. যখন অভিযুক্ত আবেদন করে
  3. যখন আদালত উপযুক্ত মনে করে
  4. যখন উকিল উপস্থিত থাকে
ব্যাখ্যা

ফৌজদারি কার্যবিধি ধারা ৪৪০:
কোন আদালত যেক্ষেত্রে তার রিভিশনের ক্ষমতা প্রয়োগ করেন, সেক্ষেত্রে উক্ত আদালতে কোন পক্ষেরই ব্যক্তিগতভাবে বা এডভোকেট কর্তৃক বক্তব্য দাখিলের অধিকার থাকবে নাঃ শর্ত থাকে যে, আদালত উপযুক্ত মনে করলে এরূপ ক্ষমতা প্রয়োগের সময় কোন পক্ষের বক্তব্য ব্যক্তিগতভাবে বা উকিলের কর্তৃক শ্রবণ করতে পারবেন; এবং এই ধারার কোন বিধান ধারা-৪৩৯ (২) কে প্রভাবিত করবে বলে গণ্য করা যাবে না।
 
Section 440: Optional with Court to hear parties-
No party has any right to be heard either personally or by pleader before any Court when exercising its powers of revision: 
Provided that the Court may, if it thinks fit, when exercising such powers, hear any party either personally or by pleader, and that nothing in this section shall be deemed to affect section 439, sub-section (2).

২৪.
According to Section 368(2), what restriction applies to a sentence of transportation?
  1. It must specify the exact prison
  2. It must specify the duration only
  3. It shall not specify the place of transportation
  4. It must include the country of transportation
ব্যাখ্যা

Section- 368: Sentence of death, Sentence of transportation:
(1) When any person is sentenced to death, the sentence shall direct that he be hanged by the neck till he is dead.
(2) No sentence of transportation shall specify the place to which the person sentenced is to be transported.

• ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৬৮ ধারার বিধান:
(১) কোন ব্যক্তিকে মৃত্যুদণ্ডাদেশ দেয়া হলে দণ্ডাদেশে নির্দেশ থাকবে যে, মৃত্যু না হওয়া পর্যন্ত তাকে তার গলায় ফাঁসি দিয়া ঝুলিয়ে রাখতে হবে।
(২) নির্বাসনে দণ্ডিত ব্যক্তিকে কোথায় প্রেরণ করিতে হইবে তাহার উল্লেখ থাকিবে না।

২৫.
The Code of Criminal Procedure, 1898 এর কত ধারায় অভিযুক্তের উপস্থিতিতে সাক্ষ্য গ্রহণ এর বিধান উল্লেখ আছে?
  1. ধারা ৩৫১
  2. ধারা ৩৫৩
  3. ধারা ৩৫৫
  4. ধারা ৩৫৭
ব্যাখ্যা

ধারা ৩৫৩ – অভিযুক্তের উপস্থিতিতে সাক্ষ্য গ্রহণ:
যদি আইনে অন্যভাবে স্পষ্টভাবে কিছু না বলা থাকে, তবে অধ্যায় XX, XXII এবং XXIII-এর অধীনে যেসব সাক্ষ্য গ্রহণ করা হয়- সেগুলো অবশ্যই অভিযুক্ত ব্যক্তির উপস্থিতিতে গ্রহণ করতে হবে।

তবে, যদি আদালত অভিযুক্তের ব্যক্তিগত উপস্থিতি মওকুফ (dispense) করে, তাহলে সাক্ষ্য গ্রহণ করতে হবে তার আইনজীবীর (pleader) উপস্থিতিতে।

২৬.
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৩৬৪ অনুযায়ী, অভিযুক্ত জবানবন্দি সত্য বলে স্বীকার করলে কোন কার্যটি সম্পন্ন হয়?
  1. শুধু বিচারক স্বাক্ষর করেন
  2. শুধু অভিযুক্ত স্বাক্ষর করেন
  3. সরকারি আইনজীবী স্বাক্ষর করেন
  4. অভিযুক্ত এবং বিচারক উভয়ে স্বাক্ষর করেন
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৩৬৪- অভিযুক্তের জবানবন্দি যেভাবে লিপিবদ্ধ করতে হবে:-
(১) যেক্ষেত্রে কোন ম্যাজিস্ট্রেট বা হাইকোর্ট ডিভিশন ব্যতীত, অন্য কোন আদালত, কোন অভিযুক্তের জবানবন্দি গ্রহণ করেন, সেক্ষেত্রে তাকে জিজ্ঞাসিত প্রত্যেকটি প্রশ্ন ও তাঁর প্রদত্ত প্রত্যেকটি জবাবসহ সমগ্র , যে ভাষায় তার জবানবন্দি গ্রহণ করা হয়েছে সে ভাষায় বা তা সম্ভব না হলে আদালতের ভাষায় কিংবা ইংরেজি ভাষায় পূর্ণাঙ্গরূপে লিপিবদ্ধ করতে হবে এবং উক্ত নথি তাকে দেখাতে হবে বা পড়ে শুনাতে হবে অথবা যে ভাষায় তা লেখা হয়েছে ঐ সে বুঝতে না পারলে যে ভাষায় সে বুঝে ঐ ভাষায় তা তাকে বুঝিয়ে দিতে হবে এবং সে তার জবাব ব্যাখ্যা করতে বা তাতে জবাবে নতুন কিছু যোগ করতে পারবে।

(২) সে যখন সমগ্র জবানবন্দি সত্য হিসাবে স্বীকার করে, তখন অভিযুক্ত এবং উক্ত আদালতের ম্যাজিস্ট্রেট বা জজ তাতে স্বাক্ষর করবেন এবং উক্ত ম্যাজিস্ট্রেট বা জজ স্বহস্তে সার্টিফাই করবেন যে, জবানবন্দি তাঁর উপস্থিতিতে ও শ্রবণের মধ্যে গ্রহণ করা হয়েছে এবং নথিতে অভিযুক্তের বিবৃতির একটি পূর্ণাঙ্গ ও সত্য বিবরণ রয়েছে।


(৩) ম্যাজিস্ট্রেট বা জজ স্বয়ং অভিযুক্তের জবানবন্দি লিপিবদ্ধ না করলে জবানবন্দি চলার সময় তিনি আদালতের ভাষায় বা ইংরেজির সঙ্গে পর্যাপ্তভাবে পরিচিত হলে ইংরেজি ভাষায় তার একটি স্মারক তৈরি করতে থাকবেন এবং এরূপ স্মারক ম্যাজিস্ট্রেট বা জজ কর্তৃক স্বহস্তে লিখিত ও স্বাক্ষরিত হবে এবং নথির সঙ্গে সংযুক্ত করতে হবে। ম্যাজিস্ট্রেট বা জর্জ যদি উক্ত স্মারক তৈরি করতে না পারেন, সেক্ষেত্রে তিনি তাঁর এরূপ অসামর্থ্যের কারণ লিপিবদ্ধ করবেন।


(৪) এই ধারার কোন বিধান ধারা-২৬৩ অনুসারে অভিযুক্তের জবানবন্দি গ্রহণের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে মর্মে পরিগণিত করা যাবে না।

২৭.
আপিল চলাকালে দণ্ড স্থগিত করার ক্ষমতা কার রয়েছে?
  1. শুধু হাইকোর্ট বিভাগ
  2. শুধু দায়রা জজ
  3. শুধু আপিল বিভাগ
  4. যেকোনো আপিল আদালত এবং হাইকোর্ট বিভাগ
ব্যাখ্যা

ধারা ৪২৬ – আপিল চলাকালে দণ্ড স্থগিত ও আপিলকারীর মুক্তির বিধান:
(১) যখন কোনো দণ্ডিত ব্যক্তি আপিল করেন, তখন আপিল আদালত লিখিতভাবে কারণ উল্লেখ করে তার দণ্ড বা আদেশের কার্যকর করা স্থগিত রাখতে পারে। একই সঙ্গে, যদি তিনি কারাবন্দী থাকেন, তবে আদালত তাকে জামিনে অথবা নিজ দায়িত্বে বন্ডে মুক্তি দেওয়ার নির্দেশ দিতে পারে।

(২) এই ধারার ক্ষমতা যে কোনো আপিল আদালত যেমন প্রয়োগ করতে পারে, তেমনি হাইকোর্ট বিভাগও তার অধঃস্তন আদালতের বিরুদ্ধে দণ্ডিত ব্যক্তির করা আপিলের ক্ষেত্রে এই ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারে।

(২ক) যদি কোনো আদালত কোনো ব্যক্তিকে এক বছর বা তার কম মেয়াদের কারাদণ্ড প্রদান করে এবং সেই দণ্ডের বিরুদ্ধে আপিল করার অধিকার থাকে, তাহলে অভিযুক্ত আদালতকে সন্তুষ্ট করলে যে তিনি আপিল করতে ইচ্ছুক, আদালত তাকে এমন একটি সময় পর্যন্ত জামিনে মুক্তি দিতে পারে, যা আদালতের মতে আপিল দায়ের করা এবং আপিল আদালতের আদেশ পাওয়ার জন্য যথেষ্ট।
এ সময়ের মধ্যে যতদিন অভিযুক্ত জামিনে থাকবেন, তার দণ্ড স্থগিত আছে বলে গণ্য হবে।

 (২খ) যদি হাইকোর্ট বিভাগ সন্তুষ্ট হয় যে দণ্ডিত ব্যক্তি তার আরোপিত বা বহাল রাখা দণ্ডের বিরুদ্ধে সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগে বিশেষ অনুমতি (special leave) পেয়েছেন, তাহলে হাইকোর্ট বিভাগ চাইলে তার দণ্ড বা আদেশ আপিল চলাকালে স্থগিত রাখতে পারে এবং যদি তিনি কারাবন্দী থাকেন তবে তাকে জামিনে মুক্তি দেওয়ার আদেশ দিতে পারে।

(৩) যদি আপিল শেষে অভিযুক্ত পুনরায় কারাদণ্ড বা transportation দণ্ডে দণ্ডিত হন, তাহলে জামিনে মুক্ত অবস্থায় যে সময় তিনি কাটিয়েছেন তা দণ্ডের মেয়াদ গণনায় অন্তর্ভুক্ত হবে না। অর্থাৎ, জামিনে থাকা সময় দণ্ডের মেয়াদ থেকে বাদ যাবে।

২৮.
কোন পরিস্থিতিতে ধারা ৪৮৫ প্রযোজ্য হবে?
  1. যখন মামলা স্থগিত হয়
  2. যখন আসামি আদালতে হাজির হয় না
  3. যখন সাক্ষী জিজ্ঞাসিত প্রশ্নের উত্তর দিতে অস্বীকার করে
  4. যখন সাক্ষী আদালতে হাজির হয় না
ব্যাখ্যা

ফৌজদারি কার্যবিধির ৪৮৫ ধারার বিধান- কোন ব্যক্তি জবাব দিতে বা দলিল করতে অস্বীকার করলে কারাদণ্ড বা সোপর্দকরণ:
কোন ফৌজদারী আদালত কোন সাক্ষী বা ব্যক্তিকে তার দখলের বা ক্ষমতার অন্তর্ভূক্ত কোন দলিল বা বস্তু হাজির করতে বললে সে যদি তা হাজির করতে অস্বীকার করে বা তার নিকট জিজ্ঞাসিত প্রশ্নের জবাব দিতে অস্বীকার করে, এবং এই অস্বীকৃতির জন্য কোন যৌক্তিক কৈফিয়ত না দেয়, সেক্ষেত্রে আদালত লিখিতভাবে কারণ লিপিবদ্ধ করে যে কোন সময়ের জন্য বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত করতে পারবেন অথবা প্রিজাইডিং ম্যাজিস্ট্রেট বা জজের নিজ হাতে স্বাক্ষরিত পরোয়ানা দ্বারা তাকে ৭ (সাত) দিনের অনধিক যেকোন সময়ের জন্য কোর্টের কোন অফিসারের হেফাজতে আটক রাখতে পারবেন,

যদি না উক্ত ব্যক্তি ইতোমধ্যে জবানবন্দী দিতে বা দলিল বা বস্তু হাজির করতে রাজী হয়। উক্ত ব্যক্তি তার অস্বীকৃতিতে অবিচল থাকলে ধারা-৪৮০ বা ৪৮২ অনুসারে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করা যাবে, এবং হাইকোর্ট ডিভিশনের ক্ষেত্রে তাকে অবমাননার জন্য দোষী মর্মে গণ্য করতে হবে।

২৯.
দায়রা জজের নিকট রিভিশন আবেদন করলে, তার সিদ্ধান্ত-
  1. চূড়ান্ত
  2. আপিলযোগ্য
  3. পুনঃরিভিশনযোগ্য
  4. রিভিউযোগ্য
ব্যাখ্যা

ধারা ৪৩৯ক – দায়রা জজের রিভিশন ক্ষমতা:
(১) যে কোনো মামলার রেকর্ড দায়রা জজ নিজে তলব করলে, বা অন্য কোনোভাবে তাঁর জ্ঞাত হলে, তিনি ধারা ৪৩৯-এর অধীনে হাইকোর্ট বিভাগ যে ক্ষমতাসমূহ প্রয়োগ করতে পারে, সেই সমস্ত বা যেকোনো ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারবেন।
অর্থাৎ, রিভিশন ক্ষমতার ক্ষেত্রে দায়রা জজ হাইকোর্ট বিভাগের মতোই কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারেন।

(২) যদি কোনো ব্যক্তি বা তার পক্ষে কেউ দায়রা জজের নিকট রিভিশনের জন্য আবেদন করে, তাহলে সেই ব্যক্তির ক্ষেত্রে দায়রা জজের সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত (final) বলে গণ্য হবে। অর্থাৎ, ব্যক্তিগত রিভিশন আবেদনে দায়রা জজের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আর রিভিশন করা যাবে না।

(৩) কোনো মামলাকে দায়রা জজ যেকোনো সাধারণ বা বিশেষ আদেশের মাধ্যমে অতিরিক্ত দায়রা জজের নিকট হস্তান্তর করলে, সেই অতিরিক্ত দায়রা জজ (Additional Sessions Judge) এই অধ্যায়ের অধীনে দায়রা জজের সকল ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারবেন।