পরীক্ষা আর্কাইভ

১৪০ দিনে ৫১তম বিসিএস প্রস্তুতি

পরীক্ষা১৪০ দিনে ৫১তম বিসিএস প্রস্তুতিতারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়20 minutes
মোট প্রশ্ন১৬
সিলেবাস
পরীক্ষা - ১৪: বিষয় - বাংলা ভাষা ও ব্যাকরণ টপিকসমূহ: ১. ধ্বনিতত্ত্ব [ণ-ত্ব ও ষ-ত্ব বিধান; সন্ধি] ২. শব্দপ্রকরণ [লিঙ্গ/পুরুষবাচক-স্ত্রীবাচক শব্দ; সংখ্যাবাচক শব্দ; দ্বিরুক্ত বাচক শব্দ/শব্দ দ্বিত্ব; বচন; পদাশ্রিত নির্দেশক।] এবং বিষয় - আন্তর্জাতিক বিষয়াবলি টপিক - আন্তর্জাতিক সংগঠন এবং বৈশ্বিক অর্থনৈতিক প্রতিষ্ঠান i) জাতিসংঘ - History, মূল সংস্থা, প্রতিষ্ঠার সাথে জড়িত ব্যক্তি, জাতিসংঘ ও বাংলাদেশ, জাতিসংঘ ও নোবেল পুরস্কার, শান্তিরক্ষা কার্যক্রম (গুরুত্বপূর্ণগুলো), জাতিসংঘ মিশন সমূহ; ii) Bretton Woods - সংস্থাসমূহ [বিশ্বব্যাংক ও বিশ্বব্যাংক গ্রুপ, আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল ও GATT/WTO)।
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

১৪০ দিনে ৫১তম বিসিএস প্রস্তুতি

১৪০ দিনে ৫১তম বিসিএস প্রস্তুতি · তারিখ অনির্ধারিত · ১৬ প্রশ্ন

.
'পঞ্চম' কোন জাতীয় সংখ্যাবাচক শব্দ?
  1. ক) পূরণবাচক
  2. খ) তারিখবাচক
  3. গ) পরিমাণবাচক
  4. ঘ) গণনাবাচক
সঠিক উত্তর:
ক) পূরণবাচক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) পূরণবাচক
ব্যাখ্যা
• উল্লেখিত 'পঞ্চম' শব্দটি হলো 'পূরণবাচক'।

• পূরণবাচক বা ক্রমবাচক সংখ্যা:
প্রথম, দ্বিতীয়, তৃতীয়, চতুর্থ, পঞ্চম.... একাদশ, দ্বাদশ ইত্যাদি হলো পূরণবাচক বা ক্রমবাচক সংখ্যা।
অঙ্কবাচক সংখ্যা
১, ২, ৩... ১১, ১২, ১৩ ইত্যাদি হলো অঙ্কবাচক সংখ্যা।
• পরিমাণ বা গণনাবাচক সংখ্যা: 
এক, দুই....... এগার, বার ইত্যাদি হলো পরিমাণ বা গণনাবাচক সংখ্যা।
• তারিখবাচক সংখ্যা:
পহেলা, দোসরা, তেসরা, চৌঠা ইত্যাদি হলো তারিখবাচক সংখ্যা।

• বাংলা ভাষায় তারিখবাচক সংখ্যাগুলোর প্রথম তিনটি হিন্দি ভাষা থেকে এসেছে।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯সংস্করণ)।
.
'সে সুরে সুরে কথা বলে'- বাক্যে কোন প্রকার শব্দদ্বিত্ব ব্যবহৃত হয়েছে?
  1. ক) ধ্বন্যাত্মক
  2. খ) অনুকার
  3. গ) বিভক্তিযুক্ত
  4. ঘ) বিভক্তিহীন
সঠিক উত্তর:
গ) বিভক্তিযুক্ত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) বিভক্তিযুক্ত
ব্যাখ্যা
• অভিন্ন বা সামান্য পরিবর্তিত চেহারায় কোনো শব্দ পরপর দুইবার ব্যবহৃত হলে তাকে শব্দদ্বিত্ব বলে।
শব্দদ্বিত্ব তিন ধরনের:
- অনুকার দ্বিত্ব,
- ধ্বন্যাত্মক দ্বিত্ব ও
- পুনরাবৃত্ত দ্বিত্ব।

পুনরাবৃত্ত দ্বিত্ব: পুনরায় আবৃত্ত হলে তাকে পুনরাবৃত্ত দ্বিত্ব বলে। পুনরাবৃত্ত দ্বিত্ব বিভক্তিহীন বা বিভক্তিযুক্ত হতে পারে। যেমন - জ্বর জ্বর, পর পর, কবি কবি, হাতে হাতে, কথায় কথায়, জোরে জোরে ইত্যাদি।

বিভক্তিহীন পুনরাবৃত্ত: ভালো ভালো (কথা), কত (লোক), হঠাৎ হঠাৎ (ব্যথা), ঘুম ঘুম (চোখ), উড় উড় (মন), গরম গরম (জিলাপি), হায় হায় (করা)।

বিভক্তিযুক্ত পুনরাবৃত্ত:
কথায় কথায় (বাড়া), মজার মজার (কথা), ঝাঁকে ঝাঁকে (চলা), চোখে চোখে (রাখা), মনে মনে (হাসা), সুরে সুরে (বলা), পথে পথে (হাঁটা)।

উৎস: মাধ্যমিক বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি (২০২২ সংস্করণ)।
.
'আড়াই', 'দেড়', - কোন ধরনের শব্দ হিসাবে ব্যবহৃত হয়?
  1. ক) ন্যূনতা নির্দেশক শব্দ
  2. খ) পূর্ণগুণিতক শব্দ
  3. গ) আধিক্য নির্দেশক শব্দ
  4. ঘ) ভগ্নাংশ সংখ্যাশব্দ
সঠিক উত্তর:
গ) আধিক্য নির্দেশক শব্দ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) আধিক্য নির্দেশক শব্দ
ব্যাখ্যা
• সংখ্যাবাচক বিশেষণের শ্রেণিবিভাগ - 
- পূর্ণসংখ্যাবাচক বিশেষণ
- ক্রমবাচক বিশেষণ
- তারিখ সংখ্যাশব্দ
- গুণিতক সংখ্যাশব্দ

গুণিতক সংখ্যাশব্দ তিন ধরনের - 
- পূর্ণগুণিত শব্দ : এক এক্কে এক, দুই দুগুণে চার ইত্যাদি।
- ভগ্নাংশ সংখ্যাশব্দ : চৌথাই, সিকি , পোয়া, তেহাই, অর্ধ ইত্যাদি।
- ন্যূনতা নির্দেশক শব্দ : পৌনে চার, পৌনে সাত ইত্যাদি। 
- আধিক্য নির্দেশক শব্দ : 'আড়াই' 'দেড়', 'সওয়া', 'সাড়ে' ইত্যাদি। 

উৎস: প্রমিত বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, বাংলা একাডেমি।
.
'অরণ্য - অরণ্যানী' স্ত্রীবাচক শব্দ কোন অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে?
  1. ক) বৃহৎ
  2. খ) কঠিন
  3. গ) ক্ষুদ্র
  4. ঘ) জমানো
সঠিক উত্তর:
ক) বৃহৎ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) বৃহৎ
ব্যাখ্যা
• আনী প্রত্যয় যোগে কখনো কখনো পুরুষবাচক থেকে স্ত্রীবাচকে রূপান্তর করলে অর্থের পার্থক্য ঘটে।
যেমন :
- অরণ্য - অরণ্যানী (বৃহৎ অর্থে)
- হিম- হিমানী (জমানো অর্থে)

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯)।
.
'খানা, খানি' ইত্যাদি পদাশ্রিত নির্দেশক কোন বচনে ব্যবহৃত হয়?
  1. ক) একবচন
  2. খ) দ্বিবচন
  3. গ) ত্রিবচন
  4. ঘ) বহুবচন
সঠিক উত্তর:
ক) একবচন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) একবচন
ব্যাখ্যা
• কয়েকটি অব্যয় বা প্রত্যয় কোনো না কোনো পদের আশ্রয়ে বা সংযুক্ত হয়ে নির্দিষ্টতা জ্ঞাপন করে, এগুলোকে পদাশ্রিত নির্দেশক বলে। 
- বাংলা নির্দিষ্টতা জ্ঞাপক প্রত্যয় ইংরেজি Definite Article 'The' এর স্থানীয়। 
- বচন ভেদে পদাশ্রিত নির্দেশক ভিন্ন হয়। 

• টা, টি, খানা, খানি, গাছা, গাছি ইত্যাদি পদাশ্রিত নির্দেশক যা একবচনে ব্যবহৃত হয়।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ)।
.
ষত্ব-বিধান এর নিয়ম অনুসারে কোনটি মিথ্যা?
  1. ক) ট-বর্গীয় ধ্বনির সঙ্গে ‘ষ’ যুক্ত হয়।
  2. খ) বিদেশি শব্দে ‘ষ’ হয় না।
  3. গ) ‘ঋ’ ও ঋ-কারের পর ‘ষ’ হয় না।
  4. ঘ) তৎসম শব্দে ‘র’ এর পর ‘ষ’ হয়।
সঠিক উত্তর:
গ) ‘ঋ’ ও ঋ-কারের পর ‘ষ’ হয় না।
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ‘ঋ’ ও ঋ-কারের পর ‘ষ’ হয় না।
ব্যাখ্যা
মিথ্যা: ‘ঋ’ ও ঋ-কারের পর ‘ষ’ হয় না।

• 'ষ'ত্ব বিধান:
তৎসম শব্দের বানানে মূর্ধন্য ‘ষ’-এর ব্যবহারের নিয়মকে ষত্ব বিধান বলে।

ষ-ত্ব বিধানের নিয়মাবলী:
• অ, আ ভিন্ন অন্য স্বরধ্বনি এবং ক ও র-এর পরে প্রত্যয়ের স ষ হয়। যেমন: ভবিষ্যৎ, মুমূর্ষু, চক্ষুষ্মান, চিকীর্ষা ইত্যাদি।
• ই-কারান্ত এবং উ-কারান্ত উপসর্গের পর কতগুলো ধাতুতে ‘ষ’ হয়। যেমন: অভিষেক, সুষুপ্ত, অনুষঙ্গ, প্রতিষেধক, প্রতিষ্ঠান ইত্যাদি।
• ‘ঋ’ ও ঋ-কারের পর ‘ষ’ হয়। যেমন: ঋষি, কৃষক।
• তৎসম শব্দে ‘র’ এর পর ‘ষ’ হয়। যেমন: বর্ষা, ঘর্ষণ।
• ট-বর্গীয় ধ্বনির সঙ্গে ‘ষ’ যুক্ত হয়। যেমন: কষ্ট, কাষ্ঠ।
• কতগুলো শব্দে স্বভাবতই ‘ষ’ হয়। যেমন: ষড়ঋতু, আষাঢ়, ভাষা, মানুষ, দ্বেষ, ভূষণ।
• বিদেশি শব্দে ‘ষ’ হয় না। যেমন: জিনিস, পোশাক, মাস্টার, পোস্ট ইত্যাদি।

উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।
.
বিকারজাত শব্দযোগে দ্বিরুক্তির উদাহরণ হলো -
  1. ক) রকম-সকম
  2. খ) ভাসা ভাসা
  3. গ) নিভূনিভু
  4. ঘ) রাস্তাঘাট
সঠিক উত্তর:
ক) রকম-সকম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) রকম-সকম
ব্যাখ্যা
• শব্দের দ্বিরুক্তি:
- একই শব্দ দুবার ব্যবহৃত হয় এবং শব্দ দুটি অবিকৃত থাকে। এরকম- নিভু নিভু, ভাসা ভাসা 
- একই শব্দের সঙ্গে সমার্থক আর একটি শব্দ যােগ করে ব্যবহৃত হয়। এরকম- ধন-দৌলত, হাঁড়িপাতিল, খেলা-ধুলা, ঢাকঢোল, রাস্তাঘাট, লালন-পালন, বলা-কওয়া, খোঁজ-খবর ইত্যাদি।
- দ্বিরুক্ত শব্দ জোড়ার দ্বিতীয় শব্দটির আংশিক পরিবর্তন অর্থাৎ বিকার (পরিবর্তনে জাত) জাত। এরকম- মিটমাট, ফিটফাট, বকা-ঝকা, ডাকা-ডাকি, বই-টই, তােড়-জোড়, গল্প-সল্প, রকম-সকম ইত্যাদি।


উৎসঃ ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।
.
নিচের কোন বাক্যে পদাশ্রিত নির্দেশক দ্বারা অনির্দিষ্টতা বুঝায়?
  1. ক) গোটা দেশটাই ছারখার হয়ে গেছে।
  2. খ) পোয়াটাক ‍দুধ দাও।
  3. গ) সবটুকু ঔষধই খেয়ে ফেলো।
  4. ঘ) দু’খানা কম্বল চেয়েছিলাম।
সঠিক উত্তর:
খ) পোয়াটাক ‍দুধ দাও।
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) পোয়াটাক ‍দুধ দাও।
ব্যাখ্যা
বিভিন্ন পদাশ্রিত নির্দেশকের ব্যবহার:

• টি, টা:
‘এক’-র সঙ্গে ‘টি/টা’ যুক্ত হলে তা অনির্দিষ্টতা বোঝায়।
কিন্তু অন্য সংখ্যাবাচক শব্দের সঙ্গে ‘টি/টা’ যুক্ত হলে নির্দিষ্টতা বোঝায়।
যেমন- একটি দেশ, সে যেমনেই হোক দেখতে।(যে কোন একটি দেশ, অনির্দিষ্ট)
তিনটি টাকা, দশটি বছর।(নির্দিষ্ট সংখ্যক টাকা ও বছর, নির্দিষ্ট)
• নির্দেশক সর্বনামের সঙ্গে ‘টি/টা’ যুক্ত হলে সেগুলো সুনির্দিষ্ট হয়ে যায়। যেমন- এটা নয়, ওটা আনো। ওইটেই আমার প্রিয় গান।
• নিরর্থকভাবেও টি/টা ব্যবহৃত হতে পারে। যেমন- সারাটি সকাল তোমার আশায় বসে আছি। ন্যাকামিটা এখন রাখ।

• গোটা: বচনবাচক/সংখ্যাত্মক শব্দের আগে বসে। নির্দিষ্টতা কিংবা অনির্দিষ্টতা, দুই-ই বোঝাতে পারে।
যেমন- গোটা দেশটাই ছারখার হয়ে গেছে। (নির্দিষ্ট)
গোটা তিনেক আম দাও। (অনির্দিষ্ট)

• খানা, খানি: বচনবাচক/সংখ্যাত্মক শব্দের পরে বসে। নির্দিষ্টতা কিংবা অনির্দিষ্টতা, দুই-ই বোঝাতে পারে।
যেমন- দু’খানা কম্বল চেয়েছিলাম। (নির্দিষ্ট)
একখানা বই কিনে নিও। (অনির্দিষ্ট)

টাক, টুকু, টুক, টো: নির্দিষ্টতা ও অনির্দিষ্টতা উভয় অর্থেই ব্যবহৃত হয়।
যেমন- পোয়াটাক ‍দুধ দাও। (অনির্দিষ্ট)।
- সবটুকু ঔষধই খেয়ে ফেলো। (নির্দিষ্ট)।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি  (২০১৯ সংস্করণ)।
.
ছুঁয়ো না ছুঁয়ো না, বিষাক্ত! - এ বাক্যে কোন শব্দটি পদাশ্রিত নির্দেশক?
  1. ক) ছুঁয়ো না
  2. খ) ওটি
  3. গ) বিষাক্ত
  4. ঘ) কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
ঘ) কোনটিই নয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা
• সঠিক বাক্য- ছুঁয়ো না ছুঁয়ো না, ওটি বিষাক্ত!- বাক্যে ওটি পদাশ্রিত নির্দেশক।
- প্রশ্নে উল্লেখিত বাক্য- ছুঁয়ো না ছুঁয়ো না, বিষাক্ত!- এই বাক্যে কোনো পদাশ্রিত নির্দেশক নেই। সেক্ষেত্রে সঠিক উত্তর হবে অপশন ‘ঘ’ কোনটিই নয়।

• কয়েকটি অব্যয় বা প্রত্যয় কোনো পদের আশ্রয়ে বা পরে সংযুক্ত হয়ে নির্দিষ্টতা জ্ঞাপন করে, এগুলোকে পদাশ্রিত অব্যয় না পদাশ্রিত নির্দেশক বলে।
যেমনঃ টা, টি, খানা, খানি ইত্যাদি।
নির্দেশক সর্বনামের পরে টা, টি যুক্ত হলে তা সুনির্দিষ্ট হয়ে যায়। 
যেমন:
- ওটি যেন কার তৈরি।
- ছুঁয়ো না ছুঁয়ো না, ওটি বিষাক্ত!

উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।
১০.
"তোমার বুদ্ধিশুদ্ধি লোপ পেয়েছে"-বাক্যে 'বুদ্ধিশুদ্ধি' কোন প্রকার শব্দ দ্বিত্বের উদাহরণ?
  1. ক) ধ্বন্যাত্মক দ্বিত্ব
  2. খ) পুনরাবৃত্ত দ্বিত্ব
  3. গ) বিভক্তিহীন শব্দদ্বিত্ব
  4. ঘ) অনুকার দ্বিত্ব
সঠিক উত্তর:
ঘ) অনুকার দ্বিত্ব
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) অনুকার দ্বিত্ব
ব্যাখ্যা
• অনুকার দ্বিত্ব:
- পরপর প্রয়ােগ হওয়া কাছাকাছি চেহারার শব্দকে অনুকার দ্বিত্ব বলে।
- এতে প্রথম শব্দটি অর্থপূর্ণ হলেও প্রায় ক্ষেত্রে দ্বিতীয় শব্দটি অর্থহীন হয় এবং প্রথম শব্দের অনুকরণে তৈরি হয়।
- এই অনুকরণ প্রক্রিয়ায় দ্বিতীয় শব্দের শুরুতে ট, ফ, ব, ম, শ প্রভৃতি ধ্বনি যুক্ত থাকতে দেখা যায়।
- তাতে শব্দকে খানিকটা অনির্দিষ্ট, সাধারণ বা গুরুত্বহীন করা হয়। প্রকাশ পায় এই রকম একটা ভাব।
যেমন -
- অঙ্ক-টঙ্ক, আম-টাম, কেক-টেক, ঘর-টর, গরু-টরু, ছাগল-টাগল, ঝাল-টাল, হেন-তেন, লুচিফুচি, টাট্ট-ফাটু, আগড়ম-বাগড়ম, চাকর-বাকর, এলােমেলাে, ঝিকিমিকি, কচর-মচর, ঝিলমিল, শেষমেষ, অল্পসল্প, বুদ্ধিশুদ্ধি, গুটিশুটি, মােটাসােটা, নরম-সরম, ব্যাপার-স্যাপার, বুঝে-সুঝে।  

উৎস: মাধ্যমিক বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি (২০২২ সংস্করণ)।
১১.
২০২৩ সালের জন্য জাতিসংঘ শান্তি বিনির্মাণ কমিশনের সহ-সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন - 
  1. ক) মোহাম্মদ আবুল মুহিতুল
  2. খ) মোহাম্মদ আবদুর রহমান
  3. গ) মোহাম্মদ আবদুল জলিল
  4. ঘ) মোহাম্মদ আবদুল মুহিত
সঠিক উত্তর:
ঘ) মোহাম্মদ আবদুল মুহিত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) মোহাম্মদ আবদুল মুহিত
ব্যাখ্যা
• জাতিসংঘ শান্তি বিনির্মাণ কমিশন:
- জাতিসংঘ শান্তি বিনির্মাণ কমিশনের সহ-সভাপতি বাংলাদেশ।
- জাতিসংঘে নিযুক্ত বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি ও রাষ্ট্রদূত মোহাম্মদ আবদুল মুহিত সর্বসম্মতিক্রমে ২০২৩ সালের জন্য জাতিসংঘ শান্তি বিনির্মাণ কমিশনের (পিবিসি) সহ-সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন।
- তিনি ২০২২ সালে কমিশনের সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
- সভাপতি হিসেবে বাংলাদেশের মেয়াদ শেষ হওয়ার পর কমিশনের সদস্যরা ২০২৩ সালের জন্য ক্রোয়েশিয়াকে সভাপতি এবং বাংলাদেশ ও জার্মানিকে সহ-সভাপতি হিসেবে নির্বাচিত করে।
- নিউইয়র্কে জাতিসংঘের সদর দপ্তরে রাষ্ট্রদূত মুহিত আনুষ্ঠানিকভাবে ক্রোয়েশিয়ার কাছে কমিশনের সভাপতির পদ হস্তান্তর করেন।

উৎস: দৈনিক যুগান্তর পত্রিকা।
১২.
জাতিসংঘের পতাকায় কোন দুটি রং প্রত্যক্ষ করা যায়?
  1. ক) নীল ও সবুজ
  2. খ) নীল ও কালো
  3. গ) নীল ও সাদা
  4. ঘ) নীল ও বেগুনী
সঠিক উত্তর:
গ) নীল ও সাদা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) নীল ও সাদা
ব্যাখ্যা
• জাতিসংঘের পতাকা:
- জাতিসংঘের পতাকায় দুটি রঙ রয়েছে।
- এগুলো হলো - নীল ও সাদা
- জাতিসংঘের পতাকা হলো হালকা নীলের রঙের পটভূমির মাঝে সাদা রঙের জাতিসংঘ প্রতীক।
- পতাকায় নীল রঙ দ্বারা শান্তিকে নির্দেশ করা হয়েছে।
- জাতিসংঘের পতাকা, সাধারণ পরিষদের ১৬৭ নং(২) রেজ্যুলেশন দ্বারা অনুমোদন লাভ করে ২০ অক্টোবর, ১৯৪৭ সালে।
- এতে বলা আছে, ১৯৪৬ সালের ৭ ডিসেম্বর এ  গৃহীত জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের ৯১(১) রেজ্যুলেশন অনুযায়ী এই পতাকা , জাতিসংঘের অফিসিয়াল প্রতিক হিসেবে বিবেচ্য হবে। 

উৎস: জাতিসংঘ ওয়েবসাইট।
 
১৩.
আন্তোনিও গুতেরেস জাতিসংঘের কততম মহাসচিব হিসেবে স্থলাভিষিক্ত হন?
  1. ক) দশম
  2. খ) নবম
  3. গ) সপ্তম
  4. ঘ) অষ্টম
সঠিক উত্তর:
খ) নবম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) নবম
ব্যাখ্যা
• জাতিসংঘ:
- জাতিসংঘ নামকরণ করেন - রুজভেল্ট।
- জাতিসংঘ সনদ স্বাক্ষরিত হয় - ২৬ জুন, ১৯৪৫ সালে (সানফ্রানসিস্কো শহরে)।
- জাতিসংঘ সনদ কার্যকর হয় - ২৪ অক্টোবর, ১৯৪৫ সালে।
- প্রতিষ্ঠাকালীন সদস্য ছিল - ৫১ টি।
- জাতিসংঘের প্রথম মহাসচিব ছিলেন ট্রিগভেলি (নরওয়ে)।
- জাতিসংঘের বর্তমান ও নবম মহাসচিব - আন্তোনিও গুতেরেস (পর্তুগাল) জানুয়ারি, ২০১৭ - বর্তমান।
- জাতিসংঘের মহাসচিব ৫ বছরের জন্য নির্বাচিত হন।
- জাতিসংঘের দুইজন মহাসচিব নোবেল পুরস্কার পান।

উৎস: জাতিসংঘের ওয়েবসাইট।
১৪.
'World Trade Organisation' এর সর্বশেষ সদস্য - 
  1. ক) ইতালি
  2. খ) তুরস্ক
  3. গ) আফগানিস্তান
  4. ঘ) ইরাক
সঠিক উত্তর:
গ) আফগানিস্তান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) আফগানিস্তান
ব্যাখ্যা
- WTO (World Trade Organisation) ১ জানুয়ারি ১৯৯৫ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- WTO এর বর্তমান সদস্য ১৬৪ টি (সর্বশেষ সদস্য-  আফগানিস্তান) ।
- বাংলাদেশ WTO এর সদস্য হয় ১জানুয়ারি, ১৯৯৫ সালে। 
- WTO এর সদর দপ্তর জেনেভা, সুইজারল্যান্ড।
- WTO এর প্রতিষ্ঠাকালীন নাম General Agreement on Tariffs and Trade (GATT).

উৎস: WTO ওয়েবসাইট ও Britannica.
১৫.
কত সালে ICSID প্রতিষ্ঠিত হয়?
  1. ক) ১৯৫৯ সালে
  2. খ) ১৯৬২ সালে
  3. গ) ১৯৬৬ সালে
  4. ঘ) ১৯৬৮ সালে
সঠিক উত্তর:
গ) ১৯৬৬ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ১৯৬৬ সালে
ব্যাখ্যা
- ICSID (International Centre for Settlement of Investment Disputes) হলো বিশ্বব্যাংক গ্রুপের একটি প্রতিষ্ঠান।
- এটি ১৯৬৬ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- ICSID এর বর্তমান সদস্য সংখ্যা ১৫৮টি।
- অ্যাঙ্গোলা সর্বশেষ সদস্যদেশ।
 -সদরদপ্তর অবস্থিত ওয়াশিংটন ডিসি তে
- ICSID তার সদস্য দেশগুলোর মধ্যে পুঁজি বিনিয়োগজনিত বিরোধ নিষ্পত্তি করে থাকে।

উৎস: বিশ্বব্যাংক গ্রুপ ওয়েবসাইট।
১৬.
জাতিসংঘের কোন সম্মেলনে নিরাপত্তা পরিষদের স্থায়ী পাঁচটি দেশের ভেটো প্রদানের সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়?
  1. ক) ইয়াল্টা কনফারেন্স
  2. খ) জেদ্দা সম্মেলন
  3. গ) রুশ কনফারেন্স
  4. ঘ) সানফ্রান্সিসকো সম্মেলন
সঠিক উত্তর:
ক) ইয়াল্টা কনফারেন্স
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ইয়াল্টা কনফারেন্স
ব্যাখ্যা
- ১৯৪৫ সালের ৪ থেকে ১১ ফেব্রুয়ারি রাশিয়ার অধীন ক্রিমিয়া উপদ্বীপের ইয়াল্টা শহরে জাতিসংঘ গঠন প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে ইয়াল্টা কনফারেন্স অনুষ্ঠিত হয়।

- এই সম্মেলনে তৎকালীন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ফ্রাঙ্কলিন রুজভেল্ট, সোভিয়েত ইউনিয়ন প্রেসিডেন্ট জোসেফ স্ট্যালিন এবং যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী উইনস্টন চার্চিল অংশগ্রহণ করেন।

-এই সম্মেলনে জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের ৫টি স্থায়ী সদস্য রাষ্ট্রের ভেটো ক্ষমতা প্রদানের সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।

উৎস: জাতিসংঘ ওয়েবসাইট।