পরীক্ষা আর্কাইভ

প্রাইমারি শিক্ষক নিয়োগ প্রস্তুতি [লং কোর্স]

পরীক্ষাপ্রাইমারি শিক্ষক নিয়োগ প্রস্তুতি [লং কোর্স]তারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়18 minutes
মোট প্রশ্ন২৭
সিলেবাস
পরীক্ষা: ৩২ বিগত ৫টি পরীক্ষার উপর রিভিশন পরীক্ষা [পরীক্ষা – ১৯, ২২, ২৫, ২৮, ৩১]
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

প্রাইমারি শিক্ষক নিয়োগ প্রস্তুতি [লং কোর্স]

প্রাইমারি শিক্ষক নিয়োগ প্রস্তুতি [লং কোর্স] · তারিখ অনির্ধারিত · ২৭ প্রশ্ন

.
'ঘাম দিয়ে জ্বর ছাড়া' প্রবাদ প্রবচনটির অর্থ কোনটি?
  1. নিজের ক্ষতি করেও অপরের উপকার সাধন
  2. আনন্দের আড়ালে দুঃখের ইঙ্গিত
  3. বড় রকমের বিপদ থেকে উদ্ধার লাভ
  4. দুর্বুদ্ধি ত্যাগ করা
সঠিক উত্তর:
বড় রকমের বিপদ থেকে উদ্ধার লাভ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বড় রকমের বিপদ থেকে উদ্ধার লাভ
ব্যাখ্যা
• 'ঘাম দিয়ে জ্বর ছাড়া' প্রবাদ প্রবচনটির অর্থ - বড় রকমের বিপদ থেকে উদ্ধার লাভ

অন্যদিকে,
- 'ঘুঘু দেখেছ, ঘুঘুর ফাঁদ দেখনি' প্রবাদ প্রবচনটির অর্থ - আনন্দের আড়ালে দুঃখের ইঙ্গিত।
- 'ঘাড়ের ভূত নামানো' প্রবাদ প্রবচনটির অর্থ - দুর্বুদ্ধি ত্যাগ করা।
- 'ঘরের খেয়ে বনের মোষ তাড়ানো' প্রবাদ প্রবচনটির অর্থ - নিজের ক্ষতি করেও অপরের উপকার সাধন।

উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।
.
কোন শব্দটি আরবি ভাষা হতে এসেছে?
  1. খসড়া
  2. চানা
  3. তালাশ
  4. খোকা
সঠিক উত্তর:
খসড়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খসড়া
ব্যাখ্যা
• 'খসড়া'
- শব্দটি আরবি ভাষা হতে আগত।
- এটি একটি বিশেষ্য পদ।
এর অর্থ:
- রচনা বা শিল্পকর্মের প্রাথমিক ছক, নকশা।

অন্যদিকে,
- 'চানা' সংস্কৃত ভাষার শব্দ।
- 'খোকা' এবং 'তালাশ' তুর্কি ভাষার শব্দ।

উৎস: বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান।
.
"ক্ষুৎকাতর" শব্দের সঠিক সন্ধিবিচ্ছেদ কোনটি?
  1. ক্ষুত্‌ + কাতর
  2. ক্ষুধ্‌ + কাতর
  3. ক্ষুৎ + কাতর
  4. ক্ষুদ্‌ + কাতর
সঠিক উত্তর:
ক্ষুধ্‌ + কাতর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক্ষুধ্‌ + কাতর
ব্যাখ্যা
সন্ধির নিয়ম:
• আগে দ্‌বা ধূ এবং পরে ক. পৃ, স্-ধ্বনি থাকলে দ্‌ বা ধূ স্থানে ৎ হয়।

যেমন:
তদ্‌ + কাল = তৎকাল,
হৃদ্ + কম্প = হৃৎকম্প,
হৃদ্‌ + পিন্ড = হৃৎপিণ্ড,
তদ্‌ + পর = তৎপর, 
তদ্‌ + সম = তৎসম,
হৃদ্ + স্পন্দন = হৃৎস্পন্দন, 
ক্ষুধ্‌ + কাতর = ক্ষুৎকাতর
ক্ষুধ্‌ + পিপাসা = ক্ষুৎপিপাসা।

উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।
.
কোনটি মৌলিক শব্দ নয়?
  1. গোলাপ
  2. পাখি
  3. ফিসফিস
  4. গাছ
সঠিক উত্তর:
ফিসফিস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ফিসফিস
ব্যাখ্যা
মৌলিক শব্দ:
- যেসব শব্দ বিশ্লেষণ করলে অর্থপূর্ণ কোনো অংশ থাকে না, সেগুলোকে মৌলিক শব্দ বলে।
যেমন:
- গাছ, পাখি, ফুল, হাত, গোলাপ ইত্যাদি ।

অন্যদিকে,
সাধিত শব্দ:

- যেসব শব্দকে বিশ্লেষণ করলে তার মধ্যে এক বা একাধিক অর্থপূর্ণ অংশ থাকে, সেগুলোকে সাধিত শব্দ বলে।
- উপসর্গ বা প্রত্যয় যোগ করে অথবা সমাস প্রক্রিয়ায় সাধিত শব্দ তৈরি হয়।
যেমন:
- পরিচালক, গরমিল, সম্পাদকীয়, সংসদ সদস্য, নীলাকাশ ইত্যাদি।
- শব্দের দ্বিত্ব করেও সাধিত শব্দ হয়ে থাকে।
যেমন –
- ফিসফিস, ধুমাধুম ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০২২ সংস্করণ)।
.
"খুব মিহি ধূসর বর্ণের ছাই আকাশ থেকে পড়েছে।" - বাক্যে 'আকাশ থেকে' কোন কারকে কোন বিভক্তি?
  1. অধিকরণে ৫মী
  2. অপাদানে ৫মী
  3. করণে ৫মী
  4. কর্মে ৫মী
সঠিক উত্তর:
অপাদানে ৫মী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অপাদানে ৫মী
ব্যাখ্যা
অপাদান কারক:
- যে কারকে ক্রিয়ার উৎস নির্দেশ করা হয়, তাকে অপাদান কারক বলে। এই কারকে সাধারণত হতে’, ‘থেকে ইত্যাদি অনুসর্গ শব্দের পরে বসে।

যেমন:
- জমি থেকে ফসল পাই।
- সুপ্তি থেকে মুক্তো মেলে।
- কুব মিহি ধূসর বর্ণের ছাই আকাশ থেকে পড়েছে। অপাদানে ৫মী।

অন্যদিকে,
অধিকরণ কারক:
- ক্রিয়া সম্পাদনের কাল (সময়) এবং আধারকে অধিকরণ কারক বলে।
যেমন:
- বাড়ি থেকে নদী দেখা যায়৷

করণ কারক:
- যার দ্বারা বা যে উপায়ে কর্তা ক্রিয়া সম্পাদন করে, তাকে করণ কারক বলে।
- এই কারকে সাধারণত 'দ্বারা', 'দিয়ে', 'কর্তৃক' ইত্যাদি অনুসর্গ যুক্ত হয়।
যেমন,
-ফুলে ফুলে ঘর ভরেছে।

কর্ম কারক:
- যাকে আশ্রয় করে কর্তা ক্রিয়া সম্পাদন করে, তাকে কর্ম কারক বলে। বাক্যের মুখ্য কর্ম ও গৌণ কর্ম- উভয় ধরনের কর্মই কর্ম কারক হিসেবে গণ্য হয়। সাধারনত মুখ্য কর্ম কারকে বিভক্তি হয় না, তবে গৌণ কর্ম কারকে- 'কে' বিভক্তি হয়।
যেমন,
- শিক্ষককে জানাও।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০২১ ও ২০১৯ সংস্করণ)।
.
ব্যক্তিবাচক সর্বনাম কত প্রকার?
  1. ৩ প্রকার
  2. ৪ প্রকার
  3. ৬ প্রকার
  4. ৮ প্রকার
সঠিক উত্তর:
৩ প্রকার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩ প্রকার
ব্যাখ্যা
সর্বনাম:
- বিশেষ্যের পরিবর্তে ব্যবহৃত শব্দকে সর্বনাম শব্দ বলে।
যেমন - নজরুল ভালো ছেলে। সে নিয়মিত স্কুলে যায়।
দ্বিতিয় বাক্যের ‘সে’ প্রথম বাক্যের ‘নজরুল’- এর পরিবর্তে বসেছে।
- বিশেষ্য শব্দের মতো সর্বনাম শব্দের সঙ্গেও বিভক্তি, নির্দেশক, বচন প্রভৃতি যুক্ত হয়।

ব্যক্তিবাচক সর্বনাম:
- ব্যক্তিবাচক সর্বনাম ব্যক্তিনামের পরিবর্তে বসে।
- এই সর্বনাম তিন ধরনের।
যথা:

• বক্তা পক্ষের সর্বনাম: আমি, আমরা, আমাকে, আমাদের ইত্যদি।

• শ্রোতা পক্ষের সর্বনাম: তুমি, তোমরা, তুই, তোরা, আপনি, আপনারা, তোমাকে, তোকে, আপনাকে ইত্যাদি।

• অন্য পক্ষের সর্বনাম: সে, তারা, তিনি, তাঁরা, এ, এরা, ওর, ওদের ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০২২ সংস্করণ)।
.
‘কবুতর’ শব্দের অর্থ কী?
  1. পারাবত
  2. মধুসখা
  3. পরপোষক
  4. শিখি
সঠিক উত্তর:
পারাবত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পারাবত
ব্যাখ্যা
‘কবুতর’ শব্দের অর্থ - কপোত, পায়রা, পারাবত, নোটন।

অন্যদিকে,
- ‘কোকিল’ শব্দের অর্থ - মধুসখা।
- ‘কাক’ শব্দের অর্থ - পরপোষক।
- 'ময়ূর' শব্দের অর্থ - শিখি।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০২২ সংস্করণ) ও বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
.
'ধৃষ্ট' শব্দের বিপরীতার্থক শব্দ -
  1. বিনয়ী
  2. নম্র
  3. শ্লথ
  4. ক ও খ উভয়
সঠিক উত্তর:
ক ও খ উভয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক ও খ উভয়
ব্যাখ্যা
• 'ধৃষ্ট' শব্দের বিপরীতার্থক শব্দ - নম্র / বিনয়ী

অন্যদিকে,
- ‘শ্লথ’ শব্দের বিপরীতার্থক শব্দ - ত্বরিত।

গুরুত্বপূর্ণ কয়েকটি বিপরীতার্থক শব্দ হলো:
- ‘পণ্ড’ এর বিপরীতার্থক শব্দ - সফল।
- ‘রিক্ত’ এর বিপরীতার্থক শব্দ - পূর্ণ।
- ‘আশু’ এর বিপরীতার্থক শব্দ - বিলম্ব।
- ‘উর্ধ্ব’ এর বিপরীতার্থক শব্দ - অধ।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০২২ ও ১৯ সংস্করণ)।
.
'তিক্ততা' কোন পদের উদাহরণ?
  1. গুণবাচক বিশেষণ
  2. অব্যয়
  3. গুণবাচক বিশেষ্য
  4. ভাববাচক বিশেষ্য
সঠিক উত্তর:
গুণবাচক বিশেষ্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গুণবাচক বিশেষ্য
ব্যাখ্যা
গুণবাচক বিশেষ্য:
- যে বিশেষ্য দ্বারা কোনো বস্তুর দোষ বা গুণের নাম বোঝায়, তা-ই গুণবাচক বিশেষ্য।
যেমন:
- মধুর মিষ্টতার গুণ- মধুরতা, তরল দ্রব্যের গুণ- তারল্য, তিক্ত দ্রব্যের গুণ- তিক্ততা ইত্যাদি।
তদ্রুপ: সৌরভ, স্বাস্থ্য, যৌবন, সুখ, দুঃখ ইত্যাদি।

অন্যদিকে,
গুণবাচক বিশেষণ:
যে বিশেষণ দিয়ে গুণ বা বৈশিষ্ট্য বোঝায়, তাকে গুণবাচক বিশেষণ বলে।
যেমন:
- চালাক ছেলে।
- গরম পানি।
- চৌকস লোক।
[ এখানে 'চালাক', 'গরম' ও চৌকস হলো গুণবাচক বিশেষণ।]

ভাববাচক বিশেষ্য:
- যে বিশেষ্য পদে কোনাে ক্রিয়ার ভাব বা কাজের ভাব প্রকাশিত হয়, তাকে ভাববাচক বিশেষ্য বলে।
যথা-
- গমন (যাওযার ভাব বা কাজ), দর্শন (দেখার কাজ), ভােজন (খাওয়ার কাজ), শয়ন (শশায়ার কাজ), দেখা, শােনা।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০২১ ও ২০১৯ সংস্করণ)।
১০.
কোন শব্দটি তৎসম?
  1. আদাব
  2. ঠুমরি
  3. লবণ
  4. চাটাই
সঠিক উত্তর:
লবণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
লবণ
ব্যাখ্যা
• 'লবণ'
- এটি সংস্কৃত / তৎসম শব্দ।
- এটি একটি বিশেষ্য পদ।

অন্যদিকে,
- 'চাটাই' দেশি শব্দ।
- 'ঠুমরি' হিন্দি শব্দ।
- 'আদাব' আরবি শব্দ।

উৎস: বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান।
১১.
Identify the correct spelling.
  1. Embelis
  2. Embellish
  3. Embelish
  4. Embelesh
সঠিক উত্তর:
Embellish
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Embellish
ব্যাখ্যা
⇒ The correct spelling is - Embellish. (অপশন 'খ')

⇒ Embellish (verb)
English Meaning: to add to the interest by including made-up details.
Bangla Meaning: সুন্দর করা; অলংকৃত করা; চুমকি বসানো।

Example Sentence:
1. Embellish the wreath with ribbons, glitter, and berries.
2. The foyer, embellished with gold, velvet and crystal, was lit by chandeliers.

Source:
1. Cambridge Dictionary.
2. Accessible Dictionary by Bangla Academy.
১২.
Fill in the gap with the appropriate linker.
I'll visit you _______ I have finished my work.
  1. whereas
  2. so
  3. but
  4. as soon as
সঠিক উত্তর:
as soon as
উত্তর
সঠিক উত্তর:
as soon as
ব্যাখ্যা
⇒ Complete sentence: I'll visit you as soon as I have finished my work.

⇒ প্রশ্নে উল্লিখিত প্রশ্ন গুলোর মধ্যে -
- whereas - যেখানে (তুলনামূলক পার্থক্য বুঝাতে)।
- so - এই বা ঐ পরিমাণে অথবা মাত্রায়; এতটা; অতটা।
- but - কিন্তু; তবে।
- as soon as - করতে না করতেই/ হতে না হতেই।

- সুতরাং, বোঝা যাচ্ছে, context অনুসারে শূন্যস্থানে as soon as বসালে বাক্যে অর্থ পূর্ণতা পাবে।

Source: Bangla Academy Dictionary.
১৩.
Identify a word with a similar meaning to 'Eulogy'.
  1. Attack
  2. Tribute
  3. Criticize
  4. Censure
সঠিক উত্তর:
Tribute
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Tribute
ব্যাখ্যা
⇒ Eulogy (noun)
English Meaning: A speech or piece of writing containing great praise, especially for someone who has recently died.
Bangla Meaning: (Plural eulogies) [Countable noun, Uncountable noun] উচ্চপ্রশংসা; উচ্চপ্রশংসাসমৃদ্ধ রচনা।

Synonyms: Tribute (শ্রদ্ধা), Accolade (প্রশংসা; সমাদর), Acclaim (করতালি; সমর্থন; জয়ধ্বনি), Testimonial(প্রশংসাপত্র), Panegyric (স্তুতি)।

Antonyms: Attack (বিরুদ্ধ সমালোচনা; আক্রমণ), Blame (দোষারোপ করা), Censure (নিন্দা করা), Criticize (সমালোচনা করা), Reprimand (তিরষ্কার করা), Assault (হামলা করা)।

Example Sentence:
1. He delivered the eulogy at his grandfather’s funeral.
2. Even an inaugural speech or a funeral eulogy loses relevance when taken out of context.

Source: Live MCQ Lecture.
১৪.
What kind of gender is the word 'Child'?
  1. Common gender
  2. Feminine gender
  3. Masculine gender
  4. Neuter gender
সঠিক উত্তর:
Common gender
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Common gender
ব্যাখ্যা
⇒ Child (common gender)
English Meaning: A young human being below the age of puberty or below the legal age of majority.
Bangla Meaning: নবজাত মানবশিশু; বালক বা বালিকা; (যেকোনো বয়সের) পুত্র বা কন্যা।
- এটি দ্বারা ছেলে বা মেয়ে উভয়কেই বোঝায় তাই এটি common gender.

Example:
- She'd been playing tennis since she was a child.
- Me, I'm a child of the 90s.

Source: Accessible Dictionary by Bangla Academy.
১৫.
Love is not love till you give it away. Here 'till' is used as -
  1. Adverb
  2. Adjective
  3. Conjunction
  4. Interjection
সঠিক উত্তর:
Conjunction
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Conjunction
ব্যাখ্যা
⇒ Love is not love till you give it away. 
- এই বাক্যে 'till' conjunction হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে।
- till এখানে ২টি Clause – ‘Love is not love’ এবং ‘you give it away’ কে সংযুক্ত করেছে।
- তাই এটা এখানে Conjunction.

⇒ It's not a preposition because it's linking entire clauses rather than introducing a noun or noun phrase.

⇒ Till (Conjunction, preposition)
English meaning: Up to the point in time or the event mentioned; until.
Bangla Meaning: যে পর্যন্ত না; যতক্ষণে না; না… পর্যন্ত; পর্যন্ত; অবধি।

Example:
- I went to bed at 8 last night and slept till 6.30. (preposition)
- He did not enter the town till it was nearly dark. (conjunction)

Source:
1. Oxford Learner's Dictionary.
2. Accessible Dictionary by Bangla Academy.
১৬.
What would be the opposite expression for the idiom "Hard up"?
  1. In a tough spot
  2. Facing challenges
  3. Short of money
  4. Wealthy and comfortable
সঠিক উত্তর:
Wealthy and comfortable
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Wealthy and comfortable
ব্যাখ্যা
⇒ Hard up:
English Meaning: short of money / having very little money.
Bangla Meaning: দরিদ্র / অভাবগ্রস্থ / স্বচ্ছল নয়।

- Hence, the opposite expression for the idiom "Hard up" is - Wealthy and comfortable.

Ex. Sentence: I'm too hard up to buy fancy clothes.
Bangla Meaning: দামি দামি জামা কাপড় কেনার মত টাকাপয়সা নেই আমার।

Source: Live MCQ Lecture.
১৭.
একটি দ্রব্য ২৪০০ টাকায় বিক্রয় করলে ২৫% লাভ হয়। ১৮০০ টাকায় বিক্রয় করলে শতকরা কত লাভ বা ক্ষতি হবে? 
  1. লাভ ৫.০০%
  2. লাভ ৬.৫০%
  3. ক্ষতি ৫.২৫%
  4. ক্ষতি ৬.২৫%
সঠিক উত্তর:
ক্ষতি ৬.২৫%
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক্ষতি ৬.২৫%
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: একটি দ্রব্য ২৪০০ টাকায় বিক্রয় করলে ২৫% লাভ হয়। ১৮০০ টাকায় বিক্রয় করলে শতকরা কত লাভ বা ক্ষতি হবে? 

সমাধান: 
২৫% লাভে, 
বিক্রয়মূল্য ১২৫ টাকা হলে ক্রয়মূল্য = ১০০ টাকা 
∴ বিক্রয়মূল্য ১ টাকা হলে ক্রয়মূল্য = ১০০/১২৫ টাকা 
∴ বিক্রয়মূল্য ২৪০০ টাকা হলে ক্রয়মূল্য = (১০০ × ২৪০০)/১২৫ টাকা 
= ১৯২০ টাকা 

∴ ১৮০০ টাকায় বিক্রয় করলে ক্ষতি হবে 
∴ ক্ষতি = (১৯২০ - ১৮০০) টাকা 
= ১২০ টাকা 

∴ শতকরা ক্ষতি = (১২০/১৯২০) × ১০০ 
= ৬.২৫ টাকা ।
১৮.
৩০০০ এর শতকরা ৫ ভাগ অপেক্ষা ৩০০০ এর শতকরা ১০ ভাগ কত বেশি?
  1. ১০০
  2. ১২০
  3. ১৫০
  4. ১৮০
সঠিক উত্তর:
১৫০
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৫০
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: ৩০০০ এর শতকরা ৫ ভাগ অপেক্ষা ৩০০০ এর শতকরা ১০ ভাগ কত বেশি? 

সমাধান: 
৩০০০ এর ৫% = ৩০০০ এর ৫/১০০ 
= ১৫০ 

আবার, 
৩০০০ এর ১০% = ৩০০০ এর ১০/১০০ 
= ৩০০ 

∴ বেশি = (৩০০ - ১৫০) 
= ১৫০ । 
১৯.
৫০ মিটার দীর্ঘ একটি ট্রেন ঘণ্টায় ৩৬ কি.মি. বেগে চলে। রাস্তার পাশের একটি খুঁটিকে ট্রেনটি কত সেকেন্ডে অতিক্রম করবে? 
  1. ৩ সেকেন্ডে 
  2. ৫ সেকেন্ডে
  3. ৪ সেকেন্ডে 
  4. ৬ সেকেন্ডে 
সঠিক উত্তর:
৫ সেকেন্ডে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫ সেকেন্ডে
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: ৫০ মিটার দীর্ঘ একটি ট্রেন ঘণ্টায় ৩৬ কি.মি. বেগে চলে। রাস্তার পাশের একটি খুঁটিকে ট্রেনটি কত সেকেন্ডে অতিক্রম করবে? 

সমাধান: 
আমরা জানি, 
১ কি.মি. = ১০০০ মিটার 
∴ ৩৬ কি.মি. = (৩৬ × ১০০০) মিটার 
= ৩৬০০০ মিটার 

খুঁটিকে অতিক্রম করতে ট্রেনটিকে নিজের দৈর্ঘ্য অতিক্রম করতে হবে।

ট্রেনটি ৩৬০০০ মিটার অতিক্রম করে = ৩৬০০ সেকেন্ডে 
∴ ট্রেনটি ১ মিটার অতিক্রম করে = ৩৬০০/৩৬০০০ সেকেন্ডে 
∴ ৫০ মিটার অতিক্রম করে = (৩৬০০ × ৫০)/৩৬০০০ সেকেন্ডে 
= ৫ সেকেন্ডে । 
২০.
স্রোতের প্রতিকূলে যেতে যে সময় লাগে, অনুকূলে যেতে তার অর্ধেক সময় লাগে। যাতায়াতে যদি ১২ ঘণ্টা সময় লাগে তাহলে স্রোতের অনুকূলে যেতে কত সময় লাগবে? 
  1. ৮ ঘণ্টা
  2. ৫ ঘণ্টা
  3. ৬ ঘণ্টা
  4. ৪ ঘণ্টা
সঠিক উত্তর:
৪ ঘণ্টা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪ ঘণ্টা
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: স্রোতের প্রতিকূলে যেতে যে সময় লাগে, অনুকূলে যেতে তার অর্ধেক সময় লাগে। যাতায়াতে যদি ১২ ঘণ্টা সময় লাগে তাহলে স্রোতের অনুকূলে যেতে কত সময় লাগবে? 

সমাধান: 
মনে করি, 
স্রোতের অনুকূলে যেতে সময় লাগে = x ঘণ্টা 
∴ স্রোতের প্রতিকূলে যেতে সময় লাগে = ২x ঘণ্টা 

প্রশ্নমতে, 
x + ২x = ১২ 
বা, ৩x = ১২ 
বা, x = ১২/৩ 
∴ x = ৪ 

∴ স্রোতের অনুকূলে যেতে সময় লাগবে = ৪ ঘণ্টা।
২১.
৩০ জন শ্রমিক ২০ দিনে একটি বাড়ি তৈরি করতে পারে। ১২ জন শ্রমিক কত দিনে ঐ বাড়িটি তৈরি করতে পারবে? 
  1. ৩০ দিনে
  2. ৪৫ দিনে
  3. ৫০ দিনে
  4. ৬০ দিনে
সঠিক উত্তর:
৫০ দিনে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫০ দিনে
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: ৩০ জন শ্রমিক ২০ দিনে একটি বাড়ি তৈরি করতে পারে। ১২ জন শ্রমিক কত দিনে ঐ বাড়িটি তৈরি করতে পারবে? 

সমাধান: 
৩০ জন শ্রমিক বাড়িটি তৈরি করতে পারে = ২০ দিনে
∴ ১ জন শ্রমিক বাড়িটি তৈরি করতে পারে = ৩০ × ২০ দিনে 
∴ ১২ জন শ্রমিক বাড়িটি তৈরি করতে পারে = (৩০ × ২০)/১২ দিনে 
= ৫০ দিনে 

∴ বাড়িটি তৈরি করতে পারবে = ৫০ দিনে । 
২২.
একটি চৌবাচ্চার ২টি নল আছে। ১ম নল দ্বারা ৩০ মিনিটে ও ২য় নল দ্বারা ৪৫ মিনিটে চৌবাচ্চাটি পূর্ণ হয়। দুইটি নল খোলা থাকা অবস্থায় চৌবাচ্চাটি পূর্ণ হতে কত সময় লাগবে? 
  1. ১২ মিনিট
  2. ১৮ মিনিট
  3. ২৪ মিনিট
  4. ৩০ মিনিট
সঠিক উত্তর:
১৮ মিনিট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৮ মিনিট
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: একটি চৌবাচ্চার ২টি নল আছে। ১ম নল দ্বারা ৩০ মিনিটে ও ২য় নল দ্বারা ৪৫ মিনিটে চৌবাচ্চাটি পূর্ণ হয়। দুইটি নল খোলা থাকা অবস্থায় চৌবাচ্চাটি পূর্ণ হতে কত সময় লাগবে? 

সমাধান: 
প্রথম নল দ্বারা, 
১ মিনিটে পূর্ণ হয় চৌবাচ্চার = ১/৩০ অংশ 

দ্বিতীয় নল দ্বারা, 
১ মিনিটে পূর্ণ হয় চৌবাচ্চার = ১/৪৫ অংশ
 
∴ উভয় নল দ্বারা, 
১ মিনিটে পূর্ণ হয় চৌবাচ্চার = {(১/৩০) + (১/৪৫)} অংশ 
= (৩ + ২)/৯০ অংশ 
= ৫/৯০ অংশ 
= ১/১৮ অংশ 

এখন, 
১/১৮ অংশ পূর্ণ হয় = ১ মিনিটে 
∴ ১ বা সম্পূর্ণ অংশ পূর্ণ হয় = ১৮ মিনিটে 

∴ চৌবাচ্চাটি পূর্ণ হতে সময় লাগবে = ১৮ মিনিট ।
২৩.
বিশ্বব্যাংকের জলবায়ু ঝুঁকি রিপোর্ট অনুযায়ী, ২০২০-২০৩৯ সাল পর্যন্ত বাংলাদেশের গড় তাপমাত্রা কত হতে পারে?
  1. ২৫.৭১°C
  2. ২৬.০৩°C
  3. ২৬.৫৯°C
  4. ২৭.৩০°C
সঠিক উত্তর:
২৬.০৩°C
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৬.০৩°C
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের জলবায়ু:
বর্ণনা: বাংলাদেশ একটি আর্দ্র, গরম, মৌসুমি জলবায়ু অঞ্চল, যেখানে গড় তাপমাত্রা ২৫.৭১°C এবং বার্ষিক বৃষ্টিপাত প্রায় ২,১৭৪.১০ মিমি। দেশটির জলবায়ু এল নিনো সাউদার্ন অসসিলেশন (ENSO) এবং ইন্ডিয়ান ওশান ডিপোল (IOD) দ্বারা প্রভাবিত হয়। ১৯৭১ থেকে ২০২০ সালের মধ্যে বাংলাদেশের গড় তাপমাত্রা প্রতি দশকে ০.১৬°C বৃদ্ধি পায়।

প্রক্ষেপিত তাপমাত্রা: SSP3-7.0 মডেলের অধীনে, ২০২০-২০৩৯ সাল পর্যন্ত বাংলাদেশের গড় তাপমাত্রা ০.৪১°C বৃদ্ধি পেয়ে ২৬.০৩°C এবং ২০৪০-২০৫৯ সাল পর্যন্ত ০.৮৯°C বৃদ্ধি পেয়ে ২৬.৫৯°C হতে পারে। 

তীব্র তাপমাত্রার ঝুঁকি: মধ্য শতাব্দী নাগাদ বাংলাদেশে তাপমাত্রার সর্বনিম্ন ও সর্বোচ্চ পরিমাণ বৃদ্ধি পাবে এবং বায়ুমণ্ডলের আর্দ্রতার কারণে তাপমাত্রা অনুভূত হবে আরো বেশি। ২০৪০-২০৫৯ সালের মধ্যে তাপমাত্রার সূচক ৩৫°C অতিক্রম করা দিনগুলির সংখ্যা বছরে প্রায় ১৩৩.৪৭ দিন হতে পারে।

আপেক্ষিক বৃষ্টিপাত: ১৯৭১-২০২০ সাল পর্যন্ত বিভিন্ন মৌসুমে এবং অঞ্চলে বৃষ্টিপাতের পরিমাণ পরিবর্তিত হয়েছে। পূর্বাঞ্চলীয় বিভাগগুলো বিশেষ করে বসন্তকালে শুষ্ক হয়ে পড়েছে, এবং পশ্চিমাঞ্চলীয় বিভাগগুলো বছরের অধিকাংশ সময় বৃষ্টিপাতের মুখে রয়েছে।

প্রক্ষেপিত বৃষ্টিপাত: SSP3-7.0 মডেলের অধীনে ২০৪০-২০৫৯ সালের মধ্যে দক্ষিণাঞ্চলীয় বিভাগগুলোতে বসন্তকালে বৃষ্টিপাত কমবে, এবং উত্তরাঞ্চলীয় বিভাগগুলোতে গ্রীষ্ম মৌসুমে বৃষ্টিপাত বৃদ্ধি পাবে।

জলবায়ু সম্পর্কিত বিপদ: বাংলাদেশের উপকূলীয় অঞ্চলে সমুদ্র পৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধির কারণে বন্যা এবং উপকূলীয় অঞ্চলের ক্ষয় বাড়বে। এছাড়া, দেশটির প্রধান নদী সিস্টেমে বন্যার প্রাবল্য এবং উত্তর-পশ্চিম অঞ্চলে খরা বাড়তে পারে। জলবায়ু পরিবর্তন বাংলাদেশের সিসমিক ঝুঁকিকে আরও বাড়াতে পারে, বিশেষ করে উত্তর ও পূর্ব সীমান্ত এলাকায় ভূমিকম্প এবং ভূমিধসের ঝুঁকি রয়েছে।

উৎস: Bangladesh Climate Risk Country Profile, World Bank Climate Change Portal.
২৪.
বর্তমানে বাংলাদেশে মোট বিমানবন্দর কয়টি? [ডিসেম্বর, ২০২৪]
  1. ৭টি
  2. ৮টি
  3. ৯টি
  4. ১০টি
সঠিক উত্তর:
৮টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৮টি
ব্যাখ্যা
বিমানবন্দর:
- বাংলাদেশে বর্তমানে তিনটি আন্তর্জাতিক ও পাঁচটি অভ্যন্তরীণ মিলিয়ে মোট আটটি বিমানবন্দর চালু আছে।
- হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর, ঢাকা; শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর, চট্টগ্রাম; ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর, সিলেট; বরিশাল বিমানবন্দর, - কক্সবাজার বিমানবন্দর; যশোর বিমানবন্দর; শাহ মখদুম বিমানবন্দর, রাজশাহী; ও সৈয়দপুর বিমানবন্দর।
- এছাড়া তিনটি বিমানবন্দর অভ্যন্তরীণ ফ্লাইট অপারেশনের জন্য তৈরি হয়েছে যেগুলোর একটি ঢাকার তেজগাঁও-এ অবস্থিত পুরনো বিমানবন্দর।
- এটি বর্তমানে বিশেষ কাজে ব্যবহৃত হয় এবং এখানে বিমানচালকদের প্রশিক্ষণ দেয়া হয়।
- এটিসহ বগুড়া ও সিলেটের শমসেরনগরে অবস্থিত অন্য দুটি বিমানবন্দর এখন অবধি বেসামরিক বিমান পরিবহন পরিচালনার সরকারি অনুমোদন পায়নি।
- বাংলাদেশে আরও তিনটি পুরনো এয়ারস্ট্রিপ আছে।
- কুমিল্লা, পাবনার ঈশ্বরদী এবং ঠাকুরগাঁও-এর এই এয়ারস্ট্রিপগুলি নিয়মিত বিমানবন্দর হিসেবে উন্নত হতে পারে।
- বাগেরহাটে খান জাহান আলী বিমানবন্দর নামে একটি নতুন বিমানবন্দর নির্মাণাধীন আছে।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
২৫.
বাংলাদেশে কয়টি কয়লা খনি রয়েছে?
  1. দুই
  2. তিন
  3. চার
  4. পাঁচ
সঠিক উত্তর:
পাঁচ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পাঁচ
ব্যাখ্যা
কয়লা:
- বাংলাদেশের কয়লা খনি ৫টি।
- স্বাধীনতার পর ১৯৭২ সালে গঠিত  বাংলাদেশ ভূতাত্ত্বিক জরিপ অধিদপ্তর বা জি.এস.বি ১৯৮৫ সালে দিনাজপুর জেলার বড়পুকুরিয়াতে, ১৯৮৯ সালে রংপুর জেলার খালাশপীর নামক স্থানে এবং ১৯৯৫ সালে দিনাজপুরের দীঘিপাড়াতে পার্মিয়ান যুগের গন্ডোয়ানা কয়লাক্ষেত্র আবিষ্কার করে।
- বাংলাদেশ ভূতাত্ত্বিক জরিপ অধিদপ্তর (জি.এস.বি)-এর অব্যাহত প্রচেষ্টায় ৪টি কয়লাক্ষেত্র আবিষ্কৃত হয়।
- পরবর্তীতে ১৯৯৭ সালে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও অস্ট্রেলিয়ার যৌথ কোম্পানি বি.এইচ.পি-মিনারেলস আরও একটি কয়লাখনি আবিষ্কার করলে দেশে কয়লাখনির মোট সংখ্যা দাঁড়ায় ৫টিতে।



উৎস: খনিজ সম্পদ উন্নয়ন ব্যুরো।
বাংলাপিডিয়া।   
২৬.
সামাজিক সমস্যা সমাজের-
  1. খুব অল্পসংখ্যা মানুষকে ক্ষতিগ্রস্থ করে
  2. অধিকাংশ মানুষকে ক্ষতিগ্রস্থ করে
  3. সব মানুষকে ক্ষতিগ্রস্থ করে
  4. কোনো মানুষকেই ক্ষতিগ্রস্থ করে না
সঠিক উত্তর:
অধিকাংশ মানুষকে ক্ষতিগ্রস্থ করে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অধিকাংশ মানুষকে ক্ষতিগ্রস্থ করে
ব্যাখ্যা
সামাজিক সমস্যা:
সুতরাং সামাজিক সমস্যা হচ্ছে মানুষের স্বাভাবিক ও প্রত্যাশিত জীবন যাপনের পথে বাধা সৃষ্টিকারী ও সামাজিক অগ্রগতির প্রতিকূল অবস্থা ও পরিবেশ। সামাজিক সমস্যা কোনো তাৎক্ষণিক বা ক্ষণস্থায়ী বিষয় নয়। এটি অনেকটা দীর্ঘমেয়াদি, তবে সমাধানযোগ্য।

সামাজিক সমস্যার বৈশিষ্ট্যসমূহ:
সমাজবিজ্ঞানীগণ সামাজিক সমস্যা চিহ্নিতকরণের জন্য কতকগুলো বৈশিষ্ট্য বিবেচনা করে থাকেন।  যেমন:
১। অবাঞ্ছিত ও ক্ষতিকর
২। সমাজের অধিকাংশ মানুষকে প্রভাবিত করে
৩। বস্তুগত ও মনোগত দিক
৪। জনগণের সচেতনতা ও পরিবর্তনের জন্য যৌথ প্রচেষ্টা
৫। সমাধান যোগ্যতা
৬। পারস্পরিক নির্ভরশীলতা
৭। সমাজ থেকে উদ্ভূত
৮। স্থায়িত্ব

উৎস: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২৭.
দৈনিক কত ক্যালরির কম খাদ্য গ্রহণ করলে তাকে হতদরিদ্র বলা হয়?
  1. ২১১২ ক্যালরির কম
  2. ১৮০৫ ক্যালরির কম
  3. ২১২২ ক্যালরির কম
  4. ১৬০৫ ক্যালরির কম
সঠিক উত্তর:
১৮০৫ ক্যালরির কম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৮০৫ ক্যালরির কম
ব্যাখ্যা
দারিদ্র্য (Poverty):
- দারিদ্র্য হচ্ছে অর্থনীতির একটি নেতিবাচক অবস্থা।
- মানুষের অর্থনৈতিক দুর্বলতা, অসচ্ছলতা ও অক্ষমতা হলো দারিদ্র্য।
- আভিধানিক অর্থে, 'দারিদ্র্য' বলতে অভাব বা অনটনকেই বুঝায়।
- দারিদ্র্য মানে মৌলিক সামর্থ্যের অভাব।
- ন্যূনতম খাদ্য, পরিধেয় বস্ত্র, আশ্রয়, শিক্ষা ও চিকিৎসা মানুষের মৌলিক অধিকার। এ অধিকার নিশ্চিত করতে না পারা হচ্ছে দারিদ্র্য।
- আয়ের স্বল্পতা, জীবন ধারণের জন্য ন্যূনতম প্রয়োজন পূরণে ব্যর্থতা, নিরাপত্তাহীনতা, শিক্ষা ও স্বাস্থ্যের সুযোগের অভাবের মাধ্যমে দারিদ্র্যের প্রকাশ ঘটে।
- দারিদ্র্য পরিমাপে এবং এর স্বরূপ বিশ্লেষণে 'দারিদ্র্য সীমা' ধারণাটি ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়।
- যারা দৈনিক ২১২২ ক্যালরির নিচে খাদ্য গ্রহণ করেন তারা দরিদ্র।
- আর যারা দৈনিক ১৮০৫ ক্যালরির নিচে খাদ্য গ্রহণ করেন তারা চরম দরিদ্র।
- সমাজবিজ্ঞানী গিলিনের মতে, দারিদ্র্য এমন একটি অবস্থা যাতে কোনো ব্যক্তি তার সমাজের অন্যদের সমমানে জীবন যাপন করতে পারে না এবং সে কারণে কার্যকর সামাজিক ভূমিকা পালনের - জন্য দৈহিক ও মানসিক যোগ্যতা এবং দক্ষতা অর্জনে অক্ষম।
- বস্তুত দারিদ্র্য নিরঙ্কুশভাবে কেবল আর্থিক অবস্থার সাথে সম্পর্কিত নয়।
- আর্থ-সামাজিক, রাজনৈতিক ও সাংস্কৃতিক অনগ্রসরতা হচ্ছে দারিদ্র্য।
- বস্তুত দারিদ্র্য হচ্ছে ক্ষমতা, কর্তৃত্ব, সম্পদ, শিক্ষা এবং স্বাধীনতা থেকে বঞ্চনা ও বিচ্ছিন্নতা।

উৎস: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২২