পরীক্ষা আর্কাইভ

১৪০ দিনে ৫১তম বিসিএস প্রস্তুতি

পরীক্ষা১৪০ দিনে ৫১তম বিসিএস প্রস্তুতিতারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়25 minutes
মোট প্রশ্ন৩২
সিলেবাস
"পরীক্ষা - ২৪: রিভিশন পরীক্ষা [অভিজ্ঞদের জন্য বিসিএস প্রস্তুতি বাটনের বিগত ৩টি পরীক্ষার টপিকের উপর রিভিশন পরীক্ষা।]"
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

১৪০ দিনে ৫১তম বিসিএস প্রস্তুতি

১৪০ দিনে ৫১তম বিসিএস প্রস্তুতি · তারিখ অনির্ধারিত · ৩২ প্রশ্ন

.
What does the idiom "Bite the bullet" mean?
  1. To avoid a difficult task.
  2. To express gratitude.
  3. To accept something unpleasant.
  4. To do something enjoyable.
ব্যাখ্যা
• Bite the bullet
English Meaning: To force yourself to do something unpleasant or difficult, or to be brave in a difficult situation.
Bangla Meaning: কঠিন কিছু মেনে নেওয়া।

Example: He didn't want to apologize, but he had to bite the bullet and admit his mistake.
Bangla Meaning: সে ক্ষমা চাইতে চায়নি, কিন্তু তাকে বাধ্য হয়ে কঠিন সত্য মেনে নিতে হলো এবং নিজের ভুল স্বীকার করতে হলো।

Source: Accessible Dictionary and Cambridge Dictionary.
.
Which of the following sentences contains a Gerundial Phrase?
  1. She loves to read books.
  2. The books were placed on the shelf.
  3. They are studying for their exams.
  4. Reading books on the porch is relaxing.
ব্যাখ্যা
• Gerundial Phrase:
- Verb+ing + Extension যদি Noun (Subject/ Object) এর কাজ করে তবে তাকে Gerundial Phrase বলে।
-  Verb+ing – noun এর কাজ করলে সেটা Gerund হয়।
- আর Gerund এর সাথে Object বা Modifier থাকলে Gerundial Phrase হয়।

প্রদত্ত বাক্যগুলির মধ্যে,
"Reading books on the porch is relaxing"
- এই বাক্যে "Reading books on the porch" অংশটি Gerundial Phrase.
- "Reading" হলো একটি gerund (verb+ing), যা এখানে noun হিসেবে কাজ করছে।
- "books on the porch" হলো Gerundial Phrase এর extension, যা "Reading" এর সাথে যুক্ত হয়ে বাকি তথ্য প্রদান করছে।

Gerundial Phrase এর আরো কিছু উদহারন:
- Walking in the morning is good for health.
- Helping the poor is a great virtue.
- Stop telling lies.
- Cycling on the hill tracks is not easy.

Source: A Passage to the English Language, S.M. Zakir Hussain.
.
Her winning the competition was celebrated by everyone. The underlined phrase is -
  1. Noun Phrase
  2. Verb Phrase
  3. Adjective Phrase
  4. Prepositional Phrase
ব্যাখ্যা
• The Sentence: Her winning the competition was celebrated by everyone.
→ The underlined phrase is a - Noun Phrase.
→ underlined phrase এই বাক্যের subject হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে।
→ তাই, এটি noun phrase হবে। 

• Noun Phrase: 
→ এই সব phrase দ্বারা noun এর কাজ সম্পন্ন হয়।
→ Noun Phrase কোন Sentence এ verb এর subject, object, বা Complement রূপে অথবা Preposition এর Object রূপে ব্যবহৃত হয়।

Examples:
Subject হিসেবে- To walk in the morning is a good habit. 
Verb এর object রূপে- I enjoy traveling.
Subject এর complement হিসেবে- He is a full-time worker. 
Preposition এর Object রূপে- We stood for some time on the trembling tree.

Source: A Passage to the English language- S.M. Zakir Hussain.
.
She is looking for her keys. The underlined part is -
  1. Verb phrase
  2. Noun phrase
  3. Infinitive phrase
  4. Prepositional phrase
ব্যাখ্যা
• The Sentence: She is looking for her keys.
- The underlined part is - Prepositional Phrase.
- এখানে 'for her keys' কাজের উদ্দেশ্য বোঝাচ্ছে।
- এটা Adverb এর কাজ করছে এবং Phrase টি Preposition দিয়ে শুরু হয়েছে, তাই এটা prepositional phrase.

• Prepositional Phrase:
- যে Phrase- Preposition দিয়ে শুরু হয়, কিন্তু Adjective বা Adverb এর কাজ করে, তাকে Prepositional Phrase বলে।

Other examples:
- A man of high intellect often feels lonely. (Prepositional Phrase/ Adjective Phrase)
- He went there with a jolly mind. (Prepositional Phrase/ Adverb Phrase)

Source: A Passage to the English Language, S.M. Zakir Hussain.
.
Where is a 'Topic Sentence' typically located in a paragraph?
  1. At the end of the paragraph
  2. In the middle of the paragraph
  3. At the beginning of the paragraph
  4. It can be anywhere in the paragraph
ব্যাখ্যা
Paragraph:
- Paragraph হলো এমন একটি ক্ষুদ্র রচনা যার মধ্যে একটি মাত্র, idea বা theme থাকে।
- Paragraph এ সাধারণত তিনটি অংশ থাকে:

• Topic Sentence:
- একটি Paragraph এর প্রধান idea বা theme যে বাক্যের দ্বারা প্রকাশিত হয় তাকে topic sentence বলে।
- Topic Sentence সাধারণত কোনো Paragraph এর শুরুতে লেখা হয়। 
- Topic Sentence এ অবশ্যই একটি Controlling Idea থাকবে যা Paragraph এর বাকি অংশ Control করে।

• Body:
- প্রথম sentence- এর পর থেকে শেষ sentence এর আগ পর্যন্ত পুরো অংশটাকে parragraph এর body বলা যায়।
- এতে এমন সব বাক্যসমষ্টি থাকে যা paragraph এর মূল idea বা theme কে উপস্থাপিত করে।

• Terminator:
- এটাকে paragraph এর সমাপ্তি, উপসংহার বলে। এটি দিয়ে Paragraph শেষ হয়।
- অর্থাৎ একটি সার্থক সমাপ্তিসূচক sentence কে বলা হয় Terminator.

Source: A Passage to the English Language, S.M. Zakir Hussain.
.
If someone says they are "under the weather," What are they most likely experiencing?
  1. Having a lot of work to do
  2. Experiencing good fortune
  3. Feeling discomfort or illness
  4. Nervousness before an event
ব্যাখ্যা
• Under the weather
English Meaning: Feeling of illness or discomfort.
Bangla Meaning: অসুস্থ বোধ করা।

Example: I’m feeling a bit under the weather today, so I’ll stay home.
Bangla Meaning: আজ আমি একটু অসুস্থ বোধ করছি, তাই আমি বাড়িতে থাকব।

Source: Accessible Dictionary and Cambridge Dictionary.
.
'The girl with a charming smile won everyone’s heart.'
Which type of phrase is the part described by "with a charming smile"?
  1. Noun Phrase
  2. Participle Phrase
  3. Adjective Phrase
  4. Adverb Phrase
ব্যাখ্যা
• The Sentence: The girl with a charming smile won everyone’s heart.
→ Here the underlined phrase is an - Adjective phrase.
→ এখানে 'with a charming smile' দ্বারা noun ‘The girl' অবস্থা প্রকাশ করছে, তাই এটি Adjective এর কাজ করছে, তাই এটি Adjective phrase.

• Adjective phrase:
- যে phrase গুলো sentence - এ adjective এর মত কাজ করে, অর্থাৎ Noun এর অবস্থা, দোষ-গুণ ইত্যাদি প্রকাশ করে, সেই phrase গুলোকে Adjective Phrase বলে।
-  Noun এর পর যদি কোন clause/Phrase বসে তাহলে সেটি Adjective clause/Phrase হবে।

Examples:
Sentence- The book on the table is mine.
Adjective Phrase: "on the table."

Sentence- She wore a dress with beautiful embroidery.
Adjective Phrase: "with beautiful embroidery."

Sentence- The student in the front row answered the question.
Adjective Phrase: "in the front row."

Source: A Passage to the English language S.M. Zakir Hussain.
.
বাংলাদেশের উপর জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব-
  1. মৎস্য প্রজাতির বিলুপ্তি
  2. জনসংখ্যা বৃদ্ধি
  3. কৃষি জমির পরিমাণ হ্রাস
  4. ক ও গ
ব্যাখ্যা
জলবায়ু পরিবর্তনে বাংলাদেশের উপর প্রভাব:

• জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে বাংলাদেশের উপরও বিভিন্ন নেতিবাচক প্রভাব পড়বে। নিম্নে জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে বাংলাদেশের উপরও যেসব প্রভাব পড়বে সেগুলো উল্লেখ করা হলো।

১. উপকূলীয় অঞ্চলের জমিতে লবনাক্ততার পরিমাণ বৃদ্ধি,
২. কৃষি জমির উর্বরতা হ্রাস,
৩. অধিক তাপমাত্রা বৃদ্ধি,
৪. দেশের উত্তরাংশসহ বিস্তীর্ণ এলাকা খরায় আক্রান্ত হওয়া,
৫. ভূ-গর্ভস্থ পানির স্তর নিচে নেমে যাওয়া,
৬. আবাদী জমির পরিমাণ হ্রাস পাওয়া,
৭. মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ যেমন- অতিরিক্ত লবনাক্ততায় মৎস্য প্রজাতির বিলুপ্তি দেখা যাচ্ছে।
৮. যে হারে বৈশ্বিক উষ্ণতা বৃদ্ধি পাচ্ছে সেই হারে যদি সমুদ্র পৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি পায় তাহলে প্রায় ১৫% স্থলভাগ হারানোর সম্ভাবনা আছে। এক্ষেত্রে উপকূলীয় অঞ্চলে বসবাসকারী প্রায় ৩০ মিলিয়ন (৩কোটি) মানুষ ও নানা প্রজাতির জীবজন্তু, সম্পদ প্রভৃতি ক্ষতিগ্রস্থ হতে পারে।
৯. এদেশের স্বতন্ত্র বাস্তুতন্ত্রের সবচেয়ে বড় উদাহরণ হলো সুন্দরবন, সেখানে প্রাণি বৈচিত্র্য হুমকির সম্মুখীন হতে পারে।
১০. বিশুদ্ধ খাবার পানির সংকট প্রভৃতি।

উৎস: ভূগোল ১ম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
.
প্রাকৃতিক দুর্যোগ নয়-
  1. নদীভাঙন
  2. অগ্নিকান্ড
  3. ভূমিকম্প
  4. আগ্নেয়গিরির অগ্ন্যুৎপাত
ব্যাখ্যা
প্রাকৃতিক দুর্যোগ: 
প্রাকৃতিক দুর্যোগ আকস্মিকভাবে ঘটে এবং সাধারণত এর উপর মানুষের কোন হাত থাকে না।
যেমন - বন্যা, ঘূর্ণিঝড়, জলোচ্ছাস, টর্নেডো, ভূমিকম্প, খরা, নদীভাঙন, সুনামি, আগ্নেয়গিরির অগ্ন্যুৎপাত ইত্যাদি।
 
প্রাকৃতিক দুর্যোগসমূহকে তিনটি বৃহৎ বিভাগভুক্ত করা যেতে পারে। যেমন- 
- বায়ুমন্ডলীয় প্রক্রিয়াসৃষ্ট climatic বাযুমন্ডলীয় দুর্যোগসমূহ (ঝড়, ঘূর্ণিঝড়, কালবৈশাখী, টর্নেডো, হারিকেন, খরা ইত্যাদি), 
- ভূ-পৃষ্ঠের প্রক্রিয়া সৃষ্ট exogenetic দুর্যোগসমূহ (বন্যা, নদীতীর ভাঙন, উপকূলীয় ভাঙন, ভূমিধ্বস,  মৃত্তিকা ক্ষয় এবং প্রাকৃতিক ভূগর্ভস্থ পানি দূষণ), 
- এবং পৃথিবীপৃষ্ঠের অভ্যন্তরস্থ প্রক্রিয়াসৃষ্ট endogenetic ভূগর্ভস্থ দুর্যোগসমূহ (ভূমিকম্প এবং অগ্ন্যুৎপাত)

মানবসৃষ্ট দুর্যোগ: 
মানুষের অসচেতনতা বা দূরদৃষ্টির অভাবে যে দুর্যোগ সৃষ্টি হয় এবং যা মানুষের প্রাণহানি ঘটানোর পাশাপাশি স্বাভাবিক জীবনযাত্রা ব্যাহত হয়, তাকে মানবসৃষ্ট দুর্যোগ বলে।
যেমন - যুদ্ধ-বিগ্রহ, সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা, বনাঞ্চল ধ্বংস, পরিবেশ দূষণ, মরুকরণ, অগ্নিকান্ড ইত্যাদি৷

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় এবং বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, অষ্টম শ্রেণীর বোর্ড বই। 
১০.
দুর্যোগ ব্যবস্থাপনার প্রধান উদ্দেশ্য কয়টি?
  1. ৩ টি
  2. ৪ টি
  3. ৫ টি
  4. ৭ টি
ব্যাখ্যা
দুর্যোগ ব্যবস্থাপনার অর্থ: 

• দুর্যোগ ব্যবস্থাপনার অর্থ হলো, যথাযথ পর্যবেক্ষণ ও বিশ্লেষণের মাধ্যমে দুর্যোগ প্রতিরোধ, দুর্যোগ প্রস্তুতি এবং দুর্যোগে সাড়াদান ও পুনরুদ্ধার কার্যক্রম পরিচালনা করা।

দুর্যোগ ব্যবস্থাপনার প্রধান উদ্দেশ্য: 


• দুর্যোগ ব্যবস্থাপনার প্রধান উদ্দেশ্য তিনটি। এগুলো হলো:

(ক) দুর্যোগকালিন সময়ে জীবন, সম্পদ ও পরিবেশের সম্ভাব্য ক্ষয়ক্ষতি এড়ানো বা পরিমাণ হ্রাস করা;
(খ) দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত জনগণের মধ্যে দ্রুত প্রয়োজনীয় ত্রাণ পৌঁছানো ও পূণর্বাসন নিশ্চিত করা এবং
(গ) দুর্যোগ পরবর্তী পুনরুদ্ধার কাজ সুষ্ঠুরূপে সম্পন্ন করা।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১১.
'সেন্দাই ফ্রেমওয়ার্ক' গ্রহণের এর প্রধান উদ্দেশ্য-
  1. বৈশ্বিক উষ্ণায়ন রোধ করা
  2. জলবায়ু তহবিল সংগ্রহ
  3. দুর্যোগের ঝুঁকি হ্রাস করা
  4. গ্রিনহাউজ গ্যাসের নিঃসরণ হ্রাস
ব্যাখ্যা
সেন্দাই ফ্রেমওয়ার্ক:

- ১৪ মার্চ - ১৮ মার্চ ২০১৫ তারিখে জাপানের সেন্দাই শহরে অনুষ্ঠিত হয় জাতিসংঘের তৃতীয় দুর্যোগের ঝুঁকিহ্রাস বিষয়ক সম্মেলন।
- এই সম্মেলনের শেষদিন দুর্যোগের ঝুঁকি হ্রাস সংক্রান্ত সেন্দাই ফ্রেমওয়ার্ক: ২০১৫-৩০ গৃহীত হয়।
- এই ফ্রেমওয়ার্কে ২০৩০ সালের মধ্যে অর্জনের জন্যে সাতটি লক্ষ্য এবং চারটি অগ্রাধিকারের রূপরেখা স্থির করা হয়।
- দুর্যোগ ঝুঁকি প্রশমনে টেকসই ব্যবস্থাপনা এবং যথাযথ বিনিয়োগ নিশ্চিত করাই এ সম্মেলনের প্রধান লক্ষ্য।

⇒ সাতটি লক্ষ্য:
- ২০৩০ সালের মধ্যে বিশ্বব্যাপী দুর্যোগে মৃত্যুর হার উল্লেখযোগ্যভাবে হ্রাস করা,
- ২০৩০ সালের মধ্যে বিশ্বব্যাপী আক্রান্ত মানুষের সংখ্যা উল্লেখযোগ্যভাবে হ্রাস করা,
- ২০৩০ সালের মধ্যে বৈশ্বিক মোট দেশজ উৎপাদনের (জিডিপি) সাথে সরাসরি দুর্যোগের অর্থনৈতিক ক্ষতি হ্রাস করা,
- ২০৩০ সালের মধ্যে গুরুতর অবকাঠামোর দুর্যোগের ক্ষয়ক্ষতি এবং স্বাস্থ্য ও শিক্ষার সুবিধাগুলির মধ্যে মৌলিক পরিষেবাগুলির ব্যাঘাতকে উল্লেখযোগ্যভাবে হ্রাস করা,
- ২০২০ সালের মধ্যে জাতীয় এবং স্থানীয় দুর্যোগ ঝুঁকি হ্রাস কৌশলসহ দেশের সংখ্যা উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি করা,
- ২০৩০ সালের মধ্যে এই কাঠামো বাস্তবায়নের জন্য তাদের জাতীয় কর্মের পরিপূরক করার জন্য পর্যাপ্ত এবং টেকসই সহায়তার মাধ্যমে উন্নয়নশীল দেশগুলির জন্য আন্তর্জাতিক সহযোগিতা যথেষ্ট পরিমাণে বৃদ্ধি করা,
- ২০৩০ সালের মধ্যে বহু-বিপদ প্রারম্ভিক সতর্কতা ব্যবস্থা এবং দুর্যোগ ঝুঁকির তথ্য এবং মূল্যায়নের প্রাপ্যতা এবং অ্যাক্সেস উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি করা।



উৎস: UNDRR ওয়েবসাইট এবং দূর্যোগ বিষয়ক- স্থায়ী আদশাবলী-২০১৯।
১২.
'জলবায়ু বিষয়ে পদক্ষেপ' SDG'র কত নং লক্ষ্যমাত্রার অন্তর্গত?
  1. পঞ্চদশ
  2. দ্বাদশ
  3. চতুর্দশ
  4. ত্রয়োদশ
ব্যাখ্যা
টেকসই উন্নয়ন অভীষ্ট (এসডিজি): 

- টেকসই উন্নয়ন অভীষ্ট (এসডিজি) হলো জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদ গৃহীত একটি বৈশ্বিক কর্ম পরিকল্পনা।
- ২০১৫ সালের ২৫-২৭ সেপ্টেম্বর নিউইয়র্কে অনুষ্ঠিত ইউনাইটেড নেশন্স সাসটেইনেবল ডেভেলপমেন্ট সামিটে এসডিজি গৃহীত হয়।
- এসডিজি এর প্রধান লক্ষ্যমাত্রা ১৭টি। এসডিজি এর লক্ষ্যমাত্রাসমূহ অর্জনের সময়সীমা ২০১৬-২০৩০ খ্রিস্টাব্দ।

এসডিজির লক্ষ্যসমূহ হলো:
- প্রথম : দারিদ্র্য নির্মূল;
- দ্বিতীয় : ক্ষুধামুক্তি;
- তৃতীয় : সুস্বাস্থ্য;
- চতুর্থ : মানসম্মত শিক্ষা;
- পঞ্চম : লিঙ্গ সমতা;
- ষষ্ঠ : বিশুদ্ধ পানি ও স্যানিটেশন;
- সপ্তম : সাশ্রয়ী ও নবায়নযোগ্য জ্বালানি;
- অষ্টম : উপযুক্ত কাজ ও অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি;
- নবম : শিল্প, উদ্ভাবন ও অবকাঠামো;
- দশম : বৈষম্য হ্রাস;
- একাদশ : টেকসই শহর ও জনগণ;
- দ্বাদশ : পরিমিত ভোগ ও উৎপাদন;
- ত্রয়োদশ : জলবায়ু বিষয়ে পদক্ষেপ;
- চতুর্দশ : সামুদ্রিক বাস্তুসংস্থান;
- পঞ্চদশ : স্থলভাগের জীবন;
- ষোড়শ : শান্তি, ন্যায়বিচার ও শক্তিশালী প্রতিষ্ঠান এবং;
- সপ্তদশ : অভিষ্টের জন্যে অংশীদারিত্ব।



উৎস: SDG ওয়েবসাইট। 
১৩.
নিচের কোনটি 'ব-দ্বীপ পরিকল্পনা ২১০০' এর নির্দিষ্ট অভীষ্ট নয়?
  1. দূর্যোগের ঝুঁকি হ্রাসে পদক্ষেপ গ্রহণ
  2. ভূমি ও পানি সম্পদের সর্বোত্তম সমন্বিত ব্যবহার
  3. পানি ব্যবহারে অধিকতর দক্ষতা বৃদ্ধি
  4. জলাভূমি এবং বাস্তুতন্ত্র সংরক্ষণ
ব্যাখ্যা
ব-দ্বীপ পরিকল্পনা ২১০০: 

ব-দ্বীপ পরিকল্পনা ২১০০ তে প্রাথমিকভাবে একুশ শতকের শেষের দিকে বাংলাদেশ ব-দ্বীপের সম্ভাব্য পরিবর্তন সম্পর্কে একটি দীর্ঘমেয়াদি ও বিস্তারিত রূপকল্প প্রণয়নের প্রচেষ্টা নেয়া হয়েছে। ফলশ্রুতিতে, একটি সমন্বিত, বিস্তৃত ও দীর্ঘমেয়াদি ব-দ্বীপ রূপকল্প প্রণয়ন করা হয়েছে, যা নিম্নরূপ:
• রূপকল্প: “নিরাপদ, জলবায়ু পরিবর্তনে অভিঘাতসহিষ্ণু সমৃদ্ধশালী ব-দ্বীপ গড়ে তোলা”।

• অভিলক্ষ্য:  “দৃঢ়, সমন্বিত ও সময়ের সাথে পরিবর্তনশীল কার্যকরী কৌশল অবলম্বন এবং পানিসম্পদ 66 ব্যবস্থাপনায় ন্যায়সঙ্গত সুশাসন প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে প্রাকৃতিক দুর্যোগ, জলবায়ু পরিবর্তনজনিত অভিঘাত এবং অন্যান্য ব-দ্বীপ সংক্রান্ত সমস্যা মোকাবেলা করে দীর্ঘমেয়াদে পানি ও খাদ্য নিরাপত্তা, অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ও পরিবেশগত স্থিতিশীলতা নিশ্চিতকরণ”।

এ দীর্ঘমেয়াদি রূপকল্প বাস্তবায়নের জন্য এটিকে নির্দিষ্ট অভীষ্ট বা লক্ষ্যে রূপান্তর করা প্রয়োজন। দীর্ঘমেয়াদি উন্নয়ন ফলাফল হিসেবে অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ও দারিদ্র্য বিমোচন, পানি ও জলবায়ু পরিবর্তনের সাথে সম্পর্কিত ঝুঁকি কমানো এবং তার সাথে পরিবেশগত সংরক্ষণের লক্ষ্যমাত্রা যুক্ত করে এটি সর্বোত্তমভাবে সম্পন্ন করা যায়।

• অভীষ্ট: ব-দ্বীপ পরিকল্পনা ২১০০ তে উচ্চতর পর্যায়ের ৩টি জাতীয় অভীষ্ট এবং ব-দ্বীপ সংশ্লিষ্ট ৬টি নির্দিষ্ট অভীষ্ট নির্ধারণ করা হয়েছে। ব-দ্বীপ সংশ্লিষ্ট অভীষ্টসমূহ উচ্চতর পর্যায়ের অভীষ্ট অর্জনে অবদান রাখবে।

• উচ্চ পর্যায়ের অভীষ্ট: 
- অভীষ্ট ১: ২০৩০ সালের মধ্যে চরম দারিদ্র্য দূরীকরণ;
- অভীষ্ট ২: ২০৩০ সালের মধ্যে উচ্চ-মধ্যম আয়ের দেশের মর্যাদা অর্জন; এবং
- অভীষ্ট ৩: ২০৪১ সাল নাগাদ একটি সমৃদ্ধ দেশের মর্যাদা অর্জন।

• ব-দ্বীপ পরিকল্পনা ২১০০'র নির্দিষ্ট অভীষ্টসমূহ: 
- অভীষ্ট ১: বন্যা ও জলবায়ু পরিবর্তন সম্পর্কিত বিপর্যয় থেকে নিরাপত্তা নিশ্চিত করা;
- অভীষ্ট ২: পানির নিরাপত্তা এবং পানি ব্যবহারে অধিকতর দক্ষতা বৃদ্ধি করা;
- অভীষ্ট ৩: সমন্বিত ও টেকসই নদী অঞ্চল এবং মোহনা ব্যবস্থাপনা গড়ে তোলা;
- অভীষ্ট ৪: জলাভূমি এবং বাস্তুতন্ত্র সংরক্ষণ এবং তাদের যথোপযুক্ত ব্যবহার নিশ্চিত করা;
- অভীষ্ট ৫: অন্তঃ ও আন্তঃদেশীয় পানি সম্পদের সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনার জন্য কার্যকর প্রতিষ্ঠান ও ন্যায়সঙ্গত সুশাসন গড়ে তোলা; এবং
- অভীষ্ট ৬: ভূমি ও পানি সম্পদের সর্বোত্তম সমন্বিত ব্যবহার নিশ্চিত করা।

উৎস: বাংলাদেশ ব দ্বীপ পরিকল্পনা (সরকারি ওয়েবসাইট)। 
১৪.
নিচের কোন কার্যক্রমটি সাড়াদান ব্যবস্থাপনার অন্তর্ভূক্ত?
  1. তল্লাশি ও উদ্ধার
  2. ত্রাণ ও পুনর্বাসন কার্যক্রম পরিচালনা
  3. নিরাপদ স্থানে অপসারণ
  4. উপরের সবকয়টি
ব্যাখ্যা
দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা চক্র:
- দুর্যোগ মোকাবিলার জন্যে দুর্যোগ-পূর্ব প্রস্তুতির কাজ সম্পন্ন করা আবশ্যক, যা মূলত আক্রান্ত অঞ্চলের অধিবাসীদেরকে দুর্যোগের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তুলতে সহায়তা করে।
- ’দুর্যোগ চলাকালীন সময়ে ও সংঘটনের পরে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনার অন্যান্য উপাদান যেমন- সাড়াদান, পুনরুদ্ধার, প্রশমন উন্নয়ন, প্রতিরোধ, পূর্বপ্রস্তুতি কার্যক্রম সম্পাদন করা প্রয়োজন।

সাড়াদান (Response):
- দুর্যোগের পরপরই সাড়াদান করা প্রয়োজন।

- সাড়াদানের আওতাভূক্ত কার্যক্রমগুলো হলো:
• নিরাপদ স্থানে অপসারণ,
• তল্লাশি ও উদ্ধার,
• ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ নিরূপন এবং
• ত্রাণ ও পুনর্বাসন কার্যক্রম পরিচালনা। 

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
১৫.
লিঙ্গ বৈষম্য দূর করার জন্য প্রয়োজন -
  1. মূল্যবোধ
  2. সুশাসন
  3. নৈতিকতা
  4. উপরের কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা
সামাজিক উন্নয়নে সুশাসন:
- সামাজিক উন্নয়নের ক্ষেত্রে সুশাসন অপরিহার্য।
- শুধু অর্থনৈতিক উন্নয়ন হলেই সুশাসনের ভূমিকা শেষ হয়ে যায় না।
- উন্নয়নের ফলাফল সমাজের বিভিন্ন শ্রেণী পেশার মানুষ ন্যায্যতার সাথে ভোগ করতে পারাই সুশাসনের লক্ষণ।

⇒ একটি সমাজে বিভিন্ন ধর্ম-বর্ণ শ্রেণি পেশার মানুষ থাকে।
- যেমন, বাংলাদেশে রয়েছে মুসলিম, হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রিস্টান ধর্মের মানুষ।
- এছাড়াও দেশটিতে আছে নানা জাতিসত্তার মানুষ।
- এখন এ সকল মানুষের কাছে সম্পদের ন্যায্য বণ্টন না হলে সামাজিক অসন্তোষ বাড়বে।
- শুধু সম্পদের সুষ্ঠু বণ্টন হলেই সুশাসন হবে না।
- যদি সংখ্যালঘু মানুষেরা স্বাধীনভাবে নির্ভয়ে তার সম্পত্তির অধিকার ভোগ না করতে পারে তাহলেও সুশাসন প্রতিষ্ঠা হবে না।
- নারী-পুরুষের মধ্যে বৈষম্য দূর করার জন্যও সুশাসন প্রতিষ্ঠা জরুরি।
- অনগ্রসর নারী সমাজের উন্নয়নের জন্য সুশাসন প্রতিষ্ঠা তথা আইন সংস্কার জরুরি।

উৎস: পৌরনীতি ও সুশাসন ১ম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রফেসর মোঃ মোজাম্মেল হক।
১৬.
ই-গভর্নেন্স প্রক্রিয়াটি কীভাবে কাজ করে?
  1. সরকার থেকে নাগরিক
  2. নাগরিক থেকে সরকার
  3. সরকার থেকে সরকারি কর্মচারী
  4. ক, খ ও গ
ব্যাখ্যা
ই-গভর্ন্যান্স:
- সকল প্রকার সরকারি ও বেসরকারি সেবা-প্রদান, 'ব্যাক-অফিস' কার্যক্রম, তথ্য আদান-প্রদান, লেনদেন এবং সংরক্ষণ কার্যক্রমে ইলেক্ট্রনিক, কম্পিউটিং এবং আইসিটির মাধ্যমে স্বল্প সময়ে, কম খরচে, সঠিকভাবে এবং সহজে সকল ধরনের কর্মকাণ্ড বৈজ্ঞানিক উপায়ে পরিচালনা করার প্রক্রিয়াকে ই-গভর্নেন্স বলা হয়।
- অন্যভাবে বলা যায় যে, শাসন ব্যবস্থা ও সরকারি-বেসরকারি কার্য-প্রক্রিয়ায় ইলেকট্রনিক্স বা ডিজিটাল পদ্ধতির প্রয়োগই হচ্ছে ই-গভর্নেন্স।
- আর সে কারণেই ই-গভর্নেন্সকে অনেক সময় ডিজিটাল গভর্নেন্সও বলা হয়ে থাকে।
- কোনো একটি দেশে সুপ্রশাসনের জন্য স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা অপরিহার্য।
- আর ডিজিটাল গভর্নেন্স প্রচলনের মাধ্যমে সরকারি ও বেসরকারি ব্যবস্থায় স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিতকরণ সম্ভব।
- ফলে নাগরিক-হয়রানি এবং সেবা-গ্রহণ প্রক্রিয়ায় হয়রানির অবসান ঘটে এবং সুশাসন প্রতিষ্ঠিত হয়। 

⇒ ই-গভর্নেন্সে সরকারি- বেসরকারি সেবা ও তথ্যাদি আদান-প্রদানের প্রক্রিয়াটি সরকার থেকে সরকারি সংস্থা (Government to Government Agencies i.e. G2G), সরকার থেকে নাগরিক (Government to Citizen i.e. G2C), নাগরিক থেকে সরকার (Citizen to Government i.e. C2G), সরকার থেকে সরকারি কর্মচারী (Government to Employee i.e. G2E) এবং/অথবা সরকার থেকে ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানে (Government to Business i.e. G2B) সক্রিয়ভাবে কাজ করে।

উৎস: বাংলাদেশ স্টাডিজ, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৭.
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম ছাত্রী -
  1. আশালতা সেন
  2. ইলা মিত্র
  3. লীলা নাগ
  4. সুফিয়া কামাল
ব্যাখ্যা
লীলা নাগ:
- লীলা নাগ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম ছাত্রী।
- তিনি একজন সক্রিয় বিপ্লবী ও আন্দোলনকারী।
- তিনি শিক্ষা-সংক্রান্ত সংস্কারক হিসেবে খ্যাতি লাভ করেন।
- তিনি নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসুর সহকারী ছিলেন।
- কলকাতার বেথুন কলেজ থেকে তিনি ইংরেজিতে অনার্সসহ স্নাতক ডিগ্রি লাভ করেন।
- তাঁর শিক্ষাগত সাফল্যের জন্য (তিনি পরীক্ষায় প্রথম স্থান অধিকার করেন) তাঁকে ‘পদ্মাবতী’ স্বর্ণপদক প্রদান করা হয়। 

উল্লেখ্য,
- ১৯২৩ সালের ডিসেম্বর মাসে নারীশিক্ষা প্রসারের মূল উদ্দেশ্য নিয়ে তিনি 'দীপালি সংঘ' নামে নারীদের একটি সংগঠন প্রতিষ্ঠা করেন।
- দীপালি সঙ্ঘের সাহায্য নিয়ে তিনি দীপালি স্কুল নামে একটি স্কুল ও অন্য বারোটি ফ্রি প্রাইমারি স্কুল প্রতিষ্ঠা করেন।
- তিনি নারীশিক্ষা মন্দির ও শিক্ষাভবন নামে পরিচিত অন্য দুটি স্কুলও প্রতিষ্ঠা করেন। 
- ১৯২৫ সালে শ্রীসঙ্ঘ নামে অভিহিত একটি বিপ্লবী দলের তিনি সদস্য হন। 

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
১৮.
শেরে বাংলা এ.কে. ফজলুল হক এর পূর্ণ নাম -
  1. আবুল কালাম ফজলুল হক
  2. আবুল কাশেম ফজলুল হক
  3. আব্দুল কাশেম ফজলুল হক
  4. আব্দুল কালাম ফজলুল হক
ব্যাখ্যা
আবুল কাশেম ফজলুল হক
- শেরে বাংলা এ.কে. ফজলুল হক ছিলেন একজন রাজনীতিবিদ ও জননেতা।
- পূর্ণ নাম আবুল কাশেম ফজলুল হক।
- অবিভক্ত বাংলার প্রথম মুখ্যমন্ত্রী ছিলেন এ.কে. ফজলুল হক।
- শেরে বাংলা এ. কে. ফজলুল হক ১৮৭৩ সালের ২৯ অক্টোবর বরিশাল জেলার বানরীপাড়া থানার চাখার গ্রামের সম্ভ্রান্ত কাজী পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। 
- ১৯১৬ সালে লক্ষ্ণৌ শহরে লীগ কংগ্রেসের যুক্ত অধিবেশনে তিনি যে প্রস্তাব উত্থাপন করেন, তাই বিখ্যাত ‘লক্ষ্ণৌ চুক্তি’ নামে অভিহিত হয়।
- ১৯২৫ সালে তিনি বাংলার মন্ত্রী সভার সদস্য মনোনীত হন।
- ১৯২৭ সালে তিনি কৃষক-প্রজা পার্টি নামে একটি রাজনৈতিক দল গঠন করেন।
- তিনি কলকাতার মেয়র হোন ১৯৩৫ সালে।
- ১৯৪০ সালে মোহাম্মদ আলী জিন্নাহর সভাপতিত্বে লাহোরে অনুষ্ঠিত নিখিল ভারত মুসলিম লীগের অধিবেশনে জ্বালাময়ী বক্তৃতায় প্রথম পাকিস্তান প্রস্তাব পেশ করেন।
- তাঁর বক্তৃতায় মুগ্ধ হয়ে পাঞ্জাববাসীরা তাঁকে উপাধি দেয় শের-ই-বঙ্গাল অর্থাৎ বাংলার বাঘ।
- সে থেকে তিনি শের-ই-বাংলা নামেই পরিচিত। 
- ১৯৫৪ সালে দেশের সাধারণ নির্বাচনে তিনি ‘যুক্তফ্রন্ট’ দলের নেতৃত্ব দিয়ে বিপুল ভোটাধিক্যে জয়লাভ করে পূর্ব পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী হন।
- ১৯৫৬ সাল থেকে ১৯৫৮ সাল পর্যন্ত তিনি পূর্ব পাকিস্তানের গভর্নর পদে অধিষ্ঠিত ছিলেন।
- বাংলার নয়নমণি শের-এ-বাংলা এ. কে ফজলুল হক ১৯৬২ সালের ২৭ এপ্রিল প্রায় ৮৯ বছর বয়সে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ইন্তেকাল করেন।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
১৯.
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী ছিলেন -
  1. ১০ জানুয়ারি ১৯৭২-২৪ জানুয়ারি ১৯৭৫
  2. ১২ জানুয়ারি ১৯৭২-২৪ জানুয়ারি ১৯৭৫
  3. ১২ জানুয়ারি ১৯৭২-১৫ আগস্ট ১৯৭৫
  4. ১০ জানুয়ারি ১৯৭২-১৫ আগস্ট ১৯৭৫
ব্যাখ্যা
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান:
- জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান স্বাধীন বাংলাদেশের স্থপতি।
- বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ছিলেন:
• পূর্ব পাকিস্তান মুসলিম ছাত্র লীগের প্রতিষ্ঠাতা সদস্য (১৯৪৮),
• পূর্ব পাকিস্তান আওয়ামী মুসলিম লীগের প্রতিষ্ঠাতা যুগ্ম সম্পাদকদের একজন (১৯৪৯),
• আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক (১৯৫৩-১৯৬৬) ),
• আওয়ামী লীগের সভাপতি (১৯৬৬-১৯৭৪),
• বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি (২৬ মার্চ ১৯৭১ থেকে ১১ জানুয়ারি ১৯৭২ পর্যন্ত অনুপস্থিতিতে),
• বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী (১২ জানুয়ারি ১৯৭২-২৪ জানুয়ারি ১৯৭৫),
• বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি (২৫ জানুয়ারী ১৯৭৫-১৫ আগস্ট ১৯৭৫)।
- তার ক্যারিশম্যাটিক নেতৃত্বের কারণে বাংলাদেশ জাতিসংঘসহ আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের কাছে স্বীকৃতি পেয়েছে।
- বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট একদল অসন্তুষ্ট সেনা কর্মকর্তার হাতে নিহত হন।
- তার দুই কন্যা ছাড়া তার পরিবারের অধিকাংশ সদস্যকে হত্যা করা হয় যারা সে সময় বিদেশে অবস্থান করছিলেন।

উৎস: বাংলাদেশ জাতীয় তথ্য বাতায়ন। 
২০.
বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী কার কাছে দায়বদ্ধ?
  1. জনগণ
  2. আইনসভা
  3. বিচার বিভাগ
  4. রাষ্ট্রপতি
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের সরকারব্যাবস্থা
- সরকার হলো রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ কতৃপক্ষ বা মুখপাত্র।
- বাংলাদেশে সংসদীয় সরকার বা মন্ত্রিপরিষদ শাসিত সরকার বিদ্যমান।
- এই সরকারব্যাবস্থায় শাসনবিভাগ ও আইনবিভাগের মধ্যে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক বিজায় থাকে।
- বাংলাদেশ সরকারের নির্বাহী প্রধান - প্রধানমন্ত্রী।
- প্রধানমন্ত্রী ও তাঁর মন্ত্রিসভা আইনসভার কাছে দায়বদ্ধ।
- বাংলাদেশের প্রথম প্রধানমন্ত্রী - তাজউদ্দিন আহামেদ।
- এই ধরণের সরকারব্যবস্থায় রাষ্ট্রপতি পদটি আলঙ্কারিক। 
- সংসদীয় সরকারব্যবস্থায় বিরোধী দলকে বিকল্প সরকার বলা হয়। 

উৎস - পৌরনীতি ও সুশাসন, প্রফেসর মোঃ মোজাম্মেল হক।
২১.
H2SO4 এর আপেক্ষিক আনবিক ভর কত?
  1. 74
  2. 72
  3. 96
  4. 98
ব্যাখ্যা
আপেক্ষিক আণবিক ভর
- কোন অণুর ভর ও কার্বন-১২ পরমাণুর ভরের ১/১২ অংশের অণুপাত কে সেই অণুর আপেক্ষিক আণবিক ভর বলা হয় (যা ডাল্টন নামেও পরিচিত)।
- এটি এককবিহীন হয়। 

আণবিক ভর
- আণবিক ভর (M) হল কোন পদার্থের একটি অণুর ভর।
- প্রত্যেক বিশুদ্ধ পদার্থের আণবিক ভর একটি ভৌত ধর্ম। 
- একাধিক পদার্থের আপেক্ষিক আনবিক ভর সমান হতে পারে কিন্ত আনবিক ভর প্রত্যেক পদার্থের ক্ষেত্রে স্বতন্ত্র।

H2SO4 এর আপেক্ষিক আনবিক ভর : 

- সালফিউরিক এসিড(H2SO4) এর অণুতে 2 পরমাণু হাইড্রোজেন, পরমাণু  সালফার ও 4 পরমাণু অক্সিজেন রয়েছে। 
- হাইড্রোজেনের আপেক্ষিক পারমাণবিক ভর 1, সালফার এর পারমাণবিক ভর 32 এবং অক্সিজেনের আপেক্ষিক পারমাণবিক ভর 16. 

সুতরাং, H2SO4 এর আপেক্ষিক আনবিক ভর = (1×2 + 32×1+ 16 x 4) 
 = 98. 

উৎস: রসায়ন প্রথম পত্র, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২২.
কোন দূষক পদার্থটি সরাসরি কোনো উৎস থেকে পরিবেশে আসে না?
  1. নাইট্রোজেন ডাই অক্সাইড (NO2)
  2. সালফার ট্রাইঅক্সাইড (SO3)
  3. সালফার ডাইঅক্সাইড (SO2)
  4. অ্যামোনিয়া (NH3)
ব্যাখ্যা
• প্রাইমারি দূষক:
যে সকল দূষক পদার্থ কোনো উৎস থেকে নির্গত হয়ে অপরিবর্তিত অবস্থায় পরিবেশে বিদ্যমান থাকে এবং পরিবেশের দূষণ ঘটায় তাদেরকে প্রাইমারি দূষক বলে।
যেমন:
- নাইট্রিক অক্সাইড (NO)
- নাইট্রোজেন ডাই অক্সাইড (NO2)
- কার্বন মনোক্সাইড (CO)
- কার্বন ডাইঅক্সাইড (CO2)
- সালফার ডাইঅক্সাইড (SO2)
- অ্যামোনিয়া (NH3)
- ছাই, ধুলিকণা
- Volatile organic compounds (VOCs)

• সেকেন্ডারি দূষক:
যে সকল দূষক পদার্থ সরাসরি কোনো উৎস থেকে পরিবেশে আসে না, বরং বায়ুমণ্ডলে নির্গত হওয়া প্রাথমিক দূষকগুলো থেকে রাসায়নিক বিক্রিয়ার মাধ্যমে সৃষ্টি হয়, সেগুলোকে সেকেন্ডারি দূষক বলে।
যেমন:
- সালফার ট্রাইঅক্সাইড (SO3)
- নাইট্রিক এসিড (HNO3)
- নাইট্রোজেন ডাই অক্সাইড (NO2)
- সালফিউরিক এসিড (H2SO4)
- হাইড্রোজেন পারঅক্সাইড (H2O2)
- অ্যামোনিয়াম (NH4+)
- ওজোন (O3)

উল্লেখ্য - কিছু দূষণকারী পদার্থ প্রাইমারি এবং সেকেন্ডারি উভয় দূষকই হতে পারে।
উদাহরণস্বরূপ: নাইট্রোজেন ডাই অক্সাইড জীবাশ্ব-জালানী থেকে এবং বজ্রপাত থেকে সৃষ্টি হয়, আবার এটি অন্যান্য রাসায়নিক থেকেও বায়ুমণ্ডলে তৈরি হতে পারে।

সূত্র: University of California এবং Energy Education
২৩.
ইউরোনিয়ামের পারমাণবিক সংখ্যা -
  1. ৯২
  2. ৮৯
  3. ৯৮
  4. ৯০
ব্যাখ্যা
পারমাণবিক সংখ্যা:
- কোন মৌলের একটি পরমাণুর নিউক্লিয়াসে যতটি প্রোটন থাকে; প্রোটনের সে সংখ্যাকে ঐ মৌলের পারমাণবিক সংখ্যা বা প্রোটন সংখ্যা বলা হয়।
- প্রোটন সংখ্যাকে সাধারণত Z দ্বারা প্রকাশ করা হয়।
যেমন- সোডিয়াম পরমাণুর নিউক্লিয়াসে 11টি প্রোটন আছে। তাই সোডিয়ামের পারমাণবিক সংখ্যা হল, Z= 11।
তদ্রুপ, ক্লোরিনের পারমাণবিক সংখ্যা হল, Z = 17
- মৌলের ধর্ম এর পারমাণবিক সংখ্যার উপর নির্ভর করে।
- রাসায়নিক বিক্রিয়ার সময় পরমাণুর সর্ববহিস্থ শক্তিস্তরের ইলেকট্রনসমূহ অংশগ্রহণ করে এবং ইলেকট্রনের সংখ্যার পরিবর্তন ঘটে; কিন্তু প্রোটন সংখ্যা বা পারমাণবিক সংখ্যার কোন পরিবর্তন ঘটে না। 

অন্যদিকে, 
- ইউরোনিয়ামের (U) পারমাণবিক সংখ্যা  ৯২। 
- অ্যাক্টিনিয়ামের (Ac) পারমাণবিক সংখ্যা  ৮৯। 
- ক্যালিফোর্নিয়ামের (Cf) পারমাণবিক সংখ্যা  ৯৮।  
- থোরিয়ামের (Th) পারমাণবিক সংখ্যা ৯০।

উৎস: রসায়ন বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি এবং রসায়ন প্রথম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি (হাজারী নাগ)। 
২৪.
2Na + Cl2 =NaCl , এই বিক্রিয়ায় জারক কোনটি?
  1. Na
  2. Cl
  3. Cl-
  4. Na+
ব্যাখ্যা
• জারণ-বিজারণ:
- যে রাসায়নিক বিক্রিয়ায় ইলেক্ট্রনের বর্জন ঘটে তাকে জারণ বিক্রিয়া এবং যে রাসায়নিক বিক্রিয়ায় ইলেকট্রনের গ্রহণ ঘটে তাকে বিজারণ বিক্রিয়া বলা হয়। 
- আবার, যে পদার্থ ইলেকট্রন ত্যাগ করে তাদেরকে বিজারক এবং যে পদার্থ ইলেকট্রন গ্রহণ করে তাদেরকে জারক পদার্থ বলে। 
- অতএব কোন পরমাণু, আয়ন বা পরমাণুপুঞ্জ (রেডিক্যাল) থেকে এক বা একাধিক ইলেকট্রন অপসারণের মাধ্যমে তড়িৎ ধনাত্নক আধান বৃদ্ধি বা তড়িৎ- ঋনাত্নক আধান হ্রাসের প্রক্রিয়াকে জারণ বলা হয়। 
- জারণ-বিজারণ বিক্রিয়া একই সাথে সংঘটিত হয়। 

- জারণ বিক্রিয়ায় ইলেকট্রনের বর্জন ঘটে এবং বিজারণে ইলেকট্রন গৃহীত হয়।
- যে বিক্রিয়ক ইলেকট্রন গ্রহণ করে তাকে জারক (Oxidant) এবং যে বিক্রিয়ক ইলেকট্রন বর্জন করে তাকে বিজারক (Reductant) বলে।
- জারক অন্যকে জারিত করে এবং নিজে বিজারিত হয়,
- বিজারক অন্যকে বিজারিত করে এবং নিজে জারিত হয়। 

- সোডিয়াম ও ক্লোরিন বিক্রিয়া করে সোডিয়াম ক্লোরাইড তৈরি হওয়া (2Na + Cl2 =2NaCl) এধরনের জারণ প্রক্রিয়ার একটি উদাহরণ।
-  উপরের উদাহরণে একইসাথে সোডিয়ামের জারন ও ক্লোরিনের বিজারণ ঘটেছে।
- উক্ত বিক্রিয়ায় সোডিয়াম একটি ইলেকট্রন দান করে এবং যুগপৎভাবে ক্লোরিন সেটি গ্রহণ করে।
- ফলে বিক্রিয়ায় সোডিয়াম বিজারক ও ক্লোরিন জারক।

Na - e → Na+ (ইলেকট্রন দান বা জারণ)
Cl + e → Cl- (ইলেকট্রন গ্রহণ বা বিজারণ)

উৎস: রসায়ন, নবম-দশম শ্রেণি এবং রসায়ন, এইচএসসি প্রোগ্রাম; বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২৫.
প্রশমন বিক্রিয়া একটি -
  1. তাপ উৎপাদি বিক্রিয়া
  2. তাপহারি বিক্রিয়া
  3. উভয়ই
  4. কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা
প্রশমন বিক্রিয়া: 
- ধাতুর হাইড্রোক্সাইড তথা এসিডের সাথে ক্ষার বিক্রিয়া করে লবণ ও পানি উৎপন্ন করে। 
- যে বিক্রিয়ায় এসিড ও ক্ষার বিক্রিয়া করে লবণ ও পানি উৎপন্ন হয়, তাকে প্রশমন বিক্রিয়া বলে। 
- এই বিক্রিয়াকে এসিড-ক্ষার বিক্রিয়াও বলা হয়। 
যেমন - লঘু NaOH দ্রবণে ধীরে ধীরে লঘু HCl দ্রবণ করলে NaCl (লবণ) এবং H2O (পানি) উৎপন্ন হয়। 
- প্রশমন বিক্রিয়ায় সব সময় তাপ উৎপন্ন হয় অর্থাৎ প্রশমন বিক্রিয়া একটি তাপ উৎপাদি বিক্রিয়া। 

উৎস: রসায়ন, নবম-দশম শ্রেণি।
২৬.
কোনটি জলীয় দ্রবণে সম্পূর্ণভাবে আয়নিত হয়?
  1. ফেরাস হাইড্রোক্সাইড
  2. ফেরিক হাইড্রোক্সাইড
  3. অ্যামোনিয়াম হাইড্রোক্সাইড
  4. পটাসিয়াম হাইড্রোক্সাইড
ব্যাখ্যা
ক্ষার: 
- ধাতু বা ধাতুর ন্যায় ক্রিয়াশীল যৌগমূলকের যে সব হাইড্রোক্সাইড পানিতে দ্রবণীয় তাদেরকে ক্ষার বলে। 
- ক্ষার বা ক্ষারক এসিডকে প্রশমিত করে লবণ ও পানি উৎপন্ন করে থাকে। 
- ক্ষার জলীয় দ্রবণে হাইড্রোক্সিল আয়ন (OH-) দান করে। 

তীব্র ক্ষার: 
- যে সব ক্ষার জলীয় দ্রবণে সম্পূর্ণভাবে আয়নিত হয় তাদেরকে তীব্র ক্ষার বলা হয়। 
যেমন: সোডিয়াম হাইড্রোক্সাইড (NaOH), পটাসিয়াম হাইড্রোক্সাইড (KOH), ক্যালসিয়াম হাইড্রোক্সাইড Ca(OH)2 ইত্যাদি। 

মৃদু ক্ষার: 
- যে সব ক্ষার জলীয় দ্রবণে আংশিক আয়নিত হয় তাদেরকে মৃদু ক্ষার বলা হয়। 
যেমন: অ্যামোনিয়াম হাইড্রোক্সাইড (NH4OH), ফেরাস হাইড্রোক্সাইড Fe(OH)2, ফেরিক হাইড্রোক্সাইড Fe(OH)3, অ্যালুমিনিয়াম হাইড্রোক্সাইড  Al(OH)3 ইত্যাদি। 
- ক্ষার পানিতে দ্রবণীয়। 
- ক্ষারের জলীয় দ্রবণ লাল লিটমাসকে নীল করে। 
- ক্ষারের জলীয় দ্রবণকে স্পর্শ করলে সাবানের ন্যায় পিচ্ছিল মনে হয়। 

উৎস: রসায়ন প্রথম পত্র, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২৭.
একটি তেজস্ক্রিয় মৌলের অর্ধায়ু ১৬০০ বছর হলে মৌলটির ৬০% ক্ষয় হতে কত বছর লাগবে?
  1. ২১০০ বছর
  2. ৯৬০ বছর
  3. ১৭৬০ বছর
  4. ১৯৬০ বছর
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: একটি তেজস্ক্রিয় মৌলের অর্ধায়ু ১৬০০ বছর হলে মৌলটির ৬০% ক্ষয় হতে কত বছর লাগবে? 

সমাধান:
আমরা জানি,
অর্ধায়ু, T = 0.693/λ     [λ = ক্ষয়ধ্রুবক]
বা, 1600 = 0.693/λ
বা, λ = 0.693/1600
∴ λ = 0.000433

আবার,
মৌলটির 60% ক্ষয় হলে, অবশিষ্ট আছে (100 - 60)%
= 40%

∴ তেজস্ক্রিয় ভাঙ্গনের বা ক্ষয়ের সূচকীয় সূত্র:
N = N0e- tλ
বা, N/N0 = e- tλ
বা, e- tλ = 40% = 40/100 = 2/5
বা, ln(e- tλ) = ln(2/5)
বা, - tλ = - 0.92
বা, t = 0.92 /0.000433
∴ t = 2124.71 

অর্থাৎ, অর্ধায়ূ 2124.71 বছর

এই মান অপশন ক) ২১০০ বছর এর কাছাকাছি হওয়ায় সঠিক উত্তর হিসেবে এটি গ্রহণ করা হলো।
২৮.
অকটেনের সংকেত -
  1. C8H16
  2. C8H14
  3. C8H18
  4. C8H20
ব্যাখ্যা
অ্যালকেন: 
- কার্বন-কার্বন একক বন্ধন যুক্ত সম্পৃক্ত হাইড্রোকার্বন গুলোকে অ্যালকেন বলা হয়। 
- অ্যালকেন শুধুমাত্র হাইড্রোজেন এবং কার্বন পরমাণূ দ্বারা গঠিত যারা একক বন্ধনে আবদ্ধ থাকে।
- অ্যালকেনের সাধারণ রাসায়নিক সংকেত হলো CnH2n+2। 
- অকটেন একটি অ্যালকেন, যেখানে ১টি পরমাণুতে ৮ টি কার্বন থাকে।
- অকটেনের সংকেত C8H18

- অসম্পৃক্ত হাইড্রোকার্বনের সাথে হাইড্রোজেন সংযোজন করে অ্যালকেন প্রস্তুত করা হয়। 
- প্রভাবক নিকেল ধাতু (Ni) এর উপস্থিতিতে 150-180° সে. তাপমাত্রায় অ্যালকিন ও অ্যালকাইনের সাথে হাইড্রোজেন সংযুক্ত করে অ্যালকেন প্রস্তুত করা হয়। 

অ্যালকেনের ভৌত ধর্ম: 
- অ্যালকেনের ভৌত ধর্ম বিশেষ করে ভৌত অবস্থা, গলনাংক, স্ফুটনাংক নির্ভর করে যৌগের অণুতে কার্বনের সংখ্যার উপর। 
- এক থেকে চার কার্বন বিশিষ্ট অ্যালকেন গ্যাসীয়। 
- পাঁচ থেকে পনের কার্বন বিশিষ্ট অ্যালকেনের ভৌত অবস্থা তরল। 
- ষোল থেকে উচ্চতর কার্বন বিশিষ্ট অ্যালকেনের ভৌত অবস্থা কঠিন। 

অন্যদিকে, 
CnH2n  হচ্ছে অ্যালকিনের সাধারণ সংকেত।
CnH2n - 2 হচ্ছে অ্যালকাইনের সাধারণ সংকেত। 

উৎস: রসায়ন প্রথম পত্র, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২৯.
কোন গ্যাসের ব্যাপন হার সবচেয়ে বেশি?
  1. হাইড্রোজেন
  2. অ্যামোনিয়া
  3. অক্সিজেন
  4. নাইট্রোজেন
ব্যাখ্যা
ব্যাপন:
- কোনো মাধ্যমে কঠিন, তরল ও বায়বীয় পদার্থের স্বতঃস্ফূর্ত ও সমানভাবে ছড়িয়ে পড়ার প্রক্রিয়াকে ব্যাপন বলে।
- ব্যাপন প্রক্রিয়ায় কঠিন, তরল কিংবা বায়বীয় পদার্থ উচ্চ ঘনমাত্রার স্থান থেকে নিম্ন ঘনমাত্রার স্থানের দিকে স্বতঃস্ফূর্তভাবে ছড়িয়ে পড়ে।
- যেমন: ঘরের এক কোণে কোনো একটি সুগন্ধির শিশির মুখ খুলে রাখলে কিছুক্ষণের মধ্যে সারা ঘরে সুগন্ধ ছড়িয়ে পড়ে। এটি ব্যাপন প্রক্রিয়ার উদাহরণ।
- কোনো পদার্থ ছড়িয়ে পড়তে সময় কম লাগলে ঐ পদার্থের ব্যাপন হার বেশি এবং কোনো পদার্থ ছড়িয়ে পড়তে বেশি সময় লাগলে ঐ পদার্থের ব্যাপন হার কম।
- যে গ্যাসের আণবিক ভর যত কম, তার ব্যাপন হার তত বেশি৷

এখানে,
- হাইড্রোজেন (H2) গ্যাসের আণবিক ভর ২,
- অ্যামোনিয়া (NH3) গ্যাসের আণবিক ভর ১৭,
- অক্সিজেন (O2) এর আণবিক ভর ৩২,
- নাইট্রোজেন (N2) এর আণবিক ভর ২৮।

- এখানে, হাইড্রোজেন এর আণবিক ভর সবচেয়ে কম, তার ব্যাপন হার সবচেয়ে বেশি৷ 
- কাজেই হাইড্রোজেন (H2) এর ব্যাপন হার সবচেয়ে বেশি।

উৎস: রসায়ন বিজ্ঞান, নবম দশম শ্রেণি। 
৩০.
নিচের কোনটি পেরুর গেরিলা সশস্ত্র সংগঠন?
  1. M -19
  2. শাইনিং পাথ
  3. টুপাক আমারু
  4. খ ও গ
ব্যাখ্যা
শাইনিং পাথ (Shining Path): 

• শাইনিং পাথ হলো পেরুর সশ্স্ত্র কমিউনিস্ট গেরিলা সংগঠন।
• কমিউনিস্ট পার্টি অব পেরুর সামরিক শাখা হিসেবে ১৯৭০ সালে শাইনিং পাথ প্রতিষ্ঠা লাভ করে।
• শাইনং পাথের প্রতিষ্ঠাতা আবিমায়েল গুজম্যান।

টুপাক আমারু:

• এটি পেরুর গেরিলা সংগঠন। 
• টুপাক আমারু রেভ্যুলেশনারী মুভমেন্ট (MRTA) হলাে পেরুর কমিউনিস্ট সশস্ত্র সংগঠন।
• এটি পেরুতে শ্রেণীহীন সমাজ প্রতিষ্ঠার লক্ষে ১৯৮৪ সাল থেকে সশস্ত্র লড়াই শুরু করে।
• ২০০০ সালের দিকে এর কার্যক্রম নিষ্ক্রিয় হয়ে পড়ে।

• অন্যদিকে: 
- 'M-19' কলম্বিয়ার গেরিলা সংগঠন। 
- গডস আর্মি মিয়ানমারের কারেন রাজ্যের একটি গেরিলা সংগঠন।
- JKLF (Jammu-Kashmir Liberation Front) হলো ভারতের জম্মু-কাশ্মীর অঞ্চলের স্বাধীনতাকামী গেরিলা সংগঠন।

উৎস ব্রিটানিকা এবং দৈনিক যুগান্তর।
৩১.
SALT-2 চুক্তি স্বাক্ষরিত হয় কোথায়?
  1. ভিয়েনা, অস্ট্রিয়া
  2. লন্ডন, যুক্তরাজ্য
  3. মস্কো, রাশিয়া
  4. ওয়াশিংটন ডি.সি. যুক্তরাষ্ট্র
ব্যাখ্যা
SALT-2:

- Strategic Arms Limitations Talks/Treaty (SALT) II এটি কৌশলগত অস্র সীমিতকরণ চুক্তি ২ নামে পরিচিত। 
- স্বাক্ষর: ১৮ জুন, ১৯৭৯,
- স্থান: ভিয়েনা, অস্ট্রিয়া,
- আলোচনা: ১৯৭২ থেকে ১৯৭৯, 
- শর্ত: চুক্তিতে নতুন ক্ষেপনাস্র কার্যক্রম নিষিদ্ধ ,
- স্বাক্ষরকারী: যুক্তরাষ্ট্রের জিমি কার্টার এবং সোভিয়েত নেতা লিউনিদ ব্রেজনেভ। 

অপরদিকে,
- ২৬ মে, ১৯৭২ সালে যুক্তরাষ্ট্র ও রাশিয়ার মধ্যে আন্তর্জাতিক নিরস্ত্রীকরণ বিষয়ক দ্বিপাক্ষিক চুক্তি Strategic Arms Limitation Talk - 1 (SALT-1) স্বাক্ষরিত হয়।
- ABM চুক্তি স্বাক্ষরের স্থান - মস্কো।


উৎস: ব্রিটিনিকা এবং US department of state. 
৩২.
যুক্তরাষ্ট্রের গোয়েন্দা সংস্থা-
  1. CIA
  2. FBI
  3. RAW
  4. ক ও খ
ব্যাখ্যা
এফ.বি.আই/FBI: 

• FBI এর পূর্ণরূপ Federal Bureau of Investigation। FBI মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা।
• এটি বিশ্বের সবচেয়ে দক্ষ ও বড় নিরাপত্তা এবং অপরাধ দমন সংস্থা হিসাবে বিবেচনা করা হয়। বলা হয়ে থাকে যে, যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট থেকে শুরু করে একজন ভবঘুরে পর্যন্ত সবার তথ্যই এই গোয়েন্দা সংস্থার কাছে রয়েছে।
• যুক্তরাষ্ট্রের অভ্যন্তরীন নিরাপত্তা নিশ্চিত করা - এই সংস্থার প্রধান লক্ষ্য।
• প্রতিষ্ঠা - জুলাই, ১৯০৮ সাল।
• সদরদপ্তর - ওয়াশিংটন। যুক্তরাষ্ট্রের সব রাজ্যেই এর অফিস রয়েছে।
• সেন্ট্রাল ইন্টেলিজেন্স এজেন্সি (Central Intelligence Agency)-C.I.A,
- সদর দপ্তর: যুক্তরাষ্ট্রের ভার্জিনিয়ায়।



উল্লেখ্য,
• RAW এর পূর্ণরূপ Research and Analysis Wing (RAW) ভারতের কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা।

উৎস: ব্রিটানিকা এবং সংশ্লিষ্ট গোয়েন্দা সংস্থার ওয়েবসাইট।