পরীক্ষা আর্কাইভ

ভূগোল, পরিবেশ ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা

পরীক্ষাভূগোল, পরিবেশ ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনাতারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়07 minutes
মোট প্রশ্ন১৩
সিলেবাস
পরীক্ষা – ৭ টপিক: রিভিশন (পরীক্ষা – ৫ ও ৬) [Live Class 7 to 11]
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

ভূগোল, পরিবেশ ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা

ভূগোল, পরিবেশ ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা · তারিখ অনির্ধারিত · ১৩ প্রশ্ন

.
মার্গুই দ্বীপপুঞ্জ কোন উপসাগরের অন্তর্গত?
  1. গিনি উপসাগর
  2. মেক্সিকো উপসাগর
  3. পারস্য উপসাগর
  4. বঙ্গোপসাগর
ব্যাখ্যা
মার্গুই দ্বীপপুঞ্জ 
- মার্গুই দ্বীপপুঞ্জ মিয়ানমারের সর্ব দক্ষিণ-পূর্বে তেনাসেরিম নদীর উপকূলে অবস্থিত।
- এই দ্বীপপুঞ্জ 200 টিরও বেশি দ্বীপ নিয়ে গঠিত।
- এটি বঙ্গোপসাগরের অন্তর্গত।
- নয়নাভিরাম অশান্ত উপবন আর আদিম নির্জনতার আধার মিয়ানমারের এই দ্বীপপুঞ্জ।
এছাড়াও, 
- আন্দামান, নিকোবর ও সেন্টমার্টিন দ্বীপ বঙ্গোপসাগরের অন্তর্গত।
 
উল্লেখ্য, 
বঙ্গোপসাগর
- পৃথিবীর বৃহত্তম উপসাগর হল বঙ্গোপসাগর।
- বঙ্গোপসাগরের আয়তন - 21,73,000 বর্গ কিমি।
- এটি মোটামুটিভাবে 5°-22° উত্তর অক্ষাংশ এবং 80°-90° পূর্ব দ্রাঘিমাংশের মধ্যে অবস্থিত। 
- এই উপসাগরের পশ্চিমে শ্রীলঙ্কা এবং ভারত, উত্তরে বাংলাদেশ এবং মায়ানমার অবস্থিত।
- উপসাগরটি প্রায় 1,600 কিমি প্রশস্ত।
- গড় গভীরতা 8,500 ফুট (2,600 মিটার) এর বেশি। 
- সর্বোচ্চ গভীরতা 15,400 ফুট (4,694 মিটার)।
- মহানদী, গোদাবরী, কৃষ্ণা, কাবেরী, গঙ্গা এবং ব্রহ্মপুত্র - বেশ কয়েকটি বড় নদী বঙ্গোপসাগরে প্রবাহিত হয়েছে।

তথ্যসূত্র - ব্রিটানিকা।
.
সুয়েজ খাল বর্তমানে কোন দেশের মালিকানাধীন?
  1. মিশর
  2. ফ্রান্স
  3. যুক্তরাষ্ট্র
  4. ক + খ
ব্যাখ্যা
সুয়েজ খাল
- মিশরের সিনাই উপদ্বীপের পশ্চিমে সুয়েজ খাল অবস্থিত।
- এটি একটি কৃত্রিম সামুদ্রিক খাল।
- ভূমধ্যসাগর ও লোহিত সাগরকে যুক্ত করেছে এই খাল।
- নির্মাণকাল : ২৫ এপ্রিল, ১৮৫৯ - ১৭ নভেম্বর, ১৮৬৯।
- ১৮৬৯ সালে এটি সর্বসাধারণের জন্য উন্মুক্ত করা হয়।
- খালটি মিশরের সুয়েজ ক্যানেল অথরিটির মালিকানাধীন।
- এটি ১২০ মাইল বা ১৯৩.৩ কিমি দীর্ঘ।

তথ্য - ব্রিটানিকা।
.
ট্রপোমন্ডল মেরু অঞ্চলে কত কিলোমিটার পর্যন্ত বিস্তৃত?
  1. ১৯ কিমি প্রায়
  2. ৮ কিমি প্রায়
  3. ১৬ কিমি প্রায়
  4. ৫ কিমি প্রায়
ব্যাখ্যা
ট্রপোমন্ডল
- ট্রপোমন্ডল ভূপৃষ্ঠের নিকটতম স্তর।
- মেঘ, বৃষ্টি, বজ্রপাত, তুষারপাত সবই এই স্তরে ঘটে।
- তাই এই স্তরকে ক্ষুব্ধমন্ডলও বলা হয়।
- নিরক্ষীয় অঞ্চলে এই স্তরের বিস্তৃতি প্রায় ১৬-১৯ কিমি।
- মেরু অঞ্চলে এই স্তরের বিস্তৃতি প্রায় ৮ কিমি।
- বায়ুমণ্ডলের মোট ওজনের প্রায় ৭৫% ই এই স্তর বহন করে। 
- এই স্তরের শেষ প্রান্তের নাম ট্রপোবিরতি। 

উল্লেখ্য, 
বায়ুমণ্ডলকে পাঁচটি স্তরে ভাগ করা হয়েছে। যথা-
১. ট্রপোমণ্ডল,
২. স্ট্রাটোমন্ডল,
৩. মেসোমণ্ডল,
৪. তাপমণ্ডল ও
৫. এক্সোমণ্ডল।

তথ্যসূত্র - ভূগোল ও পরিবেশ, নবম দশম শ্রেণি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
স্ট্রাটোমন্ডলের বৈশিষ্ট নয় কোনটি?
  1. জলীয়বাষ্পপূর্ণ।
  2. অতিবেগুনি রশ্মি শোষণ করে।
  3. ওজোন সমৃদ্ধ।
  4. এই স্তর দিয়ে জেট বিমান চলাচল করে।
ব্যাখ্যা
স্ট্রাটোমন্ডল
- বায়ুমণ্ডলের দ্বিতীয় স্তর স্ট্রাটোমন্ডল।
- ভূপৃষ্ঠের নিকটতম স্তর ট্রপোমন্ডল এর পর ট্রপোবিরতি।
- ট্রপোবিরতি থেকে উপরে প্রায় ৫০ কিমি পর্যন্ত স্ট্রাটোমন্ডল বিস্তৃত।
- এই স্তর ওজোন সমৃদ্ধ বলে ক্ষতিকর অতিবেগুনি রশ্মি শোষণ করে।
- জলীয়বাষ্পহীন বলে এই স্তর শুষ্ক ও শান্ত।
- এই কারণে এই স্তর দিয়ে জেট বিমান চলাচল করে।

উল্লেখ্য, 
বায়ুমন্ডলকে পাঁচটি স্তরে ভাগ করা হয়েছে। যথা-
১. ট্রপোমণ্ডল,
২. স্ট্রাটোমন্ডল,
৩. মেসোমণ্ডল,
৪. তাপমণ্ডল ও
৫. এক্সোমণ্ডল।

তথ্যসূত্র - ভূগোল ও পরিবেশ, নবম দশম শ্রেনি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
সমুদ্র থেকে দূরবর্তী এলাকার ক্ষেত্রে কোনটি সঠিক?
  1. দিনরাত্রির তাপমাত্রার তেমন পার্থক্য হয় না।
  2. শীত-গ্রীষ্ম উভয়ই চরম হয়।
  3. দিন বড় হয় ও রাত ছোট হয়।
  4. রাত বড় হয় ও দিন ছোট হয়।
ব্যাখ্যা
জলবায়ু ও তাপমাত্রার উপর সমুদ্র উপকূল এর দূরত্বের প্রভাব 
- সমুদ্র উপকূল থেকে দূরের এলাকায় স্থলভাগ জলভাগ অপেক্ষা যেমন দ্রুত উষ্ণ হয়, আবার দ্রুত ঠান্ডাও হয়। 
- এ জন্য সমুদ্রতীর থেকে দূরবর্তী এলাকায় শীত-গ্রীষ্ম উভয়ই তীব্র বা চরম হয়।
-  গ্রীষ্মকালে মহাদেশের মধ্য ভাগের তাপমাত্রা অনেক বেশী থাকে, আবার শীতকালে প্রচণ্ড শীত অনুভূত হয়।
- এ ধরনের জলবায়ুকে চরমভাবাপন্ন বা মহাদেশীয় জলবায়ু বলে। 

অন্যদিকে, 
- সমুদ্র নিকটবর্তী এলাকায় শীত-গ্রীষ্ম এবং দিনরাত্রির তাপমাত্রার তেমন পার্থক্য হয় না।
- এই ধরনের জলবায়ুকে সমভাবাপন্ন জলবায়ু বলে।

উল্লেখ্য,
- কোনো এলাকার প্রতি দিনের গড় তাপ, চাপ, বায়ুপ্রবাহ, আর্দ্রতা ও বৃষ্টিপাতের তথ্যের ভিত্তিতে সামগ্রিক যে অবস্থা প্রকাশ পায় তাকেই সেই  আবহাওয়া বলে।
- সাধারণত কোনো এলাকার ৩০ থেকে ৪০ বছরের গড় আবহাওয়াজনিত অবস্থাকে জলবায়ু বলে।
- সাধারণত বৃহৎ এলাকাজুড়ে জলবায়ু পরিমাপ করা হয়ে থাকে।
- আবহাওয়া সম্পর্কীয় বিজ্ঞান মেটিওরোলজি (Meteorology) নামে পরিচিত।

উৎস- ভূগোল প্রথম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
পৃথিবীর জলবায়ু অঞ্চলের অন্তর্ভুক্ত নয় কোনটি?
  1. নিরক্ষীয় জলবায়ু অঞ্চল
  2. নাতিশীতোষ্ণ অঞ্চল
  3. মেরু দেশীয় অঞ্চল
  4. পার্বত্য ও উচ্চভূমি অঞ্চল
ব্যাখ্যা
জলবায়ু অঞ্চল
- ভূপৃষ্ঠের আবহাওয়া ও জলবায়ুর উপাদানগুলি প্রায় একই প্রকৃতির, ভূপৃষ্ঠের যেসব স্থানের জলবায়ুর প্রধান উপাদানসমূহ এবং জলবায়ুগত বৈশিষ্ট্য; যেমন- উষ্ণতা, বৃষ্টিপাত, আর্দ্রতা, বায়ুর চাপ, বায়ুর বেগ, মেঘ, বাষ্পীভবন প্রভৃতি প্রায় একই ধরনের, সেইসব স্থানকে একত্রে জলবায়ু অঞ্চল বলে।
- পৃথিবীর জলবায়ু অঞ্চল ৪ টি।
- সেগুলো হলো:
১. উষ্ণ জলবায়ু অঞ্চল,
২. নাতিশীতোষ্ণ অঞ্চল,
৩. মেরু দেশীয় অঞ্চল,
৪. পার্বত্য ও উচ্চভূমি অঞ্চল।

অন্যদিকে, 
- নিরক্ষরেখার উভয়দিকে 5°-10° উত্তর ও দক্ষিণ অক্ষরেখার মধ্যে বিস্তৃত অঞ্চলের জলবায়ুর প্রধান উপাদানগুলির বৈশিষ্ট্য একইরকম হওয়ায় এই অঞ্চলকে নিরক্ষীয় জলবায়ু অঞ্চল বলে।
- কিন্তু নিরক্ষীয় জলবায়ু অঞ্চল পৃথিবীর ৪টি জলবায়ু অঞ্চলের অন্তর্ভুক্ত নয়।

উৎস- ভূগোল প্রথম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেনি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
রোয়ারিং ফর্টিস অঞ্চলে কোন বায়ু প্রবাহিত হয়?
  1. প্রত্যয়ন বায়ু
  2. পশ্চিমা বায়ু
  3. নিয়ত বায়ু
  4. সবগুলোই
ব্যাখ্যা
রোয়ারিং ফর্টিস ও প্রত্যয়ন বায়ু 
- প্রত্যয়ন বায়ু পশ্চিম দিক থেকে প্রবাহিত হয়ে পুর্ব দিকে যায়।
- এই জন্য এই বায়ুকে পশ্চিমা বায়ুও বলা হয়।
- প্রত্যয়ন বায়ুর প্রবাহের দিক একই থাকে বলে এটি নিয়ত বায়ুর অন্তর্ভুক্ত।
- রোয়ারিং ফর্টিস বা গর্জনশীল চল্লিশ অঞ্চলে প্রত্যয়ন বা পশ্চিমা বায়ু প্রবাহিত হয়; যা একপ্রকার নিয়ত বায়ু।
- দক্ষিণ গোলার্ধের ৪০ থেকে ৪৭০ দক্ষিণ অক্ষাংশে প্রত্যয়ন বায়ুর গতিবেগ সর্বোচ্চ।
- তাই এই অঞ্চলকে রোয়ারিং ফর্টিস বা গর্জনশীল চল্লিশ বলে।

উল্লেখ্য, 
- বায়ুপ্রবাহ প্রধানত ৪ প্রকার। যথা - 
১. নিয়ত বায়ু,
২. সাময়িক বায়ু,
৩. স্থানীয় বায়ু, 
৪. অনিয়মিত বায়ু।

- নিয়ত বায়ু আবার ৩ প্রকার। যথা -
ক. অয়ন বায়ু বা বাণিজ্য বায়ু,
খ. প্রত্যয়ন বায়ু বা পশ্চিমা বায়ু,
গ. মেরু বায়ু।

তথ্যসূত্র - ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।
.
বঙ্গবন্ধু মানমন্দিরের অবস্থান কোথায়?
  1. ২৩.৫ ডিগ্রি উত্তর অক্ষরেখা ও ৯০ ডিগ্রি পূর্ব দ্রাঘিমারেখার ছেদবিন্দুতে
  2. ২৩.৫ ডিগ্রি উত্তর অক্ষরেখা ও ৯০ ডিগ্রি পূর্ব দ্রাঘিমারেখার মধ্যবিন্দুতে
  3. ২৩.৫ ডিগ্রি পূর্ব দ্রাঘিমারেখা ও ৯০ ডিগ্রি উত্তর অক্ষরেখার ছেদবিন্দুতে
  4. ২৩.৫ ডিগ্রি পূর্ব দ্রাঘিমারেখা ও ৯০ ডিগ্রি উত্তর অক্ষরেখার মধ্যবিন্দুতে
ব্যাখ্যা
বঙ্গবন্ধু মানমন্দির
- ২৩.৫ উত্তর অক্ষরেখাকে কর্কট ক্রান্তি রেখা বলে।
- এ রেখাটি ১১টি জেলার ভেতর দিয়ে অতিক্রম করেছে।
- এগুলো হল চুয়াডাঙ্গা, ঝিনাইদহ, মাগুরা , রাজবাড়ি, ফরিদপুর, ঢাকা, মুন্সীগঞ্জ , নারায়ণগঞ্জ, কুমিল্লা, খাগড়াছড়ি ও রাঙামাটি।
- ৯০ পূর্ব দ্রাঘিমারেখাও বাংলাদেশের উপর দিয়ে অতিক্রম করে।
- কর্কট ক্রান্তি(২৩.৫ উত্তর অক্ষরেখা) এবং ৯০ পূর্ব দ্রাঘিমা রেখা ফরিদপুরের ভাঙ্গা উপজেলায় ছেদ করেছে।
- এই ছেদবিন্দুতেই নির্মাণ করা হবে বঙ্গবন্ধু মানমন্দির।
- প্রতি বছর জুন মাসের ২১ তারিখ দুপুর ১২টার সময় কেউ যদি এই স্থানে দাঁড়ায় এবং আকাশে মেঘ না থাকে তাহলে আবিষ্কার করবে সূর্য ঠিক মাথার উপর এবং সেজন্য সেখানে তার কোনো ছায়া পড়ছে না। 

উল্লেখ্য, 
- পৃথিবীতে তিনটি পূর্ব পশ্চিম বিস্তৃত রেখা আছে, সেগুলো হলো কর্কট ক্রান্তি, মকর ক্রান্তি ও বিষুব রেখা।
- ঠিক এ রকম চারটি উত্তর দক্ষিণ বিস্তৃত রেখা আছে, সেগুলো হলো শূন্য ডিগ্রি, ৯০ ডিগ্রি, ১৮০ ডিগ্রি এবং ২৭০ ডিগ্রি দ্রাঘিমারেখা।
- চারটি উত্তর দক্ষিণ রেখা এবং তিনটি পূর্ব পশ্চিম রেখা, সব মিলিয়ে বারো জায়গায় ছেদ করেছে।
- ১২টি বিন্দুর ১০টি বিন্দুই পড়েছে সাগরে মহাসাগরে।
- এর মধ্যে শুধু দুইটি ছেদবিন্দু পড়েছে স্থলভাগে। এর একটি পড়েছে সাহারা মরুভূমিতে আর অন্য বিন্দুটি বাংলাদেশে, ফরিদপুরের ভাঙ্গা উপজেলায়। 

তথ্যসূত্র- একটি স্বপ্ন, ড. মুহাম্মদ জাফর ইকবাল।
.
মিয়ানমারের কোন কোন রাজ্যের সাথে বাংলাদেশের সীমানা রয়েছে?
  1. আরাকান ও কাচিন
  2. আরাকান ও শান
  3. আরাকান ও চিন
  4. আরাকান ও ইরাবতী
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ-মিয়ানমারের আন্তর্জাতিক সীমানা
- বাংলাদেশের সাথে মিয়ানমারের সীমান্তদৈর্ঘ্য ২৭১ কিমি।
- রাঙামাটি, বান্দরবান ও কক্সবাজার; এই তিন জেলার সাথে মিয়ানমারের সীমানা রয়েছে।
- মিয়ানমারের আরাকান ও চিন; এই দুই রাজ্যের সাথে বাংলাদেশের সীমানা রয়েছে।
- নাফ নদী এই দুই দেশকে পৃথক করেছে।

উল্লেখ্য, 
- বাংলাদেশের মোট সীমান্ত - ৫১৩৮ কিমি।
- উপকূলীয় সীমানা - ৭১১ কিমি।
- ভারতের সাথে সীমান্তদৈর্ঘ্য - ৪১৫৬ কিমি।চ
- ভারতের ৫ টি রাজ্যের সাথে বাংলাদেশের সীমানা রয়েছে। এগুলো হলো,
১. পশ্চিমবঙ্গ,
২. আসাম,
৩. ত্রিপুরা,
৪. মেঘালয়,
৫. মিজোরাম

তথ্যসূত্র- বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ ওয়েবসাইট।
১০.
সমুদ্রের তলদেশে বাংলাদেশ ভূখণ্ডের সীমানা কত?
  1. ১২ নটিক্যাল মাইল
  2. ১২০ নটিক্যাল মাইল
  3. ২০০ নটিক্যাল মাইল
  4. ৩৫০ নটিক্যাল মাইল
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের সমুদ্রসীমা
- ২০১২ সালে ITLOS এবং ২০১৪ সালে PCA যথাক্রমে মিয়ানমার ও ভারত সাথে সমুদ্রসীমা নিয়ে করা মামলায় বাংলাদেশের পক্ষে রায় দেয়।
- এই রায়ের ফলে বাংলাদেশ মোট ১,১৮,৮১৩ বর্গ কিমি সমুদ্রসীমা অর্জন করে। 
- বর্তমানে বাংলাদেশের রাজনৈতিক সমুদ্রসীমা - ১২ নটিক্যাল মাইল।
- অর্থনৈতিক সমুদ্রসীমা - ২০০ নটিক্যাল মাইল।
- মহীসোপান বা সমুদ্রের তলদেশে বাংলাদেশ ভূখণ্ডের সীমানা - উপকূল থেকে ৩৫০ নটিক্যাল মাইল।

উল্লেখ্য, 
- ১ নটিক্যাল মাইল = ১.৮৫২ কিমি।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, নবম-দশম শ্রেণি।

১১.
বাংলাদেশের পূর্ব থেকে পশ্চিমে সর্বোচ্চ বিস্তৃতি কত??
  1. ৭৬০ কিমি
  2. ৪৪০ কিমি
  3. ৭৪০ কিমি
  4. ৪৬০ কিমি
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের ভৌগোলিক পরিচিতি :
- বাংলাদেশ দক্ষিণ এশিয়ার একটি দেশ।
- এই দেশের ভূখণ্ডগত বিস্তৃতি ১৪৭, ৫৭০ বর্গ কিলোমিটার, যা গ্রীসের চাইতে সামান্য বড়। 
- এর ভৌগোলিক অবস্থান ২০°৩৪´ উ থেকে ২৬°৩৮´ উ অক্ষাংশ এবং ৮৮°০১´ পূ থেকে ৯২°৪১´ পূ দ্রাঘিমাংশে।
- পূর্ব থেকে পশ্চিমে এর সর্বোচ্চ বিস্তৃতি প্রায় ৪৪০ কিমি
- উত্তর উত্তর-পশ্চিম থেকে দক্ষিণ দক্ষিণ-পূর্বে সর্বোচ্চ বিস্তৃতি ৭৬০ কিমি। 
- বাংলাদেশের সর্বপূর্বের : স্থান : আখাইনঠং, উপজেলা : থানচি জেলা : বান্দরবান।
- সর্বপশ্চিমের: - স্থান : মনাকষা - উপজেলা : শিবগঞ্জ - জেলা : চাঁপাইনবাবগঞ্জ। 
- সর্বদক্ষিণের: - স্থান : ছেঁড়া দ্বীপ - উপজেলা : টেকনাফ - জেলা : কক্সবাজার।
- সর্বউত্তরের:- স্থান : বাংলাবান্দা - উপজেলা: তেঁতুলিয়া- জেলা : পঞ্চগড়।
- বাংলাদেশ ৮টি মূল প্রশাসনিক অঞ্চল সমন্বয়ে গঠিত, যা বিভাগ নামে পরিচিত। এগুলো হলো বরিশাল, চট্টগ্রাম, ঢাকা, খুলনা, রাজশাহী, সিলেট, ময়মনসিংহ এবং রংপুর বিভাগ।
- এসকল বিভাগের অধীনে রয়েছে ৬৪টি জেলা এবং এই ৬৪টি জেলাকে বিভক্ত করা হয়েছে মোট ৪৯৫টি উপজেলায়।

তথ্যসূত্র- জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
১২.
হিমালয় পর্বত উত্থিত হওয়ার সময়কালীন পাহাড়সমূহ বাংলাদেশের বর্তমান মোট ভূমির কত অংশ জুড়ে বিস্তৃত ?
  1. ৮ %
  2. ১০ %
  3. ১১ %
  4. ১২ %
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের ভূ-প্রকৃতি
- অপার্থিব সৌন্দর্যের এই বাংলাদেশ ঋতু-রুপে যেমন বৈচিত্র্যময়, তেমনি তার ভুমিরুপেরও আছে বৈচিত্র্য। 
- ভূ-প্রকৃতি অনুসারে বাংলাদেশ কে তিনটি ভাগে ভাগ করা হয়েছে । যথা - 
১. টারশিয়ারি যুগের পাহাড়সমূহ।
২. প্লাইস্টোসিন কালের সোপান ভূমি।
৩. সাম্প্রতিককালের প্লাবন সমভূমি।

- বাংলাদেশের মোট ভূমির ১২% অংশ জুড়ে টারশিয়ারি যুগের পাহাড়সমূহ রয়েছে। 
- আজ থেকে প্রায় ৭০ মিলিয়ন বা ৭ কোটি বৎসর পূর্বে টারশিয়ারি যুগে হিমালয় পর্বত উত্থিত হওয়ার প্রক্রিয়ায় এসব পাহাড় সৃষ্টি হয়েছে।
- এই টারশিয়ারি যুগ আজ থেকে ৬ কোটি ৬০ লক্ষ বছর থেকে ২০ লক্ষ বছর আগে পর্যন্ত  বিস্তৃত। 
- অবস্থান অনুসারে বাংলাদেশের টারশিয়ারি পাহাড়কে দুই ভাগে ভাগ করা হয়েছে। যথা –
১. উত্তর-পূর্বাঞ্চল এর পাহাড়।
২. দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চল এর পাহাড়।

অন্যদিকে,
- বাংলাদেশের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলের বরেন্দ্রভূমি , ময়মনসিংহ ও টাংগাইলের মধুপুর , গাজীপুরের  ভাওয়ালের গড় এবং কুমিল্লার লালমাই পাহাড় প্লাইস্টোসিন কালে ( আজ থেকে প্রায় ২৫০০০ বছর পূর্বে) গঠিত ভূমিরূপ । বাংলাদেশের মোট ভূমির ৮% এই যুগে গঠিত । 
- বাকি ৮০% ভূমিই সাম্প্রতিককালের প্লাবন সমভূমি।

তথ্যসূত্র – ভূগোল ও পরিবেশ (বাউবি), বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় (নবম দশম শ্রেণি)।
১৩.
ভূ-প্রকৃতি অনুযায়ী কোন অঞ্চলটি বাকিগুলোর চেয়ে আলাদা?
  1. বরেন্দ্রভূমি 
  2. সিলেট জেলার পাহাড়সমূহ
  3. মধুপুর ও ভাওয়ালের গড়
  4. লালমাই পাহাড় 
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের ভূ-প্রাকৃতিক বৈচিত্র্য
- বাংলাদেশের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলের বরেন্দ্রভূমি , ময়মনসিংহ ও টাংগাইলের মধুপুর , গাজীপুরের ভাওয়ালের গড় এবং কুমিল্লার লালমাই পাহাড় প্লাইস্টোসিন কালে গঠিত ভূমিরূপ।
- আজ থেকে প্রায় ২৫০০০ বছর পূর্বের সময়কে প্লাইস্টোসিন কাল বলা হয়।
- বাংলাদেশের মোট ভূমির ৮% এই যুগে গঠিত। 

অন্যদিকে, 
- দেশের উত্তর ও দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলে পার্ব্যত্য চট্রগ্রাম ও সিলেট জেলার পাহাড়সমূহ টারশিয়ারি যুগে উত্থিত ভূমি। 
- আজ থেকে প্রায় ৭০ মিলিয়ন বা ৭ কোটি বৎসর পূর্বে টারশিয়ারি যুগে হিমালয় পর্বত উত্থিত হওয়ার প্রক্রিয়ায় এসব পাহাড় সৃষ্টি হয়েছে।
- এই টারশিয়ারি যুগ আজ থেকে ৬ কোটি ৬০ লক্ষ বছর থেকে ২০ লক্ষ বছর আগে পর্যন্ত বিস্তৃত। 
উল্লেখ্য, 
- ভূ-প্রকৃতি অনুসারে বাংলাদেশ কে তিনটি ভাগে ভাগ করা হয়েছে। যথা - 
১. টারশিয়ারি যুগের পাহাড়সমূহ।
২. প্লাইস্টোসিন কালের সোপান ভূমি।
৩. সাম্প্রতিককালের প্লাবন সমভূমি।

তথ্যসূত্র – ভূগোল ও পরিবেশ (বাউবি ), বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় (নবম দশম শ্রেণি)।