পরীক্ষা আর্কাইভ

১৪০ দিনে ৫১তম বিসিএস প্রস্তুতি

পরীক্ষা১৪০ দিনে ৫১তম বিসিএস প্রস্তুতিতারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়22 minutes
মোট প্রশ্ন১৭
সিলেবাস
পরীক্ষা - ৮: রিভিশন পরীক্ষা [অভিজ্ঞদের জন্য বিসিএস প্রস্তুতি বাটনের বিগত ৩টি পরীক্ষার টপিকের উপর রিভিশন পরীক্ষা।]
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

১৪০ দিনে ৫১তম বিসিএস প্রস্তুতি

১৪০ দিনে ৫১তম বিসিএস প্রস্তুতি · তারিখ অনির্ধারিত · ১৭ প্রশ্ন

.
'Life is but a walking shadow.' is an example of -
  1. Metaphor
  2. Simile
  3. Irony
  4. Oxymoron
সঠিক উত্তর:
Metaphor
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Metaphor
ব্যাখ্যা
• 'Life is but a walking shadow.' is an example of - Metaphor.

• Metaphor:
- Metaphor is an implicit comparison between two different things.
- যখন কোনো বাক্যে দুটি ভিন্ন বা বিজাতীয় জিনিসের মাঝে পরোক্ষভাবে বা রূপকার্থে তুলনা করা হয় তাকে বলা হয় Metaphor.
- সাধারণত Metaphor দ্বারা এমন দুইটি জিনিসের মধ্যে তুলনা দেওয়া হয় যারা একই রকম বা সদৃশ নয় কিন্তু তাদের মধ্যে কিছু সাধারণ মিল থাকে।
===============

অন্যদিকে, 
Simile:
• An explicit comparison between two different things is called - Simile 
- Usually as and like are used in it. In simile the resemblance is explicitly indicated by the words.
- দুটি ভিন্নধর্মী জিনিসের মধ্যে As  ও Like দ্বারা তুলনা বোঝালে তাকে Simile বলে।
- উপমেয়ের সাথে উপমানের সাদৃশ্য কল্পনা করা।
Ex: 'The bride hath paced into the hall, Red as a rose is she'.

• Difference Between Metaphor and Simile
- It can be difficult in some instances to distinguish between metaphor and simile as literary devices.
- Both are figures of speech designed to create comparisons.
- In fact, simile is a subset of metaphor. However, they are distinguished by the presence of one of two words: “like” and “as.”
- Metaphors create direct comparisons without using either of these words. Similes feature either like or as in making a comparison.
------------
• Metaphor এর আরো কিছু উদাহরণ হল - 
- Life is but a walking shadow.
- "She's all states, and all princes, I"
- "Revenge is a wild justice.
- All the world's a stage, And all the men and women merely players.

• অন্য অপশনের মধ্যে -
• Oxymoron
- পরস্পরবিরোধী দুটি অর্থ একসাথে মিলে একটি অর্থ প্রকাশ করলে সেটি oxymoron-এর উদাহরণ।
- She is irregularly regular.
- এখানে irregularly regular পরস্পরবিরোধী শব্দের মাধ্যমে একটি অর্থ প্রকাশ পেয়েছে। 

• Irony:
- A statement or a situation or an action which actually means the opposite of its surface meaning.
- Irony হচ্ছে বক্তব্য জোরালো করতে নিজ চিন্তার সম্পূর্ণ বিপরীত কিছু বলে মনোভাব ব্যক্তকরণ; বক্রাঘাত।
- যেসব ঘটনা, অবস্থা ইত্যাদি এমনিতে কাম্য হলেও পরিস্থিতির দরুন মূল্যহীন বা অকিঞ্চিৎকর হয়ে পড়ে এবং সে কারণে দুর্দৈব নির্ধারিত বলে প্রতীয়মান হয়, বিড়ম্বনাকেও Irony বলে।
- শ্লেষবাক্য; তীক্ষ্ণ অভিঘাত সৃষ্টির উদ্দেশ্যে স্পষ্টরূপে প্রকাশিত বক্তব্যের পরিবর্তে ছলপূর্ণ কথার ব্যবহার।

Source: An ABC of English Literature by Dr M Mofizar Rahman.
.
'A dramatic technique of speaking alone on stage' is termed as -
  1. Aside
  2. Soliloquy
  3. Stanza
  4. Catharsis
সঠিক উত্তর:
Soliloquy
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Soliloquy
ব্যাখ্যা
• A dramatic technique of speaking alone on stage is - Soliloquy.
- A long, usually serious spoken discourse that a character in a play delivers to an audience and that reveals the character's thoughts.
- A passage in a drama in which a character expresses his thoughts or feelings aloud while either alone on the stage or with the other actors keeping silent.
- When a speaker speaks his thoughts aloud it is called Soliloquy.
- নাটকের কোন চরিত্র যখন নিজেই নিজের সাথে কথা বলে তার মনের ভাব প্রকাশ এবং অন্যরা নীরব থাকে, তখন তাকে Soliloquy বলে।
- Example: To be or not to be soliloquy in Hamlet by Shakespeare.

• অন্য অপশন গুলোর মধ্যে -
• Aside - In an aside only one character speaks but some other characters remain in the stage.
• Stanza - A division of a poem.
• Catharsis - The purgation of purification of pity and fear in tragedies.

Source: Live MCQ Lecture and An ABC of English Literature by Dr M Mofizar Rahman.
.
নিচের কোন জেলায় কঠিন শিলার খনি রয়েছে?
  1. সিলেট
  2. জামালগঞ্জ
  3. রংপুর
  4. দিনাজপুর
সঠিক উত্তর:
দিনাজপুর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দিনাজপুর
ব্যাখ্যা
কঠিন শিলা (Hard Rock):
- পাললিক শিলা থেকে পৃথক এবং সাধারণভাবে শক্ত, ঘন, কেলাসিত আগ্নেয় অথবা রূপান্তরিত শিলাকে কঠিন শিলা হিসেবে চিহ্নিত করা হয়।
- দিনাজপুর জেলার পার্বতীপুরের মধ্যপাড়ায় কঠিন শিলার খনি পাওয়া গিয়েছে।
- আবিষ্কারক ও আবিষ্কারের সন: জিএসবি, ১৯৭৪।
- গভীরতা: ১২৮ মিটার।
- মজুদ: ১৭১ মেট্রিক টন।

উৎস: খনিজ সম্পদ উন্নয়ন ব্যুরো ওয়েবসাইট।
.
বাংলাদেশকে কয়টি ভূ-কম্পন অঞ্চলে বিভক্ত করা হয়েছে?
  1. ২টি
  2. ৩টি
  3. ৪টি
  4. ৫টি
সঠিক উত্তর:
৪টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪টি
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের ভূ-কম্পন অঞ্চল:
- ২০১৬ সালে প্রকাশিত 'Bangladesh National Building Code' (BNBC) রিপোর্ট অনুযায়ী, সমগ্র বাংলাদেশকে চারটি ভূমিকম্পনীয় সংঘটিত অঞ্চলে বিভক্ত করা হয়।
- সর্বশেষ ২০২০ সালে প্রকাশিত রির্পোটেও সমগ্র বাংলাদেশকে চারটি ভূমিকম্প প্রবন অঞ্চলে বা Seismic Zone এ বিভক্ত করা হয়েছে।
- অঞ্চলগুলো হলো:
১. খুবই গুরুতর ভূমিকম্প প্রবন অঞ্চল:
- উত্তর ও উত্তর-পূর্বাঞ্চল (সিলেট, ময়মনসিংহ সহ উত্তরাঞ্চল)।
- এসব অঞ্চলের Seismic Zone Coefficient (Z) = 0.36
২. গুরুতর ভূমিকম্প প্রবন অঞ্চল:
- উচ্চ মধ্য, উত্তর-পশ্চিম অংশ ও দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চল (ব্রাহ্মণবাড়িয়া, চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, রংপুর ইত্যাদি জেলা)।
- এসব অঞ্চলের Seismic Zone Coefficient (Z) = 0.28
৩. মাঝারী ভূমিকম্প প্রবন অঞ্চল:
- নিম্ন মধ্য এবং উত্তর পশ্চিম অংশ (ঢাকা, কুমিল্লা, নাটোর, নোয়াখালী, পাবনা, সুন্দরবন ইত্যাদি)।
- এসব অঞ্চলের Seismic Zone Coefficient (Z) = 0.2
৪. কম ভূমিকম্প প্রবন অঞ্চল:
- দক্ষিন পশ্চিমাঞ্চল (রাজশাহী, বরিশাল, খুলনা, যশোর, সাতক্ষীরা ইত্যাদি)।
- এসব অঞ্চলের Seismic Zone Coefficient (Z) = 0.12

উল্লেখ্য, 
- BANGLADESH NATIONAL BUILDING CODE (BNBC) সর্বপ্রথম ১৯৯৩ সালে প্রকাশিত রিপোর্টে সমগ্র বাংলাদেশকে তিনটি ভূমিকম্প সংঘটন অঞ্চলে (Seismic Zone) বিভক্ত করে।
অঞ্চলগুলো হলো:
১. মারাত্মক ঝুঁকিপূর্ণ: উত্তর ও উত্তর-পূর্বাঞ্চল (রিখটার স্কেলে তীব্রতা -৭),
২. মাঝারি ঝুঁকিপূর্ণ: মধ্যাঞ্চল (রিখটার স্কেলে তীব্রতা ৬),
৩. কম ঝুঁকিপূর্ণ: দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চল (রিখটার স্কেলে তীব্রতা-৫)।
- পরে, ২০০৬ সালে প্রকাশিত রির্পোটেও তিনটি ভূমিকম্পনীয় সংঘটিত অঞ্চলে বিভক্ত করা হয়েছে।
- মাধ্যমিক ভূগোল ও পরিবেশ বইয়ের সর্বশেষ সংস্করণে ১৯৯৩ সালে প্রকাশিত রির্পোর্ট অনুসারে, ভূমিকম্পের প্রবণতার ভিত্তিতে সমগ্র বাংলাদেশকে ৩টি অঞ্চলে ভাগ করে দেখানো হয়েছে।

উৎস: বাংলাদেশ-জাতীয়-বিল্ডিং-কোড-(BNBC Seismic Design সমীক্ষার রিপোর্ট) ওয়েবসাইট।
.
ইউরোপে বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় ক্রেতা রাষ্ট্র কোনটি?
  1. পোল্যান্ড
  2. জার্মানি
  3. ইতালি
  4. ফ্রান্স
সঠিক উত্তর:
জার্মানি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জার্মানি
ব্যাখ্যা
রপ্তানি:

- এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে বাংলাদেশ সবচেয়ে বেশি রপ্তানি করে – জাপানে।
- জাপানে রপ্তানি হার ৩.৪৭%।
- দেশ হিসেবে একক দেশ হিসেবে রপ্তানি বাণিজ্যের সবচেয়ে বড় অংশীদার দেশ - যুক্তরাষ্ট্র।
- যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশের প্রধান রপ্তানি পণ্য তৈরি পোশাক।
- যুক্তরাষ্ট্রে রপ্তানি হার ৯৭.৩৭%।
- এছাড়াও জার্মানি, ফ্রান্সসহ ইউরোপের বেশ কয়েকটি দেশের সাথে বাংলাদেশের বাণিজ্য উদ্ধৃত্ত রয়েছে।
- অঞ্চল হিসাবে বাংলাদেশ সবচেয়ে বেশি রপ্তানি করে - ইউরোপীয় ইউনিয়নভুক্ত দেশসমূহে।
- ইউরোপে বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় ক্রেতা রাষ্ট্র - জার্মানি।
- ইউরোপের দেশগুলোতে বাংলাদেশের প্রধান রপ্তানি পণ্য তৈরি পোশাক।

তথ্যসূত্র - অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৩।
.
ইনপুট পেরিফেরাল নয় কোনটি?
  1. Image Setter
  2. OMR
  3. Scanner
  4. Digitizer
সঠিক উত্তর:
Image Setter
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Image Setter
ব্যাখ্যা
• পেরিফেরাল ডিভাইস:
- সাধারণত কম্পিউটারের সঙ্গে সংযুক্ত ইনপুট-আউটপুট ডিভাইসগুলোকে বলা হয় কম্পিউটার পেরিফেরালস।
- তথ্যপ্রবাহের দিক বিবেচনা করে কম্পিউটার পেরিফেরালকে সাধারণত তিনটি ভাগে ভাগ করা যায়। যথা- ইনপুট পেরিফেরাল, আউটপুট পেরিফেরাল এবং ইনপুট-আউটপুট পেরিফেরাল।

• ইনপুট পেরিফেরাল (Input Peripheral):
- কম্পিউটারের প্রক্রিয়াকরণের কাজে ডেটা প্রদানে নিয়োজিত হার্ডওয়্যারসমূহই হলো ইনপুট পেরিফেয়াল।
- কম্পিউটার সিস্টেমে ব্যবহৃত উল্লেখযোগ্য ইনপুট পেরিফেয়ালসমূহ হলো :
১। কি-বোর্ড (Keyboard)
৮। ওএমআর (OMR)
২। মাউস (Mouse)
৯। ওসিআর (OCR)
৩। ট্যাকবল (Trackball)
১০। স্ক্যানার (Scanner)
৪। জয়স্টিক (Joystick)
১১। ডিজিটাইজার (Digitizer)
৫। টাচ স্ক্রিন (Touch Screen)
১২। লাইটপেন (Lightpen )
৬। বার কোড রিডার (Bar Code Reader)
১৩। গ্রাফিক্স প্যাড (Graphics Pad)
৭। পয়েন্ট অফ সেল (Point of Sale )
১৪। ডিজিটাল ক্যামেরা (Digital Camera); ইত্যাদি।

- Image Setter একটি আউটপুট পেরিফেরাল।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
অনলাইনে গবেষণাপত্র প্রকাশ করা হলে তাকে কি বলে?
  1. ই-পেপার
  2. পেটেন্ট
  3. ই-জার্নাল
  4. ই-কন্টেন্ট
সঠিক উত্তর:
ই-জার্নাল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ই-জার্নাল
ব্যাখ্যা
• ই-জার্নাল:
- ই-জার্নাল হলো গবেষণা নথি বা প্রবন্ধের একটি ডিজিটাল সংস্করণ, যা ইন্টারনেটে প্রকাশ করা হয়।
- এর সুবিধাগুলো হলো, এটি যেকোনো সময় যে কোনো স্থান থেকে অ্যাক্সেস করা যায়, ডাউনলোড বা ই-মেইল করা যায় এবং এর কোনো নির্দিষ্ট অংশ বা পুরো জার্নালটি ইন্টারনেটে সার্চ করে বের করা যায় কিংবা পাঠ করা যায়।

• পেটেন্ট:
- পেটেন্ট হচ্ছে একচেটিয়া অধিকার, কোনো কিছু উদ্ভাবনের জন্য এটা অনুমোদন করা হয়।
- উদ্ভাবনটি হতে পারে একটি পণ্য বা একটি প্রক্রিয়া, যা কোনো কিছু সম্পাদনের নতুন পদ্ধতি প্রদান করে বা কোনো সমস্যার নতুন কারিগরি সমাধান প্রস্তাব করে।
- একটি পেটেন্ট তার মালিককে তার উদ্ভাবনের সুরক্ষা প্রদান করে।
- সীমিত সময়ের জন্য এই সুরক্ষা সাধারণত ২০ বছর পর্যন্ত বলবৎ থাকে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।
.
অনলাইন শপিং পদ্ধতি আবিস্কার করেন কে?
  1. এডউইন অলড্রিন
  2. মাইকেল অল্ডরিচ
  3. টিম বার্নাস লী
  4. ই এফ কড
সঠিক উত্তর:
মাইকেল অল্ডরিচ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মাইকেল অল্ডরিচ
ব্যাখ্যা
- ইন্টারনেটের মাধ্যমে কোনো পণ্য বা সেবা ক্রয় করা হলে, তাকে অনলাইন শপিং বলা হয়।
- ইংল্যান্ডের সাসেক্সে মাইকেল অল্ডরিচ (Michael Aldrich) ১৯৭৯ সালে অনলাইন শপিং পদ্ধতি আবিষ্কার করেন।
- এর মাধ্যমে ক্রেতা ঘরে বসেই যে কোনো পণ্য পছন্দ ও ক্রয় করতে পারে এবং একই সাথে ঘরে বসেই ঐ ক্রয়কৃত পণ্যের মূল্য পরিশোধ করতে পারে।
- ঘরে বসেই পণ্য ক্রয়-বিক্রয়, নিরাপদে তার মূল্য পরিশোধ করার সুবিধা এবং পণ্য বিপণন ও ক্রয়- বিক্রয়ের কাজটি সহজ হবার কারণে আজকাল ঘরে বসে ই-কমার্স বা অনলাইন শপিং-এর মাধ্যমে কেনাকাটা অধিকতর সুবিধাজনক হয়ে উঠেছে।
- তথ্য প্রযুক্তির সুবিধা গ্রহণের মাধ্যমে ব্যবসায় পরিচালিত হবার কারণে ই-কমার্সকে ব্যবসায় বাণিজ্যের আধুনিক পদ্ধতি হিসেবে অভিহিত করা হয়।
- এজন্য ই-কমার্সকে বিশ্বগ্রামের অন্যতম সুফল হিসেবে চিহ্নিত করা যায়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।
.
অর গেইট ও নট গেইটের সমষ্টি কোনটি?
  1. NOR Gate
  2. AND Gate
  3. NAND Gate
  4. XNOR Gate
সঠিক উত্তর:
NOR Gate
উত্তর
সঠিক উত্তর:
NOR Gate
ব্যাখ্যা
• নর (NOR) গেইট:
- নর (NOR) গেইট হচ্ছে অর গেইট ও নট গেইটের সমষ্টি।
- অর গেইটের আউটপুটকে নট গেইটের মধ্য দিয়ে প্রবাহিত করলে নর গেইট তৈরি হয়।
- অর গেইট যে কাজ করে নর গেইট তার বিপরীত কাজ করে। নিচে ২ ইনপুট বিশিষ্ট নর গেইটের সত্যক সারণি ও চিত্র দেখানো হলো :

                   চিত্র: নর গেইট


উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১০.
বিভিন্ন জিনিসপত্রের সাথে ইন্টারনেটের সংযোগকে কী বলে?
  1. IoT
  2. AI
  3. VR
  4. Compact Computing
সঠিক উত্তর:
IoT
উত্তর
সঠিক উত্তর:
IoT
ব্যাখ্যা
• ইন্টারনেট অব থিংস বা আইওটি (Internet of Things -IoT):
- বিভিন্ন জিনিসপত্রের সাথে ইন্টারনেটের সংযোগকে ইন্টারনেট অব থিংস বা সংক্ষেপে আইওটি বলা হয়।
- আমাদের চারপাশে প্রতিদিনকার জীবনে আমরা যেসব যন্ত্রপাতি ব্যবহার করি- এসি, কফি মেকার, টেম্পারেচার কন্ট্রোল, ফ্যান, টিভি, দরজার ইলেক্ট্রিক লক গাড়ির গ্যারেজের দরজা, গাড়ি ইত্যাদি সবই ইন্টারনেটের মাধ্যমে নিজের মুঠোফোন থেকে পৃথিবীর যেকোনো জায়গায় বসে নিয়ন্ত্রণের উপায়কেই ‘ইন্টারনেট অফ থিংস বা আইওটি' বলা হয়।
- বিভিন্ন প্রয়োজনীয় যন্ত্র বা জিনিসপত্রকে অটোমেটিক করার জন্য এসবের সাথে কম্পিউটার সিস্টেম সংযুক্ত থাকে।
- এই প্রযুক্তিতে আমাদের ঘরের বিভিন্ন ইলেক্ট্রনিক যন্ত্রপাতি যেমন টিভি, ফ্রিজ, লাইট প্রভৃতি ইন্টারনেট-এর সাথে সংযুক্ত করে এগুলোকে দূর থেকে নিয়ন্ত্রণ করা যায়।
- আইওটি প্রযুক্তি বাস্তবায়ন করা গেলে স্মার্ট টাচ ল্যাম্প, কফি মেকার মেশিন হবে এমন একটি যন্ত্র, যা নিজে থেকেই প্রয়োজনের সময় ল্যাম্প অন/অফ করবে অথবা তাকে স্মার্টফোন দিয়ে নিয়ন্ত্রণ করা যাবে।
- এছাড়াও হোম সিকিউরিটি ডিভাইস দিয়ে বাসার সিকিউরিটি নিশ্চিত করা যাবে, কারো অনুপস্থিতিতে কেউ তার বাসায় প্রবেশ করলে টেক্সটের মাধ্যমে সামগ্রিক অবস্থা জানিয়ে দেবে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।
১১.
ইংরেজি ভাষায় লেখা প্রথম বাংলা ব্যাকরণের রচয়িতা -
  1. উইলিয়াম কেরি
  2. নাথানিয়েল ব্রাসি হ্যালহেড
  3. মানোএল দা আসসুম্পসাঁউ
  4. রামমোহন রায়
সঠিক উত্তর:
নাথানিয়েল ব্রাসি হ্যালহেড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নাথানিয়েল ব্রাসি হ্যালহেড
ব্যাখ্যা
ব্যাকরণ ও বাংলা ব্যাকরণ:
- ব্যাকরণে ভাষার স্বরূপ ও প্রকৃতি নিয়ে আলোচনা করা হয়।
- ব্যাকরণের কাজ ধ্বনি, শব্দ, বাক্য ইত্যাদি বিশ্লেষণের মাধ্যমে ভাষার মধ্যকার সাধারণ কিছু বৈশিষ্ট্য খুঁজে বের করা। 
- যে বিদ্যাশাখায় বাংলা ভাষার স্বরূপ ও প্রকৃতি বর্ণনা করা হয় তাকে বাংলা ব্যাকরণ বলে। 

• প্রথম বাংলা ব্যাকরণ প্রকাশিত হয় ১৭৪৩ সালে পর্তুগিজ ভাষায়।
- এর লেখক ছিলেন মানোএল দা আসসুম্পসাঁউ।
- তাঁর বাংলা-পর্তুগিজ অভিধানের ভূমিকা অংশ হিসেবে তিনি এটি রচনা করেন।

• ১৭৭৮ সালে প্রকাশিত হয় নাথানিয়েল ব্রাসি হ্যালহেড প্রণীত ইংরেজি ভাষায় রচিত পূর্ণাঙ্গ একটি বাংলা ব্যাকরণ।
- বইটির নাম 'এ গ্রামার অব দি বেঙ্গল ল্যাঙ্গুয়েজ'।

• ১৮০১ সালে উইলিয়াম কেরি এবং ১৮২৬ সালে রামমোহন রায় ইংরেজি ভাষায় আরো দুটি উল্লেখযোগ্য বাংলা ব্যাকরণ রচনা করেন।
- ১৮৩৩ সালে প্রকাশিত রামমোহন রায়ের 'গৌড়ীয় ব্যাকরণ' বাংলা ভাষায় রচিত প্রথম বাংলা ব্যাকরণ।

উৎস: মাধ্যমিক বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি (২০২২ সংস্করণ)।
১২.
কম্পিত ব্যঞ্জনধ্বনি কোনটি?
সঠিক উত্তর:
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্যাখ্যা
ব্যঞ্জনধ্বনি:
যেসব ধ্বনি উচ্চারণের সময়ে বায়ু মুখের বাইরে বের হওয়ার আগে বাক্প্র‌ত্যঙ্গের বিভিন্ন জায়গায় বাধা পায়, সেগুলোকে ব্যঞ্জনধ্বনি বলে।

• ব্যঞ্জনধ্বনি উচ্চারণের সময়ে ঠোঁট, জিভ, জিভমূল ইত্যাদি বাক্প্র‌ত্যঙ্গের আকৃতিগত পরিবর্তন হয়। এতে বায়ুপথে সৃষ্ট বাধার ধরন আলাদা হয়ে উচ্চারণের প্রকৃতি বদলে যায়।
- উচ্চারণের এই প্রকৃতি অনুযায়ী ব্যঞ্জনধ্বনিকে কয়েকটি ভাগে ভাগ করা যায়।
যথা: স্পৃষ্ট ব্যঞ্জন, নাসিক্য ব্যঞ্জন, উষ্ম ব্যঞ্জন, পার্শ্বিক ব্যঞ্জন, কম্পিত ব্যঞ্জন, তাড়িত ব্যঞ্জন ইত্যাদি।

উষ্ম ব্যঞ্জন:
যেসব ব্যঞ্জনধ্বনি উচ্চারণের সময়ে দুটি বাক্প্র‌ত্যঙ্গ কাছাকাছি এসে নিঃসৃত বায়ুতে ঘর্ষণ সৃষ্টি করে, সেগুলোকে উষ্ম ব্যঞ্জন বলে।
- সালাম, শসা, হুঙ্কার প্রভৃতি শব্দের স, শ, উষ্ম ধ্বনির উদাহরণ।
- উচ্চারণস্থান অনুসারে উষ্ম ব্যঞ্জন ধ্বনিগুলোকে দন্তমূলীয় (স), তালব্য (শ), এবং কণ্ঠনালীয় (হ) - এই তিন ভাগে ভাগ করা যায়।
এগুলোর মধ্যে স এবং শ-কে আলাদাভাবে শিস ধ্বনিও বলা হয়ে থাকে। কারণ স, শ উচ্চারণে শ্বাস অনেকক্ষণ ধরে রাখা যায় এবং শিসের মতো আওয়াজ হয়।

পার্শ্বিক ব্যঞ্জন:
যে ব্যঞ্জনধ্বনি উচ্চারণের সময়ে জিভের ডগা দন্তমূল স্পর্শ করে এবং ফুসফুস থেকে আসা বাতাস জিভের দুই পাশ দিয়ে বেরিয়ে যায়, তাকে পার্শ্বিক ব্যঞ্জন বলে।
- লাল শব্দে '' পার্শ্বিক ব্যঞ্জনধ্বনির উদাহরণ।

কম্পিত ব্যঞ্জন:
যে ধ্বনি উচ্চারণের সময়ে জিভ একাধিক বার অতি দ্রুত দন্তমূলকে আঘাত করে বায়ুপথে বাধা সৃষ্টি করে, তাকে কম্পিত ব্যঞ্জন বলে।
- কর, ভার, হার প্রভৃতি শব্দের '' কম্পিত ব্যঞ্জনধ্বনির উদাহরণ।

তাড়িত ব্যঞ্জন:
যে ধ্বনি উচ্চারণের সময়ে জিভের সামনের অংশ দন্তমূলের একটু উপরে অর্থাৎ মূর্ধায় টোকা দেওয়ার মতো করে একবার ছুঁয়ে যায়, তাকে তাড়িত ব্যঞ্জন বলে।
- বাড়ি, মূঢ় প্রভৃতি শব্দের ড়, ঢ় তাড়িত ব্যঞ্জনধ্বনির উদাহরণ।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০২২ সংস্করণ)।
১৩.
নিচের কোনটি একটি তেজস্ক্রিয় পদার্থ?
  1. রেডন
  2. রেডিয়াম
  3. থোরিয়াম
  4. সবগুলোই
সঠিক উত্তর:
সবগুলোই
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সবগুলোই
ব্যাখ্যা
তেজস্ক্রিয়তা: 
- কয়েকটি বিশেষ ধরনের নিঃসরণ করে ভারী নিউক্লিয়াসগুলো স্বতঃস্ফূর্তভাবে ভেঙ্গে যাওয়ার প্রক্রিয়াকে তেজস্ক্রিয়তা বলে। 
- ১৮৯৬ খ্রিস্টাব্দে হেনরি বেকারেল তেজস্ক্রিয়তা আবিষ্কার করেন। 
- পারমাণবিক বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্র বা পারমাণবিক অস্ত্র তৈরির কারখানা থেকে দুর্ঘটনা বা পরীক্ষা-নিরীক্ষার ফলে বের হয়ে আসা তেজস্ক্রিয় পদার্থ দিয়ে মাটির মারাত্মক দূষণ হয়ে থাকে। 
- তেজস্ক্রিয় পদার্থ যেমন: রেডন (Rn), রেডিয়াম (Ra), থোরিয়াম (Th), ইউরেনিয়াম (U) ইত্যাদি শুধু মাটির উর্বরতাই নষ্ট করে না, এরা প্রাণীদেহের ত্বক ও ফুসফুসের ক্যান্সারের কারণ হতে পারে। 
- উচ্চমাত্রায় তেজস্ক্রিয়তার ফলে গাছপালা মরে যায়। এছাড়া অন্যান্য খাদ্যশৃংখলের মাধ্যমে এরা প্রাণীদেহে প্রবেশ করে ভয়াবহ রোগ সৃষ্টি করে। 

উৎস: বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
১৪.
বরফ কোন প্রক্রিয়ায় তাপ শোষণ করে পানিতে পরিণত হয় আবার সেই পানি থেকে সমপরিমাণ তাপ অপসারণ করে সমআয়তনের বরফে পরিণত হয়?
  1. প্রত্যাবর্তী প্রক্রিয়া
  2. অপ্রত্যাবর্তী প্রক্রিয়া
  3. সমোষ্ণ প্রক্রিয়া
  4. উভমুখী প্রক্রিয়া
সঠিক উত্তর:
প্রত্যাবর্তী প্রক্রিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রত্যাবর্তী প্রক্রিয়া
ব্যাখ্যা
প্রত্যাবর্তী ও অপ্রত্যাবর্তী প্রক্রিয়া: 
- কোনো সিস্টেম যখন এক অবস্থা থেকে অন্য অবস্থায় যায় বা পরিবর্তিত হয়, তখন অবস্থার এ পরিবর্তন দু'ভাবে সংঘটিত হতে পারে। 
যথা- 
১। প্রত্যাবর্তী বা উভমুখী প্রক্রিয়া (Reversible Process) এবং 
২। অপ্রত্যাবর্তী বা একমুখী প্রক্রিয়া (Irreversible Process) । 

প্রত্যাবর্তী প্রক্রিয়া: 
- যে প্রক্রিয়া বিপরীতমুখী হয়ে প্রত্যাবর্তন করে এবং সম্মুখবর্তী ও বিপরীতমুখী প্রক্রিয়ার প্রতি স্তরে তাপ ও কাজের ফলাফল সমান ও বিপরীত হয়, সে প্রক্রিয়াকে প্রত্যাবর্তী বা প্রত্যাগামী প্রক্রিয়া বলে। 

উদাহরণ-১: বরফ তাপ শোষণ করে পানিতে পরিণত হয়। এখন যদি সেই পানি থেকে সমপরিমাণ তাপ অপসারণ করে সমআয়তনের বরফ পাওয়া যায়, তবে এটি প্রত্যাবর্তী প্রক্রিয়ার একটি উদাহরণ। 

উদাহরণ-২: স্থিতিস্থাপক সীমার মধ্যে খুব ধীরে ধীরে কোনো স্প্রিংকে সম্প্রসারণ করতে প্রতি ধাপে স্প্রিং এর উপর যে পরিমাণ কাজ করা হবে, সংকোচনের সময় স্প্রিংটিও সেই একই পরিমাণ কাজ সম্পন্ন করবে। 

উদাহরণ-৩: অল্প উপর থেকে একটি স্থিতিস্থাপক বলকে একটি স্থিতিস্থাপক ইস্পাত পাতের উপর ফেলা হলে বলটি যদি | প্রাথমিক উচ্চতা পর্যন্ত উপরে উঠে আসে তবে বোঝা যাবে যে, শক্তির কোনো অপচয় হয়নি। সুতরাং প্রক্রিয়াটি প্রত্যাবর্তী। 

অপ্রত্যাবর্তী প্রক্রিয়া: 
- যে প্রক্রিয়া বিপরীতমুখী হয়ে প্রত্যাবর্তন করতে পারে না অর্থাৎ সম্মুখবর্তী ও বিপরীতমুখী প্রতি স্তরে তাপ ও কাজের ফলাফল সমান ও বিপরীত হয় না তাকে অপ্রত্যাবর্তী প্রক্রিয়া বলে। 
- প্রকৃতিতে যে সমস্ত পরিবর্তন বা রূপান্তর নিজ থেকেই ঘটে সেগুলোকে স্বতঃস্ফূর্ত পরিবর্তন বলে। যেমন- তাপ সবসময়ই উচ্চতর তাপমাত্রা থেকে নিম্নতর তাপমাত্রার দিকে প্রবাহিত হবে, বস্তু সবসময়ই উঁচু থেকে নিচুতে পড়তে থাকে। 

উদাহরণ-১: দুটি বস্তুর মধ্যে ঘর্ষণের ফলে যে তাপ সৃষ্টি হয় তা একটি অপ্রত্যাবর্তী প্রক্রিয়া। কারণ ঘর্ষণের বিরুদ্ধে যে কাজ হয় তাই তাপে রূপান্তরিত হয় এবং এ উৎপাদিত তাপকে কোনো প্রকারেই কাজে রূপান্তরিত করা যায় না। 

উদাহরণ-২: তাপমাত্রার পার্থক্য আছে এমন দুটি বস্তুকে তাপীয় সংস্পর্শে রাখলে তাপ সবসময়ই অধিক তাপমাত্রার বস্তু হতে কম তাপমাত্রার বস্তুতে প্রবাহিত হবে। কিন্তু কখনোই কম তাপমাত্রার বস্ত্র হতে অধিক তাপমাত্রার বস্তুতে তাপ প্রবাহিত হবে না। সুতরাং এটি একটি অপ্রত্যাবর্তী প্রক্রিয়া।

উদাহরণ-৩: বৈদ্যুতিক রোধের মধ্য দিয়ে বিদ্যুৎ প্রবাহ চালনা করলে তাপের সৃষ্টি হয়। এটি একটি অপ্রত্যাবর্তী প্রক্রিয়া। 

উৎস: পদার্থ প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৫.
কোন পদার্থের বেলায় আস্তঃআণবিক দূরত্ব সবচেয়ে বেশি হয়?
  1. কঠিন পদার্থ
  2. তরল পদার্থ
  3. গ্যাসীয় পদার্থ
  4. কোনোটিই নয়
সঠিক উত্তর:
গ্যাসীয় পদার্থ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ্যাসীয় পদার্থ
ব্যাখ্যা
কঠিন পদার্থ: 
- কঠিন পদার্থের বেলায় আন্তঃআণবিক দূরত্ব সবচেয়ে কম এবং আন্তঃআণবিক আকর্ষণ সর্বাধিক থাকে। 
- কঠিন পদার্থের নির্দিষ্ট আকৃতি ও আয়তন থাকে। 
- কঠিন অবস্থায় অণুর স্থানান্তর ও আবর্তন গতি প্রায় থাকে না; তবে অণুসমূহের কম্পন গতি থাকে। 
- যেহেতু তাপমাত্রা বাড়লে আন্তঃআণবিক দূরত্ব কিছুটা বাড়ে ও অণুর কম্পন বাড়ে; সেহেতু তাপমাত্রা বৃদ্ধির সাথে সাথে কঠিন পদার্থের আয়তন কিছুটা বাড়ে, তবে এ বৃদ্ধি খুবই কম। 

তরল পদার্থ: 
- তরল পদার্থে আন্তঃআণবিক আকর্ষণ ও অণুর স্থানান্তর গতি প্রায় সমান থাকে। 
- তরল পদার্থের নির্দিষ্ট আকৃতি নেই। 
- কিন্তু যেহেতু তরল অবস্থাতেও কণাসমূহ পরস্পরের যথাসম্ভব সন্নিকটে থাকে; সেহেতু তরল পদার্থের নির্দিষ্ট আয়তন আছে। 
- যেহেতু তাপমাত্রা বাড়ালে অণুসমূহের স্থানান্তর, আবর্তন ও কম্পন গতি বৃদ্ধি পায়, তাই তরল পদার্থের আয়তনও তাপমাত্রা বৃদ্ধির সাথে সাথে বাড়ে। 
- কিন্তু এক্ষেত্রেও আয়তন বৃদ্ধি খুব বেশি নয়; কেননা, তিন প্রকার গতি বৃদ্ধি পেলেও কণাসমূহ পরস্পরের যথাসম্ভব সন্নিকটে অবস্থান করে। 
- তবে তরল পদার্থের অণুসমূহ কঠিন পদার্থের তুলনায় কম সুশৃঙ্খল থাকে। 

গ্যাসীয় পদার্থ: 
- গ্যাসীয় পদার্থের বেলায় আস্তঃআণবিক দূরত্ব সবচেয়ে বেশি ও আন্তঃআণবিক আকর্ষণ সবচেয়ে কম থাকে। 
- তাই গ্যাসীয় অবস্থায় অণুসমূহ সবচেয়ে বেশি বিশৃঙ্খল অবস্থায় থাকে। 
- তখন অণুসমূহ অধিকতর কম্পন, আবর্তন ও স্থানাস্তর গতি সহকারে আন্তঃআণবিক আকর্ষণকে উপেক্ষা করে মুক্তভাবে চলাচল করে। 
- তখন অণুসমূহ পরস্পর থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে। 
- তাই গ্যাসের নির্দিষ্ট আকৃতি ও আয়তন নেই। 
- যেহেতু অণুসমূহ আর পরস্পরের নিকটে থাকে না, সেহেতু গ্যাসীয় অবস্থায় পদার্থের আয়তন কঠিন বা তরল অবস্থা থেকে অনেক বেশি হয়। 

উৎস: রসায়ন প্রথম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি (হাজারী নাগ)।
১৬.
নিচের কোনটি দিক রাশির উদাহরণ?
  1. দৈর্ঘ্য
  2. সরণ
  3. দ্রুতি
  4. কাজ
সঠিক উত্তর:
সরণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সরণ
ব্যাখ্যা
ভৌত রাশি: 
- কিছু কিছু ভৌত রাশিকে প্রকাশের জন্য শুধুমাত্র মানের প্রয়োজন হয়। আবার কিছু কিছু ভৌত রাশিকে প্রকাশের জন্য মান ও দিক উভয়ের প্রয়োজন হয়। 
- এজন্য এদের বৈশিষ্ট্য অনুসারে ভৌত রাশিগুলোকে দুই ভাগে ভাগ করা হয়েছে। 
যথা- 
ক) স্কেলার রাশি বা অদিক রাশি এবং 
খ) ভেক্টর রাশি বা দিক রাশি। 

স্কেলার রাশি বা অদিক রাশি: 
- যেসব ভৌত রাশির শুধুমাত্র মান আছে কিন্তু দিক নেই, তাদেরকে স্কেলার রাশি বা অদিক রাশি বলা হয়। 
যেমন- দৈর্ঘ্য, ভর, সময়, দ্রুতি, কাজ, তাপমাত্রা ইত্যাদি। 

 ভেক্টর রাশি বা দিক রাশি: 
- যেসব ভৌতরাশির মান ও দিক উভয়ই আছে, তাদেরকে ভেক্টর রাশি বা দিক রাশি বলা হয়। 
যেমন- সরণ, ওজন, বেগ, ত্বরণ, বল ইত্যাদি। 

ভেক্টর রাশির ধর্ম: 
- ভেক্টর রাশিগুলো কিছু মৌলিক নিয়ম বা ধর্ম অনুসরণ করে। 
যেমন- 
১. ভেক্টর রাশির মান ও দিক আছে। 
২. সমজাতীয় ভেক্টরসমূহকে যোগ করা যায় কিন্তু ভিন্ন প্রকৃতির ভেক্টর যোগ করা যায় না। 
৩. দুটি ভেক্টর রাশির ভেক্টর গুণফল একটি ভেক্টর রাশি। 
৪. দুটি ভেক্টর রাশির স্কেলার গুণফল একটি স্কেলার রাশি। 
৫. ভেক্টরের যোগ, বিয়োগ, গুণ সাধারণ গাণিতিক নিয়ম মেনে চলে না। 
৬. ভেক্টর রাশিকে উপাংশে বিভক্ত করা যায়। 

উৎস: পদার্থ প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৭.
কোন পদার্থের মধ্য দিয়ে বিদ্যুৎ সহজেই প্রবাহিত হতে পারে?
  1. কাঁচ
  2. লোহা
  3. সিলিকন
  4. জার্মেনিয়াম
সঠিক উত্তর:
লোহা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
লোহা
ব্যাখ্যা
অপরিবাহী: 
- যেসব পদার্থের মধ্য দিয়ে আধান প্রবাহিত হতে পারে না, সে সব পদার্থকে অপরিবাহী বলে। 
যেমন - কাঁচ, কাঠ, প্লাস্টিক ইত্যাদি। 

পরিবাহী: 
- যেসব পদার্থের মধ্য দিয়ে আধান সহজে প্রবাহিত হতে পারে, সে সব পদার্থকে পরিবাহী বলে। 
যেমন - রূপা, তামা, লোহা ইত্যাদি। 

অর্ধপরিবাহী: 
- কিছু কিছু পদার্থ আছে যাদের তড়িৎ পরিবহন ক্ষমতা পরিবাহী এবং অপরিবাহী পদার্থের মাঝামাঝি অর্থাৎ যার মধ্য দিয়ে তড়িৎ প্রবাহ করতে পারে কিন্তু তা পরিবাহীর চেয়ে অনেক কম, কিন্তু অপরিবাহীর চেয়ে বেশী এদেরকে অর্ধপরিবাহী বলে। 
যেমন- জার্মেনিয়াম, সিলিকন ইত্যাদি। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।