ব্যাখ্যা
কায়কোবাদ রচিত কাব্যগ্রন্থ- মহাশ্মশান, কুসুম কানন, বিরহ বিলাপ, অশ্রুমালা, শিব মন্দির, অমিয়ধারা, শ্মশানভষ্ম, মহররম শরীফ ইত্যাদি।
উৎসঃ শীকর বাংলা প্রশ্ন-পাঠ, মোহসীনা নাজিলা।
DPE · ১৬ নভেম্বর, ২০২০ · ৮০ প্রশ্ন
কায়কোবাদ রচিত কাব্যগ্রন্থ- মহাশ্মশান, কুসুম কানন, বিরহ বিলাপ, অশ্রুমালা, শিব মন্দির, অমিয়ধারা, শ্মশানভষ্ম, মহররম শরীফ ইত্যাদি।
উৎসঃ শীকর বাংলা প্রশ্ন-পাঠ, মোহসীনা নাজিলা।
বাংলা উপন্যাসের জনক বলা হয় বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়কে।
আনন্দমঠ, দেবী চৌধুরানী ও সীতারাম তাঁর ত্রয়ী উপন্যাস।
তাঁর রচিত অন্যান্য উপন্যাস- দুর্গেশনন্দিনী, মৃণালিনী, ইন্দিরা, যুগলাঙ্গুরীয়, চন্দ্রশেখর, রজনী, রাধারানী, বিষবৃক্ষ, কৃষ্ণকান্তের উইল, রাজসিংহ।
উৎসঃ লাইভ এমসিকিউ লেকচার।
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর রচিত নাটক - রাজা ও রাণী, বিসর্জন, কালের যাত্রা, ডাকঘর, রাজা, অচলায়তন, তাসের দেশ, বসন্ত, নটীর পূজা, চণ্ডালিকা, শ্যামা ইত্যাদি।
উৎসঃ মোহসীনা নাজিলা রচিত শীকর বাংলা ভাষা ও সাহিত্য বই।
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর তাঁর কালের যাত্রা নাটকটি শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়কে উৎসর্গ করেন।
এছাড়াও তিনি নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসুকে 'তাসের দেশ' নাটক,
কাজী নজরুল ইসলামকে 'বসন্ত' নাটক,
ভিক্টোরিয়া ওকাম্পোকে পূরবী কাব্যগ্রন্থ উৎসর্গ করেন।
উৎসঃ লাইভ এমসিকিউ লেকচার।
গণন, গণনা [গনোন্, গনোনা] (বিশেষ্য)
১ সংখ্যা গণনার কাজ; অঙ্ক করা বা কষা।
২ অবধারণ; নিরূপণ; নির্ধারণ (বিচারে দোষী বলে গণনা)।
৩ হিসাব (বৎসর গণনা)।
৪ গ্রাহ্য বা স্বীকারকরণ (শ্রদ্ধেয় বলে গণনা)।
৫ উল্লেখ; বর্ণনা; নির্দেশ (শয়তান হিসাবে গণনা)।
৬ (জ্যোশা) রাশি-ক্ষেত্রের সাহায্যে ভবিষ্যৎ শুভাশুভ স্থিরীকরণ।
উৎসঃ বাংলা একাডেমি অভিধান।
গৃহিণী (বিশেষ্য)
১ গৃহকর্ত্রী।
২ পত্নী; স্ত্রী।
(পুংলিঙ্গ) গৃহী।
গৃহিণীপনা (বিশেষ্য)
১ গৃহিণীর দায়িত্ব পালনে দক্ষতা।
২ গৃহিণীর আচরণ।
৩ (ব্যঙ্গার্থ) অল্পবয়স্কা বালিকার পাকামি অথবা গৃহিণীসুলভ ব্যবহার; অল্পবয়সীর প্রবীণার ন্যায় আচরণ।
উৎসঃ বাংলা একাডেমি অভিধান।
প্রশ্নের অংশটি অপাদানে দ্বিতীয়া বিভক্তি।
যা থেকে কিছু বিচ্যুত, জাত, বিরত, আরম্ভ, উৎপন্ন, দূরীভূত ও রক্ষিত হয় এবং যা দেখে কেউ ভীত হয়, তাকেই অপাদান কারক বলে। যেমনঃ
বাবাকে বড্ড ভয় পাই,
ট্রেন স্টেশন ছেড়েছে,
গাছ হতে ফলটি পড়ল।
উৎসঃ নবম-দশম শ্রেণীর বাংলা ব্যাকরণ বই
যাকে স্বত্ব ত্যাগ করে দান, অর্চনা, সাহায্য ইত্যাদি করা হয় তাকে সম্প্রদান কারক বলে।
সাধারণত পূজা/অর্চনা স্বত্ব ত্যাগ করে করা হয়। প্রশ্নোক্ত বাক্যটিকে ''কার পূজার ছলে'' দিয়ে প্রশ্ন করলে উত্তর পাওয়া যায় তোমার! আবার ''তোমার'' শব্দটিতে ''র'' বিভক্তি আছে।
তাই ''তোমার'' শব্দটি এখানে সম্প্রদান কারকে ষষ্ঠী বিভক্তি।
উৎসঃ বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা-ড. সৌমিত্র শেখর এবং বাংলা ভাষার ব্যাকরণ-নবম দশম শ্রেণি।
যে সমাসে সমস্যমান পদগুলো নিত্য সমাসবদ্ধ থাকে, ব্যাসবাক্যের প্রয়োজন হয় না, তাকে নিত্য সমাস বলে। তদর্থবাচক ব্যাখ্যামূলক শব্দ বা বাক্যাংশ যোগে এগুলোর অর্থ বিশদ করতে হয়।
যেমন-
অন্য গ্রাম = গ্রামান্তর,
কেবল দর্শন = দর্শনমাত্র,
অন্য গৃহ = গৃহান্তর,
কাল তুল্য সাপ = কালসাপ,
তুমি, আমি ও সে = আমরা,
দুই এবং নব্বই = বিরানব্বই।
সূত্রঃ বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি।
অলুক অর্থ হলো বিভক্তি লোপ পাবে না অর্থাৎ ব্যাসবাক্যে এবং সমস্ত পদে বিভক্তি বজায় থাকবে।
যে দ্বন্দ্ব সমাসে কোনো সমস্যমান পদের বিভক্তি লোপ পায় না, তাকে অলুক দ্বন্দ্ব বলে।
যেমন: দুধে-ভাতে, জলে-স্থলে, দেশে-বিদেশে, হাতে-কলমে।
যে তৎপুরুষ সমাসে পূর্বপদের দ্বিতীয়া বিভক্তি লোপ হয় না, তাকে অলুক তৎপুরুষ সমাস বলে।
যেমন- ঘিয়ে ভাজা = ঘিয়েভাজা, কলে ছাঁটা = কলেছাঁটা, কলের গান = কলেগান, গরুর গাড়ি = গরুগাড়ি ইত্যাদি।
যে বহুব্রীহি সমাসে পূর্ব বা পরপদের কোনো পরিবর্তন হয় না তাকে অলুক বহুব্রীহি বলে। অলুক বহুব্রীহি সমাসে সমস্ত পদটি বিশেষণ হয়।
যেমন - মাথায় পাগড়ি যার = মাথায়পাগড়ি, গলায় গামছা যার = গলায়গামছা, গায়ে এসে পড়ে যে = গায়েপড়া।
উৎসঃ বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০২১ ও ২০১৯ সংস্করণ)।
কেশ এর সমার্থক শব্দ চুল, কুন্তল, অলক, চিকুর, কেশপাশ, কেশদাম, কবরী।
অলিক এর সমার্থক শব্দ -কপাল, ভাগ্য, ললাট, নিয়তি, অদৃষ্ট।
উৎসঃ বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা- সৌমিত্র শেখর।
- নিরাকার (বিশেষণ) = আকারশূন্য; অবয়বহীন; নিরবয়ব; মূর্তিহীন; বিমূর্ত।
(তৎসম বা সংস্কৃত) নিঃ+আকার; বহুব্রীহি সমাস
- সাকার (বিশেষণ) = আকারবিশিষ্ট; মূর্তিমান।
(তৎসম বা সংস্কৃত) স+আকার
- আকার (বিশেষ্য) = মূর্তি; চেহারা; আকৃতি; গঠন।
(তৎসম বা সংস্কৃত) আ+ √কৃ+অ(ঘঞ্)
উপরের আলোচনা থেকে এটা প্রতীয়মান হয় যে,
'নিরাকার' শব্দের বিপরীতার্থক শব্দ - 'সাকার' ও 'আকার' দুটোই হয়।
তবে, প্রশ্নে 'সাকার' ও 'আকার' দুটিই থাকলে সেক্ষেত্রে "সাকার" বেশি গ্রহণযোগ্য।
কেননা, নিরাকার ও সাকার -দুটি শব্দই বিশেষণ।
উৎসঃ বাংলা একাডেমি আধুনিক অভিধান।
গৌরচন্দ্রিকা বাগধারাটির অর্থ ভূমিকা, সূচনা, অনুবন্ধ, প্রবর্তনা, প্রারম্ভ।
ভণিতা : কবিতায় কবির আত্মপরিচয়সূচক পদ (তার কবি-নাম বা ভণিতা হচ্ছে-এ(তৎসম বা সংস্কৃত) ওয়াজেদ আলী)।
টইটম্বুর, টইটুম্বুর (বিশেষণ) পরিপূর্ণ; সম্পূর্ণ ভরা; কানায় কানায় ভর্তি (যৌবনের যে রসঘন মূর্তি টইটম্বুর হয়ে উঠেছে-আবুল ফজল)।
উঠান ১, উঠোন : (আলঙ্কারিক) ধর্মান্ধ, কুসংস্কারাচ্ছন্ন ও ভীরু; কূপমণ্ডূক।
কুনো, কুণো (অশুদ্ধ) : যে ব্যাঙ ঘরের কোণের গর্তে বাস করে এবং কোণের গণ্ডীর বাইরে কাদচিৎ যায়; কূপমণ্ডূক।
গণেশ উল্টানোঃ উঠে যাওয়া, ফেল মারা, তুলে নেওয়া বুঝায়।
উৎসঃ বাংলা একাডেমি অভিধান ও মোহসীনা নাজিলা রচিত শীকর বাংলা ভাষা ও সাহিত্য।
অপশনগুলোতে সঠিক উত্তর নেই।
যে সকল ব্যঞ্জনসন্ধি কোনো নিয়ম না মেনে, বরং নিয়মের ব্যতিক্রম করে সন্ধি হয়, তাদেরকে নিপাতনে সিদ্ধ সন্ধি বলে।
যেমনঃ
আ + চর্য = আশ্চর্য
গো + পদ = গোষ্পদ
বন্ + পতি = বনস্পতি
বৃহৎ + পতি = বৃহস্পতি
তৎ + কর = তস্কর
পর্ + পর = পরস্পর
ষট্ + দশ = ষোড়শ
এক্ + দশ = একাদশ
পতৎ + অঞ্জলি = পতঞ্জলি
মনস্ + ঈষা = মনীষা
মনে রাখতে ছন্দ আকারে পড়ুনঃ
আশ্চর্য, গোষ্পদ
বনস্পতি, বৃহস্পতি
তস্কর, পরস্পর
ষোড়শ, একাদশ
পতঞ্জলি, মনীষা
উৎসঃ বাংলা ভাষার ব্যাকরণ-নবম দশম শ্রেণী।
ক্রিয়া প্রকৃতি বা ধাতুর সঙ্গে যেই প্রত্যয় যুক্ত হয়, তাকে কৃৎ প্রত্যয় বলে।
যেমন, ‘√নাচ’-এর সঙ্গে যুক্ত হওয়া ‘অন’ কৃৎ প্রত্যয়।
উৎসঃ বাংলা ভাষার ব্যাকরণ-নবম দশম শ্রেণী।
কুল কাঠের আগুন - তীব্র জালা।
কাঠের পুতুল - ব্যক্তিত্বহীন মানুষ।
কূপমণ্ডূক - সীমাবদ্ধ জ্ঞান।
এলাহী কাণ্ড - বিরাট আয়োজন।
উৎসঃ বাংলা ভাষার ব্যাকরণ - নবম দশম শ্রেণী ও শীকর বাংলা ভাষা ও সাহিত্য, মোহসীনা নাজিলা।
Poverty (noun) [Uncountable noun] দারিদ্র্য; দরিদ্রতা; দীনতা; দৈন্য; দরিদ্রদশা: live in poverty; fall into poverty; poverty of ideas.
Poverty-stricken (adjective) দারিদ্র্যপীড়িত: poverty-stricken houses.
Poorness নিয়ে কনফিউশন হলেঃ
বাংলা একাডেমি অভিধান হতে -
Poorness (noun) [Uncountable noun]
কোনো কাঙ্ক্ষিত গুণ বা উপাদানের অভাব (লক্ষণীয় যে 'poverty' সাধারণত ‘দারিদ্র্য’ বোঝায়); দীনতা; দৈন্য; হীনতা; অপকৃষ্টতা: the poorness of the soil মাটির রুক্ষতা/অনুর্বরতা।
Renew (verb transitive)
(১) পুনরায় নতুন করা; নবজীবন ও বীর্য দান করা; নবায়িত করা: renew one’s youth, নবযৌবন লাভ করা।
with renewed enthusiasm, নব উৎসাহে।
(২) পুনরায় পাওয়া, দেওয়া, করা বা বলা; নবায়ন করা: renew a lease/licence.
(৩) (একই জাতীয় বস্তু দিয়ে) শূন্যতা পূর্ণ করা: renew one’s supplies of victuals.
Renewable [রিন্যিঊআব্ল্] (adjective) নবায়নযোগ্য।
Renewal [রিন্যিঊআল্ America(n) রিনূআল্] (noun) [uncountable noun] নবায়ন; পুনরারম্ভ; নবায়িত কিছু।
Newness (noun) নতুনত্ব; অভিনবত্ব।
Anew (adverb) পুনরায়; আবার; নতুন করে।
Newly (adverb) (১) সম্প্রতি; ইদানীং; অধুনা; হালে: a newly married couple.
Newly-wed (noun) নবপরিণীত (ব্যক্তি)।
Achieve (verb transitive)
(১) অর্জন করা; সম্পন্ন/সমাধা করা/ নিষ্পন্ন করা; সফল হওয়া: Did you achieve what you wanted to do?
(২) প্রচেষ্টা দ্বারা লাভ করা; অর্জন করা: achieve success/distinction.
Achievable (adjective) অর্জনীয়; অর্জনযোগ্য, কৃতীসাধ্য।
Achievement (noun)
(১) [Uncountable noun] অর্জন; সিদ্ধি; সিদ্ধিলাভ।
(২) [Countable noun] অর্জিত বস্তু; কৃতিত্ব; সিদ্ধি; মহৎ কৃতী: literary achievements.
Commission (noun)
(১) [uncountable noun] অন্যকে ক্ষমতা অর্পণ; [countable noun] ক্ষমতা অর্পণের ঘটনা; যে বিষয়ে ক্ষমতা দেওয়া হয়।
(২) [uncountable noun] সম্পাদন: commission of crimes.
(৩) দালালি কমিশন।
(৪) কর্তৃত্ব অর্পণকারী সনদ; সেনাবাহিনীতে নিয়োগের সরকারি সনদ।
(৫) নির্দিষ্ট কর্মসম্পাদনে নিযুক্ত ব্যক্তিবর্গ; কমিশন: Public Service Commission.
In commission (জাহাজ সম্বন্ধে) প্রয়োজনীয় লোকজন ও জিনিসপত্র নিয়ে সমুদ্রযাত্রার জন্য প্রস্তুত।
Out of commission প্রয়োজনমতো নিয়োগের উদ্দেশ্যে পৃথক করে রাখা হয়েছে এমন; (লাক্ষণিক) কর্মবিরতি; সভ্য নয় এমন।
Commission (verb transitive) ক্ষমতা অর্পণ করা, কর্মভার অর্পণ করা; নিযুক্ত করা: He has been commissioned to write a book.
Commissioned (adjective) সরকারি সনদবলে নিযুক্ত: commission officer.
Active voice থেকে passive voice করার নিয়ম:
Active voice এর object টি passive voice এর subject হয়।
Tense অনুযায়ী auxiliary verb বসে এবং মূল verb এর past participle হয়।
Active voice এর subject টি passive voice এর object হয় এবং তার পূর্বে preposition (by, with, at, to, in বসে।
Said to থাকলে indirect speech এ told হবে এবং reporting verb এর tense কে অনুসরণ করে indirect speech এ পরিবর্তন আসবে।
এখানে তাই সঠিক indirect speech হবে- My father told me that they were going there the next day.
Disgruntled (adjective) অসন্তুষ্ট; হতাশ; মেজাজ বিগড়েছে এমন।
Grumble (verb intransitive), (verb transitive)
(১) grumble (at/about/over something) বিড়বিড়িয়ে ক্ষোভ বা অসন্তোষ প্রকাশ করা: She’s always grumbling.
(২) grumble (out) অসন্তোষভরে বলা: grumble (out) a reply.
(৩) মৃদু গর্জনধ্বনি করা: thunder grumbling in the distance.
Grumble (noun) [countable noun] ক্ষুব্ধ অসন্তুষ্ট বিড়বিড়ানি: She is full of grumbles.
Grumbler (noun) যে ব্যক্তি সর্বদা ক্ষোভে অসন্তোষে বিড়বিড় করে।
Amenable (adjective)
Amenable (to) (১) (ব্যক্তি) সংবেদনশীল; চালিত বা নিয়ন্ত্রিত হতে আগ্রহী এমন; বাধ্য; অনুগত: amenable to reason, যুক্তি মেনে চলে এমন।
(২) (আইন সম্বন্ধীয়) (ব্যক্তি) দায়ী; কতিপয় অবশ্যকরণীয় কাজ সম্পাদনে ব্যর্থ হলে শাস্তি পেতে হবে এমন অবস্থানগত: We are all amenable to the law.
(৩) (মামলা, পরিস্থিতি) পরীক্ষাযোগ্য বা নিষ্পত্তিযোগ্য: The case is not amenable to ordinary rules.
সঠিক বাক্য- (খ)।
অপশন (ক) তে Tense এর প্রয়োগে ভুল। সঠিক বাক্যটি হবে- I have been suffering from fever for a week.
অপশন (গ) এর সঠিক বাক্যটি হবে- Let you and him be the witness.
অপশন (ঘ) এর সঠিক বাক্যটি হবে- Rahim plays everyday.
সঠিক বাক্য- অপশন (গ)।
অপশন (ক) এর সঠিক বাক্যটি হবে- Matin is better than his brother.
অপশন (খ) এর সঠিক বাক্যটি হবে- Why have you done this?
অপশন (ঘ) এর সঠিক বাক্যটি হবে- Your conduct admits of no excuses.
Abolish - বাতিল করা বা রদ করা।
Cancel- বাতিল করা।
perform- সম্পাদন করা।
Create- সৃষ্টি করা।
Generate- সৃষ্টি করা।
ধরি, পুত্রের বর্তমান বয়স x বছর ও পিতার বর্তমান বয়স ৪x বছর।
প্রশ্নমতে,
৪x-৬ = ১০(x-৬)
⇒ ৪x-৬ = ১০x-৬০
⇒ ৬x = ৫৪
∴ x = ৯
∴ পুত্রের বর্তমান বয়স ৯ বছর ও পিতার বর্তমান বয়স (৪×৯) = ৩৬ বছর।
ধরি, সংখ্যা দুইটি ৫x ও ৮x।
প্রশ্নমতে,
(৫x+২) : (৮x+২) = ২:৩
বা, (৫x+২)/(৮x+২) = ২/৩
বা, ১৬x + ৪ = ১৫x +৬
∴ x = ২
সুতরাং সংখ্যা দুইটি (৫×২) = ১০ এবং (৮×২) = ১৬।
ইংরেজিতে ফেল করে = ১০০ - ৮৫ = ১৫ জন।
১৫ জন ফেল করলে পরীক্ষার্থীর সংখ্যা = ১০০ জন।
১ জন ফেল করলে পরীক্ষার্থীর সংখ্যা = ১০০/১৫ জন।
৭৫ জন ফেল করলে পরীক্ষার্থীর সংখ্যা = ১০০ X ৭৫/১৫ জন।
= ৫০০ জন।
ক্রয়মূল্য ১০০ টাকা হলে বিক্রয়মূল্য = ১৩০ টাকা।
ক্রয়মূল্য ১ টাকা হলে বিক্রয়মূল্য = ১৩০/১০০ টাকা।
ক্রয়মূল্য ১৫০ টাকা হলে বিক্রয়মূল্য = ১৩০ X ১৫০ / ১০০ টাকা।
= ১৯৫ টাকা।
বিক্রয়মূল্য ৩৬০০ টাকা হলে ২০% লাভে ক্রয়মূল্য (৩৬০০×১০০)/১২০ টাকা বা ৩০০০ টাকা।
আবার, বিক্রয়মূল্য ৩৬০০ টাকা হলে ২০% ক্ষতিতে ক্রয়মূল্য (৩৬০০×১০০)/৮০ টাকা বা ৪৫০০ টাকা।
মোট ক্রয় মূল্য = (৩০০০+৪৫০০) টাকা = ৭৫০০ টাকা
মোট বিক্রয় মূল্য = (৩৬০০+৩৬০০) টাকা = ৭২০০ টাকা।
∴ ক্ষতি হয়েছে (৭৫০০-৭২০০) টাকা = ৩০০ টাকা
১ম সেকেন্ডে উঠে ৩ মিটার
২য় সেকেন্ডে নামে ১ মিটার
∴ ২ মিটার উঠে ২ সেকেন্ডে
১০ মিটার উঠে ১০ সেকেন্ডে
∴ ১১ তম সেকেন্ডে আরো ৩ মিটার উঠে বাঁশটির চূড়ায় উঠবে অর্থ্যাৎ ১৩ মিটার উঠবে
∴ মোট সময় ১১ সেকেন্ড।
অবশিষ্ট আছে (৩০ - ৫) = ২৫ দিন
মোট লোক = ৪০ + ১০ = ৫০ জন
৪০ জনের খাবার আছে ২৫ দিনের।
∴ ৫০ জনের খাবার আছে = (৪০×২৫) / ৫০ = ২০ দিনের।
১/২ অংশ করতে লাগে ২০ দিন
১ অংশ করতে লাগে (২০ ÷ (১/২)) = ৪০ দিন
১৫ জন করে ৪০ দিনে
১ জন করে (৪০ × ১৫) দিনে
২০ জন করে (৪০ × ১৫)/২০ = ৩০ দিনে।
ধরি, পুত্রের বয়স = x বছর।
এবং পিতার বয়স = 5x বছর।
প্রশ্নমতে,
5x + 3 = 4(x + 3)
=> 5x - 4x = 12 - 3
∴ x = 9
সুতরাং পুত্রের বয়স = 9 বছর এবং পিতার বয়স = 5 X 9 = 45 বছর।
সদৃশ ত্রিভুজঃ
১। দুইটি ত্রিভুজের একটির দুই বাহু অন্যটির দুই বাহুর সাথে সমানুপাতিক এবং অন্তর্ভুক্ত কোনদ্বয় সমান।
২। দুইটি ত্রিভুজের একটির তিন বাহু অপরটির তিনবাহুর সাথে সমানুপাতিক।
৩। দুইটি ত্রিভুজের একটির তিন কোন অপরটির তিন কোনের সমান।
১ম পদ= ১১
২য় পদ = ১ম পদ + ৪ = ১১+৪ = ১৫;
৩য় পদ = ২য় পদ + ৮ = ১৫+৮ = ২৩;
৪র্থ পদ = ৩য় পদ + ১৬ = ২৩+১৬ = ৩৯;
৫ম পদ = ৪র্থ পদ + ৩২= ৩৯ + ৩২ = ৭১।
p + 1/p = 5
বা, (p + 1/p)3 = 53
বা, p3 + 1/p3 + 3 x p x 1/p (p + 1/p) = 125
বা, p3 + 1/p3 + 3 x 5 = 125
বা, p3 + 1/p3 = 125 - 15
∴ p3 + 1/p3 = 110
m2 + 8m+ 15
= m2 + 5m +3m + 15
= m(m + 5) +3(m + 5)
= (m + 5) (m + 3)
ওজনস্তর ক্ষয়ের জন্যে সবচেয়ে বেশি দায়ী ক্লোরোফ্লোরোকার্বন বা সিএফসি গ্যাস। এছাড়া ওজনস্তরের জন্যে ক্ষতিকর অন্যান্য গ্যাসসমূহের মধ্যে রয়েছে নাইট্রাস অক্সাইড, নাইট্রোজেন অক্সাইড, ব্রোমিন, মিথেন, মিথাইল ক্লোরাইড ইত্যাদি।
ওজনস্তর পৃথিবীর বায়ুমন্ডলের স্ট্র্যাটোস্ফিয়ারে অবস্থিত একটি আবরণ যা প্রাণীকুলকে সূর্যের অতিবেগুনী রশ্মি থেকে রক্ষা করে।
(সূত্রঃ এনসাক্লোপিডিয়া ব্রিটানিকা)
যে সকল পদার্থ একটি মাত্র উপাদান দিয়ে তৈরি, তাদেরকে মৌলিক পদার্থ বলে।
যেমন- লোহা, তামা, সোনা, রূপা হাইড্রোজেন, অক্সিজেন ইত্যাদি।
যে সব পদার্থ একের অধিক ভিন্নধর্মী উপাদান দিয়ে তৈরি, তাদেরকে যৌগিক পদার্থ বলা হয়।
যেমন- পানি, লবণ, চিনি, ইস্পাত ইত্যাদি।
বায়ু এক ধরণের মিশ্র পদার্থ যেখানে নাইট্রোজেন, অক্সিজেন, জলীয়বাষ্পসহ অন্যান্য পদার্থ থাকে। বায়ু এমন একটি মিশ্র পদার্থ যেখানে মৌলিক ও যৌগিক উভয় ধরণের পদার্থ রয়েছে।
[সূত্রঃ বিজ্ঞান সপ্তম শ্রেণি]
প্রোটিনের অভাবজনিত রোগঃ
খাদ্যে প্রোটিনের অভাব হলে 'মেরাসমাস' ও 'কোয়াশিয়রকর' নামক দুটি রোগ হয়।
মেরাসমাস রোগে পেশী ও মেদ ক্ষয় হয় ও চামড়া কুচকে যায়, দেহের বৃদ্ধি থেমে যায়, ওজন স্বাভাবিকের চেয়ে শতকরা ৬০ ভাগ কমে যায়, কম বয়সে এ রোগ হলে মস্তিষ্কের স্থায়ী ক্ষতি হতে পারে।
সাধারণত ২ - ৪ বছর বয়সে শিশুদের খাদ্যে আমিষের অভাব হলে কোয়াশিয়রকর রোগ হয়। এ রোগে শিশুদের দেহের বৃদ্ধি থেমে যায়, পেশী ক্ষয় হতে থাকে, পানি জমে শরীর ফুলে যায়, রক্তাল্পতা দেখা দেয় ও রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা হ্রাস পায়।
উৎসঃ নবম-দশম শ্রেণীর সাধারণ বিজ্ঞান বই (উন্মুক্ত)।
পড়ন্ত বস্তুর/গ্যালিলিওর প্রথম সূত্রঃ স্থির অবস্থান থেকে এবং একই উচ্চতা থেকে বিনা বাধায় পড়ন্ত সকল বস্তু সমান সময়ে সমান পথ অতিক্রম করে।
এই সূত্রানুসারে স্থির অবস্থান থেকে কোন বস্তু ছেড়ে দিলে তা যদি বিনা বাধায় মাটিতে পড়ে তাহলে মাটিতে পড়তে যে সময় লাগে তা বস্তুর ভর, আকৃতি বা আয়তনের উপর নির্ভর করে না। বিভিন্ন ভরের, আকারের ও আয়তনের বস্তুকে যদি একই উচ্চতা থেকে ছেড়ে দেওয়া হয় এবং এগুলো যদি বিনা বাধায় মুক্তভাবে পড়তে থাকে তাহলে সবগুলোই একই সময়ে মাটিতে পোঁছাবে।
উৎসঃ পদার্থবিজ্ঞান প্রথম পত্র, এইসএসসি।
ব্যারােমিটার - বায়ুমন্ডলের চাপ নির্ণায়ক যন্ত্র।
সেক্সট্যান্ট - সূর্য ও অন্যান্য গ্রহের কৌণিক উন্নতি পরিমাপক যন্ত্র।
সিসমোগ্রাফ - ভূমিকম্প নির্ণায়ক যন্ত্র।
ম্যানােমিটার - গ্যাসের চাপ নির্ণায়ক যন্ত্র।
ব্রহ্মপুত্র নদঃ
ব্রহ্মপদ নদ হিমালয় পর্বতের কৈলাস শৃঙ্গের মানস সরোবর থেকে উৎপন্ন হয়েছে। এরপর এটি তিব্বত ও আসামের ভিতর দিয়ে প্রবাহিত হয়ে কুড়িগ্রাম জেলার মধ্য দিয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করেছে। এই নদ ময়মনসিংহ জেলার দেওয়ানগঞ্জের কাছে দক্ষিণ-পূর্ব দিকে বাঁক নিয়ে ভৈরববাজারের দক্ষিণে মেঘনায় মিলিত হয়েছে।
- বাংলাদেশের ভিতরে এ নদের দৈর্ঘ্য প্রায় ২৭৭ কিলোমিটার।
- ধরলা ও তিস্তা ব্রহ্মপুত্রের প্রধান উপনদী।
- আর প্রধান শাখানদী হলো বংশী ও শীতলক্ষ্যা।
উৎসঃ নবম-দশম শ্রেণীর ভূগোল ও পরিবেশ বই (উন্মুক্ত)।
সৌরজগতের কেন্দ্রে অবস্থিত মাঝারি আয়তনের নক্ষত্র সূর্য। পৃথিবীর ব্যাস প্রায় ১৩,০০০ কিলোমিটার এবং সূর্যের ব্যাস প্রায় ১৪,০০০০০ কিলোমিটার।
সূর্যের আয়তন পৃথিবী অপেক্ষা প্রায় ১৩ লক্ষ গুণ বড়। পৃথিরী থেকে এর গড় দূরত্ব প্রায় ১৫০ মিলিয়ন কিলোমিটার।
সূর্য তার নিজস্ব গ্যালাক্সির চর্তুদিকে বৃত্তাকার পথে ২০ কোটি বছরে একবার প্রদক্ষিণ করে এবং নিজ কক্ষপথে প্রায় ২৫ দিনে একবার আবর্তন করে। সূর্যের কেন্দ্রভাগে তাপমাত্রা ৮ মিলিয়ন থেকে ৪০ মিলিয়ন ডিগ্রী সেলসিয়াস এবং পৃষ্ঠদেশের তাপমাত্রা প্রায় ৫,৭০০ ডিগ্রী সেলসিয়াস।
সূর্যের বিকিরণকৃত তাপের মাত্র ২০০ কোটি ভাগের ১ ভাগ পৃথিবীতে আসে। যার দরুণ ভূ-পৃষ্ঠে উদ্ভিদ ও প্রাণী বেঁচে থাকে।
উৎসঃ এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
সূর্যের চর্তুদিকে পৃথিবীর পরিভ্রমণের সময় পৃথিবী ২১ শে জুন তারিখে পৃথিবীর কক্ষপথের এমন এক স্থানে এসে পৌঁছে, যখন উত্তর মেরু সূর্যের দিকে সর্বাপেক্ষা বেশি (২৩.৫০) ঝুঁকে থাকে অর্থাৎ কর্কটক্রান্তি রেখায় সূর্য লম্বভাবে কিরণ দেয়।
বিপরীতক্রমে এই সময়ে দক্ষিণ মেরু বা মকরক্রান্তিতে পৃথিবী সূর্য হতে সবচেয়ে বেশি দূরুত্বে থাকে।
যার দরুণ দেখা যায়, ২১ শে জুন উত্তর গোলার্ধে দিন সবচেয়ে বড় এবং রাত্রি সবচেয়ে ছোট হয়।
অপরদিকে, দক্ষিণ গোলার্ধে, এই দিনটি সবচেয়ে ছোট এবং রাত্রি সবচেয়ে বড় হয়। দক্ষিণ গোলার্ধে সবচেয়ে ছোট দিন হওয়ার কারন এই দিনে সূর্য ও দক্ষিণ গোলার্ধের মধ্যে সবচেয়ে বেশি দূরত্ব থাকে।
উৎসঃ বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, নবম-দশম শ্রেণী।
উত্তর গোলার্ধে সবচেয়ে বড় দিন ও সবচেয়ে ছোট রাত হলো ২১ জুন। এদিন দক্ষিণ গোলার্ধে সবচেয়ে ছোট দিন ও সবচেয়ে বড় রাত।
২২ ডিসেম্বর উত্তর গোলার্ধে সবচেয়ে বড় রাত ও ছোট দিন। একইদিন দক্ষিণ গোলার্ধে বিপরীত অবস্থা বিরাজ করে। ২১ মার্চ ও ২৩ সেপ্টেম্বর পৃথিবীর সর্বত্র দিনরাত্রি সমান থাকে।
উৎসঃ বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, নবম-দশম শ্রেণী।
গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালিতে অবস্থিত বন্দর আব্বাস ইরানের একটি সমুদ্রবন্দর।
চাবাহার আরব সাগরের তীরে অবস্থিত ইরানের আরেকটি সমুদ্রবন্দর।
লোহিত সাগরের তীরে অবস্থিত এডেন ও জেদ্দা যথাক্রমে ইয়েমেন ও সৌদি আরবের সমুদ্রবন্দর।
(সূত্রঃ এনসাইক্লোপিডিয়া ব্রিটানিকা)
বর্তমান বৃহত্তর সিলেট (শ্রীহট্ট) ও চট্টগ্রামের অংশবিশেষ প্রাচীন জনপদ ‘হরিকেল’ এর অন্তর্ভুক্ত ছিল।
সমতট এর অন্তর্ভুক্ত ছিল কুমিল্লা ও নোয়াখালি;
পুণ্ড্র এর অন্তর্ভুক্ত ছিল বগুড়া, দিনাজপুর ও রাজশাহী জেলা এবং
গৌড় এর অন্তর্ভুক্ত ছিল উত্তর ভারতের বিস্তীর্ণ অঞ্চল, আধুনিক মালদহ, মুর্শিদাবাদ, বীরভূম ও বর্ধমানের কিছু অংশ, চাঁপাইনবাবগঞ্জ।
সূত্রঃ বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি।
ADB- এর পূর্ণরূপ: Asian Development Bank. এটি প্রতিষ্ঠিত হয় ২২ আগস্ট, ১৯৬৬ সালে এবং আনুষ্ঠানিকভাবে কাজ শুরু করে ১৯ ডিসেম্বর, ১৯৬৬ সালে। এর সদর দপ্তর অবস্থিত ম্যানিলা, ফিলিপাইন।
বর্তমান সদস্য ৬৮টি (প্রতিষ্ঠাকালীন সদস্য ছিল ৩১টি) সদস্য দেশগুলোর মধ্যে - এশিয়া ও প্যাসিফিক অঞ্চলের দেশ ৪৯টি এবং এশিয়ার বাইরের দেশ ১৯টি।
সাধারণত এশীয় উন্নয়ন ব্যাংকের প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হন জাপান থেকে। এশীয় উন্নয়ন ব্যাংকের বর্তমান প্রেসিডেন্ট - মাসাতসুগু আসাকাওয়া।
উৎসঃ এডিবি ওয়েবসাইট।
বিশ্বখ্যাত চিত্রকর পাবলো পিকাসো ২৫ অক্টোবর, ১৮৮১ সালে স্পেনের মালাগায় জন্মগ্রহন ও ৮ এপ্রিল, ১৯৭৩ সালে ফ্রান্সের মৌগিন্সে মৃত্যবরণ করেন।
নন্দিত শিল্পী পাবলো পিকাসো তার বিখ্যাত ''Guernica'' চিত্রকর্মটি অঙ্কন করেন ১৯৩৭ সালের দিকে। এখানে নাৎসি বাহিনীর নানা আক্রমণের দৃশ্য তুলির আঁচড়ে তুলে আনার একটি প্রচেষ্টা ছিল। তবে এ চিত্রকর্মটির থিম এতটাই বিচিত্র সেখান থেকে সারবস্তু খুঁজে বের করা বেশ কষ্টকর।
স্পেনের দুটি পক্ষের দ্বন্দ্ব থেকে গৃহযুদ্ধের উপক্রম হলে জাতীয়তাবাদী সামরিক নেতা জেনারেল ফ্রান্সিসকো ফ্রাঙ্কোকে অ্যাডলফ হিটলার ও বেনিতো মুসোলিনির পক্ষ থেকে অকুণ্ঠ সমর্থন দেয়া হয়।
পিকাসোর অন্যান্য বিখ্যাত চিত্রকর্ম - Guernica, Les Demoiselles d'Avignon, The Weeping Woman, The Old Guitarist, Self-Portrait, Le Rêve ইত্যাদি।
উৎসঃ একাদশ -দ্বাদশ শ্রেণীর ইতিহাস (২য় পত্র - উন্মুক্ত) বোর্ড বই।
ভূমি রাজস্ব সংক্রান্ত সমস্যাবলির সংস্কারের লক্ষ্যে এ কে ফজলুল হক নেতৃত্বাধীন বঙ্গীয় প্রাদেশিক সরকার ১৯৩৮ সালে স্যার ফ্রান্সিস ফ্লাউডকে প্রধান করে ফ্লাউড কমিশন গঠন করা হয়। এই কমিশন ১৯৪০ সালের ২ মার্চ তার রিপোর্ট পেশ করে।
রিপোর্টে চিরস্থায়ী বন্দোবস্ত ব্যবস্থা তথা জমিদারি ব্যবস্থা বাতিল ও ভূমির উপর কৃষকদের অধিকার পুনস্থাপনের সুপারিশ করা হয়। আন্তরিকতা থাকা সত্ত্বেও ১৯৫০ সালের পূর্বে ফ্লাউড কমিশনের সুপারিশ সমূহ বাস্তবায়ন সম্ভব হয়নি।
১৯৫০ সালের পূর্ববঙ্গ জমিদারি অধিগ্রহণ ও প্রজাস্বত্ব আইনের মাধ্যমে ১৯৫১ সালের চিরস্থায়ী বন্দোবস্ত ব্যবস্থা বাতিল হয়।
(সূত্রঃ বাংলাপিডিয়া)
সাবেক রাষ্ট্রপতি হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদ উপজেলা ব্যবস্থা প্রবর্তন করেন। ১৯৮৫ সালের মে মাসে প্রথম উপজেলা পরিষদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়।
এরপর ১৯৯০, ২০০৯, ২০১৪ এবং সর্বশেষ ২০১৯ সালে পঞ্চম উপজেলা পরিষদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়।
সূত্রঃ বাংলাপিডিয়া এবং দৈনিক প্রথম আলো।
সঠিক উত্তরঃ মোগল আমলে/যুগে।
ব্যাখ্যাঃ মোগল যুগে শাসকবর্গের ভাষা ছিল ফারসি। তাছাড়া সরকারি কাজে ফারসি ভাষা চালু করার ফলে বাংলায় ফারসি ভাষা ও সাহিত্যের যথেষ্ট উন্নতি হয়। সরকারি চাকরি লাভের আশায় হিন্দু ও মুসলমান উভয় সম্প্রদায়ের লোকেরা ফারসি ভাষা শিখতেন। এসব ফারসি ভাষা জানা কর্মচারীদের 'মুন্সী' বলা হতো।
নবাব সুবাহদার ও মুসলিম অভিজাত শ্রেণী ফারসি ভাষা উন্নয়নে সর্বাত্মক চেষ্টা করেন। ফারসি একটি সমৃদ্ধ ভাষা। বাংলা সাহিত্যে এ ভাষার প্রভাব বেশ করা যায়। ফারসির প্রভাবে বাংলা ভাষার ঐশ্বর্য বৃদ্ধি পায়।
ফারসি সাহিত্যের বিষয়বস্তু ও লেখার অনুকরণে বাংলা সাহিত্য উজ্জ্বল হয়ে উঠে। ক্রমে বাংলা কবিতায় ফারসি শব্দের ব্যবহার বাড়তে থাকে। ফারসির অনুকরণে বাংলায় গজল ও সূফী সাহিত্যের সৃষ্টি হয়।
হিন্দু কবিদের রচনায় সংস্কৃত সাহিত্যের প্রভাব সুস্পষ্ট হলেও তারাও ফারসি সাহিত্যের প্রভাব এড়াতে পারতেন না। বৈষ্ণব পদাবলীতে ফারসি সাহিত্যের প্রভাব লক্ষণীয়। মোগল যুগে বাংলায় বাউল গানের সৃষ্টি হয়। এসময় কবিগান, মর্সিয়া গানও রচিত হয়।
উৎসঃ এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। [Click here to get pdf file]
বিশেষ নোটঃ বিভিন্ন গাইড বইয়ে এই প্রশ্নের উত্তর ''হোসেন শাহী'' আমল দেওয়া আছে। কিন্তু এর পক্ষে কোন রেফারেন্স পাওয়া যায়নি।
শূর শাসনের সূত্রপাত করেন আফগান শাসক শের শাহ। বিহারের শাসনকর্তা সুলতান মুহম্মদের মৃত্যুর পর শের শাহ বিহারের শাসন করেন। ১৫৩৮ সালে তিনি বাংলার সুলতান গিয়াসউদ্দিন মাহমুদকে পরাজিত করে বাংলা দখল করেন।
শের শাহ বাংলায় ঘোড়ার ডাক ব্যবস্থার প্রচলন করেন। তিনি ‘দাম’ নামক মুদ্রার প্রচলন করেন। সড়ক-ই-আজম বা বিখ্যাত গ্রান্ড ট্রাংক রোডের নির্মাতা তিনি। পাট্টা ও কাবুলিয়াত প্রথা চালু করেন শের শাহ।
[সূত্র- বাংলাপিডিয়া]
যুক্তফ্রন্টের মুখ্যমন্ত্রী (স্বরাষ্ট্র, সংস্থাপন, ত্রাণ ও পুনর্বাসন, স্বায়ত্তশাসন, নির্বাচন ও পার্লামেন্টারি বিষয়সহ) দায়িত্বে ছিলেন শেরে বাংলা এ.কে. ফজলুল হক। যুক্তফ্রন্টের কৃষিঋণ, সমবায় ও পল্লী উন্নয়ন মন্ত্রী ছিলেন শেখ মুজিবুর রহমান।
উৎসঃ পৌরনীতি ও সুশাসন, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রফেসর মোঃ মোজাম্মেল হক।
১৯৫৪ সালের ৮ মার্চ পূর্ব পাকিস্তানে প্রথম সার্বজনীন ভোটাধিকারের ভিত্তিতে সাধারণ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। এতে যুক্তফ্রন্ট নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করে এবং ৪ এপ্রিল এ কে ফজলুল হককে মুখ্যমন্ত্রী করে ৫ সদস্যের মন্ত্রীসভা গঠন করা হয়।
১৪ মে যুক্তফ্রন্ট মন্ত্রিসভায় আওয়ামীলীগ যোগদান করলে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান কৃষি, বন, সমবায় এবং পল্লী উন্নয়ন মন্ত্রী হন। তবে ৩০শে মে মাত্র ৫৬ দিনের মাথায় যুক্তফ্রন্ট মন্ত্রিসভা ভেঙে দেওয়া হয়।
উৎসঃ অসমাপ্ত আত্মজীবনী এবং বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি।
অমাবস্যার তিথিতে পৃথিবী, চন্দ্র ও সূর্য প্রায় একই সরলরেখায় অবস্থান করে। এ সময় চাঁদ পৃথিবী ও সূর্যের মাঝে অবস্থান করে। ফলে চাঁদের ছায়া পৃথিবীর উপর পড়ে। এ ঘটনাকে সূর্যগ্রহণ বলে।
সূত্রঃ ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।
কম্পিউটার/প্রোগ্রামিংয়ের ভাষায় বাগ (Bug) বলতে প্রোগ্রামের ভুল বোঝায়।
কোনো প্রোগ্রাম এ বাগ (Bug) থাকলে তার আউটপুট আশানুরূপ পাওয়া যায়না বা বিভিন্ন ধরনের সমস্যা দেখা দেয়।
প্রোগ্রামের বাগ বা ভুলগুলো সমাধান করার প্রক্রিয়াকে ডিবাগিং (Debugging) বলা হয়।
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপিত জুলাই ৬, ১৯৫৩ সালে।
Source: RU Website.
স্বাধীন বাংলাদেশের রাজধানী হওয়ায় পূর্বে ঢাকা বাংলার রাজধানী ছিল মোট চারবার- ১৬১০ সাল, ১৬৬০ সাল, ১৯০৫ সাল এবং ১৯৪৭ সাল।
১৬১০ সালের ১৬ জুলাই সুবাদার ইসলাম খান চিশতী সর্বপ্রথম ঢাকাকে বাংলার রাজধানী করেন এবং নাম রাখেন জাহাঙ্গীরনগর। এই নাম সম্রাট জীবিত থাকা পর্যন্ত বহাল ছিল।
এরপর ১৬৫০ সালে সুবাদার শাহ সুজা পুনরায় বাংলার রাজধানী বিহারের রাজমহলে নিয়ে যান। কিন্তু ১৬৬০ সালে মীর জুমলা পুনরায় ঢাকায় রাজধানী স্থানান্তর করেন যা ১৭১৭ সাল পর্যন্ত বজায় ছিল।
১৭১৭ সালে মুর্শিদকুলি খান বাংলার রাজধানী ঢাকা থেকে মুর্শিদাবাদে স্থানান্তর করেন।
পরবর্তীতে ১৯০৫ থেকে ১৯১১ এবং ১৯৪৭ সাল থেকে ঢাকা পূর্ব বাংলার (১৯৫৫ সালে পূর্ব পাকিস্তান নামকরণ করা হয়) রাজধানী হিসেবে ছিলো।
১৯৭১ সাল থেকে স্বাধীন বাংলাদেশের রাজধানী হয় ঢাকা।
সূত্রঃ ঢাকা জেলা ওয়েবসাইট।
বঙ্গোপসাগর - জাভাসাগরকে সংযুক্ত করে - মালাক্কা প্রণালী।
উত্তর সাগর - বেরিং সাগরকে সংযুক্ত করে - বেরিং প্রণালী।
ভারত মহাসাগর ও জাভা সাগরকে সংযুক্ত করে - সান্দা প্রণালী।
তিরেনীয় সাগর ও আয়নীয় সাগরকে সংযুক্ত করে - মেসিনা প্রণালী।
উৎসঃ ব্রিটানিকা ও অন্যান্য নির্ভরযোগ্য রেফারেন্স।
খন্দকের যুদ্ধ সংঘটিত হয় পঞ্চম হিজরিতে বা ৬২৭ খ্রিস্টাব্দে।
এই যুদ্ধে মুসলিম বাহিনী পৌত্তলিকদের শোচনীয়ভাবে পরাজিত করে।
ইসলামের ইতিহাসে বদর যুদ্ধ হলো মুসলমান ও অবিশ্বাসীদের মধ্যে সংঘটিত প্রথম যুদ্ধ বা সামরিক সংঘর্ষ। ৬২৪ সালে মদিনার অদূরে বদর নামক স্থানে মক্কার কুরাইশ বাহিনীর সাথে মুসলমানদের বদর যুদ্ধ সংঘটিত হয়। এই যুদ্ধে মুসলিম বাহিনী জয় লাভ করে।
৬২৫ সালে উহুদের যুদ্ধ এবং ৬৩১ সালে তাবুকের যুদ্ধ সংঘটিত হয়।
সূত্রঃ উচ্চ মাধ্যমিক ইসলামের ইতিহাস ১মপত্র, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
কীটপতঙ্গের জীবন, উপকারিতা, অপকারিতা, ক্ষয়ক্ষতি, দমন ইত্যাদি সম্পর্কিত বিজ্ঞানকে কীটতত্ত্ব বা Entomology বলে।
উৎসঃ জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
এই প্রশ্নটি এখন আর যুগপোযোগী নয়।
২০২০ সালের ২৪ জুলাই থেকে ৯ আগস্ট জাপানের রাজধানী টোকিও শহরে ৩২তম গ্রীষ্মকালীন অলিম্পিক গেমস অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা ছিলো। কিন্তু করোনা মহামারির কারণে তা একবছর পিছিয়ে ২০২১ সালের ২৩ জুলাই থেকে ৮ আগস্ট সময়ে একই শহরে আয়োজনের সিদ্ধান্ত গৃহিত হয়েছে। তবে এর নাম 'টোকিও ২০২০' ই থাকবে। নতুন তারিখেও যদি তা আয়োজন করা সম্ভব না হয় তাহলে ৩২তম গ্রীষ্মকালীন অলিম্পিক গেমস বাতিল ঘোষিত হবে।
সূত্রঃ আন্তর্জাতিক অলিম্পিক কমিটির ওয়েবসাইট ও ডেইলি স্টার।
Bangladesh Rice Research Institute (BRRI) ১৯৭০ সালের ১ অক্টোবর প্রতিষ্ঠিত হয়। এটি গাজীপুর জেলার জয়দেবপুরে অবস্থিত। উচ্চ ফলনশীল ধানের জাত এবং চাষাবাদের কলাকৌশল উদ্ভাবনের লক্ষ্যে BRRI প্রতিষ্ঠিত হয়।
উৎসঃ BRRI ওয়েবসাইট।
জাতীয় স্মৃতিসৌধ ঢাকা থেকে ৩৫ কিমি উত্তর-পশ্চিমে সাভারে অবস্থিত। বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের মহান শহীদদের অসামান্য ত্যাগ ও শৌর্যের স্মৃতি হিসেবে সৌধটি দাঁড়িয়ে আছে।
১৯৭৮ সালে সৌধ নির্মাণের উদ্দেশ্যে নকশার জন্য একটি জাতীয় প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়। সাতান্ন জন প্রতিযোগীর মধ্য থেকে স্থপতি মঈনুল হোসেনের নকশাটি নির্বাচিত হয়।
অসমান উচ্চতা ও স্বতন্ত্র ভিত্তির ওপর সাতটি ত্রিভুজাকৃতির প্রাচীর নিয়ে মূল সৌধটি গঠিত। সর্বোচ্চ স্তম্ভটি সর্বনিম্ন দৈর্ঘ্যের ভিত্তির ওপর, আর সর্বদীর্ঘ ভিত্তির ওপর স্থাপিত স্তম্ভটি সবচেয়ে কম উচ্চতার। প্রাচীরগুলি মাঝখানে একটি ভাঁজ দ্বারা কোণাকৃতির এবং একটির পর একটি সারিবদ্ধভাবে বসানো। কাঠামোটির সর্বোচ্চ বিন্দু বা শীর্ষ ৪৫.৭২ মিটার উঁচু।
উৎসঃ বাংলাপিডিয়া।
সবুজ রঙের শাকসবজি, লেটুসপাতা, ফুলকপি, বাঁধাকপি, ডিমের কুসুম, সয়াবিন তেল এবং যকৃতে ভিটামিন ‘কে’ পাওয়া যায়।
দেহে ‘ভিটামিন কে’ প্রথ্রোম্বিন নামক প্রোটিন তৈরি করে। প্রথ্রোম্বিন রক্ত জমাট বাঁধতে সাহায্য করে।
যকৃত থেকে পিত্তরস নিঃসৃত হয়। পিত্তরস নিঃসরণে অসুবিধা হলে ভিটামিন কে - এর শোষণ কমে যায়।
‘ভিটামিন কে’- এর অভাবে ত্বকের নিচে ও দেহাভ্যন্তরে যে রক্ত ক্ষরণ হয় তা বন্ধ করার ব্যবস্থা না নিলে রোগী মারা যেতে পারে।
সূত্রঃ বিজ্ঞান, সপ্তম শ্রেণি।
'ও' গ্রুপের রক্তে কোন অ্যান্টিজেন থাকে না যার কারণে যেকোন গ্রুপের রক্তকেই ‘ও’ গ্রুপের রক্ত দেওয়া যায়। এজন্যে ‘ও’ গ্রুপকে সার্বজনীন দাতা গ্রুপ বলে। এবি গ্রুপের রক্তের সিরামে কোন অ্যান্টিবডি না থাকায় সকল গ্রুপের রক্তই এবি গ্রুপ নিতে পারে বিধায় এবি গ্রুপকে বলা হয় সার্বজনীন গ্রহীতা গ্রুপ।
সূত্রঃ বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণী।
বাংলাদেশ সংবিধানের ৭২(১) নং অনুচ্ছেদ অনুযায়ী মহামান্য রাষ্ট্রপতি জাতীয় সংসদের অধিবেশন আহবান, স্থগিত ও ভঙ্গ করেন। তবে এক্ষেত্রে তিনি প্রধানমন্ত্রীর লিখিত পরামর্শ অনুযায়ী তার দায়িত্ব পালন করবেন।
সাধারণভাবে এক অধিবেশনের শেষ বৈঠক ও পরবর্তী অধিবেশনের প্রথম বৈঠকের মধ্যে বিরতিকাল সর্বোচ্চ ষাট দিন (৬০ দিন) হতে পারবে।
সাধারণ নির্বাচনের ৩০ দিনের মধ্যে প্রথম বৈঠক অনুষ্ঠিত হতে হবে এবং সংসদের মেয়াদ প্রথম বৈঠক থেকে পরবর্তী ৫ বৎসর পর্যন্ত।
সূত্রঃ বাংলাদেশ সংবিধান।
১৭৮৯ সালে ফরাসী বিপ্লব সংঘটিত হয়। এটি ছিল ফরাসি, ইউরােপ এবং পশ্চিমা সভ্যতার ইতিহাসে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা। এ বিপ্লবের সময় ফ্রান্সে নিরঙ্কুশ রাজতন্ত্র বিলুপ্ত হয়ে প্রজাতান্ত্রিক আদর্শের অগ্রযাত্রা শুরু হয় এবং একই সাথে দেশের রােমান ক্যাথলিক চার্চ সকল গোঁড়ামি ত্যাগ করে নিজেকে পুনর্গঠন করতে বাধ্য হয়।
উৎসঃ এনসাইক্লোপিডিয়া অব ব্রিটানিকা।
১৯২১ সালের ১ জুলাই পূর্ববঙ্গের প্রথম বিশ্ববিদ্যালয় হিসেবে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কার্যক্রম শুরু হয়। বঙ্গভঙ্গ রদের পর পূর্ব বাংলার অসন্তুষ্ট মুসলমানদের দাবীর প্রেক্ষিতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠিত হয়।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠায় নাথান কমিশন ও স্যাডলার কমিশন গঠিত হয়। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম উপাচার্য নিয়োগপ্রাপ্ত হন স্যার পি জে হার্টজ।
উৎসঃ বাংলাপিডিয়া।