পরীক্ষা আর্কাইভ

নতুনদের বিসিএস প্রস্তুতি - ২০০ দিনে পুরো সিলেবাস

পরীক্ষানতুনদের বিসিএস প্রস্তুতি - ২০০ দিনে পুরো সিলেবাসতারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়20 minutes
মোট প্রশ্ন৩৪
সিলেবাস
"Award Mania: Season - 11” এর জন্য প্রযোজ্য -------------------------------------------- বিষয় - কম্পিউটার ও তথ্য প্রযুক্তি টপিক - কম্পিউটার ১. কম্পিউটার পেরিফেরালস: ইনপুট, আউটপুট ও স্টোরেজ ডিভাইসসমূহ - কি-বোর্ড, মাউস, ওসিআর (OCR) ইত্যাদি। ২. কম্পিউটারের অঙ্গ-সংগঠন: সিপিইউ, হার্ড ডিস্ক, ALU, BIOS, পাওয়ার সিস্টেম ইত্যাদি। ৩. কম্পিউটারের পারঙ্গমতা ও দৈনন্দিন জীবনে কম্পিউটারের ব্যবহার: কৃষি, যোগাযোগ, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, খেলাধুলা ইত্যাদি। ৪. কম্পিউটারের সংখ্যা পদ্ধতি ও কোড, ডিজিটাল লজিক ইত্যাদি। উৎস: অষ্টম, মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শ্রেণির কম্পিউটার ও তথ্য প্রযুক্তি বোর্ড বই [NCTB ও উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়], ব্রিটানিকা, যেকোনো গাইডবই। [গাইড বই থেকে পড়ার ক্ষেত্রে কনফিউজিং বিষয়গুলো ক্রসচেক করে পড়া উত্তম।]। ---------------------- [নির্দেশিকা: এই রুটিনে সারাবছর জুড়ে পরীক্ষা চলমান থাকে। আপনি আজ ১ম পরীক্ষা দেওয়া শুরু করলে ২০০ দিনের মধ্যে পুরো সিলেবাস সম্পন্ন হবে।]
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

নতুনদের বিসিএস প্রস্তুতি - ২০০ দিনে পুরো সিলেবাস

নতুনদের বিসিএস প্রস্তুতি - ২০০ দিনে পুরো সিলেবাস · তারিখ অনির্ধারিত · ৩৪ প্রশ্ন

.
সিপিইউ প্রধান কয়টি অংশ নিয়ে গঠিত?
  1. দুইটি
  2. তিনটি
  3. চারটি
  4. পাঁচটি
ব্যাখ্যা
• সিপিইউ:
- CPU এর পূর্ণরূপ Central Processing Unit।
- কম্পিউটার ব্যবহারকারীর দেওয়া তথ্য ও নির্দেশের ভিত্তিতে ডেটাকে প্রক্রিয়াজাত করে ফলাফল বা আউটপুট প্রদান করে থাকে।
- প্রক্রিয়াকরণের কাজ সম্পাদন করার জন্য কম্পিউটারের ভেতর থাকে প্রক্রিয়াকরণ ইউনিট। 
- কম্পিউটারের যে অংশ ডেটা প্রক্রিয়াকরণের কাজ করে তাকে সেন্ট্রাল প্রসেসিং ইউনিট বা সিপিইউ বলে।
- সিপিইউ কম্পিউটারের মস্তিস্ক বা ব্রেইনস্বরূপ।
- কম্পিউটারের কাজ করার গতি ও ক্ষমতা প্রধানত সিপিইউ-এর ওপর নির্ভরশীল।
- সিপিইউ নিম্নলিখিত প্রধান তিনটি অংশ নিয়ে গঠিত। যথা-
১. গাণিতিক যুক্তি অংশ (Arithmatic Logic Unit),
২. নিয়ন্ত্রণ অংশ (Control Unit) ও
৩. স্মৃতি অংশ (Memory Unit)।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
কম্পিউটারের সমস্ত যন্ত্রাংশের সংযোগ স্থানকে কী বলা হয়?
  1. হার্ড ডিস্ক
  2. সিপিইউ
  3. মাদারবোর্ড
  4. কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা
• মাদারবোর্ড:
- মাদারবোর্ডই হচ্ছে একটি কম্পিউটারের মূল অংশ, যা সিস্টেম ইউনিটের অভ্যন্তরে সংযুক্ত থাকে।
- সাধারণত কম্পিউটারের সমস্ত যন্ত্রাংশের সংযোগ স্থানকে বলা হয় মাদারবোর্ড।
- এটি সিস্টেম বোর্ড বা মেইনবোর্ড হিসেবেও পরিচিত।
- কম্পিউটারের ব্রেইন হিসেবে পরিচিত প্রসেসর মাদারবোর্ডের মধ্যেই থাকে।
- মাদারবোর্ডের মধ্যে কম্পিউটারের বিভিন্ন ডিভাইস যেমন, কী-বোর্ড, মাউস, মনিটর, প্রিন্টার, হার্ড ডিস্কড্রাইভ, ফ্লোপি ডিস্ক ড্রাইভ, পেনড্রাইভ ইত্যাদি লাগানোর ব্যবস্থা থাকে।
- কম্পিউটারে যেকোনো যন্ত্রাংশ স্থাপন করা হোক না কেন প্রতিটি তা প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে মাদারবোর্ডের সাথে সংযোজিত। তাই মাদারবোর্ড হলো কম্পিউটারের কেন্দ্রীয় সার্কিট বোর্ড।
- বর্তমানে Intel, GIGABYTE, ASUS, MSI ইত্যাদি ব্র্যান্ডের মাদারবোর্ডগুলো বাজারে পাওয়া যায়।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
নিচের কোনটি আউটপুট ডিভাইস নয়?
  1. ডিভিডি
  2. পেনড্রাইভ
  3. হার্ডডিস্ক
  4. বারকোড রিডার
ব্যাখ্যা
• তথ্য প্রবাহের দিক বিবেচনা করে কম্পিউটার পেরিফেরালকে সাধারণত তিনটি ভাগে ভাগ করা যায়। যথা:
১. ইনপুট ডিভাইস:
- কম্পিউটার বিভিন্ন ধরনের হার্ডওয়্যারের বা ডিভাইসের মাধ্যমে ব্যবহারকারীর কাছ থেকে কিংবা বিভিন্ন পরিবেশ থেকে হার্ডওয়্যার সমূহই হলো ইনপুট পেরিফেরাল।
- যেমন: কী-বোর্ড, ওএমআর, মাউস, স্ক্যানার, জয়স্টিক, ডিজিটাইজার, লাইটপেন, বারকোড রিডার ইত্যাদি।

২. আউটপুট ডিভাইস:
- কম্পিউটারের ইনপুট হার্ডওয়্যার সমূহের মাধ্যমে প্রাপ্ত ডেটাসমূহ প্রক্রিয়াকরণ অংশে প্রক্রিয়াজাত হয়ে যে সকল হার্ডওয়্যারের সাহায্যে ফলাফল প্রদান বা প্রর্দশন করে সেগুলোকে আউটপুট পেরিফেরাল বলা হয়।
- যেমন: মনিটর, প্রিন্টার, প্লটার, স্পিকার, মাল্টিমিডিয়া প্রজেক্টর ইত্যাদি।

৩. ইনপুট ও আউটপুট ডিভাইস:
- কম্পিউটারের সঙ্গে সংযুক্ত যে সকল ডিভাইসগুলো ইনপুট ও আউটপুট যন্ত্র হিসেবে ব্যবহার করা হয় তাদেরকে ইনপুট ও আউটপুট পেরিফেরাল বলা হয়।
- যেমন: হার্ডডিস্ক, সিডি বা ডিভিডি, পেনড্রাইভ ইত্যাদি।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
বর্তমানে কোন সেবা ব্যবহার করে দেশের সকল জমির রেকর্ডের অনুলিপি সংগ্রহ করা যায়?
  1. ই-ভূমি
  2. ই-পর্চা
  3. ই-পুর্জি
  4. ই-রেকর্ড
ব্যাখ্যা
• ই-সার্ভিস:
- ই-সার্ভিস এর পূর্ণরূপ হলো Electronic Service।
- এটি এমন একটি পদ্ধতি যেখানে ইলেকট্রনিক মাধ্যমের মাধ্যমে বিভিন্ন সেবা প্রদান করা হয়।
- উদাহরণস্বরূপ, কুইক-উইন, ই-পর্চা, ইএমটিএস, ই-পুর্জি, ই-স্বাস্থ্যসেবা এবং ই-টিকেটিং এর মতো সেবা ই-সার্ভিসের অন্তর্ভুক্ত।

• ই-কমার্স:
- সারা বিশ্বে অনলাইন লেনদেনের বৃদ্ধি ও আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার বৃদ্ধি পাওয়ার কারণে ই-কমার্স এর গতি এবং আকার বড় হচ্ছে।
- ই-কমার্স একটি বাণিজ্য ক্ষেত্র, যেখানে পণ্য বা সেবার লেনদেন ইলেকট্রনিক সিস্টেমের মাধ্যমে পরিচালিত হয়।

• ই-কৃষি সেবা:
- বাংলাদেশ সরকার কৃষি ও কৃষিভিত্তিক সেবা জনগণের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিতে প্রবর্তন করেছে কিছু ডিজিটাল সেবা যেমন, কৃষকের জানালা, কৃষকের ডিজিটাল ঠিকানা, এবং কৃষি বাতায়ন।
- এসব সেবা কৃষকদের জন্য প্রয়োজনীয় তথ্য ও সেবা সহজলভ্য করে তোলে।

• ই-পর্চা:
- বর্তমানে দেশের সকল জমির রেকর্ডের অনুলিপি অনলাইনে সংগ্রহ করা সম্ভব।
- এই সেবা ই-পর্চা নামে পরিচিত, যা জমি সংক্রান্ত নানা সমস্যার সমাধান সহজ এবং দ্রুত করার সুবিধা প্রদান করে।

• ই-পুর্জি:
- আঁখ চাষীদের জন্য প্রবর্তিত একটি বিশেষ ই-সেবা হল ই-পুর্জি, যা চাষীদের জন্য নানা ধরনের সরকারি সেবা ও সাহায্য প্রদান করে।

• অতিরিক্ত গুরুত্বপূর্ণ তথ্য:
- ই-সার্ভিসের মাধ্যমে সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানগুলো তাদের সেবা প্রদানে স্বচ্ছতা ও গতি আনছে।
- ডিজিটাল পদ্ধতিতে বিভিন্ন সেবা প্রদান করা হলে, নাগরিকদের সময় এবং খরচ বাঁচে এবং সেবা গ্রহণের প্রক্রিয়া সহজ হয়ে ওঠে।

উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২. মাধ্যমিক কম্পিউটার শিক্ষা, নবম-দশম শ্রেণি।
.
অক্ট্যাল সংখ্যার ভিত্তি কত?
  1. ১৬
  2. ১০
ব্যাখ্যা
• অক্ট্যাল সংখ্যা: 
- যে সংখ্যা পদ্ধতিতে আটটি অঙ্ক বা চিহ্ন ব্যবহার করা হয় তাকে অক্ট্যাল সংখ্যা পদ্ধতি বলে।
- এ পদ্ধতিতে ব্যবহৃত অঙ্ক গুলো হলো- ০, ১, ২, ৩, ৪, ৫, ৬, ৭।
- অক্ট্যাল সংখ্যা পদ্ধতির ভিত্তি হচ্ছে ৮।
- ৭১৪, ৭৬৫, ৫৬৭ অক্ট্যাল সংখ্যা কিন্তু ৪৮৫ অক্ট্যাল সংখ্যা নয়, কারণ ৮ অক্ট্যাল সংখ্যার অঙ্ক বা চিহ্ন না।

অন্যদিকে,
- বাইনারি সংখ্যার ভিত্তি ২।
- দশমিক বা ডেসিমেল সংখ্যার ভিত্তি ১০।
- হেক্সাডেসিমেল সংখ্যার ভিত্তি ১৬।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
.
BIOS এর মাধ্যমে কোনটি নির্ধারণ করা হয়?
  1. সফটওয়্যার আপডেট
  2. সিস্টেম কনফিগারেশন
  3. নেটওয়ার্ক স্পিড
  4. ডেটা স্টোরেজ
ব্যাখ্যা
• BIOS:
- কম্পিউটারের মাদারবোর্ডের ফার্মওয়্যার চিপের মধ্যে থাকা কতগুলো নির্দেশনার সমষ্টি হল BIOS.
- BIOS এর পূর্ণরূপ হলো- Basic Input/Output System.
- কম্পিউটার Boot হওয়ার পরপরই যে প্রোগ্রামটি Run হয় সেটি হল BIOS.
- অর্থাৎ, BIOS এর প্রাথমিক কাজ হচ্ছে Boot process নিয়ন্ত্রণ করা।
- এটি System BIOS, ROM BIOS, PC BIOS হিসেবে পরিচিত।
- BIOS মাধ্যমে কম্পিউটারের সিস্টেম কনফিগারেশন নির্ধারণ করা হয়।

উৎস: ব্রিটানিকা।
.
কম্পিউটার কী-বোর্ডের নেভিগেশন কী কয়টি?
  1. ৭ টি
  2. ১০ টি
  3. ১২ টি
  4. ১৭ টি
ব্যাখ্যা
নেভিগেশন কী:
• নেভিগেশন কী সাহায্যে যেকোনো ডকুমেন্টে ঘুরে বেড়ানো যায়, কার্সারকে পরিচালনা করা যায়।
• নেভিগেশন কী ১০টি। যথা:
- Delete,
- Insert,
- Home,
- End,
- Page Up,
- Page Down,
- Arrows Keys।

উৎস:
১. মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২. Microsoft website.
.
Robotics শব্দটির উৎপত্তি হয়েছে কোন ভাষার শব্দ থেকে?
  1. গ্রিক
  2. স্লাভিক
  3. ইংরেজি
  4. ফারসি
ব্যাখ্যা
রোবটিক্স (Robotics)
- কম্পিউটার নিয়ন্ত্রিত যে যন্ত্র বা মেশিন মানুষের মত কিছু কাজ করতে পারে তাকে রোবট বলা হয়।
- প্রযুক্তির যে শাখায় রোবটের নকশা বা ডিজাইন, গঠন, পরিচালন প্রক্রিয়া, কাজ ও প্রয়োগক্ষেত্র সম্পর্কে আলোচনা করা হয় সেই শাখাকে রোবটিক্স বলা হয়।
- এছাড়াও এই শাখায় রোবট নিয়ন্ত্রণে কম্পিউটার সিস্টেম, রোবটের সেনসরি ফিডব্যাক এবং ইনফরমেশন প্রসেসিং সম্পর্কে আলোচনা করা হয়।
- ‘রোবটিক্স' (Robotics) শব্দটির উৎপত্তি হয়েছে স্লাভিক শব্দ ‘robota' (রোবটা) থেকে যার ইংরেজি হলো robot (রোবট) এবং আভিধানিক অর্থ হল শ্রমিক, দাস বা কর্মী।
- চেক (Czech) লেখক ক্যারেল ক্যাপেক (Karel Capek) ১৯২১ সালে Rossumovi Univerzální Roboti (ইংরেজিতে Rossum's Universal Robots) নামে একটি সাইন্স ফিকশন গল্প লিখেন যাতে তিনি শ্রমিক বা কর্মী অর্থে সর্বপ্রথম ‘robota' শব্দের পরিচয় করেন।
- ১৯৫০ সালে আমেরিকান প্রকৌশলী, গণিতবিদ ও উদ্যোক্তা যোসেফ ফ্রেডরিক এঙ্গেলবার্গার (Joseph Frederick Engelberger) এবং ঐ একই দেশের উদ্যোক্তা ও উদ্ভাবক জর্জ চার্লস ডেভল ( George Charles Devol) মিলে সর্বপ্রথম ইউনিমেট (Unimate) নামে শিল্পে ব্যবহার উপযোগী রোবট উদ্ভাবন করেন।
- পরবর্তীতে এঙ্গেলবার্গার ইউনিমেশন (Unimation) নামে বিশ্বের প্রথম রোবট কোম্পানী প্রতিষ্ঠা করেন এবং এই প্রযুক্তি বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন।
- এই জন্য যোসেফ ফ্রেডরিক এঙ্গেলবার্গারকে রোবটিক্সের জনক বলা হয়।
- তবে জর্জ চার্লস ডেভলকেও রোবটিক্সের জনক হিসাবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
.
32-bit বিশিষ্ট মাইক্রো প্রসেসর কোনটি?
  1. 80386
  2. 80186
  3. 8008
  4. Core i5
ব্যাখ্যা
• মাইক্রোপ্রসেসর:
- কম্পিউটারের কার্যব্যবস্থাকে সঠিকভাবে নিয়ন্ত্রণ ও পরিচালনা করার জন্য কম্পিউটারের যে অংশটি সর্বাধিক ভূমিকা পালন করে, তাকে মাইক্রোপ্রসেসর বা প্রসেসর হিসেবে অভিহিত করা হয়।
- মাইক্রোপ্রসেসর হলো সিলিকনের তৈরি এক ধরনের ভিএলএসআই (VLSI- Very Larege Scale Integration) চিপ।
- একটি একক ভিএলএসআই সিলিকন চিপের মধ্যে এক মিলিয়নেরও অধিক ডায়োড, ট্রানজিস্টর, রেজিস্টার, ক্যাপাসিটর ইত্যাদি একীভূত থাকে।
- 4-bit বিশিষ্ট মাইক্রো প্রসেসর: 4004, 4040.
- 8-bit বিশিষ্ট মাইক্রো প্রসেসর: 8008, 8080.
-16-bit বিশিষ্ট মাইক্রো প্রসেসর: 8086, 8088, 80186.
- 32-bit বিশিষ্ট মাইক্রো প্রসেসর: 80386, 80486.
- 64-bit বিশিষ্ট মাইক্রো প্রসেসর: Intel Core i3, Core i5, Core i7, Intel Itanium.

উৎস:
১. মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২. মাধ্যমিক তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, অষ্টম শ্রেণি।
১০.
OCR এর উল্লেখযোগ্য ব্যবহার কোনটি?
  1. চিঠির পিনকোড
  2. ক্যাশ রেজিস্টার
  3. ইনস্যুরেন্স প্রিমিয়াম নোটিশ
  4. সবগুলোই সঠিক
ব্যাখ্যা
• OCR:
- OCR -এর পূর্ণ নাম হলো Optical Character Reader.
- এটি মূলত একটি ইনপুট ডিভাইস হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
- সাধারণত OCR বিভিন্ন আকারের দাগ, চিহ্ন এবং সব ধরনের আলফানিউমেরিক ক্যারেক্টার পড়তে পারে।
- এটি এমনভাবে তৈরি করা হয়েছে যে শুধুমাত্র ছাপার লেখা না, হাতের লেখা পর্যন্ত পড়তে পারে।
- OCR-এর কার্যপ্রণালী মূলত OCR সফটওয়্যারের মাধ্যমে সম্পাদিত হয়।
- এ ক্ষেত্রে OCR যন্ত্রটি প্রথমে ডকুমেন্টের বিটম্যাপ ইমেজ তৈরি করে।
- অতঃপর OCR সফটওয়‍্যার সেগুলোকে ASCII টেক্সটে রূপান্তরিত করে ফলে কম্পিউটার বিভিন্ন অক্ষর, বর্ণ, সংখ্যা বা বিশেষ ক্যারেক্টার চিনতে পারে।

• OCR এর ব্যবহার:
- ইনস্যুরেন্স প্রিমিয়াম নোটিশ,
- চিঠির পিনকোড,
- ক্যাশ রেজিস্টার,
- ইলেকট্রিক বিল ইত্যাদি পড়ার জন্য OCR ব্যবহৃত হয়।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১১.
নিচের কোনটির ওপর হার্ডডিস্কের ধারণক্ষমতা নির্ভর করে?
  1. ট্র্যাকের সংখ্যা
  2. ব্যবহারযোগ্য পৃষ্ঠের সংখ্যা
  3. ট্র্যাকে সেক্টরের সংখ্যা
  4. সবগুলোই সঠিক
ব্যাখ্যা
• হার্ডডিস্ক:
- হার্ডডিস্ক থেকে ডেটা আদান-প্রদানের জন্য হার্ডডিস্ককে মাদারবার্ডের সাথে যুক্ত করতে হয়।
- এজন্য আইডিই (IDE-Integrated Device Electronics) ইন্টারফেস এবং প্রয়োজনে দ্রুত গতির স্কাজি (SCSI-Small Computer System Interface) ইন্টারফেস ব্যবহৃত হয়।
- বর্তমানে সাটা (SATA-Serial Advanced Technology Attachment) এবং সাস (SAS-Serial Attached SCSI) ইন্টারফেসও ব্যাপক হারে ব্যবহৃত হচ্ছে।
- হার্ডডিস্কের ধারণক্ষমতা নির্ভর করে মোট ব্যবহৃত ডিস্কের সংখ্যার ওপর।
- ডিস্কের সংখ্যা যত বেশি হবে, ডেটাও তত বেশি সংরক্ষণ করা যাবে।
- হার্ডডিস্কের ধারণক্ষমতা নির্ভর করে নিম্নলিখিত বিষয়ের ওপর -
১. ব্যবহারযোগ্য পৃষ্ঠের সংখ্যা,
২. ট্র্যাকের সংখ্যা,
৩. ট্র্যাকে সেক্টরের সংখ্যা ও
৪. প্রতি সেক্টরের ধারণক্ষম বাইটের সংখ্যা।

- ডিস্কের ধারণক্ষমতা = পৃষ্ঠের সংখ্যা × ট্র্যাকের সংখ্যা × প্রতি ট্র্যাকে সেক্টরের সংখ্যা × প্রতি সেক্টরে ধারণক্ষম বাইটের সংখ্যা
- হার্ডডিস্কের ধারণক্ষমতা নির্ণয় করা হয় মেগাবাইট, গিগাবাইট, টেরাবাইট ইত্যাদি এককে।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার সংখ্যা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১২.
১৯৭২ সালে কে বানরের ভাইরাস SV40 ও lambda virus এর DNA এর সংযোগ ঘটিয়ে বিশ্বের প্রথম রিকম্বিনেন্ট ডিএনএ অণু তৈরি করে?
  1. Alec Jeffreys
  2. Richard Feynman
  3. Paul Berg
  4. John McCarthy
ব্যাখ্যা
• জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং:
- জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং হচ্ছে কোনো প্রাণী বা উদ্ভিদ কোষে নতুন ডিএনএ (DNA) সংযোজন কৌশল।
- ১৯৭২ সালে Paul Berg বানরের ভাইরাস SV40 ও lambda virus এর DNA এর সংযোগ ঘটিয়ে বিশ্বের প্রথম রিকম্বিনেন্ট ডিএনএ অণু তৈরি করেন।
- এই জন্য Paul Berg কে জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং এর জনক বলা হয় ৷
- বর্তমানে জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং প্রচেষ্টা অধিকাংশে কৃষির উপর জোরদার করা হয়েছে।
- এই প্রযুক্তির মাধ্যমে প্রতিকূল আবহাওয়ায় পোকা, রোগ, ছত্রাক ইত্যাদি প্রতিরোধী উদ্ভিদ জন্মাতে পারে।

• Alec Jeffreys - ডিএনএ ফিঙ্গার প্রিন্টের জনক।
• Richard Feynman - ন্যানো প্রযুক্তির জনক।
• John McCarthy - কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার জনক।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান), একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি এবং তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৩.
ওয়ার্ডের Save as উইন্ডো খুলতে কোন ফাংশন কী ব্যবহৃত হয়?
  1. F5
  2. F11
  3. F12
  4. F7
ব্যাখ্যা
কীবোর্ডের ফাংশন কী হচ্ছে ১২টি।

কীবোর্ডের ফাংশন কী এর কাজসমূহ-
-F1 : সাহায্যকারী কী হিসেবে ব্যবহৃত হয়। F1 চাপলে প্রতিটি প্রোগ্রামের ‘হেল্প’ চলে আসবে।
-F2 : সাধারণত কোনো ফাইল বা ফোল্ডারের নাম বদলের (রিনেম) জন্য ব্যবহূত হয়।
-F3: এটি চাপলে মাইক্রোসফট উইন্ডোজসহ অনেক প্রোগ্রামের সার্চ সুবিধা চালু হয়।
-F4 : Alt+F4 চেপে সক্রিয় সব প্রোগ্রাম বন্ধ করা হয়।
-F5 : মাইক্রোসফট উইন্ডোজ, ইন্টারনেট ব্রাউজার ইত্যাদি রিফ্রেশ করা হয় F5 চেপে।
-F6 : এটা দিয়ে মাউস কার্সারকে ওয়েব ব্রাউজারের ঠিকানা লেখার জায়গায় (অ্যাড্রেসবার) নিয়ে যাওয়া যায়।
-F7 : ওয়ার্ডে লেখার বানান ও ব্যাকরণ ঠিক করা হয় এ কি চেপে।
-F8 : অপারেটিং সিস্টেম চালু হওয়ার সময় কাজে লাগে এই কী।
-F9 : কোয়ার্ক এক্সপ্রেস ৫.০-এর মেজারমেন্ট টুলবার খোলা যায় এই কী দিয়ে।
-F10 : ওয়েব ব্রাউজার বা কোনো খোলা উইন্ডোর মেনুবার নির্বাচন করা হয় এ কী চেপে।
-F11: ওয়েব ব্রাউজার পর্দাজুড়ে দেখা যায় ।
-F12 : ওয়ার্ডের Save as উইন্ডো খোলা হয় এ কী চেপে।

উৎস: Computer Hope Website.
১৪.
ন্যানো টেকনোলজি কী?
  1. পরমাণবিক বা আণবিক স্কেলে অত্যন্ত বড় ডিভাইস তৈরি করার বিজ্ঞান
  2. পারমাণবিক বা আণবিক স্কেলে অতিক্ষুদ্র ডিভাইস তৈরি করার বিজ্ঞান
  3. কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা প্রযুক্তি
  4. মহাকাশ প্রযুক্তি
ব্যাখ্যা
• ন্যানো টেকনোলজি:
- ন্যানো টেকনোলজি বা ন্যানো প্রযুক্তি হলো পারমাণবিক বা আণবিক স্কেলে অতিক্ষুদ্র ডিভাইস (যেমন- রোবোট) তৈরি করার জন্য ধাতব ও বস্তুকে সুনিপুণভাবে কাজে লাগানোর বিজ্ঞান।
- ন্যানো টেকনোলজিকে সংক্ষেপে ন্যানোটেক বলা হয়ে থাকে।
- আমেরিকান পদার্থবিদ লাওরিয়েট রিচার্ড ফাইনম্যান (laureate Richard Feynman) ১৯৫৯ সালের ২৯ ডিসেম্বর তার "There's Plenty of Room at the Bottom" আলোচনায় ন্যানো টেকনোলজি সম্পর্কে সর্বপ্রথম ধারণা দেন।
- যেখানে তিনি পরমাণুর প্রত্যক্ষ ম্যানিপুলেশনের মাধ্যমে সংশ্লেষণের সম্ভাবনা বর্ণনা করেছিলেন।
- তাই রিচার্ড ফাইনম্যান (Richard Feynman) কে ন্যানো প্রযুক্তির জনক বলা হয়।

উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২. ব্রিটানিকা।
১৫.
হার্ডডিস্ক কোন ধরণের মেমরি?
  1. প্রাইমারি মেমরি
  2. সেকেন্ডারি মেমরি
  3. ক ও খ উভয়ই সঠিক
  4. কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা
• সহায়ক মেমরি:
- কম্পিউটারের যে মেমরিতে বিভিন্ন তথ্য, নির্দেশাবলি, অডিও, ভিডিও, ইমেজ স্থায়ীভাবে সংরক্ষণ করা যায় তাকে সহায়ক মেমরি বলা হয়।
- এ ধরনের মেমরির কেন্দ্রীয় প্রক্রিয়াকরণ অংশের সঙ্গে সরাসরি সংযোগ থাকে না বিধায় ধীরগতি সম্পন্ন হয়।
- বিদ্যুৎ চলে গেলে বা কম্পিউটার বন্ধ করলেও প্রোগ্রাম হারিয়ে বা মুছে যায় না।

• সহায়ক মেমরি (Secondary Memory) এর উদাহরণ:
- হার্ডডিস্ক,
- সিডি,
- ডিভিডি,
- পেনড্রাইভ,
- জিপ ড্রাইভ,
- ম্যাগনেটিক টেপ ইত্যাদি।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৬.
অ্যাকচুয়েটর ব্যবহার করা হয় কোন ক্ষেত্রে?
  1. রোবোটিক্সে
  2. বায়োইনফরমেটিক্সে
  3. বায়োমেট্রিক্সে
  4. ভার্চুয়াল রিয়্যালিটিতে
ব্যাখ্যা
• রোবটিক্স (Robotics):
- প্রযুক্তির যে শাখায় রোবটের নকশা বা ডিজাইন, গঠন, পরিচালন প্রক্রিয়া, কাজ ও প্রয়োগক্ষেত্র সম্পর্কে আলোচনা করা হয়, সেই শাখাকে রোবটিক্স বলা হয়।
- জোসেফ ফ্রেডরিক এঙ্গেলবার্গকে রোবোটিক্সের জনক বলা হয়।
- রোবটের মুভমেন্টের জন্য রোবোটিক্সে অ্যাকচুয়েটর ব্যবহার করা হয়।
- রোবটিক্স শব্দটি এসেছে 'রোবট' শব্দ হতে, যা প্রবর্তিত হয় চেক লেখক ও নাট্যকার কারেল কাপেক এর একটি নাটক থেকে, যা ১৯২০ সালে প্রকাশিত হয়।
- Robot শব্দটি এসেছে স্লাভিক শব্দ Robota থেকে, যার অর্থ হলো 'শ্রমিক'।
- প্রথম রোবট তৈরি করেন আমেরিকান উদ্ভাবক জর্জ চার্লস ডেভল।
- ১৯৫০ সালে তার তৈরি প্রথম ইন্ডাস্ট্রিয়াল রোবটের নাম ছিল ইউনিমেট।
- ইউনিমেট রোবট তৈরির প্রজেক্টের উদ্যোক্তা ছিলেন আমেরিকান জোসেফ ফ্রেডরিক এঙ্গেলবার্গ।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।
১৭.
ASCII-8 কোডের মাধ্যমে কতটি বিভিন্ন অংক, অক্ষর ও চিহ্ন প্রকাশ করা যায়?
  1. 64
  2. 128
  3. 256
  4. 512
ব্যাখ্যা
• অ্যাসকি কোড (ASCII Code):
- ASCII শব্দের পূর্ণরূপ হলাে American Standard Code for Information Interchange.
- 1963 সালে আমেরিকান ন্যাশনাল স্ট্যান্ডার্ড ইনস্টিটিউড (ANSI) কর্তৃক ASCII কোডটি আবিষ্কৃত হয়।
- এটি বহুল ব্যবহৃত একটি 7 বিটের কোড, যার দ্বারা 128টি বিভিন্ন অংক, অক্ষরসহ বিভিন্ন চিহ্ন এবং আরাে কতকগুলাে বিশেষ চিহ্নকে প্রকাশ বা নির্দিষ্ট করা যায়।
- এটি ASCII-7 কোড নামে পরিচিত।
- ASCII-7 কোডের সর্ব বামে একটি প্যারিটি বিট যােগ করলে ASCII-৪ কোড তৈরি হয়।
- ASCII-8 কোডের মাধ্যমে 256টি বিভিন্ন অংক, অক্ষরসহ বিভিন্ন চিহ্ন এবং আরাে কতকগুলাে বিশেষ চিহ্নকে প্রকাশ বা নির্দিষ্ট করা যায়।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৮.
নিচের কোনটি মাদারবোর্ড-এর অংশ নয়?
  1. রেজিস্টার
  2. পাওয়ার সাপ্লাই
  3. মেমরি
  4. সিপিইউ
ব্যাখ্যা
মাদারবোর্ড:
- মাদারবোর্ডই হচ্ছে একটি কম্পিউটারের মূল অংশ, যা সিস্টেম ইউনিটের অভ্যন্তরে সংযুক্ত থাকে।
- সাধারণত কম্পিউটারের সমস্ত যন্ত্রাংশের সংযোগ স্থানকে বলা হয় মাদারবোর্ড।
- এটি সিস্টেম বোর্ড বা মেইনবোর্ড হিসেবেও পরিচিত।
- কম্পিউটারের ব্রেইন হিসেবে পরিচিত প্রসেসর মাদারবোর্ডের মধ্যেই থাকে।
- মাদারবোর্ডের মধ্যে কম্পিউটারের বিভিন্ন ডিভাইস যেমন- কী-বোর্ড, মাউস, মনিটর, প্রিন্টার, হার্ড ডিস্কড্রাইভ, ফ্লোপি ডিস্ক ড্রাইভ, পেনড্রাইভ ইত্যাদি লাগানোর ব্যবস্থা থাকে।
- কম্পিউটারে যেকোনো যন্ত্রাংশ স্থাপন করা হোক না কেন প্রতিটি তা প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে মাদারবোর্ডের সাথে সংযোজিত।
- মাদারবোর্ড হলো কম্পিউটারের কেন্দ্রীয় সার্কিট বোর্ড।

পাওয়ার সাপ্লাই ইউনিট (PSU) একটি কম্পিউটার সিস্টেমে একটি পৃথক উপাদান। এর প্রাথমিক কাজ হল একটি আউটলেট থেকে বৈদ্যুতিক শক্তিকে কম্পিউটারের উপাদানগুলির জন্য প্রয়োজনীয় উপযুক্ত ভোল্টেজে রূপান্তর করা। সিপিইউ, মেমোরি, রেজিস্টার এই সবগুলোই মাদারবোর্ড-এর অংশ।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৯.
মনিটর সাধারণত কয় ধরনের হয়ে থাকে?
ব্যাখ্যা
• মনিটর:
- মনিটর হলো কম্পিউটারের একটি প্রধান আউটপুট ডিভাইস, যা দেখতে অনেকটা টেলিভিশনের মতো।
- টিটিভি কার্ড ব্যবহার করে মনিটরে টেলিভিশন স্টেশনের সম্প্রচারিত অনুষ্ঠান দেখা সম্ভব।

মনিটর সাধারণত চার ধরনের হয়ে থাকে। যথা:
১. সিআরটি মনিটর (CRT Monitor),
২. এলসিডি মনিটর (LCD Monitor),
৩. এলইডি মনিটর (LED Monitor) এবং
৪. এমোলেড মনিটর (AMOLED Monitor)।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২০.
ইন্টারনেটের মাধ্যমে উন্নত চিকিৎসা পদ্ধতিকে কী বলা হয়?
  1. মেডিক্যাল সার্ভিস
  2. টেলিমেডিসিন
  3. ই-হেলথ
  4. ই-মেডিসিন
ব্যাখ্যা
• টেলিমেডিসিন:
- তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির মাধ্যমে দূরবর্তী স্থানের রোগীদেরকে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক দ্বারা চিকিৎসাসেবা দেওয়াকে টেলিমেডিসিন বলে।
- মোবাইল ফোন ও ইন্টারনেটের ব্যাপক প্রচলনের ফলে এ প্রযুক্তি ব্যবহার করে চিকিৎসাসেবা প্রদান করা হচ্ছে।
- এ সেবার মাধ্যমে বিভিন্ন অঞ্চলে অবস্থানরত ডাক্তারদের মধ্যে মতবিনিময়, চিকিৎসা শিক্ষা আদান-প্রদান, রোগীর চিকিৎসাসেবার তথ্য সংরক্ষণ ও বিশ্লেষণ করা যায়।
- টেলিমেডিসিনের সাহায্যে ডাক্তার রোগীকে চাক্ষুষভাবে দেখার জন্য তাকে সশরীরে উপস্থিত করার পরিবর্তে ভিডিও কনফারেন্সিং প্রযুক্তির সহায়তা পরামর্শপত্রগুলো ই-মেইলের মাধ্যমে আদান-প্রদান করা হয়ে থাকে এবং রোগীর বিভিন্ন রিপোর্ট বা ডাক্তারের পরামর্শপত্রগুলো ই-মেইলের মাধ্যমে আদান-প্রদান করা হয়ে থাকে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (মাহবুবুর রহমান), একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
২১.
ক্লিপবোর্ড কমান্ড কয়টি ও কী কী?
  1. ২টি – cut, paste
  2. ৩টি – cut, copy, paste
  3. ৪টি – cut, copy, paste, delete
  4. ৫টি – cut, copy, paste, undo, redo
ব্যাখ্যা
• ক্লিপবোর্ড কমান্ড:
- প্রোগ্রাম থেকে কপি করা ডেটা ক্লিপবোর্ডে সংরক্ষিত থাকে।
- ক্লিপবোর্ড র‌্যামের একটি অংশ যেখানে কোনো ডেটা অন্য কোনো স্থানে পেস্ট করার পূর্বে অস্থায়ীভাবে জমা থাকে।
- ক্লিপবোর্ড কমান্ড তিনটি – cut, copy, paste।
- যখন কোনো প্রোগ্রামের এডিট মেনু থেকে cut বা copy কমান্ড দিয়ে কোনো টেক্সট, ইমেজ বা অন্য কোনো ধরনের ডেট ফাইল সিলেক্ট করা হয়, তখন তা ক্লিপবোর্ডে জমা হয়।

উৎস: Computer Hope Website.
২২.
উন্নতমানের ছবি দৃশ্যমান করার জন্য ব্যবহৃত পোর্ট বিশেষ হিসেবে পরিচিত কোনটি?
  1. AGP
  2. FTP
  3. POP
  4. HTP
ব্যাখ্যা
• AGP:
- AGP এর পূর্ণ অর্থ হলো Accelerted Graphics Port.
- উন্নতমানের ছবি দৃশ্যমান করার জন্য ব্যবহৃত পোর্ট বিশেষ।
- আধুনিককালের সকল মাদারবোর্ড ও এজিপির ব্যবহার করার জন্য পৃথক স্লট রয়েছে।
- উচ্চমানের গ্রাফিক্সকে দ্রুত ও নিখুঁতভাবে প্রদর্শনযোগ্য করার জন্য ইন্টেল AGP কার্ডের উন্নয়ন করে।
- বিশেষ করে ত্রিমাত্রিক ছবি প্রদর্শনের জন্য কম্পিউটারের গেমস ও কম্পিউটারের এইডেড ডিজাইনের ক্ষেত্রে ব্যবহৃত ছবির মান উন্নয়নের জন্য এ ধরনের পোর্টের উন্নতি ঘটেছিল।
- এটি গ্রাফিক্সের জন্য পিসিআই বাসের উন্নত সংস্করণ।
- কিন্তু পিসিতে এটি স্বাধীনভাবে গ্রাফিক্সের জন্য কাজ করে।
- 133.2 মেগাহার্টজ গতিতে এজন্য সঞ্চালন হার সর্বোচ্চ দাঁড়ায় 533 মেগাবিট/সেকেন্ড।
- মাদারবোর্ডে এজিপি কার্ড স্থাপনের জন্য একটিমাত্র এজিপি স্লট থাকে।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২৩.
নিচের কোনটিকে বিশেষ লজিক গেইট বলা হয়?
  1. XOR Gate
  2. NOR Gate
  3. NAND Gate
  4. NOT Gate
ব্যাখ্যা
• XOR Gate হচ্ছে বিশেষ লজিক গেইট।

• মৌলিক লজিক গেইট:
- ডিজিটাল ইলেকট্রনিক্স পদ্ধতি বাস্তবায়নের জন্য যে সমস্ত গেইট মূলত কাজ করে তাদেরকে মৌলিক গেইট বলা হয়।
- কম্পিউটার বা অন্যান্য ডিজিটাল পদ্ধতির মূলে রয়েছে তিনটি মৌলিক গেইট। যথা:
১. অর গেইট (OR Gate),
২. অ্যান্ড গেইট (AND Gate) এবং
৩. নট গেইট (NOT Gate)।

• সার্বজনীন গেইট:
- যে গেইট এর সাহায্যে মৌলিক গেইটসহ (AND, OR, NOT) যেকোনো গেইট এবং যেকোনো সার্কিট বাস্তবায়ন করা যায় তাকে সার্বজনীন গেইট বলে।
- NAND ও NOR গেইটকে সার্বজনীন গেইট বলা হয়।
- কারণ, শুধুমাত্র NAND গেইট বা শুধুমাত্র NOR গেইট দিয়ে মৌলিক গেইটসহ যেকোনো লজিক গেইট বা সার্কিট বাস্তবায়ন করা যায়।

• মৌলিক লজিক গেইট:
- OR Gate,
- AND Gate,
- NOT Gate.

• সার্বজনীন লজিক গেইট:
- NAND Gate,
- NOR Gate.

• বিশেষ লজিক গেইট:
- XOR Gate,
- XNOR Gate.

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান
২৪.
যেসব দেশের ভাষাকে প্রকাশ করতে আট বিটের বেশি কোড ব্যবহৃত হয়, সে সব ক্ষেত্রে কোন কোড ব্যবহৃত হয়?
  1. ইউনিকোড
  2. অ্যাসকি কোড
  3. বিসিডি কোড
  4. ইবিসিডিক কোড
ব্যাখ্যা
• ইউনিকোড:
- ইউনিকোড হচ্ছে 16 বিট কোড।
- বিভিন্ন ধরনের ক্যারেক্টার এবং টেক্সটকে প্রকাশ করার জন্য ইউনিকোড ব্যবহৃত হয়।
- বিশ্বের সকল দেশের ভাষাসমূহকে প্রকাশ করার জন্য 16 বিটের এই কোড ব্যবহার করা হয়।
- ইউনিকোডের সাহায্যে 216 = 65,535 কোড গ্রুপ তৈরি করা সম্ভব।
- যে সমস্ত দেশের ভাষাকে প্রকাশ করতে ৪ বিটের বেশি কোড ব্যবহৃত হয় সে সব ক্ষেত্রে ইউনিকোড ব্যবহৃত হয়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২৫.
কম্পিউটারের ইন্টারনাল মেমরি বলতে কী বোঝায়?
  1. র‍্যাম ও রম
  2. রেজিস্টার ও ক্যাশ মেমরি
  3. হার্ড ডিস্ক ও এসএসডি
  4. পেন ড্রাইভ ও মেমরি কার্ড
ব্যাখ্যা
• ইন্টারনাল মেমরি:
- কম্পিউটারের ইন্টারনাল মেমরি বলতে রেজিস্টার ও ক্যাশ মেমরিকে বোঝানো হয়।

• রেজিস্টার:
- মূলত মাইক্রোপ্রসেসরের অস্থায়ী মেমরি রেজিস্টার হিসেবে কাজ করে।
- রেজিস্টার তৈরি হয় ফ্লিপ- ফ্লপের সাহায্যে।
- এগুলোর কাজ করার ক্ষমতা অত্যন্ত দ্রুত।
- মাইক্রোপ্রসেসরের কার্যাবলি সম্পাদানের জন্য এর অভ্যন্তরে বিভিন্ন ধরনের রেজিস্টার ব্যবহৃত হয়। যেমন- অ্যাকুমুলেটর, ইনস্ট্রাকশন রেজিস্টার, প্রোগ্রাম কাউন্টার ইত্যাদি।
- মাইক্রোপ্রসেসর যখন হিসাব-নিকাশের কার্যাবলি সম্পাদন করে তখন ডেটাকে সাময়িকভাবে জমা রাখার জন্য রেজিস্টারসমূহ ব্যবহৃত হয়।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২৬.
সাধারণত ডিজিটাল ক্যামেরার মান হিসাব করা হয় কোন এককে?
  1. মেগা পিক্সেল
  2. গিগাবাইট
  3. টেরাবাইট
  4. নিবল
ব্যাখ্যা
• ডিজিটাল ক্যামেরার মান পরিমাপের একক মেগাপিক্সেল।

• ডিজিটাল ক্যামেরা:
- সনাতনী ফিল্মের পরিবর্তে মেমোরি চিপে ছবি সংরক্ষণ করা হয়।
- ডিজিটাল ক্যামেরার মান মেগাপিক্সেল দিয়ে পরিমাপ করা হয়।
- ১৯৭২ সালে টেক্সাস ইন্সট্রুমেন্টস ইনকর্পোরেটেড প্রথমবারের মতো ফিল্মবিহীন ইলেকট্রনিক ক্যামেরা উন্মোচন করে।
- ১৯৮১ সালে সনি কর্পোরেশন একটি বাণিজ্যিক ইলেকট্রনিক মডেল বাজারে আনে, যা একটি ভিডিও ক্যামেরা থেকে সংগৃহীত তথ্য সংরক্ষণের জন্য "মিনি" কম্পিউটার ডিস্ক ড্রাইভ ব্যবহার করত।
- ১৯৯১ সালে ইস্টম্যান কোডাক কোম্পানি পেশাদার ডিজিটাল ক্যামেরার বিক্রি শুরু করে।

উৎস: ব্রিটানিকা।
২৭.
ALU এর মাধ্যমে কোন কাজটি সম্পাদিত হয় না?
  1. গাণিতিক অপারেশন সম্পাদন
  2. প্রোগ্রাম লিখা
  3. রেজিস্টারে সংরক্ষিত তথ্য ডানে-বামে সরানো
  4. রেজিস্টার পরিষ্কারকরণ
ব্যাখ্যা
• ALU:
- ALU এর পূর্ণরূপ হচ্ছে Arithmetic Logic Unit.
- নিয়ন্ত্রণ অংশের তত্ত্বাবধানে গাণিতিক যুক্তি অংশ বা ALU বিভিন্ন ধরনের গাণিতিক বা লজিক্যাল অপারেশনের কাজ সম্পাদন করে।
- বেশির ভাগ গাণিতিক অপারেশনগুলো হলো যোগ, বিয়োগ, গুণ, ভাগ এবং লজিক্যাল অপারেশনগুলো হলো তুলনা, সত্য-মিথ্যা যাচাই ইত্যাদি।
- কোনো রেজিস্টার পরিষ্কারকরণ এবং রেজিস্টারে সংরক্ষিত তথ্য বা সংখ্যাকে ডানে-বামে সরানো ইত্যাদি কাজও এ অংশের মাধ্যমে সম্পাদিত হয়।
- বিভিন্ন ধরনের ইলেকট্রনিক বর্তনীর সহায়তায় গাণিতিক যুক্তি অংশ এই কার্যাবলি সম্পাদান করে থাকে এবং প্রয়োজনে ফলাফল অস্থায়ীভাবে রেজিস্টারে সংরক্ষিত রাখে।
- বর্তমানের মাইক্রোপ্রসেসরগুলোতে কাজের গতি বাড়ানোর প্রয়োজনে একাধিক গাণিতিক যুক্তি অংশ ব্যবহৃত হয়।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২৮.
ভার্চুয়াল রিয়েলিটির উপাদান কোনটি?
  1. Data Glove
  2. Body Suit
  3. Head Mounted Display
  4. All above
ব্যাখ্যা
• ভার্চুয়াল রিয়েলিটি:
- ভার্চুয়াল রিয়েলিটি শব্দের আক্ষরিক অর্থ হচ্ছে কৃত্রিম বাস্তবতা।
- প্রকৃত অর্থে বাস্তব নয়, কিন্তু বাস্তবের চেতনা উদ্রেককারী বিজ্ঞাননির্ভর কল্পনাকে ভার্চুয়াল রিয়েলিটি বা কৃত্রিম বাস্তবতা কিংবা কল্পবাস্তবতা বলে।
- একে সংক্ষেপে VR বলা হয়ে থাকে।
- ভার্চুয়াল রিয়েলিটি মূলত কম্পিউটার প্রযুক্তি ও সিমুলেশন তত্ত্বের ওপর প্রতিষ্ঠিত।
- এতে ব্যবহৃত সফটওয়্যারের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো- Vizard, VRToolkit, 3d Studio Max, Maya ইত্যাদি।
- ভার্চুয়াল রিয়েলিটিতে ত্রিমাত্রিক ইমেজ তৈরির মাধ্যমে অতি অসম্ভব কাজও করা সম্ভব হয়।
- ভার্চুয়াল রিয়েলিটি হলো হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যারের মাধ্যমে তৈরিকৃত এমন একটি কম্পিউটার নিয়ন্ত্রিত পরিবেশ, যা উপস্থাপন করা হলে ব্যবহারকারীদের কাছে এটিকে বাস্তব পরিবেশ মনে হয়।
- ভার্চুয়াল রিয়েলিটি হলো হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যারের মাধ্যমে তৈরিকৃত এমন একটি কম্পিউটার নিয়ন্ত্রিত পরিবেশ, যা উপস্থাপন করা হলে ব্যবহারকারীদের কাছে এটিকে বাস্তব পরিবেশ মনে হয়।

• ভার্চুয়াল রিয়েলিটির উপাদানসমূহ:
- হেড মাউন্টেড ডিসপ্লে (Head Mounted Display- HMD),
- ডেটা গ্লোভ (Data Glove),
- একটি পূর্ণাঙ্গ বডি স্যুইট (Body Suit),
- উচ্চ মানের অডিও ব্যবস্থা,
- রিয়েলিটি ইঞ্জিন,
- বিভিন্ন ধরনের সেন্সর,
- বিভিন্ন সিমুলেশন, মডেলিং ও গ্রাফিক্স সফটওয়্যার ইত্যাদি।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।
২৯.
XOR গেইটে আউটপুট 1 হবে, যখন ইনপুট-
  1. A = 1, B = 0
  2. A = 0, B = 0
  3. A = 1, B = 1
  4. খ ও গ উভয় ক্ষেত্রেই
ব্যাখ্যা
• এক্স অর গেইট:
- Exclusive OR গেইটকে সংক্ষেপে এক্স অর গেইট বলে।
- মৌলিক গেইট দিয়ে এক্স অর গেইট তৈরি করা হয় বলে একে প্রকৃত অর গেইট বলে।
- এটি অ্যান্ড, অর, নট, ন্যান্ড, নর ইত্যাদি গেইটের সাহায্যেও তৈরি করা যায়।
- এই গেইটের দুটি ইনপুট সমান না হলে আউটপুট 1 হয়, অন্যথায় আউটপুট 0 হবে।


উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩০.
নিচের কোনটি মাদারবোর্ডে ব্যবহৃত 'heatsink' এর কাজ?
  1. ইলেকট্রনিক উপাদান ঠান্ডা করা
  2. বৈদ্যুতিক সংযোগ প্রদান করা
  3. আউটপুট ডিভাইস নিয়ন্ত্রণ করা
  4. সবগুলোই সঠিক
ব্যাখ্যা
• Motherboard heatsink:
- মাদারবোর্ডে হিটসিঙ্ক একটি গুরুত্বপূর্ণ উপাদান যা তাপ শোষণ এবং বিস্তার করতে ব্যবহৃত হয়।
- এটি বিভিন্ন ইলেকট্রনিক উপাদানের তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণে সহায়তা করে, বিশেষ করে সেই উপাদানগুলি যেগুলো উচ্চতর তাপ উৎপন্ন করে, যেমন সেন্ট্রাল প্রসেসিং ইউনিট (CPU) এবং গ্রাফিক্স প্রসেসিং ইউনিট (GPU)।
- প্রায়শই হিটসিঙ্কের সাথে একটি ফ্যান যুক্ত করা থাকে যা তাপকে দ্রুত সরিয়ে নেওয়ার জন্য বাতাস প্রবাহিত করে এবং ইলেকট্রনিক উপাদান ঠান্ডা করা।
- এর ফলে মাদারবোর্ডের উপাদানগুলি অতিরিক্ত গরম হয়ে যাওয়া থেকে রক্ষা পায় এবং সিস্টেমের কার্যক্ষমতা বাড়ে।
- হিটসিঙ্ক মাদারবোর্ডের উপাদানগুলির আয়ু বৃদ্ধি করতে সহায়ক, কারণ অতিরিক্ত তাপ ইলেকট্রনিক উপাদানগুলির কার্যক্ষমতা হ্রাস করতে এবং সেগুলির ক্ষতি করতে পারে।

উৎস: Lenovo Website.
৩১.
মনিটরে দৃশ্যমান ছবির গুনগত মান নির্ভর করে নিচের কোনটির উপর?
  1. NIC Card
  2. VGA Card
  3. RAM
  4. ROM
ব্যাখ্যা
 - মনিটরে দৃশ্যমান ছবির গুনগত মান নির্ভর করে ভিজিএ কার্ডের উপর।
- VGA( video graphics array), ভিডিও গ্রাফিক্স অ্যারে ভিডিও ডিভাইস যেমন মনিটর এবং প্রজেক্টরগুলির জন্য এক প্রকারের সংযোগ।
- সাধারনত, ভিজিএ ভয়েস ক্যাবল, পোর্ট, এবং সংযোগকারীগুলিকে ভিডিও কার্ড গুলিতে মনিটরের সাথে সংযুক্ত করতে ব্যবহৃত হয়।
- ভিজিএ বিভাগে ভিডিও আউটপুট সংক্রান্ত কাজ হয়ে থাকে।
- এজন্য ভিজিএ এর জন্য আলাদা স্লট থাকে কম্পিউটার ব্যবহারকারী তাদের ইচ্ছামত গ্রাফিক্স আপডেট করতে পারে।
- বর্তমানে মাদারবোর্ডে বিল্ট ইন ভিজিএ থাকে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ- দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
৩২.
আখ চাষিদের জন্য প্রবর্তিত ই-সেবা কোনটি?
  1. ই-এমটিএস
  2. ই-পুর্জি
  3. ই-টিকেটিং
  4. ই-পর্চা
ব্যাখ্যা
• ই-পুর্জি:
- দেশের প্রথম দিককার ই-সেবাসমূহের একটি।
- এটি আখ চাষিদের জন্য প্রবর্তিত ই-সেবা
- দেশের ১৫টি চিনিকলের সকল আখচাষি এসএমএসের মাধ্যমে ই-পুর্জি তথ্য পাচ্ছে।
- পূর্জি হচ্ছে চিনিকলসমূহে কখন আখ সরবরাহ করতে হবে সে জন্য আওতাধীন আখচাষিদের দেওয়া একটি অনুমতিপত্র।

• ইলেকট্রনিক মানি ট্রান্সফার সিস্টেম (ই-এমটিএস):
- বাংলাদেশ ডাক বিভাগের ইলেকট্রনিক মানি ট্রান্সফার সিস্টেমের মাধ্যমে দেশের এক অঞ্চল থেকে অন্য অঞ্চলে নিরাপদে, দ্রুত ও কম খরচে টাকা পাঠানো যায় ।
- ১ মিনিটের মধ্যে ৫০ হাজার টাকা পর্যন্ত পাঠানো যায়।
- দেশের প্রায় সকল ডাকঘরে এই সেবা পাওয়া যায় ।

• ই-পর্চা সেবা:
- বর্তমানে দেশের সকল জমির রেকর্ডের অনুলিপি অনলাইনে সংগ্রহ করা যায়, এটিকে বলা হয় ই-পর্চা।

• রেলওয়ের ই-টিকেটিং ও মোবাইল টিকেটিং:
- বাংলাদেশ রেলওয়ের কয়েকটি আন্তঃনগর ট্রেনের টিকেট এখন মোবাইল ফোনেও ক্রয় করা যায়।
- আবার অনলাইনেও টিকেট সংগ্রহের ব্যবস্থা রয়েছে। ফলে, নিজের সুবিধামতো সময়ে রেলস্টেশনে না গিয়েও নির্দিষ্ট গন্তব্যের টিকেট সংগ্রহ সম্ভব হচ্ছে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, নবম-দশম শ্রেণি।
৩৩.
মাউস কয় ধরণের হয়ে থাকে?
  1. ২ ধরণের
  2. ৩ ধরণের
  3. ৪ ধরণের
  4. ৫ ধরণের
ব্যাখ্যা
• মাউস:
- মাউস হলো হাত দিয়ে নিয়ন্ত্রিত ইঁদুর সদৃশ একটি পয়েন্টিং ডিভাইস।
- মাউস পয়েন্টারকে মনিটর স্ক্রীনের যে কোন জায়গায় মুভ করানোকে পয়েন্টিং বলা হয়।
- মাউস কী বোর্ডের নির্দেশ প্রদান ছাড়াই একটি কম্পিউটারকে নিয়ন্ত্রণ করে থাকে।
- আমেরিকান উদ্ভাবক ডগলাস এঙ্গেলবার্ট মাউস আবিষ্কার করেন।
- মাউস হল এক ধরনের ছোট হার্ডওয়ার ইনপুট ডিভাইস (input device) যা হাত দ্বারা ব্যবহৃত হয়।
- এটিকে hand operated input device ও বলা হয়।
- এটি কম্পিউটারের কার্সারের গতিবিধি নিয়ন্ত্রণ করতে এবং ব্যবহারকারীর কম্পিউটারের বিভিন্ন ফাইল, ফোল্ডার, টেক্সট আইকন সারাতে এবং নির্বাচন করতে ব্যবহার করা হয়।

• মাউস দুই ধরণের হয়ে থাকে। যথা:
১. Mechanical এবং
২. Optical Mouse.

উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি-১, এসএসসি ও ভোকেশনাল।
২. ব্রিটানিকা।
৩৪.
(962)10 = (?)16
  1. 4B1
  2. 2E5
  3. 3C2
  4. 5A2
ব্যাখ্যা
• পূর্ণ দশমিক সংখ্যাকে হেক্সাডেসিমেল সংখ্যায় রূপান্তর:
১. দশমিক সংখ্যাকে হেক্সাডেসিমেল সংখ্যায় রূপান্তরিত করার জন্য দশমিক সংখ্যাকে ১৬ দিয়ে ভাগ করে ভাগশেষকে সংরক্ষণ করতে হবে।
২. ভাগফলকে পুনরায় ১৬ দিয়ে ভাগ করে ভাগশেষকে সংরক্ষণ করতে হবে।
৩. এ পদ্ধতির পুনরাবৃত্তি করতে হবে যতক্ষণ না ভাজ্য ০ হয়।
৪. সংরক্ষিত ভাগশেষগুলোকে শেষ থেকে প্রথম দিকে ধারাবাহিকভাবে অর্থাৎ উল্টো করে সাজিয়ে লিখলে ১ থেকে F এর সমন্বয়ে যে সংখ্যাটি পাওয়া যায় তাই দশমিক সংখ্যার সমকক্ষ হেক্সাডেসিমেল সংখ্যা।
৫. ভাগশেষ সংরক্ষণের ক্ষেত্রে যদি ভাগশেষ ১০ থেকে ১৫ হয় তবে যথাক্রমে ১০→A, ১১→B, ১২→C, ১৩→D, ১৪→E ও ১৫→F সংখ্যা লিখতে হবে।