পরীক্ষা আর্কাইভ

বার কাউন্সিল এনরোলমেন্ট ⎯ ২০২৬

পরীক্ষাবার কাউন্সিল এনরোলমেন্ট ⎯ ২০২৬তারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়50 minutes
মোট প্রশ্ন৯২
সিলেবাস
Exam - 43 The Code of Civil Procedure, 1908, The Civil Courts Act, 1887: Subject Final Topic ➝ CPC-Full Syllabus
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

বার কাউন্সিল এনরোলমেন্ট ⎯ ২০২৬

বার কাউন্সিল এনরোলমেন্ট ⎯ ২০২৬ · তারিখ অনির্ধারিত · ৯২ প্রশ্ন

.
দেওয়ানি কার্যবিধি ১৯০৮ সালের কত নম্বর আইন?
  1. ১নং আইন
  2. ৫নং আইন
  3. ৪৫নং আইন
  4. ৮নং আইন
সঠিক উত্তর:
৫নং আইন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫নং আইন
ব্যাখ্যা
দেওয়ানি কার্যবিধি ১৯০৮ সালের ৫নং আইন।

• সর্ব প্রথম ১৮৫৯ সালে সিভিল কোড সংক্রান্ত পদ্ধতিগত আইন বিধিবদ্ধ [codified] করা হয়। বর্তমানের দেওয়ানি কার্যবিধি, ১৯০৮ সালে প্রণয়ন করা হয় এবং ১৯০৯ সালের ১লা জানুয়ারী থেকে কার্যকর হয়।

• দেওয়ানি কার্যবিধি একটি পদ্ধতিগত আইন [Procedural Law বা Adjective law]। দেওয়ানি মোকদ্দমার বিচার প্রক্রিয়া ও পদ্ধতি সংক্রান্ত আইন হলো দেওয়ানি কার্যবিধি। এই আইনে দেওয়ানি মোকদ্দমা নিষ্পত্তি করার ক্ষেত্রে দেওয়ানি কোর্টসমূহ কোন পদ্ধতি অনুসরণ করবে, মোকদ্দমার পক্ষসমূহ কিভাবে মোকদ্দমা দায়ের করবে, মোকদ্দমার আরজি এবং লিখিত জবাব দাখিল করবে, সমন জারি,পক্ষসমূহের শুনানীর সময় উপস্থিতি, মোকদ্দমার শুনানী, রায় ঘোষণা, ডিক্রি জারি এবং বলবৎকরণ,আপিল, রিভিশন এবং রিভিউ ইত্যাদি বিষয় আলোচনা করা হয়েছে।
.
বেআইনীভাবে দখলকৃত সম্পত্তিতে স্বাভাবিক নিয়মে দখলদার ব্যক্তি যে মুনাফা লাভ করে, সুদসহ উক্ত মুনাফা কে দেওয়ানি কার্যবিধিতে__________ বলে।
  1. Gross Profits
  2. Mesne Profits
  3. Monthly Profits
  4. Unwanted Profits
সঠিক উত্তর:
Mesne Profits
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Mesne Profits
ব্যাখ্যা
• ধারা ২(১২) অনুসারে,
বেআইনীভাবে দখলকৃত সম্পত্তিতে স্বাভাবিক নিয়মে যে লাভ তৈরি হয় বা বেআইনীভাবে দখলদার ব্যক্তি সাধারণ বুদ্ধিমত্তায় যে লাভ করতে পারতো, সুদসহ উক্ত মুনাফা কে মধ্যবর্তী মুনাফা (Mesne Profits) বলে।

• ব্যতিক্রম-
বেআইনীভাবে দখলদার ব্যক্তি উক্ত সম্পত্তির কোন উন্নয়ন করলে এবং সেই উন্নয়নের ফলে কোন মুনাফা হলে, উক্ত মুনাফা মধ্যবর্তী মুনাফা (Mesne Profits) বলে গণ্য হবে না ।

Section 2(12)-
"mesne profits" of property means those profits which the person in wrongful possession of such property actually received or might with ordinary diligence have received therefrom, together with interest on such profits but shall not include profits due to improvements made by the person in wrongful possession:
.
'কোনো দেওয়ানি আদালত তার সাধারণ এখতিয়ারের আর্থিক সীমারেখার বেশি মূল্যসম্পন্ন বিষয়বস্তু সম্পর্কিত মোকদ্দমার বিচার করবে না।'- উক্ত বিধান দেওয়ানি কার্যবিধি, ১৯০৮ এর কোথায় উল্লেখ আছে?
  1. ধারা ৬
  2. ধারা ৯
  3. ধারা ১৫
  4. ধারা ১৩
সঠিক উত্তর:
ধারা ৬
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ৬
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানি কার্যবিধির ৬ ধারায় (আর্থিক এখতিয়ার) সম্পর্কে বলা আছে-
অন্যত্র বর্ণিত সুস্পষ্ট বিধানসমূহ ছাড়া এই আইনের বিধান কোন আদালতকে তার সাধারণ এখতিয়ারের আর্থিক সীমারেখার (যদি থাকে) বেশি মূল্যসম্পন্ন বিষয়বস্তু সম্পর্কিত মোকদ্দমার বিচার করার এখতিয়ার প্রদান করবে না।

Section 6: Pecuniary Jurisdiction-
Save in so far as is otherwise expressly provided, nothing herein contained shall operate to give any Court jurisdiction over suits the amount or value of the subject-matter of which exceeds the pecuniary limits (if any) of its ordinary jurisdiction.
.
দেওয়ানি কার্যবিধির কত ধারায় "বিচারক" এর সংজ্ঞা দেয়া হয়েছে?
  1. ধারা ২(৮)
  2. ধারা ২(৯)
  3. ধারা ২(১০)
  4. ধারা ২(১১)
সঠিক উত্তর:
ধারা ২(৮)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ২(৮)
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ২(৮) এ "বিচারক বা জজ" এর সংজ্ঞা দেয়া হয়েছে-

"বিচারক বা জজ" বলতে দেওয়ানি আদালতের প্রিজাইডিং অফিসার বোঝায়।
"Judge" means the Presiding Officer of a Civil Court.
.
দেওয়ানি কার্যবিধির কত ধারায় বিশেষ আইনসমূহকে প্রাধান্য দেয়া হয়েছে?
  1. ৩ ধারায়
  2. ৪ ধারায়
  3. ৫ ধারায়
  4. ৬ ধারায়
সঠিক উত্তর:
৪ ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪ ধারায়
ব্যাখ্যা
দেওয়ানি কার্যবিধির ৪ ধারা অনুযায়ী, দেওয়ানি কার্যবিধি বিশেষ আইনগুলির কোনো ক্ষমতাকে সীমাবদ্ধ করবে না।

ধারা ৪: সংরক্ষণ-
১) বিপরীত কোন সুস্পষ্ট বিধান না থাকলে, বর্তমানে চলমান কোন বিশেষ আইন বা ন্যস্তকৃত কোন বিশেষ এখতিয়ার ক্ষমতা, অথবা বর্তমানে বলবৎ অপর কোন আইন অনুসারে নির্ধারিত কোন বিশেষ ফরম বা পদ্ধতিকে এই আইনের কোন বিধান দ্বারা সীমাবদ্ধ বা অন্য কোনভাবে প্রভাবিত করবে না।

২) বিশেষত, এবং (১) উপধারায় বর্ণিত সাধারণ নীতিকে ক্ষুণ্ণ না করে সমকালীন চলমান কোন আইনের অধীন চাষের জমির জন্য উক্ত জমির ফসল হতে খাজনা আদায়ের ব্যাপারে কোন জমিদারের কোন প্রতিকার থাকলে এই আইনের কোন বিধান তা সীমাবদ্ধ বা প্রভাবিত করবে না।

Sec 4: Savings-
1) In the absence of any specific provision to the contrary, nothing in this Code shall be deemed to limit or otherwise affect any special law now in force or any special jurisdiction or power conferred, or any special form of procedure prescribed, by or under any other law for the time being in force.

2) In particular and without prejudice to the generality of the proposition contained in sub-section (1), nothing in this Code shall be deemed to limit or otherwise affect any remedy which a land-holder or landlord may have under any law for the time being in force for the recovery of rent of agricultural land from the produce of such land.
.
'ক', 'খ' এর বিরুদ্ধে পদের অধিকার নিয়ে মোকদ্দমা দায়ের করেছে। মোকদ্দমাটি আদালতে বিচারাধীন থাকা অবস্থায় 'ক', 'খ' এর বিরুদ্ধে একই বিষয়ে অন্য একটি আদালতে মোকদ্দমা দায়ের করে। এক্ষেত্রে আদালত-
  1. পরবর্তী মোকদ্দমা খারিজ করবে
  2. পূর্ববর্তী মোকদ্দমা স্থগিত করবে
  3. পরবর্তী মোকদ্দমা স্থগিত করবে
  4. পূর্ববর্তী মোকদ্দমা খারিজ করবে
সঠিক উত্তর:
পরবর্তী মোকদ্দমা স্থগিত করবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পরবর্তী মোকদ্দমা স্থগিত করবে
ব্যাখ্যা
আদালত পরবর্তী মোকদ্দমা স্থগিত করার নির্দেশ দিতে পারে।

• দেওয়ানি কার্যবিধির ১০ ধারায় মোকদ্দমা স্থগিতকরণ (stay of suit) বা res sub judice সম্পর্কে আলোচনা করা হয়েছে। ১০ ধারার নীতি প্রয়োগ করতে শর্তসমূহ-

⇒ দুইটি মোকদ্দমা থাকতে হবে। একটি হলো পূর্বে দায়েরকৃত মোকদ্দমা এবং অন্যটি হলো পরবর্তীতে দায়েরকৃত মোকদ্দমা
⇒ উভয় মোকদ্দমার বিচার্য বিষয় প্রত্যক্ষ এবং মৌলিকভাবে একই হবে
⇒ উভয় মোকদ্দমা একই পক্ষগণের বা তাদের প্রতিনিধিদের মধ্যে হতে হবে
⇒ পূর্ববর্তী মোকদ্দমাটি অবশ্যই বিচারাধীন থাকতে হবে
⇒ পূর্ববর্তী মোকদ্দমাটি যে আদালতে দায়ের করা হয়েছে সেই আদালতের দাবীকৃত প্রতিকার দেওয়ার এখতিয়ার থাকতে হবে
⇒ উভয় মোকদ্দমায় উভয় পক্ষগণ একই স্বত্ত্বের অধীন মোকদ্দমা দায়ের করেছে।

• ১০ ধারার বিধান মান্য করা আদালতের জন্য বাধ্যতামূলক। অর্থাৎ উপরের শর্ত পূরণ হলে আদালত উল্লেখিত পরবর্তী মোকদ্দমাটির বিচার স্থগিত করার নির্দেশ দিবেন।
.
দেওয়ানি কার্যবিধির ৭ ধারায় কোন আদালত সম্পর্কিত বিশেষ বিধান রয়েছে?
  1. রাজস্ব আদালত
  2. গ্রাম আদালত
  3. পারিবারিক আদালত
  4. ক্ষুদ্র বিষয়ক বিচার আদালত
সঠিক উত্তর:
ক্ষুদ্র বিষয়ক বিচার আদালত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক্ষুদ্র বিষয়ক বিচার আদালত
ব্যাখ্যা
দেওয়ানি কার্যবিধির ৭ ধারায় ক্ষুদ্র বিষয়ক বিচার আদালত বা Small Cause Courts সংক্রান্ত বিধান রয়েছে। যদি স্মল কজ কোর্ট বা স্বল্প এখতিয়ার আদালতে দেওয়ানী কার্যবিধি প্রযোজ্য হয়, তাহলে দেওয়ানি কার্যবিধির কোন ধারা ও বিধি ক্ষুদ্র বিষয়ক বিচার আদালতে প্রযোজ্য হবে না তা ৭ ধারায় বলা হয়েছে।

• ক্ষুদ্র বিষয়ক বিচার আদালতের ক্ষেত্রে নিম্নলিখিত বিষয়ে দেওয়ানি কার্যবিধির বিধানসমূহ প্রযোজ্য হবে না-
⇒ ক্ষুদ্র বিষয়ক বিচার আদালতের এখতিয়ার বহির্ভূত মোকদ্দমা;
⇒ এরূপ মোকদ্দমার ডিক্রি জারি; এবং
⇒ স্থাবর সম্পত্তির ডিক্রি জারি।

তবে, ক্ষুদ্র বিষয়ক বিচার আদালত বা স্বল্প এখতিয়ার আদালতের ক্ষেত্রে দেওয়ানি কার্যবিধির ৯ ধারা; ৯১ ও ৯২ ধারা; ২৪ ও ৯৫ ধারার অধীন স্থাবর সম্পত্তি ক্রোক, ইনজাংশন, রিসিভার নিয়োগ সংক্রান্ত বিধান এবং ৯৬ থেকে ১১২ ও ১১৫ ধারার বিধানসমূহ প্রযোজ্য হবে না।
.
আবেদনপত্রে বাদীর নাম বা ঠিকানা ভুল উল্লেখ থাকলে এবং মোকদ্দমা খারিজের আদেশ দেয়া হলে, উক্ত খারিজ আদেশ-
  1. ডিক্রি হিসাবে গণ্য হয় এবং আপিল করা যায়
  2. ডিক্রি হিসাবে গণ্য হয় না কিন্তু আপিল করা যায়
  3. ডিক্রি হিসাবে গণ্য হয় না এবং আপিল করা যায় না
  4. কোনোটিই নয়
সঠিক উত্তর:
ডিক্রি হিসাবে গণ্য হয় না এবং আপিল করা যায় না
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ডিক্রি হিসাবে গণ্য হয় না এবং আপিল করা যায় না
ব্যাখ্যা
• ধারা ২(২) এ ডিক্রির সংজ্ঞা হিসেবে দেয়া আছে:

ডিক্রি বলতে কোন আদালত কর্তৃক আনুষ্ঠানিকভাবে ভাবে প্রকাশিত এমন বক্তব্য বুঝায়, যা মোকদ্দমার বিতর্কিত সমগ্র বা যেকোন বিষয় → সম্পর্কে পক্ষগণের অধিকার চূড়ান্তভাবে নির্ধারণ করে এবং এই “ডিক্রি” প্রাথমিক বা চূড়ান্ত হতে পারে। আরজি প্রত্যাখ্যান এবং ১৪৪ ধারায় বর্ণিত কোন প্রশ্ন নির্ধারণও এর অন্তর্ভুক্ত হবে।

তবে নিম্নলিখিত বিষয় এর অন্তর্ভুক্ত হবে না-
ক) যে বিচারকৃত রায়ের বিরুদ্ধে কোন আদেশের বিরুদ্ধে আপিলের মত আপিল করা যায়; অথবা
খ) কোন ত্রুটির জন্য খারিজের আদেশ।

এসব ক্ষেত্রে আদালত প্রক্রিয়াগত সমস্যাগুলি সংশোধন বা সঠিকীকরণের সুযোগ দেয়। সুতরাং এগুলোকে চূড়ান্ত রায় বা ডিক্রি হিসাবে গণ্য করা হয় না। মূলত এগুলো মামলা চালিয়ে যাওয়ার প্রক্রিয়াগত পদক্ষেপ মাত্র। সুতরাং প্রক্রিয়াগত বা আনুষ্ঠানিক ত্রুটির জন্য খারিজ ডিক্রি হিসাবে গণ্য হয় না এবং এতে আপিলও করা যায় না।
.
দেওয়ানি কার্যবিধির ২১ ধারায় আদালতের কোন বিষয় নিয়ে আপত্তি তোলার বিধান রয়েছে?
  1. কার্যপদ্ধতি
  2. এখতিয়ার
  3. বিচারক
  4. উপরের কোনোটি নয়
সঠিক উত্তর:
এখতিয়ার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এখতিয়ার
ব্যাখ্যা
দেওয়ানি কার্যবিধির ২১ ধারায় আদালতের এখতিয়ার সমন্ধে আপত্তি তোলার বিধান রয়েছে। নিম্নে আদালতের এখতিয়ার সমন্ধে আপত্তি তোলার সাধারণ নিয়মগুলো দেয়া হলো-

⇒ ২১ ধারায় আদালতের আর্থিক (pecuniary) এবং আঞ্চলিক (territorial) উভয় এখতিয়ার (jurisdiction) সমন্ধে আপত্তি তোলা যায়।
⇒ আদালতের এখতিয়ার সমন্ধে পক্ষদের কোন আপত্তি থাকলে, উক্ত আপত্তি প্রথম সম্ভাব্য সুযোগ (at earliest possible opportunity) অথবা বিচার্য বিষয় নির্ধারণ করার সময় বা পূর্বে উত্থাপন করতে হবে।
⇒ যে আদালতে মোকদ্দমা দায়ের করা হয়, সেই আদালতেই এখতিয়ার সমন্ধে আপত্তি উত্থাপন করতে হয়।
⇒ সাধারণত আপিল বা রিভিশনে আদালতের এখতিয়ার সমন্ধে আপত্তি তোলা যায় না, তবে শুধুমাত্র ন্যায় বিচারের উদ্দেশ্যে আপিল বা রিভিশনের সময়ও এই দাবি উত্থাপন করা যায়। এছাড়া যদি আরজি উপস্থাপনের সময় আঞ্চলিক এখতিয়ার নিয়ে কোন অনিশ্চয়তা থাকে, তবে সেই অনিশ্চয়তা আপিল বা রিভিশন আদালতের নিকট যৌক্তিক মনে হলে এরকম প্রশ্ন আপিল বা রিভিশন আদালত গ্রহণ করতে পারে।
১০.
দেওয়ানি মোকদ্দমা কোথায় দায়ের করতে হয়?
  1. এখতিয়ার সম্পন্ন সর্বোচ্চ আদালতে
  2. এখতিয়ারসম্পন্ন যেকোনো আদালতে
  3. এখতিয়ারসম্পন্ন সর্বনিম্ন আদালতে
  4. উপরের যেকোনো একটিতে
সঠিক উত্তর:
এখতিয়ারসম্পন্ন সর্বনিম্ন আদালতে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এখতিয়ারসম্পন্ন সর্বনিম্ন আদালতে
ব্যাখ্যা
ধারা-১৫ তে যে আদালতে মোকদ্দমা দায়ের করতে হবে, সেই বিধান দেয়া আছে। বলা হয়েছে-

"Every suit shall be institued in the court of the lowest grade competent to try it."

অর্থাৎ, প্রত্যেকটি দেওয়ানি মোকদ্দমা তা বিচার করার এখতিয়ারসম্পন্ন সর্বনিম্ন আদালতে দায়ের করতে হবে। কোনটি সর্বনিম্ন আদালত সেটা নির্ধারিত হবে আদালতের আর্থিক এখতিয়ার এবং মোকদ্দমার মূল্যমান অনুযায়ী।
১১.
নিম্নের কোনটি দেওয়ানি আদালত নয়?
  1. Court of District Judge
  2. Court of Assistant Judge
  3. Court of Metropolitan Magistrate
  4. Court of Senior Assistant Judge
সঠিক উত্তর:
Court of Metropolitan Magistrate
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Court of Metropolitan Magistrate
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানি আদালতসমূহের গঠন, এখতিয়ার সম্পর্কে The Civil Courts Act,1887 এ বর্ণনা করা হয়েছে। অর্থাৎ Civil Courts Act,1887 অনুযায়ী দেওয়ানি আদালতসমূহ প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে।

• The Civil Courts Act,1887 এর ধারা-৩ এ নিম্নলিখিত দেওয়ানি আদালতের প্রকারভেদ দেয়া হয়েছে-
১. জেলা জজ আদালত [Court of District Judge];
২. অতিরিক্ত জেলা জজ আদালত [Court of Additional District Judge];
৩. যুগ্ম জেলা জজ আদালত [Court of Joint District Judge];
৪. সিনিয়র সহকারী জজ আদালত [Court of Senior Assistant Judge];
৫. সহকারী জজ আদালত [Court of Assistant Judge].

অপশনে উল্লিখিত 'Court of Metropolitan Magistrate' ফৌজদারি আদালতের অন্তর্ভুক্ত।
১২.
আপিল বিভাগের নিকট নিম্নবর্ণিত কোন ক্ষেত্রে আপিল করার বিধান রয়েছে?
  1. হাইকোর্ট বিভাগ কর্তৃক আপিলে প্রদত্ত কোন ডিক্রির বিরুদ্ধে
  2. হাইকোর্ট বিভাগ কর্তৃক মূল এখতিয়ার প্রয়োগকালে প্রদত্ত কোন চূড়ান্ত আদেশের বিরুদ্ধে
  3. আপিল বিভাগের নিকট কোনো মোকদ্দমা আপিলযোগ্য বলে সুপারিশ করা হলে, উক্ত মোকদ্দমার রায়ের বিরুদ্ধে
  4. উল্লিখিত সকল ক্ষেত্রে
সঠিক উত্তর:
উল্লিখিত সকল ক্ষেত্রে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উল্লিখিত সকল ক্ষেত্রে
ব্যাখ্যা
দেওয়ানি কার্যবিধির ১০৯ ধারা: সুপ্রিম কোর্টে যখন আপিল করা চলবে:
দেশের আদালতসমূহের রায়ের বিরুদ্ধে আপিল সম্পর্কে সুপ্রিম কোর্ট সময়ে সময়ে যে সমস্ত বিধি প্রণয়ন করবেন, তৎসাপেক্ষে এবং এই আইনের বিধান সাপেক্ষে আপিল বিভাগের নিকট নিম্নবর্ণিত ক্ষেত্রে আপিল করা চলবে-
ক) হাইকোর্ট বিভাগ বা চূড়ান্ত আপিল এখতিয়ারসম্পন্ন অন্য কোন আদালত কর্তৃক আপিলে প্রদত্ত কোন রায়, ডিক্রি অথবা চূড়ান্ত আদেশের বিরুদ্ধে;
খ) হাইকোর্ট বিভাগ কর্তৃক এর মূল দেওয়ানি এখতিয়ার প্রয়োগকালে প্রদত্ত কোন রায়, ডিক্রি বা চূড়ান্ত আদেশের বিরুদ্ধে; এবং
গ) অতঃপর বর্ণিত বিধানানুসারে কোন মোকদ্দমা আপিল বিভাগের নিকট আপিলের যোগ্য বলে সুপারিশ করা হলে, তদ্রূপ মোকদ্দমায় প্রদত্ত কোন রায়, ডিক্রি বা চূড়ান্ত আদেশের বিরুদ্ধে।

Section: 109- When appeals lie to the Supreme Court:
Subject to such rules as may, from time to time, be made by the Supreme Court regarding appeals from the Courts of Bangladesh, and to the provisions hereinafter contained, an appeal shall lie to the Appellate Division-
(a) from any Judgment, decree or final order passed on appeal by the High Court Division or by any other Court of final appellate jurisdiction;
(b) from any Judgment, decree or final order passed by the High Court Division in the exercise of original civil jurisdiction; and
(c) from any Judgment, decree or final order, when the case, as hereinafter provided, is certified to be a fit one for appeal to the Appellate Division.
১৩.
দেওয়ানি কার্যবিধি, ১৯০৮ এর ৭৫ ধারায় কমিশন নিয়োগ দেয়া যায় না-
  1. স্থানীয় তদন্তের জন্য
  2. বাটোয়ারা করার জন্য
  3. স্বত্ত্ব ঘোষণার জন্য
  4. হিসাব পরীক্ষা ও সমন্বয় করার জন্য
সঠিক উত্তর:
স্বত্ত্ব ঘোষণার জন্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্বত্ত্ব ঘোষণার জন্য
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানি কার্যবিধি, ১৯০৮ এর ৭৫ ধারায় বলা হয়েছে যে, ৪টি ক্ষেত্রে আদালত কমিশন নিয়োগ দিতে পারে-
(১) সাক্ষ্য গ্রহণ করার জন্য;
(২) স্থানীয় তদন্তের জন্য;
(৩) হিসাব পরীক্ষা ও সমন্বয় করার জন্য;
(৪) বাটোয়ারা করার জন্য।

Section 75- Power of Court to issue commissions:
Subject to such conditions and limitations as may be prescribed, the Court may issue a commission-
(a) to examine any person;
(b) to make a local investigation;
(c) to examine or adjust accounts; or
(d) to make a partition.

অর্থাৎ স্বত্ত্ব ঘোষণার জন্য ৭৫ ধারায় কমিশন নিয়োগ দেয়ার বিধান নেই।
১৪.
'প্লিডিংস সংশোধন' সংক্রান্ত বিধান কোথায় উল্লেখ আছে?
  1. আদেশ ৬ বিধি ১৫
  2. আদেশ ৬ বিধি ১৬
  3. আদেশ ৬ বিধি ১৭
  4. আদেশ ৬ বিধি ১৪
সঠিক উত্তর:
আদেশ ৬ বিধি ১৭
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আদেশ ৬ বিধি ১৭
ব্যাখ্যা
আদেশ ৬ বিধি ১৭: প্লিডিংস সংশোধন (Amendment of Pleadings)-
⇒ মামলার যে কোন পর্যায়ে আদালত যে কোন পক্ষকে আরজি বা জবাবের ন্যায়সঙ্গত পরিবর্তন বা সংশোধন করার অনুমতি দিতে পারেন।
⇒ বাদী বা বিবাদী উভয় পক্ষের বিরোধের প্রকৃত প্রশ্ন নির্ধারণের জন্য প্রয়োজনীয় যাবতীয় সংশোধন করা যাবে।
⇒ আদালতের ইচ্ছাধীন ক্ষমতার উপর আরজি জবাব সংশোধনের আদেশ নির্ভর করে।
⇒ প্লিডিংস সংশোধনের দরখাস্ত দাখিল করতে হয় বিচারিক আদালতে।
⇒ প্লিডিংস মামলার যে কোন পর্যায়ে এমনকি আপিল আদালতের মাধ্যমে সংশোধন করা যায়।
১৫.
দেওয়ানি কার্যবিধির ২২ ধারায় বিবাদী কী স্থানান্তরের আবেদন করতে পারে?
  1. আপিল
  2. মোকদ্দমা
  3. জারি কার্যক্রম
  4. ক বা খ বা গ
সঠিক উত্তর:
মোকদ্দমা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মোকদ্দমা
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানি কার্যবিধির ২২ থেকে ২৪ পর্যন্ত মোকদ্দমা স্থানান্তরের বিধান রয়েছে। ধারা ২২ এ যে মোকদ্দমাটি একের অধিক আদালতে দায়েরযোগ্য তা স্থানান্তরের ক্ষমতা সম্পর্কে বলা হয়েছে। এ ধারায় শুধুমাত্র বিবাদী মোকদ্দমা স্থানান্তরের আবেদন করতে পারে যদি মোকদ্দমাটি দুই বা ততোধিক আদালতের যে কোন একটিতে দায়েরযোগ্য হয় এবং তার মধ্যে যে কোন একটি আদালতে দায়ের করা হয়।

• যখন আবেদন করতে পারে:
যে কোন বিবাদী অপর পক্ষকে নোটিশ দিয়ে প্রথম সম্ভাব্য সুযোগে (At the earliest possible opportunity) এবং যে ক্ষেত্রে মোকদ্দমার বিচার্য বিষয় নির্ধারণ হয়ে গেছে, সেই ক্ষেত্রে বিচার্য বিষয় নির্ধারণের সময় বা তার পূর্বে অপর একটি আদালতে স্থানান্তরের জন্য আবেদন করতে পারবে। আদালত এইরুপ আবেদন পাওয়ার পর অপর পক্ষের আপত্তি (যদি থাকে) শ্রবণ করে এখতিয়ারসম্পন্ন আদালতসমূহের কোনটিতে মামলা অগ্রসর হবে তা স্থির করবে।

• Section 22: Power to transfer suits which may be instituted in more than one Court-
Where a suit may be instituted in any one of two or more Courts and is instituted in one of such Courts, any defendant, after notice to the other parties, may, at the earliest possible opportunity and in all cases where issue are settled at or before such settlement, apply to have the suit transferred to another Court and the Court to which such application is made, after considering the objections the other parties (if any), shall determine which of the several 31 Courts having jurisdiction the suit shall proceed.
১৬.
দেওয়ানি কার্যবিধি, ১৯০৮ এর ৫৯ ধারার অধীন আদালত কর্তৃক দেনাদারকে মুক্তি দেয়ার কারণ-
  1. গুরুতর অসুস্থতা
  2. মুচলেকা প্রদান
  3. দেনাদারের সম্পত্তি ক্রোক
  4. জামানত প্রদান
সঠিক উত্তর:
গুরুতর অসুস্থতা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গুরুতর অসুস্থতা
ব্যাখ্যা
দেওয়ানি কার্যবিধি, ১৯০৮ এর ৫৯ ধারা অনুযায়ী দেনাদারকে গ্রেফতার করার পর কোন ব্যক্তি গুরুতর অসুস্থ হইলে তাকে মুক্তি দেওয়ার বিধান আছে।

• দেওয়ানি কার্যবিধি ৫৯ ধারার বিধান- অসুস্থতার দরুন মুক্তি:
১) কোন রায়সিদ্ধ দেনাদারকে গ্রেফতার করার জন্য পরোয়ানা জারির পর যে কোন সময় তার গুরুতর অসুস্থতার কারণে আদালত তা নাকচ করতে পারেন।
২) রায়সিদ্ধ দেনাদারকে গ্রেফতারের পর আদালত যদি মনে করেন যে, স্বাস্থ্যের অবস্থা বিবেচনায় ঐ ব্যক্তিকে দেওয়ানি জেলে আটক রাখা চলে না, তাহলে আদালত তাকে মুক্তি দিতে পারবেন।

৩) দেওয়ানি জেলে আটক রায়সিদ্ধ দেনাদার নিম্নলিখিত উপায়ে মুক্তি পেতে পারে-
ক) কোন সংক্রামক বা ক্ষতিকারক রোগের দরুন সরকার তাকে মুক্তি দিতে পারেন; বা
খ) উক্ত ব্যক্তির গুরুতর অসুস্থতার দরুন সোপর্দকারী আদালত বা তা যে আদালতের অধীনস্ত তদ্রূপ কোন আদালত তাকে মুক্তি দিতে পারেন।

৪) এই ধারার অধীনে মুক্তিপ্রাপ্ত রায়সিদ্ধ দেনাদারকে পুনরায় গ্রেফতার করা যেতে পারে, কিন্তু উক্ত ব্যক্তিকে দেওয়ানি জেলে আটক রাখার মোট মেয়াদ গড়ে ৫৮ ধারায় উল্লেখিত মেয়াদের অধিক হবে না।

Section 59- Release on ground of illness:
(1) At any time after a warrant for the arrest of a judgment-debtor has been issued the Court may cancel it on the ground of his serious illness.
(2) Where a judgment-debtor has been arrested, the Court may release him if, in its opinion, he is not in a fit state of health to be detained in the civil prison.

(3) Where a judgment-debtor has been committed to the civil prison, he may be released therefrom-
(a) by the Government, on the ground of the existence of any infectious or contagious disease, or
(b) by the committing Court, or any Court to which that Court is subordinate, on the ground of his suffering from any serious illness.

(4) A judgment-debtor released under this section may be re-arrested, but the period of his detention in the civil prison shall not in the aggregate exceed that prescribed by section 58.
১৭.
দেওয়ানি কার্যবিধির কোথায় 'Representative suit' এর বিধান রয়েছে?
  1. Rule-8, Order-2
  2. Rule-1, Order-8
  3. Rule-8, Order-1
  4. Rule-4, Order-1
সঠিক উত্তর:
Rule-8, Order-1
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Rule-8, Order-1
ব্যাখ্যা
Rule-8, Order-1: One person may sue or defend on behalf of all in same interest-
1) Where there are numerous persons having the same interest in one suit, one or more of such persons may, with the permission of the Cour sue or be sued, or may defend, in such suit, on behalf of or for the benefit of all persons so interested. But the Court shall in such case give, at the plantiffs expense, notice of the institution of the suit to all such personal either by person service or, where from the number of persons or any other cause such service is not reasonably practicable, by public advertisement as the Court in each case may direct

2) Any person on whose behalf or for whose benefit a suit is instituted or defended under sub-rule (1) may apply to the Court to be made a party to such suit.

⇒  দেওয়ানি কার্যবিধির ১নং আদেশের ৮ নং বিধিতে প্রতিনিধিত্বমূলক মোকদ্দমা বা [Representative suit] এর বিধান রয়েছে।
সাধারণত মোকদ্দমার বিষয়বস্তুতে স্বার্থসংশ্লিস্ট সকল ব্যক্তিকে উক্ত মোকদ্দমায় বাদী বা বিবাদী হিসেবে যুক্ত হতে হয়। কিন্তু ১নং আদেশের ৮ নং বিধির আওতায় প্রতিনিধিত্বমূলক মোকদ্দমা এই নিয়মের ব্যতিক্রম। অর্থাৎ এই বিধিমতে, যেক্ষেত্রে কোন মামলায় বহু সংখ্যক লোকের একই রূপ স্বার্থ (same interest) থাকলে, সেক্ষেত্রে আদালতের অনুমতিক্রমে সকলের পক্ষে এক বা একাধিক ব্যক্তি মামলা দায়ের করতে পারে। এই এক বা একাধিক ব্যক্তি অন্যান্য সকলকে প্রতিনিধিত্ব করে। এই ধরনের মোকদ্দমাকে প্রতিনিধিত্বমূলক মোকদ্দমা বা Representative suit বলা হয়।
১৮.
কোনো দেওয়ানি মোকদ্দমা একের অধিক আদালতে দায়েরযোগ্য হলে এবং অনুরূপ আদালতসমূহ একই আপিল আদালতের অধীন হলে, কোন আদালতে মোকদ্দমা স্থানান্তরের আবেদন করতে হয়?
  1. উক্ত আপিল আদালতে
  2. হাইকোর্ট বিভাগে
  3. বিচারিক আদালতে
  4. যেকোনো মোকদ্দমা দায়েরযোগ্য আদালতে
সঠিক উত্তর:
উক্ত আপিল আদালতে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উক্ত আপিল আদালতে
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ২২ থেকে ২৪ পর্যন্ত মোকদ্দমা স্থানান্তরের বিধান রয়েছে। ধারা ২২ এ কোন মোকদ্দমা একের অধিক আদালতে দায়েরযোগ্য হলে, তা স্থানান্তরের ক্ষমতা সম্পর্কে বলা হয়েছে। উক্ত ধারায় শুধুমাত্র বিবাদী অপর পক্ষকে নোটিশ দিয়ে প্রথম সম্ভাব্য সুযোগে (At the earliest possible opportunity) অপর একটি এখতিয়ারসম্পন্ন আদালতে স্থানান্তরের জন্য আবেদন করতে পারবে।

• ধারা ২৩ (কোন আদালতে আবেদন করতে হবে)-
১) যখন এখতিয়ারসম্পন্ন একাধিক আদালত একই আপিল আদালতের অধীন হয়, তখন উক্ত আপিল আদালতে ২২ ধারানুযায়ী আবেদন পেশ করতে হবে।
২) যখন অনুরূপ আদালতসমূহ বিভিন্ন আপিল আদালতের আওতাধীনে হয় তখন হাইকোর্ট ডিভিশনে আবেদন পেশ করতে হবে।

Sec.-23: To what Court application lies-
1) Where the several Courts having jurisdiction are subordinate to the same Appellate Court, an application under section 22 shall be made to the Appellate Court.
2) Where such Courts are subordinate to different Appellate Courts the application shall be made to the High Court Division.
১৯.
অর্থ পরিশোধের ডিক্রি জারির ক্ষেত্রে বিকল্প প্রতিকার কী?
  1. দায়িককে দেওয়ানি কারাগারে আটক
  2. দায়িকের সম্পত্তি ক্রোক এবং বিক্রয়
  3. ক এবং খ
  4. কোনোটিই নয়
সঠিক উত্তর:
ক এবং খ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক এবং খ
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ-২১ বিধি-৩০ এর বিধান:

অর্থ পরিশোধের ডিক্রি: বিকল্প প্রতিকার হিসেবে অর্থ পরিশোধের ডিক্রি জারির ক্ষেত্রে প্রত্যেকটি ডিক্রি দায়িককে দেওয়ানি কারাগারে আটক করে অথবা তার সম্পত্তি ক্রোক এবং নিলাম বিক্রয় করে অথবা উভয় প্রকারেই জারি করা যাবে।

Order-21 Rule-30- Decree for payment of money:
Every decree for the payment of money, including a decree for the payment of money as the alternative to some other relief, may be executed by the detention in the civil prison of the judgment-debtor, or by the attachment and sale of his property, or by both.
২০.
আপিলযোগ্য আদেশের তালিকা দেওয়ানি কার্যবিধির কোথায় উল্লেখ আছে?
  1. আদেশ ৪১
  2. ধারা ১০৪
  3. আদেশ ৪৩
  4. ধারা ১০৬
সঠিক উত্তর:
আদেশ ৪৩
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আদেশ ৪৩
ব্যাখ্যা
দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ৪৩ এর বিধান হলো- আদেশের বিরুদ্ধে আপিল। আদেশ ৪৩ এ মোট ২৫টি আপিলযোগ্য আদেশ (Appealable Order) এর তালিকা রয়েছে।

⇒ আদেশ ৪৩ এবং দেওয়ানি কার্যবিধি ১৯০৮ এর ধারা ১০৪ উভয়ই আপীলযোগ্য আদেশগুলোর বর্ণনা দিয়েছে।

আদেশ ৪৩:
আদেশ ৪৩ মোট ২৫টি আপীলযোগ্য আদেশের তালিকা উল্লেখ করেছে যেগুলোর বিরুদ্ধে উচ্চ আদালতে আপীল করা যায়। যেমন - অন্তর্বর্তীকালীন নিষেধাজ্ঞা, স্থগিতাদেশ, মোকদ্দমা বাতিল করা, জামিন প্রত্যাখ্যান ইত্যাদি।

ধারা ১০৪:
অন্যদিকে দেওয়ানি কার্যবিধি ১৯০৮ এর ধারা ১০৪ আপীলযোগ্য আদেশগুলোর সামগ্রিক বর্ণনা দিয়েছে। এই ধারা বলছে যে, যদি কোনো আদালত এমন কোনো আদেশ প্রদান করে যা চূড়ান্ত না হয়ে একটি বিষয়ের বিরাট অংশ নিষ্পত্তি করে দেয়, তাহলে সেই আদেশের বিরুদ্ধে আপীল করা যেতে পারে।

সুতরাং, আদেশ ৪৩ প্রধানত আপীলযোগ্য আদেশগুলোর একটি তালিকা দিয়েছে আর ধারা ১০৪ আপীলযোগ্য আদেশগুলোর সামগ্রিক বর্ণনা ও বৈশিষ্ট্য উল্লেখ করেছে। এভাবে আদেশ ৪৩ ও ধারা ১০৪ পরস্পরকে পরিপূরক করে আদালতের আপীলযোগ্য আদেশগুলো সম্পর্কে পুরোপুরি চিত্র দিয়েছে।
২১.
কোন ক্ষেত্রে কোনো নির্দিষ্ট মোকদ্দমায় এক বা একাধিক ব্যক্তিকে পক্ষভুক্ত করা যায়?
  1. পৃথক মোকদ্দমায় তথ্য সংক্রান্ত জটিলতা তৈরি হলে
  2. পৃথক মোকদ্দমা ব্যয়সাপেক্ষ হলে
  3. পৃথক মোকদ্দমা দায়ের করা সময়সাপেক্ষ হলে
  4. পৃথক মোকদ্দমায় আইন বা তথ্য সংক্রান্ত একটি সাধারণ প্রশ্নের উদ্ভব হলে
সঠিক উত্তর:
পৃথক মোকদ্দমায় আইন বা তথ্য সংক্রান্ত একটি সাধারণ প্রশ্নের উদ্ভব হলে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পৃথক মোকদ্দমায় আইন বা তথ্য সংক্রান্ত একটি সাধারণ প্রশ্নের উদ্ভব হলে
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানি মোকদ্দমায় দুই ধরণের পক্ষ থাকে। যথা-
১. বাদী পক্ষ;
২. বিবাদী পক্ষ।

• [বিধি ১ থেকে ৩] মোকদ্দমায় পক্ষভুক্ত (Joinder of Parties)-

দেওয়ানি কার্যবিধির ১নং আদেশে কতিপয় ব্যক্তি নির্দিষ্ট শর্তপূরণ সাপেক্ষে মোকদ্দমার পক্ষভুক্ত হতে পারে।একটি মোকদ্দমায় একাধিক ব্যক্তিকে বাদী এবং বিবাদী হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা যেতে পারে। একটি মোকদ্দমায় সকল ব্যক্তি বাদী বা বিবাদী হিসেবে যুক্ত হতে পারে, যদি-
১. মোকদ্দমার প্রত্যেক বাদী বা বিবাদীর দাবীকৃত প্রতিকার একই কার্য বা লেনদেন থেকে উৎপত্তি হয় বা
২. মোকদ্দমাটি এমন যে, যদি এই ব্যক্তিরা (বাদী বা বিবাদী) পৃথক মোকদ্দমা দায়ের করে তাহলে আইন বা তথ্য সংক্রান্ত একটি সাধারণ প্রশ্নের উদ্ভব হবে।

উদাহরণ-
'ক' যৌথভাবে 'খ' এবং 'গ' এর সাথে ১০০ কেজি গম বিক্রয়ের চুক্তি করে। 'ক' পরবর্তীতে তা বিক্রয়ে অস্বীকার করে । এখানে 'খ' এবং 'গ' উভয়ের ক্ষতিপূরণ পাওয়ার অধিকার আছে যা একই কার্য (বিক্রয় চুক্তি) থেকে উদ্ভব হয়েছে। তাই 'খ' এবং 'গ' বাদী হিসাবে যৌথভাবে মোকদ্দমা দায়ের করতে পারে ।
২২.
অর্থের পরিমাণ অনির্দিষ্ট হলে কোন ধরনের "Set-off" দাবি করা যায়?
  1. Legal Set-off
  2. Fixed Set-off
  3. Equitable Set-off
  4. Specified Set-off
সঠিক উত্তর:
Equitable Set-off
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Equitable Set-off
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানি কার্যবিধির ৮নং আদেশের ৬ নং বিধিতে পারস্পরিক দায়শোধ বা সেট অফের বিধান রয়েছে। অর্থ আদায়ের মোকদ্দমায় বিবাদী যদি পূর্বেই বাদীর নিকট কোন পরিমাণ অর্থ পাওনা থাকে তবে বাদীর দাবীকৃত অর্থের সাথে বিবাদীর দাবীকৃত অর্থের সমন্বয় করার জন্য বিবাদী যে আবেদন করে তাকে পারস্পরিক দায়শোধ বা সেট অফ বলে।

⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির Set-off দুই প্রকার যথা:
ক) Legal Set-off [Order VIII, Rule 6],
খ) Equitable Set-off [Order XX, Rule 19(3)]

যেক্ষেত্রে অর্থের পরিমাণ নির্দিষ্ট, সেক্ষেত্রে Legal Set-off দাবি করা যায়। কিন্তু, যেক্ষেত্রে অর্থের পরিমাণ অনির্দিষ্ট সেক্ষেত্রে Equitable Set-off মঞ্জুর করা যেতে পারে (আদালতের Discretion-এর উপর)।

Equitable Set-off একটি বিশেষ ধরনের প্রতিরক্ষা, যা নিম্নলিখিত পরিস্থিতিগুলোতে প্রযোজ্য:
⇒ যখন বাদী ও বিবাদীর মধ্যে পারস্পরিক দাবী-দাওয়া থাকে এবং উভয় দাবীই একই উত্স থেকে উদ্ভূত হয়েছে। অর্থাৎ উভয়ের দাবী একই চুক্তি, লেনদেন বা ঘটনার সাথে জড়িত।
⇒ যখন বিবাদীর দাবী বাদীর দাবীর চেয়ে কম। কারণ যদি বিবাদীর দাবী বেশি হয়, তাহলে বিবাদীকে ক্রস-মামলা দায়ের করতে হবে।
⇒ যখন বিবাদীর দাবী নগদ টাকার নয়, বরং কোন অনিষ্পন্ন কাজের জন্য। যেমন - বাদী যদি বাকি বেতনের দাবী করে আর বিবাদী দাবী করে কিছু অসম্পূর্ণ কাজের জন্য।
⇒ যখন বিবাদীর দাবী সুস্পষ্টভাবে অর্থগত মান নির্ণয় করা সম্ভব নয়। যেমন - ক্ষতিপূরণের চাহিদা ইত্যাদি।
২৩.
দেওয়ানি কার্যবিধির ১১ ধারায় কয়টি ব্যাখ্যা রয়েছে?
  1. ২টি
  2. ৬টি
  3. ৪টি
  4. ৮টি
সঠিক উত্তর:
৬টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬টি
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানি কার্যবিধির ১১ ধারায় দোবারা দোষ নীতিটি (Res Judicata) আলোচনা করা হয়েছে। রেস জুডিকাটা নীতির মূল কথা হলো-
এখতিয়ারসম্পন্ন আদালত কর্তৃক চূড়ান্তভাবে নিষ্পত্তিকৃত কোন বিচারিত বিষয়কে পরবর্তীতে পুনরায় বিচার করা যাবে না। এই নীতির মূল কথা হলো, একবার নিষ্পত্তিকৃত কোন মোকদ্দমা, পুনরায় বিচারযোগ্য নয়।

দেওয়ানি কার্যবিধির ১১ ধারায় ৬টি ব্যাখ্যা [Explanation] রয়েছে:
১ম ব্যাখ্যা: Former Suit [পূর্ববর্তী মোকদ্দমা];
২য় ব্যাখ্যা: Competence of a Court [কোর্টের বিচার করার ক্ষমতা];
৩য় ব্যাখ্যা: Direct Res-Judicata [প্রত্যক্ষ দোবারা দোষ];
৪র্থ ব্যাখ্যা: Constructive Res-Judicata [পরোেক্ষ দোবারা দোষ];
৫ম ব্যাখ্যা: Any relief not granted shall be deemed to have been refused [প্রার্থিত প্রতিকার মঞ্জুর না হলে প্রত্যাখ্যান বলে গণ্য হবে];
৬ষ্ঠ ব্যাখ্যা: Litigation for Public Rights [সার্বজনীন বা সাধারণ অধিকার বা বাস্তব সুবিধার জন্য মামলা].
২৪.
দেওয়ানি কার্যবিধির ১৮ ধারায় আদালতের কোন বিষয়ের অনিশ্চয়তা সম্পর্কে বিধান রয়েছে?
  1. আর্থিক এখতিয়ার
  2. আঞ্চলিক এখতিয়ার
  3. আপিল এখতিয়ার
  4. ক এবং খ
সঠিক উত্তর:
আঞ্চলিক এখতিয়ার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আঞ্চলিক এখতিয়ার
ব্যাখ্যা
দেওয়ানি কার্যবিধির ১৮ ধারায় আদালতের আঞ্চলিক এখতিয়ার অনিশ্চিত হলে, মোকদ্দমা কোথায় দায়ের করা যায় তা উল্লেখ করা আছে ।

১৮ ধারায় দেয়া আছে-
যখন আদালতের আঞ্চলিক সীমানা অনিশ্চিত অর্থাৎ যখন দাবী করা হয় কোন আদালতের আঞ্চলিক সীমানায় বিরোধীয় স্থাবর সম্পত্তি অবস্থিত তা অনিশ্চিত, তখন যে কোন একটি আদালতে মোকদ্দমা দায়ের করা যায়।

উল্লেখ্য যে, দেওয়ানি কার্যবিধির ১৭ এবং ১৮ ধারার মধ্যে মূল পার্থক্য হলো- বিরোধীয় সম্পত্তি ভিন্ন ভিন্ন আদালতের এখতিয়ারে অবস্থিত কিন্তু আদালতের আঞ্চলিক এখতিয়ার নিশ্চিত হলে ১৭ ধারা প্রযোজ্য হবে। কিন্তু যদি আদালতের আঞ্চলিক এখতিয়ার অনিশ্চিত হয় তখন ১৮ ধারা প্রযোজ্য হবে।

Section 18: Place of institution of suit where local limits of jurisdiction of Courts are uncertain-
(1) Where it is alleged to be uncertain within the local limits of the jurisdiction of which of two or more Courts any immovable property is situate, any one of those Courts may, if satisfied that there is ground for the alleged uncertainly, record a statement to that effect and thereupon proceed to entertain and dispose of any suit relating to that property, and its decree in the suit shall have the same effect as if the property were situate within the local limits of its jurisdiction:
Provided that the suit is one with respect to which the Court is competent as regards the nature and value of the suit to exercise jurisdiction.

(2) Where a statement has not been recorded under sub-section (1), and an objection is taken before an appellate or revisional Court that a decree or order in a suit relating to such property was made by a Court not having jurisdiction where the property is situate, the appellate or revisional Court shall not allow the objection unless in its opinion there was, at the time of the institution of the suit, no reasonable ground for uncertainly as to the Court having jurisdiction with respect thereto and there has been a consequent failure of justice.
২৫.
সরকারি রাজস্ব প্রদানের প্রয়োজনে কোন অবিভক্ত সম্পত্তি বাটোয়ারার জন্য ডিক্রি প্রদত্ত হলে, উক্ত বাটোয়ারা কে সম্পন্ন করবে?
  1. ডিক্রিদার
  2. কালেক্টর
  3. সম্পত্তির দখলদার
  4. ডিক্রিদানকারী আদালত
সঠিক উত্তর:
কালেক্টর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কালেক্টর
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানি কার্যবিধির ৫৪ ধারায় দেয়া আছে,
সরকারি রাজস্ব প্রদানের প্রয়োজনে কোন অবিভক্ত সম্পত্তি বাটোয়ারার জন্য বা সম্পত্তির কোন অংশের পৃথক দখলের জন্য ডিক্রি প্রদত্ত হলে, কালেক্টর বা মনোনীত কর্মকর্তা বাটোয়ারা বা অংশ পৃথকীকরণ সম্পন্ন করবেন।

Section 54- Partition of estate or separation of share:
Where the decree is for the partition of an undivided estate assessed to the payment of revenue to the Government, or for the separate possession of a share of such an estate, the partition of the estate or the separation of the share shall be made by the Collector or any gazetted subordinate of the Collector deputed by him in this behalf, in accordance with the law (if any) for the time being in force relating to the partition, or the separate possession of shares, of such estates.

বাংলা অর্থ:
যেখানে রায়টি সরকারের কাছে রাজস্ব প্রদানের জন্য মূল্যায়িত অবিভক্ত সম্পত্তির বিভাজন বা একরূপ সম্পত্তির অংশের পৃথক দখলের জন্য হয়, সেখানে সেই সম্পত্তির বিভাজন বা অংশের পৃথক দখল কলেক্টর বা তার এ বিষয়ে নিযুক্ত কোনো রাজপত্রিত অধীনস্থ কর্মকর্তার মাধ্যমে, এরূপ সম্পত্তির বিভাজন বা অংশের পৃথক দখল সংক্রান্ত প্রচলিত আইন (যদি থাকে) অনুসরণ করে সম্পন্ন করা হবে।
২৬.
স্থাবর বন্ধকি সম্পত্তি বিক্রয় বা উদ্ধারের মামলা কোন আদালতে দায়ের করতে হবে?
  1. যেখানে বন্ধকদাতা বাস করে
  2. যেখানে বন্ধকগ্রহীতা বাস করে
  3. ক বা খ
  4. যেখানে মোকদ্দমা দায়েরের কারণ উৎপত্তি হয়েছে
সঠিক উত্তর:
যেখানে মোকদ্দমা দায়েরের কারণ উৎপত্তি হয়েছে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যেখানে মোকদ্দমা দায়েরের কারণ উৎপত্তি হয়েছে
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ১৬ থেকে ১৮ পর্যন্ত স্থাবর সম্পত্তি সম্পর্কিত মোকদ্দমা কোথায় দায়ের করা যায় তা উল্লেখ করা আছে। ধারা ১৬ অনুযায়ী, মোকদ্দমার বিষয়বস্তু যে আদালতের আঞ্চলিক সীমানার মধ্যে অবস্থিত, সেই আদালতে মোকদ্দমা দায়ের করতে হবে।

• সাধারণত স্থাবর সম্পত্তি সংক্রান্ত মোকদ্দমা যেমন-
স্থাবর সম্পত্তি পুনরুদ্ধার,
স্থাবর সম্পত্তি ভাগ-বাটোয়ারা,
স্থাবর সম্পত্তি সম্পর্কিত কোন ক্ষতিপুরণের মোকদ্দমা,
আটক বা ক্রোককৃত অস্থাবর সম্পত্তি উদ্ধারের জন্য মোকদ্দমা; সেই আদালতে দায়ের করতে হবে যেখানে উক্ত বিরোধীয় সম্পত্তি অবস্থিত।

তবে স্থাবর সম্পত্তির বন্ধকের ক্ষেত্রে বন্ধকি সম্পত্তি খালাসের অধিকারহরণ (foreclosure) বা বন্ধকি সম্পত্তি বিক্রয় বা উদ্ধারের (redemption) মামলা সেই আদালতে দায়ের করতে হবে, যেখানে মোকদ্দমা দায়েরের আংশিক বা সম্পূর্ণ কারণ উৎপত্তি হয়েছে।
২৭.
দেওয়ানি আদালতসমূহের আর্থিক এখতিয়ার সর্বশেষ কবে সংশোধন করা হয়?
  1. ২০১০ সালে
  2. ২০১৮ সালে
  3. ২০১২ সালে
  4. ২০২১ সালে
সঠিক উত্তর:
২০২১ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০২১ সালে
ব্যাখ্যা
The Civil Courts Act, 1887 সর্বশেষ সংশোধন করা হয় ২০২১ সালের ১১ই জানুয়ারি এবং উক্ত দিন হতে সংশোধনী আইনটি কার্যকর হয়। উক্ত সংশোধনী দ্বারা ১৯ ও ২১ ধারা সংশোধন করা হয় এবং দেওয়ানী আদালতের আর্থিক এখতিয়ার বৃদ্ধি করা হয়।

• পূর্বে একজন সহকারী জজ দুই লাখ টাকা পর্যন্ত মূল্যমানের (সম্পত্তি বা অর্থে যে অঙ্কের টাকা নিয়ে বিরোধ) মামলা নিষ্পত্তি করতে পারতেন। এখন সেই এখতিয়ার বাড়িয়ে ১৫ লাখ টাকা করা হয়েছে। একইভাবে জ্যেষ্ঠ সহকারী জজের বিচারিক এখতিয়ার চার লাখ টাকা থেকে বাড়িয়ে ২৫ লাখ টাকা এবং আপিল শুনানির ক্ষেত্রে জেলা জজের এখতিয়ার পাঁচ লাখ টাকা থেকে বাড়িয়ে পাঁচ কোটি টাকা করা হয়েছে। ৫,০০০,০০০০ (পাঁচ কোটি) টাকার অধিক মূল্যমানের ডিক্রির বিরুদ্ধে হাইকোর্ট বিভাগে আপিল করতে হবে।
২৮.
নিঃস্ব ব্যক্তির মোকদ্দমা ও আপিল যথাক্রমে কোন কোন আদেশের বিষয়বস্তু?
  1. যথাক্রমে ৩২ ও ৩৩ আদেশ
  2. যথাক্রমে ৩৩ ও ৪৪ আদেশ
  3. যথাক্রমে ৩১ ও ৪৪ আদেশ
  4. যথাক্রমে ৪৪ ও ৩৩ আদেশ
সঠিক উত্তর:
যথাক্রমে ৩৩ ও ৪৪ আদেশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যথাক্রমে ৩৩ ও ৪৪ আদেশ
ব্যাখ্যা
দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ৩৩ এবং আদেশ ৪৪ নিঃসম্বল ব্যক্তির মোকদ্দমা ও আপিল সংক্রান্ত বিষয়াবলী নির্ধারণ করে।

১. নিঃস্ব ব্যক্তির মোকদ্দমা (আদেশ ৩৩):

আদেশ ৩৩ অনুযায়ী, নিঃস্ব ব্যক্তির মোকদ্দমা সম্পর্কিত নিম্নলিখিত বিষয়গুলি উল্লেখিত রয়েছেঃ
⇒ কোন ব্যক্তি নিঃসম্বল হলে তিনি আদালতের অনুমতি গ্রহণপূর্বক নিঃশুল্কভাবে মোকদ্দমা দায়ের করতে পারবেন (আদেশ ৩৩(১))।
⇒ এ জন্য প্রয়োজনীয় নথিপত্র ও প্রমাণাদি দাখিল করতে হবে (আদেশ ৩৩(২))।
⇒ নিঃস্ব অবস্থা পরিবর্তন হলে আদালতকে অবহিত করতে হবে (আদেশ ৩৩(৩))।
⇒ নিঃস্ব অবস্থা পরবর্তীতে বাতিল করার বিধান (আদেশ ৩৩(৪))।

২. নিঃসম্বল ব্যক্তির আপিল (আদেশ ৪৪):

আদেশ ৪৪ অনুযায়ী, নিঃসম্বল ব্যক্তির আপিল সম্পর্কিত নিম্নলিখিত বিষয়গুলি উল্লেখিত রয়েছেঃ
⇒ নিঃস্ব ব্যক্তির ক্ষেত্রে কোন ফি বা খরচ প্রদান ব্যতীত আপিল করার অনুমতি (আদেশ ৪৪(১))।
⇒ নিঃস্ব অবস্থার প্রমাণ দাখিল করতে হবে (আদেশ ৪৪(২))।
⇒ নিঃস্ব অবস্থার বিষয়ে আদালতের নির্দেশনা অনুসরণ করতে হবে (আদেশ ৪৪(৩))।

উল্লেখিত দুই আদেশে নিঃসম্বল ব্যক্তির মোকদ্দমা ও আপিল সংক্রান্ত প্রক্রিয়া, শর্তাবলী এবং সুবিধাদি নির্ধারিত রয়েছে।।
২৯.
বাদীকে তার আরজিতে কোন ধরনের প্রতিকার সুনির্দিষ্টভাবে উল্লেখ করতে হবে?
  1. সাধারণভাবে যে প্রতিকার দাবী করে
  2. বিকল্পভাবে যে প্রতিকার দাবী করে
  3. যে প্রতিকার আদালত সঙ্গত বিবেচনায় মঞ্জুর করে থাকে
  4. ক বা খ
সঠিক উত্তর:
ক বা খ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক বা খ
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানি কার্যবিধির ৭ নং আদেশের ১ থেকে ১৮ নং বিধিতে আরজি সংক্রান্ত বিষয়ে আলোচনা করা হয়েছে।

• আদেশ ৭ বিধি ৭-
আরজিতে বাদী সাধারণভাবে অথবা বিকল্পভাবে যে প্রতিকার দাবী করে তা সুনির্দিষ্টভাবে দেখাতে হবে। অবশ্য আদালত কর্তৃক সঙ্গত বিবেচনায় যে প্রতিকার দাবী না করলেও মঞ্জুর করে থাকেন, তা আরজিতে দেখানোর কোন প্রয়োজন নেই। এই নিয়ম বিবাদির লিখিত বিবৃতিতে যে দাবী করা হয়, সেক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে।

Relief to be specifically stated-
Every plaint shall state specifically the relief which the plaintiff claims either simply or in the alternative, and it shall not be necessary to ask for general or other relief which may always be given as the Court may think just to the same extent as if it had been asked for. And the same rule shall apply to any relief claimed by the defendant in his written statement.
৩০.
'কমিশনারের কার্যপদ্ধতি' সম্পর্কে আদেশ ২৬ এর কত বিধিতে উল্লেখ আছে?
  1. বিধি-১৩
  2. বিধি-১৪
  3. বিধি-১৭
  4. বিধি-১১
সঠিক উত্তর:
বিধি-১৪
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিধি-১৪
ব্যাখ্যা
দেওয়ানি কার্যবিধি এর আদেশ ২৬ বিধি-১৪- কমিশনারের কার্যপদ্ধতি:
১) কমিশনার প্রয়োজন হতে পারে এরূপ তদন্ত অনুষ্ঠানের পর, যে আদেশের অধীনে কমিশন প্রেরিত হয়েছিল সে আদেশে নির্দেশিত অংশ অনুপাতে সম্পত্তিটি ভাগ করবেন এবং উক্ত অংশগুলো পক্ষগণের মধ্যে বণ্টন করবে এবং যদি উপরোক্ত আদেশ দ্বারা ক্ষমতাবান হয়ে থাকে তবে বিভিন্ন অংশের মূল্য সমান করার জন্য যে টাকা পরিশোধ করতে হবে তা বিনিময় করতে পারে।

২) কমিশনার অতঃপর একটি প্রতিবেদন প্রণয়ন এবং অনুস্বাক্ষর করবে কিংবা কমিশনারগণ (একাধিক ব্যক্তির নিকট কমিশন প্রেরিত হয়ে থাকলে এবং তারা একমত হতে না পারলে) প্রত্যেক পক্ষের অংশ নির্দেশ করে এবং (যদি উক্ত আদেশ দ্বারা নির্দেশিত হয়ে থাকলে) প্রত্যেক অংশের পরিমাণ ও চৌহদ্দি আলাদাপূর্বক পৃথক প্রতিবেদন সমূহ প্রণয়ন এবং অনুস্বাক্ষর করবে। অনুরূপ প্রতিবেদন বা প্রতিবেদনসমূহ কমিশনের সঙ্গে সংযুক্ত রে আদালত কর্তৃক নির্ধারিত অনূর্ধ্ব তিন মাস সময়ের মধ্যে আদালতে প্রেরীত হবে; এবং উক্ত প্রতিবেদন বা প্রতিবেদন সম্পর্কে কোন পক্ষ কোন আপত্তি উত্থাপন করলে তা শুনানির পরে আদালত তা বহাল, পরিবর্তন বা রদ করতে পারে তবে শর্ত থাকে যে, আদালত কমিশনারের আবেদনক্রমে এবং পর্যাপ্ত কারণ দর্শানো হলে সময় বৃদ্ধি করতে পারে।

৩) যেক্ষেত্রে আদালত প্রতিবেদন বা প্রতিবেদনসমূহ বহাল বা পরিবর্তন করেন সেক্ষেত্রে বহাল বা পরিবর্তিত প্রতিবেদন মোতাবেক আদালত একটি ডিক্রি দিবে, কিন্তু আদালত যদি কমিশনের প্রতিবেদন বা প্রতিবেদনসমূহ বাতিল করেন তবে আদালত নতুন কমিশন পাঠাবে কিংবা উপযুক্ত অন্য কোন আদেশ প্রদান করবে।

Order 26 Rule 14- Procedure of Commissioner:
(1) The Commissioner shall, after such inquiry as may be necessary, divide the property into as many shares as may be directed by the order under which the commission was issued, and shall allot such shares to the parties, and may, if authorized thereto by the said order, award sums to be paid for the purpose of equalizing the value of the shares.

(2) The Commissioner shall then prepare and sign a report or the Commissioners (where the commission was issued to more than one person and they cannot agree) shall prepare and sign separate reports appointing the share of each party and distinguishing each share (if so directed by the said order) by metes and bounds. Such report or reports shall be annexed to the commission and transmitted to the Court within such time not exceeding three months as may be fixed by the Court; and the Court, after hearing any objections which the parties may make to the report or reports, shall confirm, vary or set aside the same:
Provided that the Court may, on the prayer of the Commissioner and on sufficient cause being shown, extend the time.

(3) Where the Court confirms or varies the report or reports it shall pass a decree in accordance with the same as confirmed or varied; but where the Court sets aside the report or reports it shall either issue a new commission or make such other order as it shall think fit.
৩১.
কোন মামলার ডিক্রি জারির ক্ষেত্রে কোনো মহিলাকে দেওয়ানি জেলে আটক রাখা যাবে না?
  1. স্বত্ত্বের মামলা
  2. অর্থ মামলা
  3. অগ্রক্রয়ের মামলা
  4. দখলের মামলা
সঠিক উত্তর:
অর্থ মামলা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অর্থ মামলা
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানি কার্যবিধির ৫৬ ধারা- টাকার ডিক্রি জারিতে মহিলাকে গ্রেফতারের বা আটকের বাধা-নিষেধ:
এই খণ্ডে অন্য কোন বিধান থাকা সত্ত্বেও আদালত টাকা পরিশোধের জন্য ডিক্রি জারির জন্য কোন মহিলাকে দেওয়ানি জেলে গ্রেপ্তার বা আটক রাখার আদেশ প্রদান করবে না।

Section 56- Prohibition of arrest or detention of women in execution of decree for money:
Notwithstanding anything in this Part, the Court shall not order the arrest or detention in the civil prison of a woman in execution of a decree for the payment of money.
৩২.
যথাযথ ভাবে সমন জারির পরও সমনে নির্ধারিত তারিখে বাদী উপস্থিত এবং বিবাদী অনুপস্থিত হলে, মোকদ্দমার ফলাফল কী হবে?
  1. সোলে ডিক্রি
  2. দো-তরফা ডিক্রি
  3. একতরফা ডিক্রি
  4. মোকদ্দমা খারিজ
সঠিক উত্তর:
একতরফা ডিক্রি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
একতরফা ডিক্রি
ব্যাখ্যা
আদেশ ৯ বিধি-৬: হাজিরা ও জবাব প্রদানের জন্য সমনে নির্ধারিত তারিখে শুধুমাত্র বাদী উপস্থিত এবং বিবাদী অনুপস্থিত থাকার ফলাফল:
⇒ যদি সমন যথাযথ ভাবে জারি করা হয়, তাহলে আদালত একতরফা বিচার বা একতরফা ডিক্রি দিতে পারবেন।
⇒ যদি সমন যথাযথ ভাবে জারি না হয় সেক্ষেত্রে আদালতে বাদীকে বিবাদীর বরাবর দ্বিতীয়বার সমন জারি করার নির্দেশ দিবেন।
⇒ যদি সমন যথাযথ ভাবে জারি হয়, কিন্তু বিবাদীকে নির্দিষ্ট দিনে হাজির হয়ে জবাব দেয়ার জন্য যথেষ্ট সময় প্রদান করা হয় নাই, তবে আদালত মামলার শুনানি মূলতবী রাখবে এবং পরবর্তী তারিখ নির্ধারণ করবে।
⇒ বাদীর ক্রটির জন্য সমন জারি না হয় বা পর্যাপ্ত সময় দিয়ে জারি না হলে মামলার শুনানি স্থগিত রাখার জন্য যে খরচ হবে, বাদী তা বহন করবেন।
৩৩.
দেওয়ানি কার্যবিধি ১৯০৮ এর ৩৮ ধারায় কোন আদালত ডিক্রি জারি করতে পারে?
  1. যে আদালতে ডিক্রিদার আবেদন করে
  2. যে আদালতে ডিক্রিদার এবং দায়িক আবেদন করে
  3. যে আদালতে ডিক্রি জারি করার জন্য প্রেরণ করা হয়েছে
  4. উল্লিখিত সব আদালত
সঠিক উত্তর:
যে আদালতে ডিক্রি জারি করার জন্য প্রেরণ করা হয়েছে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যে আদালতে ডিক্রি জারি করার জন্য প্রেরণ করা হয়েছে
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানি কার্যবিধি ১৯০৮ এর ৩৮ ধারা অনুযায়ী দুই ধরনের আদালতকে ডিক্রি জারির ক্ষমতা দেয়া হয়েছে-
১। যে আদালত ডিক্রি ঘোষনা করেছে, সেই আদালত;
২। যে আদালতে ডিক্রি জারি করার জন্য প্রেরণ করা হয়েছে সেই আদালত।

Section 38- Court by which decree may be executed:
A decree may be executed either by the Court which passed it, or by the Court to which it is sent for execution.
৩৪.
আদেশ ১০ বিধি ২ এ পক্ষ বা পক্ষের সহযোগীদের কোন ধরনের জবানবন্দি নেয়ার বিধান রয়েছে?
  1. লিখিত জবানবন্দি
  2. মৌখিক জবানবন্দি
  3. কমিশনের মাধ্যমে জবানবন্দি
  4. ক বা গ
সঠিক উত্তর:
মৌখিক জবানবন্দি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মৌখিক জবানবন্দি
ব্যাখ্যা
আদেশ ১০ বিধি ২ (পক্ষ বা পক্ষের সহযোগীর মৌখিক জবানবন্দি)-
মোকদ্দমার প্রথম শুনানিতে বা পরবর্তী কোন শুনানিতে স্বয়ং হাজির কোন পক্ষ কিংবা আদালতে উপস্থিত কেউ কিংবা পক্ষ বা পক্ষের উকিলের সাথে অবস্থানরত এমন কোন ব্যক্তি মোকদ্দমা সম্বন্ধে যদি কোন প্রয়োজনীয় প্রশ্নের উত্তর প্রদানে সক্ষম হয়, তাহলে মৌখিকভাবে তার জবানবন্দি আদালত কর্তৃক গ্রহণ করা যাবে, এবং উক্তরূপ জবানবন্দি গ্রহণ করার সময়ে, আদালত যদি সঙ্গত মনে করেন, তাহলে যে কোন পক্ষের সুপারিশ অনুযায়ী যে প্রশ্ন জিজ্ঞাসাবাদ করতে পারে।

Order 10 Rule 2 (Oral examination of party or companion of party)-
At the first hearing of the suit, or at any subsequent hearing, any party appearing in person or present in Court, or any person able to answer any material questions relating to the suit by whom such party or his pleader is accompanied, may examined orally by the Court; and the Court may, if it thinks fit, put in the course of such examination questions suggested by either party.
৩৫.
আদালত চূড়ান্ত শুনানির জন্য দৈনন্দিন কার্যতালিকায় সর্বোচ্চ কয়টি মোকদ্দমা নির্ধারণ করবে?
  1. ৫টি
  2. ২৫টি
  3. ৫০টি
  4. ১৫টি
সঠিক উত্তর:
৫টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫টি
ব্যাখ্যা
 আদালত চূড়ান্ত শুনানির জন্য দৈনন্দিন কার্যতালিকায় সর্বোচ্চ ৫টি এবং চূড়ান্ত পর্যায়ে সর্বোচ্চ ১০০টি মোকদ্দমা নির্ধারণ করবেন।

আদেশ ১৮ বিধি ২০-
কোন আদালত চূড়ান্ত শ্রবণ কার্যের নিমিত্তে দৈনন্দিন কার্যতালিকায় আংশিক শ্রবণীয় মোকদ্দমাসহ পাঁচটির অধিক মোকদ্দমা এবং চূড়ান্ত পর্যায়ে একশতটির অধিক মোকদ্দমা নির্ধারণ করবে না; এবং নিষ্পত্তির পর চূড়ান্ত পর্যায়ের মোকদ্দমার সংখ্যা সত্তরটির নিম্নে নেমে আসলে সাধারণত দাখিল করা তারিখের উপর ভিত্তি করে আদালত চূড়ান্ত পর্যায়ে আরও মোকদ্দমা আনার ব্যবস্থা করতে পারবেঃ তবে শর্ত থাকে যে, কোন আদালতে শ্রবণ কার্যের নিমিত্তে তৈরীকৃত মোকদ্দমার সংখ্যা উপযুক্ত মতে নির্ধারণের জন্য যথেষ্ট না হলে যথোপযুক্ত পদ্ধতিতে নির্ধারণ করার বিবেচনামূলক ক্ষমতা আদালতের থাকবে।
৩৬.
The Civil Courts Act,1887 এর ৯ ধারায় কোন আদালতকে প্রশাসনিক নিয়ন্ত্রনের ক্ষমতা দেয়া হয়েছে?
  1. হাইকোর্ট বিভাগকে
  2. বিচারিক আদালতকে
  3. আপিল আদালতকে
  4. জেলা জজ আদালতকে
সঠিক উত্তর:
জেলা জজ আদালতকে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জেলা জজ আদালতকে
ব্যাখ্যা
• The Civil Courts Act,1887 এর ৯ ধারা অনুযায়ী,
স্থানীয় এখতিয়ারাধীন সকল দেওয়ানী আদালতের উপর জেলা জজের প্রশাসনিক নিয়ন্ত্রন থাকবে।

Section 9: Administrative control of Courts-
Subject to the superintendence of the High Court Division, the District Judge shall have administrative control over all the Civil Courts under this Act within the local limits of his jurisdiction.
৩৭.
দেওয়ানি কার্যবিধির ১২ আদেশের ৬নং বিধিতে কোন বিষয়ের বিধান রয়েছে?
  1. Judgment on appeal
  2. Judgment on admissions
  3. Judgment against debtor
  4. Judgment on attachment
সঠিক উত্তর:
Judgment on admissions
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Judgment on admissions
ব্যাখ্যা
দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ১২ বিধি ৬ তে "Judgment on admissions" এর বিধান রয়েছে।

আদেশ ১২ বিধি ৬: স্বীকারোক্তির উপর রায়-
যখন আরজি জবাবে কিংবা অন্যপ্রকারে কোন ঘটনা সম্পর্কে স্বীকারোক্তি করা হয়েছে তদক্ষেত্রে মোকদ্দমার যে কোন পর্যায়ে যে কোন পক্ষ আদালতে এ মর্মে আবেদন করতে পারে যে, পক্ষগণের মধ্যে অন্য কোন প্রশ্ন নির্ধারণের জন্য অপেক্ষা না করে, উপরের স্বীকারোক্তি যতদূর তার পক্ষে হয়েছে, সে পর্যন্ত রায় কিংবা আদেশ দান করা হোক। এবং আদালত অনুরূপ আবেদনক্রমে যেরূপ সঙ্গত মনে করতে পারে, সেরূপ রায় কিংবা আদেশ দিতে পারে।

Order 12 Rule 6: Judgment on admissions-
Any party may, at any stage of a suit, where admissions of fact have been made, either on the pleadings or otherwise, apply to the Court for such judgment or order as upon admissions he may be entitled to, without waiting for the determination of any other question between the parties: and the Court may upon such application make such order or give such judgment, as the Court may think just.
৩৮.
কোনো দেওয়ানি আদালত অপরিশোধিত কোর্ট ফি অনিবার্য কারণের জন্য পরবর্তীতে পরিশোধ করার অনুমতি দিতে পারেন - এটি দেওয়ানি কার্যবিধির কত ধারায় বলা আছে?
  1. ১৩৩ ধারায়
  2. ১৪৩ ধারায়
  3. ১৪৯ ধারায়
  4. ১৫৩ ধারায়
সঠিক উত্তর:
১৪৯ ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৪৯ ধারায়
ব্যাখ্যা
দেওয়ানি কার্যবিধির ১৪৯ ধারায় একটি দেওয়ানি আদালতকে অপরিশোধিত কোর্ট ফি পরবর্তীতে পরিশোধ করার অনুমতি প্রদানের বিধান রয়েছে।

দেওয়ানি কার্যবিধির ১৪৯ ধারায় বলা হয়েছে:
"যদি আদালত এই মর্মে সন্তুষ্ট হয় যে, অপরিশোধিত কোর্ট ফি যৌক্তিক বা অনিবার্য অসুবিধাজনক কারণগুলির জন্য পরিশোধ করা যায়নি, তাহলে সে (আদালত) এমন শর্তে যা তারা যুক্তিযুক্ত মনে করে, তা পরিশোধ করার অনুমতি দিতে পারবে।"

অর্থাৎ, যদি কোনো দলীল বা আদেশের জন্য প্রয়োজনীয় কোর্ট ফি সময়মত অপরিশোধ থাকে এবং আদালত মনে করে যে এর জন্য যৌক্তিক বা অনিবার্য কারণ রয়েছে, তাহলে আদালত তাদের বিবেচনায় নির্ধারিত শর্তে সেই অপরিশোধিত ফি পরবর্তীতে পরিশোধের অনুমতি দিতে পারবে।
তবে এক্ষেত্রে যৌক্তিকতা বা অনিবার্যতার যথাযথ কারণ প্রদর্শন করতে হবে এবং আদালতকে সন্তুষ্ট করতে হবে। আদালত তাদের বিবেচনা অনুযায়ী শর্তাদি আরোপ করে এই অনুমতি প্রদান করতে পারেন।
৩৯.
দেওয়ানি আইন, ১৯০৮ এর আদেশ ১৬ এ ________ প্রতি সমন জারি এবং হাজিরা নিশ্চিত করার বিধি-বিধান রয়েছে।
  1. সাক্ষীদের
  2. পক্ষদ্বয়ের
  3. বিবাদীর
  4. পক্ষদ্বয়ের প্রতিনিধির
সঠিক উত্তর:
সাক্ষীদের
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সাক্ষীদের
ব্যাখ্যা
দেওয়ানি আইন, ১৯০৮ এর আদেশ ১৬ এ সাক্ষীদের সমন জারি এবং হাজিরা নিশ্চিত করার বিধি-বিধান রয়েছে। এই আদেশে বিস্তারিত নিম্নরূপ বিষয়গুলি আলোচিত হয়েছেঃ

১. সমন জারি করার প্রক্রিয়া (Summoning witnesses)
⇒ যে কোনো পক্ষ আদালতকে অনুরোধ করে সাক্ষীদের সমন জারি করতে পারবে।
⇒ সমনে সাক্ষীর নাম, ঠিকানা এবং হাজিরা দেওয়ার তারিখ ও সময় উল্লেখ থাকবে।

২. সমনের রূপ ও বিষয়বস্তু (Form and contents of summons)
⇒ সমনের রূপ ও বিষয়বস্তু আইনে নির্দিষ্টভাবে উল্লেখিত আছে।
⇒ সাক্ষীকে সমনের বিষয়বস্তু বুঝিয়ে দিতে হবে।

৩. সমন প্রেরণ ও তামিল (Serving and sending summons)
⇒ সমন প্রেরণ করার সঠিক পদ্ধতি আইনে বর্ণিত আছে।
⇒ প্রেরণ না করলে বা অনিয়মিতভাবে প্রেরণ করলে সমনের বৈধতা নেই।

৪. সাক্ষী উপস্থিত না হওয়া (Non-attendance of witnesses)
⇒ যদি সাক্ষী যথাযথভাবে সমন প্রাপ্ত হয়েও উপস্থিত না হয়, তাহলে তাকে শাস্তি হতে পারে।
⇒ তবে যুক্তিসঙ্গত কারণ থাকলে আদালত ক্ষমা করতে পারে।

৫. সাক্ষীদের ভাতা (Expenses of witnesses)
⇒ সাক্ষীরা প্রাপ্য ভাতা/খরচা আদালত থেকে পাবে।
⇒ এর নিয়ম আইনে নির্ধারিত করা আছে।
৪০.
রিভিউতে প্রদত্ত কোনো ডিক্রি বা আদেশের বিরুদ্ধে আদেশ ৪৭ বিধি ৯ এ কোন প্রতিকার বারিত করা হয়েছে?
  1. আপিল
  2. রিভিশন
  3. রিভিউ
  4. উল্লিখিত সব
সঠিক উত্তর:
রিভিউ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রিভিউ
ব্যাখ্যা
রিভিউ:
যে আদালত ডিক্রি/আদেশদ দেয়, সে আদালতে (রায় প্রদানকারী আদালতে) রিভিউ করার জন্য আবেদন করতে হয়। দেওয়ানি কার্যবিধির ১১৪ ধারা ও ৪৭ আদেশে রিভিউ সংক্রান্ত বিধান রয়েছে। ১১৪ ধারা এবং আদেশ ৪৭ এর ১(১) বিধি মোতাবেক রিভিউ-এর আবেদন করা যায় নিম্নোক্ত ক্ষেত্রে:
⇒ যে ডিক্রি বা আদেশের বিরুদ্ধে আপিল করা যায়, কিন্তু আপিল করা হয়নি;
⇒ যে ডিক্রি বা আদেশের বিরুদ্ধে আপিল চলে না;
⇒ স্মল কজ কোর্টের রেফারেন্সে প্রদত্ত সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে।

রিভিউ করা যায় যে কারণে:
i) মামলা সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ ও নতুন কোনো বিষয় আবিষ্কার হলে, যা মোকদ্দমার ডিক্রিপ্রাপ্ত হওয়ার পূর্বে নানান চেষ্টা করা সত্ত্বেও আদালতে উপস্থাপন করতে অক্ষম হয়েছিল;
ii) নথিতে আপাত কোনো ভুলের কারণে;
iii) অন্য কোনো পর্যাপ্ত কারণে।

আদেশ ৪৭ বিধি ৯: কতিপয় রিভিউ আবেদনের ক্ষেত্রে বাধা:
রিভিউ আবেদন সম্পর্কে প্রদত্ত কোনো আদেশ বা রিভিউতে প্রদত্ত কোনো ডিক্রি বা আদেশের রিভিউ আবেদন যাবে না।
৪১.
ডিক্রির ক্ষেত্রে নিম্নের কোন উক্তি সঠিক?
  1. মঞ্জুরীকৃত প্রতিকার উল্লেখ থাকবে
  2. মোকদ্দমার যাবতীয় ব্যয় বিবৃত থাকবে
  3. পক্ষগণের নাম ও বিবরণ এবং দাবীর বিবরণ অন্তর্ভুক্ত থাকবে
  4. সবগুলো সঠিক
সঠিক উত্তর:
সবগুলো সঠিক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সবগুলো সঠিক
ব্যাখ্যা
আদেশ ২০ বিধি ৬: ডিক্রির বিষয়সমূহ (Contents of decree)-

১) রায়ের সাথে ডিক্রির সাদৃশ্য থাকবে। এতে মোকদ্দমার নম্বর, পক্ষগণের নাম ও বিবরণ এবং দাবীর বিবরণ অন্তর্ভুক্ত থাকবে এবং মঞ্জুরীকৃত প্রতিকার বা মোকদ্দমার অন্যান্য সিদ্ধান্তের পরিষ্কার উল্লেখ থাকবে।
[The decree shall agree with the judgment, it shall contain the number of the suit, the names and descriptions of the parties, and particulars of the claim, and shall specify clearly the relief granted or other determination of the suit.]

২) মোকদ্দমাতে কি পরিমাণ ব্যয় হয়েছে এবং কার দ্বারা এবং কোন সম্পত্তি থেকে এবং উক্ত ব্যয়ের কি অনুপাতে দিতে হয় সেটাও ডিক্রিতে বিবৃত থাকবে।
[The decree shall also state the amount of costs incurred in the suit, and by whom or out of what property and in what proportions such costs are to be paid.]

৩) আদালত নির্দেশ প্রদান করতে পারে যে, একপক্ষ কর্তৃক অপরপক্ষে দেয় খরচাদির পূর্ববর্তী পক্ষ হতে পরবর্তী অপর পক্ষের স্বীকৃত পাওনা কোন অংকের পারস্পরিক দায় পরিশোধিত হবে।
[The Court may direct that the costs payable to one party by the other shall be set-off against any sum which is admitted or found to be due from the former to the latter.]
৪২.
দেওয়ানি কার্যবিধির ৮৯ক ধারায় সর্বোচ্চ কত দিনের মধ্যে একজন মধ্যস্থতাকারী নিয়োগ করতে হবে?
  1. ৭ দিন
  2. ১০ দিন
  3. ১৭ দিন
  4. ৩০ দিন
সঠিক উত্তর:
১৭ দিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৭ দিন
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানি মামলা দ্রুত নিষ্পত্তির জন্য ২০০৩ সালে প্রথম বিকল্প বিরোধ নিষ্পত্তির (ADR) বিধান সংযোজন করা হয় এবং ধারা ৮৯ ক, ৮৯খ,৮৯গ অন্তর্ভুক্ত করা হয়। পূর্বে এটা ঐচ্ছিক ছিল কিন্তু ২০১২ সালের সংশোধনীর মাধ্যমে বর্তমানে আদালত বিকল্প পদ্ধতিতে মধ্যস্থতার জন্য বিরোধীয় বিষয়টি মধ্যস্থতাকারীর কাছে পাঠাতে বাধ্য।

⇒ মধ্যস্থতার আদেশ প্রদানের ১০ দিনের মধ্যে পক্ষদ্বয় আদালতকে জানাবে যে, তারা কাউকে মধ্যস্থতাকারী হিসেবে নিয়োগ করেছে কিনা। যদি তারা নিয়োগ করতে ব্যর্থ হয় তবে আদালত ৭ দিনের মধ্যে একজন মধ্যস্থতাকারী নিয়োগ করবে। অর্থাৎ সর্বাধিক ১৭ দিনের মধ্যে একজন মধ্যস্থতাকারী নিয়োগ করতে হবে। মধ্যস্থতার ফি পক্ষগণ নির্ধারণ করবে। যদি তারা ব্যর্থ হন তবে আদালত তা নির্ধারণ করে দিবেন এবং সেটা পক্ষগণের উপর বাধ্যকর হবে।

⇒ মধ্যস্থতাকারী ৬০ দিনের মধ্যে মধ্যস্থতা সম্পন্ন করবে। তবে আদালত স্বেচ্ছায় বা পক্ষদ্বয়ের যৌথ আবেদনের প্রেক্ষাপটে অতিরিক্ত ৩০দিন বাড়াতে পারবে। অর্থাৎ মোট ৯০ দিনের মধ্যে মধ্যস্থতা সম্পন্ন করতে হবে।

⇒ সমঝােতা সম্পন্ন হলে, তার প্রতিবেদন প্রাপ্তির ৭ দিনের মধ্যে আদালত আদেশ বা ডিক্রি জারী করবে। উক্ত আদেশ বা ডিক্রি জারী করলে তার বিরুদ্ধে কোন আপিল বা রিভিশন চলবে না।

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির অধীন মধ্যস্থতার এই বিধান অর্থ ঋণ আদালত আইন, ২০০৩ এর ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে না।
৪৩.
দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ-৪১ বিধি-২৩ এ __________ আদালত কর্তৃক মোকদ্দমা পুনঃপ্রেরণ এর বিধান রয়েছে।
  1. আপিল
  2. বিচারিক
  3. রিভিউ
  4. রিভিশন
সঠিক উত্তর:
আপিল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আপিল
ব্যাখ্যা
দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ-৪১ বিধি-২৩- বিচারের নিমিত্তে আপিল আদালত কর্তৃক মোকদ্দমা পুনঃপ্রেরণ:
যেক্ষেত্রে যে আদালতের ডিক্রী হতে আপিল দায়ের করা হয়েছে, সে আদালত যদি মোকদ্দমাটি কোন প্রাথমিক বিষয়ের উপর নিস্পত্তি করে থাকেন এবং আপিলে উক্ত ডিক্রী রদ হয় সেক্ষেত্রে আপিল আদালত উপযুক্ত মনে করলে মোকদ্দমাটি পুনঃপ্রেরণের আদেশ দিতে পারেন এবং অনুরূপে পুনঃপ্রেরিত মোকদ্দমায় কোন্ কোন বিষয় বা বিষয়াবলীর বিচার করতে হবে তৎসম্পর্কে আরো নির্দেশ দিতে পারেন এবং এটির রায়ের ও আদেশের একটি নকল যে আদালতে ডিক্রী হতে আপিল করা হয়েছে, অনুরূপ আদালতে দেওয়ানি মোকদ্দমার রেজিস্ট্রারে সেটির মূল নম্বরের অধীনে মোকদ্দমাটি বিচারার্থে পুনঃগ্রহণ করার এবং মোকদ্দমা নিস্পত্তি করার নির্দেশাবলীসহ প্রেরণ করতে হবে এবং মূল বিচারকালে লিপিবদ্ধকৃত সাক্ষ্য (যদি কোন) যাবতীয় সঙ্গত ব্যতিক্রম সাপেক্ষে ঐগুলোও পুনরায় প্রেরণের পর বিচারকালে সাক্ষ্য হিসাবে গৃহীত হবে।

Order 41 Rule 23- Remand of case by Appellate Court:
Where the Court from whose decree an appeal is preferred has disposed of the suit upon a preliminary point and the decree is reversed in appeal, the Appellate Court may, if it thinks fit, by order remand the case, and may further direct what issue or issues shall be tried in the case so remanded, and shall send a copy of its judgment and order to the Court from whose decree the appeal is preferred, with directions to re-admit the suit under its original number in the register of civil suits, and proceed to determine the suit; and the evidence (if any) recorded during the original trial shall, subject to all just exceptions, be evidence during the trial after remand.
৪৪.
The Code of Civil Procedure, 1908 এর Order VII rule 11 এ কোন বিষয় সংক্রান্ত বিধান রয়েছে?
  1. আরজি নাকচ
  2. আরজি সংশোধন
  3. আরজি দাখিল
  4. আরজির বিষয়বস্তু
সঠিক উত্তর:
আরজি নাকচ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আরজি নাকচ
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ২ (২) এর বিধান মতে আরজি প্রত্যাখ্যানের আদেশ ডিক্রি হিসেবে গণ্য হবে। দেওয়ানি কার্যবিধির ৭নং আদেশের ১১ নং বিধি অনুযায়ী আদালত ৪ (চার) টি কারণে আরজি নাকচ বা প্রত্যাখ্যান করতে পারে।

• আদেশ ৭ বিধি- ১১: নিম্নলিখিত ক্ষেত্রে আরজি প্রত্যাখ্যান করা হবে-
ক) যেক্ষেত্রে এটা মোকদ্দমার কারণ প্রকাশ করেনি;
খ) যেক্ষেত্রে দাবিকৃত প্রতিকার কম মূল্যায়িত হয় এবং আদালতের নির্দেশ মত বাদী নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে তা সংশোধন করতে ব্যর্থ হয়েছে;
গ) যেক্ষেত্রে দাবিকৃত প্রতিকারের যথার্থই মূল্যায়ন করা হয়েছে; কিন্তু প্রয়োজন অপেক্ষা কম মূল্যের স্ট্যাম্পযুক্ত কাগজে আরজি লেখা হয়েছে এবং আদালতের নির্দেশমত বাদী নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে আবশ্যকীয় স্ট্যাম্প কাগজ সরবরাহ করতে ব্যর্থ হয়েছে;
ঘ) যেক্ষেত্রে আরজির বিবৃতি অনুযায়ী উক্ত মোকদ্দমা কোন আইন দ্বারা বারিত বলে প্রতীয়মান হয়।

তবে শর্ত থাকে যে,
মোকদ্দমার মূল্যমান বা আবশ্যকীয় স্ট্যাম্প কাগজ সংশোধন করার জন্য আদালত কর্তৃক নির্ধারিত সময় কোনক্রমেই ২১ দিনের অধিক হবে না।
 
⇒ প্রতিকার:
১) বিধি ১৩ অনুযায়ী পুনরায় একই বিষয়ে নতুন আরজি দাখিল করা যাবে।
২) আপিল করা যাবে।
৪৫.
'একতরফা মূল ডিক্রির বিরুদ্ধে আপিল দায়ের করা যাবে।'- দেওয়ানি কার্যবিধির কত ধারায় বলা আছে?
  1. ৯৬
  2. ৯৭
  3. ১০৪
  4. ১০৩
সঠিক উত্তর:
৯৬
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৯৬
ব্যাখ্যা
দেওয়ানি কার্যবিধির ৯৬ ধারা- মূল ডিক্রি হতে আপিল:
(১) এই আইনের কোন কোন অংশে অথবা বর্তমানে প্রচলিত অন্য কোন আইনে স্পষ্টতঃ অন্যরূপ বিধান না থাকলে, আদি এখতিয়ার প্রয়োগকারী আদালত কর্তৃক প্রদত্ত প্রত্যেক ডিক্রি হতে আপিল শ্রবণের ক্ষমতাসম্পন্ন আদালতে আপিল দায়ের করতে হবে।
(২) একতরফা মূল ডিক্রির বিরুদ্ধে আপিল দায়ের করা যাবে।
(৩) পক্ষগণের সম্মতিতে আদালত কোন ডিক্রি দান করলে তার বিরুদ্ধে কোন আপিল চলবে না।

Section 96- Appeal from original decree:
(1) Save where otherwise expressly provided in the body of this Code or by any other law for the time being in force, an appeal shall lie from every decree passed by any Court exercising original jurisdiction to the Court authorised to hear appeals from the decisions of such Court.
(2) An appeal may lie from an original decree passed ex parte.
(3) No appeal shall lie from a decree passed by the Court with the consent of parties.
৪৬.
দেওয়ানি আদালত কর্তৃক উত্তরাধিকার সম্পর্কিত বিষয়ে কোন আইন প্রযোজ্য হবে?
  1. দেওয়ানি আইন
  2. ব্যক্তিগত ধর্মীয় আইন
  3. বিশেষ অধিকার আইন
  4. আদালত কর্তৃক নির্দেশিত আইন
সঠিক উত্তর:
ব্যক্তিগত ধর্মীয় আইন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্যক্তিগত ধর্মীয় আইন
ব্যাখ্যা
• The Civil Courts Act,1887 আইনের ৩৭ ধারায় কতিপয় বিষয়ে রাষ্ট্রীয় আইন নয় বরং হিন্দু এবং মুসলিমদের ধর্মীয় আইনের বিধানকে সংরক্ষণ করা হয়েছে।

৩৭ ধারায় বলা হয়েছে-
"কোন মামলা বা কার্যধারায় দেওয়ানি আদালত কর্তৃক উত্তরাধিকার ও ওয়ারিশী, বিবাহ বা ব্যক্তিগত ধর্মীয় আচরণ বা প্রতিষ্ঠান সম্পর্কিত বিষয়ে পক্ষগন হিন্দু হলে হিন্দু আইন এবং মুসলিম হলে মুসলিম আইন প্রযোজ্য হবে।"

Section 37- Certain decisions to be according to local law:
(1) Where in any suit or other proceeding it is necessary for a Civil Court to decide any question regarding succession, inheritance, marriage or caste, or any religious usage or institution, the Muslim law in cases where the parties are Muslim, and the Hindu law in cases where the parties are Hindus, shall form the rule of decision except in so far as such law has, by legislative enactment, been altered or abolished.

(2) In cases not provided for by sub-section (1) or by any other law for the time being in force, the Court shall act according to justice, equity and good conscience.
৪৭.
বিবাদী কর্তৃক Order 11 rule 21 এর অধীন প্রদত্ত আদেশ পালনের ব্যর্থতার ফলাফল কী?
  1. মোকদ্দমা খারিজ
  2. এক-তরফা রায়
  3. মোকদ্দমা স্থগিত
  4. আত্মপক্ষ সমর্থন বাতিল
সঠিক উত্তর:
আত্মপক্ষ সমর্থন বাতিল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আত্মপক্ষ সমর্থন বাতিল
ব্যাখ্যা
• The Code of Civil Procedure, 1908 এর আদেশ ১১ বিধি ২১ অনুযায়ী, প্রশ্নকারীপক্ষ অথবা দলিলসমূহ উদ্‌ঘাটন বা পরিদর্শন প্রার্থনাকারী আদালতে আবেদন করলে, আদালত অপরপক্ষকে নিম্নোক্ত আদেশ দিবেন-
> প্রশ্নমালার উত্তরদান (answer to interrogatories)- এর আদেশ, বা
> দলিলসমূহ প্রকাশ/উদঘাটন [discovery of documents]- এর আদেশ, বা
> দলিলসমূহ পরিদর্শন [inspection of documents]- এর আদেশ।

সংশ্লিষ্ট পক্ষ উপরিউক্ত আদেশ পালন করতে ব্যর্থ হলে বা অমান্য করলে (তার ফলাফল)-
> বাদীর ব্যর্থ হলে- বাদীর মোকদ্দমা খারিজ আদেশ দিবে এবং
> বিবাদী ব্যর্থ হলে- আত্মপক্ষ সমর্থন বাতিল (To strike out defence) আদেশ দিবে।

প্রতিকার:
The Code of Civil Procedure, 1908 এর ৪৩ আদেশে যেসকল আদেশের বিরুদ্ধে আপিল করা যাবে, সে সম্পর্কে বলা আছে। আদেশ ১১ বিধি ২১ অনুযায়ী, আদালত কোনো আদেশ দিলে তা আপিলযোগ্য আদেশ বলে গণ্য হবে। Order 43 rule 1(f) এর অধীন এই আদেশের বিরুদ্ধে সংক্ষুব্ধ পক্ষ আপিল করতে পারবে।
৪৮.
দেওয়ানি মোকদ্দমায় কোন আদালতের রেফারেন্সের ক্ষমতা আছে?
  1. জেলা জজ
  2. হাইকোর্ট বিভাগ
  3. অতিরিক্ত জেলা জজ
  4. উল্লিখিত সকল আদালতের
সঠিক উত্তর:
হাইকোর্ট বিভাগ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হাইকোর্ট বিভাগ
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানি কার্যবিধির ১১৩ ধারায় রেফারেন্সের (Reference) বিধান রয়েছে। ১১৩ ধারার বিধান অনুযায়ী-
যে কোন আদালত কোন মামলা হাইকোর্ট বিভাগের অভিমত গ্রহণের জন্য প্রেরণ করতে পারেন এবং হাইকোর্ট বিভাগ উক্ত মামলা সম্পর্কে উপযুক্ত আদেশ প্রদান করতে পারবেন।

Section 113- Reference of High Court Division:
Subject to such conditions and limitations as may be prescribed, any Court may state a case and refer the same for the opinion of the High Court Division, and the High Court Division may make such order thereon as it thinks fit.
৪৯.
'Substituted Service of Summons' বলতে কী বোঝায়?
  1. সমন প্রেরণের সাধারন প্রক্রিয়া
  2. সমন প্রেরণের বিশেষ প্রক্রিয়া
  3. সমন প্রেরণের অননুমোদিত প্রক্রিয়া
  4. সমন প্রেরণের আদালত কর্তৃক ঘোষিত অবৈধ প্রক্রিয়া
সঠিক উত্তর:
সমন প্রেরণের বিশেষ প্রক্রিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সমন প্রেরণের বিশেষ প্রক্রিয়া
ব্যাখ্যা
'Substituted Service of Summons' বলতে একটি বিশেষ প্রক্রিয়াকে বোঝানো হয়, যখন বাদী সাধারণ পদ্ধতিতে বিবাদীকে সমন আদেশ (summons) প্রেরণ করতে ব্যর্থ হন। এক্ষেত্রে আদালত নির্দিষ্ট কিছু পদ্ধতি অনুসরণ করে সমন আদেশ প্রেরণের অনুমতি দেয়, যাকে Substituted Service of Summons বলা হয়।
কিছু কমন পদ্ধতি হল:
১. বিবাদীর বসতভিটার দরজায় আটকে দেওয়া অথবা প্রকাশ্যে লাগিয়ে রাখা।
২. বিবাদীর কর্মস্থল, ব্যবসা প্রতিষ্ঠান বা শেষ পরিচিত ঠিকানায় প্রেরণ।
৩. সংবাদপত্রে বিজ্ঞাপনের মাধ্যমে প্রচার করা।
৪. ইলেকট্রনিক মোড যেমন- ইমেইল, ফ্যাক্স ইত্যাদির মাধ্যমে প্রেরণ।

এই পদ্ধতিগুলি অবলম্বন করার আগে আদালত সন্তুষ্ট হতে হবে যে, বাদী সাধারণ পদ্ধতিতে সমন প্রেরণে যথাযথ চেষ্টা করেছেন। পরবর্তীতে আদালত যেকোনো উপযুক্ত পদ্ধতি অনুমোদন দিতে পারেন। এভাবে সামন আদেশ প্রাপ্ত হওয়াকে Substituted Service বলে।

দেওয়ানি কার্যবিধির ৫ নং আদেশের ২০ বিধিতে বিকল্প বা প্রতিকল্পনরূপে সমন জারির (Substituted Service of Summon) বিধান রয়েছে। ২০ নং বিধি অনুযায়ী-
যেক্ষেত্রে বিবাদী সমন এড়ানোর জন্য আত্মগোপন করেছে অথবা অন্য কোন কারণে সাধারনভাবে সমন জারি করা যায় না, সেক্ষেত্রে বিবাদীর গৃহের বা ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের প্রকাশ্য অংশে সমনের একটি নকল ঝুলিয়ে জারি করার জন্য আদালত আদেশ দিবেন অথবা বহুল প্রচারিত দৈনিক পত্রিকায় বিজ্ঞাপন দেয়ার আদেশ দিবে, যা প্রতিকল্পনরূপে সমন জারি Substituted Service নামে পরিচিত। এই পদ্ধতি ব্যক্তিগতভাবে সমন জারির মতই কার্যকর হবে।
৫০.
দেওয়ানি কার্যবিধির ১০৭ ধারার অধীনে কোনটি আপিল আদালতের ক্ষমতার বহির্ভূত?
  1. বিচার্য বিষয় গঠন
  2. মোকদ্দমা চূড়ান্ত নিষ্পত্তির
  3. মোকদ্দমা পুনর্বিচারে প্রেরণ
  4. কোনোটিই নয়
সঠিক উত্তর:
কোনোটিই নয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কোনোটিই নয়
ব্যাখ্যা
দেওয়ানি কার্যবিধির ১০৭ ধারা: আপিল আদালতের ক্ষমতা:
১) যে সকল শর্ত ও নিয়ন্ত্রণ বিধি দ্বারা হতে পারে, তৎসাপেক্ষে আদালতের নিম্নলিখিত ক্ষমতাবলী থাকবে-
ক) কোন মোকদ্দমা চূড়ান্তভাবে নিষ্পত্তি করার;
খ) কোন মোকদ্দমা পুনর্বিচারে প্রেরণ করার;
গ) বিচার্য বিষয় গঠন এবং সেগুলো বিচারার্থে প্রেরণ করার;
ঘ) অতিরিক্ত সাক্ষ্য গ্রহণ বা অনুরূপ সাক্ষ্য গ্রহণ করার জন্য তলব করতে ক্ষমতা।

২) এই আইনে কোন মৌলিক এখতিয়ারসম্পন্ন আদালতের উপর তথাকার মোকদ্দমার ব্যাপারে যেরূপ ক্ষমতা প্রদত্ত এবং কর্তব্য আরোপিত হয়ে থাকে, উল্লেখিত শর্তসাপেক্ষে আপিল আদালতের উপরও এরূপ ক্ষমতা এবং প্রায় একইরূপ কর্তব্য বর্তাবে।

অর্থাৎ উল্লিখিত সব অপশন আপিল আদালতের ক্ষমতার অন্তর্ভুক্ত।

Section 107- Powers of Appellate Court:
(1) Subject to such conditions and limitations as may be prescribed, an Appellate Court shall have power-
(a) to determine a case finally;
(b) to remand a case;
(c) to frame issues and refer them for trial;
(d) to take additional evidence or to require such evidence to be taken.

(2) Subject as aforesaid, the appellate Court shall have the same powers and shall perform as nearly as may be the same duties as are conferred and imposed by this Code on Courts of original jurisdiction in respect of suits instituted therein.
৫১.
দেওয়ানি আদালত কখন রিসিভার নিয়োগ করতে পারে?
  1. মামলাধীন বাদী নাবালক হলে
  2. মামলাধীন বাদী নিঃস্ব হলে
  3. মামলাধীন পক্ষদ্বয়ের সাক্ষ্য নিতে
  4. মামলাধীন সম্পত্তির তত্ত্বাবধানার্থে
সঠিক উত্তর:
মামলাধীন সম্পত্তির তত্ত্বাবধানার্থে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মামলাধীন সম্পত্তির তত্ত্বাবধানার্থে
ব্যাখ্যা
• রিসিভার হলেন এমন একজন ব্যক্তি যিনি কোন মামলাধীন সম্পত্তির তত্ত্বাবধানার্থে আদালত কর্তৃক নিযুক্ত নিযুক্ত একজন কর্মকর্তা। দেওয়ানি কার্যবিধি, ১৯০৮ এর আদেশ ৪০ এর ১ বিধিতে তত্ত্বাবধায়ক বা রিসিভার নিয়োগ সম্বন্ধে আলোচনা করা হয়েছে।

৪০ আদেশের ১ বিধিতে বলা হয়েছে যে,
যে ক্ষেত্রে আদালতের কাছে ন্যায়সঙ্গত ও সুবিধাজনক বলে প্রতীয়মান হয়, সে ক্ষেত্রে আদালতের আদেশের মাধ্যমে-
ক) ডিক্রির আগে বা পরে কোন সম্পত্তির তত্ত্বাবধায়ক নিয়োগ করতে পারে;
খ) সম্পত্তির দখল বা তত্ত্বাবধান হতে কোন লোককে অপসারণ করতে পারে;
গ) তা তত্ত্বাবধায়কের দখলে, তত্ত্বাবধায়কের ব্যবস্থাপনা রাখিতে পারে; এবং
ঘ) মামলা আনয়ন ও আত্মপক্ষ সমর্থন সম্পর্কে এবং সম্পত্তি আদায়করন, ব্যবস্থাপনা, নিরাপদকরণ, সংরক্ষণ এবং উন্নয়নের জন্য খাজনা এবং মুনাফা সংগ্রহ, অনুরূপ খাজনা ও মূনাফার প্রয়োগ ও হস্তান্তর এবং দলিল সম্পাদন সম্পর্কে মালিকের নিজের যেরূপ ক্ষমতা আছে সেরূপ বা আদালত যে সব ক্ষমতা যথাযথ মনে করেন, তত্ত্বাবধায়ক বরাবর অনুরূপ সব ক্ষমতা প্রদান করতে পারে।

৪০ আদেশের ২ বিধিতে, রিসিভার বা তত্বাবধায়কের কর্তব্য সম্বন্ধে আলোচনা করা হয়েছে। ৪০ আদেশের ২ বিধিতে বলা হয়েছে, অনুরূপে নিযুক্ত প্রত্যেক তত্ত্বাবধায়ক-
ক) সম্পত্তি সম্পর্কে সে যা পাবে তার যথাযথ দায়ী থাকার জন্য আদালত দ্বারা যথাযথ বিবেচনায় জামানত (যদি কোন) প্রদান করবে;
খ) আদালত দ্বারা নির্দেশিত মেয়াদে এবং ফরমে তার হিসাবাদি পেশ করবেন;
গ) আদালতের নির্দেশ মতো তার কাছে হতে প্রাপ্য টাকা পরিশোধ করবে; এবং
ঘ) তার ইচ্ছামত বরখেলাপ বা গুরুতর অবহেলার দরুণ সম্পত্তির ক্ষতিসাধন হলে তার জন্য দায়ী থাকবে।
৫২.
দেওয়ানি কার্যবিধিতে মিথ্যা দাবির ব্যাপারে সর্বোচ্চ কত টাকা ক্ষতিপূরণমূলক খরচ দেয়ার বিধান বর্ণিত আছে?
  1. ১০,০০০ টাকা
  2. ২০,০০০ টাকা
  3. ৩৫,০০০ টাকা
  4. ২৫,০০০ টাকা
সঠিক উত্তর:
২০,০০০ টাকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০,০০০ টাকা
ব্যাখ্যা
দেওয়ানি মামলায় আরজি বা জবাবে কোনো পক্ষ মিথ্যা কোনো দাবি করলে, সর্বোচ্চ ২০,০০০/-(বিশ হাজার) টাকা পর্যন্ত ক্ষতিপূরণ দেয়ার বিধান আছে।

• প্রত্যেক মোকদ্দমার শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত কিছু খরচ/ব্যয় থাকে। দেওয়ানি কার্যবিধির ৩৫,৩৫ক এবং ৩৫খ ধারায় খরচের বিষয়ে বিধান রয়েছে। খরচ প্রদানের আদেশ আদালতের বিবেচনামূলক ক্ষমতা। দেওয়ানি কার্যবিধির আওতায় তিন (৩) ধরনের খরচ প্রদান করা হয়ে থাকে। যথা-
i) সাধারণ খরচ;
ii) ক্ষতিপূরণমূলক খরচ; এবং
iii) বিলম্বের জন্য খরচ।

• ধারা ৩৫ক: ক্ষতিপূরণমূলক খরচ (Compensatory cost)-
দেওয়ানি কার্যবিধির ৩৫ক ধারায় ক্ষতিপূরণমূলক খরচের বিধান রয়েছে। মূল মোকদ্দমায় বা ডিক্রি জারিতে কোন পক্ষ আরজি বা লিখিত জবাবে মিথ্যা বা বিরক্তিকর (false or vexatious) বিষয় দাবি করলে, আদালত মিথ্যা বা বিরক্তিকর দাবি উত্থাপনকারীকে সর্বোচ্চ ২০,০০০/-(বিশ হাজার) টাকা পর্যন্ত ক্ষতিপূরণ স্বরূপ খরচের আদেশ দিতে পারে।
৫৩.
কোনো পক্ষের মৃত্যুর কারণে আদালত মোকদ্দমা খারিজের আদেশ দিলে, উক্ত আদেশ সরাসরি বাতিলের জন্য কত দিনের মধ্যে আবেদন করতে হয়?
  1. ৩০ দিন
  2. ৬০ দিন
  3. ৯০ দিন
  4. ১৫ দিন
সঠিক উত্তর:
৬০ দিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬০ দিন
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ২২, বিধি ৯(ক) অনুসারে, কোনো পক্ষের মৃত্যুর কারণে মোকদ্দমা অ্যাবেট (খারিজ) হয়ে গেলে বাতিল/খারিজ সরাসরি রহিতের দরখাস্ত করে প্রতিকার পেতে পারে।

বাতিল/খারিজ সরাসরি রহিতকরণ:
দেওয়ানি কার্যবিধির ২২ আদেশের ৯ক বিধিতে, বাদীকে কোনো প্রকার সাক্ষ্য উপস্থাপনের নির্দেশ না দিয়েই মামলার অ্যাবেটমেন্ট আদেশ সরাসরি খারিজ/ বাতিলের [Directly setting-aside abatement of dismissal] বিধান রয়েছে।

খারিজ আদেশ সরাসরি বাতিল/রদের শর্ত: ৯ক বিধি মোতাবেক-
আদেশদানের ৬০ দিনের মধ্যে আবেদন করতে হবে;
⇒ আদালতের নির্দেশনানুযায়ী সর্বোচ্চ ৩ হাজার টাকা খরচ পরিশোধ করতে হবে।
৫৪.
মি. X এবং মিসেস Y দম্পতি। Y এক পর্যায়ে আদালতে দাম্পত্য অধিকার পুনরুদ্ধারের জন্য মামলা দায়ের করেন। আদালত Y এর পক্ষে রায় দিয়ে X এর বিরুদ্ধে একটি ডিক্রি জারি করেন। কিন্তু যদি X এই ডিক্রিটি অমান্য করেন এবং স্ত্রীর দাম্পত্য অধিকার পুনরুদ্ধার না করেন, তাহলে ডিক্রি জারির জন্য Y আদালতে আবেদন করতে পারেন যে-
  1. X কে গ্রেফতার করা হোক
  2. X এর সম্পত্তি ক্রোক করা হোক
  3. X এর সম্পত্তি তার নামে হস্তান্তর করা হোক
  4. ক বা খ বা গ
সঠিক উত্তর:
X এর সম্পত্তি ক্রোক করা হোক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
X এর সম্পত্তি ক্রোক করা হোক
ব্যাখ্যা
দাম্পত্য অধিকার পুনরুদ্ধারের (restitution of conjugal rights) ডিক্রিজারি শুধুমাত্র সম্পত্তি ক্রোকের (attachment of property) মাধ্যমে করা যায়। এক্ষেত্রে মিসেস Y আদালতে মি. X এর সম্পত্তি ক্রোকের আবেদন করতে পারবে।

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ২১ বিধি-৩২- সুনির্দিষ্ট কার্যসম্পাদন, দাম্পত্য অধিকার পুনরুদ্ধার অথবা নিষেধাজ্ঞার জন্য ডিক্রি:
দাম্পত্য অধিকার পুনরুদ্ধারের জন্য সম্পত্তি ক্রোক, অথবা চুক্তির সুনির্দিষ্ট কার্যসম্পাদনের বা নিষেধাজ্ঞার ডিক্রির ক্ষেত্রে দেওয়ানি কারাগারে আটক করে বা সম্পত্তি ক্রোক করে বা উভয় প্রকারেই কার্যকর করা যাবে।

উল্লেখ্য,
আদালত যদি এই আবেদন গ্রহণ করেন, তাহলে মিঃ X এর সম্পত্তি (যেমন জমি, বাড়ি, গাড়ি ইত্যাদি) আটক করা হবে। এভাবে সম্পত্তি আটকের মাধ্যমে মিঃ X এর উপর চাপ সৃষ্টি করা হবে যাতে তিনি আদালতের ডিক্রি মেনে নিয়ে স্ত্রীর দাম্পত্য অধিকার পুনরুদ্ধার করেন। সুতরাং দাম্পত্য অধিকার পুনরুদ্ধারের ডিক্রি বাস্তবায়নের এটাই একমাত্র পদ্ধতি - অমান্যকারীর সম্পত্তি আটক করা।
৫৫.
দেওয়ানি আদালতসমূহকে ________ প্রদত্ত নির্দিষ্ট আকার ও আকৃতির একটি সীলমোহর ব্যবহার করতে হবে।
  1. আইন
  2. সরকার
  3. বিচারক
  4. হাইকোর্ট
সঠিক উত্তর:
সরকার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সরকার
ব্যাখ্যা
Section 16 of The Civil Courts Act, 1887-
Every Civil Court under this Act shall use a seal of such form and dimensions as are prescribed by the Government.
⇒ এই আইনের অধীন প্রত্যেক দেওয়ানী আদালতকে সরকার প্রদত্ত নির্দিষ্ট আকার ও আকৃতির একটি সীলমোহর ব্যবহার করতে হবে।

• এই বিধানটি দেওয়ানী আদালতগুলোর জন্য একটি আনুষ্ঠানিক সীলমোহর ব্যবহারের বিষয়ে নির্দেশিকা প্রদান করে। এর উদ্দেশ্য হল সকল দেওয়ানী আদালতের জন্য একটি নির্দিষ্ট মানের সীলমোহর ব্যবহারকে বাধ্যতামূলক করা।

"সরকার প্রদত্ত" অংশটি বোঝায় যে, সীলমোহরের আকার ও আকৃতি সরকারের দ্বারা নির্ধারিত হবে। আদালতগুলোকে নিজেদের ইচ্ছামত সীলমোহর ব্যবহার করার অনুমতি থাকবে না।
"নির্দিষ্ট আকার ও আকৃতি" অংশটি বোঝায় যে, সীলমোহরের আকৃতি ও আকার সুনির্দিষ্ট হবে। অর্থাৎ সরকার দ্বারা নির্ধারিত মাপদণ্ড থাকবে যা অনুসরণ করতে হবে।

এই বিধানটি প্রধানত আদালতগুলোর জন্য একটি সুনির্দিষ্ট ও স্বীকৃত মানের সীলমোহর ব্যবহারের নিশ্চয়তা প্রদান করে। এটি আনুষ্ঠানিকতাকে বজায় রাখতে এবং আদালতের নথিপত্রগুলোর গ্রহণযোগ্যতা নিশ্চিত করতে সহায়ক হয়।
৫৬.
দেওয়ানি কার্যবিধি আদেশ ৩৮ এর অধীন দেওয়ানি আদালত রায়ের পূর্বে কয় ধরনের আদেশ দিতে পারে?
  1. ৪ ধরনের
  2. ৩ ধরনের
  3. ২ ধরনের
  4. ৫ ধরনের
সঠিক উত্তর:
২ ধরনের
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২ ধরনের
ব্যাখ্যা
দেওয়ানি কার্যবিধি আদেশ ৩৮ অনুযায়ী আদালত ২ ধরনের আদেশ দিতে পারে-
১. রায়ের পূর্বে গ্রেফতার (Arrest before judgment);
২. রায়ের পূর্বে সম্পত্তি আটক (Attachment before judgment).      .

রায়ের পূর্বে গ্রেফতার (Arrest before judgment):
এই আদেশে বিবাদী ব্যক্তিকে গ্রেফতার করা হয়। যদি আদালত এই মর্মে সন্তুষ্ট হয় যে, বিবাদী ব্যক্তি মামলার রায় পাওয়ার পর দেশ ছেড়ে চলে যাওয়ার চেষ্টা করতে পারেন বা তার সম্পত্তি লুকিয়ে ফেলতে পারেন এবং বাদীকে ক্ষতিগ্রস্ত করার উদ্দেশ্য রাখেন, তাহলে আদালত বিবাদীকে গ্রেফতার করার আদেশ দিতে পারে। এই আদেশের লক্ষ্য হল বিবাদী ব্যক্তিকে আদালতের আওতায় রাখা যাতে রায়ের পরে তিনি প দালিয়ে যেতে না পারেন।

রায়ের পূর্বে সম্পত্তি আটক (Attachment before judgment):
এই আদেশে বিবাদীর সম্পত্তি আটক বা জব্দ করা হয়। যদি আদালত এমন সন্দেহ করে যে, বিবাদী তার সম্পত্তি লুকিয়ে ফেলতে পারেন বা নষ্ট করতে পারেন যাতে বাদী রায় পেলেও ক্ষতিপূরণ পাওয়া না যায়, তাহলে আদালত বিবাদীর সম্পত্তি আটক করার আদেশ দিতে পারে। এর উদ্দেশ্য হল বিবাদীকে তার সম্পত্তি থেকে বঞ্চিত করা না যাতে বাদী রায় পেলে সেখান থেকে ক্ষতিপূরণ পাওয়া সম্ভব হয়।
৫৭.
"Nothing in this Code shall be deemed to limit or otherwise affect the inherent power of the Court to make such orders as may be necessary for the ends of justice or to prevent abuse of the process of the Court." This provision relates to-
  1. Section 152
  2. Section 151
  3. Section 150
  4. Section 157
সঠিক উত্তর:
Section 151
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Section 151
ব্যাখ্যা
Section 151- Saving of inherent powers of Court:
Nothing in this Code shall be deemed to limit or otherwise affect the inherent power of the Court to make such orders as may be necessary for the ends of justice or to prevent abuse of the process of the Court.

• দেওয়ানি আদালতের অন্তর্নিহিত ক্ষমতা-
আদালতের সহজাত ক্ষমতা বা অন্তর্নিহিত ক্ষমতা (Inherent power of court) ন্যায় বিচারের স্বার্থে দেওয়ানী আদালতের একটি অলিখিত ক্ষমতা যা প্রয়োগের মাধ্যমে আদালত ন্যায় বিচার নিশ্চিত করতে সচেষ্ট হয়। কোন বিচারপ্রার্থী ন্যায় বিচার হতে বঞ্চিত না হওয়ার জন্য দেওয়ানি আদালতকে একটি বিশেষ ক্ষমতা প্রদান করা হয়েছে। যেক্ষেত্রে আইনের কোন সুস্পষ্ট বিধান নেই বা আইনের কোন সুস্পষ্ট দিক নির্দেশনা নেই সেক্ষেত্রে আদালত তার স্বেচ্ছাধীন ক্ষমতা বলে ন্যায় বিচার প্রতিষ্ঠা কল্পে বিচারকার্য পরিচালনা করতে পারেন। একেই বলা হয় আদালতের অন্তর্নিহিত ক্ষমতা বা সহজাত ক্ষমতা।

দেওয়ানি কার্যবিধির ১৫১ ধারামতে, দেওয়ানি আদালত ২টি ক্ষেত্রে সহজাত ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারে। যথা-
i) ন্যায় বিচার নিশ্চিত করা (For the ends of justice); এবং
ii) আদালতের কার্যধারা বা আদালত কর্তৃক ক্ষমতার অপব্যবহার রোধ করা (To prevent abuse of the process of the court)।
৫৮.
আসন্ন বন্ধু ছাড়া নাবালকের মোকদ্দমা দায়ের করা হলে, বিবাদী কোন বিষয়ে আবেদন করতে পারে?
  1. মোকদ্দমা স্থগিতের
  2. দো-তরফা ডিক্রি প্রাপ্তির
  3. আরজি সংশোধনের
  4. আরজি নথি হতে অপসারণের
সঠিক উত্তর:
আরজি নথি হতে অপসারণের
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আরজি নথি হতে অপসারণের
ব্যাখ্যা
আদেশ ৩২, বিধি ১:
আসন্ন বন্ধু দ্বারা নাবালককে মোকদ্দমা করতে হয়: নাবালক বাদী করে প্রত্যেকটি মোকদ্দমা তার 'আসন্ন বন্ধু' দ্বারা দায়ের করতে হবে।

আদেশ ৩২, বিধি ২:
আসন্ন বন্ধু ছাড়া মোকদ্দমা দায়ের করা হলে আরজি নথি হতে অপসারণ করার জন্য বিবাদী আবেদন করতে পারবে।

Rule-1: Minor to sue by next friend:
Every suit by a minor shall be instituted in his name by a person who in such suit shall be called the next friend of the minor.

Rule-2: Where suit is instituted without next friend, plaint to be taken off the file:
(1) Where a suit is instituted by or on behalf of a minor without a next friend, the defendant may apply to have the plaint taken off the file, with costs to be paid by the pleader or other person by whom it was presented.

(2) Notice of such application shall be given to such person, and the Court, after hearing his objections (if any), may make such order in the matter as it thinks fit.
৫৯.
ইন্টারপ্লিডার মামলার ক্ষেত্রে কোনটি সঠিক নয়?
  1. বাদী ও বিবাদীর মধ্যে কোন বিরোধ থাকে না
  2. শুধুমাত্র স্থাবর সম্পত্তির ক্ষেত্রে প্রযোজ্য
  3. বিষয়বস্তুতে বাদীর খরচের দাবী ছাড়া অন্য কোন স্বার্থ থাকে না
  4. বিবাদীগণের মধ্যে বিরোধ থাকে
সঠিক উত্তর:
শুধুমাত্র স্থাবর সম্পত্তির ক্ষেত্রে প্রযোজ্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শুধুমাত্র স্থাবর সম্পত্তির ক্ষেত্রে প্রযোজ্য
ব্যাখ্যা
• প্রকৃত অর্থে ইন্টারপ্লিডার মামলা কোন দাবী আদায়ের মামলা নয় বরং প্রকৃত দাবীদার সাব্যস্ত করার জন্য মামলা। যখন একাধিক ব্যক্তি কোন অর্থ বা সম্পত্তি বাদীর নিকট দাবী করে এবং বাদীও তা প্রদান করতে প্রস্তুত থাকে। কিন্তু প্রকৃত দাবিদার সাব্যস্ত করা যায় না বিধায় বাদী তাদের বিরুদ্ধে এরূপ মামলা করে। এক্ষেত্রে বিবাদ সম্পর্কে বাদীর কোন আগ্রহ থাকে না। বিবাদীরা পরস্পর পরস্পরের বিরুদ্ধে প্লিড করে এবং আদালত যাকে প্রকৃত দাবিদার সাব্যস্ত করেন বাদী তার নিকট সে অর্থ বা সম্পত্তি অর্পন করে।

• দেওয়ানি কার্যবিধির ৮৮ ধারায় এ সম্পর্কে বিধান রয়েছে। এখানে বলা হয়েছে যে,
যদি দুই বা ততোধিক ব্যক্তি অপর কোন ব্যক্তির নিকট একই পাওনা টাকা বা কোন স্থাবর বা অস্থাবর সম্পত্তি দাবী করে এবং যার নিকট দাবী করা হয় তার যদি উক্ত সম্পত্তির উপর খরচের দাবী ব্যতীত অন্য কোন দাবী দাওয়া না থাকে এবং সে যদি প্রকৃত মালিকের নিকট উক্ত সম্পত্তি বা অর্থ অর্পণ করতে প্রস্তুত থাকে তবে সেই সম্পত্তি বা অর্থ কার নিকট অর্পণ করতে হবে সে বিষয়ে আদালতের সিদ্ধান্ত গ্রহণের জন্য এবং নিজের ক্ষতিপূরণ আদায়ের জন্য উক্ত রূপ দাবীদারগণের সকলের বিরুদ্ধে ইন্টারপ্লিডার মামলা দায়ের করতে পারবে। তবে উক্ত দাবীদারগণের অধিকার যদ্বারা নির্ধারিত হবে এমন কোন মামলা যদি বিচারাধীন থেকে থাকে সেক্ষেত্রে এরূপ ইন্টারপ্লিডার মামলা দায়ের করা যাবে না।

ইন্টারপ্লিডার মামলার ক্ষেত্রে যে সকল শর্ত থাকতে হবে তা দেওয়ানি কার্যবিধির ৩৫ নম্বর আদেশে বিশদভাবে বর্ণনা করা হয়েছে। এই আদেশের ১ নম্বর বিধি অনুযায়ী অন্যান্য বিষয়ের মধ্যে নিম্নোক্তগুলি আরজিতে উল্লেখ করতে হবে-
ক. মামলাটির বিষয়বস্তুতে বাদীর খরচের দাবী ছাড়া অন্য কোন স্বার্থ নিহিত নেই।
খ. বিবাদীগণ (দুই বা ততোধিক) পৃথকভাবে তাদের দাবী উত্থাপন করেছে এবং এ দাবীগুলি পরস্পর বিরোধী বলে গণ্য হয়।
গ. বাদী ও বিবাদীগণের মধ্যে কোন যোগসাজস নেই।
ঘ. বাদীর নিকট পাওনা অর্থ বা সম্পত্তি আদালতের সিদ্ধান্ত মোতাবেক নির্দিষ্ট বিবাদীর নিকট প্রদান করার ইচ্ছা থাকতে হবে।

অর্থাৎ 'শুধুমাত্র স্থাবর সম্পত্তির ক্ষেত্রে প্রযোজ্য'- উক্তি সঠিক নয়।
৬০.
দেওয়ানি কার্যবিধির অধীন সর্বমোট কত জন সদস্য নিয়ে সুপ্রীম কোর্ট বিধি প্রণয়ন কমিটি গঠিত হয়?
  1. ৩ জন সদস্য
  2. ৬ জন সদস্য
  3. ৫ জন সদস্য
  4. ৯ জন সদস্য
সঠিক উত্তর:
৬ জন সদস্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬ জন সদস্য
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানি কার্যবিধির ১২২ ধারায় সুপ্রীম কোর্টকে নিম্নলিখিত ২টি ক্ষমতা দেয়া হয়েছে-
১- সুপ্রীম কোর্টের উভয় বিভাগের (হাইকোর্ট বিভাগ এবং আপীল বিভাগের পদ্ধতি সম্পর্কিত বিধি প্রণয়ণের ক্ষমতা;
২- দেওয়ানী আদালতের পদ্ধতি সম্পর্কে এবং প্রথম তফসিলের যেকোন নিয়ম বাতিল, পরিবর্তন বা সংযোজন করার ক্ষমতা।

ধারা-১২৩ অনুযায়ী, সর্বমোট ৬ জন সদস্য নিয়ে বিধি প্রণয়ন কমিটি গঠিত হয়। সদস্যগণ হলো-
ক. সুপ্রীম কোর্টের তিন (৩) জন বিচারক নিয়ে যাদের মধ্যে একজন সর্বনিম্ন (৩ বছর জেলা জজ হিসাবে দায়িত্ব পালন করেছে;
খ. উক্ত আদালতে অ্যাডভোকেট হিসাবে প্রেক্টিস করছে এমন ২ জন অ্যাডভোকেট;
গ. হাইকোর্ট বিভাগের অধীনস্থ দেওয়ানি আদালতের একজন বিচারক।

• সদস্যগণের নিয়োগ:
এই কমিটির সদস্যরা প্রধান বিচারপতি কর্তৃক নিয়োগপ্রাপ্ত হবে এবং তিনি উক্ত কমিটির সভাপতি মনোনীত করবে এবং সাধারণ সম্পাদক নিয়োগ দিবে। এই কমিটির প্রত্যেক সদস্য প্রধান বিচারপতি কর্তৃক উল্লেখিত মেয়াদ পর্যন্ত পদে বহাল থাকবে।
৬১.
অতিরিক্ত জেলা জজ কর্তৃক রিভিশন মামলায় প্রদত্ত আদেশের বিরুদ্ধে সংক্ষুদ্ধ পক্ষ হাইকোর্ট বিভাগে-
  1. আপিল করতে পারে
  2. অনুমতি সাপেক্ষে আপিল করতে পারে
  3. অনুমতি সাপেক্ষে রিভিশন দায়ের করতে পারে
  4. সরাসরি রিভিশন দায়ের করতে পারে
সঠিক উত্তর:
অনুমতি সাপেক্ষে রিভিশন দায়ের করতে পারে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনুমতি সাপেক্ষে রিভিশন দায়ের করতে পারে
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানি কার্যবিধির ১১৫(৪) ধারায় দ্বিতীয় রিভিশন এর বিধান রয়েছে।

এই ধারানুযায়ী,
১১৫(২) ও ১১৫(৩) ধারার অধীনে প্রাপ্ত ক্ষমতাবলে জেলা জজ বা অতিরিক্ত জেলা জজ রিভিশনে আইনের গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন-সম্পর্কিত বিষয়ে ভুল করে কোন আদেশ দিলে, তার বিরুদ্ধে হাইকোর্ট বিভাগের অনুমতিসাপেক্ষে হাইকোর্ট বিভাগে দ্বিতীয় রিভিশন দায়ের করা যায়। অর্থাৎ-

জেলা জজ বা অতিরিক্ত জেলা জজ প্রদত্ত (প্রথম) রিভিশনে আইনের গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন-সম্পর্কিত বিষয়ে ভুল আদেশ দিলে, হাইকোর্ট বিভাগের অনুমতি নিয়ে হাইকোর্ট বিভাগেই দ্বিতীয় রিভিশন করা যাবে।
৬২.
'Affidavits' দেওয়ানি কার্যবিধির কত আদেশের বিষয়বস্তু?
  1. আদেশ ১৯
  2. আদেশ ২৯
  3. আদেশ ২৮
  4. আদেশ ৩৬
সঠিক উত্তর:
আদেশ ১৯
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আদেশ ১৯
ব্যাখ্যা
আদেশ ১৯: Affidavits- এই আদেশটিতে শপথপূর্বক নিবন্ধন বা Affidavits সংক্রান্ত সকল বিষয়াবলী আলোচিত হয়েছে। যেমন:

শপথপূর্বক নিবন্ধন বা অ্যাফিডেভিট হল এমন একটি শপথসম্পন্ন বিবৃতি যা ঘটনা ও পরিস্থিতিগুলো সম্পর্কে অবগত ব্যক্তি কর্তৃক প্রদত্ত হয়। এই বিবৃতি প্রদানকারী ব্যক্তিকে 'ডিপোনেন্ট' বলা হয়। ডিপোনেন্ট নিশ্চিত করেন যে বিবৃতির বিষয়বস্তু তার জ্ঞানমতে সঠিক এবং কোন তথ্য গোপন করা হয়নি। স্বাক্ষরিত হওয়ার পর, অ্যাফিডেভিটটি আইনগত ভাবে নিযুক্ত ওয়াথ কমিশনার বা নোটারি কর্তৃক প্রত্যায়িত হওয়া আবশ্যক।

গুরুত্বপূর্ণ বিষয়সমূহ:
I. আদালত আদেশ দিতে পারে যে কোনো ঘটনা অ্যাফিডেভিটের মাধ্যমে প্রমাণিত হবে। সাধারণভাবে ঘটনা মৌখিক প্রমাণের মাধ্যমে প্রমাণিত হয়।
II. দেওয়ানি কার্যবিধিতে অ্যাফিডেভিটের সংজ্ঞা উল্লেখ নেই। তবে যদি যথেষ্ট কারণ থাকে, তাহলে অ্যাফিডেভিটকে আদেশ ১৯ এর আওতায় প্রমাণ হিসেবে গ্রহণ করা যায়।
III. নিয়ম ১ একটি ধরনের ব্যতিক্রম এবং আদালতকে কোন নির্দিষ্ট ঘটনা অ্যাফিডেভিটের মাধ্যমে প্রমাণের অনুমতি দেয়, তবে বিপরীত পক্ষের ডিপোনেন্টকে বাক্য-প্রতিবাক্য করার অধিকার থাকে।
IV. অ্যাফিডেভিটকে শুধু সেই ঘটনাগুলো উল্লেখ করা উচিত যা ডিপোনেন্ট ব্যক্তিগতভাবে জানেন, তবে আন্তঃকালীন আবেদনগুলোতে তার বিশ্বাসের বিবৃতি গৃহীত হতে পারে (নিয়ম ৩)।
V. যদি অ্যাফিডেভিটগুলো যথাযথভাবে সত্যায়িত এবং নিয়মানুগ না হয়, তবে আদালত তা বাতিল করবে। তবে বাতিল না করে আদালত দল কে সঠিক অ্যাফিডেভিট দাখিলের সুযোগ দিতে পারে।
VI. সাধারণভাবে আন্তঃকালীন আবেদনগুলো যেমন অন্তবর্তীকালীন নিষেধাজ্ঞা, রিসিভার নিয়োগ ইত্যাদি অ্যাফিডেভিটের ভিত্তিতে নিষ্পত্তি করা যায়।
৬৩.
'Res sub judice' এবং 'Res judicata' নীতি সমূহের মূল উদ্দেশ্য কী?
  1. মোকদ্দমা চলমান রাখা
  2. মোকদ্দমার বহুত্ব রোধ করা
  3. মোকদ্দমার স্থিতিবস্থা বজায় রাখা
  4. মোকদ্দমার বহুত্ব বৃদ্ধি করা
সঠিক উত্তর:
মোকদ্দমার বহুত্ব রোধ করা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মোকদ্দমার বহুত্ব রোধ করা
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানি কার্যবিধির ১০ ধারায় মোকদ্দমা স্থগিতকরণ (stay of suit) বা res sub judice সম্পর্কে আলোচনা করা হয়েছে। একই পক্ষগণের বা তাদের প্রতিনিধিদের মধ্যে পূর্বে দায়েরকৃত এবং পরবর্তীতে দায়েরকৃত মোকদ্দমার বিচার্য বিষয় প্রত্যক্ষ এবং মৌলিকভাবে একই হলে, আদালত পরবর্তী মোকদ্দমার কার্যক্রম স্থগিত করবেন।

• ১১ ধারায় দোবারা দোষ নীতিটি [Res Judicata] আলোচনা করা হয়েছে। রেস জুডিকাটা নীতির মূল কথা হলো- এখতিয়ারসম্পন্ন আদালত কর্তৃক চূড়ান্তভাবে নিষ্পত্তিকৃত কোন বিচারিত বিষয়কে পরবর্তীতে পুনরায় বিচার করা যাবে না।এই নীতির মূল কথা হলো, একবার নিষ্পত্তিকৃত কোন মোকদ্দমা, পুনরায় বিচারযোগ্য নয়।

 এই নীতিসমূহের উদ্দেশ্য:
⇒ আদালতের সময় ও সম্পদ বাঁচানো: একই বিষয়ে বার বার মামলা না হওয়ায় আদালতকে পুনরাবৃত্তির শ্রম থেকে রক্ষা করা হয়।
⇒ বিচারের মর্যাদা ও শাসন রক্ষা করা: একই বিষয়ে দ্বৈত রায়ের অবস্থা এড়ানোর মাধ্যমে বিচারের মর্যাদা এবং আইনের শাসন রক্ষা করা হয়।
⇒ ন্যায়বিচারের গতিশীলতা বজায় রাখা: মামলার ক্রমাগত পুনরাবৃত্তি ন্যায়বিচার প্রক্রিয়াকে স্থবির করে ফেলে।
⇒ বিরোধী পক্ষকে অনাবশ্যক হয়রানি থেকে রক্ষা করা: বারবার একই বিষয়ে মামলার সম্মুখীন না হওয়ায় বিরোধী পক্ষ রক্ষা পায়।

অর্থাৎ মোকদ্দমার বহুত্ব রোধ করা হচ্ছে এই নীতিসমূহের মূল উদ্দেশ্য।
৬৪.
যে পক্ষের খরচ প্রদানের ব্যর্থতায় আপিল খারিজ হয়েছে, সে পক্ষ উক্ত আপিল পুনরুজ্জীবিত করার আবেদন করতে সর্বোচ্চ কত টাকা খরচ প্রদান করবে?
  1. ২০০ টাকা
  2. ১০০০ টাকা
  3. ৩০০০ টাকা
  4. ২০০০ টাকা
সঠিক উত্তর:
১০০০ টাকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১০০০ টাকা
ব্যাখ্যা
দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ৪১ বিধি ১২ক- আপিল মুলতুবি (Adjournment in appeal):

⇒ আপিলের ক্ষেত্রে কোন পক্ষের অনুরোধে আপিল আদালত ৩ বারের অধিক সময় মঞ্জুর করবেন না ।
⇒ ৩ বারের বেশি মুলতবি করলে আদালত সর্বনিম্ন ২০০ টাকা ও অনধিক ১০০০ টাকা খরচ অপর পক্ষকে প্রদানের নির্দেশ দিবেন।
⇒ আপিলকারী খরচ প্রদানে ব্যর্থ হলে- আপিল খারিজ হবে;
প্রতিবাদী খরচ প্রদানে ব্যর্থ হলে- একতরফা নিষ্পত্তি হবে।

⇒ একতরফাভাবে কোন আপিল খারিজ বা নিষ্পত্তি করা হলে তা শুনানির জন্য পুনরুজ্জীবিত করতে হলে ৩০ দিনের মধ্যে আবেদন করতে হবে এবং নূন্যতম ২০০ এবং অনধিক ১০০০ টাকা খরচ দিতে হবে। তবে খরচ সহ কয়টি মুলতুবি মঞ্জুর করা হবে তা উল্লেখ করা হয়নি।
⇒ কোন পক্ষ আপিল পুনরুজ্জীবিত করার সুযোগ একবারই পাবেন।

অর্থাৎ,
যে পক্ষের খরচ প্রদানের ব্যর্থতায় আপিল খারিজ হয়েছে বা একতরফা নিষ্পত্তি হয়েছে, সে পক্ষ উক্ত আপিল পুনরুজ্জীবিত করার আবেদন করতে পারে খারিজ আদেশের ৩০ দিনের মধ্যে। আদালত সর্বনিম্ন ২০০ এবং অনধিক ১০০০ টাকা খরচ প্রদানের শর্তে প্রত্যেক পক্ষে সর্বোচ্চ একবার এরকম আবেদন মঞ্জুর করে থাকেন।
৬৫.
মূল মামলার মূল্যমান কত হলে যুগ্ম জেলা জজের ডিক্রি বা আদেশের বিরুদ্ধে হাইকোর্ট বিভাগে আপিল করতে হবে?
  1. ৫ লক্ষ টাকার অধিক হলে
  2. ৫ কোটি টাকার কম হলে
  3. ৫০ লক্ষ টাকার অধিক হলে
  4. ৫ কোটি টাকার অধিক হলে
সঠিক উত্তর:
৫ কোটি টাকার অধিক হলে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫ কোটি টাকার অধিক হলে
ব্যাখ্যা
• The Civil Courts Act,1887 আইনের ২১(১) ধারা অনুযায়ী-
যুগ্ম জেলা জজের ডিক্রি বা আদেশের বিরুদ্ধে যেক্ষেত্রে মূল মামলার মূল্যমান ৫ কোটি টাকার অধিক না সেক্ষেত্রে জেলা জজের নিকট আপিল করতে হবে এবং মোকদ্দমার মূল্যমান ৫ কোটি টাকার বেশি হলে আপিল করতে হবে হাইকোর্ট বিভাগে।

২১ ধারার গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিম্নরূপ:
⇒ যুগ্ম জেলা বিচারকের রায় বা আদেশের বিরুদ্ধে যদি মূল মামলার মূল্য 5 কোটি টাকার কম হয়, তবে জেলা বিচারকের কাছে আপিল করতে হবে।
⇒ অন্য সব ক্ষেত্রে হাইকোর্ট বিভাগের কাছে আপিল করতে হবে।
⇒ কোন আপিল বা কার্যক্রম হাইকোর্ট বিভাগে থাকলে, জেলা বিচারকের আর্থিক আইন ক্ষমতা বৃদ্ধি পেলেও সেগুলো জেলা বিচারকের কাছে স্থানান্তরিত হবে না।
⇒ সিনিয়র সহকারী বা সহকারী বিচারকের রায় বা আদেশের বিরুদ্ধে জেলা বিচারকের কাছেই আপিল করতে হবে।
⇒ যদি (1) বা (2) উপ-ধারা অনুযায়ী জেলা বিচারকের কাছে আপিল করার কাজটি অতিরিক্ত জেলা বিচারককে দেওয়া হয়, তাহলে সেখানেই আপিল করতে হবে।
⇒ সরকারের পূর্বানুমতি সাপেক্ষে, হাইকোর্ট বিভাগ সরকারী গেজেটে বিজ্ঞপ্তি দিয়ে নির্দেশ দিতে পারবে যে, সিনিয়র সহকারী বা সহকারী বিচারকদের কোন রায় বা আদেশের বিরুদ্ধে আপিল যৌথ জেলা বিচারকের কাছেই করতে হবে। সেক্ষেত্রে সেভাবেই আপিল করতে হবে।
৬৬.
'অপর পক্ষের শুনানি ছাড়া অন্তবর্তী বা অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা দেয়া যাবে না।'- আদেশ ৩৯ এর কোন বিধিতে বলা হয়েছে?
  1. বিধি ৩ক
  2. বিধি ৪
  3. বিধি ৫ক
  4. বিধি ১০
সঠিক উত্তর:
বিধি ৫ক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিধি ৫ক
ব্যাখ্যা
দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ৩৯ বিধি-৫ক এর বিধান- অপর পক্ষের শুনানি ছাড়া অন্তবর্তী বা অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা দেয়া যাবে না (No order of ad interim oг temporary injunction without hearing the opposite party):

⇒ কোন আদালত সরকারি আইনজীবীর উপর বিজ্ঞপ্তি (নোটিশ) জারি না করে এবং তাকে শুনানির সুযোগ প্রদান না করে বেসরকারি পক্ষের অনুরোধে সরকার বা বিধিবদ্ধ সংস্থার বিরুদ্ধে কোন একতরফা অন্তর্বর্তী বা অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা প্রদান করবে না, যদি অনুরূপ নিষেধাজ্ঞা কোন উন্নয়ন কর্মসূচী বা কর্ম বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে অনিষ্ট বা হস্তক্ষেপ করার আশু সম্ভাবনা থাকে বা অন্যভাবে জনস্বার্থে অনিষ্টকর হয়।

⇒ কোন বেসরকারি পক্ষ অন্যকোন বেসরকারি পক্ষের বিপক্ষে অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞার দরখাস্ত করলে আদালত নোটিশ ছাড়া তা মঞ্জুর করবে না, তবে দেরীর কারণে নিষেধাজ্ঞা অনুমোদনের উদ্দেশ্যে ব্যাহত হলে সেক্ষেত্রে নোটিশ ছাড়া অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞার আদেশ দেয়া যাবে।

⇒ যদি বে-সরকারি পক্ষের অনুরোধ অপর বেসরকারি পক্ষের বিরুদ্ধে অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞার আদেশ প্রদত্ত হয়, তাহলে অপর পক্ষের হাজির হওয়ার তারিখ থেকে ৭ দিনের মধ্যে শুনানি ও নিষ্পত্তি করতে হবে।

⇒ যে পক্ষের অনুরোধে অস্থায়ী বা অন্তর্বর্তীকালীন নিষেধাজ্ঞার আদেশ দেয়া হয় সেই পক্ষের বিরুদ্ধে যদি সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয় এবং দেখা যায় যে এরূপ নিষেধাজ্ঞার জন্য অন্যপক্ষের ক্ষতিসাধন হয়েছে তাহলে আদালত, অন্যপক্ষ যে খরচ পাবে তার অতিরিক্ত অনধিক ১০,০০০ টাকা ক্ষতিপূরণমূলক খরচ অনুমোদন করবেন।
৬৭.
আদেশ ১৩ বিধি ৩ এর অধীন মোকদ্দমার যেকোনো পর্যায়ে আদালত যদি মনে করেন যে, একটি দলিল অপ্রাসঙ্গিক বা অগ্রহনযোগ্য তাহলে কারন লিপিবদ্ধ করে আদালত সেই দলিল ______ করতে পারবেন।
  1. গ্রহণ
  2. প্রত্যাখ্যান
  3. বাজেয়াপ্ত
  4. অবৈধ ঘোষণা
সঠিক উত্তর:
প্রত্যাখ্যান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রত্যাখ্যান
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ১৩ এ দলিল দাখিল, আটক ও ফেরত (Production, Impounding and Return of Documents) সম্পর্কিত বিধি-বিধান দেয়া আছে।

• বিধি ৩- দলিল প্রত্যাখ্যান:
মোকদ্দমার যেকোন পর্যায়ে আদালত যদি মনে করেন যে কোন একটি দলিল অপ্রাসঙ্গিক বা অন্যকোনভাবে অগ্রহনযোগ্য, তবে কারণ লিপিবদ্ধ করে আদালত সেই দলিল প্রত্যাখ্যান করতে পারবেন।

বিধি ৩ অনুসারে,
যদি মোকদ্দমার যেকোনো পর্যায়ে আদালত মনে করে যে কোনো একটি দলিল অপ্রাসঙ্গিক বা অন্য কোনোভাবে অগ্রহণযোগ্য, তাহলে আদালত নিম্নোক্ত পদ্ধতি অনুসরণ করে সেই দলিলটি প্রত্যাখ্যান করতে পারবে:
১. প্রথমেই আদালতকে কারণ লিপিবদ্ধ করতে হবে যে কেন তারা সংশ্লিষ্ট দলিলটি অপ্রাসঙ্গিক বা অগ্রহণযোগ্য মনে করছেন। কারণগুলি সুস্পষ্ট ও যুক্তিসঙ্গত হওয়া আবশ্যক।
২. কারণগুলি লিপিবদ্ধ করার পর, আদালতকে একটি আদেশ বা রায় দ্বারা সেই দলিলটি প্রত্যাখ্যান করতে হবে।
৩. এই আদেশ/রায়ে আদালতকে স্পষ্টভাবে উল্লেখ করতে হবে যে তারা বিধি ৩ অনুসরণ করে দলিলটি প্রত্যাখ্যান করছেন।
৪. সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোকে এই আদেশ/রায়ের কপি প্রদান করতে হবে যাতে তারা আদালতের সিদ্ধান্ত সম্পর্কে অবগত হতে পারে।
৬৮.
বাদী আদালত কর্তৃক নির্দেশিত মোকদ্দমার খরচের জন্য জামানত দিতে ব্যর্থ হলে, আদালত কী আদেশ দিতে পারে?
  1. এক-তরফা রায়
  2. মোকদ্দমা খারিজ
  3. মোকদ্দমা স্থগিত
  4. উল্লিখিত যেকোনো আদেশ
সঠিক উত্তর:
মোকদ্দমা খারিজ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মোকদ্দমা খারিজ
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানি কার্যবিধি, ১৯০৮ এর আদেশ ২৫ বিধি ১ এর বিষয়বস্তু হচ্ছে খরচের জন্য জামানত [Security for costs]।

⇒ বিধি ১- অনুসারে, বাদী দেশের বাহিরে অবস্থান করলে এবং বাদীর যদি মোকদ্দমার সম্পত্তি ছাড়া বাংলাদেশে আর কোন স্থাবর সম্পত্তি না থাকে সেই ক্ষেত্রে আদালত বিবাদীর আবেদনক্রমে নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে মোকদ্দমার দায়েরের বা ব্যয়ের যাবতীয় খরচ এবং বিবাদীর সম্ভাব্য খরচের জন্য জামানত প্রদানের আদেশ দিতে পারেন।

⇒ বিধি ২- জামানত প্রদানের ব্যর্থতার ফল (Effect of failure to furnish security):
নির্ধারিত সময়ের মধ্যে জামানত প্রদান করা না হলে মোকদ্দমা খারিজ করে আদালত একটি আদেশ দিবেন। মোকদ্দমা খারিজ হলে উক্ত খারিজের আদেশ রদের জন্য বাদী আবেদন করতে পারে এবং শর্তসাপেক্ষে আদালত খারিজের আদেশ রদ করবেন এবং মোকদ্দমা চালানোর জন্য অপর একটি দিন ধার্য করবেন। বিবাদীর উপর বিজ্ঞপ্তি জারি না করে খারিজের আদেশ রদ করা যাবে না।
৬৯.
ডিক্রির তারিখ থেকে কত বছর পর ডিক্রি জারির দরখাস্ত করা হলে দেনাদারকে নোটিশ দিতে হয়?
  1. ৬ বছর
  2. ৩ বছর
  3. ২ বছর
  4. ১ বছর
সঠিক উত্তর:
২ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২ বছর
ব্যাখ্যা
ডিক্রির তারিখ থেকে ২ বছর পর ডিক্রি জারির দরখাস্ত করা হলে দেনাদারকে (Judgement debtor) নোটিশ দিতে হয়।

• The Code of Civil Procedure,1908 এর আদেশ ২১ বিধি-২২ এর বিধান- কতিপয় ক্ষেত্রে ডিক্রি জারির বিরুদ্ধে কারণ দর্শানো (Notice to show cause against execution in certain cases):

নিম্নোক্ত ক্ষেত্রে ডিক্রি জারির আবেদন করা হলে যে ব্যক্তির বিরুদ্ধে ডিক্রি জারির আবেদন করা হয়েছে উক্ত ব্যক্তিকে অবশ্যই কারণ দর্শানোর নোটিশ দিবেন-
i) ডিক্রির তারিখ হতে ২ বছরের অধিক সময় পর ডিক্রি জারি করলে; বা
ii) পক্ষের বৈধ প্রতিনিধিগণের বিপক্ষে ডিক্রি জারি করলে।

তবে নোটিশ দিতে গিয়ে অযৌক্তিক বিলম্ব বা ন্যায় বিচার বিঘ্নিত হলে নোটিশ না দিলেও হবে।
৭০.
'ক' বার্ষিক ১২০০ টাকা ভাড়ায় 'খ'-কে একটি বাড়ী ভাড়া দেয়। ১৯০৫, ১৯০৬ এবং ১৯০৭ সালে সম্পূর্ণ ভাড়া বাকি পড়ে। ১৯০৮ সালে 'ক' শুধুমাত্র ১৯০৬ সালে ভাড়ার দাবীতে 'খ'-এর বিরুদ্ধে মোকদ্দমা দায়ের করে। ১৯০৫ ও ১৯০৭ সালে ভাড়ার জন্য 'ক'-
  1. 'খ'-এর বিরুদ্ধে মোকদ্দমা দাখিল করতে পারবে না
  2. ৬ মাসের মধ্যে 'খ'-এর বিরুদ্ধে মোকদ্দমা দাখিল করতে পারবে
  3. ক্ষতিপূরণ সহ 'খ'-এর বিরুদ্ধে মোকদ্দমা দাখিল করতে পারবে
  4. পরবর্তীতে যেকোনো সময়ে 'খ'-এর বিরুদ্ধে মোকদ্দমা দাখিল করতে পারবে
সঠিক উত্তর:
'খ'-এর বিরুদ্ধে মোকদ্দমা দাখিল করতে পারবে না
উত্তর
সঠিক উত্তর:
'খ'-এর বিরুদ্ধে মোকদ্দমা দাখিল করতে পারবে না
ব্যাখ্যা
'খ'-এর বিরুদ্ধে মোকদ্দমা দাখিল করতে পারবে না। কারণ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ২ এর বিধি ২ অনুসারে,
মোকদ্দমার বিষয়বস্তু সম্বন্ধে বাদী যে পরিমাণ দাবী করার অধিকার রাখে, তা সম্পূর্ণ দাবী করতে হবে। কোন ক্ষেত্রে বাদী মোকদ্দমার একই বিষয়বস্তু সম্পর্কে বহু সংখ্যক প্রতিকার দাবী করার অধিকারী হলে সে সমস্ত বা তন্মধ্যে যে কোন প্রতিকার দাবী করে মোকদ্দমা দাখিল করতে পারে। অবশ্য এক্ষেত্রে আদালতের অনুমতি ছাড়া উক্ত ধরণের প্রতিকারগুলোর মধ্যে কোন দাবী না করে থাকলে, পরে সেরূপ কোন প্রতিকার দাবী করা চলবে না।

আদেশ ২ বিধি ২- 
১) সমগ্র দাবী মোকদ্দমার অন্তর্ভুক্ত করতে হবেঃ
যেকোন মোকদ্দমার সারবস্তু সম্বন্ধে বাদি যে পরিমাণ দাবী করার অধিকার রাখে, তা সম্পূর্ণ দাবী করতে হবে। অবশ্য মোকদ্দমাটি কোন আদালতের এখতিয়ারভুক্ত রাখার উদ্দেশ্যে তার দাবী আংশিকভাবে বর্জন করার যদি দরকার হয় তাহলে তা করতে পারবে।

২) দাবীর অংশ পরিত্যাগঃ
বাদী যদি তার দাবীর কোন অংশ উল্লেখ না করে মোকদ্দমা করে অথবা ইচ্ছাকৃতভাবে দাবী আংশিক বর্জন করে, তবে পরে ঐ দাবী বা দাবীর সে অংশের জন্য মোকদ্দমা করা চলবে না।

৩) একাধিক প্রতিকারের মধ্যে কোন একটির জন্য মোকদ্দমা করতে বর্জনঃ
কোন ক্ষেত্রে বাদী মোকদ্দমার একই বিষয়বস্তু সম্পর্কে বহু সংখ্যক প্রতিকার দাবী করার অধিকারী হলে সে সমস্ত বা তন্মধ্যে যে কোন প্রতিকার দাবী করে মোকদ্দমা দাখিল করতে পারে। অবশ্য এক্ষেত্রে আদালতের অনুমতি ছাড়া উক্ত ধরণের প্রতিকারগুলোর মধ্যে কোন দাবী না করে থাকলে পরে সেরূপ কোন প্রতিকার দাবী করা চলবে না।

ব্যাখা- উক্ত বিধির উদ্দেশ্যে কোন বাধ্যবাধকতা এবং তা সম্পাদন করার নিমিত্তে প্রদত্ত আনুষঙ্গিক জামানত এবং উক্ত বাধ্যবাধকতা হতে উদ্ভূত আনুক্রমিক দাবীসমূহ ক্রমান্বয়ে একটি মোকদ্দমার কারণই সৃষ্টি করবে।

উদাহরণ-
'ক' বার্ষিক ১২০০ টাকা ভাড়ায় 'খ'-কে একটি বাড়ী ভাড়া দেয়। ১৯০৫, ১৯০৬ এবং ১৯০৭ সালে সম্পূর্ণ ভাড়া বাকি পড়ে। ১৯০৮ সালে 'ক' শুধুমাত্র ১৯০৬ সালে ভাড়ার দাবীতে 'খ'-এর বিরুদ্ধে মোকদ্দমা দায়ের করে। ১৯০৫ ও ১৯০৭ সালে ভাড়ার জন্য 'ক' পরে 'খ'-এর বিরুদ্ধে মোকদ্দমা দাখিল করতে পারবে না।
৭১.
দেওয়ানি কার্যবিধির ২৪ ধারায় মোকদ্দমা, আপিল বা অন্যান্য কার্যক্রম স্থানান্তরের আদেশ দিতে পারে-
  1. জেলা জজ আদালত
  2. সহকারি জজ আদালত
  3. সিনিয়র সহকারি জজ আদালত
  4. উল্লিখিত সব
সঠিক উত্তর:
জেলা জজ আদালত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জেলা জজ আদালত
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানি কার্যবিধির ২৪ ধারায় মোকদ্দমা, আপিল বা অন্যান্য কার্যক্রম স্থানান্তরের [transfer] এবং প্রত্যাহারের [Withdrawal] সাধারণ ক্ষমতা নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে।

• যে আদালত স্থানান্তর বা প্রত্যাহারের আদেশ দিতে পারে-
⇒ হাইকোর্ট বিভাগ; এবং
জেলা জজ আদালত

• আদালত যে আদেশ দিতে পারে-
হাইকোর্ট বিভাগ বা জেলা জজ কোন পক্ষের (বাদী বা বিবাদীর) আবেদনক্রমে বা স্বপ্রণোদিত হয়ে মোকদ্দমার যে কোন পর্যায়ে [at any stage of the suit]-
⇒ কোন মোকদ্দমা, আপিল বা অন্য কার্যক্রম স্থানান্তরের [transfer] আদেশ দিতে পারে, বা
⇒ কোন মোকদ্দমা, আপিল বা অন্য কার্যক্রম প্রত্যাহারের [withdrawal] আদেশ দিতে পারে।

• যে কারণে স্থানান্তরের বা প্রত্যাহারের আদেশ দিতে পারে-
⇒ যদি মামলাকারীর মনে যুক্তিযুক্ত আশঙ্কা থাকে যে, যে আদালতে মোকদ্দমাটি বিচারাধীন আছে সেই আদালতে সে ন্যায় বিচার নাও পেতে পারে;
⇒ যে ক্ষেত্রে বিচারক কোন একপক্ষের প্রতি বেশি আগ্রহী হয়;
⇒ মামলার বহুত্ব কমানোর জন্য;
⇒ আদালতের কার্যক্রমের অপব্যবহার রোধ করতে;
⇒ পক্ষদ্বয়ের সুবিধার জন্য ইত্যাদি।
৭২.
দেওয়ানি কার্যবিধির ১৪৪ ধারার বিধান কী?
  1. প্রত্যর্পণের দরখাস্ত
  2. নিলাম বিক্রির দরখাস্ত
  3. কমিশন নিয়োগের দরখাস্ত
  4. রায় সংশোধনের দরখাস্ত
সঠিক উত্তর:
প্রত্যর্পণের দরখাস্ত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রত্যর্পণের দরখাস্ত
ব্যাখ্যা
দেওয়ানি কার্যবিধির ১৪৪ ধারা: প্রত্যর্পণের দরখাস্ত:
(১) যে ক্ষেত্রে কোন - ডিক্রির পরিবর্তন বা রদ করা হয়, সে ক্ষেত্রে সুবিধা পাওয়ার অধিকারী কোন পক্ষের আবেদনক্রমে, প্রাথমিক আদালত -(ডিক্রি প্রদানকারী আদালত) এরূপ প্রত্যর্পণের ব্যবস্থা করবেন, যাতে উক্ত ডিক্রি আদৌ প্রদত্ত না হলে পক্ষগণ যে অবস্থায় থাকতেন তাদেরকে সেই অবস্থায় স্থাপন করবেন এবং এই উদ্দেশ্যে আদালত ডিক্রি রদবদলের দরুন উদ্ভূত পরিস্থিতিতে প্রার্থীকে তার প্রাপ্য মোকদ্দমার খরচ, সুদ, ক্ষতিপূরণ ও অন্তর্বর্তীকালীন মুনাফা পরিশোধসহ আদালত যথোপযুক্ত আদেশ দান করতে পারেন।

(২) উপধারা (১) অনুসারে আবেদন করে প্রত্যর্পণ বা অন্য কোন প্রতিকার পাওয়া গেলে, এই উদ্দেশ্যে কোন মোকদ্দমা দায়ের করা চলবে না।

Section: 144. Application for restitution-
(1) Where and in so far as a decree is varied or reversed, the Court of first instance shall, on the application of any party entitled to any benefit by way of restitution or otherwise, cause such restitution to be made as will, so far as may be, place the parties in the position which they would have occupied but for such decree or such part thereof as has been varied or reversed; and, for this purpose, the Court may make any orders, including orders for the refund of costs and for the payment of interest, damages, compensation and mesne profits, which are properly consequential on such variation or reversal.

(2) No suit shall be instituted for the purpose of obtaining any restitution or other relief which could be obtained by application under sub-section (1).
৭৩.
দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ২১ বিধি ৯০ এর অধীন কে নিলাম বিক্রয় রদের আবেদন করতে পারে?
  1. ডিক্রিদার
  2. সম্পত্তির বণ্টনে আনুপাতিক অংশের অধিকারী
  3. নিলাম বিক্রয়ের ফলে যে ব্যক্তির স্বার্থ ক্ষুণ্ণ হয়
  4. ক বা খ বা গ
সঠিক উত্তর:
ক বা খ বা গ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক বা খ বা গ
ব্যাখ্যা
দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ২১ বিধি ৯০- অনিয়মতা কিংবা প্রতারণার কারণে নিলাম বিক্রয় রদের আবেদন:

যেক্ষেত্রে কোন স্থাবর সম্পত্তি ডিক্রি জারিতে নিলাম বিক্রয় হয়েছে, সেক্ষেত্রে ডিক্রিদার কিংবা সম্পত্তির বণ্টনে আনুপাতিক অংশের অধিকারী কোন ব্যক্তি অথবা উক্ত নিলাম বিক্রয়ের ফলে যার স্বার্থ ক্ষুণ্ণ হয় ঐ ব্যক্তি নিলাম বিক্রয় রদের জন্য সেটা প্রচার বা পরিচালনার ব্যাপারে গুরুত্বপূর্ণ অনিয়ম বা প্রতারণার অজুহাতে আদালতে আবেদন করতে পারে-
তবে শর্ত থাকে যে, অনুরূপ অনিয়ম বা তঞ্চকতার কারণে কোন নিলাম বিক্রয় রদ হবে না, যদি না প্রমাণিত তথ্যসমূহের উপর আদালত এ মর্মে পরিতুষ্ট হয় যে, আবেদনকারী উক্ত অনিয়মতা বা তঞ্চকতার অজুহাতে যথেষ্ট ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

⇒ আইনগত দৃষ্টিভঙ্গি থেকে দেখলে, নিলাম বিক্রয়ের ক্ষেত্রে নানা রকম অনিয়ম বা প্রতারণা হতে পারে। এসব অনিয়ম বা প্রতারণার ফলে যাদের স্বার্থ ক্ষুণ্ণ হয়েছে, তারা নিলাম বিক্রয় রদের জন্য আদালতে আবেদন করতে পারে। তবে এক্ষেত্রে মূল শর্ত হল - আবেদনকারীর স্বার্থ প্রকৃতপক্ষে যথেষ্ট ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে এবং তা পরিষ্কার প্রমাণ দিয়ে আদালতকে সন্তুষ্ট করতে হবে।

অর্থাৎ, আদালত শুধু দাবি শোনা নিয়ে নিলাম বিক্রয় রদ করবে না। নিলাম বিক্রয়ে প্রকৃত অনিয়ম বা প্রতারণার কারণে যে আবেদনকারীর যথেষ্ট ক্ষতি হয়েছে, সেটা প্রমাণ করতে হবে। এজন্য প্রয়োজন পড়বে নথিপত্র, প্রমাণাদি ইত্যাদি। শুধু দাবি করলেই চলবে না। আদালতকে প্রমাণে সন্তুষ্ট করাটাই প্রাথমিক শর্ত হবে।
৭৪.
যেক্ষেত্রে মোকদ্দমার প্রথম শুনানির দিন প্রতীয়মান হয় যে পক্ষগণের মধ্যে আইন সংক্রান্ত কিংবা ঘটনা সংক্রান্ত কোন বিচার্য বিষয় নেই, সেক্ষেত্রে আদালত-
  1. এক-তরফা ডিক্রি দিবে
  2. রায় ঘোষণা করতে পারে
  3. মোকদ্দমা অবৈধ ঘোষণা করবে
  4. মোকদ্দমা স্থগিত করবে
সঠিক উত্তর:
রায় ঘোষণা করতে পারে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রায় ঘোষণা করতে পারে
ব্যাখ্যা
• সাধারণত মোকদ্দমার শুনানী শেষ হওয়ার পর তৎক্ষনাৎ বা ৭ দিন পর আদালত রায় প্রদান করে, তবে কিছু ক্ষেত্রে আদালত মোকদ্দমার প্রথম শুনানীর দিনে রায় ঘোষনা করতে পারে। দেওয়ানী কার্যবিধির ১৫ নং আদেশ অনুযায়ী আদালত মোকদ্দমার প্রথম শুনানীর দিনে রায় ঘোষনা করতে পারে (DISPOSAL OF THE SUIT AT THE FIRST HEARING)।

• দেওয়ানি কার্যবিধির ১৫ নং আদেশের ১নং বিধিমতে-
যেক্ষেত্রে মোকদ্দমার প্রথম শুনানির দিন প্রতীয়মান হয় যে, পক্ষগণের মধ্যে আইন সংক্রান্ত কিংবা ঘটনা সংক্রান্ত কোন বিচার্য বিষয় নেই আদালত তখনই রায় ঘোষণা করতে পারে।
[Where at the first hearing of a suit it appears that the parties are not at issue on any question of law or of fact, the Court may at once pronounce judgment.]

⇒ যদি মোকদ্দমার প্রথম শুনানির দিনই আদালতের নিকট এটা প্রতীয়মান হয় যে পক্ষগণের মধ্যে আইনগত বা ঘটনাগত কোনো বিচার্য বিষয় নেই, তাহলে আদালত সেই দিনই রায় ঘোষণা করতে পারে। এটি সম্ভব নিম্নোক্ত কারণসমূহের কোনো একটি বা একাধিক থাকলে:

(১) বিবাদীর কোনো দাবি/প্রতিবাদ নেই: মোকদ্দমার প্রাথমিক পর্যায়েই যদি বিবাদী পক্ষ তাদের কোনো দাবি বা প্রতিবাদ উপস্থাপন না করে, তাহলে আদালতের নিকট বিচার্য বিষয় থাকবে না।
(২) দাবি স্বীকার করা: বিবাদী পক্ষ যদি বাদী পক্ষের দাবি স্বীকার করে নেয়, সেক্ষেত্রে আইনগত বা ঘটনাগত কোনো বিচার্য বিষয় থাকবে না।
(৩) অপ্রয়োজনীয় মামলা: প্রাথমিক পর্যালোচনায় যদি দেখা যায় মোকদ্দমাটি অপ্রয়োজনীয়/অগ্রহণযোগ্য, তাহলে আদালত রায় দিয়ে মোকদ্দমাটি খারিজ করতে পারে।
(৪) বিগত বিষয়: মোকদ্দমা দায়েরের সময় যদি দেখা যায় বিষয়টি ইতোমধ্যেই নিষ্পত্তি হয়ে গিয়েছে, তাহলে আদালত মোকদ্দমাটি নাকচ করে দিয়ে রায় দিতে পারে।

সুতরাং প্রথম শুনানিতেই যদি উপরোক্ত অবস্থাগুলির কোনো একটি দেখা যায়, আদালত পরবর্তী সময় অপচয় না করে সরাসরি রায় ঘোষণা করতে পারে। এতে মামলা দ্রুত নিষ্পত্তি হয়ে যায়।
৭৫.
‘চ’, ‘ম’ এর বিরুদ্ধে তাদের পিতার সম্পত্তি বাটোয়ারার মোকদ্দমা দায়ের করতে চায়। বিরোধীয় সম্পত্তির মূল্য ২৩,০০,০০০/- টাকা, তাহলে ‘চ’ কে ‘ম’ এর বিরুদ্ধে কোন আদালতে মামলা দায়ের করতে হবে?
  1. সহকারী জজ আদালতে
  2. যুগ্ন জেলা জজ আদালতে
  3. অতিরিক্ত জেলা জজ আদালতে
  4. সিনিয়র সহকারী জজ আদালতে
সঠিক উত্তর:
সিনিয়র সহকারী জজ আদালতে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সিনিয়র সহকারী জজ আদালতে
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানী কার্যবিধির ১৫ ধারায় বলা হয়েছে যে, আর্থিক ও আঞ্চলিক এখতিয়ার সম্পন্ন সর্বনিম্ন আদালতে মোকদ্দমা দায়ের করতে হবে।

• The Civil Court Act,1887 এর ২০২১ সালের সংশোধনী অনুসারে, দেওয়ানি আদালতে আর্থিক এখতিয়ার-
⇒ সহকারী জজের আদালতে (The Court of Assistant Judge ) = ১৫ লক্ষ পর্যন্ত;
⇒ সিনিয়র সহকারী জজের আদালতে (The Court of Senior Assistant Judge) = ২৫ লক্ষ পর্যন্ত;
⇒ যুগ্ম জেলা জজের আদালতে (The Court of Joint District Judge) = ২৫ লক্ষ এর উপরে।

অর্থাৎ, মোকদম্মার মূল্যমান ২৩,০০,০০০/- টাকা হওয়ায়, অত্র মোকদম্মাটি সিনিয়র সহকারী জজের আদালতে দায়ের করতে হবে।
৭৬.
স্থাবর সম্পত্তি দখলের ডিক্রি জারিতে বিক্রিত সম্পত্তির ক্রয়কারী বাধাপ্রাপ্ত হলে, আদালত দায়ী ব্যক্তিকে সর্বোচ্চ কত দিন দেওয়ানি জেলে আটক রাখার আদেশ দিতে পারে?
  1. ৩০ দিন
  2. ৬০ দিন
  3. ৩ মাস
  4. ৬ মাস
সঠিক উত্তর:
৩০ দিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩০ দিন
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানি কার্যবিধির ৭৪ ধারা- ডিক্রি জারি কার্যে বাধা প্রদান:
যখন স্থাবর সম্পত্তি দখলের জন্য ডিক্রিদার বা ডিক্রি জারিতে বিক্রিত স্থাবর সম্পত্তির ক্রয়কারী, দেনাদার বা তার পক্ষে কোন ব্যক্তির মাধ্যমে সম্পত্তির দখল লাভ করতে বাধ্য বা প্রতিবন্ধকতা প্রাপ্ত হয়েছে বলে এবং অনুরূপ বাধা বা প্রতিবন্ধকতা ন্যায়সঙ্গত কারণ ব্যতীত সৃষ্টি হয়েছিল বলে আদালত সন্তুষ্ট হয় তখন ডিক্রিদার বা ক্রেতার আবেদনক্রমে আদালত দেনাদার বা অন্য ব্যক্তিকে ৩০ দিন অবধি দেওয়ানি জেলে আটক রাখার আদেশ দিতে পারে এবং আরো নির্দেশ দান করতে পারে যে, ডিক্রিদার বা ক্রয়কারীকে সম্পত্তির দখল প্রদান করা হয়।
৭৭.
আপিল বিভাগে একটি দেওয়ানি আপিল করার জন্য মোকদ্দমাটির মূল্যমান কমপক্ষে কত টাকা হতে হবে?
  1. ৫০ হাজার
  2. ১০ হাজার
  3. ৩০ হাজার
  4. ২০ হাজার
সঠিক উত্তর:
২০ হাজার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০ হাজার
ব্যাখ্যা
দেওয়ানি কার্যবিধির ১১০ ধারার বিধান: বিষয়বস্তুর মূল্য:
১০৯ ধারার (ক) এবং (খ) দফায় উল্লেখিত প্রত্যেক ক্ষেত্রে মোকদ্দমার বিষয়বস্তুর মূল্য প্রথম বিচারিক আদালতে বিশ হাজার টাকা বা তদূর্ধ্ব হতে হবে এবং সুপ্রিম কোর্টের নিকট আপিলেও বিরোধীয় বিষয়বস্তুর মূল্য অবশ্যই তার সমপরিমাণ বা তদূর্ধ্বে হতে হবে;

অথবা রায়, ডিক্রি বা চূড়ান্ত আদেশের সঙ্গে প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে অবশ্যই অনুরূপ পরিমাণ অর্থের দাবি কিংবা অনুরূপ মূল্যের সম্পত্তি জড়িত থাকতে হবে;
এবং যে রায়, ডিক্রি বা চূড়ান্ত আদেশের বিরুদ্ধে আপিল করা হবে, তা দ্বারা যদি অব্যবহিত অধঃস্তন আদালতের সিদ্ধান্ত অনুমোদন করা হয়ে থাকে, তবে আপিলে অবশ্যই আইনগত একটি বড় প্রশ্ন নিহিত থাকতে হবে।

উল্লেখ্য,
দেওয়ানি কার্যবিধির ১০৯ ধারা অনুযায়ী,
দেশের আদালতসমূহের রায়ের বিরুদ্ধে আপিল সম্পর্কে সুপ্রিম কোর্ট সময়ে সময়ে যে সমস্ত বিধি প্রণয়ন করবেন, তৎসাপেক্ষে এবং এই আইনের বিধানসাপেক্ষে আপিল বিভাগের নিকট নিম্নবর্ণিত ক্ষেত্রে আপিল করা চলবে-
ক) হাইকোর্ট বিভাগ বা চূড়ান্ত আপিল এখতিয়ারসম্পন্ন অন্য কোন আদালত কর্তৃক আপিলে প্রদত্ত কোন রায়, ডিক্রি অথবা চূড়ান্ত আদেশের বিরুদ্ধে;
খ) হাইকোর্ট বিভাগ কর্তৃক এর মূল দেওয়ানি এখতিয়ার প্রয়োগকালে প্রদত্ত কোন রায়, ডিক্রি বা চূড়ান্ত আদেশের বিরুদ্ধে; এবং
গ) অতঃপর বর্ণিত বিধানানুসারে কোন মোকদ্দমা আপিল বিভাগের নিকট আপিলের যোগ্য বলে সুপারিশ করা হলে তদ্রূপ মোকদ্দমায় প্রদত্ত কোন রায়, ডিক্রি বা চূড়ান্ত আদেশের বিরুদ্ধে।

Section 110- Value of subject-matter:
In each of the cases mentioned in clauses (a) and (b) of section 109, the amount or value of the subject-matter of the suit in the Court of first instance must be twenty thousand Taka or upwards, and the amount or value of the subject-matter of the suit in the Court of first instance must be twenty thousand Taka or upwards, and the amount or value of the subject-matter in dispute on appeal to the Appellate Division must be the same sum or upwards,
or the Judgment, decree or final order must involve, directly or indirectly, some claim or question to or respecting property of like amount or value,
and where the Judgment, decree or final order appealed from affirms the decision of the Court immediately below the Court passing such Judgment, decree or final order, the appeal must involve some substantial question of law.
৭৮.
Order 8 Rule 9 এর অধীন মোকদ্দমার যেকোনো পর্যায়ে আদালত কোন পক্ষকে অতিরিক্ত লিখিত বিবৃতি পেশ করার আদেশ দিতে পারে?
  1. সাক্ষীকে
  2. বাদী পক্ষকে
  3. বিবাদী পক্ষকে
  4. বাদী বা বিবাদী পক্ষকে
সঠিক উত্তর:
বাদী বা বিবাদী পক্ষকে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাদী বা বিবাদী পক্ষকে
ব্যাখ্যা
দেওয়ানি কার্যবিধির ৮ আদেশের ৯ বিধি অনুযায়ী আদালত প্রয়োজন মনে করলে, যেকোনো সময় যেকোনো পক্ষকে লিখিত বিবৃতি বা অতিরিক্ত লিখিত বিবৃতি পেশের আদেশ দিতে পারে এবং তা পেশ করার জন্য সময় নির্ধারণ করে দিবে। আদালত কর্তৃক নির্ধারিত সময়ের মধ্যে উক্ত পক্ষ লিখিত বিবৃতি পেশ করতে ব্যর্থ হলে, ১০ বিধি অনুযায়ী আদালত উক্ত পক্ষের বিরুদ্ধে রায় ঘোষণা [pronounce judgment] করতে পারে বা মোকদ্দমার সাথে সম্পর্কিত যেকোনো আদেশ দিতে পারে।
৭৯.
ঘটনা কিংবা আইনের গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে এক পক্ষ দৃঢ়ভাবে ঘোষণা করে এবং অপরপক্ষ ________ করে, তখনই বিচার্য বিষয়ের উদ্ভব হয়।
  1. গ্রাহ্য
  2. অস্বীকার
  3. স্বীকার
  4. সম্মতিদান
সঠিক উত্তর:
অস্বীকার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অস্বীকার
ব্যাখ্যা
আদেশ ১৪ বিধি-১ (বিচার্য বিষয় প্রণয়ন)-

১) ঘটনা কিংবা আইনের গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে এক পক্ষ দৃঢ়ভাবে ঘোষণা করে এবং অপরপক্ষ অস্বীকার করে, তখনই বিচার্য বিষয়ের উদ্ভব হয়।

২) গুরুত্বপূর্ণ বিষয়াবলী আইন কিংবা ঘটনার সে সমস্ত বিষয়াবলী যা বাদিকে তার মোকদ্দমা করার অধিকার প্রতিষ্ঠা করতে অবশ্যই নালিশ করতে হয় কিংবা বিবাদিতে তার আত্মপক্ষ সমর্থন করতে অবশ্যই প্রতিবাদ করতে হয়।

৩) একপক্ষ কর্তৃক দৃঢ়ভাবে ঘোষিত এবং অপর পক্ষ কর্তৃক অস্বীকৃত প্রত্যেক গুরুত্বপূর্ণ বিষয় একটি আলাদা বিচার্য বিষয়ের সৃষ্টি করবে।

৪) বিচার্য বিষয় দুই প্রকারেরঃ ক) ঘটনা সংক্রান্ত বিচার্য বিষয়, খ) আইন সংক্রান্ত বিচার্য বিষয়।

৫) মোকদ্দমার প্রথম শুনানির দিন আদালত বাদির আরজি এবং লিখিত বর্ণনা, (যদি কোন), পাঠ করার পর এবং প্রয়োজনমত পক্ষগণের এরূপ পরীক্ষা করার পর ঘটনা কিংবা আইনের কোন গুরুত্বপূর্ণ বিবৃতির উপর পক্ষগণ এর বিরোধ তা নির্ধারণ করবে এবং ইহার পর যে সকল বিচার্য বিষয়ের উপর মোকদ্দমার সঠিক সিদ্ধান্ত নির্ভর করে বলে প্রতীয়মান হয়, সে সমস্ত বিচার্য বিষয় প্রণয়নে অগ্রসরমান হবে এবং তা লিপিবদ্ধ করবেঃ

তবে শর্ত থাকে যে, ৪ এবং ৫ বিধির বিধানাবলী সাপেক্ষে যে কোন ক্ষেত্রে মোকদ্দমার প্রথম শুনানির কিংবা লিখিত বর্ণনা দাখিলের পনের দিনের মধ্যে যেটাই পরে ঘটে তখন বিচার্য বিষয় প্রণয়ন এবং লিপিবদ্ধ করতে হবে।

৬) মোকদ্দমার প্রথম শুনানির সময় বিবাদি আত্মপক্ষ সমর্থন না করলে এই বিধির কোন বিধানেই আদালত বিচার্য বিষয় প্রণয়ন এবং লিপিবদ্ধ করবে না।
৮০.
দেওয়ানি আদালত কত ধারায় কোন মোকদ্দমার কার্যক্রম সংক্রান্ত যে কোন ভুলত্রুটি সংশোধন করার সাধারন ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারে?
  1. ১৫৪ ধারায়
  2. ১৫২ ধারায়
  3. ১৫৩ ধারায়
  4. ১৫৫ ধারায়
সঠিক উত্তর:
১৫৩ ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৫৩ ধারায়
ব্যাখ্যা
দেওয়ানি কার্যবিধির ১৫৩ ধারা- সংশোধন করার সাধারণ ক্ষমতা:
আদালত যেকোনো সময় এবং খরচ সম্পর্কে উপযুক্ত যেকোন শর্ত দিয়ে সংশোধন করতে পারেন, এবং প্রয়োজনীয় যাবতীয় কোন মোকদ্দমার কার্যক্রম সংক্রান্ত যেকোন ভুল ত্রুটি সংশোধন মোকদ্দমার সংশ্লিষ্ট প্রকৃত প্রশ্ন বা বিচার্য বিষয় নির্ধারনের উদ্দেশ্যে করা হবে।

অর্থাৎ, এই ধারার অধীন আদালত যেকোনো সময় (At any stage), যেকোনো শর্তে, প্রকৃত প্রশ্ন বা বিচার্য বিষয় নির্ধারণের উদ্দেশ্যে, কোন মোকদ্দমার কার্যক্রম সংক্রান্ত যে কোন ভুলত্রুটি সংশোধন করতে পারেন।

Section 153- General power to amend:
The Court may at any time, and on such terms as to costs or otherwise as it thinks fit, amend any defect or error in any proceeding in a suit; and all necessary amendments shall be made for the purpose of determining the real question or issue raised by or depending on such proceeding.
৮১.
হাইকোর্ট বিভাগের অধস্তন কোনো আদালতের ভাষা কে নির্ধারণ করে?
  1. হাইকোর্ট
  2. সরকার
  3. সংসদ আইন দ্বারা
  4. উক্ত আদালতের বিচারক
সঠিক উত্তর:
সরকার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সরকার
ব্যাখ্যা
• The Code of Civil Procedure, 1908 এর ১৩৭ ধারায় বলা আছে- সরকার অধস্তন আদালতের ভাষা নির্ধারণ করবে।

দেওয়ানি কার্যবিধির ১৩৭ ধারা: অধস্তন আদালতে ভাষা:
১) এই আইন কার্যকর হওয়ার সময় কোন হাইকোর্ট বিভাগের অধস্তন কোন আদালতে ভাষা যা ছিল, সরকার অন্যভাবে নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত সেটাই উক্ত অধস্তন আদালতে ভাষা হিসাবে চলতে থাকবে।

২) অনুরূপ আদালতের ভাষা কি হবে এবং কোন রীতিতে অনুরূপ আদালত সমীপে দরখাস্ত এবং আদালতে কার্যধারা লিখিত হবে তা সরকার ঘোষণা করতে পারবে।

৩) যখন অনুরূপ কোন আদালতে সাক্ষীর জবানবন্দি লিপিবদ্ধ করা ব্যতীত অন্য কিছু লিখিতরূপে নিরূপণ করার জন্য এই আইন আদেশ প্রদান করে বা অনুমতি প্রদান করে, তখন অনুরূপ লিখন ইংরেজীতে হতে পারে; কিন্তু কোন পক্ষ বা তার আইনজীবী যদি ইংরেজীর সঙ্গে অপরিচিত হন, তবে তার অনুরোধে আদালতের ভাষায় উক্ত ইংরেজীর অনুবাদ তাকে সরবরাহ করা হবে, এবং এরূপ ক্ষেত্রে আদালত যেরূপ উপযুক্ত মনে করেন, অনুবাদের খরচ প্রদানের ব্যাপারে সেরূপ আদেশনামা প্রদান করবে।

Section: 137- Language of subordinate Courts:
(1) The language which, on the commencement of this Code, is the language of any Court subordinate to the High Court Division shall continue to be the language of such subordinate Court until the Government otherwise directs.

(2) The Government may declare what shall be the language of any such Court and in what character applications to and proceedings in such Courts shall be written.

(3) Where this Code requires or allows anything other than the recording of evidence to be done in writing in any such Court, such writing may be in English; but if any party or his pleader is unacquainted with English a translation into the language of the Court shall, at his request, be supplied to him; and the Court shall make such order as it thinks fit in respect of the payment of the costs of such translation.
৮২.
The Code of Civil Procedure, 1908 এর আদেশ ৩৮ বিধি ৪ অনুযায়ী জামানতের পরিমাণ ৫০ টাকার বেশি হলে এবং আদালত কর্তৃক নির্ধারিত সময়ের মধ্যে জামানত প্রদান করতে ব্যর্থ হলে, আদালত সর্বোচ্চ কত দিনের কারাদণ্ডাদেশ দিতে পারে?
  1. ৬ মাস
  2. ৬ সপ্তাহ
  3. ৩ মাস
  4. ১ মাস
সঠিক উত্তর:
৬ মাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬ মাস
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ৩৮, বিধি ৪ অনুযায়ী:
যদি বিবাদীকে আদালত কর্তৃক নির্ধারিত সময়ের মধ্যে জামানত প্রদান করতে ব্যর্থ হন, তাহলে আদালত নিম্নোক্ত শাস্তি প্রদান করতে পারবেন:
১. যদি জামানতের পরিমাণ ৫০ টাকার বেশি হয়, তাহলে বিবাদীকে সর্বোচ্চ ৬ মাসের জন্য দেওয়ানি কারাগারে আটক রাখা হবে।
২. আর যদি জামানতের পরিমাণ ৫০ টাকা বা তার কম হয়, তাহলে বিবাদীকে সর্বোচ্চ ৬ সপ্তাহের জন্য দেওয়ানি কারাগারে আটক রাখা হবে।

এই বিধানের মূল উদ্দেশ্য হলো বিবাদীকে জামানত প্রদানে বাধ্য করা, যাতে তিনি মামলা থেকে পালিয়ে না যেতে পারেন। দেওয়ানি কারাগারে আটক থাকার মাধ্যমে জামানত প্রদানে ব্যর্থ হওয়ার জন্য তাকে শাস্তি দেওয়া হয়।
৮৩.
দেওয়ানি কার্যবিধির ১৮নং আদেশের বিধি ১২ তে জবানবন্দিগ্রহণ কালে আদালতকে কার আচরণ সম্পর্কে মন্তব্য লিপিবদ্ধ করার এখতিয়ার দেয়া হয়েছে?
  1. বাদীর
  2. বিবাদীর
  3. সাক্ষীর
  4. ক এবং খ
সঠিক উত্তর:
সাক্ষীর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সাক্ষীর
ব্যাখ্যা
দেওয়ানি কার্যবিধির ১৮নং আদেশের ১২নং বিধিতে সাক্ষীর হাব-ভাব বা আচরণ (demeanour of witness) সম্পর্কে মন্তব্য লিপিবদ্ধ সম্পর্কে বলা হয়েছে।

বলা হয়েছে যে,
জবানবন্দী প্রদান কালে সাক্ষীর আচরণ সম্পর্কে আদালত গুরুত্বপূর্ণ মনে করলে কোন মন্তব্য লিপিবদ্ধ করতে পারবেন। অর্থাৎ যদি কোনো সাক্ষীর আচরণ মামলার সিদ্ধান্ত গ্রহণের জন্য প্রয়োজনীয় হয়, তখন বিচারক ন্যায় বিচারার্থে উক্ত সাক্ষীর ব্যবহার সম্পর্কে মন্তব্য লিপিবদ্ধ করতে পারবেন।

• আদেশ ১৮ বিধি ১২-
আদালতে কোন সাক্ষী জবানবন্দি দানকালে তার আচরণ সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ মনে হয়,এরূপ কোন মন্তব্য লিপিবদ্ধ করতে পারে।
[The Court may record such remarks as it thinks material respecting the demeanour of any witness while under examination.]
৮৪.
কোনো বিচারক কখন কোনো মোকদ্দমা বা আপিলের শুনানি করতে পারবে না?
  1. মোকদ্দমার পক্ষ হলে
  2. ব্যক্তিগতভাবে স্বার্থ সংশ্লিষ্টতা থাকলে
  3. নিজের ঘোষিত ডিক্রি হলে
  4. উল্লিখিত সকল ক্ষেত্রে
সঠিক উত্তর:
উল্লিখিত সকল ক্ষেত্রে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উল্লিখিত সকল ক্ষেত্রে
ব্যাখ্যা
• Civil Courts Act,1887 এর ৩৮ ধারা অনুযায়ী-
কোন বিচারক যদি মোকদ্দমার কোন পক্ষ হন বা ব্যক্তিগতভাবে তাঁর কোন স্বার্থ সংশ্লিষ্টতা থাকে, অথবা কোন আপিল এমন ডিক্রি থেকে হয় যা ঐ বিচারক ঘোষণা করেছিলেন; তাহলে উক্ত বিচারকের শুনানী করে এখতিয়ার থাকা সত্ত্বেও তিনি ঐ মামলা বা আপীলের শুনানী করতে পারবেন না। এক্ষেত্রে জেলা জজ তাঁর স্থানীয় সীমার মধ্যে মামলা বা আপিল এক আদালত থেকে অন্য আদালতে স্থানান্তর করতে পারবেন।

• Section 38: Judges not to try suits in which they are interested-

(1) The presiding officer of a Civil Court shall not try Judges not to any suit or other proceeding to which he is a party or in which which they are he is personally interested.
(2) The presiding officer of an appellate Civil Court under this Act shall not try an appeal against a decree or order passed by himself in another capacity.
(3) When any such suit, proceeding or appeal as is referred to in sub-section (1) or sub-section (2) comes before any such officer, the officer shall forthwith transmit the record of the case to the Court to which he is immediately subordinate, with a report of the circumstances attending the reference.
(4) The superior Court shall thereupon dispose of the case under [section 24 of the Code of Civil Procedure. 1908].
(5) Nothing in this section shall be deemed to affect the extraordinary original civil jurisdiction of the High Court Division.
৮৫.
যুগ্ম জেলা জজের রায়ের বিরুদ্ধে কোন আদালতে রিভিউ আবেদন করতে হয়?
  1. হাইকোর্ট বিভাগে
  2. জেলা জজ আদালতে
  3. অতিরিক্ত জেলা জজ আদালতে
  4. রায় প্রদানকারী যুগ্ম জেলা জজ আদালতে
সঠিক উত্তর:
রায় প্রদানকারী যুগ্ম জেলা জজ আদালতে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রায় প্রদানকারী যুগ্ম জেলা জজ আদালতে
ব্যাখ্যা
• রিভিউ (Review)-
আদালত কর্তৃক কিছু নির্দিষ্ট এবং নির্দেশিত অবস্থার পরিপ্রেক্ষিতে বিচার পুনঃনিরীক্ষণকে রিভিউ বলে। বিচার বিভাগীয় প্রত্যেক অঙ্গে রিভিউ সম্ভব। আবেদনকৃত রিভিউ সেই আদালত পর্যালোচনা করবে যে আদালত উক্ত মামলার রায় বা ডিক্রি প্রদান করেছে।

অর্থাৎ যে আদালত ডিক্রি প্রদান করেছে, সেই আদালত কর্তৃক উক্ত ডিক্রি পুনরায় দেখা বা বিচারিক পর্যালোচনাকে রিভিউ বলে। উল্লিখিত ক্ষেত্রে রায় প্রদানকারী যুগ্ম জেলা জজ আদালতেই রিভিউ করতে হবে।

• দেওয়ানি কার্যবিধির ১১৪ ধারা এবং ৪৭ নং আদেশে রিভিউ সম্পর্কিত বিধান রয়েছে। ১১৪ ধারার বিধান অনুযায়ী নিম্নলিখিত ৩টি ক্ষেত্রে রিভিউ আবেদন করা যায়-
i) যে ডিক্রি বা আদেশের বিরুদ্ধে আপিল করা চলে কিন্তু আপিল করা হয় নাই;
ii) যে ডিক্রি বা আদেশের বিরুদ্ধে আপিল চলেনা; এবং
iii) ক্ষুদ্র বিষয়ক আদালতে রেফারেন্স প্রদত্ত সিদ্ধান্তের বিরূদ্ধে রিভিউ আবেদন করা যায়।

⇒ রিভিউ আবেদনের শর্তসমূহ: দেওয়ানী কার্যবিধির ৪৭ নং আদেশের ১ নং বিধি অনুযায়ী নিম্নলিখিত ৩টি Ground-এ রিভিউ আবেদন করা যায়-
ⅰ) নতুন ও গুরুত্বপূর্ণ কোন বিষয় আবিষ্কার হলে;
ii) মামলার নথিতে ভুল বা স্পষ্টত কোন ভ্রান্তি থাকলে;
iii) অন্য কোন পর্যাপ্ত কারণে রিভিউ আবেদন করা যায়।
৮৬.
দেওয়ানি কার্যবিধি ১৯০৮ এর কোন ধারা 'গণ-উৎপাত' সম্পর্কিত?
  1. ৯০ ধারা
  2. ৯১ ধারা
  3. ৯২ ধারা
  4. ৯৪ ধারা
সঠিক উত্তর:
৯১ ধারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৯১ ধারা
ব্যাখ্যা
দেওয়ানি কার্যবিধি ১৯০৮ এর ৯১ ধারা: গণ-উৎপাত:
এটর্নি জেনারেল বা দুই বা ততোধিক ব্যক্তি লিখিত অনুমতি নিয়ে গণ-উৎপাত প্রতিরোধে নিষেধাজ্ঞার মামলা করবেন। বিশেষ কোন ক্ষতি না হয়ে থাকলেও এই মামলা করা যাবে। তবে এটর্নি জেনারেল ছাড়া অন্য কেহ মামলা করতে হলে এটর্ণি জেনারেলের লিখিত ‍অনুমতি নেওয়া বাধ্যতামূলক।

Section: 91- Public nuisances:
(1) In the case of a public nuisance the Attorney General, or two or more persons having obtained the consent in writing of the Attorney General, may institute a suit, though no special damage has been caused, for a declaration and injunction or for such other relief as may be appropriate to the circumstances of the case.

(2) Nothing in this section shall be deemed to limit or otherwise affect any right of suit which may exist independently of its provisions.
৮৭.
দেওয়ানি কার্যবিধির প্রথম তফসিলের অন্তুর্ভুক্ত যেকোনো নিয়ম পরিবর্তন, সংশোধন বা রদবদল করার ক্ষমতা কোন কর্তৃপক্ষকে দেয়া হয়েছে?
  1. সুপ্রিম কোর্ট
  2. আইন মন্ত্রনালয়
  3. জেলা জজ আদালত
  4. অতিরিক্ত জেলা জজ আদালত
সঠিক উত্তর:
সুপ্রিম কোর্ট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সুপ্রিম কোর্ট
ব্যাখ্যা
দেওয়ানি কার্যবিধি অনুযায়ী, দেওয়ানি কার্যবিধির প্রথম তফসিলের অন্তর্গত নিয়মসমূহ পরিবর্তন, সংশোধন বা রদবদল করার ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে সর্বোচ্চ আদালতকে। সুপ্রিম কোর্ট হচ্ছে সর্বোচ্চ আদালত।

দেওয়ানি কার্যবিধির ১২২ ধারায় এ বিষয়ে স্পষ্ট উল্লেখ রয়েছে। ১২২ ধারায় বলা হয়েছে:
"সর্বোচ্চ আদালত, সময় সময় সরকারী গেজেটে প্রজ্ঞাপন দ্বারা, এই আইনের প্রথম তফসিলে বর্ণিত কোন বিষয়ের জন্য নিয়ম প্রণয়ন, সংশোধন বা বাতিল করতে পারবে।"
অর্থাৎ প্রথম তফসিলের আওতাধীন নিয়মসমূহ প্রণয়ন, সংশোধন এবং বাতিলের ক্ষমতা শুধুমাত্র সর্বোচ্চ আদালতের নিকট নিহিত রয়েছে। এই ক্ষমতা কোন নিম্ন আদালত বা অন্য কোন কর্তৃপক্ষকে প্রদান করা হয়নি।

সুতরাং সর্বোচ্চ আদালত ছাড়া অন্য কেউ দেওয়ানি কার্যবিধির প্রথম তফসিলের নিয়মসমূহ পরিবর্তন, সংশোধন বা বাতিল করতে পারবে না।
৮৮.
দেওয়ানি কার্যবিধির কোন ধারার ক্ষমতাবলে একটি দেওয়ানি আদালত কোনো পদ্ধতিগত কাজের জন্য নির্ধারিত সময় বর্ধিত করতে পারেন?
  1. ১৪৭ ধারায়
  2. ১৪৮ ধারায়
  3. ১৪৯ ধারায়
  4. ১৫০ ধারায়
সঠিক উত্তর:
১৪৮ ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৪৮ ধারায়
ব্যাখ্যা
দেওয়ানি কার্যবিধি, ১৯০৮: ধারা ১৪৮- সময় বাড়ানো:
যদি আদালত কোনো নির্দিষ্ট কাজ সম্পাদনের জন্য একটি সময়সীমা নির্ধারণ করে থাকে, তবুও আদালত পরবর্তীতে নিজের বিবেচনা অনুযায়ী সেই সময়সীমা বাড়াতে পারবে।

Section 148- Enlargement of time:
Where any period is fixed or granted by the Court for the doing of any act prescribed or allowed by this Code, the Court may, in its discretion, from time to time, enlarge such period, even though the period originally fixed or granted may have expired.

এই বিধানের উদ্দেশ্য হল বিচারকার্য সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করতে আদালতকে সুযোগ দেওয়া। কারণ প্রতিটি মামলার পরিস্থিতি একইরকম না হওয়ায় আদালতকে প্রয়োজনীয় সময়সীমা নির্ধারণের জন্য নমনীয়তা রাখা উচিত। তবে এই ক্ষমতার অপব্যবহার থেকে বাঁচতে আদালতকে সতর্ক থাকতে হবে।
৮৯.
আরজি ফেরতের আদেশ-
  1. চূড়ান্ত আদেশ
  2. আপিলঅযোগ্য আদেশ
  3. আপিলযোগ্য আদেশ
  4. ক এবং খ
সঠিক উত্তর:
আপিলযোগ্য আদেশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আপিলযোগ্য আদেশ
ব্যাখ্যা
আদেশ ৭ বিধি-১০: আরজি ফেরত (Return of plaint)-
⇒ বাদী যদি এখতিয়ারহীন আদালতে আরতি দায়ের করে, তাহলে আদালত উক্ত আরজি এখতিয়ার সম্পন্ন আদালতে পেশ করার জন্য বাদীকে ফেরত প্রদান করবে।
⇒ আরজি ফেরত প্রদানের সময় বিচারক আরজি পেশ করার এবং ফেরত দেওয়ার তারিখ, আরজি দাখিলকারির নাম এবং ফেরত দেওয়ার কারণ সংক্ষেপে লিখবেন।

প্রতিকার:
আরজি ফেরতের আদেশটি আপিলযোগ্য আদেশ (Appealable Order)। [বিধি-১, আদেশ ৪৩] ।
৯০.
কোনো বিচারককে কখন কোনো দেওয়ানি পরোয়ানার অধীনে গ্রেফতার করা যাবে না?
  1. আদালতে গমনের সময়
  2. আদালত থেকে প্রত্যাবর্তন করার সময়
  3. আদালতে মোকদ্দমা পরিচালনা করার সময়
  4. ক বা খ বা গ
সঠিক উত্তর:
ক বা খ বা গ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক বা খ বা গ
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানি কার্যবিধির ১৩৫ ধারা: দেওয়ানি পরোয়ানার অধীনে গ্রেফতার হতে অব্যাহতি:
১) কোন জজ, ম্যাজিস্ট্রেট বা অন্যান্য বিচার বিভাগীয় কর্মকর্তাকে আদালতে গমনের সময়, আদালতে মোকদ্দমা পরিচালনা করতে বা তার আদালত থেকে প্রত্যাবর্তন করার সময় কোন দেওয়ানি পরোয়ানার অধীনে গ্রেফতার হবে না।

২) এখতিয়ারসম্পন্ন কিংবা এরূপ এতিয়ার আছে হিসাবে সরলভাবে বিশ্বাস করেন, এরূপ কোন ট্রাইব্যুনালে কোন বিষয় বিচারাধীন থাকলে তৎবিষয়ের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট পক্ষগণ তাদের উকিলগণ, মোক্তারগণ, রেভিনিউ এজেন্ট, অনুমোদিত এজেন্ট এবং সমনপ্রাপ্ত সাক্ষীগণ সংশ্লিষ্ট ব্যাপারে ট্রাইব্যুনালের সমীপে গমনকালে, উপস্থিত থাকাকালীন সময়ে বা ঐ স্থল থেকে প্রত্যাবর্তনের প্রাক্কালে আদালত অবমাননার দোষে উক্ত ট্রাইব্যুনাল কর্তৃক জারিকৃত পরওয়ানা ব্যতীত অন্য কোন দেওয়ানি পরোয়ানাধীনে গ্রেফতার থেকে অব্যাহতি পাবেন।

৩) যদি কোন রায়সিদ্ধ দেনাদারকে অবিলম্বে গ্রেফতারের আদেশ প্রদান করা হয়ে থাকে বা ডিক্রি জারির জন্য তাকে কেন জেলে সোপর্দ করা হবে না, তার কারণ দর্শাতে বলা হয়ে থাকে, তখন ঐ ব্যক্তি (২) উপ-ধারানুসারে অব্যাহতি দাবি করতে সমর্থ হবে না।

Section: 135- Exemption from arrest under civil process:
(1) No Judge, Magistrate or other judicial officer shall be liable to arrest under civil process while going to, presiding in, or returning from, his Court.

(2) Where any matter is pending before a tribunal having jurisdiction therein, or believing in good faith that it has such jurisdiction, the parties thereto, their pleaders, mukhtars, revenue-agents and recognised agents, and their witnesses acting in obedience to a summons, shall be exempt from arrest under civil process other than process issued by such tribunal for contempt of Court while going to or attending such tribunal for the purpose of such matter, and while returning from such tribunal.

(3) Nothing in sub-section (2) shall enable a judgment-debtor to claim exemption from arrest under an order for immediate execution or where such judgment-debtor attends to show cause why he should not be committed to prison in execution of a decree.
৯১.
দেওয়ানি কার্যবিধির ২৯ ধারায় কোন ধরনের সমন জারির বিধান রয়েছে?
  1. জেল সমন
  2. বিদেশি সমন
  3. সরকারি সমন
  4. প্রাতিষ্ঠানিক সমন
সঠিক উত্তর:
বিদেশি সমন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিদেশি সমন
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানি কার্যবিধির ২৯ ধারায় "Service of foreign summonses" উল্লেখ আছে। বাংলাদেশের বাইরে অবস্থিত আদালতের সমন কোন পদ্ধতিতে দেশের ভেতর জারি করা হবে, সেই পদ্ধতি দেয়া হয়েছে। এ পদ্ধতি শুধুমাত্র দেওয়ানি সমনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য।

ধারা ২৯- বিদেশি সমন জারি:
বাংলাদেশের বাহিরে অবস্থিত কোন দেওয়ানি অথবা রাজস্ব আদালতের সমন এবং অন্যান্য ওয়ারেন্ট বাংলাদেশের আদালতসমূহে প্রেরণ করা যেতে পারে এবং উক্ত সমন অনুরূপ আদালত মারফত প্রদত্ত সমন হিসাবে জারি করা যেতে পারেঃ
তবে শর্ত থাকে যে, সরকার সরকারি গেজেটে প্রজ্ঞাপন জারি করে অনুরূপ আদালত সমূহে এই ধারার বিধানসমূহ প্রযোজ্য বলে ঘোষণা করবে।

Section 29: Service of foreign summons-
Summons and other processes issued by any Civil or Revenue Court situate outside Bangladesh may be sent to the Courts in Bangladesh and served as if they were summonses issued by such Courts:
Provided that the Government has by notification in the official Gazette declared the provisions of this section to apply to such Courts.
৯২.
The Code of Civil Procedure, 1908 এর __________ এর বিধি-১: এই আদেশ শুধুমাত্র হাইকোর্ট ডিভিশন এবং জেলা আদালতের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে।
  1. আদেশ ৩২
  2. আদেশ ৩৭
  3. আদেশ ৩৫
  4. আদেশ ৩৩
সঠিক উত্তর:
আদেশ ৩৭
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আদেশ ৩৭
ব্যাখ্যা
• The Code of Civil Procedure, 1908 এর আদেশ ৩৭ এ হস্তান্তরযোগ্য দলিলের উপর সংক্ষিপ্ত কর্মপদ্ধতি (SUMMARY PROCEDURE ON NEGOTIABLE INSTRUMENTS) সম্পর্কে বিধান রয়েছে।

আদেশ ৩৭ বিধি-১: আদেশের প্রয়োগ-
এই আদেশ শুধুমাত্র হাইকোর্ট ডিভিশন এবং জেলা আদালতের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে।

Order 37 Rule-1: Application of Order-
This Order shall apply only to the High Court Division and to the District Court.