পরীক্ষা আর্কাইভ

ICT Expert

পরীক্ষাICT Expertতারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়07 minutes
মোট প্রশ্ন১০
সিলেবাস
পরীক্ষা – ৫ এপ্লিকেশন সফটওয়্যার, কম্পিউটার অঙ্গসংগঠন ও পেরিফেরালস [ক্লাস ৭ ও ৮]
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

ICT Expert

ICT Expert · তারিখ অনির্ধারিত · ১০ প্রশ্ন

.
নিচের কোনটি সিস্টেম সফটওয়্যার?
  1. ক) Oracle
  2. খ) Linux
  3. গ) Photoshop
  4. ঘ) MS Word
সঠিক উত্তর:
খ) Linux
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) Linux
ব্যাখ্যা
সিস্টেম সফটওয়্যার:
- সিস্টেম সফটওয়্যার সামগ্রিক সিস্টেমকে পরিচালনা করে।
- সিস্টেম সফটওয়্যার কম্পিউটারে বিভিন্ন ইনপুট আউটপুট ডিভাইসের মধ্যে কাজের সমন্বয় রক্ষা করে ব্যবহারিক প্রোগ্রাম চালনার জন্য কম্পিউটারকে তৈরি রাখে। 
- উদাহরণ: Unix, Linux, Windows, Solaris ইত্যাদি।

অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার:
- অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার বা কম্পিউটার অ্যাপ্লিকেশন বলতে বিশেষ ধরনের কম্পিউটার প্রোগ্রামকে বোঝায় যা মানুষকে কোন বিশেষ ধরনের কাজ সম্পাদনে সহায়তা করে।
- এটি একটি কম্পিউটার সফটওয়্যার যেটা ব্যবহারকারীর প্রয়োজন অনুযায়ী এবং নির্দিষ্ট কাজ সম্পাদনা করতে ব্যবহারকারীকে সহায়তা করে থাকে।
- উদাহরণ: MS Word, MS Excel, Oracle, Foxpro, Adobe Photoshop, Paint ইত্যাদি।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
কম্পিউটার সফটওয়্যার বলতে কী বোঝানো হয়?
  1. ক) তথ্য দেয়া ও তথ্য নেয়ার অংশ বিশেষ
  2. খ) যেসব অংশ মুদ্রায়িত অবস্থায় থাকে
  3. গ) প্রোগ্রাম বা কর্ম পরিকল্পনার কৌশল
  4. ঘ) কম্পিউটার তৈরির নকশা
সঠিক উত্তর:
গ) প্রোগ্রাম বা কর্ম পরিকল্পনার কৌশল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) প্রোগ্রাম বা কর্ম পরিকল্পনার কৌশল
ব্যাখ্যা
কম্পিউটার সফটওয়্যার:
- সাধারণত সফটওয়্যার বলতে কম্পিউটারের প্রোগ্রামসমূহের সমষ্টিকে বোঝানো হয়।
- অর্থাৎ সফটওয়্যার হলো কতকগুলো প্রোগাম বা প্রোগামের সমষ্টি, যা হার্ডওয়্যারকে কর্মক্ষম করে প্রক্রিয়াকরণের মাধ্যমে ব্যবহারকারীর কাঙ্ক্ষিত ফলাফল প্রদান করে।
- সফটওয়্যারের মাধ্যমে কম্পিউটারের হার্ডওয়্যারকে কার্যোপযোগী করা হয়।
- উদাহরণ: DOS, Windows, MS Office, Adobe Photoshop, Video Player ইত্যাদি।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
ইউএসবি পোর্ট দ্বারা কম্পিউটার সিস্টেম ইউনিটের সাথে সংযুক্ত করা যায়-
  1. ক) স্ক্যানার
  2. খ) মাউস
  3. গ) কী-বোর্ড
  4. ঘ) উপরের সবগুলো
সঠিক উত্তর:
ঘ) উপরের সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা
ইউএসবি পোর্ট (USB Port):
- USB সমর্থিত ডিভাইসসমূহ এ জাতীয় পোর্টে সংযুক্ত করা হয়।
- সাধারণত কম্পিউটার সিস্টেম ইউনিটের সামনে বা পেছনে ২ থেকে ৪টি USB পোর্ট থাকে।
- এ ধরনের পোর্টে বিভিন্ন ধরনের USB পোর্টের ডিভাইস যেমন, মাউস, কী-বোর্ড, স্ক্যানার, পেনড্রাইভ, ডিজিটাল ক্যামেরা ইত্যাদি সংযুক্ত করা যায়।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, এমবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
MPEG কোন ধরনের ফাইল এক্সটেনশন?
  1. ক) Audio
  2. খ) Video
  3. গ) Image
  4. ঘ) Document
সঠিক উত্তর:
খ) Video
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) Video
ব্যাখ্যা
ভিডিও:
- একই সাথে সাউন্ড ও চলমান চিত্র সমৃদ্ধ কন্টেন্টই ভিডিও।
- ভিডিওর অন্যতম বৈশিষ্ট্য হচ্ছে এতে চলমান চিত্র ফুটে ওঠে।
- যে কোনো মুভি, অ্যানিমেশন, কার্টুন কিংবা ডুকমেন্টারি ভিডিও কন্টেন্টের অন্তর্ভুক্ত।
- ভিডিও কন্টেন্টের পরিচিত ফরম্যাটগুলো হচ্ছে- .mp4, .mpeg, .avi, .flv, .3gp, .vob, .mov, .wmv, .srt, .swf ইত্যাদি।

অডিও:
- যে কন্টেন্ট থেকে কেবল শব্দ বা সাউন্ড শোনা যায়, তাকে অডিও কন্টেন্ট বলা যায়।
- অডিও কন্টেন্টের পরিচিত ফরম্যাটগুলো হচ্ছে: .mp3, .wma, .wav, .aif, .iff, .m3u, .m4a, .mid, .mpa ইত্যাদি।

ইমেজ:
- ইমেজ বা ছবির আরেক নাম স্থিরচিত্র। কোন একটি নির্দিষ্ট সময় বা মুহূর্তের ছবি ধরে রাখা হয় ইমেজের মাধ্যমে। আবার কোন ব্যক্তি বা বস্তুর ছবিও ইমেজের মাধ্যমে প্রকাশ করা যায়।
- ইমেজের পরিচিত ফরম্যাটগুলো হচ্ছে- .jpg, .png, .gif, .psd, .bmp, .dds, .pspimage ইত্যাদি।

ডকুমেন্ট:
- মাইক্রোসফ্‌ট ওয়ার্ডের মাধ্যমে তৈরি বা ব্যবহারকৃত সব ফাইলই ডকুমেন্ট। তাছাড়া, Portable Document Format (PDF) বা পিডিএফ, নোটপ্যাডে সকল অ্যাপ্লিকেশনে তৈরি বা ব্যবহৃত সকল ফাইলই ডকুমেন্ট।
- একটি ডকুমেন্ট ফাইলের এক্সটেনশন কয়েক ধরনের হতে পারে। যথা: .doc, .docx, .rtf, .txt, .pdf ইত্যাদি।

উৎস: শিক্ষায় তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এমএড প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
CRT মনিটর এর পূর্ণরূপ কী?
  1. ক) Cathode Radiation Tube
  2. খ) Cathode Radiant Tube
  3. গ) Cathode Ray Tube
  4. ঘ) Crystel Ray Tube
সঠিক উত্তর:
গ) Cathode Ray Tube
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) Cathode Ray Tube
ব্যাখ্যা
মনিটর:
- মনিটর হলো একটি অন্যতম সফটকপি আউটপুট হার্ডওয়্যার, যা দেখতে সাধারণত টেলিভিশনের পর্দার মতো।
- মনিটর সাদা-কালো বা রঙিন হয়ে থাকে। আবার অ্যানালগ কিংবা ডিজিটালও হতে পারে।
- প্রযুক্তির ওপর ভিত্তি করে মনিটরকে দুই ভাগে ভাগ করা হয়। যথা:
১. ক্যাথোড রশ্মির টিউব মনিটর (Cathode Ray Tube - CRT) ও
২. ফ্ল্যাট প্যানেল মনিটর (Flat Panel Monitor)। 

ক্যাথোড রশ্মির টিউব মনিটর (CRT- Cathode Ray Tube Monitor):
- সিআরটি মনিটরের প্রধান উপকরণ হলো পিকচার টিউব।
- টিউবের ভেতরের দিকে লাল, সবুজ ও আসমানি এ তিনটি মৌলিক বর্ণের ফসফরাসের আবরণের প্রলেপ থাকে।
- ফসফরাসের আবরণটি অনেকগুলো বিন্দু বা ডটের সমন্বয়ে গঠিত। এদেরকে পিক্সেল বলা হয়। কম্পিউটারের তথ্য প্রদর্শনের ক্ষুদ্রতম একক হচ্ছে পিক্সেল।
- মনিটরের পর্দায় একটি ইমেজ বা চিত্র তখনই পূর্ণাঙ্গভাবে অবলোকন করা যায়, যখন ইলেকট্রন বিম সম্পূর্ণ স্ক্রিনটিকে স্ক্যান করে এবং প্রতিটি পিক্সেলকে উজ্জ্বল করে দেয়।
- পিক্সেলের সংখ্যার ওপর মনিটরের রেজুল্যশন নির্ভর করে। বর্তমানে প্রচলিত মনিটরগুলো সাধারণত ৬৪০০০ থেকে ২ মিলিয়ন পিক্সেলবিশিষ্ট হয়ে থাকে।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, এমবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
কী-বোর্ডে Delete এবং Insert কী নামে পরিচিত?
  1. ক) কন্ট্রোল কী
  2. খ) ফাংশন কী
  3. গ) নিউম্যারিক কী
  4. ঘ) নেভিগেশন কী
সঠিক উত্তর:
ঘ) নেভিগেশন কী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) নেভিগেশন কী
ব্যাখ্যা
কী-বোর্ড (Keyboard):
- কম্পিউটারে বিভিন্ন তথ্য বা নির্দেশনা প্রদান, প্রচলিত ভাষায় বর্ণ, অংক বা বিশেষ চিহ্ন প্রদান করার অন্যতম মাধ্যম হিসেবে কী-বোর্ড ব্যবহৃত হয়।
- বর্তমানে কী-বোর্ডের মাল্টিমিডিয়া, উইন্ডোজ ও ওয়েব কী-গুলো ব্যবহার করে কম্পিউটারকে সরাসরি মাল্টিমিডিয়া, উইন্ডোজ ও ওয়েব ব্রাউজিং সম্পর্কে নির্দেশ প্রদান করা যায়।
- সাধারণত দুই ধরনের কী-বোর্ড পাওয়া যায়। যথা: ১. স্ট্যান্ডার্ড কী-বোর্ড ও ২. এনহ্যান্সড কী-বোর্ড।
- কী-বোর্ডে ৯৪-১০০টি কী থাকে।

নেভিগেশন কী:
কী বোর্ডের Delete, Insert, Home, End, Page Up, Page Down, Arros Keys সমূহ নেভিগেশন কী নামে পরিচিত। নেভিগেশন কী ১০টি রয়েছে। 

কন্ট্রোল কী:
Ctrl, Alt, the Windows logo key.

নিউম্যারিক কী:
নাম্বার 0 থেকে 9, Arithmetic operators: + (addition), - (subtraction), * (multiplication), and / (division) ইত্যাদি। 

ফাংশন কী: 
কীবোর্ডের বাম পাশের ওপরের সন্নিবেশিত F1, F2, .... F12 নম্বরযুক্ত কীগুলোকে ফাংশন কী বলা হয়।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় এবং Microsoft website.
.
কম্পিউটারের ক্ষতিকর প্রোগ্রাম কোনটি?
  1. ক) Malware
  2. খ) Avast
  3. গ) Avira
  4. ঘ) Norton
সঠিক উত্তর:
ক) Malware
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) Malware
ব্যাখ্যা
মেলওয়্যার (Malware):
- Malware-এর পূর্ণ শব্দরূপ হলো Malicious Software.
- মেলওয়্যার অনেক বিস্তৃত একটি টার্ম হিসেবে ব্যবহৃত হয় যার অন্যতম সাধারণ একটি টাইপ হচ্ছে কম্পিউটার ভাইরাস।
- মেলওয়্যারের অন্তর্ভুক্ত সফটওয়্যার গুলোর মধ্যে রয়েছে: স্পাইওয়্যার, অ্যাডওয়্যার, ট্রোজান হর্স প্রভৃতি।
- এগুলোর প্রতিটির টাইপ বা প্রকৃতি ভিন্ন হলেও এদের উদ্দেশ্য এক অর্থাৎ কম্পিউটার সিস্টেমে অবৈধ অনুপ্রবেশ এবং এর ক্ষতিসাধন করা।
- আর্থিক প্রতারণা বা অবৈধ উপায়ে অর্থ আদায়ে ব্যবহৃত সফটওয়্যারগুলোকেও আ্যাডভান্স লেভেলের মেলওয়্যার হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়। 

কম্পিউটারের ক্ষতিকর প্রোগ্রাম:
- Malware
- Spyware,
- Ransomware,
- Worms, 
- Trojan Horse ইত্যাদি। 

• Avast, Avira এবং Norton হলো অ্যান্টিভাইরাস প্রোগ্রাম। 

উৎস: কম্পিউটার ও তথ্য প্রযুক্তি-২, ৯ম-১০ম শ্রেণি (ভোকেশনাল)।
.
বৃহৎ আর্কিটেকচারাল ডিজাইন প্রিন্ট করতে নিচের কোনটি ব্যবহৃত হয়?
  1. ক) Electrostatic Printer
  2. খ) Ink-Jet Printer
  3. গ) Laser Printer
  4. ঘ) Plotter
সঠিক উত্তর:
ঘ) Plotter
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) Plotter
ব্যাখ্যা
প্লটার (Plotter):
- প্লটার এক ধরনের বিশেষ ধরনের আউটপুট ডিভাইজ যা প্রিন্টারের মতোই কাজ করে।
- মূলত বৃহৎ আকারের ছবি, প্রতীক, মানচিত্র, আর্কিটেকচারাল ডিজাইন ইত্যাদির কাজে প্লটার ব্যবহৃত হয়।
- তাছাড়া ভবনের নকশা, বিশাল ও সূক্ষ্ম যন্ত্রপাতির নকশা, মানচিত্র ইত্যাদির মুদ্রণ নেওয়ার জন্যও প্লটার ব্যবহৃত হয়।
- প্লটার সাধারণত ২ প্রকার। যথা:
১. ফ্ল্যাটবেড (Flatbed) প্লটার ও
২. ড্রাম (Drum) প্লটার। 

স্থির বৈদ্যুতিক প্রিন্টার (Electrostatic Printer):
- ইলেট্রোস্ট্যাটিক প্রিন্টার কম্পিউটারের ফলাফলকে বৈদ্যুতিক চার্জের সাহায্যে প্রিন্ট করে।
- এটির কার্যপ্রণালী ফটোস্ট্যাট মেশিনের অনুরূপ। 

ইংকজেট প্রিন্টার (Ink-Jet Printer):
- যে প্রিন্টার কালি ছড়িয়ে বা স্প্রে করে কম্পিউটারের ফলাফলকে প্রিন্ট করে তাকে ইংকজেট প্রিন্টার বলা হয়।
- প্রিন্টের গুণগতমান ও দামের দিক দিয়ে এটি তুলনামূলকভাবে সস্তা এবং ভালো প্রিন্টার। 

লেজার প্রিন্টার (Laser Printer):
- প্রিন্টিংয়ের গুণগত মানের দিক থেকে লেজার প্রিন্টার হচ্ছে সবচেয়ে ভালো প্রিন্টার।
- লেজার প্রিন্টার লেজার (LASER - Light Amplification by Stimulated Emission of Radiation) রশ্মির সাহায্যে কাগজে লেখা ফুটিয়ে তোলে। 

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, এমবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
কোনো ডকুমেন্ট লেখার জন্য কোন প্রোগ্রাম ব্যবহৃত হয়?
  1. ক) C++
  2. খ) McAfee
  3. গ) Word Processor
  4. ঘ) Adobe Illustrator
সঠিক উত্তর:
গ) Word Processor
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) Word Processor
ব্যাখ্যা
ওয়ার্ড প্রসেসিং সফটওয়্যার (Word Processing Software):
- কম্পিউটারের সাহায্যে বর্ণমালা, সংখ্যা, চিহ্ন বা শব্দ ব্যবহার করে ডকুমেন্ট বা লিপি তৈরি করা এবং উক্ত ডকুমেন্টকে সম্পাদনই হলো ওয়ার্ড প্রসেসিং।
- ডকুমেন্ট তৈরি ও প্রসেসিংয়ের জন্য ব্যবহৃত এক বিশেষ ধরনের কম্পিউটারের ব্যবস্থাকে ওয়ার্ড প্রসেসর বলা হয়। মূলত লেখালেখির কাজ করার জন্য ব্যবহৃত অ্যাপ্লিকেশন প্রোগ্রামকেই ওয়ার্ড প্রসেসর বা ওয়ার্ড প্রসেসিং প্রোগ্রাম বলা হয়ে থাকে।
- উদাহরণ: Microsoft word, Wordstar, Wordperfect, Latex, Note Pad ইত্যাদি।

• C++ হলো প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ। 
• McAfee হলো অ্যান্টিভাইরাস সফটওয়্যার প্রোগ্রাম। 
• Adobe Illustrator হলো গ্রাফিক্স প্রোগ্রাম। 

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১০.
নিচের কোন ডিভাইসটি ইনপুট ও আউটপুট ডিভাইস?
  1. ক) Audio Card
  2. খ) Plotter
  3. গ) OCR
  4. ঘ) Webcam
সঠিক উত্তর:
ক) Audio Card
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) Audio Card
ব্যাখ্যা
ইনপুট ডিভাইস:
কম্পিউটার বিভিন্ন ধরনের হার্ডওয়্যারের বা ডিভাইসের মাধ্যমে ব্যবহারকারীর কাছ থেকে কিংবা বিভিন্ন পরিবেশ থেকে প্রক্রিয়াকরণে বিভিন্ন ধরনের ডাটা গ্রহন করে। কম্পিউটার প্রক্রিয়ারণের কাজে ডাটা প্রদানে নিয়োজিত হার্ডওয়্যার সমূহই হলো ইনপুট ডিভাইস।

ইনপুট ডিভাইসসমূহ হলো:
ডিজিটাল ক্যামেরা, কী-বোর্ড, মাউস, ওয়েবক্যাম, ট্যাকবল, জয়স্টিক, বার কোড রিডার, পয়েন্ট অফ সেল, ওএমআর, স্ক্যানার, ডিজিটাইজার, লাইটপেন, মাউস, মাইক্রোফোন, ওসিআর ইত্যাদি।

আউটপুট ডিভাইস:
কম্পিউটারের ফলাফল প্রদর্শনের বা প্রদানের কাজে বিভিন্ন ধরনের হার্ডওয়্যার জড়িত থাকে। এ সকল হার্ডওয়্যার আউটপুট ডিভাইস নামে পরিচিত।

আউটপুট ডিভাইসসমূহ হলো:
মনিটর, প্রিন্টার, প্লটার, স্পিকার, মাল্টিমিডিয়া প্রজেক্টর, ইমেজ সেটার, ফিল্ম রেকর্ডার, হেড ফোন  ইত্যাদি।

ইনপুট ও আউটপুট উভয় হিসেবে ব্যবহৃত ডিভাইস:
টাচস্ক্রিন, মডেম, অডিও কার্ড ইত্যাদি।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।