পরীক্ষা আর্কাইভ

প্রাইমারি জব সল্যুশন

পরীক্ষাDPEতারিখ১৪ নভেম্বর, ২০২২সময়50 minutes৭৬ বৈধ · অসম্পূর্ণ
মোট প্রশ্ন৮০
সিলেবাস
রেজিস্টার্ড বেসরকারি প্রাথমিক নিয়োগ পরীক্ষা - ২০১১ (হাসনাহেনা) (গ্রেড-১৩) পরীক্ষার তারিখ: ০৯.১২.২০১১
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

প্রাইমারি জব সল্যুশন

DPE · ১৪ নভেম্বর, ২০২২ · ৮০ প্রশ্ন

.
নাচে পাপ-সিন্ধুতে তুঙ্গ তরঙ্গ!
মৃত্যুর মহানিশা রুদ্র উলঙ্গ!
নিঃশেষে নিশাচর গ্রাসে মহাবিশ্বে
ত্রাসে কাঁপে তরণীর পাপী যত নি:স্ব।
পঙ্ক্তিটি কোন কবির রচনা?
  1. ক) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
  2. খ) কাজী নজরুল ইসলাম
  3. গ) শামসুর রাহমান
  4. ঘ) ফররুখ আহমদ
ব্যাখ্যা
- আলোচ্য পঙক্তিটি কাজী নজরুল ইসলামের 'অগ্নিবীণা' কাব্যগ্রন্থের অন্তর্গত 'খেয়া পারের তরণী' কবিতার অন্তর্গত- 
কবিতাটি নিম্নরূপ- 

খেয়া পারের তরণী
- কাজী নজরুল ইসলাম।

"যাত্রীরা রাত্তিরে হতে এল খেয়া পার,
বজ্রেরি তূর্যে এ গর্জেছে কে আবার?
প্রলয়েরি আহ্বান ধ্বনিল কে বিষাণে!
ঝন্‌ঝা ও ঘন দেয়া স্বনিল রে ঈশানে!

নাচে পাপ-সিন্ধুতে তুঙ্গ তরঙ্গ!
মৃত্যুর মহানিশা রুদ্র উলঙ্গ!
নিঃশেষে নিশাচর গ্রাসে মহাবিশ্বে,
ত্রাসে কাঁপে তরণীর পাপী যত নিঃস্বে।"

উৎস: 'অগ্নিবীণা' কাব্যগ্রন্থ।
.
'ক্রীতদাসের হাসি' শওকত ওসমান রচিত একটি-
  1. ক) নাটক
  2. খ) উপন্যাস
  3. গ) প্রবন্ধ
  4. ঘ) ছোটগল্প
ব্যাখ্যা
'ক্রীতদাসের হাসি' গ্রন্থের রচয়িতা শওকত ওসমান।
- কথাসাহিত্যিক, প্রাবন্ধিক শওকত ওসমান এর প্রকৃত নাম প্রকৃত নাম শেখ আজিজুর রহমান। 
- শওকত ওসমানের 'ক্রিতদাসের হাসি' (১৯৬২) উপন্যাসটিতে প্রতীকাশ্রয়ে তৎকালীন পাকিস্তানিদের বিরূপ শাসনের সমালোচনা করা হয়েছে।
- এটি শওকত ওসমানের সর্বশ্রেষ্ঠ উপন্যাস বলে স্বীকৃত।

তাঁর উল্লেখযোগ্য উপন্যাস:
- জননী,
- ক্রীতদাসের হাসি,
- সমাগম,
- চৌরসন্ধি,
- রাজা উপাখ্যান,
- জাহান্নাম হইতে বিদায়,
- দুই সৈনিক,
- নেকড়ে অরণ্য,
- পতঙ্গ পিঞ্জর,
- আর্তনাদ,
- রাজপুরুষ ইত্যাদি

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর এবং বাংলাপিডিয়া।
.
'পায়ের আওয়াজ পাওয়ার যায়' নাটকটির নাট্যকার-
  1. ক) সৈয়দ শামসুল হক
  2. খ) জহির রায়হান
  3. গ) আবদুল্লাহ আল মামুন
  4. ঘ) জিয়া হায়দার
ব্যাখ্যা
পায়ের আওয়াজ পাওয়ার যায় সৈয়দ শামসুল হক রচিত একটি কাব্যনাট্য |
- এখানে মুক্তিযুদ্ধকে মহাকাব্যিক ব্যঞ্জনায় তুলে ধরা হয়েছে। 
- নাটকটিতে ১৯৭১ সালের বাংলাদেশ শত্রু মুক্ত হওয়ার সময়কালে একটি প্রত্যন্ত গ্রামের চিত্র তুলে ধরা হয়েছে |
- পায়ের আওয়াজ পাওয়া যায় মূলত মুক্তিযোদ্ধাদের আগমনের পদধ্বনি |

তাঁর রচিত অন্যান্য কাব্যনাট্য
- নুরুলদীনের সারাজীবন,
- এখানে এখন,
- গণনায়ক,
- বাংলার মাটি বাংলার জল ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর এবং বাংলাপিডিয়া।
.
কোনটি শুদ্ধ বানান?
  1. ক) সঙকীর্নমনা
  2. খ) সংকির্ণমনা
  3. গ) সংকীর্নমনা
  4. ঘ) সংকীর্ণমনা
ব্যাখ্যা
সংকীর্ণমনা  (বিশেষণ) 
- সংস্কৃত শব্দ 
- প্রকৃতি প্রত্যয় = সংকীর্ণ+মনস্‌
অর্থ: সংকীর্ণচিত্ত 

উৎস: আধুনিক বাংলা অভিধান, বাংলা একাডেমি।
.
কোন বানানটি শুদ্ধ?
  1. ক) রৌদ্রকরজ্জল
  2. খ) রৌদ্দকরোজ্জল 
  3. গ) রৌদ্দ্রকরোজ্জ্বল
  4. ঘ) রৌদ্রকরোজ্জ্বল
ব্যাখ্যা
রৌদ্রকরোজ্জ্বল (বিশেষণ) 
- সংস্কৃত শব্দ 
- প্রকৃতি প্রত্যয় = রৌদ্র+কর+উজ্জ্বল
অর্থ: সূর্যের আলোয় উদ্ভাসিত। 

উৎস: আধুনিক বাংলা অভিধান, বাংলা একাডেমি।
.
আলোয় আঁধার কাটে- বাক্যে নিম্নরেখ শব্দটি কোন কারকে কোন বিভক্তি?
  1. ক) কর্তায় ৭মী
  2. খ) কর্মে ৭মী
  3. গ) করণে ৭মী
  4. ঘ) অপাদানে ৭মী
ব্যাখ্যা
করণ কারক
- যার দ্বারা বা যার সাহায্যে ক্রিয়া সম্পাদিত হয় তাকে করণ কারক বলে।
- ‘করণ' শব্দের অর্থ উপায় বা সহায়।
- বাক্যের ক্রিয়াপদকে ‘কার দ্বারা' বা 'কী উপায়ে' জিজ্ঞাসা করলে যে উত্তর পাওয়া যায় তা-ই করণ কারক।
- করণ কারকে সাধারণত দ্বারা, দিয়া, কর্তৃক ইত্যাদি তৃতীয়া বিভক্তির (অনুসর্গের) ব্যবহার হয়।
- আবার, এ, য়, তে বা সপ্তমী বিভক্তির প্রয়োগ ঘটে। 

যেমন - “আলোয় আঁধার কাটে।” - এই বাক্যে কিসের দ্বারা বা কী উপায়ে আঁধার কাটে প্রশ্ন করলে উত্তর পাওয়া যায় ‘আলোয়’।
এবং এর সাথে সপ্তমী বিভক্তি ‘য়’ যুক্ত হয়েছে।

উৎস: উচ্চমাধ্যমিক বাংলা ২য় পত্র, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
ছেলেরা ক্রিকেট খেলে- বাক্যে নিম্নরেখ শব্দটি কোন কারকে কোন বিভক্তি?
  1. ক) কর্মে শূন্য
  2. খ) করণে শূন্য
  3. গ) অপাদানে শূন্য
  4. ঘ) অধিকরণে শূন্য
ব্যাখ্যা
কর্ম কারক: 
যাকে আশ্রয় করে কর্তা ক্রিয়া সম্পাদন করে, তাকে কর্ম কারক বলে।
বাক্যের মুখ্য কর্ম ও গৌণ কর্ম - উভয় ধরনের কর্মই কর্ম কারক হিসেবে গণ্য হয়।
সাধারণত মুখ্য কর্ম কারকে বিভক্তি হয় না, তবে গৌণ কর্ম কারকে ‘কে’ বিভক্তি হয়।
যেমন -
সে রােজ সকালে এক প্লেট ভাত খায়।
শিক্ষককে জানাও।

"ছেলেরা ক্রিকেট খেলে" এখানে ক্রিকেট-কে আশ্রয় করে ক্রিয়া সম্পাদিত হয়েছে। 
- এবং এতে কোনো বিভক্তি ব্যবহৃত হয় নি। 
- তাই এটি কর্মে শূন্য। 

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি  (২০১৯ সংস্করণ)।
.
'অবোধ' কোন সমাস (নাই বোধ যার)
  1. ক) অব্যয়ীভাব
  2. খ) তৎপুরুষ
  3. গ) কর্মধারয়
  4. ঘ) বহুব্রীহি
ব্যাখ্যা
• যে সমাসে সমস্যমান পদগুলোর কোনোটির অর্থ না বুঝিয়ে, অন্য কোনো পদকে বোঝায়, তাকে বহুব্রীহি সমাস বলে।

• নঞ বহুব্রীহি সমাস:
- বিশেষ্য পূর্বপদের আগে নঞ (না অর্থবােধক) অব্যয়যােগে বহুব্রীহি সমাস করা হলে তাকে নঞ বহুব্রীহি সমাস বলে।
- নঞ বহুব্রীহি সমাসে সাধিত পদটি বিশেষণ হয়।
যেমন-
- বে (নাই) ঈমান যার = বেঈমান,
- ন (নাই) জ্ঞান যার = অজ্ঞান,
- না (নাই) চারা (উপায়) = নাচার,
- নি (নাই) ভুল যার = নির্ভুল,
- না (নয়) জানা যা = নাজানা,
- অ (নাই) আদি যার = অনাদি ইত্যাদি। 

তাই, নাই বোধ যার = 'অবোধ'; নঞ বহুব্রীহি সমাস। 

উৎস: মাধ্যমিক বাংলা ২য় পত্র, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
'শশব্যস্ত' কোন সমাস (শশকের ন্যায় ব্যস্ত)?
  1. ক) কর্মধারয়
  2. খ) তৎপুরুষ
  3. গ) বহুব্রীহি
  4. ঘ) অব্যয়ীভাব
ব্যাখ্যা
'শশব্যস্ত' এর ব্যাসবাক্য = শশের মতাে ব্যস্ত

• যার সঙ্গে তুলনা করা হয়, তা উপমান। কিছু কর্মধারয় সমাসে উপমানের সঙ্গে গুণবাচক শব্দের সমাস
হয়। এগুলােকে উপমান কর্মধারয় বলে।
যেমন –
কাজলের মতাে কালাে = কাজলকালাে
শশের মতাে ব্যস্ত = শশব্যস্ত
এই সমাসে পরপদ সাধারণত বিশেষণ হয়।

উৎস: মাধ্যমিক বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি (২০২২ সংস্করণ)।
১০.
'চলচ্চিত্র' শব্দের সন্ধি-বিচ্ছেদ কোনটি?
  1. ক) চলৎ + চিত্র
  2. খ) চল + চিত্র
  3. গ) চলচি + চিত্র
  4. ঘ) চলচ + চিত্র
ব্যাখ্যা
ব্যঞ্জন+ব্যঞ্জন  
ব্যঞ্জনসন্ধিতে একটি ধ্বনির প্রভাবে পার্শ্ববর্তী ধ্বনি পরিবর্তিত হয়ে যায়। যেমন –

চলৎ + চিত্র = চলচ্চিত্র (এখানে চ-এর প্রভাবে ত হয়েছে চ)
বিপদ্‌+জনক = বিপজ্জনক (এখানে জ-এর প্রভাবে দ হয়েছে জ) 
উৎ+লাস = উল্লাস (এখানে ল-এর প্রভাবে ত হয়েছে ল)
বাক্‌+দান = বাগদান (এখানে ঘােষধ্বনি দ-এর প্রভাবে ক হয়েছে গ)
তৎ+মধ্যে = তন্মধ্যে (এখানে নাসিক্য ধ্বনি ম-এর প্রভাবে ত হয়েছে ন)
শম্+কা = শঙ্কা (এখানে কণ্ঠ্যধ্বনি ক-এর প্রভাবে ম হয়েছে ঙ)
সম্+চয় = সঞ্চয় (এখানে তালব্যধ্বনি চ-এর প্রভাবে ম হয়েছে ঞ )
সম্+তাপ = সন্তাপ (এখানে দন্ত্যধ্বনি ত-এর প্রভাবে ম হয়েছে ন)
সম্+মান = সম্মান (এখানে ওষ্ঠ্যধ্বনি ম-এর প্রভাবে ম অপরিবর্তিত রয়েছে)
ষষ্‌+থ = ষষ্ঠ (এখানে মূর্ধন্যধ্বনি ষ-এর প্রভাবে থ হয়েছে ঠ) 

উৎস: মাধ্যমিক বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি (২০২২ সংস্করণ)।
১১.
কোনটি 'উচাটন' শব্দের সমার্থক শব্দ?
  1. ক) উৎপাটিত
  2. খ) উৎকণ্ঠা
  3. গ) উদ্দীপন
  4. ঘ) বন্ধনহীন
ব্যাখ্যা
বাংলা একাডেমি আধুনিক বাংলা অভিধান অনুসারে, 
উচাটন (বিশেষণ)
অর্থ: ব্যাকুল; অস্বস্তিপূর্ণ; উৎকণ্ঠিত
(বিশেষ্য) অর্থ: ব্যাকুলতা; উৎকণ্ঠা।

বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর অনুসারে, 
'উচাটন' এর বিপরীত শব্দ প্রশান্ত। উচাটন' শব্দের অর্থ ব্যাকুল, অস্বস্তিপূর্ণ, উৎকন্ঠিত, উৎকণ্ঠা, ব্যাকুলতা।
১২.
'আদিষ্ট' শব্দের বিপরীতার্থক শব্দ কোনটি?
  1. ক) নিষিদ্ধ
  2. খ) উদ্যত
  3. গ) হাজির
  4. ঘ) অনাসক্ত
ব্যাখ্যা
'আদিষ্ট' শব্দের বিপরীতার্থক শব্দ = নিষিদ্ধ। 

‘আসক্তি’ এর বিপরীত শব্দ - নিরাসক্তি, বৈরাগ্য, অনাসক্ত
'উদ্যত' শব্দের বিপরীত শব্দ - বিরত
'হাজির' শব্দের বিপরীত শব্দ - গরহাজির।

উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।
১৩.
'ইঁদুর কপালে' বাগধারাটির অর্থ কি?
  1. ক) মন্দ ভাগ্য
  2. খ) ভাল ভাগ্য
  3. গ) ইঁদুরের মত কপালে
  4. ঘ) ছোট কপালে
ব্যাখ্যা
'ইঁদুর কপালে' বাগধারাটির অর্থ = মন্দ ভাগ্য
উদাহরণ: তার মত ইঁদুর কপালে লোক খুব কমই দেখেছি। 

উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।
১৪.
'যার আগমনের কোন তিথি নেই'- এক কথায় হবে-
  1. ক) শরণার্থী
  2. খ) অতিথি
  3. গ) ভিখারী
  4. ঘ) বেকার
ব্যাখ্যা
যার আগমনের কোনো তিথি নেই - অতিথি

আরও কিছু এক কথায় প্রকাশ- 
যার কোন উপায় নাই - নিরুপায়
যার অন্য উপায় নাই - অনন্যোপায়
যা আঘাত পায়নি - অনাহত
যার কোন অবলম্বন নাই - নিরবলম্বন

উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড.হায়াৎ মামুদ এবং বাংলা একাডেমি অভিধান
১৫.
'যা দমন করা যায় না'- এক কথায় হবে-
  1. ক) দুর্দমনীয়
  2. খ) দুর্দম
  3. গ) অদম্য
  4. ঘ) অসম্ভব
ব্যাখ্যা
যা দমন করা যায় না- অদম্য।

আরও কিছু এক কথায় প্রকাশ- 
নিবারণ করা যায় না এমন – অনিবার্য।
যা সহজে দমন করা যায় না – দুর্দম।
অতি কষ্টে যা নিরাবরণ করা যায় - দুর্নিবার।

উৎস: উচ্চ মাধ্যমিক বাংলা ব্যাকরণ ও নির্মিতি, ড. হায়াৎ মাহমুদ এবং বাংলা একাডেমি অভিধান
১৬.
কোনটি Abstract Noun?
  1. ক) Manhood
  2. খ) Friend
  3. গ) Fleet
  4. ঘ) Anwar
ব্যাখ্যা
প্রশ্নে উল্লেখিত অপশন গুলোর মধ্যে Manhood হচ্ছে Abstract Noun.
 
Abstract noun:
যে noun এর কোন বাহ্যিক অস্তিত্ব নেই বা ধরা,ছোয়া যায় না সেগুলোকে Abstract Noun বলে

Manhood এর অর্থ হচ্ছে - পূর্ণবয়স; যৌবন, পুরুষসুলভ গুণাবলি; পুরুষত্ব, শৌর্য।
অর্থাৎ manhood দ্বারা মানবজীবনের এমন একটি অবস্থা বুঝায় যেটির বাহ্যিক অস্তিত্ব নেই বা ধরা যায় না। তাই এটি Abstract Noun।
আরো কিছু Abstract Noun: Motherhood, friendship, Kindness, Faith etc.

এছাড়াও অন্য অপশন গুলোর মধ্যে- 

খ) Friend হচ্ছে Common Noun কারন এর দ্বারা নির্দিষ্ট কোনকিছুর নামকে নির্দেশ না করে কোনকিছুর সাধারণ নামকে নির্দেশ করেছে।

গ) Fleet হচ্ছে Collective Noun.
Collective Noun বলতে নির্দিষ্ট কোনকিছুর দল বা সমষ্টিকে বোঝায়। Fleet হচ্ছে a group of military ships commanded by the same person. যেহেতু Fleet দ্বারা নির্দিষ্ট কোন কিছুর সমষ্টি বোঝাচ্ছে তাই এটি Collective Noun.

ঘ) Anwar দ্বারা কোনো একজন  ব্যাক্তির নির্দিষ্ট নাম নির্দেশ করায় এটি Proper Noun. কারণ Proper Noun যেকোন কিছুর নির্দিষ্ট  নামকে নির্দেশ করে।
১৭.
কোনটি Common Noun?
  1. ক) March
  2. খ) Jute
  3. গ) Class
  4. ঘ) Mouth
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন প্রদত্ত অপশন গুলোর মধ্যে - Mouth হচ্ছে Common noun.
Common Noun:
নির্দিষ্ট কোনকিছুর নামকে নির্দেশ না করে কোনকিছুর সাধারণ নামকে নির্দেশ করে।

Mouth - a general word for the opening through which a human or an animal eats and breathes.
সুতরাং এটি দ্বারা কোনো কিছুর সাধারণ নামকে বোঝাচ্ছে, তাই এটি common noun.

প্রশ্নে উল্লেখিত বাকি অপশন গুলোর মধ্যে - 
ক) March দ্বারা নির্দিষ্ট কোনো কিছুর নামকে নির্দেশ করছে সুতরাং এটি Proper Noun.
খ) Jute হচ্ছে Material Noun কারণ বস্তুবাচক বা উপাদান জাতীয় যেকোন  কিছুর নামকেই Material noun বলে।
গ) Class হচ্ছে  a group of students who are taught together অর্থাৎ এটি Collective Noun. কারণ collective noun যার দ্বারা নির্দিষ্ট কোনকিছুর দল বা সমষ্টিকে বোঝায়।
১৮.
কোনটি শুদ্ধ বানান?
  1. ক) Disentary
  2. খ) Dysentary
  3. গ) Dysentery
  4. ঘ) Dysentry
ব্যাখ্যা
শুদ্ধ বানানটি হচ্ছে  Dysentery.
Dysentery - (noun) [uncountable noun]
Bangla Meaning: আমাশয়।
 
Source: Accessible Dictionary.
১৯.
কোনটি শুদ্ধ বানান?
  1. ক) Indispensable
  2. খ) Indispensible
  3. গ) Indispansable
  4. ঘ) Indispansible
ব্যাখ্যা
শুদ্ধ বানানটি হচ্ছে - Indispensable.

Indispensable -(adjective)
Bangla Meaning:
১)অসুস্থ।
(২)অপরিহার্য; অপরিহরণীয়।
English Meaning: Not dispensable; impossible to be omitted, remitted, or spared; absolutely necessary or requisite.

Source: Accessible Dictionary.
২০.
Don't look down upon the poor: বাক্যটির Passive form হবে-
  1. ক) Let not the poor be looked down upon.
  2. খ) The poor should not be looked down upon.
  3. গ) Let the poor not look down upon.
  4. ঘ) Let the poor not be looked down upon.
ব্যাখ্যা
'Don't look down upon the poor'. বাক্যটির Passive form হবে - Let not the poor be looked down upon.

Do not যুক্ত imperative sentence এর ক্ষেত্রে voice change এর structure টি হল:
প্রথমে Let not বসে + object টি subject হয় + be বসে + মূল verb এর past participle বসে।

সুতরাং নিয়মানুযায়ী,  Let not the poor be looked down upon সঠিক উত্তর।
২১.
'Who will help you? বাক্যটির Passive form হবে-
  1. ক) By whom you will be helped?
  2. খ) By whom will you be helped?
  3. গ) By whom would you be helped?
  4. ঘ) By whom you would be helped?
ব্যাখ্যা
Who will help you?' বাক্যটির Passive form হবে -- By whom will you be helped?
কারণ,
Who যুক্ত active voice কে passive voice করার নিয়ম: 
By whom + auxiliary verb (tense অনুসারে) + subject + Verb এর past participle form + Extension.
২২.
The man said, 'Good Morning, my friends.' Indirect speech হবে-
  1. ক) The man said that my friends good morning
  2. খ) The man bade his friends good morning.
  3. গ) The man wished his friends good morning.
  4. ঘ) The man addressing his friends good morning
ব্যাখ্যা
The man said, "Good Morning my friends." বাক্যটির Indirect speech হবে --- The man wished his friends good morning.

Direct speech এ good morning/good evening থাকলে Indirect করার নিয়ম:
Reporting verb এর subject + wished + good morning/good evening.
তাই নিয়মানুযায়ী সঠিক উত্তর - The man wished his friends good morning.

মনে রাখতে হবে - বিদায় সম্ভাষন জাতীয় শব্দ Good night এর জন্য bade এবং সাক্ষাৎকালীন সম্ভাষণ Good morning/Good evening ইত্যাদির ক্ষেত্রে wish ব্যবহৃত হয়।
২৩.
Amani exclaimed that she was a great fool. বাক্যটির direct form হবে
  1. ক) Amani said, 'What a fool I am!'
  2. খ) Amani said, 'What I am a fool!'
  3. গ) Amani said, 'How I am a fool!'
  4. ঘ) Amani exclaimed, 'I am a great fool!'
ব্যাখ্যা
Amani exclaimed that she was a great fool. বাক্যটির direct form হবে - Amani said, " What a fool I am."
কারণ,
- Indirect এর reported speech এ great থাকলে direct এ What দ্বারা exclamatory sentence টি শুরু হয়।
- Subject + exclaimed এর পরিবর্তে said বসে + inverted comma + What + a/an + noun + subject বসে person অনুযায়ী + verb এর present form বসে।
২৪.
নিচের কোন বাক্যটি শুদ্ধ?
  1. ক) I had a strong headache
  2. খ) Asad alone is reliable.
  3. গ) He came today morning
  4. ঘ) His head was open
ব্যাখ্যা
প্রশ্নে প্রদত্ত অপশন গুলোর মধ্যে -
Asad alone is reliable. -  এই বাক্যটি সঠিক।

অন্য অপশন গুলোর মধ্যে - 

ক) I had a strong headache বাক্যটি ভুল কারন তীব্র মাথাব্যথা বোঝাতে সাধারণত bad headache ব্যবহার করা হয়। 
খ) He came today morning বাক্যটি ভুল কারণ বাক্যটিতে বর্তমান নির্দেশক শব্দ today morning রয়েছে কিন্তু verb হিসাবে ব্যবহৃত হয়েছে came. এক্ষেত্রে past expression হিসাবে yesterday/last night/this morning ব্যবহার করলে বাক্যটি সঠিক হত।
ঘ) His head was open বাক্যে শব্দচয়ন জাতীয় ভুল আছে। His head was open হয় না ।
২৫.
নিচের কোন বাক্যটি শুদ্ধ?
  1. ক) He said me a coward.
  2. খ) He said the truth.
  3. গ) I love my mother.
  4. ঘ) I took my meal.
ব্যাখ্যা
I love my mother. -  বাক্যটি শুদ্ধ।
I love my mother বাক্যটিতে verb এর ব্যবহারে কোন ভুল নেই।

প্রশ্নে উল্লেখিত অন্য অপশন গুলোর মধ্যে - 

(ক) He said me a coward. বাক্যটিতে  said এর পরিবর্তে called হলে শুদ্ধ হত।

(খ)He said the truth. -  এখানে said এর পরিবর্তে spoke হবে।

(ঘ) I took my meal. - এই বাক্যে took এর পরিবর্তে had হলে বাক্যটি শুদ্ধ হত।
২৬.
He abides __ me. বাক্যের শূন্যস্থানে সঠিক শব্দ বসবে -
  1. ক) with
  2. খ) in
  3. গ) upon
  4. ঘ) at
ব্যাখ্যা
He abides __ me. বাক্যের শূন্যস্থানে সঠিক শব্দ বসবে - with.
abide by - মেনে চলা 
abide with - কারো সাথে বাস করা 
abide in - কোনো স্থানে বাস করা।
সুতরাং প্রশ্ন প্রদত্ত বাক্যটির অর্থ ঠিক রাখতে হলে with এর ব্যবহারই গ্রহণযোগ্য।
He abides with me অর্থাৎ সে আমার সাথে বাস করে।
২৭.
I acceded __ his request.
  1. ক) on
  2. খ) at
  3. গ) to
  4. ঘ) in
ব্যাখ্যা
I acceded to his request.
রাজি হওয়া; মেনে নেওয়া; সম্মতি জানানো অর্থে acceded / accede এর পর preposition হিসেবে to ব্যবহৃত হয়।
২৮.
কোনটি 'Gain' শব্দের সমার্থক শব্দ?
  1. ক) Fulfil
  2. খ) Promote
  3. গ) Trouble
  4. ঘ) Advantage
ব্যাখ্যা
Gain শব্দের অর্থ - সঞ্চয়; লাভ; মুনাফা; প্রাপ্তি; বিষয়বৃদ্ধি।

প্রশ্নে উল্লেখিত অপশন গুলোর মধ্যে - 
Fulfil - পালন/প্রতিপালন করা; সম্পন্ন/নিষ্পন্ন করা; পূরণ/পূর্ণ করা।
Promote -  পদোন্নতি দান করা; সংবর্ধিত করা
Trouble -  অসুবিধা, ঝামেলা বা ঝঞ্ঝাটে ফেলা; দুশ্চিন্তায়/অস্বস্তিতে ফেলা।
Advantage - লাভ; উপকার.

সুতরাং বোঝা যাচ্ছে প্রশ্ন প্রদত্ত অপশন গুলোর মধ্যে কেবলমাত্র Advantage শব্দটি gain শব্দটির মত সমার্থক অর্থ প্রকাশ করে।
তাই সঠিক উত্তর হবে - Advantage.
২৯.
কোনটি ‘Benefit শব্দের সমার্থক শব্দ?
  1. ক) Injury
  2. খ) Favour
  3. গ) Draw back
  4. ঘ) Basement
ব্যাখ্যা
Benefit শব্দের অর্থ হচ্ছে উপকার; লাভ; মঙ্গল; সুবিধা; সুফল।

প্রশ্নে প্রদত্ত অন্যান্য অপশন গুলোর মধ্যে - 
Injury -  অপকার; ক্ষতি; অনিষ্ট; আহত; পীড়া।
Favour - অনুগ্রহ; সুনজর, উপকার।
Draw back -  পূর্ব প্রতিশ্রুতি পালনে অনীহা প্রকাশ করা। 
Basement - ভিত্তি; ভিত।

সুতরাং বোঝা যাচ্ছে প্রশ্নে প্রদত্ত অপশন গুলোর মধ্যে কেবল মাত্র Favour শব্দটি Benefit শব্দটির সমার্থক অর্থ প্রকাশ করে।
তাই সঠিক উত্তর - Favour.
৩০.
'All in all' এর অর্থ -
  1. ক) all powerful
  2. খ) powerless
  3. গ) who has lost power
  4. ঘ) only one
ব্যাখ্যা
All in all
English Meaning: on the whole / considering all the different parts of the situation together.
Bangla Meaning: সম্পূর্ণরূপে / সবকিছু বিবেচনা সাপেক্ষে/সর্বেসর্বা

প্রশ্নে উল্লেখিত অপশন গুলোর মধ্যে - 
All powerful - সর্ব ক্ষমতা সম্পন্ন।
Powerless - শক্তিহীন; ক্ষমতাহীন।
Who has lost power - ক্ষমতা হারিয়েছে এমন।
Only one - এক এবং তার বেশি নয়।

সুতরাং 'All in all' এর অর্থ - All powerful.
৩১.
x + y = 5, x - y = 3 হলে x2 + y2 এর মান কত?
  1. ক) 17
  2. খ) 18
  3. গ) 20
  4. ঘ) 22
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: x + y = 5, x - y = 3 হলে x2 + y2 এর মান কত? 

সমাধান: 
দেয়া আছে,
x + y = 5
x - y = 3

এখন 
x2 + y2 = {(x + y)2 + (x - y)2}/2
             = {52 + 32}/2
             = (25 + 9)/2
             = 34/2
             = 17
৩২.
a - 1/a = 5 হলে a2 + 1/a2 এর মান কত?
  1. ক) 20
  2. খ) 23
  3. গ) 25
  4. ঘ) 27
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: a - 1/a = 5 হলে a2 + 1/a2 এর মান কত? 

সমাধান : 
 a - 1/a = 5

a2 + 1/a2 = (a - 1/a)2 + 2.a.1/a
                 = 52 + 2
                 = 25 + 2
                 = 27
৩৩.
একটি কাজ ক একা ১৫ দিনে এবং খ একা ১০ দিনে শেষ করতে পারলে, ক ও খ একত্রে ঐ কাজ কত দিনে শেষ করতে পারবে?
  1. ক) ৫ দিন
  2. খ) ৬ দিন
  3. গ) ৮ দিন
  4. ঘ) ১০ দিন
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: একটি কাজ ক একা ১৫ দিনে এবং খ একা ১০ দিনে শেষ করতে পারলে, ক ও খ একত্রে ঐ কাজ কত দিনে শেষ করতে পারবে?

সমাধান: 
ক ১৫ দিনে করে একটি কাজ
ক ১ দিনে করে কাজের (১/১৫) অংশ

আবার
খ ১০ দিনে করে একটি কাজ
খ ১ দিনে করে কাজের (১/১০) অংশ

ক ও খ একত্রে ১ দিনে করে কাজের (১/১৫ + ১/১০) অংশ
                                                     = (২ + ৩)/৩০ অংশ
                                                       = ৫/৩০ অংশ
                                                        = ১/৬  অংশ
ক ও খ ১/৬  অংশ কাজ করে ১ দিনে 
ক ও খ ১অংশ বা (সম্পূর্ণ) কাজ করে (১ × ৬)/১ দিনে 
                                                      = ৬ দিনে
৩৪.
একটি রাস্তা মেরামত করতে ৩৫ জন শ্রমিকের ১৬ দিন লাগলে ২৮ জন শ্রমিকের কত দিন লাগবে?
  1. ক) ১৮ দিন
  2. খ) ২০ দিন
  3. গ) ২২ দিন
  4. ঘ) ২৪ দিন
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: একটি রাস্তা মেরামত করতে ৩৫ জন শ্রমিকের ১৬ দিন লাগলে ২৮ জন শ্রমিকের কত দিন লাগবে?

সমাধান: 
 ৩৫ জন শ্রমিকের রাস্তা মেরামত করতে লাগে ১৬ দিন 
১ জন শ্রমিকের রাস্তা মেরামত করতে লাগে ১৬ ×৩৫ দিন
২৮ জন শ্রমিকের রাস্তা মেরামত করতে লাগে (১৬ ×৩৫)/২৮ দিন
                                                                   = ২০ দিন
৩৫.
পিতা ও দুই পুত্রের বর্তমান গড় বয়স ২২ বৎসর। ৩ বৎসর পর দুই পুত্রের গড় বয়স ১৩ বৎসর হলে পিতার বর্তমান বয়স কত?
  1. ক) ৪০ বৎসর
  2. খ) ৪২ বৎসর
  3. গ) ৪৩ বৎসর
  4. ঘ) ৪৬ বৎসর
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: পিতা ও দুই পুত্রের বর্তমান গড় বয়স ২২ বৎসর। ৩ বৎসর পর দুই পুত্রের গড় বয়স ১৩ বৎসর হলে পিতার বর্তমান বয়স কত?

সমাধান: 
পিতা ও দুই পুত্রের বর্তমান গড় বয়স ২২ বছর
পিতা ও দুই পুত্রের বর্তমান বয়সের সমষ্টি = (২২ × ৩) বছর
                                                              = ৬৬ বছর 

৩ বছর পর দুই পুত্রের গড় বয়স ১৩ বছর 
৩ বছর পর দুই পুত্রের মোট বয়স = ১৩ × ২ বছর 
                                                  = ২৬ বছর 
বর্তমানে দুই পুত্রের মোট বয়স = ২৬ - ( ৩ + ৩) বছর 
                                              = ২৬ - ৬
                                                = ২০ বছর 

পিতার বর্তমান বয়স = (৬৬ - ২০) = ৪৬ বছর
৩৬.
পিতা ও মাতার বয়সের গড় ৪০ বৎসর। পিতা, মাতা ও পুত্রের বয়সের গড় ৩২ বৎসর হলে, পুত্রের বয়স কত?
  1. ক) ১২ বৎসর
  2. খ) ১৪ বৎসর
  3. গ) ১৬ বৎসর
  4. ঘ) ১৮ বৎসর
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: পিতা ও মাতার বয়সের গড় ৪০ বৎসর। পিতা, মাতা ও পুত্রের বয়সের গড় ৩২ বৎসর হলে, পুত্রের বয়স কত?

সমাধান:
পিতা ও মাতার গড় বয়স= ৪০ বৎসর
পিতা ও মাতার মোট বয়স= (৪০ × ২) বৎসর
                                      = ৮০ বৎসর

পিতা, মাতা ও পুত্রের গড় বয়স = ৩২ বৎসর 
পিতা, মাতা ও পুত্রের মোট বয়স= (৩২ × ৩) বৎসর
                                                = ৯৬ বৎসর

পুত্রের বয়স = (৯৬ - ৮০) বৎসর
                   = ১৬ বৎসর
৩৭.
১৪৩ টাকাকে ২ : ৪ : ৫ অনুপাতে ভাগ করলে, বৃহত্তম ও ক্ষুদ্রতম অংশের পার্থক্য কত টাকা হবে?
  1. ক) ৩৬ টাকা 
  2. খ) ৩৯ টাকা 
  3. গ) ৪০ টাকা 
  4. ঘ) ৪২ টাকা 
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: ১৪৩ টাকাকে ২ : ৪ : ৫ অনুপাতে ভাগ করলে, বৃহত্তম ও ক্ষুদ্রতমঅংশের পার্থক্য কত টাকা হবে?

সমাধান: 
প্রদত্ত অনুপাত = ২ : ৪ : ৫
অনুপাতগুলোর যোগফল = ২ + ৪ + ৫ = ১১

ক্ষুদ্রতম সংখ্যা = ১৪৩ এর ২/১১ = ২৬
বৃহত্তম সংখ্যা = ১৪৩ এর ৫/১১ = ৬৫

∴ বৃহত্তম এবং ক্ষুদ্রতম সংখ্যার পার্থক্য = ৬৫ - ২৬ = ৩৯ টাকা
৩৮.
২৪ কে ৭ : ৬ অনুপাতে বৃদ্ধি করলে নতুন সংখ্যা হবে- 
  1. ক) ২৪
  2. খ) ২৬
  3. গ) ২৮
  4. ঘ) ৩০
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: ২৪ কে ৭ : ৬ অনুপাতে বৃদ্ধি করলে নতুন সংখ্যা হবে- 

সমাধান: 
নতুন সংখ্যা = ক 

প্রশ্নমতে,
ক : ২৪ = ৭ : ৬
ক/২৪ = ৭/৬
৬ক = ২৪ × ৭
ক = (২৪ × ৭)/৬
ক = ২৮
৩৯.
একটি দ্রব্য ৩৮০ টাকায় বিক্রয় করায় ২০ টাকা ক্ষতি হলে শতকরা ক্ষতি কত?
  1. ক) ৪%
  2. খ) ৫%
  3. গ) ৬%
  4. ঘ) ৮%
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: একটি দ্রব্য ৩৮০ টাকায় বিক্রয় করায় ২০ টাকা ক্ষতি হলে শতকরা ক্ষতি কত?

সমাধান:
ক্রয়মূল্য = ৩৮০ + ২০ = ৪০০ টাকা

৪০০ টাকায় ক্ষতি হয় ২০ টাকা
 ১ টাকায় ক্ষতি হয় ২০/৪০০টাকা
 ১০০ টাকায় ক্ষতি হয় (২০ × ১০০)/৪০০
                               = ৫ টাকা
৪০.
৫০টি কলা ২২০ টাকায় বিক্রয় করায় ১০% লাভ হল। ১০০টি কলার ক্রয়মূল্য কত?
  1. ক) ২৫০ টাকা
  2. খ) ২৭৫ টাকা
  3. গ) ৩২৫ টাকা
  4. ঘ) ৪০০ টাকা
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: ৫০টি কলা ২২০ টাকায় বিক্রয় করায় ১০% লাভ হল। ১০০টি কলার ক্রয়মূল্য কত?

সমাধান: 
১০% লাভে 
বিক্রয়মূল্য = (১০০ + ১০) টাকা 
                  = ১১০ টাকা 

বিক্রয়মূল্য ১১০ টাকা হলে ক্রয়মূল্য ১০০ টাকা 
বিক্রয়মূল্য ১ টাকা হলে ক্রয়মূল্য ১০০/১১০ টাকা
বিক্রয়মূল্য ২২০ টাকা হলে ক্রয়মূল্য ১০০ × ২২০/১১০ টাকা  
                                                   = ২০০ টাকা 
৫০ টি কলার ক্রয়মূল্য ২০০ টাকা 
১ টি কলার ক্রয়মূল্য ২০০/৫০ টাকা 
১০০ টি কলার ক্রয়মূল্য ২০০ × ১০০/৫০ টাকা
                                      = ৪০০ টাকা
৪১.
১, ৪, ৭, ১০...... ধারাটির ৭ম পদ কত?
  1. ক) ২২
  2. খ) ২৫
  3. গ) ২৭
  4. ঘ) ৩০
অনির্ধারিত
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: ১, ৪, ৭, ১০...... ধারাটির ৭ম পদ কত?

সমাধান: 
১ম পদ a = ১
সাধারণ অন্তর d = ৭- ৪ = ৩

আমরা জানি,
n তম পদ = a + (n - ১)d
৭ম পদ  = ১ + (৭ - ১)৩
                = ১ + ১৮
                = ১৯

অপশনে সঠিক উত্তর না থাকায় বাতিল  করা হলো।
৪২.
২, ৬, ১৪, ৩০... ধারাটির পরবর্তী সংখ্যা কত?
  1. ক) ৫৬
  2. খ) ৬২
  3. গ) ৭৪
  4. ঘ) ৮০
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: ২, ৬, ১৪, ৩০... ধারাটির পরবর্তী সংখ্যা কত?

সমাধান: 
এখানে,
২ + ৪ = ৬
৬ + ৮ = ১৪
১৪ + ১৬ = ৩০
৩০ + ৩২ = ৬২
৪৩.
কোন পরীক্ষায় ৮৫% পরীক্ষার্থী পদার্থবিদ্যায়, ৮০% পরীক্ষার্থী রসায়নবিদ্যায় এবং ৭৫% পরীক্ষার্থী উভয় বিষয়ে পাস করে। কতজন পরীক্ষার্থী উভয় বিষয়ে ফেল করেছে?
  1. ক) ৮ জন
  2. খ) ১০ জন
  3. গ) ১২ জন
  4. ঘ) ১৫ জন
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: কোন পরীক্ষায় ৮৫% পরীক্ষার্থী পদার্থবিদ্যায়, ৮০% পরীক্ষার্থী রসায়নবিদ্যায় এবং ৭৫% পরীক্ষার্থী উভয় বিষয়ে পাস করে। কতজন পরীক্ষার্থী উভয় বিষয়ে ফেল করেছে?

সমাধান: 
শুধু পদার্থবিদ্যায় পাশ করে =(৮৫ - ৭৫)% = ১০%
শুধু রসায়নবিদ্যায় পাশ করে =(৮৫ - ৮০)% = ৫%
পদার্থবিদ্যা, রসায়নবিদ্যা ও উভয় বিষয়ে  পাশ করে = (১০ + ৫ + ৭৫)%
                                                                             = ৯০% 
উভয় বিষয়ে ফেল করেছে= (১০০ - ৯০)% = ১০%
৪৪.
একই চাপের উপর দণ্ডায়মান কেন্দ্রস্থ কোণের পরিমাণ ১১০° হলে পরিধিস্থ কোণের পরিমাণ হবে-
  1. ক) ৫০°
  2. খ) ৫৫°
  3. গ) ৬০°
  4. ঘ) ৭০°
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: একই চাপের উপর দণ্ডায়মান কেন্দ্রস্থ কোণের পরিমাণ ১১০° হলে পরিধিস্থ কোণের পরিমাণ হবে-

সমাধান: 
বৃত্তের একই চাপের উপর দণ্ডায়মান বৃত্তস্থ কোণ কেন্দ্রস্থ কোণের অর্ধেক।
বা বৃত্তের একই চাপের উপর দণ্ডায়মান কেন্দ্রস্থ কোণ বৃত্তস্থ কোণের দ্বিগুণ।
যেমন, কেন্দ্রস্থ কোণের পরিমাণ ১১০° হলে পরিধিস্থ কোণের পরিমাণ হবে ১১০°/২ = ৫৫°
৪৫.
সুষম পঞ্চভুজের একটি বহিঃস্থ কোণের পরিমাণ হবে-
  1. ক) ৬০°
  2. খ) ৬৪°
  3. গ) ৭০°
  4. ঘ) ৭২°
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: সুষম পঞ্চভুজের একটি বহিঃস্থ কোণের পরিমাণ হবে-

সমাধান: 
 সুষম পঞ্চভুজের
প্রতিটি বহিঃস্থ কোণের পরিমাপ = ৩৬০°/৫ = ৭২°
৪৬.
কোন মাধ্যমে শব্দের গতি সবচেয়ে বেশি?
  1. ক) শূন্যতায়
  2. খ) কঠিন পদার্থে
  3. গ) তরল পদার্থে
  4. ঘ) বায়বীয় পদার্থে
ব্যাখ্যা
- শব্দ প্রতি সেকেন্ডে যে দূরত্ব অতিক্রম করে তাকে শব্দের গতি বা দ্রুতি বলে।
- কঠিন মাধ্যমে (যেমন- ইস্পাত, লোহা) শব্দ সবচেয়ে দ্রুত চলে,
- তরল মাধ্যমে (যেমন- পানি) তার চেয়ে ধীরে চলে‌,
- বায়বীয় মাধ্যমে শব্দের গতি সবচেয়ে কম।

উল্লেখ্য, শব্দ মাধ্যম ছাড়া পরিবাহিত হতে পারে না। তাই শূণ্যতায় শব্দের কোন অস্তিত্বই নেই, গতি কম বা বেশি হওয়ার তো প্রশ্নই আসে না।

উৎস: পদার্থ বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
৪৭.
কোন রঙের বস্তুর তাপ শোষণ ক্ষমতা কম?
  1. ক) কালো
  2. খ) সাদা
  3. গ) বেগুনি
  4. ঘ) লাল
ব্যাখ্যা
- সাদা রঙের জামার তাপ শোষণ ক্ষমতা কম।
- এজন্যই গ্রীষ্মকালে সাদা রঙের জামা অধিক আরামদায়ক।
- অন্যদিকে, কালো রঙের জামার তাপ শোষণ ক্ষমতা বেশি, সেজন্য তা গ্রীষ্মকালে ততটা আরামদায়ক হয় না।

সূত্র:- পদার্থবিজ্ঞান (উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়)।
৪৮.
প্রাকৃতিক গ্যাসের প্রধান উপাদান হলো-
  1. ক) মিথেন
  2. খ) নাইট্রোজেন গ্যাস
  3. গ) হিলিয়াম গ্যাস
  4. ঘ) হাইড্রোজেন গ্যাস
ব্যাখ্যা
• প্রাকৃতিক গ্যাসের প্রধান উপাদান হলো মিথেন
প্রাকৃতিক গ্যাসের উপাদানগুলাে হলাে:
- মিথেন - ৮০% - ৯০%
- ইথেন - ১৩%
- প্রােপেন - ৩%
• এছাড়া বিউটেন, ইথিলিন ও নাইট্রোজেনও কিছু পরিমাণ থাকে।
• আমাদের বাংলাদেশে প্রাপ্ত প্রাকৃতিক গ্যাসে মিথেনের পরিমাণ ৯৫% - ৯৯%।

তথ্যসূত্র:- রসায়ন, নবম-দশম শ্রেণি।
৪৯.
বায়োগ্যাস প্ল্যান্টে গোবর ও পানির অনুপাত হলো-
  1. ক) ১ : ২
  2. খ) ১ : ৩
  3. গ) ১ : ৪
  4. ঘ) ২ : ৩
অনির্ধারিত
ব্যাখ্যা
• সঠিক উত্তর না থাকায় প্রশ্নটি বাতিল করা হয়েছে।
- বায়োগ্যাস প্ল্যান্টে গোবর ও পানির অনুপাত হলো- ১:১
- বায়োগ্যাস প্ল্যান্টে মুরগীর বিষ্ঠা ও পানির অনুপাত হলো- ১:২
৫০.
হাড় ও দাঁতকে মজবুত করে-
  1. ক) আয়োডিন
  2. খ) আয়রন
  3. গ) ম্যাগনেসিয়াম
  4. ঘ) ফসফরাস
ব্যাখ্যা
• ফসফরাস দাঁত ও অস্থি গঠন, রক্ত তঞ্চন, পেশী সংকোচন ইত্যাদি গুরুত্বপূর্ণ কাজ করে।

অন্যদিকে,
• আয়রন রক্তের হিমোগ্লোবিনের অন্যতম প্রধান উৎস।
• ম্যাগনেসিয়াম শরীর গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে এবং
• আয়োডিনের অভাবে থাইরয়েড গ্লান্ডের কর্মকান্ড ব্যাহত হয় এবং গলগন্ড, বামনত্ব, প্রভৃতি দেখা দেয়।

উৎস:- জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
৫১.
সমাজের ভিত্তি কোনটি?
  1. ক) ঐক্য
  2. খ) কর্তব্যবোধ
  3. গ) শিষ্টাচার
  4. ঘ) ন্যায়বোধ
ব্যাখ্যা
- একদল মানুষ যখন কোনো সাধারণ উদ্দেশ্য সাধনের জন্য একত্রিত ও সংঘবদ্ধ হয়ে বসবাস করে তখন তাকে
সমাজ বলে।
- অন্যভাবে বলা যায়, পরস্পর নির্ভরশীল হয়ে গড়ে ওঠা জনসমষ্টিকে সমাজ বলে।
- সমাজের ভিত্তি হলো ঐক্য

তথ্যসূত্র:- বাংলাদেশ ও বিশ্ব পরিচয়, ষষ্ঠ শ্রেণি।
৫২.
মাটির উর্বরতা বৃদ্ধিতে সাহায্য করে বায়ুর -
  1. ক) অক্সিজেন
  2. খ) নাইট্রোজেন
  3. গ) হাইড্রোজেন
  4. ঘ) কার্বন ডাইঅক্সাইড
ব্যাখ্যা
- মাটির উর্বরতা বৃদ্ধিতে সাহায্য করে নাইট্রোজেন
- রাইজোবিয়াম একপ্রকার ব্যাকটেরিয়া। শিম জাতীয় উদ্ভিদের শিকড়ে এক ধরনের গুটলি দেখা যায়, যার ভিতর রাইজোবিয়াম জাতীয় ব্যাকটেরিয়া থাকে, যা বাতাসের নাইট্রোজেনকে নাইট্রেট সারে রূপান্তরিত করে মাটির উর্বরতা বৃদ্ধি করে।

উৎস: জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
৫৩.
নিচের কোন উদ্ভিদটিতে ক্লোরোফিল নেই?
  1. ক) এককোষী শৈবাল
  2. খ) ফার্ন
  3. গ) ব্যাঙের ছাতা
  4. ঘ) সামুদ্রিক শৈবাল
ব্যাখ্যা
- ছত্রাকে ক্লোরোফিল বা অন্য কোনো ফটোসিন্থেটিক পিগমেন্ট না থাকায় এরা সালোকসংশ্লেষণ প্রক্রিয়ায় খাদ্য প্রস্তুত করতে পারে না। 
- তাই ছত্রাক মৃতজীবী বা পরজীবী।
- এরা অভাস্কুলার, অসবুজ ও অপুষ্পক উদ্ভিদ।

উৎস: উদ্ভিদবিজ্ঞান, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
৫৪.
কোন হরমোনের অভাবে ডায়াবেটিস রোগ হয়?
  1. ক) গ্লুকানন
  2. খ) ইনসুলিন
  3. গ) থাইরোসিন
  4. ঘ) এড্রিনালিন
ব্যাখ্যা
- বহুমূত্র রোগ, মধুমেহ বা ডায়াবেটিস মেলিটাস এক ধরনের বিপাকজনিত রোগ।
- প্যানক্রিয়াস থেকে ইনসুলিন নামক এক ধরনের হরমোন নির্গত হয়, যা রক্তে গ্লুকোজের পরিমাণকে কমায়।
- কারো ডায়াবেটিস হলে প্যানক্রিয়াস যথেষ্ট ইনসুলিন নির্গত করতে পারে না, কিংবা শরীর ইনসুলিনকে ব্যবহার করতে পারে না।
যে কারণে গ্লুকোজের পরিমাণ বেড়ে যায়।

উৎস: বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
৫৫.
বাংলাদেশের প্রশস্ততম নদী কোনটি?
  1. ক) যমুনা
  2. খ) মেঘনা
  3. গ) সুরমা
  4. ঘ) ধলেশ্বরী
ব্যাখ্যা
- মেঘনা নদী বাংলাদেশের অন্যতম বৃহৎ নদী ও প্রশস্ততম নদী
- চাঁদপুরের পর থেকে বঙ্গোপসাগর পর্যন্ত পদ্মা ও মেঘনার মিলিত ধারার নাম মেঘনা।
- উৎপত্তিস্থলে মেঘনার নাম ছিল বরাক নদী।
- ভোলার চরফ্যাশন এলাকায় মেঘনা বঙ্গোপসাগরের সাথে মিলিত হয়েছে।

সূত্র: ভূগোল, নবম-দশম শ্রেণি।
৫৬.
সমুদ্রপৃষ্ঠে বায়ুর চাপ প্রতি বর্গ সে.মি.-এ-
  1. ক) ৫ কি.মি.
  2. খ) ১০ কি.মি.
  3. গ) ২৭ কি.মি.
  4. ঘ) ১০ নিউটন
ব্যাখ্যা
- সমুদ্রপৃষ্টে বায়ু চাপ ১০ নিউটন বা 10m/atm(m=meter,atm=atmosphere)। এবং যেহেতু পানির ঘনত্ব সমান তাই তলদেশের দিকে যেতে থাকলে চাপ একই হারে বাড়তে থাকে।

উৎস:- পদার্থ বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
৫৭.
অধিকাংশ ফটোকপি মেশিন কাজ করে-
  1. অফসেট মুদ্রণ পদ্ধতিতে
  2. পোলারয়েড ফটোগ্রাফি পদ্ধতিতে
  3. ডিজিটাল ইমেজিং পদ্ধতিতে
  4. স্থির বৈদ্যুতিক ইমেজিং পদ্ধতিতে
ব্যাখ্যা
ফটোকপি মেশিন কাজ করে বিপরীত আকর্ষণ নীতিতে। যা তৈরি হয় স্ট্যাটিক ইলেক্ট্রিসিটি অর্থাৎ স্থির বৈদ্যুতিক ইমেজিং পদ্ধতিতে। 
৫৮.
গঠন অনুসারে বাক্য কত প্রকার?
  1. ক) তিন প্রকার
  2. খ) দুই প্রকার
  3. গ) পাঁচ প্রকার
  4. ঘ) ছয় প্রকার 
ব্যাখ্যা
গঠন অনুসারে বাক্য তিন প্রকার। যথা-
১) সরল বাক্য,
২) মিশ্র বা জটিল বাক্য এবং
৩) যৌগিক বাক্য।

তথ্যসূত্র:- বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি।
৫৯.
সমস্যা সমাধানের জন্য বিশেষ অনুক্রমে সাজানো কম্পিউটার নির্দেশকে বলা হয়-
  1. ক) প্রক্রিয়াকরণ
  2. খ) প্রোগ্রাম
  3. গ) নিয়ন্ত্রণ
  4. ঘ) স্মৃতি
ব্যাখ্যা
- কোন সমস্যা সমাধানের জন্য কম্পিউটারের বোধগম্য ভাষায় নির্দেশ বা কোড লেখা হয়।
এরূপ সারিবদ্ধ সুশৃঙ্খল একগুচ্ছ নির্দেশমালার সমষ্টিকে প্রোগ্রাম বলে। প্রোগ্রাম হলো ধারাবাহিকভাবে সাজানো কতকগুলো নির্দেশের সমষ্টি যা কম্পিউটারের কাজে সহায়তা করে। আর ভাষা হচ্ছে সেইসব নির্দেশাবলী লেখার সংকেত বা কোড।
- অর্থাৎ প্রোগ্রামিং ভাষা হচ্ছে সেই কোড যা দ্বারা কম্পিউটারের মাধ্যমে সমস্যা সমাধান করা যায়।

সূত্র:- তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৬০.
যখন সূর্য ও চন্দ্রের মধ্যে পৃথিবী অবস্থান করে তখন হয়-
  1. ক) সূর্যগ্রহণ
  2. খ) চন্দ্রগ্রহণ
  3. গ) পূর্ণিমা
  4. ঘ) অমাবস্যা
ব্যাখ্যা
- চন্দ্রগ্রহণ হয় যখন চাঁদ আর সূর্যের মাঝখানে থাকে পৃথিবীর অবস্থান।
- পৃথিবী তখন আলোর উৎস বন্ধ করে দেয়।
- চন্দ্রগ্রহণের সময় আমরা দেখি চাঁদের পিঠে পৃথিবীর ছায়া।

- চাঁদ যখন পৃথিবীর কক্ষপথে ঘোরে, তখন তার প্রদক্ষিণ পথে কখনও কখনও চাঁদ এসে পড়ে সূর্য এবং পৃথিবীর মাঝখানে।
- তখন তারা থেকে আলোর বিচ্ছুরণ বাধাগ্রস্ত হয় এবং সূর্যের গ্রহণ ঘটে।
- অন্যভাবে বললে বলা যায়, চাঁদ এই সময় পৃথিবীকে তার ছায়ায় ঢেকে ফেলে।

উৎস: বিবিসি।
৬১.
সূর্যের আয়তন পৃথিবী অপেক্ষা বড়-
  1. ক) ১৩ মিলিয়ন গুণ
  2. খ) ১০ মিলিয়ন গুণ
  3. গ) ১.৩ মিলিয়ন গুণ
  4. ঘ) ১.০ মিলিয়ন গুণ
ব্যাখ্যা
- সৌরজগতের কেন্দ্রে অবস্থিত মাঝারি আয়তনের নক্ষত্র সূর্য।
- পৃথিবীর ব্যাস প্রায় ১৩,০০০ কিলোমিটার এবং সূর্যের ব্যাস প্রায় ১৪,০০০০০ কিলোমিটার।
- সূর্যের আয়তন পৃথিবী অপেক্ষা প্রায় ১৩ লক্ষ গুণ বড়।
- পৃথিরী থেকে এর গড় দূরত্ব প্রায় ১৫০ মিলিয়ন কিলোমিটার।
- সূর্য তার নিজস্ব গ্যালাক্সির চতুর্দিকে বৃত্তাকার পথে ২০ কোটি বছরে একবার প্রদক্ষিণ করে এবং নিজ কক্ষপথে প্রায় ২৫ দিনে একবার আবর্তন করে।
- সূর্যের কেন্দ্রভাগে তাপমাত্রা ৮ মিলিয়ন থেকে ৪০ মিলিয়ন ডিগ্রী সেলসিয়াস এবং পৃষ্ঠদেশের তাপমাত্রা প্রায় ৫,৭০০ ডিগ্রী সেলসিয়াস।
- সূর্যের বিকিরণকৃত তাপের মাত্র ২০০ কোটি ভাগের ১ ভাগ পৃথিবীতে আসে। যার দরুণ ভূ-পৃষ্ঠে উদ্ভিদ ও প্রাণী বেঁচে থাকে ।

তথ্যসূত্র:- বাংলাদেশ ও বিশ্ব পরিচয়, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৬২.
প্রশস্ত মোহনাকে বলা হয়-
  1. ক) মোহনা
  2. খ) খাড়ি
  3. গ) উৎস
  4. ঘ) নদী সঙ্গম
অনির্ধারিত
ব্যাখ্যা
নদীর উৎস : যেখান থেকে নদীর উৎপত্তি হয় তাকে নদীর উৎস বলে।
 
মোহনা : নদী যখন কোন হ্রদ বা সাগরে এসে পতিত হয়, তখন সেই পতিত স্থানকে মোহনা বলে। 

দোয়াব (Doab) : পাশাপাশি অবস্থিত দুইটি নদীর মধ্যবর্তী অপেক্ষাকৃত উঁচু পলল সমভূমি অঞ্চলকে দোয়াব বলে । যেমন: গঙ্গা ও যমুনার মধ্যবর্তী দোয়াব অঞ্চল।

নদীসঙ্গম (River Confluence) : দুই বা ততোধিক নদীর মিলনস্থলকে নদীসঙ্গম বলে। যেমন: পদ্মা ও যমুনার মিলনস্থল গোয়ালন্দ উক্ত দুই নদীর নদীসঙ্গম অঞ্চল।
 
অপরদিকে , খাড়ি অর্থ : সমুদ্র থেকে স্থলভাগে প্রবিষ্ট ক্ষীণ জলধারা, নদী বা খালের সংকীর্ণ অংশ,
 
অপশনগুলোতে সঠিক উত্তর না থাকায়, তা বাতিল করা হয়েছে। 
 
উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়; আধুনিক বাংলা অভিধান, বাংলা একাডেমি।
৬৩.
শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস কবে পালন করা হয়?
  1. ক) ১৪ ডিসেম্বর
  2. খ) ১৩ ডিসেম্বর
  3. গ) ১২ ডিসেম্বর
  4. ঘ) ১১ ডিসেম্বর
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশে প্রতিবছর ১৪ ডিসেম্বর ‘শহিদ বুদ্ধিজীবী দিবস’ পালিত হয়।
- ১৯৭১ সালের এই দিনে পাকিস্তানের এদেশীয় দোসররা বাঙালি জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তানদের পরিকল্পিতভাবে হত্যা করে।
- সব শহীদ বুদ্ধিজীবীর প্রকৃত সংখ্যা অদ্যাবধি নিরূপণ করা সম্ভব হয় নি। প্রাপ্ত তথ্যসূত্র থেকে শহীদদের মোটামুটি একটা সংখ্যা দাঁড় করানো যায়। এঁদের মধ্যে ছিলেন ৯৯১ জন শিক্ষাবিদ, ১৩ জন সাংবাদিক, ৪৯ জন চিকিৎসক, ৪২ জন আইনজীবী, ৯ জন সাহিত্যিক ও শিল্পী, ৫ জন প্রকৌশলী,এবং অন্যান্য ২ জন।
- শহিদ বুদ্ধিজীবীদের স্মৃতি অমর করে রাখতে ১৯৭২ সালে ঢাকার মিরপুরে মোস্তফা আলী কুদ্দুসের নকশায় শহীদ বুদ্ধিজীবী স্মৃতিসৌধ নির্মাণ করা হয়।

তথ্যসূত্র:- বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি।
৬৪.
কাপ্তাই থেকে প্লাবিত পার্বত্য চট্টগ্রামের উপত্যকা এলাকা-
  1. ক) মারিস্যা ভ্যালী
  2. খ) খাগড়া ভ্যালী
  3. গ) জাবরী ভ্যালী
  4. ঘ) ভেঙ্গী ভ্যালী
ব্যাখ্যা
- কাপ্তাই থেকে প্লাবিত উপত্যকা বা ভ্যালি ভেঙ্গি ভ্যালি নামে পরিচিত। এটি রাঙামাটি জেলার কাপ্তাইয়ে অবস্থিত।
অন্যদিকে,
- হালদা ভ্যালি : খাগড়াছড়ি
- সাজেক ভ্যালি : রাঙামাটি
- বালিশিরা ভ্যালি : মৌলভীবাজার।
- সাঙ্গু ভ্যালি - চট্টগ্রাম
- নাপিত খালি ভ্যালি - কক্সবাজার

সূত্র: জাতীয় তথ্য বাতায়ন ও দৈনিক পত্রিকা।
৬৫.
ধলেশ্বরী নদীর শাখানদী কোনটি?
  1. ক) শীতলক্ষ্যা
  2. খ) বুড়িগঙ্গা
  3. গ) ধরলা
  4. ঘ) বংশী
ব্যাখ্যা
- ‍বুড়িগঙ্গা ধলেশ্বরীর শাখা নদী।
- ধলেশ্বরী যমুনার শাখা নদী।
- শীতলক্ষ্যা ব্রহ্মপুত্রের শাখা নদী।

সূত্রঃ- ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।
৬৬.
মিসিসিপি-মিশৌরী নদীর একত্রে দৈর্ঘ্য প্রায়-
  1. ক) ৯৫০৮ কি.মি.
  2. খ) ৫০৯৮ কি.মি.
  3. গ) ৬০৯৫ কি.মি.
  4. ঘ) ৮০৯৫ কি.মি.
ব্যাখ্যা
মিসিসিপি-মিশৌরী নদীর একত্রে দৈর্ঘ্য প্রায় ৫৯৭১ কিমি। ৬০৯৫ কিমি অপশনে থাকায় এটিকে সঠিক উত্তর হিসেবে ধরা হয়েছে। কারন অনেক সময় কাছাকাছি উত্তরকে সঠিক উত্তর হিসেবে বিবেচনা করা হয়।

তথ্যসূত্র:- ব্রিটানিকা।
৬৭.
পৃথিবীর উচ্চতম রাজধানী-
  1. ক) লাপাজ
  2. খ) নিউইয়র্ক
  3. গ) ব্রাসিলিয়া
  4. ঘ) জর্জটাউন
ব্যাখ্যা
- বোলিভিয়ার রাজধানী লাপাজ পৃথিবীর উচ্চতম রাজধানী।
- সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে এর উচ্চতা ৩৬৫০ মিটার।
- দ্বিতীয় উচ্চতম রাজধানী হচ্ছে ইকুয়েডরের কিটো।

Source: Worldatlas.
৬৮.
পৃথিবীতে প্রধান তামা উৎপাদনকারী দেশ-
  1. ক) কানাডা
  2. খ) চিলি
  3. গ) যুক্তরাজ্য
  4. ঘ) যুক্তরাষ্ট্র
ব্যাখ্যা
পৃথিবীতে প্রধান তামা উৎপাদনকারী দেশ - 
১। চিলি
২। পেরু
৩। চীন
৪। কঙ্গো
৫। যুক্তরাষ্ট্র

তথ্যসূত্র:- https://worldpopulationreview.com/
৬৯.
জাতীয় জাদুঘরের স্থপতি- 
  1. ক) মোস্তফা কামাল
  2. খ) মোস্তফা মনোয়ার 
  3. গ) মাজাহারুল ইসলাম
  4. ঘ) কাজী আরিফ
অনির্ধারিত
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশ জাতীয় জাদুঘর রাজধানী ঢাকার শাহবাগে অবস্থিত দেশের প্রধান জাদুঘর। 
- এটি ২০ মার্চ, ১৯১৩ সালে প্রতিষ্ঠিত হয় এবং ৭ আগস্ট, ১৯১৩ এর আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন হয়। 
- ১৯৮৩ সালের ১৭ নভেম্বর এটিকে জাতীয় জাদুঘরের মর্যাদা দেয়া হয়। 
- এখানে নৃতত্ত্ব, চারুকলা, ইতিহাস, প্রকৃতি এবং আধুনিক ও বিশ্ব-সভ্যতা, বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ ইত্যাদি বিষয়ে আলাদা ৪৪টি প্রদর্শনীকক্ষ (গ্যালারি) রয়েছে। 
- এছাড়া এখানে একটি সংরক্ষণাগার, গ্রন্থাগার, মিলনায়তন, আরকাইভ, সিনেস্কেইপ এবং চলচ্চিত্র প্রদর্শনালয় রয়েছে। 
- এই স্থাপনার নকশা করেছেন দেশের প্রখ্যাত স্থপতি সৈয়দ মাইনুল হোসেন।
 
উৎস : যুগান্তর 
 
অপশনে সৈয়দ মাইনুল হোসেন না থাকায় তা বাতিল করে দেওয়া হয়েছে। 

৭০.
সাত গম্বুজ মসজিদটির নির্মাতা-
  1. ক) সুবেদার ইসলাম খান
  2. খ) মীরজুমলা
  3. গ) মুরশীদ কুলী খান
  4. ঘ) শায়েস্তা খান
ব্যাখ্যা
- সাত গম্বুজ মসজিদ ঢাকার মোহাম্মদপুরে অবস্থিত। এটির নির্মাতা মুঘল সুবাদার শায়েস্তা খান। ১৬৮০ খ্রিস্টাব্দে তিনি এটি নির্মাণ করেন।
- তবে অন্য তথ্যমতে এটির নির্মাতা শায়েস্তা খানের ছেলে বুজুর্গ উদ্দিন (উমিদ)।
- বর্তমানে মসজিদটি প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তরের তত্ত্বাবধানে আছে।

তথ্য: ঢাকা জেলা ওয়েবসাইট।
৭১.
নোয়াখালীর পূর্বনাম -
  1. ক) নাসিরাবাদ
  2. খ) পূর্বাশা
  3. গ) সুধারাম
  4. ঘ) সুবর্ণগ্রাম
ব্যাখ্যা
নোয়াখালীর নামকরণ: ১৭৬০ এর দশকের শেষের দিকে নোয়াখালীর নামের উৎপত্তি হয়।তখন আওরঙ্গজেব ছিলেন দিল্লির সম্রাট। পার্বত্য ত্রিপুরার পাহাড় থেকে উৎসারিত ডাকাতিয়া নদীর বন্যায় ঘন ঘন প্লাবিত হতো ভুলুয়ার উত্তর এবং পূর্বাঞ্চল। বন্যার হাত থেকে এখানকার কৃষি অঞ্চলকে রক্ষা করার জন্য কুমিল্লার ফৌজদারের তত্ত্বাবধানে ডাকাতিয়া থেকে রামগঞ্জ, সোনাইমুড়ী, চৌমুহনীর মধ্য দিয়ে একটি নতুন খাল কেটে বন্যার পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা করা হলো মেঘনা ও ফেণী নদীর সঙ্গমস্থলে।
সুদীর্ঘ এই খালটি খননের পর ভুলুয়া ভূখন্ডের নতুন নাম হলো নোয়াখালী, অর্থাৎ নতুন খালের দেশ। ‘নতুন’ শব্দের স্থানীয় লোকজ নাম ‘নোয়া’ থেকেই মোঘল যুগে কাটা খালটি ‘নোয়াখাল’ লোকমুখে এই অঞ্চলটিকে অভিহিত করেছে নোয়াখালী নামে।
১৮২১ সালে নোয়াখালীকে পৃথক জেলা গঠন করলেও ভুলুয়া নামেই এ জেলার পরিচিতি ছিল। ১৮২২ সালের ২৯ মার্চ গভর্ণর দ্বিতীয় হেস্টিংস স্বপরিষদে নোয়াখালীকে একটি পৃথক জেলার মর্যাদা দান করেন। কিন্তু ভুলুয়া রাজ্যের ঐতিহ্য রক্ষার জন্য নবঘোষিত জেলার নামকরণ করা হয় ভুলুয়া।
১৮৬৮ সাল হতে সরাসরি এ অঞ্চলের নামকরণ করা হয় নোয়াখালী। ১৯৮৪ সালে নোয়াখালী জেলা ভেঙ্গে লক্ষীপুর ও ফেণী নামে আলাদা দুটি জেলা গঠিত ।
সুধারাম (সদর) থানা: আয়তন এবং জনসংখ্যার দিক থেকে সদর থানাটি নোয়াখালী জেলার দ্বিতীয় বৃহত্তম থানা হিসেবে পরিচিত। ১৮৬১ সালে এটি একটি থানা হিসেবে পরিচিতি লাভ করে।
- এ থানাটির পূর্বে ‘সুধারাম’ থানা হিসেবে পরিচিতি ছিল।
- ১৯৮৩ সালের ডিসেম্বর মাসে এ থানা নোয়াখালী সদর থানা হিসেবে পুন:নামকরণ করা হয়।

উৎস:- সরকারী তথ্য বাতায়ন।
৭২.
ঢাকার ছোট কাটরা নির্মাণ করেন-
  1. ক) ইসলাম খান
  2. খ) মীর জুমলা
  3. গ) শায়েস্তা খান
  4. ঘ) শাহজাদা আযম
ব্যাখ্যা
- ছোট কাটরা হলো পুরাতন ঢাকার একটি মুঘল স্থাপত্য নিদর্শন।
- এটি বুড়িগঙ্গা নদীর তীরে পুরান ঢাকার চকবাজারের হাকিম হাবিবুর রহমান লেনে অবস্থিত।
- মুঘল সুবাদার শায়েস্তা খান ১৬৬৪ সালের দিকে এটি নির্মাণ করেন।
- এটির পাশেই শাহ সুজা নির্মিত বড় কাটরা (১৬৪৪ খ্রি.) অবস্থিত।

তথ্যসূত্র: বাংলাপিডিয়া।
৭৩.
বাংলাদেশের কোথায় মৌর্য শীলালিপি পাওয়া গেছে?
  1. ক) কুমিল্লার ময়নামতি
  2. খ) রাজশাহীর পাহাড়পুর
  3. গ) বগুড়ার মহাস্থানগড়
  4. ঘ) নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁও
ব্যাখ্যা
• বাংলাদেশের বগুড়ার মহাস্থানগড়মৌর্য শীলালিপি পাওয়া গেছে।
- মহাস্থান বা মহাস্থানগড়ে বাংলাদেশের সর্বপ্রাচীন ও সর্ববৃহৎ নগর পুন্ড্রনগরের ধ্বংসাবশেষ বিদ্যমান।
- স্থানটি বগুড়া শহর থেকে ১৩ কিমি উত্তরে ঢাকা-দিনাজপুর মহাসড়কের পাশে  অবস্থিত।
- আয়তাকার ধ্বংসস্তূপটি উত্তর-দক্ষিণে ১৫০০ মিটার এবং পূর্ব-পশ্চিমে ১৪০০ মিটার বিস্তৃত।

সূত্র: বাংলাপিডিয়া
৭৪.
শীতলক্ষ্যা নদী উৎপন্ন হয়েছে-
  1. ক) যমুনা নদী হতে
  2. খ) পদ্মা নদী হতে
  3. গ) ব্রহ্মপুত্র নদী হতে
  4. ঘ) মেঘনা নদী হতে
ব্যাখ্যা
• শীতলক্ষ্যা নদী (Shitalakshya River)  পুরাতন ব্রহ্মপুত্র নদ থেকে উৎপন্ন।
- শীতলক্ষ্যা কলাগাছিয়ার কাছে ধলেশ্বরী নদীতে পড়েছে।
- বাংলাদেশের অন্যতম নদীবন্দর নারায়ণগঞ্জ বন্দর ও শহর এই নদীর তীরে অবস্থিত।
- বাংলাদেশের এককালীন বিখ্যাত মসলিন শিল্প শীতলক্ষ্যা নদীর উভয় তীরবর্তী অঞ্চলে গড়ে উঠেছিল।

সূত্র: বাংলাপিডিয়া
৭৫.
সনেটের কটি অংশ?
  1. ক) ১টি
  2. খ) ২টি
  3. গ) ৩টি
  4. ঘ) ৪টি
ব্যাখ্যা
সনেটের দুটি অংশ।
যথাঃ
- অষ্টক এবং
- ষষ্টক।

 প্রথম আট লাইনকে বলে অষ্টক যেখানে ভাবের প্রবর্তনা হয়, পরের ছয় লাইন অর্থাৎ ষষ্টকে ভাবের পরিণতি থাকে।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা- ড. সৌমিত্র শেখর।
৭৬.
'সাম্য' গ্রন্থের রচয়িতা কে?
  1. ক) কাজী নজরুল ইসলাম
  2. খ) মোহাম্মদ বরকতুল্লাহ
  3. গ) বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
  4. ঘ) মোহাম্মদ লুৎফর রহমান
ব্যাখ্যা
'সাম্য'(১৮৭৯) গদ্যগ্রন্থের রচয়িতা বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়।
- বঙ্গদর্শন পত্রিকায় 'সাম্য' বিষয়ক তিনটি এবং 'বঙ্গদেশের কৃষক' বিষয়ক প্রবন্ধের কিছু অংশ নিয়ে গ্রন্থটি প্রকাশিত হয়। 

উল্লেখ, 'সাম্যবাদী' কাব্যগ্রন্থটির রচয়িতা কাজী নজরুল ইসলাম।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
৭৭.
কোনটি বেশি স্থিতিস্থাপক?
  1. ক) ইস্পাত
  2. খ) রাবার
  3. গ) কাচ
  4. ঘ) পানি
ব্যাখ্যা
বাহ্যিক বল প্রয়োগ করে কোনো বস্তুর আকার বা আয়তন বা উভয়েরই পরিবর্তনের চেষ্টা করলে, যে ধর্মের ফলে বস্তুটি এই পরিবর্তনের প্রচেষ্টাকে বাধা দেয় এবং বাহ্যিক বল অপসারিত হলে বস্তু তার পূর্বের আকার ও আয়তন ফিরে পায়, সেই ধর্মকে স্থিতিস্থাপকতা বলা হয়।
কঠিন, তরল, গ্যাসীয় সব পদার্থের মধ্যেই এই ধর্ম কম বেশী আছে।

রবার ও ইস্পাতের স্থিতিস্থাপকতাঃ বাহ্যিক বলের বিরুদ্ধে যে বস্তুর বাধা প্রদানের ক্ষমতা বেশি তার স্থিতিস্থাপকতা বেশি।
অর্থাৎ, নির্দিষ্ট পরিমাণ দৈর্ঘ্য বা আয়তনের পরিবর্তন ঘটাতে যে পদার্থে যত বেশি বাহ্যিক বল প্রয়োগ করার প্রয়োজন হয় তাকে তত বেশি স্থিতিস্থাপক বলা হয়। সমান মাপের ইস্পাতের তার ও রবারের দড়ির মধ্যে নির্দিষ্ট পরিমাণ পরিবর্তন ঘটাতে রবার অপেক্ষা ইস্পাতে বেশি বল প্রয়োগ করতে হয়। তাই, ইস্পাত রবার অপেক্ষা বেশি স্থিতিস্থাপক।

উৎস:- পদার্থ বিজ্ঞান, এইচএসসি ১ম পত্র, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৭৮.
'কাশবনের কন্যা' কোন জাতীয় রচনা?
  1. ক) নাটক
  2. খ) উপন্যাস
  3. গ) কাব্য
  4. ঘ) ছোটগল্প
ব্যাখ্যা
• 'কাশবনের কন্যা' (১৯৫৪) শামসুদ্দীন আবুল কালাম রচিত একটি উপন্যাস। 
- এ উপন্যাসে গ্রামকে এমনভাবে তুলে আনা হয়েছে যে, দু;খ-দারিদ্র থাকলেও গ্রামই সুখের স্বর্গ, সমস্ত বিশ্বাসের আধার।
- উপন্যাসে বরিশাল অঞ্চলের ভূ-প্রকৃতি, লোকজীবন, গ্রামীণ দিগন্ত ফটোগ্রাফিকভাবে চিত্রায়িত।

• উল্লেখযোগ্য চরিত্র - সিকদার, হোসেন, জোবেদা, মেহেরজান প্রমুখ।


উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
৭৯.
বাংলা ছন্দ কত রকমের?
  1. ক) এক রকমের
  2. খ) দুই রকমের
  3. গ) তিন রকমের
  4. ঘ) চার রকমের
ব্যাখ্যা
বাংলা ছন্দ তিন রকমের।
যথা:
- অক্ষরবৃত্ত,
- মাত্রাবৃত্ত এবং
- স্বরবৃত্ত।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
৮০.
কর্ণফুলি নদীর উৎস ভারতের কোন রাজ্যে?
  1. ক) ত্রিপুরা
  2. খ) মিজোরাম
  3. গ) মণিপুর
  4. ঘ) মেঘালয়
ব্যাখ্যা
• কর্ণফুলি নদী (Karnafuli River) ভারতের মিজোরাম রাজ্যের লুসাই পাহাড় থেকে উৎপত্তি হয়েছে।
 - ১৮০ কিমি পার্বত্য পথ অতিক্রম করে রাঙ্গামাটিতে একটি দীর্ঘ ও সংকীর্ণ শাখা বিস্তার করে ।
- পরবর্তী সময়ে ধুলিয়াছড়ি ও কাপ্তাইয়ে অপর দুটি প্রধান শাখায় বিভক্ত হয়েছে।
- রাঙ্গামাটি ও ধুলিয়াছড়ি শাখাদুটি বর্তমানে  কাপ্তাই লেক-এর মধ্য দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।

সূত্র: বাংলাপিডিয়া