পরীক্ষা আর্কাইভ

৪০ দিনে ৪৭তম বিসিএস প্রস্তুতি - Archived

পরীক্ষা৪০ দিনে ৪৭তম বিসিএস প্রস্তুতি - Archivedতারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়24 minutes
মোট প্রশ্ন৪৩
সিলেবাস
পরীক্ষা - ১৬: পার্ট-১) বিষয়: English Grammar টপিক: 1. Clasues [The Principle and Sub-Ordinate Clause, The Noun Clause, The Adjective Clause and The Adverbial Clause] 2. Words (Part - 1) [Spelling, Word Meaning, Antonym, Synonym of the Word A to H] পার্ট-২) বিষয়: বাংলা সাহিত্য টপিক: বাংলা সাহিত্যের আধুনিক যুগের লেখকগণ: [গুরুত্বপূর্ণ লেখকদের জীবনী, সাহিত্য-কর্ম, অবদান, স্বীকৃতি ইত্যাদি সম্পর্কে বিস্তারিত পড়তে হবে। অন্যান্য লেখকদের গুরুত্বপূর্ণ অবদান ও সাহিত্যকর্ম সম্পর্কে পড়লেই হবে।] ১. গুরুত্বপূর্ণ লেখকগণ: শওকত আলী, শওকত ওসমান, শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়, শামসুদ্দীন আবুল কালাম, শামসুর রাহমান, সুফিয়া কামাল, সেলিনা হোসেন, সেলিম আল দীন, সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ, সৈয়দ মুজতবা আলী, সৈয়দ শামসুল হক। ২. অন্যান্য লেখকগণ: শহীদ কাদরী, শহীদুল্লা কায়সার, শামসুজ্জামান খান, সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়, সত্যেন সেন, সত্যেন্দ্রনাথ দত্ত, সমর সেন, সরদার জয়েন উদ্দিন, সানাউল হক, সিকান্দার আবু জাফর, সিরাজুল ইসলাম চৌধুরী, স্বর্ণকুমারী দেবী, সোমেন চন্দ, হরপ্রসাদ শাস্ত্রী, সুকান্ত ভট্টাচার্য, সুকুমার রায়, সুধীন্দ্রনাথ দত্ত, সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায়, সৈয়দ আলী আহসান, সৈয়দ ইসমাইল হোসেন সিরাজী, রুদ্র মুহম্মদ শহিদুল্লাহ ও সম-সাময়িক গুরুত্বপূর্ণ লেখক। পার্ট-৩) বিষয়: সাধারণ বিজ্ঞান টপিক: আধুনিক বিজ্ঞান: ১. পৃথিবী সৃষ্টির ইতিহাস, মহাকর্ষ-অভিকর্ষ, কসমিক রে, ব্লাক হোল, হিগের কণা, ডায়োড, ট্রানজিস্টর, আইসি, আপেক্ষিক তত্ত্ব, ফোটন কণা, বিভিন্ন রশ্মি ও তার ব্যবহার, ইলেক্ট্রনিক্স, মহাকাশ ও জ্যাতির্বিজ্ঞান, নিউক্লিয় পদার্থ বিজ্ঞান ইত্যাদি। ২. বায়ুমণ্ডল, বারিমণ্ডল, টাইড, টেকটোনিক প্লেট, সাইক্লোন, সুনামি, বিবর্তন, সামুদ্রিক জীবন, জোয়ার-ভাটা, জীব-বৈচিত্র, পরিবেশের জন্য ক্ষতিকর উপাদান ও এর ব্যবহার, আধুনিক ভূগোল সম্পর্কিত অন্যান্য বিষয়।
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

৪০ দিনে ৪৭তম বিসিএস প্রস্তুতি - Archived

৪০ দিনে ৪৭তম বিসিএস প্রস্তুতি - Archived · তারিখ অনির্ধারিত · ৪৩ প্রশ্ন

.
কোনটি শওকত ওসমানের উপন্যাস নয়?
  1. পতঙ্গ পিঞ্জর
  2. প্রসন্ন প্রহর 
  3. রাজসাক্ষী
  4. বনী আদম
সঠিক উত্তর:
প্রসন্ন প্রহর 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রসন্ন প্রহর 
ব্যাখ্যা

• প্রসন্ন প্রহর শওকত ওসমানের উপন্যাস নয়। 
এটি  সিকানদার আবু জাফরের একটি কবিতা। 

শওকত ওসমান
- তিনি ১৯১৭ সালের ২ জানুয়ারি পশ্চিমবঙ্গের হুগলি জেলার সবলসিংহপুর গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।
- তাঁর প্রকৃত নাম শেখ আজিজুর রহমান; 'শওকত ওসমান' তাঁর সাহিত্যিক নাম।

তাঁর উল্লেখযোগ্য কয়েকটি রচনা হলো:

• শওকত ওসমান রচিত কয়েকটি উপন্যাস-
- ক্রীতদাসের হাসি,
- সমাগম,
- রাজা উপাখ্যান,
- দুই সৈনিক,
- নেকড়ে অরণ্য,
- পতঙ্গ পিঞ্জর,
- রাজসাক্ষী,
- জলাঙ্গী,
- পুরাতন খঞ্জর,
- বনি আদম,
- জননী।

উৎস:
১. বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা।
২. বাংলাপিডিয়া। 

.
‘পথের দাবী’ কোন ধরনের উপন্যাস?
  1. রোমান্টিক
  2. সামাজিক
  3. রাজনৈতিক
  4. দার্শনিক
সঠিক উত্তর:
রাজনৈতিক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাজনৈতিক
ব্যাখ্যা

‘পথের দাবী’ একটি রাজনৈতিক উপন্যাস। 

পথের দাবী:
- পথের দাবী হলো শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের রচিত একটি রাজনৈতিক উপন্যাস, যা ১৯২৬ সালে প্রকাশিত হয়।
- এটি স্বদেশী বিপ্লবীদের মধ্যে প্রচলিত ছিল এবং কাহিনির পটভূমি ব্রহ্মদেশ।
- উপন্যাসের প্রধান চরিত্র সব্যসাচী, যিনি একজন গুপ্ত বিপ্লবী নেতা।কিছু বিশ্লেষকের মতে, সব্যসাচী চরিত্রে বিপ্লবী রাসবিহারী বসুর ছায়াপাত আছে।
- উপন্যাসে ব্রিটিশ শাসনের তীব্র সমালোচনা এবং সশস্ত্র বিপ্লবের আন্তরিক সমর্থন ফুটে উঠেছে।
- প্রকাশের সঙ্গে সঙ্গে সরকার এটি নিষিদ্ধ করে। যদিও নান্দনিক দিক থেকে কিছু প্রশ্ন থাকলেও, স্বাধীনতা সংগ্রামে এই উপন্যাস উদ্দীপক ভূমিকা পালন করেছে।
- উপন্যাসের একটি উল্লেখযোগ্য উক্তি হলো, “আমি বিপ্লবী, ভারতের স্বাধীনতাই আমার একমাত্র কাম্য, আমার একটি মাত্র সাধনা।”
- পথের দাবী ভারতীয় রাজনৈতিক আন্দোলনের ইতিহাসে বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ।
- এটি ধারাবাহিকভাবে বঙ্গবাণী পত্রিকায় ১৩২৯ সালের ফাল্গুন থেকে প্রকাশিত হয়েছিল।

শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়:
- ১৮৭৬ সালের ১৫ সেপ্টেম্বর হুগলি জেলার দেবানন্দপুরে তিনি জন্মগ্রহণ করেন।
- শরৎচন্দ্রের প্রথম উপন্যাস বড়দিদি (১৯০৭) ভারতী পত্রিকায় প্রকাশিত হয়।
- তাঁর প্রথম প্রকাশিত গল্পের নাম 'মন্দির'।তিনি 'মন্দির' গল্পের জন্য ১৯০৩ সালে কুন্তলীন সাহিত্য পুরষ্কার লাভকরেন।
- শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় রচিত রাজনৈতিক উপন্যাস হলো 'পথের দাবী' যা ১৯২৬ সালে প্রকাশিত হয়। এটি ব্রিটিশ সরকার বাজেয়াপ্ত করেছিল।

তাঁর রচিত উপন্যাস:
- দেনা-পাওনা,
- বড়দিদি,
- বিরাজবৌ,
- পণ্ডিতমশাই,
- পরিণীতা,
- চন্দ্রনাথ,
- দেবদাস,
- চরিত্রহীন,
- গৃহদাহ, 
- পথের দাবী,
- শেষ প্রশ্ন,
- শেষের পরিচয়, ইত্যাদি। 

উৎস:
১. বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা।
২. বাংলাপিডিয়া। 

.
কোন বিখ্যাত কবি সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায় কে ‘ভাষাচার্য’ উপাধি দিয়েছেন?
  1. কাজী নজরুল ইসলাম
  2. রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
  3. হরপ্রসাদ শাস্ত্রী
  4. শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
সঠিক উত্তর:
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
ব্যাখ্যা

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায় কে ‘ভাষাচার্য’ উপাধি দিয়েছিলেন। 

সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায়
- সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায় ছিলেন বাংলা ভাষার একজন শ্রেষ্ঠ ভাষাবিজ্ঞানী।
- তিনি ১৮৯০ সালের ২৬ অক্টোবর পশ্চিমবঙ্গের হাওড়া জেলার শিবপুরে জন্মগ্রহণ করেন।
- ভাষা বিষয়ে সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায়ের বিখ্যাত গ্রন্থ হলো 'অরিজিন এণ্ড ডেভেলপমেন্ট অফ বেঙ্গলি ল্যাঙ্গুয়েজ'।
- শেষের কবিতা উপন্যাসে সুনীতিকুমারের স্বীকৃতি আছে।
- ভাষা ও সাহিত্য ক্ষেত্রে তাঁর অবদানের জন্য রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর তাঁকে ‘ভাষাচার্য’ উপাধি প্রদান করেন।

তাঁর রচিত বিখ্যাত গ্রন্থ:
- Original and Development of Bengali language,
- বেঙ্গলি ফোনেটিক রিডার্স,
- বাংলা ভাষাতত্ত্বের ভূমিকা,
- সরল ভাষা প্রকাশ বাঙ্গালা ব্যাকরণ,
- ল্যাঙ্গুয়েজ এণ্ড লিটারেচর অফ মডার্ন ইন্ডিয়া।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা ও বাংলাপিডিয়া।

.
শহীদুল্লাহ কায়সারের রচিত স্মৃতিকথা হচ্ছে - 
  1. পেশোয়ার থেকে তাসখন্দ 
  2. একদা এক রাজ্যে 
  3. রাজবন্দির রোজনামচা
  4. সীমানা ছাড়িয়ে 
সঠিক উত্তর:
রাজবন্দির রোজনামচা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাজবন্দির রোজনামচা
ব্যাখ্যা

শহীদুল্লাহ কায়সারের রচিত স্মৃতিকথা হচ্ছে রাজবন্দির রোজনামচা।    

শহীদুল্লাহ কায়সার
- শহীদুল্লাহ কায়সার ছিলেন কথাসাহিত্যিক, সাংবাদিক ও লেখক।
- তিনি ১৯২৭ সালের ১৬ ফেব্রুয়ারি ফেনী জেলার মজুপুর গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।
- তাঁর প্রকৃত নাম ছিল আবু নঈম মোহাম্মদ শহীদুল্লাহ।
- তাঁর পিতা মাওলানা মোহাম্মদ হাবিবুল্লাহ ঢাকা আলিয়া মাদ্রাসার অধ্যক্ষ ছিলেন।
- প্রখ্যাত চলচ্চিত্রকার ও লেখক জহির রায়হান তাঁর অনুজ।
- ১৯৪৯ সালে ঢাকার সাপ্তাহিক ইত্তেফাক পত্রিকায় তাঁর সাংবাদিকতা জীবন শুরু হয়।
- ১৯৫৮ সালে তিনি সংবাদ পত্রিকায় সহযোগী সম্পাদক হিসেবে যোগ দেন এবং জীবনের শেষ দিন পর্যন্ত সেখানে কর্মরত ছিলেন।
- সাহিত্যকর্মে বিশেষ অবদানের জন্য তিনি সারেং বৌ উপন্যাসের জন্য ১৯৬২ সালে আদমজি সাহিত্য পুরস্কার ও বাংলা একাডেমি পুরস্কার লাভ করেন।
- বাংলাদেশে মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে ১৯৭১ সালের ১৪ ডিসেম্বর রাতে বিজয়ের পূর্ব মুহূর্তে তাঁকে ঢাকার বাসভবন থেকে অপহরণ করা হয় এবং তিনি আর ফিরে আসেননি।

প্রধান রচনা
- উপন্যাস: সারেং বৌ, সংশপ্তক, কৃষ্ণচূড়া মেঘ, তিমির বলয়, দিগন্তে ফুলের আগুন, সমুদ্র ও তৃষ্ণা, চন্দ্রভানের কন্যা, কবে পোহাবে বিভাবরী (অসমাপ্ত)।
- ভ্রমণবৃত্তান্ত: পেশোয়ার থেকে তাসখন্দ।
- স্মৃতিকথা: রাজবন্দির রোজনামচা।

অন্যদিকে, 
- একদা এক রাজ্যে হচ্ছে সৈয়দ শামসুল হক এর কবিতা। 
- সীমানা ছাড়িয়ে হচ্ছে সৈয়দ শামসুল হক এর উপন্যাস।  

উৎস:
১. বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা। 
২. বাংলাপিডিয়া। 

.
সুফিয়া কামালের শিশুতোষ গল্প কোনটি?
  1. কেয়ার কাঁটা
  2. ইতল বিতল
  3. একালে আমাদের কাল
  4. সাঁঝের মায়া
সঠিক উত্তর:
ইতল বিতল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইতল বিতল
ব্যাখ্যা

সুফিয়া কামালের শিশুতোষ গল্প হচ্ছে ইতল বিতল। 

সুফিয়া কামাল
- 'জননী সাহসিকা' হিসেবে খ্যাত সুফিয়া কামাল মূলত একজন কবি।
- তিনি বাংলাদেশের একজন প্রথিতযশা কবি, লেখিকা ও নারী আন্দোলনের অন্যতম পথিকৃৎ।
- সুফিয়া কামাল বরিশালের শায়েস্তাবাদে মামার বাড়িতে জন্মগ্রহণ করেন এবং তার পৈতৃক নিবাস কুমিল্লায়।
- তিনি ১৯৪৭ সালে প্রকাশিত বেগম পত্রিকার প্রথম সম্পাদক ছিলেন।
- তাঁর রচিত প্রথম গল্প সৈনিক বধূ ১৯২৩ সালে বরিশালের তরুণ পত্রিকায় প্রকাশিত হয়।

কাব্যগ্রন্থ:
- সাঁঝের মায়া,
- উদাত্ত পৃথিবী,
- অভিযাত্রিক,
- মায়া কাজল, ইত্যাদি।

গল্পগ্রন্থ:
- কেয়ার কাঁটা। 

শিশুতোষ গল্প:
- ইতল বিতল, 
- নওল কিশোরের দরবারে। 

ডায়েরি: একাত্তরের ডায়েরী। 
আত্মজীবনী: একালে আমাদের কাল। 

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা।

.
"পোকামাকড়ের ঘরবসতি" উপন্যাসের লেখক কে?
  1. সুফিয়া কামাল
  2. সেলিম আল দীন
  3. সেলিনা হোসেন
  4. সানাউল হক 
সঠিক উত্তর:
সেলিনা হোসেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সেলিনা হোসেন
ব্যাখ্যা

"পোকামাকড়ের ঘরবসতি" উপন্যাসের লেখক হচ্ছে সেলিনা হোসেন। 

পোকামাকড়ের ঘরবসতি
- পোকামাকড়ের ঘরবসতি (১৯৮৬) সেলিনা হোসেন রচিত একটি উপন্যাস।
- এটি বাংলাদেশের দক্ষিণাঞ্চলে নদীর মধ্যে অবস্থিত শাহপরি দ্বীপের মানুষের জীবনকে, বিশেষ করে মাঝিদের সংগ্রামী জীবনের বাস্তব রূপায়ণ করে।
- উপন্যাসের উল্লেখযোগ্য চরিত্রগুলো হলো মালেক, সাফিয়া এবং তোরাব আলী।

সেলিনা হোসেন
- ১৯৪৭ সালের ১৪ জুন রাজশাহীতে জন্মগ্রহণ করেন।
- তিনি মূলত কথাশিল্পী এবং তাঁর উপন্যাসের প্রধান বিষয় হলো অবরুদ্ধ সমাজে মুক্তচিন্তা ও মানুষের মুক্তির আকুতি।
- সাহিত্য ও কলার ক্ষেত্রে বিশেষ অবদানের জন্য তিনি মুহাম্মদ এনামুল হক স্বর্ণপদক (১৯৬৯), বাংলা একাডেমি পুরস্কার (১৯৮০), ফিলিপস্ পুরস্কার (১৯৮৮) এবং বাংলাদেশ চলচ্চিত্র পুরস্কার (১৯৯৭) লাভ করেছেন।

উল্লেখযোগ্য উপন্যাসসমূহ:
- জলোচ্ছ্বাস,
- হাঙর নদি গ্রেনেড,
- যাপিত জীবন,
- নীল ময়ূরের যৌবন,
- পোকামাকড়ের ঘরবসতি,
- নিরন্তর ঘণ্টাধ্বনি ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা। 

.
‘চরিত্রহীন’ উপন্যাসের দুটি প্রধান নারী চরিত্র কোনগুলো?
  1. স্নিগ্ধা ও মীনাক্ষী
  2. স্বপনারা ও দীপ্তিময়ী
  3. কিরণমালা ও অনিতা
  4. সাবিত্রী ও কিরণময়ী
সঠিক উত্তর:
সাবিত্রী ও কিরণময়ী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সাবিত্রী ও কিরণময়ী
ব্যাখ্যা

‘চরিত্রহীন’ উপন্যাসের দুটি প্রধান নারী চরিত্র হচ্ছে সাবিত্রী ও কিরণময়ী। 

চরিত্রহীন
- শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের রচিত চরিত্রহীন উপন্যাসটি প্রথম প্রকাশিত হয় ১৯১৭ সালে।
- এটি প্রথা বহির্ভূত প্রেম ও নারী-পুরুষের সম্পর্ককে কেন্দ্র করে রচিত।
- উপন্যাসের নামেই এর মূল ভাব প্রকাশ পেয়েছে।
- গল্পটিতে মোট চারটি নারী চরিত্র আছে, যার মধ্যে দুটি প্রধান চরিত্র হলো সাবিত্রী এবং কিরণময়ী।

শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় 
- শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় ১৮৭৬ সালের ১৫ সেপ্টেম্বর হুগলি জেলার দেবানন্দপুরে জন্মগ্রহণ করেন।
- তাঁর প্রথম উপন্যাস বড়দিদি ১৯০৭ সালে ভারতী পত্রিকায় প্রকাশিত হয়।
- প্রথম প্রকাশিত গল্পের নাম মন্দির, এবং এই গল্পের জন্য তিনি ১৯০৩ সালে কুন্তলীন সাহিত্য পুরস্কার লাভ করেন।
- শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের রচিত রাজনৈতিক উপন্যাস পথের দাবী ১৯২৬ সালে প্রকাশিত হয়, যা ব্রিটিশ সরকার দ্বারা বাজেয়াপ্ত করা হয়েছিল।

তাঁর রচিত উপন্যাস: 
- পরিণীতা, 
- চন্দ্রনাথ, 
- দেবদাস, 
- চরিত্রহীন, 
- দেনা-পাওনা, 
- বড়দিদি, 
- বিরাজবৌ, 
- পণ্ডিতমশাই, 
- গৃহদাহ, 
- পথের দাবী, 
- শেষ প্রশ্ন, 
- শেষের পরিচয়, ইত্যাদি। 

উৎস:
১. বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা।
২. বাংলাপিডিয়া। 

.
‘লালসালু’ উপন্যাসের মূল বিষয় কী?
  1. শিক্ষা ও বিজ্ঞান প্রচার
  2. শহুরে জীবন ও ব্যবসা
  3. গ্রামীণ সংস্কৃতি ও কৃষিজীবন
  4. সামাজিক কুসংস্কার ও নারী স্বাধীনতা
সঠিক উত্তর:
সামাজিক কুসংস্কার ও নারী স্বাধীনতা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সামাজিক কুসংস্কার ও নারী স্বাধীনতা
ব্যাখ্যা

‘লালসালু’ উপন্যাসের মূল বিষয় হচ্ছে সামাজিক কুসংস্কার ও নারী স্বাধীনতা। 

‘লালসালু’
- লালসালু ১৯৪৮ সালে কলকাতা থেকে গ্রন্থাকারে প্রকাশিত হয়।
- উপন্যাসে বাংলার গ্রামজীবনের বাস্তবতা, সৌন্দর্য, মাধুর্য ও কঠোরতা ফুটে উঠেছে।
- নোয়াখালি অঞ্চল থেকে মজিদ নামের চরিত্র গারোপাহাড়ি অঞ্চলে গিয়ে স্থানীয় মানুষকে ধর্মের নামে কীভাবে শোষণ করে তা তুলে ধরেছে।
- জমিলা চরিত্র বিদ্রোহী ও প্রতিবাদের প্রতীক হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে।
- মূল বিষয় হলো ধর্মব্যবসায়ীদের স্বার্থপর চরিত্রের উন্মোচন এবং নারী জাগরণের প্রেক্ষাপটে সমাজচেতনা।
- উল্লেখযোগ্য চরিত্র: মজিদ, খালেক ব্যাপারি, জমিলা, রহিমা, আমেনা, আক্কাস, তাহেরের বাবা, হাসুনির মা।
- উক্তি: “খোদার এলেমে বুক ভরে না তলায় পেট শূন্য বলে।”
- লালসালু আন্তর্জাতিক খ্যাতি অর্জন করেছে এবং ১৯৬৭ সালে ইংরেজিতে Tree Without Roots নামে অনূদিত হয়েছে। ফরাসি অনুবাদ হয়েছে ল্য অরবরে সামস মায়েমে (১৯৬১), যা সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহর পত্নী অ্যান মেরি করেছেন।

সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ্
- সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ্ ১৯২২ সালের ১৫ আগস্ট চট্টগ্রামের ষোলশহরে সৈয়দ (ডেপুটি) বাড়িতে জন্মগ্রহণ করেন।
- তিনি একজন কথাসাহিত্যিক ও নাট্যকার।
- তাঁর পিতা সৈয়দ আহমদউল্লাহ ছিলেন সরকারি কর্মকর্তা।
- ফেনী হাইস্কুলে ছাত্র থাকাকালেই তিনি সাহিত্যচর্চা শুরু করেন এবং হাতে লেখা পত্রিকা ভোরের আলো সম্পাদনা করেন।
- তাঁর প্রথম গল্প হঠাৎ আলোর ঝলকানি ঢাকা কলেজ ম্যাগাজিনে প্রকাশিত হয়।
- তিনি বহু গুরুত্বপূর্ণ পুরস্কার লাভ করেছেন, যেমন ১৯৬১ সালে বাংলা একাডেমি পুরস্কার, ১৯৬৫ সালে আদমজি পুরস্কার এবং ১৯৮৩ সালে একুশে পদক (মরণোত্তর)।
- ১৯৭১ সালের ১০ অক্টোবর তিনি প্যারিসে মৃত্যুবরণ করেন।

উপন্যাসসমূহ:
- লালসালু,
- চাঁদের অমাবস্যা,
- কাঁদো নদী কাঁদো,
- দি আগলি এশিয়ান। 

গল্পগ্রন্থ:
- নয়নচারা,
- দুই তীর ও অন্যান্য গল্প। 

নাটক:
- বহিপীর,
- তরঙ্গভঙ্গ,
- উজান মৃত্যু। 

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা ও বাংলাপিডিয়া। 

.
সত্যেন্দ্রনাথ দত্তের অনুবাদকাব্য কোনটি? 
  1. অভ্র আবীর
  2. মণি মঞ্জুষা
  3. সবিতা
  4. বেণু ও বীণা
সঠিক উত্তর:
মণি মঞ্জুষা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মণি মঞ্জুষা
ব্যাখ্যা

সত্যেন্দ্রনাথ দত্তের অনুবাদকাব্য হচ্ছে মণি মঞ্জুষা। 

সত্যেন্দ্রনাথ দত্ত
- সত্যেন্দ্রনাথ দত্ত ছিলেন একজন কবি ও ছান্দসিক।
- তিনি ১৮৮২ সালের ১১ ফেব্রুয়ারি কলকাতার নিকটবর্তী নিমতা গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।
- তাঁর পিতা রজনীনাথ দত্ত ছিলেন কলকাতার বিশিষ্ট ব্যবসায়ী এবং পিতামহ অক্ষয়কুমার দত্ত ছিলেন তত্ত্ববোধিনী পত্রিকার সম্পাদক।
- সত্যেন্দ্রনাথ ছিলেন ভারতী পত্রিকাগোষ্ঠীর অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ কবি।
- বাংলা ভাষার নিজস্ব বাগধারা ও ধ্বনি ব্যবহার করে নতুন ছন্দ সৃষ্টিই তাঁর কবিপ্রতিভার মূল কীর্তি।
- এজন্য তাঁকে সাধারণভাবে 'ছন্দের জাদুকর' ও 'ছন্দের রাজা' নামে পরিচিতি দেওয়া হয়েছে।
- ১৯১৮ সালে ভারতী পত্রিকার বৈশাখ সংখ্যায় তাঁর ছন্দ সম্পর্কিত প্রসিদ্ধ রচনা ছন্দ-সরস্বতী প্রকাশিত হয়।
- সত্যেন্দ্রনাথ একাধিক ছদ্মনামে কাব্যচর্চা করতেন, যেমন নবকুমার, কবিরত্ন, অশীতিপর শর্মা, ত্রিবিক্রম বর্মণ, কলমগীর ইত্যাদি।
- তিনি ১৯২২ সালের ২৫ ফেব্রুয়ারি মৃত্যুবরণ করেন।
- তাঁর মৃত্যুতে কাজী নজরুল ইসলাম সত্যেন-প্রয়াণ কবিতা রচনা করেন।

প্রধান কাব্যগ্রন্থ:
- সবিতা,
- সন্ধিক্ষণ,
- বেণু ও বীণা,
- কুহু ও কেকা,
- অভ্র আবীর,
- হসন্তিকা,
- বেলা শেষের গান,
- বিদায় আরতি,
- কাব্যসঞ্চয়ন। 

অনুবাদকাব্য:
- তীর্থরেণু,
- মণি মঞ্জুষা। 

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা ও বাংলাপিডিয়া। 

১০.
কোনটি সৈয়দ মুজতবা আলীর ছোটগল্প?
  1. টুনি মেম
  2. পঞ্চতন্ত্র
  3. দেশে-বিদেশে
  4. ময়ূরকণ্ঠী
সঠিক উত্তর:
টুনি মেম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
টুনি মেম
ব্যাখ্যা

টুনি মেম হচ্ছে সৈয়দ মুজতবা আলীর একটি ছোটগল্প। 

সৈয়দ মুজতবা আলী (১৯০৪–১৯৭৪)
- তিনি ছিলেন শিক্ষাবিদ ও সাহিত্যিক।
- জন্ম: ১৩ সেপ্টেম্বর ১৯০৪, পিতার কর্মস্থল শ্রীহট্ট (সিলেট) জেলার করিমগঞ্জে।
- পৈতৃক নিবাস: হবিগঞ্জের উত্তরসুর গ্রাম।
- গ্রন্থসংখ্যা: প্রায় ৩০টি রচনা (উপন্যাস, গল্প, প্রবন্ধ ও ভ্রমণকাহিনি)।

উল্লেখযোগ্য রচনা:
- উপন্যাস: অবিশ্বাস্য, শবনম। 
- ভ্রমণকাহিনি: দেশে-বিদেশে। 
- রম্যরচনা: পঞ্চতন্ত্র, ময়ূরকণ্ঠী। 
- ছোটগল্প: চাচা-কাহিনী, টুনি মেম। 

উৎস:
১. বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা।
২. বাংলাপিডিয়া। 

১১.
“বিদ্রোহ” উপন্যাসটি কার লেখা?
  1. রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
  2. কাজী নজরুল ইসলাম 
  3. স্বর্ণকুমারী দেবী
  4. সত্যেন্দ্রনাথ দত্ত 
সঠিক উত্তর:
স্বর্ণকুমারী দেবী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্বর্ণকুমারী দেবী
ব্যাখ্যা

“বিদ্রোহ” উপন্যাসটি স্বর্ণকুমারী দেবী লেখা। 

স্বর্ণকুমারী দেবী
- আধুনিক বাংলা সাহিত্যের প্রথম বাঙালি মহিলা ঔপন্যাসিক।
- দীর্ঘ ৩০ বছর মাসিক ভারতী পত্রিকার লেখক ও সম্পাদক হিসেবে খ্যাতি অর্জন করেন।
- দেবেন্দ্রনাথ ঠাকুরের কন্যা এবং রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের বড় বোন।
- প্রথম উপন্যাস: দীপনির্বাণ

উল্লেখযোগ্য রচনা:
- উপন্যাস: দীপনির্বাণ, মেবার রাজ, মালতী, বিদ্রোহ, বিচিত্রা, স্বপ্নবাণী, মিলনরাত্রি। 
- কাব্যগ্রন্থ: গাঁথা, কবিতা ও গান। 
- নাটক: বসন্ত উৎসব, দেব কৌতুক। 

উৎস:
১. বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা।
২. বাংলাপিডিয়া। 

১২.
শওকত আলীর ‘যাত্রা’ উপন্যাস কোন বিষয়ে রচিত?
  1. ভাষা আন্দোলন ভিত্তিক 
  2. মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক 
  3. সামাজিক বাস্তবতা
  4. রোমান্টিক প্রেম
সঠিক উত্তর:
মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক 
ব্যাখ্যা

শওকত আলী রচিত ‘যাত্রা’ উপন্যাস ১৯৭১ সালের বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের প্রেক্ষাপটে রচিত। 

যাত্রা:
- শওকত আলীর যাত্রা উপন্যাসটি মুক্তিযুদ্ধের প্রথম দিকের ঘটনা ও সময়কে কেন্দ্র করে রচিত।
- গল্পের শুরুতে দেখা যায় মানুষ দলে দলে ঘরবাড়ি ছেড়ে পালিয়ে যাচ্ছে এবং মাঝে মাঝে পেছনে ফিরে তাকাচ্ছে। এই পলায়ন শুধুমাত্র শারীরিক নয়, মানসিকভাবেও এটি প্রকাশ পায়।
- উপন্যাসের প্রধান চরিত্র অধ্যাপক রায়হান মুক্তিযুদ্ধ প্রত্যক্ষ করেন।
- একসময় প্রগতিশীল রাজনীতিক রায়হান মুক্তিযুদ্ধে অংশ নেবেন কি নেবেন না, এই দ্বিধা ও সংশয়ে তিনি শেষ পর্যন্ত যুদ্ধে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেননি।
- যাত্রা উপন্যাসটি ১৯৭২ সালে রচিত হয় এবং ১৯৭৬ সালে প্রকাশিত হয়।

শওকত আলী:
- শওকত আলী (১২ ফেব্রুয়ারি ১৯৩৬ – ২৫ জানুয়ারি) দিনাজপুর জেলার রায়গঞ্জে জন্মগ্রহণ করেন।
- তাঁর প্রথম প্রকাশিত বই একটি ছোট উপন্যাস পিঙ্গল আকাশ (১৯৬৪)।
- তিনি শিশু-কিশোরদের জন্যও লিখেছেন। 
- বাংলা ছোটগল্পে বিশেষ অবদানের জন্য শওকত আলী ১৯৬৮ সালে বাংলা একাডেমি পুরস্কার লাভ করেন।
- ১৯৭৭ সালে বাংলাদেশ লেখক শিবির তাঁকে হুমায়ুন কবির স্মৃতি পুরস্কার প্রদান করে।

বিখ্যাত উপন্যাসসমূহ:
- ওয়ারিশ,
- প্রদোষে প্রাকৃতজন,
- দক্ষিণায়নের দিন,
- পিঙ্গল আকাশ,
- কুলায় কালস্রোত,
- যাত্রা (মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক),
- পূর্বরাত্রি পূর্বদিন,
- যেতে চাই,
- বাসর মধুচন্দ্রিমা,
- উত্তরের ক্ষেপ,
- দলিল,
- হিসাবনিকাশ, ইত্যাদি

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা।

১৩.
I know that he is principled.
This underlined part is a/an:
  1. Principal Clause
  2. Adverbial Clause
  3. Adjective Clause
  4. Noun Clause
সঠিক উত্তর:
Noun Clause
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Noun Clause
ব্যাখ্যা

- বাক্যে "that he is principled" অংশটি "I know" এর Object বা বিষয়বস্তু হিসেবে কাজ করছে।
- এমন clause যেটি বাক্যের Object হিসেবে ব্যবহৃত হয় তাকে Noun Clause বলে।
- এখানে “that” দিয়ে শুরু হওয়া clauseটি একটি পূর্ণ বাক্য হলেও এটি noun হিসেবে কাজ করছে।
- Adverbial Clause হলে সেটা ক্রিয়ার সময়, কারণ, স্থান ইত্যাদি ব্যাখ্যা করতো, কিন্তু এখানে তা নয়।
- তাই “that he is principled” হলো একটি Noun Clause.

Other options:
• Principal Clause:
- যে সকল clause তাদের অর্থ প্রকাশের জন্য অন্য কোনো clause এর উপর নির্ভরশীল নয় তাদের principal clause বলে।
- আধুনিক English Grammar এ Simple sentence কেও clause বলা হয় কারণ Simple sentence গুলাে সর্বদাই principal clause হয়ে থাকে।
- Principal clause কে আবার Main clause বা Independent clause ও বলা হয়।

• Adverbial Clause: যে clause দিয়ে কোন verb কে modify করা হয় তাহলে তাকে, Adverbial clause বলে।
- Adverbial clause examples include "When the rain started, we went inside" (telling when), "Because they worked together, the team won" (telling why), and "I will see you where you work" (telling where). 

• Adjective Clause: যে clause sentence এর noun বা pronoun-কে বর্ণনা করে ,তাকে Adjective Clause বলে।
- "The book that I borrowed from the library is fascinating.": In this sentence, "that I borrowed from the library" is the adjective clause modifying the noun "book". 

• Noun Phrase: যে phrase noun এর মত কাজ করে তাই noun phrase,
- এটি একটি পূর্ণ clause - sub + verb আছে।
- Examples of noun phrases:
- "the big red ball," "my new car," "that fluffy cat," "a ten-week course," "the tall building on the corner," and "singing in the bath."

Source: A Passage to the English Language, S.M. Zakir Hussain.

১৪.
Choose the antonym of 'Furtive':
  1. Clandestine
  2. Overt 
  3. Surreptitious
  4. Covert
সঠিক উত্তর:
Overt 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Overt 
ব্যাখ্যা

• The opposite of 'Furtive' is - Overt.

• Furtive (adjective)
English Meaning: attempting to avoid notice or attention, typically because of guilt or a belief that discovery would lead to trouble; secretive.
Bangla Meaning: গোপন; চুপচাপ; সজাগ।

অপশন আলোচনা:
Clandestine - গোপন; গোপনীয় কার্যকলাপে লিপ্ত।  

Overt - স্পষ্ট; প্রকাশ্য; দৃশ্যমান।  

Surreptitious - গুপ্তচরবৃত্তির মতো; চুপিচুপি করা।
 
Covert - গোপন; আড়াল করা; পর্দার আড়ালে থাকা।  

Source:
1. Cambridge Dictionary.  
2. Accessible Dictionary by Bangla Academy.

১৫.
Though the book was strenuous, I enjoyed reading it. The underlined part is
  1. Adverb clause
  2. Adjective clause
  3. Adjective phrase
  4. Noun clause
সঠিক উত্তর:
Adverb clause
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Adverb clause
ব্যাখ্যা

Though the book was strenuous, I enjoyed reading it.
- The underlined part is - Adverb clause.

• Adverb clause
- যে subordinate clause কোন বাক্যে adverb এর মত কাজ করে তাকে Adverb clause বলে।
- Adverb এর মত এরা - time, place, cause, effect, purpose ইত্যাদি বুঝায়।
- অর্থাৎ, Adverbial clause সবসময় সময়, স্থান, কাল, কারন, উদ্দেশ্য, ধরন, ফলাফল ইত্যাদি প্রকাশ করে।

• Adverb clause of supposition/ concession/ contrast
- Verb সংঘটিত হবার বিপরীত কোন কিছু হওয়া/ করা বোঝাবে,
- Principal clause এর verb কে 'কী সত্ত্বেও' দ্বারা প্রশ্ন করলে উত্তর পাওয়া যায়।

• Though the book was strenuous, I enjoyed reading it.
- 'কী সত্ত্বেও I enjoyed reading it' প্রশ্ন করলে উত্তর পাওয়া যায় 'Though the book was strenuous'.
- তাই এটি Adverb clause of concession.

১৬.
In academic writing, an abstract usually refers to:
  1. A research problem
  2.  A reference list 
  3.  A decorative picture 
  4. A summary of the main points
সঠিক উত্তর:
A summary of the main points
উত্তর
সঠিক উত্তর:
A summary of the main points
ব্যাখ্যা

• The word "abstract" in academic writing primarily refers to - A summary of the main points.

Abstract (noun)
English Meaning: a short summary of a research paper, article, thesis, or dissertation that highlights the main objectives, methods, results, and conclusions.  
Bangla Meaning: সারসংক্ষেপ; মূল বক্তব্যের সংক্ষিপ্ত রূপ।  

Example Sentence:
1. The abstract gives readers a quick overview of the study's findings.  
2. Before reading the entire article, she first checked the abstract to understand its purpose.

Source:
1. Cambridge Dictionary.  
2. Oxford Learner’s Dictionary.  

১৭.
Which word can best replace gratuitous in the sentence: “His gratuitous remark offended everyone in the room.”
  1. Reasoned
  2.  Logical 
  3. Deserved
  4. Unwarranted
সঠিক উত্তর:
Unwarranted
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Unwarranted
ব্যাখ্যা

• The closest in meaning to 'Gratuitous' is - Unwarranted.

• Gratuitous (adjective)  
English Meaning: uncalled for; lacking good reason; unwarranted.  
Bangla Meaning: অযৌক্তিক; অনাবশ্যক; অকারণ।

অপশন আলোচনা:  
- Reasoned - যুক্তিসঙ্গত; বিচক্ষণ।  

- Logical - যৌক্তিক; লজিক্যাল।  

- Deserved - প্রাপ্য; উপযুক্ত।  

- Unwarranted - অযৌক্তিক; অনাবশ্যক; অকারণ।  

Source:  
1. Merriam-Webster.  
2. Accessible Dictionary by Bangla Academy.

১৮.
Which of the following best reflects “clemency” in judicial context?
  1. Leniency in sentencing  
  2. Retaliatory justice
  3. Strict adherence to law
  4. Excessive punishment
সঠিক উত্তর:
Leniency in sentencing  
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Leniency in sentencing  
ব্যাখ্যা

• The word "clemency" primarily refers to - Leniency in sentencing.

• Clemency (noun)
English Meaning: mercy or leniency shown by a judge, ruler, or authority, especially in the judicial context when reducing punishment.  
Bangla Meaning: দয়া; শাস্তি হ্রাস; ক্ষমাশীলতা।  

Example Sentence:
1. The governor granted clemency to the prisoner, reducing his sentence.  
2. The judge showed clemency by giving a lighter punishment considering the offender’s remorse.  

Source:
1. Cambridge Dictionary.  
2. Accessible Dictionary by Bangla Academy.

১৯.
The term faction can best be replaced by—
  1. Accord
  2. Amity
  3. Unity
  4. Clique
সঠিক উত্তর:
Clique
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Clique
ব্যাখ্যা

• The closest in meaning to 'Faction' is - Clique.

Faction (noun)
English Meaning: a small, organized, dissenting group within a larger one, especially in politics.  
Bangla Meaning: দলাদলি; উপদল; গোষ্ঠী।  

অপশন আলোচনা:  
- Accord - ঐক্যমত; সমঝোতা।  

- Amity - শান্তিপূর্ণ সম্পর্ক; সৌহার্দ্য।
 
- Unity - একতা; সংহতি।  

- Clique - ক্ষুদ্র দল; উপগোষ্ঠী।  

Source:
1. Merriam-Webster.  
2. Oxford Learner’s Dictionary. 

২০.
How the machine works is sophisticated.
Here, the underlined clause is a/ an -
  1. Noun Clause
  2. Adjective Clause
  3. Prepositional Clause
  4. Adverbial Clause
সঠিক উত্তর:
Noun Clause
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Noun Clause
ব্যাখ্যা

• Noun Clause: 
- যে সব Subordinate Clause Noun এর কাজ করে থাকে, অর্থাৎ Subject, Object, Compliment বা Case in Apposition- এর কাজ করে থাকে তাকে Noun Clause বলে।

• Noun Clause বিভিন্নভাবে ব্যবহার হতে পারে। যেমন:
- Verb এর Subject হিসেবে।
- Verb এর Object হিসেবে।
- Object এর complement হিসেবে।
- Complement দুই প্রকার। যেমন: 1. Subjective Complement এবং 2. Objective Complement
- Verb এর Subject এর Complement হিসেবে। 
- Preposition এর object হিসেবে।

• Noun Clause যখন verb এর Subject হিসেবে কাজ করে তখন তা That, Wh word: what, when, why, whether, how দিয়ে শুরু হয়।
- এ ক্ষেত্রে Noun Clause প্রায়ই be verb (am, is, are, was, were) এর subject হিসেবে ব্যবহার করা হয়।
- এ জাতীয় Sentence এ be verb/ linking verb এর পূর্বের অংশ Noun clause এবং be verb বা linking verb থেকে পরের অংশ Principal Clause.

• Structure: Noun Clause + be verb + বাকি অংশ (Principal Clause). 

• প্রদত্ত sentence টিতে 'How the machine works' Noun clause এর নিয়ম অনুযায়ী How দ্বারা শুরু হয়েছে এবং Be verb (is) এর Subject হিসেবে ব্যবহার করা হয়েছে।

• Correct Answer: How the machine works is sophisticated. 
- Here, the underlined clause is a/ an - Noun Clause.

Source: Advanced Learner's Communicative English Grammar & Composition By Chowdhury & Hossain.

২১.
Despite the court's orders, the _______________ defendant ignored the summons.
  1. contemacious
  2. contumacius
  3. contemacius
  4. contumacious
সঠিক উত্তর:
contumacious
উত্তর
সঠিক উত্তর:
contumacious
ব্যাখ্যা

• Complete Sentence: Despite the court's orders, the contumacious defendant ignored the summons.

• Contumacious (adjective)
English Meaning: stubbornly or willfully disobedient to authority.
Bangla Meaning: প্রত্যাহার বা কর্তৃত্বের প্রতি জিদ্দি অবজ্ঞাসূচক।

Example Sentence:
- The student was contumacious when he refused to follow the school rules.
- Contumacious behavior in court can lead to contempt charges.

Source:
1. Cambridge Dictionary.
2. Accessible Dictionary by Bangla Academy.

২২.
He killed a winged creature, which is called a petrel.
Here the underlined part is -
  1. Noun clause
  2. Adjective clause
  3. Main clause
  4. Adverb clause
সঠিক উত্তর:
Main clause
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Main clause
ব্যাখ্যা

He killed a winged creature, which is called a petrel. 
- Here the underlined part is - Main clause.

• He killed a winged creature, which is called a petrel.
- এখানে বাক্যটির দ্বিতীয় অংশে 'which is called a petrel' পরিপূর্ণ অর্থ প্রকাশ করছে না, কিন্তু 'He killed a winged creature' এই অংশটি পরিপূর্ণ মনোভাব প্রকাশ করছে সক্ষম, কারো উপর নির্ভরশীল নয়, তাই এটি Main clause.

 • Principal / Main / Independent Clause:
- এর অর্থ প্রধান বা স্বাধীন।
- যেটা স্বয়ংসম্পূর্ণভাবে বাক্য গঠন করতে পারে ।
- বৈশিষ্ট্য : এর আগে কোন Conjunction থাকবে না।
- যে সকল clause তাদের অর্থ প্রকাশের জন্য অন্য কোনো clause এর উপর নির্ভরশীল নয় তাদের principal clause/main clause/  Independent clause বলে।

২৩.
When tension in a room begins to dissipate, it is most likely:
  1. Spreading out
  2. Multiplying
  3. Concentrating
  4. Intensifying
সঠিক উত্তর:
Spreading out
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Spreading out
ব্যাখ্যা

• The word "dissipate" primarily refers to - To gradually disappear or scatter, Spreading out.

Dissipate (verb) 
English Meaning: to gradually disappear, scatter, or cause something to spread out until it is no longer concentrated.  
Bangla Meaning: বিলীন হওয়া; ছড়িয়ে পড়া; অপচয় করা।  

Example Sentence:  
1. The tension in the room began to dissipate after the apology.  
2. The morning fog slowly dissipated as the sun rose.  

Source: 
1. Cambridge Dictionary.  
2. Accessible Dictionary by Bangla Academy.  

২৪.
The dwelling where I grew up is for sale.  
The underlined part is –
  1. Coordinate Clause
  2. Principal Clause
  3. Adjective Clause
  4. Noun Clause
সঠিক উত্তর:
Adjective Clause
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Adjective Clause
ব্যাখ্যা

The correct answer is - Adjective Clause.
- where I grew up = Adjective Clause
- এটি মূল noun The dwelling কে বর্ণনা করছে, অর্থাৎ কোন বাড়ি? যেই বাড়িতে আমি বড় হয়েছি।
- Adjective clause সবসময় noun বা pronoun কে modify করে।

• Adjective clause:
- An adjective clause is a subordinate clause that acts as an adjective in a sentence and qualifies a noun or equivalent.
- অর্থাৎ, যেসব sub-ordinate clause বাক্যে ব্যবহার হয়ে adjective-এর কাজ করে তাদেরকে Adjective clause বলে।
- এগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে কোন noun বা noun equivalent (noun এর সমতুল্য)-কে qualify করে।
- অর্থাৎ বাক্যে যেসব clause - noun/pronoun-এর পরে বসে ঐ noun/pronoun modify করে তাকে adjective clause বলে।

Adjective clause দুইটি স্থানে বসতে পারে:
1. Subject - এর post-modifier হিসেবে- (Subject + adjective clause + verb + object)
- যেমন: The dwelling where I grew up is now for sale.

• Note:
- Adjective clause - কে Relative clause ও বলা হয়।
- Relative clause গুলো সাধারণত Relative pronoun (that, who, whose, whom, which, why, when) ইত্যাদি দ্বারা শুরু হয়।
- তবে মনে রাখতে হবে, who which দ্বারা গঠিত clause টি cause or purpose বোঝায় তবে সেটি Adverbial clause হিসেবে বিবেচিত হবে।

Source: A Passage to the English Language, S.M Zakir Hussain.

২৫.
Which word best contrasts with homogeneous?
  1. Diverse 
  2. Equivalent
  3. Harmonious
  4. Identical
সঠিক উত্তর:
Diverse 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Diverse 
ব্যাখ্যা

• The best contrast of 'Homogeneous' is - Diverse.

Homogeneous (adjective)
English Meaning: of the same or similar kind or nature.  
Bangla Meaning: সমজাতীয়; একই রকম।  

অপশন আলোচনা:  
- Diverse - বিভিন্ন; বহুমুখী।  

- Equivalent - সমান; সমমূল্য।  

- Harmonious - সুরেলা; মিলনসাধক।  

- Identical - অভিন্ন; একই।  

Source:
- Merriam-Webster.  
- Accessible Dictionary by Bangla Academy.  

২৬.
As soon as the chime rings, students leave the classroom. Here, the underlined clause is a/ an -
  1. Adjective Clause
  2. Prepositional Clause
  3. Adverbial Clause
  4. Noun Clause
সঠিক উত্তর:
Adverbial Clause
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Adverbial Clause
ব্যাখ্যা

• Adverbial clause of time:
- Principal clause এর কাজ সম্পন্ন করার সময়কে নির্দেশ করে।
- Adverbial Clause of time টি Conjunctions of time দিয়ে শুরু হয়। যেমন: As soon as, Before, After, Hardly --- when, No sooner --- than, Since, The sooner ইত্যাদি।
- Conjunctions of time বাক্যের শুরুতে বসলে এগুলো দিয়ে শুরু করে কমা পর্যন্ত Adverbial Clause হয় এবং বাকি অংশ Principle Clause হয়। যেমন: As soon as the chime rings, students leave the classroom.
- আবার Conjunctions of time বাক্যের মাঝে বসলে এগুলো থেকে শুরু করে বাক্যের শেষ পর্যন্ত Adverbial Clause হয় এবং বাকি অংশ Principal Clause হয়। যেমন: Students leave the classroom as soon as the chime rings.
- Adverbial Clause of time, Principle Clause এর আগে বা পরে বসানো হয়।
- আগে বসলে Clause এ শেষে কমা বসে, পরে বসলে কমা বসে না।  

• Correct Answer: As soon as the chime rings, students leave the classroom.
- Here, the underlined clause is a/ an - Adverbial Clause.

• Note: 
1. Complex Sentence এর time clause এ যখন ভবিষ্যৎ কালেও উল্লেখ থাকে, তখন Principal clause এ Future Tense ব্যবহার হয় কিন্তু subordinate clause এ Future Tense ব্যবহার হয় না। যেমন:
- Mr. Samad will telephone you as soon as he returns.

2. কিন্তু, time clause এ Future Perfect Tense ব্যবহার না হয়ে Present Perfect Tense ব্যবহার হয়। এ ক্ষেত্রে  Principal clause এ Future Tense ব্যবহার হয়। যেমন:
- I will return your book on Monday when I have read it.

Source: Advanced Learner's Communicative English Grammar & Composition By Chowdhury & Hossain.

২৭.
বিগ ব্যাং তত্ত্ব অনুযায়ী মহাবিশ্বের বয়স কত?
  1. ১০ বিলিয়ন বছর
  2. ৫.৭ বিলিয়ন বছর
  3. ১৩.৮ বিলিয়ন বছর
  4. ১৫.৩ বিলিয়ন বছর
সঠিক উত্তর:
১৩.৮ বিলিয়ন বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৩.৮ বিলিয়ন বছর
ব্যাখ্যা

◉ বিগ ব্যাং তত্ত্ব অনুযায়ী মহাবিশ্বের উৎপত্তি প্রায় ১৩.৮ বিলিয়ন বছর আগে একটি অতিশয় ঘন এবং উত্তপ্ত বিন্দু থেকে বিস্তার লাভ করে। এরপর থেকে মহাবিশ্ব ক্রমাগত প্রসারিত হচ্ছে। 
​- নাসা (NASA) এবং ইউরোপিয়ান স্পেস এজেন্সির (ESA) বিভিন্ন গবেষণা (যেমন: WMAP ও Planck স্যাটেলাইটের পর্যবেক্ষণ) থেকেও মহাবিশ্বের আনুমানিক বয়স ১৩.৮ বিলিয়ন বছর নির্ধারণ করা হয়েছে।

​বিগ ব্যাং তত্ত্ব:
- মহাবিশ্ব একটি বিন্দুতে ছিল; হঠাৎ এক মহা বিস্ফোরণের মাধ্যমে এই মহাবিশ্বের সৃষ্টি হয় এটা বিগ ব্যাং থিওরি নামে পরিচিত।
- বিগ ব্যাং তত্ত্বের প্রবক্তা জি. ল্যামেটার (১৯২৭ সাল)।
- জি. ল্যামেটার বেলজিয়ামের বিজ্ঞানী।
- বিগ ব্যাং তত্ত্বের আধুনিক তত্ত্ব ব্যাখ্যা উপস্থাপন করেন স্টিফেন হকিং।
- বিগ ব্যাং তত্ত্বের ব্যাখ্যা সংম্বলিত স্টিফেন হকিং এর বিখ্যাত বই ‘A Brief History of Time’.
সুতরাং, বিগ ব্যাং তত্ত্বের প্রবক্তা জি. ল্যামেটার এবং বিগ ব্যাং (Big Bang) তত্ত্বের আধুনিক তত্ত্ব ব্যাখ্যা বা উপস্থাপন করেন স্টিফেন হকিং।

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি এবং ব্রিটানিকা।

২৮.
নিউটনের মহাকর্ষ সূত্র অনুযায়ী, দুটি বস্তুর মধ্যকার দূরত্ব দ্বিগুণ হলে আকর্ষণ বল কত গুণ হবে?
  1. ২ গুণ
  2. ৪ গুণ
  3. ১/২ গুণ
  4. ১/৪ গুণ
সঠিক উত্তর:
১/৪ গুণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১/৪ গুণ
ব্যাখ্যা

◉ দূরত্ব দ্বিগুণ করা হলে, মহাকর্ষ বল ১/৪ গুণ হবে। 

মহাকর্ষ বল: 
- মহাবিশ্বের যেকোন দুইটি বস্তুর মধ্যকার আকর্ষণ বলকে মহাকর্ষ বল বলে।

নিউটনের মহাকর্ষ সূত্র: 
- দুইটি বস্তুর মধ্যকার আকর্ষণ বল বস্তু দুইটির ভরের গুণফলের সমানুপাতিক।
- মধ্যবর্তী দূরত্বের বর্গের ব্যস্তানুপাতিক।


অর্থাৎ, মধ্যবর্তী দূরত্ব বাড়লে বল কমে যায়। দূরত্ব দ্বিগুণ করা হলে বল পূর্বের ১/৪ হবে।

উৎস: উচ্চ মধ্যমিকের পদার্থবিজ্ঞান বই।

২৯.
কসমিক রে প্রধানত কোন উপাদান দ্বারা গঠিত?
  1. ইলেক্ট্রন
  2. প্রোটন
  3. নিউট্রন
  4. ফোটন
সঠিক উত্তর:
প্রোটন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রোটন
ব্যাখ্যা

◉ মহাজাগতিক রশ্মি (Cosmic Rays) মূলত মহাকাশ থেকে আসা উচ্চ-শক্তিসম্পন্ন কণার ধারা। এদের মধ্যে প্রায় ৮৯% প্রোটন থাকে। 

​মহাজাগতিক রশ্মি (Cosmic rays):
- মহাজাগতিক রশ্মি হচ্ছে অসংখ্য ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র কণার স্রোত। বহির্বিশ্ব থেকে এসব কণা এসে পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলে প্রবেশ করে।
- বাইরে থেকে পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলে উচ্চ শক্তিসম্পন্ন যে আহিত কণাসমূহ প্রবেশ করে তাদেরকে সমষ্টিগতভাবে মহাজাগতিক রশ্মি বলা হয়।
- ধারণা করা হয় ছায়াপথের বাইরে নতুন নতুন নক্ষত্রের বিস্ফোরণের ফলে বেশির ভাগ মহাজাগতিক রশ্মির সৃষ্টি হয়।
- মহাজাগতিক রশ্মিতে থাকে ৮৯ ভাগ প্রোটন, ৯ ভাগ নিউট্রন এবং ২ ভাগ কার্বন, নাইট্রোজেন, অক্সিজেন ও লোহার ভারী নিউক্লিয়াস।
- মহাজাগতিক রশ্মি আবিষ্কারের জন্য ভিক্টর ফ্রান্সিস হেস ১৯৩৬ সালে অপর বিজ্ঞানী কার্ল ডেভিড অ্যান্ডারসনের সাথে যৌথভাবে পদার্থবিজ্ঞানে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন।

উৎস: ব্রিটানিকা ও নোবেল পুরস্কার ওয়েবসাইট।

৩০.
স্টিফেন হকিং কোন তত্ত্বের জন্য বিখ্যাত?
  1. ব্ল্যাক হোল বিকিরণ
  2. ওয়ার্মহোল তত্ত্ব
  3. কোয়ান্টাম গ্র্যাভিটি
  4. স্ট্রিং তত্ত্ব
সঠিক উত্তর:
ব্ল্যাক হোল বিকিরণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্ল্যাক হোল বিকিরণ
ব্যাখ্যা

◉ স্টিফেন হকিং মূলত ব্ল্যাক হোল বিকিরণ (Hawking Radiation) তত্ত্বের জন্য বিশ্ববিখ্যাত। তিনি প্রমাণ করেন যে ব্ল্যাক হোল একেবারে নিঃসঙ্গ ও চিরন্তন নয়। কোয়ান্টাম প্রভাবের কারণে ব্ল্যাক হোল থেকে বিকিরণ নির্গত হতে পারে। এই বিকিরণকে বলা হয় Hawking Radiation.

​স্টিফেন হকিং:
- স্টিফেন হকিং একজন পদার্থবিদ।
- তিনি ১৯৪২ সালের ৮ জানুয়ারি তিনি ইংল্যান্ডের অক্সফোর্ডে জন্মগ্রহণ করেন।
- তিনি অক্সফোর্ডে পদার্থবিদ্যার ওপর প্রথম শ্রেণীর ডিগ্রী অর্জন করে ক্যামব্রিজে কসমোলজির উপর স্নাতকোত্তর গবেষণা করেন।
- ১৯৬২ সালে ক্যামব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ে ফলিত গণিত এবং তাত্ত্বিক পদার্থবিজ্ঞানে পিএইচডি গবেষণার কাজ শুরু করেন।
- তাঁর গবেষণার বিষয়বস্তু ছিলো কসমোলজি এবং জেনারেল থিওরি অব রিলেটিভিটি।
- কেমব্রিজে গবেষণা করার সময় তাঁর মোটর নিউরন রোগ ধরা পরে যেটা তাকে প্রায় সম্পূর্ণভাবে অচল করে দেয়।
- আশির দশকের মাঝামাঝি সময়ে স্টিফেন হকিং গুরুতর নিউমোনিয়া রোগে আক্রান্ত হয়ে স্বাভাবিকভাবে কথা বলার ক্ষমতাও হারিয়ে ফেলেন।
- কম্পিউটারের মাধ্যমে বিশেষ যন্ত্রের সাহায্যে কথা বলা রপ্ত করেন।
- ১৯৮৮ সালে তিনি তার বই 'A Brief History of Time: From the Big Bang to Black Holes' প্রকাশ করেন।
- মহাবিশ্বের উৎপত্তি, বিকাশ এবং সম্ভাব্য পরিণতি নিয়ে খুব সহজবোধ্য ভাষায় সময়ের সংক্ষিপ্ত ইতিহাস তিনি লিখেছিলেন।
- ২০১৮ সালের ১৪ মার্চ ছিয়াত্তর বছর বয়সে এই বিজ্ঞানীর জীবনাবসান হয়।

উল্লেখ্য,
- ১৯৭৪ সালে তিনি তাঁর জীবনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ আবিষ্কারটি করেন।
- ব্ল্যাকহোল নিয়ে ব্যাপক গবেষণা করে তিনি তাত্ত্বিকভাবে দেখিয়েছিলেন, ইভেন্ট হরাইজনের সীমানায় এক ধরনের বিকিরণ হয়।
- কোয়ান্টাম শূন্যতার মাঝে যেসব ভার্চুয়াল কণা এবং প্রতিকণার উদ্ভব হয় তারই কিছুটা ইভেন্ট হরাইজনের বাইরে বেরিয়ে আসতে পারে।
- এই কোয়ান্টাম ফ্ল্যাকচুয়েশনের ফলে ব্ল্যাকহোল ধীরে ধীরে তার ভর হারায়।
- অত্যন্ত কম তাপমাত্রার এই বিকিরণকে বলা হয়, হকিং রেডিয়েশন।

উৎস: Britannica ও নাসা ওয়েবসাইট। 

৩১.
BJT ট্রানজিস্টরের তিনটি টার্মিনাল কী কী?
  1. Gate, Source, Drain
  2. Base, Collector, Emitter
  3. Anode, Cathode, Grid
  4. Input, Output, Ground
সঠিক উত্তর:
Base, Collector, Emitter
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Base, Collector, Emitter
ব্যাখ্যা

◉ BJT (Bipolar Junction Transistor)-এর তিনটি টার্মিনাল থাকে—

Base (B): ট্রানজিস্টরের নিয়ন্ত্রণ টার্মিনাল।
Collector (C): যেখানে প্রধানত কারেন্ট প্রবাহিত হয় এবং সংগ্রহ করা হয়।
Emitter (E): যেখানে থেকে চার্জ বাহক (electrons/holes) নির্গত হয়।

​ট্রানজিস্টর:
- ট্রানজিস্টর একটি তিন প্রান্তবিশিষ্ট ইলেকট্রনিক ডিভাইস, যা বিদ্যুৎ প্রবাহ নিয়ন্ত্রণে ব্যবহার করা হয়।
- এটি ১৯৪৮ সালে আমেরিকার বেল ল্যাবরেটরিতে (Bell Laboratories) প্রথম আবিষ্কৃত হয়।
- আবিষ্কারের পর থেকে এটি ইলেকট্রনিক জগতে বিপ্লব সৃষ্টি করেছে এবং ইলেকট্রনিক ডিভাইসগুলোর একটি গুরুত্বপূর্ণ উপাদান হয়ে উঠেছে।
- ট্রানজিস্টর সাধারণত বিবর্ধক (Amplifier) হিসেবে ব্যবহৃত হয়, যা বিদ্যুৎ সংকেতকে শক্তিশালী করে।
- যেহেতু ট্রানজিস্টারে ইলেকট্রন এবং হোল উভয় চার্জ বাহক থাকে, একে বাইপোলার জাংশন ট্রানজিস্টর (Bipolar Junction Transistor) বলা হয়।

​ট্রানজিস্টরের তিনটি টার্মিনাল। যথা:
১. এমিটার (Emitter)
২. বেস (Base)
৩. কালেক্টর (Collector)

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৩২.
জোয়ার-ভাটার প্রধান কারণ কী?
  1. সমুদ্র স্রোত
  2. বায়ুপ্রবাহ
  3. গ্রহের আকর্ষণ
  4. চাঁদের আকর্ষণ
সঠিক উত্তর:
চাঁদের আকর্ষণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চাঁদের আকর্ষণ
ব্যাখ্যা

◉ জোয়ার-ভাটার প্রধান কারণ হলো চাঁদের মহাকর্ষীয় আকর্ষণ। চাঁদ পৃথিবীর উপর আকর্ষণ বল প্রয়োগ করে। এর ফলে সমুদ্রের পানিতে একটি উঁচু-নীচু ঢেউ তৈরি হয়।

​জোয়ার-ভাটা:
- চন্দ্র ও সূর্যের আকর্ষণ শক্তি এবং পৃথিবীর কেন্দ্রাতিক শক্তি প্রভৃতির প্রভাবে সমুদ্রের পানি নির্দিষ্ট সময় অন্তর ফুলে উঠে আবার নেমে যায়।
- সমুদ্রের পানি এভাবে ফুলে উঠাকে বলা হয় জোয়ার (High Tide) এবং নেমে যাওয়াকে ভাটা (Ebb or low Tide) বলে।
- প্রতি ১২ ঘন্টা ২৬ মিনিট পরপর এই জোয়ার ভাঁটা সংঘঠিত হয়।
- অর্থাৎ সমুদ্রে একই জায়গায় প্রতিদিন দু'বার জোয়ার ও দু'বার ভাঁটা হয়।
- সমুদ্রের মোহনা থেকে নদীগুলোর স্রোতের বিপরীতে উজানে কয়েক কিলোমিটার পর্যন্ত জোয়ার ভাঁটা বেশি অনুভূত হয়।
- সমুদ্রের মধ্যভাগ থেকে উপকূলের কাছে পানির অগভীর অংশে জোয়ারের পানির উচ্চতা বেশি থাকে।

⇒ জোয়ার ভাঁটার কারণ:
- চন্দ্র ও সূর্যের প্রভাবেই এবং পৃথিবীর আবর্তনের ফলে সৃষ্ট কেন্দ্রাতিগ শক্তির প্রভাবে জোয়ার ভাঁটা হয়। জোয়ার ভাঁটা সংঘটনের কারণকে দুই ভাগে ভাগ করা যায়। যথা -
ক. মহাকর্ষণ শক্তির প্রভাব এবং,
খ. কেন্দ্রাতিগ শক্তির প্রভাব।

উৎস: i) ভূগোল ও পরিবেশ, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ii) ভূগোল ১ম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৩৩.
পৃথিবীতে প্রধান টেকটোনিক প্লেট কয়টি?
  1. ৫টি 
  2. ৭টি 
  3. ৮টি 
  4. ১০টি 
সঠিক উত্তর:
৭টি 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৭টি 
ব্যাখ্যা

◉ পৃথিবীর ভূত্বক বিভিন্ন টেকটোনিক প্লেটে বিভক্ত। প্রধান টেকটোনিক প্লেট ৭টি। 

​টেকটোনিক প্লেট:
- টেকটোনিক প্লেট হচ্ছে পাথরের একটি স্তর যা পৃথিবীর অভ্যন্তরের গলিত অংশটির সবচেয়ে বাইরের আবরণ।
- টেকটোনিক প্লেট এর উপরে পৃথিবীর সবকিছু অবস্থান করছে।
- ১৯১২ খ্রিষ্টাব্দে আবহাওয়াবিদ আলফ্রেড ওয়েগেনারের মহীসঞ্চারণ তত্ত্ব বা কন্টিনেন্টাল ড্রিফট থেকে টেকটোনিক প্লেট ধারণার জন্ম হয়।
- মহীসঞ্চারণ তত্ত্ব অনুসারে কোনো একসময় সবগুলো মহাদেশ মিলে একটি মহাদেশ ছিল যাকে প্যানজিয়া বলা হয়।
- এই মতবাদ অনুসারে ভূ-ত্বক প্রধানত ৭টি বড় ও কয়েকটি ক্ষুদ্র গতিশীল কঠিন প্লেট দ্বারা গঠিত।

​প্লেটগুলো হলো: 
- ইউরেশীয় প্লেট (Eurasian Plate),
- উত্তর আমেরিকান প্লেট (North American Plate),
- দক্ষিণ আমেরিকান প্লেট (South American Plate),
- আফ্রিকান প্লেট (African Plate),
- অ্যান্টার্কটিক প্লেট (Antarctic Plate),
- ভারত-অস্ট্রেলীয় প্লেট (Indo-Australian Plate) ও
- প্রশান্ত মহাসাগরীয় প্লেট (Pacific Plate) ।

উৎস: ব্রিটানিকা।

৩৪.
'এল নিনো' দ্বারা কী বুঝায়?
  1. প্রশান্ত মহাসাগরীয় জলবায়ু ঘটনা
  2. সৌর কার্যকলাপের পরিবর্তন
  3. অস্বাভাবিক মেরু বরফ গলন
  4. ভারত মহাসাগরের জোয়ার-ভাটা প্রভাব
সঠিক উত্তর:
প্রশান্ত মহাসাগরীয় জলবায়ু ঘটনা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রশান্ত মহাসাগরীয় জলবায়ু ঘটনা
ব্যাখ্যা

◉ এল নিনো হলো একটি প্রশান্ত মহাসাগরীয় জলবায়ু ঘটনা, যা ঘটে যখন পূর্ব-মধ্য প্রশান্ত মহাসাগরের সমুদ্রপৃষ্ঠের তাপমাত্রা অস্বাভাবিকভাবে বেড়ে যায়। সাধারণত প্রতি ২–৭ বছর অন্তর ঘটে এবং কয়েক মাস থেকে এক বছর পর্যন্ত স্থায়ী হতে পারে।

​এল নিনো:
- এল নিনো এক প্রকার উষ্ণ স্রোত।
- 'এল নিনো' (El Nino) একটি 'স্প্যানিশ' শব্দ।
- এল নিনো প্রতি ২ থেকে ৭ বছর অন্তর ঘটে।
- তা বিরাজমান থাকে প্রায় ১ বছর কখনো কখনো ১৮ মাস পর্যন্ত যখন, সমুদ্র পৃষ্ঠ’র তাপমাত্রা বিস্তর পার্থক্য হয় (প্রায় ০.৫ ডিগ্রী সেলসিয়াস)।
- এল নিনোর কারণে অস্ট্রেলিয়াতে খড়া দেখা দিতে পারে।
- এছাড়া যুক্তরাষ্ট্রের দক্ষিণাঞ্চলে অতিবর্ষণ ও ভারতে বর্ষাকে দুর্বল করে দিতে পারে।
- চলমান এল নিনো বিশ্বের তাপমাত্রা বৃদ্ধি দেড় ডিগ্রি সেলসিয়াসে আটকে রাখার লক্ষ্যমাত্রাকে অতিক্রম করে যেতে পারে।
- সাধারণত যে বছর এল নিনো শুরু হয়, তার পরের বছরটিতে তীব্র গরম অনুভূত হয়।
- এর আগে ২০১৫ সালে এল নিনো হয়েছিল বলে ২০১৬ সালে বিশ্বে রেকর্ড ভাঙা তাপমাত্রা দেখা গিয়েছিল।

​অপরদিকে, 'লা নিনো' শব্দটিও ''স্প্যানিশ' যার অর্থ বালিকা। এল নিনো প্রভাবে সাগরে উষ্ণ পানির স্রোত প্রবাহিত হবার পর পরবর্তীতে সাগরের পানির উষ্ণতা কমে আসে। সাগরের পানির এ উষ্ণতা কমে আসাই লা নিনো নামে পরিচিত। লা নিনোর প্রভাবে অতিবৃষ্টি ও বন্যা হয়।

উৎস: National Geographic Society.

৩৫.
সুনামির প্রধান কারণ কী? 
  1. ঘূর্ণিঝড়
  2. আগ্নেয়গিরি
  3. সমুদ্রতলের ভূমিকম্প
  4. সূর্যের আকর্ষণ 
সঠিক উত্তর:
সমুদ্রতলের ভূমিকম্প
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সমুদ্রতলের ভূমিকম্প
ব্যাখ্যা

সুনামি (Tsunami) হলো সমুদ্রের তলদেশে হঠাৎ সৃষ্ট বিশাল শক্তির কারণে উৎপন্ন এক ধরনের বৃহৎ সমুদ্র তরঙ্গ। এর প্রধান কারণ হলো— সমুদ্রতলের ভূমিকম্প। 

​সুনামি:
- ভূমিকম্প বা আগ্নেয়গিরির অগ্নুৎপাতের কারণে সৃষ্ট বিশাল সামুদ্রিক ঢেউকে সুনামি বলে।

​সুনামি (Tsunami) একটি জাপানি শব্দ। জাপানি ভাষায় এর অর্থ হলো 'পোতাশ্রয়ের ঢেউ'।
- সুনামির পানির ঢেউ সমুদ্রের স্বাভাবিক ঢেউয়ের মতো নয়। এটা সাধারণ ঢেউয়ের চেয়ে অনেক বিশালাকৃতির। এটি অতি দ্রুত ফুঁসে ফুলে ওঠা জোয়ারের মতো, যা উপকূল ও পার্শ্ববর্তী এলাকায় জলোচ্ছ্বাসের সৃষ্টি করে।
- সুনামির পানির ঢেউগুলো একের পর এক উঁচু হয়ে আসতেই থাকে তাই একে ঢেউয়ের রেলগাড়ি বা 'ওয়েভ ট্রেন' বলে।

​সুনামির কারণ:
- ভূমিকম্প: সমুদ্রের তলে ভূমিকম্প হলে, জলের স্থানচ্যুতি ঘটে এবং সুনামি তৈরি হয়।
- ভূমিধস: সমুদ্রের তলে বা উপকূলীয় অঞ্চলে ভূমিধস হলে, তা বিশাল ঢেউ তৈরি করতে পারে।
- আগ্নেয়গিরির অগ্ন্যুৎপাত: সমুদ্রের তলে আগ্নেয়গিরির অগ্ন্যুৎপাত হলে, তা জলকে স্থানচ্যুত করে এবং সুনামি তৈরি করতে পারে।
- পারমাণবিক বা অন্য কোন বিস্ফোরণ।

উৎস: মাধ্যমিক ভূগোল ও পরিবেশ, ৯ম ও ১০ম শ্রেণি।

৩৬.
প্রথম ক্লোন করা স্তন্যপায়ী প্রাণী কোনটি?
  1. ছাগল
  2. গরু
  3. ভেড়া
  4. বিড়াল
সঠিক উত্তর:
ভেড়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ভেড়া
ব্যাখ্যা

◉ বিশ্বের প্রথম ক্লোন করা স্তন্যপায়ী প্রাণী হলো ভেড়া "ডলি" (Dolly the sheep). ডলিকে ১৯৯৬ সালে স্কটল্যান্ডের Roslin Institute-এ বিজ্ঞানীরা সফলভাবে ক্লোন করেন।

​ক্লোনিং:
- প্রাকৃতিক ক্লোন হলো একটি জীব অথবা একদল জীব যাদের উদ্ভব ঘটে অযৌন অঙ্গজ জননের দ্বারা।
- এদের ধরন হয় মাতৃ জীবের ন্যায়।
- একটি কোষ বা কোষগুচ্ছ যখন একটিমাত্র কোষ থেকে উৎপন্ন হয় এবং তাদের প্রকৃতি মাতৃকোষের ন্যায় হয়, তাকেও ক্লোন বলে।
- প্রাকৃতিকভাবে ব্যাকটেরিয়া, অনেক শৈবাল, বেশিরভাগ প্রোটোজোয়া এবং ঈস্ট, ছত্রাক ক্লোনিং এর মাধ্যমে বংশবৃদ্ধি করে।
- জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং এর ক্ষেত্রে প্রয়োজনবোধে কোনো বিশেষ জিনের সংখ্যাবৃদ্ধি করে তার প্রতিলিপি তৈরি করা হয়।
- কোনো কোনো কোষকে বিশেষ প্রক্রিয়ায় আবাদ মাধ্যমে রেখে বিভাজন ঘটিয়ে এতে উৎপন্ন করা হয় একগুচ্ছ একই ধরনের কোষ।
- আবার কোনো অণুজীব উদ্ভিদ কিংবা প্রাণীর অনুরূপ অনেক জীব উৎপাদন করাকে ক্লোনিং বলে। 

​- সম্প্রতি জিন প্রযুক্তির দ্বারা সম্ভব হয়েছে একই প্রাণীর দেহকোষ থেকে সম্পূর্ণ নিউক্লিয়াসকে বের করে সে প্রাণীর নিষেককৃত ডিম্বাণুতে ইনজেকট করে নিউক্লিয়াস স্থাপন করা।
- ডিম্বাণুতে দেহকোষের নিউক্লিয়াস স্থাপন করার পূর্বে নিষেককৃত ডিম্বাণুর নিউক্লিয়াসকে অপসারণ করা হয়। এ ডিম্বাণু থেকে যে প্রাণী সৃষ্টি হয় তা হুবহু তার মাতার ন্যায় হয়।
- ডলি নামক ভেড়া হলো পৃথিবীর প্রথম স্তন্যপায়ী প্রাণী যা একটি পূর্ণবয়স্ক দেহকোষ থেকে ক্লোন করা হয়েছে।
- এ ক্লোনিং প্রযুক্তি ব্যবহার করে কোনো ইঁদুর, খরগোস, গরু ও শূকর এমনকি বানর পর্যন্ত ক্লোন করা হয়েছে।
- ইঁদুর, ডলি নামক ভেড়া, বানর, প্রভৃতি ক্লোনিংয়ের পর বিজ্ঞানীদের দৃষ্টি এখন মানুষের উপর।
- এ প্রক্রিয়াটি কিন্তু মোটেই দূরূহ নয়, তাই ইতিমধ্যে বিভিন্ন উন্নত দেশে মানুষের ক্লোন করার প্রক্রিয়া আইন করে নিষিদ্ধ করা হয়েছে।

উৎস: বিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 

৩৭.
পালসার কী? 
  1. ঘূর্ণায়মান নিউট্রন স্টার
  2. ব্ল্যাক হোলের প্রকার
  3. গ্যালাক্সির কেন্দ্র
  4. সাদা বামন তারকা
সঠিক উত্তর:
ঘূর্ণায়মান নিউট্রন স্টার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘূর্ণায়মান নিউট্রন স্টার
ব্যাখ্যা

◉ পালসার (Pulsar) হলো একটি দ্রুত ঘূর্ণায়মান নিউট্রন স্টার, যা সুপারনোভা বিস্ফোরণের পর তৈরি হয়। এরা অত্যন্ত শক্তিশালী চৌম্বক ক্ষেত্র বহন করে এবং ঘূর্ণনের সময় থেকে রেডিও, এক্স-রে, গামা রে তরঙ্গ আকারে বিকিরণ নির্গত করে। এই বিকিরণ ঘূর্ণনের সাথে সাথে পৃথিবীর দিকে নিয়মিত বিরতিতে পৌঁছে, ফলে আমরা একে পালস (pulse) আকারে পাই। তাই নাম হয়েছে Pulsar.

​কৃষ্ণবিবর বা কৃষ্ণগহ্বর:
- একটি তারকায় যদি যথেষ্ট ভর ও ঘনত্ব থাকে তাহলে তার মহাকর্ষীয় ক্ষেত্র এত শক্তিশালী হবে যে, আলো সেখান থেকে নির্গত হতে পারবে না। সেই তারকার পৃষ্ঠ হতে নির্গত আলো বেশি দূরে যাওয়ার আগেই তারকাটির মহাকর্ষীয় আকর্ষণ তাকে পেছনে টেনে নিয়ে আসবে। ঐ সব তারকা থেকে আলো আসতে পারে না বলে আমরা এদের দেখতে পাই না। তবে এদের মহাকর্ষ আকর্ষণ আমাদের বোধগম্য হবে, এই সমস্ত বস্তুপিণ্ডকে কৃষ্ণবিবর বা কৃষ্ণগহ্বর বলে।

​ডার্ক ম্যাটার বা অদৃশ্য বস্তু:
- গ্যালাক্সিতে বিপুল পরিমাণ ভর রয়েছে যা মহাকর্ষ বল সরবরাহ করে কিন্তু কোনো তাড়িতচৌম্বক বিকিরণ নিঃসরণ না করায় তা' দৃশ্যমান হয় না, এদেরকেই অদৃশ্য ভর বা ডার্ক ম্যাটার বলে। ধারণা করা হয় গ্যালাক্সিতে অদৃশ্য ভরের পরিমাণ দৃশ্যমান ভরের প্রায় দশগুণ।

​ডার্ক এনার্জি বা অদৃশ্য শক্তি:
- মহাবিশ্বে মহাকর্ষের বিপরীতে একটি বল ক্রিয়াশীল রয়েছে বলে বিজ্ঞানীরা ধারণা করছেন যা মহাবিশ্বের প্রসারণকে ত্বরান্বিত করছে। একে অদৃশ্য শক্তি বা ডার্ক এনার্জি বলা হয় ।

​নিউট্রন নক্ষত্র বা পালসার:
- কোনো নক্ষত্র যখন সুপারনোভা হিসেবে বিস্ফোরিত হয়, তখন এর কোর বা মূলবস্তুর চাপ এত বেশি হয় যে, প্রোটন ও ইলেকট্রন একত্রিত হয়ে নিউট্রন গঠন করে। তাই একে নিউট্রন নক্ষত্র বলা হয়। নিউট্রন নক্ষত্রের সাথে জড়িত থাকে অতি উচ্চ চৌম্বক ক্ষেত্র। এটি তাই নির্দিষ্ট সময় অন্তর রেডিওপাল্‌স বা বেতার স্পন্দন নির্গমন করে, তাই একে পালসার বলা হয়।

সূত্র: পদার্থবিজ্ঞান, দ্বিতীয় পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি। (ড. শাহজাহান তপন, মুহম্মদ আজিজ হাসান, ড. রানা চৌধুরী)

৩৮.
আলোকবর্ষ (Light Year) ব্যবহার করে কী পরিমাপ সম্ভব?
  1. সময়
  2. দূরত্ব
  3. ভর 
  4. শক্তি 
সঠিক উত্তর:
দূরত্ব
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দূরত্ব
ব্যাখ্যা

আলোকবর্ষ হলো দূরত্বের একক। এর মানে হলো, আলো এক বছরে যত দূরত্ব অতিক্রম করে সেটাই ১ আলোকবর্ষ।

​নক্ষত্র (Stars):
- যেসব জ্যোতিষ্কের নিজের আলো আছে তাদের নক্ষত্র বলে।
- মহাকাশে অসংখ্য নক্ষত্র রয়েছে। খালি চোখে আমরা মাত্র কয়েক হাজার নক্ষত্র দেখতে পাই। এদের কয়েকটি পৃথিবী থেকে শক্তিশালী দূরবীক্ষণ যন্ত্রের সাহায্যে দেখা যায়।
- নক্ষত্রগুলো হলো জ্বলন্ত গ্যাসপিণ্ড, এরা হাইড্রোজেন ও হিলিয়াম গ্যাস দিয়ে তৈরি।
- এই গ্যাস অতি উচ্চ (প্রায় ৬০০০° সেলসিয়াস) তাপমাত্রায় জ্বলছে।
- সূর্যের প্রখর আলোর জন্য দিনের বেলায় অন্যান্য নক্ষত্র দেখা যায় না।
- পৃথিবী থেকে দেখলে মনে হয় নক্ষত্রগুলো যেন একই সমতলে অবস্থান করছে।
- কিন্তু পৃথিবী থেকে এরা বিভিন্ন দূরত্বে অবস্থান করছে।

- পৃথিবী ও নক্ষত্রদের মধ্যে এবং নক্ষত্রদের পরস্পরের মধ্যে দূরত্ব এত বেশি যে কিলোমিটার দ্বারা এই দূরত্ব প্রকাশ করা যায় না।
- এই দূরত্ব আলোক বর্ষ এককে মাপা হয়।
- আলো প্রতি সেকেন্ডে প্রায় ৩ লক্ষ কিলোমিটার পথ অতিক্রম করে।
- এই বেগে এক বছরে আলো যে পরিমাণ দূরত্ব অতিক্রম করে তাকে এক আলোক বর্ষ বলে।
- সূর্য পৃথিবীর নিকটতম নক্ষত্র।
- সূর্য থেকে পৃথিবীতে আলো আসতে সময় লাগে ৮ মিনিট ১৯ সেকেন্ড।
- সূর্যের নিকটতম নক্ষত্র প্রক্সিমা সেন্‌টারাই (Proxima Centauri)।
- পৃথিবী থেকে এর দূরত্ব প্রায় ৪.২ আলোক বর্ষ।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।

৩৯.
কোন গ্যাসটি গ্রীনহাউস গ্যাস নয়?
  1. কার্বন ডাই অক্সাইড
  2. মিথেন
  3. নাইট্রোজেন
  4. জলীয় বাষ্প
সঠিক উত্তর:
নাইট্রোজেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নাইট্রোজেন
ব্যাখ্যা

নাইট্রোজেন পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলের মূল উপাদান হলেও গ্রিনহাউস প্রভাব সৃষ্টি করে না। 

​গ্রীনহাউস অ্যাফেক্ট (Greenhouse effect):
- শীতপ্রধান দেশে গ্রীন হাউসের (কাঁচ নির্মিত একটি ঘর) মাধ্যমে কৃত্রিমভাবে সবুজ উদ্ভিদ জন্মানো হয়। গ্রিন হাউস গ্যাসসমূহ শীতপ্রধান দেশের গ্রীন হাউস ঘরের ন্যায় সূর্য থেকে আগত রশ্মি তাপ বিকিরণে বাঁধা সৃষ্টি করে বায়ুমণ্ডলকে উত্তপ্ত করে। গ্রিন হাউস গ্যাস কর্তৃক বায়ুমণ্ডলের এইরূপ তাপ বৃদ্ধির প্রক্রিয়াকে গ্রিন হাউস অ্যাফেক্ট (Greenhouse effect) বলে।

​গ্রিন হাউস গ্যাসসমূহ:
- কার্বন ডাইঅক্সাইড (CO2),
- মিথেন (CH4),
- নাইট্রাস অক্সাইড (N2O),
- ক্লোরোফ্লোরোকার্বন (CFC), 
- ওজোন (O3), 
- জলীয় বাষ্প। 

উৎস: পরিবেশ বিজ্ঞান, বিবিএ প্রোগ্রাম; বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় এবং Royal Society of Chemistry.

৪০.
“Survival of the fittest” ধারণাটি কার?
  1. ডারউইন
  2. হার্বার্ট স্পেন্সার
  3. ল্যামার্ক 
  4. ওয়াটসন
সঠিক উত্তর:
হার্বার্ট স্পেন্সার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হার্বার্ট স্পেন্সার
ব্যাখ্যা

◉ “Survival of the fittest” ধারণাটি প্রথম ব্যবহার করেন হার্বার্ট স্পেন্সার, একজন সমাজবিজ্ঞানী ও দার্শনিক। পরে চার্লস ডারউইন তার প্রাকৃতিক নির্বাচন (Natural Selection) তত্ত্ব ব্যাখ্যা করার সময় এই বাক্যাংশটি গ্রহণ করেন।
অর্থাৎ, পরিবেশের সাথে সবচেয়ে বেশি মানিয়ে নিতে সক্ষম জীবই টিকে থাকে ও বংশবিস্তার করে।

​প্রাকৃতিক নির্বাচন বা যোগ্যতমের উর্দ্ধতন (Natural Selection or Survival of the Fittest):
- ডারউইনের মতে জীবন ধারণের সংগ্রামে কেবল সেই জীব সাফল্য লাভ করে যাদের দেহে সংগ্রামের পক্ষে অনুকূলে এবং অধিকতর ও সঙ্গত সামঞ্জস্যপূর্ণ অভিযোজন বা প্রকরণ থাকে।
- যে সকল জীবের অভিযোজন বা প্রকরণ সংগ্রাম উত্তরণের উপযোগী নহে তারা পৃথিবী হতে বিলীন হয়ে যায়।
- ডারউইন একে প্রাকৃতিক নির্বাচন (natural selection) বলে অভিহিত করেছেন।
- Herbert Spencer একে যোগ্যতমের উর্দ্ধতন (survival of the fittest) হিসেবে অ্যাখায়িত করেছেন।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৪১.
P-N জংশন ডায়োডে কারেন্ট কোন দিকে প্রবাহিত হয়?
  1. P থেকে N এ
  2. N থেকে P এ
  3. উভয় দিকে
  4. কারেন্ট প্রবাহ হয় না 
সঠিক উত্তর:
P থেকে N এ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
P থেকে N এ
ব্যাখ্যা

◉ P-N জংশন ডায়োড একটি সেমিকন্ডাক্টর ডিভাইস। এটি শুধু একদিক দিয়ে কারেন্ট প্রবাহিত করতে পারে, যাকে বলে Forward Bias condition. যখন ব্যাটারির ধনাত্মক প্রান্ত P-টাইপ এর সাথে এবং ঋণাত্মক প্রান্ত N-টাইপ এর সাথে যুক্ত করা হয়। তখন কারেন্ট P থেকে N দিকে প্রবাহিত হয়।

​ডায়োড:
- ডায়োড এমন একটি ইলেকট্রনিক ডিভাইস, যেখানে ব্যাটারির এক ধরনের সংযোগে বিদ্যুৎ প্রবাহিত হয়, উল্টো সংযোগে হয় না।
- ডায়োডের ব্যবহারের কোন শেষ নেই।
- সাধারণ ডায়োড ছাড়াও বিভিন্ন রঙিন ছোট ছোট আলো হল Light Emitting Diode.
- একটি p টাইপ অর্ধপরিবাহী ও একটি n টাইপ অর্ধপরিবাহী পাশাপাশি জোড়া লাগিয়ে p-n জাংশন ডায়োড তৈরি করা হয়।
- ডায়োড মূলত রেকটিফায়ার হিসেবে কাজ করে।
- রেকটিফায়ার এসি প্রবাহকে ডিসি প্রবাহে রূপান্তর করে।

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।

৪২.
ওজোন স্তর পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলের কোন স্তরে অবস্থিত?
  1. স্ট্রাটোমণ্ডল
  2. মেসোমণ্ডল
  3. তাপমণ্ডল
  4. ট্রপোমণ্ডল
সঠিক উত্তর:
স্ট্রাটোমণ্ডল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্ট্রাটোমণ্ডল
ব্যাখ্যা

◉ ওজোন স্তর (Ozone Layer) পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলের স্ট্রাটোমণ্ডলে (Stratosphere) অবস্থিত। ওজোন স্তর সূর্যের ক্ষতিকর অতিবেগুনি (UV) রশ্মি শোষণ করে। এর ফলে পৃথিবীতে জীবজগত রক্ষা পায়।

​স্ট্রাটোমণ্ডল(Stratosphere):
- স্ট্রাটোমণ্ডলের দ্বিতীয় স্তরটি হলো স্ট্রাটোমণ্ডল, যা ভূ-পৃষ্ঠ থেকে উপরের দিকে প্রায় ৫০ কিলোমিটার পর্যন্ত বিস্তৃত।
- এ স্তরের শেষ সীমা স্ট্রাটোবিরতি (Stratopause)।
- এ স্তরে ২০ কিলোমিটার উচ্চতা পর্যন্ত তাপমাত্রার কোনো পরিবর্তন হয় না।
- স্ট্রাটোবিরতিতে তাপমাত্রা ০° সেলসিয়াস বা এর কাছাকাছি হয়।
- এ স্তরে বায়ুর ঘনত্ব ও চাপ উভয়ই কম।
- স্ট্রাটোমণ্ডলে জলীয়বাষ্প ও ধূলিকণার পরিমাণ খুব নগন্য এবং প্রায় মেঘশূন্য থাকে।
- এ স্তরে বাতাস অত্যন্ত হালকা । বাতাসের ঊর্ধ্ব বা নিম্ন গতি নেই, তবে সমান্তরাল গতি দেখা যায়।

- স্ট্রাটোমণ্ডলে ঝড়-বৃষ্টি থাকে না বলে এ স্তরের মধ্য দিয়েই সাধারণত বিমান চলাচল করে থাকে।
- স্ট্রাটোমণ্ডলের উপরের দিকে ওজোন (ozone) গ্যাসের স্তর রয়েছে যা ওজোনমণ্ডল বা Ozonesphere নামে পরিচিত। এ স্তরটির গভীরতা ১২-১৬ কিলোমিটার।
- ওজোন স্তর সূর্যরশ্মির অতি বেগুনি রশ্মি (Ultra Violet Rays) শোষণ করে। জীবজগতের জন্য সূর্যের অতিবেগুনি রশ্মি খুবই ক্ষতিকর। তবে এটি ওজোন স্তর ভেদ করে পৃথিবীতে পৌঁছাতে পারে না।
- এ স্তর সূর্যের অতি বেগুনি রশ্মি শোষণ করায় তাপমাত্রা (প্রায় ৭৬° সেলসিয়াস) অনেক বেশি।

উৎস: ভূগোল প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৪৩.
রিমোট কন্ট্রোলের সংকেত পরিবহনে কোন রশ্মি ব্যবহার হয়?
  1. ইনফ্রারেড
  2. এক্স-রে
  3. গামা রশ্মি
  4. অতিবেগুনি
সঠিক উত্তর:
ইনফ্রারেড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইনফ্রারেড
ব্যাখ্যা

◉ রিমোট কন্ট্রোল (যেমন: টিভি, এসি, ডিভিডি প্লেয়ার) সংকেত পাঠানোর জন্য ইনফ্রারেড রশ্মি ব্যবহার করে।

​অবলোহিত রশ্মি:
- উইলিয়াম হার্শেল ১৮০০ সালে Infrared Ray আবিষ্কার করেন।
- দৃশ্যমান আলোক তরঙ্গের চেয়ে বড় তরঙ্গ দৈর্ঘ্যের বিকিরণ অবলোহিত বিকিরণ বা অবলোহিত রশ্মি।
- বর্ণালির 10-6m থেকে 10-3m তরঙ্গ দৈর্ঘ্যের পরিসর অবলোহিত বিকিরণের।
- সূর্যের আলো থেকে আমারা যে তাপ পাই তা অবলোহিত বিকিরণ।
- এছাড়া কাঠের আগুন, বৈদ্যুতিক চুলা, গ্যাস বা যে কোন জ্বালানি থেকে উৎপন্ন তাপ মাত্রই অবলোহিত রশ্মি।

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।