পরীক্ষা আর্কাইভ

বার কাউন্সিল এনরোলমেন্ট ⎯ ২০২৬

পরীক্ষাবার কাউন্সিল এনরোলমেন্ট ⎯ ২০২৬তারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়50 minutes
মোট প্রশ্ন৬৮
সিলেবাস
Exam - 15 Full Model Test-2 Topic ➝ Full Syllabus
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

বার কাউন্সিল এনরোলমেন্ট ⎯ ২০২৬

বার কাউন্সিল এনরোলমেন্ট ⎯ ২০২৬ · তারিখ অনির্ধারিত · ৬৮ প্রশ্ন

.
'কনস্ট্রাকটিভ রেস জুডিকাটা' (Constructive Res Judicata) ধারা ১১-এর কোন ব্যাখ্যায় আলোচিত হয়েছে?
  1. ১ম ব্যাখ্যা
  2. ৩য় ব্যাখ্যা
  3. ৪র্থ ব্যাখ্যা
  4. ৬ষ্ঠ ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর:
৪র্থ ব্যাখ্যা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪র্থ ব্যাখ্যা
ব্যাখ্যা

⇒ দেওয়ানী কার্যবিধি, ১৯০৮-এর ধারা ১১-এর চতুর্থ ব্যাখ্যা (Explanation IV) অনুসারে, কনস্ট্রাকটিভ রেস জুডিকাটা (Constructive Res Judicata) আলোচিত হয়েছে। এই ব্যাখ্যায় বলা হয়েছে যে, পূর্ববর্তী মোকদ্দমায় যে বিষয়টি উত্থাপিত হওয়া উচিত এবং হওয়া সম্ভব ছিল, তা সরাসরি এবং মূলত বিচারিত বিষয় হিসেবে গণ্য হবে, যাতে পরবর্তী মোকদ্দমায় তা পুনরায় উত্থাপন না করা যায়। এটি পরোক্ষ দোবারা দোষ নীতির অংশ।

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির ১১ ধারায় দোবারা দোষ নীতিটি (Res Judicata) আলোচনা করা হয়েছে। রেস জুডিকাটা নীতির মূল কথা হলো-
এখতিয়ারসম্পন্ন আদালত কর্তৃক চূড়ান্তভাবে নিষ্পত্তিকৃত কোন বিচারিত বিষয়কে পরবর্তীতে পুনরায় বিচার করা যাবে না। এই নীতির মূল কথা হলো, একবার নিষ্পত্তিকৃত কোন মোকদ্দমা, পুনরায় বিচারযোগ্য নয়।

দেওয়ানি কার্যবিধির ১১ ধারায় ৬টি ব্যাখ্যা [Explanation] রয়েছে:
১ম ব্যাখ্যা: Former Suit [পূর্ববর্তী মোকদ্দমা];
২য় ব্যাখ্যা: Competence of a Court [কোর্টের বিচার করার ক্ষমতা];
৩য় ব্যাখ্যা: Direct Res-Judicata [প্রত্যক্ষ দোবারা দোষ];
৪র্থ ব্যাখ্যা: Constructive Res-Judicata [পরোেক্ষ দোবারা দোষ];
৫ম ব্যাখ্যা: Any relief not granted shall be deemed to have been refused [প্রার্থিত প্রতিকার মঞ্জুর না হলে প্রত্যাখ্যান বলে গণ্য হবে];
৬ষ্ঠ ব্যাখ্যা: Litigation for Public Rights [সার্বজনীন বা সাধারণ অধিকার বা বাস্তব সুবিধার জন্য মামলা]
--------------------
⇒ The Code of Civil Procedure, 1908- Section-11. Res Judicata:
- No Court shall try any suit or issue in which the matter directly and substantially in issue has been directly and substantially in issue in a former suit between the same parties, or between parties under whom they or any of them claim, litigating under the same title, in a court competent to try such subsequent suit or the suit in which such issue has been subsequently raised, and has been heard and finally decided by such Court. 
 
Explanation I.-The expression "former suit" shall denote a suit which has been decided prior to the suit in question whether or not it was instituted prior thereto. 
Explanation II.-For the purposes of this section, the competence of a Court shall be determined irrespective of any provisions as to a right of appeal from the decision of such Court. 
Explanation III.-The matter above referred to must in the former suit have been alleged by one party and either denied or admitted, expressly or impliedly, by the other. 
Explanation IV.-Any matter which might and ought to have been made ground of defence or attack in such former suit shall be deemed to have been a matter directly and substantially in issue in such suit. 
Explanation V.-Any relief claimed in the plaint, which is not expressly granted by the decree, shall, for the purposes of this section, be deemed to have been refused. 
Explanation VI.-Where persons litigate bona fide in respect of a public right or of a private right claimed in common for themselves and others, all persons interested in such right shall, for the purposes of this section, be deemed to claim under the persons so litigating.

.
দেওয়ানি কার্যবিধির কোন ধারায় "প্রত্যেক মোকদ্দমা সর্বনিম্ন এখতিয়ারসম্পন্ন আদালতে দায়ের করতে হবে" এই নীতি বর্ণিত আছে?
  1. ধারা ৬
  2. ধারা ৯
  3. ধারা ১৫
  4. ধারা ২০
সঠিক উত্তর:
ধারা ১৫
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ১৫
ব্যাখ্যা

⇒ দেওয়ানী কার্যবিধি, ১৯০৮-এর ধারা ১৫-এ স্পষ্টভাবে বর্ণিত আছে যে, প্রত্যেক মোকদ্দমা এমন সর্বনিম্ন গ্রেডের আদালতে দায়ের করতে হবে যা তা বিচার করার এখতিয়ারসম্পন্ন। দেওয়ানী কার্যবিধির ১৫ ধারায় বলা হয়েছে যে, আর্থিক ও আঞ্চলিক এখতিয়ার সম্পন্ন সর্বনিম্ন আদালতে মোকদ্দমা দায়ের করতে হবে।

⇒The Civil Court Act,1887 এর ২০২১ সালের সংশোধনী অনুসারে, দেওয়ানি আদালতে আর্থিক এখতিয়ার-
- সহকারী জজের আদালতে (The Court of Assistant Judge ) = ১৫ লক্ষ পর্যন্ত;
- সিনিয়র সহকারী জজের আদালতে (The Court of Senior Assistant Judge) = ২৫ লক্ষ পর্যন্ত;
- যুগ্ম জেলা জজের আদালতে (The Court of Joint District Judge) = ২৫ লক্ষ এর উপরে।
-----------
⇒ The Code of Civil Procedure, 1908- Section-6 :Pecuniary Jurisdiction:
-Save in so far as is otherwise expressly provided, nothing herein contained shall operate to give any Court jurisdiction over suits the amount or value of the subject-matter of which exceeds the pecuniary limits (if any) of its ordinary jurisdiction.

⇒ The Code of Civil Procedure, 1908- Section-15.Court in which suits to be instituted:
-Every suit shall be instituted in the Court of the lowest grade competent to try it.

.
দেওয়ানি কার্যবিধির কোন আদেশে “বিচার্য বিষয় (Issues)” সম্পর্কে আলোচনা করা হয়েছে?
  1. আদেশ ১২
  2. আদেশ ১৩
  3. আদেশ ১৪
  4. আদেশ ১৫
সঠিক উত্তর:
আদেশ ১৪
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আদেশ ১৪
ব্যাখ্যা

⇒ দেওয়ানি মামলার একটি গুরুত্বপূর্ণ ধাপ হলো মোকদ্দমার বিচার্য বিষয় নির্ধারণ করা। কোন গুরুত্বপূর্ণ তথ্য বা আইনগত কোন বিষয় এর স্বীকার করলে এবং অপর পক্ষ অস্বীকার করলে বিচার্য বিষয়ের উদ্ভব হয়।
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধি, ১৯০৮ এর আদেশ ১৪-এ "বিচার্য বিষয়" (Issues) সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়েছে। এই আদেশের বিধি ১ অনুসারে বিচার্য বিষয় প্রধানত দুই প্রকার:
১. তথ্যগত বিচার্য বিষয় (Issues of Fact)
২. আইনগত বিচার্য বিষয় (Issues of Law)

- বিচার্য বিষয় নির্ধারণের মাধ্যমে মামলার প্রকৃত বিবাদী বিষয় স্পষ্ট হয় এবং পক্ষগুলি তাদের প্রমাণ ও যুক্তি সংশ্লিষ্ট বিষয়ের উপর কেন্দ্রীভূত করতে পারে, যা মামলার দক্ষ ও কার্যকর নিষ্পত্তিতে সহায়তা করে।

- কোন তথ্যগত গুরুত্বপূর্ণ বিষয় যদি এক পক্ষ স্বীকার করে এবং অপর পক্ষ অস্বীকার করে তবে, তা তথ্যগত বিচার্য বিষয় (issues of fact) হবে। কোন আইনগত গুরুত্বপূর্ণ বিষয় যদি একপক্ষ স্বীকার করে এবং অপর পক্ষ অস্বীকার করে, তবে তা আইনগত বিচার্য বিষয় (issues of law) হবে।

.
দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ৪ বিধি ১ অনুসারে দেওয়ানি মোকদ্দমা কীভাবে শুরু করতে হয়?
  1. পুলিশ রিপোর্টের মাধ্যমে
  2. মৌখিক অভিযোগের মাধ্যমে
  3. সাধারণ আবেদনের মাধ্যমে
  4. লিখিত আরজি দাখিলের মাধ্যমে
সঠিক উত্তর:
লিখিত আরজি দাখিলের মাধ্যমে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
লিখিত আরজি দাখিলের মাধ্যমে
ব্যাখ্যা

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ-৪ এর বিধি-১ অনুযায়ী “প্রত্যেক দেওয়ানি মোকদ্দমা শুরু হবে plaint (আরজি) দাখিলের মাধ্যমে।”
- এখানে "plaint" বলতে বোঝায় লিখিত অভিযোগপত্র বা আরজি, যা আদালতে দাখিল করে মামলার কার্যক্রম শুরু করা হয়।
- অতএব, মৌখিক অভিযোগ, সাক্ষ্যের জবানবন্দি বা সাধারণ আবেদন দ্বারা নয়, দেওয়ানি মামলা শুরু করতে হয় লিখিত আরজি (plaint) দাখিল করে।

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ-৪, বিধি-১ অনুযায়ী, প্রতিটি দেওয়ানি মোকদ্দমা শুরু করার জন্য আদালতে একটি লিখিত আরজি (প্লেন্ট) দাখিল করতে হয়। এটি মৌখিক অভিযোগ বা সাধারণ আবেদনের মাধ্যমে করা যায় না। বিধিতে স্পষ্টভাবে উল্লেখ আছে,  "Every suit shall be instituted by presenting a plaint to the Court..."
আরজির সাথে বিবাদী সংখ্যা অনুযায়ী অতিরিক্ত কপি এবং সমন জারির জন্য প্রি-পেইড রেজিস্টার্ড ডাক কভার জমা দিতে হয়।

আদেশ-৪, বিধি-১(১খ) অনুসারে, সমন জারির ফি আরজি দাখিলের সময় পরিশোধ করতে হয়।
আদালত সিভিল স্যুট রেজিস্টারে মোকদ্দমার বিবরণ নথিভুক্ত করে (বিধি-২)।
---------- 
⇒ The Code of Civil Procedure, 1908- Order- IV INSTITUTION OF SUITS:
1.1 Every suit shall be instituted by presenting a plaint to the Court or such officer as it appoints in this behalf a plaint together with as many true copies of the plaint as there are defendants for service of summons upon such defendants. Suit to be commenced by plaint.
(1a) The Court fees chargeable for service of summons shall be paid in the case of suits when the plaint is filed, and in the case of all other proceedings when process is applied for.
(1b) A plaintiff shall file, along with the plaint, for each defendant a copy of the summons along with a pre-paid registered acknowledgment due cover with complete and correct address of the defendant written on it.
(2) Every plaint shall comply with the rules contained in Orders VI and VII, so far as they are applicable.

2. The Court shall cause the particulars of every suit to be entered in a book to be kept for the purpose and called the register of civil suits. Such entries shall be numbered in every year according to the order in which the plaints are admitted. Register of suits

.
দেওয়ানি কার্যবিধি অনুযায়ী একতরফা ডিক্রি রদ করার জন্য বিবাদী কত দিনের মধ্যে আবেদন করতে পারেন?
  1. ১৫ দিন
  2. ৩০ দিন
  3. ৬০ দিন
  4. ২১ দিন
সঠিক উত্তর:
৩০ দিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩০ দিন
ব্যাখ্যা

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধি, ১৯০৮ এর আদেশ ৯ বিধি ১৩ এবং বিধি ১৩ক উভয় অনুসারে, একতরফা ডিক্রি (Ex parte Decree) রদ করার জন্য আবেদন ডিক্রি প্রদানের তারিখ থেকে ৩০ দিনের মধ্যে করতে হবে। এই ৩০ দিনের সময়সীমার মধ্যে আবেদন করতে ব্যর্থ হলে, আদালত সাধারণত আবেদন গ্রহণ করবেন না, যদি না বিলম্বের জন্য সন্তোষজনক কারণ দেখানো হয়।

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির একতরফা ডিক্রি:
আদেশ ৯ বিধি ৬ অনুযায়ী বিবাদীর অনুপস্থিতিতে যে ডিক্রি প্রদান করা হয় তাহলো এক তরফা ডিক্রি। যেক্ষেত্রে মোকদ্দমার শুনানীর জন্য নির্ধারিত দিনে বাদী হাজির হয় কিন্তু বিবাদী হাজির হয়না, সেই ক্ষেত্রে যদি এটা প্রমাণ করা যায় যে, বিবাদী বরাবর সমন যথাযথভাবে জারি করা হয়েছিল, তাহলে আদালত মোকদ্দমাটি একতরফা বিচার করতে পারবে বা আদালত একতরফা ডিক্রি দিতে পারবে। আর যদি প্রমাণিত হয় যে, বিবাদী বরাবর সমন যথারীতি জারি করা হয়নি, তাহলে আদালত বিবাদী বরাবর দ্বিতীয় বার সমন জারির আদেশ দিতে পারে।

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ৯ বিধি ৬ অনুযায়ী, বিবাদীর হাজির না হওয়ার কারণে, আদালত একতরফা ডিক্রি দিলে, বিবাদী নিম্ন লিখিত প্রতিকার পেতে পারে-
১. বিধি ১৩ এর অধীন একতরফা ডিক্রি রদকরণের আবেদন করতে পারবে;
২. বিধি ১৩ক এর অধীন এবতরফা ডিক্রি সরাসরি রদকরণের আবেদন করতে পারবে;
৩. যেহেতু একতরফা ডিক্রি একটি ডিক্রি তাই ৯৬ ধারা অনুযায়ী আপীল করা যেতে পারে ;
৪. ৪৭ আদেশের ১ বিধির অধীন রিভিউর জন্য আবেদন করতে পারে।

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ৯ বিধি-১৩ অনুযায়ী,
কোন মোকদ্দমায় বিবাদীর বিরুদ্ধে একতরফা ডিক্রি প্রদান করা হলে, তা রদ করার জন্য বিবাদী ৯ আদেশের ১৩ বিধির অধীন ডিক্রি প্রদানকারী আদালতে আবেদন করতে পারবে। তবে এই ক্ষেত্রে বিবাদী কে প্রমাণ করতে হবে যে-
১. তার বরাবর যথাযথভাবে সমন জারি করা হয়নি;
২. শুনানীর দিন উপযুক্ত কোন কারণে, সে হাজির হতে পারে নি।

অপর দিকে, একতরফা ডিক্রি সরাসরি রদের জন্য ৯ আদেশের ১৩ক বিধির অধীন আবেদন করতে হবে। আদালত বিলম্ব অবসান ও বিচার ত্বরান্বিত করানোর জন্য, আদালতকে উপরে উল্লেখিত বিষয় গুলোকে সন্তুষ্ট করার জন্য পর্যাপ্ত সাক্ষ্য প্রমাণ উপস্থাপনের নির্দেশ না দিয়ে, সরাসরি একতরফা ডিক্রি রদের আদেশ দিতে পারে এবং একই সাথে বিবাদীকে অনধিক ৩০০০ টাকা খরচ প্রদানের আদেশ দিতে পারে। একতরফা ডিক্রি বাতিলের জন্য বা একতরফা ডিক্রি সরাসরি বাতিলের জন্য ৩০ দিনের মধ্যে বিবাদীকে আবেদন করতে হবে।
---------------
⇒ The Code of Civil Procedure, 1908-Order-9 Rule-13A-Directly setting aside ex parte decree:
(1) Notwithstanding anything contained in rule 13 or any other law, the Court may, in order to avoid delay and expedite disposal, directly set aside the decree without requiring the defendant to adduce evidence to satisfy it about sufficient causes as required under rule 13, but requiring him to pay such cost not exceeding three thousand taka as it may deem appropriate and determine:
Provided that the decree under this rule shall not be set aside unless an application, supported by affidavit, praying for setting aside the decree is made to the Court within thirty days of the date on which the decree is passed by the defendant who appeared and filed written statement:
Provided further that no decree shall be set aside more than once under this rule at the instance of the same defendant.

(2) As soon as an order under sub-rule (1) is made setting aside an ex parte decree, the Court shall cause notice thereof to be served at the cost of the defendant upon the plaintiff. 

.
দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ১২ বিধি ৪ অনুসারে ঘটনা স্বীকারের জন্য নোটিশ শুনানির তারিখের কত দিন আগে দিতে হবে?
  1. ৬ দিন
  2. ৭ দিন
  3. ৯ দিন
  4. ১৫ দিন
সঠিক উত্তর:
৯ দিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৯ দিন
ব্যাখ্যা

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ১২, বিধি ৪ অনুযায়ী কোনো পক্ষ ঘটনা স্বীকারের জন্য অপর পক্ষকে লিখিত নোটিশ দিতে পারে। তবে এই নোটিশ শুনানির তারিখের কমপক্ষে ৯ দিন আগে পাঠাতে হবে। নোটিশ পাওয়ার পর ৬ দিনের মধ্যে বা আদালতের নির্ধারিত সময়ের মধ্যে উত্তর দিতে হয়।
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির ORDER XII, Rule 4 অনুসারে, মামলার কোনো পক্ষ লিখিতভাবে অপর পক্ষকে নির্দিষ্ট ঘটনা বা ঘটনাবলী স্বীকার করার জন্য নোটিশ দিতে পারে। এই নোটিশ শুনানির তারিখের নয় (৯) দিন আগে দিতে হবে।
- এ ধরনের নোটিশ পাওয়ার পর ছয় (৬) দিনের মধ্যে বা আদালতের অনুমোদিত সময়সীমার মধ্যে উত্তর প্রদান করতে হবে। যদি নির্ধারিত সময়ের মধ্যে স্বীকারোক্তি না করা হয় বা উপেক্ষা করা হয়, তাহলে সংশ্লিষ্ট ঘটনা প্রমাণ করার জন্য যে ব্যয় হবে, তা সেই পক্ষকে পরিশোধ করতে হবে, যদি না আদালত অন্য কোনো নির্দেশ দেন।
- এছাড়া, এই স্বীকারোক্তি কেবল সংশ্লিষ্ট মামলার জন্যই প্রযোজ্য হবে এবং এটি অন্য কোনো ক্ষেত্রে ব্যবহার করা যাবে না। আদালত উপযুক্ত মনে করলে, শর্তসাপেক্ষে স্বীকারোক্তি সংশোধন বা প্রত্যাহার করার অনুমতি দিতে পারেন।

⇒ The Code of Civil Procedure, 1908- Order-12 Rule-4: Notice to Admit Facts:
- Any party may, by notice in writing, at any time not later than nine days before the day fixed for the hearing, call on any other party to admit, for the purposes of the suit only, any specific fact or facts mentioned in such notice.
- In case of refusal or neglect to admit the same within six days after service of such notice, or within such further time as may be allowed by the Court, the costs of proving such fact or facts shall be paid by the party so neglecting or refusing, whatever the result of the suit may be, unless the Court otherwise directs.
Provided that any admission made in pursuance of such notice shall be deemed to be made only for the purposes of the particular suit and not as an admission to be used against the party on any other occasion or in favor of any person other than the party giving the notice.
Provided also that the Court may, at any time, allow any party to amend or withdraw any admission so made on such terms as may be just.

.
দেওয়ানি কার্যবিধি, ১৯০৮ এর ধারা ১৩৯ অনুসারে, কয় ধরনের ব্যক্তি হলফনামা (Affidavit) পরিচালনা করার ক্ষমতা রাখেন?
  1. দুই ধরনের
  2. তিন ধরনের
  3. চার ধরনের
  4. পাঁচ ধরনের
সঠিক উত্তর:
তিন ধরনের
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তিন ধরনের
ব্যাখ্যা

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধি, ১৯০৮-এর ধারা ১৩৯ অনুসারে, হলফনামা (অ্যাফিডেভিট) পরিচালনার ক্ষমতা তিন ধরনের ব্যক্তি বা সত্তাকে দেওয়া হয়েছে: (ক) যেকোনো আদালত বা ম্যাজিষ্ট্রেট; (খ) সুপ্রিম কোর্ট কর্তৃক নিয়োগকৃত যেকোনো কর্মকর্তা বা ব্যক্তি; (গ) সরকার কর্তৃক সাধারণ বা বিশেষভাবে ক্ষমতাপ্রাপ্ত অন্য কোনো আদালত কর্তৃক নিয়োগকৃত ব্যক্তি।

- দেওয়ানি কার্যবিধির ১৩৯ ধারামতে তিন ধরনের ব্যক্তিগণ হলফনামা পরিচালনা করতে পারে।
- দেওয়ানি কার্যবিধির ১৩৯ ধারার বিধান: এই কোডের অধীনে কোন এফিডেভিটের ক্ষেত্রে—
ক) যে কোন আদালত বা ম্যাজিষ্ট্রেট, বা
খ) যে কোন কর্মকর্তা বা অন্য কোন ব্যক্তি যাকে সুপ্রীম কোর্ট এই কাজের জন্য নিয়োগ করতে পারেন, অথবা
গ) সরকার কর্তৃক সাধারণভাবে বা বিশেষভাবে ক্ষমতা প্রাপ্ত অপর কোন আদালত যে ব্যক্তিকে এই কাজের জন্য নিয়োগ করতে পারেন তারা সাক্ষ্যদাতার শপথ পরিচালনা করেন।
------------
⇒ The Code of Civil Procedure, 1908, Section-139: Oath on affidavit by whom to be administered:
In the case of any affidavit under this Code- 
(a) any Court or Magistrate, or 
(b) any officer or other person whom the Supreme Court may appoint in this behalf, or 
(c) any officer appointed by any other Court which the Government has generally or specially empowered in this behalf, 
may administer the oath to the deponent.

.
দেওয়ানি কার্যবিধির কোন বিধান অনুসারে রায় ঘোষণার সময় তারিখসহ বিচারকের স্বাক্ষর থাকা বাধ্যতামূলক?
  1. আদেশ-২০ বিধি-১
  2. আদেশ-২০ বিধি-৩
  3. আদেশ-২০ বিধি-৫ক
  4. আদেশ-২০ বিধি-৬
সঠিক উত্তর:
আদেশ-২০ বিধি-৩
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আদেশ-২০ বিধি-৩
ব্যাখ্যা

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধি, ১৯০৮ এর আদেশ ২০ বিধি ৩ এর বিধান অনুযায়ী, বিচারককে রায় ঘোষণার সময়ই খোলা আদালতে তারিখসহ রায়ের উপর স্বাক্ষর করতে হয়। এটি একটি বাধ্যতামূলক প্রক্রিয়া। একবার স্বাক্ষরিত হওয়ার পর শুধুমাত্র ধারা ১৫২ (সংশোধনীয় ভুল) বা পুনরীক্ষণ (রিভিউ) এর মাধ্যমেই এতে পরিবর্তন করা যায়।

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ-২০ বিধি-৩ এর বিধান: রায় স্বাক্ষরযুক্ত হতে হবে:
-রায় ঘোষণার করার সময় বিচারক কর্তৃক উহা তারিখসহ স্বাক্ষরযুক্ত হতে হবে এবং একবার স্বাক্ষরিত হলে ১৫২ ধারা অনুসারে কিংবা পুনরীক্ষণ ব্যতীত উহা পরবর্তী কোন সময়ে সংশোধিত বা সংযোজিত হতে পারবে না।
-----------
⇒ The Code of Civil Procedure, 1908-Order 20 Rule 3: Judgment to be signed: 
The Judgment shall be dated and signed by the Judge in open Court at the time of pronouncing it and, when once signed, shall not afterwards be altered or added to, save as provided by section 152 or on review.

.
দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ৪১ বিধি ১২ক অনুসারে আপিলের শুনানিতে তিনবারের বেশি মুলতুবি করলে আদালত কত টাকা খরচ আরোপ করতে পারেন?
  1. সর্বনিম্ন ১০০ টাকা, অনধিক ৫০০ টাকা
  2. সর্বনিম্ন ২০০ টাকা, অনধিক ১০০০ টাকা
  3. সর্বনিম্ন ৫০০ টাকা, অনধিক ২০০০ টাকা
  4. সর্বনিম্ন ১০০০ টাকা, অনধিক ৫০০০ টাকা
সঠিক উত্তর:
সর্বনিম্ন ২০০ টাকা, অনধিক ১০০০ টাকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সর্বনিম্ন ২০০ টাকা, অনধিক ১০০০ টাকা
ব্যাখ্যা

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধি, ১৯০৮ এর আদেশ ৪১ বিধি ১২ক(১) অনুসারে, আপিলের শুনানিতে তিনবারের বেশি মুলতুবি (Adjournment) মঞ্জুর করা হলে আদালত সংশ্লিষ্ট পক্ষকে সর্বনিম্ন ২০০ টাকা থেকে অনধিক ১০০০ টাকা খরচ প্রদানের নির্দেশ দিতে পারেন।

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ৪১ বিধি ১২ক- আপিল মুলতুবি (Adjournment in appeal):
- আপিলের ক্ষেত্রে কোন পক্ষের অনুরোধে আপিল আদালত ৩ বারের অধিক সময় মঞ্জুর করবেন না ।
- ৩ বারের বেশি মুলতবি করলে আদালত সর্বনিম্ন ২০০ টাকা ও অনধিক ১০০০ টাকা খরচ অপর পক্ষকে প্রদানের নির্দেশ দিবেন।
- আপিলকারী খরচ প্রদানে ব্যর্থ হলে- আপিল খারিজ হবে;
প্রতিবাদী খরচ প্রদানে ব্যর্থ হলে- একতরফা নিষ্পত্তি হবে।

⇒ একতরফাভাবে কোন আপিল খারিজ বা নিষ্পত্তি করা হলে তা শুনানির জন্য পুনরুজ্জীবিত করতে হলে ৩০ দিনের মধ্যে আবেদন করতে হবে এবং নূন্যতম ২০০ এবং অনধিক ১০০০ টাকা খরচ দিতে হবে। তবে খরচ সহ কয়টি মুলতুবি মঞ্জুর করা হবে তা উল্লেখ করা হয়নি।
⇒ কোন পক্ষ আপিল পুনরুজ্জীবিত করার সুযোগ একবারই পাবেন।

অর্থাৎ, যে পক্ষের খরচ প্রদানের ব্যর্থতায় আপিল খারিজ হয়েছে বা একতরফা নিষ্পত্তি হয়েছে, সে পক্ষ উক্ত আপিল পুনরুজ্জীবিত করার আবেদন করতে পারে খারিজ আদেশের ৩০ দিনের মধ্যে। আদালত সর্বনিম্ন ২০০ এবং অনধিক ১০০০ টাকা খরচ প্রদানের শর্তে প্রত্যেক পক্ষে সর্বোচ্চ একবার এরকম আবেদন মঞ্জুর করে থাকেন।
-------------------
⇒ The Code of Civil Procedure, 1908- Order-41 Rule-12A-Adjournment in appeal:
(1) The Appellate Court shall not grant more than three adjournments for hearing of an appeal at the instance of either party to the appeal, and any adjournment granted to a party beyond the aforesaid limit shall make such party liable to pay such cost which shall not be less than two hundred taka and more than one thousand taka to the other party as the Court may deem appropriate and determine, non-compliance with which, by the appellant shall render the appeal liable to be dismissed and, by the respondent shall render the appeal liable to be disposed of ex parte.

(2) An appeal dismissed or disposed of ex parte under sub-rule (1) shall not be revived for hearing unless the party, for whose non-compliance the appeal was dismissed or disposed of ex parte, makes, within thirty days of such dismissal or ex parte disposal, an application to the court for such revival; and upon such application being made, the Court shall award such cost as shall not be less than two hundred taka and more than one thousand taka as it may deem appropriate and determine, and the cost being deposited, the appeal shall be revived for hearing without any further proceeding; and the cost deposited in the Court shall be paid by it to the other party:
Provided that no appeal shall be revived more than once at the instance of the same party under this rule.

(3) The Appellate Court shall not, of its own, order any adjournment at the stage of hearing of appeal without recording reasons therefor.

১০.
দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ১৮, বিধি ২০ অনুসারে আদালত প্রতিদিন সর্বাধিক কতটি মোকদ্দমা peremptory hearing এর জন্য দৈনিক cause list-এ নির্ধারণ করতে পারবে?
  1. পাঁচটি
  2. সাতটি
  3. দশটি
  4. পনেরটি
সঠিক উত্তর:
দশটি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দশটি
ব্যাখ্যা

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধি, ১৯০৮ এর আদেশ ১৮ বিধি ২০ অনুসারে, দেওয়ানি কার্যবিধি (সংশোধনী) অধ্যাদেশ, ২০২৫ (অধ্যাদেশ নং XVIII, ২০২৫) এর মাধ্যমে নির্ধারিত বিধানে বলা হয়েছে যে, আদালত দৈনিক মামলার তালিকায় চূড়ান্ত শুনানি (Peremptory hearing) এর জন্য সর্বোচ্চ ১০টি মামলা নির্ধারণ করতে পারে, যার মধ্যে ৪টি অংশবিশিষ্ট (Part-heard) মামলা থাকতে পারে। এছাড়া, চূড়ান্ত পর্যায়ে মোট ২০০টি মামলার বেশি থাকবে না, এবং যখন মামলার সংখ্যা ১৪০টির নিচে নামবে, তখন মামলা দাখিলের তারিখের ক্রমানুসারে আরও মামলা চূড়ান্ত পর্যায়ে আনা হবে।
অর্থাৎ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ১৮ বিধি ২০ (Order XVIII Rule 20) অনুসারে, দৈনিক মামলার তালিকায় (daily cause list) চূড়ান্ত শুনানির (peremptory hearing) জন্য সর্বোচ্চ ১০ (দশ) টি মামলা নির্ধারণ করা যাবে। এই ১০টি মামলার মধ্যে আংশিক শুনানিকৃত (part-heard) মামলা সর্বোচ্চ ৪টি থাকতে পারে।
--------
⇒ The Code of Civil Procedure, 1908, Order-18, Rule-20.Fixation of suits in the daily cause list, etc:
Court shall not fix, more than ten suits, including four part-heard suits, in the daily cause list for peremptory hearing, and more than two hundred suits in the peremptory stage; and when upon disposal, the total number of suits in the peremptory stage comes down to less than one hundred forty, the Court shall then bring in more suits in the peremptory stage, generally in the order of dates of institution of suits: 
Provided that if in any Court, the number of suits made ready for hearing is not sufficient for fixation in the manner as aforesaid, it shall be in the discretion of the Court to make the fixation in a reasonable manner.
Explanation.In this rule the word "peremptory" shall have the meaning with reference to the word used in Civil Rules and Orders.

১১.
The Code of Civil Procedure, 1908-এর Order 26 Rule 14(2) অনুসারে, কমিশনারদের প্রতিবেদন দাখিলের সর্বোচ্চ সময়সীমা কত?
  1. ১ মাস
  2. ২ মাস
  3. ৩ মাস
  4. ৬ মাস
সঠিক উত্তর:
৩ মাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩ মাস
ব্যাখ্যা

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধি, ১৯০৮ এর আদেশ ২৬ বিধি ১৪(২) অনুসারে, কমিশনার বা কমিশনারগণকে তাদের প্রতিবেদন আদালত কর্তৃক নির্ধারিত সময়সীমার মধ্যে দাখিল করতে হবে, এবং এই সময়সীমা ৩ (তিন) মাস অতিক্রম করতে পারবে না।
তবে, যথার্থ কারণ দেখিয়ে কমিশনার সময়সীমা বাড়ানোর জন্য আদালতের নিকট আবেদন করতে পারেন এবং আদালত সন্তুষ্ট হলে সময়সীমা বর্ধিত করতে পারেন।

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ২৬, বিধি ১৪ (২) অনুযায়ী:
- যদি একাধিক কমিশনার নিযুক্ত হন এবং তারা একমত না হন, তবে তারা পৃথক পৃথক প্রতিবেদন তৈরি করে স্বাক্ষর করবেন।
- এই প্রতিবেদনসমূহ আদালতের নির্ধারিত সময়সীমার মধ্যে আদালতে দাখিল করতে হবে।
- তবে আদালত কর্তৃক নির্ধারিত সময়সীমা ৩ (তিন) মাস অতিক্রম করতে পারবে না।
- যদি যথার্থ কারণ দেখিয়ে সময় বাড়ানোর আবেদন করা হয়, তাহলে আদালত সেই সময়সীমা বর্ধিত করতে পারেন।
 
⇒ The Code of Civil Procedure, 1908- Order-26, Rule-14: -Procedure of Commissioner-
(2) Preparation of Report:
The Commissioner (or Commissioners, if the commission was issued to multiple persons and they cannot agree) will prepare and sign a report. The report will detail the share of each party, distinguishing each share with specific boundaries (if directed by the order). If multiple reports are prepared, they will be annexed to the commission and transmitted to the Court within the time fixed by the Court, not exceeding three months. After receiving the report(s), the Court will hear any objections from the parties and may confirm, vary, or set aside the report(s).
Provision for Extension of Time: The Court may extend the time upon a request from the Commissioner and upon sufficient cause being shown.

১২.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের কোন ধারায় দলিল সংশোধনের বিধান রয়েছে?
  1. ধারা ২১
  2. ধারা ২৭
  3. ধারা ৩১
  4. ধারা ৩৫
সঠিক উত্তর:
ধারা ৩১
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ৩১
ব্যাখ্যা

⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনে ৩১ ধারার বিধান মতে দলিল সংশোধনের আদেশ দেওয়া যায় যখন প্রতারণা বা পারস্পরিক বা উভয়পক্ষের ভুলের কারণে যদি দলিলের পক্ষদের সঠিক অভিপ্রায় প্রকাশ না পায়।
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৩১ ধারা অনুযায়ী ২ ধরনের দলিল সংশোধন করা যায়-
i) লিখিত দলিল ও
ii) লিখিত চুক্তি।
⇒ ৩ কারণে দলিল সংশোধন করা যায়-
(১) দলিলের কোন পক্ষ প্রতারণা করলে;
(২) উভয় পক্ষে ভুল;
(৩) দলিলের উদ্দেশ্য ব্যক্ত না হইলে।
অর্থাৎ দলিল সংশোধন করতে হলে উক্ত ৩টি বিষয়ের যে কোন ১টি থাকতে হবে।
 
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৩১ ধারার অধীন দলিল সংশোধনের প্রতিকার শুধুমাত্র লিখিত চুক্তি সংশোধনের ক্ষেত্রে  বা অন্য যেকোনো লিখিত দলিল সংশোধনের ক্ষেত্রে  প্রযোজ্য হবে। দলিল সংশোধন করা আদালতের স্বেচ্ছাধীন ক্ষমতা (Discretionary Power)। চুক্তি বা দলিলের পক্ষগণ বা তাদের প্রতিনিধিরা দলিল সংশোধনের জন্য মামলা করতে পারে।
 
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনে ৩১ ধারার বিধান-
যখন দলিল সংশোধন করা যেতে পারে যখন প্রতারণার মাধ্যমে বা পক্ষগণের পারস্পরিক ভুলের জন্য কোন লিখিত চুক্তি বা অন্য কোন লিখিত দলিল প্রকৃত অর্থে তাদের উদ্দেশ্য প্রকাশ করে না, তখন যেকোনো পক্ষ অথবা তাদের স্বার্থ- সংশ্লিষ্ট প্রতিনিধি দলিলটি সংশোধিত করে নেওয়ার জন্য মামলা দায়ের করতে পারে; এবং আদালত যদি এটি সুস্পষ্টভাবে প্রমাণিত দেখতে পান যে, দলিল প্রণয়নের সময় প্রতারণা অথবা ভুল করা হয়েছে এবং তা কার্যকর করবার ক্ষেত্রে পক্ষগণের প্রকৃত উদ্দেশ্য নিরূপণ করতে সক্ষম হয়, তাহলে আদালত তার ইচ্ছাধীন ক্ষমতাবলে যতদূর পর্যন্ত তৃতীয় ব্যক্তি কর্তৃক সরল বিশ্বাসে এবং মূল্যের বিনিময়ে অর্জিত অধিকারে হস্তক্ষেপ না করেই করা যায়, ততদূর পর্যন্ত দলিল সংশোধন করতে পারেন - যাতে দলিলের এই উদ্দেশ্য ব্যক্ত করতে সক্ষম হয় ।
--------------
⇒ The Specific Relief Act, 1877-Section-31. When instrument may be rectified:
-When, through fraud or a mutual mistake of the parties, a contract or other instrument in writing does not truly express their intention, either party, or his representative in interest, may institute a suit to have the instrument rectified; and
if the Court find it clearly proved that there has been fraud or mistake in framing the instrument, and ascertain the real intention of the parties in executing the same, the Court may in its discretion rectify the instrument so as to express that intention, so far as this can be done without prejudice to rights acquired by third persons in good faith and for value.

১৩.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের কোন ধারায় ভুলের জন্য চুক্তি বাতিলের বিধান রয়েছে?
  1. ধারা ৩০
  2. ধারা ৩৪
  3. ধারা ৩৫
  4. ধারা ৩৬
সঠিক উত্তর:
ধারা ৩৬
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ৩৬
ব্যাখ্যা

⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন, ১৮৭৭ এর ধারা ৩৬-এ ভুলের জন্য চুক্তি বাতিল (Rescission for mistake) এর বিধান রয়েছে। এই ধারা অনুসারে, কেবল সাধারণ ভুলের জন্য লিখিত চুক্তি বাতিল করা যাবে না, যদি না যার বিরুদ্ধে চুক্তিটি বাতিল করা হবে তাকে চুক্তি-পূর্ব অবস্থায় ফিরিয়ে আনা সম্ভব হয়।

⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৩৬ ধারা: ভুলের জন্য রদ:
কেবল সাধারণ ভুলের জন্য লিখিত কোনো চুক্তি বাতিল করা যাবে না, যতক্ষণ না পর্যন্ত যার বিরুদ্ধে চুক্তি বাতিল করা হবে তাকে অনুরূপ অবস্থায় ফিরিয়ে আনা যায় যেন চুক্তি করা হয়নি।

⇒ The Specific Relief Act, 1877-Section 36: Rescission for mistake:
Rescission of a contract in writing cannot be adjudged for mere mistake, unless the party against whom it is adjudged can be restored to substantially the same position as if the contract had not been made.

১৪.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের কোন ধারায় প্রতিরোধমূলক প্রতিকারের সংজ্ঞা দেওয়া হয়েছে?
  1. ধারা ৫
  2. ধারা ৬
  3. ধারা ৫২
  4. ধারা ৫৫
সঠিক উত্তর:
ধারা ৬
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ৬
ব্যাখ্যা

⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন, ১৮৭৭ (The Specific Relief Act, 1877) এর ধারা ৬-এ প্রতিরোধমূলক প্রতিকার (Preventive Relief) এর সংজ্ঞা দেওয়া হয়েছে।এই ধারা অনুসারে, ধারা ৫(গ) এর অধীন যে সুনির্দিষ্ট প্রতিকার মঞ্জুর করা হয়, তাকে প্রতিরোধমূলক প্রতিকার বলে। এটি মূলত নিষেধাজ্ঞা (Injunction) এর মাধ্যমে বাস্তবায়িত হয়, যেখানে কোনো ব্যক্তিকে কোনো নির্দিষ্ট কাজ করা থেকে বিরত রাখার আদেশ দেওয়া হয়।
⇒ সাধারণত নিষেধাজ্ঞার মাধ্যমে প্রতিরোধমূলক প্রতিকার প্রদান করা হলেও সকল প্রকার নিষেধাজ্ঞা প্রতিরোধমূলক প্রতিকার নয়।
- যেমন- অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা, চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা, অন্তর্বর্তীকালীন নিষেধাজ্ঞা ইত্যাদি প্রতিরোধমূলক প্রতিকার হলেও বাধ্যতামূলক নিষেধাজ্ঞা (Mandatory Injunction) হল আদেশাত্মক প্রতিকার।
- অর্থাৎ বাধ্যতামূলক নিষেধাজ্ঞা ছাড়া সকল ধরনের নিষেধাজ্ঞা হলো নিরোধমূলক বা প্রতিরোধমূলক প্রতিকার (Preventive Relief).

১৫.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ধারা ২৯-এর বিধান কোন পক্ষের অধিকারকে প্রভাবিত করে?
  1. বিবাদীর অধিকারকে
  2. বাদীর অধিকারকে
  3. তৃতীয় পক্ষের অধিকারকে
  4. সকল পক্ষের অধিকারকে
সঠিক উত্তর:
বাদীর অধিকারকে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাদীর অধিকারকে
ব্যাখ্যা

⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন, ১৮৭৭ এর ধারা ২৯ সরাসরি বাদীর অধিকারকে প্রভাবিত করে। এই ধারা অনুসারে, যদি চুক্তির সুনির্দিষ্ট কাজ সম্পাদনের মামলা খারিজ হয়ে যায়, তবে বাদী ক্ষতিপূরণের জন্য আলাদা মামলা দায়ের করার অধিকার হারান।

⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনে ধারা ২৯ অনুসারে, একটি চুক্তি অথবা তার অংশের সুনির্দিষ্ট কাজ সম্পাদনের মামলা খারিজ হয়ে গেলে তা তেমন চুক্তি বা তার অংশবিশেষ ভঙ্গ করার দায়ে ক্ষতিপূরণের জন্য বাদী কর্তৃক মামলা দায়ের করার অধিকারে প্রতিবন্ধকতা স্থাপন করবে।
------------
⇒ The Specific Relief Act, 1877- Section-29. Bar of suit for breach after dismissal:
-The dismissal of a suit for specific performance of a contract or part thereof shall bar the plaintiff's right to sue for compensation for the breach of such contract or part, as the case may be.

১৬.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের অধীনে ঘোষণামূলক ডিক্রি কাদের জন্য বাধ্যতামূলক হবে?
  1. মোকদ্দমার পক্ষগণ
  2. পক্ষগণের দাবীদার
  3. পক্ষগণের জিম্মাদার
  4. উল্লিখিত সকলের 
সঠিক উত্তর:
উল্লিখিত সকলের 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উল্লিখিত সকলের 
ব্যাখ্যা

⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন, ১৮৭৭ এর ধারা ৪৩ অনুসারে, ঘোষণামূলক ডিক্রি নিম্নলিখিত ব্যক্তিদের উপর বাধ্যকর হবে:
১. মোকদ্দমার পক্ষগণ
২. পক্ষগণের মাধ্যমে দাবিদার ব্যক্তিগণ
৩. পক্ষগণের জিম্মাদার (যেমন: ট্রাস্টি)
- এই বিধান অনুযায়ী, ঘোষণামূলক ডিক্রি শুধুমাত্র সরাসরি পক্ষগণের উপরই নয়, বরং তাদের উত্তরাধিকারী, বৈধ দাবিদার এবং ট্রাস্টিগণের জন্যও বাধ্যতামূলক।

⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৪৩ ধারার বিধান ঘোষণার ফলাফল:
- এই অধ্যায়ের বিধান মোতাবেক প্রদত্ত ঘোষণা কেবলমাত্র মামলার পক্ষসমূহ এবং তাদের মাধ্যমে দাবিরত ব্যক্তিদের উপর যেক্ষেত্রে পক্ষসমূহের কোন একটি হচ্ছে জিম্মাদার, সেক্ষেত্রে তেমন ব্যক্তিদের উপর ঘোষণার দিন পর্যন্ত তারা বেঁচে থাকলে তেমন পক্ষসমূহ যাদের জন্য জিম্মাদার হত, অবশ্য পালনীয় হবে।
অর্থাৎ ঘোষণামূলক ডিক্রি শুধুমাত্র মোকদ্দমার পক্ষগণ বা তাদের মাধ্যমে দাবীদার ব্যক্তিগণের উপর বাধ্যকর হবে এবং পক্ষগণের জিম্মাদারের উপরও বাধ্যকর হবে।
-------------
⇒ Specific Relief Act- Section 43 -Effect of declaration:- A declaration made under this Chapter is binding only on the parties to the suit, persons claiming through them respectively, and, where any of the parties are trustees, on the persons for whom, if in existence at the date of the declaration, such parties would be trustees.

Illustration:
- A, a Hindu, in a suit to which B, his alleged wife, and her mother, are defendants, seeks a declaration that his marriage was duly solemnized and an order for the restitution of his conjugal rights. The Court makes the declaration and order. C, claiming that B is his wife, then sues A for the recovery of B. The declaration made in the former suit is not binding upon C.

১৭.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের কোন ধারায় নিষেধাজ্ঞা মঞ্জুর না করার কারণসমূহ বর্ণিত হয়েছে?
  1. ধারা ৫৩
  2. ধারা ৫৪
  3. ধারা ৫৬
  4. ধারা ৫৭
সঠিক উত্তর:
ধারা ৫৬
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ৫৬
ব্যাখ্যা

⇒ কোন কোন ক্ষেত্রে নিষেধাজ্ঞা মঞ্জুর করা যায় না তা সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৫৬ ধারায় আলোচনা করা হয়েছে। ৫৬ ধারা অনুসারে ১১টি ক্ষেত্রে আদালত নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাখ্যান করতে পারে।
- সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৫৬ ধারামতে নিম্নলিখিত ১১টি ক্ষেত্রে আদালত নিষেধাজ্ঞা মঞ্জুর করবে না। যথা-
i) বিচারাধীন কার্যধারা স্থগিত;
ii) অধীনস্ত নয় এরূপ আদালতের কার্যধারা স্থগিত;
iii) আইন প্রণয়নকারী সংস্থার নিকট আবেদনে বাধা;
iv) সরকারি দপ্তর বা বিদেশি সরকারের কার্যে হস্তক্ষেপ;
v) ফৌজদারি কার্যধারা স্থগিত;
vi) অবলবৎযোগ্য চুক্তিভঙ্গ নিরোধের প্রশ্নে
vii) উৎপাত (nuisance) নয় এমন কাজ নিরোধের জন্য;
viii) বাদীর মৌন সম্মতির প্রশ্নে;
ix) অন্য কোন পদ্ধতিতে একই প্রতিকারের ক্ষেত্রে;
x) বাদীর আচরণ আদালতের সাহায্য পেতে বঞ্চিত করলে; অথবা
xi) মামলার বিষয়বস্তুতে বাদীর কোন স্বার্থ না থাকলে আদালত নিষেধাজ্ঞা মঞ্জুর করবে না।
----------
⇒ The Specific Relief Act, 1877- Section-56. Injunction when refused:- An injunction cannot be granted-
(a) to stay a judicial proceeding pending at the institution of the suit in which the injunction is sought, unless such restraint is necessary to prevent a multiplicity of proceedings;
(b) to stay proceedings in a Court not subordinate to that from which the injunction is sought;
(c) to restraint persons from applying to any legislative body;
(d) to interfere with the public duties of any department of the Government, or with the sovereign acts of Foreign Government;
(e) to stay proceedings in any criminal matter;
(f) to prevent the breach of a contract the performance of which would not be specifically enforced;
(g) to prevent, on the ground of nuisance, an act of which it is not reasonably clear that it will be a nuisance;
(h) to prevent a continuing breach in which the applicant has acquiesced;
(i) when equally efficacious relief can certainly be obtained by any other usual mode of proceeding except in case of breach of trust;
(j) when the conduct of the applicant on his agents has been such as to disentitle him to the assistance of the Court;
(k) where the applicant has no personal interest in the matter.

১৮.
ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৭৭ ধারা অনুসারে হাইকোর্ট বিভাগ কর্তৃক প্রদত্ত দণ্ডাদেশ বা নতুন আদেশ কতজন বিচারক দ্বারা স্বাক্ষরিত হতে হবে?
  1. ১ জন
  2. ২ জন
  3. ৩ জন
  4. ৪ জন
সঠিক উত্তর:
২ জন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২ জন
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৭৭ ধারার বিধান দণ্ডাদেশ বহাল ২ জন বিচারক কর্তৃক স্বাক্ষরিত হতে হবে:
৩৭৬ ধারায় হাইকোর্ট বিভাগ যে দণ্ডাদেশ বহাল রেখে বা নতুন যে শাস্তি বা অন্য যে আদেশ দিবে তা সর্বনিম্ন ২ জন বিচারক কর্তৃক স্বাক্ষরিত হতে হবে।
---------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898, Section 377- Confirmation of new sentence to be signed by two Judges:
In every case so submitted, the confirmation of the sentence, or any new sentence or order passed by the High Court Division, shall, when such Court consists of two or more judges, be made, passed and signed by at least two of them.

১৯.
ফৌজদারি কার্যবিধির কোন ধারায় জামিনদারের অব্যাহতির বিধান রয়েছে?
  1. ধারা ৪৯৬
  2. ধারা ৪৯৭
  3. ধারা ৪৯৮
  4. ধারা ৫০২
সঠিক উত্তর:
ধারা ৫০২
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ৫০২
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারী কার্যবিধির ধারা ৫০২-এর অধীন জামিনদারের অব্যাহতি (Discharge of sureties)-এর বিধান রয়েছে। এই ধারা অনুসারে, জামিনে মুক্ত ব্যক্তির জামিনদার যেকোনো সময় ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে আবেদন করে জামিননামা সম্পূর্ণ বা আংশিক বাতিল করতে পারেন। আবেদন গ্রহণের পর ম্যাজিস্ট্রেট গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করে আসামীকে হাজির করান এবং জামিনদারকে অব্যাহতি দেন। আসামী হাজির হলে নতুন জামিনদার সংগ্রহ করতে বলা হয়, ব্যর্থ হলে জেলে প্রেরণ করা হয়।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৫০২ ধারার বিধান: জামিনদারের অব্যাহতি: জামিনদার যেকোন সময় জামিননামাটি সম্পূর্ণ বা আংশিক বাতিল করার জন্য ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট আবেদন করতে পারবেন। এরূপ আবেদন প্রাপ্তির পর ম্যাজিস্ট্রেট মুচলেকাটি বাতিল করবেন এবং জামিনে মুক্ত আসামীকে হাজির করার নির্দেশ দিয়ে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারী করবেন এবং উক্ত জামিনদারকে অব্যাহতি দিবেন। আসামী আদালতে হাজির হলে বা তাকে হাজির করানো হলে আদালত তাকে নতুন জামিনদার সংগ্রহ করতে বলবেন এবং সে যদি জামিনদার সংগ্রহ করতে ব্যর্থ হয় তাহলে তাকে জেলে প্রেরন করবেন।
------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898,-Section 502: Discharge of sureties:-
(1) All or any sureties for the attendance and appearance of a person released on bail may at any time apply to a Magistrate to discharge the bond, either wholly or so far as relates to the applicants. 
(2) On such application being made, the Magistrate shall issue his warrant of arrest directing that the person so released be brought before him. 
(3) On the appearance of such person pursuant to the warrant, or on his voluntary surrender, the Magistrate shall direct the bond to be discharged either wholly or so far as relates to the applicants, and shall call upon such person to find other sufficient sureties, and, if he fails to do so, may commit him to custody.

২০.
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ২৪০ অনুযায়ী অভিযোগ প্রত্যাহারের ফলাফল কী?
  1. খালাস বলে গণ্য
  2. দণ্ডাদেশ বলে গণ্য
  3. মামলা স্থগিত বলে গণ্য
  4. অব্যাহতি বলে গণ্য
সঠিক উত্তর:
খালাস বলে গণ্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খালাস বলে গণ্য
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারী কার্যবিধির ধারা ২৪০ অনুসারে, একই ব্যক্তির বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগ গঠন করা হলে এবং এক বা একাধিক অভিযোগে দোষী সাব্যস্ত হলে, বাকি অভিযোগগুলো ফরিয়াদী বা সরকার পক্ষে মামলা পরিচালনাকারী কর্মকর্তা আদালতের অনুমতিতে প্রত্যাহার করতে পারেন। এই প্রত্যাহারের ফলাফল হিসেবে প্রত্যাহৃত অভিযোগগুলো খালাস (acquittal) দেওয়া হিসেবে পরিগণিত হয়, যতক্ষণ না দণ্ডাদেশ রদ করা হয়। যদি দণ্ডাদেশ রদ হয়, তাহলে আদালত রদকারী আদালতের আদেশ সাপেক্ষে অনুসন্ধান বা বিচার চালিয়ে যেতে পারে।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ২৪০ অনুযায়ী-
যখন একই ব্যক্তির বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগ গঠন করা হয় এবং এক বা একাধিক অপরাধের জন্য দণ্ড দেয়া হয়,তখন ফরিয়াদী বা সরকার পক্ষে মামলা পরিচালনাকারী কর্মকর্তা আদালতের অনুমতি নিয়ে অভিযোগ বা অভিযোগসমূহ প্রত্যাহার করতে পারেন অথবা আদালত নিজ উদ্দেগ্যে এরূপ অভিযোগ বা অভিযোগসমূহের অনুসন্ধান বা বিচার স্থগিত রাখতে পারেন।
এরূপ প্রত্যাহার করা হলে উক্ত অভিযোগে বা অভিযোগসমূহ হতে খালাস দেয়া হলো বলে পরিগণিত হবে;
যদি না দণ্ডাদেশ রদ করা হয়,সেক্ষেত্রে উক্ত আদালত দণ্ডাদেশ রদকারী আদালতের আদেশ সাপেক্ষে প্রত্যাহৃত অভিযোগ বা অভিযোগসমূহ সম্পর্কে অনুসন্ধান বা বিচার করতে পারবেন।
-------------------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898, Section-240.Withdrawal of remaining charges on conviction on one of several charges:
 When a charge containing more heads than one is framed against the same person, and when a conviction has been had on one or more of them, the complainant, or the officer conducting the prosecution, may, with the consent of the Court, withdraw the remaining charge or charges, or the Court of its own accord may stay the inquiry into, or trial of, such charge or charges.
Such withdrawal shall have the effect of an acquittal on such charge or charges, unless the conviction be set aside, in which case the said Court (subject to the order of the Court setting aside the conviction) may proceed with the inquiry into or trial of the charge or charges so withdrawn.

২১.
ফৌজদারী কার্যবিধির ধারা ১৬৭(৫)-এর অধীন কত দিনের মধ্যে তদন্ত সমাপ্ত না হলে আসামিকে জামিনে মুক্তি দেওয়ার বিধান আছে?
  1. ৯০ দিন
  2. ১২০ দিন
  3. ১৮০ দিন
  4. ২৪০ দিন
সঠিক উত্তর:
১২০ দিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১২০ দিন
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারী কার্যবিধির ধারা ১৬৭(৫)-এর অধীন, অপরাধ সংঘটন সম্পর্কিত সংবাদ প্রাপ্তির তারিখ অথবা তদন্তের জন্য ম্যাজিস্ট্রেটের আদেশ প্রাপ্তির তারিখ হতে ১২০ দিনের মধ্যে তদন্ত সমাপ্ত না হলে আসামিকে জামিনে মুক্তি দেওয়ার বিধান রয়েছে। এটি অপরাধের প্রকারভেদ অনুসারে ম্যাজিস্ট্রেট বা দায়রা আদালত কর্তৃক করা হয়, এবং জামিন না দেওয়া হলে কারণ লিপিবদ্ধ করতে হয়।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৭ ধারার বিধান:
(৫) অপরাধ সংঘটন সম্পর্কিত সংবাদ প্রাপ্তির তারিখ অথবা এরূপ তদন্তের জন্য ম্যাজিষ্ট্রেটের আদেশ প্রাপ্তির তারিখ হতে একশত বিশ দিনের মধ্যে যদি তদন্ত সমাপ্ত না হয় তাহলে,
ক) অপরাধটি আমলে নিতে ক্ষমতাসম্পন্ন বা তদন্তের আদেশদানকারী ম্যাজিস্ট্রেট, তদন্ত সম্পর্কিত অপরাধটি যদি মৃত্যুদণ্ডে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে বা দশ বৎসরের অধিক মেয়াদের কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় অপরাধ না হয় তবে তার সন্তুষ্টি সাপেক্ষে আসামিকে জামিনে মুক্তি দিতে পারবেন; এবং
খ) তদন্ত সম্পর্কিত অপরাধটি যদি মৃত্যুদণ্ডে, যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে বা দশ বৎসরের অধিক মেয়াদের কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় অপরাধ না হয় তবে দায়রা আদালত ইহার সন্তুষ্টি সাপেক্ষে আসামিকে জামিনে মুক্তি দিতে পারবেন,
তবে শর্ত এই যে, আসামিকে যদি এই উপধারার অধীন জামিনে মুক্তি দেয়া না হয় তাহলে ম্যাজিস্ট্রেট অথবা ক্ষেত্র বিশেষে দায়রা আদালত ইহার কারণ লিপিবদ্ধ করবেন
আরও শর্ত এই যে, যেক্ষেত্রে অভিযুক্ত ব্যক্তিকে বিচারে সোপর্দ করার জন্য সংশ্লিষ্ট আইনের বিধান অনুযায়ী উপযুক্ত কর্তৃপক্ষের অনুমোদন গ্রহণ করা প্রয়োজন, সেক্ষেত্রে অনুমোদন গ্রহণ করতে যে সময় লাগিবে এই উপধারায় নির্ধারিত সময় হতে তা বাদ দিতে হবে।
-----------
⇒The Code of Criminal Procedure, 1898,- Section:-167:
(5) If the investigation is not concluded within one hundred and twenty days from the date of receipt of the information relating to the commission of the offence or the order of the Magistrate for such investigation- 
(a) the Magistrate empowered to take cognizance of such offence or making the order for investigation may, if the offence to which the investigation relates is not punishable with death, imprisonment for life or imprisonment exceeding ten years, release the accused on bail to the satisfaction of such Magistrate; and 
(b) the Court of Session may, if the offence to which the investigation relates is punishable with death, imprisonment for life or imprisonment exceeding ten years, release the accused on bail to the satisfaction of such Court: 
Provided that if an accused is not released on bail under this subsection, the Magistrate or, as the case may be, the Court of Session shall record the reasons for it: 
Provided further that in cases in which sanction of appropriate authority is required to be obtained under the provisions of the relevant law for pthe rosecution of the accused, the time taken for obtaining such sanction shall be excluded from the period specified in this sub-section.

২২.
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ১৫২ অনুযায়ী, কোন ব্যক্তি সরকারী সম্পত্তির ক্ষতি রোধে হস্তক্ষেপ করতে পারেন?
  1. ম্যাজিস্ট্রেট
  2. জেলা প্রশাসক
  3. স্থানীয় চেয়ারম্যান
  4. পুলিশ অফিসার
সঠিক উত্তর:
পুলিশ অফিসার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পুলিশ অফিসার
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮ এর ধারা ১৫২ অনুসারে, কেবলমাত্র একজন পুলিশ অফিসার তার নিজ কর্তৃত্ব বলে (of his own authority) তার দৃষ্টির সামনে (in his view) সরকারি সম্পত্তির ক্ষতি রোধ করতে হস্তক্ষেপ করতে পারেন।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ১৫২: সরকারী সম্পত্তির ক্ষতি নিবারণ:
কোন পুলিশ অফিসার তার নিজের কর্তৃত্ব বলে তার দৃষ্টিগোচরে কোন স্থাবর বা অস্থাবর সরকারী সম্পত্তির ক্ষতির প্রচেষ্টা অথবা কোন সরকারী চিহ্ন বা বয় (buoy) বা নৌ চলাচলের জন্য ব্যবহৃত অন্য কোন সরকারী চিহ্ন অপসারণের বা ক্ষতির চেষ্টা রোধ করার জন্য হস্তক্ষেপ করতে পারবেন।

⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898, Section 152: Prevention of injury to public property:
A police-officer may of his own authority interpose to prevent any injury attempted to be committed in his view to any public property, movable or immovable, or the removal or injury of any public landmark or buoy or other mark use for navigation.

২৩.
ফৌজদারি কার্যবিধির ৯৯গ ধারা অনুসারে বিশেষ বেঞ্চ কতজন বিচারপতি নিয়ে গঠিত?
  1. ২ জন
  2. ৩ জন
  3. ৫ জন
  4. ৭ জন
সঠিক উত্তর:
৩ জন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩ জন
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮ এর ধারা ৯৯গ অনুসারে, হাইকোর্ট বিভাগের বিশেষ বেঞ্চ (Special Bench) তিনজন বিচারপতি নিয়ে গঠিত হবে।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৯৯গ ধারার বিধান: বিশেষ বেঞ্চে শুনানী: 
তিনজন বিচারপতি নিয়ে গঠিত হাইকোর্ট ডিভিশন-এর বিশেষ বেঞ্চ এরূপের প্রত্যেকটি আবেদন শুনবেন এবং সেই বিষয়ে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করবেন।
----------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898, Section 99C: Hearing by Special Bench: Every such application shall be heard and determined by a Special Bench of the High Court Division composed of three Judges.  

২৪.
ফৌজদারি কার্যবিধির কোন ধারায় দায়রা আদালতের বিচারকের মামলা স্থানান্তরের ক্ষমতা বর্ণিত হয়েছে?
  1. ধারা ৫২৬
  2. ধারা ৫২৬ক
  3. ধারা ৫২৬খ
  4. ধারা ৫২৮
সঠিক উত্তর:
ধারা ৫২৬খ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ৫২৬খ
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারী কার্যবিধির ধারা ৫২৬খ-এর অধীন, দায়রা আদালতের বিচারক (Sessions Judge) ন্যায়বিচারের জন্য প্রয়োজনীয় বলে মনে করলে তার সেশন বিভাগের এক ফৌজদারি আদালত থেকে অন্য ফৌজদারি আদালতে কোনো নির্দিষ্ট মামলা স্থানান্তরের আদেশ দিতে পারেন। এই আদেশ নিম্ন আদালতের প্রতিবেদন, পক্ষের আবেদন বা নিজের উদ্যোগে প্রদান করা যায়। ধারা ৫২৬-এর উপধারা (৪) থেকে (১০) এই প্রক্রিয়ায় প্রযোজ্য।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮ এর ধারা ৫২৬খ: দায়রা আদালতের বিচারকের মামলার স্থানান্তরের ক্ষমতা:
(১) যখন সেশন আদালতের বিচারকের কাছে এটি প্রতিস্থাপিত হয় যে, এই ধারা অনুসারে একটি আদেশ ন্যায়বিচারের জন্য প্রয়োজনীয়, তখন তিনি তার সেশন বিভাগের একটি ফৌজদারি আদালত থেকে অন্য ফৌজদারি আদালতে কোনো নির্দিষ্ট মামলা স্থানান্তরের আদেশ দিতে পারেন।
(২) সেশন আদালতের বিচারক নিম্ন আদালতের প্রতিবেদন, একটি পক্ষের আবেদনের উপর অথবা তার নিজস্ব উদ্যোগে এই আদেশ দিতে পারেন।
(৩) ধারা ৫২৬ এর উপধারা (৪) থেকে (১০) (উভয়সহ) সেশন আদালতের বিচারকের কাছে ধারা ৫২৬বির অধীনে একটি আদেশের জন্য আবেদনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে, যেমনটি উচ্চ আদালতের বিভাগে ধারা ৫২৬ এর উপধারা (১) অনুসারে আবেদন করার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হয়।

⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898 Section- 526B. Power of Sessions Judge to transfer cases:
(1) Whenever it is made to appear to a Sessions Judge that an order under this section is expedient for the ends of justice, he may order that any particular case be transferred from one Criminal Court to another Criminal Court in his sessions division.
(2) The Sessions Judge may act either on the report of the lower Court, or on the Application of a party interested, or on his own initiative.
(3) The provisions of sub-sections (4) to (10) (both inclusive) of section 526 shall apply in relation to an application to the Sessions Judge for an order under sub-section (1) as they apply in relation to an application to the High Court Division for an order sub-section (1) of section 526.

২৫.
ফৌজদারি কার্যবিধির কোন ধারায় সাজা রদবদলের ক্ষমতা সম্পর্কিত বিধান রয়েছে?
  1. ধারা ৪০০
  2. ধারা ৪০১
  3. ধারা ৪০২
  4. ধারা ৪০২ক
সঠিক উত্তর:
ধারা ৪০২
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ৪০২
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮ এর ধারা ৪০২-এ সাজা রদবদলের (Commutation of punishment) ক্ষমতা সম্পর্কে বিস্তারিত বিধান রয়েছে।
- এই ধারা অনুসারে: সরকার আসামীর সম্মতি ছাড়াই সাজা রদবদল করতে পারেন। 
- মৃত্যুদণ্ড যাবজ্জীবন কারাদণ্ড, সশ্রম কারাদণ্ড, বিনাশ্রম কারাদণ্ড বা জরিমানায় রূপান্তর করা যেতে পারে। 
- দণ্ডবিধির ধারা ৫৪ ও ৫৫-এর বিধান অক্ষুণ্ণ থাকে।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৪০২: সাজা রদ বদলের ক্ষমতা-
(১) সরকার দণ্ড প্রাপ্ত ব্যক্তির বিনা সম্মতিতে নিম্নে বর্ণিত যে কোন দণ্ড রদবদল করে ইহার পরে উল্লিখিত যেকোনো দণ্ড দিতে পারবেন-মৃত্যুদণ্ড, যাবজ্জীবন কারাদণ্ড, আসামি যে সময়ের জন্য সাজাপ্রাপ্ত হতে পারত তার অনধিক সময়ের জন্য সশ্রম কারাদণ্ড, অনুরূপ মেয়াদের জন্য বিনাশ্রম কারাদণ্ড, জরিমানা।
(২) এই ধারার কোন কিছুই দণ্ডবিধির ধারা-৫৪ বা ৫৫ এর বিধানবলীকে প্রভাবিত করবে না।

⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898, Section 402: Power to commute punishment:
(1) The Government may, without the consent of the person sentenced, commute any one of the following sentences for any other mentioned after it:-death, transportation, rigorous imprisonment for a term not exceeding that to which he might have been sentenced, simple imprisonment for a like term, fine.
(2) Nothing in this section shall affect the provisions of section 54 or section 55 of the Penal Code.

২৬.
ফৌজদারি কার্যবিধির কোন ধারায় আপসযোগ্য অপরাধের বিধান রয়েছে?
  1. ধারা ৩৪০
  2. ধারা ৩৪৫
  3. ধারা ৩৫০
  4. ধারা ৩৫৫
সঠিক উত্তর:
ধারা ৩৪৫
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ৩৪৫
ব্যাখ্যা

⇒ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৪৫ ধারা অনুযায়ী, আপসযোগ্য (compoundable) অপরাধসমূহের তালিকা একটি টেবিল আকারে দেওয়া হয়েছে।
এই টেবিলের—
প্রথম কলামে: অপরাধের নাম বা প্রকৃতি 
দ্বিতীয় কলামে: দণ্ডবিধির কোন ধারার অপরাধ
তৃতীয় কলামে: কোন ব্যক্তি সেই অপরাধ আপস করতে পারেন— তা উল্লেখ করা হয়েছে।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৪৫ ধারায় যে সকল অপরাধসমূহ আপসযোগ্য, সেই সকল অপরাধের বর্ণনা দেয়া হয়েছে।
- ৩৪৫ (১) ধারায় উল্লেখিত অপরাধের আপস মীমাংসার ক্ষেত্রে ক্ষতিগ্রস্থ ব্যক্তির সম্মতিই যথেষ্ট কিন্তু ৩৪৫ (২) ধারায় টেবিলে উল্লেখিত অপরাধের ক্ষেত্রে আদালতের অনুমতি নিয়ে তৃতীয় কলামে উল্লেখিত ব্যক্তিরা অপরাধের আপস মীমাংসা করতে পারে।
- দণ্ড আরোপের পূর্বে যেকোনো সময় ৩৪৫ ধারায় অপরাধ আপস মীমাংসা হতে পারে এবং সেটা কোর্টের ভিতরে বা অপরাধের আপস করার জন্য অন্যভাবে যোগ্যতাসম্পন্ন ব্যক্তি ১৮ বছরের কম বয়স্ক হলে বা জড়বুদ্ধ হলে বা পাগল হলে, তার পক্ষে চুক্তি সম্পাদনের যোগ্যতাসম্পন্ন কোন ব্যক্তি আদালতের অনুমতি নিয়ে আপস মীমাংসা করতে পারে ধারা।
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৪৫ (৬) ধারা অনুযায়ী অপরাধের আপস মীমাংসা আসামীর খালাস বলে গণ্য হবে।
⇒ প্রতিকার- যেহেতু ৩৪৫ ধারায় আপস মীমাংসা আসামীর খালাস বলে গণ্য হয় এবং যেহেতু খালাসের বিরুদ্ধে আপীল করা যায়, তাই ৩৪৫ ধারায় আপস মীমাংসার বিরুদ্ধে ৪১৭ ধারায় সরকার আপীল করতে পারে।

২৭.
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ১৭৬-এর অধীন কবর থেকে লাশ তোলার ক্ষমতা কার আছে?
  1. ডাক্তার
  2. ম্যাজিস্ট্রেট
  3. পুলিশ অফিসার
  4. পরিবারের সদস্য
সঠিক উত্তর:
ম্যাজিস্ট্রেট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ম্যাজিস্ট্রেট
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারী কার্যবিধির ধারা ১৭৬(২)-এর অধীন, যখন ম্যাজিস্ট্রেট মনে করেন যে ইতিপূর্বে কবর দেওয়া কোনো ব্যক্তির লাশ পরীক্ষা করা মৃত্যুর কারণ আবিষ্কারের জন্য যুক্তিযুক্ত, তখন তিনি লাশটি কবর থেকে তোলাইয়া পরীক্ষা করাতে পারবেন। এই ক্ষমতা শুধুমাত্র ম্যাজিস্ট্রেটের, অন্য কোনো ব্যক্তি বা কর্তৃপক্ষের নয়।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ১৭৬ ধারার বিধান: মৃত্যুর কারণ বিষয়ে ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক ইনকেয়ারী:
(১) কোন ব্যক্তি পুলিশের হেফাজতে থাকাকালীন সময়ে মারা গেলে সুরতহাল তদন্ত পরিচালনার ক্ষমতাবান নিকটতম ম্যাজিস্ট্রেট অবশ্যই মৃত্যুর কারণ সম্পর্কে পুলিশ কর্মকর্তার মাধ্যমে তদন্ত ছাড়াও বা এরূপ তদন্তের পরিবর্তে ইনকোয়ারি করবেন এবং ধারা-১৭৪ এর উপধারা-(১) এর অনুচ্ছেদ-(ক), (খ) ও (গ) এ বর্ণিত অন্যান্য ক্ষেত্রে উক্তরূপে ক্ষমতাবান যে কোন ম্যাজিস্ট্রেট মৃত্যুর কারণ সম্পর্কে পুলিশ কর্মকর্তা কর্তৃক অনুষ্ঠিত তদন্ত ব্যতীতও অথবা এরূপ তদন্তের পরিবর্তে ইনকোয়ারি সম্পন্ন করতে পারবেন এবং তিনি যদি এরূপ সম্পাদন করেন, সেক্ষেত্রে অপরাধ ইনকোয়ারীর বেলায়ও তাঁর যে পরিমাণ ক্ষমতা থাকবে এক্ষেত্রেও তার একই পরিমাণ ক্ষমতা থাকবে। এরূপ ইনকোয়ারি পরিচালনাকালীন সময়ে ম্যাজিস্ট্রেট পরিস্থিতি অনুসারে অতঃপর উল্লিখিত পন্থাসমূহের যে কোন একটি অনুসারে গৃহীত সাক্ষ্য-প্রমাণ নথিবদ্ধ করবেন।
(২) কবর হতে লাশ তুলার ক্ষমতা: যখনই কোন ম্যাজিস্ট্রেট এরূপ কোন ব্যক্তির লাশ, যাকে ইতঃপূর্বে কবর দেয়া হয়েছে, পরীক্ষা করা যুক্তিযুক্ত মনে করেন তার মৃত্যুর কারণ আবিষ্কার করার জন্য, তখনই ওই ম্যাজিস্ট্রেট ওই লাশটি কবর হতে তোলাইয়া পরীক্ষা করাতে পারবেন।
----------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898, Section-176. Inquiry by Magistrate into cause of death:
(1) When any person dies while in the custody of the police, the nearest Magistrate empowered to hold inquests shall, and, in any other case mentioned in section 174, clauses (a), (b) and (c) of sub-section (1), any Magistrate so empowered may hold an inquiry into the cause of death either instead of, or in addition to, the investigation held by the police-officer, and if he does so, he shall have all the powers in conducting it which he would have in holding an inquiry into an offence.
The Magistrate holding such an inquiry shall record the evidence taken by him in connection therewith in any of the manners hereinafter prescribed according to the circumstances of the case.
(2) Power to disinter corpses: Whenever such Magistrate considers it expedient to make an examination of the dead body of any person who has been already interred, in order to discover the cause of his death, the Magistrate may, cause the body to be disinterred and examined.

২৮.
ফৌজদারি কার্যবিধির কোন ধারায় আদালত উন্মুক্ত থাকার বিধান রয়েছে?
  1. ধারা ৩৫০
  2. ধারা ৩৫২
  3. ধারা ৩৫৪
  4. ধারা ৩৫৬
সঠিক উত্তর:
ধারা ৩৫২
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ৩৫২
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারী কার্যবিধির ধারা ৩৫২-এর অধীন, অপরাধের তদন্ত বা বিচারের উদ্দেশ্যে যে স্থানে কোনো ফৌজদারি আদালতের অধিবেশন বসে, তা উন্মুক্ত আদালত হিসেবে পরিগণিত হয় এবং সর্বসাধারণের প্রবেশাধিকার থাকে যতদূর সুবিধাজনক স্থান সংকুলান হয়। তবে, বিচারকারী জজ বা ম্যাজিস্ট্রেট বিশেষ মামলার যেকোনো ধাপে সাধারণ জনগণ বা কোনো বিশেষ ব্যক্তির প্রবেশ নিষিদ্ধ করতে পারেন, যদি তা সঠিক মনে হয়।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৩৫২: আদালত উন্মুক্ত থাকবে-
কোন অপরাধের তদন্ত বা বিচারের উদ্দেশ্যে যে স্থানে কোন ফৌজদারি আদালতের অধিবেশন বসে, ঐ স্থানকে উন্মুক্ত আদালত হিসেবে পরিগণিত করতে হবে এবং যে পর্যন্ত সেখানে সুবিধাজনক স্থান সংকুলান হয়, সে পর্যন্ত সেখানে সর্ব সাধারণের প্রবেশাধিকার থাকতে পারেঃ
শর্ত থাকে যে, বিচারকারী জজ বা ম্যাজিস্ট্রেট সঠিক মর্মে মনে করলে কোন বিশেষ মামলার অনুসন্ধান বা বিচারের যেকোন ধাপে আদেশ প্রদান করতে পারবেন যে, সর্বসাধারণ বা কোন বিশেষ ব্যক্তি আদালত কর্তৃক ব্যবহৃত কক্ষ বা ভবনে প্রবেশ করতে বা অন্য কোন জায়গায় অবস্থান করতে পারবে না।

⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898, Section 352: Courts to be open-
The place in which any Criminal Court is held for the purpose of inquiring into or trying any offence shall be deemed an open Court, to which the public generally may have access, so far as the same can conveniently contain them:
Provided that the presiding Judge or Magistrate may, if he thinks fit, order at any stage of any inquiry into, or trial of, any particular case, that the public generally, or any particular person, shall not have access to, or be or remain in, the room or building used by the Court.

২৯.
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৬ অনুসারে, বাংলাদেশে কত প্রকারের ফৌজদারি আদালত প্রতিষ্ঠিত হবে?
  1. দুই প্রকার
  2. তিন প্রকার
  3. চার প্রকার
  4. পাঁচ প্রকার
সঠিক উত্তর:
দুই প্রকার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দুই প্রকার
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮ এর ধারা ৬ অনুযায়ী, বাংলাদেশে মূলত দুই প্রকার ফৌজদারি আদালত প্রতিষ্ঠিত হবে। এই দুই প্রকার আদালত হলো:
১) দায়রা আদালত (Courts of Sessions)
২) ম্যাজিস্ট্রেট এর আদালত (Courts of Magistrates)

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৬ ধারার বিধান: ফৌজদারি আদালতের শ্রেণীবিভাগ:
(১) সুপ্রিম কোর্ট এবং উক্ত কোড ভিন্ন সাময়িকভাবে বলবৎ অপর কোন আইনবলে প্রতিষ্ঠিত আদালতসমূহ ব্যতীত,
বাংলাদেশে দুই প্রকারের ফৌজদারি আদালত প্রতিষ্ঠিত হবে; যথা:
(ক) দায়রা আদালত; এবং
(খ) ম্যাজিস্ট্রেট এর আদালত।
(২) দুই প্রকারের ম্যাজিস্ট্রেট থাকবে; সুপ্রিম
(ক) বিচার বিভাগীয় ম্যাজিস্ট্রেট; এবং (খ) নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট।
(৩) চার প্রকারের বিচার বিভাগীয় (জুডিশিয়াল) ম্যাজিস্ট্রেট থাকবেন; যথা:
(ক) মুখ্য মহানগর ম্যাজিস্ট্রেট, মহানগর এলাকায় এবং মুখ্য মহানগর ম্যাজিস্ট্রেট, অন্যান্য এলাকায়;
(খ) মহানগর এলাকায় স্থিত প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট মহানগর ম্যাজিস্ট্রেট মর্মে আখ্যায়িত হবে;
(গ) দ্বিতীয় শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট;
(ঘ) তৃতীয় শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট।
ব্যাখ্যা: এই উপধারার উদ্দেশ্যে, চিফ মোট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট” এবং “চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট" শব্দ দুটিকে যথাক্রমে "অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট" এবং "অতিরিক্ত চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট” বুঝাবে।
------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, Section 6. Classes of Criminal Courts:
(1) Besides the Supreme Court and the Courts constituted under any law for the time being in force, other than this Code, there shall be two classes of Criminal Courts in Bangladesh, namely:-
(a) Courts of Sessions ; and
(b) Courts of Magistrates.
(2) There shall be two classes of Magistrate, namely: -
(a) Judicial Magistrate; and
(b) Executive Magistrate.
(3) There shall be four classes of judicial Magistrate, namely: -
(a) Chief Metropolitan Magistrate in Metropolitan Area and Chief judicial Magistrate to other areas;
(b) Magistrate of the first class, who shall in Metropolitan area, be known as Metropolitan Magistrate;
(c) Magistrate of the second class; and
(d) Magistrate of the third class.
Explanation: For the purpose of this sub-section, the word "Chief Metropolitan Magistrate" and "Chief judicial Magistrate" shall include "Additional Chief Metropolitan Magistrate" and "Additional Chief judicial Magistrate" respectively.

৩০.
দণ্ডবিধির কোন ধারায় সাধারণ অভিপ্রায় (Common Intention) সম্পর্কিত বিধান রয়েছে?
  1. ধারা ৩২
  2. ধারা ৩৪
  3. ধারা ৩৮
  4. ধারা ৪২
সঠিক উত্তর:
ধারা ৩৪
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ৩৪
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধির ধারা ৩৪-এর অধীন, কতিপয় ব্যক্তি সাধারণ অভিপ্রায়ে (common intention) অপরাধমূলক কাজ সম্পাদন করলে, প্রত্যেকে অপরাধের জন্য সমানভাবে দায়ী হবে, যেন অপরাধটি সে এককভাবে করেছে। এই ধারায় সাধারণ অভিপ্রায়ের পূর্ব পরিকল্পনা এবং অংশগ্রহণের উপাদানগুলো উল্লেখিত, কিন্তু সকল ব্যক্তির একসাথে উপস্থিতি আবশ্যক নয়।

⇒ দণ্ডবিধির ৩৪ ধারায় সাধারণ অভিপ্রায় বা অভিন্ন অভিপ্রায় (Common Intention) এর বিধান রয়েছে:
(i) সাবধান অভিপ্রায় প্রমাণের ক্ষেত্রে কতিপয় ব্যক্তি কর্তৃক অপরাধমূলক কাজ সম্পাদিত হবে।
(ii) তাদের প্রত্যেকের সাধারণ অভিপ্রায় এবং পূর্ব পরিকল্পনা থাকবে উক্ত অপরাধ সংঘটিত করতে।
(iii) অপরাধটি সফল করার জন্য তারা অপরাধে অংশগ্রহণ করবে।

এখানে, সকল ব্যক্তি একসঙ্গে উপস্থিত থাকা এই শর্তটি প্রয়োজন নয়। কারণ, সাধারণ অভিপ্রায় থাকতে হবে, কিন্তু অপরাধ সংঘটিত করতে সকল ব্যক্তি একসাথে উপস্থিত থাকা আবশ্যক নয়। তারা আলাদাভাবে অংশ নিতে পারে, তবে তাদের অভিপ্রায় ও পরিকল্পনা এক হতে হবে।
অতএব,সকল ব্যক্তি একসঙ্গে উপস্থিত থাকা সাধারণ অভিপ্রায় (Common Intention)  প্রমাণের জন্য আবশ্যক নয়।
-----
⇒ The Penal Code, 1860 Section-34: Acts done by several persons in furtherance of common intention: 
- When a criminal act is done by several persons, in furtherance of the common intention of all, each of such persons is liable for that act in the same manner as if it were done by him alone.

৩১.
দণ্ডবিধির ৩৭৮ ধারার বিধান অনুসারে চুরির অপরাধ গঠনের জন্য কী প্রয়োজন?
  1. অসাধু উদ্দেশ্য
  2. সম্পত্তি স্থানান্তর
  3. মালিকের সম্মতি না থাকা
  4. উপরের সবগুলো
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধির ধারা ৩৭৮-এর অধীন, চুরির (theft) অপরাধ গঠনের জন্য তিনটি মূল উপাদান প্রয়োজন: (১) অসাধু উদ্দেশ্য (dishonest intention) দিয়ে অস্থাবর সম্পত্তি গ্রহণ করা, (২) সম্পত্তির স্থানান্তর (moving the property), এবং (৩) দখলকারী বা মালিকের সম্মতি না থাকা (without consent)। এই তিনটির সমন্বয়ে চুরির অপরাধ সম্পূর্ণ হয়।

⇒ দণ্ডবিধির ৩৭৮ ধারার বিধান চুরি:- কোন ব্যক্তি যদি কারো দখল হতে তার সম্মতি ব্যতীত কোন অস্থাবর সম্পত্তি অসাধুভাবে গ্রহণ করার উদ্দেশ্য নিয়ে উক্ত সম্পত্তি অনুরূপভাবে গ্রহণের জন্য স্থানান্তর করে, তবে উক্ত ব্যক্তি চুরি করেছে বলে গণ্য হবে।
ব্যাখ্যা ১:- কোন বস্তু যতক্ষণ পর্যন্ত অস্থাবর সম্পত্তি না হওয়া বিধায় মাটির সাথে যুক্ত থাকে, ততক্ষণ পর্যন্ত উহা চুরি করার বস্তু বলে গণ্য হবে না, কিন্তু যে মুহূর্তে উহাকে মাটি হতে বিচ্ছিন্ন করা হয় সে মুহূর্তেই উহা চুরি করার বস্তু হওয়ার যোগ্য গণ্য হবে।
ব্যাখ্যা ২:- যে কাজ কর্তৃক (মাটি হতে) বিচ্ছিন্নতা সাধন করা হয়, সে কাজ দ্বারাই স্থানান্তর করা হলে তা চুরি হতে পারে।
ব্যাখ্যা ৩:- কোন ব্যক্তি কোন বস্তুর গতির প্রতিবন্ধক অপসারণ করলে বা উহাকে অপর কোন বন্ধু হতে বিচ্ছিন্ন করলে এবং বাস্তবিকভাবে উহা স্থানান্তর করলে উক্ত বস্তু স্থানান্তর করে বলে পরিগণিত হবে।
ব্যাখ্যা ৪:- কোন ব্যক্তি যে কোন উপায়ে কোন পশুকে হাঁটায়, সে লোক সে পশুকে এবং অনুরূপভাবে সৃষ্ট গতির ফলে উক্ত পশু দ্বারা স্থানান্তরিত প্রত্যেক বস্তুকে স্থানান্তর করে বলে গণ্য হবে।
ব্যাখ্যা ৫:- সংজ্ঞায় উল্লিখিত সম্মতি প্রকাশ্য অথবা পরোক্ষ হতে পারে: এবং উক্ত সম্মতি দখলকারী ব্যক্তি বা উক্ত উদ্দেশ্য প্রকাশ্য বা পরোক্ষ ক্ষমতাসম্পন্ন ব্যক্তির দ্বারা প্রদত্ত হতে পারে।
------------
⇒ The Penal Code, 1860- Section 378: Theft:
- Whoever, intending to take dishonestly any moveable property out of the possession of any person without that person's consent, moves that property in order to such taking, is said to commit theft.
Explanation 1.- A thing so long as it is attached to the earth, not being moveable property, is not the subject of theft; but it becomes capable of being the subject of theft as soon as it is severed from the earth.
Explanation 2.- A moving effected by the same act which effects the severance may be a theft.
Explanation 3.- A person is said to cause a thing to move by removing an obstacle which prevented it from moving or by separating it from any other thing, as well as by actually moving it.
Explanation 4.- A person, who by any means causes an animal to move, is said to move that animal, and to move everything which, in consequence of the motion so caused, is moved by that animal.
Explanation 5.- The consent mentioned in the definition may be express or implied, and may be given either by the person in possession, or by any person having for that purpose authority either express or implied.

৩২.
দণ্ডবিধির ধারা ৫১০ অনুসারে, অর্থদণ্ডের সর্বোচ্চ পরিমাণ কত টাকা?
  1. ৫ টাকা
  2. ১০ টাকা
  3. ৫০ টাকা
  4. ১০০ টাকা
সঠিক উত্তর:
১০ টাকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১০ টাকা
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধির ৫১০ ধারা অনুযায়ী, নেশাগ্রস্থ ব্যক্তি দ্বারা প্রকাশ্যে অসদাচরণ:
কোন ব্যক্তি যদি নেশাগ্রস্ত অবস্থায় কোন প্রকাশ্য স্থানে গমন করে, বা যে স্থানে প্রবেশ করা তার পক্ষে অনধিকার প্রবেশ, সে স্থানে প্রবেশ করে এবং সে স্থানে এমন আচরণ করে, যার ফলে কারো বিরক্তি ঘটে, তবে সে ব্যক্তি চব্বিশ ঘন্টা পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে অথবা দশ টাকা পর্যন্ত যেকোন পরিমাণ অর্থ দণ্ডে দণ্ডিত হবে, অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।

⇒ The Penal Code, 1860, Section 510- Misconduct in public by a drunken person:
Whoever, in a state of intoxication appears in any public place, or in any place which it is a trespass in him to enter, and there conducts himself in such a manner as to cause annoyance to any person, shall be punished with simple imprisonment for a term which may extend to twenty-four hours, or with fine which may extend to ten taka, or with both.

৩৩.
দণ্ডবিধির কোন ধারায় শাস্তির প্রকারভেদ বর্ণিত হয়েছে?
  1. ধারা ৫১
  2. ধারা ৫৩
  3. ধারা ৫৫
  4. ধারা ৫৭
সঠিক উত্তর:
ধারা ৫৩
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ৫৩
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধি মূলত দণ্ড সম্পর্কিত আইন, দণ্ডবিধির ৫৩ ধারায় শাস্তির প্রকারভেদ রয়েছে।
⇒ ৫৩ ধারায় পাঁচ প্রকার শাস্তি উল্লেখ আছে। যথা:
      (i)  মৃত্যুদণ্ড (Death penalty)
      (ii) যাবজ্জীবন কারাদণ্ড (Imprisonment for life)
      (iii) কারাদণ্ড(Imprisonment) দুই প্রকার:
           ক) সশ্রম( Rigorous, that is,  with hard labour) এবং
           খ) বিনাশ্রম (Simple)
      (iv) সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত (forfeiture of property)
      (v) অর্থদণ্ড (fine)
- দণ্ডবিধির ধারা ৫৩ তে বিধান আছে যে, কারাদণ্ড ২ প্রকারের- সশ্রম ও  বিনাশ্রম। 
 - যাবজ্জীবন কারাদণ্ড সর্বদায় সশ্রম কারাদণ্ড হবে।
---------------------------------------------------
⇒ Section 53. Punishments
 The punishments to which offenders are liable under the provisions of this Code are,- 
Firstly,- Death;
Secondly,- Imprisonment for life;
Thirdly,-[Omitted by the Criminal Law (Extinction of Discriminatory Privileges) Act 1949 (Act No. II of 1950]. 
Fourthly,-Imprisonment, which is of two descriptions, namely:- 
(1) Rigorous, that is, with hard labour; 
(2) Simple; 
Fifthly,- Forfeiture of property; 
Sixthly,- Fine.
- Explanation.-In the punishment of imprisonment for life, the imprisonment shall be rigorous.

৩৪.
দণ্ডবিধি অনুসারে অর্থদণ্ড ছাড়া খুনের সর্বনিম্ন শাস্তি কী?
  1. ১০ বছর কারাদণ্ড
  2. ১৪ বছর কারাদণ্ড
  3. যাবজ্জীবন কারাদণ্ড
  4. মৃত্যুদণ্ড
সঠিক উত্তর:
যাবজ্জীবন কারাদণ্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যাবজ্জীবন কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধির ৩০২ ধারার বিধান খুনের সাজা :- কোন ব্যক্তি যদি খুনের অপরাধ করে তবে উক্ত ব্যক্তি মৃত্যুদণ্ডে, যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে এবং তদুপরি অর্থদণ্ডেও দণ্ডিত হবে।
⇒ দণ্ডবিধির ধারা ৩০২-এর অধীন, খুনের (murder) অপরাধের শাস্তি হলো মৃত্যুদণ্ড বা যাবজ্জীবন কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ড। অর্থাৎ, অর্থদণ্ড ছাড়া সর্বনিম্ন শাস্তি যাবজ্জীবন কারাদণ্ড।
--------
⇒ The Penal Code, 1860- Section 302. Punishment for murder:-Whoever commits murder shall be punished with death, or imprisonment for life, and shall also be liable to fine.

৩৫.
দণ্ডবিধির ধারা ২৭৫-এর অধীন ভেজালযুক্ত ঔষধের বিক্রয় বা প্রদর্শনের শাস্তির সর্বোচ্চ কত?
  1. ৩ মাস কারাদণ্ড
  2. ৬ মাস কারাদণ্ড
  3. ২ মাস কারাদণ্ড
  4. ১ বছর কারাদণ্ড
সঠিক উত্তর:
৬ মাস কারাদণ্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬ মাস কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা

⇒দণ্ডবিধির ধারা ২৭৫ অনুযায়ী, যদি কোনো ব্যক্তি জেনেশুনে ভেজালযুক্ত ঔষধ: বিক্রি করে, বিক্রির জন্য প্রদর্শন করে, ডিসপেনসারি থেকে অশোধিত/ভেজালমুক্ত বলে ইস্যু করে, অজ্ঞাতসারে কোনো ব্যক্তিকে ব্যবহার করতে দেয়, তাহলে তার শাস্তি হবে: সর্বোচ্চ ৬ মাসের কারাদণ্ড (সাধারণ বা কঠোর) অথবা  ১,০০০ টাকা পর্যন্ত জরিমানা অথবা উভয় শাস্তি। 

⇒দণ্ডবিধি, ১৮৬০-এর ধারা ২৭৫ অনুযায়ী যদি কেউ জানে যে কোনো ঔষধ বা চিকিৎসা সামগ্রী ভেজালযুক্ত, এবং তারপরও তা: বিক্রি করে, বিক্রির জন্য অফার করে বা প্রদর্শন করে, কোনো ডিসপেনসারি থেকে চিকিৎসার উদ্দেশ্যে সরবরাহ করে, বা এমন কাউকে ব্যবহারের জন্য দেয় যে ভেজালের বিষয়টি জানে না তাহলে তার সর্বোচ্চ শাস্তি: ৬ মাস পর্যন্ত কারাদণ্ড (সশ্রম বা বিনাশ্রম), বা ১,০০০ টাকা পর্যন্ত অর্থদণ্ড, বা উভয় দণ্ড।

⇒The Penal Code, 1860 – Section 275. Sale of adulterated drugs:
Whoever, knowing any drug or medical preparation to have been adulterated in such a manner as to lessen its efficacy, to change its operation, or to render it noxious, sells the same, or offers or exposes it for sale, or issues it from any dispensary for medicinal purposes as unadulterated, or causes it to be used for medicinal purposes by any person not knowing of the adulteration, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to six months, or with fine which may extend to one thousand taka, or with both.

৩৬.
নিচের কোন সম্পত্তিকে দণ্ডবিধি অনুযায়ী “চোরাই মাল” বলা হয় না?
  1. বৈধভাবে কেনা সম্পত্তি
  2. বলপূর্বক আদায়কৃত সম্পত্তি
  3. চুরির মাধ্যমে অর্জিত সম্পত্তি
  4. বিশ্বাসভঙ্গের দ্বারা অর্জিত সম্পত্তি
সঠিক উত্তর:
বৈধভাবে কেনা সম্পত্তি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বৈধভাবে কেনা সম্পত্তি
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধির ধারা ৪১০-এর অধীন, চোরাই মাল (stolen property) বলতে চুরি, বলপূর্বক আদায় (extortion), দস্যুতা (robbery), অপরাধমূলক আত্মসাতকরণ (criminal misappropriation) বা বিশ্বাসভঙ্গ (criminal breach of trust)-এর দ্বারা অর্জিত সম্পত্তিকে বোঝায়, যা বাংলাদেশের মধ্যে বা বাইরে সংঘটিত হোক না কেন। বৈধভাবে কেনা সম্পত্তি এই সংজ্ঞার অন্তর্গত নয়, এবং যদি চোরাই মাল আইনানুগভাবে দখলের অধিকারীর কাছে ফিরে আসে, তাহলে তা আর চোরাই মাল থাকে না।

⇒ দণ্ডবিধির ৪১০ ধারায় চোরাই মালের সংজ্ঞা রয়েছে। দণ্ডবিধির ৪১০ ধারামতে যে সকল মাল বা সম্পত্তি চোরাই মাল বলে গণ্য হবে তা হল-
ক) চুরির মাধ্যমে অর্জিত সম্পত্তি;
খ) বলপূর্বক গৃহীত সম্পত্তি;
গ) দস্যুতা এবং ডাকাতিমূলে হস্তান্তরিত সম্পত্তি; এবং
ঘ) অপরাধমূলকভাবে আত্মসাৎকৃত ও বিশ্বাসভঙ্গের দ্বারা অর্জিত সম্পত্তিকে চোরাই মাল বা Stolen Property বলে।
⇒ উক্ত চোরাই মাল যখন আইনানুগভাবে দখলের অধিকারী লোকের দখলে আসে, তখন সেগুলো আর চোরাই সম্পত্তি থাকে না।

⇒ দণ্ডবিধির ৪১০ ধারার বিধান চোরাই সম্পত্তি:- চুরি বা জোরপূর্বক আদায় বা দস্যুতার কর্তৃক যে সম্পত্তি হস্তান্তরিত হয়েছে বা যে সম্পত্তি অপরাধমূলকভাবে আত্মসাৎ হয়েছে বা যে সম্পত্তি সম্পর্কে অপরাধমূলক বিশ্বাস ভঙ্গ হয়েছে সে সম্পত্তিকে "চোরাই সম্পত্তি” বলে। অনুরূপ হস্তান্তর অথবা আত্মসাৎ বা বিশ্বাস ভঙ্গ বাংলাদেশের মধ্যে বা বাহিরে যেখানে সাধিত বা সংঘটিত হোক না কেন, সংশ্লিষ্ট সম্পত্তি 'চোরাই সম্পত্তি' বলে উহা আইনানুগভাবে দখলের অধিকারী ব্যক্তির দখলে আসে, তবে আর উহা চোরাই সম্পত্তি থাকে না।
----------
⇒The Penal Code, 1860- Section 410: Stolen property:
- Property, the possession whereof has been transferred by theft, or by extortion, or by robbery, and property which has been criminally misappropriated or in respect of which criminal breach of trust has been committed, is designated as "stolen property," whether the transfer has been made, or the misappropriation or breach of trust has been committed, within or without Bangladesh. But, if such property subsequently comes into the possession of a person legally entitled to the possession thereof, it then ceases to be stolen property.

৩৭.
দণ্ডবিধি অনুসারে ডাকাতি সংঘটনের জন্য সর্বনিম্ন কতজন ব্যক্তি প্রয়োজন?
  1. ২ জন
  2. ৩ জন
  3. ৫ জন
  4. ৭ জন
সঠিক উত্তর:
৫ জন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫ জন
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধির ধারা ৩৯১ অনুযায়ী, পাঁচ বা তার বেশি ব্যক্তি একসঙ্গে দস্যুতা সংঘটন করে বা দস্যুতা সংঘটনের চেষ্টা করলে তাদেরকে "ডাকাতি" বলা হয়।

⇒ দণ্ডবিধির ৩৯১ ধারার বিধান- ডাকাতি:
- যদি পাঁচ বা ততোধিক ব্যক্তি মিলিতভাবে দস্যুতা সংঘটন করে বা দস্যুতা সংঘটনের চেষ্টা করে, অথবা যদি কোন ক্ষেত্রে মিলিতভাবে দস্যুতা সংঘটনের চেষ্টা করে, অথবা যদি কোন ক্ষেত্রে মিলিতভাবে দস্যুতা সংঘটন প্রচেষ্টারত ব্যক্তির ও অনুরূপ কার্যে বা প্রচেষ্টায় সহায়তাকারী ব্যক্তির মোট সংখ্যা পাঁচ বা ততোধিক হয়, তবে অনুরূপ কাজ সংঘটনকারী বা প্রচেষ্টাকারী বা সহায়তাকারী প্রত্যেক ব্যক্তি ডাকাতি করছে বলে পরিগণিত হবে।
---------
⇒ The Penal Code Section 391- Dacoity:
- When five or more persons conjointly commit or attempt to commit a robbery, or where the whole number of persons conjointly committing or attempting to commit a robbery, and persons present and aiding such commission or attempt, amount to five or more, every person so committing, attempting or aiding, is said to commit "dacoity".

৩৮.
দণ্ডবিধির কোন ধারায় মানহানির শাস্তি বর্ণিত হয়েছে?
  1. ধারা ৪৯৯
  2. ধারা ৫০০
  3. ধারা ৫০১
  4. ধারা ৫০২
সঠিক উত্তর:
ধারা ৫০০
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ৫০০
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধি ৪৯৯ ধারা অনুযায়ী যখন কোন ব্যক্তি সম্পর্কিত কোন কুৎসা রটনা করা হয় যা উক্ত ব্যক্তির সুনাম নষ্ট করে (harm reputation) তাকে মানহানি বা Defamation বলে। অর্থাৎ কুৎসাজনক কথা বা চিহ্ন দ্বারা বা দৃশ্যমান কল্পমূর্তি প্রকাশের মাধ্যমে মানহানি করা হয়।

-দণ্ডবিধির ৫০০ ধারার অধীন মানহানির [defamation] শাস্তি হল ২ বছর পর্যন্ত বিনাশ্রম কারাদণ্ড বা অর্থদণ্ড বা উভয়দণ্ড।
অর্থাৎ দণ্ডবিধি, ১৮৬০ এর ধারা ৫০০-এ মানহানির (Defamation) শাস্তি বর্ণিত হয়েছে।
-------------
⇒ The Penal Code, 1860- Section- 500: Punishment for defamation: 
 -Whoever defames another shall be punished with simple imprisonment for a term which may extend to two years, or with fine, or with both.

৩৯.
'A' থানায় অভিযোগ করে যে, তার ভাই 'B' একটি সাদা কাগজে তাদের পিতার সই নকল করেছে, দণ্ডবিধি অনুসারে 'B' কোন ধরনের অপরাধ করেছে?
  1. জালিয়াতি
  2. প্রতারণা
  3. বলপূর্বক গ্রহণ
  4. অপরাধ জনক বিশ্বাস ভঙ্গ
সঠিক উত্তর:
জালিয়াতি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জালিয়াতি
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধির ধারা ৪৬৩-এর অধীন, জালিয়াতি (Forgery) হলো কোনো ব্যক্তির দ্বারা মিথ্যা দলিল বা তার অংশ প্রণয়ন করা, যার উদ্দেশ্য জনসাধারণ বা ব্যক্তির ক্ষতি, দাবি প্রতিষ্ঠা, সম্পত্তি ত্যাগে বাধ্য করা, চুক্তি সম্পাদন বা প্রতারণা সংঘটিত করা। এখানে 'B' পিতার সই নকল করে সাদা কাগজে মিথ্যা দলিল তৈরি করেছে, যা জালিয়াতির সংজ্ঞার অন্তর্গত। 

⇒ দণ্ডবিধির ৪৬৩ ধারার বিধান জালিয়াতি:- কোন ব্যক্তি যদি জনসাধারণের কিংবা কোন ব্যক্তিবিশেষের ক্ষতিসাধনের জন্য অথবা কোন দাবি বা স্বত্ব প্রতিষ্ঠার উদ্দেশ্যে অথবা কোন ব্যক্তিকে তার সম্পত্তি ত্যাগে বাধ্য করার উদ্দেশ্যে অথবা কোন প্রকাশ্য বা অনুক্ত চুক্তি সম্পাদনের উদ্দেশ্যে অথবা কোন প্রতারণা করার উদ্দেশ্যে বা যাতে প্রতারণা সংঘটিত হতে পারে এইরূপ অভিপ্রায়ে, কোন মিথ্যা দলিল কিংবা দলিলের অংশবিশেষ প্রণয়ন করে, তবে উক্ত ব্যক্তি জালিয়াতি করেছে বলে পরিগণিত হবে।
-----------
⇒ The Penal Code, 1860, Section 463- Forgery: Whoever makes any false document or part of a document, with intent to cause damage or injury, to the public or to any person, or to support any claim or title, or to cause any person to part with property, or to enter into any express or implied contract, or with intent to commit fraud or that fraud may be committed, commits forgery.

৪০.
দণ্ডবিধির ৪৪২ ধারা অনুসারে "আবাসস্থল" বলতে কী বোঝায়?
  1. তাঁবু
  2. দালান
  3. জলযান
  4. উপরের সবগুলো
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা

⇒দণ্ডবিধির ৪৪২ ধারায় আবাসস্থল বলতে দালান (building), তাঁবু (tent), জাহাজ (vessel) বা নৌকাকে বোঝায় যা মানুষের বসবাস, সম্পত্তি সংরক্ষণ অথবা উপাসনার (place for custody of property or for worship) জন্য ব্যবহৃত হতে হবে।

⇒ দণ্ডবিধির ৪৪২ ধারার বিধান অনধিকার গৃহে প্রবেশ:- কোন ব্যক্তি যদি মানুষের আবাসস্থল হিসাবে ব্যবহৃত কোন গৃহে, তাঁবুতে বা জলযানে অথবা উপাসনালয় হিসাবে ব্যবহৃত কোন গৃহে অথবা সম্পত্তি হেফাজতের স্থান হিসাবে ব্যবহৃত কোন গৃহে প্রবেশ করে বা সেখানে অবস্থান করে অপরাধমূলক অনধিকার প্রবেশ সংঘটন করে, তবে উক্ত ব্যক্তি 'অনধিকার গৃহে প্রবেশ' অপরাধটি করেছে বলে গণ্য হয়।
ব্যাখ্যা:- অপরাধমূলক অনধিকার প্রবেশকারীর দেহের কোন অংশের প্রবেশই গৃহে অনধিকার প্রবেশ অপরাধ প্রতিদানের পক্ষে যথেষ্ট।
⇒ অনধিকার গৃহ-প্রবেশ (House-trespass)- কোন ব্যক্তির গৃহে অপরাধমূলক অনধিকার প্রবেশ করলে তা অনধিকার গৃহপ্রবেশ বলে গণ্য হবে।
⇒ অনধিকার প্রবেশকারীর দেহের কোন অংশের প্রবেশই গৃহে অনধিকার প্রবেশ অপরাধ সংঘটনের জন্য যথেষ্ট।
-------------
⇒ The Penal Code, 1860-Section 442. House-trespass:- Whoever commits criminal trespass by entering into or remaining in any building, tent or vessel used as a human dwelling or any building used as a place for worship, or as a place for the custody of property, is said to commit "house-trespass".
Explanation:-The introduction of any part of the criminal trespasser's body is entering sufficient to constitute house-trespass.

৪১.
দণ্ডবিধির ধারা ৭৩-এর অধীন কারাদণ্ড ৬ মাসের অধিক কিন্তু ১ বছরের অনধিক হলে নির্জন কারাবাসের সর্বোচ্চ মেয়াদ কত?
  1. ১ মাস
  2. ২ মাস
  3. ৩ মাস
  4. ৬ মাস
সঠিক উত্তর:
২ মাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২ মাস
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধির ধারা ৭৩-এর অধীন, সশ্রম কারাদণ্ডপ্রাপ্ত অপরাধীর নির্জন কারাবাসের সর্বোচ্চ মেয়াদ কারাদণ্ডের দৈর্ঘ্য অনুসারে নির্ধারিত হয়। যদি কারাদণ্ড ৬ মাসের অধিক কিন্তু ১ বছরের অনধিক হয়, তাহলে নির্জন কারাবাসের সর্বোচ্চ মেয়াদ অনধিক ২ মাস। সামগ্রিকভাবে নির্জন কারাবাস ৩ মাসের বেশি হতে পারে না, এবং ধারা ৭৪-এর অধীন একটানা ১৪ দিনের বেশি বা এক মাসে ৭ দিনের বেশি হতে পারে না।

⇒ দণ্ডবিধির ৭৩ ধারার বিধান, নির্জন কারাবাস:- যদি কোন ব্যক্তিকে এমন কোন অপরাধের জন্য দণ্ডিত করা হয়, যে অপরাধের জন্য আদালত এই আইনবলে তাকে সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত করতে পারেন তবে, আদালত তার দণ্ডাজ্ঞার মাধ্যমেই আদেশ করতে পারবেন যে অপরাধীকে তার বিরুদ্ধে প্রদত্ত কারাদণ্ডের মেয়াদের কোন অংশবিশেষের বা কয়েকটি অংশের জন্য-যা সর্বসাকুল্যে তিন মাসের বেশি হতে পারবে না-নির্জন কারাবাসে আবদ্ধ রাখা হবে বিভিন্ন ক্ষেত্রে কতসময়ের জন্য অপরাধীকে নির্জন কারাবাসে আবদ্ধ রাখা হবে তা নিম্নে নির্দেশ করা যাচ্ছে: কারাদণ্ডের মেয়াদ ছয় মাসের অধিক না হলে অনধিক এক মাস পর্যন্ত; কারাদণ্ডের মেয়াদ ছয় মাসের অধিক কিন্তু এক বৎসরের অনধিক হলে অনধিক দুই মাস পর্যন্ত; কারাদণ্ডের মেয়াদ এক বৎসরের অধিক হলে অনধিক তিন মাস পর্যন্ত।

⇒ দণ্ডবিধির ৭৪ ধারার বিধান, নির্জন কারাবাসে সাজার সীমা:- নির্জন কারাবাস আদেশ কার্যকরীকরণে অনুরূপ কারাবাসের মেয়াদ কোন ক্ষেত্রেই একাদিক্রমে ১৪ দিনের বেশি হবে না এবং কারাবাসের মেয়াদসমূহের মধ্যবর্তী বিরতিকালের মেয়াদও কারাবাসের মেয়াদ অপেক্ষা কম হবে না; প্রদত্ত কারাদণ্ডের মেয়াদ তিন মাসের বেশি হলে প্রদত্ত কারাদণ্ডের সমগ্র মেয়াদের মধ্যে কোন এক মাসে নির্জন কারাবাসের মেয়াদ সাত দিনের বেশি হবে না এবং অনুরূপ কারাবাসের মেয়াদসমূহের মধ্যবর্তী বিরতিকালের মেয়াদ অপেক্ষা কম হবে না।

৪২.
দণ্ডবিধির কোন ধারায় "কার্য"(Act) ও "বিচ্যুতি"(Omission) এর সংজ্ঞা দেওয়া হয়েছে?
  1. ধারা ৩০
  2. ধারা ৩১
  3. ধারা ৩২
  4. ধারা ৩৩
সঠিক উত্তর:
ধারা ৩৩
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ৩৩
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধির ৩৩ ধারায় কার্য বিচ্যুতি বা “Act” “Omission” এর সংজ্ঞা রয়েছে।
⇒ দণ্ডবিধির ৩৩ ধারার বিধান:- কার্য বিচ্যুতি:
-কার্য বলতে একক কাজ হিসেবে কার্যসমূহের শ্রেণীকেও বুঝাবে। বিচূতি বলতে একক বিচূতি হিসেবে বিচূতি সমূহের শ্ৰেণীকেও বুঝাবে।
⇒ The Penal Code, 1860- Section-33: “Act” “Omission”:
 The word "act" denotes as well a series of acts as a single act: the word "omission” denotes as well a series of omissions as a single omission.

৪৩.
কোনো বিচার্য ঘটনার উদ্দেশ্য (motive), প্রস্তুতি (preparation) এবং পূর্ববর্তী বা পরবর্তী আচরণ (conduct) সাক্ষ্য আইনের কোন ধারার অধীনে প্রাসঙ্গিক?
  1. ধারা ৭
  2. ধারা ৮
  3. ধারা ৯
  4. ধারা ১০
সঠিক উত্তর:
ধারা ৮
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ৮
ব্যাখ্যা

⇒ সাক্ষ্য আইনের ৮ ধারার বিধান: উদ্দেশ্য, প্রস্তুতি এবং পূর্ববর্তী বা পরবর্তী আচরণ (Motive, preparation and previous subsequent conduct): কোন ঘটনা সংঘটনের উদ্দেশ্য, প্রস্তুতি, এবং পূর্ববর্তী ও পরবর্তী আচরণ প্রাসঙ্গিক ব্যা বিবেচিত হবে। কারণ ঘটনা পূর্ববর্তী ও পরবর্তী অভিযুক্তের আচরণ ঘটনা প্রমাণে যথেষ্ট ভূমিকা রাখে।
⇒ যে সকল ঘটনা বিচার্য বিষয় বা প্রাসঙ্গিক বিষয়ের অভিপ্রায় (Motive), প্রস্তুতি (Preparation) এবং পূর্ববর্তী ও পরবর্তী কার্য (Previous or Subsequent Conduct) হিসেবে গণ্য হয়, সে সকল ঘটনাকে সাক্ষ্য আইনের ৮ ধারায় প্রাসঙ্গিক করা হয়েছে।

⇒ সাক্ষ্য আইনের ৮ ধারায় ৩টি বিষয়কে প্রাসঙ্গিক করা হয়েছে-(i) অভিপ্রায় (Motive) (ii) প্রস্তুতি (Preparation) (iii) পূর্ববর্তী ও পরবর্তী কার্য (Previous or Subsequent Conduct).
⇒ সাধারণত অপরাধ প্রমাণের ক্ষেত্রে Motive প্রমাণ করতে হয় না। তবে বাদী যখন Motive দাবী করে ও মামলাটা যদি শুধুমাত্র Circumstantial evidence এর উপর নির্ভর করে তখন Motive প্রমাণ করতে হয়।
----------
⇒The Evidence Act, 1872, Section 8. Motive, preparation and previous or subsequent conduct:
- Any fact is relevant which shows or constitutes a motive or preparation for any fact in issue or relevant fact. 
- The conduct of any party, or of any agent to any party, to any suit or proceeding, in reference to such suit or proceeding, or in reference to any fact in issue therein or relevant thereto, and the conduct of any person an offence against whom is the subject of any proceeding, is relevant, if such conduct influences or is influenced by any fact, in issue or relevant fact, and whether it was previous subsequent thereto.

৪৪.
সাক্ষ্য আইনের কোন ধারায় সাধারণ প্রথা বা অধিকারের অস্তিত্ব সম্পর্কে অভিমতের প্রাসঙ্গিকতা বর্ণিত হয়েছে?
  1. ধারা ৪৫
  2. ধারা ৪৮
  3. ধারা ৫০
  4. ধারা ৫২
সঠিক উত্তর:
ধারা ৪৮
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ৪৮
ব্যাখ্যা

⇒ সাক্ষ্য আইনের ৪৮ ধারার বিধান- অধিকার অথবা প্রথার অস্তিত্ব সম্বন্ধে অভিমত যখন প্রাসঙ্গিক:
কোন সাধারণ প্রথা অথবা অধিকারের অস্তিত্ব সম্পর্কে যেক্ষেত্রে আদালতকে কোন অভিমত গ্রহণ করতে হয়, সেক্ষেত্রে উক্ত প্রথা বা অধিকারের অস্তিত্ব থাকলে যে সমস্ত ব্যক্তির পক্ষে তা জানা স্বাভাবিক, এর অস্তিত্ব সম্বন্ধে তার অভিমত প্রাসঙ্গিক।
ব্যাখ্যা: "সাধারণ প্রথা অথবা অধিকার" কথাটি বলতে যথেষ্ঠ সংখ্যক ব্যক্তির একটি শ্রেণীর ভিতর সাধারণভাবে প্রচলিত প্রথা বা অধিকারও বুঝায়।
উদাহরণ: কোন একটি গ্রামের অধিবাসীদের নির্ধারিত কোন একটি কূপের পানির ব্যবহার করার অধিকার থাকলে, তা এ ধারার অর্থ অনুযায়ী সাধারণ অধিকার বলে বিবেচিত হবে।
-----------
⇒ The Evidence Act, 1872-Section 48- Opinion as to existence of right or custom, when relevant:
When the Court has to form an opinion as to the existence of any general custom or right, the opinions, as to the existence of such custom or right, of persons who would be likely to know of its existence if it existed, are relevant.
Explanation- The expression "general custom or right" includes customs or rights common to any considerable class of persons.
Illustration: The right of the villagers of a particular village to use the water of a particular well is a general right within the meaning of this section. 

৪৫.
সাক্ষ্য আইনের কোন ধারায় বলা হয়েছে, পুলিশ অফিসারকে দেওয়া স্বীকারোক্তি আদালতে প্রমাণ হিসাবে গ্রহণযোগ্য নয়?
  1. ধারা ২৪
  2. ধারা ২৫
  3. ধারা ২৬
  4. ধারা ৩০
সঠিক উত্তর:
ধারা ২৫
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ২৫
ব্যাখ্যা

⇒ সাক্ষ্য আইনের ২৫ ধারা অনুসারে, পুলিশ অফিসারের কাছে কোনো আসামী যে স্বীকারোক্তি করে, তা তার বিরুদ্ধে প্রমাণ হিসেবে ব্যবহার করা যাবে না। এই ধারা বাস্তবিকভাবে পুলিশকে সন্ত্রাস বা চাপের মাধ্যমে আসামীর স্বীকারোক্তি নেয়ার প্রচেষ্টা থেকে বিরত রাখে। এর উদ্দেশ্য হলো আসামীর উপর অযাচিত চাপ না দেওয়া এবং স্বীকারোক্তি সঠিক ও স্বতঃস্ফূর্ত হওয়ার নিশ্চয়তা প্রদান করা।

→ The Evidence Act, 1872 Section 25. Confession to police-officer not to be proved:
No confession made to a police-officer shall be proved as against a person accused of any offence.

৪৬.
সাক্ষ্য আইনের ৭৩ক ধারা কোন বিষয়ের সাথে সম্পর্কিত?
  1. ইলেকট্রনিক রেকর্ডের তৈরি
  2. মৌখিক সাক্ষ্যের গ্রহণ
  3. হাতের লেখা স্বাক্ষর যাচাই
  4. ডিজিটাল স্বাক্ষরের সত্যতা প্রমাণ
সঠিক উত্তর:
ডিজিটাল স্বাক্ষরের সত্যতা প্রমাণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ডিজিটাল স্বাক্ষরের সত্যতা প্রমাণ
ব্যাখ্যা

⇒ সাক্ষ্য আইনের ধারা ৭৩ক সরাসরি ডিজিটাল স্বাক্ষরের সত্যতা প্রমাণ (Proof as to verification of digital signature)-এর সাথে সম্পর্কিত। এই ধারা অনুসারে, আদালত কোনো ডিজিটাল স্বাক্ষরটি প্রকৃতপক্ষে সেই ব্যক্তির কিনা, যার নামে এটি উপস্থাপন করা হয়েছে, তা যাচাই করার জন্য নিম্নলিখিত নির্দেশ দিতে পারেন:
- সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি, নিয়ন্ত্রক বা প্রত্যয়নকারী কর্তৃপক্ষকে ডিজিটাল স্বাক্ষর সনদ (Digital Signature Certificate) জমা দিতে বলতে পারেন।
- অন্য কোনো ব্যক্তিকে ডিজিটাল স্বাক্ষর সনদের গণতালিকা (Public Key) ব্যবহার করে উক্ত ডিজিটাল স্বাক্ষরটি যাচাই করতে বলতে পারেন।
সুতরাং, সঠিক উত্তর হলো ঘ) ডিজিটাল স্বাক্ষরের সত্যতা প্রমাণ।

⇒ সাক্ষ্য আইনের ৭৩ক ধারার বিধান ডিজিটাল স্বাক্ষরের সত্যাখ্যানের প্রমাণ প্রসঙ্গ: যার দ্বারা ডিজিটাল স্বাক্ষরটি সংযুক্ত হয়েছে বলে ধারণা করা হয়, ডিজিটাল স্বাক্ষরটি সেই ব্যক্তির কিনা তা নিশ্চিত করার জন্য আদালত নির্দেশ দিতে পারে যে-
(ক) সেই ব্যক্তি বা নিয়ন্ত্রক বা প্রত্যয়নকারী কর্তৃপক্ষকে ডিজিটাল স্বাক্ষর সনদ দাখিল করতে,
(খ) অন্য কোন ব্যক্তিকে ডিজিটাল স্বাক্ষর সনদের গণতালিকায় আবেদন করতে এবং সেই কথিত ডিজিটাল স্বাক্ষর যাচাই করতে।

ব্যাখ্যা: এখানে "নিয়ন্ত্রক" অর্থ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি আইন, ২০০৬ এর ধারা ১৮ (১) এর অধীনে নিযুক্ত নিয়ন্ত্রক।
----------
⇒The Evidence Act  1872, Section-73A. Proof as to verification of digital signature:
- In order to ascertain whether a digital signature is that of the person by whom it purports to have been affixed, the Court may direct-
(a) that person or the Controller or the Certifying Authority to produce the Digital Signature Certificate;
(b) any other person to apply the public key listed in the Digital Signature Certificate and verify the digital signature purported to have been affixed by that person.

Explanation.- For the purpose of this section, "Controller" means the Controller appointed under sub-section (1) of section 18 of the Information and Communication Technology Act, 2006 (Act No. 39 of 2006).

৪৭.
সাক্ষ্য আইনের ধারা ৮৯ক-এর অধীন আদালতের অনুমান কোন সময় বাতিল হয়?
  1. বিচারের শুরুতে
  2. বিপরীত প্রমাণিত হলে
  3. সাক্ষ্য উপস্থাপনের পর
  4. যখন উভয় পক্ষ একমত হয়
সঠিক উত্তর:
বিপরীত প্রমাণিত হলে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিপরীত প্রমাণিত হলে
ব্যাখ্যা

⇒ সাক্ষ্য আইনের ধারা ৮৯ক-এর অধীন, শারীরিক বা ফরেনসিক সাক্ষ্যের অনুমান (presumption) প্রাথমিকভাবে সেই ব্যক্তির অন্তর্গত বা তৈরি করা বলে গ্রহণ করা হয় যার কাছ থেকে সংগ্রহ করা হয়েছে। এই অনুমান বাতিল হয় যখন বিপরীত প্রমাণ (contrary proof) উপস্থাপিত হয়, যেমন সাক্ষ্যটি অন্য কারো বলে প্রমাণিত হলে।

⇒ সাক্ষ্য আইনের ৮৯ক ধারার বিধান : শারীরিক বা ফরেনসিক সাক্ষ্য হিসাবে অনুমান:
- আদালত অনুমান করতে পারে যদি না বিপরীত প্রমাণিত হয় যে, শারীরিক বা ফরেনসিক প্রমাণগুলি সেই ব্যক্তির অন্তর্গত বা তৈরি করা হয়েছে যার কাছ থেকে এটি সংগ্রহ করা হয়েছে।

- অর্থাৎ আদালত প্রতিকূল প্রমাণ না পাওয়া পর্যন্ত অনুমান করতে পারে যে শারীরিক বা ফরেনসিক প্রমাণ সেই ব্যক্তির অন্তর্ভুক্ত, অথবা সেই ব্যক্তির দ্বারা সৃষ্টি, যাঁর কাছ থেকে উক্ত প্রমাণ সংগ্রহ করা হয়েছে বলে ধারণা করা হয়।
---------
⇒ The Evidence Act, 1872-Section-89A: Presumption as to physical or forensic evidence:
-The Court may presume unless contrary is proved that the physical or forensic evidence belongs to or is created by that person from whom it purports to have been collected.

৪৮.
সাক্ষ্য আইন অনুসারে 'Plea of Alibi' প্রমাণের ভার কার উপর বর্তায়?
  1. সাক্ষীর উপর
  2. আদালতের উপর
  3. অভিযোগকারীর উপর
  4. অভিযুক্ত ব্যক্তির উপর
সঠিক উত্তর:
অভিযুক্ত ব্যক্তির উপর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অভিযুক্ত ব্যক্তির উপর
ব্যাখ্যা

⇒ সাক্ষ্য আইনের ধারা ১০৩ অনুসারে, যখন কোনো অভিযুক্ত ব্যক্তি 'Plea of Alibi' (অর্থাৎ অপরাধ সংঘটনের সময় সে ঘটনাস্থলে অনুপস্থিত ছিল) এর দাবি করে, তখন সেই দাবি প্রমাণের দায়ভার (Burden of proof) অভিযুক্ত ব্যক্তির নিজের উপরই বর্তায়। এটি একটি মৌলিক আইনি নীতি যে, যে ব্যক্তি কোনো বিশেষ তথ্য বা অবস্থা দাবি করে, সে-ই তার প্রমাণ উপস্থাপনের দায়িত্ব বহন করে।

⇒ সাক্ষ্য আইনের ১০১ ধারা থেকে ১১৪ ধারা পর্যন্ত প্রমাণের দায়ভার বা প্রমাণের দায়িত্ব (Burden of proof) সম্পর্কে বলা হয়েছে।
 - প্রমাণের দায়ভার বা প্রমাণের দায়িত্ব (Burden of proof)-
দেওয়ানি ও ফৌজদারি উভয় মামলার ক্ষেত্রেই প্রমাণের দায়ভার বা প্রমাণের দায়িত্ব শব্দদ্বয় বিশেষ তাৎপর্য এবং পক্ষগণের আইনগত অধিকার বহন করে। সাধারণ অর্থে প্রমাণের দায়ভার অর্থ হলো প্রমাণ দাখিলের দায় বা দায়িত্ব। প্রমাণের দায়ভার অর্থ হলো মোকদ্দমার কোনো পক্ষ কর্তৃক আদালতের বিচার্য বিষয় সংশ্লিষ্ট তথ্য বা তথ্যাবলি প্রমাণ করার দায়িত্ব। সুতরাং, প্রমাণের দায়ভার (Burden of proof) কথাটির অর্থ হল মামলার সাথে সংশ্লিষ্ট বিষয়াবলীর অস্তিত্ব সাক্ষ্যের দ্বারা আদালতের সন্তুষ্টি অনুযায়ী প্রমাণ করে মামলাকে প্রতিষ্ঠিত করার দায়িত্ব।

অর্থাৎ সাক্ষ্য আইনের ধারা ১০৩-এর অধীন, 'Plea of Alibi' (অন্যত্র অবস্থানের দাবি) প্রমাণের ভার অভিযুক্ত ব্যক্তির উপর বর্তায়। অর্থাৎ, অভিযুক্তকে প্রমাণ করতে হয় যে অপরাধের সময় সে ঘটনাস্থলে উপস্থিত ছিল না। এটি একটি বিশেষ তথ্যের প্রমাণের ভার, যা সাধারণত অভিযোগকারীর উপর থাকে না।

৪৯.
সাক্ষ্য আইন অনুসারে সাক্ষীকে কোন ক্ষেত্রে বৈরী ঘোষণা করা যেতে পারে?
  1. সাক্ষী নিজ পক্ষের বিপক্ষে সাক্ষ্য দিলে
  2. সাক্ষী বিরুদ্ধ পক্ষের সমর্থনে সাক্ষ্য দিলে
  3. সাক্ষী পূর্বের সাক্ষ্য থেকে বিপরীত সাক্ষ্য দিলে
  4. উপরোক্ত সবগুলো ক্ষেত্রে 
সঠিক উত্তর:
উপরোক্ত সবগুলো ক্ষেত্রে 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপরোক্ত সবগুলো ক্ষেত্রে 
ব্যাখ্যা

⇒ সাক্ষ্য আইনের ১৫৪ ধারা ও সংশ্লিষ্ট বিধান অনুসারে, নিম্নলিখিত যেকোনো একটি বা একাধিক অবস্থা দেখা দিলে আদালতের কাছে সাক্ষীকে "বৈরী সাক্ষী" (Hostile Witness) ঘোষণা করার জন্য আবেদন করা যায় এবং আদালত প্রাসঙ্গিক শর্ত সাপেক্ষে তাকে বৈরী সাক্ষী ঘোষণা করতে পারেন:
১. সাক্ষী নিজ পক্ষের বিপক্ষে সাক্ষ্য দিলে:
যে পক্ষ সাক্ষীকে ডেকেছে, সেই পক্ষের স্বার্থের বিরুদ্ধে যদি সাক্ষী সাক্ষ্য দেন, তাহলে তাকে বৈরী সাক্ষী হিসেবে ঘোষণা করার যৌক্তিক কারণ থাকে।
২. সাক্ষী বিরুদ্ধ পক্ষের সমর্থনে সাক্ষ্য দিলে:
যদি সাক্ষী মামলার বিরুদ্ধ পক্ষের বক্তব্যের সমর্থনে এমন সাক্ষ্য দেন যা সাক্ষীকে আহ্বানকারী পক্ষের জন্য ক্ষতিকর, তাহলেও সাক্ষীকে বৈরী ঘোষণা করা যেতে পারে।
৩. সাক্ষী পূর্বের সাক্ষ্য থেকে বিপরীত সাক্ষ্য দিলে:
যদি সাক্ষী আদালতে তার পূর্বে প্রদত্ত সাক্ষ্য (যেমন: ইনভেস্টিগেশন অফিসার বা ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে দেওয়া বক্তব্য) থেকে স্পষ্টভাবে সরে এসে বিপরীত বা অসংগতিপূর্ণ সাক্ষ্য দেন, তাহলে তার বিশ্বাসযোগ্যতা নষ্ট হয়েছে ধরে নেওয়া হয় এবং বৈরী সাক্ষী ঘোষণার আবেদন গৃহীত হয়।

এসব ক্ষেত্রে সাক্ষীকে বৈরী ঘোষণা করে সাক্ষ্য আহ্বানকারী পক্ষ আদালতের অনুমতি নিয়ে তাকে জেরা (Cross-examine) করতে পারে, যা সাধারণ নিয়মে (নিজ সাক্ষীকে জেরা করা) নিষিদ্ধ।

৫০.
সাক্ষ্য আইনের কোন ধারায় ক্ষতিপূরণ নির্ধারণে চরিত্রের প্রভাব নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে?
  1. ধারা ৫২
  2. ধারা ৫৩
  3. ধারা ৫৪
  4. ধারা ৫৫
সঠিক উত্তর:
ধারা ৫৫
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ৫৫
ব্যাখ্যা

⇒ সাক্ষ্য আইনের ধারা ৫৫: ক্ষতিপূরণ নির্ধারণে চরিত্রের প্রভাব:
দেওয়ানি মামলায়, যদি কোনো ব্যক্তির চরিত্র এমন হয় যা তার প্রাপ্য ক্ষতিপূরণের পরিমাণকে প্রভাবিত করতে পারে, তাহলে তা প্রাসঙ্গিক (relevant) হিসেবে গণ্য হবে।
ব্যাখ্যা: ধারা ৫২, ৫৩, ৫৪ ও ৫৫–তে "চরিত্র" শব্দটি দ্বারা বোঝানো হয় উভয়ই — একজন ব্যক্তির খ্যাতি (reputation) ও স্বভাব (disposition)। তবে, ধারা ৫৪-তে যেভাবে বলা হয়েছে, তা ছাড়া, কেবলমাত্র সাধারণ খ্যাতি ও সাধারণ স্বভাব সম্পর্কে প্রমাণ উপস্থাপন করা যাবে; কোনো নির্দিষ্ট কাজ বা আচরণের মাধ্যমে খ্যাতি বা স্বভাব প্রমাণ করা যাবে না।
--------- 
⇒ The Evidence Act, 1872: Section 55, Character as affecting damages:
In civil cases the fact that the character of any person is such as to affect the amount of damages which he ought to receive, is relevant.
Explanation: In sections 52, 53, 54 and 55, the word "character" includes both reputation and disposition; but, except as provided in section 54, evidence may be given only of general reputation and general disposition, and not of particular acts by which reputation or disposition were shown.

৫১.
সাক্ষ্য আইনের ধারা ৩ অনুসারে 'আদালত' বলতে নিম্নলিখিত কোনটি অন্তর্ভুক্ত নয়?
  1. বিচারক
  2. ম্যাজিস্ট্রেট
  3. সালিশকারী
  4. সাক্ষ্য গ্রহণের ক্ষমতাপ্রাপ্ত ব্যক্তি
সঠিক উত্তর:
সালিশকারী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সালিশকারী
ব্যাখ্যা

⇒ সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২ এর ধারা ৩ অনুসারে, 'আদালত' (Court) এর সংজ্ঞায় নিম্নলিখিত ব্যক্তিগণ অন্তর্ভুক্ত:
- বিচারক (Judges)
- ম্যাজিস্ট্রেট (Magistrates)
- সাক্ষ্য গ্রহণের জন্য আইনত কর্তৃত্বপ্রাপ্ত অন্যান্য সকল ব্যক্তি
তবে সালিশকারী (Arbitrators) এই সংজ্ঞার বহির্ভূত। অর্থাৎ, সালিশকারীগণ সাক্ষ্য আইনের প্রয়োগের ক্ষেত্রে 'আদালত' হিসেবে গণ্য হন না।

অর্থাৎ সাক্ষ্য আইনের ধারা ৩ অনুসারে, "আদালত" (Court) বলতে সকল বিচারক (Judges), ম্যাজিস্ট্রেট (Magistrates) এবং সাক্ষ্য গ্রহণের জন্য আইনানুসারে অনুমোদিত সকল ব্যক্তিকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে, কিন্তু সালিশকারী (arbitrators) ব্যতীত। সালিশকারীদের ক্ষেত্রে সাক্ষ্য গ্রহণের ক্ষমতা থাকলেও তারা আদালতের সংজ্ঞার অন্তর্ভুক্ত নয়।

৫২.
সাক্ষ্য আইনের ধারা ৭৪-এর অধীনে নিম্নের কোনটি সরকারি দলিল হিসেবে গণ্য হবে না?
  1. আদালতের রায়
  2. ব্যবসায়িক চুক্তি
  3. সরকারের আদেশ
  4. ট্রাইব্যুনালের কার্যাবলির রেকর্ড
সঠিক উত্তর:
ব্যবসায়িক চুক্তি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্যবসায়িক চুক্তি
ব্যাখ্যা

⇒ সাক্ষ্য আইনের ধারা ৭৪-এর অধীনে সরকারি দলিল (Public Documents) বলতে সার্বভৌম কর্তৃপক্ষ, সরকারি সংস্থা, ট্রাইব্যুনাল বা আইন প্রণয়নকারী/বিচার বিভাগীয়/শাসন বিভাগীয় সরকারি কর্মকর্তার কার্যাবলি বা রেকর্ডকে বোঝায়। আদালতের রায় (ক), সরকারের আদেশ (গ) এবং ট্রাইব্যুনালের রেকর্ড (ঘ) সরকারি দলিলের অন্তর্গত। কিন্তু ব্যবসায়িক চুক্তি (খ) একটি ব্যক্তিগত দলিল, যা সরকারিভাবে সংরক্ষিত না হলে সরকারি দলিল হিসেবে গণ্য হয় না।

⇒ সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২: ৭৪ ধারার বিধান সরকারি দলিল:
নিম্নলিখিত দলিলসমূহ সরকারি দলিল (Public Documents) হিসেবে গণ্য হবে—
(১) যে সকল দলিল নিম্নলিখিত কর্তৃপক্ষ বা সংস্থার কার্যাবলির অংশ বা রেকর্ড হিসেবে গঠিত:
(i) সার্বভৌম কর্তৃপক্ষের,
(ii) সরকারি সংস্থা ও ট্রাইব্যুনালের, এবং
(iii) বাংলাদেশের বা কমনওয়েলথের বা বিদেশের কোনো অংশের আইন প্রণয়নকারী, বিচার বিভাগীয় বা শাসন বিভাগীয় সরকারি কর্মকর্তার।
(২) বাংলাদেশে সরকারিভাবে সংরক্ষিত ব্যক্তিগত দলিলের লিপিবদ্ধ রেকর্ড।
--------
⇒ The Evidence Act, 1872: Section- 74. Public documents:
The following documents are public documents:– 
(1) documents forming the acts or records of the acts- 
(i) of the sovereign authority, 
(ii) of official bodies and tribunals, and 
(iii) of public officers, legislative, judicial and executive of any part of Bangladesh or of the Commonwealth, or of a foreign country; 
(2) public records kept in Bangladesh of private documents.

৫৩.
সাক্ষ্য আইনের কোন ধারায় বলা হয়েছে, যৌথভাবে বিচারাধীন ব্যক্তিদের এক ব্যক্তির স্বীকারোক্তি অন্য ব্যক্তির বিরুদ্ধে আদালত বিবেচনা করতে পারে?
  1. ধারা ২৭
  2. ধারা ২৮ 
  3. ধারা ৩০
  4. ধারা ৩১
সঠিক উত্তর:
ধারা ৩০
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ৩০
ব্যাখ্যা

⇒ সাক্ষ্য আইনের ৩০ ধারা অনুযায়ী, যদি একাধিক ব্যক্তি একই অপরাধের জন্য অভিযুক্ত হন এবং তাদের বিরুদ্ধে যৌথ বিচার (joint trial) পরিচালিত হয়, তবে যদি কোন একজন অভিযুক্ত তার দোষ স্বীকার করে এবং সে স্বীকারোক্তি সহ-অভিযুক্তদের (co-accused) বিরুদ্ধে ব্যবহারযোগ্য হয়, তবে তা আদালতে গ্রহণযোগ্য হতে পারে।

⇒ সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২-এর ধারা ৩০ অনুসারে, যদি একাধিক ব্যক্তি একই অপরাধে অভিযুক্ত হয়ে যৌথভাবে বিচারের সম্মুখীন হন, এবং তাদের মধ্যে একজন স্বীকারোক্তি দেন, তবে আদালত সেই স্বীকারোক্তি স্বীকারোক্তিদাতা ব্যক্তি ও অন্য অভিযুক্তদের বিরুদ্ধেও বিবেচনা করতে পারে।
-----------
⇒The Evidence Act, 1872, Section- 30. Consideration of proved confession affecting person making it and others jointly under trial for same offence:
When more persons than one are being tried jointly for the same offence, and a confession made by one of such persons affecting himself and some other of such persons is proved, the Court may take into consideration such confession as against such other persons as well as against the person who makes such confession.
Explanation.-"Offence", as used in this section, includes the abatement of, or attempt to commit, the offence.
Illustrations (a) A and B are jointly tried for the murder of C. It is proved that A said-"B and I murdered C." The Court may consider the effect of this confession as against B.

৫৪.
'B' সরাসরি 'A'-কে একটি অপরাধ করতে দেখেছে। 'B' আদালতে সাক্ষ্য দিতে না এসে 'C'-কে এই ঘটনা বলে। এখন 'C' আদালতে এসে বলছে যে, "'B' আমাকে বলেছে যে সে 'A'-কে অপরাধ করতে দেখেছে।" 'C'-এর এই সাক্ষ্য সাক্ষ্য আইন অনুসারে কী হবে?
  1. সাক্ষ্য হিসেবে গ্রহণযোগ্য
  2. সাক্ষ্য হিসেবে গ্রহণযোগ্য নয়
  3. গ্রহণযোগ্যতা আদালতের বিবেচনাধীন
  4. শুধুমাত্র মৌখিক সাক্ষ্য হিসেবে গ্রহণযোগ্য
সঠিক উত্তর:
সাক্ষ্য হিসেবে গ্রহণযোগ্য নয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সাক্ষ্য হিসেবে গ্রহণযোগ্য নয়
ব্যাখ্যা

⇒ সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২ এর ধারা ৬০ অনুসারে, 'C'-এর এই সাক্ষ্য গ্রহণযোগ্য নয় কারণ এটি পরোক্ষ বা জনশ্রুত সাক্ষ্য (Hearsay Evidence)।
⇒ পরোক্ষ বা জনশ্রুত সাক্ষ্য (indirect/hearsay evidence)- পরোক্ষ বা জনশ্রুত সাক্ষ্য হলো তাই যা আদালতে উপস্থিত সাক্ষী পূর্বে অন্য সাক্ষীর নিকট থেকে শোনাক্রমে প্রদান করে।
-অর্থাৎ নিজে না দেখে অন্যের কাছ থেকে শুনে যে সাক্ষ্য দেয়া হয়। তাকে পরোক্ষ বা জনশ্রুত সাক্ষ্য বা hearsay evidence বলে। জনশ্রুত সাক্ষ আদালতে গ্রহনযোগ্য নয়।
⇒ সাক্ষ্য আইনের ৬০ ধারার বিধান মৌখিক সাক্ষ্য অবশ্যই প্রত্যক্ষ হইতে হইবে মৌখিক সাক্ষ্য সকল ক্ষেত্রে অবশ্যই প্রত্যক্ষ হইতে হইবে,
অর্থাৎ সাক্ষ্যে উল্লিখিত তথ্য যদি দেখা যাইতে পারে, তবে যে সাক্ষী বলিবে যে, সে উহা দেখিয়াছে তাহার সাক্ষ্যই দিতে হইবে।
⇒ সাক্ষ্যে উল্লিখিত তথ্য যদি শোনা যাইতে পারে, তবে যে সাক্ষী বলিবে যে সে উহা শুনিয়াছে, তাহার সাক্ষ্যই দিতে হইবে।
⇒ জনশ্রুত সাক্ষ্য (hearsay evidence) ধরনের মৌখিক সাক্ষ্য সাধারণত গ্রহণযোগ্য নয়।
----------------
⇒The Evidence Act, 1872, Section 60. Oral evidence must be direct:
Oral evidence must, in all cases whatever, be direct; that is to say- 
if it refers to a fact which could be seen, it must be the evidence of a witness who says he saw it; 
if it refers to a fact which could be heard, it must be the evidence of a witness who says he heard it;

৫৫.
সাক্ষ্য আইনের অনুসারে ইঙ্গিতবাহী প্রশ্ন (Leading Question) বলতে বুঝায় -
  1. যে প্রশ্নের মধ্যেই উত্তর থাকে
  2. যে প্রশ্নের উত্তর বলা থাকে না
  3. যে প্রশ্নের পূর্বে উত্তর বলা থাকে
  4. যে প্রশ্নের উত্তর উকিল নিজেই দেন
সঠিক উত্তর:
যে প্রশ্নের মধ্যেই উত্তর থাকে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যে প্রশ্নের মধ্যেই উত্তর থাকে
ব্যাখ্যা

⇒ সাক্ষ্য আইনের ১৪১ ধারার বিধান হলো ইঙ্গিতবাহী প্রশ্নঃ প্রশ্নকারী প্রশ্নের যে উত্তর আশা বা ইচ্ছা করেন, প্রশ্নের মধ্যেই তার ইঙ্গিত দেওয়া হলে তাকে ইঙ্গিতবাহী প্রশ্ন বলা হয়।
⇒  যে প্রশ্নের মধ্যেই উত্তর থাকে, তাকে নির্দেশক প্রশ্ন বা ইঙ্গিতবাহী প্রশ্ন বা Leading question বলে। সাধারণত হ্যা অথবা না ব্যাজেই এ ধরণের প্রশ্নের উত্তর দেয়া যায়।
⇒  অর্থাৎ নির্দেশক প্রশ্ন বা Leading question তাই যার মধ্যে উক্ত প্রশ্নের উত্তরের ইঙ্গিত থাকে।
⇒  সাক্ষ্য আইনের ১৪১ ধারায় ইঙ্গিতবাহী প্রশ্নের (Leading question) বিধান রয়েছে।
⇒  যেমন- প্রশ্ন: আপনার নাম কি সালমান?
উত্তর: হ্যা, আমার নাম সালমান। এখানে প্রশ্নের মধ্যে উত্তরের ইঙ্গিত (সালমান) রয়েছে। এটাই ইঙ্গিতবাহী প্রশ্ন বা Leading question.

৫৬.
সাক্ষ্য আইনের বিধান অনুযায়ী 'Dying Declaration' কীভাবে দেয়া যায়?
  1. ইশারায়
  2. মৌখিক ভাবে
  3. লিখিত ভাবে
  4. উল্লিখিত সবভাবে
সঠিক উত্তর:
উল্লিখিত সবভাবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উল্লিখিত সবভাবে
ব্যাখ্যা

⇒ The Evidence Act এর ধারা-৩২(১) এর বিধান মৃত্যুকালীন ঘোষণা (Dying declaration)-
সাক্ষ্য আইনে মৃত্যুকালীন ঘোষণা বলতে মৃত্যুর কারণ সম্পর্কিত বিবৃতিকে বোঝায়। ১৮৭২ সালের সাক্ষ্য আইনের ৩২(১) ধারা মোতাবেক কোন ব্যক্তি মৃত্যুর সম্মুখীন হয়ে তার মৃত্যুর কারণ সম্পর্কে যে বিবৃতি প্রদান করেন, তাকে মৃত্যুকালীন ঘোষণা বা dying declaration বলা হয়। মৃত্যুকালীন ঘোষণা সাক্ষ্য আইনের ৩২ ধারার আওতায় সাক্ষ্য হিসেবে গ্রহণযোগ্য।

মৃত্যুকালীন ঘোষণা করা যায়: ১. ইশারায় ২. মৌখিক ভাবে  ৩. লিখিত ভাবে ।
মৃত্যুকালীন ঘোষণা প্রযোজ্য: দেওয়ানি মোকদ্দমা ও ফৌজদারি মামলা উভয় ক্ষেত্রেই।
মৃত্যুকালীন ঘোষণা করা যায় যার নিকট: যেকোনো ব্যক্তির নিকট বা সামনে; যেমন: ডাক্তার, পুলিশ, ম্যাজিস্ট্রেট।
মৃত্যুকালীন ঘোষণা সাক্ষ্য হিসাবে গ্রহণ করার আগে অবশ্যই প্রমাণ করতে হবে যে- ঘোষণা প্রদানকারী মৃত [১০৪ ধারার বিধান]।

মৃত্যুকালীন ঘোষণা গ্রহণযোগ্য হবে না: মৃত্যুকালীন ঘোষণা প্রদানকারী মৃত্যুবরণ না করলে [বেঁচে থাকলে]; উক্ত ঘোষণা- সাক্ষ্যগত মূল্য হারাবে। তবে ধারা ১৪৫, ১৫৭ অনুযায়ী সমর্থনমূলক সাক্ষ্য [Dying Recognition] হিসাবে ব্যবহার করা যাবে।

৫৭.
সাক্ষ্য আইনের কোন ধারায় ষড়যন্ত্রকারীর সাধারণ অভিপ্রায় সম্পর্কিত কার্য প্রাসঙ্গিকতার বিধান রয়েছে?
  1. ধারা ৮
  2. ধারা ১০
  3. ধারা ১২
  4. ধারা ১৪
সঠিক উত্তর:
ধারা ১০
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ১০
ব্যাখ্যা

⇒ সাক্ষ্য আইনের ১০ ধারায় Criminal Conspiracy (অপরাধমূলক ষড়যন্ত্র) এবং Common Intention (অভিন্ন অভিপ্রায়) সম্পর্কে বলা আছে।
- সাক্ষ্য আইনের ধারা ১০-এর অধীন, দুই বা ততোধিক ব্যক্তির অপরাধমূলক ষড়যন্ত্রের যুক্তিসঙ্গত বিশ্বাস থাকলে, তাদের সাধারণ অভিপ্রায় (common design) সম্পর্কিত কোনো একজনের কথা, কাজ বা লেখা ষড়যন্ত্রের অস্তিত্ব প্রমাণ এবং লিপ্ততা দেখানোর জন্য প্রাসঙ্গিক। এটি ষড়যন্ত্রের ইচ্ছা প্রথম পোষণের পর থেকে প্রযোজ্য।

⇒ সাক্ষ্য আইনের ১০ ধারার বিধান: অভিন্ন অভিপ্রায় প্রসঙ্গে ষড়যন্ত্রকারীর কথা বা কাজ (Things said or done by conspirator in reference to common design): দুই বা ততোধিক ব্যক্তি একযোগে কোন অপরাধ বা নালিশ যোগ্য অন্যায় কার্য করার ষড়যন্ত্র করেছে, এরূপ বিশ্বাস করার যদি যুক্তিসঙ্গত কারণ থাকে; তবে তাদের যেকোন একজনের উক্তি, ষড়যন্ত্রের ইচ্ছা পোষণ করার পর তাদের ঐ সাধারণ ইচ্ছা সম্পর্কে তাদের মধ্যে যেকোন একজনের কোন কথা, কার্য বা লেখা ষড়যন্ত্রকারী বলে মনে করা হচ্ছে, এরূপ প্রত্যেক ব্যক্তি সম্পর্কে প্রাসঙ্গিক ঘটনা, ষড়যন্ত্রের অস্তিত্ব প্রমাণ করার জন্য তা প্রাসঙ্গিক; তেমনি কোন ব্যক্তি যে উক্ত ষড়যন্ত্রে লিপ্ত ছিল তা প্রমাণ করার জন্য তাও প্রাসঙ্গিক।

⇒ যদি দুই বা ততোধিক ব্যক্তি মিলে কোন অপরাধ সংঘটন করে এবং সেই অভিন্ন অভিপ্রায়ের লক্ষ্যে করা কোন এক জনের কথা, কাজ বা বিবৃতি প্রাসঙ্গিক। অর্থাৎ অভিন্ন অভিপ্রায় প্রসঙ্গে ষড়যন্ত্রকারীর কথা বা কাজ ষড়যন্ত্রের অস্তিত্ব প্রমাণ করার জন্য প্রাসঙ্গিক হবে।
----------
⇒ The Evidence Act, 1872-Section 10. Things said or done by conspirator in reference to common design:
Where there is reasonable ground to believe that two or more persons have conspired together to commit an offence or an actionable wrong, anything said, done or written by any one of such persons in reference to their common intention, after the time when such intention was first entertained by any one of them, is a relevant fact as against each of the persons believed to be so conspiring, as well for the purpose of proving the existence of the conspiracy as for the purpose of showing that any such person was a party to it.

৫৮.
তামাদি আইনের কোন ধারা অনুসারে সম্পত্তির ওপর আইনি অধিকার চিরতরে বিলুপ্ত হয়?
  1. ধারা ৩
  2. ধারা ৫
  3. ধারা ২৬
  4. ধারা ২৮
সঠিক উত্তর:
ধারা ২৮
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ২৮
ব্যাখ্যা

⇒ তামাদি আইন, ১৯০৮-এর ধারা ২৮ অনুযায়ী, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে মামলা না করলে সম্পত্তির ওপর আইনি অধিকার চিরতরে বিলুপ্ত হয়ে যায়।
⇒ তামাদি আইন, ১৯০৮-এর ধারা ২৮ অনুসারে, যখন কোনো মামলা বা দরখাস্ত দায়েরের জন্য নির্ধারিত সময়সীমা (তামাদি মেয়াদ) অতিক্রান্ত হয়ে যায়, তখন শুধুমাত্র মামলা দায়েরের সুযোগই হারায় না, বরং বাদীর সেই সম্পত্তির উপর আইনগত অধিকারও (right itself) বিলুপ্ত হয়ে যায়।

⇒ তামাদি আইনের ধারা ২৮: সম্পত্তির অধিকার বিলুপ্তি:
কোনো সম্পত্তির দখল প্রাপ্তির জন্য মামলা দায়ের করার ব্যাপারে এই আইনে যে মেয়াদ নির্ধারিত করে দেয়া হয়েছে, তা উত্তীর্ণ হওয়ার পর সেই সম্পত্তিতে বাদীর অধিকার বিলুপ্ত হয়ে যাবে।

⇒ The Limitation Act, 1908, Section 28: Extinguishment of right to property:
At the determination of the period hereby limited to any person for instituting a suit for possession of any property, his right to such property shall be extinguished.

৫৯.
তামাদি আইনের কোন ধারা অনুযায়ী আদালত নির্ধারিত সময়ের পরেও আপিল বা আবেদন গ্রহণ করতে পারেন?
  1. ধারা ৩
  2. ধারা ৪
  3. ধারা ৫
  4. ধারা ৬
সঠিক উত্তর:
ধারা ৫
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ৫
ব্যাখ্যা

⇒ তামাদি আইন, ১৯০৮ এর ৫ নম্বর ধারা (Section 5) অনুযায়ী—
যদি কোন আপিল, রিভিশন, রিভিউ বা অন্যান্য প্রযোজ্য আবেদন নির্ধারিত সময়সীমার পরে দায়ের করা হয়, এবং আবেদনকারী আদালতকে সন্তুষ্ট করতে পারে যে বিলম্বের জন্য যৌক্তিক ও গ্রহণযোগ্য কারণ ছিল, তাহলে আদালত সেই বিলম্ব মওকুফ করতে পারে এবং আবেদনটি গ্রহণযোগ্য বলে গণ্য করতে পারে।

- তামাদি আইন, ১৯০৮-এর ধারা ৫ এর বিধান, “যদি কোনো আপীল বা আবেদন তামাদির মেয়াদ শেষে দাখিল করা হয়, তবে আদালত সেই দাখিল গ্রহণ করতে পারে যদি আপীলকারী বা আবেদনকারী আদালতকে সন্তুষ্ট করতে পারে যে, দেরি হওয়ার জন্য যুক্তিসংগত কারণ ছিল।”

- এই ধারা প্রযোজ্য হয়:
১. Appeal (আপিল)
২. Application for leave to appeal (আপিলের অনুমতির আবেদন)
৩. Review of judgment (রায়ের পুনর্বিবেচনা/রিভিউ)
৪. Revision (রিভিশন আবেদন)
৫. Any other application to which this section may apply

এই ধারা প্রযোজ্য নয়:
এই ধারা মৌলিক স্যুট বা মূল মামলা (Suit)-এর ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়। যেমন:
- ঘোষণামূলক মামলা
- সুনির্দিষ্ট কার্য সম্পাদনের মামলা
- স্থায়ী নিষেধাজ্ঞা মামলা
 এই ধরনের মামলার জন্য নির্ধারিত মেয়াদ অতিক্রম করলে ৫ ধারায় বিলম্ব মওকুফ চাওয়া যায় না।

⇒ The Limitation Act, 1908, Section- 5. Extension of period in certain cases:
 Any appeal or application for a revision or a review of judgment or for leave to appeal or any other application to which this section may be made applicable by or under any enactment for the time being in force may be admitted after the period of limitation prescribed therefor, when the appellant or applicant satisfies the Court that he had sufficient cause for not preferring the appeal or making the application within such period. 
 
Explanation - The fact that the appellant or applicant was misled by any order, practice or judgment of the High Court Division in ascertaining or computing the prescribed period of limitation may be sufficient cause within the meaning of this section.

৬০.
তামাদি আইনের ১১ ধারায় কোন ধরনের চুক্তির তামাদি মেয়াদ সংক্রান্ত বিধান রয়েছে?
  1. বৈদেশিক চুক্তি
  2. ক্ষতিপূরণ চুক্তি
  3. নাবালকের চুক্তি
  4. বাতিলযোগ্য চুক্তি
সঠিক উত্তর:
বৈদেশিক চুক্তি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বৈদেশিক চুক্তি
ব্যাখ্যা

⇒ তামাদি আইন, ১৯০৮ এর ধারা ১১ বৈদেশিক চুক্তির উপর মামলার (Suits on foreign contracts) ক্ষেত্রে তামাদির বিধান উল্লেখ করেছে। উক্ত ধারা অনুযায়ী, বিদেশে সম্পাদিত চুক্তির উপর বাংলাদেশে যেইসব মামলা দায়ের করা হয়, সেগুলি এ আইনে উল্লেখিত তামাদির বিধিসমূহের অধীন।
- বিদেশে সম্পাদিত চুক্তির উপর বাংলাদেশে দায়েরকৃত মামলার ক্ষেত্রে বিদেশী কোনো আইনে তামাদি সংক্রান্ত বিধি জবাব স্বরূপ গ্রহণীয় হবে না।
- তবে যদি সেই বিধি অনুসারে, চুক্তিটির পরিসমাপ্তি ঘটে থাকে এবং যদি উক্ত বিধি অনুসারে নির্ধারিত সময়কালে সংশ্লিষ্ট পক্ষগণ সেই দেশে স্থায়ীভাবে বসবাস করে থাকে, সেক্ষেত্রে তার ব্যতিক্রম হবে।

⇒ The Limitation Act, 1908, Section 11: Suits on foreign contracts:
(1) Suits instituted in Bangladesh on contracts entered into in a foreign country are subject to the rules of limitation contained in this Act.
(2) No foreign rule of limitation shall be a defence to a suit instituted in Bangladesh on a contract entered into in a foreign country, unless the rule has extinguished the contract and the parties were domiciled in such country during the period prescribed by such rule.

৬১.
সুদ পরিশোধের ফলে তামাদি মেয়াদ নবায়নের জন্য তামাদি আইনের ২০ ধারা অনুসারে প্রয়োজন- 
  1. মৌখিক স্বীকৃতি
  2. স্বাক্ষরিত লিখিত স্বীকৃতি
  3. আদালতের অনুমোদন
  4. দুইজন সাক্ষীর উপস্থিতি 
সঠিক উত্তর:
স্বাক্ষরিত লিখিত স্বীকৃতি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্বাক্ষরিত লিখিত স্বীকৃতি
ব্যাখ্যা

⇒ The Limitation Act, 1908-এর ধারা ২০ (Section 20) অনুযায়ী, যদি কোনো ব্যক্তি তার ঋণের সুদ বা ঋণের কোনো অংশ তামাদি মেয়াদ শেষ হওয়ার আগেই পরিশোধ করে, তাহলে নতুন করে তামাদি মেয়াদ শুরু হয়, তবে তা তখনই কার্যকর হবে যখন এই পরিশোধের একটি লিখিত স্বীকৃতি থাকবে।
- এই স্বীকৃতি অবশ্যই, হস্তলিখিত (handwritten) অথবা স্বাক্ষরিত (signed) হতে হবে, এবং অবশ্যই পরিশোধকারী ব্যক্তি বা তার ক্ষমতাপ্রাপ্ত এজেন্টের মাধ্যমে হতে হবে।
- মৌখিক স্বীকৃতি, সাক্ষী বা আদালতের অনুমোদন – এগুলো এই ধারা অনুযায়ী প্রাসঙ্গিক নয় এবং তামাদি নবায়নের জন্য যথেষ্ট নয়।

উদাহরণস্বরূপ:
ধরা যাক, একজন ব্যক্তি তার ঋণের সুদ ১ ফেব্রুয়ারি ২০২৪-এ পরিশোধ করেছে এবং সেই পরিশোধ তার স্বাক্ষরযুক্ত একটি লিখিত কাগজে উল্লেখ আছে, তাহলে নতুন তামাদি মেয়াদ শুরু হবে ১ ফেব্রুয়ারি ২০২৪ থেকে।

⇒ The Limitation Act:- Section- 20. Effect of payment on account of debt as of interest on legacy:
(1) Where payment on account of a debt or of interest on a legacy is made before the expiration of the prescribed period by the person liable to pay the debt or legacy, or by his duly authorized agent, a fresh period of limitation shall be computed from the time when the payment was made:
Provided that, save in the case of a payment of interest made before the 1st day of January, 1928, an acknowledgment of the payment appears in the handwriting of, or in a writing signed by the person making the payment.

৬২.
তামাদি আইন, ১৯০৮-এর তফসিলে (Schedule) নিম্নলিখিত কোন কার্যক্রমের জন্য নির্ধারিত কোনো তামাদি মেয়াদ উল্লেখ নেই?
  1. আপিল
  2. দরখাস্ত
  3. রিভিউ
  4. রিভিশন
সঠিক উত্তর:
রিভিশন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রিভিশন
ব্যাখ্যা

⇒ তামাদি আইন, ১৯০৮ এর তফসিলে তিনটি প্রধান বিভাগে তামাদি মেয়াদ উল্লেখ করা আছে:
১. মোকদ্দমা (অনুচ্ছেদ ১-১৪৯)
২. আপিল (অনুচ্ছেদ ১৫০-১৫৭)
৩. দরখাস্ত (অনুচ্ছেদ ১৫৮-১৮৩)
- তবে রিভিশনের জন্য তামাদি আইনের তফসিলে কোনো সুনির্দিষ্ট মেয়াদ উল্লেখ নেই।

- তফসিলে মোকদ্দমা, আপিল এবং আবেদন দায়েরের তামাদির মেয়াদ উল্লেখ করা হয়েছে। তফসিলে মোট ১৮৩টি অনুচ্ছেদ বলবৎ আছে। তফসিলের ৩টি বিভাগে ৩ ধরনের বিষয়ের তামাদির মেয়াদ উল্লেখ করা হয়েছে-
১. মোকদ্দমা দায়েরের তামাদির মেয়াদ [Limitation for filling suits]- অনুচ্ছেদ ১ থেকে ১৪৯।
২. আপিল, রিভিউ দায়েরের তামাদির মেয়াদ [Limitation for filling appeals]- অনুচ্ছেদ ১৫০ থেকে ১৫৭।
৩. বিভিন্ন দরখাস্ত (পিটিশন) দায়েরের তামাদির মেয়াদ [Limitation for filling applications and petitions]- অনুচ্ছেদ ১৫৮ থেকে ১৮৩।

⇒ সাধারণত আদালতে, আপিলের তামাদি মেয়াদকেই রিভিশনের তামাদি হিসেবে গণ্য করা হয়।
- হাইকোর্ট বিভাগে রিভিশন দায়ের করতে হবে- ৯০ দিনের মধ্যে।
- জেলা জজের নিকট রিভিশন দায়ের করতে হবে- ৩০ দিনের মধ্যে।

৬৩.
তামাদি আইন অনুসারে অগ্রক্রয়ের (pre-emption) অধিকার কার্যকর করার জন্য মামলা দায়েরের তামাদির মেয়াদ -
  1. ৬ মাস
  2. ১ বছর
  3. ৩ বছর
  4. ৬ বছর
সঠিক উত্তর:
১ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১ বছর
ব্যাখ্যা

 ⇒ তামাদি আইনের প্রথম তফসিলের ১০ অনুচ্ছেদ অনুসারে,
অগ্রক্রয়ের (pre-emption) অধিকার কার্যকর করার জন্য মামলা দায়েরের তামাদির মেয়াদ ১ বছর।

এই মেয়াদ গণনা শুরু হয়:
→ ক্রেতা যদি সম্পত্তিতে প্রত্যক্ষ দখল গ্রহণ করে, তাহলে দখল গ্রহণের তারিখ থেকে।
→ যদি ক্রেতা প্রত্যক্ষ দখল গ্রহণ না করে, তাহলে বিক্রয় দলিল রেজিস্ট্রিকৃত হওয়ার তারিখ থেকে।

৬৪.
তামাদি আইনের ৬ ধারা অনুসারে, নিচের কোনটি "বৈধ অপারগতা" (Legal Disability) হিসেবে গণ্য হবে না?
  1. নির্বুদ্ধিতা
  2. নাবালকত্ব
  3. অপ্রকৃতিস্থতা
  4. দেউলিয়া অবস্থা
সঠিক উত্তর:
দেউলিয়া অবস্থা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দেউলিয়া অবস্থা
ব্যাখ্যা

⇒ তামাদি আইনের ৬ অনুযায়ী কোন ব্যক্তি যত দিন নাবালক, উন্মাদ বা জড়বুদ্ধ থাকে ততদিন তামাদির মেয়াদ গণনা থেকে বাদ যাবে। নাবালকত্ব, উন্মাদ বা জড়বুদ্ধতার অবসান হওয়ার পর থেকে তার মামলা দায়েরের সময় গণনা হবে।
- অর্থাৎ তামাদির মেয়াদ গণনার ক্ষেত্রে অপ্রকৃতিস্থতা, নাবালকত্ব, নির্বুদ্ধিতা বৈধ অপারগতা। কিন্তু দেউলিয়া অবস্থা বৈধ অপারগতা নয়।

⇒ The Limitation Act, 1908 এর ৬ ধারা বিধান হল বৈধ অপারগতা:
উপধারা:(১) যেইক্ষেত্রে মামলা বা কার্যধারা দায়ের করিবার কিংবা ডিক্রি জারির জন্য দরখাস্ত দাখিলের অধিকারী ব্যক্তি, যেই সময় হইতে তামাদির মেয়াদ গণনা করিতে হইবে, সেইসময় নাবালক, উন্মাদ বা জড়বুদ্ধি থাকে, সেক্ষেত্রে উক্ত ব্যক্তি তাহার উপরোক্ত অপারগতার অবসান হইবার পর, অপারগতা না থাকিলে, প্রথম তফসিলের তৃতীয় স্তম্ভে অথবা ১৯০৮ সালের দেওয়ানী কার্যবিধির ৪৮ ধারায় বর্ণিত যেই মেয়াদের মধ্যে সে উহা করিতে পারিতো, সেই মেয়াদের মধ্যে মামলা বা কার্যধারা দায়ের কিংবা দরখাস্ত দাখিল করিতে পারিবে।
উপধারা: (২) যেইক্ষেত্রে অনুরূপ কোনো ব্যক্তি, যেই সময় হইতে তামাদির মেয়াদ গণনা করিতে হইবে, সেই সময় উপরে বর্ণিত যেই কোনো দুইটি অপারগতার অবসান হইবার পূর্বেই সে আরেকটি অপারগতায় পতিত হয়, সেক্ষেত্রে সেই ব্যক্তি তাহার উভয় অপারগতার অবসান হইবারপর, অপারগতা না থাকিলে, উপরে বর্ণিত যেই মেয়াদের মধ্যে সে উহা করিতে পারিতো, সেই মেয়াদের মধ্যে মামলা দায়ের কিংবা দরখাস্ত দাখিল করিতে পারিবে।
উপধারা: (৩) যেইক্ষেত্রে অনুরূপ কোনো ব্যক্তির মৃত্যু পর্যন্ত তাহার অপারগতা অব্যাহত থাকে, সেক্ষেত্রে তাহার আইনানুগ প্রতিনিধি ঐ ব্যক্তির মৃত্যুর পর অপারগতা না থাকিলে উপরে বর্ণিত যেই মেয়াদের মধ্যে উহা করা যেত, সেই মেয়াদের মধ্যে মামলা দায়ের কিংবা দাখিল করিতে পারিবে।
উপধারা: (৪) যেইক্ষেত্রে উপরোক্ত ব্যক্তির মৃত্যুর তারিখে তাহার আইনানুগ প্রতিনিধি অনুরূপ কোন অপারগতায় পতিত হয়, সেক্ষেত্রে (১) ও (২) উপধারায় বিধৃত বিধানসমূহ প্রযোজ্য হইবে।
-------------------
⇒ The Limitation Act, 1908, Section-6.Legal disability:
(1) Where a person entitled to institute a suit or proceeding or make an application for the execution of a decree is, at the time from which the period of limitation is to be reckoned, a minor, or insane, or an idiot, he may institute the suit or proceeding or make the application within the same period after the disability has ceased, as would otherwise have been allowed from the time prescribed therefore in the third column of the first schedule or in section 48 of the Code of Civil Procedure, 1908.
(2) Where such person is, at the time from which the period of limitation is to be reckoned, affected by two such disabilities, or where, before his disability has ceased, he is affected by another disability, he may institute the suit or make the application within the same period, after both disabilities have ceased, as would otherwise have been allowed from the time so prescribed.
(3) Where the disability continues up to the death of such person, his legal representative may institute the suit or make the application within the same period after the death as would otherwise have been allowed from the time so prescribed.
(4) Where such representative is at the date of the death affected by any such disability, the rules contained in sub-sections (1) and (2) shall apply.

Illustrations:
(a) The right to sue for the hire of a boat accrues to A during his minority. He attains majority four years after such accruer. He may institute his suit at any time within the years from the date of his attaining majority.
(b) A right to sue accrues to Z during his minority. After the accruer, but while Z is still a minor, he becomes insane. Time runs against Z from the date when his insainity and minority cease.
(c) A right to sue accrues to X during his minority. X dies before attaining majority, and is succeeded by Y, his minor son. Time runs against Y from the date of his attaining majority.

৬৫.
শিক্ষানবিশ যে অ্যাডভোকেটের অধীনে থাকবেন, তার কমপক্ষে কত বছর অভিজ্ঞতা থাকতে হবে?
  1. ৫ বছর
  2. ৭ বছর
  3. ১০ বছর
  4. ১২ বছর
সঠিক উত্তর:
১০ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১০ বছর
ব্যাখ্যা

⇒ The Bangladesh legal practitioners and Bar council orders 1972 বিধি-৬০ এর বিধান:
-শিক্ষানবিশ: অ্যাডভোকেট হিসেবে তালিকাভুক্তি হওয়ার পূর্বে কমপক্ষে ১০ বছর নিয়মিত উকালতি করেন এমন একজন অ্যাডভোকেটের অধীনে দরখাস্তকারীকে নিয়মিত কমপক্ষে ৬ মাস শিক্ষানবিশ থাকতে হবে।
-আবেদনপত্রের সাথে ৫টি দেওয়ানি এবং ৫টি ফৌজদারি মোট ১০ টি মামলার লিখিত নোটবুক দাখিল করতে হবে।
- কোন অ্যাডভোকেট বার কাউন্সিলের অনুমতি ছাড়া একসাথে ৪ জনের বেশি শিক্ষানবিশ গ্রহণ করবেন না।
- অ্যাডভোকেটের সাথে শিক্ষানবিশ এর যে চুক্তি হবে তা অ্যাফিডেভিট সহ বার কাউন্সিলের সেক্রেটারির নিকট ৩০ দিনের মধ্যে জমা দিতে হবে।
- কোন অ্যাডভোকেট চুক্তি পত্রে মিথ্যা বিবৃতি বা মিথ্যা সার্টিফিকেট দিলে পেশাগত অসদাচরণের জন্য দায়ী হবেন।
- শিক্ষানবিশ তালিকাভুক্তির আবেদনে মিথ্যা তথ্য দিলে উক্ত শিক্ষানবিশ ৫ বছরের জন্য অযোগ্য হবেন।
- হাইকোর্ট বিভাগে প্র্যাকটিসের অনুমতির এবং রেজিস্ট্রেশন ৫ বছর পর্যন্ত বৈধ থাকবে। ৫ বছরের মধ্যে লিখিত পরীক্ষায় পাশ করতে ব্যর্থ হলে রেজিস্ট্রেশন বাতিল হয়ে যাবে।
- এম.সি.কিউ এবং লিখিত পরীক্ষা এবং হাইকোর্ট বিভাগে প্র্যাকটিস অনুমতির পরীক্ষা সরকারি কলেজে হবে।

৬৬.
The Bangladesh Legal Practitioners and Bar Council Order, 1972-এর ৩৬ অনুচ্ছেদের বিধান মোতাবেক কতদিনের মধ্যে ট্রাইব্যুনালের আদেশের বিরুদ্ধে আপিল করতে হবে?
  1. ৩০ দিন
  2. ৬০ দিন
  3. ৯০ দিন
  4. ১২০ দিন
সঠিক উত্তর:
৯০ দিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৯০ দিন
ব্যাখ্যা

⇒ শাস্তি বিধানের বিরুদ্ধে প্রতিকারের বিধান:
বাংলাদেশ বার কাউন্সিল আদেশ, ১৯৭২ এর ৩৬ আদেশের বিধান মোতাবেক কোন অ্যাডভোকেটের বিরুদ্ধে ট্রাইব্যুনাল আদেশ দিলে এবং উক্ত আদেশে সংক্ষুব্ধ হলে, অনুরূপ আদেশ প্রাপ্তির দিন হতে নব্বই (৯০) দিনের মধ্যে উক্ত সংক্ষুব্ধ অ্যাডভোকেট বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগে আপিল দায়ের করতে পারবেন।
- অনুরূপ আপিল হাই কোর্ট বিভাগের ডিভিশন বেঞ্চ কর্তৃক শ্রবণ করতে হবে এবং ঐ বেঞ্চের সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত বলে গণ্য হবে।

⇒ The Bangladesh legal practitioners and Bar council orders 1972 অনুচ্ছেদ ৩৬ অনুযায়ী ট্রাইব্যুনালের আদেশের বিরুদ্ধে ৯০ দিনের মধ্যে হাইকোর্টে আপিল করতে হবে।
-এই আপিল বার কাউন্সিল নিজে অথবা অভিযুক্ত আইনজীবী স্বেচ্ছায় করতে পারেন।
----------------------------
⇒ The Bangladesh legal practitioners and Bar council orders 1972: Article-36. (1) Any person aggrieved by an order of a Tribunal under Article 34 may, within ninety days from the date of the communication of the order to him, prefer an appeal to the High Court.
(2) Every such appeal shall be heard by a Division Bench of the High Court which may pass such order thereon as it may deem fit and the order of the High Court shall be final.

৬৭.
Canons of Professional Conduct and Etiquette অনুযায়ী, একই মামলায় একাধিক অ্যাডভোকেট নিযুক্ত হলে কে মামলা পরিচালনা করবেন?
  1. মক্কেলের পছন্দ অনুযায়ী
  2. সিনিয়র অ্যাডভোকেট
  3. আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী
  4. যেকোন একজন অ্যাডভোকেট
সঠিক উত্তর:
সিনিয়র অ্যাডভোকেট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সিনিয়র অ্যাডভোকেট
ব্যাখ্যা

⇒ Canons of Professional Conduct and Etiquette অনুযায়ী, যদি একই মামলায় একাধিক অ্যাডভোকেট নিযুক্ত হয়, তবে সিনিয়র অ্যাডভোকেট মামলাটি পরিচালনা করবেন।
- Canons of Professional Conduct and Etiquette-এর ১ম অধ্যায়ের বিধি-১১ অনুসারে, একই মামলায় একাধিক অ্যাডভোকেট নিযুক্ত হলে, সিনিয়র অ্যাডভোকেট মামলা পরিচালনা করবেন।
- এটি পেশাগত শিষ্টাচার এবং নিয়মের অংশ, যেখানে সিনিয়রিটি এবং অভিজ্ঞতাকে প্রাধান্য দেওয়া হয়।

⇒ Canons of Professional Conduct and Etiquette CHAPTER 1 - CONDUCT WITH REGARD TO OTHER ADVOCATES:
- Rule-11. Where more than one Advocate is engaged on any side it is the right of the senior member to lead the case and the junior members to assist him.

৬৮.
The Bangladesh Legal Practitioners and Bar Council Order, 1972-এর কত অনুচ্ছেদের ক্ষমতাবলে বার কাউন্সিল তালিকাভুক্ত সকল অ্যাডভোকেটকে সনদ প্রদান করবেন?
  1. ২১ অনুচ্ছেদ
  2. ২২ অনুচ্ছেদ
  3. ২৩ অনুচ্ছেদ
  4. ২৪ অনুচ্ছেদ
সঠিক উত্তর:
২৪ অনুচ্ছেদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৪ অনুচ্ছেদ
ব্যাখ্যা

⇒ বাংলাদেশ লিগ্যাল প্র্যাকটিশনার্স এন্ড বার কাউন্সিল অর্ডার এর ২৪ অনুচ্ছেদের ক্ষমতাবলে বার কাউন্সিল তালিকাভুক্ত সকল অ্যাডভোকেটকে সনদ প্রদান করবেন।
----------
⇒ The Bangladesh Legal Practitioners and Bar Council Order, 1972: Article- 23. (1) Entries in the roll shall be made in the order of seniority and such seniority shall be determined as follows, namely:-
(a) all such persons as are referred to in clause (a) of Article 20 shall be entered first in the order in which they were respectively entitled to seniority immediately before the commencement of this Order; and
(b) the seniority of any other person admitted to be an advocate under this Order after the commencement of this Order shall be determined by the date of his admission.
(2) Where the date of seniority of two or more persons is the same, the one senior in age shall rank as senior to the other.

⇒ The Bangladesh Legal Practitioners and Bar Council Order, 1972: Article- 24. The Bar Council shall issue a certificate of enrolment in the prescribed form to every person enrolled under Article 23.