পরীক্ষা আর্কাইভ

ফ্রি সাপ্তাহিক মডেল টেস্ট

পরীক্ষাফ্রি সাপ্তাহিক মডেল টেস্টতারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়01 hr 30 mins
মোট প্রশ্ন১৮৬
সিলেবাস
"Award Mania: Season - 15” এর জন্য প্রযোজ্য -------------------------------------------- Live MCQ ফ্রি সাপ্তাহিক ফুল মডেল টেস্ট: বিসিএসের সম্পূর্ণ সিলেবাসের উপর ২০০ নাম্বারের ফুল মডেল টেস্ট। [Live MCQ - তে প্রতি শুক্রবার সবার জন্য ফ্রি একটি ফুল মডেল টেস্ট অনুষ্ঠিত হয়।]
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

ফ্রি সাপ্তাহিক মডেল টেস্ট

ফ্রি সাপ্তাহিক মডেল টেস্ট · তারিখ অনির্ধারিত · ১৮৬ প্রশ্ন

.
নিচের কোনটি পরোক্ষ কর? 
  1. আমদানী শুল্ক
  2. আয়কর
  3. ভূমি রাজস্ব
  4. সম্পদ কর
সঠিক উত্তর:
আমদানী শুল্ক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আমদানী শুল্ক
ব্যাখ্যা

- আমদানী শুল্ক একটি পরোক্ষ কর।

প্রত্যক্ষ কর:

- যে কর প্রথমে যার উপর ধার্য করা হয় চূড়ান্তভাবে তাকেই পরিশোধ করতে হয় তাকে প্রত্যক্ষ কর বলা হয়।
- এ কর কোনোভাবেই অন্যের উপর চাপানো যায় না।
-যেমন: আয়কর, ভূমি রাজস্ব, সম্পদ কর প্রভৃতি।

• পরোক্ষ কর:
- কোনো ব্যক্তির উপর কর ধার্য করা হলে সে যদি করের ভার অন্যের উপর চাপাতে পারে তাকে বলা হয় পরোক্ষ কর।
- এরূপ করের বোঝা প্রাথমিকভাবে একজন বহন করলেও পরে তা অন্যের উপর চাপাতে পারে।
- যেমন: মূল্য সংযোজন কর, বিক্রয় কর, আমদানী শুল্ক প্রভৃতি।

উৎস: কর ব্যবস্থা ও নিরীক্ষা শাস্ত্র, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

.
খাসিয়াদের পুঞ্জি প্রধানকে বলা হয়-
  1. রাজা 
  2. সিয়েম 
  3. সর্দার
  4. নায়ব
সঠিক উত্তর:
সিয়েম 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সিয়েম 
ব্যাখ্যা

- খাসিয়াদের পুঞ্জি প্রধানকে সিয়েম বলা হয়।

• খাসিয়া:

- খাসিয়া বাংলাদেশে বসবাসরত একটি মাতৃতান্ত্রিক ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী।
- এরা মঙ্গোলীয় বংশোদ্ভূত।
- বাংলাদেশে তাদের আদি নিবাস বাংলাদেশের উত্তর-পূর্ব সীমান্তবর্তী সুনামগঞ্জ জেলায়।
- বর্তমানে সিলেট, সুনামগঞ্জের বিশ্বম্ভরপুর, তাহিরপুর, ছাতক ও সদর থানায় খাসিয়ারা ছড়িয়ে ছিটিয়ে আছে।
- খাসিয়া জনগোষ্ঠীর প্রধান উৎসব খাসি সেং কুটস্নেম।
- এই উৎসবের মধ্য দিয়ে তারা পুরোনো বছরকে বিদায় দিয়ে নতুন বছরকে স্বাগত জানায়।
- খাসিয়ারা গ্রামকে পুঞ্জি বলে।
- পুঞ্জি প্রধানকে সিয়েম বলা হয়।
- বর্তমানে ৮০%-৯০% খাসিয়াই খ্রিস্টান।
- প্রায় প্রতি পুঞ্জিতেই গির্জা আছে।

উৎস: বাংলাপিডিয়া ও জাতীয় তথ্য বাতায়ন।

.
’নয়নতারা’ কোন ফসলের উন্নত জাত? 
  1.  মরিচ
  2. তুলা
  3. বেগুন
  4. আলু
সঠিক উত্তর:
বেগুন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বেগুন
ব্যাখ্যা

- ’নয়নতারা’ বেগুন ফসলের উন্নত জাত। 
• উন্নত জাতের বেগুন: শুকতারা, নয়নতারা, তারাপুরী, ইসলামপুরী, কাজলা, বিজয়, মুক্তকেশী, ঝুমকো।

অন্যদিকে,
- উন্নত জাতের মরিচ: বাইন, যমুনা, বালিজুরি, সূর্যমুখী, চৌরা, বারিমরিচ, বাগুরা।
- উন্নত জাতের আলু: হিরা, আইলসা, পেট্রোনিস, মুল্টা, ডায়ামন্ট, কার্ডিনাল, মন্ডিয়াল, কুফরী সিন্দুরী, চমক, ধীরা, গ্রানোলা, ক্লিওপেট্রা ও চিনেলা।
- উন্নত জাতের তুলা: সিবি-১০, রূপালী, ডেলফোজ।
- উন্নত জাতের আনারস: জায়ান্ট কিউ, হানি কুইন, ঘোড়াশাল, জলঢুপি।
- উন্নত জাতের হলুদ: ডিমলা, পাটনাই, খোচামুদি, দেবিপাট।
- উন্নত জাতের কলা: চিনি চম্পা, সবরি, কবরী, অগ্নীশ্বর, কানাই খালি, মোহনবাশি, গানা সুন্দরী, মেহের সাগর, জাহাজি, অমৃতসাগর, সিঙ্গাপুরী, জাপকাঠালী, বীটজবা।

উৎস: কৃষি তথ্য সার্ভিস।

.
ফকির-সন্ন্যাসী বিদ্রোহে সন্ন্যাসীদের নেতার নাম ছিল- 
  1. ভবানী পাঠক 
  2. জুম্মা খান
  3. তিতুমীর
  4. বরকত উল্ল্যা 
সঠিক উত্তর:
ভবানী পাঠক 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ভবানী পাঠক 
ব্যাখ্যা

ফকির-সন্ন্যাসী বিদ্রোহ:
- বাংলার ফকির-সন্ন্যাসী বিদ্রোহ ছিল ব্রিটিশ বিরোধী প্রথম বিদ্রোহ।
- ইংরেজ সরকার তীর্থস্থান দর্শনের উপর করারোপ করে, ভিক্ষা ও মুষ্টি - সংগ্রহকে বেআইনি ঘোষণা করে।
- তাছাড়া তাদেরকে ডাকাত-দস্যু বলে আখ্যায়িত করতে থাকে।
- ফলে ক্ষুব্ধ হয়ে ফকির সন্ন্যাসীরা ইংরেজদের বিরুদ্ধে দীর্ঘ আন্দোলনে অবতীর্ণ হয়।
- বিদ্রোহী ফকির দলের নেতার নাম ছিল মজনু শাহ।
- আর সন্ন্যাসীদের নেতার নাম ছিল ভবানী পাঠক।
- ১৭৬০ খ্রিস্টাব্দে পশ্চিমবঙ্গের বর্ধমান জেলায় সন্ন্যাসীরা ইংরেজদের বিরুদ্ধে প্রথম বিদ্রোহ শুরু করে।
-১৭৭১ খ্রিস্টাব্দে মজনু শাহ সারা উত্তর বাংলায় ইংরেজ বিরোধী তৎপরতা শুরু করেন।
- ১৭৭৭ থেকে ১৮০০ খ্রিস্টাব্দ পর্যন্ত রংপুর, রাজশাহী, দিনাজপুর, বগুড়া, - ঢাকা, ময়মনসিংহ, মুর্শিদাবাদ, বীরভূম, মালদহসহ বিভিন্ন অঞ্চলে ফকির-সন্ন্যাসী বিদ্রোহ ছড়িয়ে পড়ে।

উল্লেখ্য,
- ফকির মজনু শাহ ১৭৮৭ খ্রিস্টাব্দে মৃত্যবরণ করলে বিদ্রোহের নেতৃত্ব গ্রহণ করেন মুসা শাহ, সোবানশাহ, চেরাগ আলী শাহ, করিম শাহ, মাদার বক্স প্রমুখ ফকির।
- এই নেতারা কয়েক বছর ইংরেজ প্রশাসনকে ব্যতিব্যস্ত করে রাখে।
- ১৮০০ খ্রিস্টাব্দে তারা চূড়ান্তভাবে পরাজিত হয়।
- সন্ন্যাসী বিদ্রোহের নেতা ভবানী-পাঠক ১৭৮৭ খ্রিস্টাব্দে লেফটেন্যান্ট ব্রেনানের নেতৃত্বে একদল ব্রিটিশ সৈন্যের আক্রমণে দুই সহকারীসহ নিহত হন।
- তার মৃত্যুর সঙ্গে সঙ্গে সন্ন্যাসী বিদ্রোহের অবসান ঘটে।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্ব সভ্যতা, SSC প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

.
’প্রতি এলাকার জন্য একটিমাত্র ভোটার তালিকা’ সংবিধানের কত নং অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে? 
  1. অনুচ্ছেদ- ১১৮
  2. অনুচ্ছেদ- ১২১
  3. অনুচ্ছেদ- ১২০
  4. অনুচ্ছেদ- ১২২
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ- ১২১
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ- ১২১
ব্যাখ্যা

- সংবিধানের ১২১ অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে  প্রতি এলাকার জন্য একটিমাত্র ভোটার তালিকা।

- সপ্তম ভাগের গুরুত্বপূর্ণ অনুচ্ছেদ সমূহ:
- অনুচ্ছেদ-১১৮: নির্বাচন কমিশন প্রতিষ্ঠা।
- অনুচ্ছেদ-১১৯:নির্বাচন কমিশনের দায়িত্ব।
- অনুচ্ছেদ-১২১: প্রতি এলাকার জন্য একটিমাত্র ভোটার তালিকা।
- অনুচ্ছেদ-১২২: ভোটার-তালিকায় নামভুক্তির যোগ্যতা।

উৎস: বাংলাদেশ সংবিধান।

.
২০২৫ সালে ইউনেস্কোর বিমূর্ত সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য হিসেবে বাংলাদেশের কোন শিল্পকে স্বীকৃতি দেয়া হয়েছে?
  1. ঢাকার রিকশা চিত্রকলা
  2. শীতল পাটি বোনা
  3. টাঙ্গাইল শাড়ির বুনন শিল্প
  4. যাত্রা নাটক
সঠিক উত্তর:
টাঙ্গাইল শাড়ির বুনন শিল্প
উত্তর
সঠিক উত্তর:
টাঙ্গাইল শাড়ির বুনন শিল্প
ব্যাখ্যা

- ২০২৫ সালে ইউনেস্কোর বিমূর্ত সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য হিসেবে বাংলাদেশের টাঙ্গাইল শাড়ির বুনন শিল্পকে স্বীকৃতি দেয়া হয়েছে। 

- শতাব্দীপ্রাচীন ঐতিহ্যবাহী টাঙ্গাইল শাড়ি বুননের শিল্পকে এ বছর ইউনেসকোর ইনট্যানজিবল কালচারাল হেরিটেজ অব হিউম্যানিটি তালিকায় অন্তর্ভুক্তির জন্য মনোনীত করা হয়েছে।
- ইতিহাস থেকে জানা যায়, টাঙ্গাইল তাঁত শিল্পের প্রসার প্রায় ঊনবিংশ শতাব্দীর শেষ দিকে।
- শাড়ির পুরো কাজ হয় দেশীয় পদ্ধতিতে।
- তাঁতিরা রঙিন সিল্ক ও কটন থ্রেড ব্যবহার করে বিখ্যাত টাঙ্গাইল শাড়ি বুনে থাকেন।

উৎস:  প্রথম আলো।[লিঙ্ক]

.
চাপসৃষ্টিকারী গোষ্ঠীর মূল লক্ষ্য হলো- 
  1. রাজনৈতিক স্বার্থ উদ্ধার
  2. নিজেদের স্বার্থ হাসিল করা
  3. রাষ্ট্রীয় স্বার্থ উদ্ধার
  4. সরকারি স্বার্থ উদ্ধার
সঠিক উত্তর:
নিজেদের স্বার্থ হাসিল করা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নিজেদের স্বার্থ হাসিল করা
ব্যাখ্যা

চাপসৃষ্টিকারী গোষ্ঠী:
- চাপসৃষ্টিকারী গোষ্ঠীর সদস্যরা তাদের স্বার্থগত ইস্যুগুলোতে একই রকম মনোভাব পোষণ করে।
- এই গোষ্ঠী নানাবিধ চাপ প্রয়োগ ও কৌশল অবলম্বনের মাধ্যমে তাদের দাবি-দাওয়া আদায় করে।
- চাপ সৃষ্টিকারী গোষ্ঠীর লক্ষ্য হল সরকারি নীতিকে প্রভাবিত করা।
- চাপসৃষ্টিকারী গোষ্ঠী হল এমন এক জনসমষ্টি যারা সমজাতীয় স্বার্থে উদ্বুদ্ধ হয়ে রাষ্ট্রের সিদ্ধান্ত গ্রহণ প্রক্রিয়ায় প্রভাব বিস্তারের চেষ্টা চালায়।
- চাপসৃষ্টিকারী গোষ্ঠী দেশের রাজনৈতিক ঘটনাপ্রবাহের উপর প্রভাব বিস্তার করে।
- চাপসৃষ্টিকারী গোষ্ঠী হলো এক প্রকার সুসংবদ্ধ স্বার্থকামী গোষ্ঠী।
- এদের মূল লক্ষ্য হলো নিজেদের স্বার্থ হাসিল করা।
- সরকারের সকল বিভাগ ও রাজনৈতিক দলের উপর চাপসৃষ্টিকারী গোষ্ঠীর প্রভাব বিদ্যমান রয়েছে।
- তবে শাসন বিভাগে চাপসৃষ্টিকারী গোষ্ঠীর প্রভাব সর্বাধিক।
- নিজেদের স্বার্থ উদ্ধারের জন্যে এরা সরকার বা রাষ্ট্রপ্রধানকেও প্রভাবিত করে থাকে।

উৎস: পৌরনীতি ও সুশাসন ১ম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রফেসর মোঃ মোজাম্মেল হক ও রাষ্ট্রবিজ্ঞান, স্নাতক শ্রেণি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

.
"মহিষ প্রজনন ও উন্নয়ন খামার" কোথায় অবস্থিত? 
  1. ভোলা 
  2. খুলনা 
  3. বাগেরহাট
  4. পটুয়াখালী
সঠিক উত্তর:
বাগেরহাট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাগেরহাট
ব্যাখ্যা

- "মহিষ প্রজনন ও উন্নয়ন খামার" বাগেরহাটে অবস্থিত।

• এছাড়া ও অন্যান্য প্রাণীর নাম প্রজনন কেন্দ্র সমূহ।
- হরিণ- চকোরিয়া, কক্সবাজার।
- বন্যপ্রাণী- ডুলাহাজরা, কক্সবাজার।
- গরু- সাভার, ঢাকা।
- ছাগল- টিলাগড়, সিলেট।
- মহিষ- ফকিরহাট, বাগেরহাট।
- কুমির- করমজল, সুন্দরবন।

উৎস: সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের ওয়েবসাইট।

.
রাষ্ট্রের অতি গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের নিরাপত্তার দায়িত্ব কোন বাহিনীর উপর ন্যস্ত?
  1. বাংলাদেশ সেনাবাহিনী
  2. স্পেশাল সিকিউরিটি ফোর্স 
  3. বাংলাদেশ পুলিশ 
  4. বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ
সঠিক উত্তর:
স্পেশাল সিকিউরিটি ফোর্স 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্পেশাল সিকিউরিটি ফোর্স 
ব্যাখ্যা

- রাষ্ট্রের অতি গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের নিরাপত্তার দায়িত্ব স্পেশাল সিকিউরিটি ফোর্স বাহিনীর ওপর ন্যস্ত?

• স্পেশাল সিকিউরিটি ফোর্স (এসএসএফ)।
- রাষ্ট্রের উচ্চপদে আসীন এবং গুরুত্বপূর্ণ নীতি নির্ধারণ ও প্রশাসনিক কাজে জড়িত ব্যক্তিদের সরকারের অতি গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি হিসেবে বিশেষ মর্যাদা দেওয়া হয়।
- বিশেষ নিরাপত্তা বাহিনী আইন, ২০২১ অনুযায়ী, অতি গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের নিরাপত্তা বিধান করা এসএসএফের দায়িত্ব।
- তার নিরাপত্তাজনিত গোয়েন্দা তথ্য সংগ্রহ এবং দৈহিক নিরাপত্তা প্রদানের জন্য প্রয়োজনীয় সকল ব্যবস্থা গ্রহণ করবে এসএসএফ।

উৎস: বাংলাদেশ সংবিধান। [লিঙ্ক]

১০.
বাংলায় প্রথম স্বাধীন মুসলিম সালতানাতের প্রতিষ্ঠাতা কে ছিলেন?
  1. ফখরুদ্দিন মুবারক শাহ
  2. মুহম্মদ বিন তুঘলক
  3. শামসুদ্দিন ইলিয়াস শাহ
  4. গিয়াসউদ্দিন বলবন
সঠিক উত্তর:
ফখরুদ্দিন মুবারক শাহ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ফখরুদ্দিন মুবারক শাহ
ব্যাখ্যা

ফখরুদ্দিন মুবারক শাহ:
- বাংলায় প্রথম স্বাধীন মুসলিম সালতানাতের প্রতিষ্ঠাতা ফখরুদ্দিন মুবারক শাহ।
- তার রাজধানী ছিল ঐতিহাসিক নগর সোনারগাঁয়ে।
- ১২০৪ খ্রিস্টাব্দে বাংলায় মুসলিম শাসন প্রতিষ্ঠিত হলেও ১৩৩৮ খ্রিস্টাব্দ পর্যন্ত বাংলার শাসকগণ দিল্লির সুলতানদের দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হতেন।
- দিল্লির সুলতান গিয়াসউদ্দিন তুঘলকের শাসনামলে বাংলাকে সোনারগাঁও, লখনৌতি ও সাতগাঁও এই তিনটি প্রশাসনিক অঞ্চলে বিভক্ত করা হয়।
- ১৩৩৮ খ্রিস্টাব্দে সোনারগাঁওয়ের শাসনকর্তা বাহরাম খানের মৃত্যু হলে ফখরুদ্দিন নামে তাঁর একজন সিলাদার স্বাধীনতা ঘোষণা করেন। 
- তিনি 'মুবারক শাহ' উপাধি গ্রহণ করেন।

এছাড়াও,
- ফখরুদ্দীন মুবারক শাহের রাজত্বকালে মরক্কোর পর্যটক ইবনে বতুতা বাংলায় সফর করেন (১৩৪৬)।
- তিনি বাংলায় তার ভ্রমণের এক মূল্যবান বিবরণ লিপিবদ্ধ করে যান।
- এ বিবরণে বাংলার প্রাকৃতিক দৃশ্য, অধিবাসীদের জীবনের বিভিন্ন দিক এবং দেশের সমৃদ্ধির প্রাণবন্ত বর্ণনা পাওয়া যায়।

উৎস:i) বাংলাপিডিয়া।
ii) ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি ২য় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১১.
জাতীয় বস্ত্র দিবস পালিত হয় কবে?
  1. ৫ ডিসেম্বর
  2. ৪ ডিসেম্বর
  3. ৬ ডিসেম্বর
  4. ২ ডিসেম্বর
সঠিক উত্তর:
৪ ডিসেম্বর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪ ডিসেম্বর
ব্যাখ্যা

- জাতীয় বস্ত্র দিবস পালিত হয় ৪ ডিসেম্বর।
- ৪ ডিসেম্বর জাতীয় বস্ত্র দিবস। এবারের প্রতিপাদ্য "বস্ত্র শিল্পের প্রবৃদ্ধি, অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি"।
- প্রতিবছর এই দিনটি জাতীয়ভাবে পালন করা হয়। দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়ন ও কর্মসংস্থানে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে বস্ত্র ও তৈরি পোশাক খাত।
- এ খাতের টেকসই অগ্রগতি নিশ্চিত করার লক্ষ্যে ২০১৯ সালে ৪ ডিসেম্বরকে 'জাতীয় বস্ত্র দিবস' হিসেবে ঘোষণা করে সরকার।

উৎস: মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ।[লিঙ্ক]

১২.
বাংলাদেশে কোন ধরনের রাজনৈতিক ব্যবস্থা বিদ্যমান রয়েছে?
  1. একদলীয় গণতন্ত্র ব্যবস্থা
  2. বহুদলীয় গণতন্ত্র ব্যবস্থা
  3. সমাজতান্ত্রিক গণতন্ত্র
  4. ক + খ
সঠিক উত্তর:
বহুদলীয় গণতন্ত্র ব্যবস্থা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বহুদলীয় গণতন্ত্র ব্যবস্থা
ব্যাখ্যা

রাজনৈতিক ব্যবস্থা:
- বাংলাদেশে বহুদলীয় গণতন্ত্রিক ব্যবস্থা বিদ্যমান।
- বিভিন্ন সময়ে একাধিক রাজনৈতিক দল জাতীয় সংসদে সংখ্যাগরিষ্ঠতা লাভকরে।
- স্বাধীন বাংলাদেশের সূচনালগ্নেই এ দেশে বহুদলীয় গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠিত হয়।
- ১৯৭৫ সালে সংবিধানের চতুর্থ সংশোধনীর মাধ্যমে জাতীয় প্রয়োজনে - বাকশাল নামে একদলীয় শাসন ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা করা হয় যা ১ সেপ্টেম্বর ১৯৭৫ থেকে কার্যকর হওয়ার কথা ছিল।
- ১৯৭৯ সালের এপ্রিলে সংবিধান থেকে বাকশাল ব্যবস্থা বাতিল করে বহুদলীয় ব্যবস্থা পুনঃস্থাপন করা হয়।
-১৯৭৫ থেকে ১৯৯১ সময়ে দেশে রাষ্ট্রপতি শাসিত সরকার ব্যবস্থা প্রচলিত ছিলো।
- বাংলাদেশের আইনসভা জাতীয় সংসদ নামে পরিচিত যা এককক্ষ বিশিষ্ট।
- বাংলাদেশের সরকার ব্যবস্থা এককেন্দ্রিক।

উৎস: পৌরনীতি ও নাগরিকতা, নবম-দশম শ্রেণি ও বাংলাপিডিয়া।

১৩.
পাহাড়পুরের ’বৌদ্ধ বিহার’ নির্মাণ করেছেন কে? 
  1. গোপাল
  2. রামপাল
  3. ধর্মপাল
  4. মহিপাল
সঠিক উত্তর:
ধর্মপাল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধর্মপাল
ব্যাখ্যা

পাহাড়পুর বৌদ্ধ বিহার, 
- পাহাড়পুর বৌদ্ধবিহার বা সোমপুর বিহার বা সোমপুর মহাবিহার বর্তমানে ধ্বংসপ্রাপ্ত একটি প্রাচীন বৌদ্ধ বিহার।
- পালবংশের দ্বিতীয় রাজা শ্রী ধর্মপালদেব অষ্টম শতকের শেষের দিকে বা নবম শতকে এই বিহার তৈরি করছিলেন।
- ১৮৭৯ সালে স্যার কানিংহাম এই বিশাল কীর্তি আবিষ্কার করেন।
- ১৯৮৫ সালে ইউনেস্কো এটিকে বিশ্ব ঐতিহ্যবাহী স্থানের মর্যাদা দেয়।
- পাহাড়পুরকে পৃথিবীর সবচেয়ে বড় বৌদ্ধবিহার বলা যেতে পারে।
- আয়তনে এর সাথে ভারতের নালন্দা মহাবিহারের তুলনা হতে পারে।
- এটি ৩০০ বছর ধরে বৌদ্ধদের অতি বিখ্যাত ধর্মচর্চা কেন্দ্র ছিল।
- শুধু উপমহাদেশের বিভিন্ন স্থান থেকেই নয়, চীন, তিব্বত, মায়ানমার (তদানীন্তন ব্রহ্মদেশ), মালয়েশিয়া, ইন্দোনেশিয়া প্রভৃতি দেশের বৌদ্ধরা এখানে ধর্মচর্চা ও ধর্মজ্ঞান অর্জন করতে আসতেন।
- খ্রিষ্টীয় দশম শতকে বিহারের আচার্য ছিলে অতীশ দীপঙ্কর শ্রীজ্ঞান।
- পুণ্ড্রবর্ধনের রাজধানী পুন্ড্রনগর (বর্তমান মহাস্থান) এবং অপর শহর কোটিবর্ষ (বর্তমান বানগড়) এর মাঝামাঝি স্থানে অবস্থিত ছিল সোমপুর মহাবিহার।
- এর ধ্বংসাবশেষটি বর্তমান বাংলাদেশের বৃহত্তর রাজশাহীর অন্তর্গত নওগাঁ জেলার বদলগাছি উপজেলার পাহাড়পুর গ্রামে অবস্থিত। 

উৎস: বাংলাদেশ ট্যুরিজম বোর্ড।

১৪.
সম্প্রতি, বিশ্বব্যাংক বাংলাদেশে দারিদ্র্য কমার গতি বাড়াতে কয়টি সুপারিশ করেছে? [ডিসেম্বর,২০২৫]
  1. ৫টি
  2. ৪টি
  3. ২টি 
  4. ৩টি
সঠিক উত্তর:
৪টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪টি
ব্যাখ্যা

- সম্প্রতি, বিশ্বব্যাংক বাংলাদেশে দারিদ্র্য কমার গতি বাড়াতে  ৪টি সুপারিশ করেছে।
- সময়: ২৫ নভেম্বর ২০২৫।
- 'বাংলাদেশ: দারিদ্র্য ও বৈষম্য বিশ্লেষণ, সমৃদ্ধির পথে অগ্রযাত্রা' শীর্ষক প্রতিবেদনে দারিদ্র্য কমার গতি বাড়াতে চারটি সুপারিশ করেছে বিশ্বব্যাংক।

• চারটি সুপারিশ পত্র: 
- ১. উৎপাদনশীল খাতে কর্মসংস্থানের ভিত্তি মজবুত করা;
- ২.  দুই. দরিদ্র ও ঝুঁকিপূর্ণ জনগোষ্ঠীর জন্য শোভন কর্মসংস্থানের সুযোগ বিস্তৃত করা;
- ৩. তিন. গ্রামের দরিদ্রদের জন্য কার্যকর বাজারব্যবস্থা গড়ে তোলা
- ৪.  এবং সমতাভিত্তিক ও দক্ষ রাজস্বনীতির মাধ্যমে ঘুরে দাঁড়ানোর ক্ষমতা বৃদ্ধি।

উৎস: প্রথম আলো পত্রিকা।[লিঙ্ক]

১৫.
'পাঁচসালা’ এবং 'একসালা’ বন্দোবস্ত' প্রবর্তন করেন কে?
  1. লর্ড কর্নওয়ালিস
  2. লর্ড ডালহৌসি
  3. ওয়ারেন হেস্টিংস
  4. লর্ড বেন্টিঙ্ক
সঠিক উত্তর:
ওয়ারেন হেস্টিংস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ওয়ারেন হেস্টিংস
ব্যাখ্যা

'পাঁচসালা’ এবং 'একসালা’ বন্দোবস্ত': 
- ইস্ট-ইন্ডিয়া কোম্পানির গভর্নর জেনারেল ওয়ারেন হেস্টিংস 'পাঁচসালা বন্দোবস্ত এবং 'একসালা বন্দোবস্ত' প্রবর্তন করেন।
- কিন্তু এ দুটি বন্দোবস্ত রাজস্ব আদায়ের ক্ষেত্রে ফলপ্রসূ হয়নি।
- এমতাবস্থায় গভর্নর জেনারেল লর্ড কর্নওয়ালিশ নানা বিচার-বিশ্লেষণ করে ১৭৯৩ সালে ভূমি ব্যবস্থাপনার ক্ষেত্রে এক নতুন প্রথার প্রবর্তন করেন।
- ইতিহাসে এটি 'চিরস্থায়ী বন্দোবস্ত' নামে পরিচিত।
- এর মাধ্যমে ইংরেজরা এদেশে তাদের আর্থ-সামাজিক ও রাজনৈতিক ক্ষমতার ভিত্তি প্রতিষ্ঠিত করতে চেয়েছিলেন।
- এক্ষেত্রে তারা অনেক সফলতা লাভ করলেও এ ব্যবস্থার ফলে সাধারণ কৃষক এমনকি অনেক সম্ভ্রান্ত বনেদি জমিদার সর্বশান্ত হয়ে পড়ে।
- অন্যদিকে নগদ টাকার মালিক ও পুঁজিপতি মহাজনরা রাতারাতি জমিদারে পরিণত হয়।
- নব সৃষ্ট এ জমিদার শ্রেণী ইংরেজ শাসনের জন্য একটি সামাজিক ও রাজনৈতিক ভিত্তি স্থাপনে সহায়ক শক্তির ভূমিকা পালন করে।
- ১৯৫০ সালে এ ব্যবস্থা উচ্ছেদ করা হয়। -

উৎস: i) বাংলাপিডিয়া।
ii) ইতিহাস, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১৬.
’জীবন ও ব্যক্তি-স্বাধীনতার অধিকার-রক্ষণ’ সংবিধানের কত নং অনুচ্ছেদে রয়েছে?
  1. অনুচ্ছেদ-৩১ 
  2. অনুচ্ছেদ-৩৫ 
  3. অনুচ্ছেদ-৩২
  4. অনুচ্ছেদ-৩০ 
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ-৩২
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ-৩২
ব্যাখ্যা

• তৃতীয় ভাগ; মৌলিক অধিকার। 
- অনুচ্ছেদ-৩২ জীবন ও ব্যক্তি-স্বাধীনতার অধিকার-রক্ষণ।
- আইনানুযায়ী ব্যতীত জীবন ও ব্যক্তিস্বাধীনতা হইতে কোন ব্যক্তিকে বঞ্চিত করা যাইবে না।

• কয়েকটি অনুচ্ছেদ:
- ৩০নং:  বিদেশী, খেতাব, প্রভৃতি গ্রহণ নিষিদ্ধকরণ;
- ৩১নং: আইনের আশ্রয়-লাভের অধিকার;
- ৩২নং: জীবন ও ব্যক্তি-স্বাধীনতার অধিকার-রক্ষণ;
- ৩৫নং: বিচার ও দন্ড সম্পর্কে রক্ষণ;
- ৩৭নং:সমাবেশের স্বাধীনতা।

উৎস: বাংলাদেশ সংবিধান।

১৭.
স্বাধীন বাংলা বেতারের 'চরমপত্র’ সিরিজটির উপস্থাপনা করেন- 
  1. এম আর আখতার মুকুল 
  2. আশফাকুর রহমান খান
  3. শামসুর রাহমান
  4. আবদুল মান্নান 
সঠিক উত্তর:
এম আর আখতার মুকুল 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এম আর আখতার মুকুল 
ব্যাখ্যা

- স্বাধীন বাংলা বেতারের 'চরমপত্র’ সিরিজটির উপস্থাপনা করেন- এম আর আখতার মুকুল।

স্বাধীন বাংলা বেতারকেন্দ্র:

- স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্র বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ শুরু হওয়ার পরপরই বাংলাদেশের প্রবাসী সরকার কর্তৃক প্রতিষ্ঠিত বেতার সম্প্রচার কেন্দ্র।
- বস্তুত, চট্টগ্রামের কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র থেকে এর প্রাথমিক যাত্রা শুরু হয়।
- এই কেন্দ্র থেকেই বাংলাদেশের স্বাধীনতা ঘোষণা করা হয়েছিল।
- স্বাধীন বাংলা বেতারের দুটি জনপ্রিয় অনুষ্ঠান ছিল 'চরমপত্র' এবং 'জল্লাদের দরবার'।
-'জল্লাদের দরবার' অনুষ্ঠানে পাকিস্তানি সেনাপ্রধান জেনারেল ইয়াহিয়া খানের অমানবিক চরিত্র এবং পাশবিক আচরণকে 'কেল্লা ফতেহ খান' চরিত্রের মাধ্যমে চিত্রিত করা হয়েছিল।'
- চরমপত্র' সিরিজটির পরিকল্পনা করেন জাতীয় পরিষদের সদস্য আবদুল মান্নান ।
- এবং এর স্ক্রিপ্ট লেখা ও উপস্থাপনা করেন এম আর আখতার মুকুল।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।

১৮.
বিলোনিয়া স্থল বন্দর কোথায় অবস্থিত? 
  1. সোনাগাজী, ফেনী
  2. ফুলগাজী, ফেনী
  3. পরশুরাম, ফেনী
  4. কসবা, ব্রাহ্মণবাড়িয়া
সঠিক উত্তর:
পরশুরাম, ফেনী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পরশুরাম, ফেনী
ব্যাখ্যা

বিলোনিয়া স্থল বন্দর:
- বাংলাদেশ স্থলবন্দর কর্তৃপক্ষের নিজস্ব ব্যবস্থাপনায় পরিচালিত;
- ফেনী জেলার পরশুরাম উপজেলার বিলোনিয়া সীমান্তে অবস্থিত।
- এর বিপরীতে ভারতের ত্রিপুরা রাজ্যের মুহুরীঘাট এলসিএস রয়েছে;
- ২৩ ফেব্রুয়ারি ২০০৯ তারিখ বিলোনিয়া শুল্ক স্টেশনকে স্থলবন্দর ঘোষণা করা হয়;
- ১৯ ডিসেম্বর ২০২২ তারিখ বন্দরের অপারেশনাল কার্যক্রম শুরু হয়;
-  রাজধানী ঢাকা হতে বিলোনিয়া স্থলবন্দরের দূরত্ব প্রায় ১৫৬ কি.মি.।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।

১৯.
জুলাই গণঅভ্যুত্থানে সর্বকনিষ্ঠ শহীদের নাম- 
  1. সাইফী
  2. আহাদ 
  3. শাওন
  4. তৌহিদুল
সঠিক উত্তর:
আহাদ 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আহাদ 
ব্যাখ্যা

জুলাই গণঅভ্যুত্থানে সর্বকনিষ্ঠ শহীদ:
- জুলাই গণঅভ্যুত্থানে সর্বকনিষ্ঠ শহীদ আব্দুল আহাদ।
- ২০২৪ সালের ১৯ জুলাই নিহত হয় ৪ বছরের শিশু আব্দুল আহাদ।
- শহীদ আব্দুল আহাদ ফরিদপুরের ভাঙ্গা উপজেলার পুকুরিয়া গ্রামের আবুল হাসান ও মা সুমি আক্তারের পুত্র।
- বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সময় ঢাকার যাত্রাবাড়ীর রায়েরবাগ এলাকায় ৮ তলার উপর তার বাবা-মায়ের মাঝে বারান্দায় দাঁড়িয়ে ছিল আব্দুল আহাদ।
- এ সময় বাসার নিচে ছাত্রলীগ ও পুলিশের গুলিতে গুলিবিদ্ধ হয়ে মাটিতে লুটিয়ে পড়ে নিহত হয় আহাদ।
- সে 'জুলাই সর্বকনিষ্ঠ যোদ্ধা' হিসেবে পরিচিত।

উৎস: i) জুলাই আর্কাইভ।
ii) যুগান্তর।

২০.
ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ প্রতিষ্ঠা লাভ করে কত সালে? 
  1. ১৯৫৬ সালে
  2. ১৯৫৪ সালে
  3. ১৯৫৫ সালে
  4. ১৯৫৩ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৫৪ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৫৪ সালে
ব্যাখ্যা

• স্টক এক্সচেঞ্জ:
- বাংলাদেশের পুঁজি বাজার পরিচালনা করে বাংলাদেশে স্টক এক্সচেঞ্জ কিমিশন বা Bangladesh Securities and Exchange Commission.
- গ্রাহকের পুঁজির নিরাপত্তা বিধান ও পুঁজি বাজারে বিনিয়োগ পরিবেশ নিয়ন্ত্রণ করা এই কমিশন প্রতিষ্ঠার উদ্দেশ্য।

• বাংলাদেশে শেয়ার বাজার দুইটি।
• ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ:
- এটি দেশের বৃহত্তম শেয়ার বাজার।
- এটি রাজধানী ঢাকার প্রধানতম বাণিজ্যিক এলাকা মতিঝিলে অবস্থিত।
- প্রতিষ্ঠা লাভ করে: ১৯৫৪ সালে।
- কার্যক্রম শুরু করে: ১৯৫৬ সালে।

• চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ:
- অনুমোদন পায়: ১২ ফেব্রুয়ারি, ১৯৯৫ সালে।
- চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ ১৯৯৫ সালের ১০ অক্টোবর চট্টগ্রাম থেকে শুরু হয়।

উৎস: ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ ও BSEC ওয়েবসাইট।

২১.
ষষ্ঠ জনশুমারি ও গৃহগণনা  এর তথ্য সংগ্রহে কোন পদ্ধতি অনুসরণ করা হয়েছে?
  1. Traditional paper-based survey
  2. Telephone interviewing
  3. Computer-Assisted Personal Interviewing 
  4. Online self-reporting
সঠিক উত্তর:
Computer-Assisted Personal Interviewing 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Computer-Assisted Personal Interviewing 
ব্যাখ্যা

• জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২:
- বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (BBS) জনশুমারি পরিচালনা করে।
- ষষ্ঠ জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২ অনুষ্ঠিত হয়: ১৫-২১ জুন ২০২২ সালে।
- এটি দেশের প্রথম ডিজিটাল শুমারি।
- জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২ এর তথ্য সংগ্রহে যে পদ্ধতি অনুসরণ করা
হয়েছে CAPI. (Computer Assisted Personal Interviewing)
- CAPI এর পূর্ণরূপ - Computer Assisted Personal Interviewing.
- গণনায় যে পদ্ধতি অনুসরণ করা হয়েছে- মোডিফাইড ডি-ফ্যাক্টো (Modified De-facto) পদ্ধতি।
- মোট জনসংখ্যা: ১৬ কোটি ৯৮ লাখ ২৮ হাজার ৯১১ জন।

উৎস: পরিসংখ্যান ব্যুরোর ওয়েবসাইট।

২২.
‘সাত গম্বুজ মসজিদ’ নির্মাণ করেন কে? 
  1. খান জাহান আলী
  2. শায়েস্তা খাঁ
  3. উমিদ খাঁ
  4. গিয়াসউদ্দিন আজম শাহ
সঠিক উত্তর:
উমিদ খাঁ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উমিদ খাঁ
ব্যাখ্যা

সাত গম্বুজ মসজিদ:
- সাত গম্বুজ মসজিদ ঢাকার মোহাম্মদপুরে অবস্থিত মুঘল আমলে নির্মিত একটি মসজিদ।
- এই মসজিদটি চারটি মিনারসহ সাতটি গম্বুজের কারনে মসজিদের নাম হয়েছে 'সাতগম্বুজ মসজিদ'।
- এটি মুঘল আমলের অন্যতম নিদর্শন।
• ১৬৮০ সালে মুঘল সুবাদার শায়েস্তা খাঁর আমলে তার পুত্র উমিদ খাঁ মসজিদটি নির্মান করান।
- মসজিদটি লালবাগ দূর্গ মসজিদ এবং খাজা আম্বর মসজিদ এর সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ।
• এর ছাদে রয়েছে তিনটি বড় গম্বুজ এবং চার কোণের প্রতি কোনায় একটি করে অনু গম্বুজ থাকায় একে সাত গম্বুজ মসজিদ বলা হয়।
- মসজিদের পূর্বপাশে এরই অবিচ্ছেদ্য অংশে হয়ে রয়েছে একটি সমাধি।
- কথিত আছে, এটি শায়েস্তা খাঁর মেয়ের সমাধি। সমাধিটি 'বিবির মাজার' বলেও খ্যাত।

উৎস: বাংলাদেশ পর্যটন করপোরেশন ওয়েবসাইট।

২৩.
২০২৫ সালে সংস্কৃতিতে স্বাধীনতা পুরস্কার লাভ করেন কে? 
  1. স্যার ফজলে হাসান আবেদ
  2. নভেরা আহমেদ 
  3. বদরুদ্দীন মোহাম্মদ উমর
  4. শুকুর আল মাহমুদ 
সঠিক উত্তর:
নভেরা আহমেদ 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নভেরা আহমেদ 
ব্যাখ্যা

স্বাধীনতা পুরস্কার ২০২৫:
- জাতীয় পর্যায়ে গৌরবোজ্জ্বল ও কৃতিত্বপূর্ণ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ 'স্বাধীনতা পুরস্কার ২০২৫' পেয়েছেন ৭ জন বিশিষ্ট ব্যক্তি।
- বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি: অধ্যাপক জামাল নজরুল ইসলাম (মরণোত্তর)।
- সাহিত্য: মীর আবদুস শুকুর আল মাহমুদ (মরণোত্তর)।
- সংস্কৃতি: নভেরা আহমেদ (মরণোত্তর)।
- সমাজসেবা: স্যার ফজলে হাসান আবেদ (মরণোত্তর)।
- মুক্তিযুদ্ধ ও সংস্কৃতি: মোহাম্মদ মাহবুবুল হক খান ওরফে আজম খান (মরণোত্তর)।
- শিক্ষা ও গবেষণা: জনাব বদরুদ্দীন মোহাম্মদ উমর।
- প্রতিবাদী তারুন্য: আবরার ফাহাদ (মরণোত্তর)।

উৎস: মন্ত্রি পরিষদ বিভাগ ওয়েবসাইট।

২৪.
দেশের প্রথম ‘জুলাই শহীদ স্মৃতিস্তম্ভ’ কোথায় অবস্থিত? 
  1. ঢাকা 
  2. নারায়নগঞ্জ
  3. গাজীপুর
  4. রাজশাহী
সঠিক উত্তর:
নারায়নগঞ্জ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নারায়নগঞ্জ
ব্যাখ্যা

দেশের প্রথম জুলাই শহীদ স্মৃতিস্তম্ভ:
- দেশের প্রথম 'জুলাই শহীদ স্মৃতিস্তম্ভ' নারায়ণগঞ্জে অবস্থিত।
- নারায়ণগঞ্জে ২১ জন শহীদের নামে নির্মিত হয়েছে দেশের প্রথম 'জুলাই শহীদ স্মৃতিস্তম্ভ'।
- ১৪ জুলাই, ২০২৫ তারিখে নারায়ণগঞ্জের হাজীগঞ্জ এলাকায় স্মৃতিস্তম্ভটি উদ্বোধন করেন অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের ৫ উপদেষ্টা। তারা হলেন আইন উপদেষ্টা ড. আসিফ নজরুল, শিল্প উপদেষ্টা আদিলুর রহমান খান, শিক্ষা উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. চৌধুরী রফিকুল আবরার, রেলপথ মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্ট ড. মুহাম্মদ ফাওজুল কবির খান এবং পরিবেশ উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান।
- বৈষম্যের বিরুদ্ধে টানা ৩৬ দিনের আন্দোলনে, অর্থাৎ ৩৬ জুলাই পর্যন্ত নারায়ণগঞ্জে শহীদ হন ৫৬ জন, আহত হন ৩৭০ জন।
- নিহতদের মধ্যে ২১ জন ছিলেন নারায়ণগঞ্জের স্থানীয় বাসিন্দা।
- শহীদদের স্মরণে সরকারি উদ্যোগে গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের সহায়তায় নির্মিত হয়েছে এই স্মৃতিস্তম্ভ।

উৎস: i) বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থা।[লিঙ্ক]
 ii) প্রেস নারায়নগঞ্জ।[লিঙ্ক]

২৫.
মুক্তিযুদ্ধে নারীদের বিশেষ অবদানের জন্য কতজন নারীকে বীরত্বসূচক 'বীরপ্রতীক' খেতাব প্রদান করা হয়?
  1. ৩ জন
  2. ২ জন
  3. ১ জন
  4. কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
২ জন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২ জন
ব্যাখ্যা

মুক্তিযুদ্ধে নারী, শিশু ও ক্ষুদ্র-নৃগোষ্ঠী:
- মুক্তিযুদ্ধে নারীদের বিশেষ অবদানের জন্য দুজন মহিলাকে বীরত্বসূচক 'বীরপ্রতীক' খেতাব প্রদান করা হয়।
- তারা হলেন-ক্যাপ্টেন ডা. সেতারা বেগম (২নং সেক্টর) এবং তারামন বিবি (১১নং সেক্টর)।
- খেতাবহীন বীর মহিলা মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে সুনামগঞ্জের খাসিয়া সম্প্রদায়ের -কাঁকন বিবি পরিচিত, যার আসল নাম ছিল কাঁকাত হেনিনচিতা।
- তিনি 'মুক্তিবেটি' নামেও পরিচিত।
- মুক্তিযুদ্ধের সময় পাক সেনা বাহিনী কর্তৃক ধর্ষিত হন প্রায় তিন লাখ নারী।
- এই নারীরা মুক্তিযোদ্ধাদের সহযাত্রী হিসেবে ভূমিকা পালন করেন এবং তাদের ত্যাগের স্বীকৃতিস্বরূপ রাষ্ট্রীয়ভাবে 'বীরাঙ্গনা' উপাধিতে ভূষিত করা হয়।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম ও দশম শ্রেণি।

২৬.
The play "Endgame" was penned by-
  1. Ben Jonson
  2. Arthur Miller
  3. Christopher Marlowe
  4. Samuel Beckett
সঠিক উত্তর:
Samuel Beckett
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Samuel Beckett
ব্যাখ্যা

• The play "Endgame" was penned by Samuel Beckett.

• Endgame:
- It is a play in one act by Samuel Beckett.
- এটি ১৯৫৭ সালে প্রকাশিত হয়।
- Endgame আধুনিক নাট্যকার Samuel Beckett-এর একটি বিখ্যাত Theatre of the Absurd ধাঁচের নাটক।
- নাটকটি মানবজীবনের অর্থহীনতা, নিঃসঙ্গতা ও অস্তিত্বগত হতাশা তুলে ধরে।
- গল্পের কেন্দ্রীয় চরিত্র Hamm—অন্ধ ও চলাফেরায় অক্ষম; তার সেবক Clov—যে বসতে পারে না; এবং Hamm-এর বাবা-মা Nagg ও Nell, যারা আবর্জনার ডাস্টবিনে বসবাস করে। এই অদ্ভুত পরিবেশ মানুষের বন্ধ্যা জীবনচক্র ও অনিবার্য সমাপ্তি (endgame)-এর প্রতীক।

- নাটকে কোনো প্রচলিত কাহিনি বা সমাধান নেই; সংলাপগুলো পুনরাবৃত্তিমূলক ও বিচ্ছিন্ন। এর মাধ্যমে Beckett দেখান—মানুষ বেঁচে থাকে অভ্যাসে, প্রত্যাশা ছাড়াই, শেষের অপেক্ষায়।

• Samuel Beckett (1906-1989):
- Samuel Beckett একজন আইরিশ নাট্যকার, লেখক ও সাহিত্য সমালোচক ছিলেন।
- তিনি ১৯৬৯ সালে সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন।
- বেকেট ফরাসি ও ইংরেজি—এই দুই ভাষাতেই সাহিত্য রচনা করতেন।
- তাঁর সবচেয়ে বিখ্যাত সৃষ্টি হল "Waiting for Godot" (১৯৫২), যা একটি অস্তিত্ববাদী নাটক এবং আধুনিক থিয়েটারে এক যুগান্তকারী কাজ হিসেবে বিবেচিত।

• Notable works:
• Novels:
- Murphy,
- Molloy,
- Watt,
- Malone Dies,
- Come and Go,
- Dream of Fair to Middling Women,
- More Pricks than Kicks.

• Plays:
- Endgame,
- Happy Days,
- All That Fall (radio plays),
- The Unnamable,
- Waiting for Godot,
- Krapp’s Last Tape.

Source: Britannica.

২৭.
"The fool doth think he is wise, but the wise man knows himself to be a fool." is quoted from Shakespeare’s-
  1. Julius Caesar
  2. As You Like It
  3. Measure for Measure
  4. The Comedy of Errors
সঠিক উত্তর:
As You Like It
উত্তর
সঠিক উত্তর:
As You Like It
ব্যাখ্যা

• "The fool doth think he is wise, but the wise man knows himself to be a fool." is quoted from Shakespeare’s- As You Like It.

• As You Like It:
- 5 acts বিশিষ্ট এই comedy play টি ১৫৯৮-১৬০০ সালের মধ্যে লেখা।
- ১৬২৩ সালে comedy টি First Folio এর অন্তর্ভুক্ত হয়ে প্রকাশিত হয়।
- Shakespeare based the play on Rosalynde (1590), a prose romance by Thomas Lodge.
- The Forest of Arden নামক এক কাল্পনিক বনে এই নাটকের অধিকাংশ কাহিনী বর্ণিত যাতে আমরা Orlando এবং Rosalind এর প্রেম কাহিনী দেখতে পাই।

• Some famous quotes from As You Like It:
- Sweet are the uses of adversity.
- The fool doth think he is wise, but the wise man knows himself to be a fool.
- I pray you, do not fall in love with me, for I am falser than vows made in wine.
- Men have died from time to time, and worms have eaten them, but not for love.
- Most friendship is feigning, most loving mere folly.
- We that are true lovers run into strange capers.
- All the world's a stage, And all the men and women merely players.

• William Shakespeare (1564-1616):
- তাঁর জন্মস্থান Stratford Avon.
- Shakespeare -কে 'Bard of Avon' or 'Swan of Avon' বলা হয়।
- তিনি একাধারে একজন English poet, dramatist এবং actor।
- তাঁকে English national poet বলা হয়।
- He is considered by many to be the greatest dramatist of all time.
- তিনি 154 টি সনেট, 37 টি play লিখেন।
- 1599 সালে তিনি এবং অন্যরা মিলে লন্ডনে প্রতিষ্ঠা করেন "Globe Theatre".

• Notable Works:
• Tragedy:
- Hamlet,
- Othello,
- King Lear,
- Macbeth,
- Julius Caesar,
- Titus Andronicus,
- Timons of Athens,
- Antony and Cleopatra,
- Coriolanus,
- Romeo and Juliet, etc.

• Comedy:
- As You Like It,
- The Tempest,
- Twelfth Night,
- Love's Labour's Lost,
- The Comedy of Errors,
- The Taming of the Shrew,
- Much Ado About Nothing,
- All's Well That Ends Well,
- A Midsummer Night's Dream,
- The Merry Wives of Windsor,
- The Two Gentlemen of Verona, etc.

• Tragi-comedy
- The Merchant of Venice,
- The Winter's Tale,
- Cymbeline,
- Troilus and Cressida,
- Measure for Measure.

• Famous poem:
- Shall I Compare Thee to a Summer Day/Sonnet 18,
- The Rape of Lucrece,
- Venus and Adonis,
- A Lover's Complaint, etc.

Source:
1. Britannica.
2. SparkNotes.

২৮.
"The Dunciad" is-
  1. a play by Henrik Ibsen
  2. a novel by Thomas Hardy
  3. a poem by Alfred Tennyson
  4. a poem by Alexander Pope
সঠিক উত্তর:
a poem by Alexander Pope
উত্তর
সঠিক উত্তর:
a poem by Alexander Pope
ব্যাখ্যা

• "The Dunciad" is a poem by Alexander Pope.

• The Dunciad:
- Alexander Pope রচিত এটি মূলত একটি Satirical poem.
- কবিতাটি ১৭২৮ সালে তিনটি বইতে প্রথম বেনামে প্রকাশিত হয়। পরবর্তীতে ১৭৪৩ সালে এটি চূড়ান্ত আকারে চারটি বইতে প্রকাশিত হয়।
- The poem is written largely in iambic pentameter.
- Dunciad (1728)  Dunc শব্দের অর্থ নির্বোধ আর Dunciad শব্দের অর্থ নির্বোধ দল সম্পর্কিত মহাকাব্য।
- কবি পৌপ এখানে তার সমালোচকদের অত্যন্ত তীর্যক এবং তীক্ষ্ণ ভাষায় অপমান করেছেন।

• Alexander Pope (1688-1744):
- তিনি Neo-Classical Period- এর 'Augustan Age' -এর একজন কবি ও satirist.
- তার নাম অনুসারে Augustan Age -এর নামকরণ করা হয় 'Age of Pope'.
- তিনি 'Mock Heroic Poet' নামে পরিচিত।
- তিনি ইংরেজি সাহিত্যের বুদ্ধিদীপ্ত সাহিত্যিকদের মধ্যে অন্যতম। 
- তিনি গ্রিক কবি Homer -এর কালজয়ী সৃষ্টি 'The Iliad' & 'The Odysse' কাব্যগ্রন্থ ইংরেজিতে অনুবাদ করেন।

• Notable Poems:
- The Rape of the Lock,
- An Essay on Criticism,
- An Essay on Man,
- The Dunciad,
- The New Dunciad,
- Windsor,
- An Epistle to Dr. Arbuthnot,
- The Imitation of Horace, etc.

Source:
1. Britannica.
2. An ABC of English Literature by Dr. M. Mofizar Rahman.

২৯.
What is the poetic form of "Paradise Lost"?
  1. Dramatic monologue
  2. Free verse
  3. Blank verse
  4. Rhymed couplets
সঠিক উত্তর:
Blank verse
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Blank verse
ব্যাখ্যা

• Paradise Lost by John Milton is an epic poem, written in blank verse.

• Paradise Lost:
- এটি John Milton -এর একটি Epic poem.
- এটি Blank verse (অমিত্রাক্ষর ছন্দ)- এ রচিত।
- It is called the greatest epic in English Literature.
- এর বিষয়বস্তু হলো 'To justify the ways of God to man'.
- এটি 12 book or section এ বিভক্ত।

• Main Characters:
- Adam,
- Eve,
- Satan,
- Beelzebub,
- Mammon.

• John Milton (1608-1674):
- He was an English poet, pamphleteer, and historian, considered the most significant English author after William Shakespeare.
- তিনি ছিলেন সপ্তদশ শতাব্দীর ইংরেজ কবি, গদ্য লেখক এবং কমনওয়েলথ অব ইংল্যান্ডের একজন সরকারি কর্মচারী।
- তিনি 'Paradise Lost' মহাকাব্যের কারণে সমধিক পরিচিত।
- Paradise Lost, Paradise Regained তাঁর বিশ্ববিখ্যাত কালজয়ী মহাকাব্য।
- তার রচনায় ঈশ্বর, ন্যায়-অন্যায়, নৈতিকতা এবং ব্যক্তিস্বাধীনতার বিষয়টি গভীরভাবে উঠে এসেছে।
- তিনি বিশ্বাস করতেন যে মানুষের যুক্তিবোধ এবং স্বাধীন ইচ্ছা গুরুত্বপূর্ণ।

• Notable Works:
- A Treatise on Christian Doctrine.
- Areopagitica.
- Artis Logicae.
- Doctrine and Discipline of Divorce.
- History of Britain.
- Lycidas.
- Of Education.
- Of Reformation Touching Church Discipline in England.
- On the Fifth of November.
- Paradise Lost.
- Paradise Regained.
- Cry of the King's Blood.
- The Tenure of Kings and Magistrates.

Source: Britannica.

৩০.
Who is the poet of “The Good-Morrow”?
  1. Andrew Marvell
  2. John Donne
  3. Robert Herrick
  4. John Milton
সঠিক উত্তর:
John Donne
উত্তর
সঠিক উত্তর:
John Donne
ব্যাখ্যা

• John Donne is the poet of “The Good-Morrow”.

• The Good Morrow:
- "The Good Morrow" বিখ্যাত কবিতাটি লিখেছেন মেটাফিজিকাল কবি হিসেবে পরিচিত John Donn.
- এটি ১৬৩৩ সালে প্রকাশিত হয়।
- The main theme of the poem is love.
- It mainly describes a conversation between the speaker and his lover.

• Summary:
- 'The Good Morrow' কবিতাটি John Donne রচিত একটি প্রেমের কবিতা, যেখানে দুটি প্রেমিক একে অপরের প্রতি গভীর ভালোবাসা ও আত্মিক সম্পর্কের কথা ব্যক্ত করেছেন। কবিতায়, কবি তার প্রেমিকার সঙ্গে তাদের সম্পর্কের আগে জীবন কেমন ছিল, তা নিয়ে ভাবনা প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, তাদের জীবন ছিল শূন্য, যেমন শিশুদের মতো, কিন্তু প্রেমের মাধ্যমে তাদের জীবন পূর্ণতা পেয়েছে। কবি তার প্রেমিকার সঙ্গে এমন একটি সম্পর্কের কথা বলেন যেখানে দুজন একে অপরের প্রতি পূর্ণ বিশ্বাস ও ভালোবাসা রাখে, এবং তাদের সম্পর্কের মধ্যে কোনো শঙ্কা বা ভয় নেই। শেষের দিকে, কবি বিশ্বাস করেন যে, তাদের ভালোবাসা এমন এক সম্পর্ক যেখানে কোনো বিচ্ছেদ বা মৃত্যু নেই, কারণ তারা একে অপরকে সম্পূর্ণভাবে ভালোবাসে।

• এই কবিতার বিখ্যাত উক্তি:
- “I wonder, by my troth, what thou and I Did, till we loved?"
- "Love all love of other sights controls,
And makes one little room an everywhere."

• John Donne (1572-1631):
- John Donne ছিলেন Renaissance যুগের একজন অন্যতম বিখ্যাত কবি।
- Metaphysical poetry -এর জনক বলা হয় John Donne কে।
- তিনি আধ্যাত্মিক কবিতার সূচনা করেছিলেন তাই তাকে Father of Metaphysical poetry বলা হয়।
- এছাড়াও তিনি Poet of Love and Religious হিসেবেও পরিচিত।
- কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর John Done -এর কবিতা দ্বারা অত্যন্ত প্রভাবিত হয়েছিলেন।

• His famous quotes:
- "For God's sake, hold your tongue, and let me love."
- "I am two fools, I know,
For loving, and for saying so
In whining Poetry."
- "Love's mysteries in souls do grow,
But yet the body is his book."
- "I wonder by my truth, what thou and I did till we love."
- "She's all states and all princess I, Nothing else is."

• His famous poems are:
- The Good-Morrow,
- The Canonization,
- The Flea,
- The Ecstasy,
- The Sun Rising,
- Twicknam Garden,
- For Whom The Bell Tolls,
- A Valediction: Forbidding Mourning, etc.

Source:
1. Britannica.
2. Poetry Foundation.

৩১.
"Catherine Earnshaw" is a well-known character from-
  1. Candida
  2. Sense and Sensibility
  3. Wuthering Heights
  4. David Copperfield
সঠিক উত্তর:
Wuthering Heights
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Wuthering Heights
ব্যাখ্যা

• "Catherine Earnshaw" is a well-known character from Wuthering Heights.
- Catherine Earnshaw হলো ইংরেজি সাহিত্যিক Emily Bronte-এর উপন্যাস "Wuthering Heights" -এর অন্যতম প্রধান চরিত্র।

• Wuthering Heights:
- 'Wuthering Heights' হলো Emily Bronte এর একমাত্র উপন্যাস।
- এই উপন্যাসটি ১৮৪৭ সালে Emily Bronte ছদ্মনাম Ellis Bell নামে প্রকাশিত হয়।
- This intense, solidly imagined novel is distinguished from other novels of the period by its dramatic and poetic presentation, its abstention from authorial intrusion, and its unusual structure.
- Wuthering Heights by Emily Bronte হচ্ছে Gothic Novel -এর একটি অন্যতম উদাহরণ।

• Summary:
- Heathcliff এই উপন্যাসের কেন্দ্রীয় চরিত্র একজন এতিম বালক।
- অন্যের আশ্রয়ে থাকে এবং পরবর্তীতে আশ্রয়দাতার কন্যা Catherine Earnshaw এর সাথে তার মনের মিলন ঘটে, দুইজন দুইজনকে ভালোবেসে ফেলে।
- কিন্তু Catherine প্রতিশ্রুতি ভঙ্গ করে অন্যত্র বিয়ে করলে Heathcliff নিরুদ্দেশ হয়ে যায়।
- যখন ফিরে আসে তখন সে অঢেল অর্থ বিত্তের মালিক।
- কাহিনীর এ পর্যায়ে তাকে তার মালিকের বাড়ী Wuthering Heights কিনে নেয়ার পাশাপাশি প্রাক্তন প্রেমিকা Catherine এর ননদের সাথে প্রেমের অভিনয় করে সম্পত্তির লোভে তাকে বিয়ে করতে দেখা যায়।
- পরবর্তীতে এই বিয়েটা ভেঙে যায় এবং এরপর Catherine মারা যায়। তার ভাই Hindley ও মারা যায়। কিন্তু তাদের সন্তানরা ধীরে ধীরে বড় হতে থাকে।
- Heathcliff এর সন্তানও এদের সাথে যোগ দেয়। এভাবে কাহিনী এক প্রজন্ম থেকে পরের প্রজন্মের মাঝে এগিয়ে চলে।

• Main characters:
- Catherine Earnshaw,
- Heathcliff (The central character),
- Cathy Linton,
- Edgar Linton,
- Isabella Linton,
- Lockwood, etc.

• Emily Bronte (1818-1848):
- তার পুরো নাম Emily Jane Bronte, তার ছদ্মনাম Ellis Bell.
- Emily Bronte ছিলেন একজন ইংরেজ ঔপন্যাসিক ও কবি, যিনি মাত্র একটি উপন্যাস লিখেই সাহিত্যে অমর হয়ে আছেন।
- তার একমাত্র উপন্যাস "Wuthering Heights" ইংরেজি সাহিত্যের অন্যতম সেরা ক্লাসিক এবং Gothic ও Romantic ধারার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ রচনা।
- তিনি ছিলেন বিখ্যাত Bronte বোনদের একজন। তার দুই বোন Charlotte Bronte এবং Anne Bronte -ও ছিলেন বিখ্যাত সাহিত্যিক।
- “Wuthering Heights” উপন্যাসকে ঘিরেই মূলত তার পরিচতি।
- ত্রিশ বছর বয়সেই মৃত্যু বরণ করেন।

• Notable Works:
- Poems by Currer, Ellis, and Acton Bell,
- Wuthering Heights, etc.

Source:
1. Britannica.
2. SparkNotes.

৩২.
'Thomas Gray' belongs to-
  1. Metaphysical poets
  2. Neoclassical poets
  3. Modern poets
  4. Victorian poets
সঠিক উত্তর:
Neoclassical poets
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Neoclassical poets
ব্যাখ্যা

• 'Thomas Gray' belongs to the Neoclassical poets.

• Thomas Gray (1716-1771):
- Thomas Gray একজন ইংরেজ কবি, পণ্ডিত এবং অধ্যাপক, যিনি তাঁর আবেগময় এবং প্রতিফলিত কবিতার জন্য সবচেয়ে পরিচিত।
- তিনি একজন বিখ্যাত Graveyard Poet.
- তিনি আঠারো শতকের মধ্যভাগের একজন প্রভাবশালী কবি ছিলেন এবং Romantic movement -এর পূর্বসূরী ছিলেন।
- তার বিখ্যাত Elegy হলো 'Elegy Written in a Country Churchyard'.
- তিনি 'The Age of Sensibility' -এর একজন গুরুত্বপূর্ণ সাহিত্যিক।

• Notable works:
- “An Elegy Written in a Country Church Yard”,
- “Ode on a Distant Prospect of Eton College”,
- “The Bard”,
- “The Progress of Poesy”, etc.

• His famous quotations:
- 'Where ignorance is bliss, it is folly to be wise."
- "Full many a flower is born to blush unseen,
And waste its sweetness on the desert air."
- "The paths of glory lead but to the grave."
- "Sorrow never comes too late."

Source:
1. Britannica.
2. An ABC of English Literature by Dr. M. Mofizar Rahman.

৩৩.
“There are two tragedies in life. One is to lose your heart's desire. The other is to gain it.” is quoted by-
  1. George Bernard Shaw
  2. Ernest Hemingway 
  3. William Shakespeare
  4. T. S. Eliot
সঠিক উত্তর:
George Bernard Shaw
উত্তর
সঠিক উত্তর:
George Bernard Shaw
ব্যাখ্যা

• “There are two tragedies in life. One is to lose your heart's desire. The other is to gain it.” is quoted by- George Bernard Shaw.
- এই উক্তিটি George Bernard Shaw-এর একটি বিখ্যাত উক্তি, যা তাঁর নাটক "Man and Superman" থেকে নেওয়া।

• Man and Superman:
- This is a famous play written by G.B. Shaw.
- 4 acts বিশিষ্ট এই play টি ১৯০৩ সালে প্রকাশিত হয়।
- "Man and Superman" হলো একটি বুদ্ধিদীপ্ত নাটক, যেখানে প্রেম, বিবাহ, সমাজ এবং দার্শনিক চিন্তাধারার উপর আলোচনা করা হয়েছে।
- নাটকের মূল চরিত্র John Tanner, একজন স্বাধীনচেতা, বুদ্ধিমান পুরুষ, যিনি বিয়ে এবং সামাজিক বাধা থেকে মুক্ত থাকতে চান।
- কিন্তু Ann Whitefield নামে এক চতুর মেয়ে তাকে বিয়ে করার জন্য পরিকল্পনা করে।
- নাটকের মাধ্যমে Shaw দেখান যে, প্রকৃতির উদ্দেশ্য হলো মানুষের উন্নতি এবং উচ্চতর মানবজাতি (Superman) তৈরি করা।
- নাটকের মধ্যে একটি বিখ্যাত অংশ হলো "Don Juan in Hell", যেখানে গভীর দার্শনিক আলোচনা করা হয় জীবন ও নৈতিকতার উপর।
- The play incorporates Shaw’s concept of the “life force” and satirizes the relationship between the sexes.

• Main characters:
- John Tanner,
- Hector Malone,
- Ann Whitefield,
- Mendoza,
- Roebuck Ramsden,
- Octavius Robinson,
- Violet Robinson,
- Susan Ramsden, etc.

• Man and Superman নাটকের আরো কিছু উক্তি হলো- 
- “Liberty means responsibility. That is why most men dread it.”
- “Criminals do not die by the hands of the law. They die by the hands of other men.” 
- "There is no love sincerer than the love of food".
- "A lifetime of happiness! No man alive could bear it: it would be hell on earth."
- "Home is the girl's prison and the woman's workhouse."
- "The more things a man is ashamed of, the more respectable he is."
- "Democracy substitutes election by the incompetent many for appointment by the corrupt few."

• G. B. Shaw (1856-1950):
- তার পুরো নাম George Bernard Shaw.
- তিনি 'Modern period' এর নাট্যকার।
- George Bernard Shaw একজন Irish নাট্যকার এবং সাহিত্য সমালোচক।
- তিনি ১৯২৫ সালে নোবেল পুরস্কার পান।
- তার সর্বাধিক বাণিজ্যিকভাবে সফল নাটক Pygmalion থেকে জনপ্রিয় মিউজিক্যাল My Fair Lady তৈরি হয়।

Source:
1. Britannica.
2. Goodreads.com

৩৪.
'No Second Troy' is written by-
  1. An American author
  2. A British author
  3. An Irish author
  4. A French author
সঠিক উত্তর:
An Irish author
উত্তর
সঠিক উত্তর:
An Irish author
ব্যাখ্যা

• 'No Second Troy' is written by the Irish author W. B. Yeats.

• No Second Troy:
- এটি W. B. Yeats রচিত একটি বিখ্যাত কবিতা।
- এই কবিতাটি Yeats তার প্রেমিকা Maud Gonne এর কাছ থেকে পাওয়া final rejection এর পর লিখা।
- ‘No Second Troy’ was written after the final rejection of Yeats’s love offer and sudden marriage to John MacBride, who, ironically, was later made the martyr of the Irish Freedom Movement by the efforts of Yeats himself.
- কবিতাটি blank verse এ রচিত দুই স্তবক বিশিষ্ট একটি কবিতা।
- এতে মোট ১২টি লাইন রয়েছে।

• কবিতাটির শেষ দুটি পঙক্তি হচ্ছে-
- "Why, what could she have done, being what she is?
Was there another Troy for her to burn?"

• William Butler Yeats (1865-1939):
- Yeats ছিলেন একজন আইরিশ কবি, নাট্যকার এবং সাহিত্যিক, যিনি আধুনিক ইংরেজি সাহিত্যের অন্যতম প্রধান ব্যক্তিত্ব।
- William Butler Yeats is a famous literary figure who belongs to the Modern Period.
- একজন কবি এবং নাট্যকার হিসাবে তিনি এবং তার সাহিত্যকর্ম গুলো আয়ারল্যান্ডের ঐতিহ্য এবং রাজনীতি দ্বারা প্রভাবিত হয়েছিলো।
- নিজের জন্মভূমির প্রতি তার ভালোবাসার প্রকাশ তার বিভিন্ন কবিতায় লক্ষ্য করা যায়।
- W.B Yeats কে Ireland -এর 'National Poet' বলা হয়ে থাকে।
- তিনি ১৯২৩ সালে প্রথম আইরিশ হিসেবে সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন।

• His Famous poems:
- Easter 1916,
- No Second Troy,
- The Second Coming,
- A Prayer for My Daughter,
- September 1913,
- The Tower,
- The Stolen Child,
- Sailing to Byzantium,
- The Lake Isle of Innisfree,
- The Man Who Dreamed of Fairyland,
- An Irish Airman Foresees His Death, etc.

Source:
1. Britannica.
2. An ABC of English Literature by Dr. M. Mofizar Rahman.

৩৫.
Who created the character 'Tom Jones'?
  1. Jonathan Swift
  2. Henry Fielding
  3. Samuel Richardson
  4. Daniel Defoe
সঠিক উত্তর:
Henry Fielding
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Henry Fielding
ব্যাখ্যা

•  The character 'Tom Jones' was created by Henry Fielding.

• Tom Jones:
- British novelist and playwright Henry Fielding রচিত একটি বিখ্যাত উপন্যাস হলো 'Tom Jones'.
- Tom Jones, In full: The History of Tom Jones, a Foundling, হচ্ছে একটি comic novel.
- এটি ১৭৪৯ সালে প্রথম প্রকাশিত হয়, which is the 1st half of 18th century.
- এটি একটি রোমান্স প্লটের উপরে লেখা।
- Tom Jones, Picaresque Novel এর অন্যতম উদাহরণ।

• Main characters:
- Squire Allworthy,
- Bridget Allworthy,
- Tom Jones,
- Mrs. Wilkins,
- Sophia Western,
- Jenny Jones,
- Dr. Blifil,
- Captain Blifil,
- Partridge,
- Molly Seagrim, etc.

• Henry Fielding (1707-1754):
- Henry Fielding হলো 'The Age of Sensibility' এর একজন ইংলিশ উপন্যাসিক এবং নাট্যকার ছিলেন, যিনি Samuel Richardson -এর সঙ্গে ইংরেজি উপন্যাসের founder হিসেবে বিবেচিত হন।
- তিনি মূলত কমেডি এবং সামাজিক সমালোচনা নিয়ে লেখা তার কাজের জন্য পরিচিত।
- Fielding ইংরেজি সাহিত্যে উপন্যাসের বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছেন।
- He is famous for the Picaresque Novel.
- তার ছদ্মনাম (pen name) হলো Captain Hercules Vinegar.

• Famous Novels:
- Tom Jones,
- Amelia,
- Joseph Andrews.

• Famous plays:
- The Tragedy of Tragedies,
- Rape Upon Rape,
- The Temple Beau,
- The Miser,
- The Modern Husband, etc.

Source:
1. Britannica.
2. An ABC of English Literature by Dr. M. Mofizar Rahman.

৩৬.
"To err is human, to forgive divine" is an example of-
  1. Antithesis
  2. Personification
  3. Irony
  4. Anaphora
সঠিক উত্তর:
Antithesis
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Antithesis
ব্যাখ্যা

• "To err is human, to forgive divine" is an example of- Antithesis.

• ​Antithesis (পরস্পরবিরোধী ভাবধারার সন্নিবেশ; বিরোধালংকার):
- “Antithesis” literally means “opposite” – it is usually the opposite of a statement, concept, or idea.
- এমন একটি অলংকার, যেখানে পরস্পর বিপরীত অর্থবোধক শব্দ বা ভাব একসঙ্গে ব্যবহৃত হয়, যা একটি নাটকীয় বৈপরীত্য সৃষ্টি করে।
- যেমন: "To err is human, to forgive divine."
​- This is a famous line from Alexander Pope's poem "An Essay on Criticism." It contrasts two ideas: making mistakes (which is human) and forgiving (which is divine).
- ​This example is used to point out that humans possess both worldly and godly qualities; they can all make mistakes, but they also have the power to free others from blame.
- অর্থাৎ, এখানে "To err is human" এবং "to forgive divine" -এর মাধ্যমে পরস্পর বিরোধী ভাব প্রকাশ করা হয়েছে, যা Antithesis-এর প্রধান বৈশিষ্ট্য।
- এটি দ্বারা বোঝানো হয়েছে যে মানুষের মধ্যে পার্থিব এবং ঈশ্বরীয় উভয় গুণাবলীই রয়েছে।

অন্যদিকে,
 খ) Personification (ব্যক্তিরূপ দান):
- A figure of speech in which lifeless objects or ideas are given imaginary life.
- অর্থাৎ, নির্জীব বা জড় বস্তুকে ব্যক্তিরূপে প্রয়োগ করার কৌশল।
- Personification এর মাধ্যমে কোন জড় বস্তুকে কাল্পনিক জীবন দান করে সেগুলোকে উপমা হিসাবে লেখায় ব্যবহার করা হয়।
- যেমন: The wind whispered through the trees.

গ) Irony (বিদ্রূপ):
- Irony is when there are two contradicting meanings of the same situation, event, image, sentence, phrase, or story.
- In many cases, this refers to the difference between expectations and reality.
- বক্তব্য জোরালো করতে নিজ চিন্তার সম্পূর্ণ বিপরীত কিছু বলে মনোভাব ব্যক্তকরণ; বক্রাঘাত।
- অর্থাৎ, নিন্দার ছলে প্রশংসা বা প্রশংসার ছলে নিন্দা করা।
- Example: "Brutus is an honourable man."
 
ঘ) ​Anaphora (অনাফোরা)
- Anaphora is when a certain word or phrase is repeated at the beginning of clauses or sentences that follow each other.
- অর্থাৎ, যখন একটি শব্দ বা বাক্যাংশ একাধিক বাক্যাংশ বা বাক্যের শুরুতে পুনরাবৃত্ত হয়।
- Example: "We shall fight on the beaches, we shall fight on the landing grounds..." - (Winston Churchill)

Source:
1. Literary terms.net
2. An ABC of English Literature by Dr. M. Mofizar Rahman.

৩৭.
"Great Expectations" is a famous ________.
  1. Neoclassical novel
  2. Elizabethan novel
  3. Victorian novel
  4. Modern novel
সঠিক উত্তর:
Victorian novel
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Victorian novel
ব্যাখ্যা

• "Great Expectations" is a famous Victorian novel.
- এটি Victorian যুগের বিখ্যাত ঔপন্যাসিক Charles Dickens -এর লেখা অন্যতম সেরা উপন্যাস।
- তাই 'Great Expectations' হলো একটি Victorian novel.

• Great Expectations:
- ১৮৬০ সালে প্রকাশিত এই উপন্যাস টি Charles Dickens এর অন্যতম সেরা উপন্যাস।
- গল্প শুরু হয়েছে Kent শহর থেকে।
- ১৮ শতকের গোড়ার কাহিনী তুলে ধরা হয়েছে উপন্যাসে -এমন একটি সময় যখন, ইংল্যান্ড অর্থনৈতিক ভাবে এগিয়ে যাচ্ছে, কিন্তু তারপরও কিছু মানুষ থাকছে সমাজে, যারা নানা কারণে অসুখী। সমাজে বিদ্যমান শ্রেণী বৈষম্যর বিষয়টিও তুলে ধরা হয়েছে।

- Charles Dickens -এর 'Great Expectations' উপন্যাসটি মূলত সামাজিক শ্রেণি ও উচ্চাকাঙ্ক্ষা বিষয়কে কেন্দ্র করে গড়ে উঠেছে। কাহিনিতে এতিম Pip -এর গল্প বলা হয়েছে, যে নিজের সাধারণ জীবন থেকে উঠে একজন ভদ্রলোক হয়ে উঠতে চায়, বিশেষ করে যখন সে এক রহস্যময় আর্থিক সহায়তা পায়।

- এই মূল বিষয়টি উপন্যাসে ফুটে উঠেছে Pip -এর আত্ম-অন্বেষণ ও নৈতিক বিকাশের মধ্য দিয়ে। সে শিখতে পারে যে সামাজিক মর্যাদা ও সম্পদ আসল সুখ বা নৈতিক মূল্যবোধ নিশ্চিত করে না। Dickens এই গল্পের মাধ্যমে ভিক্টোরিয়ান সমাজের কঠোর শ্রেণিবিন্যাস ও সম্পদের দুর্নীতিগ্রস্ত প্রভাবের সমালোচনা করেছেন।

• Main characters:
- Pip (Philip Pirrip),
- Joe Gargery,
- Abel Magwitch,
- Estella Havisham,
- Miss Havisham, etc.

• Charles Dickens (1812-1870):
- Charles Dickens ছিলেন একজন ইংরেজ উপন্যাসিক।
- তাকে ভিক্টোরিয়ান যুগের সর্বশ্রেষ্ঠ লেখক হিসেবে বিবেচনা করা হয়।
- তার কাজ সাধারণ মানুষ থেকে শুরু করে জ্ঞানী, দরিদ্র ও রাজার মতো সব ধরনের মানুষের কাছে আকর্ষণীয় ছিল।
- প্রযুক্তিগত উন্নতি সহ তাঁর কাজের গুণাবলী তাঁর খ্যাতি বিস্তার করতে সহায়ক হয়েছিল।
- তিনি মূলত তাঁর A Christmas Carol, David Copperfield, Bleak House, A Tale of Two Cities, Great Expectations, Our Mutual Friend ইতাদি উপন্যাসের জন্য তাঁর জীবদ্দশায়ই জনপ্রিয়তা লাভ করেছিলেন।

• Notable Works:
- David Copperfield,
- Great Expectations,
- Oliver Twist,
- A Christmas Carol,
- A Tale of Two Cities,
- Bleak House,
- Our Mutual Friend,
- Hard Times,
- The Pickwick Papers, etc.

Source:
1. Britannica.
2. SparkNotes.

৩৮.
"To strive, to seek, to find, and not to yield." is quoted by-
  1. Dylan Thomas
  2. Matthew Arnold
  3. Alfred Tennyson
  4. P. B. Shelley
সঠিক উত্তর:
Alfred Tennyson
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Alfred Tennyson
ব্যাখ্যা

• "To strive, to seek, to find, and not to yield." is quoted by- Alfred Tennyson.
- এটি তার 'Ulysses' কবিতা থেকে উদ্ধৃত।

• Ulysses: 
- রচয়িতা Alfred Tennyson. 
- এটি এটি কবিতা।
- হোমারের কাব্য Iliad থেকে অনুপ্রাণিত ।
- Poem in Blank Verse. 
- এটি মূলত: একটি Dramatic Monologue.

• Famous quotes from this poem:
- "I will never rest from travels, I will drink life to the lees."
- "I am a part of all that I have met."
- "To strive, to seek, to find, and not to yield."
- “Made weak by time and fate, but strong in will to strive to seek, to find, and not to yield”.

• Alfred Tennyson (1809-1892):
- Alfred Tennyson, 1st Baron Tennyson of Aldworth and Freshwater.
- তিনি একজন Victorian poet.
- Alfred, Lord Tennyson ছিলেন একজন ইংরেজ কবি, যিনি Victorian period এর অন্যতম প্রধান কবি হিসেবে পরিচিত।
- তার কবিতায় প্রকৃতি, প্রেম, মৃত্যু, এবং মানব-মানবী সম্পর্ক বিশালভাবে ফুটে উঠেছে।
- English poet often regarded as the chief representative of the Victorian age in poetry.

• Famous poems of Tennyson:
- Oenone,
- In Memoriam,
- The Lotos Eaters,
- Morte D'Arthur,
- Ulysses,
- Tithonus,
- The Princess,
- Crossing the Bar,
- Aurora, etc.

- উল্লেখ্য যে,
- Ulyssess নামে ইংরেজি সাহিত্যে আরো একটি সাহিত্যকর্ম রয়েছে এবং সেটি হচ্ছে James Joyce এর লেখা একটি Novel.

Source: Britannica.

৩৯.
"Heart of Darkness" is a novella authored by-
  1. Joseph Conrad
  2. Amitav Ghosh
  3. John Masfield
  4. Doris Lessing
সঠিক উত্তর:
Joseph Conrad
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Joseph Conrad
ব্যাখ্যা

• "Heart of Darkness" is a novella authored by Joseph Conrad. (47th BCS Preli)

• Heart of Darkness:
- Novella টি রচনা করেন Joseph Conrad.
- ১৮৯৯ সালে এটি প্রথম প্রকাশিত হয়। 
- Heart of Darkness পশ্চিমা ঔপনিবেশিকতার বিভীষিকাগুলো বিশ্লেষণ করে, যা এটিকে এমন একটি প্রক্রিয়া হিসেবে চিত্রিত করে যা শুধুমাত্র যেসব ভূখণ্ড ও জনগণকে শোষণ করে তাদেরকেই কলুষিত করে না, বরং পশ্চিমাদের—যারা এই শোষণকে চালিত করে—তাদেরকেও নৈতিকভাবে কলুষিত করে তোলে।
- এটি  Western colonialism এর ভয়াবহতা নিয়ে বর্ণিত একটি novella.
- The novella begins with a group of passengers aboard a boat floating on the River Thames.

• Joseph Conrad (1857-1924):
- তার Original name: Jozef Teodor Konrad Korzeniowski.
- তিনি ছিলেন একজন পোলিশ বংশোদ্ভূত English novelist ও short-story writer.
- During his lifetime, Conrad was admired for the richness of his prose and his renderings of dangerous life at sea and in exotic places.

• Notable works:
- Heart of Darkness (Novella),
- Lord Jim,
- Nostromo,
- The Secret Agent,
- Under Western Eyes,
- Typhoon,
- Victory,
- Youth, etc.

Source: Britannica.

৪০.
In Hamlet, Hamlet was the prince of _____.
  1. France
  2. Scotland
  3. Denmark
  4. England
সঠিক উত্তর:
Denmark
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Denmark
ব্যাখ্যা

• In Hamlet, Hamlet was the prince of Denmark.

• Hamlet:
- William Shakespeare রচিত tragedy গুলোর মধ্যে Hamlet is one of the most celebrated tragedies in English literature.
- এটি একটি 5acts বিশিষ্ট tragedy.
- ১৫৯৯-১৬০১ সালের মধ্যে লেখা এই tragedy টি প্রকাশিত হয় 1603 সালে।
- এর কেন্দ্রীয় চরিত্র Prince Hamlet ছিলেন 'prince of Denmark' যিনি  জার্মানি থেকে নিজ দেশে ফিরে আসে তাঁর বাবার শেষকৃত্যে অংশগ্রহণ  করতে এবং জানতে পারে যে তার চাচা Claudius তার মাকে বিয়ে করেছে এবং এই চাচাই তার বাবার খুনী।
- সত্য উদঘাটনের পর বিভিন্ন ঘটনা প্রবাহের মধ্যে দিয়ে tragedy -এর কাহিনী সামনে এগিয়ে যায় এবং শেষাংশে Hamlet -এর মৃত্যুর মধ্যে দিয়ে এই tragedy -র সমাপ্তি ঘটে।

• Main characters of Hamlet:
- Hamlet,
- Ophelia,
- Claudius,
- Gertrude,
- Horatio (Loyal and Best friend of Hamlet),
- Polonius (Ophelia's Father),
- Laertes (Ophelia's brother), etc.

• Famous quotations from Hamlet:
- "To be or not to be that is the question."
- "Frailty, thy name is woman."
- "Brevity is the soul of wit."
- "Listen to many, speak to a few."
- "Though this be madness, yet there is method in't."
- "Conscience does make cowards of us all."
- "One may smile, and smile, and be a villain."
- "There's a divinity that shapes our ends,
Rough-hew them how we will."
- "There is nothing either good or bad, but thinking makes it so."
- "There are more things in heaven and earth, Horatio,
Than are dreamt of in your philosophy."

• William Shakespeare (1564-1616):
- William Shakespeare একাধারে একজন English poet, dramatist এবং actor.
- তাকে 'English National Poet' বলা হয়।
- Stratford-upon-Avon -এ জন্মগ্রহণ করেছেন বলে তাকে Bard of Avon বা Swan of Avon বলা হয়।
- তাকে অনেকেই সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ নাট্যকার হিসেবে বিবেচনা করেন।
- Shakespeare occupies a unique position in world literature.
- William Shakespeare মূলত তাঁর Drama and Sonnet -এর জন্য পরিচিত।
- তিনি মোট ১৫৪ টি sonnet এবং ৩৭ টি play লিখেছেন।
- এছাড়া তিনি Long narrative poem ও লিখেছেন।

Source:
1. Britannica.
2. SparkNotes.

৪১.
We still have no cure _____ the common cold.
  1. to
  2. of
  3. for
  4. from
সঠিক উত্তর:
for
উত্তর
সঠিক উত্তর:
for
ব্যাখ্যা

• Complete sentence: We still have no cure for the common cold.
- Bangla meaning: সাধারণ সর্দি-কাশির জন্য আমাদের এখনও কোনও প্রতিকার নেই।

• Cure (noun) for something
- English Meaning: something that makes someone who has a particular disease or condition healthy again; a solution to a particular problem.
- Bangla Meaning: প্রতিকার; উপশম; একটি নির্দিষ্ট সমস্যার সমাধান।

আবার,
• Cure (verb) somebody (of something)
- English Meaning: to make someone with an illness healthy again; to stop someone doing or wanting something bad.
- Bangla Meaning: চিকিৎসা করা; অপদেবতার হাত থেকে রক্ষা করা।

Example Sentence:
- I am now completely cured of my disgraceful snobbery.
- She hopes the operation will cure her of the disease.

Source:
1. Accessible Dictionary by Bangla Academy.
2. Cambridge Dictionary.

৪২.
The word 'sibling" is a-
  1. Neuter gender
  2. Feminine gender
  3. Masculine gender
  4. Common gender
সঠিক উত্তর:
Common gender
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Common gender
ব্যাখ্যা

• The word 'sibling" is a Common gender.

• Sibling (noun):
- English Meaning: a brother or sister.
- Bangla Meaning: একই মাতাপিতার সন্তান; ভাই বা বোন।

• Common gender:
- Noun টি পুংবাচক বা স্ত্রীবাচক উভয়কেই বুঝালে তা Common Gender হয়।
- যেমন: Parent, Child, Baby, Sibling, Server, Parent, Sheep, Deer, Teacher, Student, Monarch, Neighbor, etc.

• Gender:
যে সকল শব্দ দ্বারা কোন noun or pronoun এর পুরুষ, স্ত্রী বা এদের উভয়টি অথবা কোনটিই নয় বা অবচেতন পদার্থ (ক্লীব) ইত্যাদি বুঝায় তাদেরকে Gender বলে।

• Gender চার প্রকার। যথা:
- Masculine gender (পুং লিঙ্গ),
- Feminine gender (স্ত্রী লিঙ্গ),
- Common/Neutral gender (উভয় লিঙ্গ/লিঙ্গ নিরপেক্ষ),
- Neuter gender (ক্লীব লিঙ্গ).

Source:
1. Accessible Dictionary by Bangla Academy.
2. Cambridge Dictionary.

৪৩.
Write your essays in pen not pencil.
Here, 'pen' is-
  1. Verb
  2. Noun
  3. Adjective
  4. Adverb
সঠিক উত্তর:
Noun
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Noun
ব্যাখ্যা

• Write your essays in pen not pencil.
- Here, 'pen' is- Noun.

- Preposition "in" এর object হিসেবে 'pen' এখানে noun.
- It’s part of a prepositional phrase (in pen) indicating the means or instrument used.

• Pen (Noun)
- English Meaning: an instrument for writing or drawing with ink.
- Bangla Meaning: (আধুনিক প্রয়োগ) কলম; লেখনী; ঝরনাকলম; বলপেন।

Source:
1. Accessible Dictionary by Bangla Academy.
2. Longman Dictionary.

৪৪.
I don't feel like _______ there today.
  1. going
  2. go
  3. to go
  4. would go
সঠিক উত্তর:
going
উত্তর
সঠিক উত্তর:
going
ব্যাখ্যা

• Complete Sentence: I don't feel like going there today.
- Bangla Meaning: আজ আমার ওখানে যেতে ভালো লাগছে না।

• Feel like something/doing something
- To have a wish for something, or to want to do something, at a particular moment.
- অর্থাৎ, কোনো কিছু করতে ইচ্ছা করা (wish) বা করতে চাওয়া (want) অর্থে feel like ব্যবহৃত হয়।
- এখানে 'like' preposition হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
- এবং 'feel like' এর পরে gerund (verb+ing) বসে।
- যেমন: I don't feel like going there today.

• More examples:
- I feel like going for a swim.
- I feel like having a nice cool glass of lemonade.

Source: Cambridge Dictionary.

৪৫.
Synonym of the word 'Lucrative' is-
  1. Mournful
  2. Beneficial
  3. Delicious
  4. Unfavorable
সঠিক উত্তর:
Beneficial
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Beneficial
ব্যাখ্যা

• Synonym of the word 'Lucrative' is- Beneficial.

• Lucrative (adjective)
- English Meaning: (especially of a business, job, or activity) producing a lot of money.
- Bangla Meaning: লাভজনক, আর্থিকভাবে লোভনীয়।

Given options:
ক) Mournful - শোকার্ত; শোকাকুল; শোকোচ্ছ্বাসিত; শোকসন্তপ্ত; শোকাতুর।

খ) Beneficial - লাভজনক; মঙ্গলজনক; হিতকর।

গ) Delicious - (বিশেষত স্বাদ, গন্ধ ও কৌতুকবোধের পক্ষে) আনন্দদায়ক; তৃপ্তিদায়ক; রসনারোচক; মধুর।

ঘ) Unfavorable - প্রতিকূল; অসন্তোষজনক।

• সুতরাং, অপশনের অর্থ বিবেচনা করে দেখা যায় যে, 'lucrative' এর Synonym হলো Beneficial.

Source:
1. Accessible Dictionary by Bangla Academy.
2. Cambridge Dictionary.

৪৬.
How much does this necklace cost?
Here, 'this' is-
  1. Noun
  2. Pronoun
  3. Adjective
  4. Adverb
সঠিক উত্তর:
Adjective
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Adjective
ব্যাখ্যা

• How much does this necklace cost?
- Here, 'this' is- Adjective.

- এখানে "this" noun "necklace" কে modify করার কারণে adjective হিসেবে কাজ করছে।
- the word "this" modifies the noun "necklace" by specifying which necklace (demonstrative).
- সুতরাং, "this" হলো demonstrative adjective.

• Demonstrative Adjective:
- Demonstrative pronoun (This, That, These, Those) যখন Noun-এর পূর্বে বসে ঐ Noun-কে সরাসরি নির্দেশ করে, তখন তাকে Demonstrative Adjective বলে।
- Noun-কে Which one (কোনটি) দ্বারা প্রশ্ন করলে যে জবাব পাওয়া যায়, সেটাই Demonstrative Adjective.
- এক্ষেত্রে, Adjective ও Noun পাশাপাশি বসবে।
- অর্থাৎ একটি বাক্যে Demonstrative Adjective সব সময় কোন Noun-এর আগে বসে।
- তাই This, That, These, Those, হলো Demonstrative Adjective.

৪৭.
The teacher showed us how to solve the problem.
The underlined part is-
  1. Verbal clause
  2. Adjective clause
  3. Noun clause
  4. Adverb clause
সঠিক উত্তর:
Noun clause
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Noun clause
ব্যাখ্যা

• The teacher showed us how to solve the problem.
- The underlined part is- Noun Clause.

• সাধারণত transitive verb এবং তাদের পরে That/ Wh Word দ্বারা শুরু হয়ে যদি কোনো Clause বসে noun এর কাজ করে তখন Clause টি Noun Clause হয়।
- প্রদত্ত sentence টিতে 'how to solve the problem' Noun clause এর নিয়ম অনুযায়ী transitive verb (showed) এর পরে Wh word (how) দ্বারা শুরু হয়ে noun এর কাজ করছে। 
- অর্থাৎ, "showed" Verb এর direct object হিসেবে এটি Noun clause.

• Noun Clause:
- যে সব Subordinate Clause Noun এর কাজ করে থাকে, অর্থাৎ Subject, Object, Compliment বা Case in Apposition- এর কাজ করে থাকে তাকে Noun Clause বলে।

• Noun Clause বিভিন্নভাবে ব্যবহার হতে পারে। যেমন:
- Verb এর Subject হিসেবে।
- Verb এর Object হিসেবে।
- Verb এর Subjective Complement হিসেবে।
- Verb এর Objective Complement হিসেবে।
- Preposition এর object হিসেবে।

Source: A Passage to the English Language by S M Zakir Hussain.

৪৮.
Which one is correctly spelled?
  1. Irresponssible
  2. Iresponseble
  3. Irresponsible
  4. Irresponsable
সঠিক উত্তর:
Irresponsible
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Irresponsible
ব্যাখ্যা

• The correctly spelled word is- গ) Irresponsible.

• Irresponsible (adjective) 
- English Meaning: lacking a sense of responsibility.
- Bangla Meaning: আচরণের জন্য দায়ী নয়; দায়িত্বহীন

• Ex. sentence:
- It would be irresponsible to ignore these warnings.
- He's too irresponsible to keep a job for more than a week.

Source: 
1. Accessible Dictionary by Bangla Academy.
2. Merriam-Webster Dictionary.

৪৯.
Children love watching cartoon films.
Here, "watching" is-
  1. Gerund
  2. Present Participle
  3. Infinitive
  4. Finite verb
সঠিক উত্তর:
Gerund
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Gerund
ব্যাখ্যা

• Children love watching cartoon films.
- Here, "watching" is- Gerund.

- এখানে, 'watching' শব্দটি 'love' - Verb -এর Object হওয়ার কারণে এটি Noun হিসেবে কাজ করছে।
- আর Verb+ing মিলে Noun হিসেবে ব্যবহৃত হলে এটা Gerund হয়।

• Gerund:
- Verb -এর সাথে ing যোগ হয়ে যদি noun -এর কাজ করে অর্থাৎ, একই সাথে Verb ও noun -এর কাজ করে, তখন তাকে Gerund বলে।
- সহজে → Gerund = Verb + ing = noun = Verb + noun -এর কাজ করে।
- Gerunds don’t describe action—they act as nouns.

• Functions of the Gerund:
1. Subject of a verb: Rising early is a good habit.
2. Object of a verb: I like reading poetry.
3. Object of a preposition: I am tired of waiting.
4. Complement of a verb: Seeing is believing.
5. As absolutely (part of a compound noun): This is my drawing-room.

• অন্যদিকে,
- Present Participle (verb+ing) হলো verbal adjective যা noun/pronoun কে modify করে অর্থাৎ, adjective-এর কাজ করে।

- Infinitive হলো Verb এর base form এবং to + base form.

- Finite verb হলো যা tense এবং subject verb agreement দেখায় (here, love is the finite verb).

Source: High School English Grammar and Composition by Wren And Martin.

৫০.
The word 'Utopia' means:
  1. A land of hope
  2. A perfect society
  3. A lawless land
  4. A place full of suffering
সঠিক উত্তর:
A perfect society
উত্তর
সঠিক উত্তর:
A perfect society
ব্যাখ্যা

• The word 'Utopia' means: A perfect society.

• Utopia (Noun)
- English Meaning: a perfect society in which people work well with each other and are happy.
- Bangla Meaning: কাল্পনিক, নিখুঁত সামাজিক ও রাজনৈতিক ব্যবস্থা; স্বপ্নরাষ্ট্র; স্বর্গরাজ্য।

• Ex. sentence:
- It's a nice place to live, but it's no Utopia.
- The idea of America as utopia has recurred throughout our history.

Source:
1. Accessible Dictionary by Bangla Academy.
2. Cambridge Dictionary.

৫১.
Imran is my friend. I _______ him for ten years.
  1. knew
  2. had been known
  3. have known
  4. have been known
সঠিক উত্তর:
have known
উত্তর
সঠিক উত্তর:
have known
ব্যাখ্যা

• Complete sentence: Imran is my friend. I have known him for ten years.

• অতীতে সংঘটিত হয়ে কোনো কাজ কাজ বর্তমান সময়ে চলছে এরূপ বুঝালে Verb এর Present Perfect Continuous Tense হয়।
- কিন্তু see, watch, understand, know, be, have ইত্যাদি verb এর সাধারণত Present Perfect Continuous Form ব্যবহৃত হয় না, এর পরিবর্তে Present Perfect Tense ব্যবহৃত হয়। 

• Structure: Subject + have/has + verb এর past participle + Extension.

যেমন:
- He has been in London for three years. 
- I have seen him for two decades.

- সুতরাং, শূন্যস্থানে সঠিক উত্তর হবে- have known.

৫২.
The story of a person written by himself is a/an-
  1. diary
  2. biopic
  3. biography
  4. autobiography
সঠিক উত্তর:
autobiography
উত্তর
সঠিক উত্তর:
autobiography
ব্যাখ্যা

• The story of a person written by himself is an autobiography.

• Autobiography (Noun)
- English Meaning: the story of a person’s life as written by that person, or the area of literature relating to books that describe such stories.
- Bangla Meaning: আত্মজীবনী, আত্মচরিত।

অন্যদিকে,
ক) diary 
- English Meaning: a book in which you record your thoughts or feelings or what has happened each day
- Bangla Meaning: দিনলিপি; রোজনামচা।

খ) biopic
- English Meaning: a film about the life of a real person.
- Bangla Meaning: একজন ব্যক্তির বাস্তব জীবন নিয়ে নির্মিত একটি চলচ্চিত্র।

গ) biography
- English Meaning: the life story of a person written by someone else.
- Bangla Meaning: জীবনী; জীবনইতিহস; বিভিন্ন ব্যক্তির জীবনকথাবিষয়ক সাহিত্যের বিশেষ শাখা।

Source:
1. Accessible Dictionary by Bangla Academy.
2. Cambridge Dictionary.

৫৩.
He was too tired to continue his work. (Compound)
  1. He was very tired so can not continue his work.
  2. He was very tired and could not continue his work.
  3. He was very tired so that could not continue his work.
  4. He was very tired that could not continue his work.
সঠিক উত্তর:
He was very tired and could not continue his work.
উত্তর
সঠিক উত্তর:
He was very tired and could not continue his work.
ব্যাখ্যা

- Simple: He was too tired to continue his work.
- Compound: He was very tired and could not continue his work.

• Too + to যুক্ত Simple sentence কে Compound sentence এ পরিণত করার নিয়ম:
- Too এর পরিবর্তে very বসবে,
- to এর পরিবর্তে and বসবে,
- tense অনুযায়ী cannot/could not বসে,
- to এর পরের অংশ।

• More Example: 
- Simple sentence: He is too busy to attend the meeting.
- Compound sentence: He is very busy and cannot attend the meeting.

৫৪.
Choose the correct sentence:
  1. The number of applicants for the job have been doubled.
  2. The number of applicants for the job are doubled.
  3. The number of applicants for the job has doubled.
  4. The number of applicants for the job have doubled.
সঠিক উত্তর:
The number of applicants for the job has doubled.
উত্তর
সঠিক উত্তর:
The number of applicants for the job has doubled.
ব্যাখ্যা

• Correct sentence: The number of applicants for the job has doubled.
- Bangla meaning: চাকরির জন্য আবেদনকারীর সংখ্যা দ্বিগুণ হয়েছে।

• Subject-Verb Agreement অনুযায়ী,
- The Number of + Plural Noun + Singular Verb বসে।
- যেহেতু প্রশ্নে উল্লিখিত বাক্যে The Number of আছে, তাই এরপর plural noun 'applicants' আছে, তাই singular verb ‘has’ হবে।

আবার,
- A number of (some, several, many) + plural Noun + plural verb বসে।
- যেমন: A number of books were borrowed from the library last week.

• অন্যদিকে,
ক) The number of applicants for the job have been doubled.
- 'have been' plural verb তাই ভুল।

খ) The number of applicants for the job are doubled.
- 'are' plural verb তাই ভুল।

ঘ) The number of applicants for the job have doubled.
- 'have' plural verb তাই ভুল।

৫৫.
'সকল তথ্য পরিগণিত হয়ে নতুন পরিকল্পনা তৈরি করা হবে।'- এখানে 'পরিগণিত' শব্দের অর্থ কী?
  1. একত্রিত 
  2. বিবেচিত
  3. পর্যালোচনা 
  4. সংগৃহীত
সঠিক উত্তর:
বিবেচিত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিবেচিত
ব্যাখ্যা

• পরিগণিত (বিশেষণ পদ),
- এটি একটি সংস্কৃত শব্দ।
অর্থ:
- গোনা হয়েছে এমন। 
- বিবেচিত।

প্রশ্নে প্রদত্ত বাক্য- 'সকল তথ্য পরিগণিত হয়ে নতুন পরিকল্পনা তৈরি করা হবে।'- এখানে 'পরিগণিত' শব্দটি বিবেচিত অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে। সুতরাং বাক্যটি এমন অর্থ প্রকাশ করেছে - 'সকল তথ্য  বিবেচিত হয়ে নতুন পরিকল্পনা তৈরি করা হবে।' 

উৎস: বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান। 

৫৬.
'জন্ম থেকেই জ্বলছি মাগো'- এখানে 'থেকে' শব্দের সঙ্গে যুক্ত 'ই' শব্দটির ব্যাকরণিক পরিচয় কী
  1. ক্রিয়ামূল
  2.  উপসর্গ
  3. প্রত্যয়
  4. বলক
সঠিক উত্তর:
বলক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বলক
ব্যাখ্যা

• প্রশ্নে দেওয়া বাক্য 'জন্ম থেকেই জ্বলছি মাগো'- এখানে 'থেকে' শব্দের সঙ্গে যুক্ত 'ই' শব্দটির ব্যাকরণিক পরিচয় হলো- বলক।

-------------------
বাংলা ব্যাকরণে, শব্দ গঠনের বিভিন্ন উপাদান রয়েছে, যেমন উপসর্গ, প্রত্যয়, ধাতু, এবং বলক।
• বলক:
যেসব শব্দাংশ পদের সঙ্গে যুক্ত হলে বক্তব্য জোরালো হয়, সেগুলোকে বলক বলে।
যেমন-
'তখনই' বা 'এখনও' পদের 'ই' বা 'ও' হলো বলকের উদাহরণ।

অন্য অপশন,
• উপসর্গ:
যেসব অর্থহীন শব্দাংশ অন্য শব্দের শুরুতে বসে নতুন শব্দ গঠন করে, সেগুলোকে উপসর্গ বলে।
যেমন-
- অজানা (অজানা), অভিযোগ (অভিযোগ), বেতার (বে-তার) প্রভৃতি শব্দের 'অ', 'অভি', 'বে' হলো উপসর্গ।

• প্রত্যয়:
শব্দ ও ধাতুর পরে অর্থহীন যেসব শব্দাংশ যুক্ত হয়ে নতুন শব্দ তৈরি হয়, সেগুলোকে প্রত্যয় বলে।
যেমন-
→ বাঘ আ বাঘা।
→ দিন ইক দৈনিক।
উপরের উদাহরণে 'আ' ও 'ইক' তদ্ধিত প্রত্যয় এবং 'বাঘা' ও 'দৈনিক' হলো তদ্ধিতান্ত শব্দ।

ধাতু বা ক্রিয়ামূল:
বাংলা ভাষায় বহু ক্রিয়াপদ রয়েছে। এসকল ক্রিয়াপদের মূল অংশকে বলা হয় ধাতু বা ক্রিয়ামূল।
যেমন: 'লিখ আ লিখা; এখানে, লিখ হলো ধাতু।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি- নবম ও দশম শ্রেণি (২০২২-সংস্করণ)।

৫৭.
'ইহারা মায়াবিনীর জাত। ইহারা সকল কল্যাণের পথে মায়াজাল পাতিয়া রাখিয়াছে। ইহারা গহন-পথের কণ্টক, রাজপথের দস্যু।' -উপন্যাসে উক্তিটি কাদের সম্পর্কে করা হয়েছে?
  1. নবাগত যৌবন 
  2. দেশপ্রেমিক
  3. নারী
  4. বিপ্লবী
সঠিক উত্তর:
নারী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নারী
ব্যাখ্যা

'কুহেলিকা' উপন্যাস সম্পর্কিত কিছু তথ্য:
- কাজী নজরুল ইসলামের উপন্যাস 'কুহেলিকা' ১৩৩৪ বঙ্গাব্দে 'নওরোজ' পত্রিকায় 'কুহেলিকা' উপন্যাস প্রকাশ আরম্ভ হয়। গ্রন্থাকারে প্রথম প্রকাশ পায় ১৩৩৮ বঙ্গাব্দে (১৯৩১)।
- এ উপন্যাসে রাজনৈতিক প্রসঙ্গ এসেছে অত্যন্ত বড় ক্যানভাসে।
- উপন্যাসের কেন্দ্রীয় চরিত্র হলো- জাহাঙ্গীর। এই উপন্যাসে তিনি একজন শিক্ষিত, দেশপ্রেমিক, বিপ্লবী চরিত্র যিনি সমাজ ও রাষ্ট্রের অন্ধকার দূর করে আলোর পথ খুঁজছেন।
-উপন্যাসের নায়ক জাহাঙ্গীর বিপ্লবী স্বদেশি দলের সঙ্গে যুক্ত।কিন্তু তার যে প্রেমের সম্পর্ক ও নারী সম্পর্কে ধারণা তা যথেষ্ট ঋণাত্মক।

- নারী সম্পর্কে এ উপন্যাসে বলা হয়েছে:
'ইহারা মায়াবিনীর জাত। ইহারা সকল কল্যাণের পথে মায়াজাল পাতিয়া রাখিয়াছে। ইহারা গহন-পথের কণ্টক, রাজপথের দস্যু।'

এই উপন্যাসের অন্যান্য চরিত্রগুলো হচ্ছে:
- কুহেলিকা,
- তাহমিনা,
- চম্পা,
- ফিরদৌস বেগম।

উৎস: 'কুহেলিকা' উপন্যাস এবং বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা। 

৫৮.
'কলঙ্কের ডালি মাথায় করিয়া আনল ভেজাই ঘরে।' পঙ্‌ক্তি কার লেখা?
  1. বিদ্যাপতি
  2. চণ্ডীদাস
  3. জ্ঞানদাস
  4. গোবিন্দদাস
সঠিক উত্তর:
চণ্ডীদাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চণ্ডীদাস
ব্যাখ্যা

• চণ্ডীদাস:
- চণ্ডীদাস চৈতন্যপূর্ব যুগের কবি ছিলেন। চণ্ডীদাসকে বাংলা ভাষার প্রথম মানবতাবাদী কবি বলা হয়।
- তিনি 'শুনহ মানুষ ভাই/ সবার উপরে মানুষ সত্য তাহার উপর নাই' বলে জাত-পাতযুক্ত সমাজে প্রথম মানবতার বাণী কাব্যে ধারণ করেছেন বলে তাকে মানবতার কবি বলা হয়। তাছাড়া ব্যক্তিজীবনেও তিনি জাত-সংস্কারের ঊর্ধ্বে ছিলেন।
- চণ্ডীদাস সম্পর্কে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর মন্তব্য করেছেন "চণ্ডীদাস সহজ ভাষায় সহজ ভাবের কবি-এই গুণে তিনি বঙ্গীয় প্রাচীন কবিদের মধ্যে প্রধান কবি"। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর চণ্ডীদাসকে দুঃখের কবি বলেছিলেন।

- চণ্ডীদাসের ভাষা বাঙ্গালি জাতির হৃদয়কে সিক্ত করেছিল। এই ভাষা এখন পর্যন্ত আধুনিক বাংলা ভাষার সৌন্দর্য ও ঐশ্বর্য, আড়ম্বর ও ভঙ্গিমার অভ্যন্তরে একটি ক্ষীণস্রোত নিত্য পুণ্যের রস সঞ্চার করে চলেছে। চণ্ডীদাসের ভাষা বাঙালির গভীরতম আবেগ-মুহূর্তকে স্পর্শ করেছে। এই ভাষাই বৈষ্ণব সাহিত্যের সাধারণ ভাষা।

চণ্ডীদাসের কতকগুলো পঙ্‌ক্তি প্রবাদের মত:
১. কলঙ্কের ডালি মাথায় করিয়া আনল ভেজাই ঘরে।
২. তোমার লাগিয়া কলঙ্কের হার গলায় পরিতে সুখ।
৩. চোরের মা যেন পোয়ের লাগিয়া ফুকরি কাঁদিতে নারে।
৪. গড়ন ভাঙিতে সই আছে কত খল। ভাঙিয়া গড়িতে পারে সে বড় বিরল।
৫. বিধিরে কি দিব দোষ করম আপনা। সুজনে করিনু প্রেম হইল কুজনা।
৬. ঘর হইতে আঙিনা বিদেশ।
৭. পিরীতি আঠা ননদী কাঁটা পড়শী হৈল ফাঁসী।

উৎস: বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস, ড. মাহাবুবুল আলম এবং বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা।

৫৯.
ফোর্ট উইলিয়াম কলেজ পর্বে রচিত গ্রন্থগুলোতে কোন সাহিত্যের প্রভাব রয়েছে?
  1. ফারসি সাহিত্যের 
  2. ইংরেজি সাহিত্যের
  3. হিন্দি সাহিত্যের
  4.  সংস্কৃত সাহিত্যের 
সঠিক উত্তর:
 সংস্কৃত সাহিত্যের 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
 সংস্কৃত সাহিত্যের 
ব্যাখ্যা

• ফোর্ট উইলিয়াম কলেজ পর্বে রচিত গ্রন্থগুলো মূলত বাংলা গদ্যের প্রাথমিক বিকাশে সহায়ক ছিল। এ সময়ের লেখকরা অনুবাদ ও মৌল রচনায় ব্যাপকভাবে সংস্কৃত সাহিত্যকে অনুসরণ করেছেন। ফলে ভাষা, শব্দচয়ন ও ভাবগঠনে সংস্কৃত সাহিত্যের প্রভাব স্পষ্টভাবে লক্ষ করা যায়।

ফোর্ট উইলিয়াম কলেজ (১৮০০ সালে প্রতিষ্ঠিত) পর্বে (বিশেষত ১৮০১-১৮১৫) বাংলা গদ্যের ভিত্তি স্থাপিত হয়েছে, কিন্তু এই সময়ে রচিত বাংলা গ্রন্থগুলোর অধিকাংশই সংস্কৃত গ্রন্থের অনুবাদ বা সংস্কৃত সাহিত্যের প্রভাবে রচিত হয়েছে। উইলিয়াম কেরির নেতৃত্বে দেশীয় পণ্ডিতরা (যেমন, রামরাম বসু, মৃত্যুঞ্জয় বিদ্যালঙ্কার, গোলকনাথ শর্মা) এই কাজ করেন। এই গ্রন্থগুলো কলেজের ইংরেজ কর্মচারীদের জন্য পাঠ্যপুস্তক হিসেবে রচিত হয়েছে, যাতে সংস্কৃতের কৃত্রিম গাম্ভীর্য এবং সাধু ভাষার প্রাধান্য লক্ষণীয়।

উদাহরণস্বরূপ:
• হিতোপদেশ (গোলকনাথ শর্মা, ১৮০২; মৃত্যুঞ্জয় বিদ্যালঙ্কার, ১৮০৮): সংস্কৃত গ্রন্থের অনুবাদ।
• বত্রিশ সিংহাসন (মৃত্যুঞ্জয় বিদ্যালঙ্কার, ১৮০২): সংস্কৃত কথাসাহিত্যের অনুবাদ।
• রাজাবলি (মৃত্যুঞ্জয় বিদ্যালঙ্কার, ১৮০৮): সংস্কৃত ইতিহাসের অনুবাদ।
• রাজা প্রতাপাদিত্য চরিত্র (রামরাম বসু, ১৮০১): এটি বাংলা গদ্যের প্রথম মুদ্রিত জীবনচরিত্র, কিন্তু সংস্কৃত শৈলীতে রচিত এবং ঐতিহাসিক উৎসের ভিত্তিতে (মৌলিক বলে বিবেচিত হলেও, সংস্কৃত প্রভাব প্রধান)।

যদিও কিছু গ্রন্থে পণ্ডিতদের নিজস্ব শৈলী প্রকাশ পেয়েছে (যেমন, কথোপকথন বা লিপিমালা), তবুও অধিকাংশই অনুবাদভিত্তিক। এই পর্ব বাংলা গদ্যকে সংস্কৃতীকরণ করেছে, যা পরবর্তীকালে চলিত ভাষার প্রসারে সাহায্য করেছে।

------------------------
• ফোর্ট উইলিয়াম কলেজ:
বাংলাদেশে কর্মরত ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির ইংরেজ কর্মচারীদের দেশীয় ভাষায় শিক্ষাদানের জন্য তৎকালীন ইংরেজশাসিত ভারতের গভর্নর জেনারেল লর্ড ওয়েলেসলি কর্তৃক ১৮০০ সালে কলকাতায় ফোর্ট উইলিয়াম কলেজ প্রতিষ্ঠিত হয়। ৪ঠা মে কলেজের প্রতিষ্ঠা-দিবস হলেও ২৪শে নভেম্বর থেকে কলেজের কাজ শুরু হয়েছিল। ওয়েলেসলি অনুভব করেছিলেন যে কোম্পানির দায়িত্বপূর্ণ কাজের ভার নিয়ে বিলাত থেকে যারা আসে, তারা অধিকাংশ চৌদ্দ থেকে আঠার বৎসরের নাবালক, স্বদেশে তাদের শিক্ষা সম্পূর্ণ হয় নি, এ দেশেও তার কোন ব্যবস্থা ছিল না। দেশীয় ভাষা শিক্ষা দিয়ে এই সিবিলিয়ানদের উপযুক্ত করে তোলার জন্যই ফোর্ট উইলিয়াম কলেজের প্রতিষ্ঠা। এই কলেজে ১৮০১ সালে বাংলা বিভাগ প্রবর্তিত হলে অধ্যক্ষ হিসেবে আসেন শ্রীরামপুর মিশনের পাদ্রি এবং বাইবেলের অনুবাদক বাংলায় অভিজ্ঞ উইলিয়াম কেরি। তিনি তাঁর অধীনস্ত দু জন পণ্ডিত এবং ছয় জন সহকারী পণ্ডিতের সহযোগিতায় বাংলা গদ্যে কলেজের পাঠোপযোগী পুস্তক রচনায় আত্মনিয়োগ করেন। তাঁদের প্রচেষ্টার ফলাফল দিয়েই বাংলা গদ্যের অনুশীলনে ফোর্ট উইলিয়াম কলেজের ভূমিকা নিরূপণ করা হয়।

ফোর্ট উইলিয়ামের পর্বে ১৮০১ থেকে ১৮১৫ সালের এই সময়ের মধ্যে ৮ জন লেখক ১৩ খানি বাংলা গদ্যপুস্তক লিখেছিলেন:
• কেরি রচিত: কথোপকথন (১৮০১); ইতিহাসমালা (১৮১২)।
• রামরাম বসু রচিত: রাজা প্রতাপাদিত্য চরিত্র (১৮০১), লিপিমালা (১৮০২)।
গোলোকনাথ শর্মা রচিত: হিতোপদেশ (১৮০২)।
• মৃত্যুঞ্জয় বিদ্যালঙ্কার রচিত: বত্রিশ সিংহাসন (১৮০২), হিতোপদেশ (১৮০৮), রাজাবলি (১৮০৮), প্রবোধচন্দ্রিকা (১৮৩৩)।
• তারিণীচরণ মিত্র রচিত: ওরিয়েন্টাল ফেবুলিস্ট (১৮০৩)।
• রাজীবলোচন মুখোপাধ্যায় রচিত: মহারাজ কৃষ্ণচন্দ্র রায়স্য চরিত্রং (১৮০৫)।
• চণ্ডীচরণ মুর্শী রচিত: তোতা ইতিহাস (১৮০৫)।
• হরপ্রসাদ রায় রচিত: পুরুষ পরীক্ষা (১৮১৫)।

উৎস: বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস, ড. মাহাবুবুল আলম এবং বাংলাপিডিয়া।

৬০.
হরপ্রসাদ শাস্ত্রীর ধারণা মতে চর্যার কোন কবি বাঙালি ছিলেন?
  1. লুইপা
  2. সরহপা 
  3. ভাদেপা 
  4. বীণাপা 
সঠিক উত্তর:
লুইপা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
লুইপা
ব্যাখ্যা

• লুইপা:
- 'চয্যাচর্যবিনিশ্চয়'-এর প্রথম কবি লুইপা। তিব্বতি ঐতিহ্যে প্রাপ্ত চুরাশি জন সিদ্ধাচার্যের নামের তালিকায় লুইয়ের নাম আদিতম। তিনি চর্যার ১ ও ২৯নং পদের রচয়িতা।
- অনেক পণ্ডিত লুইপাকে প্রথম চর্যাগীতি রচয়িতা বলে মনে করেন। তাঁর জীবৎকাল ৭৩০-৮১০ খ্রিষ্টাব্দের মধ্যে। সে সময় ছিল রাজা ধর্মপালের রাজত্বকাল। হিন্দিভাষীরা লুইপাকে মগধ বা বিহারের অধিবাসী বলে দাবি করেন। যোগতন্ত্রশাস্ত্রেও লুইপার উল্লেখ রয়েছে।

- তন্ত্রশাস্ত্রের লুইপার অন্য নাম মীননাথ বা মৎস্যেন্দ্রনাথ। মৎস্যের সঙ্গে নামের মিল থাকায় কোনো কোনো পণ্ডিত ১৮ চর্যাগীতি পাঠ লুইকে শবরপা-এর শিষ্য ও ধীবর সম্প্রদায়ের অন্তর্ভুক্ত বলে উল্লেখ করেন।

- এ লুইপা আদি সিদ্ধাচার্য (সকল সিদ্ধাচার্যের গুরু) বলে অনেকের ধারণা। লুইপাকে সংস্কৃত টীকাকার মুনি দত্ত আদি সিদ্ধাচার্য বলে উল্লেখ করেছেন। তবে, তারানাথের মতে, লুইপা চতুর্থ সিদ্ধাচার্য, আর সরহ হলেন আদি সিদ্ধাচার্য। তাঁর মতে, লুইপা ছিলেন উড্ডীয়ান-রাজ উদয়নের কর্মচারী। তিনি শবর পা-র শিষ্যত্ব গ্রহণ করেছিলেন।

- চর্যাগীতির লুইপা আর তন্ত্রশাস্ত্রের লুইপা অভিন্ন নয় বলেই মনে করা হয়। কেননা বলা হয়েছে, লুইপা ছিলেন গৌড় অঞ্চলের অধিবাসী। আর তন্ত্রশাস্ত্রের মীননাথ বা মৎস্যেন্দ্রনাথের বাড়ি দক্ষিণবঙ্গে। তিনি ছিলেন গোরক্ষনাথের গুরু। তাই ধারণা করা হয়, লুইপা ও মীননাথ অভিন্ন ব্যক্তি নয়।
- হরপ্রসাদ শাস্ত্রীর ধারণা লুইপা ছিলেন বাঙালি। রাহুল সাংস্কৃত্যায়নের মতে, লুইপা রাজা ধর্মপালের সচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। লুইপা বহু গ্রন্থ রচনা করেছেন।

- তিব্বতি অনুবাদের মাধ্যমে লুইয়ের বৌদ্ধ দর্শন বিষয়ক তিনটি গ্রন্থের নাম পাওয়া যায়। এগুলো হলো: 'শ্রীভগবদভিসময়', 'অভিসময়বিভঙ্গ' ও 'তত্ত্বস্বভাবদোহাকোষগীতিকাদৃষ্টিনাম'।

চর্যার ১নং পদ-
কাআ তরুবার পঞ্চ বি ডাল।
চঞ্চল চীএ পইঠো কাল।।

উৎস: চর্যাগীতি পাঠ, মাহাবুবুল হক।

৬১.
"শ্রীকৃষ্ণকীর্তন" কাব্য কোন ছন্দে রচিত?
  1. চৌপদী ছন্দে
  2. স্বরবৃত্ত ছন্দে
  3. মাত্রাবৃত্ত ছন্দে
  4. পয়ার ছন্দে 
সঠিক উত্তর:
পয়ার ছন্দে 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পয়ার ছন্দে 
ব্যাখ্যা

• "শ্রীকৃষ্ণকীর্তন" কাব্য:
- বাংলা সাহিত্যের মধ্যযুগের প্রথম কাব্য হিসেবে শ্রীকৃষ্ণকীর্তন স্বীকৃত। ১৯০৯ খ্রিষ্টাব্দে বসন্তরঞ্জন রায় বিদ্বদ্বল্লভ পশ্চিমবঙ্গের বাঁকুড়া জেলার কাকিল্যা গ্রামের শ্রী দেবেন্দ্রনাথ মুখোপাধ্যায়ের বাড়ির গোয়ালঘর থেকে শ্রীকৃষ্ণকীর্তনের পুথি আবিষ্কার করেন।

- ১৯১৬ খ্রিষ্টাব্দে বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষৎ থেকে বসন্তরঞ্জন রায়ের সম্পাদনায় পুথিটি 'শ্রীকৃষ্ণকীর্তন' নামে গ্রন্থাকারে প্রকাশিত হয়।

- পুথির প্রথম দুটি এবং শেষপৃষ্ঠা পাওয়া যায় নি বলে এর নাম ও কবির নাম স্পষ্ট করে জানা যায় নি। কবির ভণিতায় 'চণ্ডীদাস' এবং অধিকাংশ ক্ষেত্রে 'বড়ু চণ্ডীদাস' পাওয়া যাওয়ায় এই গ্রন্থের কবি হিসেবে বড়ু চণ্ডীদাসকে গ্রহণ করা হয়।

- শ্রীকৃষ্ণকীর্তন গীতি-আলেখ্য। রাধাকৃষ্ণের প্রণয়লীলা এর বিষয়বস্তু। এই গ্রন্থের প্রধান তিনটি চরিত্র হচ্ছে- কৃষ্ণ, রাধা, বড়ায়ি।
- কাব্যের চরিত্র-মধ্যে ঘাত-প্রতিঘাত আছে; বাক-বিতণ্ডতা, রাগ-দ্বেষ ইত্যাদি আছে। ফলে কাব্যটি গতিশীল ও নাট্যরসাশ্রিত হয়েছে।

- এতে গীতিরসেরও উপস্থিতি লক্ষণীয়। কাব্যটি শৃঙ্গাররসপ্রধান এবং কুমুর গানের লক্ষণাক্রান্ত। এটি পয়ার ও ত্রিপদী ছন্দে রচিত।

- শ্রীকৃষ্ণকীর্তন কাব্যে খণ্ডিতপদসহ মোট পদের সংখ্যা ৪১৮টি। পুঁথিতে সংস্কৃত শ্লোক আছে ১৬১টি। পুঁথির পাতার সংখ্যা ২২৬, অতএব পৃষ্ঠা সংখ্যা ৪৫২: এর মধ্যে মাঝের মোট ৪৫ পৃষ্ঠা পাওয়া যায় নি। ৪৫ পৃষ্ঠা বাদ গেলে পুঁথির প্রাপ্ত পৃষ্ঠার সংখ্যা ৪০৭।
পুঁথির লিপি তিন হাতের লেখা। ৪১৮টি পদের মধ্যে কবির ভণিতা আছে ৪০৯টি।

- শ্রীকৃষ্ণকীর্তন কাব্য মোট তের খণ্ডে বিভক্ত। শ্রীকৃষ্ণকীর্তন কাব্যর খণ্ডগুলো হলো-
 জন্মখণ্ড, তাম্বুলখণ্ড, দানখণ্ড, নৌকাখণ্ড, ভারখণ্ড, ছত্রখণ্ড, বৃন্দাবনখণ্ড, কালিয়দমনখণ্ড, যমুনাখণ্ড, হারখণ্ড, বাণখণ্ড, বংশীখণ্ড ও রাধাবিরহ।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা এবং বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস, ড. মাহাবুবুল আলম।

৬২.
'উৎফুল্ল' শব্দের 'উৎ' উপসর্গটি কোন্ অর্থ ধারণ করেছে?
  1. আতিশয্য
  2. ঊর্ধ্বমুখিতা
  3. অপকর্ষ
  4. ঈষৎ 
সঠিক উত্তর:
আতিশয্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আতিশয্য
ব্যাখ্যা

• 'উৎ' একটি তৎসম (সংস্কৃত) উপসর্গ।

'উৎ' উপসর্গটি অন্য যেসব অর্থে ব্যবহৃত হয়-
• 'ঊর্ধ্বমুখিতা" অর্থে- উদ্যম, উন্নতি, উৎক্ষিপ্ত, উদগ্রীব, উত্তোলন।
'আতিশয্য' অর্থে- উচ্ছেদ, উত্তপ্ত, উৎফুল্ল, উৎসুক, উৎপীড়ন।
• 'প্রস্তুতি' অর্থে- উৎপাদন, উচ্চারণ।
• 'অপকর্ষ' অর্থে- উৎকোচ, উচ্ছৃঙ্খল, উৎকট।

• সংস্কৃত বা তৎসম উপসর্গ:
বাংলা ভাষায় যেসকল সংস্কৃত উপসর্গ ব্যবহার করা হয় তাদের সংস্কৃত বা তৎসম উপসর্গ বলে। সংস্কৃত বা তৎসম উপসর্গ ২০ টি।
যথা:
প্র, পরা, অপ, সম, নি, অনু, অব, নির, দুর, বি, অধি, সু, উৎ, পরি, প্রতি, অতি, অভি, অপি, উপ, আ।

উৎস: ভাষা শিক্ষা- ড. হায়াৎ মামুদ এবং বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯-সংস্করণ)।

৬৩.
নিচের কোন শব্দটি প্রত্যয় যোগে গঠিত?
  1. পরিশেষ
  2. আমলা 
  3. মানানসই
  4. দুর্নাম 
সঠিক উত্তর:
মানানসই
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মানানসই
ব্যাখ্যা

• বিদেশি 'সই' প্রত্যয় যোগে গঠিত শব্দ- মানান + সই = মানানসই। 

------------------------
• বিদেশি তদ্ধিত প্রত্যয়:

১. ওয়ালা > আলা (হিন্দি): বাড়ি-বাড়িওয়ালা (মালিক অর্থে), দিল্লি-দিল্লিওয়ালা (অধিবাসী অর্থে), মাছ-মাছওয়ালা (বৃত্তি অর্থে), দুধ-দুধওয়ালা (বৃত্তি অর্থে)।
২. ওয়ান-আন (হিন্দি): গাড়ি-গাড়োয়ান, দার-দারোয়ান।
৩. আনা-আনি (হিন্দি): মুনশি-মুনশিয়ানা, বিবি-বিবিআনা, হিন্দু-হিন্দুয়ানি।
৪. সা (হিন্দি): পানি-পানসা> পানসে, এক-একসা, কাল (কাল)-কালসা>কালসে।
৫. গর> কর (ফারসি): কারিগর, বাজিকর, সওদাগর।
৬. দার (ফারসি): তাঁবেদার, খবরদার, বুটিদার, দেনাদার, চৌকিদার, পাহারাদার।
৭. বাজ (দক্ষ অর্থে-ফারসি): কলমবাজ, ধড়িবাজ, ধোঁকাবাজ, গলাবাজ-ই-গলাবাজি (বিশেষ্য)।
৮. বন্দি (কদ্-ফারসি): জবানবন্দি, সারিবন্দি, নজরবন্দি, কোমরবন্দ।
৯. সই (মতো অর্থে): জুতসই, মানানসই, চলনসই, টেকসই।
১০. পনা (মতো অর্থে): গিন্নীপনা, বেহায়াপনা।

অন্যদিকে, 
'পরি' তৎসম উপসর্গ যোগে গঠিত শব্দ- পরিশেষ।  
'দুর' তৎসম উপসর্গ যোগে গঠিত শব্দ- দুর্নাম। 

উৎস: ভাষা শিক্ষা- ড. হায়াৎ মামুদ এবং বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯-সংস্করণ)।

৬৪.
'অনেক ছাত্রছাত্রীরা ভালো পড়াশোনা করেও পরীক্ষায় ভালো ফল করে না।'- এখানে কোন ধরনের অশুদ্ধি ঘটেছে?
  1. বানানের অশুদ্ধি 
  2. বাচ্যজনিত অশুদ্ধি 
  3. গুরুচণ্ডালী দোষ 
  4. বহুবচনের অশুদ্ধি 
সঠিক উত্তর:
বহুবচনের অশুদ্ধি 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বহুবচনের অশুদ্ধি 
ব্যাখ্যা

• 'অনেক ছাত্রছাত্রীরা ভালো পড়াশোনা করেও পরীক্ষায় ভালো ফল করে না।' বাক্যটিতে বহুবচনের অশুদ্ধি ঘটেছে। 
• বাক্যটির শুদ্ধরূপ- অনেক ছাত্রছাত্রী ভালো পড়াশোনা করেও পরীক্ষায় ভালো ফল করে না।

-----------------------------
• বহুবচনের অপপ্রয়োগজনিত অশুদ্ধি:
বহু বোঝাতে আমরা বহুবচন ব্যবহার করি। বিশেষ্য পদের সঙ্গে গুলি/গুলো/রা, এরা ইত্যাদি যুক্ত করে বহুবচন তৈরি করা হয়। মনে রাখতে হবে যে বহুবচনের পরে দ্বিত্ব প্রয়োগ হয় না, অর্থাৎ কোনো শব্দকে এক বার বহুবচনে রূপান্তরিত করলে পুনরায় তার বহুত্ব অপ্রয়োজনীয়। তাই অগণিত, অনেক, বহু, যাবতীয়, সব ইত্যাদি যত বহুত্ববাচক শব্দ আছে, তাদের পরে সংশ্লিষ্ট বিশেষ্য পদের সঙ্গে গুলি/গুলো/রা  ইত্যাদি যুক্ত হবে না।

যেমন:
অশুদ্ধ: ক্লাসে অনেক ছাত্রছাত্রীরা এসেছিল।
শুদ্ধ: ক্লাসে অনেক ছাত্রছাত্রী এসেছিল।

অশুদ্ধ: সকল ছাত্রগণ পাঠে মনোযোগী নয়।
শুদ্ধ: সকল ছাত্র পাঠে মনোযোগী নয়।

অশুদ্ধ: অন্যান্য বিষয়গুলোর আলোচনা পরে হবে।
শুদ্ধ: অন্য বিষয়গুলোর আলোচনা পরে হবে।

উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।

৬৫.
'ঝিনুক' কোন ভাষার শব্দ? 
  1. বাংলা 
  2. অর্ধ-তৎসম 
  3. দেশি 
  4. হিন্দি 
সঠিক উত্তর:
দেশি 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দেশি 
ব্যাখ্যা

• 'ঝিনুক' দেশি ভাষার শব্দ। 

 
• কিছু দেশি শব্দ:
ঢোল, ডিঙি, টোপর, বাখারি, কয়লা, কামড়, চাউল, ঝোল, ডাহা, ঢিল, পয়লা, ডাঁসা, ডাব, ডাঙর, ঢিল, মাঠ, চাটাই, ঝিনুক, শিকড়, কচি, খড়, পেট।

উৎস: বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান।

৬৬.
কোন শব্দটি বিসর্গসন্ধির মাধ্যমে গঠিত?
  1. বিচ্ছেদ
  2. শিরশ্ছেদ
  3. পরিচ্ছেদ
  4.  পরিচ্ছন্ন
সঠিক উত্তর:
শিরশ্ছেদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শিরশ্ছেদ
ব্যাখ্যা

• বিসর্গ সন্ধি:
পূর্বপদের শেষে বিসর্গ ( ঃ) থাকলে এবং পরপদের প্রথমে চ্ বা ছ থাকলে বিসর্গ পরিবর্তিত হয়ে শ্, ট্ বা ঠ থাকলে ; ত থাকলে স্ হয় এবং পরবর্তী ব্যঞ্জনে তা যুক্ত হয়।
যেমন:
নিঃ + চয় = নিশ্চয়,
দুঃ + চিন্তা = দুশ্চিন্তা,
নিঃ + ছিদ্র = নিশ্ছিদ্র,
শিরঃ + ছেদ = শিরশ্ছেদ।

অন্যদিকে, 
-----------------
• স্বরে + ব্যঞ্জনে = ব্যঞ্জনসন্ধি:
পূর্বপদের শেষে যদি স্বরধ্বনি থাকে এবং পরপদের প্রথম ধ্বনি ছ হয় তবে দুয়ের সন্ধিতে ছ-ধ্বনি চ্ছ হয়ে যায়। স্বরধ্বনি চ্ছ-এর সঙ্গে যুক্ত হয়।
যেমন:
- পরি + ছেদ = পরিচ্ছেদ, 
- বি + ছেদ = বিচ্ছেদ।
- পরি + ছন্ন = পরিচ্ছন্ন। 

উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ এবং বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯-সংস্করণ)।

৬৭.
ভাষার ক্ষুদ্রতম অর্থযুক্ত একককে বলা হয়- 
  1. রূপমূল
  2. অক্ষর 
  3. ধ্বনিমূল
  4. বাক্য
সঠিক উত্তর:
রূপমূল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রূপমূল
ব্যাখ্যা

• শব্দ ও রূপমূল:
শব্দকে আরও ক্ষুদ্রতর অংশে বিভক্ত করলে এমন উপাদান পাওয়া যায় যা অর্থ প্রকাশে অংশগ্রহণ করে। ভাষার এই ক্ষুদ্রতম অর্থযুক্ত একককে বলা হয় রূপমূল। অর্থাৎ, রূপমূল হলো ভাষার ক্ষুদ্রতম উপাদান যাদের সুস্পষ্ট অর্থ থাকবে বা অন্ততপক্ষে অর্থের কোনো যৌক্তিক ইঙ্গিত থাকবে।
আমরা জানি, ভাষার সবচেয়ে ক্ষুদ্রতম উপাদান হলো ধ্বনিমূল, তবে ধ্বনিমূলের মধ্যে কোনো অর্থ বহন করার ক্ষমতা নেই। অন্যদিকে, রূপমূল সর্বদা কোনো না কোনোভাবে অর্থসংশ্লিষ্ট থাকে।

উদাহরণ:
শব্দ: অবোধ।
রূপমূল বিশ্লেষণ: অ + বোধ,
[এখানে, 'অ' উপসর্গ হিসেবে ব্যবহৃত, স্বাধীনভাবে অর্থ প্রকাশ করতে না পারলেও অভাব বোঝায়। 'বোধ' স্বাধীনভাবে অর্থ প্রকাশ করতে পারে।]

রূপমূলের শ্রেণীবিন্যাস:
• মুক্ত রূপমূল (Free Morpheme): স্বাধীনভাবে অর্থ প্রকাশ করতে পারে। উদাহরণ: বোধ, গান, মাটি।
• বদ্ধ রূপমূল (Bound Morpheme): স্বাধীনভাবে অর্থ প্রকাশ করতে পারে না, অন্য রূপমূলের সঙ্গে যুক্ত হয়ে অর্থ বোঝায়। উদাহরণ: 'অ' (অবোধে), 'উৎ' (উৎক্ষেপণে)।

উৎস: উচ্চমাধ্যমিক বাংলা ২য় পত্র, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 

৬৮.
'কর্মপদ্ধতি' শব্দের শুদ্ধ ব্যাসবাক্য কোনটি?
  1. কর্ম করার পদ্ধতি
  2. কর্মের সাথে যুক্ত পদ্ধতি
  3. কর্ম সাধনের পদ্ধতি
  4. কর্মের পদ্ধতি
সঠিক উত্তর:
কর্মের পদ্ধতি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কর্মের পদ্ধতি
ব্যাখ্যা

• তৎপুরুষ সমাস:
পূর্বপদের বিভক্তির লোপে যে সমাস হয় এবং যে সমাসে পরপদের অর্থ প্রধানভাবে বোঝায় তাকে তৎপুরুষ সমাস বলে।
যেমন:
- ছাত্রের সমাজ = ছাত্রসমাজ।
- দিবায় নিদ্রা = দিবানিদ্রা।

• ষষ্ঠী তৎপুরুষ সমাস:
পূর্বপদে যষ্ঠী বিভক্তির (র, এর) লোপ হয়ে যে সমাস হয়, তাকে ষষ্ঠী তৎপুরুষ সমাস বলে।
যথা:
- চায়ের বাগান = চাবাগান,
- কর্মের পদ্ধতি = কর্মপদ্ধতি, 
- রাজার পুত্র = রাজপুত্র,
-খেয়ার ঘাট = খেয়াঘাট।
- স্ব-এর অধীন = স্বাধীন।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯-সংস্করণ) এবং ভাষা-শিক্ষা, ড হায়াৎ মামুদ।

৬৯.
নিচের কোনটি স্ত্রী-প্রত্যয়?
  1. আইত
  2. ইকা
  3. উক
  4. ওয়ালা
সঠিক উত্তর:
ইকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইকা
ব্যাখ্যা

• স্ত্রী-প্রত্যয় বা লিঙ্গ-প্রত্যয়:
বাংলা ভাষায় স্ত্রীবাচক শব্দ বোঝানোর জন্যে পুরুষবাচক শব্দের শেষে এক ধরনের প্রতায় যুক্ত করে তার স্ত্রীলিঙ্গ-রূপ গাঁয় হয়। এগুলোকে বলে স্ত্রী-প্রত্যয়। যেমন মাতামহ মাতামহী। এখানে 'ই' মন্ত্রী-প্রত্যয়। এই প্রত্যয় যদিও শ্রেণির শব্দ-প্রত্যয়ের শ্রেণিতে পড়লেও এদের তদ্ধিত প্রত্যয় না বলে মন্ত্রী-প্রত্যয় বলাই উত্তম। যেমন।
যেমন:
• আ: অনাথ > অনাথা, নবীন > নবীনা ইত্যাদি। 
• আনি : ঠাকুর > ঠাকুরানি, মেথর > মেথরানি, নাপিত > নাপিতানি, চাকর > চাকরানি ইত্যাদি। 
• ই/ঈ: কুমার কুমারী, বেঙ্গমা> বেঙ্গমি ইত্যাদি।
• নি: কামার > কামারনি, জেলে> > জেলেনি, কুমার > কুমারনি, ধোপা  > ধোপানি, মজুর  > মজুরনি ইত্যাদি।
• ইনি: কাঙাল > কাঙালিনি, গোয়ালা > গোয়ালিনি, বাঘ > বাঘিনি ইত্যাদি। 
• অক > ইকা: অধ্যাপক > অধ্যাপিকা, পরিচালক > পরিচালিকা, পাঠক > পাঠিকা ইত্যাদি।
• বান্ >বর্তী: গুণবান্ > গুণবতী, ধনবান্ > ধনবতী, ভাগ্যবান্ > ভাগ্যবতী ইত্যাদি।
• মান্ > মতী: বুদ্ধিমান্ > বুদ্ধিমতী, শক্তিমান > শক্তিমতী, শ্রীমান্ > শ্রীমতী ইত্যাদি।
• উন: ঠাকুর > ঠাকরুন। 
• আইন: ঠাকুর > ঠাকুরাইন।

অন্যদিকে, 
• আইত/-আত:যার আছে বা যে করে অর্থে বিশেষ্য শব্দ গঠন করে।
যেমন:
 - ডাকু + আইত = ডাকাইত ডাকাত,
- বাজ + আইত =  বাজাইত (বায়েন অর্থে) ইত্যাদি।

• উক: স্বভাব-বৈশিষ্ট্য নির্দেশক বিশেষণ শব্দ গঠন করে।
যেমন:
কর্তৃবাচ্যে:
- কম্ + উক = কামুক (কম্ কাম্ (বৃদ্ধি),
- ভূ + উক =  ভাবুক, 
- জাগৃ + উক = জাগরূক।

• আলা/-ওয়ালা:
পেশা বা বৃত্তি বা কাজ অর্থে বিশেষ্য শব্দ গঠন করে। অধিকারী বা মালিক অর্থে বিশেষ্য বা বিশেষণ শব্দ গঠন করে।
যেমন:
- গো + আলা = গোয়ালা,
- ফেরি + ওয়ালা = ফেরিওয়ালা,
বাড়ি + ওয়ালা = বাড়িওয়ালা বাড়িআলা।
এরূপ-গাড়িওয়ালা, চশমাওয়ালা ইত্যাদি।

ওয়ালা প্রত্যয়ের স্ত্রীবাচক রূপ আলি/উলি/ওয়ালি হয়। যেমন: বাড়িওয়ালি। বাড়িউলি, শাড়িওয়ালি, চশমাওয়ালি ইত্যাদি।

৭০.
'Pamphlet' এর বাংলা পারিভাষিক শব্দ কোনটি?
  1. শব্দার্থপঞ্জি
  2. জ্ঞাপনপত্র
  3. পুস্তিকা
  4. প্রচারপত্র
সঠিক উত্তর:
পুস্তিকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পুস্তিকা
ব্যাখ্যা

• 'Pamphlet' এর বাংলা পারিভাষিক শব্দ - পুস্তিকা।

অন্যদিক, 
• 'Glossary' এর বাংলা পারিভাষিক শব্দ- টীকাপুঞ্জ; শব্দার্থপঞ্জি। 
• 'Hand out' এর বাংলা পারিভাষিক শব্দ- জ্ঞাপনপত্র।
• 'Hand-bill' এর বাংলা পারিভাষিক শব্দ- ইশতেহার বা প্রচারপত্র।

উৎস: বাংলা একাডেমি, প্রশাসনিক পরিভাষা এবং অভিগম্য অভিধান।

৭১.
বাংলা একাডেমি অভিধান অনুসারে অনুস্বার ( ং) এর অবস্থান কোথায়?
  1. স্বরবর্ণের পূর্বে
  2. ব্যঞ্জনবর্ণের পরে 
  3. স্বরবর্ণের মাঝে 
  4. ব্যঞ্জনবর্ণের পূর্বে 
সঠিক উত্তর:
ব্যঞ্জনবর্ণের পূর্বে 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্যঞ্জনবর্ণের পূর্বে 
ব্যাখ্যা

• বাংলা একাডেমি বর্ণানুক্রম:
এই অভিধানে অনুসৃত বর্ণানুক্রমে ড়-কে ড-এর পরে, ঢ়-কে ঢ-এর পরে বিন্যস্ত করা হয়েছে। ব্যাকরণে হসযুক্ত ব্যঞ্জনকে তার অব্যবহিত পরবর্তী ব্যঞ্জনের সঙ্গে যুক্তব্যঞ্জনরূপে বিবেচনা করা হয়। এই যুক্তিতে ৎ-র (= ত্) স্থান নির্ধারণ করা হয়েছে স্বরযুক্ত ত-এর পরে এবং ত এর সঙ্গে যুক্ত ব্যঞ্জনের অব্যবহিত পূর্বে। হসযুক্ত অন্যান্য ব্যঞ্জনের ক্ষেত্রেও একই নীতি অনুসৃত হয়েছে। য়-কে য-এর পরে বিন্যস্ত করা হয়েছে। প্রচলন মেনে অনুস্বার ( ং ), বিসর্গ (ঃ) এবং চন্দ্রবিন্দুকে (ঁ) স্বরবর্ণের পরে এবং ব্যঞ্জনবর্ণের পূর্বে বিন্যাস করা হয়েছে।

বাংলা একাডেমি অভিধানে বর্ণগুলোকে নিম্নোক্ত ক্রমে সাজানো থাকে-

উৎস: বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান।

৭২.
'শ্মশান' শব্দে  ম-এর উচ্চারণ হয়েছে- 
  1. ম-এর মতো 
  2. অঁ- এর মতো 
  3. অ্যাঁ- এর মতো 
  4. ও- এর মতো  
সঠিক উত্তর:
অঁ- এর মতো 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অঁ- এর মতো 
ব্যাখ্যা

• 'ম' বর্ণের উচ্চারণ:
- 'ম' বর্ণের সাধারণ উচ্চারণ [ম]।
- শব্দের প্রথম বর্ণে ম-ফলা থাকলে সেই বর্ণ উচ্চারণের সময়ে ম-এর উচ্চারণ [অঁ]-এর মতো হয়। যেমন- শ্মশান [শঁশান], স্মরণ [শঁরোন]।
- শব্দের মধ্যে ম-ফলা থাকলে সেই বর্ণ উচ্চারণে দ্বিত্ব হয় এবং সামান্য অনুনাসিক হয়। যেমন- আত্মীয় [আত্‌তিঁয়ো], পদ্ম [পদ্‌দোঁ]।
- কিছু ক্ষেত্রে ম-ফলায় ম্-এর উচ্চারণ বজায় থাকে। যেমন-  যুগ্ম [জুগ্‌মো], জন্ম [জন্‌মো], গুল্ম [গুল্‌মো]।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০২২ সংস্করণ)।

৭৩.
'টুপ ভুজঙ্গ' বাগ্‌ধারার 'ভুজঙ্গ' শব্দের অর্থ কী?
  1. সাপ
  2. ভ্রমর 
  3. কোকিল 
  4. মশা 
সঠিক উত্তর:
সাপ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সাপ
ব্যাখ্যা

• ভুজঙ্গ (বিশেষ্য পদ),
- এটি একটি সংস্কৃত শব্দ।
অর্থ:
- সাপ, সর্প। 

 স্ত্রীবাচক শব্দ- ভুজঙ্গী।

উল্লেখ্য, 
• 'টুপ ভুজঙ্গ' বাগধারার অর্থ- (নেশাগ্রস্ত)
• বাক্য-বেটা টুপ ভুজঙ্গ, এ পাড়ায় মাতলামি করতে এসো না।

উৎস: বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান। 

৭৪.
'আলালের ঘরের দুলাল' উপন্যাসটি কত সালে গ্রন্থাকারে প্রকাশ পায়?
  1. ১৮৫৪ সালে 
  2. ১৮৫৮ সালে 
  3. ১৮৭৫ সালে 
  4. ১৮৭৮ সালে 
সঠিক উত্তর:
১৮৫৮ সালে 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৮৫৮ সালে 
ব্যাখ্যা

• "আলালের ঘরের দুলাল" উপন্যাস:
- প্যারীচাঁদ মিত্রের প্রথম গ্রন্থ 'আলালের ঘরের দুলাল'। আলালের ঘরের দুলাল বাংলা ভাষায় রচিত প্রথম উপন্যাস। আলালের ঘরের দুলাল উপন্যাসটি ১৮৫৮ সালে গ্রন্থাকারে প্রকাশ পায়। এর আগে ১৮৫৪ সাল থেকে 'মাসিক পত্রিকা'তে ধারাবাহিকভাবে এটি প্রকাশিত হতে থাকে।

- কলকাতার সমকালীন সমাজ এর প্রধান বিষয়বস্তৃত। উচ্চবিত্ত ঘরের আদুরে সন্তান মতিলালের উচ্ছৃঙ্খল জীবনাচার এতে বর্ণিত হয়েছে। 'ঠকচাচা' এর অন্য একটি প্রধান চরিত্র।

- কথ্যভঙ্গির গদ্য ব্যবহার করে লেখক উপন্যাসকে বাস্তবধর্মী করে তুলেছেন। এর মধ্য দিয়ে বাংলা ভাষার নতুন সম্ভাবনাও আবিষ্কৃত হয়েছে। প্যারীচাঁদ প্রথমবারের মতো এতে যে কথ্য চলিত ভাষা ব্যবহার করেছেন, পরবর্তীকালে তা 'আলালী ভাষা' নামে পরিচিতি লাভকরে।

- কাহিনি ও চরিত্রের যথাযথ পরিস্ফুটনের উদ্দেশ্যে লেখক এতে প্রচুর তদ্ভব, চলিত এবং বিদেশি শব্দও ব্যবহার করেছেন। উপন্যাসটি প্রথমে তাঁর প্রতিষ্ঠিত মাসিক পত্রিকায় (১৮৫৪) ধারাবাহিকভাবে প্রকাশিত হয়। পরবর্তীকালে হীরালাল মিত্রকৃত এর নাট্যরূপ বেঙ্গল থিয়েটারে মঞ্চস্থ হয় (জানুয়ারি ১৮৭৫)। গ্রন্থটি ইংরেজি ভাষায়ও অনূদিত হয়েছে।

- উপন্যাসটিতে দেশীয় বন্ধ্যা শিক্ষা ব্যবস্থা, পাশ্চাত্য সভ্যতার অন্ধ অনুকরণ, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক বিশৃঙ্খলা নিয়ে লেখক তাঁর অভিমত প্রকাশ করেছেন।

- ধনী বাবুরামের পুত্র মতিলাল কুসঙ্গে পড়ে এবং শিক্ষার ব্যাপারে পিতার অবহেলা তাকে অধঃপতনে নিয়ে যায়। পিতার মৃত্যুর পর মতিলাল তার বাবার প্রাপ্ত সব সম্পত্তি নষ্ট করে ফেলে।

উপন্যাসটিতে সর্বাপেক্ষা উল্লেখযোগ্য চরিত্র হলো মোকাজান মিয়া বা ঠকচাচা। এছাড়াও অন্যান্য চরিত্রে রয়েছে-
- বাবুরাম,
- বাবুরামের পুত্র মতিলাল,
- ধূর্ত উকিল বটলর,
- অর্থলোভী বাঞ্ছারাম,
- তোষামোদকারী বক্রেশ্বর ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা; বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস, ড. মাহাবুবুল আলম এবং বাংলাপিডিয়া।

৭৫.
কামিনী রায় রচিত কোন গ্রন্থের ভূমিকা হেমচন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায় লেখে দেন?
  1.  মাল্য ও নির্মাল্য
  2. পৌরাণিকী
  3. আলো ও ছায়া
  4. অশোকসঙ্গীত
সঠিক উত্তর:
আলো ও ছায়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আলো ও ছায়া
ব্যাখ্যা

• কামিনী রায়:
- কামিনী রায় ছিলেন কবি ও সমাজকর্মী। ১৮৬৪ সালের ১২ অক্টোবর -বাকেরগঞ্জের বাসন্ডা গ্রামে তাঁর জন্ম।
- একসময় তিনি 'জনৈক বঙ্গমহিলা' ছদ্মনামে লিখতেন। তাঁর কবিতা সহজ, সরল, মানবিক ও উপদেশমূলক। তাঁর কবিতায় জীবনের মহৎ আদর্শের প্রতি গভীর অনুরাগের পরিচয় আছে।
-সাহিত্যসাধনার স্বীকৃতি হিসেবে তিনি কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের (১৯২৯) 'জগত্তারিণী পদকে' সম্মানিত হন।
-তিনি 'নারী শ্রম তদন্ত কমিশন' (১৯২২-২৩) এর সদস্য ছিলেন।
- তিনি ২৭ সেপ্টেম্বর, ১৯৩৩ সালে হাজারীবাগ, বিহারে মৃত্যুবরণ করেন।
-'আলো ও ছায়া' (১৮৮৯): এটি তাঁর ১৫ বছর বয়সে রচিত প্রথম কাব্যগ্রন্থ। এ গ্রন্থের ভূমিকা লেখেন হেমচন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়।
- ১৯৩৩ খ্রিষ্টাব্দে তিনি কলকাতায় মৃত্যুবরণ করেন।

তাঁর অন্যান্য কাব্যগ্রন্থ হলো:
- নির্মাল্য, 
- পৌরাণিকী,
- গুঞ্জন (শিশুকাব্য),
- ধৰ্ম্মপুত্র (অনুবাদ),
- মাল্য ও নির্মাল্য,
- অশোকসঙ্গীত (সনেট),
- অম্বা (নাটক)।

উৎস: বাংলাপিডিয়া; 'আলো ও ছায়া' কাব্যগ্রন্থ এবং চারুপাঠ ষষ্ঠ শ্রেণি (২০১৯-সংস্করণ)।

৭৬.
জসীম উদ্‌দীনের 'কবর' কবিতাটি প্রথম কোন পত্রিকায় প্রকাশিত হয়?
  1. মাসিক মোহাম্মদী
  2. বঙ্গদর্শন
  3. সংবাদ প্রভাকর
  4. কল্লোল
সঠিক উত্তর:
কল্লোল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কল্লোল
ব্যাখ্যা

• 'কবর' কবিতা:
- 'কবর' কবিতাটি কবি জসীম উদ্‌দীনের প্রথম কাব্যগ্রন্থ 'রাখালী' (১৯২৭) এর অন্তর্ভুক্ত।
- কবর কবিতাটি প্রথম প্রকাশিত হয় 'কল্লোল' পত্রিকায়। এটি মাত্রাবৃত্ত ছন্দে রচিত যাতে ১১৮টি পড়ক্তি আছে।
- কাহিনিধর্মী এই কবিতাটিতে সহজ সরল ভাষায় এক গ্রামীণ বৃদ্ধের জীবনের প্রিয়জন হারানোর বেদনার স্মৃতি বর্ণিত হয়েছে। জীবনের শেষ প্রান্তে বৃদ্ধ যে তাঁর আপনজনদের হারিয়ে ক্ষতবিক্ষত হৃদয়ে মৃত্যুর জন্য অপেক্ষা করছেন, তারই বর্ণনা কবি গভীর সহানুভূতি দিয়ে ফুটিয়ে তুলেছেন।

'কবর' কবিতাটি সংক্ষেপে দেয়া হলো-
কবর
-জসীম উদ্‌দীন
এইখানে তোর দাদির কবর ডালিম-গাছের তলে,
তিরিশ বছর ভিজায়ে রেখেছি দুই নয়নের জলে। এ
তটুকু তারে ঘরে এনেছিনু সোনার মতন মুখ,
পুতুলের বিয়ে ভেঙে গেল বলে কেঁদে ভাসাইত বুক।

--------------------
• 'রাখালী' কাব্যগ্রন্থ:
- জসীম উদ্‌দীন রচিত প্রথম প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থ। এটি প্রথম প্রকাশিত হয় ১৯২৭ সালে।
- বইটিতে মোট ১৯টি কবিতা আছে। এই কাব্যের প্রথম কবিতা হচ্ছে 'রাখালী'।
- তাঁর বিখ্যাত 'কবর' কবিতাটি এই কাব্যগ্রন্থের অন্তর্গত।

-----------------
• জসীম উদ্‌দীন রচিত রচিত কাব্যগ্রন্থসমূহ:
- রাখালী,
- নক্সীকাঁথার মাঠ,
- সুচয়নী,
- সোজন বাদিয়ার ঘাট,
- এক পয়সার বাঁশি,
- বালুচর,
- ধানক্ষেত,
- রূপবতী,
- মা যে জননী কান্দে,
- মাটির কান্না।

• তাঁর রচিত নাটক:
পদ্মাপার, বেদের মেয়ে, পল্লীবধূ ইত্যাদি।

• তার রচিত আত্মকথা:
যাদের দেখেছি, ঠাকুর বাড়ির আঙ্গিনায়, জীবন কথা ইত্যাদি।

• তাঁর ভ্রমণ কাহিনি:
চলে মুসাফির, হলদে পরির দেশে, যে দেশে মানুষ বড় ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা; বাংলাপিডিয়া এবং দ্বাদশ শ্রেণি সাহিত্য পাঠ, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৭৭.
রচনাশৈলী অনুসারে কোন গ্রন্থটি ভিন্ন?
  1. করুণা 
  2. শেষলেখা
  3. যোগাযোগ
  4. রাজর্ষি
সঠিক উত্তর:
শেষলেখা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শেষলেখা
ব্যাখ্যা

• রচনাশৈলী অনুসারে 'শেষলেখা' কাব্যগ্রন্থটি  ভিন্ন। 

• 'শেষলেখা' কাব্যগ্রন্থ:
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর রচিত সর্বশেষ কাব্যগ্রন্থের নাম 'শেষলেখা'।
- 'শেষলেখা' (১৯৪১) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের মৃত্যুর পর প্রকাশিত শেষ কাব্যগ্রন্থ।
- এই গ্রন্থের নামকরণ রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর করে যেতে পারেন নি। এই কাব্যগ্রন্থের অধিকাংশ কবিতায় জীবনের শেষ কয়েক দিনের রচনা।
- এই কাব্যগ্রন্থে রবীন্দ্রনাথের ভাববাদী দর্শনের মধ্যেও চরমভাবে ইহজগৎ প্রীতি প্রকাশিত।
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের প্রকাশিত মোট কাব্যগ্রন্থের সংখ্যা ৫৬টি।

'শেষলেখা' কাব্যগ্রন্থে তিনি লিখেছেন-
"রূপ-নারানের কূলে,
জেগে উঠিলাম;
জানিলাম এ জগৎ
স্বপ্ন নয়।"

অন্যদিকে,
-------------------
• 'করুণা' উপন্যাস:
'করুণা' রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের লেখা প্রথম উপন্যাস, কিন্তু গ্রন্থাকারে প্রকাশিত প্রথম উপন্যাস নয়।
মাসিক 'ভারতী' পত্রিকায় এক বছর ধরে (আশ্বিন-ভাদ্র ১২৮৪-৮৫) 'করণা' উপন্যাসটি ছাপা হয়।
তবে 'করুণা' উপন্যাসটি রবীন্দ্রনাথের জীবৎকালে গ্রন্থাকারে প্রকাশিত হয় নি। রবীন্দ্রনাথের মৃত্যুবরণের (১৯৪১) পর পশ্চিমবঙ্গ সরকার কর্তৃক প্রকাশিত 'রবীন্দ্র রচনাবলি'তে (১৯৬১) 'করুণা' প্রথম গ্রন্থাকারে প্রকাশিত হয়।

সাতাশ পরিচ্ছেদ বিশিষ্ট এই উপন্যাসের উল্লেখযোগ্য চরিত্র:
- মহেন্দ্র,
- মোহিনী,
- রজনী।

• 'যোগাযোগ' উপন্যাস:
'যোগাযোগ' রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর রচিত একটি সামাজিক উপন্যাস। এটি ১৯২৯ সালে (আষাঢ়, ১৩৩৬ বঙ্গাব্দ) প্রকাশিত হয়। এটি প্রথমে ১৩৩৪ বঙ্গাব্দের আশ্বিন মাস থেকে ১৩৩৫ বঙ্গাব্দের চৈত্র মাস পর্যন্ত বিচিত্রা মাসিকপত্রে ধারাবাহিকভাবে প্রকাশিত হয়। প্রথম দুই সংখ্যায় এই উপন্যাসের শিরোনাম ছিল তিনপুরুষ। ১৩৩৪ বঙ্গাব্দের অগ্রহায়ণ সংখ্যায় রবীন্দ্রনাথ এই উপন্যাসের শিরোনাম পরিবর্তন করে নতুন শিরোনাম দেন যোগাযোগ।

• 'রাজর্ষি' উপন্যাস:
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের 'রাজর্ষি' একটি ঐতিহাসিক উপন্যাস।
- উপন্যাসটি ত্রিপুরার রাজপরিবারের ইতিহাস নিয়ে রচিত।
- ১৮৯১ সালে এই উপন্যাসের প্রথমাংশ অবলম্বনে "বিসর্জন" নাটকটি রচিত হয়।
-রাজর্ষি উপন্যাসটি ১৮৮৭ খ্রিস্টাব্দে (১২৯৩ বঙ্গাব্দ) বালক পত্রিকায় প্রথম প্রকাশিত হয়।
'রাজর্ষি' উপন্যাসের উল্লেখযোগ্য চরিত্র: গোবিন্দমাণিক্য, পুরোহিত রঘুপতি, হাসি ও তাতা, জয়সিংহ, নক্ষত্ররায়।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা; বাংলাপিডিয়া; বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস, মাহবুবুল আলম।

৭৮.
'ঈশ্বরী পাটনী' চরিত্রটি কোন মঙ্গলকাব্যের অন্তর্ভুক্ত?
  1. চণ্ডীমঙ্গল 
  2. ধর্মমঙ্গল 
  3. অন্নদামঙ্গল 
  4. মনসামঙ্গল
সঠিক উত্তর:
অন্নদামঙ্গল 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অন্নদামঙ্গল 
ব্যাখ্যা

• 'ঈশ্বরী পাটনী' অন্নদামঙ্গল কাব্যের অন্তর্ভুক্ত চরিত্র। 

• 'অন্নদামঙ্গল' কাব্য সম্পর্কিত কিছু তথ্য:

- নবদ্বীপের রাজা কৃষ্ণচন্দ্ররে আদেশে ভারতচন্দ্র রায়গুণাকর 'অন্নদামঙ্গল' কাব্যটি রচনা করেন।
- ভারতচন্দ্র রায়গুণাকর বেশ কিছু গ্রন্থ রচনা করলেও তাঁর শ্রেষ্টসৃষ্টি 'অন্নদামঙ্গল' (১৭৫২-৫৩ সালে) রচনা করেন।
- 'অন্নদামঙ্গল' কাব্যের বৈশিষ্ট্য হলো ছন্দ ও অলঙ্কারের সুদক্ষ প্রয়োগ।
- সমালোচক অধ্যাপক অসিতকুমার বন্দ্যোপাধ্যায়ের মতে: 'অন্নদামঙ্গলকাব্য অষ্টদশ শতাব্দীর সর্বশ্রেষ্ঠ কাব্য, সমগ্র বাংলা সাহিত্যের উল্লেখযোগ্য গ্রন্থের অন্যতম।

অন্নদামঙ্গল কাব্য ৩টি খণ্ডে বিভক্ত।
যথা: শিবনারায়ণ, কালিকামঙ্গল এবং মানসিংহ-ভবানন্দ খণ্ড।

এই কাব্যের প্রধান চরিত্র:
- মানসিংহ,
- ভবানন্দ,
- বিদ্যাসুন্দর,
- মালিনী,
- ঈশ্বরী পাটনী ইত্যাদি।

অন্নদামঙ্গল কাব্যের কিছু বিখ্যাত পঙ্ক্তি হলো:
- আমার সন্তান যেন থাকে দুধে ভাতে।
- মন্ত্রের সাধন কিংবা শরীর পাতন।
- হাভাতে যদ্যপি চায় সাগর শুকায়ে যায়।
- নগর পুড়িলে দেবালয় কি এড়ায়?
- না রবে প্রাসাদগুণ না হবে রসাল, অতএব কহি ভাষা যাবনী মিশাল।
- বড়র পিরীতি বালির বাঁধ! ক্ষণে হাতে দড়ি, ক্ষনেকে চাঁদ।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা; বাংলাপিডিয়া; বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস, মাহবুবুল আলম।

৭৯.
কোনটি সৈয়দ ইসমাইল হোসেন সিরাজী রচিত একটি ভ্রমণকাহিনি?
  1. তুরস্ক ভ্রমণ
  2. মোটর যোগে রাঁচী সফর
  3. মস্কোতে কয়েকদিন
  4. বিলেতে সাড়ে সাতশ দিন
সঠিক উত্তর:
তুরস্ক ভ্রমণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তুরস্ক ভ্রমণ
ব্যাখ্যা

• 'তুরস্ক ভ্রমণ' গ্রন্থ পরিচিতি:
'তুরস্ক ভ্রমণ' গ্রন্থটি সৈয়দ ইসমাইল হোসেন সিরাজী রচিত একটি ভ্রমণকাহিনি। তিনি ১৯১০ সালে বঙ্গীয় প্রতিনিধি হিসেবে তুরস্ক ভ্রমণ করেন এবং সেই অভিজ্ঞতা এই গ্রন্থে লিপিবদ্ধ করেন। এটি তাঁর উল্লেখযোগ্য রচনাগুলোর মধ্যে একটি, যা তৎকালীন তুরস্কের সংস্কৃতি, সমাজ ও ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট তুলে ধরে।

------------------------
• সৈয়দ ইসমাইল হোসেন সিরাজী:
- সৈয়দ ইসমাইল হোসেন সিরাজী একাধারে লেখক, বাগ্মী এবং কৃষক নেতা। তিনি ১৮৮০ সালের ১৩ জুলাই সিরাজগঞ্জ জেলায় জন্মগ্রহণ করেন।
- সিরাজগঞ্জ জেলায় জন্ম বলেই তিনি তাঁর নামের সঙ্গে সিরাজী' উপাধি যুক্ত করেন।
- ইসমাইল হোসেন সিরাজী সিরাজগঞ্জে কৃষক আন্দোলনের সঙ্গে সক্রিয়ভাবে জড়িত ছিলেন।
- তিনি জমিদার ও মহাজন বিরোধী আন্দোলনে কৃষকদের সংগঠিত করেন।
- তিনি ১৯৩১ সালের ১৭ই জুলাই মৃত্যুবরণ করেন।

তাঁর রচিত কাব্যগ্রন্থ:
- অনল প্রবাহ,
- আকাঙ্ক্ষা,
- উচ্ছ্বাস
- উদ্বোবন,
- নব উদ্দীপনা
- স্পেন বিজয় কাব্য ইত্যাদি।

তাঁর রচিত উপন্যাস:
- রায়নন্দিনী
- ফিরোজা বেগম,
- নূরুদ্দীন ইত্যাদি।

অন্যান্য অপশন বিশ্লেষণ:
• তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায় রচিত গ্রমণকাহিনি- মস্কোতে কয়েকদিন।
• 'মোটর যোগে রাঁচী সফর' (১৯৪৯) হলো বাংলা সাহিত্যের একটি বিখ্যাত ভ্রমণকাহিনি, যা লিখেছেন এস ওয়াজেদ আলি ।
• মুহম্মদ আবদুল হাই রচিত বিখ্যাত ভ্রমণকাহিনি "বিলেতে সাড়ে সাতশ দিন"। 

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, "তুরস্ক ভ্রমণ' ভ্রমণকাহিনি এবং বাংলাপিডিয়া।

৮০.
অস্তিত্ববাদী জীবনদর্শনের রূপায়ণ ঘটেছে নিচের কোন উপন্যাসে?
  1. পদ্মানদীর মাঝি 
  2. চাঁদের অমাবস্যা
  3. পুতুলনাচের ইতিকথা
  4. পথের পাঁচালী 
সঠিক উত্তর:
চাঁদের অমাবস্যা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চাঁদের অমাবস্যা
ব্যাখ্যা

• 'চাঁদের অমাবস্যা' এবং অস্তিত্ববাদী জীবনদর্শন:
- সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহর 'চাঁদের অমাবস্যা' (১৯৬৪) উপন্যাসে অস্তিত্ববাদী জীবনদর্শনের রূপায়ণ ঘটেছে। এই উপন্যাসে লেখক পাশ্চাত্য অস্তিত্ববাদী দর্শন আত্মস্থ করে ব্যক্তির অস্তিত্ব সংকট, মনস্তাত্ত্বিক দ্বন্দ্ব, একাকীত্ব এবং জীবনের অর্থহীনতার অনুসন্ধান তুলে ধরেছেন। 

- চেতনাপ্রবাহ শৈলীর মাধ্যমে নায়ক আরেফ আলীর মানসিক যাত্রা এই দর্শনের প্রতিফলন ঘটায়, যেখানে ব্যক্তি সমাজের বাইরে নিজের অস্তিত্বের স্বাধীনতা ও সংকট খুঁজে পান। সমালোচকরা এটিকে অস্তিত্ববাদী উপন্যাস হিসেবে চিহ্নিত করেছেন।

উপন্যাসের মূল বিষয়বস্তু: 
এই উপন্যাসে নায়ক আরেফ আলী, একজন স্কুল মাস্টার, যিনি একটি অপরাধমূলক কাজের প্রত্যক্ষদর্শী হিসেবে মানসিক দ্বন্দ্ব ও অস্তিত্ব সংকটের মধ্য দিয়ে যান। তাঁর মনোগত ক্রিয়া-প্রতিক্রিয়া এই উপন্যাসের মূল প্রতিপাদ্য বিষয়। এই মানসিক দ্বন্দ্ব, জীবনের অর্থহীনতা, একাকীত্ব এবং স্বাধীনতার অনুসন্ধান অস্তিত্ববাদী দর্শনের মূল উপাদান। উপন্যাসটি সামন্ত-সমাজ প্রভাবিত গ্রামীণ জীবনের অসঙ্গতি এবং মানুষের অন্তর্জীবনের জটিলতাকেও তুলে ধরে, যা আরেফের চেতনাপ্রবাহ শৈলীর মাধ্যমে প্রকাশিত হয়। এই দৃষ্টিকোণ থেকে, উপন্যাসটি অস্তিত্ববাদী দর্শনের প্রতিফলন ঘটায়, যেখানে ব্যক্তির অস্তিত্ব, নৈতিক দ্বন্দ্ব এবং সমাজের সঙ্গে তার সম্পর্কের প্রশ্ন উঠে আসে।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা; 'চাঁদের অমাবস্যা' উপন্যাস এবং বাংলাপিডিয়া। 

৮১.
'ছড়ার আসর' গ্রন্থটি কোন কবির রচনা?
  1. সুধীন্দ্রনাথ দত্ত
  2. সুকান্ত ভট্টাচার্য 
  3. আহসান হাবীব 
  4. ফররুখ আহমদ
সঠিক উত্তর:
ফররুখ আহমদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ফররুখ আহমদ
ব্যাখ্যা

• 'ছড়ার আসর'  কবি ফররুখ আহমদের লেখা শিশুতোষ ছড়ার বই। 

----------------
• ফররুখ আহমদ:

- ফররুখ আহমদ ছিলেন মুসলিম পুনর্জাগরণবাদী কবি। ফররুখ আহমদ ১৯১৮ সালের ১০ জুন মাগুরা জেলার শ্রীপুর থানার মাঝাইল গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।
- 'সাত সাগরের মাঝি' ফররুখ আহমদ রচিত শ্রেষ্ঠ এবং প্রথম প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থ।
- ১৯৪৪ সালে কলকাতার দুর্ভিক্ষের পটভূমিতে 'লাশ' কবিতা লিখে তিনি প্রথম খ্যাতি অর্জন করেন।
- ফররুখ আহমদ তাঁর বিখ্যাত কাহিনী কাব্য 'হাতেমতায়ী' এর জন্য ১৯৬৬ সালে আদমজি পুরস্কার লাভ করেন।
- ১৯৬৬ সালেই 'পাখির বাসা' শিশুতোষের জন্য ইউনেস্কো পুরস্কার লাভকরেন।
- 'মুহূর্তের কবিতা' ফররুখ আহমদ রচিত একটি সনেট সংকলন।

তাঁর শিশু-কিশোরদের জন্য রচিত গ্রন্থ:
- পাখির বাসা,
- হরফের ছড়া,
- নতুন লেখা,
- ছড়ার আসর,
- চিড়িয়াখানা,
- কিস্সা কাহিনী,
- মাহফিল ১ম ও ২য় খণ্ড,
- ফুলের জলসা।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা এবং বাংলাপিডিয়া।

৮২.
উদাসী বাউলের জীবনদর্শনের প্রভাব পরিলক্ষিত হয়েছে মীর মশাররফ হোসেন রচিত কোন গ্রন্থে?
  1. উদাসীন পথিকের মনের কথা
  2.  কুলসুম জীবনী
  3. গাজী মিয়াঁর বস্তানী
  4. বিষাদ-সিন্ধু
সঠিক উত্তর:
গাজী মিয়াঁর বস্তানী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গাজী মিয়াঁর বস্তানী
ব্যাখ্যা

• 'গাজী মিয়াঁর বস্তানী' আত্মজৈবনিক উপন্যাস:
- 'গাজী মিয়াঁর বস্তানী' মীর মশাররফ হোসেন রচিত আত্মজৈবনিক উপন্যাস। 'গাজী মিয়াঁর বস্তানী'তে উদাসী বাউলের জীবনদর্শনের প্রভাব পরিলক্ষিত হয়।

- এটি উপন্যাস জাতীয় রস-রচনা। কর্মজীবননির্ভর আত্মজীবনীমূলক এই রচনায় ব্যঙ্গরসের উপস্থাপন অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ।
এর প্রথম অংশ ১৮৯৯ খ্রিস্টাব্দে প্রকাশিত হয়; দ্বিতীয় অংশ পুস্তকাকারে স্বতন্ত্রভাবে প্রকাশিত হয়নি, তবে মীর রচিত আত্মজীবনী আমার জীবনী-তে এর কিয়দংশ মুদ্রিত হয়। গ্রন্থের প্রচ্ছদপটে গ্রন্থকার হিসেবে মীর মশাররফ হোসেনের নাম মুদ্রিত হয়নি; স্বত্বাধিকারী হিসেবে তাঁর ছদ্মনাম 'উদাসীন পথিক' মুদ্রিত হয়েছে।

- এ গ্রন্থে অনেক চরিত্রের সমাবেশ-ঘটেছে, তবে কোনো একটি মূল ঘটনাকে কেন্দ্র করে কাহিনি ও চরিত্র আবর্তিত বা বিবর্তিত হয়নি। মূলত লেখক ব্যাখ্যার মধ্য দিয়ে তৎকালীন সমাজের অন্যায়-অবিচার, অনাচার-দুর্নীতি, সমাজের মানুষের নৈতিক অবক্ষয় ও বর্বরোচিত আচরণ চিত্রিত করেছেন।

- সোনাবিবি ও মনিবিবি নামে দুই বিধবা মহিলা জমিদারের দ্বন্দ্ব উপন্যাসের মূল ঘটনা। উপন্যাসের নায়ক-নায়িকা ও স্থানের নামকরণ অভিনব, যেমন- অরাজকপুর, যমদ্বার, নচ্ছারপুর, পয়জারন্নেসা, সবলোট চৌধুরী, ভেড়াকান্ত, জয়ঢাক ইত্যাদি। ভেড়াকান্ত চরিত্রে লেখকের নিজের ছায়াপাত আছে বলে গ্রন্থখানিকে আত্মজৈবনিক রচনা বলে অভিহিত করা হয়।

- গাজী মিয়াঁর বস্তানীর বিষয় ও অঙ্গসজ্জা সম্বন্ধে মন্তব্য করতে গিয়ে অক্ষয় কুমার মৈত্রেয় লিখেছেন- "গাজী মিয়ার বস্তানী একখানি বিচিত্র সমাজচিত্র, সুশোভিত, সুলিখিত উপন্যাস।"

অন্যদিকে, 
--------------------
• উদাসীন পথিকের মনের কথা:
- 'উদাসীন পথিক' এই ছদ্মনামে মীর মশাররফ হোসেন ব্যক্তিগত জীবনের পটভূমিতে স্বীয় পারিবারিক ইতিহাস ও সমসাময়িক বাস্তব ঘটনার চিত্র তুলে ধরেছেন এ গ্রন্থে।
- "উদাসীন পথিকের মনের কথা" (১৮৯০) কে প্রকৃতপক্ষে উপন্যাস বা আত্মজীবনীমূলক রচনা এর কোনোটাই বলা যায় না। বরং বলতে হয়, গ্রন্থটি লেখকের আত্মজীবননির্ভর কতিপয় বাস্তব ও কাল্পনিক ঘটনার মিশেল উপন্যাসসুলভ সাহিত্যিক উপস্থাপনা।
- এতে লেখকের পারিবারিক ইতিবৃত্ত বর্ণনা এবং নিজের মাতা-পিতাকে যথেষ্ট শ্রদ্ধার সঙ্গে চিত্রিত হতে দেখা যায়। উদাসীন পথিকের মনের কথায় হিন্দু-মুসলমানের যে মিলন-কামনা আছে, তার গভীর তাৎপর্য স্বীকার করতে হয়।

• কুলসুম জীবনী:
- কুলসুম জীবনী গ্রন্থটি ১৯১০ সালে প্রকাশিত হয়।
- লেখক 'আমার জীবনীর জীবনী কুলসুম জীবনী' নামে অভিহিত করেছেন।
- এটি মীর মশাররফ হোসেনের দ্বিতীয় স্ত্রী বিবি কুলসুমকে কেন্দ্র করে লিখিত যা বিবি কুলসুম সম্পর্কে বিস্তারিত বর্ণনা করেছেন।

• 'বিষাদ-সিন্ধু' উপন্যাস:
- 'বিষাদ-সিন্ধু' (১৮৮৫- '৯১) একটি ইতিহাস আশ্রিত উপন্যাস। মীর মশাররফ হোসেনের খ্যাতি মূলত এ গ্রন্থটির জন্যেই।
- হাসান ও হোসেনের সঙ্গে দামেস্ক অধিপতি মাবিয়ার একমাত্র পুত্র এজিদের কারবালা প্রান্তরের রক্তক্ষয়ী যুদ্ধ এবং ইমাম হাসান-হোসেনের করুণ মৃত্যুকাহিনি 'বিষাদ-সিন্ধু' গ্রন্থে বর্ণিত মূল বিষয়। মূল ঘটনার ঐতিহাসিক সত্যতা থাকলেও গ্রন্থটিতে ইতিহাসের অন্ধ অনুসরণ করা হয় নি।
- 'বিষাদ-সিন্ধু' উপন্যাসটি 'মহরম পর্ব্ব' (১৮৮৫), 'উদ্ধার পর্ব্ব' (১৮৮৭) ও 'এজিদ-বধ পর্ব' (১৮৯১) এই তিনটি পর্বে সম্পন্ন হয়েছে।
- গ্রন্থটি উপক্রমণিকা ও উপসংহারসহ মোট তেষট্রিটি 'প্রবাহ' অর্থাৎ অধ্যায় নিয়ে লিখিত।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা এবং বাংলাপিডিয়া

৮৩.
কবি আল মাহমুদ কোন জেলায় জন্মগ্রহণ করেন? 
  1. পিরোজপুর জেলায় 
  2. ব্রাহ্মণবাড়ীয়া জেলায় 
  3. ঢাকা জেলায় 
  4. নেত্রকোনা জেলায় 
সঠিক উত্তর:
ব্রাহ্মণবাড়ীয়া জেলায় 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্রাহ্মণবাড়ীয়া জেলায় 
ব্যাখ্যা

• আল মাহমুদ:
- আল মাহমুদ একজন প্রথিতযশা কবি। বিশ শতকের বাংলা সাহিত্যে তিনি এক প্রতিনিধিত্বশীল প্রতিভা। আধুনিক বাংলা কবিতার নগরকেন্দ্রিক প্রেক্ষাপটে ভাটি বাংলার জনজীবন, গ্রামীণ আবহ, নদীনির্ভর জনপদ, চরাঞ্চলের জীবনপ্রবাহ এবং নরনারীর চিরন্তন প্রেম-বিরহ তাঁর কবিতার বিশেষ উপাদান।
- তাঁর প্রকৃত নাম মীর আবদুস শুকুর আল মাহমুদ।
- ১৯৩৬ সালের ১১ জুলাই ব্রাহ্মণবাড়ীয়া জেলার মোড়াইল গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।
- স্বাধীনতা উত্তরকালে তিনি 'দৈনিক গণকণ্ঠ' পত্রিকার সম্পাদক ছিলেন।
- তাঁর প্রকাশিত শ্রেষ্ঠ কাব্যগ্রন্থ 'সোনালী কাবিন' (১৯৭৩)।

তাঁর রচিত কাব্যগ্রন্থ:
- লোক লোকান্তর,
- সোনালী কাবিন,
- কালের কলস,
- মায়াবী পর্দা দুলে ওঠো,
- আরব্য রজনীর রাজহাঁস,
- বখতিয়ারের ঘোড়া,
- প্রেমের কবিতা ইত্যাদি।

তাঁর রচিত উপন্যাস:
- কাবিলের বোন,
- উপমহাদেশ,
- ডাহুকী,
- কবি ও কোলাহল ইত্যাদি।

তাঁর রচিত গল্পগ্রন্থ:
- পানকৌড়ির রক্ত,
- ময়ূরীর মুখ,
- সৌরভের কাছে পরাজিত।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা এবং বাংলাপিডিয়া। 

৮৪.
কোন ভোল্টের উপরে বৈদ্যুতিক প্রবাহ অনুভব করা যায়?
  1. 50 V
  2. 1.5 V
  3. 220 V
  4. 1000 V
সঠিক উত্তর:
50 V
উত্তর
সঠিক উত্তর:
50 V
ব্যাখ্যা

ব্যাটারি:
- ব্যাটারি বলতে একাধিক কোষের (Cell) সমন্বয়কে বুঝানো হয়।
- একটি তড়িৎ ব্যাটারি বলে উল্লেখ করলেও প্রকৃতপক্ষে ব্যাটারি হলো একাধিক তড়িৎ কোষের সমন্বয়।
- ব্যাটারি সেলে ব্যবহারের জন্য তড়িৎ শক্তি জমা থাকে।
- ব্যাটারিতে সাধারণত তিনটি অংশ থাকে।
যেমন- অ্যানোড, ক্যাথোড এবং মাঝখানে থাকে ইলেকট্রোলাইট।
- ব্যাটারি সেলের বিভব পার্থক্য সবসময় সমান থাকে বলে এগুলোকে ডিসি সাপ্লাই বলা হয়।
- আমাদের বাসায় যে বৈদ্যুতিক সাপ্লাই দেওয়া হয়, সেগুলো প্রতি সেকেন্ডে ৫০বার ধনাত্মক থেকে ঋণাত্মক বিভবে পরিবর্তিত হয় বলে সেগুলোকে এসি (Alternating Current) বলা হয়।
- একটি সাধারন ব্যাটারি সেলে বিভব পার্থক্য মাত্র ১.৫ V, সেই তুলনায় আমাদের বাসার বিদ্যুৎ সাপ্লাই ২২০ V ।
- বিদ্যুৎ প্রবাহ ৫০ V থেকে বেশি হলে আমরা সেটি অনুভব করতে পারি, আবার ২২০ V সাপ্লাই থেকে অনেক বড় ইলেকট্রিক শক খাওয়া সম্ভব এবং এই ইলেকট্রিক শকের কারণে শরীরের ভেতর দিয়ে যথেষ্ট বিদ্যুৎ প্রবাহ হয় বলে মানুষের মৃত্যুও হতে পারে

উৎস: বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।

৮৫.
ব্যাকটেরিওলজির জনক কে?
  1. লুই পাস্তুর
  2. এহরেনবার্গ
  3. রবার্ট কচ
  4. লিউয়েন হুক
সঠিক উত্তর:
রবার্ট কচ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রবার্ট কচ
ব্যাখ্যা

ব্যাকটেরিয়া:
- গ্রিক শব্দ Bakterion = Little rod থেকে ব্যাকটেরিয়া শব্দটি এসেছে। যার অর্থ ক্ষুদ্র দন্ড।
- ব্যাকটেরিয়া (এক = বচনে ব্যাকটেরিয়াম) সাধারণত ক্লোরোফিলবিহীন, প্রাককেন্দ্রিক এককোষী ক্ষুদ্র আণুবীক্ষণিক জীব।
- গাঠনিক উপাদান ও পুষ্টি পদ্ধতির জন্য ব্যাকটেরিয়াকে উদ্ভিদ বলা হয়।
- ব্যাক্টেরিওলজির জনক হলেন রবার্ট কচ (Robert Koch)।
- রবার্ট কচ (১৮৪৩–১৯১০) ছিলেন একজন জার্মান চিকিৎসক এবং ব্যাক্টেরিওলজির অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা। তিনি প্রথম বৈজ্ঞানিকভাবে প্রমাণ করেন যে নির্দিষ্ট রোগের জন্য নির্দিষ্ট ব্যাকটেরিয়া দায়ী।
- জার্মান বিজ্ঞানী এহরেনবার্গ ১৮২৯ খ্রিস্টাব্দে ব্যাকটেরিয়া নামকরণ করেন।
- ফরাসি বিজ্ঞানী লুই পাস্তুর (১৮২২-১৮৯৫) ব্যাকটেরিয়ার উপর ব্যাপক গবেষণা করে ব্যাকটেরিয়া তত্ত্বকে প্রতিষ্ঠিত করেন।
- ব্যাকটেরিয়া আদিকোষী জীব।
- ব্যাপক অর্থে ব্যাকটেরিয়া বলতে আর্কিব্যাকটেরিয়া, ইউব্যাকটেরিয়া, সায়ানোব্যাকটেরিয়া, অ্যাকটিনোব্যাকটেরিয়া ইত্যাদি গ্রুপকে বোঝায়।

উৎস:
১। উদ্ভিদবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২। ব্রিটানিকা। 

৮৬.
নিচের কোন মৌলকে Noble গ্যাস বলা হয়?
  1. ক্রোমিয়াম
  2. সোডিয়াম
  3. হিলিয়াম
  4. লিথিয়াম
সঠিক উত্তর:
হিলিয়াম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হিলিয়াম
ব্যাখ্যা

নিষ্ক্রিয় গ্যাস:
- হিলিয়াম (He), নিয়ন (Ne), আর্গন (Ar), ক্রিপ্টন (Kr), জেনন (Xe), রেডন (Rn) ও ওগানেসন (Og) নামক মৌলগুলো অন্য মৌলের সাথে বিক্রিয়া করে না বলে এদেরকে অভিজাত বা মহান বা Noble গ্যাস বলে।
- একমাত্র হিলিয়াম ছাড়া অন্য সকল নিষ্ক্রিয় মৌলের যোজ্যতা স্তরে ৮ টি ইলেকট্রন আছে।
- হিলিয়ামের যোজ্যতা স্তরে ২টি ইলেকট্রন আছে।

নিস্ক্রিয় গ্যাসের ধর্মসমূহ:
১. নিস্ক্রিয় গ্যাসগুলো সাধারণ তাপমাত্রা ও চাপে এক পরমাণুক গ্যাস।
২. নিস্ক্রিয় গ্যাসগুলোর কোন বর্ণ, স্বাদ বা গন্ধ নেই।
৩. প্রতি লিটার পানিতে নিস্ক্রিয় গ্যাসের দ্রাব্যতা অনেক কম।
৪. গ্যাসের গলনাঙ্ক ও স্ফুটনাঙ্ক অত্যন্ত কম।
৫. নিস্ক্রিয় গ্যাসসমূহের মধ্যে দুর্বল আকর্ষণ বল থাকার কারণে এদের গলনতাপ ও বাষ্পীয়ভবন তাপ কম।
৬. নিস্ক্রিয় গ্যাসের আয়নিকরণ শক্তি সবচেয়ে বেশি।

উৎস: রসায়ন, নবম-দশম শ্রেণি এবং ব্রিটানিকা ওয়েবসাইট।

৮৭.
প্রতিসরণের সূত্র কে প্রণয়ন করেন?
  1. নিউটন
  2. ম্যাক্সওয়েল
  3. আইনস্টাইন
  4. স্নেল
সঠিক উত্তর:
স্নেল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্নেল
ব্যাখ্যা

প্রতিসরণ (Refraction):
- এক স্বচ্ছ মাধ্যম থেকে অন্য স্বচ্ছ মাধ্যমে যাওয়ার সময় দুই মাধ্যমের বিভেদ তলে তীর্যকভাবে আপতিত আলোক রশ্মির দিক পরিবর্তনের ঘটনাকে আলোর প্রতিসরণ বলে।
অর্থাৎ, দুটি স্বচ্ছ মাধ্যমের বিভেদ তলে আলোক রশ্মির দিক পরিবর্তনের ঘটনাকে আলোর প্রতিসরণ বলে।
- বিভেদ তলের উপর আপতন বিন্দুতে অঙ্কিত লম্বকে অভিলম্ব বলে।
- আপতন বিন্দুতে আপতিত রশ্মি ও অভিলম্বের মধ্যে সৃষ্ট কোণকে আপতন কোণ এবং প্রতিসরিত রশ্মি ও অভিলম্বের মধ্যে সৃষ্ট কোণকে প্রতিসরণ কোণ বলে।

প্রতিসরণের সূত্র:
- আলোর প্রতিসরণ দু'টি সূত্র মেনে চলে এদের প্রতিসরণের সূত্র বলে।
- ১৬২০ সালে বিজ্ঞানী স্নেল (Willebrord Snellius) সর্বপ্রথম এ সূত্র প্রকাশ করেন, তাই এ সূত্রটিকে স্নেলের সূত্রও বলা হয়
যেমন-
(১) দুই মাধ্যমের বিভেদ তলে আপতিত রশ্মি, আপতন বিন্দুতে অঙ্কিত অভিলম্ব এবং প্রতিসরিত রশ্মি একই সমতলে অবস্থান করে।
(২) এক জোড়া নির্দিষ্ট মাধ্যম এবং নির্দিষ্ট বর্ণের আলোর জন্য আপতন কোণের সাইন এবং প্রতিসরণ কোণের সাইনের অনুপাত সর্বদা ধ্রুব।
অর্থাৎ, sin i/sin r = একটি ধ্রুব (সংখ্যা)।

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৮৮.
স্বল্প দ্রবণীয় দ্রবের উদাহরণ কোনটি?
  1. অ্যামোনিয়াম নাইট্রেট
  2. ক্যালসিয়াম কার্বনেট
  3. পটাসিয়াম নাইট্রেট
  4. সোডিয়াম ক্লোরাইড
সঠিক উত্তর:
ক্যালসিয়াম কার্বনেট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক্যালসিয়াম কার্বনেট
ব্যাখ্যা

দ্রব (Solute):
- দুটি উপাদানের সমন্বয়ে উৎপন্ন দ্রবণে যে উপাদানটির আপেক্ষিক পরিমাণ কম থাকে এবং যে উপাদানটি অপর উপাদানের মধ্যে দ্রবীভূত থাকে তাকে দ্রব বলা হয়।
- খাদ্য লবণকে পানিতে দ্রবীভূত করে যে দ্রবণ প্রস্তুত করা হয় তাতে খাদ্য লবণ দ্রব।
একইভাবে,
- চিনির জলীয় দ্রবণে চিনি দ্রব।
- দ্রাবকের মধ্যে দ্রবের দ্রবীভূত হওয়ার ক্ষমতা অনুযায়ী দ্রবকে দুটি ভাগে ভাগ করা হয়।
যথা-
১। স্বল্প দ্রবণীয় দ্রব:
- এ ধরনের দ্রব দ্রাবকের মধ্যে খুবই সামান্য পরিমাণে দ্রবীভূত হয়ে সম্পৃক্ত দ্রবণ উৎপন্ন করে।
- সাধারণ তাপমাত্রায় যেসব লবণের দ্রাব্যতা 0.01 গ্রাম অণু/লিটার বা 001 mol.L-1 এর চেয়ে কম তাদের স্বল্প দ্রবণীয় দ্রব বলা হয়।
যেমন-
• সিলভার ক্লোরাইড (AgCl),
• সিলভার ব্রোমাইড (AgBr),
• সিলভার আয়োডাইড (AgI),
• সিলভার কার্বনেট (Ag2CO3),
ক্যালসিয়াম কার্বনেট (CaCO3),
• ক্যালসিয়াম ফ্লোরাইড (CaF2),
• ক্যালসিয়াম সালফেট (CaSO4),
• ক্যালসিয়াম হাইড্রক্সাইড Ca(OH)2,
• লেড ক্লোরাইড (PbCl2) ইত্যাদি।

২। অতিমাত্রায় দ্রবণীয় দ্রব:
- বেশ কিছু দ্রব আছে যারা পানিতে সম্পূর্ণভাবে দ্রবীভূত হয়ে যায়।
- এদের দ্রাব্যতা গুণ অনেক বেশি হওয়ায় এরা দ্রবণে সম্পূর্ণভাবে আয়নিত অবস্থায় থাকে।
- এ জাতীয় দ্রবের আণবিক অবস্থা ও আয়নিক অবস্থার মধ্যে কোনো সাম্যাবস্থা বিরাজ করে না।
যেমন-
সোডিয়াম ক্লোরাইড (NaCl),
• সোডিয়াম নাইট্রেট (NaNO3),
• পটাসিয়াম ক্লোরাইড (KCI),
পটাসিয়াম নাইট্রেট (KNO3),
• অ্যামোনিয়াম ক্লোরাইড (NH4CI),
অ্যামোনিয়াম নাইট্রেট (NH4NO3) ইত্যাদি।

উৎস: রসায়ন প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৮৯.
পরম শূন্য তাপমাত্রায় গ্যাসের আয়তন কেমন হয়?
  1. শূন্য
  2. কম
  3. সর্বাধিক
  4. পরিবর্তনশীল
সঠিক উত্তর:
শূন্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শূন্য
ব্যাখ্যা

পরম শূন্য তাপমাত্রা:
- যে তাপমাত্রায় গ্যাসের আয়তনের বিলুপ্তি ঘটে অর্থাৎ আয়তন শূন্য হয়ে যায়, সে তাপমাত্রাকে পরম শূন্য তাপমাত্রা বলে
- পরম শূন্য তাপমাত্রা হলো - 273°C.
- পরম শূন্য তাপমাত্রা গ্যাসের প্রকৃতি ও চাপের উপর নির্ভর করে না।
- পরম শূন্য তাপমাত্রায় গ্যাসের স্থানান্তর গতি শূন্য হয়, গ্যাসের অণুসমূহের স্থানান্তরণ একেবারে স্তব্দ হয়ে যায়। এ সময় অণুসমূহ পরস্পরের খুবই নিকটে আসে, ফলে আয়তন খুবই কম হয়।
- পরম শূন্য তাপমাত্রায় কম্পন গতির জন্য পদার্থের যে শক্তি অবশিষ্ট থাকে, তাকে শূন্য বিন্দু শক্তি বলা হয়।

উৎস: উচ্চ মাধ্যমিক রসায়ন প্রথম পত্র, হাজারী নাগ।

৯০.
উৎসের বিস্তার এবং শব্দের তীব্রতার সম্পর্ক কী?
  1. I ∝ A
  2. I ∝ A2
  3. I ∝ 1/A
  4. I ∝ √A
সঠিক উত্তর:
I ∝ A2
উত্তর
সঠিক উত্তর:
I ∝ A2
ব্যাখ্যা

শব্দের তীব্রতা:
- শব্দ এক প্রকার তরঙ্গ।
- শব্দের তীব্রতা বলতে বুঝি, শব্দ সঞ্চালনের পথে লম্বভাবে অবস্থিত একক ক্ষেত্রফলের মধ্য দিয়ে প্রতি সেকেন্ডে প্রবাহিত শব্দ শক্তির পরিমাণ।
- শব্দের তীব্রতা নিম্নোক্ত বিষয়গুলোর উপর নির্ভর করে-
১। উৎসের বিস্তার:
- শব্দ সৃষ্টিকারী বস্তুর কম্পনের বিস্তার বেশি হলে শব্দের তীব্রতা বেশি হয়।
- শব্দের তীব্রতা তরঙ্গের বিস্তারের বর্গের সমানুপাতিক।
- শব্দের তীব্রতা I এবং বিস্তার A হলে, I ∝ A2.

২। উৎসের আকার:
- উৎসের আকার বড় হলে শব্দ তরঙ্গ বেশি পরিমাণ শক্তি সঞ্চালিত রতে পারে ফলে তীব্রতা বেড়ে যায়।

৩। উৎস থেকে শ্রোতার দূরত্ব:
- উৎস ও শ্রোতার মধ্যবর্তী দূরত্ব যতো বাড়বে শব্দের তীব্রতা ততো কমে যাবে কারণ বেশি দূরত্ব অতিক্রম করার ফলে শব্দ তরঙ্গের শক্তি কমে যায়।
- তীব্রতা দূরত্বের বর্গের ব্যস্তানুপাতিক।
- যদি তীব্রতা এবং দূরত্ব r হয় তাহলে, I ∝ 1/r2.

৪। মাধ্যমের ঘনত্ব:
- যে মাধ্যমের মধ্য দিয়ে শব্দ তরঙ্গ সঞ্চালিত হবে তার ঘনত্ব বেশি হলে শব্দের তীব্রতা বেশি হয়।

৫। মাধ্যমের বেগ:
- মাধ্যমের বেগের দিকে শব্দ তরঙ্গ সঞ্চালিত হলে শব্দের তীব্রতা বেড়ে যায় এবং বিপরীত দিকে সঞ্চালিত হলে শব্দের তীব্রতা কমে যায়।

৬। অনুনাদী বস্তুর উপস্থিতি:
- উৎসের কাছে কোনো অনুনাদী বস্তু থাকলে শব্দের তীব্রতা বেড়ে যায়।
- একটি সুরশলাকাকে বাতাসে স্পন্দিত করলে যে শব্দ উৎপন্ন হয় টেবিল বা কোনো ফাঁপা কাঠের বাক্সের সাথে লাগিয়ে স্পন্দিত করলে শব্দের তীব্রতা অনেক বেড়ে যায়।
- এক্ষেত্রে বেশি আয়তনের বায়ু কম্পিত হয় বলে শব্দের তীব্রতা বেশি হয়।

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান প্রথম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি (ড. শাহজাহান তপন)।

৯১.
Hydra কোন অঙ্গের সাহায্যে খাদ্য গ্রহণ করে?
  1. শুঁড়
  2. সিলিয়া
  3. কর্ষিকা
  4. ফ্যারিংস
সঠিক উত্তর:
কর্ষিকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কর্ষিকা
ব্যাখ্যা

হাইড্রা:
- Hydra আবিষ্কার করেন আব্রাহাম ট্রেম্বলে।
- হাইড্রার নামকরণ করেন বিজ্ঞানী লিনিয়াস।
- বাংলাদেশে বিভিন্ন প্রজাতির Hydra পাওয়া যায় তন্মধ্যে Hydra vulgaris সবচেয়ে বেশি পাওয়া যায়।
- কর্ষিকার সাহায্যে এরা খাদ্য গ্রহণ, দেহের সংকোচন, প্রসারণ ও চলাচল সম্পন্ন করে থাকে
- হাইড্রা ব্যাপন প্রক্রিয়ায় শ্বসন ও রেচন সম্পন্ন করে।
- মুকুলোদগম ও দ্বিবিভাজনের সাহায্যে অযৌন জনন এবং জননকোষ সৃষ্টি করে যৌন জনন সম্পন্ন করে।
- Hydra পুনরায় উৎপত্তি (regeneration) ক্ষমতা প্রাপ্ত।
- Hydra মিঠাপানির প্রাণী, এরা সাধারণত খাল, বিল, পুকুর, হ্রদ, ডোবা, ঝর্ণার পানিতে বাস করে।
- ঘোলা পানিতে এদের কম পাওয়া গেলেও পরিস্কার, অপেক্ষাকৃত শীতল এবং স্রোতহীন পানিতে এদেরকে তুলনামূলক বেশি পাওয়া যায়।

উৎস: প্রাণিবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৯২.
সেকেন্ড দোলকের দোলনকাল কত?
  1. ২ সেকেন্ড
  2. ১ সেকেন্ড
  3. ৫ সেকেন্ড
  4. ১০ সেকেন্ড
সঠিক উত্তর:
২ সেকেন্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২ সেকেন্ড
ব্যাখ্যা

সরল দোলক:
- একটি ভারী আয়তনহীন বস্তুকণাকে একটি ওজনহীন, নমনীয় ও অপ্রসারণশীল সুতা দিয়ে ঝুলিয়ে দিলে এটি যদি ঘর্ষণ এড়িয়ে স্বাধীনভাবে একটি উল্লম্ব তলে দুলতে পারে তবে তাকে সরল দোলক বলে।

সরল দোলন গতি:
- যদি কোনো বস্তুর ত্বরণ একটি নির্দিষ্ট বিন্দু থেকে এর সরণের সমানুপাতিক এবং সর্বদা ঐ বিন্দু অভিমুখী হয়, তাহলে বস্তুর ঐ গতিকে সরল দোলন গতি বলে।

সেকেন্ড দোলক:
- যে দোলকের দোলনকাল দুই সেকেন্ড অর্থাৎ, দোলকের এক প্রান্ত থেকে অপর প্রান্তে যেতে এক সেকেন্ড সময় লাগে তাকে সেকেন্ড দোলক বলে

কার্যকরী দৈর্ঘ্য:
- ঝুলন বিন্দু থেকে ববের ভারকেন্দ্র পর্যন্ত দূরত্বকে সরল দোলকের কার্যকরী দৈর্ঘ্য বলে।

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি (শাহজাহান তপন)।

৯৩.
পারমাণবিক চুল্লিতে গ্রাফাইটের ব্যবহারের উদ্দেশ্য কী?
  1. তাপমাত্রা বৃদ্ধি
  2. বিক্রিয়াশীলতা বাড়ানোর জন্য
  3. ইলেকট্রোলাইট হিসেবে
  4. নিউটনের গতি হ্রাসের জন্য মন্থরক হিসেবে
সঠিক উত্তর:
নিউটনের গতি হ্রাসের জন্য মন্থরক হিসেবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নিউটনের গতি হ্রাসের জন্য মন্থরক হিসেবে
ব্যাখ্যা

কার্বন:
- কার্বনের দানাদার রূপভেদ হল গ্রাফাইট ও ডায়মন্ড বা হীরক।
- কার্বনের অদানাদার রূপভেদ হল কোক কার্বন, চারকোল, কয়লা ও কার্বন ব্ল্যাক।
- কার্বনের ক্যাটেনেশন বা পরমাণু যুক্ত হয়ে চেইন, বলয় গঠনের ক্ষমতা সর্বাধিক।

গ্রাফাইটের ব্যবহার:
- কাঠ পেন্সিলের শীষ হিসেবে গ্রাফাইট প্রচুর পরিমাণে ব্যবহৃত হয়।
- বিদ্যুৎ পরিবাহী বলে গ্রাফাইটের বিভিন্ন ধরনের ব্যবহার বিদ্যমান।
- তন্মধ্যে শুষ্ক ব্যাটারির পজিটিভ দণ্ড হিসেবে এবং গ্রাফাইটের গুঁড়া ম্যাঙ্গানিজ ডাই-অক্সাইডের সাথে মিশ্রণ হিসেবে ব্যবহার উল্লেখযোগ্য।
- এছাড়া বৈদ্যুতিক চুল্লিতে ইলেকট্রোডরূপে ও ইলেকট্রোটাইপ তৈরিতে গ্রাফাইট ব্যবহৃত হয়।
- গ্রাফাইট অতি উচ্চ তাপমাত্রায় জ্বলে ও গলে বলে ধাতু ক্রুসিবল তৈরিতে ব্যবহৃত হয়।
- পারমাণবিক চুল্লিতে নিউটনের গতি হ্রাসের জন্য মন্থরক হিসেবে গ্রাফাইট ব্যবহৃত হয়

উৎস: রসায়ন প্রথম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি (হাজারী নাগ)।

৯৪.
ফ্লোয়েমে কোন ধরনের কোষ থাকে?
  1. ট্রাকিড
  2. সীভ নল
  3. জাইলেম তন্তু
  4. ভেসেল
সঠিক উত্তর:
সীভ নল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সীভ নল
ব্যাখ্যা

জটিল টিস্যু:
- এ টিস্যুর আসল কাজ মাটি থেকে পানি ও অজৈব লবণ পরিবহন করে পাতায় পৌঁছানো এবং পাতায় যে খাদ্য প্রস্তুত হয় তা পরিবহন করে উদ্ভিদ দেহের বিভিন্ন অংশে পৌঁছানো।
- এদের কাজ পরিবহন বলে এ টিস্যুকে পরিবহন টিস্যুও বলা হয়।
- জটিল টিস্যু দু'প্রকার।
যথা-
১। জাইলেম টিস্যু:
- জাইলেম টিস্যুর কাজ পানি পরিবহণ করা।
- ভাস্কুলার উদ্ভিদে জাইলেমের সাহায্যেই খাদ্য দ্রব্যের উপাদানগুলো মাটি থেকে মূলের মাধ্যমে পাতায় পরিবাহিত হয়।
- পরিণত অবস্থায় আবৃতবীজী উদ্ভিদের জাইলেম চার ধরণের কোষ দ্বারা গঠিত।
যথা- ট্রাকিড, ট্রাকিয়া বা ভেসেল, জাইলেম প্যারেনকাইমা ও জাইলেম তন্তু

২। ফ্লোয়েম টিস্যু:
- ফ্লোয়েম টিস্যু উদ্ভিদের পাতা ও অন্যান্য সবুজ অংশে যে খাদ্য উৎপাদন হয় তা উদ্ভিদের অন্যান্য অংশে পরিবহন করে।
- ফ্লোয়েম টিস্যু চার ধরনের কোষ দ্বারা গঠিত।
যথা- সীভ নল, সঙ্গী কোষ, ফ্লোয়েম প্যারেনকাইমা এবং ফ্লোয়েম ফাইবার বা বাস্ট তন্তু

উৎস: জীববিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৯৫.
A = {x ∈ N : 3 ≤ x < 9} এবং B = {x ∈ N : x বিজোড় সংখ্যা এবং x ≤ 10} হলে, (A - B) এর মান কত?
  1. {4, 6, 8}
  2. {3, 5, 7}
  3. {3, 4, 5}
  4. { }
সঠিক উত্তর:
{4, 6, 8}
উত্তর
সঠিক উত্তর:
{4, 6, 8}
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: A = {x ∈ N : 3 ≤ x < 9} এবং B = {x ∈ N : x বিজোড় সংখ্যা এবং x ≤ 10} হলে, (A - B) এর মান কত?

সমাধান:
দেওয়া আছে,
A = {x ∈ N : 3 ≤ x < 9}
= {3, 4, 5, 6, 7, 8}

এবং
B = {x ∈ N : x বিজোড় সংখ্যা এবং x ≤ 10}
= {1, 3, 5, 7, 9}

∴ (A - B) = {3, 4, 5, 6, 7, 8} - {1, 3, 5, 7, 9}
= {4, 6, 8}

∴ নির্ণেয় সেট = {4, 6, 8}

৯৬.
  1. 3/5
  2. 2/3
  3. 4/5
  4. 5/8
সঠিক উত্তর:
3/5
উত্তর
সঠিক উত্তর:
3/5
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন:

সমাধান:

৯৭.
কোন লঘিষ্ঠ ধনাত্মক সংখ্যাকে ১১, ১৫ ও ১৯ দ্বারা ভাগ করলে যথাক্রমে ৬, ১০ ও ১৪ অবশিষ্ট থাকবে?
  1. ৩১৩০
  2. ৩২৪৫
  3. ৩১৪৫
  4. ৩০১৫
সঠিক উত্তর:
৩১৩০
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩১৩০
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: কোন লঘিষ্ঠ ধনাত্মক সংখ্যাকে ১১, ১৫ ও ১৯ দ্বারা ভাগ করলে যথাক্রমে ৬, ১০ ও ১৪ অবশিষ্ট থাকবে?

সমাধান:
এখানে,
১১ - ৬ = ৫
১৫ - ১০ = ৫
১৯ - ১৪ = ৫

∴ নির্ণেয় সংখ্যাটি হবে ১১, ১৫ ও ১৯ এর ল.সা.গু অপেক্ষা ৫ কম।

১১ = ১ × ১১
১৫ = ৩ × ৫
১৯ = ১ × ১৯

 ∴ ল.সা.গু = ১১ × ৩ × ৫ × ১৯ = ৩১৩৫

∴ নির্ণেয় সংখ্যাটি = ৩১৩৫ - ৫ = ৩১৩০

৯৮.
3x2 - 5x + 4 = 0 সমীকরণের মূলদ্বয়ের প্রকৃতি কোনটি?
  1. বাস্তব, অসমান ও মূলদ
  2. বাস্তব, অসমান ও অমূলদ
  3. বাস্তব ও সমান
  4. কাল্পনিক
সঠিক উত্তর:
কাল্পনিক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কাল্পনিক
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: 3x2 - 5x + 4 = 0 সমীকরণের মূলদ্বয়ের প্রকৃতি কোনটি?

সমাধান:
প্রদত্ত সমীকরণটি হলো 3x2 - 5x + 4 = 0।
এই সমীকরণটিকে ax2 + bx + c = 0 আদর্শ রূপের সাথে তুলনা করে পাই,
a = 3
b = - 5
c = 4

এখন, সমীকরণের নিশ্চায়ক (D) নির্ণয় করি।
নিশ্চায়ক, D = b2 - 4ac
= (-5)2 - 4 × 3 × 4
= 25 - 48
= - 23 < 0

যেহেতু, নিশ্চায়ক (D) এর মান ঋণাত্মক (D < 0), তাই বাস্তব মূল নাই।
∴ মূলদ্বয়ের প্রকৃতি হলো কাল্পনিক।

• ধরি a, b, c মূলদ সংখ্যা। তাহলে-
1) b2 - 4ac > 0 এবং পূর্ণবর্গ হলে মূলদ্বয় বাস্তব, অসমান ও মূলদ হবে।
2) b2 - 4ac > 0 কিন্তু পূর্ণবর্গ না হলে মূলদ্বয় বাস্তব, অসমান ও অমূলদ হবে।
3) b2 - 4ac = 0 হলে মূলদ্বয় বাস্তব ও পরস্পর সমান হবে।
4) b2 - 4ac < 0 হলে সমীকরণটির বাস্তব মূল নাই।

৯৯.
  1. 343
  2. 301
  3. 322
  4. 455
সঠিক উত্তর:
322
উত্তর
সঠিক উত্তর:
322
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন:

সমাধান:

১০০.
বার্ষিক শতকরা কত হার সরল সুদে ৫০০০ টাকা ৮ বছরে সুদে-আসলে ১০০০০ টাকা হবে?
  1. ৮.৫%
  2. ১০%
  3. ১২.৫%
  4. ১৫%
সঠিক উত্তর:
১২.৫%
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১২.৫%
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: বার্ষিক শতকরা কত হার সরল সুদে ৫০০০ টাকা ৮ বছরে সুদে-আসলে ১০০০০ টাকা হবে?

সমাধান:
এখানে,
আসল, P = ৫০০০ টাকা
সুদ-আসল, A = ১০০০০ টাকা
∴ সুদ, I = (১০০০০ - ৫০০০) = ৫০০০ টাকা
সময়, n = ৮ বছর

আমরা জানি,
I = (P × n × r)/১০০
⇒ r = (I × ১০০)/(P × n)
⇒ r = (৫০০০ × ১০০)/(৫০০০ × ৮)
⇒ r = ১০০/৮
∴ r = ১২.৫

∴ সুদের হার = ১২.৫%

১০১.
৫ + ৯ + ১৩ + ........ + ১৬৯ = কত?
  1. ২৯৯৬
  2. ৩৫২৬
  3. ৩৬৫৪
  4. ৩৮২০
সঠিক উত্তর:
৩৬৫৪
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩৬৫৪
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: ৫ + ৯ + ১৩ + ........ + ১৬৯ = কত?

সমাধান:
এটি একটি সমান্তর ধারা।
এখানে,
১ম পদ a = ৫
সাধারণ অন্তর d = ৯ - ৫ = ৪
শেষ পদ = ১৬৯

প্রশ্নমতে,
n-তম পদ = ১৬৯
⇒ a + (n - ১) × d = ১৬৯
⇒ ৫ + (n - ১) × ৪ = ১৬৯
⇒ (n - ১) × ৪ = ১৬৪
⇒ n - ১ = ১৬৪/৪
⇒ n - ১ = ৪১
⇒ n = ৪২

∴ সমষ্টি Sn = (n/২){২a + (n - ১)d}
= (৪২/২) × {২ × ৫ + (৪২ - ১) × ৪}
= ২১ × {১০ + ৪১ × ৪}
= ২১ × {১০ + ১৬৪}
= ২১ × ১৭৪
= ৩৬৫৪

১০২.
ΔABC এর ∠A = 50° এবং ∠B = 70°। ∠C এর সমদ্বিখন্ডক AB বাহুকে D বিন্দুতে ছেদ করলে ∠CDA = কত?
  1. 70°
  2. 100°
  3. 125°
  4. 115°
সঠিক উত্তর:
100°
উত্তর
সঠিক উত্তর:
100°
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: ΔABC এর ∠A = 50° এবং ∠B = 70°। ∠C এর সমদ্বিখন্ডক AB বাহুকে D বিন্দুতে ছেদ করলে ∠CDA = কত?

সমাধান:
 
ΔABC এ,
∠A + ∠B + ∠C = 180°
⇒ 50° + 70° + ∠C = 180°
⇒ ∠C = 180° - 120°
∴ ∠C = 60°

∠C এর সমদ্বিখণ্ডক অর্থাৎ, (1/2) ∠C= 60º/2 = 30°

ΔADC এ, ∠CAD + ∠CDA + ∠ACD = 180°
⇒ ∠A + ∠CDA + ∠C = 180°
⇒ 50° + ∠CDA + 30° = 180°
⇒ ∠CDA = 180° - 80°
∴ ∠CDA = 100°

১০৩.
x3 - 6x2 + ax - 16 বহুপদীর একটি উৎপাদক x - 4 হলে, a এর মান কত?
  1. - 6
  2. 10
  3. 8
  4. 12
সঠিক উত্তর:
12
উত্তর
সঠিক উত্তর:
12
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: x3 - 6x2 + ax - 16 বহুপদীর একটি উৎপাদক x - 4 হলে, a এর মান কত?

সমাধান:
ধরি, f(x) = x3 - 6x2 + ax - 16।
যেহেতু (x - 4) রাশিটি একটি উৎপাদক, সেহেতু x = 4 হলে f(x) এর মান শূন্য হবে।

এখন, f(4) এর মান নির্ণয় করি,
f(4) = (4)3 - 6(4)2 + a(4) - 16
= 64 - 6(16) + 4a - 16
= 64 - 96 + 4a - 16
= - 32 + 4a - 16
= 4a - 48

শর্তমতে,
f(4) = 0
⇒ 4a - 48 = 0
⇒ 4a = 48
∴ a = 12

১০৪.
15 টি বিন্দু দিয়ে কতগুলো চতুর্ভুজ গঠন করা যায়?
  1. 1365
  2. 1260
  3. 1450
  4. 1600
সঠিক উত্তর:
1365
উত্তর
সঠিক উত্তর:
1365
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: 15 টি বিন্দু দিয়ে কতগুলো চতুর্ভুজ গঠন করা যায়?

সমাধান:
আমরা জানি, একটি চতুর্ভুজ গঠন করতে 4টি বিন্দুর প্রয়োজন হয়।
এখানে মোট বিন্দুর সংখ্যা, n = 15
∴ ১৫ টি বিন্দু দিয়ে গঠিত চতুর্ভুজ সংখ্যা = 15C4
= 15!/{4! × (15 - 4)!}
= 15!/(4! × 11!)
= (15 × 14 × 13 × 12 × 11!)/(4 × 3 × 2 × 1 × 11!)
= (15 × 14 × 13 × 12)/(4 × 3 × 2 × 1)
= (15 × 14 × 13 × 12)/24
= 32760/24
= 1365

১০৫.
|5x - 7| ≤ 8 এর সমাধান কী?
  1. [1/5, 8)
  2. [- 1/5, 3]
  3. (- 3, 12/5]
  4. [13/5, 5]
সঠিক উত্তর:
[- 1/5, 3]
উত্তর
সঠিক উত্তর:
[- 1/5, 3]
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: |5x - 7| ≤ 8 এর সমাধান কী?

সমাধান:
|5x - 7| ≤ 8
⇒ - 8 ≤ 5x - 7 ≤ 8
⇒ - 8 + 7 ≤ 5x - 7 + 7 ≤ 8 + 7
⇒ - 1 ≤ 5x ≤ 15
⇒ - 1/5 ≤ 5x / 5 ≤ 15/5
⇒ - 1/5 ≤ x ≤ 3

ব্যবধি আকারে প্রকাশ করলে পাই, [-1/5, 3]।
অর্থাৎ, x একটি সংখ্যা যা -1/5 থেকে 3 এর মধ্যে বা সমান হতে পারে।

সঠিক উত্তর: খ) [- 1/5, 3]

১০৬.
একটি সমদ্বিবাহু ত্রিভুজের সমান সমান বাহুর দৈর্ঘ্য 13 সেন্টিমিটার এবং ভূমি 10 সেন্টিমিটার হলে, ত্রিভুজটির ক্ষেত্রফল কত?
  1. 60 বর্গ সেন্টিমিটার
  2. 84 বর্গ সেন্টিমিটার
  3. 120 বর্গ সেন্টিমিটার
  4. 150 বর্গ সেন্টিমিটার
সঠিক উত্তর:
60 বর্গ সেন্টিমিটার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
60 বর্গ সেন্টিমিটার
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: একটি সমদ্বিবাহু ত্রিভুজের সমান সমান বাহুর দৈর্ঘ্য 13 সেন্টিমিটার এবং ভূমি 10 সেন্টিমিটার হলে, ত্রিভুজটির ক্ষেত্রফল কত?

সমাধান:
দেওয়া আছে,
সমান সমান বাহুর দৈর্ঘ্য, a = 13 সেন্টিমিটার
এবং ভূমি, b = 10 সেন্টিমিটার

আমরা জানি,
সমদ্বিবাহু ত্রিভুজের ক্ষেত্রফল = (b/4) × √(4a2 - b2)
= (10/4) × √{(4 × 132) - 102}
= (10/4) × √{(4 × 169) - 100}
= (10/4) × √(676 - 100)
= (10/4) × √576
= (10/4) × 24
= (5/2) × 24
= 5 × 12
= 60 বর্গ সেন্টিমিটার

১০৭.
  1. 13/4
  2. 9/5
  3. 11/4
  4. 10/3
সঠিক উত্তর:
13/4
উত্তর
সঠিক উত্তর:
13/4
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন:

সমাধান:

১০৮.
৮০ লিটার দুধ ও পানির মিশ্রণে দুধ ও পানির অনুপাত ৩ : ১। ঐ মিশ্রণে কী পরিমাণ পানি মেশালে দুধ ও পানির অনুপাত ২ : ৩ হবে?
  1. ৬০ লিটার
  2. ৭০ লিটার
  3. ৮০ লিটার
  4. ৯০ লিটার
সঠিক উত্তর:
৭০ লিটার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৭০ লিটার
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: ৮০ লিটার দুধ ও পানির মিশ্রণে দুধ ও পানির অনুপাত ৩ : ১। ঐ মিশ্রণে কী পরিমাণ পানি মেশালে দুধ ও পানির অনুপাত ২ : ৩ হবে?

সমাধান:
দুধ : পানি = ৩ : ১
∴ অনুপাত রাশির যোগফল = ৩ + ১ = ৪

দুধের পরিমাণ = ৮০ × (৩/৪) = ৬০ লিটার
পানির পরিমাণ = ৮০ × (১/৪) = ২০ লিটার

মনে করি, ক লিটার পানি মেশাতে হবে।
∴ নতুন পানির পরিমাণ = (২০ + ক) লিটার

প্রশ্নমতে,
৬০/(২০ + ক) = ২/৩
⇒ ২ × (২০ + ক) = ৬০ × ৩
⇒ ৪০ + ২ক = ১৮০
⇒ ২ক = ১৮০ - ৪০
⇒ ২ক = ১৪০
⇒ ক = ১৪০ / ২
⇒ ক = ৭০

∴ ৭০ লিটার পানি মিশাতে হবে।

১০৯.
  1. 102
  2. 62
  3. 110
  4. 154
সঠিক উত্তর:
110
উত্তর
সঠিক উত্তর:
110
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন:

সমাধান:

১১০.
৫০ সে.মি. ব্যাস বিশিষ্ট বৃত্তের কেন্দ্র হতে ৭ সে.মি. দূরত্বে অবস্থিত জ্যা এর দৈর্ঘ্য কত?
  1. ৪২ সে.মি.
  2. ৪৮ সে.মি.
  3. ৩৬ সে.মি.
  4. ৪৪ সে.মি.
সঠিক উত্তর:
৪৮ সে.মি.
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪৮ সে.মি.
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: ৫০ সে.মি. ব্যাস বিশিষ্ট বৃত্তের কেন্দ্র হতে ৭ সে.মি. দূরত্বে অবস্থিত জ্যা এর দৈর্ঘ্য কত?

সমাধান:

দেওয়া আছে,
কেন্দ্র হতে জ্যা এর দূরত্ব OC = ৭ সে.মি.
ব্যাস = ৫০ সে.মি.
ব্যাসার্ধ OB = ৫০/২ = ২৫ সে.মি.

AB জ্যা এর অর্ধাংশ = BC
কেন্দ্র হতে জ্যা এর দূরত্ব = OC

∴ পিথাগোরাসের উপপাদ্য অনুসারে,
OB2 = OC2 + BC2
⇒ BC2 = OB2 - OC2
⇒ BC = √(OB2 - OC2)
⇒ BC = √{(২৫) - (৭)}
⇒ BC = √(৬২৫ - ৪৯)
⇒ BC = √৫৭৬
⇒ BC = ২৪

∴ জ্যা AB এর দৈর্ঘ্য = BC × ২ = ২৪ × ২ = ৪৮ সে.মি.

১১১.
  1. 1/2
  2. 1/5
  3. 3/8
  4. 1/4
সঠিক উত্তর:
1/5
উত্তর
সঠিক উত্তর:
1/5
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন:

সমাধান:

১১২.
একটি আয়তক্ষেত্রের দৈর্ঘ্য তার প্রস্থের তিনগুণ। যদি আয়তক্ষেত্রটির ক্ষেত্রফল ৩০০ বর্গমিটার হয়, তবে এর পরিসীমা কত?
  1. ৬০ মিটার
  2. ৮০ মিটার
  3. ১০০ মিটার
  4. ৯৬ মিটার
সঠিক উত্তর:
৮০ মিটার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৮০ মিটার
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: একটি আয়তক্ষেত্রের দৈর্ঘ্য তার প্রস্থের তিনগুণ। যদি আয়তক্ষেত্রটির ক্ষেত্রফল ৩০০ বর্গমিটার হয়, তবে এর পরিসীমা কত?

সমাধান:
মনে করি,
আয়তক্ষেত্রের প্রস্থ = ক মিটার
অতএব, দৈর্ঘ্য = ৩ক মিটার

আমরা জানি,
আয়তক্ষেত্রের ক্ষেত্রফল = দৈর্ঘ্য × প্রস্থ

প্রশ্নমতে,
৩ক × ক = ৩০০
⇒ ৩ক = ৩০০
⇒ ক = ৩০০/৩
⇒ ক = ১০০
⇒ ক = √১০০
∴ ক = ১০

অতএব,
প্রস্থ = ১০ মিটার
দৈর্ঘ্য = ৩ × ১০ = ৩০ মিটার

এখন, আয়তক্ষেত্রের পরিসীমা = ২ × (দৈর্ঘ্য + প্রস্থ)
= ২ × (৩০ + ১০) মিটার
= ২ × ৪০ মিটার
= ৮০ মিটার

সুতরাং, আয়তক্ষেত্রের পরিসীমা হলো ৮০ মিটার।

১১৩.
P(A) = 1/5 এবং P(B) = 3/5; A ও B দুটি স্বাধীন ঘটনা হলে P(B/A) = কত?
  1. 3/25
  2. 3/5
  3. 4/5
  4. 1/3
সঠিক উত্তর:
3/5
উত্তর
সঠিক উত্তর:
3/5
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: P(A) = 1/5 এবং P(B) = 3/5; A ও B দুটি স্বাধীন ঘটনা হলে P(B/A) = কত?

সমাধান:
দেওয়া আছে,
P(A) = 1/5 এবং P(B) = 3/5

যেহেতু A ও B স্বাধীন ঘটনা,
সূত্রমতে, P(A ∩ B) = P(A) × P(B)
⇒ P(A ∩ B) = (1/5) × (3/5) = 3/25

আবার আমরা জানি, শর্তাধীন সম্ভাবনার সূত্রানুসারে:
P(B/A) = P(A ∩ B)/P(A)
⇒ P(B/A) = (3/25)/(1/5)
⇒ P(B/A) = (3/25) × 5
∴ P(B/A) = 3/5

১১৪.
একটি চৌবাচ্চার দৈর্ঘ্য 0.4 মিটার, প্রস্থ 0.05 মিটার ও উচ্চতা 0.2 মিটার। চৌবাচ্চাটিতে কত লিটার পানি ধরবে?
  1. 2 লিটার
  2. 4 লিটার
  3. 6 লিটার
  4. 10 লিটার
সঠিক উত্তর:
4 লিটার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
4 লিটার
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: একটি চৌবাচ্চার দৈর্ঘ্য 0.4 মিটার, প্রস্থ 0.05 মিটার ও উচ্চতা 0.2 মিটার। চৌবাচ্চাটিতে কত লিটার পানি ধরবে?

সমাধান:
দেওয়া আছে,
চৌবাচ্চার দৈর্ঘ্য = 0.4 মিটার,
চৌবাচ্চার প্রস্থ = 0.05 মিটার
এবং চৌবাচ্চার উচ্চতা = 0.2 মিটার

∴ চৌবাচ্চার আয়তন = (দৈর্ঘ্য × প্রস্থ × উচ্চতা) ঘন একক
= (0.4 × 0.05 × 0.2) ঘনমিটার
= 0.004 ঘনমিটার

∴ চৌবাচ্চাটিতে পানি ধরবে = 0.004 ঘনমিটার
= (0.004 × 1000) লিটার  [১ ঘনমিটার = ১০০০ লিটার]
= 4 লিটার 

১১৫.
SUPERVISOR শব্দটির আয়নায় দেখলে প্রতিফলিত রূপটি হবে-
    সঠিক উত্তর:
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    ব্যাখ্যা

    প্রশ্ন: SUPERVISOR শব্দটির আয়নায় দেখলে প্রতিফলিত রূপটি হবে-

    সমাধান:
    SUPERVISOR শব্দটির আয়নায় দেখলে প্রতিফলিত রূপটি হবে:

    ১১৬.
    Eye : Myopia :: Teeth : ? 
    1. Pyorrhoea
    2. Cataract
    3. Trachoma
    4. Glaucoma
    সঠিক উত্তর:
    Pyorrhoea
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    Pyorrhoea
    ব্যাখ্যা

    • এখানে প্রথম শব্দজোড় 'Eye' (চোখ) এবং 'Myopia' (মায়োপিয়া) এর মধ্যে সম্পর্ক হলো 'অঙ্গ : সেই অঙ্গের রোগ'।

    মায়োপিয়া চোখের একটি দৃষ্টিজনিত সমস্যা।
    - একইভাবে, বিকল্পগুলোর মধ্যে 'Teeth' (দাঁত) এর সাথে সরাসরি সম্পর্কিত রোগটি হলো 'Pyorrhoea' (পায়োরিয়া), যা মাড়ি ও দাঁতের ক্ষয় ঘটায়।

    অন্যান্য অপশন:
    - Cataract (ছানি): এটি চোখের একটি রোগ যেখানে লেন্স ঘোলা হয়ে যায়।
    - Trachoma (ট্রাকোমা): এটি চোখের একটি সংক্রামক রোগ।
    - Glaucoma (গ্লুকোমা): এটি চোখের একটি রোগ যেখানে অপটিক নার্ভ ক্ষতিগ্রস্ত হয়।

    ১১৭.
    প্রশ্নবোধক স্থানে কোন চিত্র বসবে?
      সঠিক উত্তর:
      উত্তর
      সঠিক উত্তর:
      ব্যাখ্যা

      প্রশ্ন: প্রশ্নবোধক স্থানে কোন চিত্র বসবে?


      সমাধান:
      ১ম চিত্র + ২য় চিত্র ⇒ ৩য় চিত্র 

      ১১৮.
      ১ নং গিয়ারটি ঘড়ির কাঁটার দিকে ঘুরলে ৫ নং গিয়ারটি কোন দিকে ঘুরবে-
      1. ঘড়ির কাঁটার দিকে
      2. ঘড়ির কাঁটার বিপরীত দিকে
      3. স্থির থাকবে
      4. কোনোটিই নয়
      সঠিক উত্তর:
      ঘড়ির কাঁটার দিকে
      উত্তর
      সঠিক উত্তর:
      ঘড়ির কাঁটার দিকে
      ব্যাখ্যা

      প্রশ্ন: ১ নং গিয়ারটি ঘড়ির কাঁটার দিকে ঘুরলে ৬ নং গিয়ারটি কোন দিকে ঘুরবে-


      সমাধান:
      যেহেতু,
      - ১ নং গিয়ারটি ঘড়ির কাঁটার দিকে ঘুরলে
      - ২ নং গিয়ারটি ঘড়ির কাঁটার বিপরীত দিকে ঘুরবে।
      - ৩ নং গিয়ারটি ঘড়ির কাঁটার দিকে ঘুরবে।
      - ৪ নং গিয়ারটি ঘড়ির কাঁটার বিপরীত দিকে ঘুরবে।
      - ৫ নং গিয়ারটি ঘড়ির কাঁটার দিকে ঘুরবে।
      - ৬ নং গিয়ারটি ঘড়ির কাঁটার বিপরীত দিকে ঘুরবে।

      ১১৯.
      একজন ব্যক্তি বাড়ি থেকে যাত্রা শুরু করে প্রথমে 5 কি.মি. উত্তরে, তারপর 5 কি.মি. পূর্বে এবং সবশেষে আরও 7 কি.মি. উত্তর দিকে অগ্রসর হলেন। যাত্রা শুরুর স্থান থেকে তার বর্তমান অবস্থানের সরাসরি দূরত্ব কত? 
      1. 9 কি.মি.
      2. 11 কি.মি.
      3. 13 কি.মি.
      4. 15 কি.মি.
      সঠিক উত্তর:
      13 কি.মি.
      উত্তর
      সঠিক উত্তর:
      13 কি.মি.
      ব্যাখ্যা

      প্রশ্ন: একজন ব্যক্তি বাড়ি থেকে যাত্রা শুরু করে প্রথমে 5 কি.মি. উত্তরে, তারপর 5 কি.মি. পূর্বে এবং সবশেষে আরও 7 কি.মি. উত্তর দিকে অগ্রসর হলেন। যাত্রা শুরুর স্থান থেকে তার বর্তমান অবস্থানের সরাসরি দূরত্ব কত? 

      সমাধান:

      ধরি,
      উত্তরদিকে E থেকে D বিন্দুতে গেলেন 5 কি.মি.
      পূর্বদিকে D থেকে B বিন্দুতে গেলেন 5 কি.মি.
      উত্তরদিকে B থেকে A বিন্দুতে গেলেন 7 কি.মি.

      ∴ AB = 7
      DE = BF = 5
      BD = EF = 5
      AF = AB + BF = 7 + 5 = 12

      পিথাগোরাসের উপপাদ্য অনুযায়ী,
      AE2 = AF2 + EF2
      ⇒ AE2 = (12)2 + (5)2
      ⇒ AE2 = 144 + 25
      ⇒ AE2 = 169
      ⇒ AE = 13

       ∴ শুরুর স্থান থেকে তার সরাসরি দূরত্ব 13 কি.মি.।

      ১২০.
      প্রদত্ত চিত্রটি গঠন করতে সর্বনিম্ন কতটি সরলরেখা লাগবে?
      1. ৯ টি
      2. ১২ টি
      3. ১৫ টি
      4. ১৬ টি
      সঠিক উত্তর:
      ১২ টি
      উত্তর
      সঠিক উত্তর:
      ১২ টি
      ব্যাখ্যা

      প্রশ্ন: প্রদত্ত চিত্রটি গঠন করতে সর্বনিম্ন কতটি সরলরেখা লাগবে?


      সমাধান:


      আনুভূমিক বরাবর সরলরেখা DE, FH, IL এবং BC মোট ৪টি।

      তীর্যক সরলরেখা AC, DO, FN, IM, AB, EM, HN এবং LO মোট ৮টি

      ∴ মোট সরল রেখা লাগে = ৮ + ৪ = ১২টি

      ১২১.
      যদি স্প্রিং A-তে একটি বল প্রয়োগের ফলে এটি 186 cm. প্রসারিত হয়, তাহলে একই বল স্প্রিং B-কে কতটুকু প্রসারিত করবে?
      1. 46.5 cm.
      2. 87 cm.
      3. 93 cm.
      4. 102 cm.
      সঠিক উত্তর:
      46.5 cm.
      উত্তর
      সঠিক উত্তর:
      46.5 cm.
      ব্যাখ্যা

      প্রশ্ন: যদি স্প্রিং A-তে একটি বল প্রয়োগের ফলে এটি 186 cm প্রসারিত হয়, তাহলে একই বল স্প্রিং B-কে কতটুকু প্রসারিত করবে?


      সমাধান:

      সমান্তরালভাবে থাকা স্প্রিংগুলিতে প্রয়োগকৃত মোট বলটি সমানভাবে বিভক্ত হয়।
      স্প্রিং B-তে ২টি স্প্রিং সমান্তরালভাবে যুক্ত থাকায় প্রত্যেক স্প্রিংয়ের উপর কার্যকর বল হবে F/2।

      স্প্রিং A-তে ২টি স্প্রিং সিরিজে যুক্ত থাকায় মোট প্রসারণ 186 cm হয়েছে, অর্থাৎ
      একটি স্প্রিংয়ের জন্য কার্যকর প্রসারণ = 186/2 = 93 cm।

      এখন একই মোট বল স্প্রিং B-তে প্রয়োগ করলে, সমান্তরাল সংযোগের কারণে প্রসারণ হবে ওই মানের অর্ধেক।

      ∴ স্প্রিং B-এর প্রসারণ
      = 93/2 cm
      = 46.5 cm

      ১২২.
      ঘড়িতে 5 : 15 মিনিট বাজার সময় ঘণ্টার কাঁটা ও মিনিটের কাঁটার মধ্যবর্তী কোণ কত হবে?
      1. 55°
      2. 67.5°
      3. 72.5°
      4. 62°
      সঠিক উত্তর:
      67.5°
      উত্তর
      সঠিক উত্তর:
      67.5°
      ব্যাখ্যা

      প্রশ্ন: ঘড়িতে 5 : 15 মিনিট বাজার সময় ঘণ্টার কাঁটা ও মিনিটের কাঁটার মধ্যবর্তী কোণ কত হবে?

      সমাধান:
      ঘণ্টার কাঁটা ও মিনিটের কাঁটার মধ্যবর্তী কোণ,
      = |(11 × M - 60 × H)/2|
      = |(11 × 15 - 60 × 5)/2|
      = |(165 - 300)/2|
      = |- 135/2|
      = |- 67.5|
      = 67.5°

      ১২৩.
      (X) চিত্রটিকে পানিতে কেমন দেখাবে?
      1. 1
      2. 2
      3. 3
      4. 4
      সঠিক উত্তর:
      2
      উত্তর
      সঠিক উত্তর:
      2
      ব্যাখ্যা

      প্রশ্ন: (X) চিত্রটিকে পানিতে কেমন দেখাবে?


      সমাধান:
      পানিতে কোনো বস্তুর প্রতিফলন বা 'Water Image' নির্ণয়ের ক্ষেত্রে বস্তুর ওপরের অংশ নিচে এবং নিচের অংশ ওপরে চলে যায়, কিন্তু ডানে-বামে কোনো পরিবর্তন হয় না।


      (2) নং চিত্রের সাথে মিলে।

      ১২৪.
      প্রদত্ত ধারার পরবর্তী সংখ্যাটি কত হবে?
      ৭, ১৫, ৩১, ৬৩, ১২৭, ____
      1. ২২১
      2. ২৫৫
      3. ২৬৭
      4. ২৭৫
      সঠিক উত্তর:
      ২৫৫
      উত্তর
      সঠিক উত্তর:
      ২৫৫
      ব্যাখ্যা

      প্রশ্ন: প্রদত্ত ধারার পরবর্তী সংখ্যাটি কত হবে?
      ৭, ১৫, ৩১, ৬৩, ১২৭, ____

      সমাধান:
      ১ম পদ = ৭
      ২য় পদ = ৭ × ২ + ১ = ১৫
      ৩য় পদ = ১৫ × ২ + ১ = ৩১
      ৪র্থ পদ = ৩১ × ২ + ১ = ৬৩
      ৫ম পদ = ৬৩ × ২ + ১ = ১২৭
      ৬ষ্ঠ পদ =১২৭ × ২ + ১ = ২৫৫

      ১২৫.
      একটি ছবিতে একজন পুরুষের দিকে ইঙ্গিত করে একজন মহিলা বলেন, 'তার ভাইয়ের বাবা আমার দাদার একমাত্র ছেলে।' ছবির পুরুষের সঙ্গে উক্ত মহিলার সম্পর্ক কী?
      1. বাবা
      2. ভাই
      3. চাচা
      4. স্বামী
      সঠিক উত্তর:
      ভাই
      উত্তর
      সঠিক উত্তর:
      ভাই
      ব্যাখ্যা

      প্রশ্ন: একটি ছবিতে একজন পুরুষের দিকে ইঙ্গিত করে একজন মহিলা বলেন, 'তার ভাইয়ের বাবা আমার দাদার একমাত্র ছেলে।' ছবির পুরুষের সঙ্গে উক্ত মহিলার সম্পর্ক কী?

      সমাধান:
      তাঁর বলতে ছবির পুরুষ।
      তার ভাইয়ের বাবা = ছবির পুরুষের বাবা

      আমার দাদার একমাত্র ছেলে হলো মহিলার বাবা
      ছবির পুরুষের বাবা = মহিলার বাবা
      ∴ তাদের তিন জনের বাবা একজনই ।

      ∴ ছবির পুরুষের সঙ্গে উক্ত মহিলার সম্পর্ক ভাই।

      ১২৬.
      প্রশ্নবোধক স্থানে কোন সংখ্যা বসবে?
              17  (112)  39
              28   ( ? )   49
      1. 84
      2. 96
      3. 148
      4. 154
      সঠিক উত্তর:
      154
      উত্তর
      সঠিক উত্তর:
      154
      ব্যাখ্যা

      প্রশ্ন: প্রশ্নবোধক স্থানে কোন সংখ্যা বসবে?
              17  (112)  39
              28   ( ? )   49

      সমাধান:
      বন্ধনীর দুই পাশের সংখ্যার যোগফলের দ্বিগুণ বন্ধনীতে বসবে।
      17 + 39 = 56 ⇒ 56 × 2 = 112
      28 + 49 = 77 ⇒ 77 × 2 = 154

      ১২৭.
      কোনটি প্রতিরোধমূলক রক্ষণাবেক্ষণের উদাহরণ?
      1. অপারেটিং সিস্টেম পুনঃস্থাপন করা
      2. সংক্রমণের পর ভাইরাস অপসারণ করা
      3. নষ্ট হার্ড ড্রাইভ পরিবর্তন করা
      4. অভ্যন্তরীণ অংশ থেকে ধুলো পরিষ্কার করা
      সঠিক উত্তর:
      অভ্যন্তরীণ অংশ থেকে ধুলো পরিষ্কার করা
      উত্তর
      সঠিক উত্তর:
      অভ্যন্তরীণ অংশ থেকে ধুলো পরিষ্কার করা
      ব্যাখ্যা

      • প্রতিরোধমূলক রক্ষণাবেক্ষণ (Preventive Maintenance) হল এমন ধরনের রক্ষণাবেক্ষণ যা কোনো যন্ত্র বা সিস্টেমের সমস্যা দেখা দেওয়ার আগেই তা প্রতিরোধ করার উদ্দেশ্যে করা হয়। এর মূল লক্ষ্য হলো যন্ত্রপাতি বা সিস্টেমের কার্যকারিতা বজায় রাখা এবং বড় ধরনের ক্ষতি বা ব্যর্থতা এড়ানো। প্রদত্ত উদাহরণগুলোর মধ্যে, অপারেটিং সিস্টেম পুনঃস্থাপন করা, সংক্রমণের পর ভাইরাস অপসারণ করা বা নষ্ট হার্ড ড্রাইভ পরিবর্তন করা সবই ঘটার পরে করা রক্ষণাবেক্ষণ, যা সমস্যা সমাধানের জন্য করা হয়।
      - অন্যদিকে, অভ্যন্তরীণ অংশ থেকে ধুলো পরিষ্কার করা একটি প্রতিরোধমূলক কাজ, কারণ এটি হার্ডওয়্যার সঠিকভাবে চলতে সাহায্য করে এবং ভবিষ্যতে সমস্যা হওয়ার সম্ভাবনা কমায়। তাই, প্রদত্ত অপশন গুলোর মধ্যে “ঘ) অভ্যন্তরীণ অংশ থেকে ধুলো পরিষ্কার করা” প্রতিরোধমূলক রক্ষণাবেক্ষণের উদাহরণ।

       
      • কম্পিউটার রক্ষণাবেক্ষণ:
      - কম্পিউটার অনেক দিন কার্যক্ষম রাখতে এর রক্ষণাবেক্ষণ প্রয়োজন।
      - পার্সোনাল কম্পিউটার বা ডেস্কটপ, ল্যাপটপসহ সকল ধরনের কম্পিউটার এর সঠিক ব্যবহার, পরিচর্যা এবং ট্রাবলশুটিং করা এবং প্রয়োজন অনুযায়ী সফ্টওয়্যার ও হার্ডওয়‍্যার ইন্সটল এবং আন-ইন্সটল করাকে কম্পিউটার রক্ষণাবেক্ষণ বলা হয়।
      - কম্পিউটার ব্যবহার করার সময় অনেক টেম্পোরারি ফাইল তৈরি হয়।
      - অনেক দিন এ ফাইলগুলো না মুছে দিলে হার্ডডিস্কের অনেক জায়গা দখল করে থাকে এবং এই অস্থায়ী ফাইলগুলো কাজের গতি কমিয়ে দেয়।
      - অস্থায়ী ফাইলগুলো ডিলিট করে দিলে হার্ডডিস্কের বেশ খানিকটা জায়গা খালি হয় এবং কম্পিউটার এর কাজের গতিও অনেক বেড়ে যায়।
      - ইন্টারনেট ব্যবহার করলে ইন্টারনেট ব্রাউজারের ক্যাশ মেমরিতে অনেক টেম্পোরারি ফাইল ও কুকিজ জমতে থাকে।
      - প্রতিদিন সম্ভব না হলে কিছুদিন পরপর ক্যাশ মেমোরি পরিস্কার করতে হয়। এ কাজটি করতে সফ্টওয়্যার সাহায্য করতে পারে।

      উৎস:
      - তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
      - IBM. [link]

      ১২৮.
      কোনটি অপটিক্যাল ক্যারেক্টার রিকগনিশন (OCR) সফটওয়্যারের উদাহরণ?
      1. Adobe Photoshop
      2. Tesseract
      3. VLC Media Player
      4. WinRAR
      সঠিক উত্তর:
      Tesseract
      উত্তর
      সঠিক উত্তর:
      Tesseract
      ব্যাখ্যা

      • অপটিক্যাল ক্যারেক্টার রিকগনিশন (OCR) হলো একটি প্রযুক্তি যা ছবি বা স্ক্যান করা ডকুমেন্ট থেকে লেখা বা অক্ষর চিনতে এবং ডিজিটাল টেক্সটে রূপান্তর করতে সক্ষম। OCR সফটওয়্যার মূলত পিডিএফ, ছবি বা স্ক্যান করা নথি থেকে তথ্য বের করতে ব্যবহৃত হয়, যা পরে সম্পাদনা, অনুসন্ধান বা সংরক্ষণ করা যায়। এই সফটওয়্যারের উদাহরণ হলো Tesseract, যা একটি ওপেন সোর্স OCR ইঞ্জিন। এটি বিভিন্ন ভাষার লেখা চিনতে পারে এবং টেক্সটকে প্রোগ্রাম্যাটিকভাবে প্রসেস করার সুবিধা দেয়। অন্যদিকে, Adobe Photoshop হলো ছবি সম্পাদনার সফটওয়্যার, VLC Media Player ভিডিও প্লেয়ার, আর WinRAR ফাইল কমপ্রেশন টুল; এরা OCR এর কাজ করে না। 
      - তাই সঠিক উত্তর হলো খ) Tesseract.


      ​OCR:
      - OCR -এর পূর্ণ নাম হলো Optical Character Reader.
      - এটি মূলত একটি ইনপুট ডিভাইস হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
      - সাধারণত OCR বিভিন্ন আকারের দাগ, চিহ্ন এবং সব ধরনের আলফানিউমেরিক ক্যারেক্টার পড়তে পারে।
      - এটি এমনভাবে তৈরি করা হয়েছে যে শুধুমাত্র ছাপার লেখা না, হাতের লেখা পর্যন্ত পড়তে পারে।
      - OCR-এর কার্যপ্রণালী মূলত OCR সফটওয়্যারের মাধ্যমে সম্পাদিত হয়।
      - এ ক্ষেত্রে OCR যন্ত্রটি প্রথমে ডকুমেন্টের বিটম্যাপ ইমেজ তৈরি করে।
      - অতঃপর OCR সফটওয়‍্যার সেগুলোকে ASCII টেক্সটে রূপান্তরিত করে ফলে কম্পিউটার বিভিন্ন অক্ষর, বর্ণ, সংখ্যা বা বিশেষ ক্যারেক্টার চিনতে পারে।

      ​OCR এর ব্যবহার:
      - ইনস্যুরেন্স প্রিমিয়াম নোটিশ,
      - চিঠির পিনকোড,
      - ক্যাশ রেজিস্টার,
      - ইলেকট্রিক বিল ইত্যাদি পড়ার জন্য OCR ব্যবহৃত হয়।

      উৎস:
      - মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
      - সংশ্লিষ্ট ওয়েবসাইট। 

      ১২৯.
      ইন্টারনেট অব থিংস (IoT)-এ সেন্সরগুলোর মূল ভূমিকা কী?
      1. ডেটা এনক্রিপশন
      2. ডেটা ভিজুয়ালাইজেশন
      3. ডেটা সংগ্রহ
      4. ডেটা সংরক্ষণ
      সঠিক উত্তর:
      ডেটা সংগ্রহ
      উত্তর
      সঠিক উত্তর:
      ডেটা সংগ্রহ
      ব্যাখ্যা

      • ইন্টারনেট অব থিংস (IoT)-এ সেন্সরগুলোর মূল ভূমিকা হলো ডেটা সংগ্রহ করা। সেন্সরগুলো বিভিন্ন ডিভাইসে স্থাপন করা থাকে যা পরিবেশ, যন্ত্রপাতি, বা ব্যবহারকারীর সাথে সম্পর্কিত তথ্য পর্যবেক্ষণ করে। যেমন তাপমাত্রা, আর্দ্রতা, চাপ, গতি বা অবস্থান সংক্রান্ত তথ্য তারা সনাক্ত করে। এই তথ্যগুলো IoT সিস্টেমে পাঠানো হয় যেখানে তা প্রক্রিয়াজাত এবং বিশ্লেষণ করা যায়। সেন্সর ছাড়া IoT ডিভাইস বাস্তব বিশ্বের পরিবর্তন বা কার্যক্রম সম্পর্কে সচেতন হতে পারে না। তাই ডেটা এনক্রিপশন, ভিজুয়ালাইজেশন বা সংরক্ষণ হলেও, সেন্সরের মূল কাজ সবসময় তথ্য সংগ্রহ।

      - সঠিক উত্তর: গ) ডেটা সংগ্রহ।

      • ইন্টারনেট অফ থিংস (IoT):
      - ইন্টারনেট অফ থিংস (IoT) হলো এমন একটি নেটওয়ার্ক যা যন্ত্রপাতি ও ডিভাইসকে ইন্টারনেট এবং একে অপরের সাথে সংযুক্ত হতে সক্ষম করে, ইন্টারনেট প্রোটোকল (IP) এবং ট্রান্সমিশন কন্ট্রোল প্রোটোকল (TCP) ব্যবহার করে।
      - এই প্রোটোকলগুলো ইথারনেট, ওয়াই-ফাই, ব্লুটুথ এবং ৫জি-র মতো সেলুলার নেটওয়ার্কের মাধ্যমে ডেটা বিনিময় সহজ করে, শারীরিক ও ডিজিটাল জগতের মধ্যে সেতুবন্ধন তৈরি করে।

      • IoT ডিভাইসের ধরণ:
      ১. ডিজিটাল-প্রথম (Digital-first): যেমন স্মার্টফোন, যেগুলিতে বিল্ট-ইন কানেক্টিভিটি থাকে এবং যন্ত্র থেকে যন্ত্রে (M2M) যোগাযোগ করে।
      ২. শারীরিক-প্রথম (Physical-first): প্রচলিত বস্তু যেমন যানবাহন বা মেডিক্যাল ডিভাইস, যেগুলিতে মাইক্রোচিপ বা সেন্সর যুক্ত করে তাদের কার্যকারিতা এবং ট্র্যাকিং সক্ষমতা বাড়ানো হয়।

      • IoT-এর ব্যবহার:
      - ব্যক্তিগত স্বাস্থ্য মনিটরিং
      - স্মার্ট ট্রাফিক নেটওয়ার্ক
      - সংযুক্ত স্টোরেজ ট্যাংক
      - COVID-19 মহামারীর সময় সংযুক্ত থার্মোমিটার জ্বর মনিটর করে ভাইরাসের বিস্তার ট্র্যাক করেছে।
      - কৃষি, পরিবহন, এবং স্বাস্থ্যসেবায় সম্পদ ব্যবহার ও কার্যকারিতা বাড়ানো।

      • ইতিহাস:
      - ব্রিটিশ প্রযুক্তিবিদ কেভিন অ্যাশটন ১৯৯৯ সালে "Internet of Things" শব্দটি প্রবর্তন করেন।

      • সুরক্ষা ও গোপনীয়তা চ্যালেঞ্জ:
      - সংযুক্তি বৃদ্ধি ডেটা লঙ্ঘন এবং অবৈধ প্রবেশের সম্ভাবনা বাড়ায়।
      - নিরাপত্তার অভাবে ব্যক্তিগত স্বাস্থ্য ও আর্থিক তথ্যসহ ডেটা হারানো, চুরি হওয়া বা অপব্যবহার হতে পারে।

      উৎস: ব্রিটানিকা। 

      ১৩০.
      গ্রাফিক্যাল ইউজার ইন্টারফেস (GUI) ব্যবহার করতে কোন ডিভাইসটি বেশি ব্যবহৃত হয়?
      1. সার্ভার
      2. মাউস
      3. রাউটার
      4. কম্পাইলার
      সঠিক উত্তর:
      মাউস
      উত্তর
      সঠিক উত্তর:
      মাউস
      ব্যাখ্যা

      • গ্রাফিক্যাল ইউজার ইন্টারফেস (GUI) ব্যবহার করতে সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত ডিভাইস হলো মাউস। GUI হলো এমন একটি ইন্টারফেস যা ব্যবহারকারীকে চিত্র, আইকন, বোতাম এবং মেনুর মাধ্যমে কম্পিউটার বা সফটওয়্যারের সঙ্গে যোগাযোগের সুযোগ দেয়। মাউসের সাহায্যে ব্যবহারকারী সহজেই কনট্রোল প্যানেল, ফাইল, অ্যাপ্লিকেশন এবং অন্যান্য ফাংশন ব্যবহার করতে পারে। এটি কীবোর্ডের তুলনায় আরও ইন্টারেক্টিভ এবং সহজ।
      - অন্য অপশনগুলো যেমন সার্ভার, রাউটার বা কম্পাইলার সরাসরি GUI ব্যবহার করতে সাহায্য করে না; তারা মূলত ডাটা প্রসেসিং, নেটওয়ার্কিং বা প্রোগ্রাম কম্পাইল করার জন্য ব্যবহৃত হয়। তাই GUI ব্যবহারে মাউসই প্রধান ডিভাইস।

       
      • চিত্রভিত্তিক বা গ্রাফিক্যাল অপারেটিং সিস্টেম:
      - গ্রাফিক্সের বা চিত্রের মাধ্যমে কমান্ড প্রয়োগ করে কম্পিউটার পরিচালনা করা গেলে তাকে চিত্রভিত্তিক বা গ্র্যাফিক্যাল অপারেটিং সিস্টেম বলে।
      - এ ধরনের অপারেটিং সিস্টেমে ডিস্ক ফরমেটিং থেকে শুরু করে ফাইল ব্যবস্থাপনা এবং অ্যাপ্লিকেশন প্রোগ্রামের সব কাজ করতে হয় বিভিন্ন প্রকার আইকন এবং পুলডাউন মেন্যু ব্যবহার করে।
      - প্রয়োজনীয় প্রোগ্রামের আইকনের ওপর মাউস দিয়ে ডবল ক্লিক করলে প্রোগ্রামটি চালু হয়।
      - Windows 95/98/Xp/2000/7, Mac OS ইত্যাদি চিত্রভিত্তিক অপারেটিং সিস্টেমের উদাহরণ।

      • এই অপারেটিং সিস্টেমের উল্লেখযোগ্য বৈশিষ্ট্যসমূহ হলো:
      ১. চিত্রভিত্তিক অপারেটিং সিস্টেমে কম্পিউটার চালু করার পর ডেস্কটপে বিভিন্ন প্রোগ্রামের আইকন বা প্রতীক থাকে।
      ২. বিভিন্ন প্রকার আইকন এবং পুল ডাউন মেন্যু কমান্ড ব্যবহার করে কম্পিউটারকে প্রয়োজনীয় নির্দেশ প্রদান করা হয়।
      ৩. কমান্ডের জন্য মেন্যু এবং প্রতিটি মেন্যুর আওতায় অনেক পুল ডাউন মেনু কমান্ড থাকে।
      ৪. মাউসের সাহায্যে Icon এবং পুল ডাউন মেনু কমান্ড কার্যকরী করা যায়।
      ৫. নতুন কোনো হার্ডওয়‍্যার বা সফটওয়্যার সংযোগ করা হলে কম্পিউটার নিজে থেকে বুঝতে পারে কোথায় সংযোগ করা হয়েছে।
      ৬. নেটওয়ার্কিং, শেয়ারিং ও ইন্টারনেটব্যবস্থা অত্যন্ত কার্যকর।
      ৭. এ ধরনের সিস্টেমের জন্য ব্যবহারকারীকে কোনো ধরনের কমান্ড মুখস্থ রাখতে হয় না।
      ৮. মাল্টিমিডিয়া সিস্টেম কার্যকর।
      ৯. এ ধরনের অপারেটিং সিস্টেমের জন্য কম্পিউটারে বেশি মেমরির প্রয়োজন হয়।

      উৎস:
      - মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
      - Britannica. [link]

      ১৩১.
      মাল্টি-কোর মাইক্রোপ্রসেসরের মূল সুবিধা কোনটি?
      1. আকারে বড়
      2. কম দাম
      3. বেশি স্টোরেজ ক্ষমতা
      4. একই সাথে একাধিক কাজ সম্পাদন
      সঠিক উত্তর:
      একই সাথে একাধিক কাজ সম্পাদন
      উত্তর
      সঠিক উত্তর:
      একই সাথে একাধিক কাজ সম্পাদন
      ব্যাখ্যা

      • মাল্টি-কোর মাইক্রোপ্রসেসরের প্রধান সুবিধা হলো এটি একাধিক কাজ একযোগে সম্পাদনের সক্ষমতা প্রদান করে। একাধিক প্রসেসর কোর থাকায়, একটি কোর যখন একটি প্রোগ্রাম বা টাস্ক সম্পন্ন করছে, অন্য কোর একই সময়ে অন্য প্রোগ্রাম বা টাস্ক সম্পাদন করতে পারে। এর ফলে কম্পিউটারের গতি এবং কর্মদক্ষতা বৃদ্ধি পায়, বিশেষ করে জটিল বা বহু-প্রক্রিয়াজাতকরণ (multi-threaded) কাজের ক্ষেত্রে। একক কোর প্রসেসরের তুলনায় মাল্টি-কোর সিস্টেমে কাজের বিলম্ব কমে এবং সম্পূর্ণ সিস্টেমের পারফরম্যান্স উন্নত হয়। তাই মূল সুবিধা হলো একসাথে একাধিক কাজ সম্পাদন করা, যা ব্যবহারের অভিজ্ঞতাকে দ্রুত ও কার্যকর করে।
      - সঠিক উত্তর: ঘ) একই সাথে একাধিক কাজ সম্পাদন।

      • মাইক্রোপ্রসেসর:
      - কম্পিউটারের কার্যব্যবস্থাকে সঠিকভাবে নিয়ন্ত্রণ ও পরিচালনা করার জন্য কম্পিউটারের যে অংশটি বা হার্ডওয়্যারটি সর্বাধিক ভূমিকা পালন করে, তাকে মাইক্রোপ্রসেসর বা প্রসেসর হিসেবে অভিহিত করা হয়।
      - মাইক্রোপ্রসেসরের প্রতিষ্ঠাতা হলেন টেড হফ।
      - যুক্তরাষ্ট্রের ইন্টেল কর্পোরেশন ১৯৭১ সালে প্রথম মাইক্রোপ্রসেসর উদ্ভাবন করে।
      - মাইক্রোপ্রসেসর হলো সিলিকনের তৈরি এক ধরনের ভিএলএসআই (VLSI-Very Large Scale Integration) চিপ।
      - মাইক্রোপ্রসেসর কম্পিউটারের কেন্দ্রীয় প্রক্রিয়াকরণ অংশ হিসেবে কাজ করে।
      - মাইক্রোপ্রসেসরকেই মাইক্রোকম্পিউটারের মস্তিষ্ক বা ব্রেইন বলা হয়।
      - মাইক্রোপ্রসেসর ব্যবহারের ফলে কম্পিউটারের আকার আরো ছোট হয়ে যায়, দাম কমে যায় এবং বিদ্যুৎ খরচ কমে যায় যার ফলে কাজ করার ক্ষমতা, কাজের গতি ও নির্ভরশীলতা বহুগুণে বেড়ে যায়।
      - বিটের সংখ্যার ওপর ভিত্তি করে মাইক্রোপ্রসেসরের নামকরণ করা হয়ে থাকে। যথা: 4 বিট মাইক্রোপ্রসেসর, 16 বিট মাইক্রোপ্রসেসর, 32 বিট মাইক্রোপ্রসেসর, 64 বিট মাইক্রোপ্রসেসর ইত্যাদি।
      - বাণিজ্যিকভাবে নির্মিত বিশ্বের প্রথম মাইক্রোপ্রসেসর Intel 4004.

      উৎস:
      - মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
      - sciencedirect. [link]

      ১৩২.
      ASCII মূলত কোন ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়?
      1. টেক্সট উপস্থাপনা 
      2. ইমেজ প্রক্রিয়াকরণ
      3. অডিও কমপ্রেশন
      4. ভিডিও স্ট্রিমিং
      সঠিক উত্তর:
      টেক্সট উপস্থাপনা 
      উত্তর
      সঠিক উত্তর:
      টেক্সট উপস্থাপনা 
      ব্যাখ্যা

      • ASCII মূলত টেক্সট উপস্থাপনার জন্য ব্যবহৃত হয়। এটি একটি স্ট্যান্ডার্ড চরিত্র এনকোডিং সিস্টেম, যা কম্পিউটার এবং অন্যান্য ডিভাইসগুলিতে অক্ষর, সংখ্যা এবং কিছু বিশেষ চিহ্নকে বাইনারি ফরম্যাটে রূপান্তর করে সংরক্ষণ ও প্রেরণের সুযোগ দেয়। উদাহরণস্বরূপ, ‘A’ অক্ষরটি ASCII অনুযায়ী ৬৫ নম্বরের বাইনারি মানের মাধ্যমে প্রকাশ করা হয়। এটি প্রধানত কম্পিউটার প্রোগ্রামিং, ডেটা স্টোরেজ এবং টেক্সট কমিউনিকেশনে ব্যবহৃত হয়। যদিও ইমেজ প্রক্রিয়াকরণ, অডিও কমপ্রেশন বা ভিডিও স্ট্রিমিং-এ অন্যান্য এনকোডিং পদ্ধতি প্রযোজ্য, ASCII শুধু টেক্সটকে ডিজিটালভাবে উপস্থাপন ও আদানপ্রদানের জন্য কার্যকর।
      - তাই সঠিক উত্তর হলো ক) টেক্সট উপস্থাপনা।

      • ASCII এর পূর্ণরূপ American Standard Code for Information Interchange.
      -  ASCII (উচ্চারণ: অ্যাসকি) হল একটি ক্যারেক্টার এনকোডিং স্ট্যান্ডার্ড, যা কম্পিউটার ও অন্যান্য ডিভাইসের মধ্যে টেক্সট তথ্য বিনিময়ের জন্য ব্যবহৃত হয়।
      - এটি একটি নির্দিষ্ট এনকোডিং পদ্ধতি যা টেক্সটকে কম্পিউটারের জন্য বোধগম্য করে তোলে।

      • অ্যাসকি কোড (ASCII Code):
      - পূর্ণরূপ: ASCII শব্দের পূর্ণরূপ হলো American Standard Code for Information Interchange.
      - আবিষ্কার: ASCII কোডটি ১৯৬৩ সালে আমেরিকান ন্যাশনাল স্ট্যান্ডার্ড ইনস্টিটিউট (ANSI) কর্তৃক আবিষ্কৃত হয়।

      • বৈশিষ্ট্য:
      - এটি একটি ৭ বিটের কোড, যা দ্বারা ১২৮টি বিভিন্ন অংক, অক্ষর, চিহ্ন এবং কিছু বিশেষ চিহ্ন প্রকাশ বা নির্দিষ্ট করা যায়।
      - এই কোডটি ASCII-৭ কোড নামে পরিচিত।

      • ASCII-৮ কোড:
      - ASCII-৭ কোডের সর্ববামে একটি প্যারিটি বিট যোগ করলে ASCII-৮ কোড তৈরি হয়।
      - ASCII-৮ কোড মাধ্যমে ২৫৬টি বিভিন্ন অংক, অক্ষর, চিহ্ন এবং অন্যান্য বিশেষ চিহ্ন প্রকাশ বা নির্দিষ্ট করা যায়।
      - এভাবে কোডের বিভিন্ন সংস্করণ ও তাদের বৈশিষ্ট্য গুলি স্পষ্টভাবে বোঝানো হয়েছে।

      উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

      ১৩৩.
      এম্বেডেড সিস্টেমের জন্য প্রাথমিক মেমরি কোনটি?
      1. Magnetic tape
      2. Flash storage
      3. ROM (Read-Only Memory)
      4. Hard Disk Drive (HDD)
      সঠিক উত্তর:
      ROM (Read-Only Memory)
      উত্তর
      সঠিক উত্তর:
      ROM (Read-Only Memory)
      ব্যাখ্যা

      • এম্বেডেড সিস্টেমে প্রাথমিক মেমরি হিসেবে সাধারণত ROM (Read-Only Memory) ব্যবহার করা হয়। এটি এমন একটি স্থায়ী মেমরি যা সিস্টেমের প্রয়োজনীয় প্রোগ্রাম ও তথ্য সংরক্ষণ করতে সক্ষম। এম্বেডেড ডিভাইসে ROM ব্যবহার করার মূল কারণ হলো এটি পাওয়ার বন্ধ হলেও তথ্য হারায় না এবং সিস্টেম বুট করার সময় তা সরাসরি প্রয়োজনীয় নির্দেশাবলী প্রদান করতে পারে। অন্যদিকে, Magnetic tape, Flash storage বা HDD প্রাথমিক মেমরির জন্য সাধারণত ব্যবহার করা হয় না, কারণ এগুলো ধীরে কাজ করে বা পরিবর্তনযোগ্য তথ্য সংরক্ষণে বেশি ব্যবহৃত হয়। তাই এম্বেডেড সিস্টেমের জন্য প্রাথমিক মেমরি হিসেবে ROM সবচেয়ে উপযুক্ত।

      - সঠিক উত্তর: গ) ROM (Read-Only Memory).

      • এমবেডেড কম্পিউটার:
      - এমবেডেড কম্পিউটার হলো একটি বিশেষায়িত কম্পিউটার সিস্টেম যা একটি বৃহৎ সিস্টেম বা মেশিনের অংশবিশেষ হিসাবে ব্যবহৃত হয়।
      - এটি হলো মাইক্রোপ্রসেসর, সুনির্দিষ্ট নির্দেশনা সম্বলিত মেমরি বা রম এবং ইনপুট/আউটপুট সিস্টেমের সমন্বয়ে গঠিত এক প্রকার কম্পিউটার।
      - এম্বেডেড সিস্টেমে সাধারণত একটি মাইক্রোপ্রসেসর বোর্ড এবং কিছু সুনির্দিষ্ট প্রোগ্রাম সম্বলিত রম থাকে।
      - আধুনিক এম্বেডেড সিস্টেমে মাইক্রোকন্ট্রলার এর ব্যবহার হয়।
      - এতে মনিটর কিংবা অন্যান্য হার্ডওয়্যার থাকে না।
      - এটি কেবলে সুনির্দিষ্ট করে দেওয়া কতিপয় কাজই সেল ফোন, এসি, প্রিন্টার, থার্মোস্ট্যাট, ভিডিও গেমস্, করে।
      - বিশ্বের প্রথম এমবেডেড কম্পিউটার হলো The Apollo Guidance Computer.

      উৎস: ব্রিটানিকা।

      ১৩৪.
      (726)10 কে base-16 এ প্রকাশ করলে মান কত হয়?
      1. 2D6
      2. 2E5
      3. 3F4
      4. 2E3
      সঠিক উত্তর:
      2D6
      উত্তর
      সঠিক উত্তর:
      2D6
      ব্যাখ্যা

      • (726)10 কে base-16 এ প্রকাশ করলে মান কত হয়: 2D6

      • দশমিক সংখ্যাকে হেক্সাডেসিমেল সংখ্যায় রূপান্তর: 
      - দশমিক পূর্ণ সংখ্যাকে হেক্সাডেসিমেল সংখ্যায় রূপান্তরের জন্য সংখ্যাটিকে 16 দ্বারা (যেহেতু হেক্সাডেসিমেল সংখ্যা পদ্ধতির ভিত্তি হচ্ছে 16) উপর্যুপরি ভাগ করতে হবে যতক্ষণ পর্যন্ত না ভাগফল শূন্য (০) হয়।
      - অতঃপর ভাগশেষগুলোকে সর্বোচ্চ গুরুত্বপূর্ণ অংক (MSD) থেকে সর্বনিম্ন গুরুত্বপূর্ণ অংক (LSD) পর্যন্ত ধারাবাহিকভাবে বাম থেকে ডানে সাজালে সংখ্যাটির সমতুল্য হেক্সাডেসিমেল সংখ্যা পাওয়া যাবে।

      ১. দশমিক সংখ্যাকে হেক্সাডেসিমেল সংখ্যায় রূপান্তরিত করার জন্য দশমিক সংখ্যাকে ১৬ দিয়ে ভাগ করে ভাগশেষকে সংরক্ষণ করতে হবে।
      ২. ভাগফলকে পুনরায় ১৬ দিয়ে ভাগ করে ভাগশেষকে সংরক্ষণ করতে হবে।
      ৩. এ পদ্ধতির পুনরাবৃত্তি করতে হবে যতক্ষণ না ভাজ্য ০ হয়।
      ৪. সংরক্ষিত ভাগশেষগুলোকে শেষ থেকে প্রথম দিকে ধারাবাহিকভাবে অর্থাৎ উল্টো করে সাজিয়ে লিখলে ১ থেকে F এর সমন্বয়ে যে সংখ্যাটি পাওয়া যায় তাই দশমিক সংখ্যার সমকক্ষ হেক্সাডেসিমেল সংখ্যা।
      ৫. ভাগশেষ সংরক্ষণের ক্ষেত্রে যদি ভাগশেষ ১০ থেকে ১৫ হয় তবে যথাক্রমে ১০→ A, ১১→ B, ১২→ C, ১৩→ D, ১৪→ E ও ১৫→ F সংখ্যা লিখতে হবে।

       

      উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

      ১৩৫.
      কোনটি অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যারের উদাহরণ?
      1. ওয়ার্ড প্রসেসর
      2. কম্পাইলার
      3. অপারেটিং সিস্টেম
      4. ইউটিলিটি সফটওয়্যার
      সঠিক উত্তর:
      ওয়ার্ড প্রসেসর
      উত্তর
      সঠিক উত্তর:
      ওয়ার্ড প্রসেসর
      ব্যাখ্যা

      • অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার হল সেই ধরনের সফটওয়্যার যা সরাসরি ব্যবহারকারীর কাজ সম্পাদনে সাহায্য করে। এটি ব্যবহারকারীর নির্দিষ্ট চাহিদা পূরণ করে, যেমন নথি তৈরি করা, ইমেইল পাঠানো বা ছবি সম্পাদনা করা। এই প্রসঙ্গে, ওয়ার্ড প্রসেসর একটি উদাহরণ। ওয়ার্ড প্রসেসর ব্যবহার করে আমরা নথি লিখতে, সম্পাদনা করতে, ফরম্যাট করতে এবং প্রিন্ট করতে পারি। অন্যদিকে, কম্পাইলার, অপারেটিং সিস্টেম এবং ইউটিলিটি সফটওয়্যার হলো সিস্টেম সফটওয়্যার, যা মূলত কম্পিউটারকে চালাতে এবং অন্যান্য সফটওয়্যারকে কাজ করতে সাহায্য করে।
      - তাই সরাসরি ব্যবহারকারীর কাজে ব্যবহারের জন্য ওয়ার্ড প্রসেসরই অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যারের উদাহরণ।

      • Application Software:
      - অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার কম্পিউটারে বিভিন্ন ধরনের ব্যবহারিক কাজের জন্য তৈরি হয়।
      - কাজের প্রকৃতি অনুসারে সাধারণত বিভিন্ন ধরনের ব্যবহারিক প্রোগ্রাম তৈরি করা হয়।
      - যে সকল সফটওয়্যার ব্যবহার করে ব্যবহারিক সমস্যা সমাধান বা ডেটা প্রক্রিয়াকরণের কাজ করতে পারে তাকে অ্যাপ্লিকেশন প্রোগ্রাম বা ব্যবহারিক সফটওয়্যার বলা হয়।
      - অ্যাপ্লিকেশন প্রোগ্রাম সাধারণত ব্যবহারকারীকে টেক্সট, সংখ্যা কিংবা ছবি নিয়ে বিভিন্ন কাজ করার সুযোগ দেয়।
      - একাউন্টিং সফটওয়্যার, অফিস সফটওয়্যার, গ্রাফিক্স সফটওয়্যার, বিভিন্ন মিডিয়া প্লেয়ার (ভিডিও এবং অডিও) গুলো হল অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার।

      যেমন-
      ১। Word Processing Package Program : WordStar, WordPerfect, MS Word.

      ২। Spreadsheet Package Program : Lotus 1-2-3, MS Excel, Quattro Pro.

      ৩। Database Package Program : dBase, FoxPro, Oracle, Informix, Access.

      উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

      ১৩৬.
      কোন প্রোটোকল HTTPS-এর জন্য এনক্রিপশন প্রদান করে?
      1. SMTP
      2. HTTP
      3. FTP
      4. SSL/TLS 
      সঠিক উত্তর:
      SSL/TLS 
      উত্তর
      সঠিক উত্তর:
      SSL/TLS 
      ব্যাখ্যা

      • HTTPS-এ এনক্রিপশন প্রদান করে SSL/TLS প্রোটোকল। SSL (Secure Sockets Layer) এবং TLS (Transport Layer Security) হলো নিরাপদ যোগাযোগ নিশ্চিত করার জন্য ব্যবহৃত ক্রিপ্টোগ্রাফিক প্রোটোকল। যখন কোনো ব্রাউজার HTTPS-এর মাধ্যমে একটি ওয়েবসাইটে সংযোগ স্থাপন করে, তখন SSL/TLS ডেটা এনক্রিপ্ট করে, যাতে তৃতীয় পক্ষ তথ্য পড়তে বা পরিবর্তন করতে না পারে। এটি ব্যবহারকারীর ব্যক্তিগত তথ্য, যেমন পাসওয়ার্ড, ক্রেডিট কার্ডের তথ্য, ইমেইল, ইত্যাদি নিরাপদ রাখে। অন্য প্রোটোকল যেমন SMTP, HTTP বা FTP নিজে থেকে ডেটা এনক্রিপশন প্রদান করে না, তাই HTTPS-এর নিরাপত্তার জন্য SSL/TLS অপরিহার্য।

      - উত্তর: ঘ) SSL/TLS.

      HTTPS:
      - https এর পূর্ণরূপ হচ্ছে- Hypertext Transfer Protocol Secure.
      - HTTPS হলো একটি প্রোটোকল যা ব্যবহারকারীর ওয়েব ব্রাউজার এবং একটি ওয়েবসাইটের মধ্যে যোগাযোগ এবং ডেটা স্থানান্তর সুরক্ষিত করে।
      - কোন ওয়েবসাইটের ঠিকানায় ব্যবহৃত https এর 'S' দিয়ে Secured (সুরক্ষিত) বোঝায়।
      - HTTPS Protocol-টি ইন্টারনেটে তথ্য আদান-প্রদানের নিরাপত্তা নিশ্চিত করে থাকে।
      - https, http-এর চেয়ে অধিকতর নিরাপদ। 
      - সাধারণত প্রায় সব ওয়েব অ্যাড্রেসই শুরু হয় http:// দিয়ে।
      - তাই ওয়েব অ্যাড্রেসে এ অংশটি লিখা হয় না। www অংশ দিয়েই শুরু করা হয়।

      উৎস:
      - তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।

      ১৩৭.
      Zigbee কোন ধরনের ওয়্যারলেস কমিউনিকেশন সিস্টেম ব্যবহার করে?
      1. হাফ-ডুপ্লেক্স মোড
      2. সিমপ্লেক্স মোড
      3. ফুল-ডুপ্লেক্স মোড
      4. কোনটি নয়
      সঠিক উত্তর:
      হাফ-ডুপ্লেক্স মোড
      উত্তর
      সঠিক উত্তর:
      হাফ-ডুপ্লেক্স মোড
      ব্যাখ্যা

      • Zigbee হলো একটি কম পাওয়ার, কম ব্যান্ডউইথের ওয়্যারলেস কমিউনিকেশন প্রযুক্তি যা মূলত সংক্ষিপ্ত দূরত্বে ডিভাইসগুলোর মধ্যে তথ্য আদানপ্রদান করতে ব্যবহৃত হয়। এটি IEEE 802.15.4 স্ট্যান্ডার্ডের ওপর ভিত্তি করে তৈরি এবং স্মার্ট হোম, সেন্সর নেটওয়ার্ক, ও ইন্ডাস্ট্রিয়াল অটোমেশনসহ বিভিন্ন IoT ডিভাইসে ব্যবহৃত হয়। Zigbee সাধারণত হাফ-ডুপ্লেক্স মোডে কাজ করে, অর্থাৎ একই সময়ে শুধু একটি ডিভাইস তথ্য পাঠাতে বা গ্রহণ করতে পারে। এটি কম শক্তি ব্যবহার এবং নেটওয়ার্কে একাধিক ডিভাইস সংযোগের সুবিধা প্রদান করে, কিন্তু ফুল-ডুপ্লেক্স বা সিমপ্লেক্স মোডের মতো একই সময়ে দুই দিকের যোগাযোগ সমর্থন করে না।
      - তাই সঠিক উত্তর হলো: ক) হাফ-ডুপ্লেক্স মোড।

       
      • ডেটা ট্রান্সমিশন মোড: 
      - দুটি ডিভাইসের মধ্যে ডেটা প্রবাহের দিক নির্দেশককে ডেটা ট্রান্সমিশন বা ডেটা কমিউনিকেশন মোড বলে। 
      - ডেটা প্রবাহের দিক-এর উপর নির্ভর করে ডেটা ট্রান্সমিশন মোডকে তিন ভাগে ভাগ করা হয়।  
      যথা- 

      ১। সিমপ্লেক্স মোড (Simplex mode): 
      - এই পদ্ধতিতে শুধু একদিকে ডেটা পাঠানো সম্ভব হয়, প্রেরক শুধু ডেটা প্রেরণ করে এবং গ্রাহক শুধু ডেটা গ্রহণ করে। 
      যেমন- কি বোর্ড, মাউস, জয়স্টিক ইত্যাদি সিমপ্লেক্স মোডের উদাহরণ। 

      ২। হাফ-ডুপ্লেক্স মোড (Half-duplex mode): 
      - এই পদ্ধতিতে দুইদিকেই ডেটা পাঠানো বা গ্রহণ করা সম্ভব, কিন্তু একসাথে নয়, আলাদা আলাদাভাবে। 
      - একটি ডিভাইস ডেটা পাঠালে অন্যটিকে অপেক্ষা করতে হয় তার সুযোগ আসার জন্য। 
      - এই পদ্ধতিতে ডেটার ভেতর সংঘর্ষ (collision) না হওয়ার জন্য বিশেষ সার্কিটের ব্যবস্থা রাখতে হয়। 
      যেমন- ওয়াকিটকি, ফ্যাক্স, এস.এম.এস ইত্যাদি হাফ-ডুপ্লেক্স মোডে চলে। 

      ৩। ফুল-ডুপ্লেক্স মোড (Full-duplex mode): 
      - ফুল-ডুপ্লেক্স মোডে একই সময়ে উভয় প্রান্তের দুটি ডিভাইস একই সাথে ডেটা প্রেরণ এবং গ্রহণ করতে পারে। 
      যেমন- টেলিফোন, মোবাইল ফোন কিংবা কম্পিউটার নেটওয়ার্ক কমিউনিকেশন এই পদ্ধতির উদাহরণ। 

      উৎস:
      - তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ ও আলিম শ্রেণি।
      - sciencedirect. [link]

      ১৩৮.
      কোনটি OpenAI-এর জনপ্রিয় LLM?
      1. YOLO
      2. BERT
      3. GPT
      4. ResNet
      সঠিক উত্তর:
      GPT
      উত্তর
      সঠিক উত্তর:
      GPT
      ব্যাখ্যা

      • OpenAI-এর জনপ্রিয় LLM হলো GPT। GPT এর পুরো নাম হলো Generative Pre-trained Transformer, যা একটি অত্যাধুনিক ভাষা মডেল। এটি বড় পরিমাণে টেক্সট ডেটা থেকে শিখে মানুষের মতো লেখা, প্রশ্নের উত্তর দেওয়া, সংলাপ চালানো এবং জটিল ভাষাগত কাজ সম্পাদন করতে সক্ষম। অন্য অপশনগুলো ভিন্ন উদ্দেশ্যে ব্যবহৃত হয়। যেমন, YOLO হলো অবজেক্ট ডিটেকশন মডেল, BERT হলো প্রাক-প্রশিক্ষিত ভাষা মডেল কিন্তু OpenAI নয়, এবং ResNet হলো ইমেজ প্রসেসিংয়ের জন্য কনভলিউশনাল নিউরাল নেটওয়ার্ক। তাই, OpenAI-এর তৈরি এবং জনপ্রিয় LLM হল স্পষ্টভাবে GPT.

      • LLM মডেল প্রশিক্ষণে GPU ব্র্যান্ড:
      - LLM মডেল ট্রেনিংয়ে সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত GPU ব্র্যান্ড হলো NVIDIA.
      - NVIDIA এর CUDA এবং Tensor Core প্রযুক্তি deep learning কাজের জন্য অত্যন্ত অপ্টিমাইজড।  
      - এই প্রযুক্তি মডেল ট্রেনিংয়ের সময় দ্রুত ম্যাট্রিক্স ও টেনসর অপারেশন সম্পাদন করতে সাহায্য করে।  
      - AMD ও Intel GPU কিছু ক্ষেত্রে ব্যবহারযোগ্য হলেও NVIDIA এর ecosystem এবং সফটওয়্যার সাপোর্ট সবচেয়ে বড়।  
      - Apple এর GPU মূলত মোবাইল বা ডেস্কটপ গ্রাফিক্সের জন্য, বড় LLM ট্রেনিংয়ে ব্যবহার সীমিত।  
      - তাই LLM মডেল প্রশিক্ষণে NVIDIA GPU এর ব্যবহার সর্বাধিক।  
      - সঠিক উত্তর: ক) NVIDIA.

      সূত্র: 
      -  OpenAI website.
      - IBM. [link]

      ১৩৯.
      কোনটি হাইব্রিড ক্লাউড সার্ভিস প্রদান করে?
      1. Linux Kernel
      2. Windows 7
      3. Dropbox Personal
      4. Microsoft Azure Stack
      সঠিক উত্তর:
      Microsoft Azure Stack
      উত্তর
      সঠিক উত্তর:
      Microsoft Azure Stack
      ব্যাখ্যা

      • সঠিক উত্তর: ঘ) Microsoft Azure Stack.

      হাইব্রিড ক্লাউড এমন একটি কম্পিউটিং পরিবেশ যেখানে প্রাইভেট ক্লাউড এবং পাবলিক ক্লাউড একসাথে ব্যবহার করা হয়। এটি প্রতিষ্ঠানকে সংবেদনশীল ডেটা প্রাইভেট ক্লাউডে রাখার সুযোগ দেয়, পাশাপাশি স্কেলিং এবং লোড ব্যবস্থাপনার জন্য পাবলিক ক্লাউড ব্যবহার করতে দেয়। Microsoft Azure Stack হলো একটি হাইব্রিড ক্লাউড প্ল্যাটফর্ম, যা Azure-এর সুবিধা স্থানীয় ডেটা সেন্টারেও নিয়ে আসে। এটি প্রতিষ্ঠানকে একই কোডবেস, টুলস এবং পরিষেবা ব্যবহার করে অন-প্রিমিসেস এবং ক্লাউড উভয় পরিবেশে অ্যাপ্লিকেশন তৈরি ও পরিচালনা করার ক্ষমতা দেয়। অন্য অপশন গুলো হাইব্রিড ক্লাউড সেবা সরবরাহ করে না।

      • হাইব্রিড ক্লাউড:
      - হাইব্রিড ক্লাউড হলো একটি কম্পিউটিং এনভায়রনমেন্ট যা পাবলিক ক্লাউড (যেমন: AWS, Azure, Google Cloud) এবং প্রাইভেট ক্লাউড (অর্গানাইজেশনের নিজস্ব ডেটা সেন্টার) এর সমন্বয়ে গঠিত।
      - এটি ডেটা ও অ্যাপ্লিকেশনকে দুটি প্ল্যাটফর্মের মধ্যে শেয়ার করতে সক্ষম।

      • প্রাইভেট ক্লাউডের বৈশিষ্ট্য:
      - শুধুমাত্র একটি প্রতিষ্ঠান বা সংস্থার জন্য নির্দিষ্ট থাকে। 
      - উচ্চ নিরাপত্তা থাকে। 
      - সংবেদনশীল বা গোপনীয় ডেটা রাখতে উপযোগী। 

      • পাবলিক ক্লাউডের বৈশিষ্ট্য:
      - সাধারণ জনগণের জন্য উন্মুক্ত এবং বিভিন্ন সংস্থা ব্যবহার করে। 
      - স্কেলেবিলিটি এবং খরচ কম থাকে। 
      - উদাহরণ: Amazon Web Services (AWS), Microsoft Azure, Google Cloud। 

      • হাইব্রিড ক্লাউডের সুবিধাসমূহ:
      - নিরাপত্তা ও গোপনীয়তা: সংবেদনশীল তথ্য প্রাইভেট ক্লাউডে রেখে বাকি কাজ পাবলিক ক্লাউডে পরিচালনা করা যায়।
      - খরচ সাশ্রয়: যেখানে প্রয়োজন, সেখানেই পাবলিক ক্লাউডের সেবা ব্যবহার করে খরচ কমানো যায়।

      তথ্যসূত্র:
      - Microsoft Azure ডকুমেন্টেশন।
      - সংশ্লিষ্ট ওয়েবসাইট। 

      ১৪০.
      স্টারলিংক মূলত কোন সেবা দেওয়ার জন্য ডিজাইন করা হয়েছে?
      1. স্পেস পর্যটন
      2. বৈশ্বিক ইন্টারনেট সংযোগ
      3. আবহাওয়া পূর্বাভাস
      4. জিপিএস নেভিগেশন
      সঠিক উত্তর:
      বৈশ্বিক ইন্টারনেট সংযোগ
      উত্তর
      সঠিক উত্তর:
      বৈশ্বিক ইন্টারনেট সংযোগ
      ব্যাখ্যা

      • স্টারলিংক মূলত বৈশ্বিক ইন্টারনেট সংযোগ প্রদান করার জন্য ডিজাইন করা হয়েছে। এটি স্পেসএক্স কোম্পানির একটি প্রকল্প, যার লক্ষ্য বিশ্বের প্রত্যন্ত ও গ্রামীণ এলাকা পর্যন্ত উচ্চগতির ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট পৌঁছে দেওয়া। স্টারলিংকের মাধ্যমে ব্যবহারকারীরা এমন এমন এলাকায়ও ইন্টারনেট ব্যবহার করতে পারে যেখানে আগে কোনো কেবল বা স্থায়ী নেটওয়ার্ক অবকাঠামো ছিল না। এটি স্যাটেলাইটের একটি বিশাল নেটওয়ার্ক ব্যবহার করে কাজ করে, যা দ্রুত ও নির্ভরযোগ্য সংযোগ নিশ্চিত করে। স্পেস পর্যটন, আবহাওয়া পূর্বাভাস বা জিপিএস নেভিগেশনের পরিবর্তে, স্টারলিংকের মূল উদ্দেশ্য হলো বিশ্বের যেকোনো প্রান্তে ইন্টারনেট সুবিধা পৌঁছে দেওয়া।

      - সঠিক উত্তর: খ) বৈশ্বিক ইন্টারনেট সংযোগ। 

      • স্টারলিংক ইন্টারনেট:
      - স্টারলিংক ইন্টারনেট এর প্রতিষ্টাতা ইলন মাস্ক।
      - স্টারলিংক স্যাটেলাইটের মাধ্যমে ইন্টারনেট পরিষেবা দেয়।
      - এটি ইলন মাস্কের স্পেস এক্সের অধীন যা ২০১৫ সালে তৈরি করা হয়েছিল।
      - এই প্রকল্পের জন্য প্রাথমিক প্রোটোটাইপ কক্ষপথে ২০১৮ সালে চালু করা হয়েছিল।
      - মার্কিন নভোচারী প্রতিষ্ঠান স্পেসএক্সকেও ইন্টারনেট সরবরাহ করে স্টারলিংক।

      উৎস: Britannica. [লিংক]

      ১৪১.
      2FA এর পূর্ণরূপ কী?
      1. Twice-Factor Access
      2. Two-Form Authentication
      3. Two-Factor Authorization
      4. Two-Factor Authentication
      সঠিক উত্তর:
      Two-Factor Authentication
      উত্তর
      সঠিক উত্তর:
      Two-Factor Authentication
      ব্যাখ্যা

      • 2FA এর পূর্ণরূপ হলো Two-Factor Authentication (উত্তর: ঘ)।
      - এটি একটি নিরাপত্তা প্রক্রিয়া যা ব্যবহারকারীর পরিচয় যাচাই করার জন্য দুটি আলাদা ফ্যাক্টর ব্যবহার করে। সাধারণত প্রথম ফ্যাক্টর হলো ব্যবহারকারীর পাসওয়ার্ড বা পিন, যা তারা জানে। দ্বিতীয় ফ্যাক্টর হতে পারে একটি মোবাইল ফোনে পাঠানো ওটিপি (One-Time Password), বায়োমেট্রিক তথ্য যেমন ফিঙ্গারপ্রিন্ট বা ফেস রিকগনিশন, বা একটি হার্ডওয়্যার টোকেন। 2FA ব্যবহারের মূল উদ্দেশ্য হলো অননুমোদিত অ্যাক্সেস রোধ করা, কারণ শুধুমাত্র পাসওয়ার্ড জানলেই কেউ অ্যাকাউন্টে প্রবেশ করতে পারবে না। এটি ডিজিটাল নিরাপত্তা বৃদ্ধি করে এবং তথ্য চুরির ঝুঁকি কমায়।

      • টু-ফ্যাক্টর অথেনটিকেশন (2FA):
      - টু-ফ্যাক্টর অথেনটিকেশন (2FA) হলো একটি নিরাপত্তা ব্যবস্থা, যেখানে দুইটি ভিন্ন ধরণের ভেরিফিকেশন ফ্যাক্টর ব্যবহার করে একজন ব্যবহারকারীকে চিহ্নিত করা হয়। এটি পাসওয়ার্ড চুরির বিরুদ্ধে একটি বাড়তি সুরক্ষা ব্যবস্থা প্রদান করে।
      - সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম বা অনলাইন অ্যাকাউন্টগুলোকে নিরাপদ রাখতে শুধুমাত্র পাসওয়ার্ডের ওপর নির্ভরশীলতা এখন পুরোপুরি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পারে না। থেকে যায় হ্যাক হয়ে যাওয়ার ঝুঁকি। অনলাইনের এসব অ্যাকাউন্ট নিরাপদ রাখার জন্য প্রয়োজন টু-ফ্যাক্টর অথেনটিকেশন বা সংক্ষেপে টুএফএ সিস্টেম।

      টু-ফ্যাক্টর অথেনটিকেশন সাধারণত দুটি ধাপে কাজ করে:
      প্রথম স্তর: পাসওয়ার্ড বা পিন ইনপুট করা।
      দ্বিতীয় স্তর:
      - OTP (One-Time Password) মোবাইলে পাঠানো, 
      - Authenticator অ্যাপে কোড তৈরি, 
      - ফিঙ্গারপ্রিন্ট বা ফেস আইডি, 
      - USB Security Key.

      টু-ফ্যাক্টর অথেনটিকেশন গুরুত্বপূর্ণ, কারণ- 
      - পাসওয়ার্ড চুরি হলেও এক্সট্রা ভেরিফিকেশন থাকে, 
      - ফিশিং ও হ্যাকিং আক্রমণ থেকে রক্ষা করে, 
      - ব্যাংকিং, ইমেইল ও সোশ্যাল মিডিয়া অ্যাকাউন্ট সুরক্ষিত রাখে, 
      - Unauthorized Access প্রতিরোধ করে। 

      উৎস: 
      - Microsoft. [link]

      ১৪২.
      নাগার্নো-কারাবাখ কোন দুটি দেশের মধ্যে বিরোধপূর্ণ অঞ্চল?
      1. আর্মেনিয়া ও তুরস্ক
      2. আর্মেনিয়া ও আজারবাইজান
      3. আজারবাইজান ও জর্জিয়া
      4. আজারবাইজান ও ইরান
      সঠিক উত্তর:
      আর্মেনিয়া ও আজারবাইজান
      উত্তর
      সঠিক উত্তর:
      আর্মেনিয়া ও আজারবাইজান
      ব্যাখ্যা

      নাগার্নো কারাবাখ:
      - 'নাগার্নো কারাবাখ' আর্মেনিয়া ও আজারবাইজান এর বিরোধপূর্ণ অঞ্চল।
      - পূর্ব ইউরোপে অবস্থিত নাগোর্নো-কারাবাখ নিয়ে দীর্ঘ তিন দশক ধরে বিরোধ চলে আসছে সাবেক সোভিয়েত রিপাবলিকের অংশ এই দেশ দুটির মধ্যে।
      - ১৯৮৮-৯৪ সাল পর্যন্ত যুদ্ধ চলার পর যুদ্ধবিরতি ঘোষণা করা হলেও থেমে থেমে সংঘর্ষ চলেছে।
      - এলাকাটি নিয়ে কোন ধরনের নিষ্পত্তি দুই দেশের মধ্যে হয়নি।
      - আন্তর্জাতিকভাবে এই এলাকাটি আজারবাইজানের বলে স্বীকৃত।
      - কিন্তু এটি পরিচালনা করে জাতিগত আর্মেনিয়রা।
      - বন্দী বিনিময় এবং মরদেহ উদ্ধারের সুযোগ তৈরি করার জন্য এই যুদ্ধবিরতিতে যাওয়ার সিদ্ধান্ত হয়।

      উল্লেখ্য:
      - আর্মেনিয়া ও আজারবাইজান:
      - স্বাক্ষর: ৯ নভেম্বর, ২০২০।
      - স্থান: মস্কো, রাশিয়া।
      - মধ্যস্থতাকারী: রাশিয়া।
      - যুদ্ধবিরতি কার্যকর: ১০ নভেম্বর, ২০২০।

      তথ্যসূত্র - ব্রিটানিকা ও ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৩, বিবিসি বাংলা।

      ১৪৩.
      IUCN-এর মূল উদ্দেশ্য কী?
      1. বিশ্বব্যাপী শিল্পোন্নয়ন করা
      2. বিশ্বব্যাপী শিক্ষা প্রসার করা
      3. বিশ্বব্যাপী জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণ করা
      4. বিশ্বব্যাপী প্রাকৃতিক সম্পদ সংরক্ষণ করা
      সঠিক উত্তর:
      বিশ্বব্যাপী প্রাকৃতিক সম্পদ সংরক্ষণ করা
      উত্তর
      সঠিক উত্তর:
      বিশ্বব্যাপী প্রাকৃতিক সম্পদ সংরক্ষণ করা
      ব্যাখ্যা

      IUCN:
      - বিশ্ব জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণবাদী সংস্থা (IUCN)।
      - IUCN এর পূর্ণরূপ - International Union for the Conservation of Nature.
      - প্রতিষ্ঠিত হয়: ১৯৪৮ সালে।
      - সদর দপ্তর: গ্লান্ড, সুইজারল্যান্ড।
      - এটি নিয়ে বিশ্বের ১৭০ টির অধিক দেশ কাজ করছে।
      - উদ্দেশ্য: বিশ্বব্যাপী প্রাকৃতিক সম্পদ সংরক্ষণ করা।

      তথ্যসূত্র - IUCN অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।

      ১৪৪.
      ESCWA কোন অঞ্চলের জন্য কাজ করে?
      1. পশ্চিম এশিয়া
      2. দক্ষিণ আমেরিকা
      3. পূর্ব ইউরোপ
      4. উত্তর আফ্রিকা
      সঠিক উত্তর:
      পশ্চিম এশিয়া
      উত্তর
      সঠিক উত্তর:
      পশ্চিম এশিয়া
      ব্যাখ্যা

      ESCWA:
      - পশ্চিম এশীয় অর্থনৈতিক ও সামাজিক কমিশন ESCWA.
      - ECWA এর পূর্ণরূপ United Nations Economic and Social Commission for Western Asia.
      - প্রতিষ্ঠিত হয়: ১৯৭৩ সালে।
      - এর উদ্দেশ্য ছিল সদস্য দেশগুলিতে অর্থনৈতিক ক্রিয়াকলাপকে উত্সাহিত করা, তাদের মধ্যে সহযোগিতা জোরদার করে উন্নয়ন ত্বরান্বিত করা। 
      - সদর দপ্তর: বৈরুত, লেবানন।

      তথ্যসূত্র - ESCWA ওয়েবসাইট।

      ১৪৫.
      কোন বিষয়ে অবদানের জন্য ২০২৫ সালে পদার্থবিজ্ঞানে নোবেল পুরস্কার প্রদান করা হয়?
      1. গ্র্যাভিটেশনাল ওয়েভের পর্যবেক্ষণ
      2. টপোলজিক্যাল ফেজ এবং ম্যাটারের টপোলজিক্যাল ফেজ ট্রানজিশন
      3. ম্যাক্রোস্কোপিক কোয়ান্টাম টানেলিং এবং এনার্জি কোয়ান্টাইজেশন
      4. অপটিক্যাল টুইজার এবং হাই-ইনটেনসিটি আল্ট্রাশর্ট পালস
      সঠিক উত্তর:
      ম্যাক্রোস্কোপিক কোয়ান্টাম টানেলিং এবং এনার্জি কোয়ান্টাইজেশন
      উত্তর
      সঠিক উত্তর:
      ম্যাক্রোস্কোপিক কোয়ান্টাম টানেলিং এবং এনার্জি কোয়ান্টাইজেশন
      ব্যাখ্যা

      ২০২৫ সালের নোবেল বিজয়ী:
      - ২০২৫ সালে মোট ১৪ জন ব্যক্তিকে নোবেল পুরস্কার প্রদান করা হয়।

      ⇒ সাহিত্য:
      - ২০২৫ সালে সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার জিতেছেন হাঙ্গেরিয়ান লেখক লাজলো ক্রাজনাহরকাই।
      - অবদান: 'ভয়ঙ্কর পরিস্থিতিতেও শিল্পের শক্তি দেখানো তার প্রভাবশালী ও দূরদর্শী সাহিত্যকর্মের জন্য' তাকে এই সম্মাননা দেওয়া হয়েছে।

      ⇒ শান্তি:
      - ২০২৫ সালে শান্তিতে নোবেল পুরস্কার পেয়েছেন ভেনেজুয়েলার রাজনীতিবিদ ও মানবাধিকারকর্মী মারিয়া কোরিনা মাচাদো।
      - অবদান: ভেনেজুয়েলার জনগণের গণতান্ত্রিক অধিকার প্রতিষ্ঠায় অবিরাম প্রচেষ্টা এবং একনায়কতন্ত্র থেকে ন্যায়ভিত্তিক ও শান্তিপূর্ণ গণতন্ত্রে উত্তরণের সংগ্রামের জন্য নোবেল পুরস্কার দেওয়া হয়েছে।

      ⇒ চিকিৎসাবিজ্ঞান:
      - ২০২৫ সালে চিকিৎসাবিজ্ঞানে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন
      • ম্যারি ই. ক্রনকো,
      • ফ্রেড রামসডেল ও
      • শিমন সাকাগুচি।
      - অবদান: মানবদেহের রোগপ্রতিরোধ ব্যবস্থার কার্যপ্রণালী বিষয়ে গবেষণার জন্য দুই মার্কিন ও এক জাপানি গবেষক এই পুরস্কার পান।

      ⇒ পদার্থবিজ্ঞান:
      - ২০২৫ সালে পদার্থবিজ্ঞানে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন
      • জন ক্লার্ক,
      • মিশেল দেভরেট ও
      • জন এম মার্টিনিস।
      - অবদান: ম্যাক্রোস্কোপিক কোয়ান্টাম মেকানিক্যাল টানেলিং এবং ইলেকট্রিক সার্কিটে এনার্জি কোয়ান্টাইজেশন গবেষণার জন্য তারা নোবেল পান।

      ⇒ রসায়ন:
      - ২০২৫ সালে রসায়নে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন
      • সুসুমু কিতাগাওয়া,
      • রিচার্ড রবসন ও
      • ওমর এম. ইয়াগি।
      - অবদান: মেটাল-অর্গানিক ফ্রেমওয়ার্ক নামে নতুন একধরনের আণবিক কাঠামো আবিষ্কারের জন্য তারা এ পুরস্কার পান।

      ⇒ অর্থনীতি:
      - ২০২৫ সালে অর্থনীতিতে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন
      • ইওয়েল মোকিয়র,
      • ফিলিপ আগিয়োঁ ও
      • পিটার হাউইট।
      - অবদান: উদ্ভাবননির্ভর অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ব্যাখ্যা করার জন্য ২০২৫ সালে তাদের নোবেল পুরস্কার দেওয়া হলো।

      তথ্যসূত্র - Nobel Prize ওয়েবসাইট।

      ১৪৬.
      জার্মানি ও পোল্যান্ডের মধ্যকার সীমানা কোনটি?
      1. ওডার-নেইস লাইন
      2. ব্লু লাইন
      3. লাইন অব ডিমারকেশন
      4. পার্পল লাইন
      সঠিক উত্তর:
      ওডার-নেইস লাইন
      উত্তর
      সঠিক উত্তর:
      ওডার-নেইস লাইন
      ব্যাখ্যা

      বিভিন্ন দেশের সীমানা:
      ⇒ ওডার-নেইস লাইন: জার্মানি ও পোল্যান্ডের মধ্যকার সীমানা।
      ⇒ পার্পল লাইন: ইসরাইল ও সিরিয়ার মধ্যে সীমানা।
      ⇒ সনেরা লাইন: মেক্সিকো ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যকার সীমানা।
      ⇒ ব্লু লাইন: লেবানন ও ইসরায়েলের মধ্যকার সীমানা।
      ⇒ লাইন অব ডিমারকেশন: পর্তুগাল ও স্পেনের মধ্যে সীমানা।
      ⇒ ডুরান্ড লাইন: পাকিস্তান ও আফগানিস্তানের মধ্যে সীমানা।
      ⇒ রেডক্লিফ লাইন: ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে সীমারেখা।
      ⇒ লাইন অব একচুয়াল কন্ট্রোল / ম্যাকমোহন লাইন: চীন ও ভারতের মধ্যে সীমানা।
      ⇒ লাইন অব কন্ট্রোল: ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে সীমানা।

      তথ্যসূত্র - Britannica.com

      ১৪৭.
      দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী কে ছিলেন?
      1. স্ট্যানলি বাল্ডউইন
      2. অ্যান্থনি ইডেন
      3. হ্যারল্ড উইলসন
      4. উইনস্টন চার্চিল
      সঠিক উত্তর:
      উইনস্টন চার্চিল
      উত্তর
      সঠিক উত্তর:
      উইনস্টন চার্চিল
      ব্যাখ্যা

      দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ:
      - ১৯৩৯ সালের ১ সেপ্টেম্বর জার্মানি কর্তৃক পোল্যান্ড আক্রমণের মাধ্যমে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ শুরু হয়।
      - দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে অক্ষশক্তির অন্তর্ভুক্ত ছিল,
      • জার্মানি,
      • জাপান,
      • ইতালি।

      - মিত্রশক্তির অন্তর্ভুক্ত ছিল,
      • ব্রিটেন,
      • ফ্রান্স,
      • যুক্তরাষ্ট্র,
      • সোভিয়েত ইউনিয়ন,
      • চীন,
      • পোল্যান্ড,
      • নেদারল্যান্ডস প্রভৃতি দেশ।

      - ৮ ডিসেম্বর, ১৯৪১ সালে যুক্তরাষ্ট্র দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সরাসরি যোগদান করে।
      - ৭ মে ১৯৪৫ জার্মানি মিত্রবাহিনীর নিকট নিঃশর্ত আত্মসমর্পণ করে।
      - ২ সেপ্টেম্বর ১৯৪৫ জাপান কর্তৃক আনুষ্ঠানিকভাবে আত্মসমর্পণের মাধ্যমে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের আনুষ্ঠানিক সমাপ্তি ঘটে।
      - দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে ইতিহাসে প্রথমবারের মতো পারমাণবিক অস্ত্রের দুটি ব্যবহার হয়েছিল।
      - তৎকালীন সোভিয়েত ইউনিয়ন তথা রাশিয়ার নেতা বা প্রেসিডেন্ট ছিলেন জোসেফ স্ট্যালিন।
      - যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী ছিলেন উইনস্টন চার্চিল।
      - যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ছিলেন ফ্রাঙ্কলিন ডি রুজভেল্ট ও হ্যারি এস. ট্রুম্যান।

      তথ্যসূত্র - হিস্টোরি ও ব্রিটানিকা কম।

      ১৪৮.
      IPCC গঠিত হয় কোন দুটি জাতিসংঘের সংস্থার সম্মিলিত উদ্যোগে?
      1. WHO এবং UNESCO
      2. UNICEF এবং UNDP
      3. WMO এবং UNEP
      4. FAO এবং WHO
      সঠিক উত্তর:
      WMO এবং UNEP
      উত্তর
      সঠিক উত্তর:
      WMO এবং UNEP
      ব্যাখ্যা

      IPCC:
      - জাতিসংঘ জলবায়ু পরিবর্তন সংক্রান্ত আন্তঃসরকার প্যানেল IPCC.
      - IPCC-এর পূর্ণরূপ Intergovernmental Panel on Climate Change.
      - জাতিসংঘের দুটি সংস্থা নিয়ে IPCC গঠিত হয়।
      - WMO এবং UNEP এর সম্মিলিত নাম IPCC গঠিত হয়।
      - প্রতিষ্ঠিত হয়: ১৯৮৮ সালে।
      - সদস্য: ১৯৫টি।
      - সদর দপ্তর: জেনেভা, সুইজারল্যান্ড।

      তথ্যসূত্র - IPCC ওয়েবসাইট।

      ১৪৯.
      নিচের কোন কারণে ১৯৬১ সালে দক্ষিণ আফ্রিকা কমনওয়েলথ থেকে সরে যায়?
      1. বাণিজ্য বিরোধ
      2. জলবায়ু সমস্যা
      3. বর্ণবাদ নীতির সমালোচনা
      4. অর্থনৈতিক সংকট
      সঠিক উত্তর:
      বর্ণবাদ নীতির সমালোচনা
      উত্তর
      সঠিক উত্তর:
      বর্ণবাদ নীতির সমালোচনা
      ব্যাখ্যা

      কমনওয়েলথ:
      - কমনওয়েলথ এর সদর দপ্তর লন্ডনে।
      - আধুনিক কমনওয়েলথ ১৯৪৯ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়।
      - কমনওয়েলথে দাপ্তরিক ভাষা ইংরেজী।
      - এর বর্তমান সদস্য সংখ্যা ৫৬টি দেশ।
      - বাংলাদেশ ১৯৭২ সালে কমনওয়েলথের সদস্য হয়।
      - বাংলাদেশ কমনওয়েলথের ৩২তম সদস্য।
      - বর্ণবাদ নিয়ে সমালোচনার জেরে ১৯৬১ সালে কমনওয়েলথ থেকে সরে যায় দক্ষিণ আফ্রিকা।
      - বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দিয়ে সদস্যভুক্ত করায় পাকিস্তান ১৯৭২ সালে কমনওয়েলথ ত্যাগ করে।
      - পরবর্তিতে পাকিস্তান ১৯৮৯ সালে ও দক্ষিণ আফ্রিকা ১৯৯৪ সালে কমনওয়েলথে যোগদান করে।

      তথ্যসূত্র- কমনওয়েলথ অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।

      ১৫০.
      ইউরোপের দেশ 'নেদারল্যান্ডস' এর নামের অর্থ কোনটি?
      1. উর্বর ভূমি
      2. অনুর্বর ভূমি
      3. নিম্ন ভূমি
      4. উচ্চ ভূমি
      সঠিক উত্তর:
      নিম্ন ভূমি
      উত্তর
      সঠিক উত্তর:
      নিম্ন ভূমি
      ব্যাখ্যা

      নেদারল্যান্ডস:
      - নেদারল্যান্ডস উত্তর-পশ্চিম ইউরোপের একটি দেশ।
      - 'নেদারল্যান্ডস' অর্থ নিম্নভূমির দেশ।
      - দেশের বেশিরভাগ অংশ জুড়ে অবস্থিত নিম্নভূমিগুলি মূলত সমতল ভূখণ্ড দ্বারা গঠিত।
      - এই অঞ্চলের বেশিরভাগ অংশ সমুদ্রপৃষ্ঠের উপরে বা নীচে অবস্থিত।
      - দেশটি হল্যান্ড নামেও পরিচিত।
      - নেদারল্যান্ডস সাংবিধানিক রাজার অধীনে একটি সংসদীয় গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র।
      - দেশটির উত্তর ও পশ্চিমে উত্তর সাগর , পূর্বে জার্মানি এবং দক্ষিণে বেলজিয়াম অবস্থিত।
      - মোট আয়তন: প্রায় ২,৫০০ বর্গমাইল (৬,৫০০ বর্গকিলোমিটার)।
      - রাজধানী: আমস্টারডাম।

      তথ্যসূত্র - ব্রিটানিকা।

      ১৫১.
      কোন বাইজেন্টাইন সম্রাজ্ঞী নারীদের অধিকারের স্বীকৃতি প্রদানকারী প্রথম শাসকদের একজন ছিলেন?
      1. সোফিয়া
      2. ইউডোক্সিয়া
      3. থিওডোরা
      4. ক্লিওপেট্রা
      সঠিক উত্তর:
      থিওডোরা
      উত্তর
      সঠিক উত্তর:
      থিওডোরা
      ব্যাখ্যা

      ⇒ বাইজেন্টাইন সম্রাজ্ঞী নারীদের অধিকারের স্বীকৃতি প্রদানকারী প্রথম শাসকদের একজন ছিলেন থিওডোরা।

      বাইজেন্টাইন সাম্রাজ্য:
      - বাইজেন্টাইন সাম্রাজ্য আনুমানিক ৩৯৫ খ্রিস্টাব্দ থেকে - ১৪৫৩ সাল পর্যন্ত বিদ্যমান ছিল৷
      - ১৫ শতকে অটোমান তুর্কি আক্রমণে পতনের আগে এটি বিশ্বের অন্যতম প্রধান সভ্যতা ছিল।
      - অঞ্চলটিকে সাধারণত পূর্ব রোমান সাম্রাজ্য বলা হত।
      - ৪৭৬ সালে রোমের পতনের ফলে রোমান সাম্রাজ্যের পশ্চিম অর্ধেক শেষ হয় এবং পূর্ব অর্ধেক বাইজেন্টাইন সাম্রাজ্য হিসাবে পরিচালিত হয়।
      - বাইজেন্টাইন সাম্রাজ্যের রাজধানী ছিল কনস্টান্টিনোপল।
      - বাইজেন্টাইন সাম্রাজ্য ভূমধ্যসাগরের আশেপাশের বেশিরভাগ ভূমি জুড়ে ছিল, যার মধ্যে বর্তমানে ইতালি, গ্রীস এবং তুরস্ক এবং উত্তর আফ্রিকা।
      - এই সাম্রাজ্যের সর্বশ্রেষ্ঠ সম্রাট ছিলেন জাস্টিনিয়ান।
      - ১৪ শতকে অটোমান তুর্কিরা দখল করতে শুরু করে এবং ১৪৫৩ সালে এটি অটোমান নিয়ন্ত্রণে চলে যায়।

      তথ্যসূত্র -  Britannica.com

      ১৫২.
      হামাস এর সামরিক শাখার নাম কী?
      1. ইজ্জাদিন আল-হামিদ ব্রিগেড
      2. ইজ্জাদিন আল-কাসিম ব্রিগেড
      3. ইজ্জাদিন আল-তালিব ব্রিগেড
      4. ইজ্জাদিন আল-কাজিম ব্রিগেড
      সঠিক উত্তর:
      ইজ্জাদিন আল-কাসিম ব্রিগেড
      উত্তর
      সঠিক উত্তর:
      ইজ্জাদিন আল-কাসিম ব্রিগেড
      ব্যাখ্যা

      হামাস:
      - হামাসের পূর্ণরূপ হারাকাত আল-মুকাওয়ামাহ আল-ইসলামিয়াহ।
      - হামাস ফিলিস্তিন এর গেরিলা সংগঠন।
      - হামাস ১৯৮৭ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়।
      - শেখ আহমাদ ইয়াসিন সংগঠনটি প্রতিষ্ঠা করেন।
      - এর সামরিক শাখার নাম ইজ্জাদিন আল-কাসিম ব্রিগেড (Izz ad-Din al-Qassam Brigades)।
      - এর নামকরণ করা হয়েছে ফিলিস্তিনের এক ঐতিহাসিক প্রতিরোধ নেতা ইজ্জাদিন আল-কাসাম-এর নামে।
      - এই শাখাটি হামাসের সশস্ত্র কার্যক্রম পরিচালনার মূল দায়িত্ব পালন করে, যেমন রকেট হামলা, অপহরণ, এবং অন্যান্য সামরিক কার্যক্রম।
      - সংগঠনটি প্যালেস্টাইন লিবারেশন অর্গানাইজেশন এবং ইসরায়েলের মধ্যে ১৯৯৩ সালের শান্তি চুক্তির বিরোধিতা করেছিল।
      - ২০০৬ সালে হামাস ফিলিস্তিন আইন পরিষদের নির্বাচনে অংশগ্রহণ করে এবং ফাতাহ-এর বিরুদ্ধে আশ্চর্যজনক বিজয় লাভ করে।

      তথ্যসূত্র - Britannica.com

      ১৫৩.
      গ্রিনপিস কত সালে প্রতিষ্ঠিত হয়?
      1. ১৯৭১ সালে
      2. ১৯৭২ সালে
      3. ১৯৭৩ সালে
      4. ১৯৭৪ সালে
      সঠিক উত্তর:
      ১৯৭১ সালে
      উত্তর
      সঠিক উত্তর:
      ১৯৭১ সালে
      ব্যাখ্যা

      গ্রিনপিস:
       - গ্রিনপিস (Greenpeace) নেদারল্যান্ডস এর আমস্টারডাম ভিত্তিক একটি বৈশ্বিক পরিবেশবাদী সংগঠন।
      - ১৯৭১ সালে আলাস্কার আমচিটকা দ্বীপে যুক্তরাষ্ট্রের দ্বিতীয় পারমাণবিক পরীক্ষার প্রতিবাদের অংশ হিসেবে Greenpeace প্রতিষ্ঠিত হয়। 
      - প্রতিষ্ঠা: ১৯৭১ সালে। 
      - সদর দপ্তর: আমস্টারডাম, নেদারল্যান্ডস। 

      তথ্যসূত্র - Greenpeace অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।

      ১৫৪.
      ইউরোপীয় ইউনিয়ন (EU) এর সর্বশেষ সদস্য দেশ কোনটি? (ডিসেম্বর, ২০২৫)
      1. রোমানিয়া
      2. ক্রোয়েশিয়া
      3. বুলগেরিয়া
      4. ফিনল্যান্ড
      সঠিক উত্তর:
      ক্রোয়েশিয়া
      উত্তর
      সঠিক উত্তর:
      ক্রোয়েশিয়া
      ব্যাখ্যা

      ইউরোপীয় ইউনিয়ন (EU):
      - বিশ্বের সবচেয়ে বড় অর্থনৈতিক জোট ইউরোপীয় ইউনিয়ন (EU)।
      - এর সদর দপ্তর বেলজিয়ামের ব্রাসেলসে অবস্থিত।
      - প্রতিষ্ঠাতা সদস্য: ৬টি দেশ।
      - বেলজিয়াম, ফ্রান্স, জার্মানি, ইতালি, লুক্সেমবার্গ, নেদারল্যান্ডস।
      - বর্তমান সদস্য: ২৭টি দেশ।
      - সর্বশেষ সদস্য: ক্রোয়েশিয়া।
      - সর্বশেষ ত্যাগকারী: ব্রিটেন (৩১ জানুয়ারি, ২০২০)।
      - এটি ১৯৯৩ সালের ১ নভেম্বরে মাসট্রিচট চুক্তি স্বাক্ষরের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল।
      - তখন থেকে এটি বিশ্বের বৃহত্তম ট্রেডিং ব্লকে পরিণত হয়।

      তথ্যসূত্র - EU ওয়েবসাইট।

      ১৫৫.
      গ্লোবাল লিভেবিলিটি ইনডেক্স- ২০২৫ অনুযায়ী, বসবাসযোগ্য শহরের তালিকায় শীর্ষে রয়েছে -
      1. কোপেনহেগেন
      2. ভিয়েনা
      3. জুরিখ
      4. মেলবোর্ন
      সঠিক উত্তর:
      কোপেনহেগেন
      উত্তর
      সঠিক উত্তর:
      কোপেনহেগেন
      ব্যাখ্যা

      গ্লোবাল লিভেবিলিটি ইনডেক্স- ২০২৫:
      - ইকোনোমিস্ট ইন্টেলিজেন্স ইউনিট (ইআইইউ) প্রতি বছর বিশ্বের বসবাসযোগ্য শহরের তালিকা প্রকাশ করে।
      - তালিকায় পাঁচটি প্রধান মানদণ্ডে বিশ্বের ১৭৩টি শহরের মূল্যায়ন করা হয়।
      - মানদণ্ডগুলো হলো–স্থিতিশীলতা, স্বাস্থ্যসেবা, সংস্কৃতি ও পরিবেশ, শিক্ষা এবং অবকাঠামো।
      - গত ১৬ জুন, ২০২৫ ইআইইউ ২০২৫ সালের তালিকা প্রকাশ করে।

      শীর্ষ দেশ:
      • কোপেনহেগেন, ডেনমার্ক।
      • ভিয়েনা, অস্ট্রিয়া।
      • জুরিখ, সুইজারল্যান্ড।
      • মেলবোর্ন, অস্ট্রেলিয়া।
      • জেনেভা, সুইজারল্যান্ড।

      ⇒ বাংলাদেশের অবস্থান ১৭১ তম।

      তথ্যসূত্র - বিবিসি পত্রিকা রিপোর্ট।

      ১৫৬.
      নিচের কোনটি মেলানেশিয়া অঞ্চলের দেশ?
      1. পালাউ
      2. নাউরু
      3. ভানুয়াতু
      4. সামোয়াত
      সঠিক উত্তর:
      ভানুয়াতু
      উত্তর
      সঠিক উত্তর:
      ভানুয়াতু
      ব্যাখ্যা

      ⇒ মাইক্রোনেশিয়া অঞ্চলের দেশসমূহ:
      - নাউরু
      - পালাউ
      - কিরিবাতি
      - মার্শাল দ্বীপপুঞ্জ
      - মারিয়ানা।

      ⇒ মেলানেশিয়া অঞ্চলের দেশসমূহ:
      - সলোমান দ্বীপপুঞ্জ
      - ফিজি
      - ভানুয়াতু
      - পাপুয়া নিউগিনি।

      ⇒ পলিনেশিয়া অঞ্চলের দেশসমূহ:
      - টোঙ্গা
      - টুভ্যালু
      - সামোয়াত

      তথ্যসূত্র - ওয়ার্ল্ড অ্যাটলাস।

      ১৫৭.
      চতুর্থ জেনেভা কনভেনশন মূলত কাদের সুরক্ষা সংক্রান্ত?
      1. সামরিক সৈন্যদের
      2. যুদ্ধবন্দিদের
      3. স্বেচ্ছাসেবীদের
      4. বেসামরিক জনগণের
      সঠিক উত্তর:
      বেসামরিক জনগণের
      উত্তর
      সঠিক উত্তর:
      বেসামরিক জনগণের
      ব্যাখ্যা

      জেনেভা কনভেনশন:
      - জেনেভা কনভেনশন সম্পাদিত হয়েছিল দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ পরবর্তী প্রতিক্রিয়া ও এর ফলাফল হিসেবে।
      - যুদ্ধপরাধকে আন্তর্জাতিক মানদণ্ড হিসেবে জেনেভা কনভেনশনকে মান্য করা হয়।
      - মূলত এটি যুদ্ধাপরাধ সংক্রান্ত একটি আন্তর্জাতিক চুক্তি।
      - ১৯৪৯ সালের ১২ আগস্ট সুইজারল্যান্ডের জেনেভায় ‘জেনেভা কনভেনশন’ স্বাক্ষরিত হয়।
      - এর আওতায় ৪টি চুক্তি ও ৩টি প্রটোকল রয়েছে।
      - যুদ্ধকালীন সামরিক, বেসামরিক ও স্বেচ্ছাসেবীদের রক্ষার জন্য এতে চারটি চুক্তি থাকায় এই চুক্তিকে ‘চারটি রেডক্রস কনভেনশন’ বলা হয়।

      কনভেনশনসমূহ:
      • ১ম জেনেভা কনভেনশন:
      - ১৯৪৯ সালে; যুদ্ধকালীন সময়ে ভূমি ও স্থল যুদ্ধে আহত ও অসুস্থ সৈন্যদের প্রতি আচরণ ও সুরক্ষা সংক্রান্ত।

      • ২য় জেনেভা কনভেনশন:
      - ১৯৪৯ সালে; সমুদ্রস্থ যুদ্ধক্ষেত্রে আহত, অসুস্থ এবং ধ্বংসপ্রাপ্ত জাহাজের সৈন্যদের প্রতি আচরণ ও সুরক্ষা সংক্রান্ত। ১৯০৭ সালে ‘হেগ চুক্তি’ সংশোধন করে এটি স্বাক্ষরিত হয়।

      • ৩য় জেনেভা কনভেনশন:
      - ১৯৪৯ সালে; যুদ্ধবন্দিদের প্রতি আচরণ ও তাদের নিরাপত্তা ও চিকিৎসা সংক্রান্ত।

      • ৪র্থ জেনেভা কনভেনশন:
      - ১৯৪৯ সালে, যুদ্ধাবস্থায় বেসামরিক জনগণ রক্ষার্থে ও তাদের সুরক্ষা সংক্রান্ত।

      তথ্যসূত্র - Britannica.com & History.com

      ১৫৮.
      কার্টাগেনা প্রোটোকলের মূল বিষয়বস্তু কী?
      1. জলাভূমি সংরক্ষণ
      2. জৈব নিরাপত্তা
      3. ওজোনস্তর ক্ষয় হ্রাস
      4. স্থলমাইন নিষিদ্ধ
      সঠিক উত্তর:
      জৈব নিরাপত্তা
      উত্তর
      সঠিক উত্তর:
      জৈব নিরাপত্তা
      ব্যাখ্যা

      কার্টাগেনা প্রোটোকল:
      - কার্টাগেনা প্রোটোকল হচ্ছে জাতিসংঘের জৈব নিরাপত্তা বিষয়ক একটি চুক্তি।
      - কার্টাগেনা প্রোটোকল এর পুরো নাম Cartagena Protocol in Biosafety to the Convention on Biologcal Diversity.
      - কার্টাগেনা প্রোটোকল গৃহীত হয় ২০০০ সালের ২৯ জানুয়ারি।
      - কার্টাগেনা প্রোটোকল চুক্তিটি ১১ সেপ্টেম্বর ২০০৩ সালে কার্যকর হয়।
      - বাংলাদেশ কার্টাগেনা প্রোটোকল চুক্তি স্বাক্ষর করে ৫ ফেব্রুয়ারি ২০০৪ সালে।

      তথ্যসূত্র - জাতিসংঘ ওয়েবসাইট।

      ১৫৯.
      অরবিস ইন্টারন্যাশনাল কী ধরনের সংস্থা?
      1. বেসরকারি দাতব্য উড়ন্ত চক্ষু হাসপাতাল
      2. বাণিজ্যিক সংস্থা
      3. পরিবেশ সংরক্ষণ সংস্থা
      4. বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান
      সঠিক উত্তর:
      বেসরকারি দাতব্য উড়ন্ত চক্ষু হাসপাতাল
      উত্তর
      সঠিক উত্তর:
      বেসরকারি দাতব্য উড়ন্ত চক্ষু হাসপাতাল
      ব্যাখ্যা

      অরবিস ইন্টারন্যাশনাল:
      - অরবিস ইন্টারন্যাশনাল হলো একটি বেসরকারি দাতব্য উড়ন্ত চক্ষু হাসপাতাল।
      - এটি ১৯৮২ সালে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে প্রতিষ্ঠিত হয়।
      - ১৯৮২ সালের মে মাসে তারবিসের প্লেন প্রথম পানামায় ল্যান্ড করে।
      - ১৯৮৫ সালে অরবিস বাংলাদেশে আসে এবং ১৯৯৯ সালে ঢাকায় স্থায়ী শাখা চালু করে।
      - বাংলাদেশে চক্ষু চিকিৎসকদের নিয়ে ৪,০০০ প্রশিক্ষণ কর্মশালা আয়োজন করার পাশাপাশি অরবিস প্রায় ২৪,০০০ বাংলাদেশির চোখের অপারেশন করে।
      - বর্তমানে অরবিস বিশ্বের ৯০টি দেশে কাজ করছে।

      তথ্যসূত্র - অরবিস ইন্টারন্যাশনালের ওয়েবসাইট।

      ১৬০.
      GATT চুক্তির সর্বশেষ রাউন্ড কোনটি?
      1. Uruguay Round
      2. Tokyo Round
      3. Kennedy Round
      4. Geneva II Round
      সঠিক উত্তর:
      Uruguay Round
      উত্তর
      সঠিক উত্তর:
      Uruguay Round
      ব্যাখ্যা

      GATT চুক্তির রাউন্ড:
      - ১৯৪৭ সাল থেকে ১৯৯৩ সাল পর্যন্ত GATT চুক্তির দুর্বলতা ও সমস্যা সমাধানের জন্য মোট ৮টি রাউন্ড সম্পন্ন হয়।
      - সেগুলো হলো:
      1. Geneva Round,
      2. Annecy Round,
      3. Torquay Round,
      4. Geneva II Round,
      5. Dillon Round,
      6. Kennedy Round,
      7. Tokyo Round,
      8. Uruguay Round.

      উরুগুয়ে রাউন্ড:
      - GATT চুক্তির রাউন্ডগুলোর মধ্যে সবচেয়ে গুরত্বপূর্ণ ও তাৎপর্যপূর্ণ রাউন্ড হচ্ছে উরুগুয়ে রাউন্ড।
      - এই রাউন্ড শুরু হয় ১৯৮৬ সালের সেপ্টেম্বরে।
      - ১৫ এপ্রিল, ১৯৯৪ সালে উরুগুয়ে রাউন্ডের সমাপ্তির সময়ে GATT চুক্তি সংশোধনের মাধ্যমে।
      - এই রাউন্ডের সংলাপ চলে দীর্ঘ ৮ বছর ধরে।
      - এর ফলে নতুন আন্তর্জাতিক বাণিজ্য সংগঠন গঠনের সিদ্ধান্ত হয়।
      - যার ফলে ১৯৯৫ সালে জন্ম হয় World Trade Organization (WTO)-এর।

      তথ্যসূত্র - WTO ওয়েবসাইট।

      ১৬১.
      মন্ট্রিল প্রটোকল কোন সালে গৃহীত হয়?
      1. ১৯৮৪ সালে
      2. ১৯৮৫ সালে
      3. ১৯৮৬ সালে
      4. ১৯৮৭ সালে
      সঠিক উত্তর:
      ১৯৮৭ সালে
      উত্তর
      সঠিক উত্তর:
      ১৯৮৭ সালে
      ব্যাখ্যা

      মন্ট্রিল প্রটোকল:
      - মন্ট্রিল প্রটোকল ওজোনস্তর সংরক্ষণ বিষয়ক একটি বৈশ্বিক চুক্তি।
      - পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলের স্ট্রাটোস্ফিয়ারে অবস্থিত ওজোনস্তরের ক্ষয় সাধনকারী পদার্থের নির্গমন হ্রাস করে ওজোনস্তরকে সংরক্ষণের উদ্দেশ্যে ১৯৮৭ সালের ১৬ সেপ্টেম্বর এই প্রটোকল কানাডার মন্ট্রিল শহরে গৃহীত হয়।
      - ১৯৮৯ সালের ১ জানুয়ারি মন্ট্রিল প্রটোকল কার্যকর হয়।
      - মন্ট্রিল প্রটোকল গৃহীত হওয়ার দিন ১৬ সেপ্টেম্বর প্রতিবছর আন্তর্জাতিক ওজোন স্তর সংরক্ষণ দিবস হিসেবে পালিত হয়।

      তথ্যসূত্র - জাতিসংঘ ওয়েবসাইট।

      ১৬২.
      IFC এর বর্তমান সদস্য সংখ্যা কত? (ডিসেম্বর, ২০২৫)
      1. ১৮৬টি
      2. ১৮৭টি
      3. ১৮৮টি
      4. ১৮৯টি
      সঠিক উত্তর:
      ১৮৬টি
      উত্তর
      সঠিক উত্তর:
      ১৮৬টি
      ব্যাখ্যা

      IFC:
      - IFC বিশ্বব্যাংক গ্রুপের একটি প্রতিষ্ঠান।
      - IFC এর পূর্ণরূপ International Finance Corporation.
      - প্রতিষ্ঠিত হয়: ১৯৫৬ সালে।
      - বর্তমান সদস্য: ১৮৬টি।
      - প্রধান কার্যালয়: ওয়াশিংটন ডিসি, যুক্তরাষ্ট্র।
      - বর্তমান ব্যবস্থাপনা পরিচালক মাখতার ডিওপ।
      - এটি প্রধানত উন্নয়নশীল দেশগুলোতে বেসরকারি বা ব্যক্তিমালিকানা খাতের উন্নয়নে কাজ করে।

      তথ্যসূত্র - IFC অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।

      ১৬৩.
      প্রথম ফিফা শান্তি পুরস্কারে ভূষিত হয়েছেন কে?
      1. জিয়ান্নি ইনফান্তিনো
      2. নেলসন ম্যান্ডেলা
      3. ডোনাল্ড ট্রাম্প
      4. মারিয়া কোরিনা মাচাদো
      সঠিক উত্তর:
      ডোনাল্ড ট্রাম্প
      উত্তর
      সঠিক উত্তর:
      ডোনাল্ড ট্রাম্প
      ব্যাখ্যা

      ফিফার শান্তি পুরস্কার:
      - বৈশ্বিক ফুটবল সংস্থা ফিফার প্রথম শান্তি পুরস্কারে ভূষিত হলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।
      - ৫ ডিসেম্বর,২০২৫ এ ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬ এর ড্র-র আগে তিনি এই পুরস্কার গ্রহণ করেন।
      - ফিফার প্রেসিডেন্ট জিয়ান্নি ইনফান্তিনো চলতি বছর (২০২৫) থেকে এই পুরস্কার চালু করেছেন।
      - পুরষ্কারটি এমন ব্যক্তিকে দেওয়া হচ্ছে যিনি শান্তির জন্য অসাধারণ ও অনন্য পদক্ষেপ নিয়েছেন এবং সারা বিশ্বের মানুষকে ঐক্যবদ্ধ করেছেন। 

      তথ্যসূত্র - ফিফা ওয়েবসাইট ও ইত্তেফাক পত্রিকার রিপোর্ট।

      ১৬৪.
      জাপানের বৃহত্তম দ্বীপের নাম কী?
      1. হোনশু
      2. কিউসু
      3. সিকো
      4. হোক্কাইডো
      সঠিক উত্তর:
      হোনশু
      উত্তর
      সঠিক উত্তর:
      হোনশু
      ব্যাখ্যা

      হোনশু:
      - জাপানের বৃহত্তম দ্বীপের নাম হোনশু।
      - এটি জাপান সাগর ও প্রশান্ত মহাসাগরের মাঝে অবস্থিত।
      - রাজধানী টোকিও হোনশু দ্বীপে অবস্থিত।
      - হোনশু জাপানের মূল ভূখণ্ড হিসেবে গণ্য হয়।
      - জাপানের বৃহত্তম পর্বত ফুজি এই দ্বীপে অবস্থিত।
      - জাপানের সর্ববৃহৎ হ্রদ বিওয়া হনশু দ্বীপে অবস্থিত।

      উল্লেখ্য,
      - প্রশান্ত মহাসাগরের 'রিং অব ফায়ারে'র পশ্চিম প্রান্তে চারটি বড় টেকটোনিক প্লেটের ওপর অবস্থান করায় জাপান বিশ্বের সবচেয়ে ভূমিকম্পপ্রবণ দেশগুলোর একটি।

      উৎস: Britannica.

      ১৬৫.
      ভূমধ্যসাগর কোন দুইটি মহাদেশের মাঝে অবস্থিত?
      1. ইউরোপ ও এশিয়া
      2. ইউরোপ ও আফ্রিকা
      3. এশিয়া ও আফ্রিকা
      4. ইউরোপ ও উত্তর আমেরিকা
      সঠিক উত্তর:
      ইউরোপ ও আফ্রিকা
      উত্তর
      সঠিক উত্তর:
      ইউরোপ ও আফ্রিকা
      ব্যাখ্যা

      ভূমধ্যসাগর (Mediterranean Sea):
      - ভূমধ্যসাগর বিশ্বের ১০ম বৃহত্তম সমুদ্র।
      - ভূমধ্যসাগর হল ইউরোপ ও আফ্রিকার মধ্যে অবস্থিত একটি আন্তঃমহাদেশীয় সমুদ্র যা পশ্চিমে আটলান্টিক মহাসাগর থেকে পূর্বে এশিয়া পর্যন্ত বিস্তৃত।
      - এটি স্পেন ও মরক্কোর মধ্যবর্তী জিব্রাল্টার প্রণালী থেকে তুরস্কের দক্ষিণ-পশ্চিম উপকূলে ইস্কেন্দেরুন উপসাগর পর্যন্ত প্রায় ২,৫০০ মাইল (৪,০০০ কিমি) বিস্তৃত। 
      - আয়তন: প্রায় ২.৫ মিলিয়ন বর্গকিলোমিটার।
      - এর সর্বোচ্চ গভীরতা প্রায় ১৬,০০০ ফুট (৪,৯০০ মিটার)। 
      - ভূমধ্যসাগরের উত্তরে ইউরোপ মহাদেশ; পূর্বে এশিয়া এবং দক্ষিণে আফ্রিকা অবস্থিত। 
      - এটি পশ্চিমে জিব্রাল্টার প্রণালী (Strait of Gibraltar) দিয়ে আটলান্টিক মহাসাগরের সাথে এবং দক্ষিণ-পূর্বে সুয়েজ খাল দিয়ে লোহিত সাগরের সাথে সংযুক্ত।
      - এটি উত্তর-পূর্বে দারদানেলিস প্রণালী, মারমারা সাগর এবং বসফরাস প্রণালীর মাধ্যমে কৃষ্ণ সাগরের সাথে সংযুক্ত।

      ⇒ ভূমধ্যসাগরীয় অঞ্চল হলো ভূমধ্যসাগরের চারপাশে অবস্থিত দেশগুলিকে ঘিরে থাকা একটি ভৌগোলিক অঞ্চল।
      - ভূমধ্যসাগরের তীরে অবস্থিত ২২টি দেশ: স্পেন, ফ্রান্স, মোনাকো, ইতালি, মাল্টা, স্লোভেনিয়া, ক্রোয়েশিয়া, বসনিয়া ও হার্জেগোভিনা, মন্টিনিগ্রো, আলবেনিয়া, গ্রীস, তুরস্ক, সাইপ্রাস, সিরিয়া, লেবানন, ইসরায়েল, ফিলিস্তিন, মিশর, লিবিয়া, তিউনিশিয়া, আলজেরিয়া, মরক্কো।

      উৎস: Worldatlas.

      ১৬৬.
      পৃথিবীর ভূত্বক কয়টি বৃহৎ টেকটোনিক প্লেট দ্বারা গঠিত?
      1. ৫টি
      2. ৭টি
      3. ৯টি
      4. ১১টি
      সঠিক উত্তর:
      ৭টি
      উত্তর
      সঠিক উত্তর:
      ৭টি
      ব্যাখ্যা

      টেকটোনিক প্লেট:
      - টেকটোনিক প্লেট হচ্ছে পাথরের একটি স্তর যা পৃথিবীর অভ্যন্তরের গলিত অংশটির সবচেয়ে বাইরের আবরণ।
      - টেকটোনিক প্লেট এর উপরে পৃথিবীর সবকিছু অবস্থান করছে।
      - ১৯১২ খ্রিষ্টাব্দে আবহাওয়াবিদ আলফ্রেড ওয়েগেনারের মহীসঞ্চারণ তত্ত্ব বা কন্টিনেন্টাল ড্রিফট থেকে টেকটোনিক প্লেট ধারণার জন্ম হয়।
      - মহীসঞ্চারণ তত্ত্ব অনুসারে কোনো একসময় সবগুলো মহাদেশ মিলে একটি মহাদেশ ছিল যাকে প্যানজিয়া বলা হয়।

      ⇒ পৃথিবীর ভূত্বক ৭টি বৃহৎ টেকটোনিক প্লেট দ্বারা গঠিত। প্লেটগুলো হলো:
      - প্রশান্ত মহাসাগরীয় প্লেট (Pacific Plate),
      - উত্তর আমেরিকান প্লেট (North American Plate),
      - ইউরেশীয় প্লেট (Eurasian Plate),
      - আফ্রিকান প্লেট (African Plate),
      - অ্যান্টার্কটিক প্লেট (Antarctic Plate),
      - ভারত-অস্ট্রেলীয় প্লেট (Indo-Australian Plate) ও
      - দক্ষিণ আমেরিকান প্লেট (South American Plate)।

      উৎস: Worldatlas.

      ১৬৭.
      বাংলাদেশে আবিষ্কৃত প্রথম কয়লা ক্ষেত্র কোনটি?
      1. জামালগঞ্জ
      2. বড় পুকুরিয়া
      3. দিঘীপাড়া
      4. খালাসপীর
      সঠিক উত্তর:
      জামালগঞ্জ
      উত্তর
      সঠিক উত্তর:
      জামালগঞ্জ
      ব্যাখ্যা

      কয়লা ক্ষেত্র:
      - বাংলাদেশে আবিস্কৃত মোট কয়লা ক্ষেত্র ৫টি।
      - ১৯৬২ সালে জয়পুরহাট জেলার জামালগঞ্জে দেশের সর্বপ্রথম কয়লাক্ষেত্র আবিষ্কৃত হয়।
      - গভীরতা বেশি হওয়ায় জামালগঞ্জ খনি থেকে এখনো কয়লা উত্তোলন শুরু হয়নি।
      - দেশে একমাত্র দিনাজপুর জেলার বড়পুকুরিয়া কয়লা খনি থেকে কয়লা উত্তোলিত হচ্ছে।

      ⇒ দেশের কয়লা খনিসমূহ হলো:
      • বড়পুকুরিয়া: দিনাজপুর, আবিষ্কারক ও আবিষ্কারের সন: জিএসবি, ১৯৮৫।
      • দীঘিপাড়া: দিনাজপুর, আবিষ্কারক ও আবিষ্কারের সন: জিএসবি, ১৯৯৫।
      • ফুলবাড়ী: দিনাজপুর, আবিষ্কারক ও আবিষ্কারের সন: জিএসবি, ১৯৮৯।
      • খালাসপীর: রংপুর, আবিষ্কারক ও আবিষ্কারের সন: বি.এইচ.পি মিনারেলস, ১৯৯৭।
      • জামালগঞ্জ: আবিষ্কারক ও আবিষ্কারের সন: জয়পুরহাট, জিএসবি, ১৯৬২।

      উৎস: খনিজ সম্পদ উন্নয়ন ব্যুরো ওয়েবসাইট। 

      ১৬৮.
      গ্র্যান্ড ক্যানিয়ন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের কোন রাজ্যে অবস্থিত?
      1. ক্যালিফোর্নিয়া
      2. নেভাডা
      3. ইউটা
      4. অ্যারিজোনা
      সঠিক উত্তর:
      অ্যারিজোনা
      উত্তর
      সঠিক উত্তর:
      অ্যারিজোনা
      ব্যাখ্যা

      গ্র্যান্ড ক্যানিয়ন:
      - বিখ্যাত গিরিখাত গ্রান্ড ক্যানিয়ন উত্তর আমেরিকা মহাদেশে অবস্থিত।
      - গ্রান্ড ক্যানিয়ন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের উত্তর-পশ্চিম অ্যারিজোনার কলোরাডো উচ্চ মালভূমি অঞ্চলে অবস্থিত।
      - এই গিরিখাতের মধ্য দিয়ে কলোরাডো নদী বয়ে গেছে।
      - এটি এর চমৎকার আকার এবং রঙের জন্য বিখ্যাত।
      - গ্র্যান্ড ক্যানিয়ন মূলত অনুভূমিক স্তরযুক্ত শিলা এবং লাভা প্রবাহ নিয়ে গঠিত।
      - গ্র্যান্ড ক্যানিয়নে অনেক উপনদীর পাশের গিরিখাত এবং পার্শ্ববর্তী মালভূমিও রয়েছে।

      উল্লেখ্য,
      ⇒ কলোরাডো মালভূমি:
      - কলোরাডো মালভূমি উত্তর আমেরিকাঞ্চলে অবস্থিত।
      - এটি বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্রের চারটি রাজ্য কলোরাডো, নিউ মেক্সিকো, ইউটা এবং অ্যারিজোনাতে বিস্তৃত।
      - এই মালভূমিটি অত্যন্ত ঐতিহাসিক এবং ভূগোলিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ, কারণ এখানে বহু জাতীয় উদ্যান, যেমন গ্র্যান্ড ক্যানিয়ন, আর্চস, ক্যাটেড্রাল ভ্যালি এবং মেসা ভার্ডে অবস্থিত।
      - এটি পাদদেশীয় মালভূমি।
      - কলোরাডো মালভূমিতে সর্বাপেক্ষা দীর্ঘ ও গভীর গিরিখাতটির নাম গ্র্যান্ড ক্যানিয়ন।

      উৎস: Britannica.

      ১৬৯.
      ভাওয়ালের সোপান ভূমি কোন সময়ে গঠিত?
      1. সাম্প্রতিককালে
      2. টারশিয়ারি যুগে
      3. প্লাইস্টোসিনকালে
      4. ক ও গ
      সঠিক উত্তর:
      প্লাইস্টোসিনকালে
      উত্তর
      সঠিক উত্তর:
      প্লাইস্টোসিনকালে
      ব্যাখ্যা

      - ভাওয়ালের সোপান ভূমি প্লাইস্টোসিনকালে গঠিত। 

      বাংলাদেশের ভূপ্রকৃতি:
      - ভূপ্রকৃতি অনুযায়ী বাংলাদেশকে তিনটি ভাগে ভাগ করা যায়। এগুলো হলো:
      • টারশিয়ারি যুগের পাহাড়সমূহ,
      • প্লাইস্টোসিনকালের সোপানসমূহ এবং
      • সাম্প্রতিককালের প্লাবন সমভূমি।

      ⇒ প্লাইস্টোসিনকালের সোপানসমূহ:
      - আনুমানিক ২৫,০০০ বছর পূর্বের সময়কে প্লাইস্টোসিনকাল বলে।
      - এ অঞ্চলের মাটির রং লাল ও ধূসর।
      - দেশের উত্তর-পশ্চিমাংশের বরেন্দ্রভূমি, মধ্যভাগের মধুপুর ও ভাওয়ালের গড় এবং কুমিল্লা জেলার লালমাই পাহাড় বা উচ্চভূমি এর অন্তর্ভুক্ত।
      - প্লাইস্টোসিনকালে এসব উচ্চভূমি গঠিত হয়েছিল বলে ধারণা করা হয়। 

      • বরেন্দ্রভূমি:
      - বরেন্দ্রভূমি রাজশাহী বিভাগের নওগাঁ, রাজশাহী, বগুড়া, জয়পুরহাট এবং রংপুর বিভাগের গাইবান্ধা, রংপুর ও দিনাজপুর জেলার অংশবিশেষ নিয়ে গঠিত।
      - এর আয়তন ৯,৩২০ বর্গকিলোমিটার।
      - প্লাবন সমভূমি থেকে এর উচ্চতা ৬ থেকে ১২ মিটার।
      - এটি প্লাইস্টোসিন যুগের সর্ববৃহৎ উঁচুভূমি।

      • মধুপুর ও ভাওয়ালের গড়:
      - টাঙ্গাইল ও ময়মনসিংহ জেলার মধুপুর এবং গাজীপুর জেলার ভাওয়ালের গড় নিয়ে এলাকাটি গঠিত।
      - এটি প্লাইস্টোসিন যুগের দ্বিতীয় বৃহত্তম উঁচুভূমি।
      - সমভূমি থেকে এর গড় উচ্চতা প্রায় ৩০ মিটার।
      - এর আয়তন ৪,১০৩ বর্গকিলোমিটার।
      - এটি দেশের গজারী বৃক্ষের কেন্দ্র হিসেবে পরিচিত।

      উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, এস এস সি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

      ১৭০.
      শীতকালে বাতাসে জলীয় বাষ্পের পরিমাণ কম থাকে কারণ -
      1. সূর্য বিপরীত গোলার্ধে অবস্থান করে
      2. স্থলভাগের ওপর দিয়ে উত্তর-পূর্ব মৌসুমি বায়ু প্রবাহিত হয়
      3. দক্ষিণ–পশ্চিম মৌসুমি বায়ুর প্রভাব
      4. আকাশ মেঘমুক্ত থাকে
      সঠিক উত্তর:
      স্থলভাগের ওপর দিয়ে উত্তর-পূর্ব মৌসুমি বায়ু প্রবাহিত হয়
      উত্তর
      সঠিক উত্তর:
      স্থলভাগের ওপর দিয়ে উত্তর-পূর্ব মৌসুমি বায়ু প্রবাহিত হয়
      ব্যাখ্যা

      শীতকাল:
      - নভেম্বর থেকে ফেব্রুয়ারি মাস এদেশে শীতকাল বিরাজ করে।
      - এ সময় সূর্য দক্ষিণ গোলার্ধে অবস্থান করে বলে বাংলাদেশে এর রশ্মি তীর্যকভাবে পড়ে এবং উত্তাপের পরিমাণ যথেষ্ট কমে যায়। ফলে তাপমাত্রার পরিমাণ কম থাকে।
      - কখনও শিশির এবং কুয়াশা পড়তে দেখা যায়।

      ⇒ এ ঋতুতে বাংলাদেশের আবহাওয়া মোটামুটি শুষ্ক, শীতল ও আরামদায়ক থাকে বলে সবচেয়ে সুন্দর ও উপভোগ্য ঋতু বলতে এ ঋতুকে বোঝায়।
      - শীতকালে সর্বোচ্চ ও সর্বনিম্ন উষ্ণতার তাপমাত্রা যথাক্রমে ২৯° সে. ও ১১° সে. এবং গড় তাপমাত্রা প্রায় ১৭.৭° সে.।

      ⇒ এসময় দক্ষিণাংশ থেকে উত্তরদিকে ক্রমশ তাপমাত্রা কম থাকে।
      - এ সময় বাংলাদেশের উপর দিয়ে উত্তর-পূর্ব মৌসুমি বায়ু প্রবাহিত হয়। এ বায়ু স্থলভাগের উপর দিয়ে আসে বলে জলীয়বাষ্প খুব কম থাকে।
      - তবে হিমালয় পর্বতের ওপর দিয়ে প্রবাহিত হওয়ার সময় তুষারকণা হতে সামান্য পরিমাণে জলীয়বাষ্প বহন করে।
      - এ বায়ু দেশের পূর্বাঞ্চলের পর্বতসমূহ বাধা পেয়ে সামান্য বৃষ্টিপাত ঘটায়।
      - কোন কোন বছর নভেম্বর ও ডিসেম্বর মাসে বঙ্গোপসাগর হতে আগত ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাবে দেশের দক্ষিণাঞ্চলে কয়েকদিন বৃষ্টিপাত হয়।
      - শীতকালে উত্তর-পূর্ব দিক হতে শীতল মৌসুমি বায়ু বাংলাদেশের উপর দিয়ে প্রবাহিত হয়।

      উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, বিএড প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

      ১৭১.
      কুশিয়ারা ও সুরমা আজমিরীগঞ্জের কাছে কী নামে অগ্রসর হয়েছে?
      1. মেঘনা
      2. ব্রহ্মপুত্র
      3. কালনী
      4. ধোয়াই
      সঠিক উত্তর:
      কালনী
      উত্তর
      সঠিক উত্তর:
      কালনী
      ব্যাখ্যা

      মেঘনা নদী: 
      - মেঘনা বাংলাদেশের সবচেয়ে প্রশস্ততম নদী। 
      - মেঘনার উৎপত্তি: আসামের লুসাই পাহাড় হতে বরাক নদী নামে।
      - বাংলাদেশে প্রবেশ: সুরমা ও কুশিয়ারা নামে সিলেট জেলা দিয়ে ।
      - সুরমা ও কুশিয়ারা মিলিত হয়েছে আজমিরীগঞ্জে এবং নামধারণ করেছে কালনী।
      - কালনী ও পুরাতন ব্রহ্মপুত্রের মিলিত স্রোতের নাম: মেঘনা (ভৈরববাজার)।
      - উপনদী: ব্রহ্মপুত্র, গোমতী, শীতলক্ষা, ধলেশ্বরী, ডাকাতিয়া।

      ⇒ বিভিন্ন নদ-নদীর মিলনস্থল:
      - পদ্মা ও মেঘনা: চাঁদপুর। 
      - যমুনা ও পদ্মা: গোয়ালন্দ। 
      - সুরমা ও কুশিয়ারা: ভৈরব (আজমিরীগঞ্জ)। 
      - পুরাতন ব্রহ্মপুত্র ও মেঘনা: ভৈরব বাজার। 
      - তিস্তা ও ব্রহ্মপুত্র: কুড়িগ্রামের চিরমারীতে।

      উৎস: i) জাতীয় নদী রক্ষা কমিশন ওয়েবসাইট। 
      ii) জাতীয় তথ্য বাতায়ন।

      ১৭২.
      নদী শাসনের ক্ষেত্রে ড্রেজিং বলতে কী বোঝায়?
      1. নদীর পানি শুকিয়ে ফেলা
      2. নদীর পাড় উঁচু করা
      3. নদী খননের মাধ্যমে নাব্যতা বৃদ্ধি
      4. নদীর গতিপথ বন্ধ করা
      সঠিক উত্তর:
      নদী খননের মাধ্যমে নাব্যতা বৃদ্ধি
      উত্তর
      সঠিক উত্তর:
      নদী খননের মাধ্যমে নাব্যতা বৃদ্ধি
      ব্যাখ্যা

      নদীশাসন:
      - প্রতিবছর নানাবিধ কারণে নদীভাঙ্গন দেখা যায় যা অতি পরিচিত একটি প্রাকৃতিক দুর্যোগ।
      - নদীর এ ভাঙ্গন প্রক্রিয়া প্রতিরোধ ও নদীর পানি বিভিন্ন কাজে ব্যবহার করার জন্য বাঁধ বা প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করাই হলো নদীশাসন। যেমন:- তিস্তা ব্যারেজ।

      উল্লেখ্য,
      - বাংলাদেশের প্রায় সব অঞ্চলে কমবেশি নদীভাঙ্গন দেখা যায়।
      - তবে নদীভাঙ্গনের ফলে সর্বোচ্চ ভূমিক্ষয় ঘটে ব্রহ্মপুত্র-যমুনা অববাহিকায়।
      - নদীভাঙ্গনের ফলে নদীর পাড়ে বসবাসকারী মানুষের পালিত পশুসম্পদ, ফসলি জমি, জানমালের ব্যাপক ক্ষতি হয়।
      - তাই নদীশাসনের জন ইতোমধ্যে সরকার অনেক নদীর তীরে বাঁধ দিয়ে নদীভাঙ্গন রোধের চেষ্টা করছে।

      ⇒ নদীশাসনের প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ:
      • উপকূলীয় অঞ্চলে বনায়নের মাধ্যমে সবুজ বেষ্টনী তৈরি করে এবং ড্রেজিংয়ের মাধ্যমে নদী খনন করে নদীশাসন করা।
      • নদীশাসনের জন্য নদীর পাড় থেকে অপরিকল্পিতভাবে মাটি কাটা ও পাথর তোলা বন্ধ করে নদীভাঙ্গন রোধ করা সম্ভব।
      • সমভূমি থেকে অতিরিক্ত বৃষ্টির পানি একই পথে নদীতে পতিত হওয়া রোধ করে পরিকল্পিতভাবে নিষ্কাশনের ব্যবস্থা করলে নদীভাঙ্গন রোধ করে নদীশাসন করা যায়।
      • প্রতিবছর নদীর পাড় ও বাঁধ সংস্করণ, নদী খনন, নদীর নাব্যতা ধরে রাখা ইত্যাদির মাধ্যমে নদীভাঙ্গন রোধ করা যায়।

      উৎস: ভূগোল প্রথম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

      ১৭৩.
      ২২ ডিসেম্বর তারিখে সূর্য কোন রেখার উপর লম্বভাবে কিরণ দেয়?
      1. কর্কটক্রান্তি
      2. মকরক্রান্তি
      3. অক্ষরেখা
      4. নিরক্ষরেখা
      সঠিক উত্তর:
      মকরক্রান্তি
      উত্তর
      সঠিক উত্তর:
      মকরক্রান্তি
      ব্যাখ্যা

      ২২ ডিসেম্বর:
      - ২২ ডিসেম্বর উত্তর গোলার্ধের সবচেয়ে ছোট দিন ও বড় রাত।
      - ২২ ডিসেম্বর দক্ষিণ গোলার্ধে সবচেয়ে বড় দিন ও ছোট রাত।

      ⇒ মকরক্রান্তি রেখা:
      - দক্ষিণ গোলার্ধে ২৩.৫° দক্ষিণ অক্ষরেখাকে মকরক্রান্তি রেখা নামে অভিহিত করা হয়।
      - ২২ শে ডিসেম্বর তারিখে সূর্য ২৩.৫° দক্ষিণ অক্ষরেখায় (মকরক্রান্তি) লম্বভাবে কিরণ দেয়।
      - উক্ত তারিখে দক্ষিণ মেরু বিন্দু অর্থ্যাৎ ৯০° দক্ষিণ থেকে ৬৬.৫° দক্ষিণ অক্ষরেখা পর্যন্ত ২৪ ঘন্টা দিন থাকে।
      - ফলে ৬৬.৫° দক্ষিণ অক্ষরেখাকে কুমেরু অঞ্চলের শেষ সীমানা ধরা হয় এবং এই অক্ষরেখাকে কুমেরুবৃত্ত (Antarctic Circle) নামে অভিহিত করা হয়।

      উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, SSC প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 

      ১৭৪.
      জাতীয় সত্তার দর্পণ হিসেবে বিবেচিত নিচের কোন ধরনের মূল্যবোধ?
      1. অর্থনৈতিক
      2. সামাজিক
      3. ব্যক্তিগত 
      4. রাজনৈতিক
      সঠিক উত্তর:
      সামাজিক
      উত্তর
      সঠিক উত্তর:
      সামাজিক
      ব্যাখ্যা

      সামাজিক মূল্যবোধ:
      - সামাজিক মূল্যবোধ সমাজের অন্যতম ভিত্তি।
      - মূল্যবোধ হচ্ছে বিশ্বাস, আদর্শ ও নীতির সমষ্টি যা ব্যক্তিকে নির্দিষ্ট কাজে পরিচালিত করে এবং অন্যের কাজের ভাল মন্দ বিচারের মাপকাঠি হিসেবে বিবেচিত হয়।
      - মূল্যবোধ, ব্যক্তিদল, পরিবার, সমষ্টি, সমাজ, পেশা, প্রতিষ্ঠান ইত্যাদি সকল পর্যায়েই থাকে।
      - মূল্যবোধ ছন্দময় এবং পরিবর্তনশীল।
      - সামাজিক মূল্যবোধ হলো সমাজের সদস্যদের সিংহভাগের সর্ব সম্মত বিশ্বাস, আদর্শ, নীতি ইত্যাদির সমষ্টি যা তারা ভাল বলে গ্রহণ করে।
      - সমাজের মানুষের ভাল মন্দ আচরণ বিচারের মানদন্ড হলো সামাজিক মূল্যবোধ।
      - এটি মানুষের ব্যক্তিগত ও সামাজিক আচরণ নিয়ন্ত্রণ করে।
      - সামাজিক পরিবর্তনের সাথে সাথে মূল্যবোধেও পরিবর্তন ঘটে।
      - ব্যক্তি ও সমাজের অভিন্ন আকাংখার অভিব্যক্তিই হলো সামাজিক মূল্যবোধ।

      উল্লেখ্য,
      - জাতীয় সত্তার দর্পণ হিসেবে সামাজিক মূল্যবোধকে বিবেচনা করা হয় কারণ সাম্য, ভ্রাতৃত্ববোধ, সহযোগিতা ও মমত্ববোধের মতো গুণাবলির বিকাশ সামাজিক মূল্যবোধের মাধ্যমেই ঘটে যা একটি জাতির সামগ্রিক পরিচিতি ও উন্নয়নে সহায়তা করে। 
      - সামাজিক মূল্যবোধ গঠনে বিভিন্ন উপাদান যেমন- ভৌগোলিক পরিবেশ, জলবায়ু, স্থানীয় কৃষ্টি, ধর্মীয় বিশ্বাস, যুদ্ধ, সমস্যা, চাহিদা ও সম্পদ প্রভাব বিস্তার করে।
      - আমাদের সমাজের মূলবোধের সাথে যেমন সৌদি আরবের মূল্যবোধের মিল পাওয়া যাবে না, তেমনি করে প্রাচ্যের সাথে পাশ্চাত্যের সমাজের সামাজিক মূল্যবোধের পার্থক্য পরিলক্ষিত হবে।

      উৎস: i) পৌরনীতি ও সুশাসন, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
      ii) সমাজকল্যাণ ১ম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

      ১৭৫.
      নিচের কোন দুটির লক্ষ্য ও আলোচ্য বিষয় একই?
      1. নৈতিকতা ও সমাজবিজ্ঞান
      2. আইন ও সমাজ
      3. নৈতিকতা ও রাজনীতি
      4. আইন ও নৈতিকতা
      সঠিক উত্তর:
      আইন ও নৈতিকতা
      উত্তর
      সঠিক উত্তর:
      আইন ও নৈতিকতা
      ব্যাখ্যা

      আইন ও নৈতিকতা:
      - আইন ও নৈতিকতার লক্ষ্য এক ও অভিন্ন।
      - উভয়ের আলোচ্য বিষয় মানুষের আচরণ।
      - আইন মানুষের বাহ্যিক আচরণ নিয়ন্ত্রণ করে এবং নৈতিকতা মানুষের মনোজগতকে নিয়ন্ত্রণ করে।
      - সুতরাং দেখা যাচ্ছে যে, আচরণ নিয়ন্ত্রণ করে মানুষের কল্যাণ সাধন করাই উভয়ের লক্ষ্য। 

      উৎস: পৌরনীতি ও সুশাসন ১ম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রফেসর মোঃ মোজাম্মেল হক।

      ১৭৬.
      মূল্যবোধকে কোনটি সুদৃঢ় করে?
      1. শিক্ষা
      2. ঐক্য
      3. পরিবার
      4. অর্থনীতি
      সঠিক উত্তর:
      শিক্ষা
      উত্তর
      সঠিক উত্তর:
      শিক্ষা
      ব্যাখ্যা

      মূল্যবোধ:
      - মূল্যবোধ হলো মানুষের আচরণ পরিচালনাকারী মানদণ্ড ও নীতি।
      - মূল্যবোধ নির্ধারিত হয় আচরণের মাধ্যমে।
      - শিক্ষার মাধ্যমে মূল্যবোধকে সুদৃঢ় করা যায়।
      - জন্মের পর থেকেই মানুষ মূল্যবোধের শিক্ষা লাভ করতে শুরু করে যা আমৃত্যু চলে।
      - তবে বয়স বৃদ্ধির সাথে সাথে মূল্যবোধ শিক্ষারও পরিবর্তন ঘটে।

      ⇒ শিক্ষার মূল উদ্দেশ্য হলো মূল্যবোধ অর্জন।
      - জ্ঞানার্জন বা শিক্ষার মাধ্যমেই মূল্যবোধ সুদৃঢ় হয়।
      - মানুষের শিক্ষাজীবনকে ব্যক্তিগত মূল্যবোধ অর্জনের শ্রেষ্ঠ সময় বলা হয়।
      - মূল্যবোধ শিক্ষার প্রাথমিক উৎস হলো পরিবার।
      - পরিবার থেকেই মূল্যবোধ শিক্ষার সূচনা হয়।
      - মূল্যবোধ শিক্ষার প্রধান প্রাতিষ্ঠানিক উৎস হলো বিদ্যালয়।

      উৎস: পৌরনীতি ও সুশাসন ১ম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রফেসর মোঃ মোজাম্মেল হক।

      ১৭৭.
      সুশাসন প্রতিষ্ঠায় একজন নাগরিকের অন্যতম প্রধান কর্তব্য কোনটি?
      1. রাষ্ট্রের সেবা দান
      2. জাতীয় সম্পদ রক্ষা
      3. কর প্রদান
      4. সবগুলো
      সঠিক উত্তর:
      সবগুলো
      উত্তর
      সঠিক উত্তর:
      সবগুলো
      ব্যাখ্যা

       সুশাসন প্রতিষ্ঠায় নাগরিকের কর্তব্য:
      - সামাজিক দায়িত্ব পালন।
      - রাষ্ট্রের প্রতি আনুগত্য প্রদর্শন।
      - আইন মান্য করা।
      - সৎ ও যোগ্য নেতৃত্ব নির্বাচন।
      - নিয়মিত কর প্রদান। 
      - রাষ্ট্রের সেবা করা।
      - সন্তানদের শিক্ষাদান।
      - রাষ্ট্রীয় উন্নয়ন কর্মকাণ্ডে অংশগ্রহণ।
      - জাতীয় সম্পদ রক্ষা।
      - আইন শৃঙ্খলা রক্ষায় সাহায্য করা।
      - সচেতন ও সজাগ হওয়া।
      - সংবিধান মেনে চলা।
      - সুশাসনের আগ্রহ।
      - উদার ও প্রগতিশীল দলের প্রতি সমর্থন।

      উৎস: পৌরনীতি ও সুশাসন ১ম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, মো: মোজাম্মেল হক।

      ১৭৮.
      সুশাসনের প্রথম আভাস পাওয়া যায় -
      1. ঊনবিংশ শতাব্দীর শুরুর দিকে
      2. ঊনবিংশ শতাব্দীর শেষের দিকে
      3. বিংশ শতাব্দীর শুরুর দিকে
      4. বিংশ শতাব্দীর শেষের দিকে
      সঠিক উত্তর:
      বিংশ শতাব্দীর শেষের দিকে
      উত্তর
      সঠিক উত্তর:
      বিংশ শতাব্দীর শেষের দিকে
      ব্যাখ্যা

      সুশাসন:
      - সুশাসন হচ্ছে এমন এক শাসন ব্যবস্থা যা শাসক ও শাসিতের মধ্যে আস্থার সম্পর্ক গড়ে তোলে।
      - সুশাসন নিশ্চিত করে যে শাসক ও শাসিতের মধ্যে একটি দৃঢ় আস্থার সম্পর্ক গড়ে ওঠে।
      - এটি শাসন ব্যবস্থার স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা, ন্যায়বিচার, এবং অংশগ্রহণ নিশ্চিত করে, যা জনগণের আস্থা এবং বিশ্বাস অর্জনে সহায়ক।
      - এই আস্থার সম্পর্ক যত শক্তিশালী হবে সুশাসন তত মজবুত হবে।

      ⇒ সুশাসনের প্রথম আভাস পাওয়া যায় বিংশ শতাব্দীর শেষের দিকে।
      - মূলত: ল্যাটিন আমেরিকা ও আফ্রিকা মহাদেশে বিশ্বব্যাংকের ব্যর্থতার ফলে ১৯৮৯ সালে বিশ্বব্যাংক কর্তৃক সুশাসনের ধারণাটি উদ্ভব হয়।
      - এটি বিশ্বব্যাংকের প্রেসক্রিপশন নামে পরিচিত।
       - ১৯৯৪ সালে বিশ্ব ব্যাংক প্রদত্ত সংজ্ঞায় বলা হয়েছে যে, ‘সার্বিক উন্নয়নের লক্ষ্যে একটি দেশের সামাজিক এবং অর্থনৈতিক সম্পদের ব্যবস্থাপনার জন্য ক্ষমতা প্রয়োগের পদ্ধতিই হলো গভর্নেন্স।'
      - ২০০০ সালে বিশ্বব্যাংক প্রকাশ করে যে, সুষ্ঠু গভর্নেন্স বা সুশাসন চারটি প্রধান স্তম্ভের ওপর নির্ভরশীল। বিশ্বব্যাংকের ঘোষিত চারটি স্তম্ভ হলো:
      ১. দায়িত্বশীলতা, 
      ২. স্বচ্ছতা,
      ৩. আইনি কাঠামো ও
      ৪. অংশগ্রহণ।

      উৎস: i) পৌরনীতি ও সুশাসন ১ম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, মো: মোজাম্মেল হক।
      ii) সুশাসন বনাম সামাজিক ও পারিবারিক মূল্যবোধ, ndicia24.com।

      ১৭৯.
      'Red Tapism' কোনটির সঙ্গে সরাসরি সম্পর্কিত?
      1. মূল্যবোধ
      2. সুনাগরিক
      3. সহনশীলতা
      4. আমলাতন্ত্র
      সঠিক উত্তর:
      আমলাতন্ত্র
      উত্তর
      সঠিক উত্তর:
      আমলাতন্ত্র
      ব্যাখ্যা

      আমলাতন্ত্র:
      - আমলাতন্ত্র হচ্ছে স্থায়ী, বেতনভুক্ত, নিরপেক্ষ, দক্ষ ও পেশাদারী সংগঠন যার দ্বারা সরকারের নীতি ও সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন হয়।
      - আমলাতন্ত্রের ইংরেজি প্রতিশব্দ 'Bureaucracy'।
      - আমলাতন্ত্রের শাব্দিক অর্থ হচ্ছে `Desk government' বা 'দাপ্তরিক সরকার'।
      - আমলাতন্ত্র বলতে বুঝায় আমলা বা প্রশাসনিক কর্মকর্তাদের শাসন।
      - বাস্তবে আমলারা পরস্পর সুশৃঙ্খলভাবে সংযুক্ত এবং রাজনৈতিকভাবে নিরপেক্ষ থেকে দায়িত্ব পালন করেন।
      - জার্মান সমাজবিজ্ঞানী ম্যাক্স ওয়েবার সর্বপ্রথম 'Legal and rational Model' এর মাধ্যমে আমলাতন্ত্রকে উপস্থাপন করেন। 

      ⇒ "লালফিতার দৌরাত্ম্য" (Red tapism) সাধারণত আমলাতন্ত্রে বেশি দেখা যায়।
      - লালফিতার দৌরাত্ম্য আমলাতন্ত্রের অন্যতম একটি বৈশিষ্ট্য।
      - লালফিতার দৌরাত্ম্য বলতে কঠোর নিয়মনীতির মাধ্যমে প্রশাসনিক কার্যক্রম পরিচালনা করা বোঝায়।
      - এতে ফাইল বা নথি দীর্ঘসময় বন্দী হয়ে পড়ে।
      - জনগণ স্বাভাবিক সময়ে সেবা প্রাপ্তি থেকে বঞ্চিত হয় এবং কাজের গতিশীলতা কমে যায়।
      - এমনকি জাতীয় ও আন্তর্জাতিক প্রয়োজনের মুহুর্তেও দ্রুত সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা যায় না। 
      - সুতরাং আমলাতন্ত্রের দৌরাত্ম্য, আনুষ্ঠানিকতার বাড়াবাড়ি, অহেতুক বিলম্ব- এসব বোঝাতেই মন্দ অর্থেই 'লালফিতার দৌরাত্ম্য' শব্দটি ব্যাপকভাবে প্রচলিত।

      উৎস: পৌরনীতি ও সুশাসন ১ম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, মো: মোজাম্মেল হক।

      ১৮০.
      অধ্যাপক ডাইসির মতে, আইনের শাসনের মৌলিক শর্ত কয়টি?
      1. ২টি
      2. ৩টি
      3. ৪টি
      4. ৫টি
      সঠিক উত্তর:
      ৩টি
      উত্তর
      সঠিক উত্তর:
      ৩টি
      ব্যাখ্যা

      আইনের শাসন:
      ​- অধ্যাপক ডাইসির মতে, আইনের শাসনের মৌলিক তিনটি শর্ত রয়েছে। এগুলো হলো: 
      ​ক. আইনের দৃষ্টিতে সবাই সমান, 
      ​খ. আইনের আশ্রয় গ্রহণের সুযোগ বিদ্যমান থাকা, 
      ​গ. শুনানী গ্রহণ ব্যতীত কারো বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ না করা।

      ​- এই শর্ত তিনী মেনে চললেই তবে বলা যাবে যে, আইনের শাসন কার্যকর হয়েছে।
      ​- আইনের শাসন প্রতিষ্ঠিত করতে চাইলে ন্যায়পরায়ণ আচরণ, নিপীড়ন মুক্ত স্বাধীন পরিবেশ ও নিরপেক্ষ ও স্বাধীন বিচার বিভাগ থাকতে হয়।

      ​উৎস: পৌরনীতি ও সুশাসন ১ম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, মো: মোজাম্মেল হক।

      ১৮১.
      'Perpetual Peace' গ্রন্থটির রচয়িতা কে?
      1. টমাস হবস
      2. জন অস্টিন
      3. ইমানুয়েল কান্ট
      4. নিকোলো ম্যাকিয়াভেলি
      সঠিক উত্তর:
      ইমানুয়েল কান্ট
      উত্তর
      সঠিক উত্তর:
      ইমানুয়েল কান্ট
      ব্যাখ্যা

      ইমানুয়েল কান্ট:
      - ইমানুয়েল কান্টকে 'কর্তব্যমুখী নৈতিকতার' প্রবর্তক বলা হয়।
      - ইমানুয়েল কান্ট একজন জার্মান নীতিবিজ্ঞানী।
      - তাঁর নীতিবিদ্যার মূলকথা তিনটি যথা: সৎ ইচ্ছা, কর্তব্যের জন্য কর্তব্য এবং শর্তহীন আদেশ।
      - 'কর্তব্যমুখী নৈতিকতা' বা 'কর্তব্যের নৈতিকতার' দর্শন যে কোনো কর্মের ফল বা পরিণতির বদলে কর্মের ধরনকে গুরুত্ব দেয়।
      - 'কর্তব্যের জন্য কর্তব্য'-ধারণাটির প্রবর্তক ইমানুয়েল কান্ট।
      - 'সততার জন্য সদিচ্ছা'র কথা বলেছেন ইমানুয়েল কান্ট।

      উল্লেখ্য,
      - গণতান্ত্রিক শান্তি তত্ত্ব সম্পর্কে রচিত ‘Perpetual Peace’ গ্রন্থটি ইমানুয়েল কান্ট-এর লেখা।
      - ‘আ পাপেচুয়াল পিস (১৭৯৫)’ রাজনৈতিক দর্শনের ও আন্তর্জাতিক সম্পর্কের একটি গুরুত্বপূর্ণ গ্রন্থ, যা বিভিন্ন দেশের মধ্যে স্থায়ী শান্তি প্রতিষ্ঠার জন্য একটি কাঠামো প্রদান করে।
      - এই বইয়ে কান্ট যুদ্ধ এড়ানোর ও বৈশ্বিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখার জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবহারিক ও নৈতিক নির্দেশনা উপস্থাপন করেছেন।

      ⇒ নীতিশাস্ত্রের উপর তাঁর রচিত বই:
      - Groundwork for Metaphysics of Morals.
      - Critique of Pure Reason.
      - Critique of Practical Reason.
      - Critique of Judgement.
      - Perpetual Peace.

      উৎস: i) পৌরনীতি ও সুশাসন ১ম পত্র, HSC প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
      ii) Britannica.

      ১৮২.
      'সুশাসন সকলের অংশগ্রহণের মাধ্যমে অর্থপূর্ণ রাজনৈতিক পরিবেশ প্রতিষ্ঠা করে'-এটি কার মত?
      1. জাতিসংঘ
      2. বিশ্বব্যাংক
      3. এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক
      4. জাতিসংঘ উন্নয়ন কর্মসূচী
      সঠিক উত্তর:
      জাতিসংঘ উন্নয়ন কর্মসূচী
      উত্তর
      সঠিক উত্তর:
      জাতিসংঘ উন্নয়ন কর্মসূচী
      ব্যাখ্যা

      UNDP ও সুশাসন:
      - জাতিসংঘ উন্নয়ন কর্মসূচি (UNDP) ১৯৯৭ সালে উন্নয়নশীল দেশগুলোর শাসনতান্ত্রিক পলিসির উপর গুরুত্ব আরোপ করতে গিয়ে 'স্থায়ী মানব উন্নয়নের জন্য শাসন' (Governance for Sustainable Human Development) শিরোনামে এর নীতি নথিতে সুশাসনের সংজ্ঞা প্রদান করে। 
      - এতে বলা হয়েছে- 'কোন দেশের অর্থনৈতিক, রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক কর্তৃপক্ষের সকল পর্যায়ের কাজের মধ্যে শাসনপ্রক্রিয়া প্রত্যক্ষ করা যায়।"
      - UNDP-এর মতে, 'একটি দেশের সার্বিক স্তরের কার্যাবলি পরিচালনার জন্য অর্থনৈতিক, রাজনৈতিক এবং প্রশাসনিক কর্তৃত্বের চর্চার বা প্রয়োগের পদ্ধতিই হলো সুশাসন'।

      উল্লেখ্য,
      - UNDP-এর মতে, সুশাসন সকলের অংশগ্রহণের মাধ্যমে অর্থপূর্ণ রাজনৈতিক পরিবেশ প্রতিষ্ঠা করে।

      উৎস: UNDP ওয়েবসাইট।

      ১৮৩.
      Morality শব্দটির উৎপত্তি হয়েছে কোন ল্যাটিন শব্দ থেকে?
      1. Moralitas
      2. Ethikos
      3. Morale
      4. Valere
      সঠিক উত্তর:
      Moralitas
      উত্তর
      সঠিক উত্তর:
      Moralitas
      ব্যাখ্যা

      নৈতিকতা:
      - Morality হলো নৈতিকতা শব্দের ইংরেজি প্রতিশব্দ।
      - এটি ল্যাটিন শব্দ Moralitas থেকে উদ্ভূত যার অর্থ সঠিক আচরণ বা চরিত্র।
      - নৈতিকতা হলো মানুষের অন্তর্নিহিত ধ্যান-ধারণার সমষ্টি যা মানুষকে সুকুমার বৃত্তি অনুশীলনে অনুপ্রাণিত করে।
      - নৈতিকতার সঙ্গে সমাজের সম্পৃক্ততার ফলে সৃষ্ট অন্য একটি পরিস্থিতি হচ্ছে নৈতিক আপেক্ষিকবাদ।
      - এর অর্থ হচ্ছে নৈতিক আচরণ স্থান-কাল-পাত্র বিবেচনায় পরিবর্তিত হতে পারে।
      - অর্থাৎ নৈতিকতা বিষয়টি আপেক্ষিক।

      উল্লেখ্য,
      - সমাজে সমাজে সাংস্কৃতিক ভিন্নতার ফলে তাদের নৈতিক চিন্তা-চেতনাও ভিন্ন হতে বাধ্য।
      - এমতাবস্থায় নৈতিকতাকে একটি আপেক্ষিক ব্যাপার হিসেবে গণ্য করতে আমরা বাধ্য হই, যদিও মানব জীবনে নৈতিকতার গুরুত্বের কথা বিবেচনা করলে এই ধরনের অভিধা নৈতিকতার পক্ষে মোটেই মর্যাদাপূর্ণ মনে হয় না।
      - এর উত্তরে এই বলা যায় যে, বিভিন্ন সমাজে নৈতিক নীতিতে পার্থক্য থাকলেও প্রায়ই দেখা যায় এই নীতিগুলো কোন না কোন সর্বজনীন নীতির অংশ হিসেবেই কাজ করে।

      উৎস: নীতিবিদ্যা, এসএসএইচএল, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

      ১৮৪.
      ‘স্বাধীনতা ও আইনের বিরোধ নেই।’—উক্তিটি কার?
      1. অধ্যাপক লাস্কি
      2. আর্নেস্ট বার্কার
      3. হার্বার্ট স্পেন্সার
      4. টি এইচ গ্রিন
      সঠিক উত্তর:
      আর্নেস্ট বার্কার
      উত্তর
      সঠিক উত্তর:
      আর্নেস্ট বার্কার
      ব্যাখ্যা

      স্বাধীনতা:
      - ইংরেজি Liberty শব্দের বাংলা অর্থ স্বাধীনতা।
      - শব্দটি ল্যাটিন শব্দ Liber থেকে এসেছে, যার অর্থ 'free' বা স্বাধীন।
      - যদিও স্বাধীনতা মানে যা খুশি তা বা স্বেচ্ছাচারিতা করা নয়।
      - রাষ্ট্রবিজ্ঞানের ভাষায়, অন্যের অধিকার বা কার্যাবলির ওপর হস্তক্ষেপ না করে, স্ব-ইচ্ছানুসারে নিজের কার্য করার অধিকারকে স্বাধীনতা বলে।
      - জন স্টুয়ার্ট মিল (John Stuart Mill) তার বিখ্যাত 'Eassay on Liberty' গ্রন্থে বলেন, 'মানুষের মৌলিক শক্তির বলিষ্ঠ, অব্যাহত ও বিভিন্নমুখী প্রকাশই স্বাধীনতা।'

      ⇒ আর্নেস্ট বার্কারের ভাষায় বলা যায় “স্বাধীনতা ও আইনের বিরোধ নেই" (Liberty and law do not quarrel).

      উৎস: পৌরনীতি ও নাগরিকতা, নবম-দশম শ্রেণি।

      ১৮৫.
      'Hedonism' বলতে নিম্নের কোনটি বোঝায়?
      1. সুখবাদ
      2. পূর্ণতাবাদ
      3. আকারবাদ
      4. স্বজ্ঞাবাদ 
      সঠিক উত্তর:
      সুখবাদ
      উত্তর
      সঠিক উত্তর:
      সুখবাদ
      ব্যাখ্যা

      Hedonism বা সুখবাদ:
      - গ্রীক 'hedone' শব্দের অর্থ 'সুখ' (pleasure)।
      - কাজেই, যে মতবাদ অনুসারে সুখই জীবনের পরমার্থ, তাকে বলা হয় 'Hedonism' বা 'সুখবাদ'
      - সাধারণত সেইসব প্রত্যক্ষবাদী দার্শনিক (empiricists) সুখবাদের সমর্থক যারা মনে করেন যে, মানুষ মূলত ইন্দ্রিয়াসক্ত এবং ইন্দ্রিয়সেবার মাধ্যমে সুখলাভই তার একমাত্র লক্ষ্য।
       মানুষের জীবনে সুখই কেবল স্বতঃমূল্যবান, আর সবই পরতঃমূল্যবান।
      - আমরা অর্থ, বিত্ত, স্বাস্থ্য ইত্যাদি কামনা করি ঐ সবের জন্য নয়, কামনা করি সুখের আশায়।
      - সুখকে কামনা করি কেবল সুখের জনাই।
      - সুখবাদীরা সুখের বিচারে কর্মের নৈতিক বিচার করেন যে কাজ দুঃখের তুলনায় অধিক পরিমাণে সুখ দেয় তা 'ভাল', আর যে কাজ সুখের তুলনায় অধিক পরিমাণে দুঃখ দেয় তা 'মন্দ'।

      অন্যদিকে,
      - পূর্ণতাবাদ (Perfectionism): পূর্ণতাকে যে নীতি নৈতিকতার মান হিসেবে গ্রহণ করে তাকে পূর্ণতাবাদ বলে। একে বুঝতে হলে পূর্ণতা শব্দটির অর্থ সম্পর্কে আমাদের জানতে হবে।
      - স্বজ্ঞাবাদ (Intuitionism): স্বজ্ঞা এমন একটি বৃত্তি যার সাহায্যে আমরা প্রত্যক্ষভাবে বুদ্ধি বা সংবেদনের সাহায্য ছাড়াই কোন কিছু সম্পর্কে নিশ্চিত জ্ঞানলাভ করতে পারি।
      - আকারবাদ (IFormalism): নৈতিকতা সামাজিক ব্যাপার হলেও এর মর্যাদার কারণেই এর ভিত্তিটি মানবিক অভিজ্ঞতার ঊর্ধ্বে বিশুদ্ধ বুদ্ধিতে প্রোথিত। ঐ উৎস থেকে নিয়ম বা আইনের আকারে এ উৎসারিত হয়।

      উৎস: i) Sitaram Mahato Memorial College.
      ii) নীতিবিদ্যা, দর্শন চতুর্থ পর্ব, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

      ১৮৬.
      কোনটি ব্যতীত গণতন্ত্র সফল হতে পারে না?
      1. অর্থনৈতিক সাম্য
      2. সচেতনতা
      3. আইনের শাসন
      4. কুসংস্কার
      সঠিক উত্তর:
      অর্থনৈতিক সাম্য
      উত্তর
      সঠিক উত্তর:
      অর্থনৈতিক সাম্য
      ব্যাখ্যা

      গণতন্ত্র:
      - গণতন্ত্র আধুনিক যুগের সবচেয়ে জনপ্রিয় সরকার।
      - গণতন্ত্রে সকল রাষ্ট্রীয় ক্ষমতার উৎস জনগণ। 
      - গণতন্ত্রের ইংরেজি প্রতিশব্দ হল democracy।
      - সুতরাং গণতন্ত্রের অর্থ হচ্ছে জনগণের শাসন ক্ষমতা। 
      - গণতন্ত্র হলো সুশাসন প্রতিষ্ঠার প্রাণ।
      - সুশাসনের জন্য গণতান্ত্রিক ব্যবস্থার বিকল্প নেই।

      ⇒ প্রাচীন গ্রীক দার্শনিক হেরোডোটাস বলেছেন, 'গণতন্ত্র এক প্রকার শাসনব্যবস্থা, যেখানে শাসনক্ষমতা কোনো শ্রেণি বা শ্রেণিসমূহের উপর ন্যস্ত থাকে না; বরং সমাজের সদস্যগণের উপর ন্যস্ত হয় ব্যাপকভাবে।'
      - মার্কিন প্রেসিডেন্ট আব্রাহাম লিঙ্কন গণতন্ত্রের সংজ্ঞা দিতে গিয়ে বলেন, 'Democracy is a government of the people, by the people, and for the people.' অর্থাৎ, 'গণতন্ত্র হচ্ছে জনগণের সরকার, জনগণের দ্বারা নির্বাচিত এবং জনগণের জন্য পরিচালিত সরকারব্যবস্থা।'
      - ডাইসির (Dicey) মতে, ‘‘গণতন্ত্র হল সরকারের একটি রূপ যেখানে পরিচালনা পরিষদে সমগ্র জাতির একটি বড় অংশ অন্তর্ভুক্ত।’’
      - অধ্যাপক সিলির (Prof. Selley) মতে, “গণতন্ত্র হলাে এমন এক শাসনব্যবস্থা যেখানে প্রত্যেকেরই অংশগ্রহণ রয়েছে।”

      ⇒ আধুনিক গণতন্ত্র হচ্ছে প্রতিনিধিত্বমূলক গণতন্ত্র। 
      - লাস্কির মতে, অর্থনৈতিক সাম্য ব্যতীত গণতন্ত্র সফল হতে পারে না।

      উৎস: পৌরনীতি ও সুশাসন ১ম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, মো: মোজাম্মেল হক।