পরীক্ষা আর্কাইভ

১০০ দিনে বিসিএস প্রস্তুতি [বিষয়ভিত্তিক]

পরীক্ষা১০০ দিনে বিসিএস প্রস্তুতি [বিষয়ভিত্তিক]তারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়24 minutes
মোট প্রশ্ন২৬
সিলেবাস
বাংলা ব্যাকরণ - সম্পূর্ণ সিলেবাস [৭০ নম্বর]
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

১০০ দিনে বিসিএস প্রস্তুতি [বিষয়ভিত্তিক]

১০০ দিনে বিসিএস প্রস্তুতি [বিষয়ভিত্তিক] · তারিখ অনির্ধারিত · ২৬ প্রশ্ন

.
কোনটি বাগ্‌যন্ত্রের উদাহরণ নয়?
  1. ক) হৃদপিণ্ড
  2. খ) শ্বাসনালি
  3. গ) আলজিভ
  4. ঘ) নাসিকা
ব্যাখ্যা

ধ্বনি উচ্চারণের করতে যেসব প্রত্যঙ্গ কাজে লাগে, সেগুলোকে একত্রে বাগ্‌যন্ত্র বলে।
মানবদেহের উপরিভাগে অবস্থিত ফুসফুস থেকে শুরু করে ঠোঁট পর্যন্ত ধ্বনি উৎপাদনে ব্যবহৃত প্রতিটি প্রত্যঙ্গই বাগ্‌যন্ত্রের অন্তর্ভূক্ত।

বাগযন্ত্রের অংশের মধ্যে রয়েছে:
- ফুসফুস
- শ্বাসনালি
- স্বরযন্ত্র
- জিভ
- আলজিভ
- তালু
- মূর্ধা
- দন্তমূল ও দন্ত
- ওষ্ঠ
- নাসিকা

উৎসঃ বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি।

.
বাংলা ব্যাকরণে সংখ্যা নির্দেশ করার জন্য যেসব বর্ণ ব্যবহার করা হয়, সেগুলোকে বলে -
  1. ক) অনুবর্ণ
  2. খ) কারবর্ণ
  3. গ) যুক্তবর্ণ
  4. ঘ) সংখ্যাবর্ণ
ব্যাখ্যা

বাংলা ব্যাকরণের সংখ্যা নির্দেশ করার জন্য যেসব বর্ণ ব্যবহার করা হয় তাদেরকে সংখ্যাবর্ণ বলে।
- বাংলা ব্যাকরণে ১০ টি সংখ্যা বর্ণ রয়েছে।

ব্যঞ্জনবর্নের বিকল্প রূপের নাম অনুবর্ন।
অনুবর্নের মধ্যে রয়েছে - ফলা, রেফ ও বর্ণসংক্ষেপ।

স্বরবর্ণের সংক্ষিপ্ত রূপকে কারবর্ণ বলে।
- বাংলা ব্যাকরণে কারবর্ণ ১০টি।

একাধিক বর্ণ যুক্ত হয়ে যুক্তবর্ণ তৈরি হয়।
যুক্তবর্ণ দুই ধরনের, 
- স্বচ্ছ,
- অস্বচ্ছ।

উৎসঃ বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি।

.
(ঞ্‌+জ)-এর সংযুক্ত রূপ কোনটি?
  1. ক) ঙ্গ
  2. খ) জ্ঞ
  3. গ) ঞ্চ
  4. ঘ) ঞ্জ
ব্যাখ্যা

কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ যুক্তবর্ণ বিশ্লেষণ:
- ঙ্‌ + গ = ঙ্গ
- জ্‌ + ঞ = জ্ঞ
- ঞ্‌ + চ = ঞ্চ
- ঞ্‌ + জ = ঞ্জ।

উৎসঃ বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি।

.
‘অনাসৃষ্টি শব্দে ‘অনা’ কোন অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে?
  1. ক) অল্প
  2. খ) অভাব
  3. গ) বাজে
  4. ঘ) মন্দ
ব্যাখ্যা

যেসব অর্থহীন শব্দাংশ অন্য শব্দের শুরুতে বসে নতুন শব্দ গঠন করে, সেগুলোকে উপসর্গ বলে।
উপসর্গের নিজের কোনো অর্থ নেই। নতুন শব্দ তৈরি করা উপসর্গের কাজ।

অনা উপসর্গের ব্যবহার:
- অনা + বৃষ্টি = অনাবৃষ্টি (অভাব অর্থে ব্যবহৃত)
- অনা + সৃষ্টি = অনাসৃষ্টি (বাজে অর্থে ব্যবহৃত)

উৎসঃ বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি।

.
‘ত্রিফলা’ কোন সমাসের উদাহরণ?
  1. ক) দ্বিগু কর্মধারয়
  2. খ) ব্যাধিকরণ বহুব্রীহি
  3. গ) সংখ্যাবাচক বহুব্রীহি
  4. ঘ) উপমিত কর্মধারয়
ব্যাখ্যা

কিছু কর্মধারয় সমাসের পূর্বপদ সংখ্যাবাচক শব্দ হয়, সেগুলোকে দ্বিগু কর্মধারয় সমাস বলে।
যেমন,
- তিন ফলের সমাহার= ত্রিফলা।
- চার রাস্তার মিলন= চৌরাস্তা।

উৎসঃ বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি।

.
কোনটি তৎপুরুষ সমাসের উদাহরণ?
  1. ক) হাতেখড়ি
  2. খ) রাজপথ
  3. গ) কাজলকালো
  4. ঘ) আলুসিদ্ধ
ব্যাখ্যা

সমস্যমান পদের বিভক্তি ও সন্নিহিত অনুসর্গ লোপ পেয়ে যে সমাস হয়, তার নাম তৎপুরুষ সমাস। তৎপুরুষ সমাসে পরপদের অর্থের প্রাধান্য পায়।
যেমন,
- পথের রাজা = রাজপথ।
- গ্রাম থেকে ছাড়া = গ্রামছাড়া।

হাতেখড়ি = হাতেখড়ি দেওয়া হয় যে অনুষ্ঠানে, পদলোপী বহুব্রীহি।
কাজলকালো = কাজলের মতো কালো, উপমান কর্মধারয়।
আলুসিদ্ধ = সিদ্ধ যে আলু, কর্মধারয় সমাস।

উৎসঃ বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি।

.
আজি > আইজ, কীসের উদাহরণ?
  1. ক) অন্ত্যস্বরাগম
  2. খ) অপিনিহিতি
  3. গ) অসমীকরণ
  4. ঘ) স্বরসঙ্গতি
ব্যাখ্যা

অপিনিহিতি: পরের ই-কার আগে উচ্চারিত হলে কিংবা যুক্ত ব্যঞ্জনধ্বনির আগে-ই কার বা উ-কার উচ্চারিত হলে তাকে অপিনিহিতি বলা হয়।
যেমন,
- সাধু > সাঊধ,
- রাখিয়া > রাইখ্যা,
- আজি > আইজ।

অন্ত্যস্বরাগম: কোনো সময় শব্দের শেষে অতিরিক্ত স্বরধ্বনি আসে এরূপ স্বরাগমকে বলা হয় অন্ত্যস্বরাগম।
যেমন, দিশ্‌ > দিশা, পোখত্‌ > পোক্ত, সত্য > সত্যি।

অসমীকরণ: একই স্বরের পুনরাবৃত্তি দূর করার জন্য মাঝখানে যখন স্বরধ্বনি যুক্ত হয় তখন তাকে বলে অসমীকরণ।
যেমন, ধপ + ধপ > ধপাধপ, টপ + টপ > টপাটপ।

স্বরসঙ্গতি: একটি স্বরধ্বনির প্রভাবে শব্দে অপর স্বরের পরিবর্তন ঘটলে তাকে স্বরসঙ্গতি বলা হয়।
যেমন -দেশি > দিশি, বিলাতি > বিলিতি।

উৎসঃ বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি।

.
বাংলা ব্যাকরণে সন্ধি কত প্রকার?
  1. ক) ২
  2. খ) ৩
  3. গ) ৪
  4. ঘ) ৫
ব্যাখ্যা

পাশাপাশি ধ্বনির মিলনকে সন্ধি বলে।
- পৃথিবীর বহু ভাষায় পাশাপাশি শব্দের একাধিক ধ্বনি নিয়মিতভাবে সন্ধিবদ্ধ হলেও বাংলা ভাষায় তা বিরল।
- বাংলা ভাষায় উপসর্গ-প্রত্যয় দিয়ে এবং সমাস প্রক্রিয়ায় শব্দগঠনের ক্ষেত্রে সন্ধির সূত্র কাজে লাগে।

সন্ধি তিন প্রকার।
যেমন,
- স্বরসন্ধি,
- ব্যঞ্জনসন্ধি,
- বিসর্গসন্ধি।

উৎসঃ বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি।

.
কোনটি বিসর্গ সন্ধি সাধিত শব্দ?
  1. ক) বাচস্পতি
  2. খ) বৃহস্পতি
  3. গ) গবাক্ষ
  4. ঘ) পরস্পর
ব্যাখ্যা

বিসর্গসন্ধির নিয়মে পদের অন্তস্থিত র্‌ ও স্‌ অনেক ক্ষেত্রে অঘোষ উষ্মধ্বনি অর্থাৎ হ ধ্বনিরূপে উচ্চারিত হয় এবং তা বিসর্গ(ঃ) রূপে লেখা হয়।
বিসর্গের সাথে অর্থাৎ র্‌ ও স্‌ এর সাথে স্বরধ্বনি কিংবা ব্যঞ্জনধ্বনির যে সন্ধি হয় তাকে বিসর্গ সন্ধি বলে।

বিসর্গ সন্ধি দুইভাবে সাধিত হয়।
- বিসর্গ + স্বর
- বিসর্গ + ব্যঞ্জন।

যেমন,
বাচস্পতি= বাচঃ + পতি,
অহর্নিশ= অহঃ + নিশা বিসর্গ সন্ধির উদাহরণ।

উৎসঃ বাংলা ভাষার ব্যাকরন, নবম-দশম শ্রেণি।

১০.
কোনটি তদ্ভব শব্দ ?
  1. ক) আকাশ
  2. খ) পেট
  3. গ) দাঁত
  4. ঘ) টোপর
ব্যাখ্যা

প্রাচীন ভারতীয় আর্যভাষা থেকে বিবর্তিত যেসব শব্দ বাংলা ভাষায় একেবারেই স্বতন্ত্র, সেগুলোকে তদ্ভব শব্দ বলে।
যেমন -
হাত, পা, কান, দাঁত, ঘোড়া, পাখি, কুমির ইত্যাদি।

উৎসঃ বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেনি।

১১.
যেসব শব্দের শেষে কারচিহ্ন থাকে না, সেসব শব্দে কোন বিভক্তি যুক্ত হয়?
  1. ক) ‘এ’ বিভক্তি
  2. খ) ‘তে’ বিভক্তি
  3. গ) ‘য়’ বিভক্তি
  4. ঘ) ‘র’’ বিভক্তি
ব্যাখ্যা

সাধারণত ক্রিয়ার স্থান, কাল ,ভাব বোঝাতে -এ, -তে, -য়, -য়ে, ইত্যাদি বিভক্তি যুক্ত হয়।
কখনো কখনো বাক্যের সঙ্গেও এসব বিভক্তি বসে।

যেসব শব্দের শেষে কারচিহ্ন নেই, সেসব শব্দের সঙ্গে -'এ' বা 'এর' বিভক্তি যুক্ত হয়।
যেমন -
- এ বিভক্তি: সকালে, দিনাজপুরে, ই-মেইলে, তিলে ইত্যাদি।
- এর বিভক্তি: বলের, শব্দের, নজরুলের, সাতাশের ইত্যাদি।

উৎসঃ বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি।

১২.
কোনটি কৃৎ প্রত্যয় সাধিত?
  1. ক) প্রাণ+ঈ
  2. খ) স্থা+ঈ
  3. গ) নর+ঈ
  4. ঘ) ছাত্র+ঈ
ব্যাখ্যা

ধাতুর পরে যেসব প্রত্যয় যুক্ত হয়, সেগুলোকে কৃৎ প্রত্যয় বলে। কৃৎপ্রত্যয় দিয়ে সাধিত শব্দকে কৃদন্ত শব্দ বলে।
যেমন,
স্থা+ঈ =স্থায়ী। এখানে ঈ হলো কৃৎপ্রত্যয় এবং 'স্থায়ী' হচ্ছে কৃদন্ত শব্দ।

উৎসঃ বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি ।

১৩.
‘মেয়েরা ফুল তোলে’- বাক্যে ‘মেয়েরা’ কোন কারক?
  1. ক) কর্তা কারক
  2. খ) করণ কারক
  3. গ) অপাদান কারক
  4. ঘ) অধিকরণ কারক
ব্যাখ্যা

বাক্যস্থিত যে বিশেষ্য বা সর্বনাম পদ ক্রিয়া সম্পন্ন করে তা ক্রিয়ার কর্তা বা কর্তাকারক।
ক্রিয়ার সঙ্গে 'কে' বা 'কারা' যোগ করে প্রশ্ন করলে যে উত্তর পাওয়া যায়, তা-ই কর্তাকারক।
যেমন-
মেয়েরা ফুল তোলে। (কারা তোলে? মেয়েরা- কর্তাকারক)

উৎসঃ বাংলা ভাষার ব্যাকরন, নবম-দশম শ্রেণি।

১৪.
ভয়ে গা ছম ছম করছে। বাক্যে ‘ছম ছম’ কী অর্থে দ্বিরুক্ত?
  1. ক) পৌনঃপুনিকতা বোঝাতে
  2. খ) ভাব বোঝাতে
  3. গ) বিশেষণ বোঝাতে
  4. ঘ) ধ্বনিব্যঞ্জনা
ব্যাখ্যা

দ্বিরুক্ত অর্থ দুবার উক্ত হয়েছে এমন। বাংলা ভাষার কোনো কোনো শব্দ, পদ বা অনুকার শব্দ, একবার ব্যবহার করলে যে অর্থ প্রকাশ করে, যেগুলো দুইবার ব্যবহার করলে অন্য কোনো সম্প্রারিত অর্থ প্রকাশ করে। এ ধরনের শব্দে পরপর দুইবার প্রয়োগেই দ্বিরুক্ত শব্দ গঠিত হয়।
যেমন,
-ভয়ে গা ছম ছম করছে। ছম ছম- অনুভূতি বা ভাব বোঝাতে দ্বিরুক্ত।
-ঝির ঝির করে বাতাস বইছে। ঝির ঝির- ধ্বনিব্যঞ্জনা বোঝাতে দ্বিরুক্ত।
-বার বার সে কামান গর্জে উঠল। বার বার- পৌনঃপুনিকতা বোঝাতে দ্বিরুক্ত।

উৎসঃ বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি।

১৫.
‘তাসের ঘর’- এর সমার্থক বাগধারা কোনটি?
  1. ক) শরতের শিশির
  2. খ) বিষবৃক্ষ
  3. গ) রাশভারী
  4. ঘ) ভরাডুবি
ব্যাখ্যা

'তাসের ঘর'-এর অর্থ 'ক্ষণস্থায়ী ।
শরতের শিশির- ক্ষণস্থায়ী।
রাশভারী- গম্ভীর প্রকৃতি।
বিষবৃক্ষ- অনিষ্টকারী।
ভরাডুবি- সর্বনাশ।

উৎসঃ ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।

১৬.
‘বাটি’- কোন শব্দের সমার্থক নয়?
  1. ক) দীপ্তি
  2. খ) আগার
  3. গ) নিলয়
  4. ঘ) কুটির
ব্যাখ্যা

'দীপ্তি' শব্দের সমার্থক- কিরণ, প্রভা, অংশু, শিখা।
'বাটি' শব্দের সমার্থক- আগার, নিলয়, কুটির, সদন, বাড়ি, ভবন, নিকেতন, নিলয়, ঘর ইত্যাদি।

উৎসঃ বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি,নবম-দশম শ্রেণি।

১৭.
‘হয়’ শব্দের সমার্থক কোনটি?
  1. ক) ঘোড়া
  2. খ) উরগ
  3. গ) চোখ
  4. ঘ) কর
ব্যাখ্যা

ঘোড়া- হয়, অশ্ব, ঘোটক, তুরগ, ঘোটক।
উরগ- সাপ, অহি, উরগ, আশীবিষ, বিষধর।
চোখ- চক্ষু, নয়ন, অক্ষি, নেত্র, লোচন।
কর- হস্ত, বাহু, ভুজ, পাণি।

উৎসঃ বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি।

১৮.
‘দ্রুম’ শব্দের সমার্থক নয় কোনটি?
  1. ক) গাছ
  2. খ) পণী
  3. গ) মহী
  4. ঘ) পাদপ
ব্যাখ্যা

'দ্রুম' শব্দের সমার্থক - গাছ,পণী, পাদপ, মহীরুহ, বৃক্ষ, শাখী, উদ্ভিদ।
'মহী' শব্দের সমার্থক- পৃথীবি, জগৎ, অবনী, মেদিনী, ক্ষিতি, ধরা।

উৎসঃ বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি।
 

১৯.
‘অহংকার’ অর্থে কোন বাগধারাটি সঠিক?
  1. ক) হাড়হদ্দ
  2. খ) রাশভারী
  3. গ) পায়াভারী
  4. ঘ) ধামাধরা
ব্যাখ্যা

হাড়হদ্দ- সবকিছু।
রাশভারী- গম্ভীর প্রকৃতি।
পায়াভারী- অহংকার।
ধামাধরা- তোষামুদে।

উৎসঃ ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।

২০.
কোন বানানটি শুদ্ধ নয়?
  1. ক) স্বরস্বতী
  2. খ) সুষ্ঠু
  3. গ) সূচিপত্র
  4. ঘ) স্টেশন
ব্যাখ্যা

- স্বরস্বরতী শব্দটি শুদ্ধ বানানে লেখা নয়।
- সেক্ষেত্রে শুদ্ধরূপ হবে, সরস্বতী।
- সুষ্ঠু , সূচিপত্র, স্টেশন শুদ্ধ বানানে লেখা।

উৎসঃ ভাষা-শিক্ষা, ড.হায়াৎ মামুদ।

২১.
কোন বাক্যটি অশুদ্ধ নয়?
  1. ক) তিনি সপরিবার ঢাকায় থাকেন।
  2. খ) তিনি মোকাদ্দমায় সাক্ষী দেবেন।
  3. গ) বাংলাদেশ একটি সমৃদ্ধশালী দেশ।
  4. ঘ) ইহার আবশ্যক নাই।
ব্যাখ্যা

- 'তিনি সপরিবার ঢাকায় থাকেন।'- বাক্যটি শুদ্ধরূপে লিখিত।
- 'তিনি মোকাদ্দমায় সাক্ষী দেবেন।'- এর শুদ্ধরূপ, তিনি মোকাদ্দমায় সাক্ষ্য দেবেন।
- 'বাংলাদেশ একটি সমৃদ্ধশালী দেশ।'- এর শুদ্ধরূপ, বাংলাদেশ একটি সমৃদ্ধিশালী/সমৃদ্ধ দেশ।
- 'ইহার আব্যশক নেই।'- এর শুদ্ধরূপ, ইহার আব্যশকতা নাই।

উৎসঃ ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।

২২.
‘চুনোপুঁটি’ কোন অর্থে সঠিক বাগধারা?
  1. ক) সামান্য ব্যক্তি
  2. খ) খুব চালাক
  3. গ) কানকাটা
  4. ঘ) কাঠখোট্টা
ব্যাখ্যা

চুনোপুঁটি- সামান্য ব্যক্তি।
গভীর জলের মাছ- খুব চালাক।
কানকাটা- নির্লজ্জ।
কাঠখোট্টা- নীরস।

উৎসঃ ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ। 

২৩.
কর্তা, কর্ম ও ক্রিয়া- কীসের অংশ?
  1. ক) বাগধারা
  2. খ) বাক্য
  3. গ) পদ
  4. ঘ) নির্দেশক
ব্যাখ্যা

বাক্যঃ এক বা একাধিক শব্দ গঠিত পূর্ণ অর্থবোধক ভাষিক এককে বাক্য বলে ।
-সজল ও লতা বই পড়ে।

বাক্যের মধ্যে স্থান পাওয়া প্রত্যেকটি শব্দকে পদ বলে।
একটি সাধারণ বাক্যের প্রধান তিনটি অংশ,
-কর্তা,
-কর্ম,
-ক্রিয়া।

উৎসঃ বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম- দশম শ্রেণি।

২৪.
যে বিশেষ্য দিয়ে কোনো কাজের নাম বোঝায়, তাকে কোন ধরনের বিশেষ্য বলে ?
  1. ক) বস্তু-বিশেষ্য
  2. খ) সমষ্টি-বিশেষ্য
  3. গ) গুণ-বিশেষ্য
  4. ঘ) ক্রিয়া-বিশেষ্য
ব্যাখ্যা

বিশেষ্য সাধারণত ছয় প্রকার।
- নাম-বিশেষ্য
- জাতি-বিশেষ্য
- বস্ত-বিশেষ্য
- সমষ্টি-বিশেষ্য
- গুণ-বিশেষ্য
- ক্রিয়া-বিশেষ্য

ক্রিয়া-বিশেষ্যঃ যে বিশেষ্য দিয়ে কোনো ক্রিয়া বা কাজের নাম বোঝায়, তাকে ক্রিয়া-বিশেষ্য বলে।
যেমন,
- পঠন, ভোজন, শয়ন, করা, পাঠানো, নেওয়া ইত্যাদি।

উৎসঃ বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি।

২৫.
মধ্যপদলোপী কর্মধারয় সমাসের উদাহরণ কোনটি?
  1. ক) চৌরাস্তা
  2. খ) ঘিভাত
  3. গ) চালাকচতুর
  4. ঘ) টাকমাথা
ব্যাখ্যা

যে সমাসে পরপদের অর্থ প্রাধান্য পায়, তাকে কর্মধারয় সমাস বলে।
যেমন
- গোলাপ নামের ফুল।

মধ্যপদলোপী কর্মধারয়ঃ কিছু কর্মধারয় সমাসে সমস্যমান পদের মধ্যবর্তী এক বা একাধিক পদ লোপ পায়। এগুলো মধ্যপদলোপী কর্মধারয় নামে পরিচিত।
যেমন-
- ঘি মাখানো ভাত= ঘিভাত।
- হাতে পরা হয় যে ঘড়ি= হাতঘড়ি।

উৎসঃ বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি। 

২৬.
কোনটি কৃদন্ত শব্দের উদাহরণ?
  1. ক) ভাজি
  2. খ) বিবাহিত
  3. গ) দৈনিক
  4. ঘ) পাগলামি
ব্যাখ্যা

- ধাতুর পরে যেসব প্রত্যয় যুক্ত হয়, সেগুলোকে কৃৎপ্রত্যয় বলে।
- কৃৎপ্রত্যয় দিয়ে সাধিত শব্দকে কৃদন্ত শব্দ বলে।
- দুল্‌+অনা= দোলনা।
- কৃ+তব্য= কর্তব্য।
- 'অনা' ও 'তব্য' হলো কৃৎপ্রত্যয় এবং 'দোলনা' ও 'কর্তব্য' হলো কৃদন্ত শব্দ।
- ভাজ+ই= ভাজি, এখানে 'ই' হলো কৃৎপ্রত্যয় এবং 'ভাজি' হলো কৃদন্ত শব্দ।

উৎসঃ বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি।