পরীক্ষা আর্কাইভ

নতুনদের বিসিএস প্রস্তুতি - ২০০ দিনে পুরো সিলেবাস

পরীক্ষানতুনদের বিসিএস প্রস্তুতি - ২০০ দিনে পুরো সিলেবাসতারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়17 minutes১৩ বৈধ · অসম্পূর্ণ
মোট প্রশ্ন১৪
সিলেবাস
বিষয় - বাংলা ভাষা ও ব্যাকরণ টপিক - শব্দ প্রকরণ [শব্দের শ্রেণিবিভাগ; শব্দের উৎসমূল; ধাতু, প্রকৃতি - প্রত্যয়; ক্রিয়ার কাল ও এর প্রয়োগ] উৎস: অষ্টম শ্রেণি ও মাধ্যমিক বাংলা ব্যাকরণ বোর্ড বই (NCTB ও উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়), বাংলা একাডেমির অভিধান অথবা যেকোনো স্কলার (যেমন: ড. হায়াৎ মামুদ)-এর বই। (ব্যাকরণ - এর ক্ষেত্রে গাইড থেকে পড়াশুনা করলে, বিতর্কিত বিষয়গুলো বোর্ড বই ও বাংলা একাডেমি অভিধান থেকে ক্রসচেক করে নিলে উত্তম হবে।)
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

নতুনদের বিসিএস প্রস্তুতি - ২০০ দিনে পুরো সিলেবাস

নতুনদের বিসিএস প্রস্তুতি - ২০০ দিনে পুরো সিলেবাস · তারিখ অনির্ধারিত · ১৪ প্রশ্ন

.
ভাব অর্থে 'ই / ঈ' প্রত্যয়যুক্ত শব্দ কোনটি?
  1. পোদ্দারি
  2. উমেদারি
  3. মােক্তারি
  4. দোকানি
ব্যাখ্যা
ই/ঈ - প্রত্যয়:

ভাব অর্থে:
- বাহাদুর +ই = বাহাদুরি,
- উমেদার- উমেদারি

বৃত্তি বা ব্যবসায় অর্থে:
- ডাক্তার-ডাক্তারি,
- মােক্তার-মােক্তারি,
- পােদ্দার-পােদ্দারি,
- ব্যাপার- ব্যাপারি, চাষ-চাষি।

মালিক অর্থে:
- জমিদার-জমিদারি,
- দোকান-দোকানি

জাত, আগত বা সম্বন্ধ বােঝাতে:
- ভাগলপুর-ভাগলপুরি,
- মাদ্রাজ-মাদ্রাজি,
- রেশম-রেশমি,
- সরকার-সরকারি (সম্বন্ধ বাচক)।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ)।
.
পদ বিবেচনায় শব্দ কত প্রকার?
  1. ২ প্রকার
  2. ৩ প্রকার
  3. ৫ প্রকার
  4. ৮ প্রকার
ব্যাখ্যা
• পদ বিবেচনায় শব্দ - ৮ প্রকার।

পদ: 
- শব্দ যখন বাক্যে ব্যবহৃত হয়, তখন তার নাম হয় পদ।
- বাক্যের অন্তর্গত এসব শব্দ বা পদকে মোট আটটি শ্রেণিতে ভাগ করা যায়।
যেমন:
১. বিশেষ্য,
২. সর্বনাম,
৩. বিশেষণ,
৪. ক্রিয়া,
৫. ক্রিয়া বিশেষণ,
৬. অনুসর্গ,
৭. যোজক,
৮. আবেগ।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি ( ২০২১ সংস্করণ)।
.
নিচের কোন শব্দগুলোর ব্যুৎপত্তিগত ও ব্যবহারিক অর্থ একই রকম?
  1. শয়ন, গুণবান
  2. গায়ক, বাঁশি
  3. পাঞ্জাবি, অসুখ
  4. চিকামারা, মন্দির
ব্যাখ্যা
• ব্যুৎপত্তিগত ও ব্যবহারিক অর্থ একই রকম শব্দগুচ্ছ - শয়ন, গুণবান।

যৌগিক শব্দ:

- যেসকল শব্দের ব্যুৎপত্তিগত অর্থ ও ব্যবহারিক অর্থ একই তাকে যৌগিক শব্দ বলে। 
যেমন:
- গায়ক, দৌহিত্র, কর্তব্য, বাবুয়ানা, চিকামারা, মধুর, শয়ন, গুণবান

অন্যদিকে, 
- বাঁশি, পাঞ্জাবি, মন্দির এবং রূঢ়ি শব্দ।
- অসুখ যোগরূঢ় শব্দ।

উৎস:
১) বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি, (২০১৯ সংস্করণ)।
২) বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
.
'চলন' শব্দের সঠিক প্রকৃতি ও প্রত্যয় কোনটি?
  1. √ চল্ + ওন
  2. √ চল্ + আনো
  3. √ চল + অনা
  4. √ চল্ + অন
ব্যাখ্যা
• 'চলন'
- সংস্কৃত শব্দ।
- বিশেষ্য পদ।
- প্রকৃতি প্রত্যয়: √ চল্‌ + অন।
অর্থ:
- গমন; 
- ভ্রমণ;
- সঞ্চালন।

উৎস: বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান।
.
‘চার আর তিনে সাত হয়’ - বাক্যে কোন কালের ক্রিয়া আছে?
  1. পুরাঘটিত বর্তমান
  2. সাধারণ অতীত
  3. নিত্যবৃত্ত বর্তমান
  4. নিত্যবৃত্ত অতীত
ব্যাখ্যা
নিত্যবৃত্ত বর্তমান কাল:
- বস্বাভাবিক বা অভ্যস্ততা বোঝালে সাধারণ বর্তমান কালের ক্রিয়াকে নিত্যবৃত্ত বর্তমান কাল বলে।
যথা -
- সন্ধ্যায় সূর্য অস্ত যায়। (স্বাভাবিকতা)।
- আমি রোজ সকালে বেড়াতে যাই। (অভ্যস্ততা)।

নিত্যবৃত্ত বর্তমান কালের বিশিষ্ট প্রয়োগ:
(১) স্থায়ী সত্য প্রকাশে: চার আর তিনে সাত হয়

(২) ঐতিহাসিক বর্তমান:
- অতীতের কোনো ঐতিহাসিক ঘটনায় যদি নিত্যবৃত্ত বর্তমান কালের প্রয়োগ হয়, তাহলে তাকে ঐতিহাসিক বর্তমান কাল বলে।
যেমন -
- বাবরের মৃত্যুর পর হুমায়ুন দিল্লির সিংহাসনে আরোহণ করেন

(৩) কাব্যের ভণিতায়:
- মহাভারতের কথা অমৃত সমান।
কাশীরাম দাস ভনে শুনে পুণ্যবান।

(৪) অনিশ্চয়তা প্রকাশে: কে জানে দেশে আবার সুদিন আসবে কি না।

(৫) 'যদি', 'যখন', 'যেন' প্রভৃতি শব্দের প্রয়োগে অতীত ও ভবিষ্যৎ কাল জ্ঞাপনের জন্য সাধারণ বর্তমান কালের ব্যবহার হয়।
যেমন -
- বৃষ্টি যদি আসে, আমি বাড়ি চলে যাব।
- সকলেই যেন সভায় হাজির থাকে
- বিপদ যখন আসে, তখন এমনি করেই আসে

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ)।
.
নিচের কোন গুচ্ছটি গুজরাটি শব্দ?
  1. দাম, কারিগর
  2. এলাহি, ফসল
  3. দহলা, রোকড়
  4. হরতাল, খদ্দর
ব্যাখ্যা
• 'হরতাল ও খদ্দর' - হচ্ছে গুজরাটি ভাষার শব্দ।

অন্যদিকে:
- ‘এলাহি’ এবং 'ফসল' আরবি শব্দ।
- ‘দাম’ গ্রিক ভাষার শব্দ।
- ‘কারিগর’ ফারসি ভাষার শব্দ।
- 'রোকড়' এবং 'দহলা' হিন্দি ভাষার শব্দ।

উৎস: বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান।
.
কোনটি সঠিক প্রত্যয় সাধিত শব্দ?
  1. √নন্দ + অন = নন্দন
  2. প্রাচ্‌ + য = প্রাচ্য
  3. √দৃশ্‌ + নীয় = দর্শনীয়
  4. দিন + এক = দৈনিক
ব্যাখ্যা
- 'প্রাচ্য' শব্দটি তদ্ধিত প্রত্যয়ের উদাহরণ- 
- 'প্রাচ্য' শব্দের সঠিক প্রকৃতি প্রত্যয় = প্রাচ্‌ + য। 

অন্যদিকে:
- 'নন্দন' শব্দটির সঠিক প্রকৃতি প্রত্যয়- √নন্দি + অন।
- 'দর্শনীয়' শব্দের সঠিক প্রকৃতি প্রত্যয়- √দৃশ্‌ + অনীয়।
- 'দৈনিক' শব্দের প্রকৃতি প্রত্যয়- দিন + ইক।

উৎস: বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান।
.
নিচের কোনটি পুরাঘটিত অতীত?
  1. করতাম
  2. পৌছেছিলাম
  3. পড়ছিলাম
  4. উঠতাম
ব্যাখ্যা
পুরাঘটিত অতীত:
অতীতের যে ক্রিয়া বহু পূর্বেই ঘটে গেছে এবং পরে আরো কিছু ঘটনা ঘটেছে, তার কালকে পুরাঘটিত অতীত কাল বলে।
যেমন -
- বৃষ্টি শেষ হওয়ার আগেই আমরা বাড়ি পৌছেছিলাম। 
- কাজটি কি তুমি করেছিলে?

অন্যদিকে,
ঘটমান অতীত:
যে ক্রিয়া অতীত কালে চলছিল বোঝায়, তাকে ঘটমান অতীত কাল বলে।
যেমন -
- আমরা তখন বই পড়ছিলাম। 
- বাবা আমাদের পড়াশুনা দেখছিলেন।

নিত্য অতীত:
অতীত কালে প্রায়ই ঘটতো এমন বোঝালে নিত্য অতীত কাল হয়।
যেমন -
- খুব সকালে ঘুম থেকে উঠতাম
- আমরা তখন রোজ সকালে নদী তীরে ভ্রমণ করতাম

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯, ২০২২ সংস্করণ)।
.
'সম্ভাবনা’ অর্থে অনুজ্ঞার উদাহরণ কোনটি?
  1. চেষ্টা কর, সবই বুঝতে পারবে।
  2. কাল একবার এসো।
  3. রোগ হলে ওষুধ খাবে।
  4. সদা সত্য বলবে।
ব্যাখ্যা
অনুজ্ঞা পদ:
- আদেশ, অনুরোধ, অনুমতি, প্রার্থনা, অনুনয় প্রভৃতি অর্থে বর্তমান এবং ভবিষ্যত কালে মধ্যম পুরুষে ক্রিয়াপদের যেরূপ হয় তাকে অনুজ্ঞা পদ বলে।

ভবিষ্যৎ কালের অনুজ্ঞা:
- আদেশ: সদা সত্য বলবে।
- সম্ভাবনায়: চেষ্টা কর, সবই বুঝতে পারবে।
- বিধান অর্থে: রোগ হলে ওষুধ খাবে।
- অনুরোধে: কাল একবার এসো (বা আসিও বা আসিবে)। 

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ)।
১০.
'চামার' কোন ভাষার শব্দ?
  1. ফারসি
  2. তদ্ভব
  3. ফরাসি
  4. দেশি
ব্যাখ্যা
তদ্ভব শব্দ:
- যেসব শব্দের মূল সংস্কৃত ভাষায় পাওয়া যায়, কিন্তু ভাষার স্বাভাবিক বিবর্তন ধারায় প্রাকৃতের মাধ্যমে পরিবর্তিত হয়ে আধুনিক বাংলা ভাষায় স্থান করে নিয়েছে, সেসব শব্দকে বলা হয় তদ্ভব শব্দ।
- তদ্ভব একটি পারিভাষিক শব্দ।
- এর অর্থ, ‘তৎ’ (তার) থেকে ‘ভব’ (উৎপন্ন)।
 যেমন: 
- সংস্কৃত-হস্ত, প্রাকৃত-হথ, তদ্ভব—হাত।
- সংস্কৃত-চর্মকার, প্রাকৃত-চম্মআর, তদ্ভব—চামার ইত্যাদি।
- এই তদ্ভব শব্দগুলোকে খাঁটি বাংলা শব্দও বলা হয়।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৮ সংস্করণ)।
১১.
কোন বাক্যে ঘটমান অতীত কালের ক্রিয়া আছে?
  1. বাবা আমাদের পড়াশুনা দেখছিলেন।
  2. খুব সকালে ঘুম থেকে উঠতাম।
  3. আমরা তখন রোজ সকালে নদী তীরে ভ্রমণ করতাম।
  4. কাজটি কি তুমি করেছিলে?
ব্যাখ্যা
ঘটমান অতীত:
যে ক্রিয়া অতীত কালে চলছিল বোঝায়, তাকে ঘটমান অতীত কাল বলে।
যেমন -
- আমরা তখন বই পড়ছিলাম। 
- বাবা আমাদের পড়াশুনা দেখছিলেন

অন্যদিকে, 
পুরাঘটিত অতীত:
অতীতের যে ক্রিয়া বহু পূর্বেই ঘটে গেছে এবং পরে আরো কিছু ঘটনা ঘটেছে, তার কালকে পুরাঘটিত অতীত কাল বলে।
যেমন -
- বৃষ্টি শেষ হওয়ার আগেই আমরা বাড়ি পৌছেছিলাম। 
- কাজটি কি তুমি করেছিলে?

নিত্য অতীত:
অতীত কালে প্রায়ই ঘটতো এমন বোঝালে নিত্য অতীত কাল হয়।
যেমন -
- খুব সকালে ঘুম থেকে উঠতাম
- আমরা তখন রোজ সকালে নদী তীরে ভ্রমণ করতাম

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯, ২০২২ সংস্করণ)।
১২.
নিচের কোনটি ঘটমান অতীত?
  1. পৌঁছেছিলাম
  2. পড়ছিলাম
  3. গেল
  4. উঠতাম
ব্যাখ্যা
ঘটমান অতীত:
যে ক্রিয়া অতীত কালে চলছিল বোঝায়, তাকে ঘটমান অতীত কাল বলে।
যেমন -
- আমরা তখন বই পড়ছিলাম। 

অন্যদিকে
সাধারণ অতীত:
অতীত কালে যে কাজ সম্পন্ন হয়ে গিয়েছে বোঝায়, তাকে সাধারণ অতীত কাল বলে।
যেমন -
- তারা সেখানে বেড়াতে গেল

পুরাঘটিত অতীত:

অতীতের যে ক্রিয়া বহু পূর্বেই ঘটে গেছে এবং পরে আরো কিছু ঘটনা ঘটেছে, তার কালকে পুরাঘটিত অতীত কাল বলে।
যেমন -
- বৃষ্টি শেষ হওয়ার আগেই আমরা বাড়ি পৌছেছিলাম। 

নিত্য অতীত:
অতীত কালে প্রায়ই ঘটতো এমন বোঝালে নিত্য অতীত কাল হয়।
যেমন -
- খুব সকালে ঘুম থেকে উঠতাম

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০২২ সংস্করণ)।
১৩.
নিচের কোনটি সঠিক প্রকৃতি-প্রত্যয় নয়?
  1. প্রাচ্‌ + য
  2. √গৈ + অক
  3. √মুচ্‌ + তি
  4. √দা + তৃচ
অনির্ধারিত
ব্যাখ্যা
(অপশনে একরে অধিক সঠিক উত্তর থাকায় প্রশ্নটি বাতিল করা হলো)
• 'দাতা'
- বিশেষ্য পদ। 
- সংস্কৃত শব্দ।
- প্রকৃতি প্রত্যয় = √দা + তৃ। 
অর্থ:
- যে ব্যক্তি দান করে।

• তবে বাংলা ভাষার ব্যকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ) অনুসারে, √দা + তৃচ = দা + তৃ = দা+তা = দাতা।
সুতরাং √দা + তৃচ প্রত্যয়টিও শুদ্ধ।

অন্যদিকে: 
- মুক্তি = √মুচ্‌ + তি। 
- গায়ক = √গৈ + অক।
- প্রাচ্য = প্রাচ্‌ + য।
শব্দ গুলোর প্রকৃতি প্রত্যয় সঠিক।

উৎস: বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান।
১৪.
প্রাচীন ভারতীয় আর্যভাষা থেকে বিবর্তিত শব্দ কোনটি?
  1. দেশি শব্দ
  2. তদ্ভব
  3. তৎসম
  4. খ ও গ উভয়
ব্যাখ্যা
তৎসম শব্দ:
- প্রাচীন ভারতীয় আর্যভাষা থেকে বিবর্তিত যেসব বাংলা শব্দের লিখিত চেহারা সংস্কৃত ভাষার শব্দের অনুরূপ সেগুলােকে তৎসম শব্দ বলে।
যথা: পৃথিবী, আকাশ, গ্রহ, বৃক্ষ।
- সংস্কৃত ব্যাকরণ অনুসরণ করে গঠিত পারিভাষিক শব্দকেও তৎসম শব্দ বলা হয়।
যথা: অধ্যাদেশ, গণপ্রজাতন্ত্রী, মহাপরিচালক, সচিবালয় ইত্যাদি।

তদ্ভব শব্দ:
- প্রাচীন ভারতীয় আর্যভাষা থেকে বিবর্তিত যেসব শব্দ বাংলা ভাষায় একেবারেই স্বতন্ত্র, সেগুলােকে তদ্ভব শব্দ বলা হয়।
উদাহরণ:
- হাত, পা, কান, নাক, জিভ, দাঁত; হাতি, ঘােড়া, সাপ, পাখি, কুমির ইত্যাদি।

অন্যদিকে, 
দেশি শব্দ:
- বাংলা অঞ্চলের আদিবাসী জনগােষ্ঠীর ভাষা থেকে কিছু শব্দ বাংলা ভাষায় স্থান পেয়েছে, এগুলােকে দেশি শব্দ বলা হয়।
যেমন:
- কুড়ি, পেট, চুলা, কুলা ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০২১ সংস্করণ)।