পরীক্ষা আর্কাইভ

৯ম - ১৩তম গ্রেড পরীক্ষার প্রস্তুতি

পরীক্ষা৯ম - ১৩তম গ্রেড পরীক্ষার প্রস্তুতিতারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়09 minutes
মোট প্রশ্ন১৪
সিলেবাস
[৯ম - ১৩তম গ্রেড নিয়োগ প্রস্তুতি: পরীক্ষা] বিজ্ঞান ও তথ্য-প্রযুক্তি পরীক্ষা - ৩ টপিক: ১. আধুনিক বিজ্ঞান, ২. স্কেল, রাশি ও পরিমাপক, ৩. তড়িৎ ও অন্যান্য শক্তি এবং শক্তির রূপান্তর। উৎস: ষষ্ঠ থেকে মাধ্যমিক শ্রেণির বিজ্ঞান বোর্ড বই, মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শ্রেণির পদার্থ বিজ্ঞান বোর্ড বই [NCTB ও উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়], ব্রিটানিকা, যেকোনো গাইডবই। [গাইড বই থেকে পড়ার ক্ষেত্রে কনফিউজিং বিষয়গুলো ক্রসচেক করে পড়া উত্তম।]। [নির্দেশিকা: এই রুটিনে সারাবছর জুড়ে পরীক্ষা চলমান থাকে। আপনি আজ ১ম পরীক্ষা দেওয়া শুরু করলে ২০০ দিনের মধ্যে পুরো সিলেবাস সম্পন্ন হবে।]
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

৯ম - ১৩তম গ্রেড পরীক্ষার প্রস্তুতি

৯ম - ১৩তম গ্রেড পরীক্ষার প্রস্তুতি · তারিখ অনির্ধারিত · ১৪ প্রশ্ন

.
'পাথফাইন্ডার' মঙ্গলপৃষ্ঠে কত সালে অবতরণ করে?
  1. ১৯৯২ সালে
  2. ১৯৯৩ সালে
  3. ১৯৯৫ সালে
  4. ১৯৯৭ সালে
ব্যাখ্যা
- মার্স পাথফাইন্ডার ১৯৯৬ সালের ৪ ডিসেম্বর উৎক্ষেপণ করা হয়।
- ১৯৯৭ সালের ৪ জুলাই মঙ্গল গ্রহের এরেস ভ্যালিসে সফলভাবে অবতরণ করে।
- এটি ছিল নাসার "ফাস্ট, বেটার, চিপার" (Faster, Better, Cheaper) দর্শনের অধীনে পরিচালিত অন্যতম সফল মিশন, যা সীমিত বাজেটে দ্রুত এবং কার্যকর উপায়ে আন্তগ্রহীয় গবেষণার নতুন দিগন্ত উন্মোচন করেছিল।
- এই মিশনটি একটি উন্নত ল্যান্ডার এবং সোজার্নার নামের স্বয়ংচালিত রোভার বহন করেছিল, যা মঙ্গল গ্রহে অবতরণ করা ও পরিচালিত প্রথম রোবোটিক রোভার হিসেবে ইতিহাস গড়ে।
- সোজার্নার ছোট হলেও এর কার্যক্ষমতা ছিল অসাধারণ; এটি মঙ্গলের পৃষ্ঠে বিভিন্ন শিলা ও মাটির নমুনা বিশ্লেষণ করে মূল্যবান তথ্য সংগ্রহ করে।
- পাথফাইন্ডার মিশন তখন পর্যন্ত অভূতপূর্ব পরিমাণ বৈজ্ঞানিক তথ্য পৃথিবীতে প্রেরণ করেছিল, যার মধ্যে মঙ্গলের বায়ুমণ্ডল, আবহাওয়া, ভূতাত্ত্বিক গঠন এবং রাসায়নিক উপাদান সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ আবিষ্কার অন্তর্ভুক্ত ছিল।
- পাথফাইন্ডারের সাফল্য নাসাকে পরবর্তী রোভার মিশনগুলোর জন্য প্রযুক্তিগত দিক থেকে আরও আত্মবিশ্বাসী করে তোলে এবং মহাকাশ গবেষণায় এক নতুন দিগন্ত উন্মোচন করে।

উৎস: নাসা ওয়েবসাইট।
.
নিচের কোনটি বায়ুর উপাদান নয়?
  1. হিলিয়াম
  2. আর্গন
  3. নিয়ন
  4. ফসফরাস
ব্যাখ্যা
• বায়ুর উপাদান নয় - ফসফরাস।

• বায়ুর উপাদান:
- বায়ুমণ্ডল নানাপ্রকার গ্যাস ও বাষ্পের সমন্বয়ে গঠিত হলেও এর প্রধান উপাদান দুইটি হলো- নাইট্রোজেন ও অক্সিজেন।
- বায়ুমণ্ডলে আয়তনের দিক থেকে এ দুটি গ্যাস একত্রে শতকরা ৯৮.৭৩ ভাগ এবং বাকিগুলো শতকরা ১.২৭ ভাগ।

• বায়ুর উপাদানের শতকরা হার:
- নাইট্রোজেন- ৭৮.০২%
- অক্সিজেন- ২০.৭১%
- আর্গন - ০.৮০%
- কার্বন ডাই অক্সাইড- ০.০৩%
- জলীয় বাষ্প- ০.৪১%
- অন্যান্য গ্যাস (যেমন- নিয়ন, হিলিয়াম, ক্রিপটন, জেনন, নাইট্রাস অক্সাইড)- ০.০২%
- ধূলিকণা ও কণিকা- ০.০১%

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।
.
নিচের মানগুলোর মধ্যে পানির BOD কত হলে তা নিরাপদ পানযোগ্য পানি হিসেবে বিবেচিত হবে?
  1. 0
  2. 10
  3. 20
  4. 25
ব্যাখ্যা
• BOD (Biochemical Oxygen Demand) :
- BOD (Biochemical Oxygen Demand) হলো পানির মধ্যে উপস্থিত জৈব বস্তুকে ব্যাকটেরিয়া দ্বারা পচনের জন্য প্রয়োজনীয় দ্রবীভূত অক্সিজেনের (DO - Dissolved Oxygen) পরিমাণ।
- এটি পানির জৈব দূষণের মাত্রা নির্ধারণে ব্যবহৃত হয়।
- BOD এর মান 0 হলে পানিতে দূষণের পরিমাণ কম এবং তা নিরাপদ পানযোগ্য পানি হিসেবে বিবেচিত হবে।

 - BOD এর মান 1-2 mg/L=খুব পরিষ্কার পানি, দূষণ খুবই কম।
 - BOD এর মান 3-5 mg/L= মাঝারি দূষণযুক্ত পানি।
 - BOD এর মান 6-9 mg/L= উচ্চ মাত্রার দূষণ, যা পরিবেশের জন্য ক্ষতিকর হতে পারে।
 - BOD এর মান 10 mg/L বা তার বেশি = অত্যন্ত দূষিত পানি, যা জলজ প্রাণীর জন্য মারাত্মক হতে পারে।

- উচ্চ BOD মান = বেশি জৈব দূষণ = পানির গুণমান খারাপ। 
- নিম্ন BOD মান = কম জৈব দূষণ = পানির গুণমান ভালো। 

উৎস: ব্রিটানিকা ও WHO Website।
.
আলোর গতিতে কোন বস্তু পৃথিবী থেকে চাঁদে যেতে কত সময় লাগবে?
  1. প্রায় ২.৩ মিনিট
  2. প্রায় ১.৩ সেকেন্ড
  3. প্রায় ২৩ সেকেন্ড
  4. প্রায় ২.৩ সেকেন্ড
ব্যাখ্যা
- পৃথিবী থেকে চাঁদের গড় দূরত্ব  ৩,৮৪,৪০০ কিমি কিলোমিটার।
- আলোর গতি - ৩০০০০০ Kms-1.
- সুতরাং আলোর গতিতে কোন বস্তু পৃথিবী থেকে চাঁদে যেতে সময় লাগবে:
- আমরা জানি, সময় = দূরত্ব ÷ বেগ
∴ ৩,৮৪,৪০০ ÷ ৩০০০০০ = ১.২৮ সেকেন্ড।
- আলোর গতিতে কোন বস্তু পৃথিবী থেকে চাঁদে যেতে ১.২৮ সেকেন্ড বা প্রায় ১.৩ সেকেন্ড সময় লাগবে।

উৎস: পদার্থ বিজ্ঞান, নবম- দশম শ্রেণি ও নাসা ওয়েবসাইট।
.
মহাজাগতিক রশ্মি কে আবিষ্কার করেন?
  1. ভিক্টর ফ্রান্সিস হেস
  2. টলেমি
  3. ইয়োহান কেপলার
  4. গ্যালিলিও
ব্যাখ্যা
• মহাজাগতিক রশ্মি (Cosmic Rays):
- মহাজাগতিক রশ্মির আবিষ্কারক হলেন ভিক্টর ফ্রান্সিস হেস।

- উচ্চ-শক্তিসম্পন্ন আহিত কণাগুলো যখন মহাকাশ থেকে পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলে প্রবেশ করে, তখন তাদের সমষ্টিগতভাবে মহাজাগতিক রশ্মি বলা হয়।
- ধারণা করা হয়, ছায়াপথের বাইরের নক্ষত্র বিস্ফোরণের ফলেই বেশিরভাগ মহাজাগতিক রশ্মি উৎপন্ন হয়।
- মহাজাগতিক রশ্মি আবিষ্কারের জন্য ভিক্টর ফ্রান্সিস হেস ১৯৩৬ সালে অপর বিজ্ঞানী কার্ল ডেভিড অ্যান্ডারসনের সাথে যৌথভাবে পদার্থবিজ্ঞানে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন।
- বেলুনের মাধ্যমে বিভিন্ন পরিমাপযোগ্য যন্ত্র ব্যবহার করে হেস ও তার সহকর্মীরা প্রমাণ করেন যে মহাজাগতিক রশ্মি বায়ুমণ্ডলকে আয়নিত করতে পারে এবং এর উৎস মহাজাগতিক বিকিরণ। 
 
উৎস: ব্রিটানিকা ও নোবেল পুরস্কার ওয়েবসাইট।
.
আল্ট্রসনোগ্রাফি কী?
  1. ছোট তরঙ্গ দৈর্ঘ্যের শব্দ দ্বারা ইমেজিং
  2. বড় তরঙ্গ দৈর্ঘ্যের শব্দ দ্বারা ইমেজিং
  3. আলোকনল দ্বারা শরীরের অভ্যন্তরে ইমেজিং
  4. শক্তিশালী শব্দ নিয়ে পিত্তপাথর বিচূর্ণীকরণ
ব্যাখ্যা
• আল্ট্রাসনোগ্রাফি:
- শরীরের অভ্যন্তরীণ নরম পেশী বা টিস্যুর সমস্যা নির্ণয়ে আল্ট্রাসাউন্ডকে কাজে লাগিয়ে যে পরীক্ষা করা হয় তাকে আল্ট্রাসনোগ্রাফি বলে।
- আল্ট্রাসনোগ্রাফিতে উচ্চ কম্পাংকের বা ছোট তরঙ্গদৈর্ঘ্যের শব্দের প্রতিফলন বা প্রতিধ্বনিকে কাজে লাগানো হয়।
- উচ্চ কম্পাংকের শব্দ যখন শরীরের গভীরের কোনো অঙ্গ বা পেশী থেকে প্রতিফলিত হয় তখন প্রতিফলিত তরঙ্গের সাহায্যে ঐ অঙ্গের অনুরূপ একটি প্রতিবিম্ব মনিটরের পর্দায় গঠন করা হয়।
- রোগ নির্ণয়ে যে আল্ট্রাসনোগ্রাফি করা হয় সেই শব্দের কম্পাংক ১-১০ মেগাহার্টজ হয়ে থাকে।
- হৃদপিন্ডে অথবা শরীরের গুরুত্বপূর্ণ অন্যান্য নরম অঙ্গ যেমন- যকৃৎ, পিত্তথলি, প্রধানরক্ত নালী সমূহে আল্ট্রাসনোগ্রাফি করা হয়।
- বিশেষত ভ্রুণের বৃদ্ধি, বৃদ্ধিপ্রাপ্ত ভ্রুণের লিঙ্গ নির্ধারণ ও স্ত্রী প্রজননতন্ত্রের টিউমার সনাক্তকরণে।
- এক্সরের তুলনায় আল্ট্রাসনোগ্রাফি অধিকতর নিরাপদ রোগ নির্ণয়ের কৌশল।

উৎস: বিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
শিশু স্বাস্থ্য সংক্রান্ত LBW এর পূর্ণরূপ কী?
  1. Less birth weight
  2. Lean birth weight
  3. Level birth weight
  4. Low birth weight
ব্যাখ্যা
LBW:
- পূর্ণরূপ: Low Birth Weight
- বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (WHO) অনুযায়ী, Low Birth Weight (LBW) বা কম ওজন নিয়ে জন্মগ্রহণকারী শিশু বলতে বোঝায় যেসব নবজাতকের ওজন জন্মের সময় ২.৫ কিলোগ্রামের (২৫০০ গ্রাম) কম হয়।
- এটি শিশুদের অপুষ্টি, গর্ভকালীন জটিলতা ও মাতৃস্বাস্থ্যের অবস্থা সম্পর্কিত গুরুত্বপূর্ণ একটি সূচক।
- WHO ২০২৫ সালের মধ্যে কম জন্ম ওজনের হার ৩০% কমানোর লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে।
- এ জন্য বিভিন্ন দেশভিত্তিক নীতিমালা প্রণয়ন ও বাস্তবায়ন করা হচ্ছে, যার মধ্যে পুষ্টি উন্নয়ন, মাতৃস্বাস্থ্য সচেতনতা বৃদ্ধি ও গর্ভকালীন সেবা উন্নতকরণ অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।

উৎস: WHO অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।
.
হিগস্‌ বোসন কণা কত সালে আবিষ্কৃত হয়?
  1. ২০০৪ সালে
  2. ২০১২ সালে
  3. ২০১৪ সালে
  4. ২০১৬ সালে
ব্যাখ্যা
• হিগস বোসন (Higgs Boson):
- হিগস বোসন কণা আবিষ্কৃত হয় ৪ জুলাই ২০১২ সালে।
কণাটি ২০১২ সালের ৪ জুলাই আবিষ্কৃত হয়।
- সুইজারল্যান্ডের ইউরোপীয় কণা পদার্থবিজ্ঞান গবেষণাগার CERN-এ অবস্থিত বিশ্বের সবচেয়ে শক্তিশালী কণা ত্বরক 'লার্জ হ্যাড্রন কোলাইডার' (LHC)-এর গবেষকদের দ্বারা।
- এই হিগস বোসনই ঈশ্বর কণা (God's Particle) নামে পরিচিত।

হিগস বোসন কণার বৈশিষ্ট্য:
- হিগস বোসন এর স্পিন ০, তবে এর ভর আছে।
- হিগস বোসন বুঝতে হলে হিগস ক্ষেত্র সম্বন্ধে জানতে হবে।
- হিগস ক্ষেত্র একটি তাত্ত্বিক বলক্ষেত্র যা সর্বত্র ছড়িয়ে আছে। এই ক্ষেত্রের কাজ হলো মৌলিক কণাগুলোকে ভর প্রদান করা।
- যখন কোনো ভরহীন কণা হিগস ক্ষেত্রে প্রবেশ করে তখন তা ধীরে ধীরে ভর লাভ করে। ফলে তার চলার গতি ধীর হয়ে যায়।
- হিগস বোসনের মাধ্যমে ভর কণাতে স্থানান্তরিত হয়।
- হিগস ক্ষেত্র ভর সৃষ্টি করে না, তা কেবল ভর স্থানান্তরিত করে হিগস বোসনের মাধ্যমে।

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় ও Space.com website.
.
ক্যান্সার চিকিৎসায় কোন রশ্মি ব্যবহৃত হয়?
  1. আলফা রশ্মি
  2. বিটা রশ্মি
  3. গামা রশ্মি
  4. এক্স রশ্মি
ব্যাখ্যা
- ক্যান্সার চিকিৎসায় গামা রশ্মি ব্যবহৃত হয়।

• চিকিৎসাক্ষেত্রে ব্যবহার:
- চিকিৎসায় ব্যবহৃত গামা বিকিরণের উৎস হলো আইসোটোপ।
- চিকিৎসাক্ষেত্রে তেজষ্ক্রিয় আইসোটোপের প্রধানত দু'ধরনের ব্যবহার আছে।
যেমন- 
ক) রোগ নিরাময়ে ও 
খ) কোন রোগ বা রোগাক্রান্ত স্থান নির্ণয়।
- শরীরের কোন স্থানে কোন ক্ষতিকর ক্যান্সার টিউমার-এর উপস্থিতি তেজস্ক্রিয় আইসোটোপ দ্বারা নির্ণয় করা যায়।
- আবার নিরাময়ের জন্য 60Co থেকে নির্গত গামা রশ্মি নিক্ষেপ করে ক্যান্সার আক্রান্ত কোষকে ধ্বংস করা হয়।
- থাইরয়েড গ্রন্থি বা এর অস্বাভাবিক বৃদ্ধিজনিত রোগের চিকিৎসায় আয়োডিন-131(131I) ব্যবহৃত হয়। এ তেজস্ক্রিয় আয়োডিন আইসোটোপ থাইরয়েড গ্রন্থিতে অবস্থিত কোষ কলা বৃদ্ধি প্রতিহত করে।
- শ্বেত-কণিকা অত্যধিক বৃদ্ধিজনিত রক্তাল্পতা (blood-leucaemia) রোগের চিকিৎসায় তেজষ্ক্রিয় ফসফরাস-৩২ (32P) এর ফসফেট ব্যবহৃত হয়।
- দেহের হাড় বেড়ে যাওয়া এবং কোথায়, কি কারণে ব্যাথা হচ্ছে তা নির্ণয়ের জন্য 99mTc (Isotope of  Technetium) আইসোটোপ ব্যবহার করা হয়। 
- প্লুটোনিয়াম-২৩৮ হার্টে পেইসমেকার বসাতে ব্যবহার করা হয়। 

• গামা রশ্মির ধর্ম ও প্রকৃতি:

- গামা রশ্মি অতি ক্ষুদ্র তরঙ্গ দৈর্ঘ্যের তাড়িতচৌম্বকীয় তরঙ্গ।
- এই রশ্মি আলোর বেগে গতিশীল।
- এর কোন চার্জ ও ভর নাই।
- এই রশ্মি বিদ্যুৎ ক্ষেত্র ও চুম্বক ক্ষেত্র দ্বারা বিক্ষিপ্ত হয় না।
- এটি ফটোগ্রাফিক প্লেটের উপর বিক্রিয়া করে।
- এর আয়নিত করার ক্ষমতা আছে তবে বিটা রশ্মি অপেক্ষা কম।
- জিংক সালফাইডে গামা রশ্মি প্রতিপ্রভা সৃষ্টি করে।
- গামা রশ্মির প্রতিলন, প্রতিসরণ, ব্যাতিচার, অপবর্তন ইত্যাদি সব আলোকীয় ধর্ম আছে।

উৎস: রসায়ন ও পদার্থবিজ্ঞান , এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১০.
ট্রানজিস্টরে সেমিকন্ডাক্টর হিসেবে ব্যবহৃত হয়?
  1. জার্মেনিয়াম
  2. আর্সেনিক
  3. মাঙ্গানিজ
  4. টাংস্টেন
ব্যাখ্যা
• ট্রানজিস্টর: 
- ট্রানজিস্টার হলো এমন একটি ব্যবস্থা যাতে দুটি চওড়া p-টাইপ কেলাসের মধ্যে একটি সরু n-টাইপ কেলাস যুক্ত থাকে অথবা দুটি চওড়া -টাইপ কেলাসের মধ্যে একটি সরু p-টাইপ কেলাস যুক্ত থাকে।
- প্রকৃত পক্ষে একটি অর্ধপরিবাহী খণ্ডের দুই প্রান্তে চওড়া করে তিনযোজী পরমাণু (অপদ্রব্য) ডোপিং প্রক্রিয়ায় যুক্ত করে p-টাইপ কেলাস এবং এদের মধ্যে সরু করে পাঁচযোজী পরমাণু (অপদ্রব্য) ডোপিং প্রক্রিয়ায় যুক্ত করে n-টাইপ কেলাস গঠনের মাধ্যমে p-n-p নিঃসারক ভূমি সংগ্রাহক ট্রানজিস্টার তৈরি করা হয়
- ট্রানজিস্টরে সেমিকন্ডাক্টর হিসেবে ব্যবহৃত হয় সিলিকন ও জার্মেনিয়াম।

- ট্রানজিস্টরে তিনটি টার্মিনাল থাকে। 
- যথা: এমিটার, বেস এবং কালেক্টর। 
- ট্রানজিস্টর হলো তিন প্রান্ত (Terminal) বিশিষ্ট একটি ডিভাইস (Device)। 
- ১৯৪৮ সালে আমেরিকায় বেল ল্যাবরেটরীতে প্রথম এর আবিষ্কার হয়। 
- আবিষ্কারের পর থেকেই ট্রানজিস্টর ইলেকট্রনিক জগতে বিপ্লবের সৃষ্টি করেছে। 
- ইলেকট্রনিক যন্ত্রপাতির এটি একটি অবিচ্ছেদ্য অঙ্গ। 
- বিবর্ধক (Amplifier) হিসেবে এর ব্যবহার সর্বাধিক। 
- সাধারণ ট্রানজিস্টরে ইলেকট্রন এবং হোল উভয় ধরনের চার্জ বাহক থাকে বলে একে বাইপোলার ট্রানজিস্টর বলে। 
- ইলেকট্রনিক বিবর্ধক ও সুইচ হিসেবে ট্রানজিস্টর ব্যবহৃত হয়। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১১.
মিলিমিটারের চেয়ে সূক্ষ্ম পরিমাপের ক্ষেত্রে কোন ধরনের স্কেল ব্যবহার করা হয়?
  1. মিটার স্কেল
  2. ফুট স্কেল
  3. সেন্টিমিটার স্কেল
  4. ভার্নিয়ার স্কেল
ব্যাখ্যা
• ভার্নিয়ার স্কেল:
- মিলিমিটারের চেয়ে সূক্ষ্ম পরিমাপ করতে ভার্নিয়ার স্কেল ব্যবহার করা হয়। 
- মিলিমিটারের ভগ্নাংশ যেমন, 0.2 মিমি, 0.5 মিমি বা 0.9 মিমি ইত্যাদি মাপার জন্য আমাদের ভার্নিয়ার স্কেল ব্যবহার করতে হয়।
- ফরাসী গণিত শাস্ত্রবিদ পিয়েরে ভার্নিয়ার এই স্কেল উদ্ভাবন করেন।
- এজন্য তাঁর নামানুসারে এ স্কেলের নামকরণ করা হয় ভার্নিয়ার স্কেল ।
- মিটার স্কেলের সাথে ভার্নিয়ার স্কেল সংযুক্ত করে মিলিমিটারের ভগ্নাংশ নির্ভুলভাবে নির্ণয় করা যায়। 
- ভার্নিয়ার স্কেল আকারে মূল স্কেল অপেক্ষা ছোট হয়।
- এই স্কেলটি মূল স্কেল বা প্রধান স্কেলের পাশে সংযুক্ত থাকে, ভার্নিয়ার স্কেলকে প্রধান স্কেলের পাশ দিয়ে সামনে বা পেছনে সরানো যায়।
- প্রধান স্কেলের এক ভাগের দৈর্ঘ্য এবং ভার্নিয়ার স্কেলের এক ভাগের দৈর্ঘ্যের পার্থক্যকে ভার্নিয়ার ধ্রুবক (Vernier constant) V.C বলা হয়।

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১২.
কোনটি 'আপেক্ষিক গুরুত্ব' এর একক ?
  1. gm/cm3
  2. gm/m3
  3. kg/m3
  4. কোনোটিই নয়
ব্যাখ্যা
• 'আপেক্ষিক গুরুত্ব':
- আপেক্ষিক গুরুত্ব বলতে কোন বস্তুর ঘনত্ব এবং অন্য একটি প্রসঙ্গ বস্তুর ঘনত্বের অনুপাত অথবা কোন বস্তুর ভর এবং একই আয়তনের অন্য একটি বস্তুর ভরের অনুপাতকে বোঝায়।
- আপেক্ষিক গুরুত্ব যেহেতু সমরাশির অনুপাত তাই এর কোনো একক নেই।

• ব্যবহার:
• ভাসা ও ডোবা নির্ধারণ:
- আপেক্ষিক গুরুত্বের মাধ্যমে বোঝা যায় কোনো বস্তু পানিতে ভাসবে নাকি ডুবে যাবে।
- যেমন, কাঠের আপেক্ষিক গুরুত্ব ১-এর কম হওয়ায় এটি পানিতে ভাসে, কিন্তু লোহার আপেক্ষিক গুরুত্ব বেশি হওয়ায় এটি ডুবে যায়।

• গহনার বিশুদ্ধতা পরীক্ষা:
- স্বর্ণের মতো মূল্যবান ধাতুর বিশুদ্ধতা নির্ধারণে আপেক্ষিক গুরুত্ব ব্যবহার করা হয়।

• ইঞ্জিনিয়ারিং ও নির্মাণ:
- বিভিন্ন পদার্থের ঘনত্বের তুলনা করে উপযুক্ত নির্মাণসামগ্রী নির্বাচন করা হয়।

উৎস: ব্রিটানিকা।
১৩.
১ কিলোগ্রাম কত পাউন্ডের সমান?
  1. ২.১০
  2. ২.১৫
  3. ২.২০
ব্যাখ্যা
• ১ কেজি  = ২.২০ পাউন্ড।

উল্লেখ্য,
- ১ কুইন্টাল = ১০০ কিলোগ্রাম।
- ১ মেট্রিক টন = ১০০০ কিলোগ্রাম। 
- ১০ কুইন্টাল = ১ মেট্রিক টন। 
- ১ পাউন্ড = ১৬ আউন্স।
- ১ মণ = ৩৭.৩২ কেজি।
- ১ মিটার = ৩৯.৩৭ ইঞ্চি। 
- ১ মিটার = ১০০ সে.মি.। 
- ১ ইঞ্চি = ২.৫৪ সেন্টিমিটার। 
- ১ মিটার = ১০০ সেন্টিমিটার। 
- ১ মিটার = ১০০০ মিলিমিটার। 
- ১ কিলোমিটার = ১০০০ মিটার। 

উৎস: ব্রিটানিকা।
১৪.
সমুদ্রের গভীরতা নির্ণয়ের যন্ত্রের নাম কী?
  1. ফ্যাদোমিটার
  2. ট্যাকোমিটার
  3. অ্যালটিমিটার
  4. হাইড্রোমিটার
ব্যাখ্যা
• সমুদ্রের গভীরতা মাপক যন্ত্র:
- স্থলভাগের প্রকৃতি যেমন বন্ধুর সমুদ্রের তলদেশের ভূমিরূপও তেমন বন্ধুর প্রকৃতির।
- শব্দ তরঙ্গের সাহায্যে সমুদ্রের গভীরতা নির্ণয় করা হয়।
- সমুদ্রের গভীরতা মাপক যন্ত্রের নাম ফ্যাদোমিটার।

উল্লেখ্য,
- উচ্চতা পরিমাপক যন্ত্র-  অ্যালটিমিটার।
- আর্দ্রতা পরিমাপক যন্ত্র - হাইড্রোমিটার।
- ভূমিকম্প পরিমাপক যন্ত্রের নাম - সিসমোগ্রাফ।
- ভূমিকম্পের মাত্রা নির্ণায়ক যন্ত্রের নাম - রিখটার স্কেল।
- বায়ুর চাপ নির্ণায়ক যন্ত্র - ব্যারোমিটার।
- উড়োজাহাজের গতি নির্ণায়ক যন্ত্র - ট্যাকোমিটার
- রক্তের চাপ মাপক যন্ত্র - স্ফিগমেমোমিটার।
- দুধের বিশুদ্ধতা পরিমাপক যন্ত্র - ল্যাকটোমিটার।
- তাপ পরিমাপক যন্ত্রের নাম - ক্যালরিমিটার।

উৎস: ব্রিটানিকা।