পরীক্ষা আর্কাইভ

শিক্ষক নিবন্ধন (NTRCA) প্রস্তুতি [১৯তম]

পরীক্ষাশিক্ষক নিবন্ধন (NTRCA) প্রস্তুতি [১৯তম]তারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়10 minutes
মোট প্রশ্ন১২
সিলেবাস
পরীক্ষা – ৩৬ সাধারণ জ্ঞান – বাংলাদেশ বিষয়াবলি টপিক: বাংলার সংস্কৃতি, বাংলাদেশের জাতীয় বিষয়াবলী, বাংলাদেশের সমাজজীবন, সমস্যা, জনমিতিক পরিচয়।
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

শিক্ষক নিবন্ধন (NTRCA) প্রস্তুতি [১৯তম]

শিক্ষক নিবন্ধন (NTRCA) প্রস্তুতি [১৯তম] · তারিখ অনির্ধারিত · ১২ প্রশ্ন

.
স্বাধীন বাংলা বেতারকেন্দ্র থেকে প্রচারিত 'চরমপত্র' কথক কে ছিলেন?
  1. আবদুল হান্নান
  2. এম আর আখতার হামিদ
  3. এম আর আখতার মুকুল
  4. কামাল লোহানী
সঠিক উত্তর:
এম আর আখতার মুকুল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এম আর আখতার মুকুল
ব্যাখ্যা
• এম. আর আখতার মুকুল (১৯২৯-২০০৪):
- এম আর আখতার মুকুল সাংবাদিক, লেখক, সম্পাদক এবং মুক্তিযুদ্ধের সময় স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্র থেকে প্রচারিত সাড়া জাগানো অনুষ্ঠান 'চরমপত্র'-এর কথক।
- তাঁর জন্ম ১৯২৯ সালের ৯ আগস্ট বগুড়া জেলার মহাস্থানগড়ের অন্তর্গত চিংগাসপুর গ্রামে।
- ১৯৮৭ সালে দেশে ফিরে তিনি বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের দলিলপত্র সম্পাদনার দ্বিতীয় পর্যায়ে কিছুদিন কাজ করেছেন। পরে তিনি ঢাকায় সাগর পাবলিশার্স নামে একটি প্রকাশনা প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলেন।
- এ সংস্থাসহ বিভিন্ন প্রকাশনা প্রতিষ্ঠান থেকে তাঁর রচিত ৬০টিরও বেশি গ্রন্থ প্রকাশিত হয়েছে।

• এরমধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো:
⇒পল্লী এক্সপ্রেস (অনুবাদ, ১৯৬০),
⇒রূপালী বাতাস (১৯৭২),রূপালী বাতাস সোনালী আকাশ (১৯৭৩),
⇒মুজিবের রক্তলাল (১৯৭৬),
⇒ভাসানী মুজিবের রাজনীতি (১৯৮৪),
⇒পঞ্চাশ দশকে আমরা ও ভাষা আন্দোলন (১৯৮৫)।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
.
NIPORT (নিপোর্ট) কী?
  1. নদী বিষয়ক গবেষণা প্রতিষ্ঠান
  2. যোগাযোগ বিষয়ক গবেষণা প্রতিষ্ঠান
  3. জরুরি সেবা বিষয়ক প্রতিষ্ঠান
  4. জনসংখ্যা বিষয়ক গবেষণা প্রতিষ্ঠান
সঠিক উত্তর:
জনসংখ্যা বিষয়ক গবেষণা প্রতিষ্ঠান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জনসংখ্যা বিষয়ক গবেষণা প্রতিষ্ঠান
ব্যাখ্যা
• NIPORT (নিপোর্ট) বা National Institute of Population Research and Training হলো বাংলাদেশের জনসংখ্যা বিষয়ক জাতীয় গবেষণা প্রতিষ্ঠান।
• এটি ১৯৭৭ সালে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের অধীনে প্রতিষ্ঠিত হয়।
• এটি ঢাকার আজিমপুরে অবস্থিত।
• নিপোর্ট স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের অধীন জেলা, উপজেলা, ইউনিয়ন ও মাঠ পর্যায়ের কর্মকর্তা- কর্মচারিদের জ্ঞান ও দক্ষতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করে থাকে।

তথ্যসূত্র:- NIPORT ওয়েবসাইট
.
পরী বিবি কে ছিলেন?
  1. শায়েস্তা খানের কন্যা
  2. আওরঙ্গজেবের কন্যা
  3. মুর্শিদকুলি খানের স্ত্রী
  4. শায়স্তা খানের স্ত্রী
সঠিক উত্তর:
শায়েস্তা খানের কন্যা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শায়েস্তা খানের কন্যা
ব্যাখ্যা
♠ পরী বিবি:
- তিনি বাংলার মুগল সুবাহদার শায়েস্তা খান এর কন্যা।
- বাদশাহ আওরঙ্গজেব এর পুত্র মুহম্মদ আজম এর স্ত্রী।
- বাংলাদেশ সরকারের কাটরার ওয়াকফ পরিদপ্তরে সংরক্ষিত শায়েস্তা খানের নিজস্ব অছিয়তনামা থেকেই শায়েস্তা খানের কন্যা হিসেবে বিবি পরীকে (ইরান দু রহমত বানু) চিহ্নিত করা যায়।
- লালবাগ কেল্লার অভ্যন্তরে মসজিদের পূর্ব দিকে বিবি পরীকে সমাহিত করা হয়। শায়েস্তা খান কন্যার সমাধির উপর একটি সুদৃশ্য সৌধ নির্মাণ করেন।

তথ্যসুত্র - বাংলাপিডিয়া।
.
নিচের কোন জেলায় সাঁওতালদের বসবাস নেই?
  1. রাজশাহী
  2. দিনাজপুর
  3. বগুড়া
  4. বান্দরবান
সঠিক উত্তর:
বান্দরবান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বান্দরবান
ব্যাখ্যা
♦ সাঁওতাল:
- সাঁওতাল বাংলাদেশের অন্যতম বৃহৎ আদিবাসী জনগোষ্ঠী।
- তাদের বাসস্থান মূলত রাজশাহী, দিনাজপুর, রংপুর ও বগুড়া জেলায়।
- প্রধান নিবাস রাঢ়বঙ্গ, বিহার ও উড়িষ্যার অরণ্য অঞ্চলে।
- সাঁওতালরা অস্ট্রিক ভাষাভাষী আদি-অস্ট্রেলীয় (প্রোটো- অস্ট্রালয়েড) জনগোষ্ঠীর বংশধর।
- সাঁওতালরা ভারতীয় উপমহাদেশের অন্যতম আদি বাসিন্দা, এরা কৃষি উৎপাদন ব্যবস্থা এবং কৃষিসংস্কৃতির জনক ও ধারক হিসেবে স্বীকৃত।
- সাঁওতালদের প্রধান উপাস্য যদিও সূর্য তবু পর্বত দেবতাও (মারাং বুরু) তাদের জন্য যথেষ্ট মর্যাদাব্যঞ্জক হয়ে গ্রামদেবতায় পরিণত হয়েছে।
- তাদের বছর শুরু হয় ফাল্গুন মাসে। প্রায় প্রতিমাসে বা ঋতুতে রয়েছে পরব বা উৎসব।
- সোহরাই উৎসব সাঁওতালদের একপ্রকার জাতীয় উৎসব।
- যা পৌষ সংক্রান্তির দিন অত্যন্ত জাঁকজমকের সঙ্গে উদ্যাপিত হয়।
- সাঁওতাল সমাজে পুরুষের আধিপত্য অপেক্ষাকৃত বেশি।
- সাঁওতালদের ভাষা আছে কিন্তু লেখ্য বর্ণমালা নেই, তেমনি তাদের ধর্ম আছে কিন্তু কোন আনুশাসনিক ধর্মগ্রন্থ নেই।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া।
.
নিচের কোনটি বাংলাদেশের বৃহত্তম আদিবাসী জনগোষ্ঠী?
  1. চাকমা
  2. ত্রিপুরা
  3. মারমা
  4. সাঁওতাল
সঠিক উত্তর:
চাকমা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চাকমা
ব্যাখ্যা
♦ চাকমা:
- চাকমা বাংলাদেশের বৃহত্তম আদিবাসী জনগোষ্ঠী।
-  তারা নিজেদেরকে চাঙমা বলে।
- পার্বত্য চট্টগ্রামের মধ্য ও উত্তরাঞ্চলেই তাদের প্রধান বসতি।
- চাকমাদের শতকরা ৯০ জনেরও বেশি রাঙ্গামাটি ও খাগড়াছড়ি জেলায় কেন্দ্রীভূত।
- ভারতের অরুণাচল, মিজোরাম ও ত্রিপুরা রাজ্যে চাকমাদের কিছু বসতি রয়েছে।
- চাকমারা মূলত ছিল মধ্য মায়ানমার ও আরাকান এলাকার অধিবাসী।
- চাকমা ভাষার নিজস্ব লিপি থাকলেও এ লিপি আজকাল আর ব্যবহার করা হয় না।
- চাকমা ভাষা এখন সাধারণত বাংলা লিপিতেই লেখা হয়।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া।
.
বোমাং রাজা কোন সমাজের প্রধানকে বলা হয়?
  1. গারো
  2. চাকমা
  3. সাঁওতাল
  4. মারমা
সঠিক উত্তর:
মারমা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মারমা
ব্যাখ্যা
♦ মারমা:
- বাংলাদেশের পার্বত্য অঞ্চলের ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীগুলোর মধ্যে জনসংখ্যার দিক থেকে মারমাদের অবস্থান দ্বিতীয়।
-মারমা নৃগোষ্ঠীর অধিকাংশই রাঙামাটি, বান্দরবান ও খাগড়াছড়ি জেলায় বাস করে।
- 'মারমা' শব্দটি 'ম্রাইমা' শব্দ থেকে উদ্ভূত।
- পাবর্ত্য অঞ্চলে বোমাং সার্কেলের অন্তর্ভুক্ত মারমা সমাজের প্রধান হলেন বোমাং চিফ বা বোমাং রাজা।
- প্রত্যেক মৌজায় কতগুলো গ্রাম রয়েছে। গ্রামবাসী গ্রামের প্রধান মনোনীত করে।
- মারমারা গ্রামকে তাদের ভাষায় 'রোয়া' এবং গ্রামের প্রধানকে 'রোয়াজা' বলে।
- মারমা পরিবারে পিতার স্থান সর্বোচ্চ হলেও পারিবারিক কাজকর্মে মাতা উল্লেখযোগ্য ভূমিকা পালন করে।
- মারমা সমাজে পারিবারিক সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষেত্রে মেয়েদের মতামত বেশ গুরুত্ব দেওয়া হয়।

উৎস: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, অষ্টম শ্রেণি।
.
গণঅভ্যুত্থান দিবস পালিত হয় কবে?
  1. ২১ জানুয়ারি
  2. ২০ জানুয়ারি
  3. ২৪ জানুয়ারি
  4. ২৩ জানুয়ারি
সঠিক উত্তর:
২৪ জানুয়ারি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৪ জানুয়ারি
ব্যাখ্যা
♦ গণ-অভ্যুত্থান দিবসঃ
- ২৪ জানুয়ারি ঐতিহাসিক গণ-অভ্যুত্থান দিবস।

- পাকিস্তানি সামরিক শাসন উৎখাতের লক্ষ্যে ১৯৬৯ সালের এই দিনে সংগ্রামী জনতা শাসকগোষ্ঠীর দমন- পীড়ন ও সান্ধ্য আইন উপেক্ষা করে মিছিল বের করে।
- মিছিলে পুলিশের গুলিবর্ষণে নিহত হন নবকুমার ইনস্টিটিউশনের নবম শ্রেণির ছাত্র মতিউর রহমান।
- জনতার রুদ্ররোষ এবং গণ-অভ্যুত্থানের জোয়ারে স্বৈরাচারী আইয়ুব সরকার আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলার প্রধান অভিযুক্ত বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানসহ সবাইকে মুক্তি দিতে বাধ্য হয়।
- পতন ঘটে আইয়ুবের স্বৈরতন্ত্রের। অপশাসন ও শোষণের বিরুদ্ধে সংগ্রামে তাই ঊনসত্তরের গণ-অভ্যুত্থান আজও দেশের মানুষকে অনুপ্রাণিত করে।

সূত্র: দৈনিক ইত্তেফাক।
.
শিক্ষা বিভাগের ট্রেনিংয়ের শীর্ষ প্রতিষ্ঠান কোনটি?
  1. ইউজিসি
  2. নেপ
  3. ডিপিই
  4. নায়েম
সঠিক উত্তর:
নায়েম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নায়েম
ব্যাখ্যা
♦নায়েমঃ 
• ন্যাশনাল একাডেমি ফর এডুকেশন ম্যানেজমেন্ট (নায়েম) দেশের শিক্ষা বিভাগের ট্রেনিংয়ের শীর্ষ প্রতিষ্ঠান।
• এটি ১৯৫৯ সালে স্থাপিত হয়।
• এটির অবস্থান ঢাকার নিউমার্কেটে ঢাকা কলেজের পাশে।
• এখানে সর্বস্তরের শিক্ষক ও শিক্ষা সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের প্রশিক্ষণ প্রদান করা হয়।

তথ্যসূত্র: নায়েম ওয়েবসাইট।
.
সর্বপ্রথম জাতীয় পতাকা উত্তোলন করা হয় কোন স্থানে?
  1. সোহরাওয়াদী উদ্যানে
  2. রেসকোর্স ময়দানে
  3. ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে
  4. মুজিবনগরে
সঠিক উত্তর:
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে
ব্যাখ্যা
 ♦ জাতীয় পতাকা:
- বাংলাদেশের জাতীয় পতাকার চূড়ান্ত নকশা করেন কামরুল হাসান।
- পতাকা বিধি (১৯৭২) অনুসারে জাতীয় পতাকার রং গাঢ় সবুজ এবং ১০:৬ অনুপাতে আয়তাকার, তাতে থাকবে সবুজ অংশের মাঝখানে একটি লাল বৃত্ত।
- লাল বৃত্তের ব্যাসার্ধ হবে পতাকার মোট দৈর্ঘ্যের এক- পঞ্চমাংশ।
- প্রথম অবস্থায় পতাকার কেন্দ্রস্থলে বাংলাদেশের মানচিত্র খচিত ছিল।
- ২রা মার্চ বাংলাদেশের জাতীয় পতাকা দিবস।
- ১৯৭১ সালের ২ মার্চ ছাত্রনেতারা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রথম জাতীয় পতাকা উত্তোলন করেন। সে পতাকার আদলে মুজিবনগর সরকার জাতীয় পতাকার নমুনা নির্ধারণ করেন।
- শিবনারায়ণ দাস বাংলাদেশের প্রথম জাতীয় পতাকার অন্যতম এবং মূল নকশাকার।

তথ্যসূত্র - দৈনিক প্রথম আলো, ২ মার্চ ২০২২।
১০.
'মুক্তির সনদ' নামে পরিচিত নিচের কোনটি?
  1. ছয় দফা
  2. এগারো দফা
  3. একুশ দফা
  4. চার দফা
সঠিক উত্তর:
ছয় দফা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ছয় দফা
ব্যাখ্যা
• 'ছয় দফা':
- ১৯৬৬ সালের ৫-৬ ফেব্রুয়ারি লাহোরে একটি সম্মেলনে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান কর্মসূচি ঘোষণা করেন।
- ইতিহাসে এটিই ৬ দফা কর্মসূচি নামে পরিচিত।
- পরবর্তীতে ২৩ মার্চ, ১৯৬৬ সালে লাহোরের এক সংবাদ সম্মেলনে শেখ মুজিবুর রহমান আনুষ্ঠানিকভাবে ৬ দফা দাবি ঘোষণা করেন।
- ৬ দফা দাবিকে বাঙালি জাতির 'মুক্তির সনদ' বা 'ম্যাগনেকার্টা' হিসাবে পরিচিত।
- ছয় দফা দাবি ঐতিহাসিক 'লাহোর প্রস্তাব' এর ভিত্তিতে রচিত।
- ৭ জুন ঐতিহাসিক ছয় দফা দিবস পালন করা হয়।

উৎস:- পৌরনীতি ও সুশাসন, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রফেসর মোঃ মোজাম্মেল হক এবং বাংলাপিডিয়া।
১১.
ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর কয়টি সাংস্কৃতিক প্রতিষ্ঠান রয়েছে?
  1. ৮টি
  2. ৭টি
  3. ৯টি
  4. ১০টি
সঠিক উত্তর:
১০টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১০টি
ব্যাখ্যা
♦ ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর ১০টি সাংস্কৃতিক প্রতিষ্ঠান
১) ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর কালচারাল একাডেমি, বিরিশিরি, নেত্রকোণা,
২) ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর সাংস্কৃতিক ইনস্টিটিউট, রাঙ্গামাটি,
৩) ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর সাংস্কৃতিক ইনস্টিটিউট, বান্দরবান,
৪) কক্সবাজার সাংস্কৃতিক কেন্দ্র, কক্সবাজার,
৫) ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর সাংস্কৃতিক ইনস্টিটিউট, খাগড়াছড়ি,
৬) রাজশাহী বিভাগীয় ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর কালচারাল একাডেমি, রাজশাহী,
৭) মনিপুরী ললিতকলা একাডেমি, কমলগঞ্জ, মৌলভীবাজার,
৮) ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর সাংস্কৃতিক প্রতিষ্ঠান, হালুয়াঘাট,
৯)  ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর সাংস্কৃতিক প্রতিষ্ঠান, দিনাজপুর,
১০)ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর সাংস্কৃতিক প্রতিষ্ঠান, নওগাঁ।

উৎস: সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রানালয়।(লিংক)
১২.
এ পর্যন্ত বাংলাদেশে মোট কতটি আদমশুমারি অনুষ্ঠিত হয়েছে?
  1. ৫টি
  2. ৬টি
  3. ৭টি
  4. ৮টি
সঠিক উত্তর:
৬টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬টি
ব্যাখ্যা
♦ আদমশুমারি:
- স্বাধীন বাংলাদেশে প্রথম আদমশুমারি অনুষ্ঠিত হয় ১৯৭৪ সালে।
- পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের অধীনে আদমশুমারি অনুষ্ঠিত হয়।
- প্রথম আদমশুমারিতে বাংলাদেশের জনসংখ্যা ছিল প্রায় ৭.৬৪ কোটি।
- এ পর্যন্ত বাংলাদেশে মোট ৬টি আদমশুমারি অনুষ্ঠিত হয়েছে।
- যথা- ১৯৭৪, ১৯৮১, ১৯৯১, ২০০১, ২০১১ ও ২০২২ সালে।
- ষষ্ঠ আদমশুমারির নাম 'জনশুমারি ও গৃহগণনা'।

তথ্যসূত্র - পরিকল্পনা মন্ত্রণালয় ওয়েবসাইট।