পরীক্ষা আর্কাইভ

বার কাউন্সিল প্রস্তুতি - লং কোর্স [আর্কাইভ]

পরীক্ষাবার কাউন্সিল প্রস্তুতি - লং কোর্স [আর্কাইভ]তারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়14 minutes
মোট প্রশ্ন২৭
সিলেবাস
Exam - 35 The Code of Criminal Procedure-1898: Test-8 Topic: Section 491-538 • Directions of the nature of a habeas corpus • The public prosecutor • Bail • Commissions for the examination of witnesses • Special rules of evidence • Provisions as to bonds • The disposal of property • The transfer of criminal cases • Irregular proceedings
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

বার কাউন্সিল প্রস্তুতি - লং কোর্স [আর্কাইভ]

বার কাউন্সিল প্রস্তুতি - লং কোর্স [আর্কাইভ] · তারিখ অনির্ধারিত · ২৭ প্রশ্ন

.
ফৌজদারী কার্যবিধির কোন ধারা অনুযায়ী হাইকোর্ট বিভাগ habeas corpus প্রকৃতির নির্দেশ জারি করতে পারে?
  1. ৪৯০ ধারা
  2. ৪৯১ ধারা
  3. ৪৯৫ ধারা
  4. ৪৯৬ ধারা
সঠিক উত্তর:
৪৯১ ধারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪৯১ ধারা
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারী কার্যবিধির ৪৯১ ধারা হাইকোর্ট বিভাগকে “directions of the nature of a habeas corpus” জারির ক্ষমতা প্রদান করে। এই ধারা অনুযায়ী, যদি কোন ব্যক্তি বেআইনীভাবে বা অযৌক্তিকভাবে সরকারি বা বেসরকারি হেফাজতে আটক থাকে, তবে হাইকোর্ট বিভাগ তাকে মুক্তির নির্দেশ দিতে পারে।
- ধারা ৪৯১ অনুসারে হাইকোর্ট বিভাগ নিম্নলিখিত নির্দেশসমূহ দিতে পারে:
১) আটক ব্যক্তিকে আদালতে হাজির করার নির্দেশ,
২) বেআইনী আটক থেকে মুক্তি,
৩) সাক্ষ্য প্রদানের জন্য বন্দিকে হাজির,
৪) কোর্ট মার্শাল বা কমিশনারের সামনে হাজির,
৫) এক হেফাজত থেকে অন্য হেফাজতে স্থানান্তর।
অর্থাৎ Habeas corpus প্রকৃতির নির্দেশ দেওয়ার ক্ষমতা হাইকোর্ট বিভাগের রয়েছে ফৌজদারী কার্যবিধির ৪৯১ ধারার অধীনে।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৪৯১ ধারার বিধান:
(১) হাইকোর্ট বিভাগ যখনই উপযুক্ত মনে করেন, তখন নির্দেশ দিতে পারবেন যে,
ক) ইহার ফৌজদারী আপীল এখতিয়ারের সীমার মধ্যে অবস্থানকারী কোন ব্যক্তি সম্পর্কে আইনানুসারে ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য তাকে আদালতে হাজির করা হোক;
খ) উপরিউক্ত সীমার মধ্যে সরকারী বা বেসরকারী হেফাজতে বে-আইনীভাবে বা অযৌক্তিকভাবে আটক কোন ব্যক্তিকে মুক্তি দেয়া হোক;
গ) আদালতের বিবেচনাধীন বা অনুসন্ধানাধীন কোন বিষয়ে সাক্ষী হিসাবে জবানবন্দী দিবার জন্য উপরিউক্ত সীমার মধ্যে অবস্থিত কোন জেলে আটক কোন বন্দীকে আদালতে হাজির করা হোক;
ঘ) কোন কোর্ট মার্শাল বা কমিশনারের বিবেচনাধীন কোন বিষয় বিচারের জন্য বা সাক্ষী দিবার জন্য উক্তরূপে আটক কোন বন্দীকে উক্ত কোর্ট মার্শাল বা কমিশনারের নিকট হাজির করা হোক;
ঙ) উপরিউক্ত সীমার মধ্যে অবস্থানকারী কোন বন্দীকে বিচারের উদ্দেশ্যে এক হেফাজত হতে অন্য হেফাজতে অপসারণ করা হোক; 
(২) মামলার পদ্ধতি নিয়ন্ত্রণের জন্য সুপ্রীমকোর্ট সময়ে সময়ে এই ধারার অধীন নিয়ম প্রণয়ন করতে পারবেন।
(৩) এই ধারার কোন বিধানই বর্তমান বলবৎ কোন নিবারণমূলক আটক আইনের অধীন আটক ব্যক্তিদের প্রতি প্রযোজ্য নহে।
---------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898: Section 491.Power to issue directions of the nature of a habeas corpus:
(1) The High Court Division may, whenever it thinks fit, direct:-
(a) that a person within the limits of its appellate criminal jurisdiction be brought up before the Court to be dealt with according to law;
(b) that a person illegally or improperly detained in public or private custody with such limits be set at liberty;
(c) that a prisoner detained in any jail situate within such limits be brought before the Court to be there examined as a witness in any matter pending or to be inquired into in such Court;
(d) that a prisoner detained as aforesaid be brought before a Court-martial or any Commissioners for trial or to be examined touching any matter pending before such Court-martial or Commissioners respectively;
(e) that a prisoner within such limits be removed from one custody to another for the purpose of trial ; and
(2) The [Supreme Court] may, from time to time, frame rules to regulate the procedure in cases under this section.
(3) Nothing in this section applies to persons detained under any law for the time being in force providing for preventive detention.

.
ফৌজদারি কার্যবিধির ৫০৫ ধারা অনুযায়ী, মামলার পক্ষসমূহ সাক্ষীর জবানবন্দির জন্য কী করতে পারেন?
  1. নতুন সাক্ষী নিযুক্ত করতে পারেন
  2. মামলার রায় পরিবর্তন করতে পারেন
  3. মামলার বিচারক পরিবর্তন করতে পারেন
  4. সাক্ষীর জবানবন্দির বিষয়ে লিখিত প্রশ্নমালা পাঠাতে পারেন
সঠিক উত্তর:
সাক্ষীর জবানবন্দির বিষয়ে লিখিত প্রশ্নমালা পাঠাতে পারেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সাক্ষীর জবানবন্দির বিষয়ে লিখিত প্রশ্নমালা পাঠাতে পারেন
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৫০৫ অনুযায়ী, যদি কোনো মামলায় সাক্ষীর জবানবন্দি গ্রহণের জন্য কমিশন জারি করা হয়, তাহলে মামলার পক্ষসমূহ (যথা, অভিযুক্ত ও রাষ্ট্রপক্ষ) সাক্ষীর জবানবন্দির জন্য লিখিত প্রশ্নমালা (interrogatories) সংশ্লিষ্ট ম্যাজিস্ট্রেট বা আদালতে জমা দিতে পারে।
সেই প্রশ্নমালা যদি আদালত বা ম্যাজিস্ট্রেট প্রাসঙ্গিক মনে করেন, তবে তা অনুসারে সাক্ষীর জবানবন্দি গ্রহণ করা হবে।
এছাড়াও, মামলার পক্ষসমূহ এডভোকেটের মাধ্যমে বা ব্যক্তি হিসেবে (যদি হেফাজতে না থাকেন) উপস্থিত থেকে সাক্ষীকে জেরা (cross-examine) ও পুনঃজেরা (re-examine) করতে পারেন।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৫০৫ ধারার বিধান: পক্ষগণ সাক্ষীর জবানবন্দি গ্রহণ করতে পারবেন:-
(১) এই বিধির অধীন যে মামলায় কমিশন প্রদান করা হয়েছে সেই মামলার পক্ষসমূহ কমিশন দানকারী ম্যাজিস্ট্রেট বা আদালত যে বিষয়কে মূল বিষয়ের সাথে প্রাসঙ্গিক মর্মে মনে করেন সেই বিষয়ে প্রশ্নমালা দিতে পারেন এবং উক্ত কমিশন যখন ধারা-৫০৩ এ বর্ণিত কোন ম্যাজিস্ট্রেট বা অফিসার বরাবর প্রেরিত হয়, তখন যে ম্যাজিস্ট্রেট বা অফিসারের উপর কমিশন কার্যকর করার দায়িত্ব অর্পিত হয় সেই ম্যাজিস্ট্রেট বা অফিসার উক্ত প্রশ্নমালার ভিত্তিতে সাক্ষীর জবানবন্দী গ্রহণ করবেন।
(২) মামলার কোন পক্ষ এডভোকেট কর্তৃক বা কারাগারে না থাকলে ব্যক্তিগতভাবে উক্ত ম্যাজিস্ট্রেট বা অফিসার বরাবর উপস্থিত হবে এবং উক্ত সাক্ষীর জবানবন্দী, জেরা ও পুনঃজবানবন্দী, যেখানে যেরূপ, গ্রহণ করতে পারবেন।
---------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898 Section- 505: Parties may examine witnesses:-
(1) The parties to any proceeding under this Code in which a commission is issued, may respectively forward any interrogatories in writing which the Magistrate or Court directing the commission may think relevant to the issue and when the commission is directed to a Magistrate or officer mentioned in section 503, such Magistrate or the Officer to whom the duty of executing such commission has been delegated shall examine the witness upon such interrogatories.
(2) Any such party may appear before such Magistrate or officer by pleader, or if not in custody, in person, and may examine, cross-examine and re-examine (as the case may be) the said witness.
.
ফৌজদারি কার্যবিধির ৫২৫ ধারা অনুসারে কোন সম্পত্তি বিক্রয়ের নির্দেশ দেওয়া যায়?
  1. ১০ টাকার কম মূল্যের সম্পত্তি
  2. ৫০ টাকার কম মূল্যের সম্পত্তি
  3. ১০০ টাকার কম মূল্যের সম্পত্তি
  4. ৫০০ টাকার কম মূল্যের সম্পত্তি
সঠিক উত্তর:
১০ টাকার কম মূল্যের সম্পত্তি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১০ টাকার কম মূল্যের সম্পত্তি
ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর: ক) ১০ টাকার কম মূল্যের সম্পত্তি।
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৫২৫ ধারা অনুযায়ী, যদি কোন আটককৃত সম্পত্তি, দ্রুত বা স্বাভাবিকভাবে ক্ষয়শীল হয়, অথবা মালিক অজানা বা অনুপস্থিত হন, অথবা ম্যাজিস্ট্রেট মনে করেন মালিকের কল্যাণের জন্য বিক্রি উত্তম, এবং সম্পত্তির মূল্য ১০ টাকার কম হয়, তাহলে ম্যাজিস্ট্রেট যেকোনো সময় ঐ সম্পত্তি বিক্রির আদেশ দিতে পারেন।

এজন্য, ধারা ৫২৫ অনুযায়ী বিক্রির অনুমতি পাওয়া সম্পত্তির মূল্যসীমা নির্ধারিত আছে ১০ টাকা।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৫২৫ ধারা অনুযায়ী- আটককৃত চোরাই মাল দ্রুত ধ্বংসশীল বা ক্ষয়শীল হলে অথবা উক্ত সম্পত্তি বিক্রয় করা মালিকের জন্য কল্যাণকর হলে অথবা উক্ত সম্পত্তির মূল্য ১০ টাকার কম হলে যে ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট আটকের খবর দেয়া হয়েছে, সেই ম্যাজিস্ট্রেট যে কোন সময় উক্ত সম্পত্তি বিক্রির আদেশ দিতে পারেন।
অর্থাৎ এমন সম্পত্তি দখলের অধিকারী ব্যক্তি যদি অপরিচিত বা অনুপস্থিত থাকে এবং সম্পত্তি দ্রুত ও স্বাভাবিকভাবে ক্ষয়শীল হয়, তাহলে ম্যাজিস্ট্রেট যেকোন সময় তা বিক্রয়ের নির্দেশ দিতে পারেন।

⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898, Section 525- Power to sell perishable property:
If the person entitled to the possession of such property is unknown or absent and the property is subject to speedy and natural decay, or if the Magistrate to whom its seizure is reported is of opinion that its sale would be for the benefit of the owner, or that the value of such property is less than ten taka the Magistrate may at any time direct it to be sold; and the provisions of sections 523 and 524 shall, as nearly as may be practicable, apply to the net proceeds of such sale.
.
জামিন (bail) সম্পর্কিত বিধানাবলী ফৌজদারী কার্যবিধির কোন অধ্যায়ে রয়েছে?
  1. ২৯ অধ্যায়ে
  2. ৩২ অধ্যায়ে
  3. ৩৬ অধ্যায়ে
  4. ৩৯ অধ্যায়ে
সঠিক উত্তর:
৩৯ অধ্যায়ে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩৯ অধ্যায়ে
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারী কার্যবিধিতে জামিন সংক্রান্ত বিধানাবলী স্পষ্টভাবে অধ্যায় ৩৯ (Chapter XXXIX)-এ উল্লেখ করা হয়েছে।
এই অধ্যায়ে ধারা ৪৯৬ থেকে ৫০২ পর্যন্ত জামিনের বিভিন্ন দিক যেমন:
- জামিনযোগ্য অপরাধে জামিন (ধারা ৪৯৬)
- অজামিনযোগ্য অপরাধে জামিন (ধারা ৪৯৭)
- জামিনের পরিমাণ নির্ধারণ (ধারা ৪৯৮)
- জামিনদার ও বন্ড সংক্রান্ত বিধান (ধারা ৪৯৯-৫০২)
ইত্যাদি বিষয় বিস্তারিত আলোচনা করা হয়েছে।
 সুতরাং, সঠিক উত্তর অধ্যায় ৩৯ (ধারা ৪৯৬-৫০২)।

জামিনের সংজ্ঞা:
ফৌজদারী কার্যবিধিতে জামিনের নির্দিষ্ট কোনো সংজ্ঞা নেই। তবে সাধারণ অর্থে, পুলিশি হেফাজত থেকে বা গ্রেফতারি পরোয়ানা ফতে অভিযুক্ত ব্যক্তিকে নির্দিষ্ট শর্তে (যেমন নির্দিষ্ট দিনে আদালতে হাজির হওয়া) মুক্তি দিয়ে তাকে জামিনদারের নিকট হস্তান্তর করাকেই জামিন বলা হয়।

জামিনের শর্ত (দুটি মূল উপাদান):
১. জামিননামা (Bail bond):
- এটি একটি নির্দিষ্ট ফরম যা অভিযুক্ত ব্যক্তি পূরণ করে আদালতে জমা দেয়।
- আদালত বা পুলিশ জামিনের জন্য নির্ধারিত অর্থ (জামিনের পরিমাণ) জামিননামায় উল্লেখ থাকে।
- জামিন নেওয়ার সময় জামিননামার অর্থ পরিশোধ বাধ্যতামূলক নয়।
- যদি আসামি পরবর্তীতে আদালতে হাজির না হয় বা শর্ত ভঙ্গ করে, তখন জামিননামায় উল্লেখিত অর্থ পরিশোধ করতে হয়। না করলে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি হতে পারে।
২. জামিনদার (Surety):
- জামিনদার সেই ব্যক্তি, যিনি জামিননামায় স্বাক্ষর করে দায়বদ্ধ হন যে, জামিন প্রাপ্ত ব্যক্তি শর্ত পূরণ না করলে তিনি ওই নির্ধারিত অর্থ পরিশোধ করবেন।
.
ফৌজদারি কার্যবিধির অনুযায়ী পাবলিক প্রসিকিউটর মামলা প্রত্যাহারের জন্য কার অনুমতি নিতে হবে?
  1. সরকার
  2. আদালত
  3. পুলিশ সুপার
  4. জেলা ম্যাজিস্ট্রেট
সঠিক উত্তর:
আদালত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আদালত
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৪৯৪ অনুযায়ী, পাবলিক প্রসিকিউটর (Public Prosecutor) যদি কোনো ব্যক্তির বিরুদ্ধে মামলা প্রত্যাহার করতে চান, তাহলে তিনি আদালতের অনুমতি নিতে বাধ্য।
 ধারা ৪৯৪ এর ভাষ্য অনুযায়ী: "Any Public Prosecutor may, with the consent of the Court, before the judgment is pronounced, withdraw from the prosecution..."
অর্থাৎ, রায় ঘোষণার পূর্বে পাবলিক প্রসিকিউটর আদালতের অনুমতি নিয়ে যেকোনো এক বা একাধিক অভিযোগের ক্ষেত্রে বা সম্পূর্ণভাবে মামলা থেকে সরে দাঁড়াতে পারেন।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৪৯৪ ধারার বিধান: মামলা প্রত্যাহারের ফল:-
পাবলিক প্রসিকিউটর রায় ঘোষণার পূর্বে আদালতের অনুমতি নিয়ে কোন ব্যক্তির বিরুদ্ধে আনীত মামলা সাধারণভাবে বা যে সকল অপরাধে তার বিচার হচ্ছে, তার যেকোনো এক বা একাধিক অপরাধ প্রত্যাহার করতে পারবেন এবং উক্ত প্রত্যাহারের দরুন-
(ক) অভিযোগ প্রণয়নের পূর্বে তা করা হলে উক্ত এক বা একাধিক অপরাধ সম্পর্কে অভিযুক্তকে অব্যাহতি দান করতে হবে; এবং
(খ) অভিযোগ প্রণয়নের পর তা করা হলে বা এই বিধির অধীন কোন অভিযোগ প্রণয়ন প্রয়োজন না হলে, উক্ত এক বা একাধিক অপরাধ সম্পর্কে অভিযুক্তকে খালাস দিতে হবে।
-----------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898:- Section 494: Effect of withdrawal from prosecution:
-Any Public Prosecutor may, with the consent of the Court, before the judgment is pronounced, withdraw from the prosecution of any person either generally or in respect of any one or more of the offences for which he is tried; and upon such withdrawal-
(a) if it is made before a charge has been framed, the accused shall be discharged in respect of such offence or offences;
(b) if it is made after a charge has been framed, or when under Code no charge is required, he shall be acquitted in respect of such offence or offences.
.
ফৌজদারি কার্যবিধির ৫২৩ ধারা অনুসারে, ৫১ ধারায় জব্দকৃত বা চোরাই সন্দেহভাজন মাল জব্দ করলে পুলিশ অফিসারকে কী করতে হবে?
  1. মালিককে তা বুঝিয়ে দিতে হবে
  2. আদালতে অভিযোগ দাখিল করতে হবে
  3. সঙ্গে সঙ্গে ম্যাজিস্ট্রেটকে জানাতে হবে
  4. আদালতের অনুমতি ছাড়া মাল খরচ করতে হবে
সঠিক উত্তর:
সঙ্গে সঙ্গে ম্যাজিস্ট্রেটকে জানাতে হবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সঙ্গে সঙ্গে ম্যাজিস্ট্রেটকে জানাতে হবে
ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর: গ) সঙ্গে সঙ্গে ম্যাজিস্ট্রেটকে জানাতে হবে।
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৫২৩ ধারা অনুসারে, যদি কোনো পুলিশ অফিসার ৫১ ধারায় জব্দ করা মাল, চোরাই মাল বা চোরাই সন্দেহে পাওয়া মাল, অথবা এমন কোনো সম্পত্তি যা অপরাধ সংঘটনের সন্দেহ সৃষ্টি করে, তা জব্দ করেন, তাহলে তিনি সঙ্গে সঙ্গে সেই জব্দের বিষয়ে ম্যাজিস্ট্রেটকে অবহিত করবেন।
এর পর ম্যাজিস্ট্রেট সিদ্ধান্ত নেবেন মালটি দখলের অধিকারী ব্যক্তিকে প্রদান করা হবে কি না, অথবা, এমন ব্যক্তি চিহ্নিত না হলে মাল হেফাজতে রাখা হবে কি না।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৫২৩ ধারার বিধান:- ৫১ ধারা অনুসারে গৃহীত মাল বা চোরাইমাল আটকের ক্ষেত্রে পুলিশ কর্তৃক গৃহীত পদ্ধতি:
(১) ৫১ ধারা অনুসারে গৃহীত বা চেরাইমাল বলে কথিত বা সন্দেহযুক্ত বা কোন অপরাধ সংঘটনের সন্দেহ সৃষ্টিকারী অবস্থায় প্রাপ্ত সম্পত্তি কোন পুলিশ অফিসার জব্দ করলে সঙ্গে সঙ্গে তা কোন ম্যাজিষ্ট্রেটকে জানাতে হবে এবং উক্ত ম্যাজিষ্ট্রেট উক্ত সম্পত্তির বিহিত ব্যবস্থা বা উহার দখলের অধিকারী ব্যক্তিকে প্রদান বা এরূপ ব্যক্তিকে না পাওয়া গেলে উহার হেফাজত ও অর্পণ সম্পর্কে যেরূপ মনে করেন সেরূপ আদেশ দিবেন।
- জব্দকৃত মারের মালিক অজ্ঞাত হলে পদ্ধতি:
(২) সম্পত্তি দখলের অধিকারী ব্যক্তি যদি পরিচিত হয় তাহলে ম্যাজিষ্ট্রেট যেরূপ উপযুক্ত মনে করেন সেরূপ শর্তে (যদি আরোপিত হয়) তাকে সম্পত্তি প্রদানের আদেশ দিতে পারবেন। কিন্তু উক্ত ব্যক্তি যদি অজ্ঞাত হয় তাহলে ম্যাজিষ্ট্রেট উক্ত সম্পত্তি আটক রাখতে পারবেন এবং সেক্ষেত্রে, তিনি সম্পত্তির বিস্তারিত বিবরণসহ এই মর্মে একটি ঘোষণা দিবেন যে, উক্ত সম্পত্তিতে কারো কোন দাবী থাকলে ঘোষণা তারিখ হতে এক মাসের মধ্যে তার সামনে হাজির হয়ে উক্ত দাবী প্রতিষ্ঠা করতে হবে।
----------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898:-Section-523: Procedure by police upon seizure of property taken under section 51 or stolen:
(1) The seizure by any police-officer of property taken under section 51, or alleged or suspected to have been stolen, or found under circumstances which create suspicion of the commission of any offence, shall be forthwith reported to a Magistrate, who shall make such order as he thinks fit respecting the disposal of such property or the delivery of such property to the person entitled to the possession thereof, or, if such person cannot be ascertained, respecting the custody and production of such property.
-Procedure where owner of property seized unknown:
(2) If the person so entitled is known, the Magistrate may order the property to be delivered to him on such conditions (if any) as the Magistrate thinks fit. If such person is unknown, the Magistrate may detain it and shall, in such case, issue a Proclamation specifying the articles of which such property consists, and requiring any person who may have a claim thereto, to appear before him and establish his claim within [one month] from the date of such proclamation.
.
ফৌজদারী কার্যবিধির কোন ধারায় সরকার পাবলিক প্রসিকিউটর নিয়োগ করার ক্ষমতা রাখে?
  1. ৪৯২ ধারা
  2. ৪৯৩ ধারা
  3. ৪৯৪ ধারা
  4. ৪৯৫ ধারা
সঠিক উত্তর:
৪৯২ ধারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪৯২ ধারা
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮ এর ধারা ৪৯২ অনুযায়ী, সরকার পাবলিক প্রসিকিউটর (Public Prosecutor) নিয়োগ করার ক্ষমতা রাখে।
অর্থাৎ, সরকার যেকোনো নির্দিষ্ট মামলায়, নির্দিষ্ট শ্রেণীর মামলায় অথবা সাধারণভাবে কোনো নির্দিষ্ট এলাকায় পাবলিক প্রসিকিউটর নিয়োগ করতে পারে।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৪৯২ ধারার বিধান:- পাবলিক প্রসিকিউটর নিয়োগের ক্ষমতা:-
(১) সরকার বা কোন স্থানীয় এলাকায় সাধারণভাবে, বা কোন মামলায়, বা কোন নির্দিষ্ট শ্রেণীর মামলার জন্য পাবলিক প্রসিকিউটর নামক এক বা একাধিক অফিসার নিয়োগ দান করতে পারবেন।
(২) পাবলিক প্রসিকিউটরের অনুপস্থিতিতে, বা যেক্ষেত্রে পাবলিক প্রসিকিউটর নিযুক্ত হননি সেক্ষেত্রে মামলা পরিচালনার জন্য জেলা ম্যাজিস্ট্রেট সরকার কর্তৃক এতদ্বিষয়ে নির্ধারিত পদের নিম্নপদস্থ পুলিশ কর্মকর্তা ব্যতীত অন্য যে কোন ব্যক্তিকে পাবলিক প্রসিকিউটর নিয়োগ করতে পারবেন।
-----------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898:-Section-492:Power to appoint Public Prosecutor:
(1) The Government may appoint, generally, or in any case, or for any specified class of cases, in any local area, one or more officers to be called Public Prosecutors.
(2) The District Magistrate may, in the absence or the Public Prosecutor, or where no Public Prosecutor has been appointed, appoint any other person, not being an officer of police below such ranks as the Government may prescribe in this behalf to be Public Prosecutor for the purpose of any case.
.
ফৌজদারি কার্যবিধির ৫০৮ ধারা অনুযায়ী, কোন ক্ষেত্রে বিচার বা অনুসন্ধান মুলতবি রাখা যেতে পারে?
  1. অভিযুক্ত অসুস্থ হলে
  2. কমিশন জারি করা হলে
  3. বিচারক অবসর নিলে
  4. সাক্ষী আদালতে হাজির না হলে
সঠিক উত্তর:
কমিশন জারি করা হলে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কমিশন জারি করা হলে
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর: খ) কমিশন জারি করা হলে।
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৫০৮ ধারা অনুযায়ী, যদি কোনো মামলায় ধারা ৫০৩ বা ৫০৬ অনুযায়ী সাক্ষ্য গ্রহণের জন্য কমিশন জারি করা হয়, তাহলে সেই কমিশন কার্যকর ও ফেরত দেওয়ার জন্য যথাযথ এবং ন্যায়সংগত সময় পর্যন্ত অনুসন্ধান, বিচার বা অন্য কার্যক্রম মুলতবি রাখা যাবে।
- এই ধারা মূলত সাক্ষীর উপস্থিতি ব্যতীত সাক্ষ্য গ্রহণের জন্য সময়সীমা নির্ধারণে আদালতকে আইনি সুযোগ দেয়।
- এটি বিচার কার্যক্রমকে বাধাগ্রস্ত না করে প্রক্রিয়াটি ন্যায়সঙ্গতভাবে সম্পন্ন করার সুযোগ তৈরি করে।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৫০৮- অনুসন্ধান বা বিচার মুলতবিকরণ:
- সে ক্ষেত্রে ৫০৩ বা ৫০৬ ধারার অধীন কমিশন দেয়া হয়েছে সেক্ষেত্রে উহা কার্যকরীকরণ ও ফেরত দেয়ার জন্য ন্যায়সংগতভাবে পর্যাপ্ত কোন নির্ধারিত সময়ের জন্য সংশ্লিষ্ট অনুসন্ধান, বিচার বা অন্যান্য কার্যক্রম মুলতবি রাখা যাবে।

⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898:-Section 508- Adjournment of inquiry or trial:
In every case in which a commission is issued under section 503 or section 506, the inquiry, trial or other proceeding may be adjourned for a specified time reasonably sufficient for the execution and return of the commission.

.
ফৌজদারি কার্যবিধির ৫০৭ ধারা কোন বিষয়ে বিধান রয়েছে?
  1. সাক্ষী পরীক্ষা
  2. কমিশন প্রদান
  3. আদালতের এখতিয়ার
  4. কমিশন ফেরত প্রদান
সঠিক উত্তর:
কমিশন ফেরত প্রদান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কমিশন ফেরত প্রদান
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮ এর ধারা ৫০৭ এ এমন পরিস্থিতির কথা বলা হয়েছে যেখানে ধারা ৫০৩ বা ধারা ৫০৬ অনুসারে যে কমিশন জারি করা হয়েছে, তা যথাযথভাবে কার্যকর হওয়ার পর কীভাবে তা আদালতে ফেরত পাঠানো হবে এবং সাক্ষ্য ও বিবরণী কীভাবে মামলার অংশ হিসেবে গৃহীত হবে, তা নির্ধারণ করা হয়েছে।
সুতরাং, ধারা ৫০৭ মূলত কমিশন ফেরত প্রদান ও কমিশনের মাধ্যমে গৃহীত সাক্ষ্যের ব্যবহার সম্পর্কিত বিধান নির্ধারণ করে।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৫০৭- কমিশন ফেরত প্রদান:
(১) ধারা-৫০৩ বা ৫০৬ এর অধীন প্রদত্ত কোন কমিশন যথাযথভাবে সম্পাদিত হওয়ার পর উক্ত কমিশন অনুসারে গৃহীত সাক্ষীর সাক্ষ্যসহ কমিশনটি যে আদালত হতে প্রদত্ত হয়েছিল, সেই আদালতে ফেরত দিতে হবে এবং কমিশন ইহার বিবরণী এবং সাক্ষ্য সকল যুক্তিসংগত সময়ে পক্ষসমূহের পরিদর্শনের জন্য উন্মুক্ত থাকবে এবং সকল সংগত ব্যতিক্রম সাপেক্ষে যে কোন পক্ষের মামলায় সাক্ষ্যে পড়া যাবে এবং তা নথির অংশ হবে।
(২) এভাবে গৃহীত সাক্ষ্য সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২ এর ধারা-৩৩ এ নির্ধারিত শর্তাবলি পূরণ করলে তা মামলার কোন পরবর্তী পর্যায়ে অন্য কোন আদালতেরও সাক্ষ্যে গৃহীত হতে পারে।
------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898: Section 507- Return of commission:
(1) After any commission issued under section 503 or section 506 has been duly executed, it shall be returned, together with the deposition of the witness examined thereunder, to the Court out of which it issued; and the commission, the return thereto and the deposition shall be open at all reasonable times to inspection of the parties, and may, subject to all just exceptions, be read in evidence in the case by either party, and shall form part of the record.
(2) Any deposition so taken, if it satisfies the conditions prescribed by section 33 of the Evidence Act, 1872, may also be received in evidence at any subsequent stage of the case before another Court.
১০.
ফৌজদারি কার্যবিধির ৫০৯ ধারা কোন বিষয়ে বিধান রয়েছে?
  1. সাধারণ সাক্ষীর জবানবন্দি
  2. পুলিশ সাক্ষীর জবানবন্দি
  3. বিশেষজ্ঞ সাক্ষীর জবানবন্দি
  4. চিকিৎসক সাক্ষীর জবানবন্দি
সঠিক উত্তর:
চিকিৎসক সাক্ষীর জবানবন্দি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চিকিৎসক সাক্ষীর জবানবন্দি
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৫০৯ অনুযায়ী, সিভিল সার্জন বা অন্যান্য চিকিৎসক সাক্ষীর জবানবন্দি, যা ম্যাজিস্ট্রেটের উপস্থিতিতে বা কমিশনের মাধ্যমে গ্রহণ করা হয়, তাকে আদালতে সাক্ষ্য হিসেবে ব্যবহার করা যায়, যদিও সাক্ষীকে সরাসরি ডাকা না হয়। এছাড়া, আদালত প্রয়োজনে ঐ চিকিৎসককে সমন করে তার জবানবন্দির বিষয়ে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করতে পারে। তাই এই ধারা বিশেষভাবে চিকিৎসক সাক্ষীর জবানবন্দি গ্রহণ ও ব্যবহার সম্পর্কে বিধান দেয়।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৫০৯- চিকিৎসক সাক্ষীর জবানবন্দি:
(১) আসামীর উপস্থিতিতে ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক গৃহীত ও প্রত্যায়িত বা অধ্যায়-৪০ অনুসারে কমিশনে গৃহীত কোন সিভিল সার্জন বা অন্য কোন চিকিৎসক সাক্ষীর জবানবন্দি তাকে সাক্ষী হিসাবে ডাকা না হলেও, এ বিধির অধীন কোন ইনকোয়ারী, বিচার বা অন্যকোন কার্যক্রমে সাক্ষ্যরূপে দেয়া যাবে।
(২) চিকিৎসক সাক্ষীকে সমন করার ক্ষমতাঃ
আদালত সঠিক মনে করলে এরূপ সাক্ষীকে সমন করতে এবং তার জবানবন্দির বিষয়বস্তু সম্পর্কে তাকে পরীক্ষা করতে পারবেন।
----------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898: Section 509- Deposition of medical witness:
(1) The deposition of a Civil Surgeon or other medical witness, taken and attested by a Magistrate in the presence of the accused, or taken on commission under Chapter XL, may be given in evidence in any inquiry, trial or other proceeding under this Code, although the deponent is not called as a witness.
Power to summon medical witness
(2) The Court may, if it thinks fit, summon and examine such deponent as to the subject-matter of his deposition.
১১.
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৪৯৫ অনুযায়ী কোন পুলিশ অফিসারকে বাদী পক্ষের মামলা পরিচালনার অনুমতি দেওয়া যাবে না?
  1. যিনি তদন্তে অংশ নেননি
  2. যিনি সরকার কর্তৃক নিযুক্ত
  3. যিনি অপরাধের তদন্তে অংশ নিয়েছেন
  4. যিনি ম্যাজিস্ট্রেটের নির্দেশে কাজ করেন
সঠিক উত্তর:
যিনি অপরাধের তদন্তে অংশ নিয়েছেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যিনি অপরাধের তদন্তে অংশ নিয়েছেন
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৪৯৫(৪) অনুযায়ী বলা হয়েছে: “An officer of police shall not be permitted to conduct the prosecution if he has taken any part in the investigation into the offence with respect to which the accused is being prosecuted.”
 অর্থাৎ, যদি কোনো পুলিশ অফিসার অপরাধের তদন্তে অংশগ্রহণ করেন, তাহলে তাকে বাদী পক্ষের মামলা পরিচালনার অনুমতি দেওয়া যাবে না।
- এটি পক্ষপাতমূলক পরিস্থিতি এড়ানোর জন্য এবং নিরপেক্ষ বিচার প্রক্রিয়া বজায় রাখার উদ্দেশ্যে করা হয়েছে।
- তাই সঠিক উত্তর: গ) যিনি অপরাধের তদন্তে অংশ নিয়েছেন।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৪৯৫- সরকার পক্ষে মামলা পরিচালনার অনুমতি:
(১) কোন মামলার ইনকোয়ারি বা বিচারকারী ম্যাজিস্ট্রেট সরকার কর্তৃক এতদ্‌বিষয় নির্ধারিত পদের নিম্নপদস্থ কোন পুলিশ অফিসার ব্যতীত অন্য যেকোনো ব্যক্তিকে বাদী পক্ষের মামলা পরিচালনার অনুমতি প্রদান করতে পারবেন, কিন্তু অ্যাটর্নি জেনারেল, সরকারি সলিসিটর, পাবলিক প্রসিকিউটর অথবা সরকার কর্তৃক এই বিষয়ে সাধারণ বা বিশেষভাবে ক্ষমতাপ্রাপ্ত কোন অফিসার ব্যতীত কোন ব্যক্তি উক্ত অনুমতি ব্যতিরেকে বাদী পক্ষের মামলা পরিচালনার অধিকারী হবে না।
(২) মামলা প্রত্যাহারের ব্যাপারে এরূপ অফিসারের ধারা-৪৯৪ এ উল্লিখিত ক্ষমতা থাকবে এবং তাঁর প্রত্যাহৃত মামলার ক্ষেত্রে উক্ত ধারার বিধানসমূহ প্রযোজ্য হবে।
(৩) বাদীপক্ষের মামলা পরিচালনাকারী কোন ব্যক্তিতা ব্যক্তিগতভাবে বা কোন অ্যাডভোকেট কর্তৃক এরূপ করতে পারবেন।
(৪) যে অপরাধের জন্য আসামীর বিচার চলছে সেই অপরাধের কোন তদন্তে অংশ গ্রহণ করে থাকলে কোন পুলিশ অফিসারকে বাদী পক্ষের মামলা পরিচালনার অনুমতি প্রদান করা হবে না।

⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898:- Section 495- Permission to conduct prosecution:
(1) Any Magistrate inquiring into or trying any case may permit the prosecution to be conducted by any person other than an officer of police below the rank to be prescribed by the Government in this behalf but no person, other than the Attorney-General, Government Solicitor, Public Prosecutor or other officer generally or specially empowered by the Government in this behalf, shall be entitled to do so without such permission.
(2) Any such officer shall have the like power of withdrawing the prosecution as is provided by section 494, and the provisions of that section shall apply to any withdrawal by such officer.
(3) Any person conducting the prosecution may do so personally or by a pleader.
(4) An officer of police shall not be permitted to conduct the prosecution if he has taken any part in the investigation into the offence with respect to which the accused is being prosecuted.

১২.
ফৌজদারি কার্যবিধির ৫০৯ক ধারা কোন বিষয়ে বিধান রয়েছে?
  1. হাসপাতালের রিপোর্ট
  2. ময়নাতদন্তের রিপোর্ট
  3. চিকিৎসা পরীক্ষার রিপোর্ট
  4. সাধারণ মেডিকেল রিপোর্ট
সঠিক উত্তর:
ময়নাতদন্তের রিপোর্ট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ময়নাতদন্তের রিপোর্ট
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৫০৯ক ধারা ময়নাতদন্তের রিপোর্ট বিষয়ে বিধান রাখে। এই ধারা বলে যে, যখন কোনো ইনকোয়ারি, বিচার বা অন্যান্য কার্যক্রমে ময়নাতদন্তের রিপোর্টকে সাক্ষ্য হিসেবে ব্যবহার করতে হয়, কিন্তু ময়নাতদন্তকারী সিভিল সার্জন বা মেডিকেল অফিসার মারা গেছে, সাক্ষ্য দিতে অক্ষম, অথবা দেশের বাইরে থাকায় তাকে হাজির করা সম্ভব নয় এবং এর জন্য অযৌক্তিক বিলম্ব, ব্যয় বা অসুবিধা হবে, তখন সেই ময়নাতদন্তের রিপোর্টকে স্বতন্ত্র সাক্ষ্য হিসেবে ব্যবহার করা যেতে পারে।
অর্থাৎ, এই ধারা মূলত ময়নাতদন্ত রিপোর্টকে সাক্ষ্য হিসাবে গ্রহণের শর্তাবলী নির্ধারণ করে।
সঠিক উত্তর: খ) ময়নাতদন্তের রিপোর্ট।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৫০৯ক: ময়নাতদন্তের রিপোর্ট:-
এই কার্যবিধির অধীন যেক্ষেত্রে ইনকোয়ারি, বিচার বা অন্য কার্যক্রমে ময়না তদন্তের রিপোর্ট সাক্ষ্য রূপে ব্যবহৃত হওয়া দরকার এবং ময়না তদন্তকারী সিভিল সার্জন বা অন্য কোন মেডিকেল অফিসার মারা গেলে বা সাক্ষ্য প্রদান করতে অপারগ হন বা বাংলাদেশের সীমার বাহিরে অবস্থান করেন এবং এরূপ বিলম্ব বা অতিরিক্ত ব্যয় ছাড়া বা অসুবিধা ছাড়া তাকে হাজির করা না যায়, যা মামলার অবস্থায় অযৌক্তিক সেক্ষেত্রে সাক্ষী রূপে তাকে তলব না করেই উক্ত রিপোর্ট সাক্ষ্য রূপে ব্যবহার করা যাবে।

⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898, Section 509A: Report of post-mortem examination-
Where in any inquiry, trial or other proceeding under this Code the report of a post-mortem examination is required to be used as evidence, and the Civil Surgeon or other medical officer who made the report is dead or is incapable of giving evidence or is beyond the limits of Bangladesh and his attendance cannot be procured without an amount of delay, expense or inconvenience which, under the circumstances of the case, would be unreasonable, such report may be used as evidence.
১৩.
ফৌজদারি কার্যবিধির কোন ধারা অনুযায়ী পাবলিক প্রসিকিউটর কোনো আদালতে লিখিত অনুমতি ছাড়া হাজির হতে পারেন?
  1. ৪৯৫ ধারা
  2. ৪৯৪ ধারা
  3. ৪৯৩ ধারা
  4. ৪৯২ ধারা
সঠিক উত্তর:
৪৯৩ ধারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪৯৩ ধারা
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮ এর ধারা ৪৯৩ অনুযায়ী, পাবলিক প্রসিকিউটর (Public Prosecutor) তাঁর দায়িত্বে থাকা মামলায় লিখিত অনুমতি ছাড়াই আদালতে উপস্থিত হয়ে মামলা পরিচালনা করতে পারেন।
অর্থাৎ, যদি কোনো মামলার দায়িত্ব পাবলিক প্রসিকিউটরের ওপর থাকে, তাহলে তিনি সংশ্লিষ্ট যেকোনো আদালতে তদন্ত, বিচার বা আপিল চলাকালীন সময়ে স্বয়ং হাজির হয়ে মামলাটি পরিচালনা করতে পারবেন এবং কোনো রকম লিখিত অনুমতির প্রয়োজন হবে না।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮-এর ধারা ৪৯৩ অনুসারে, পাবলিক প্রসিকিউটর যে মামলায় ভারপ্রাপ্ত হয়েছেন, সেই মামলা যে আদালতে তদন্তাধীন, বিচার বা আপীলাধীন রয়েছে, তিনি সেই আদালতে কোন প্রকার লিখিত কর্তৃত্ব ছাড়াই হাজির হতে ও মামলা পরিচালনা করতে পারবেন, এবং কোন বেসরকারি ব্যক্তি যদি এরূপ কোন মামলার কারো বিরুদ্ধে অভিযোগ পরিচালনার জন্য অ্যাডভোকেট নির্দেশ দিয়ে থাকেন, সেক্ষেত্রে নির্দেশাধীন অ্যাডভোকেট উক্ত মামলায় তাঁর নির্দেশাধীন কাজ করবেন।

⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898: Section 493-Public Prosecutor may plead in all Court in cases under his charge Pleaders privately instructed to be under his direction:
The Public Prosecutor may appear and plead without any written authority before any Court in which any case of which he has charge is under inquiry, trial or appeal, and if any private person instructs a pleader to prosecute in any Court any person in any such case, the Public Prosecutor shall conduct the prosecution, and the pleader so instructed shall act therein, under his directions.
১৪.
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৫১১ অনুযায়ী পূর্ববর্তী দণ্ড বা খালাস প্রমাণের জন্য কয়টি প্রধান পদ্ধতি রয়েছে?
  1. ১টি
  2. ২টি
  3. ৩টি
  4. ৪টি
সঠিক উত্তর:
২টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২টি
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৫১১ অনুযায়ী, পূর্ববর্তী দণ্ড (conviction) বা খালাস (acquittal) প্রমাণের জন্য মূলত দুইটি প্রধান পদ্ধতি নির্ধারিত হয়েছে। এগুলো হলো:
(ক) আদালতের রেকর্ড অনুযায়ী: যে আদালত পূর্ববর্তী দণ্ড বা খালাস দিয়েছে, সেই আদালতের রেকর্ড যার হেফাজতে থাকে, সেই অফিসারের স্বাক্ষরযুক্ত সত্যায়িত উদ্ধৃতির মাধ্যমে দণ্ড বা খালাস প্রমাণ করা যাবে।
(খ) জেল কর্তৃপক্ষ বা ওয়ারেন্ট অনুযায়ী (শুধুমাত্র দণ্ডের ক্ষেত্রে): দণ্ডিত ব্যক্তিকে যে কারাগারে রাখা হয়েছিল, সেই কারাগারের ভারপ্রাপ্ত অফিসারের স্বাক্ষরিত সার্টিফিকেট, অথবা আটকের পরোয়ানা (commitment warrant) পেশ করেও দণ্ড প্রমাণ করা যায়।
- তবে উপরের যেকোনো পদ্ধতি ব্যবহার করলেও প্রমাণ দিতে হবে যে অভিযুক্ত ব্যক্তি ও পূর্ব দণ্ডপ্রাপ্ত/খালাসপ্রাপ্ত ব্যক্তি একই। এ জন্য সনাক্তকরণ বা পরিচয় সম্পর্কিত অতিরিক্ত সাক্ষ্য দিতে হয়।
- অর্থাৎ ধারা ৫১১ অনুযায়ী ২টি প্রধান পদ্ধতি, ১. আদালতের নথিপত্রের উদ্ধৃতি ২. জেল সার্টিফিকেট বা ওয়ারেন্ট পেশ। এই কারণে সঠিক উত্তর: খ) ২টি।

⇒ ফৌজদারী কার্যবিধির ধারা ৫১১- পূর্ববর্তী দণ্ড বা খালাস কীভাবে প্রমাণ করতে হবে:-
এই কার্যবিধির অধীন পরিচালিত কোন ইনকোয়ারি, বিচার বা অন্য কোন প্রক্রিয়ায় বর্তমান কার্যকর অন্য কোন আইনে বর্ণিত পদ্ধতি ছাড়া নিম্নোক্তভাবে পূর্ববর্তী দণ্ড বা খালাস প্রমাণ করা যাবে-
(ক) যে আদালত উক্ত দণ্ড বা খালাস দিয়েছিলেন সেই আদালতের নথিপত্র যে অফিসারের হেফাজতে থাকে সেই অফিসারের স্বহস্তের স্বাক্ষর কর্তৃক সত্যায়িত উক্ত দণ্ডাদেশ বা আদেশের উদ্ধৃতি কর্তৃক, কিংবা
(খ) দণ্ডাদেশের ক্ষেত্রে যে কারাগারে সাজা বা তার অংশ বিশেষ দেয়া হয়েছিল সেই কারাগারের ভারপ্রাপ্ত অফিসারের স্বাক্ষরিত সার্টিফিকেট কর্তৃক কিংবা যে আটকের পরোয়ানা অনুযায়ী শাস্তি প্রদান করা হয়েছিল তা পেশ করে;
উপরোক্ত দুটি ক্ষেত্রে প্রত্যেক ক্ষেত্রেই দণ্ডিত বা খালাসপ্রাপ্ত ও অভিযুক্ত ব্যক্তি যে একই, সে সম্পর্কে সাক্ষ্য প্রদান করতে হবে।

⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898: Section 511- Previous conviction or acquittal how proved:
In any inquiry, trial or other proceeding under this Code, a previous conviction or acquittal may be proved, in addition to any other mode provided by any law for the time being in force- 
(a) by an extract certified under the hand of the officer having the custody of the records of the Court in which such conviction or acquittal was had to be a copy of the sentence or order; or 
(b) in case of a conviction, either by a certificate signed by the officer in charge of the jail in which the punishment or any part thereof was inflicted, or by production of the warrant of commitment under which the punishment was suffered; 
together with, in each of such cases, evidence as to the identity of the accused person with the person so convicted or acquitted.
১৫.
ফৌজদারী কার্যবিধির ৫০২ ধারা অনুযায়ী, জামিনদারগণ কার কাছে জামিনের দায়মুক্তির আবেদন করতে পারেন?
  1. পুলিশের কাছে
  2. ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে
  3. হাইকোর্টের কাছে
  4. উল্লিখিত সকলের কাছে
সঠিক উত্তর:
ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে
ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর: খ) ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে। 
⇒ ফৌজদারী কার্যবিধির ধারা ৫০২ অনুযায়ী, জামিনদার যদি মনে করেন যে জামিনে থাকা ব্যক্তি জামিনের শর্ত লঙ্ঘন করতে পারেন বা আদালতে হাজির না হতে পারেন, তবে জামিনদার ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট আবেদন করে নিজেকে জামিনের দায় থেকে অব্যাহতির জন্য অনুরোধ করতে পারেন। আদালত সে ক্ষেত্রে জামিনপ্রাপ্ত ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করে পুনরায় জামিনের শর্ত নির্ধারণ করতে পারে।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৫০২ ধারার বিধান: জামিনদারের অব্যাহতি:
-জামিনদার যেকোনো সময় জামিননামাটি সম্পূর্ণ বা আংশিক বাতিল করার জন্য ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট আবেদন করতে পারবেন। এরূপ আবেদন প্রাপ্তির পর ম্যাজিস্ট্রেট মুচলেকাটি বাতিল করবেন এবং জামিনে মুক্ত আসামিকে হাজির করার নির্দেশ দিয়ে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারী করবেন এবং উক্ত জামিনদারকে অব্যাহতি দিবেন। আসামি আদালতে হাজির হলে বা তাকে হাজির করানো হলে আদালত তাকে নতুন জামিনদার সংগ্রহ করতে বলবেন এবং সে যদি জামিনদার সংগ্রহ করতে ব্যর্থ হয় তাহলে তাকে জেলে প্রেরণ করবেন।
---------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898:-Section 502: Discharge of sureties-
(1) All or any sureties for the attendance and appearance of a person released on bail may at any time apply to a Magistrate to discharge the bond, either wholly or so far as relates to the applicants.
(2) On such application being made, the Magistrate shall issue his warrant of arrest directing that the person so released be brought before him.
(3) On the appearance of such person pursuant to the warrant, or on his voluntary surrender, the Magistrate shall direct the bond to be discharged either wholly or so far as relates to the applicants, and shall call upon such person to find other sufficient sureties, and, if he fails to do so, may commit him to custody.
১৬.
ফৌজদারী কার্যবিধির ধারা ৪৯১(২) অনুযায়ী কে এই ধারার অধীনে পদ্ধতি নিয়ন্ত্রণের জন্য নিয়ম প্রণয়ন করতে পারে?
  1. সরকার
  2. সুপ্রীম কোর্ট
  3. আইন মন্ত্রণালয়
  4. জেলা ম্যাজিস্ট্রেট
সঠিক উত্তর:
সুপ্রীম কোর্ট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সুপ্রীম কোর্ট
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারী কার্যবিধির ধারা ৪৯১(২)-এ স্পষ্টভাবে বলা হয়েছে: “The Supreme Court may, from time to time, frame rules to regulate the procedure in cases under this section.”
- অর্থাৎ, ধারা ৪৯১ এর অধীনে habeas corpus প্রকৃতির নির্দেশ জারি করার পদ্ধতি নিয়ন্ত্রণের জন্য প্রয়োজনীয় নিয়ম বা বিধিমালা প্রণয়নের ক্ষমতা সুপ্রীম কোর্টের কাছে ন্যস্ত।
- এটি আদালতের স্বাধীনতা ও বিচারিক প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা নিশ্চিত করার জন্য গুরুত্বপূর্ণ, যাতে হাইকোর্ট বিভাগ সংবিধান ও আইনের আলোকে বেআইনীভাবে আটক ব্যক্তিদের দ্রুত ন্যায়বিচার দিতে পারে।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৪৯১ ধারার বিধান:
(১) হাইকোর্ট বিভাগ যখনই উপযুক্ত মনে করেন, তখন নির্দেশ দিতে পারবেন যে,
ক) ইহার ফৌজদারী আপীল এখতিয়ারের সীমার মধ্যে অবস্থানকারী কোন ব্যক্তি সম্পর্কে আইনানুসারে ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য তাকে আদালতে হাজির করা হোক;
খ) উপরিউক্ত সীমার মধ্যে সরকারী বা বেসরকারী হেফাজতে বে-আইনীভাবে বা অযৌক্তিকভাবে আটক কোন ব্যক্তিকে মুক্তি দেয়া হোক;
গ) আদালতের বিবেচনাধীন বা অনুসন্ধানাধীন কোন বিষয়ে সাক্ষী হিসাবে জবানবন্দী দিবার জন্য উপরিউক্ত সীমার মধ্যে অবস্থিত কোন জেলে আটক কোন বন্দীকে আদালতে হাজির করা হোক;
ঘ) কোন কোর্ট মার্শাল বা কমিশনারের বিবেচনাধীন কোন বিষয় বিচারের জন্য বা সাক্ষী দিবার জন্য উক্তরূপে আটক কোন বন্দীকে উক্ত কোর্ট মার্শাল বা কমিশনারের নিকট হাজির করা হোক;
ঙ) উপরিউক্ত সীমার মধ্যে অবস্থানকারী কোন বন্দীকে বিচারের উদ্দেশ্যে এক হেফাজত হতে অন্য হেফাজতে অপসারণ করা হোক; 
(২) মামলার পদ্ধতি নিয়ন্ত্রণের জন্য সুপ্রীমকোর্ট সময়ে সময়ে এই ধারার অধীন নিয়ম প্রণয়ন করতে পারবেন।
(৩) এই ধারার কোন বিধানই বর্তমান বলবৎ কোন নিবারণমূলক আটক আইনের অধীন আটক ব্যক্তিদের প্রতি প্রযোজ্য নহে।
---------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898: Section 491.Power to issue directions of the nature of a habeas corpus:
(1) The High Court Division may, whenever it thinks fit, direct:-
(a) that a person within the limits of its appellate criminal jurisdiction be brought up before the Court to be dealt with according to law;
(b) that a person illegally or improperly detained in public or private custody with such limits be set at liberty;
(c) that a prisoner detained in any jail situate within such limits be brought before the Court to be there examined as a witness in any matter pending or to be inquired into in such Court;
(d) that a prisoner detained as aforesaid be brought before a Court-martial or any Commissioners for trial or to be examined touching any matter pending before such Court-martial or Commissioners respectively;
(e) that a prisoner within such limits be removed from one custody to another for the purpose of trial ; and
(2) The [Supreme Court] may, from time to time, frame rules to regulate the procedure in cases under this section.
(3) Nothing in this section applies to persons detained under any law for the time being in force providing for preventive detention.
১৭.
ফৌজদারি কার্যবিধির ৫০৪ ধারার অধীন চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট কার কাছে কমিশনের দায়িত্ব অর্পণ করতে পারেন?
  1. জেলা ম্যাজিস্ট্রেট
  2. হাইকোর্টের বিচারক
  3. যেকোনো পুলিশ অফিসার
  4. তার অধীনস্ত মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট
সঠিক উত্তর:
তার অধীনস্ত মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তার অধীনস্ত মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৫০৪ ধারার উপ-ধারা (২) অনুসারে, যদি চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট-কে সাক্ষীর সাক্ষ্য গ্রহণের জন্য কমিশন প্রদান করা হয়, তাহলে তিনি নিজে এই কাজ করতে পারেন অথবা কমিশনের অধীনে থাকা ক্ষমতা ও দায়িত্ব তার অধীনস্থ যেকোনো মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেটকে অর্পণ করতে পারেন।
অর্থাৎ, এই দায়িত্ব অন্য ম্যাজিস্ট্রেটকে দেওয়া যাবে, তবে সেটি হতে হবে চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেটের অধীনস্থ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট—অন্য কোন পর্যায়ের কর্মকর্তা বা আদালতকে নয়।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৫০৪ ধারার বিধান: মেট্রোপলিটন এলাকায় সাক্ষীর ক্ষেত্রে কমিশন:
(১) সাক্ষী যদি কোন মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেটের অধিক্ষেত্রের স্থানীয় সীমার মধ্যে অবস্থান করে, সেক্ষেত্রে কমিশন দানকারী ম্যাজিস্ট্রেট বা আদালত উক্ত মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেটকে কমিশন করতে নির্দেশ দিবেন এবং তিনি এরূপভাবে সাক্ষীকে হাজির করে তার সাক্ষ্য এমনভাবে গ্রহণ করবেন যাতে তার নিজের কাছেই মামলাটি পেন্ডিং আছে।
(২) এই ধারার অধীন চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেটকে কমিশন দেয়া হলে তিনি কমিশনে প্রদত্ত যাবতীয় ক্ষমতা ও কর্তব্য তার অধীনস্ত কোন মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেটের উপর ন্যস্ত করতে পারবেন।
----------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898, Section-504: Commission in case of witness being within a Metropolitan Area:
(1) If the witness is within the local limits of the jurisdiction of any Metropolitan Magistrate, the Magistrate or Court issuing the commission may direct the same to such Metropolitan Magistrate, who thereupon may compel the attendance of, and examine, such witness as if he were a witness in a case pending before himself.
(2) When a commission is issued under this section to the Chief Metropolitan Magistrate, he may delegate his powers and duties under the commission to any Metropolitan Magistrate subordinate to him.
১৮.
ফৌজদারি কার্যবিধির কোন ধারায় পাবলিক প্রসিকিউটর আদালতের অনুমতি সাপেক্ষে মামলা প্রত্যাহার করতে পারেন?
  1. ৪৯৫ ধারা
  2. ৪৯৪ ধারা
  3. ৪৯৩ ধারা
  4. ৪৯২ ধারা
সঠিক উত্তর:
৪৯৪ ধারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪৯৪ ধারা
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৪৯৪ অনুযায়ী, পাবলিক প্রসিকিউটর (Public Prosecutor) আদালতের অনুমতি সাপেক্ষে রায় ঘোষণার পূর্বে কোনো ব্যক্তির বিরুদ্ধে মামলা প্রত্যাহার করতে পারেন। এই প্রত্যাহার সাধারণভাবে হতে পারে অথবা নির্দিষ্ট এক বা একাধিক অভিযোগের ক্ষেত্রে হতে পারে।
এই ধারা অনুযায়ী দুইটি ভিন্ন পরিস্থিতিতে অভিযুক্তের অবস্থান নির্ধারিত হয়:
১) যদি অভিযোগ গঠনের পূর্বে মামলা প্রত্যাহার করা হয়, তাহলে অভিযুক্তকে অব্যাহতি (Discharged) দিতে হয়।
২) যদি অভিযোগ গঠনের পরে বা যেখানে অভিযোগ গঠন প্রয়োজন হয় না, সেখানে মামলা প্রত্যাহার করা হলে অভিযুক্তকে খালাস (Acquitted) দিতে হয়।
→ ধারা ৪৯৪ এর মূল উদ্দেশ্য হলো: আদালতের অনুমতিক্রমে প্রসিকিউশনের বিচারিক কার্যক্রম থেকে সরে আসার ব্যবস্থা রাখা, যা ন্যায়বিচারের স্বার্থে প্রয়োজনে ব্যবহার করা হয়।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৪৯৪ ধারার বিধান: মামলা প্রত্যাহারের ফল:-
পাবলিক প্রসিকিউটর রায় ঘোষণার পূর্বে আদালতের অনুমতি নিয়ে কোন ব্যক্তির বিরুদ্ধে আনীত মামলা সাধারণভাবে বা যে সকল অপরাধে তার বিচার হচ্ছে, তার যেকোনো এক বা একাধিক অপরাধ প্রত্যাহার করতে পারবেন এবং উক্ত প্রত্যাহারের দরুন-
(ক) অভিযোগ প্রণয়নের পূর্বে তা করা হলে উক্ত এক বা একাধিক অপরাধ সম্পর্কে অভিযুক্তকে অব্যাহতি দান করতে হবে; এবং
(খ) অভিযোগ প্রণয়নের পর তা করা হলে বা এই বিধির অধীন কোন অভিযোগ প্রণয়ন প্রয়োজন না হলে, উক্ত এক বা একাধিক অপরাধ সম্পর্কে অভিযুক্তকে খালাস দিতে হবে।
-----------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898:- Section 494: Effect of withdrawal from prosecution:
-Any Public Prosecutor may, with the consent of the Court, before the judgment is pronounced, withdraw from the prosecution of any person either generally or in respect of any one or more of the offences for which he is tried; and upon such withdrawal-
(a) if it is made before a charge has been framed, the accused shall be discharged in respect of such offence or offences;
(b) if it is made after a charge has been framed, or when under Code no charge is required, he shall be acquitted in respect of such offence or offences.
১৯.
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৪৯২(২) অনুসারে, পাবলিক প্রসিকিউটরের অনুপস্থিতিতে বা কোন পাবলিক প্রসিকিউটর নিয়োগ না থাকলে, কে অন্য কোন ব্যক্তিকে পাবলিক প্রসিকিউটর নিয়োগ করতে পারেন?
  1. সরকার
  2. হাইকোর্ট
  3. পুলিশ সুপার
  4. জেলা ম্যাজিস্ট্রেট
সঠিক উত্তর:
জেলা ম্যাজিস্ট্রেট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জেলা ম্যাজিস্ট্রেট
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮-এর ধারা ৪৯২(২) অনুযায়ী, যদি কোনো পাবলিক প্রসিকিউটর নিযুক্ত না থাকেন, অথবা তিনি অনুপস্থিত থাকেন, তাহলে জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মামলার জন্য একজন ব্যক্তিকে পাবলিক প্রসিকিউটর হিসেবে নিয়োগ করতে পারেন। তবে শর্ত হলো, যাকে নিয়োগ দেওয়া হচ্ছে, তিনি যেন সরকার কর্তৃক নির্ধারিত পদমর্যাদার নিচে কোনো পুলিশ কর্মকর্তা না হন।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৪৯২ ধারার বিধান:- পাবলিক প্রসিকিউটর নিয়োগের ক্ষমতা:-
(১) সরকার বা কোন স্থানীয় এলাকায় সাধারণভাবে, বা কোন মামলায়, বা কোন নির্দিষ্ট শ্রেণীর মামলার জন্য পাবলিক প্রসিকিউটর নামক এক বা একাধিক অফিসার নিয়োগ দান করতে পারবেন।
(২) পাবলিক প্রসিকিউটরের অনুপস্থিতিতে, বা যেক্ষেত্রে পাবলিক প্রসিকিউটর নিযুক্ত হননি সেক্ষেত্রে মামলা পরিচালনার জন্য জেলা ম্যাজিস্ট্রেট সরকার কর্তৃক এতদ্বিষয়ে নির্ধারিত পদের নিম্নপদস্থ পুলিশ কর্মকর্তা ব্যতীত অন্য যে কোন ব্যক্তিকে পাবলিক প্রসিকিউটর নিয়োগ করতে পারবেন।
----------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898:-Section-492:Power to appoint Public Prosecutor:
(1) The Government may appoint, generally, or in any case, or for any specified class of cases, in any local area, one or more officers to be called Public Prosecutors.
(2) The District Magistrate may, in the absence or the Public Prosecutor, or where no Public Prosecutor has been appointed, appoint any other person, not being an officer of police below such ranks as the Government may prescribe in this behalf to be Public Prosecutor for the purpose of any case.
২০.
ফৌজদারি কার্যবিধির কোন ধারায় জামিনের জন্য আসামি ও জামিনদার কর্তৃক বন্ড সম্পাদনের কথা বলা হয়েছে?
  1. ৪৯৭
  2. ৪৯৮
  3. ৪৯৯
  4. ৫০২
সঠিক উত্তর:
৪৯৯
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪৯৯
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৪৯৯ (Section 499 of the Code of Criminal Procedure, 1898) অনুযায়ী, যখন কোনো ব্যক্তি জামিনে মুক্ত হয়, তখন তাকে ও তার জামিনদারকে আদালতে হাজিরা নিশ্চিত করার জন্য একটি বন্ড বা জামিননামা (Bond) সম্পাদন করতে হয়।
- এ বন্ডে উল্লেখ থাকে আসামি নির্দিষ্ট সময়ে আদালতে উপস্থিত থাকবে, জামিনদার আসামির উপস্থিতি নিশ্চিত করতে দায়বদ্ধ থাকবে, বন্ডে নির্ধারিত অর্থও থাকে, যা আদালতে হাজির না হলে জব্দ হতে পারে।
- অর্থাৎ জামিনের শর্তে বন্ড বাধ্যতামূলক। আসামি এবং জামিনদার উভয়কেই বন্ডে স্বাক্ষর করতে হয়। এই বিধান ধারা ৪৯৯-এ উল্লেখিত।

⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898:-Section- 499.Bond of accused and sureties:
(1) Before any person is released on bail or released on his own bond, a bond for such sum of money as the police-officer or Court, as the case may be, thinks sufficient shall be executed by such person, and, when he is released on bail, by one or more sufficient sureties conditioned that such person shall attend at the time and place mentioned in the bond, and shall continue so to attend until otherwise directed by the police-officer or Court, as the case may be. 
(2) If the case so require, the bond shall also bind the person released on bail to appear when called upon at the High Court Division, Court of Session or other Court to answer the charge.
২১.
ফৌজদারী কার্যবিধির কোন ধারার বিধান অনুসারে অজামিনযোগ্য অপরাধে জামিন প্রদানের কারণ লিখিতভাবে রেকর্ড করতে হবে?
  1. ৪৯৭(২) ধারা
  2. ৪৯৭(৩) ধারা
  3. ৪৯৭(৪) ধারা
  4. ৪৯৭(৫) ধারা
সঠিক উত্তর:
৪৯৭(৩) ধারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪৯৭(৩) ধারা
ব্যাখ্যা
ফৌজদারী কার্যবিধির ৪৯৭(৩) উপধারা অনুযায়ী বলা হয়েছে: "An officer or a Court releasing any person on bail under sub-section (1) or sub-section (2) shall record in writing his or its reasons for so doing."
অর্থাৎ, ধারা ৪৯৭(১) বা ৪৯৭(২) অনুযায়ী যদি কোনো আসামিকে জামিনে মুক্তি দেওয়া হয়, তবে তদন্তকারী কর্মকর্তা বা আদালতকে লিখিতভাবে জামিন প্রদানের কারণ উল্লেখ করতে হবে।

ধারা-৪৯৭- জামিন অযোগ্য অপরাধের ক্ষেত্রে জামিন আবেদন:
৪৯৭ ধারা অনুযায়ী যদি কোন ব্যক্তিকে পুলিশ জামিন অযোগ্য অপরাধে আটক করে অথবা ওয়ারেন্ট ছাড়া আটক করে, তাহলে তাকে জামিন দেওয়া যেতে পারে। (may be released on bail)।
- জামিন অযোগ্য অপরাধে জামিন দেওয়া আদালতের বিবেচনামূলক ক্ষমতা (Discretionary Power)। আদালত ইচ্ছা করলে জামিন দিতে পারে আবার নাও দিতে পারে ।
- কিন্তু জামিন অযোগ্য অপরাধে আদালত অভিযুক্ত ব্যক্তিকে জামিনে মুক্তি দিবে না (shall not be released on bail) যদি সে মৃত্যুদণ্ড বা যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে দণ্ডণীয় কোন অপরাধে অপরাধী বলে বিশ্বাস আদালতের যুক্তিসঙ্গত কারণ থাকে।
- অর্থাৎ মৃত্যুদণ্ড বা যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে দণ্ডণীয় কোন অপরাধের ক্ষেত্রে জামিন না দেওয়া আদালতের জন্য আদেশসূচক (imperative).।
- জামিন অযোগ্য অপরাধের (যে কোন শাস্তিযোগ্য অপরাধের ক্ষেত্রে) আদালত নিম্নলিখিত অভিযুক্তদের জামিন দিতে বিবেচনামূলক ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারে, যদি-
১. তার বয়স ১৬ বছরের নিচে হয়;
২. স্ত্রী লোক হয়;
৩. পীড়িত [sick) বা অক্ষম (infirm) লোক হয়।

⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898:-Section- 497.When bail may be taken in case of non-bailable offence:
(1) When any person accused of any non-bailable offence is arrested or detained without warrant by an officer in charge of a police-station, or appears or is brought before a Court, he may be released on bail, but he shall not be so released if there appear reasonable grounds for believing that he has been guilty of an offence punishable with death or transportation for life: 
Provided that the Court may direct that any person under the age of sixteen years or any woman or any sick or infirm person accused of such an offence be released on bail. 
(2) If it appears to such officer or Court at any stage of the investigation, inquiry or trial, as the case may be, that there are not reasonable grounds for believing that the accused has committed a non-bailable offence, but that there are sufficient grounds for further inquiry into his guilt, the accused shall, pending such inquiry, be released on bail, or, at the discretion of such officer or Court, on the execution by him of a bond without sureties for his appearance as hereinafter provided. 
(3) An officer or a Court releasing any person on bail under sub-section (1) or sub-section (2) shall record in writing his or its reasons for so doing. 
(4) If, at any time after the conclusion of the trial of a person accused of a non-bailable offence and before judgment is delivered, the Court is of opinion that there are reasonable grounds for believing that the accused is not guilty of any such offence, it shall release the accused, if he is in custody on the execution by him of a bond without sureties for his appearance to hear judgment delivered. 
(5) The High Court Division or Court of Session and, in the case of a person released by itself, any other Court may cause any person who has been released under this section to be arrested and may commit him to custody.
২২.
ফৌজদারি কার্যবিধির কোন ধারা অনুযায়ী জামিননামা সম্পাদনের পর মুক্তির আদেশ দেওয়া হয়?
  1. ৪৯৯ ধারা
  2. ৫০০ ধারা
  3. ৫০১ ধারা
  4. ৫০২ ধারা
সঠিক উত্তর:
৫০০ ধারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫০০ ধারা
ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর: খ) ৫০০ ধারা। 
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮-এর ধারা ৫০০ (Section 500 – Discharge from custody) অনুযায়ী বলা হয়েছে: “As soon as the bond has been executed, the person for whose appearance it has been executed shall be released…”
অর্থাৎ, যখন জামিননামা (bond) সম্পাদিত হয় - অর্থাৎ অভিযুক্ত ব্যক্তি ও তার জামিনদার জামিনের শর্ত অনুযায়ী বন্ডে স্বাক্ষর করেন - তখন আদালত সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিকে মুক্তি দেওয়ার নির্দেশ দেন।
যদি সেই ব্যক্তি জেলখানায় থাকেন, তাহলে আদালত কারা কর্তৃপক্ষকে একটি মুক্তির আদেশ (release order) দেন। কারা কর্তৃপক্ষ সেই নির্দেশ পেলে তৎক্ষণাৎ মুক্তি প্রদান করতে বাধ্য।

⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898:-Section-500. Discharge from custody:
(1) As soon as the bond has been executed, the person for whose appearance it has been executed shall be released; and, when he is in jail, the Court admitting him to bail shall issue an order of release to the officer in charge of the jail, and such officer on receipt of the order shall release him. 
(2) Nothing in this section, section 496 or section 497 shall be deemed to require the release of any person liable to be detained for some matter other than that in respect of which the bond was executed.
২৩.
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৪৯৫(৩) অনুযায়ী, বাদী পক্ষের মামলা পরিচালনাকারী ব্যক্তি কীভাবে মামলা পরিচালনা করতে পারেন?
  1. ব্যক্তিগতভাবে
  2. অ্যাডভোকেটের মাধ্যমে
  3. জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের মাধ্যমে
  4. 'ক' বা 'খ'
সঠিক উত্তর:
'ক' বা 'খ'
উত্তর
সঠিক উত্তর:
'ক' বা 'খ'
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৪৯৫(৩) অনুযায়ী, “Any person conducting the prosecution may do so personally or by a pleader.”
- অর্থাৎ, যিনি বাদী পক্ষের মামলা পরিচালনা করছেন, তিনি নিজে (ব্যক্তিগতভাবে) অথবা একজন অ্যাডভোকেটের মাধ্যমে মামলাটি পরিচালনা করতে পারেন।
- তাই, সঠিক উত্তর: ঘ) 'ক' বা 'খ'। 

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৪৯৫- বাদী পক্ষে মামলা পরিচালনার অনুমতি:
(১) কোন মামলার ইনকোয়ারি বা বিচারকারী ম্যাজিস্ট্রেট সরকার কর্তৃক এতদ্‌বিষয় নির্ধারিত পদের নিম্নপদস্থ কোন পুলিশ অফিসার ব্যতীত অন্য যেকোনো ব্যক্তিকে বাদী পক্ষের মামলা পরিচালনার অনুমতি প্রদান করতে পারবেন, কিন্তু অ্যাটর্নি জেনারেল, সরকারি সলিসিটর, পাবলিক প্রসিকিউটর অথবা সরকার কর্তৃক এই বিষয়ে সাধারণ বা বিশেষভাবে ক্ষমতাপ্রাপ্ত কোন অফিসার ব্যতীত কোন ব্যক্তি উক্ত অনুমতি ব্যতিরেকে বাদী পক্ষের মামলা পরিচালনার অধিকারী হবে না।
(২) মামলা প্রত্যাহারের ব্যাপারে এরূপ অফিসারের ধারা-৪৯৪ এ উল্লিখিত ক্ষমতা থাকবে এবং তাঁর প্রত্যাহৃত মামলার ক্ষেত্রে উক্ত ধারার বিধানসমূহ প্রযোজ্য হবে।
(৩) বাদীপক্ষের মামলা পরিচালনাকারী কোন ব্যক্তি তা ব্যক্তিগতভাবে বা কোন অ্যাডভোকেট কর্তৃক এরূপ করতে পারবেন।
(৪) যে অপরাধের জন্য আসামীর বিচার চলছে সেই অপরাধের কোন তদন্তে অংশ গ্রহণ করে থাকলে কোন পুলিশ অফিসারকে বাদী পক্ষের মামলা পরিচালনার অনুমতি প্রদান করা হবে না।

⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898:- Section 495- Permission to conduct prosecution:
(1) Any Magistrate inquiring into or trying any case may permit the prosecution to be conducted by any person other than an officer of police below the rank to be prescribed by the Government in this behalf but no person, other than the Attorney-General, Government Solicitor, Public Prosecutor or other officer generally or specially empowered by the Government in this behalf, shall be entitled to do so without such permission.
(2) Any such officer shall have the like power of withdrawing the prosecution as is provided by section 494, and the provisions of that section shall apply to any withdrawal by such officer.
(3) Any person conducting the prosecution may do so personally or by a pleader.
(4) An officer of police shall not be permitted to conduct the prosecution if he has taken any part in the investigation into the offence with respect to which the accused is being prosecuted.
২৪.
ফৌজদারি কার্যবিধির ৫১২ ধারার প্রধান উদ্দেশ্য কী?
  1. পুলিশি তদন্ত পরিচালনা
  2. অভিযুক্তের জামিন বাতিল করা
  3. পলাতক আসামিকে সাজা দেওয়া
  4. পলাতক আসামির অনুপস্থিতিতে সাক্ষ্য গ্রহণ
সঠিক উত্তর:
পলাতক আসামির অনুপস্থিতিতে সাক্ষ্য গ্রহণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পলাতক আসামির অনুপস্থিতিতে সাক্ষ্য গ্রহণ
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৫১২ মূলত এমন একটি পরিস্থিতির জন্য প্রযোজ্য যেখানে আসামি পলাতক, এবং তার গ্রেফতারের সম্ভাবনা নেই। এই পরিস্থিতিতে, মামলার বিচারক আসামির অনুপস্থিতিতেই বাদীপক্ষের সাক্ষীদের জবানবন্দি গ্রহণ করে তা লিপিবদ্ধ করতে পারেন। এই জবানবন্দি পরবর্তীকালে আসামি ধরা পড়লে বা বিচারে উপস্থাপন করলে প্রমাণ হিসেবে ব্যবহৃত হতে পারে, যদি সাক্ষী মারা যান, সাক্ষ্য দিতে অক্ষম হন, অথবা বাংলাদেশের বাইরে চলে যান এবং সাক্ষ্য গ্রহণে অযৌক্তিক বিলম্ব, ব্যয় বা অসুবিধা হয়।
- অর্থাৎ, এই ধারার প্রধান লক্ষ্য হলো পলাতক আসামির অনুপস্থিতিতে সাক্ষ্য সংরক্ষণ করে ভবিষ্যতের বিচারে সহায়তা করা।
- এটি আসামির বিরুদ্ধে বিচারিক প্রক্রিয়া সচল রাখতে সাহায্য করে, যাতে প্রমাণ নষ্ট না হয় এবং সাক্ষীর মৃত্যু বা অনুপস্থিতির কারণে বিচার প্রভাবিত না হয়।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৫১২ ধারার বিধান আসামীর অনুপস্থিতিতে সাক্ষ্য লিপিবদ্ধকরণ:-
(১) যদি প্রমাণিত হয় যে, আসামি পালিয়েছে এবং তার গ্রেফতারের সম্ভাবনা নেই, সেক্ষেত্রে যে অপরাধ সম্পর্কে অভিযোগ আনা হয়েছে, সেই অপরাধের জন্য তাকে বিচার করার বা বিচারের জন্য প্রেরণ করার ক্ষমতা সম্পন্ন আদালত তার অনুপস্থিতিতে বাদীপক্ষ দ্বারা দাখিলকৃত সাক্ষীর (যদি থাকে) জবানবন্দি গ্রহণ করতে ও তা লিপিবদ্ধ করতে পারবেন। এরূপ সাক্ষী মারা গেলে বা সাক্ষ্য দেওয়ার জন্য অযোগ্য হয়ে পড়লে অথবা বিলম্ব, ব্যয় বা অসুবিধা বহন করা মামলার অবস্থায় অযৌক্তিক হয়ে পড়লে প্রদত্ত সাক্ষ্য সে যে অপরাধে অভিযুক্ত হয়েছে সেই অপরাধের ইনকোয়ারি বা বিচারে তার বিরুদ্ধে ব্যবহার করা যাবে ।
(২) অপরাধী অজানা হলে সাক্ষ্য লিপিবদ্ধকরণ-
যদি প্রতীয়মান হয় যে, কোন অজানা ব্যক্তি বা ব্যক্তিগণ মৃত্যুদণ্ড বা যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় অপরাধ করেছে, তাহলে হাইকোর্ট ডিভিশন নির্দেশ প্রদান করতে পারবেন যে, কোন প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট এই বিষয়ে ইনকোয়ারি করবেন এবং অপরাধ সম্পর্কে যারা সাক্ষ্য দিতে পারেন তাদেরকে পরীক্ষা করবেন। এরূপ সাক্ষী মারা গেলে বা সাক্ষ্য দেওয়ার অযোগ্য হয়ে পড়লে বা বাংলাদেশের সীমার বাহিরে থাকলে গৃহীত জবানবন্দি পরবর্তীকালে উক্ত অপরাধ অভিযুক্ত যে কোন ব্যক্তির বিরুদ্ধে ব্যবহার করা যাবে।
-----------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898, Section-512: Record of evidence in absence of accused:
(1) If it is proved that an person has absconded, and that there is no immediate prospect of arresting him, the Court competent to try such person for the offence complained of may, in his absence, examine the witnesses (if any) produced on behalf of the prosecution, and record their depositions. Any such deposition may be given in evidence against him on the inquiry into, or trial for, the offence with which he is charged, if the deponent is dead or incapable of giving evidence or his attendance cannot be procured without an amount of delay, expense or incon- venience which, under the circumstances of the case, would be unreasonable.

(2) Record of evidence when offender unknown:-
If it appears that an offence punishable with death or transportation has been committed by some person or persons unknown, the High Court Division may direct that any Magistrate of the first class shall hold an inquiry and examine any witnesses who can give evidence concerning the offence. Any depositions so taken may be given in evidence against any person who is subsequently accused of the offence, if the deponent is dead or incapable of giving evidence or beyond the limits of Bangladesh.
২৫.
হেবিয়াস কর্পাস রিট মূলত কোন ধরনের অধিকার রক্ষা করে?
  1. ভোটের অধিকার
  2. চুক্তির অধিকার
  3. ব্যক্তিস্বাধীনতার অধিকার
  4. সম্পত্তির অধিকার
সঠিক উত্তর:
ব্যক্তিস্বাধীনতার অধিকার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্যক্তিস্বাধীনতার অধিকার
ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর: গ) ব্যক্তিস্বাধীনতার অধিকার।
⇒ হেবিয়াস কর্পাস (Habeas Corpus) একটি ল্যাটিন শব্দগুচ্ছ যার অর্থ — “তাকে হাজির করো”। এটি একটি সংবিধানসম্মত ও মৌলিক মানবাধিকার রক্ষার আইনি ব্যবস্থা, যার মাধ্যমে যদি কোন ব্যক্তিকে বেআইনিভাবে বা যথাযথ প্রক্রিয়া ছাড়া আটক বা বন্দী করা হয়, তবে তাকে অবিলম্বে আদালতে হাজির করার নির্দেশ জারি করা যায়।
- হেবিয়াস কর্পাস রিট একটি মৌলিক অধিকার রক্ষাকারী রিট, যা প্রধানত ব্যক্তিস্বাধীনতার অধিকার (Right to Personal Liberty) রক্ষা করে।
- এটি তখনই প্রযোজ্য হয়, যখন কোন ব্যক্তিকে বেআইনিভাবে বা যথাযথ আইনগত প্রক্রিয়া ছাড়াই আটক করা হয়।
→ এই রিটের মূল উদ্দেশ্য হলো: একজন নাগরিকের ব্যক্তিস্বাধীনতা বা মুক্তি নিশ্চিত করা।
যদি আদালত মনে করে যে ওই ব্যক্তি বেআইনিভাবে আটক রয়েছেন, তবে তাকে মুক্তি দেওয়ার নির্দেশ দিতে পারে।
 
→ অর্থাৎ হেবিয়াস কর্পাস রিট মূলত ব্যক্তির বেআইনী আটক থেকে মুক্তি ও ব্যক্তিস্বাধীনতার অধিকার রক্ষার জন্য ব্যবহৃত হয়।
- হেবিয়াস কর্পাস রিট মূলত ব্যক্তিস্বাধীনতার অধিকার (Right to Personal Liberty) রক্ষার জন্য ব্যবহৃত হয়।
- এটি সংবিধানের ৩৩ ও ১০২ অনুচ্ছেদ এবং ফৌজদারী কার্যবিধির ৪৯১ ধারায় প্রতিষ্ঠিত একটি গুরুত্বপূর্ণ আইনগত প্রতিকার।
২৬.
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৪৯৩ অনুযায়ী, যদি কোনো ব্যক্তি প্রাইভেট প্লিডার নিযুক্ত করে মামলা পরিচালনা করতে চান, তাহলে কে সেই মামলার তত্ত্বাবধান করবেন?
  1. আদালত
  2. পুলিশ অফিসার
  3. জেলা ম্যাজিস্ট্রেট
  4. পাবলিক প্রসিকিউটর
সঠিক উত্তর:
পাবলিক প্রসিকিউটর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পাবলিক প্রসিকিউটর
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৪৯৩ অনুযায়ী, যদি কোনো ব্যক্তি ব্যক্তিগতভাবে (প্রাইভেটলি) একজন আইনজীবী (Pleader) নিযুক্ত করে কোনো ফৌজদারি মামলার প্রসিকিউশন পরিচালনা করতে চান, তাহলে সেই আইনজীবীকে অবশ্যই পাবলিক প্রসিকিউটরের নির্দেশনা ও তত্ত্বাবধানে কাজ করতে হবে।
অর্থাৎ, মামলার মূল নিয়ন্ত্রণ থাকবে পাবলিক প্রসিকিউটরের হাতে। ব্যক্তিগতভাবে নিযুক্ত আইনজীবী শুধুমাত্র সহায়ক হিসেবে কাজ করবেন, কিন্তু স্বতন্ত্রভাবে পরিচালনা করতে পারবেন না।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮-এর ধারা ৪৯৩ অনুসারে, পাবলিক প্রসিকিউটর যে মামলায় ভারপ্রাপ্ত হয়েছেন, সেই মামলা যে আদালতে তদন্তাধীন, বিচার বা আপীলাধীন রয়েছে, তিনি সেই আদালতে কোন প্রকার লিখিত কর্তৃত্ব ছাড়াই হাজির হতে ও মামলা পরিচালনা করতে পারবেন, এবং কোন বেসরকারি ব্যক্তি যদি এরূপ কোন মামলার কারো বিরুদ্ধে অভিযোগ পরিচালনার জন্য অ্যাডভোকেট নির্দেশ দিয়ে থাকেন, সেক্ষেত্রে নির্দেশাধীন অ্যাডভোকেট উক্ত মামলায় তাঁর নির্দেশাধীন কাজ করবেন।

⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898: Section 493-Public Prosecutor may plead in all Court in cases under his charge Pleaders privately instructed to be under his direction:
The Public Prosecutor may appear and plead without any written authority before any Court in which any case of which he has charge is under inquiry, trial or appeal, and if any private person instructs a pleader to prosecute in any Court any person in any such case, the Public Prosecutor shall conduct the prosecution, and the pleader so instructed shall act therein, under his directions.
২৭.
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৫৩১ অনুসারে কোন পরিস্থিতিতে ভুল স্থানে বিচার অনুষ্ঠিত হলেও তা বাতিলযোগ্য নয়?
  1. সাক্ষী উপস্থিত ছিল না
  2. ন্যায়বিচার বিঘ্নিত না হলে
  3. মামলার অভিযোগ ছিল দুর্বল
  4. বিচারকের অনুপস্থিতিতে বিচার
সঠিক উত্তর:
ন্যায়বিচার বিঘ্নিত না হলে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ন্যায়বিচার বিঘ্নিত না হলে
ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর: খ) ন্যায়বিচার বিঘ্নিত না হলে।
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৫৩১ অনুযায়ী, “কোন তদন্ত, বিচার বা কার্যধারা কেবলমাত্র এই কারণে বাতিল হবে না যে তা ভুল দায়রা বিভাগ, জেলা বা স্থানীয় এলাকায় পরিচালিত হয়েছে, যদি না এটি প্রতীয়মান হয় যে এতে ন্যায়বিচার ব্যাহত হয়েছে।”
অর্থাৎ, যদি একটি ফৌজদারি মামলা ভুল জায়গায় (যেমন: অন্য জেলা, অন্য দায়রা বিভাগ) পরিচালিত হয়, তাহলেও সেটিকে শুধুমাত্র ভুল স্থানেই বিচার হয়েছে বলে বাতিল করা যাবে না, যদি না প্রমাণ হয় যে এর ফলে ন্যায়বিচারে ব্যাঘাত ঘটেছে।
- ধারা ৫৩১ আসলে আদালতের এখতিয়ারগত বা ভৌগোলিক ভুল বিচারস্থল সম্পর্কিত এবং ন্যায়বিচার বিঘ্নিত না হলে, এই কারণে কোন আদেশ বা দণ্ড বাতিলযোগ্য নয়।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৫৩১: ভুল স্থানে অনুষ্ঠিত কার্যধারা:
কোন তদন্ত, বিচার বা অন্য কোন কার্যধারায় কোন ফৌজদারী আদালতের অভিমত, দণ্ড বা আদেশ শুধুমাত্র উক্ত তদন্ত, বিচার বা অন্য কোন কার্যধারা ভুল দায়রা বিভাগে, জেলায় বা অন্য স্থানীয় এলাকায় অনুষ্ঠিত হয়েছিল বলেই বাতিল হবে না যদি না প্রতীয়মান হয় যে, এ ভুলের ফলে প্রকৃতপক্ষে ন্যায়বিচার ব্যাহত হচ্ছে।

⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898- Section 531: Proceedings in wrong place:
No finding sentence or order of any Criminal Court shall be set aside merely on the ground that the inquiry, trial or other proceeding in the course of which it was arrived at or passed, took place in a wrong sessions division, district, or other local area, unless it appears that such error has in fact occasioned a failure of justice.