পরীক্ষা আর্কাইভ

শিক্ষক নিবন্ধন (NTRCA) প্রস্তুতি [১৯তম]

পরীক্ষাশিক্ষক নিবন্ধন (NTRCA) প্রস্তুতি [১৯তম]তারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়09 minutes১৬ বৈধ · অসম্পূর্ণ
মোট প্রশ্ন১৭
সিলেবাস
পরীক্ষা – ৩৭ বিষয়: বাংলা ব্যাকরণ টপিক: পদ প্রকরণ, কাল, উপসর্গ, বাক্য। উৎস: অষ্টম শ্রেণি ও মাধ্যমিক বাংলা ব্যাকরণ বোর্ড বই (NCTB ও উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়), বাংলা একাডেমির অভিধান অথবা যেকোনো স্কলার (যেমন: ড. হায়াৎ মামুদ)-এর বই। (ব্যাকরণ - এর ক্ষেত্রে গাইড থেকে পড়াশুনা করলে, বিতর্কিত বিষয়গুলো বোর্ড বই ও বাংলা একাডেমি অভিধান থেকে ক্রসচেক করে নিলে উত্তম হবে।)
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

শিক্ষক নিবন্ধন (NTRCA) প্রস্তুতি [১৯তম]

শিক্ষক নিবন্ধন (NTRCA) প্রস্তুতি [১৯তম] · তারিখ অনির্ধারিত · ১৭ প্রশ্ন

.
'পরিবার' কোন জাতীয় বিশেষ্য?
  1. নাম-বিশেষ্য
  2. সমষ্টি-বিশেষ্য
  3. জাতি-বিশেষ্য
  4. বস্তু-বিশেষ্য
সঠিক উত্তর:
সমষ্টি-বিশেষ্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সমষ্টি-বিশেষ্য
ব্যাখ্যা
বিশেষ্যের শ্রেণিবিভাগ:

নাম-বিশেষ্য:
- ব্যক্তি, স্থান, দেশ, কাল, সৃষ্টি প্রভৃতির সুনির্দিষ্ট নামকে নাম-বিশেষ্য বলা হয়।
যেমন-
- ব্যক্তিনাম: হাবিব, সজল, লতা, শম্পা।
- স্থাননাম: ঢাকা, বাংলাদেশ, হিমালয়, পদ্মা।
- কালনাম: সোমবার, বৈশাখ, জানুয়ারি, রমজান।
- সৃষ্টিনাম: গীতাঞ্জলি, সঞ্চিতা, ইত্তেফাক, অপরাজেয় বাংলা।

জাতি-বিশেষ্য:
জাতি-বিশেষ্য সাধারণ-বিশেষ্য নামেও পরিচিত। এ ধরনের বিশেষ্য নির্দিষ্ট কোনো নামকে না বুঝিয়ে প্রাণী ও অপ্রাণীর সাধারণ নামকে বোঝায়।
যেমন-
- মানুষ, গরু, ছাগল, ফুল, ফল, নদী, সাগর, পর্বত ইত্যাদি।

• বস্তু-বিশেষ্য:
- কোনো দ্রব্য বা বস্তুর নামকে বস্তু-বিশেষ্য বলে।
যেমন
- ইট, লবণ, আকাশ, টেবিল, বই ইত্যাদি।

• সমষ্টি-বিশেষ্য:
- এ ধরনের বিশেষ্য দিয়ে ব্যক্তি বা প্রাণীর সমষ্টিকে বোঝায়।
যেমন
- জনতা, পরিবার, ঝাঁক, বাহিনী, মিছিল ইত্যাদি।

• গুণ-বিশেষ্য:
- গুণগত অবস্থা ও ধারণার নামকে গুণ-বিশেষ্য বলে।
যেমন-
- সরলতা, দয়া, আনন্দ, গুরুত্ব, দীনতা, ধৈর্য ইত্যাদি।

ক্রিয়া-বিশেষ্য:
- যে বিশেষ্য দিয়ে কোনো ক্রিয়া বা কাজের নাম বোঝায়, তাকে ক্রিয়া-বিশেষ্য বলে।
যেমন
- পঠন, ভোজন, শয়ন, করা, করানো, পাঠানো, নেওয়া ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, ৯ম-১০ম শ্রেণি, ২০২৫ সালের সংস্করণ।
.
সাধারণ অতীত কালের উদাহরণ কোনটি?
  1. তারা মাঠে খেলছিল।
  2. তখন বাতিটা জ্বলে উঠল।
  3. খরবটা তুমি আমাকে চিঠিতে জানিয়েছিলে।
  4. তিনি রোজ সকালে বাগানে পানি দিতেন।
সঠিক উত্তর:
তখন বাতিটা জ্বলে উঠল।
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তখন বাতিটা জ্বলে উঠল।
ব্যাখ্যা
• সাধারণ অতীত:
- অতীত কালে যে কাজ সম্পন্ন হয়ে গিয়েছে বোঝায়, তাকে সাধারণ অতীত কাল বলে।
যেমন-
- তারা সেখানে বেড়াতে গেল।
- তখন বাতিটা জ্বলে উঠল।

ঘটমান অতীত:
- যে ক্রিয়া অতীত কালে চলছিল বোঝায়, তাকে ঘটমান অতীত কাল বলে।
যেমন-
- আমরা তখন বই পড়ছিলাম।
- তারা মাঠে খেলছিল।

• পুরাঘটিত অতীত:
- অতীতের যে ক্রিয়া বহু পূর্বেই ঘটে গেছে এবং পরে আরো কিছু ঘটনা ঘটেছে, তার কালকে পুরাঘটিত অতীত কাল বলে।
যেমন-
- বৃষ্টি শেষ হওয়ার আগেই আমরা বাড়ি পৌঁছেছিলাম।
- খরবটা তুমি আমাকে চিঠিতে জানিয়েছিলে।

নিত্য অতীত:
- অতীত কালে প্রায়ই ঘটতো এমন বোঝালে নিত্য অতীত কাল হয়।
যেমন-
- খুব সকালে ঘুম থেকে উঠতাম।
- তারা সাগরের তীরেঝিনুক কুড়াত।
- তিনি রোজ সকালে বাগানে পানি দিতেন।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, ৯ম-১০ম শ্রেণি, ২০২৫ সালের সংস্করণ।
.
সব্যয় পদ কত প্রকার?
  1. পাঁচ প্রকার
  2. তিন প্রকার
  3. দুই প্রকার
  4. চার প্রকার
সঠিক উত্তর:
চার প্রকার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চার প্রকার
ব্যাখ্যা
পদ:
- বাক্যে ব্যবহৃত বিভক্তিযুক্ত শব্দ ও ধাতুকে পদ বলে।

• পদগুলো প্রধানত দুই প্রকার:
- সব্যয় পদ ও অব্যয় পদ।

- সব্যয় পদ চার প্রকার:
- বিশেষ্য;
- বিশেষণ;
- সর্বনাম;
-  ক্রিয়া।

• সুতরাং পদমোট পাঁচ প্রকার: বিশেষ্য, বিশেষণ, সর্বনাম, ক্রিয়া এবং অব্যয়।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, ৯ম-১০ম শ্রেণি, ২০১৯ সালের সংস্করণ।
.
’তিথি অঙ্কটি করেছে।’- বাক্যটি কোন কালের উদাহরণ?
  1. সাধারণ অতীত
  2. পুরাঘটিত অতীত
  3. পুরাঘটিত বর্তমান
  4. অনুজ্ঞা বর্তমান
সঠিক উত্তর:
পুরাঘটিত বর্তমান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পুরাঘটিত বর্তমান
ব্যাখ্যা

সাধারণ বর্তমান:
- যে ক্রিয়া বর্তমান কালে নিয়মিতভাবে ঘটে, তাকে সাধারণ বর্তমান কাল বলে।
যেমন-
- আমি স্কুলে যাই।
- সূর্য পূর্ব দিকে ওঠে।

ঘটমান বর্তমান:
- যে ক্রিয়া বর্তমানে চলছে বোঝায়, তাকে ঘটমান বর্তমান কাল বলে।
যেমন-
- আমি স্কুলে যাচ্ছি।
- আমাদের পরীক্ষা চলছে।

পুরাঘটিত বর্তমান:
- এইমাত্র সম্পন্ন ক্রিয়ার কালকে পুরাঘটিত বর্তমান কাল বলে।
যেমন-
- তিথি অঙ্কটি করেছে।
- তারা বাড়িতে ফিরেছে।

• অনুজ্ঞা বর্তমান:
- যে ক্রিয়া দিয়ে বর্তমান কালে বক্তার আদেশ, অনুমতি, অনুরোধ, প্রার্থনা, আমন্ত্রণ, আশীর্বাদ, অভিশাপ, উপদেশ, উপেক্ষা ইত্যাদি প্রকাশ করা হয়, তাকে অনুজ্ঞা বর্তমান কাল বলে।
যেমন-
- তাড়াতাড়ি কাজটি করো।
- সকলের মঙ্গল হোক।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, ৯ম-১০ম শ্রেণি, ২০২৫ সালের সংস্করণ।

.
’রোগ হলে ওষুধ খাবে।’- কী অর্থে অনুজ্ঞার ব্যবহার হয়েছে?
  1. আদেশ
  2. সম্ভাবনা
  3. উপদেশ
  4. বিধান
সঠিক উত্তর:
বিধান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিধান
ব্যাখ্যা
• ভবিষ্যৎ কালের অনুজ্ঞা:
- আদেশ অর্থে: সদা সত্য বলবে।
- সম্ভাবনা অর্থে : চেষ্টা কর, সবই বুঝতে পারবে।
- বিধান অর্থে: রোগ হলে ওষুধ খাবে।
- অনুরোধ অর্থে: কাল একবার এসো (বা আসিও বা আসিবে)।

উল্লেখ্য,
আদেশ, অনুরোধ, অনুমতি, প্রার্থনা, অনুনয় প্রভৃতি অর্থে বর্তমান এবং ভবিষ্যৎ কালে মধ্যম পুরুষে ক্রিয়াপদের যেরূপ হয় তাকে অনুজ্ঞা পদ বলে।

উৎস: উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, ৯ম-১০ম শ্রেণি, ২০১৯ সালের সংস্করণ।
.
’চলন্ত গাড়ি’-এখানে ’চলন্ত’ কোন ধরনের বিশেষণ?
  1. অবস্থাবাচক
  2. গুণবাচক
  3. উপাদানবাচক
  4. বর্ণবাচক
সঠিক উত্তর:
অবস্থাবাচক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অবস্থাবাচক
ব্যাখ্যা
• বর্ণবাচক:
- যে বিশেষণ দিয়ে রং নির্দেশ করা হয়, তাকে বর্ণবাচক বিশেষণ বলে।
যেমন
- নীল আকাশ, সবুজ মাঠ, লাল ফিতা এখানে 'নীল', 'সবুজ' বা 'লাল' হলো বর্ণবাচক বিশেষণ।

গুণবাচক:
যে বিশেষণ দিয়ে গুণ বা বৈশিষ্ট্য বোঝায়, তাকে গুণবাচক বিশেষণ বলে।
যেমন
- চালাক ছেলে, ঠান্ডা পানি এখানে 'চালাক' ও 'ঠান্ডা' হলো গুণবাচক বিশেষণ।

অবস্থাবাচক:
- যে বিশেষণ দিয়ে অবস্থা বোঝায়, তাকে অবস্থাবাচক বিশেষণ বলে।
যেমন-
- চলন্ত ট্রেন, তরল পদার্থ- এখানে 'চলন্ত' ও 'তরল' অবস্থাবাচক বিশেষণ।

ক্রমবাচক:
- যে বিশেষণ দিয়ে ক্রমসংখ্যা বোঝায়, তাকে ক্রমবাচক বিশেষণ বলে।
যেমন
- এক টাকা, আট দিন এখানে 'এক' ও 'আট' ক্রমবাচক বিশেষণ।

পূরণবাচক:
- যে বিশেষণ দিয়ে পূরণসংখ্যা বোঝায়, তাকে পূরণবাচক বিশেষণ বলে।
যেমন
- তৃতীয় প্রজন্ম, ৩৪তম অনুষ্ঠান এখানে 'তৃতীয়' ও '৩৪তম' পূরণবাচক বিশেষণ।

পরিমাণবাচক:
- যে বিশেষণ দিয়ে পরিমাণ বা আয়তন বোঝায়, তাকে পরিমাণবাচক বিশেষণ বলে।
যেমন-
- আধা কেজি চাল, অনেক লোক এখানে 'আধা কেজি' ও 'অনেক' পরিমাণবাচক বিশেষণ।

উপাদানবাচক:
যে বিশেষণ দিয়ে উপাদান নির্দেশ করে, তাকে উপাদানবাচক বিশেষণ বলে।
যেমন-
- বেলে মাটি, পাথুরে মূর্তি - এখানে 'বেলে' ও 'পাথুরে' উপাদানবাচক বিশেষণ।

• প্রশ্নবাচক:
- যে বিশেষণ দিয়ে প্রশ্নবাচকতা নির্দেশিত হয়, তাকে প্রশ্নবাচক বিশেষণ বলে।
যেমন
- কেমন গান? কতক্ষণ সময়? এখানে 'কেমন' ও 'কতক্ষণ' প্রশ্নবাচক বিশেষণ।

নির্দিষ্টতাবাচক:
- যে বিশেষণ দিয়ে বিশেষিত শব্দকে নির্দিষ্ট করা হয়, তাকে নির্দিষ্টতাবাচক বিশেষণ বলে।
যেমন-
- এই দিনে, সেই সময় এখানে 'এই' ও 'সেই' নির্দিষ্টতাবাচক বিশেষণ।

ভাববাচক বিশেষণ:
- যেসব বিশেষণ বাক্যের অন্তর্গত অন্য বিশেষণকে বিশেষিত করে, সেসব বিশেষণকে ভাববাচক বিশেষণ বলে।
যেমন-
-'খুব ভালো খবর' ও 'গাড়িটা বেশ জোরে চলছে' এসব বাক্যে 'খুব' এবং 'বেশ' ভাববাচক বিশেষণ।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, ৯ম-১০ম শ্রেণি, ২০১৯ সালের সংস্করণ।
.
’বৃষ্টি শেষ হওয়ার পর আমরা বাড়ি পৌঁছেছিলাম।’-- বাক্যটি কোন কালের উদাহরণ?
    অনির্ধারিত
    ব্যাখ্যা
    সাধারণ অতীত:
    - অতীত কালে যে কাজ সম্পন্ন হয়ে গিয়েছে বোঝায়, তাকে সাধারণ অতীত কাল বলে।
    যেমন-
    - তারা সেখানে বেড়াতে গেল।
    - তখন বাতিটা জ্বলে উঠল।

    ঘটমান অতীত:
    - যে ক্রিয়া অতীত কালে চলছিল বোঝায়, তাকে ঘটমান অতীত কাল বলে।
    যেমন-
    - আমরা তখন বই পড়ছিলাম।
    - তারা মাঠে খেলছিল।

    পুরাঘটিত অতীত:
    - অতীতের যে ক্রিয়া বহু পূর্বেই ঘটে গেছে এবং পরে আরো কিছু ঘটনা ঘটেছে, তার কালকে পুরাঘটিত অতীত কাল বলে।
    যেমন-
    - বৃষ্টি শেষ হওয়ার পর আমরা বাড়ি পৌঁছেছিলাম।
    - খরবটা তুমি আমাকে চিঠিতে জানিয়েছিলে।

    নিত্য অতীত:
    - অতীত কালে প্রায়ই ঘটতো এমন বোঝালে নিত্য অতীত কাল হয়।
    যেমন-
    - খুব সকালে ঘুম থেকে উঠতাম।
    - তারা সাগরের তীরেঝিনুক কুড়াত।
    - তিনি রোজ সকালে বাগানে পানি দিতেন।

    উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, ৯ম-১০ম শ্রেণি, ২০২৫ সালের সংস্করণ।
    .
    ঠিকভাবে চললে কেউ কিছু বলবে না।’'বাক্যটিতে কোন ধরনের ক্রিয়াবিশেষণ ব্যবহৃত হয়েছে?
    1. কালবাচক
    2. স্থানবাচক
    3. ধরনবাচক
    4. পদাণু
    সঠিক উত্তর:
    ধরনবাচক
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    ধরনবাচক
    ব্যাখ্যা
    • ধরনবাচক ক্রিয়াবিশেষণ:
    - কোনো ক্রিয়া কীভাবে সম্পন্ন হয়, ধরনবাচক ক্রিয়াবিশেষণ তা নির্দেশ করে।
    যেমন
    - টিপ টিপ বৃষ্টি পড়ছে।
    - ঠিকভাবে চললে কেউ কিছু বলবে না।

    • কালবাচক ক্রিয়াবিশেষণ:
    - এই ধরনের ক্রিয়াবিশেষণ ক্রিয়া সম্পাদনের কাল নির্দেশ করে।
    যেমন
    - আজকাল ফলের চেয়ে ফুলের দাম বেশি।
    - যথাসময়ে সে হাজির হয়।

    স্থানবাচক ক্রিয়াবিশেষণ:
    - ক্রিয়ার স্থান নির্দেশ করে স্থানবাচক ক্রিয়াবিশেষণ।
    যেমন
    - মিছিলটি সামনে এগিয়ে যায়
    - তাকে কোথাও খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না।

    নেতিবাচক ক্রিয়াবিশেষণ:
    - না, নি ইত্যাদি দিয়ে ক্রিয়ার নেতিবাচক অবস্থা বোঝায়। এগুলো সাধারণত ক্রিয়ার পরে বসে।
    যেমন
    - সে এখন যাবে না।
    - তিনি বেড়াতে যাননি।
    - এমন কথা আমার জানা নেই।

    পদাণু ক্রিয়াবিশেষণ:
    - বাক্যেরমধ্যে বিশেষ কোনো ভূমিকা পালন না করলেও 'কি', 'যে', 'বা','না', 'তো' প্রভৃতি পদাণু ক্রিয়াবিশেষণ হিসেবে কাজ করে।
    যেমন
    - কি: আমি কি যাব?
    - যে: খুব যে বলেছিলেন আসবেন!

    উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, ৯ম-১০ম শ্রেণি, ২০২৫ সালের সংস্করণ।
    .
    ’আমার দরখাস্তটা পড়ুন।’-কী অর্থে অনুজ্ঞার ব্যবহার হয়েছে?
    1. আদেশ
    2. উপদেশ
    3. অনুরোধ
    4. প্রার্থনা
    সঠিক উত্তর:
    প্রার্থনা
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    প্রার্থনা
    ব্যাখ্যা
    • বর্তমান কালের অনুজ্ঞা:

    • আদেশ অর্থে:
    - কাজটি করে ফেল।
    - তোমরা এখন যাও।

    • উপদেশ অর্থে:
    - সত্য গোপন করো না।
    - কড়া রোদে ঘোরাফেরা করিস না।
    - 'পাতিস নে শিলাতলে পদ্মপাতা।

    • অনুরোধ অর্থে: 
    - আমার কাজটা এখন কর।
    - অঙ্কটা বুঝিয়ে দাও না।

    • প্রার্থনা অর্থে :  আমার দরখাস্তটা পড়ুন।
    অভিশাপ অর্থে: মর, পাপিষ্ঠ।

    উল্লেখ্য,
    আদেশ, অনুরোধ, অনুমতি, প্রার্থনা, অনুনয় প্রভৃতি অর্থে বর্তমান এবং ভবিষ্যৎ কালে মধ্যম পুরুষে ক্রিয়াপদের যেরূপ হয় তাকে অনুজ্ঞা পদ বলে।

    উৎস: উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, ৯ম-১০ম শ্রেণি, ২০১৯ সালের সংস্করণ।
    ১০.
    ’সরে দাঁড়ানো’ কোন ধরনের ক্রিয়ার উদাহরণ?
    1. সরল ক্রিয়া
    2. প্রযোজক ক্রিয়া
    3. নামক্রিয়া
    4. যৌগিক ক্রিয়া
    সঠিক উত্তর:
    যৌগিক ক্রিয়া
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    যৌগিক ক্রিয়া
    ব্যাখ্যা
    • যৌগিক ক্রিয়া:
    - অসমাপিকা ক্রিয়ার সঙ্গে সমাপিকা ক্রিয়া যুক্ত হয়ে যখন একটি ক্রিয়া গঠন করে, তখন তাকে যৌগিক ক্রিয়া বলে।
    যেমন
    - মরে যাওয়া,
    - কমে আসা,
    - এগিয়ে চলা,
    - হেসে ওঠা, উঠে
    - পড়া, পেয়ে বসা,
    - সরে দাঁড়ানো,
    - বেঁধে দেওয়া, বু
    - ঝে নেওয়া,
    - বলে ফেলা,
    - করে তোলা,
    - চেপে রাখা, ইত্যাদি।

    অন্যদিকে,
    • সরল ক্রিয়া:
    - একটিমাত্র পদ দিয়ে যে ক্রিয়া গঠিত হয় এবং কর্তা এককভাবে ক্রিয়াটি সম্পন্ন করে, তাকে সরল ক্রিয়া বলে।
    যেমন
    - সে লিখছে। ছেলেরা মাঠে খেলছে। এখানে লিখছে ও
    খেলছে - এগুলো সরল ক্রিয়া।

    • প্রযোজক ক্রিয়া:

    কর্তা অন্যকে দিয়ে কাজ করালে তাকে প্রযোজক ক্রিয়া বলে।
    যেমন
    - তিনি আমাকে অঙ্ক করাচ্ছেন; রাখাল গরুকে ঘাস খাওয়ায় এখানে 'করাচ্ছেন' ও 'খাওয়ায়' প্রযোজক ক্রিয়া।

    • নামক্রিয়া:
    - বিশেষ্য, বিশেষণ বা ধ্বন্যাত্মক শব্দের শেষে -আ বা -আনো প্রত্যয় যুক্ত হয়ে যে ক্রিয়া গঠিত হয়, তাকে নামক্রিয়া বলে।
    যেমন
    - বিশেষ্য চমক শব্দের সঙ্গে-আনো যুক্ত হয়ে হয় চমকানো: আকাশে বিদ্যুৎ চমকায়;
    - বিশেষণ কম শব্দের সঙ্গে -আ যুক্ত হয়ে হয় কমা: বাজারে সবজির দাম কমছে না;
    - ধ্বন্যাত্মক ছটফট শব্দের সঙ্গে -আনো যুক্ত হয়ে হয় ছটফটানো: জবাই করা মুরগি উঠানেছটফটায়।

    উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, ৯ম-১০ম শ্রেণি, ২০২৫ সালের সংস্করণ।
    ১১.
    নিম্নে বর্ণিত কোনটি ভাষার গুণ নয়?
    1. আকাঙ্ক্ষা
    2. আসত্তি
    3. যোগ্যতা
    4. আসক্তি
    সঠিক উত্তর:
    আসক্তি
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    আসক্তি
    ব্যাখ্যা
    বাক্য:
    - যে সুবিন্যস্ত পদসমষ্টি দ্বারা কোনো বিষয়ে বক্তার মনোভাব সম্পূর্ণরূপে প্রকাশিত হয়, তাকে বাক্য বলে।
    - কতগুলো পদের সমষ্টিতে বাক্য গঠিত হলেও যে কোনো পদসমষ্টিই বাক্য নয়।
    - বাক্যের বিভিন্ন পদের মধ্যে পারস্পরিক সম্পর্ক বা অন্বয় থাকা আবশ্যক।
    - এ ছাড়াও বাক্যের অন্তর্গত বিভিন্ন পদ দ্বারা মিলিতভাবে একটি অখণ্ড ভাব পূর্ণ রূপে প্রকাশিত হওয়া প্রয়োজন, তবেই তা বাক্য হবে।

    • ভাষার বিচারে বাক্যের গুণ তিনটি।
    যেমন-
     - আকাঙ্ক্ষা;
     - আসত্তি ;
    - যোগ্যতা;

    • আকাঙ্ক্ষা:
    - বাক্যের অর্থ পরিষ্কারভাবে বোঝার জন্য এক পদের পর অন্য পদ শোনার যে ইচ্ছা তা-ই আকাঙ্ক্ষা।

    • আসত্তি:
    মনোভাব প্রকাশের জন্য বাক্যে শব্দগুলো এমনভাবে পর পর সাজাতে হবে যাতে মনোভাব প্রকাশ বাধাগ্রস্ত না হয়। বাক্যের অর্থসঙ্গতি রক্ষার জন্য সুশৃঙ্খল পদবিন্যাসই আসত্তি।

    • যোগ্যতা:
    বাক্যস্থিত পদসমূহের অন্তর্গত এবং ভাবগত মিলবন্ধনের নাম যোগ্যতা। যেমন বর্ষার বৃষ্টিতে প্লাবনের সৃষ্টি হয়। - এটি একটি যোগ্যতাসম্পন্ন বাক্য। কারণ, বাক্যটিতে পদসমূহের অর্থগত এবং ভাবগত সমন্বয় রয়েছে।

    উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ , ৯ম-১০ম শ্রেণি,  ২০২৫ সালের সংস্করণ।
    ১২.
    নিচের কোনটি উপসর্গযোগে গঠিত শব্দ?
    1. মিঠাই
    2. সঠিক
    3. বাহাদুরি
    4. মেঘলা
    সঠিক উত্তর:
    সঠিক
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    সঠিক
    ব্যাখ্যা
    • বাংলা উপসর্গ ’স’ যোগে গঠিত শব্দ = সঠিক (স+ঠিক)

    • বাংলা উপসর্গ:
    - বাংলা উপসর্গ মোট একুশটি
    যথা:
    - অ, অঘা, অজ, অনা, আ, আড়, আন, আব, ইতি, ঊন (উনা), কদ, কু, নি, পাতি, বি, ভর, রাম, স, সা, সু, হা।

    অন্যদিকে,
    • তদ্ধিত প্রত্যয়যোগে গঠিত শব্দ-
    - মেঘ + লা = মেঘলা।
    - মিঠা + আই = মিঠাই।
    - বাহাদুর + ই = বাহাদুরি।

    উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, ৯ম-১০ম শ্রেণি, নবম দশম শ্রেণি, ২০১৯ সালের সংস্করণ।
    ১৩.
    ’উপদ্বীপ’ শব্দে ’উপ’ উপসর্গটি কোন অর্থে ব্যবহৃত হয়?
    1. বিশেষ
    2. সামীপ্য
    3. ক্ষুদ্র
    4. সদৃশ
    সঠিক উত্তর:
    সদৃশ
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    সদৃশ
    ব্যাখ্যা
    • ’উপদ্বীপ’ শব্দে ’উপ’ উপসর্গটি ’সদৃশ’ অর্থে ব্যবহৃত হয়।

    - ’উপ’ একটি তৎসম (সংস্কৃত) উপসর্গ।

    ’উপ’ উপসর্গটি অন্য যেসব অর্থে ব্যবহৃত হয়-
    • ’সামীপ্য" অর্থে- উপকূল, উপকণ্ঠ ।
    • ’সদৃশ’ অর্থে- উপদ্বীপ, উপবন।
    • ’ক্ষুদ্র’ অর্থে- উপগ্রহ, উপসাগর, উপনেতা
    • ’বিশেষ’ অর্থে- উপনয়ন (পৈতা), উপভোগ।

    উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম ও দশম শ্রেণি ২০১৯ সালের সংস্করণ।
    ১৪.
    “ভিক্ষুককে দান কর।” – বাক্যটির মিশ্রবাক্য কোনটি?
    1. ভিক্ষুক ভিক্ষা চায়, তাকে দান কর।
    2. যে ভিক্ষা চায়, তাকে দান কর।
    3. ভিক্ষা চাওয়া ভিক্ষুক কে দান কর।
    4. ভিক্ষা চায়, ভিক্ষা দাও।
    সঠিক উত্তর:
    যে ভিক্ষা চায়, তাকে দান কর।
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    যে ভিক্ষা চায়, তাকে দান কর।
    ব্যাখ্যা

    • সরল বাক্য: ভিক্ষুককে দান কর।
    • মিশ্র বাক্য: যে ভিক্ষা চায়, তাকে দান কর।

    • সরল বাক্যকে মিশ্র বাক্যে রূপান্তর:

    - প্রথমে সরল বাক্যের একটি অংশ নির্বাচন করতে হবে যেটিকে খণ্ডবাক্যে রূপান্তর করা যায়।
    - এরপর খণ্ডবাক্যটির শুরুতে বা মাঝে সম্বন্ধসূচক শব্দ ব্যবহার করতে হবে।
    - খণ্ডবাক্য ও প্রধান বাক্যকে সঠিকভাবে যুক্ত করে মিশ্র বাক্য তৈরি করতে হবে।
    - অর্থ যেন স্পষ্ট থাকে, সে বিষয়ে খেয়াল রাখতে হবে।

    • উদাহরণসমূহ:
    • সরল বাক্য: ভালো ছেলেরা শিক্ষকের আদেশ পালন করে।
    • মিশ্র বাক্য: যারা ভালো ছেলে, তারা শিক্ষকের আদেশ পালন করে।

    • সরল বাক্য: তার দর্শনমাত্রই আমরা প্রস্থান করলাম।
    • মিশ্র বাক্য: যেই তার দর্শন পেলাম, সেই আমরা প্রস্থান করলাম।

    উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম ও দশম শ্রেণি ২০১৯ সালের সংস্করণ।

    ১৫.
    নিচের কোনটি তৎসম উপসর্গ?
    1. অজ
    2. অঘা
    3. অপ
    সঠিক উত্তর:
    অপ
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    অপ
    ব্যাখ্যা
    • বাংলা উপসর্গ:
    - বাংলা উপসর্গ মোট একুশটি।
    যথা-
    - অ, অঘা, অজ, অনা, আ, আড়, আন, আব, ইতি, উন (উনা), কদ, কু, নি, পাতি, বি, ভর, রাম, স, সা, সু, হা।

    • তৎসম (সংস্কৃত) উপসর্গ:
    - বাংলা ভাষায় বহু সংস্কৃত শব্দ হুবহু এসে গেছে। সেই সঙ্গে সংস্কৃত উপসর্গও তৎসম শব্দের আগে বসে শব্দের নতুন রূপে অর্থের সংকোচন সম্প্রসারণ করে থাকে।
    - তৎসম উপসর্গ বিশটি:
    যথা-
    - প্র, পরা, অপ, সম, নি, অনু, অব, নির, দুর, বি, অধি, সু, উৎ, পরি, প্রতি, অতি, অপি, অভি, উপ, আ।

    উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, ৯ম-১০ম শ্রেণি, নবম দশম শ্রেণি, ২০২৫ সালের সংস্করণ।
    ১৬.
    'যদি নিয়মিত সাঁতার কাটো, তবে স্বাস্থ্য ভালো থাকবে।' বাক্যটিকে যৌগিক বাক্যে রুপান্তর করলে কী হবে?
    1. নিয়মিত সাঁতার কাটো স্বাস্থ্যের জন্যে ভালো ।
    2. নিয়মিত সাঁতার কাটলে, স্বাস্থ্য ভালো থাকবে।
    3. নিয়মিত সাঁতার কাটো, স্বাস্থ্য ভালো থাকবে।
    4. সাঁতার কাটলে স্বাস্থ্য ভালো থাকবে।
    সঠিক উত্তর:
    নিয়মিত সাঁতার কাটো, স্বাস্থ্য ভালো থাকবে।
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    নিয়মিত সাঁতার কাটো, স্বাস্থ্য ভালো থাকবে।
    ব্যাখ্যা

    • জটিল বাক্য থেকে যৌগিক বাক্যে রুপান্তর:
    - জটিল বাক্যের সাপেক্ষ সর্বনাম ও সাপেক্ষ যোজক বাদ দিয়ে যৌগিক বাক্য তৈরি করতে হয়। যৌগিক বাক্যে একাধিক সমাপিকা ক্রিয়া থাকে।
    যেমন

    - জটিল বাক্য: যখন বিপদ আসে, তখন দুঃখও আসে।
    - যৌগিক বাক্য:বিপদ আসে এবং সঙ্গে দুঃখও আসে।

    - জটিল বাক্য: যদি নিয়মিত সাঁতার কাটো, তবে স্বাস্থ্য ভালো থাকবে।
    - যৌগিক বাক্য: নিয়মিত সাঁতার কাটো, স্বাস্থ্য ভালো থাকবে।

    উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, ৯ম-১০ম শ্রেণি, নবম দশম শ্রেণি, ২০২৫ সালের সংস্করণ।

    ১৭.
    ’এমন ভাবে লিখতে থাকেবে।’-কোন কালের উদাহরণ?
    1. সাধারণ ভবিষ্যৎ
    2. ঘটমান ভবিষ্যৎ
    3. অনুজ্ঞা ভবিষ্যৎ
    4. ঘটমান বর্তমান
    সঠিক উত্তর:
    ঘটমান ভবিষ্যৎ
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    ঘটমান ভবিষ্যৎ
    ব্যাখ্যা
    • ঘটমান ভবিষ্যৎ:
    - যে ক্রিয়া ভবিষ্যৎ কালে চলতে থাকবে বোঝায়, তাকে ঘটমান ভবিষ্যৎ কাল বলে।
    যেমন-
    - আমাদের কাজ আমরা করতে থাকব।
    - এমন ভাবে লিখতে থাকেবে।

    উল্লেখ্য,
    • ভবিষ্যৎ কাল:
    - ভবিষ্যতে যে ক্রিয়া সম্পন্ন হবে তাকে ভবিষ্যৎ কাল বলে।

    • ভবিষ্যৎ কাল তিন প্রকার:
    - সাধারণ ভবিষ্যৎ,
    - ঘটমান ভবিষ্যৎ এবং;
    - অনুজ্ঞা ভবিষ্যৎ।

    উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, ৯ম-১০ম শ্রেণি, ২০২৫ সালের সংস্করণ।