livemcq
livemcq
livemcq · তারিখ অনির্ধারিত · ৩২ প্রশ্ন
ব্যাখ্যা
ব্যাখ্যা
- তিনি আধুনিক বাংলা গীতিকাব্যের প্রথম ও প্রধান কবি।
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর বিহারীলাল চক্রবর্তীকে ভোরের পাখি উপাধিতে আখ্যায়িত করেন।
- সারদামঙ্গল, বঙ্গসুন্দরী ইত্যাদি বিহারীলাল চক্রবর্তী রচিত কাব্য।
উৎস: লাল নীল দীপাবলি (হুমায়ুন আজাদ)
ব্যাখ্যা
উল্লেখযোগ্য গ্রন্থঃ
- সমস্যা ও সমাধান,
- মোস্তফা চরিত,
- আমপারার বঙ্গানুবাদ।
উৎসঃ বাংলাপিডিয়া।
ব্যাখ্যা
আমার দেখা রাজনীতির পঞ্চাশ বছর (১৯৬৮) গ্রন্থটির রচয়িতা আবুল মনসুর আহমদ।
- এটি একটি আত্মজীবনী মূলক বই।
আবুল মনসুর আহমদ রচিত রাজনীতি বিষয়ক আরেকটি গ্রন্থ হলো: ‘শেরে বাংলা থেকে বঙ্গবন্ধু’ (১৯৭৩)।
- আত্মজীবনী – আত্মকথা।
- শিশু সাহিত্যে: মুসলমানী কথা, ছোটদের কাসাসুল আম্বিয়া, গালিভারের সফরনামা।
উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা (ড. সৌমিত্র শেখর)।
ব্যাখ্যা
- তিনি ভ্রমণ কাহিনীর জন্য বিশেষভাবে জনপ্রিয়।
- তাঁর বিখ্যাত ভ্রমণকাহিনীঃ
- দেশে বিদেশে,
- জলে ডাঙ্গায়।
তাঁর বিখ্যাত রম্যরচনাঃ
- পঞ্চতন্ত্র,
- ময়ূরকণ্ঠী,
- বড়বাবু,
- কত না অশ্রুজল।
তাঁর রচিত ছোটগল্পঃ
- চাচা কাহিনী,
- টুনি মেম
[উৎসঃ বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা-ড. সৌমিত্র শেখর।]
ব্যাখ্যা
১০০ টাকায় কমে ১২ টাকা
১ টাকায় কমে ১২/১০০ টাকা
৬০০০ টাকায় কমে (১২ × ৬০০০)/১০০
= ৭২০ টাকা
১ কুইন্টাল বা ১০০ কেজি চালের দাম ৭২০ টাকা
ব্যাখ্যা
ধরি
রাজশাহীর দূরত্ব=x কি.মি.
∴ ক এর সময় লাগে= x/১০ ঘণ্টা
=৬০x/১০ মিনিট
=৬x মিনিট।
খ এর সময় লাগে = x/15 ঘণ্টা
= ৬০x/১৫ মিনিট
=৪x মিনিট।
সময় ব্যাবধান= ১০.১০−৯.৪০
=৩০ মিনিট
∴৬x − ৩০= ৪x
বা,৬x -৪x = ৩০
বা,২x=৩০
∴x=১৫ কি.মি.
অর্থাৎ,রওয়ানা হওয়ার স্থান থেকে রাজশাহীর দুরত্ব ১৫ কি.মি.
ব্যাখ্যা
এখানে
১৯ + ১৪ = ৩৩
৩৩ + ১৪ + ৪ = ৫১
৫১ + ১৮ + ৪ = ৭৩
৭৩ + ২২ + ৪ = ৯৯
ব্যাখ্যা
ধরি
স্ট্যাম্প আউট হয় x জন
কট আউট হয় 3x/2 জন
মোট উইকেট 10টির অর্ধেক বোল্ড আউট হয়
শর্তমতে,
x + (3x/2) + 5 =10
বা, (2x + 3x)/2 = 10 - 5
বা, 5x/2 = 5
∴ x = 2 জন
∴ কট আউট হয় = (3×2)/2
= 3 জন
ব্যাখ্যা
ধরি,
লক্ষবস্তুর দূরত্ব = x মিটার
x মিটার যেতে বুলেটের সময় লাগে x/১৫৪০ সেকেন্ড
x মিটার আসতে শব্দের সময় লাগে x/১১০০ সেকেন্ড
প্রশ্নমতে,
(x/১৫৪০) + (x/১১০০) = ৩
বা, (৫x + ৭x)/৭৭০০ = ৩
বা ,১২x = ৩ × ৭৭০০
বা, ১২x = ২৩১০০
বা, x = ২৩১০০/১২
বা, x = ১৯২৫
ব্যাখ্যা
ধরি,
দুধ = ৫ক লিটার,
পানি = ২ক লিটার
∴ ৫ক-২ক = ৬ লিটার
বা, ৩ক = ৬ লিটার
∴ ক = ২ লিটার
∴ পানির পরিমাণ = ২×২ = ৪ লিটার
ব্যাখ্যা
খ এর বেতন ১০০ টাকা
ক এর বেতন ১৩৫ টাকা
১৩৫ টাকায় খ এর বেতন কম ৩৫ টাকা
১টাকায় খ এর বেতন কম ৩৫/১৩৫ টাকা
∴ ১০০ টাকায় বেতন কম (৩৫×১০০)/১৩৫
= ২৫.৯৩ টাকা
ব্যাখ্যা
প্রথম ৪টির গড় ৫২
প্রথম ৪টি সংখ্যার সমষ্টি = ৪ × ৫২
= ২০৮
শেষ৫টির সংখ্যার গড় ৩৮
শেষ ৫টি সংখ্যার সমষ্টি = ৫ × ৩৮
= ১৯০
∴ ৯টি সংখ্যার সমষ্টি = (২০৮ + ১৯০)
= ৩৯৮
∴পঞ্চম সংখ্যাটি = ৪৬২ - ৩৯৮
= ৬৪
ব্যাখ্যা
((x + 3)(x - 3))/(x² - 6)
= (x² - 9)/(x² - 6)
= (x² - 6 - 3)/(x² - 6)
= {(x² - 6) - 3}/(x²- 6)
= - 3
বিকল্প:
(x + 3) (x - 3) = x2 - 9
x2 - 6) x2 - 9 (1
x2 - 6
--------
- 3
∴ ভাগশেষ = - 3
ব্যাখ্যা
a³-b³=(a-b)³+3ab(a-b)
⇒513=3³+3ab(3)
⇒9ab=513-27=486
∴ab=54
ব্যাখ্যা
কাঁটার মধ্যবর্তী কোণ = ।(১১ × ১৫ - ৬০ × ২)/২।°
= ।(১৬৫ - ১২০)/২।°
=।৪৫/২।°
=২২.৫°
ব্যাখ্যা
যশোর ও রংপুর অঞ্চলের অধীনস্থ যশোর, ঝিনাইদহ, কুষ্টিয়া, চুয়াডাঙ্গা, রংপুর ও রাজশাহী এলাকায় সবচেয়ে বেশি তুলা হয়।
উৎসঃ cdb.jessore.gov.bd
অপশনে দ্বৈত উত্তর থাকায় বাতিল করা হয়েছে।
ব্যাখ্যা
- ইউরিয়া সার জমিতে নাইট্রোজেনের অভাব পূরণ করে।
- বাংলাদেশে কৃষিক্ষেত্রে বিভিন্ন সারের মধ্যে ইউরিয়া সারের ব্যবহার সবচেয়ে বেশি হয়।
(তথ্যসূত্রঃ ভুগোল ও পরিবেশ : নবম-দশম শ্রেণী এবং বিসিআইসি ওয়েবসাইট)
ব্যাখ্যা
- মধুপুর ও ভাওয়ালের বনভূমি ক্রান্তীয় পতনশীল পত্রযুক্ত বৃক্ষের বনভূমির অন্তর্ভুক্ত। এর আয়তন প্রায় ৮৭৫ বর্গ কিলোমিটার। শাল জাতীয় এক ধরনের গজারী এ বনভূমির প্রধান বৃক্ষ।
- পার্বত্য চট্টগ্রামের বনভূমির প্রধান বৃক্ষ গর্জন, জারুল, শিমুল, গামার ইত্যাদি।
- উপকূলীয় অঞ্চল যেমন - খুলনা, বরিশাল ও পটুয়াখালীর বনভূমির প্রধান বৃক্ষ গেওয়া, ধুন্দল, কেওড়া ইত্যাদি।
উৎসঃ বাংলাদেশ বন বিভাগের ওয়েবসাইট।
ব্যাখ্যা
ব্যাখ্যা
কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ-২০২০ অনুযায়ী:
- মোট আবাদযোগ্য জমি - ৩ কোটি ৯৬ লক্ষ ৭৮ হাজার একর
- মোট আবাদী জমি - ২ কোটি ৮১ হাজার একর
- এক ফসলি জমি - ৫২.১৬ লক্ষ একর
- দুই ফসলি জমি - ১০১.৯৪ লক্ষ একর
- তিন ফসলি জমি - ৪৬.১৩ লক্ষ একর
- চার ফসলি জমি – ৫৬ হাজার একর
ব্যাখ্যা
(misbranded) ও নিম্নমানের ঔষধ ও মেডিকেল ডিভাইস প্রস্তুত, বিক্রয় ও বিতরণ
নিষিদ্ধ করা এবং অনুরূপ কর্মকাণ্ডের জন্য দায়ী ব্যক্তিদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি প্রদান করার বিষয়টি উল্লেখ রয়েছে ।
উৎসঃ dgda.gov.bd
ব্যাখ্যা
ব্যাখ্যা
তবুও সঠিক উত্তরটি জেনে রাখতে পারেন।
সাউথ কমিশনের তৎকালীন চেয়ারম্যান ছিলেন - জুলিয়াস নায়ারে।
তিনি কমিশনটির প্রথম চেয়ারম্যান এবং তিনি তাঞ্জানিয়ার সাবেক প্রেসিডেন্ট।
ব্যাখ্যা
ব্যাখ্যা
মুসলমান, ইহুদি আর খ্রিস্টান; তিন ধর্মের মানুষের কাছেই পবিত্র এক নগরী জেরুজালেম।
যা দখল করে নিজেদের রাজধানী হিসেবে দাবি করে আসছে ইসরায়েল।
অন্যদিকে মুসলমানদের স্বাধীন ফিলিস্তিন রাষ্ট্রের স্বপ্নও এই জেরুসালেমকে ঘিরেই।
Source: www.nationalgeographic.com
ব্যাখ্যা
- এটি আসিয়ান জোটের সদস্যদের একটি বাণিজ্যিক গোষ্ঠী।
- চুক্তিটি স্বাক্ষরিত হয় ১৯৯২ সালের ২৮ জানুয়ারি সিঙ্গাপুরে।
- এর সদস্য দেশ ১০টি।
উৎসঃ আসিয়ানের ওয়েবসাইট।
ব্যাখ্যা
ইস্পাত লোহা ও কার্বনের একটি সংকর ধাতু যাতে মান ভেদে মোট ওজনের ০.২% থেকে ২.১% কার্বন থাকে।
এছাড়া, ম্যাংগানিজ, ক্রোমিয়াম, ভ্যানাডিয়াম এবং ট্যাংস্টেন লোহার সাথে মিশিয়ে ইস্পাত তৈরী করা যায়।
ব্যাখ্যা
এর কারণগুলো হল:
1) মাইক্রোওয়েভ তরঙ্গ অত্যন্ত উচ্চ ফ্রিকোয়েন্সির (সাধারণত 300 MHz থেকে 300 GHz) হওয়ায় এটি সরল রেখায় চলে।
2) দুটি মাইক্রোওয়েভ টাওয়ারের মধ্যে সরাসরি দৃষ্টিরেখা (Line of Sight) থাকা আবশ্যক।
3) এই পদ্ধতিতে অন্যান্য মাধ্যম যেমন ক্যাবল বা ওয়েভগাইডের প্রয়োজন হয় না।
4) আয়নোস্ফিয়ার প্রতিফলনের প্রয়োজন নেই, কারণ মাইক্রোওয়েভ তরঙ্গ আয়নোস্ফিয়ার ভেদ করে যায়।
এই কারণে বাংলাদেশে এবং বিশ্বের অন্যান্য দেশে মাইক্রোওয়েভ টেলিযোগাযোগ ব্যবস্থায় টাওয়ারগুলি এমনভাবে স্থাপন করা হয় যাতে তাদের মধ্যে সরাসরি দৃষ্টিরেখা (Line of Sight) বজায় থাকে এবং সিগন্যাল খোলা আকাশের মধ্য দিয়ে সরল রেখায় যেতে পারে।
ব্যাখ্যা
অর্থাৎ, স্টোরেজ ব্যাটারি সংযুক্ত থাকলে সৌরকোষের বিদ্যুৎ রাতেও ব্যবহার করা সম্ভব।
ব্যাখ্যা
প্রথমেই দেখা যাক বৈদ্যুতিক পাখা কীভাবে ঘোরে:
একটি পাখায় একটি বৈদ্যুতিক মোটর এবং কয়েকটি ধাতব ব্লেড (সাধারণত ৩টি), সংযুক্ত থাকে। যখন আমরা একটি পাখার সুইচ অন করি, তখন ভোল্টেজের পার্থক্যের জন্য মোটরটির মধ্য দিয়ে বিদ্যুৎ যায় এবং তার ফলাফল হিসাবেই পাখাটি ঘুরতে থাকে। নিয়ন্ত্রক বা রেগুলেটর মোটরের ভোল্টেজ নিয়ন্ত্রণ করে এবং মোটরের মধ্য দিয়ে প্রবাহিত বিদ্যুতের পরিমাণ কমিয়ে বা বাড়িয়ে দেয়।
সুতরাং, একটি পাখার ভোল্টেজর মাত্রা নিয়ন্ত্রণ সম্পূর্ণরূপে তার নিয়ন্ত্রক বা রেগুলেটরের ওপর নির্ভরশীল। আর একটি পাখার ভোল্টেজের পরিমাণ তার ঘূর্ণন গতির সমানুপাতী, অর্থাৎ ভোল্টেজ যত বাড়বে, পাখার গতিও ততটাই বাড়বে।
এখন, বিভিন্ন রেগুলেটর ও তাদের কর্মপদ্ধতি নিয়ে আলোচনা করা যাক:
এই মুহূর্তে, বাজারে মোটামুটি দুই ধরনের রেগুলেটর পাওয়া যায়—
১) ইলেক্ট্রিক রেগুলেটর (Electric Regulator): এই রেগুলেটরগুলিতে পাখার ভোল্টেজ হ্রাস করার জন্য রোধ বসানো থাকে। যখন পাখার ভোল্টেজ কমানো হয় তখন রোধটি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে আর বিদ্যুৎ সরবরাহ কমার কারণে পাখার গতিও কমে যায়। কিন্তু এর ফলে পাখার ভোল্টেজ তথা গতি কমিয়ে যে বিদ্যুৎ বাঁঁচানো হয়, সেই বিদ্যুৎ এই রোধ-মধ্যস্থ তাপশক্তিতে রূপান্তরিত হয়ে যায়। অর্থাৎ শেষ পর্যন্ত, এই রেগুলেটরের মাধ্যমে পাখার গতি কমিয়ে বিদ্যুৎ খরচ বিশেষ কমে না বললেই চলে।ফলে ইলেকট্রিক্যাল রেগুলেটর ব্যবহার করলে ফ্যানের গতি কম-বেশির সাথে রেগুলেটর লস যথাক্রমে বেশি ও কম হয় ফলে বৈদ্যুতিক পাখার গতি যাই হোক, বিদ্যুৎ খরচ প্রায় একই হয়।
২) ইলেকট্রনিক রেগুলেটর (Electronic Regulator): এই রেগুলেটরগুলিতে পাখার ভোল্টেজ হ্রাস করার জন্য মূলতঃ ট্রায়াক থাকে যার গেটে ট্রিগার নিয়ন্ত্রণ করে ফ্যানের ভোল্টেজের সাইন ওয়েভকে নিয়ন্ত্রণ করা হয় এবং ভোল্টেজের আরএমএস ভ্যালুকে পরিবর্তণ করে ফ্যানের গতি নিয়ন্ত্রণ করা হয়। এইগুলি কখনই গরম হয়ে ওঠে না, ফলে পাখা যখন কম গতিতে চলে তখন যথেষ্ট বিদ্যুৎ সাশ্রয় হয়। সাধারণত ইলেকট্রনিক রেগুলেটরগুলি ইলেক্ট্রিক রেগুলেটরগুলির থেকে প্রায় ৪০ শতাংশ বেশী বিদ্যুতসাশ্রয়ী।
তাই সবশেষে বলা যেতে পারে, বৈদ্যুতিক পাখা কম গতিতে চালালে বিদ্যুৎ খরচ তখনই কম হবে যখন ইলেক্ট্রিক রেগুলেটরের পরিবর্তে ইলেকট্রনিক রেগুলেটর ব্যবহৃত হবে।