পরীক্ষা আর্কাইভ

শিক্ষক নিবন্ধন (NTRCA) প্রস্তুতি [১৯তম]

পরীক্ষাশিক্ষক নিবন্ধন (NTRCA) প্রস্তুতি [১৯তম]তারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়09 minutes
মোট প্রশ্ন১১
সিলেবাস
"পরীক্ষা – ২৭ বিষয়: সাধারণ জ্ঞান (বাংলাদেশ বিষয়াবলি) টপিক: আন্তর্জাতিক সম্পর্ক-এ বাংলাদেশ, বিভিন্ন সংস্থায় বাংলাদেশের সদস্যপদ, বাংলাদেশের মানব সম্পদ উন্নয়ন (প্রবাসী প্রেরণ ও প্রবাসী আয় পরিস্থিতি)। উৎস: বোর্ড বই [NCTB ও উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়], ব্রিটানিকা, হিস্টরি.কম, সংশ্লিষ্ট ওয়েবসাইট, বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা, বাজেট এবং যেকোনো গাইডবই। [গাইড বই থেকে পড়ার ক্ষেত্রে কনফিউজিং বিষয়গুলো ক্রসচেক করে পড়া উত্তম।] "
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

শিক্ষক নিবন্ধন (NTRCA) প্রস্তুতি [১৯তম]

শিক্ষক নিবন্ধন (NTRCA) প্রস্তুতি [১৯তম] · তারিখ অনির্ধারিত · ১১ প্রশ্ন

.
বাংলাদেশ কমনওয়েলথ-এর কততম সদস্য?
  1. ২৯তম
  2. ৩২তম
  3. ৩৩তম
  4. ৩৪তম
ব্যাখ্যা
কমনওয়েলথ (Commonwealth):
- কমনওয়েলথ মূলত ব্রিটেনের সাবেক উপনিবেশিক দেশগুলোর একটি রাজনৈতিক জোট।
- এটি ১৯৪৯ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- এর সিদ্ধান্ত গৃহীত হয় সর্বসম্মতিক্রমে।
- বর্তমান সদস্য ৫৬টি।
- সদরদপ্তর: মার্লবোরো হাউস, লন্ডন।
- এর প্রধান: রাজা তৃতীয় চার্লস।

⇒ বাংলাদেশ-এর ৩২তম সদস্য দেশ হিসেবে ১৮ এপ্রিল, ১৯৭২ সালে যোগ দেয়।


উৎস: Commonwealth ওয়েবসাইট।
.
বাংলাদেশ IDA-এর কততম সদস্য?
  1. ১০৮তম
  2. ১০৯তম
  3. ১১৭তম
  4. ১১৮তম
ব্যাখ্যা
বিশ্বব্যাংক গ্রুপ:
- IBRD সাধারণত বিশ্বব্যাংক নামে পরিচিত।
- IBRD এর পূর্ণরূপ হলো: International Bank for Reconstruction and Development.
- ১৯৪৪ সালের ব্রেটন উডস সম্মেলনের মাধ্যমে IBRD এর আত্মপ্রকাশ ঘটে।
- বিশ্বব্যাংক ৫টি আর্থিক প্রতিষ্ঠানের সমন্বয়ে গঠিত।
- প্রতিষ্ঠানগুলো হলো:
1. International Bank for Reconstruction and Development (IBRD).
2. International Finance Corporation (IFC).
3. Multilateral Investment Guarantee Agency (MIGA).
4 International Center for Settlement of Investment Disputes (ICSID).
5.International Development Association (IDA).

⇒ IDA:
- IDA-এর পূর্ণরূপ: International Development Association.
- যেসব দেশ IBRD থেকে ঋণ পায় না, IDA তাদের সহজ শর্তে ঋণ প্রদান করে থাকে।
- এজন্যে এটি Soft Loan Window নামে পরিচিত।
- IDA ১৯৬০ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- এটির বর্তমান সদস্য সংখ্যা ১৭৪টি।
- সর্বশেষ সদস্য বুলগেরিয়া।
- IDA সদস্য দেশগুলোর যথাক্রমে বেসরকারি খাতের উন্নয়নে এবং বহুপাক্ষিক বিনিয়োগে গ্যারান্টি প্রদান করে থাকে।

উল্লেখ্য,
- বাংলাদেশ ১৯৭২ সালের ১৭ আগস্ট IDA এর সদস্যপদ লাভ করে।
- বাংলাদেশ IDA থেকে সবচেয়ে বেশি সাহায্য পায়।
- বাংলাদেশ IDA-১০৯তম এবং World Bank-এর ১১৮তম সদস্য।

উৎস: World Bank ওয়েবসাইট।
.
বাংলাদেশ CTBT অনুমোদন করে -
  1. ১৯৯৬ সালে
  2. ১৯৯৮ সালে
  3. ১৯৯৯ সালে
  4. ২০০০ সালে
ব্যাখ্যা
CTBTO:
- পারমাণবিক অস্ত্রের পরীক্ষা নিষিদ্ধকরণ সংস্থা CTBTO।
- পারমাণবিক পরীক্ষা-নিষেধাজ্ঞা চুক্তি, আনুষ্ঠানিকভাবে বায়ুমণ্ডলে, মহাকাশে এবং পানির নিচে পারমাণবিক অস্ত্র পরীক্ষা নিষিদ্ধ করার চুক্তি।
- মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, সোভিয়েত ইউনিয়ন এবং যুক্তরাজ্যের দ্বারা ৫ আগস্ট, ১৯৬৩ সালে মস্কোতে এই চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।
- এর সদরদপ্তর: ভিয়েনা, অস্ট্রিয়া।
- বর্তমান নির্বাহী প্রধান: রবার্ট ফ্লয়েড।

⇒ CTBT:
- CTBT-এর পূর্ণরূপ: Comprehensive Nuclear Test Ban Treaty.
- এই চুক্তির উদ্দেশ্য হলো সামরিক-বেসামরিক সকল পারমাণবিক পরীক্ষা নিষিদ্ধকরণ।
- জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদ CTBT চুক্তিটি গ্রহণ করে: ১০ সেপ্টেম্বর, ১৯৯৬।
- স্বাক্ষরিত হয়: ২৪ সেপ্টেম্বর, ১৯৯৬।
- স্বাক্ষরিত দেশ: ১৮৭টি।
- অনুমোদিত দেশ: ১৭৮টি।

⇒ বাংলাদেশ CTBT স্বাক্ষর করে ২৪ অক্টোবর, ১৯৯৬ সালে (দক্ষিণ এশিয়ায় ১ম)।
- বাংলাদেশ ৫৪তম দেশ হিসেবে CTBT অনুমোদন করে ৮ মার্চ, ২০০০ সালে।

উৎস: Arms Control Association ওয়েবসাইট।
.
কোন সংস্থা বাংলাদেশকে নিম্ন মধ্যম আয়ের দেশের তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করে?
  1. IMF
  2. WTO
  3. UNDP
  4. World Bank
ব্যাখ্যা
নিম্ন মধ্যম আয়ের দেশ:
- বিশ্বব্যাংক মধ্যম আয়ের দেশগুলোকে দুটি শ্রেণিতে ভাগ করেছে।
- একটি হচ্ছে নিম্ন মধ্যম আয়ের দেশ, অন্যটি উচ্চ মধ্যম আয়ের দেশ।
- প্রতিবছর ১ জুলাই বিশ্বব্যাংক আনুষ্ঠানিকভাবে মাথাপিছু মোট জাতীয় আয় অনুসারে দেশগুলোকে চারটি আয় গ্রুপে ভাগ করে।
- যাদের মাথাপিছু জাতীয় আয় ১ হাজার ৪৫ ডলার বা তার নিচে, তাদের বলা হয় নিম্ন আয়ের দেশ।
- বাংলাদেশ স্বাধীনতার পর থেকে এ তালিকাতেই ছিল।

উল্লেখ্য,
- ১ জুলাই, ২০১৫ তারিখে বিশ্বব্যাংক বাংলাদেশকে নিম্ন মধ্যম আয়ের দেশ হিসাবে ঘোষণা করেছে। 

উৎস: ২ জুলাই, ২০১৫, প্রথম আলো।
.
বাংলাদেশ কত সালে WIPO-এর সদস্যপদ লাভ করে?
  1. ১৯৭৪ সালে
  2. ১৯৭৫ সালে
  3. ১৯৮৪ সালে
  4. ১৯৮৫ সালে
ব্যাখ্যা
WIPO:
- WIPO-এর পূর্ণরূপ: World Intellectual Property Organization.
- WIPO হলো জাতিসংঘের বুদ্ধিবৃত্তিক সম্পদ বিষয়ক বৈশ্বিক সংস্থা।
- প্রতিষ্ঠিত হয়: ১৪ জুলাই, ১৯৬৭ সালে।
- কার্যকর হয়: ১৯৭০ সালে।
- জাতিসংঘের বিশেষায়িত সংস্থার অন্তর্ভুক্ত হয় ১৯৭৪ সালে।
- সংশোধিত হয়: ১৯৭৯ সালে।
- বর্তমান সদস্য: ১৯৩টি।
- সদর দপ্তর: জেনেভা, সুইজারল্যান্ড।
- বর্তমান মহাপরিচালক: ড্যারেন ট্যাং (সিঙ্গাপুর)।

⇒ মূল উদ্দেশ্য বিশ্বব্যাপী সৃজনশীল বা সৃষ্টিশীল কর্মকান্ডকে উৎসাহিত করা।
- WIPO ভৌগলিক নির্দেশক পণ্যের স্বীকৃতি দেয়।

উল্লেখ্য,
- বাংলাদেশ ১৯৮৫ সালের ১১ মে WIPO এর সদস্যপদ লাভ করে।

উৎস: WIPO ওয়েবসাইট।
.
বাংলাদেশ ও মিয়ানমারের মধ্যে সমুদ্রসীমা বিরোধ নিষ্পত্তি হয় যে সংস্থার মাধ্যমে -
  1. Permanent Court of Arbitration
  2. International Tribunal for the Law of the Sea
  3. International Tribunal of Justice
  4. উপরের কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের সমুদ্র বিজয়:
- একদিকে নিকটতম প্রতিবেশী ভারত, অন্যদিকে মিয়ানমার।
- এ দুই প্রতিবেশীর সমুদ্রসীমার দাবিতে সাগরে অবরুদ্ধ অবস্থায় পড়েছিল বাংলাদেশ।
- কিন্তু বাংলাদেশ ওই দুই দেশের সঙ্গে সুসম্পর্ক রেখে আন্তর্জাতিক আদালতে গেছে এবং সেখানে নিজের অধিকার প্রতিষ্ঠা করেছে।
- ২০১২ সালে সমুদ্র আইন বিষয়ক আন্তর্জাতিক আদালতের রায়ে সাগরের ৮০ হাজার বর্গকিলোমিটার বিরোধপূর্ণ এলাকার মধ্যে ৭০ হাজার বর্গকিলোমিটার পেয়েছে বাংলাদেশ।
- সমুদ্র আইন বিষয়ক আন্তর্জাতিক আদালত বাংলাদেশকে বঙ্গোপসাগরের ৬৮৫ বর্গকিলোমিটার একচ্ছত্র অর্থনৈতিক অঞ্চল এবং এর বাইরে মহীসোপানে প্রবেশেরও সুযোগ দেয়।
- ২০১৪ সালে জাতিসংঘের স্থায়ী সালিসি আদালতে ভারতের সঙ্গে বিরোধপূর্ণ ২৫ হাজার ৬০২ বর্গকিলোমিটার সাগর এলাকার মধ্যে ১৯ হাজার ৪৬৭ বর্গকিলোমিটার এলাকায় বাংলাদেশের অধিকার প্রতিষ্ঠিত হয়।
- দুটি আদালতই রায় দিয়েছেন ‘ন্যায্যতার (ইকুইটি)’ ভিত্তিতে।

⇒ বাংলাদেশ বনাম মিয়ানমার:
- ২০১২ সালের ১৪ মার্চ জার্মানিতে অবস্থিত সমুদ্র আইন বিষয়ক আন্তর্জাতিক ট্রাইব্যুনালে (International Tribunal for the Law of the Sea- ITLOS) এই মামলার রায় দেয়া হয়।
- রায় অনুসারে বাংলাদেশ তার উপকূল থেকে ২০০ নটিক্যাল মাইল পর্যন্ত বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চলে অধিকার প্রতিষ্ঠা করে।
- এছাড়াও সমুদ্রে অবস্থিত ২৮টি ব্লকের মধ্যে ১৮টি ব্লকের মালিকানা বাংলাদেশ পায়।

উৎস: i) বাংলাদেশ ওশানোগ্রাফিক রিসার্চ ইনস্টিটিউট ওয়েবসাইট।
ii) ITLOS ওয়েবসাইট।
.
বাংলাদেশ NAM-এর কততম শীর্ষ সম্মেলনে প্রথম অংশগ্রহণ করে?
  1. ৪র্থ শীর্ষ সম্মেলন
  2. ৫ম শীর্ষ সম্মেলন
  3. ৬ষ্ঠ শীর্ষ সম্মেলন
  4. ৭ম শীর্ষ সম্মেলন
ব্যাখ্যা
NAM:
- NAM-এর পূর্ণরূপ: Non-Aligned Movement বা জোট-নিরপেক্ষ আন্দোলন।
- এটি উন্নয়নশীল দেশগুলির স্বার্থ এবং আকাঙ্ক্ষার প্রতিনিধিত্ব করার জন্য নিবেদিত আন্তর্জাতিক সংস্থা।
- এটি একটি আন্তর্জাতিক সংগঠন যা তৃতীয় বিশ্বের দেশগুলোর স্বার্থ এবং আকাঙ্ক্ষার প্রতিনিধিত্ব করার জন্য গঠিত হয়।
- এটি দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর স্নায়ুযুদ্ধকালীন পুঁজিবাদী দেশসমূহের জোট ন্যাটো এবং সমাজতান্ত্রিক দেশসমূহের জোট ওয়ারশ থেকে নিরপেক্ষ হিসাবে আন্দোলনের জন্য প্রতিষ্ঠিত হয়।
- ১৯৫৫ সালের ১৮-২৪ এপ্রিল বান্দুং কনফারেন্সের প্রেক্ষিতে ন্যাম গঠিত হয়।
- ১৯৬১ সালে পুরোনো যুগোস্লাভিয়ার রাজধানী বেলগ্রেড-এ জন্ম হয় জোটনিরপেক্ষ আন্দোলনের।
- প্রথম কনফারেন্স হয় বেলগ্রেড, ১৯৬১ সালের ১ থেকে ৬ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত।
- প্রতিষ্ঠিত হয়: ১ সেপ্টেম্বর, ১৯৬১।
- বর্তমান সদস্য: ১২১টি।
- চেয়ারম্যান: ইলহাম ইলিয়েভ।
- ন্যামের প্রথম প্রেসিডেন্ট: ইয়োসিপ ব্রোজ টিটো (মার্শাল টিটো)।

উল্লেখ্য,
- ১৯৭৩ সালের ৫ থেকে ৯ সেপ্টেম্বর আলজেরিয়ার রাজধানী আলজিয়ার্সে অনুষ্ঠিত হয় জোটনিরপেক্ষ আন্দোলনের (ন্যাম) চতুর্থ শীর্ষ সম্মেলন। 
- বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নেতৃত্বে বাংলাদেশ প্রতিনিধি দল আলজিয়ার্সে অনুষ্ঠিত ন্যাম-এর ৪র্থ শীর্ষ সম্মেলনে অংশগ্রহণ করে।
- এতে প্রথমবারের মতো যোগ দিয়ে ক্ষুধা ও দারিদ্রমুক্ত বিশ্ব প্রতিষ্ঠার আহ্বান জানায় বাংলাদেশ।
- সদ্য-স্বাধীন বাংলাদেশের জন্য এ সম্মেলনটি ছিল নানা কারণেই গুরুত্বপূর্ণ।
- জাতিসংঘের সদস্যপদ পাওয়ার ক্ষেত্রে এই সম্মেলন শেষে ঘোষণাপত্রে জোটনিরপেক্ষ দেশগুলো তাদের সমর্থন দেয় বাংলাদেশকে।
- ১৯৭৩ সালের সেই সম্মেলনে বঙ্গবন্ধুর সফরসঙ্গী ছিলেন বিশিষ্ট সাংবাদিক ও অমর একুশের ‘আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো’ গানের রচয়িতা আবদুল গাফফার চৌধুরী।

উৎস: NAM ওয়েবসাইট।
.
বাংলাদেশ ইসলামি সহযোগিতা সংস্থার সদস্যপদ লাভ করে -
  1. ১৯৭২ সালে
  2. ১৯৭৩ সালে
  3. ১৯৭৪ সালে
  4. ১৯৭৫ সালে
ব্যাখ্যা
OIC:
- OIC-এর পূর্ণরূপ: The Organisation of Islamic Cooperation.
- এটি একটি ইসলামি সহযোগিতা সংস্থা।
- এটি মুসলিম দেশগুলোর একটি রাজনৈতিক জোট।
- গঠিত হয়: ২৫ সেপ্টেম্বর, ১৯৬৯, মরক্কোতে অনুষ্ঠিত রাবাত সম্মেলনের মাধ্যমে।
- ইসরাইল কর্তৃক আল আকসা মসজিদে অগ্নিসংযোগের প্রেক্ষাপটে OIC গঠিত হয়।
- প্রথম শীর্ষ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়: রাবাত, মরক্কো (১৯৬৯ সালে)।

⇒ প্রতিষ্ঠাকালীন সদস্য: ২৪টি।
- বর্তমান সদস্য: ৫৭টি।
- সদরদপ্তর: জেদ্দা, সৌদি আরব।
- বর্তমান মহাসচিব: ইব্রাহিম তাহা।
- এর অফিসিয়াল ভাষা: আরবি, ইংরেজি এবং ফরাসি।

উল্লেখ্য,
- বাংলাদেশ OIC-এর সদস্যপদ লাভ করে ১৯৭৪ সালে। 

উৎস: OIC ওয়েবসাইট।
.
বাংলাদেশ প্রথম জাতিসংঘের কোন সংস্থার সদস্যপদ লাভ করে?
  1. FAO
  2. ILO
  3. IMO
  4. WHO
ব্যাখ্যা
WHO:
- WHO-এর পূর্ণরূপ: World Health Organization.
- WHO জাতিসংঘের বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা।
- প্রতিষ্ঠিত হয়: ৭ এপ্রিল, ১৯৪৮।
- বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মহাপরিচালক: টেড্রোস আধানম গেব্রেইসাস।
- সদরদপ্তর: জেনেভা, সুইজারল্যান্ড।
- বর্তমান সদস্য: ১৯৪টি।
- প্রতিষ্ঠাকালীন সদস্য: ৬১টি দেশ।
- প্রতিষ্ঠাকালীন সম্মেলন: জাতিসংঘের উদ্যোগে International Health Conference।

⤇ ২২ জুলাই, ১৯৪৬ সালে অনুষ্ঠিত International Health Conference -তে ৬১টি দেশ বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার সনদ স্বাক্ষর করে।
- এর ২ বছর পর আনুষ্ঠানিকভাবে WHO এর যাত্রা শুরু হয়।

⇒ প্রতিবছর ৭ এপ্রিল ‘বিশ্ব স্বাস্থ্য দিবস’ পালিত হয়।

উল্লেখ্য,
- ১৯ মে, ১৯৭২ সালে বাংলাদেশ বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (WHO) সদস্যপদ লাভের মাধ্যমে জাতিসংঘ পরিবারের সাথে যুক্ত হয়।

অন্যদিকে -
- বাংলাদেশ আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থা (ILO) এর সদস্যপদ লাভ করে ২২ জুন, ১৯৭২।
- বাংলাদেশ খাদ্য ও কৃষি সংস্থা (FAO) এর সদস্যপদ লাভ করে ১৩ নভেম্বর ১৯৭৩।
- বাংলাদেশ ১৯৭৬ সালে IMO এর সদস্যপদ লাভ করে।

উৎস: WHO ওয়েবসাইট।
১০.
বাংলাদেশ স্থলমাইন নিষিদ্ধকরণ চুক্তি অনুমোদন করে -
  1. ১৯৯৮ সালে
  2. ১৯৯৯ সালে
  3. ২০০০ সালে
  4. ২০০১ সালে
ব্যাখ্যা
স্থলমাইন নিষিদ্ধকরণ চুক্তি (Anti-Personnel Landmines Convention):
- এর আরেক নাম অটোয়া চুক্তি।
- চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়: ১৮ সেপ্টেম্বর, ১৯৯৭ সালে।
- কার্যকর হয়: ১ মার্চ, ১৯৯৯ সালে।
- স্বাক্ষরের স্থান: অটোয়া, কানাডা।
- স্বাক্ষরকারী দেশ: ১৬৪টি।

⇒ এর উদ্দেশ্য হলো Anti-Personnel Landmines বা স্থলমাইন ব্যবহার, মজুদ, উৎপাদন ও পরিবহন নিষিদ্ধ।

⇒ বাংলাদেশ এই চুক্তি স্বাক্ষর করে: ৭ মে, ১৯৯৮ সালে।
- চুক্তি অনুমোদন করে: ৬ সেপ্টেম্বর, ২০০০ সালে।

উৎস: Arms Control Association ওয়েবসাইট।
১১.
বাংলাদেশ কত সালে Interpol-এর সদস্যপদ লাভ করে?
  1. ১৯৭৪ সালে
  2. ১৯৭৬ সালে
  3. ১৯৭৭ সালে
  4. ১৯৭৮ সালে
ব্যাখ্যা
ইন্টারপোল (Interpol):
- Interpol-এর পূর্ণরূপ: International Criminal Police Organization.
- অপরাধীদের সনাক্তকরণ এবং গ্রেপ্তার করতে বিশ্বের দেশগুলো পরস্পরকে সহযোগিতা লক্ষ্যে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে এ আন্তর্জাতিক সংস্থা।
- প্রতিষ্ঠিত হয়: ৭ সেপ্টেম্বর, ১৯২৩ (ভিয়েনা, অস্ট্রিয়া)।
- বর্তমান সভাপতি: আহমেদ নাসের আল-রাইসি (সংযুক্ত আরব আমিরাত)।
- সদর দপ্তর: লিঁও, ফ্রান্স।
- ইন্টারপোলের ভাষা: ইংরেজি, ফরাসি, স্প্যানিশ ও আরবি।
- সদস্য সংখ্যা: ১৯৬টি।
- সর্বশেষ সদস্য: পালাউ।

উল্লেখ্য,
- বাংলাদেশ ইন্টারপোলের সদস্যপদ লাভ করে: ১৪ অক্টোবর, ১৯৭৬।

উৎস: Interpol ওয়েবসাইট।