পরীক্ষা আর্কাইভ

ফ্রি সাপ্তাহিক মডেল টেস্ট

পরীক্ষাফ্রি সাপ্তাহিক মডেল টেস্টতারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়01 hr 30 mins
মোট প্রশ্ন১৫৮
সিলেবাস
"Award Mania: Season - 14” এর জন্য প্রযোজ্য -------------------------------------------- ৪৭তম বিসিএস ফাইনাল মডেল টেস্ট⎯১০ [ফ্রি সাপ্তাহিক মডেল টেস্ট]
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

ফ্রি সাপ্তাহিক মডেল টেস্ট

ফ্রি সাপ্তাহিক মডেল টেস্ট · তারিখ অনির্ধারিত · ১৫৮ প্রশ্ন

.
একটি গামলার ৭/৮ অংশ পানি দ্বারা পূর্ণ থাকলে তার ওজন ২১ কেজি হয় এবং ৩/৪ অংশ পানি পূর্ণ থাকলে তার ওজন ১৯ কেজি হয়। ঐ গামলার ওজন কত?
  1. ৯ কেজি
  2. ৭ কেজি
  3. ৫ কেজি
  4. ১০ কেজি 
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: একটি গামলার ৭/৮ অংশ পানি দ্বারা পূর্ণ থাকলে তার ওজন ২১ কেজি হয় এবং ৩/৪ অংশ পানি পূর্ণ থাকলে তার ওজন ১৯ কেজি হয়। ঐ গামলার ওজন কত?

সমাধান:
ধরি,
গামলার ওজন = x কেজি
এবং পূর্ণ পানির ওজন = y কেজি।

প্রথম শর্ত অনুযায়ী,
গামলার ৭/৮  অংশ পানি দ্বারা পূর্ণ থাকলে মোট ওজন = x + (৭/৮)y = ২১  কেজি। ........(1)

দ্বিতীয় শর্ত অনুযায়ী,
গামলার ৩/৪​ অংশ পানি দ্বারা পূর্ণ থাকলে মোট ওজন = x + (৩/৪)y = ১৯ কেজি। ........(2)

এখন (1) - (2) করে পাই, 
⇒ x + (৭/৮)y - {x + (৩/৪)y} = ২১ - ১৯ 
⇒ y{(৭/৮) - (৩/৪)} = ২ 
⇒ y(৭ - ৬)/৮ = ২ 
∴ y = ১৬ 

এখন y এর মান 1 নং এ বসিয়ে পাই, 
⇒ x + (৭/৮) × ১৬ = ২১
⇒ x + ১৪ = ২১ 
⇒ x = ২১ - ১৪ 
∴ x = ৭ কেজি 

সুতরাং, ঐ গামলার ওজন ৭ কেজি । 

.
2√2x3 + 125 এর সঠিক উৎপাদকের বিশ্লেষণ কোনটি?
  1. (2x - 5)(x2 - 5√2x + 25)
  2. (√3x + 5)(3x2 + 5√3x + 25)
  3. (√2x + 5)(2x2 - 5√2x - 25)
  4. (√2x + 5)(2x2 - 5√2x + 25)
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: 2√2x3 + 125 এর সঠিক উৎপাদকের বিশ্লেষণ কোনটি?

সমাধান:
দেওয়া আছে,
2√2x3 + 125
= (√2x)3 + (5)3     ;[a3 + b3 = (a + b)(a2 - ab + b2)]
= (√2x + 5){(√2x)2 - √2x . 5 + 52}
= (√2x + 5)(2x2 - 5√2x + 25)

.
P(A) = 1/8 এবং P(B) = 3/4; A ও B দুটি স্বাধীন ঘটনা হলে P(B/A) = কত?
  1. 3/4
  2. 3/32
  3. 5/12
  4. 4/3
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: P(A) = 1/8 এবং P(B) = 3/4; A ও B দুটি স্বাধীন ঘটনা হলে P(B/A) = কত?

সমাধান:
A ও B স্বাধীন ঘটনা,
∴ P(A ∩ B) = P(A) × P(B)
= (1/8) × (3/4)
= 3/32

∴ P(B/A) = P(A ∩ B)/P(A)
= (3/32)/(1/8)
= 3/4

.
  1. log3
  2. log5
  3. log7
  4. log2
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন:

সমাধান:


.
একটি ত্রিভুজাকৃতি মাঠের বাহুগুলোর দৈর্ঘ্য যথাক্রমে 20m, 21m, 29m হলে এর ক্ষেত্রফল কত?
  1. 188 m2
  2. 210 m2
  3. 190 m2
  4. 230 m2
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: একটি ত্রিভুজাকৃতি মাঠের বাহুগুলোর দৈর্ঘ্য যথাক্রমে 20m, 21m, 29m হলে এর ক্ষেত্রফল কত?

সমাধান:
ধরি, বাহুগুলোর দৈর্ঘ্য যথাক্রমে  a = 20m, b = 21m, c = 29m
অর্ধপরিসীমা, s = (a + b + c​)/2 
= (20 + 21 + 29​)/2
= 70/​2
= 35

আমরা জানি, 
ক্ষেত্রফল = √{s(s - a)(s - b)(s - c)}
= √{35(35 - 20)(35 - 21)(35 - 29)}
= √{35 × 15  × 14  × 6}
= √44100
= 210

.
৪৮ টাকায় ৮ টি করে কমলা বিক্রয় করা হলে ২৫% ক্ষতি হয়। প্রতি ডজন কমলার ক্রয়মূল্য কত?
  1. ১৫৪ টাকা 
  2. ১০৮ টাকা 
  3. ১২০ টাকা 
  4. ৯৬ টাকা 
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: ৪৮ টাকায় ৮ টি করে কমলা বিক্রয় করা হলে ২৫% ক্ষতি হয়। প্রতি ডজন কমলার ক্রয়মূল্য কত?

সমাধান:
​দেওয়া আছে,
৮ টি কমলার বিক্রয়মূল্য = ৪৮ টাকা 
∴ ​১ টি কমলার বিক্রয়মূল্য = ৪৮/৮ টাকা 
​∴ ১২ টি কমলার বিক্রয়মূল্য = (৪৮ × ১২)/৮ = ৭২ টাকা 

​ধরি,
​১ ডজন বা ১২ টি কমলার ক্রয়মূল্য = ১০০ টাকা 

​২৫% ক্ষতিতে,
​বিক্রয়মূল্য = ১০০ - ১০০ এর ২৫% = (১০০ - ২৫) টাকা = ৭৫ টাকা 

​এখন,
​বিক্রয়মূল্য ৭৫ টাকা হলে ক্রয়মূল্য = ১০০ টাকা 
∴ ​বিক্রয়মূল্য ১ টাকা হলে ক্রয়মূল্য = ১০০/৭৫ টাকা 
​∴ বিক্রয়মূল্য ৭২ টাকা হলে ক্রয়মূল্য = (১০০ × ৭২)/৭৫ = ৯৬ টাকা 

​অতএব,
​প্রতি ডজন কমলার ক্রয়মূল্য = ৯৬ টাকা 

.
দুই অঙ্কবিশিষ্ট কোনো সংখ্যার অঙ্ক দুইটির অন্তর 3 । অঙ্ক দুইটি স্থান বিনিময় করলে যে সংখ্যা পাওয়া যায়, তা প্রদত্ত সংখ্যার দ্বিগুণ অপেক্ষা 2 বেশি। সংখ্যাটি কত? 
  1. 37
  2. 25
  3. 63
  4. 73
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: দুই অঙ্কবিশিষ্ট কোনো সংখ্যার অঙ্ক দুইটির অন্তর 3 । অঙ্ক দুইটি স্থান বিনিময় করলে যে সংখ্যা পাওয়া যায়, তা প্রদত্ত সংখ্যার দ্বিগুণ অপেক্ষা 2 বেশি। সংখ্যাটি কত? 

সমাধান: 
মনে করি,
দশক স্থানীয় অঙ্ক = y 
একক স্থানীয় অঙ্ক = y + 3 
∴ সংখ্যাটি = 10y + (y + 3) = 11y + 3 

আবার, 
অঙ্কদ্বয় স্থান বিনিময় করলে সংখ্যাটি = 10(y + 3) + y
= 10y + 30 + y
= 11y + 30 

প্রশ্নমতে,
2(11y + 3) + 2 = 11y + 30
বা, 22y + 6 + 2 = 11y + 30
বা, 22y - 11y = 30 - 8
বা, 11y = 22
বা, y = 22/11
∴ y = 2

∴ নির্ণেয় সংখ্যাটি = 11y + 3
= 11 × 2 + 3
= 22 + 3
= 25 

.
যদি nC10 = nC2 হয়, তাহলে nC6 এর মান কত?
  1. 840
  2. 1020
  3. 720
  4. 924
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: যদি nC10 = nC2 হয়, তাহলে nC6 এর মান কত?

সমাধান: 
আমরা জানি, 
nCa = nCb হলে, a = b অথবা a + b = n হয় 
∴ nC10 = nC2
⇒ 10 + 2 = n
∴ n = 12

এখন, 
nC6 = 12C6 
= 12!/6!(12 - 6)!
= (12 × 11 × 10 × 9 × 8 × 7 × 6!)/(6 × 5 × 4 × 3 × 2)  × 6!
= 924

.
একটি গুণোত্তর ধারার প্রথম পদ 2 এবং চতুর্থ পদ 54। ধারাটির কততম পদ 4374?
  1. 5
  2. 8
  3. 10
  4. 7
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: একটি গুণোত্তর ধারার প্রথম পদ 2 এবং চতুর্থ পদ 54। ধারাটির কততম পদ 4374?

সমাধান:
দেওয়া আছে,
গুণোত্তর ধারাটির প্রথম পদ, a = 2 
চতুর্থ পদ = 54
ar= 54 
⇒ 2 × r3 = 54
⇒ r3 = 27  = 33
⇒ r = 3 
এবং n-তম পদ = 4374

প্রশ্নমতে,
arn - 1 = 4374
⇒ 2 × 3n - 1 = 4374
⇒ 3n - 1 = 4374/2
⇒ 3n - 1 = 2187
⇒ 3n - 1 = 37
⇒ n - 1 = 7
⇒ n = 7 + 1
⇒ n = 8

∴ ধারাটির 8 তম পদ 4374
১০.
(6, 4) কেন্দ্রবিশিষ্ট বৃত্ত x-অক্ষকে স্পর্শ করলে, বৃত্তটির ব্যাস কত একক?
  1. 24 একক
  2. 16 একক
  3. 12 একক
  4. 8 একক
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: (6, 4) কেন্দ্রবিশিষ্ট বৃত্ত x-অক্ষকে স্পর্শ করলে, বৃত্তটির ব্যাস কত একক?

সমাধান:
(6, 4) কেন্দ্রবিশিষ্ট বৃত্ত x-অক্ষকে স্পর্শ করে (অর্থাৎ y = 0), তাহলে কেন্দ্র থেকে x-অক্ষ পর্যন্ত অনুভূমিক দূরত্বই বৃত্তের ব্যাসার্ধ।

কেন্দ্রের y-সমন্বয় = 4 ⇒ দূরত্ব = |4| = 4 একক।

তাহলে ব্যাসার্ধ = 4 একক ⇒ ব্যাস = 2 × 4 = 8 একক.
বৃত্তটির ব্যাস = 8 একক। 

১১.
৫% বার্ষিক হারে ২ বছরের জন্য কোনো আসলের উপর সরল ও চক্রবৃদ্ধি মুনাফার পার্থক্য ৫০ টাকা হলে, আসল কত?
  1. ২০০০০ টাকা
  2. ১৬০০০ টাকা
  3. ২২০০০ টাকা
  4. ১৪৫০০ টাকা
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: ৫% বার্ষিক হারে ২ বছরের জন্য কোনো আসলের উপর সরল ও চক্রবৃদ্ধি মুনাফার পার্থক্য ৫০ টাকা হলে, আসল কত?

সমাধান:
ধরি,
আসল = P টাকা
হার, r = ৫%
সময়, n = ২ বছর

∴ সরল মুনাফা I = Pnr = P × ২ × (৫/১০০) = P/১০ = ০. P

∴ যৌগিক মুনাফা = C - P = P(১ + ৫/১০০) - P = P(১.০৫) - P = ১.১০২৫P - P = ০.১০২৫P

প্রশ্নমতে,
০.১০২৫P - ০. P = ৫০
⇒ ০.০০২৫P = ৫০
⇒  P = ৫০/(০.০০২৫)
∴ P = ২০০০০

সুতরাং, আসল ২০০০০ টাকা । 

১২.
α = 3 + √2 এবং β = 3 - √2 মূলবিশিষ্ট সমীকরণ নিচের কোনটি?
  1. x2 - 7x + 6 =
  2. x2 - 8x - 12 = 0
  3. x2 - 6x + 7 = 0
  4. x2 - 7x - 6 = 0
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: α = 3 + √2 এবং β = 3 - √2 মূলবিশিষ্ট সমীকরণ নিচের কোনটি?

সমাধান:
দেওয়া আছে,
মূলদ্বয়, α = 3 + √2 এবং
β = 3 - √2

মূলদ্বয়ের যোগফল,
α +  β = 3 + √2 +3 - √2
∴ α +  β = 6

মূলদ্বয়ের গুণফল,
αβ = (3 + √2) . (3 - √2)
= (3)2 - (√2)2
= 9 - 2
∴ αβ = 7

∴ নির্ণেয় সমীকরণ x2 - (α +  β)x + αβ = 0
⇒ x2 - 6x + 7 = 0

∴ নির্ণেয় সমীকরণ, x2 - 6x + 7 = 0

১৩.
একটি শ্রেণিতে ২৫ জন ছাত্রের মধ্যে ১২ জন জীববিজ্ঞান এবং ৭ জন জীববিজ্ঞান ও উচ্চতর গণিত উভয় বিষয় নিয়েছে। ২ জন ছাত্র কোনো বিষয় নেয়নি। কতজন ছাত্র শুধু  উচ্চতর গণিত নিয়েছে?
  1. ১১ জন
  2. ১২  জন
  3. ৯  জন
  4. ১০ জন
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: একটি শ্রেণিতে ২৫ জন ছাত্রের মধ্যে ১২ জন জীববিজ্ঞান এবং ৭ জন জীববিজ্ঞান ও উচ্চতর গণিত উভয় বিষয় নিয়েছে। ২ জন ছাত্র কোনো বিষয় নেয়নি। কতজন ছাত্র শুধু  উচ্চতর গণিত নিয়েছে?

সমাধান:

কোনো বিষয় নেয়নি = ২ জন 
উভয় বিষয় নিয়েছে = ৭ জন
শুধু জীববিজ্ঞান নিয়েছে = (১২ - ৭) জন = ৫ জন 
ধরি,
শুধু উচ্চতর গণিত নিয়েছে = x জন

প্রশ্নমতে,
৫ + x + ৭ + ২ = ২৫
⇒ ১৪ + x = ২৫
⇒ x = ২৫ - ১৪
⇒ x = ১১

অর্থাৎ ১১ জন ছাত্র শুধু উচ্চতর গণিত নিয়েছে। 

১৪.
(5n+2 + 35 × 5n-1)/(8 × 5n) এর মান কত?
  1. 8
  2. 6
  3. 4
  4. 9
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: (5n+2 + 35 × 5n-1)/(8 × 5n) এর মান কত?

সমাধান: 
(5n+2 + 35 × 5n-1)/(8 × 5n)
= (5n. 52 + 7 × 5 × 5n - 1)/(8 × 5n)
= (5n. 25 + 7 × 51 + n - 1)/(8 × 5n)
= (5n. 25 + 7 × 5n)/(8 × 5n)
= 5n(25 + 7)/(8 × 5n)
= 32/8
= 4

১৫.
বৃত্তস্থ চতুর্ভুজের একটি কোণ ৭০° হলে তার বিপরীত কোণের মান কত?
  1. ১১০°
  2. ২৯০°
  3. ২০°
  4. ১০৫°
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: বৃত্তস্থ চতুর্ভুজের একটি কোণ ৭০° হলে তার বিপরীত কোণের মান কত?

সমাধান:
আমরা জানি, বৃত্তস্থ চতুর্ভুজের বিপরীত কোণগুলোর সমষ্টি ১৮০°।
দেওয়া আছে, একটি কোণ = ৭০°
সুতরাং, বিপরীত কোণটির মান হবে = (১৮০ - ৭০)°
= ১১০°
অতএব, বিপরীত কোণটির মান ১১০°।

১৬.
চট্টগ্রাম থেকে রাজশাহী রেলপথে মোট ২০টি স্টেশন আছে। প্রত্যেক স্টেশন থেকে যাত্রীরা অন্য যে-কোনো স্টেশনে যাওয়ার টিকেট কিনতে পারে। স্টেশনগুলোকে সব মিলিয়ে মোট কত ধরনের টিকেট রাখতে হবে?
  1. ৪০০টি
  2. ৩৬১টি
  3. ৪৮০টি
  4. ৩৮০টি
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: চট্টগ্রাম থেকে রাজশাহী রেলপথে মোট ২০টি স্টেশন আছে। প্রত্যেক স্টেশন থেকে যাত্রীরা অন্য যে-কোনো স্টেশনে যাওয়ার টিকেট কিনতে পারে। স্টেশনগুলোকে সব মিলিয়ে মোট কত ধরনের টিকেট রাখতে হবে?

সমাধান:
যেহেতু, প্রত্যেক স্টেশন থেকে যাত্রীরা অন্য যে-কোনো স্টেশনে যাওয়ার টিকেট কিনতে পারে,
তাই প্রত্যেক যাত্রী টিকেট কিনতে পারবে = (২০ - ১) = ১৯টি  [নিজ স্টেশনের টিকেট কিনার প্রয়োজন নেই তাই মোট স্টেশন থেকে ১ বিয়োগ করা হয়েছে]

∴ মোট টিকেট রাখতে হবে = (২০ × ১৯)টি
= ৩৮০টি

১৭.
(1/x) + (1/y) = 1/z এবং xy = z হলে, x এবং y এর গড় কত?
  1. 2
  2. 1
  3. 1/2
  4. 3
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: (1/x) + (1/y) = 1/z এবং xy = z হলে, x এবং y এর গড় কত?

সমাধান:
দেওয়া আছে,
1/x + 1/y = 1/z
বা, (y + x)/xy = 1/z
বা, (x + y)/z = 1/z
বা, x + y = 1
∴ (x + y)/2 = 1/2

১৮.
PHOTOSYNTHETIC শব্দটি দ্বারা নিচের কোন শব্দটি গঠন করা যায় না?
  1. SCENT
  2. COTTON
  3. THOSE
  4. PRONE
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: PHOTOSYNTHETIC শব্দটি দ্বারা নিচের কোন শব্দটি গঠন করা যায় না?

সমাধান:
PRONE শব্দটির R বর্ণটি 'PHOTOSYNTHETIC' শব্দটিতে নেই।
তাই PRONE শব্দটি PHOTOSYNTHETIC শব্দটির অক্ষর রাশি দ্বারা তৈরি করা যাবে না।

১৯.
নিচের নাম্বার সিরিজে একটি সংখ্যা ভুল আছে। সংখ্যাটি কত?
২, ৫, ৯, ১৪, ২০, ২৭, ৩৪, ৪৪
  1. ২০
  2. ২৭
  3. ৩৪
  4. ৪৪
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: নিচের নাম্বার সিরিজে একটি সংখ্যা ভুল আছে। সংখ্যাটি কত?
২, ৫, ৯, ১৪, ২০, ২৭, ৩৪, ৪৪

সমাধান:
সিরিজের সংখ্যাগুলো যেভাবে গঠিত হয়েছে-
২ + ৩ = ৫
৫ + ৪ = ৯
৯ + ৫ = ১৪
১৪ + ৬ = ২০
২০ + ৭ = ২৭
২৭ + ৮ = ৩৫
৩৫ + ৯ = ৪৪

সে অনুসারে সংখ্যাটি ২৭ + ৮ = ৩৫ হওয়া উচিত ছিলো।
৩৪ সংখ্যাটি ভুল।

২০.

উপরের চিত্রে কতটি ত্রিভুজ আছে?
  1. ৯টি
  2. ১২টি
  3. ১১টি
  4. ১০টি
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন:
উপরের চিত্রে কয়টি ত্রিভুজ আছে?

সমাধান:

চিত্রে ১টি করে ঘর নিয়ে ত্রিভুজ আছে ৬ টি।
চিত্রে ২টি করে ঘর নিয়ে ত্রিভুজ (12, 34, 56) আছে ৩ টি। 
চিত্রে ৪টি করে ঘর নিয়ে ত্রিভুজ (1234, 3456) আছে ২টি।

∴ মোট ত্রিভুজ আছে = (৬ + ৩ + ২) = ১১ টি

২১.
ভোরবেলায় আপনি একটি গ্রামে বেড়াতে বের হলেন। বের হওয়ার সময় সূর্য আপনার সামনে ছিল। কিছুক্ষণ হাঁটার পর আপনি বাম দিকে ঘুরলেন। কয়েক মিনিট পর আবার ডান দিকে ঘুরলেন এবং অল্প হাঁটলেন। এখন আপনার মুখ কোন দিকে থাকবে?
  1. পশ্চিম
  2. উত্তর
  3. দক্ষিণ
  4. পূর্ব
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: ভোরবেলায় আপনি একটি গ্রামে বেড়াতে বের হলেন। বের হওয়ার সময় সূর্য আপনার সামনে ছিল। কিছুক্ষণ হাঁটার পর আপনি বাম দিকে ঘুরলেন। কয়েক মিনিট পর আবার ডান দিকে ঘুরলেন এবং অল্প হাঁটলেন। এখন আপনার মুখ কোন দিকে থাকবে?

সমাধান:
ভোর বেলায় আপনি হাটতে বাহির হয়েছেন আর সূর্য আপনার সামনে ছিল তার মানে আপনি পূর্ব দিকে হাটছেন।
- কিছুক্ষণ পরে আপনি বামদিকে ঘুরলেন তার মানে আপনি উত্তর দিকে যাচ্ছেন।
- কয়েক মিনিট পরে আপনি ডান দিকে ঘুরলেন তার মানে আপনি আবার পূর্ব দিকে হাটছেন।


A স্থান থেকে হাঁটা শুরু করে C স্থানে পৌঁছায়। তাহলে বর্তমানে মুখ পূর্বদিকে আছে।

২২.
যদি '+' অর্থ '÷', '÷' অর্থ '-', '-' অর্থ '×', '×' অর্থ '+' হয় তাহলে
১২ + ৬ ÷ ৩ - ২ × ৮ = কত?




ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: যদি '+' অর্থ '÷', '÷' অর্থ '-', '-' অর্থ '×', '×' অর্থ '+' হয় তাহলে
১২ + ৬ ÷ ৩ - ২ × ৮ = কত?

সমাধান:
১২ + ৬ ÷ ৩ - ২ × ৮
পরিবর্তিত রূপ হবে,
১২ ÷ ৬ - ৩ × ২ + ৮
= ২ - ৬ + ৮
= ১০ - ৬
= ৪

২৩.
‘আলো’ এর সমার্থক নয় নিচের কোন শব্দটি? 
  1.  দ্যুতি
  2. আভা
  3.  দীপ্ত 
  4. ময়ূখ
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: ‘আলো’ এর সমার্থক নয় নিচের কোন শব্দটি? 

সমাধান:
- দীপ্ত
অর্থ প্রজ্বলিত; জ্বলছে এমন।
- দীপ্ত শব্দটি ‘আলো’ এর সমার্থক নয়। 

• 'আলো' এর সমার্থক শব্দ:
- আলোক, প্রভা, অংশু, দ্যুতি, ঔজ্জ্বল্য, কর, দীপ্তি, আভা, বিভা, ময়ূখ, ভাতি, জেল্লা, জৌলুস, নুর ইত্যাদি।

উৎস: প্রমিত বাংলা ব্যাকরণ ও নির্মিতি, ড. হায়াৎ মামুদ ও ড. মোহাম্মদ আমীন ও অভিগম্য অভিধান।

২৪.
ঘড়িতে যখন ৫ : ৫০ বাজে, তখন ঘণ্টার কাঁটা এবং মিনিটের কাঁটার মধ্যকার কোণটি কত ডিগ্রি?
  1. ১৩৫°
  2. ১২৫°
  3. ১১৫°
  4. ১৪৫°
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: ঘড়িতে যখন ৫ : ৫০ বাজে, তখন ঘণ্টার কাঁটা এবং মিনিটের কাঁটার মধ্যকার কোণটি কত ডিগ্রি?

সমাধান:
মধ্যবর্তী কোণ = | (১১M - ৬০H)/২ |
= | {(১১ × ৫০) - (৬০ × ৫)}/২ |
= | (৫৫০ - ৩০০)/২ |
= | ২৫০/২ |
= | ১২৫ |
= ১২৫°

২৫.
কোনো যান্ত্রিক গিয়ারের একটি বড় চাকা অপর একটি ছোট চাকার সাথে ক্রস-বেল্ট দ্বারা যুক্ত থাকলে ছোট চাকাটি বড় চাকার মধ্যে নিচের কোনটি ঘটবে? 
  1. একই দিকে দ্রুত গতিতে ঘুরবে।
  2. বিপরীত দিকে দ্রুত গতিতে ঘুরবে।
  3. একই দিকে ধীর গতিতে ঘুরবে।
  4. বিপরীত দিকে ধীর গতিতে ঘুরবে।
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: কোনো যান্ত্রিক গিয়ারের একটি বড় চাকা অপর একটি ছোট চাকার সাথে ক্রস-বেল্ট দ্বারা যুক্ত থাকলে ছোট চাকাটি বড় চাকার মধ্যে নিচের কোনটি ঘটবে? 

সমাধান:
আমরা জানি, 
• পরস্পর সংযুক্ত দুটি চাকা ক্রস-বেল্ট দ্বারা যুক্ত থাকলে একটি অপরটির বিপরীত দিকে ঘুরবে।
• সংযুক্ত চাকা ছোট হলে অপেক্ষাকৃত দ্রুত গতিতে ঘুরবে।

• আর সমান্তরাল-বেল্ট দ্বারা যুক্ত থাকলে একই দিকে ঘুরবে।
• আর বড় হলে অপেক্ষাকৃত ধীর গতিতে ঘুরবে।
• এছাড়া চাকার আকৃতি সমান হলে একই গতিতে ঘুরবে।

নিচের চিত্রের প্রথম ও ২য় চাকাটি সমান্তরাল-বেল্ট দ্বারা যুক্ত আছে।
B চাকাটি পরস্পর সংযুক্ত দুটি চাকা ক্রস-বেল্ট দ্বারা যুক্ত আছে।

২৬.
Which number is missing-
  1. 429
  2. 389
  3. 486
  4. 469
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: Which number is missing-


সমাধান:
এখানে,
(4 × 2) - 1 = 7
(7 × 2) + 1 = 15
(15 × 2) - 1 = 29
(29 × 2) + 1 = 59
(59 × 2) - 1 = 117
(117 × 2) + 1 = 235
(235 × 2) - 1 = 469

২৭.
A এবং B দুই বন্ধু, S  A - এর বোন, P  B - এর ভাই। S এর মেয়ের ভাইয়ের পিতা P হলে P এবং S - এর সম্পর্ক কী?
  1. স্বামী - স্ত্রী
  2. বাবা - মা
  3. ভাই - বোন
  4. কোন সম্পর্ক নেই
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: A এবং B দুই বন্ধু, S  A - এর বোন, P  B - এর ভাই। S এর মেয়ের ভাইয়ের পিতা P হলে P এবং S - এর সম্পর্ক কী?

সমাধান:
- B এর ভাই হচ্ছে P
- A এর বোন হচ্ছে S
- S এর মেয়ের ভাইয়ের পিতা P, অর্থাৎ P হচ্ছে S এর স্বামী।
- P এবং S এর সম্পর্ক স্বামী - স্ত্রী।

২৮.
প্রদত্ত X চিত্রটিকে পানিতে নিচের কোনটির মত প্রতিবিম্ব দেখাবে?

  1. D
  2. A
  3. B
  4. C
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: প্রদত্ত X চিত্রটিকে পানিতে নিচের কোনটির মত প্রতিবিম্ব দেখাবে?

সমাধান:
প্রদত্ত ছবিটির পানিতে প্রতিবিম্ব: 

২৯.
সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে 'অসামর্থ্যের কারণে রাষ্ট্রপতির অপসারণ' এর উল্লেখ রয়েছে?
  1. অনুচ্ছেদ ৫২
  2. অনুচ্ছেদ ৫৩
  3. অনুচ্ছেদ ৫৪
  4. অনুচ্ছেদ ৫৫
ব্যাখ্যা

অনুচ্ছেদ:
- অনুচ্ছেদ ৫০ - রাষ্ট্রপতি-পদের মেয়াদ।
- অনুচ্ছেদ ৫১ - রাষ্ট্রপতির দায়মুক্তি।
- অনুচ্ছেদে ৫২ - রাষ্ট্রপতির অভিশংসনের বিষয়টি সংবিধানে উল্লেখ করা হয়েছে।
- অনুচ্ছেদ ৫৩ - অসামর্থ্যের কারণে রাষ্ট্রপতির অপসারণ।
- অনুচ্ছেদ ৫৪ - অনুপস্থিতি প্রভৃতির-কালে রাষ্ট্রপতি-পদে স্পীকার।
- অনুচ্ছেদ ৫৫ - মন্ত্রিসভা।
- অনুচ্ছেদ ৫৬ - মন্ত্রিগণ।
- অনুচ্ছেদ ৫৭ - প্রধানমন্ত্রীর পদের মেয়াদ।
- অনুচ্ছেদ ৫৮ - অন্যান্য মন্ত্রীর পদের মেয়াদ।
- অনুচ্ছেদ ৫৯ - স্থানীয় শাসন।
- অনুচ্ছেদ ৬০ - স্থানীয় শাসন-সংক্রান্ত প্রতিষ্ঠানের ক্ষমতা।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের সংবিধান।

৩০.
E-TIN এর পূর্ণরূপ -
  1. Electronic Trade Identification Number
  2. Electronic Tax Invoice Number
  3. Electronic Taxpayer's Identification Number
  4. Electronic Tax Integration Number
ব্যাখ্যা

E-TIN:
- E-TIN এর পূর্ণরূপ: Electronic Taxpayer's Identification Number.
- 'E-TIN' চালু করা হয় ২০১৩ সালে।
- এটি আয়কর নিবন্ধন আধুনিক সংস্করণ।
- এটি ১২ ডিজিটের ১টি নম্বর।
- একজন করদাতাকে সহজে, ঘরেবসে অনলাইনে নিবন্ধন পেতে এই ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।
- www. incometax.gov.bd এই সাইট গেলে ই- টিআইএন নিবন্ধন নেওয়া যাবে।

তথ্যসূত্র - জাতীয় রাজস্ব বোর্ড ওয়েবসাইট।

৩১.
জিংক সমৃদ্ধ ধানের জাত কোনটি?
  1. ব্রি ধান ৪৩
  2. ব্রি ধান ৫৫
  3. ব্রি ধান ৬২
  4. ব্রি ধান ৬৯
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট উদ্ভাবিত জাত:
- জিংক সমৃদ্ধ ধানের জাত হলো: ব্রি ধান ৬২ , ব্রি ধান ৬৪, ব্রি ধান ৭২, ব্রি ধান  ৭৪, ব্রি ধান ৮৪।
- খরা সহিষ্ণু ধানের জাত সমূহ হলো: ব্রি ধান ৪৩, ব্রি ধান ৫৫, ব্রি ধান ৫৬, ব্রি ধান ৫৭, ব্রি ধান ৬৬, ব্রি ধান ৭১ ও ব্রি ধান ৮৩।
- এন্টি অক্সিডেন্ট সমৃদ্ধ ধানের জাত: বিআর ৫।
- লো জিআই বা নিম্ন গ্লাইসেমিক ইনডেক্স গুণ সম্পন্ন ধানের জাত: বিআর ১৬, ব্রি ধান ৪৬, ব্রি ধান ৬৯।
- জলমগ্নতা সহিষ্ণু ধানের জাত: ব্রি ধান ৫১, ব্রি ধান ৫২, ব্রি ধান ৭৯।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট ওয়েবসাইট।

৩২.
১৯৫২ সালের একুশে ফেব্রুয়ারির বিক্ষোভ সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন -
  1. আবদুল হামিদ
  2. গোলাম মোস্তফা
  3. আবদুল কাদের
  4. গাজীউল হক
ব্যাখ্যা

একুশে ফেব্রুয়ারির ঘটনাবলি:
- ১৯৫২ সালের একুশে ফেব্রুয়ারি ছিল বৃহষ্পতিবার, ৮ ফাল্গুন ১৩৫৮ বঙ্গাব্দ।
- পূর্ব ঘোষণা অনুযায়ী ২১ ফেব্রুয়ারি সকাল থেকেই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্ররা জমায়েত হতে থাকে।
- সরকার ১৪৪ ধারা জারি করায় বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান থেকে ছাত্ররা দুজন দুজন করে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে আসতে থাকে।
- বেলা ১১ টায় ছাত্রসভা শুরু হয়। সভায় ১৪৪ ধারা ভাঙার সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।
- এই বিক্ষোভ সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন গাজীউল হক। 
- বক্তব্য রাখেন শামসুল হক, মোহাম্মদ তোয়াহা, কাজী গোলাম মাহবুব, খালেক নেওয়াজ ও আবদুল মতিন।
-  সভাপতি ১০ জন করে ১৪৪ ধারা ভঙ্গের নির্দেশ দেন।
- পুলিশ মিছিলকারীদের উপর বেপরোয়া লাঠিচার্জ করে এবং কাঁদুনে গ্যাস নিক্ষেপ করে। কিন্তু সব বাধা উপেক্ষা করে ছাত্ররা মেডিকেল হোস্টেলের প্রধান ফটকের কাছে জমায়েত হন।
- মেডিকেল হোস্টেলের নিকটেই ছিল জগন্নাথ হলের অডিটোরিয়াম যেখানে পূর্ব বাংলা আইন পরিষদের সভা বসত।
- আন্দোলনকারী ছাত্রদের উদ্দেশ্য ছিল পূর্ববাংলা আইন পরিষদে যোগদানকারী সদস্যদের কাছে বাংলা ভাষার দাবির কথা পৌঁছে দেয়া যেন তাঁরা অধিবেশনে বাংলাকে রাষ্ট্রভাষা করার বিষয়ে সুপারিশ গ্রহণ করেন।
- ছাত্ররা দলবদ্ধ হয়ে শ্লোগান দিতে থাকলে পুলিশ বাহিনী এসে তাদের তাড়া করে এবং ছাত্রদের উপর কাঁদুনে গ্যাস নিক্ষেপ করে। প্রতিবাদে ছাত্ররা ইট পাটকেল ছুঁড়তে থাকে।
- এক পর্যায়ে পুলিশ ছাত্রদের লক্ষ্য করে গুলিবর্ষণ করে। ঘটনাস্থলেই আব্দুল জব্বার ও রফিকউদ্দিন আহমদ শহীদ হন। ১৭ জনের মত গুরুতর আহত হয়। তাদের মধ্যে রাত আটটায় আবুল বরকত শহীদ হন।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় ও দৈনিক ইত্তেফাক, ২১ ফেব্রুয়ারি ২০২১।

৩৩.
বাংলাদেশের সংবিধানে প্রস্তাবনার কোন ভাগে সংবিধানের প্রাধান্য অক্ষুন্ন রাখার ঘোষণা রয়েছে?
  1. ২য়
  2. ৩য়
  3. ৪র্থ
  4. ৫ম
ব্যাখ্যা

প্রস্তাবনা:
- সংবিধান গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান ১৯৭২ সালের ৪ নভেম্বর গণপরিষদে গৃহীত হয়।
- সংবিধান কার্যকর হয় ১৬ ডিসেম্বর, ১৯৭২ সালে।
- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানে মোট ১৫৩ টি অনুচ্ছেদ আছে।
- সংবিধানের ভাগ বা অধ্যায় আছে ১১টি।
- তফসিল আছে ৭টি।
- মূলনীতি আছে ৪টি।
- বাংলাদেশের সংবিধানে ১টি প্রস্তাবনা রয়েছে। 
- বাংলাদেশের সংবিধানে প্রস্তাবনার ৫টি ভাগ রয়েছে।
• ১ম- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠা।
• ২য়- মূলনীতি গ্রহণ (অঙ্গীকার)। 
• ৩য়- শোষণমুক্ত সমাজ প্রতিষ্ঠা (অঙ্গীকার)। 
• ৪র্থ- সংবিধানের প্রাধান্য অক্ষুন্ন রাখা (ঘোষণা)।
• ৫ম- গণপরিষদে সংবিধান গৃহীত হওয়ার নিশ্চয়তা।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের সংবিধান।

৩৪.
লুসাই ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর মৃত আত্মাদের স্মরণে কোন ধর্মীয় উৎসব পালন করা হয়?
  1. চাপচারকূত
  2. মীমতূত
  3. পলকূত
  4. তিলতূত
ব্যাখ্যা

লুসাই:
- লুসাই  নৃ-গোষ্ঠী বার্মা থেকে এসেছে বলে ধারণা করা হয়।
- তারা নিজেদের মঙ্গোলীয় জনগোষ্ঠীর বংশধর বলে পরিচয় দেয়।
- বাংলাদেশের রাঙ্গামাটি ও বান্দরবান জেলায় ও ভারতের মিজোরামে লুসাইয়ের বসবাস রয়েছে।
- বর্তমানে শতভাগ লুসাই খ্রিস্টান ধর্মাবলম্বী।
- ধর্মীয় উৎসব পালন ছাড়াও বছরে তারা প্রধান তিনটি উৎসব পালন করে থাকে:
১. চাপচারকূত (বসন্ত উৎসব)।
২. মীমতূত (মৃত আত্মাদের স্মরণে)।
৩. পলকূত (শস্য কাটার উৎসব)।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া।

৩৫.
প্রধান নির্বাচন কমিশনারের মেয়াদকাল -
  1. ২ বছর
  2. ৩ বছর
  3. ৪ বছর
  4. ৫ বছর
ব্যাখ্যা

নির্বাচন কমিশন:
- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের আওতায় নির্বাচন কমিশন গঠিত। 
- এটি সাংবিধানিকভাবে গঠিত একটি প্রতিষ্ঠান।
- প্রধান নির্বাচন কমিশনার ও অনধিক চারজন কমিশনারসহ মোট পাঁচজন নিয়ে নির্বাচন কমিশন গঠিত।
- নির্বাচন কমিশনারগণকে রাষ্ট্রপতি নিয়োগ দেন।
- নির্বাচন কমিশনের সভায় প্রধান নির্বাচন কমিশনার সভাপতির কাজ করেন।
- বাংলাদেশের বর্তমান প্রধান নির্বাচন কমিশনার এ এম এম নাসির উদ্দীন। (সেপ্টেম্বর, ২০২৫)
- প্রধান নির্বাচন কমিশনার ও অন্যান্য কমিশনারের মেয়াদ তাদের কার্যভার গ্রহণের তারিখ হতে পাঁচ বছর।
- নির্বাচন কমিশনের দায়িত্ব পালনে সহায়তা করা সরকার ও অন্যান্য কর্তৃপক্ষের কর্তব্য।
- নির্বাচন কমিশন সংবিধানে বর্ণিত নির্দেশনাবলি এবং দেশের নির্বাচনি আইন দ্বারা পরিচালিত হয়।
- নির্বাচন কমিশন কর্তৃক পরিচালিত নির্বাচন সমূহ,
• রাষ্ট্রপতি নির্বাচন।
• জাতীয় সংসদ নির্বাচন।
• সিটি কর্পোরেশন নির্বাচন।
• জেলা পরিষদ নির্বাচন।
• উপজেলা পরিষদ নির্বাচন।
• পৌরসভা নির্বাচন।
• ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন।

তথ্যসূত্র - পৌরনীতি ও নাগরিকতা, নবম-দশম শ্রেণি ও নির্বাচন কমিশন ওয়েবসাইট।

৩৬.
বীরশ্রেষ্ঠ মোহাম্মদ রুহুল আমিনকে কোন জেলায় সমাহিত করা হয়?
  1. খুলনা
  2. চাঁপাইনবাবগঞ্জ
  3. রাজশাহী
  4. সিলেট
ব্যাখ্যা

বীরশ্রেষ্ঠ মোহাম্মদ রুহুল আমিন:
- তিনি জন্মগ্রহণ করেন: ১৯৩৫ সালে।
- তাঁর জন্মস্থান: বাঘচাপড়া, নোয়াখালী।
- ১৯৫৩ সালে তিনি নৌ বাহিনীতে জুনিয়ার মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ার হিসেবে যোগ দিয়েছিলেন।
- ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধের সময়ে তিনি ২নং সেক্টরের অধীনে মুক্তিযুদ্ধে অংশ গ্রহণ করেন।
- সেপ্টেম্বর ১৯৭১ এ বাংলাদেশ নৌ-বাহিনী গঠনের উদ্দেশ্যে সকল সেক্টর থেকে প্রাক্তন নৌসেনাদের আগরতলায় সংগঠিত করে নৌ বাহিনীর প্রাথমিক কাঠামো গঠন করা হয়।
- ভারত সরকার বাংলাদেশ নৌ বাহিনীকে দুইটি টাগবোট উপহার দেয়। এগুলোকে কোলকাতার গার্ডেনরীচ নৌ ওয়ার্কসপে দুইটি বাফার গান ও মাইন পড লাগিয়ে গানবোটে রূপান্তরিত করা হয়।
- গানবোট দুটির নামকরণ করা হয় 'পদ্মা' ও 'পলাশ'।
- রুহুল আমিন নিয়োগ পান 'পলাশের' ইঞ্জিন রুম আর্টিফিশার হিসেবে।
- ১০ ডিসেম্বর, ১৯৭১ সালে সম্মুখ যুদ্ধে তিনি নিহত হন।
- খুলনার রূপসা উপজেলার বাগমারা গ্রামে তাঁকে সমাহিত করা হয়।

তথ্যসূত্র - মুক্তিযুদ্ধ মন্ত্রণালয় ওয়েবসাইট।

৩৭.
কোন ধরনের মাটি পাট চাষের জন্য সবচেয়ে উপযোগী?
  1. ল্যাটেরাইট মাটি
  2. দো-আঁশ মাটি
  3. কাদামাটির মাটি
  4. বেলে মাটি
ব্যাখ্যা

পাট চাষ:
- উর্বর দো-আঁশ মাটি পাট চাষের জন্য সবচেয়ে উপযোগী।
- তবে বেলে ও এঁটেল মাটি ছাড়া সব জমিতেই পাট চাষ করা যায়।
- তবে যে জমিতে বর্ষার শেষের দিকে পলি পড়ে সে জমি পাট চাষের জন্য উত্তম।
- তোষা পাট উঁচু জমিতে এবং দেশী পাট উঁচু ও নিচু দু'ধরনের জমিতেই চাষ করা যায়।

তথ্যসূত্র - কৃষি শিক্ষা, এস এস সি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৩৮.
মহান মুক্তিযুদ্ধকে নিয়ে নির্মিত ভাস্কর্য ‘সংশপ্তক’ এর ভাস্কর কে?
  1. আবদুর রাজ্জাক
  2. হামিদুজ্জামান খান
  3. শামীম শিকদার
  4. মৃণাল হক
ব্যাখ্যা

সংশপ্তক:
- মহান মুক্তিযুদ্ধকে নিয়ে নির্মিত ভাস্কর্য ‘সংশপ্তক’।
- মুক্তিযুদ্ধে অকুতোভয় বাঙালির বীরত্বগাথার স্মারক এই ভাস্কর্য।।
- জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের গ্রন্থাগার ভবনের সামনে ভাস্কর্যটির অবস্থান।
- চার স্তরের লাল সিরামিক ইটের বেদির ওপর ব্রোঞ্জের তৈরি ভাস্কর্যের উচ্চতা ১৫ ফুট।
- ২৬ মার্চ, ১৯৯০ সালে ভাস্কর্য স্থাপিত হয়।
- এর ভাস্কর স্থপতি হামিদুজ্জামান খান।
- ভাস্কর্যটিতে মূর্ত হয়েছে যুদ্ধে শত্রুর আঘাতে এক হাত ও এক পা হারিয়েও বন্দুক হাতে লড়ে যাওয়া এক বীরের প্রতিকৃতি। যিনি পঙ্গুত্ববরণ করেও নির্ভীক এবং যুদ্ধে জয়লাভে দৃঢ়প্রতিজ্ঞ।

তথ্যসূত্র - জাতীয় তথ্য বাতায়ন ও প্রথম আলো পত্রিকার রিপোর্ট।

৩৯.
মঙ্গলপাণ্ডে কোন ব্রিটিশ বিরোধী আন্দোলনের সাথে জড়িত ছিলেন?
  1. নীল বিদ্রোহ
  2. সিপাহী বিদ্রোহ
  3. ভারত ছাড়ো আন্দোলন
  4. স্বদেশী আন্দোলন
ব্যাখ্যা

সিপাহি বিদ্রোহ:
- সিপাহি বিদ্রোহকে ভারতের প্রথম স্বাধীনতা সংগ্রাম বলা হয়।
- ১৮৫৭ সালের ২৯শে মার্চ পশ্চিমবঙ্গের ব্যারাকপুরে মঙ্গলপাণ্ডে নামে এক সিপাহী কর্তৃক গুলি বর্ষণের মাধ্যমে এই বিদ্রোহের সূত্রপাত ঘটে।
- দ্রুত এই বিদ্রোহ ছড়িয়ে পড়ে মিরাট, কানপুর, পাঞ্জাব, উত্তর প্রদেশ, মধ্য প্রদেশ, বিহার, বাংলাসহ ভারতের প্রায় সর্বত্র। বাংলাদেশের ঢাকা, চট্টগ্রাম, যশোর, সিলেট, কুমিল্লা, পাবনা, রংপুর, দিনাজপুর, রাজশাহী এই বিদ্রোহে শামিল হয় ।
- পরবর্তীতে তা ভারতবর্ষের উত্তর ও পূর্বাঞ্চলে ছড়িয়ে পড়ে। কিন্তু শেষ পর্যন্ত এই বিদ্রোহ ব্যর্থতায় পর্যবসিত হয়।
- তবে এ বিদ্রোহের ফলে ভারতে কোম্পানির শাসনের অবসান ঘটে।
- ভারতের শাসনভার ব্রিটিশ সরকার সরাসরি তার হাতে নিয়ে নেয়।

তথ্যসূত্র- বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৪০.
গণপরিষদে বাংলাদেশের সংবিধান গৃহীত হয় কত তারিখ?
  1. ১৭ এপ্রিল, ১৯৭২
  2. ১২ অক্টোবর, ১৯৭২
  3. ৪ নভেম্বর, ১৯৭২
  4. ১৪ ডিসেম্বর, ১৯৭২
ব্যাখ্যা

সংবিধান:
- সংবিধানের খসড়া প্রণয়নের লক্ষ্যে খসড়া সংবধিান প্রণয়ন কমিটি গঠন করা হয়: ১১ এপ্রিল, ১৯৭২ সালে।
- খসড়া সংবিধান প্রণয়ন কমিটির প্রথম অধিবেশন অনুষ্ঠিত হয়: ১৭ এপ্রিল, ১৯৭২ সালে।
- খসড়া সংবধিান প্রণয়ন কমিটি সংবিধানের চূড়ান্ত খসড়া প্রণয়ন করেন: ১১ অক্টোবর, ১৯৭২ সালে।
- খসড়া সংবিধান গণপরিষদে উত্থাপিত হয়: ১২ অক্টোবর, ১৯৭২ সালে।
- গণপরিষদে বাংলাদেশের সংবিধান গৃহীত হয়: ৪ নভেম্বর, ১৯৭২ সালে।
- সংবিধান স্পিকার কর্তৃক প্রমাণীকৃত হয়: ১৪ ডিসেম্বর, ১৯৭২ সালে।
- গণপরিষদের সদস্যগণ হস্তলিখিত সংবিধানে স্বাক্ষর করেনঃ ১৪ ডিসেম্বর ও ১৫ ডিসেম্বর, ১৯৭২ সালে।
- বাংলাদেশের সংবিধান কার্যকর হয়: ১৬ ডিসেম্বর, ১৯৭২ সালে।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের সংবিধান, আরিফ খান।

৪১.
জাতীয় বাজেট ২০২৫-২৬ এর শিরোনাম কোনটি?
  1. উন্নয়নমুখী বাজেট: আগামীর বাংলাদেশ
  2. সামাজিক নিরাপত্তা ও মানবসম্পদ উন্নয়ন
  3. বৈষম্যহীন ও টেকসই অর্থনৈতিক ব্যবস্থা গড়ার প্রত্যয়
  4. অন্তর্ভুক্তিমূলক উন্নয়ন ও সমৃদ্ধির পথ
ব্যাখ্যা

[এই প্রশ্নের তথ্য পরিবর্তনশীল। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।]

জাতীয় বাজেট ২০২৫-২৬:

- বাজেটের ক্রম: ৫৪তম (অন্তবর্তীকালীনসহ ৫৫তম)।
- বাজেটের শিরোনাম: 'বৈষম্যহীন ও টেকসই অর্থনৈতিক ব্যবস্থা গড়ার প্রত্যয়'।
- বাজেট উত্থাপনকারী: ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ (অর্থ উপদেষ্টা)।
- বাজেট উত্থাপন: ২ জুন, ২০২৫।
- অনুমোদন হয় : ২২ জুন, ২০২৫।
- কার্যকর হয়: ১ জুলাই, ২০২৫।
- জিডিপির আকার: ৬২ লাখ ৪৪ হাজার ৫৭৮ কোটি টাকা।
- জিডিপি প্রবৃদ্ধির হার: ৫.৫%।
- বাজেটের আকার: ৭ লাখ ৯০ হাজার কোটি টাকা।
- অনুদান ব্যতিত বাজেট ঘাটতি: ২ লাখ ২৬ হাজার কোটি টাকা।
- অনুদান সহ বাজেট ঘাটতি: ২,২১,০০০ কোটি টাকা।
- সর্বোচ্চ বরাদ্দ প্রাপ্ত খাত (পরিচালন ও উন্নয়ন বাজেট): জনপ্রশাসন।
- উন্নয়ন বাজেটে সর্বোচ্চ বরাদ্দপ্রাপ্ত খাত: পরিবহন ও যোগাযোগ।
- অনুন্নয়ন (পরিচালন) বাজেটে সর্বোচ্চ বরাদ্দ প্রাপ্ত খাত: সুদ।
- মাথাপিছু আয়: ২,৮২০ মার্কিন ডলার।
- বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচী (ADP): ২ লাখ ৩০ হাজার কোটি টাকা (জিডিপির ৩.৭%)।
- উন্নয়ন বাজেটে বরাদ্দের পরিমাণ: ২,৪৫,৬০৯ কোটি টাকা।
- অনুমিত মুদ্রাস্ফীতির হার: ৬.৫%।

তথ্যসূত্র - জাতীয় বাজেট ২০২৫-২৬।

৪২.
আপিল ও হাইকোর্ট বিভাগের বিচারপতিবৃন্দকে শপথ বাক্য পাঠ করান কে?
  1. রাষ্ট্রপতি
  2. প্রধানমন্ত্রী
  3. স্পিকার
  4. প্রধান বিচারপতি
ব্যাখ্যা

সংবিধানের তৃতীয় তফসিল অনুসারে:

রাষ্ট্রপতি শপথ বাক্য পাঠ করান:
- প্রধানমন্ত্রী।
- প্রধান বিচারপতি।
- মন্ত্রিসভার সদস্যবৃন্দ।
- স্পিকার।
- ডেপুটি স্পিকার।

প্রধান বিচারপতি শপথ বাক্য পাঠ করান:
- আপিল ও হাইকোর্ট বিভাগের বিচারপতিবৃন্দ।
- পিএসসির চেয়ারম্যান ও সদস্যবৃন্দ।
- মহা হিসাব-নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রক।
- প্রধান নির্বাচন কমিশনার ও কমিশনারবৃন্দ।

স্পিকার শপথবাক্য পাঠ করান:
- রাষ্ট্রপতি।
- সংসদ সদস্যবৃন্দ।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশ সংবিধান।

৪৩.
সম্প্রতি অনুষ্ঠিত বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের যৌথ সামরিক মহড়ার নাম কী? (সেপ্টেম্বর, ২০২৫)
  1. ইন্ডো-প্যাসিফিক স্ট্রাইক
  2. সার্জেন্ট শিল্ড
  3. টাইগার শার্ক
  4. ওশেন সেন্টিনেল
ব্যাখ্যা

[এই প্রশ্নের তথ্য পরিবর্তনশীল। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।]

টাইগার শার্ক:

- বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের যৌথ সামরিক মহড়ার নাম 'টাইগার শার্ক'।
- মহড়াটি ২ আগস্ট, ২০২৫ এ অনুষ্ঠিত হয়।
- মহড়াটি আঞ্চলিক নিরাপত্তা সহযোগিতা বৃদ্ধি, পারস্পরিক সমন্বয় এবং উভয় দেশের সশস্ত্র বাহিনীর সক্ষমতা বৃদ্ধির উদ্দেশ্যে পরিচালিত হয়েছে।
- ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলে শান্তি, স্থিতিশীলতা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করার প্রতি যুক্তরাষ্ট্র ও বাংলাদেশের দীর্ঘস্থায়ী অঙ্গীকারের প্রতিফলন হল এই মহড়া।
- এই মহড়ায় যুক্তরাষ্ট্রের ইন্দো-প্যাসিফিক কমান্ড এবং বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যরা একসাথে চিকিৎসা প্রশিক্ষণ, টহল, লক্ষ্যভেদ অনুশীলন, সাঁতার ও ডুবসাঁতার, এবং ক্লোজ কোয়ার্টারস কমব্যাটসহ বিভিন্ন সমন্বিত প্রশিক্ষণ কার্যক্রমে অংশগ্রহণ করেছে।

তথ্যসূত্র - পত্রিকার রিপোর্ট।

৪৪.
কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৪ এর রিপোর্ট অনুযায়ী, চার ফসলি জমির পরিমাণ কত হেক্টর?
  1. ১৯,০০০ হেক্টর
  2. ২৩,০০০ হেক্টর
  3. ২৭,০০০ হেক্টর
  4. ৩১,০০০ হেক্টর
ব্যাখ্যা

[এই প্রশ্নের তথ্য পরিবর্তনশীল। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।]

আবাদী ও অনাবাদী জমি:

- আবাদযোগ্য নয় এমন জমির পরিমাণ ৮৩,৫৮,০০০ একর।
- মোট আবাদযোগ্য জমি ৩,৯২,৯৬,০০০ একর বা ১,৫৯,০৩,০০০ হেক্টর।
- এক ফসলি জমি ৫০,৪৯,০০০ একর বা ২০,৪৪,০০০ হেক্টর।
- দুই ফসলি জমি ১,০১,৪০,০০০ একর বা ৪১,০৫,০০০ হেক্টর।
- তিন ফসলি জমি ৪৫,৯৩,০০০ একর বা ১৮,৫৯,০০০ হেক্টর।
- চার ফসলি জমি ৪৭,০০০ একর বা ১৯,০০০ হেক্টর।

তথ্যসূত্র - কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৪।

৪৫.
নিচের কোন কারণগুলো ব্রেক্সিটের পক্ষে ভোট দেওয়ার সঙ্গে সম্পর্কিত?
  1. ইউরো-জোনের ঋণ সংকট
  2. মধ্যপ্রাচ্য এবং আফ্রিকান সংঘাত
  3. উন্মুক্ত সীমান্ত নীতি
  4. উপরোক্ত সবগুলো
ব্যাখ্যা

ব্রেক্সিট:
ব্রেক্সিটের পক্ষে ভোট দেওয়ার সঙ্গে সম্পর্কিত বিষয়গুলো হল - 
- উন্মুক্ত সীমান্ত নীতি: অনেক ব্রিটিশ নাগরিক উদ্বিগ্ন ছিলেন ইইউর উন্মুক্ত সীমান্ত নীতির কারণে অন্যান্য ইইউ দেশের অভিবাসীর ক্রমবর্ধমান আগমনের বিষয়ে।
- অভিবাসী ঢেউ: মধ্যপ্রাচ্য এবং আফ্রিকান সংঘাতের কারণে ২০১৫ সালে অভিবাসীদের ঢেউয়ের ফলে এই উদ্বেগ আরও বেড়ে যায়
- ইউরো-জোন ঋণ সংকট: বিশেষ করে গ্রিসের বেইলআউটের প্রতি ইইউর প্রতিক্রিয়া আর্থিক উদ্বেগ সৃষ্টি করে।
- সার্বভৌমত্বের ক্ষতি: ইউরো সংশয়বাদীরা মনে করতেন যে ব্রিটেন অতিরিক্ত সার্বভৌমত্ব হারাচ্ছে।
- ইইউ নিয়ন্ত্রণের প্রভাব: অতিরিক্ত ইইউ নিয়ন্ত্রণ ভোক্তা, নিয়োগকর্তা এবং পরিবেশকে প্রভাবিত করছে, যা ব্রিটিশ অর্থনীতিতে বাধা সৃষ্টি করছে।

উৎস - ব্রিটানিকা ওয়েবসাইট।[লিংক]

৪৬.
নিম্নোক্ত কোন শহরে ICSID এর সদর দপ্তর অবস্থিত?
  1. নিউ ইয়র্ক 
  2. রোম
  3. লিও
  4. ওয়াশিংটন ডিসি
ব্যাখ্যা

ICSID:
- ICSID (International Centre for Settlement of Investment Disputes) হলো বিশ্বব্যাংক গ্রুপের একটি প্রতিষ্ঠান।
- এটি সদস্য দেশগুলোর মধ্যে পুঁজি বিনিয়োগজনিত বিরোধ নিষ্পত্তি করে থাকে।
- ICSID ১৯৬৬ সালের ১৪ অক্টোবর প্রতিষ্ঠিত হয়।
- ICSID এর সদর দপ্তর ওয়াশিংটন ডিসি তে অবস্থিত।
- এর সদস্য সংখ্যা ১৬৫টি দেশ।
- বাংলাদেশ ICSID এর সদস্য পদ লাভ করে ১৯৮০ সালে।

সূত্র - বিশ্বব্যাংক ওয়েবসাইট।

৪৭.
নিম্নের কোন সংগঠনটি FAO এর সদস্য হিসেবে পরিচিত? 
  1. EU
  2. SAARC
  3. AU
  4. NATO
ব্যাখ্যা

FAO:
- FAO (Food and Agriculture Organization) ১৯৪৫ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- এটির সদরদপ্তর ইতালির রাজধানী রোমে অবস্থিত।
- FAO এর বর্তমান মহাপরিচালক চীনের কু ডংগিউ।
- বর্তমান সদস্য সংখ্যা ১৯৪টি।
- এছাড়া সংগঠন হিসেবে ইউরোপীয়ান ইউনিয়ন FAO এর সদস্য।
- সংস্থাটির প্রতিষ্ঠার তারিখ ১৬ অক্টোবর প্রতিবছর বিশ্ব খাদ্য দিবস পালিত হয়।
- বাংলাদেশ ১৯৭৩ সালে FAO এর সদস্যপদ লাভ করে।

সূত্র - FAO অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।

৪৮.
জেনেভা কনভেনশনের কোন চুক্তিটির বিষয়বস্তু ‘যুদ্ধ-বন্দিদের প্রতি আচরণ সংক্রান্ত বিধানাবলি  নির্দেশ করে?
  1. দ্বিতীয় চুক্তি
  2. তৃতীয় চুক্তি
  3. চতুর্থ চুক্তি
  4. প্রথম চুক্তি
ব্যাখ্যা

• জেনেভা কনভেনশন - ১৯৪৯ (Geneva Convention): 
- ১৯৪৯ সালের ১২ আগস্ট সুইজারল্যান্ডের জেনেভায় 'জেনেভা কনভেনশন' স্বাক্ষর হয়।
- এর আওতায় স্বাক্ষরিত চুক্তির সংখ্যা - ৪টি চুক্তি। 

• স্বাক্ষরিত চারটি চুক্তি হচ্ছে -
→ প্রথম জেনেভা কনভেনশন চুক্তি:
- জেনেভা কনভেনশনের প্রথম চুক্তিটি যুদ্ধকালীন সময়ে ভূমি ও স্থল যুদ্ধে আহত ও অসুস্থ সৈন্যদের প্রতি আচরণ ও সুরক্ষা সংক্রান্ত।

→ দ্বিতীয় জেনেভা কনভেনশন চুক্তি:
- দ্বিতীয় চুক্তিটি সমুদ্রে বা জলের যুদ্ধে আহত, অসুস্থ ও জাহাজডুবির স্বীকার সৈন্যদের প্রতি আচরণ ও সুরক্ষা সংক্রান্ত।
- ১৯০৭ সালের "হেগ চুক্তি" সংশােধন করে এটি স্বাক্ষরিত হয়।

→ তৃতীয় জেনেভা কনভেনশন চুক্তি:
– জেনেভা কনভেনশনের তৃতীয় চুক্তিটি হচ্ছে যুদ্ধ-বন্দিদের প্রতি আচরণ সংক্রান্ত

→ চতুর্থ জেনেভা কনভেনশন চুক্তি:
- চতুর্থ চুক্তিটি যুদ্ধক্ষেত্র বা অবরুদ্ধ অঞ্চলের বেসামরিক নাগরিকদের সুরক্ষা সংক্রান্ত চুক্তি।

সূত্র: ব্রিটানিকা ও রেডক্রস।

৪৯.
নিম্নের কোনটি WIPO এর পূর্ণরূপ হিসেবে বিবেচিত?
  1. World Intellectual Property Organization.
  2. World Intellectual Perfect Organization
  3. World Intellectual Propering Organisation.
  4. World International Property Organization.
ব্যাখ্যা

• WIPO:
-WIPO -এর পূর্ণরুপ - World Intellectual Property Organization.
- WIPO ১৯৬৭ সালের প্রতিষ্ঠিত হয়। 
 - WIPO হলো জাতিসংঘের বুদ্ধিবৃত্তিক সম্পদ বিষয়ক বৈশ্বিক সংস্থা।
- এর মূল উদ্দেশ্য বিশ্বব্যাপী সৃজনশীল বা সৃষ্টিশীল কর্মকান্ডকে উৎসাহিত করা।
- বাংলাদেশ ১৯৮৫ সালের ১১ মে WIPO এর সদস্যপদ লাভ করে।
- WIPO এর বর্তমান সদস্য সংখ্যা ১৯৪টি।
- সদরদপ্তর অবস্থিত সুইজারল্যান্ডের জেনেভায়।

সূত্র: WIPO এর  ওয়েবসাইট।

৫০.
নিম্নোক্ত কোন দার্শনিক বয়োজ্যেষ্ঠ হিসেবে পরিচিত?
  1. সক্রেটিস
  2. এরিস্টটল
  3. আলেকজান্ডার
  4. প্লেটো
ব্যাখ্যা

গ্রিক দার্শনিক:
- সক্রেটিস একজন গ্রিক দার্শনিক।
- তার শিষ্য প্লেটো।
- প্লেটোর শিষ্য ছিলেন এরিস্টটল।
- এরিস্টটলের শিষ্য ছিলেন আলেকজান্ডার।
- তারা প্রত্যেকেই বিখ্যাত গ্রিক দার্শনিক ছিলেন।

উৎস: Britannica.

৫১.
নিম্নের কোনটি 'Sustainable Development Goals' এর মূলনীতি হিসেবে পরিচিত?
  1. Only for developed countries
  2. Leaving no one behind
  3. Growth without equality
  4. Environment over human needs
ব্যাখ্যা

SDG:
- SDGs-এর পূর্ণরূপ: Sustainable Development Goals.
- সহস্রাব্দ উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রার আদলে ২০১৫ সালের ২৫-২৭ সেপ্টেম্বর নিউইয়র্কে জাতিসংঘ টেকসই উন্নয়ন সম্মেলনে Sustainable Development Goals (এসডিজি) গ্রহণ করে।
- এসডিজি-এর মূলনীতি: Leaving no one behind.
- এসডিজিতে ১৭টি লক্ষ্যমাত্রা এবং ১৬৯টি টার্গেট নির্ধারণ করা হয়।
- মেয়াদকাল: ২০১৬-২০৩০ সাল।

⇒ এসডিজির ১৭টি লক্ষ্যমাত্রা হলো:
 ১. দারিদ্র্য বিলোপ;
২. ক্ষুধা মুক্তি;
৩. সুস্বাস্থ্য ও কল্যাণ;
৪. মানসম্মত শিক্ষা;
৫. লিঙ্গ সমতা;
৬. নিরাপদ পানি ও পয়ঃনিষ্কাশন;
৭. সাশ্রয়ী ও দূষণমুক্ত জ্বালানি;
৮. শোভন কাজ ও অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি;
৯. শিল্প, উদ্ভাবন ও অবকাঠামো;
১০.অসমতার হ্রাস;
১১. টেকসই নগর ও জনপদ;
১২. পরিমিত ভোগ ও উৎপাদন;
১৩. জলবায়ু কার্যক্রম;
১৪. জলজ জীবন;
১৫. স্থলজ জীবন;
১৬. শান্তি, ন্যায়বিচার ও কার্যকর প্রতিষ্ঠান;
১৭. অভীষ্ট অর্জনে অংশীদারিত্ব৷

উৎস: UNDP ওয়েবসাইট।

৫২.
নিম্নোক্ত কোন স্থানে 'জাতিসংঘ সনদ' স্বাক্ষরিত হয়েছে?
  1. ওয়াশিংটন ডিসি, যুক্তরাষ্ট্র
  2. নিউইয়র্ক, যুক্তরাষ্ট্র
  3. প্যারিস, ফ্রান্স
  4. সানফ্রান্সিসকো, যুক্তরাষ্ট্র
ব্যাখ্যা

জাতিসংঘ:
- ১৯৪৫ সালের ২৪ অক্টোবর জাতিসংঘ সনদ কার্যকরের মাধ্যমে আনুষ্ঠানিকভাবে জাতিসংঘ গঠিত হয়।
- এর আগে ১৯৪৫ সালের ২৬ জুন যুক্তরাষ্ট্রের সানফ্রান্সিসকো শহরে জাতিসংঘ সনদ স্বাক্ষরিত হয়।
- জাতিসংঘ সদর দপ্তর যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কে অবস্থিত।
- দাপ্তরিক ভাষা ৬টি।
- এগুলো হচ্ছে ইংরেজি, চীনা, স্প্যানিশ, ফরাসি, রুশ ও আরবি।
- জাতিসংঘের বর্তমান মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস। (সেপ্টেম্বর, ২০২৫)
- জাতিসংঘের প্রতিষ্ঠাকালীন সদস্য ৫১টি।
- এর বর্তমান সদস্য ১৯৩টি। (ফেব্রুয়ারি, ২০২৫)
- জাতিসংঘের স্থায়ী পর্যবেক্ষকের সংখ্যা ২ টি (ভ্যাটিকান ও ফিলিস্তিন)।
- জাতিসংঘের সর্বশেষ সদস্য দক্ষিণ সুদান।
- ২০১১ সালের ১৪ জুলাই, ১৯৩তম দেশ হিসেবে জাতিসংঘে যোগদান করে।

সূত্র - জাতিসংঘ ওয়েবসাইট।

৫৩.
নিম্নের কোন দলটি মার্কিন রাজনীতিতে ‘গ্র্যান্ড ওল্ড পার্টি’ নামে পরিচিত?
  1. ডেমোক্রেটিক পার্টি
  2. লিবার্টারিয়ান পার্টি
  3. কনজারভেটিভ পার্টি
  4. রিপাবলিকান পার্টি
ব্যাখ্যা

যুক্তরাষ্ট্র: 
- যুক্তরাষ্ট্রে মোট পঞ্চাশটি রাজ্য রয়েছে।
- আলাস্কা যুক্তরাষ্ট্রের বৃহত্তম রাজ্য, আর জনসংখ্যার দিক থেকে ক্যালিফোর্নিয়া হলো বৃহত্তম অঙ্গরাজ্য।
- যুক্তরাষ্ট্র স্বাধীনতা লাভ করে ৪ জুলাই, ১৭৭৬ সালে।
- সেই থেকে ৪ জুলাই যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় দিবস হিসেবে পালিত হয়।
- দেশটির প্রথম প্রেসিডেন্ট ছিলেন জর্জ ওয়াশিংটন।
- ১৮৬৩ সালে প্রেসিডেন্ট আব্রাহাম লিংকনের নেতৃত্বে যুক্তরাষ্ট্র থেকে ক্রীতদাস প্রথা বিলোপ করা হয়।
- যুক্তরাষ্ট্রের রাজনীতিতে রিপাবলিকান পার্টি "গ্র্যান্ড ওল্ড পার্টি" বা GOP নামে পরিচিত।
- যুক্তরাষ্ট্রের প্রধান দুই রাজনৈতিক দল হলো ডেমোক্রেটিক পার্টি এবং রিপাবলিকান পার্টি। 

সূত্র: ব্রিটানিকা।

৫৪.
সম্প্রতি কোন দেশ প্রথমবারের মতো পূর্ণ পারমাণবিক 'ট্রায়াড' বা ত্রিমুখী অস্ত্রশক্তি প্রদর্শন করেছে? (সেপ্টেম্বর ২০২৫)
  1. রাশিয়া
  2. উত্তর কোরিয়া
  3. যুক্তরাষ্ট্র
  4. চীন
ব্যাখ্যা

সামরিক কুচকাওয়াজে উন্মোচিত প্রধান অস্ত্রসমূহ:
- চীন প্রথমবার পূর্ণ পারমাণবিক ‘ট্রায়াড’ বা ত্রিমুখী অস্ত্রশক্তি প্রদর্শন করেছে।
- এই ট্রায়াড স্থল, সমুদ্র ও আকাশ থেকে একযোগে হামলা চালাতে সক্ষম।
• এতে অন্তর্ভুক্ত ছিল:
- আধুনিকায়নকৃত আন্তমহাদেশীয় ক্ষেপণাস্ত্র DF-5C (পাল্লা ২০,০০০ কিমি)।
- দীর্ঘপাল্লার নতুন ক্ষেপণাস্ত্র DF-61।

এছাড়াও,
- যুদ্ধজাহাজ বিধ্বংসী 'ওয়াইজে-১৭' হাইপারসনিক ক্ষেপণাস্ত্র।
- লেজারভিত্তিক আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা LY-1।
- উন্নত HSU-100 সামুদ্রিক ড্রোনের নতুন সংস্করণ।

উৎস - প্রথম আলো পত্রিকা রিপোর্ট।

৫৫.
রাশিয়ার ভেতরে হামলার জন্য ইউক্রেনকে সরবরাহকৃত যুক্তরাষ্ট্রের কোন ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করা হয়েছে?
  1. ALCM
  2. ATM- 1
  3. ATACMS
  4. AAM- 5
ব্যাখ্যা

ATACMS ক্ষেপণাস্ত্র: 
- যুক্তরাষ্ট্রের সরবরাহ করা এটিএসিএমএস (ATACMS) ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করে ইউক্রেন প্রথমবারের মতো রাশিয়ার ভেতরে হামলা চালিয়েছে।
- এটিএসিএমএস একটি দূরপাল্লার ভূমি থেকে ভূমিতে আঘাত হানতে সক্ষম ক্ষেপণাস্ত্র, যার পাল্লা ৩০০ কিলোমিটার।
- এটি সলিড রকেট প্রপোলেন্ট দিয়ে চলে, যা একে দ্রুত ও নির্ভুল করে তোলে।
- এই ক্ষেপণাস্ত্র গুচ্ছবোমা বা একক উচ্চমাত্রার বিস্ফোরকসহ বিভিন্ন ওয়ারহেড বহনে সক্ষম।
- গুচ্ছবোমা ব্যবহার বড় এলাকা ধ্বংস করতে পারে, তবে এতে অবিস্ফোরিত বোমার ঝুঁকি থাকে। 
- এটিএসিএমএস (ATACMS) ১৯৯১ সালের উপসাগরীয় যুদ্ধে প্রথম ব্যবহৃত হয়।
- বর্তমানে এটি প্রিসাইশন স্ট্রাইক মিসাইল দ্বারা প্রতিস্থাপিত হচ্ছে, যা আরও অত্যাধুনিক এবং ৫০০ কিলোমিটার পাল্লার। 

সূত্র: প্রথম আলো ও ডেইলি স্টার।

৫৬.
নিম্নোক্ত কোন দেশটি প্রথম আরব দেশ হিসেবে ইসরায়েলকে আনুষ্ঠানিকভাবে স্বীকৃতি দেয়?
  1. মিশর
  2. সংযুক্ত আরব আমিরাত
  3. তুরস্ক
  4. কাতার
ব্যাখ্যা
ইসরাইল:
- মধ্যপ্রাচ্যের মুসলিম দেশগুলোর মাঝখানে অবস্থিত।
- রাজধানী: জেরুজালেম।
- মুদ্রা: শেকেল।
- ইসরাইলের ভাষা হিব্রু।
- ফিলিস্তিন অংশের ভূমি দখল করে রাষ্ট্র গঠন করে ইসরাইল।
- ইসরাইলকে স্বীকৃতি দানকারী প্রথম দেশ যুক্তরাষ্ট্র।
- ইসরাইলকে স্বীকৃতি দানকারী প্রথম আরব দেশ মিশর (১৯৭৯ সালে)।
- ইসরাইলকে স্বীকৃতি দানকারী প্রথম মুসলিম দেশ তুরস্ক।

অন্যদিকে,
- মুসলমান, ইহুদি ও খ্রিস্টান এই তিন ধর্মাবলম্বীদের কাছে পবিত্রভূমি ফিলিস্তিনের জেরুজালেম।
- বেলফোর ঘোষণা ইসরায়েল রাষ্ট্রের প্রতিষ্ঠার সঙ্গে সম্পর্কিত।
- ১৯৪৮ সালের ১৪ই মে ব্রিটিশ ও মার্কিনদের সহায়তায় ইহুদিরা আরব ভূমিতে ইসরাইল রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা করে।
- তারাই একমাত্র দেশ যারা শুধুমাত্র ধর্মের ভিত্তিতে সরাসরি নাগরিকত্ব দেয়।
- গোয়েন্দা সংস্থা: মোসাদ, আমান।
- ইসরাইলের স্বাধীনতা ঘোষণা করেন ডেভিড বেন গুরিয়েন।

উৎস: Britannica ওয়েবসাইট এবং Al Jazeera নিউজ।
৫৭.
ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর বিরুদ্ধে গাজায় যুদ্ধাপরাধের অভিযোগে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করে নিম্নের কোন আদালত?
  1. আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল (আইসিটি)
  2. আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালত (আইসিসি)
  3. ইউরোপীয় মানবাধিকার আদালত (ইসিএইচআর)
  4. আন্তর্জাতিক ন্যায়বিচার আদালত (আইসিজে) 
ব্যাখ্যা
[এই প্রশ্নের তথ্য পরিবর্তনশীল। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।]

ICC:

- ICC-এর পূর্ণরূপ: International Criminal Court.
- ICC বা আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালত।
- প্রতিষ্ঠিত হয়: ১৭ জুলাই, ১৯৯৮ (রোম সংবিধির মাধ্যমে)।
- কার্যক্রম শুরু করে: ১ জুলাই, ২০০২।
- সদরদপ্তর: হেগ নেদারল্যান্ডস।
- এর সদস্য: ১২৪টি।
- ১২৪তম সদস্য: আর্মেনিয়া।

এছাড়াও, 
- সম্প্রতি ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু এবং ইসরায়েলি সাবেক প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইয়োভ গ্যালান্টের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেছে আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালত (আইসিসি)।
- নভেম্বর, ২০২৪-এ এই গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করা হয়।
- আইসিসি বলছে, “ক্ষুধাকে ব্যবহার করে যুদ্ধাপরাধ এবং মানবতাবিরোধী অপরাধ সংঘটনের জন্য এই দুইজনকে দায়ী করার যৌক্তিক ভিত্তি রয়েছে।”
- 'দুইজনের প্রত্যেকের অন্যদের সাথে মিলে যৌথভাবে সহ-অপরাধী হিসেবে নিম্নলিখিত অপরাধের জন্য ফৌজদারি দায়বদ্ধতা রয়েছে: যুদ্ধের পদ্ধতি হিসাবে ক্ষুধার ব্যবহার এবং হত্যা, নিপীড়ন এবং অন্যান্য অমানবিক কাজের মাধ্যমে মানবতাবিরোধী অপরাধ সংঘটন।'

উৎস:BBC পত্রিকা রিপোর্ট এবং International Criminal Court ওয়েবসাইট।
৫৮.
নিম্নের কত তারিখে 'বিশ্ব সমুদ্র দিবস' পালিত হয়?
  1. ৪ অক্টোবর
  2. ৭ এপ্রিল
  3. ৮ জুন
  4. ১১ জুলাই
ব্যাখ্যা

গুরুত্বপূর্ণ দিবস:
- বিশ্ব সমুদ্র দিবস - প্রতি বছর ৮ জুন পালিত হয়।
- উদ্ভব: ১৯৯২ সালে ব্রাজিলের রিও ডি জেনেইরোতে অনুষ্ঠিত ধরিত্রী সম্মেলনে দিবসটি পালনের ধারণা আসে।
- জাতিসংঘের স্বীকৃতি: ২০০৮ সালে দিবসটি আনুষ্ঠানিকভাবে স্বীকৃতি পায়।
- প্রথম উদযাপন: ২০০৯ সাল থেকে বিশ্বব্যাপী উদযাপন শুরু হয়।

এছাড়াও,
- ৫ ডিসেম্বর - বিশ্ব মৃত্তিকা দিবস।
- ৪ অক্টোবর - বিশ্ব প্রাণী দিবস।
- ৮ মার্চ - বিশ্ব নারী দিবস।
- ৭ এপ্রিল - বিশ্ব স্বাস্থ্য দিবস।
- ১১ জুলাই - বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস।

সূত্র - জাতিসংঘ ওয়েবসাইট।

৫৯.
 সম্প্রতি দক্ষিণ এশিয়ার কোন দেশে সরকার বিরোধী 'জেন-জি আন্দোলন' হয়েছে? (সেপ্টেম্বর ২০২৫)
  1. ভারত
  2. ভুটান
  3. মিয়ানমার
  4. নেপাল
ব্যাখ্যা

জেন-জি আন্দোলন:
- দক্ষিণ এশিয়ার দেশ নেপালে সরকারবিরোধী জেন-জি আন্দোলন  হয়েছে।
- নেপালে দুর্নীতির বিরুদ্ধে ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম নিষিদ্ধ করার প্রতিবাদে জেন-জিরা আন্দোলন শুরু করে।
- পুলিশ ও বিক্ষোভকারীদের সংঘর্ষে নিহত হয়েছে ১৯ জন।
- আহত হয়েছেন ১০০ এর বেশি ।
-  ১৯ জনের প্রাণহানির পর প্রধানমন্ত্রী পদত্যাগ করেছেন।
- তিনি ৩ বারের প্রধানমন্ত্রী ছিলেন।ছিলেন।

উৎস - প্রথম আলো পত্রিকা রিপোর্ট। 

৬০.
বিশ্বের সবচেয়ে ছোট সংবিধানের খেতাব লাভ করে কোন দেশ?
  1. জাপান
  2. কানাডা
  3. ভারত
  4. যুক্তরাষ্ট্র
ব্যাখ্যা

•সংবিধান- 
- বিশ্বের সবচাইতে ছোট লিখিত সংবিধান হচ্ছে যুক্তরাষ্ট্রের। 
- সংবিধানটি প্রণয়ণ করা হয় ১৭ ই সেপ্টেম্বর, ১৭৮৭ সালে এবং কার্যকর হয় ৪ মার্চ, ১৭৮৯ সালে।
- সংবিধানটি মোট ২৭ বার সংশোধন করা হয়।
- নাগরিক অধিকার সম্পর্কিত প্রথম সংশোধনকে বলা হয় - Bill of Rights.
- যুক্তরাষ্ট্রের সংবিধান রচনা করেন যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্ট জেমস মেডিসন।
- জেমস মেডিসনকে সংবিধান রচনার জনক বলা হয়ে থাকে। 

এছাড়া, 
- বর্তমানে শব্দ সংখ্যার হিসাবে বিশ্বের সবচেয়ে ছোট লিখিত সংবিধান - মোনাকোর। এর শব্দ সংখ্যা প্রায় ৩৮০০ এবং অনুচ্ছেদ রয়েছে ৯৭টি।
- অনুচ্ছেদের হিসাবে বিশ্বের সবচেয়ে ছোট সংবিধান যুক্তরাষ্ট্রের। এর শব্দ সংখ্যা প্রায় ৮৫৪৯টি এবং অনুচ্ছেদ রয়েছে ৭টি।
- পরীক্ষায় আসলে 'মোনাকো' উত্তর করবেন। তবে অপশনে 'মোনাকো' না থাকলে 'যুক্তরাষ্ট্র' উত্তর হবে।

উৎস: Britannica ওয়েবসাইট।

৬১.
USMCA চুক্তির বৈশিষ্ট্য হিসেবে নিচের কোনটি সঠিক?
  1. খাদ্য ও কৃষি বাণিজ্য আধুনিকীকরণ
  2. সামরিক জোট সম্প্রসারণ
  3. মহাকাশ গবেষণা সহযোগিতা
  4. পারমাণবিক অস্ত্র বিস্তার
ব্যাখ্যা

USMCA:
- পূর্ণরূপ: United States-Mexico-Canada Agreement।
- ধরন: মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি (Free Trade Agreement)।
- সদস্য দেশ: যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা ও মেক্সিকো।
- কার্যকর হওয়ার তারিখ: ১ জুলাই, ২০২০।
- পূর্ববর্তী চুক্তি NAFTA (North American Free Trade Agreement) ১৯৯৪ সালে কার্যকর হয়েছিল।
- NAFTA কার্যকর হওয়ার পর কিছুদিন পর থেকেই বিভিন্ন বাণিজ্যিক অসুবিধা ও সমস্যা দেখা দেয়।
- এসব সমস্যা সমাধান ও আধুনিকীকরণের উদ্দেশ্যে ২০১৮ সালে USMCA চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।
- ২০২২ সালে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে USMCA-এর FDI (স্টক) ছিল $৬২৩.১ বিলিয়ন। 

• USMCA চুক্তির বৈশিষ্ট্য:
- খাদ্য ও কৃষি বাণিজ্য আধুনিকীকরণ,
- কৃষি এবং উৎপাদন খাতের উন্নয়ন,
- শ্রমিক অধিকার সংরক্ষণ,
- বুদ্ধিজীবী সম্পত্তি সুরক্ষা।

উৎস: United States Trade Representative (.gov) ওয়েবসাইট।[লিংক]

৬২.
CPU এর কন্ট্রোল ইউনিটের প্রধান কাজ কী?
  1. গণনা করা
  2. ডেটা সংরক্ষণ করা
  3. নির্দেশনা ডিকোড করা
  4. আউটপুট প্রদান করা
ব্যাখ্যা

◉ Control Unit হলো CPU এর এক গুরুত্বপূর্ণ অংশ, যা কম্পিউটারের অন্যান্য ইউনিট যেমন ALU, মেমরি, ইনপুট-আউটপুট ডিভাইস ইত্যাদিকে সমন্বয় করে কাজ করায়। এর প্রধান কাজ হলো প্রোগ্রামের নির্দেশনা ফেচ করা, ডিকোড করা এবং সংশ্লিষ্ট ইউনিটকে নির্দেশ পাঠানো।

প্রসেসর বা CPU এর সংগঠন এর প্রধানত তিনটি অংশ থাকে -
১) নিয়ন্ত্রণ অংশ,
২) অ্যারিথমেটিক লজিক ইউনিট (গাণিতিক যুক্তি অংশ,
৩) রেজিস্টার বা মেমোরি (স্মৃতি)।

• নিয়ন্ত্রণ অংশ:
- কম্পিউটারে সম্পাদিত সমস্ত কাজের নিয়ন্ত্রণ করে এ নিয়ন্ত্রণ অংশ।
- এ অংশ সিপিইউ, মেমোরি, এবং ইনপুট/আউটপুট ডিভাইসের মাধ্যমে ডাটা প্রবাহ নিয়ন্ত্রণ করে।
- কন্ট্রোল ইউনিট ROM ও RAM-এ সঞ্চিত নির্দেশ অনুসারে কাজ করে এবং কম্পিউটারের অন্য সব অংশকে আদেশ দেয়।
- তাছাড়া বাইনারি কোডের ইন্সট্রাকশনকে স্মৃতি থেকে গ্রহণ করে এবং এগুলোকে ডিকোড করে।

• অ্যারিথমেটিক লজিক ইউনিট/গাণিতিক যুক্তি অংশ:
- এটা CPU এর সেই অংশ যেখানে বিভিন্ন ধরনের অপারেশন যেমন- যোগ, বিয়োগ, গুণ, ভাগ, OR, AND, NOR, XOR ইত্যাদি ডাটার উপর সম্পাদিত হয়।
- এতে একটি প্রোগ্রাম কাউন্টার আছে যাতে পূর্বের ইন্সট্রাকশনের ঠিকানা থাকে।
- কোন ইন্সট্রাকশন কখন সম্পাদিত হবে তা এ ঠিকানা থেকে স্মৃতি হিসেবে পাঠ করা যায়।

• রেজিস্টার বা মেমোরি/স্মৃতি:
- রেজিস্টার হচ্ছে CPU এর একটি অংশ।
- এসব রেজিস্টারে দ্রুত লিখন ও পঠন সম্ভব।
- গাণিতিক যুক্তি অংশে তথ্য প্রক্রিয়াকরণে এসব রেজিস্টার সাহায্য করে।
- কোনো একটি কাজ সম্পাদনের সময় এ সমস্ত রেজিস্টার সাময়িকভাবে ডাটা সংরক্ষণ করতে ব্যবহৃত হয়।
- অপারেশনের ফল এখানে সাময়িকভাবে সঞ্চিত থাকে।

উৎস: কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি-১, এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল)।

৬৩.
Cache Memory কোন ধরনের মেমোরি?
  1. Secondary Memory
  2. Primary Memory
  3. High-speed buffer memory
  4. Virtual Memory
ব্যাখ্যা

◉ Cache Memory হলো এক ধরনের high-speed buffer মেমোরি, যা CPU আর RAM এর মধ্যে bridge এর মতো কাজ করে।

ক্যাশ মেমরি (Cache Memory):
- এটি এক ধরনের বিশেষ উচ্চগতির মেমোরি ব্যবস্থা।
- মাইক্রোপ্রসেসর ও প্রধান স্মৃতির মাঝে অতি উচ্চগতির এবং কম ধারণক্ষমতাসম্পন্ন যে মেমোরি ব্যবহার করা হয় তাকে ক্যাশ মেমোরি বলা হয়।
- ক্যাশ মেমোরি র‍্যামের চেয়ে ছোট।
- কম্পিউটারের ডেটা স্থানান্তরের গতি বৃদ্ধি তথা মাইক্রোপ্রসেসরের প্রক্রিয়াকরণের গতি বৃদ্ধির জন্য ক্যাশ মেমোরি ব্যবহৃত হয়।
- এটি এক ধরনের স্ট্যাটিক স্মৃতি, যা উচ্চগতি সম্পূর্ণ ও তুলনামূলক দামি মেমোরি।
- ক্যাশ মেমোরি থাকে EPROM-এ।

উৎস:
১. মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২. ব্রিটানিকা।

৬৪.
অনলাইন পেমেন্ট সিস্টেমে SSL এর ভূমিকা কী?
  1. ডেটা এনক্রিপশন
  2. পেমেন্ট প্রসেসিং
  3. পণ্য প্রদর্শন
  4. অর্ডার ম্যানেজমেন্ট
ব্যাখ্যা

SSL (Secure Sockets Layer) অনলাইন পেমেন্ট সিস্টেমে মূলত ডেটা এনক্রিপ্ট করে, যাতে ব্যবহারকারীর সংবেদনশীল তথ্য (যেমন কার্ড নম্বর, পাসওয়ার্ড, ব্যাংক ডেটা) নিরাপদে ব্রাউজার থেকে সার্ভারে পৌঁছায়।

SSL Certificate:
- SSL এর পূর্ণরূপ Secure Sockets Layer.
- SSL Certificate হলো একটি ডিজিটাল সার্টিফিকেট যা একটি ওয়েবসাইটের নিরাপত্তা নিশ্চিত করে।
- SSL একটি নিরাপত্তা প্রোটোকল যা একটি ওয়েব সার্ভার এবং একটি ওয়েব ব্রাউজারের মধ্যে একটি এনক্রিপ্ট করা লিংক তৈরি করে।
- এটি অনলাইন লেনদেন সুরক্ষিত করার ক্ষেত্রে এবং গ্রাহকের তথ্য গোপন ও সুরক্ষিত রাখতে কোম্পানি এবং সংস্থাগুলোর ওয়েবসাইটে ব্যবহৃত হয়।

ই-কমার্সে SSL এর ভূমিকা:
- ক্রেডিট কার্ড তথ্য, পাসওয়ার্ড এবং পার্সোনাল ডাটা এনক্রিপ্ট করে।
- অনলাইন পেমেন্ট ট্রান্সাকশন সুরক্ষিত রাখে।
- গ্রাহকদের বিশ্বাস অর্জনের জন্য SSL সার্টিফিকেট থাকা গুরুত্বপূর্ণ।
- SSL সাইটগুলিকে Google বেশি অগ্রাধিকার দেয়, ফলে SEO উন্নত হয়।

উৎস: Kaspersky website.

৬৫.
Wi-Fi 6 এর মাধ্যমে সর্বোচ্চ কত গতির ইন্টারনেট পাওয়া যায়?
  1. ২০ গিগাবিট প্রতি সেকেন্ড
  2. ১২ গিগাবিট প্রতি সেকেন্ড
  3. ১.২ গিগাবিট প্রতি সেকেন্ড
  4. ৯.৬ গিগাবিট প্রতি সেকেন্ড
ব্যাখ্যা

◉ Wi-Fi 6 (IEEE 802.11ax) হলো Wi-Fi এর সর্বশেষ প্রজন্মের স্ট্যান্ডার্ড, যা পুরোনো Wi-Fi 5 (802.11ac)-এর তুলনায় অনেক বেশি দ্রুত ও কার্যকর। Wi-Fi 6 সর্বাধিক ৯.৬ গিগাবিট প্রতি সেকেন্ড (Gbps) স্পিড দিতে পারে।

Wi-Fi: 
- Wi-Fi হল তারহীন নেটওয়ার্ক প্রযুক্তি, যা রেডিও তরঙ্গের মাধ্যমে স্বল্প দূরত্বে উচ্চ-গতির ডাটা স্থানান্তর করে।
- ১৯৮৫ সালে মার্কিন ফেডারেল কমিউনিকেশন কমিশন (FCC) ২.৪ GHz এবং ৫.৮ GHz ব্যান্ড উন্মুক্ত করে, যা Wi-Fi প্রযুক্তির বিকাশের সুযোগ সৃষ্টি করে।
- ১৯৯৭ সালে: IEEE 802.11 নামে প্রথম Wi-Fi স্ট্যান্ডার্ড অনুমোদিত হয়।
- ১৯৯৯ সালে: Wi-Fi Alliance (পূর্বে WECA) গঠিত হয় Wi-Fi প্রযুক্তির প্রচার ও উন্নয়নের জন্য।
- Wi-Fi এর পূর্ণরূপ "Wireless Fidelity" নয়, বরং এটি (Wi-Fi) একটি মার্কেটিং টার্ম।
- Wi-Fi নামটি WECA দ্বারা নিয়োগকৃত একটি মার্কেটিং ফার্ম দ্বারা তৈরি করা হয়েছিল এবং এর মনোরম শব্দ এবং “hi-fi” [high-fidelity] এর সাথে সাদৃশ্যের জন্য বেছে নেওয়া হয়েছিল।
- প্রাথমিক 802.11 স্ট্যান্ডার্ড: সর্বোচ্চ গতি ২ Mbps।
- Wi-Fi 6 (802.11ax, ২০১৯): সর্বোচ্চ ৯.৬ Gbps পর্যন্ত গতিতে ডাটা আদান-প্রদান সম্ভব।
- Wi-Fi বর্তমান ডিজিটাল যুগের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ প্রযুক্তি, যা তারবিহীন দ্রুতগতির ইন্টারনেট সংযোগ নিশ্চিত করে।

উৎস:
১। Britannica ওয়েবসাইট। 
২। TP-Link ওয়েবসাইট। 

৬৬.
Android অপারেটিং সিস্টেম কোন ভাষায় তৈরি?
  1. C++
  2. Java
  3. Python
  4. JavaScript
ব্যাখ্যা

Android অপারেটিং সিস্টেম তৈরি করা হয়েছে মূলত Java ভাষা ব্যবহার করে। Android SDK এবং API-গুলো Java-ভিত্তিক।

Android OS:
- অ্যান্ড্রয়েড একটি ওপেন সোর্স অপারেটিং সিস্টেম যা ২০০৮ সালে চালু হয়।
- এটি গুগল কর্তৃক নির্মিত একটি অপারেটিং সিস্টেম।
- এটি লিনাক্স ভিত্তিক একটি অপারেটিং সিস্টেম।
- অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপ্লিকেশনগুলো সাধারনত জাভা প্রোগ্রামিং ভাষায় লিখা হয়।
- অ্যান্ড্রয়েড অপারেটিং সিস্টেমের ফাইল এক্সটেনশন হলো .apk
- APK এর পূর্ণরূপ Android Application Package.
- Android গুগলের একটি মাল্টি ইউজার অপারেটিং সিস্টেম।
- Android OS ব্যবহৃত প্রথম ফোন T-Mobile G1 (HTC Dream নামে বেশি পরিচিত)।

উৎস: গুগলের অফিসিয়াল ওয়েবসাইট ও ব্রিটানিকা।

৬৭.
এমবেডেড কম্পিউটার কেন সাধারণ কম্পিউটার থেকে আলাদা?
  1. অপারেটিং সিস্টেম নেই
  2. আকারে বড় ও ব্যয়বহুল 
  3. নির্দিষ্ট কাজের জন্য ডিজাইন করা
  4. ইন্টারনেট ব্যবহার করতে পারে না
ব্যাখ্যা

◉ এমবেডেড কম্পিউটার (Embedded Computer) হলো এমন কম্পিউটার সিস্টেম যা একটি যন্ত্র বা ডিভাইসের ভেতরে স্থাপন করা থাকে এবং সেই ডিভাইসের নির্দিষ্ট কাজ সম্পাদনের জন্য ডিজাইন করা হয়। এগুলো আকারে সাধারণত ছোট এবং কম শক্তিশালী হয়, কিন্তু আসল পার্থক্য হলো— এগুলো সাধারণ কম্পিউটারের মতো বহুমুখী কাজ করে না, বরং কেবল একটি বা কিছু নির্দিষ্ট কাজেই সীমাবদ্ধ থাকে।

এমবেডেড কম্পিউটার:
- এমবেডেড কম্পিউটার হলো একটি বিশেষায়িত কম্পিউটার সিস্টেম যা একটি বৃহৎ সিস্টেম বা মেশিনের অংশবিশেষ হিসাবে ব্যবহৃত হয়।
- এটি হলো মাইক্রোপ্রসেসর, সুনির্দিষ্ট নির্দেশনা সম্বলিত মেমরি বা রম এবং ইনপুট/আউটপুট সিস্টেমের সমন্বয়ে গঠিত এক প্রকার কম্পিউটার।
- এমবেডেড সিস্টেমে সাধারণত একটি মাইক্রোপ্রসেসর বোর্ড এবং কিছু সুনির্দিষ্ট প্রোগ্রাম সম্বলিত রম থাকে।
- আধুনিক এমবেডেড সিস্টেমে মাইক্রো কন্ট্রোলার এর ব্যবহার হয়।
- এতে মনিটর কিংবা অন্যান্য হার্ডওয়্যার থাকে না।
- সেল ফোন, এসি, প্রিন্টার, থার্মোস্ট্যাট, ভিডিও গেমস্, ATM, ওয়াশিং মেশিন, স্মার্ট ওয়াচ প্রভৃতিতে এমবেডেড সিস্টেম ব্যবহৃত হয়।
- এমবেডেড সিস্টেমে ব্যবহৃত জনপ্রিয় প্রোগ্রামিং ল্যাংগুয়েজ হচ্ছে— C, C++, Python, Java, Assembly. 

উৎস: 
১। Indian Institute of Embedded Systems. 
২। Maven Silicon ওয়েবসাইট। 

৬৮.
গ্রামীণ এলাকায় ইন্টারনেট সংযোগের জন্য সবচেয়ে কার্যকর সমাধান কোনটি?
  1. ফাইবার অপটিক ক্যাবল
  2. স্যাটেলাইট ইন্টারনেট
  3. 3G/4G মোবাইল ডেটা
  4. ডায়াল-আপ কানেকশন
ব্যাখ্যা

◉ গ্রামীণ এলাকায় সাধারণত ফাইবার অপটিক ক্যাবল পৌঁছানো ব্যয়বহুল এবং অবকাঠামোগতভাবে কঠিন। স্যাটেলাইট ইন্টারনেট (যেমন Starlink) সরাসরি স্যাটেলাইট থেকে ইন্টারনেট সরবরাহ করে, তাই যেখানে তার বা টাওয়ার পৌঁছানো সম্ভব নয়, সেখানেও এটি কাজ করে। এজন্য গ্রামীণ এবং দুর্গম অঞ্চলের জন্য সবচেয়ে কার্যকর সমাধান।

স্টারলিংক ইন্টারনেট:
- স্টারলিংক স্যাটেলাইটের মাধ্যমে ইন্টারনেট পরিষেবা দেয়।
- স্টারলিংক মূলত অরবিটাল স্যাটেলাইটের নেটওয়ার্ক।
- এটি ইলন মাস্কের স্পেস এক্সের অধীন।
- যা ২০১৫ সালে তৈরি করা হয়েছিল।
- এই প্রকল্পের জন্য প্রাথমিক প্রোটোটাইপ স্যাটেলাইটগুলো কক্ষপথে ২০১৮ সালে চালু করা হয়েছিল।
- স্পেস এক্স এখন পর্যন্ত প্রায় ১০০০টি স্টারলিংক স্যাটেলাইট সফলভাবে উৎক্ষেপণ করেছে।
- মার্কিন নভোচারী প্রতিষ্ঠান স্পেসএক্সকেও ইন্টারনেট সরবরাহ করে স্টারলিংক।
- পৃথিবীর ৬০টি দেশে তাদের কভারেজ রয়েছে।
- স্টারলিংক ছোট উপগ্রহের একটি অ্যারের (সারি) মাধ্যমে সীমাহীন উচ্চ-গতির ডেটা সরবরাহ করে। গতি প্রতি সেকেন্ডে ১৫০ মেগাবিট (১৫০ এমবিপিএস)। স্পেসএক্স এই হার দ্বিগুণ করার পরিকল্পনা করেছে।
- উকলা (ookla) স্পিডটেস্ট অনুসারে, স্টারলিংক লিথুয়ানিয়ায় ২০২২ সালের প্রথম ত্রৈমাসিকে ১৬০ এমবিপিএস ডাউনলোড গতি রেকর্ড করা হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রে ৯১ এমবিপিএস, কানাডায় ৯৭ এমবিপিএস এবং অস্ট্রেলিয়ায় ১২৪ এমবিপিএস পাওয়া গেছে। মেক্সিকোতে স্টারলিঙ্কের গতি রেকর্ড করা হয়েছে গড়ে ১০৫ দশমিক ৯১ এমবিপিএস।

উৎস: Starlink ওয়েবসাইট।

৬৯.
নিচের কোনটি DBMS সফটওয়্যার নয়?
  1. Oracle
  2. MySQL
  3. SPSS
  4. Microsoft Access
ব্যাখ্যা

SPSS (Statistical Package for the Social Sciences) একটি স্ট্যাটিস্টিক্যাল অ্যানালাইসিস সফটওয়্যার, ডেটা ম্যানেজমেন্ট ও পরিসংখ্যান বিশ্লেষণের জন্য ব্যবহৃত হয়, কিন্তু এটি DBMS নয়।

DBMS: 
- DBMS এর পূর্ণরূপ Database Management System.
- ডেটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম হলো পরস্পর সম্পর্কযুক্ত ডেটা বা তথ্য একসেস, নিয়ন্ত্রণ ও পরিচালনা  করার জন্য প্রয়োজনীয় প্রোগ্রামের সমষ্টি।
- DBMS ব্যবহার করে ডেটাকে সংরক্ষণ, নিরাপত্তা প্রদান, আধুনিকরণের কাজ করা হয়।
- DBMS ব্যবহারকারী ও ডেটাবেজ এর মধ্যে সম্পর্ক স্থাপন করে থাকে।

DBMS এর প্রধান ৩ টি কাজ হচ্ছে:
- ডেটাবেজ তৈরি,
- ডেটাবেজ ইন্টারোগেশন,
- ডেটাবেজ রক্ষণাবেক্ষণ।

কয়েকটি DBMS:
- MICROSOFT Access,
- ORACLE,
- MySQL,
- Microsoft SQL Server,
- SQLite,
- Postgre SQL.

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান, একাদশ- দ্বাদশ শ্রেণি।

৭০.
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের সূচনা কোন প্ল্যাটফর্ম দিয়ে হয়েছিল?
  1. Orkut
  2. SixDegrees
  3. Friendster
  4. MySpace
ব্যাখ্যা

◉ SixDegrees.com (১৯৯৭ সালে চালু) ছিল বিশ্বের প্রথম স্বীকৃত সোশ্যাল নেটওয়ার্কিং সাইট, যেখানে ব্যবহারকারীরা প্রোফাইল তৈরি, বন্ধু যোগ এবং অনলাইনে একে অপরের সাথে যোগাযোগ করতে পারত।

সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যম: 
- তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি আমাদের সামাজিক যোগাযোগকে দ্রুত, আকর্ষণীয়, এবং কার্যকরী করে তুলেছে। 
- শুধু তা নয়, এর বাইরেও নানানভাবে আমাদের সামাজিক ব্যাপারগুলো ইন্টারনেটে উঠে এসেছে। 
- এখন ইন্টারনেটে গড়ে উঠেছে বেশকিছু সামাজিক যোগাযোগের সম্পূর্ণ সাইট। 
- নিজের ভালো-লাগা মন্দলাগা, অনুষ্ঠানাদি, চাকরিতে প্রমোশন, সন্তানাদির বিয়ে ইত্যাদি নানা বিষয়ের তথ্য, ছবি কিংবা ভিডিও বিনিময় করা যায় এগুলোর যে কোনো একটি থেকে। 
- বর্তমানে প্রায় শতাধিক এরকম সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যম রয়েছে। 
যেমন- ফেসবুক (www.facebook.com), লিংকড-ইন (Linked in.com) গুগল প্লাস (plus.google.com), টুইটার (www.twitter.com), জোপা (www.zooppa.com), মাইস্পেস (www.myspace.com) ইত্যাদি।

অন্যদিকে,
Orkut (২০০৪) → গুগল চালু করেছিল, বিশেষত ব্রাজিল ও ভারতে জনপ্রিয় হয়েছিল।
Friendster (২০০২) → প্রথম দিকের জনপ্রিয় নেটওয়ার্কিং সাইট, কিন্তু পরে Facebook এর কারণে হারিয়ে যায়।
MySpace (২০০৩) → সংগীতশিল্পীদের মধ্যে জনপ্রিয় ছিল, একসময় এটি ছিল সবচেয়ে বেশি ভিজিটেড সামাজিক নেটওয়ার্ক।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, অষ্টম শ্রেণি ও ব্রিটানিকা। 

৭১.
কোন গেট ব্যবহার করে যে কোনো Boolean ফাংশন বাস্তবায়ন করা যায়?
  1. XOR
  2. NOR
  3. NAND
  4. খ ও গ উভয়ই 
ব্যাখ্যা

◉ NAND এবং NOR উভয়কেই বলা হয় Universal Gate. কারণ শুধু NAND অথবা শুধু NOR দিয়েই যেকোনো Boolean ফাংশন (AND, OR, NOT, XOR ইত্যাদি) তৈরি করা যায়।

লজিক গেইট:
- লজিক গেইট হচ্ছে এক ধরনের ইলেকট্রনিক সার্কিট যা এক বা একাধিক ইনপুট গ্রহণ করে কোন যুক্তির ভিত্তিতে একটি মাত্র আউটপুট প্রদান করে।
- লজিক গেইটে ব্যবহৃত দুটি ইনপুট হলো 1 এবং 0.
- মৌলিক লজিক গেইট তিনটি। যথা- অর গেইট, অ্যান্ড গেইট এবং নট গেইট।
- বুলিয়ান অ্যালজেবরার যোগের কাজ সম্পাদনের জন্য অর লজিক গেইট ব্যবহার করা হয়।
- বুলিয়ান অ্যালজেবরার গুণনের কাজ সম্পাদনের জন্য এন্ড লজিক গেইট ব্যবহার করা হয়।
- বুলিয়ান অ্যালজেবরার পূরকের কাজ সম্পাদনের জন্য নট লজিক গেইট ব্যবহার করা হয়। 

• সার্বজনীন গেইট:
- যে গেইট এর সাহায্যে মৌলিক গেইটসহ (AND, OR, NOT) যেকোনো গেইট এবং যেকোনো সার্কিট বাস্তবায়ন করা যায় তাকে সার্বজনীন গেইট বলে।
- NAND ও NOR গেইটকে সার্বজনীন গেইট বলা হয়।
- কারণ, শুধুমাত্র NAND গেইট বা শুধুমাত্র NOR গেইট দিয়ে মৌলিক গেইটসহ যেকোনো লজিক গেইট বা সার্কিট বাস্তবায়ন করা যায়।

উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, মাহবুবুর রহমান, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
২. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।

৭২.
কোন সাইবার আক্রমণে ভুয়া ওয়াইফাই হটস্পট তৈরি করা হয়?
  1. Evil Twin Attack
  2. Phishing
  3. DDoS Attack
  4. SQL Injection
ব্যাখ্যা

◉ Evil Twin Attack হলো এক ধরনের Wi-Fi based cyber attack, যেখানে আক্রমণকারী একটি ভুয়া (fake) Wi-Fi হটস্পট তৈরি করে, যা আসল নেটওয়ার্কের মতো দেখতে। ব্যবহারকারীরা ভুলে সেই নেটওয়ার্কে সংযুক্ত হলে আক্রমণকারী তাদের পাসওয়ার্ড, ব্যাংকিং তথ্য, ব্যক্তিগত ডেটা চুরি করতে পারে।
এর উদ্দেশ্য হলো ব্যবহারকারীরা যেন আসল নেটওয়ার্কের পরিবর্তে ভুল করে সেই ভুয়া নেটওয়ার্কে যুক্ত হয়।
- যখন কেউ সেই ভুয়া Wi-Fi-তে সংযুক্ত হয়, তখন তার ইন্টারনেট ব্যবহার সম্পর্কিত সব ডেটা (যেমন পাসওয়ার্ড, মেসেজ, ব্যাংকিং তথ্য ইত্যাদি) আক্রমণকারীর নিয়ন্ত্রণে থাকা সার্ভারের মাধ্যমে যায়। ফলে আক্রমণকারী সহজেই এসব ব্যক্তিগত তথ্য চুরি করতে পারে।
- এ ধরনের আক্রমণ তৈরি করতে আক্রমণকারী শুধু একটি স্মার্টফোন বা ইন্টারনেট-সক্ষম ডিভাইস এবং কিছু সাধারণ সফটওয়্যার ব্যবহার করতে পারে।
- Evil Twin Attack সাধারণত পাবলিক Wi-Fi নেটওয়ার্কে বেশি ঘটে, কারণ এসব নেটওয়ার্কে সুরক্ষা (Security) ব্যবস্থা দুর্বল থাকে এবং ব্যবহারকারীর ব্যক্তিগত তথ্য সহজেই ঝুঁকির মুখে পড়ে।

অন্যান্য অপশনসমূহ,
Phishing → ভুয়া ইমেইল/ওয়েবসাইট ব্যবহার করে ব্যক্তিগত তথ্য হাতিয়ে নেওয়া।
DDoS Attack (Distributed Denial of Service) → সার্ভার বা নেটওয়ার্ককে অতিরিক্ত ট্রাফিক পাঠিয়ে অচল করে দেওয়া।
SQL Injection → ডেটাবেসে ক্ষতিকারক SQL কোড ঢুকিয়ে তথ্য চুরি বা পরিবর্তন করা।

সূত্র:
১। ই-কমার্স, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
২। Kaspersky ওয়েবসাইট। 

৭৩.
কম্পিউটার চালু হওয়ার সময় ব্যবহৃত POST এর পূর্ণরূপ কী?
  1. Power On System Test
  2. Power On Self Test
  3. Program Operating Software Test
  4. Primary OS Test
ব্যাখ্যা

POST (Power On Self Test) হলো একটি ডায়াগনস্টিক প্রক্রিয়া, যা প্রতিবার কম্পিউটার চালু হলে স্বয়ংক্রিয়ভাবে চালু হয়।

বুটিং (Booting):
- একটি কম্পিউটারকে চালু করা হলে তা সিপিইউ বা সেন্ট্রাল প্রসেসিং ইউনিট প্রথমেই যাচাই করে নেয় যে কী-বোর্ড, মাউস, মনিটর ইত্যাদি যন্ত্রাংশ এর সঙ্গে সঠিকভাবে যুক্ত আছে কিনা। এই যাচাই করার প্রক্রিয়াকে বলে পোস্ট Power on self test (POST)।
- যদি এই যন্ত্রাংশগুলো সঠিক ভাবে যুক্ত থাকে, তা হলে সিপিইউ কম্পিউটারের অপারেটিং সিস্টেমকে হার্ডডিস্ক থেকে স্বয়ংক্রিয় ভাবে র‍্যামের মধ্যে তুলে নেয় এবং কম্পিউটারকে ব্যবহারকরীর নির্দেশ গ্রহণের জন্য প্রস্তুত করে। এই সামগ্রিক প্রক্রিয়াকে বলা হয় বুটিং (Booting)।
- অর্থাৎ বুটিং একটি স্বয়ক্রিয় প্রক্রিয়া, যা সম্পূর্ণ হওয়ার পরেই কম্পিউটারকে ব্যবহার করা হয়।

Booting-এর ধাপগুলো:
1) Power On → কম্পিউটার চালু হলে BIOS/UEFI লোড হয়।
2) POST (Power-On Self Test) → হার্ডওয়্যার ঠিকমতো কাজ করছে কিনা চেক করা হয়।
3) Boot Loader Execution → অপারেটিং সিস্টেমের boot manager (যেমন Windows Boot Manager বা GRUB) চালু হয়।
4) OS Loading → Windows, Linux বা অন্য OS মেমোরিতে লোড হয়।
5) User Interface Ready → ইউজার login করতে পারে এবং সিস্টেম ব্যবহার করতে পারে।

উৎস:
১। মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২। Lenovo Website.

৭৪.
বৈজ্ঞানিক গবেষণা, আবহাওয়ার পূর্বাভাস বা মহাকাশ অনুসন্ধানের মতো ক্ষেত্রে বিপুল পরিমাণ তথ্য প্রক্রিয়াকরণের জন্য কোন ধরনের কম্পিউটার সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত হয়?
  1. Minicomputer
  2. Mainframe Computer
  3. Supercomputer
  4. Workstation
ব্যাখ্যা

Supercomputer হলো পৃথিবীর সবচেয়ে শক্তিশালী কম্পিউটার, যা প্রতি সেকেন্ডে কোটি কোটি গণনা করতে সক্ষম। এগুলো মূলত জটিল বৈজ্ঞানিক গবেষণা, আবহাওয়ার পূর্বাভাস, পারমাণবিক গবেষণা, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ও মহাকাশ অনুসন্ধান ইত্যাদিতে ব্যবহৃত হয়।

সুপার কম্পিউটার:
- সুপার কম্পিউটার হচ্ছে সবচেয়ে শক্তিশালী, ব্যয়বহুল ও দ্রুতগতিসম্পন্ন কম্পিউটার।
- সুপার কম্পিউটার একসাথে একাধিক ব্যবহারকারী ব্যবহার করতে পারে।
- এ ধরনের কম্পিউটারে বিপুল পরিমাণ উপাত্ত সংরক্ষণের জন্য পর্যাপ্ত মেমোরি এবং বিপুল পরিমাণ প্রক্রিয়াকরণ কাজের ক্ষমতা থাকে।
- এ ধরনের কম্পিউটারগুলোতে কয়েকটি প্রসেসর একই সঙ্গে কাজ করে এবং প্রতি সেকেন্ডে কোটি কোটি বৈজ্ঞানিক, গাণিতিক ও প্রক্রিয়াকরণের কাজ সম্পাদন করে।
- সূক্ষ্ম বৈজ্ঞানিক গবেষণা, বিপুল পরিমাণ তথ্য বিশ্লেষণ, নভোযান, ক্ষেপণাস্ত্র নিয়ন্ত্রণ, মহাকাশ গবেষণা, বিভিন্ন ধরনের আগ্নেয়াস্ত্র ডিজাইন, সিমুলেশন, পারমাণবিক চুল্লির নিয়ন্ত্রণ, পরিচালনা ইত্যাদি কাজে সুপার কম্পিউটার ব্যবহার করা হয়।

• সুপার কম্পিউটারের বৈশিষ্ট্যসমূহ:
১. বিশাল সংখ্যার প্রক্রিয়াকরণ ইউনিট।
২. RAM টাইপ মেমরি ইউনিটের একটি বিশাল সংগ্রহ।
৩. নোডের মধ্যে উচ্চ গতির আন্তঃসংযোগ।
৪. উচ্চ ইনপুট/আউটপুট সিস্টেমের গতি।
৫. কাস্টম সফ্টওয়্যার ব্যবহার।
৬. কার্যকর তাপ নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থাপনা।
৭. এটি বিপুল পরিমাণ গণনা পরিচালনা করতে সক্ষম যা মানুষের ক্ষমতার বাইরে।

অন্যান্য অপশনসমূহ,
Workstation → উচ্চক্ষমতার কম্পিউটার হলেও ব্যক্তিগত ব্যবহারের জন্য, যেমন গ্রাফিক্স ডিজাইন বা ইঞ্জিনিয়ারিং ডিজাইন।
Minicomputer → মাঝারি আকারের ব্যবসা ও শিল্পে ব্যবহৃত হতো (আজ প্রায় বিলুপ্ত)।
Mainframe → একসাথে হাজার হাজার ব্যবহারকারীর ডেটা প্রসেস করার জন্য উপযোগী, তবে এটি সুপারকম্পিউটারের মতো বৈজ্ঞানিক গবেষণায় ব্যবহৃত হয় না।

উৎস:
১. মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২. কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি-১, এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল)।

৭৫.
HIV ভাইরাস প্রধানত কোন রক্ত কণিকাকে আক্রমণ করে?  
  1. প্লেটলেট 
  2. লোহিত কণিকা 
  3. B-লিম্ফোসাইট 
  4. T-লিম্ফোসাইট
ব্যাখ্যা

এইডস রোগ: 
- এইডস (AIDS) একটি সংক্রামক রোগ যা সারা বিশ্বে ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি করেছে। 
- ১৯৮১ খ্রিষ্টাব্দে প্রথম আমেরিকায় এই রোগ চিহ্নিত হয়, এবং তখন থেকেই এটি একটি মরণব্যাধি হিসেবে পরিচিতি লাভ করে। 
- আফ্রিকার দেশগুলোতে এই রোগের প্রকোপ সবচেয়ে বেশি দেখা যায়। 
- প্রাকৃতিকভাবে মানুষের শরীরে রোগজীবাণু প্রতিরোধের ক্ষমতা থাকে, যা ইমিউনিটি হিসেবে পরিচিত। 
-  HIV (Human Immuno Deficiency Virus) ভাইরাসটি AIDS রোগ সৃষ্টি করে। এটি শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাকে ধীরে ধীরে দুর্বল করে ফেলে। 
- HIV ভাইরাস যখন শরীরে প্রবেশ করে, তখন এটি রক্তের T-লিম্ফোসাইট (শ্বেত রক্তকণিকা) আক্রমণ করে, ফলে শরীরের ইমিউন সিস্টেম দুর্বল হয়ে যায়। 
- HIV সংক্রমণের পর প্রথম ৫ বছর পর্যন্ত শরীরে কোনো লক্ষণ প্রকাশ পায় না, তবে এই সময়েই আক্রান্ত ব্যক্তি অন্যদের মধ্যে রোগটি ছড়াতে পারে। 
- এইডস সংক্রমিত হয় প্রধানত যৌন সম্পর্কের মাধ্যমে, তবে মায়ের বুকের দুধ বা রক্ত সঞ্চালন বা ড্রাগ ব্যবহারকারীদের সিরিঞ্জ ব্যবহারের মাধ্যমে এটিতে সংক্রমণ হতে পারে। 
- AIDS প্রতিরোধে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হল HIV সংক্রমণের উপায় সম্পর্কে মানুষকে সচেতন করা। 

উৎস: বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।

৭৬.
1 গ্রাম পানির তাপমাত্রা 1° C বাড়াতে প্রয়োজনীয় তাপের পরিমাণ কত? 
  1. 1 ক্যালরি
  2. 2.4 জুল 
  3. 1 জুল 
  4. 4.2 ক্যালরি 
ব্যাখ্যা

তাপ: 
- তাপ হল বস্তুর বা পদার্থের অভ্যন্তরস্থ অণুসমূহের গতির সঙ্গে সম্পর্কিত এক প্রকার শক্তি যা ঠান্ডা ও গরমের অনুভূতি সৃষ্টি করে। 
- তাপ শক্তির একটি রূপ, তাই শক্তি তথা কাজের এককই তাপের একক। 
- তাপের S.I একক জুল (J)। 
- এক সময় তাপ পরিমাপের জন্য একক ধরা হতো ক্যালরি। এটি মেট্রিক পদ্ধতির একক যা পুষ্টি বিজ্ঞানে ব্যবহৃত হয়।
- 1 গ্রাম পানির তাপমাত্রা 1° C বাড়াতে বা কমাতে যতটা তাপের প্রয়োজন তাকে 1 ক্যালরি (Cal) ধরা হতো। 
- 4.2 জুল যান্ত্রিক শক্তি 1 ক্যালরি তাপের সমতুল্য। তাই, 1 ক্যালরি = 4.2 জুল। 
-  তাপ পরিমাপের যন্ত্র ক্যালরিমিটার। 
- তাপের প্রবাহ তাপের পরিমাণের ওপর নির্ভর করে না। 
- দুটি বস্তুর তাপের পরিমাণ এক হলেও এদের তাপমাত্রার পরিমাণ ভিন্ন হতে পারে। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৭৭.
যদি m < 1 হয়, প্রতিবিম্ব কেমন হবে? 
  1. খর্বিত 
  2. বিবর্ধিত 
  3. লক্ষ্যবস্তুর সমান 
  4. অস্পষ্ট 
ব্যাখ্যা

রৈখিক বিবর্ধন: 
- সমতল দর্পণে বিম্বের আকার এবং আকৃতি লক্ষ্যবস্তুর আকার ও আকৃতির সমান হয়। কিন্তু গোলীয় দর্পণ এবং লেন্সের ক্ষেত্রে গঠিত প্রতিবিম্বের আকার লক্ষ্যবস্তুর সমান, ছোট বা বড় হয়। প্রতিবিম্ব লক্ষ্যবস্তুর তুলনায় কতগুণ বড় বা ছোট সেই রাশিকে তার বিবর্ধন বলে। 
- কোনো বিস্তৃত বস্তুর বিবর্ধন পরিমাপের জন্য বিম্বের দৈর্ঘ্য এবং লক্ষ্যবস্তুর দৈর্ঘ্যের অনুপাতকে ব্যবহার করা হয়। তাই বিম্বের দৈর্ঘ্য এবং লক্ষ্যবস্তুর দৈর্ঘ্যের অনুপাতকে রৈখিক বিবর্ধন বলে। 
ধরা যাক, কোনো লক্ষ্যবস্তুর দৈর্ঘ্য L এবং প্রতিবিম্বের দৈর্ঘ্য Li । 
তাহলে, রৈখিক বিবর্ধন m = Li/Lo  । 
• m > 1 হলে, প্রতিবিম্বটি বিবর্ধিত হবে। অর্থাৎ, লক্ষ্যবস্তু থেকে প্রতিবিম্বের আকার বড় হবে। 
• m = 1 হলে, প্রতিবিম্বটি লক্ষ্যবস্তুর সমান হবে। অর্থাৎ, লক্ষ্যবস্তুর আকার ও প্রতিবিম্বের আকার সমান হবে। 
m < 1 হলে, প্রতিবিম্বটি খর্বিত হবে। অর্থাৎ, লক্ষ্যবস্তু থেকে প্রতিবিম্বের আকার ছোট হবে। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৭৮.
সালোকসংশ্লেষণ প্রক্রিয়াটি কোন ধরনের পরিবর্তনের অন্তর্ভুক্ত?
  1. জৈব পরিবর্তন 
  2. কেবল অবস্থার পরিবর্তন 
  3. ভৌত পরিবর্তন 
  4. রাসায়নিক পরিবর্তন 
ব্যাখ্যা

- পরিবেশে সবসময় নানা ধরনের পরিবর্তন ঘটছে।  
- একটুকরা লোহাকে খোলা অবস্থায় বাতাসে কিছুদিন রেখে দিলে তার উপর এক প্রকার আবরণ পড়ে, এটিকে মরিচা বলে। আবার তাপদিলে বরফ গলে পানি হয় ও পানি এক সময়ে আরো তাপে বাষ্পে পরিণত হয়। 
- পরিবেশে সব সময় পদার্থের দুই প্রকারের পরিবর্তন ঘটে। 
যেমন- একটি হলো রাসায়নিক পরিবর্তন ও অপরটি হলো ভৌত পরিবর্তন। 

রাসায়নিক পরিবর্তন (Chemical Change): 
- রাসায়নিক পরিবর্তনে পদার্থের পরমাণু বা আণবিক গঠন পরিবর্তিত হয় এবং নতুন পদার্থের সৃষ্টি হয়। 
যেমন- 
জ্বালানি পুড়ানোর মাধ্যমে রাসায়নিক পরিবর্তন: 
- কয়লা, কাঠ, প্রাকৃতিক গ্যাস, কেরোসিন ইত্যাদি পুড়িয়ে তাপ, আলো এবং CO2 গ্যাস উৎপন্ন হয়। এই পরিবর্তনে কার্বন (C) ও অক্সিজেন (O2) একত্রিত হয়ে নতুন পদার্থ CO2 সৃষ্টি করে, এবং এতে তাপশক্তির পরিবর্তন ঘটে। 

মিথেনের দহন: 
- মিথেন (CH4) ও অক্সিজেন (O2) জ্বালালে CO2 ও পানি (H2O) সৃষ্টি হয়। এতে মূল পদার্থের গঠন পরিবর্তিত হয়ে নতুন পদার্থের সৃষ্টি হয়, যা রাসায়নিক পরিবর্তনের উদাহরণ। 

শরীরের পুষ্টি প্রক্রিয়া: 
- দেহে খাবার খাওয়ার পর পাকস্থলী ও অন্ত্রের মাধ্যমে খাবারের রাসায়নিক পরিবর্তন ঘটে, যা শক্তি ও পুষ্টি প্রদান করে। 

উদ্ভিদের সালোকসংশ্লেষণ: 
- উদ্ভিদ সূর্যালোকের উপস্থিতিতে CO2 ও পানি গ্রহণ করে, এবং ক্লোরোফিলের সাহায্যে স্টার্চ বা সেলুলোজ উৎপন্ন করে। সালোকসংশ্লেষণ একটি রাসায়নিক পরিবর্তন, কারণ নতুন পদার্থের সৃষ্টি হয়। 

ভৌত পরিবর্তন (Physical Change): 
- ভৌত পরিবর্তনে কোনো নতুন অণু বা পরমাণুর সৃষ্টি হয় না, বরং পদার্থের অবস্থা (যেমন, ভৌত অবস্থা, বৈদ্যুতিক অবস্থা বা চৌম্বক অবস্থা) পরিবর্তিত হয়। 
যেমন-
ইস্পাতের চুম্বকত্ব: 
- ইস্পাতকে চুম্বক দ্বারা ঘর্ষণ করলে এটি একসময় লোহাকে আকর্ষণ করার ক্ষমতা পায়, তবে এতে ইস্পাতের গঠন বা উপাদানে কোনো পরিবর্তন হয় না, শুধুমাত্র তার চৌম্বক অবস্থার পরিবর্তন ঘটে। 

লবণ দ্রবণ: 
- খাবার লবণ পানিতে দ্রবীভূত হয়ে দ্রবণ তৈরি হলে এবং পরে উত্তপ্ত করলে পানি বাষ্পীভূত হয়ে যায়, এবং শুধু লবণই অবশিষ্ট থাকে। এতে লবণের গঠন বা সংযোগে কোনো পরিবর্তন ঘটছে না, কেবল অবস্থার পরিবর্তন হচ্ছে।

অ্যামোনিয়াম ক্লোরাইডের পরিবর্তন: 
- তাপে অ্যামোনিয়াম ক্লোরাইড বাষ্পীভূত হয়ে শীতল স্থানে জমা হয়, তবে এতে কোনো নতুন উপাদান তৈরি হচ্ছে না, শুধুমাত্র অবস্থার পরিবর্তন হচ্ছে। 

উৎস: রসায়ন, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৭৯.
নিচের কোনটি বায়ু পরাগায়িত উদ্ভিদ? 
  1. কদম 
  2. জবা 
  3. ধান 
  4. শিমুল 
ব্যাখ্যা

- বায়ু পরাগী উদ্ভিদ হচ্ছে ধান। 

পরাগায়নের মাধ্যম: 

- যার মাধ্যমে পুং রেণু গর্ভমুন্ডে পতিত হয়ে পরাগায়ন সম্পন্ন করে তাকে পরাগায়নের মাধ্যম বলা হয়। 
- পরাগায়নের মাধ্যমগুলোর সাহায্য পেতে ফুলের গঠনে কিছু পরিবর্তন লক্ষ করা যায়। 
যেমন- 
পতঙ্গ পরাগী ফুল: 
- পতঙ্গ পরাগী ফুল বড়, রঙ্গীন ও মধুগ্রন্থিযুক্ত এবং পরাগরেণু ও গর্ভমুণ্ড আঁঠালো সুগন্ধযুক্ত হয়। 
যেমন- জবা, কুমড়া, সরিষা ইত্যাদি। 

বায়ু পরাগী ফুল: 
- অপরদিকে বায়ু পরাগী ফুল হালকা রঙের ও মধুগ্রন্থিহীন। এ সব ফুলের সুগন্ধ নেই। 
- এরা সহজেই বাতাসে ভেসে যেতে পারে। এদের গর্ভমুণ্ড আঁঠালো ও শাখান্বিত, কখনও পালকের ন্যায় এবং কখনও কখনও দলমণ্ডল থেকে বাইরে বের হয়ে থাকে। 
যেমন- ধান। 

পানি পরাগী ফুল: 
- পানি পরাগী ফুল আকারে ক্ষুদ্র এবং হালকা। এরা সহজেই পানিতে ভাসতে পারে। 
- এ সব ফুলের সুগন্ধ নেই। স্ত্রী পুষ্পে বৃন্ত লম্বা। 
যেমন- পাতা শ্যাওলা। 

প্রাণী পরাগী ফুল: 
- প্রাণী পরাগী ফুল মোটামুটি বড় ধরনের হয়, তবে ছোট হলে ফুলগুলো পুষ্পমঞ্জরিতে সজ্জিত থাকে। এদের রং আকর্ষণীয় হয়। 
- এ সব ফুলে গন্ধ থাকতে পারে অথবা নাও থাকতে পারে। 
যেমন- কদম, শিমুল, কচু ইত্যাদি। 

উৎস: জীববিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৮০.
ধূমকেতু কী? 
  1. একটি চন্দ্র 
  2. একটি জ্যোতিষ্ক 
  3. একটি গ্রহ 
  4. একটি উপগ্রহ 
ব্যাখ্যা

ধূমকেতু (Comet): 
- ধূমকেতু এক ধরনের জ্যোতিষ্ক। 
- ধূমকেতুর দুইটি অংশ রয়েছে। 
যেমন: মস্তক (Head) বা কেন্দ্র ও পুচ্ছ (Tail)। 
- কোনো কোনো ধূমকেতুর মস্তক বা কেন্দ্র গ্রহ অপেক্ষা বড় হয়ে থাকে। 
- ধূমকেতুর রয়েছে গ্যাসীয় পদার্থের তৈরি সুদীর্ঘ পুচ্ছ। 
- অধিকাংশ ধূমকেতু উপবৃত্তাকার কক্ষপথে গ্রহসমূহের আবর্তন পথের উল্টোদিকে ছুটে চলে। 
- হ্যালির ধূমকেতু (Hally's Comet) প্রতি ৭৬ বছর অন্তর পৃথিবীর আকাশে দৃষ্টিগোচরীভূত হয়। 

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৮১.
বাংলাদেশের ইতিহাসে সর্বকালের সবচেয়ে প্রলয়ংকরী সাইক্লোন কোন বছর ঘটে ছিল? 
  1. ১৯৬১ সালে 
  2. ১৯৭০ সালে 
  3. ১৯৮৫ সালে
  4. ২০০৭ সালে
ব্যাখ্যা

সাইক্লোন বা ঘূর্ণিঝড় (Cyclone): 
- সাইক্লোন শব্দটি এসেছে গ্রিক শব্দ "Kyklos" থেকে, যার অর্থ হলো Coil of Snakes বা সাপের কুণ্ডলী। 
অর্থাৎ, নিম্নচাপের কারণে যখন বাতাস প্রচণ্ড গতিবেগে ঘুরতে থাকে, তখন সেটাকে সাইক্লোন বা ঘূর্ণিঝড় বলে। 
- দক্ষিণ এশিয়াতে যা সাইক্লোন, আমেরিকাতে সেটা হ্যারিকেন (Hurricane) এবং দূরপ্রাচ্যের দেশগুলোতে টাইফুন (Typhoon) নামে পরিচিত। 
- বাংলাদেশের উত্তরে হিমালয় পর্বত, দক্ষিণে বঙ্গোপসাগর এবং মাঝখানে ফানেল আকৃতির উপকূলীয় এলাকা বিদ্যমান। 
- ভৌগোলিক অবস্থানের কারণে বাংলাদেশ সাইক্লোনের জন্য খুব ঝুঁকিপূর্ণ দেশ। 
- ১৯৬০ সাল থেকে এখন পর্যন্ত অসংখ্য সাইক্লোন বাংলাদেশে আঘাত এনেছে যার মধ্যে ১৯৬০, ১৯৬১, ১৯৬৩, ১৯৬৫, ১৯৭০, ১৯৮৫, ১৯৯১, ২০০৭ ও ২০০৯ সালের সাইক্লোন ছিল প্রলয়ংকরী। তবে ১৯৭০ সালের সাইক্লোনটি সর্বকালের সবচেয়ে প্রলয়ংকরী সাইক্লোন হিসেবে পৃথিবীর ইতিহাসে চিহ্নিত হয়েছে। 

সাইক্লোন সৃষ্টির কারণ ও করণীয়: 
- সাইক্লোন সৃষ্টি হয় গভীর সমুদ্রে, তাই এ সম্পর্কে বিস্তারিত জানা সহজসাধ্য নয়। 
- তবে যে দুটি কারণ মূলত সাইক্লোন সৃষ্টিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে তা হলো নিম্নচাপ এবং উচ্চ তাপমাত্রা। 
- সাধারণত সাইক্লোন তৈরি হতে সাগরের তাপমাত্রা ২৭° সেলসিয়াসের বেশি হতে হয়, দুর্ভাগ্যবশত বঙ্গোপসাগরে প্রায় সারা বছরই এই তাপমাত্রা বিদ্যমান থাকে। 
- সমুদ্রের উত্তপ্ত পানি বাষ্পীভবনের ফলে উপরে উঠে যখন জল কণায় পরিণত হয় তখন বাষ্পীভবনের সুপ্ত তাপটি বাতাসে ছেড়ে দেয়। সে কারণে বাতাস উত্তপ্ত হয় এবং বাষ্পীভবন আরো বেড়ে যায়, ফলে বায়ুমণ্ডল অস্থিতিশীল হয়ে পড়ে নিম্নচাপের সৃষ্টি করে। নিম্নচাপ সৃষ্টি হলে আশপাশের বাতাস সেখানে ছুটে আসে, যা বাড়তি তাপমাত্রার কারণে ঘুরতে ঘুরতে উপরে উঠতে থাকে এবং সাইক্লোন সৃষ্টি করে। 
- এই প্রক্রিয়ায় সৃষ্ট হওয়া ঘূর্ণিঝড়ের বাতাসের বেগ অনেক বেশি হয়। তবে বাতাসের বেগ ঘণ্টায় ৬৩ কিলোমিটার বা তার চাইতে বেশি হলে সেটাকে সাইক্লোন হিসেবে গণ্য করা হয়। 
- এ পর্যন্ত বাংলাদেশে সবচেয়ে শক্তিশালী সাইক্লোন হয়েছিল ১৯৯১ সালে, তখন বাতাসের বেগ ছিল ঘণ্টায় ২২৫ কিলোমিটার। 

- সাইক্লোন অত্যন্ত শক্তিশালী, একটি দুর্বল সাইক্লোনও শক্তিতে মেগাটন শক্তির কয়েক হাজার পারমাণবিক বোমার সমান। 
- তাছাড়া যেহেতু সাইক্লোন একটি প্রাকৃতিক দুর্যোগ, তাই এটি প্রতিরোধ করা প্রায় অসাধ্য। 
- সম্প্রতি আমেরিকাতে ঝড়ের সময় সিলভার আয়োডাইড (AgI) নামক রাসায়নিক দ্রব্য বাতাসে ছড়িয়ে পানিকে শীতল করে ঘূর্ণিঝড়ের গতিবেগ কমানোর চেষ্টা করা হলেও নানা ধরনের সীমাবদ্ধতার কারণে এটি ঠিকভাবে কাজ করেনি। 
- এছাড়া সাগরে তেল বা অন্যান্য  রাসায়নিক দ্রব্য ছিটিয়ে বাষ্পীভবন কমিয়ে ঘূর্ণিঝড়ের মাত্রা নিয়ন্ত্রণ করার চিন্তাভাবনা করা হয়। তবে প্রকৃতির সাথে যুদ্ধ করা কখনোই বাস্তবভিত্তিক নয়। 
- ঘূর্ণিঝড়ের পূর্বাভাস প্রক্রিয়া জোরদার করে মানুষের প্রাণ বাঁচানোর এবং সম্পদের ক্ষয়ক্ষতি কমানোর জন্য ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। 
- সাইক্লোন বা ঘূর্ণিঝড়ের আরেকটি মারাত্মক দিক হলো জলোচ্ছ্বাস। তাই ঘূর্ণিঝড়প্রবণ এলাকায় উঁচু করে মজবুত আশ্রয়কেন্দ্র তৈরি করতে হবে। 
- ঘূর্ণিঝড়ের সময় নিচু এলাকায় বসবাস করা মানুষকে নিরাপদ আশ্রয়স্থলে সরিয়ে নেওয়ার ব্যবস্থা করতে হবে। 
- জলোচ্ছ্বাস ঠেকানোর জন্য উপকূলীয় এলাকায় বাঁধ তৈরি করা যেতে পারে, সাথে সাথে সেখানে প্রচুর গাছপালা লাগিয়েও ক্ষতির পরিমাণ কমানো সম্ভব। 

উৎস: বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।

৮২.
ফটোগ্রাফিক ফিল্মে কোন পদার্থ থাকে, যা আলোর সংস্পর্শে আসলে রাসায়নিক বিক্রিয়া করে? 
  1. সিলভার নাইট্রেট 
  2. অ্যামোনিয়াম নাইট্রেট 
  3. কপার সালফেট 
  4. সিলভার ব্রোমাইড 
ব্যাখ্যা

আলোক শক্তির রূপান্তর: 
আলোক শক্তি → রাসায়নিক শক্তি: 
- ফটোগ্রাফিক ফিল্মের উপর আলো পড়লে রাসায়নিক বিক্রিয়ার মাধ্যমে চিত্র তৈরি হয়। ফটোগ্রাফিক ফিল্মে সিলভার ব্রোমাইড (AgBr) বা সিলভার ক্লোরাইড (AgCl) থাকে, যা আলোর সংস্পর্শে এলে রাসায়নিক বিক্রিয়া করে, ফলে আলোক শক্তি রাসায়নিক শক্তিতে রূপান্তরিত হয়। 

আলোক শক্তি → তাপ শক্তি: 
- হারিকেনের চিমনির কাচ স্পর্শ করলে গরম লাগে, কারণ আলোক শক্তি তাপ শক্তিতে রূপান্তরিত হয়। 

আলোক শক্তি → যান্ত্রিক শক্তি: 
- উদ্ভিদের সালোকসংশ্লেষণের মাধ্যমে খাদ্য উৎপন্ন হলে পরে তা গ্রহণকারী প্রাণীর দেহে যান্ত্রিক শক্তিতে রূপান্তরিত হয়। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় এবং ব্রিটানিকা।

৮৩.
নিচের কোনটি বিজারক পদার্থ নয়? 
  1. ফ্লোরিন 
  2. লিথিয়াম 
  3. পটাশিয়াম 
  4. ম্যাগনেসিয়াম 
ব্যাখ্যা

- লিথিয়াম, পটাশিয়াম, ম্যাগনেসিয়াম সবই ইলেকট্রন দান করে, তাই এ পদার্থগুলো বিজারক। কিন্তু ফ্লোরিন ইলেকট্রন গ্রহণ করে, তাই এটি জারক। 

বিজারক পদার্থ: 

- জারণ-বিজারণ বিক্রিয়ার ক্ষেত্রে যে বিক্রিয়ক ইলেকট্রন দান করে তাকে বিজারক বলে অর্থাৎ বিজারক পদার্থ ইলেকট্রন দাতা। 
- বিজারক ইলেকট্রন দান করার পর নিজে জারিত হয়। 
- যে পদার্থের ইলেকট্রন দান করার প্রবণতা যত বেশি, সে পদার্থ তত বেশি বিজারকধর্মী হয়। 
যেমন- হাইড্রোজেন (H), লিথিয়াম (Li), সোডিয়াম (Na), পটাশিয়াম (K), রুবিডিয়াম (Rb) প্রত্যেকেই তীব্র বিজারক। 
- এছাড়াও ম্যাগনেসিয়াম (Mg), ক্যালসিয়াম (Ca), H2S, H2O2, SO2 প্রভৃতি বিজারক পদার্থ। 

জারক পদার্থ: 
- জারণ-বিজারণ বিক্রিয়ার ক্ষেত্রে যে বিক্রিয়ক ইলেকট্রন গ্রহণ করে তাকে জারক বলে অর্থাৎ জারক পদার্থ ইলেকট্রন গ্রহীতা। 
- জারক ইলেকট্রন গ্রহণের পর নিজে বিজারিত হয়। 
- যে পদার্থের ইলেকট্রন গ্রহণের প্রবণতা যত বেশি, সে পদার্থ তত বেশি জারকধর্মী হয়। 
যেমন- অক্সিজেন (O2), ক্লোরিন (Cl2), ফ্লোরিন (F2), H2SO4, HNO3, H2O2, SO2 ইত্যাদি জারক পদার্থ। 

উল্লেখ্য, 
- H2O2 সচরাচর জারকের মত ব্যবহার করলেও অম্লীয় বা ক্ষারীয় দ্রবণে বিজারক হিসেবে কাজ করে। 
- SO2 একই সাথে জারক এবং বিজারক হিসেবে কাজ করে। 

উৎস: নেতাজি সুভাষ মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়, পশ্চিমবঙ্গ, ইন্ডিয়া এবং রসায়ন প্রথম পত্র, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৮৪.
n-টাইপ অর্ধপরিবাহীতে কোনটি বেশি থাকে?
  1. ধনাত্মক আয়ন 
  2. ঋণাত্মক আয়ন 
  3. হোল 
  4. মুক্ত ইলেকট্রন 
ব্যাখ্যা

অর্ধপরিবাহী ডায়োড বা জাংশন ডায়োড: 
- একটি p-টাইপ অর্ধপরিবাহী ও একটি n-টাইপ অর্ধপরিবাহীকে বিশেষ প্রক্রিয়ায় পরস্পরের সাথে সংযুক্ত করা হলে সংযোগ পৃষ্ঠকে তথা সৃষ্ট ব্যবস্থাকে p-n জাংশন বা জাংশন ডায়োড বলে। দুটি অর্ধপরিবাহী সমন্বয়ে গঠিত বলে একে অর্ধপরিবাহী ডায়োডও বলে। 
- প্রকৃতপক্ষে দুটি অর্ধপরিবাহীকে জোড়া লাগিয়ে ডায়োড তৈরি করা হয় না। বাস্তবে একটি বিশুদ্ধ অর্ধপরিবাহী কেলাসের এক অর্ধাংশে ত্রিযোজী অপদ্রব্য এবং অপর অর্ধাংশে পঞ্চযোজী অপদ্রব্য বিশেষ প্রক্রিয়ায় মিশিয়ে p-n জাংশন তৈরি করা হয়। 
- একটি p-টাইপ অর্ধপরিবাহীর অভ্যন্তরে বহুসংখ্যক হোল ও অতি অল্প সংখ্যক ইলেকট্রন থাকে; একইভাবে একটি n-টাইপ অর্ধপরিবাহীতে বহুসংখ্যক মুক্ত ইলেকট্রন এবং অতি অল্পসংখ্যক হোল বর্তমান থাকে। 

- p-n জাংশন তৈরির সাথে সাথে p-অঞ্চলের হোলের সংখ্যা n-অঞ্চলের হোলের সংখ্যার চেয়ে অনেক বেশি বলে ব্যাপনের নিয়ম অনুযায়ী p-অঞ্চলের হোলগুলো n-অঞ্চলে যেতে চেষ্টা করে যাতে p ও n অঞ্চলের সর্বত্র হোলের ঘনত্ব সমান হয়। 
- অনুরূপভাবে n-অঞ্চল থেকে কিছু ইলেকট্রন p-অঞ্চলে যেতে চেষ্টা করে। যখন p-অঞ্চল হতে কিছুসংখ্যক হোল n-অঞ্চলে প্রবেশ করে মুক্ত ইলেকট্রনের সাথে মিলিত হয়ে তড়িৎ নিরপেক্ষ হয়, তখন n-অঞ্চলে সমসংখ্যক ধনাত্মক দাতা আয়ন উন্মুক্ত হয়। আবার n-অঞ্চল হতে একই প্রক্রিয়ায় মুক্ত ইলেকট্রনগুলো যখন p-অঞ্চলে প্রবেশ করে হোলের সাথে মিলিত হয়ে তড়িৎ নিরপেক্ষ হয় তখন p-অঞ্চলে সমসংখ্যক ঋণাত্মক গ্রাহক আয়ন উন্মুক্ত হয়। 
- ফলে জাংশনের সন্নিকটে p-অঞ্চলে কিছু ঋণাত্মক আয়ন এবং n-অঞ্চলে কিছু ধনাত্মক আয়নের উদ্ভব ঘটে। এভাবে যখন যথেষ্ট সংখ্যক গ্রাহক ও দাতা আয়ন উন্মুক্ত হয়, তখন ব্যাপন প্রক্রিয়া বাঁধাগ্রস্ত হবে। 
- p-n জাংশনের বিভব বাঁধা অংশে n-অঞ্চলে ধনাত্মক আয়ন এবং p-অঞ্চলে ঋণাত্মক আয়ন উন্মুক্ত হয়। এ অঞ্চলে কোনো মুক্ত আধান বাহক থাকে না, এ অংশকে নিঃশেষিত স্তর বা ডিপ্লেশন স্তর (Depletion layer) বলে। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৮৫.
স্কোপোলামিন কোন উদ্ভিদ থেকে তৈরি করা হয়? 
  1. আফিম 
  2. ধুতুরা 
  3. গোলাপ 
  4. কাকডুমুর 
ব্যাখ্যা

শয়তানের নিশ্বাস বা ডেভিলস ব্রেথ: 
- শয়তানের নিশ্বাস বা স্কোপোলামিন এক ধরনের ড্রাগ, যা ধুতুরা ফুল থেকে তৈরি করা হয়। 
- এটি মানুষকে সম্মোহিত বা বশ করে অপরাধ সংঘটনে ব্যবহৃত হয়। 
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে এটি ‘ট্রুথ সেরাম’ হিসেবে ব্যবহৃত হতো। 
- স্কোপোলামিন তরল ও পাউডার দুই রূপেই পাওয়া যায় এবং শ্বাসের মাধ্যমে গ্রহণ করলে দ্রুত কাজ করে। 
- অপরাধীরা এটি ব্যবহার করে ব্যক্তির মূল্যবান জিনিস হাতিয়ে নেয়। 
- এটির পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ায় মুখ শুকিয়ে যাওয়া, মাথা ব্যথা, অস্থিরতা, এমনকি হার্ট অ্যাটাক পর্যন্ত হতে পারে। 
- নিরাপত্তার জন্য অপরিচিত ব্যক্তির দেওয়া খাবার বা পানীয় গ্রহণ না করা, মাস্ক ব্যবহার করা এবং সতর্ক থাকা জরুরি। 
- প্রয়োজনে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সাহায্য নিতে হবে এবং মাত্রাতিরিক্ত প্রয়োগ হলে দ্রুত হাসপাতালে নিতে হবে। 

উৎস: দৈনিক প্রথম আলো পত্রিকা (১৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫)।

৮৬.
ব্যাকরণের কোন অংশে "শব্দ, বর্গ ও বাক্যের ব্যঞ্জনা" — নিয়ে আলোচনা করা হয়?
  1. ধ্বনিতত্ত্বে
  2. রূপতত্ত্বে
  3. বাক্যতত্ত্বে
  4. অর্থতত্ত্বে
ব্যাখ্যা

• অর্থতত্ত্ব:
ব্যাকরণের যে অংশে শব্দ, বর্গ ও বাক্যের অর্থ নিয়ে আলোচনা করা হয়, সেই অংশের নাম অর্থতত্ত্ব। একে বাগর্থতত্ত্বও বলা হয়। বিপরীত শব্দ, প্রতিশব্দ, শব্দজোড়, বাগ্‌ধারা প্রভৃতি বিষয় অর্থতত্ত্বের অন্তর্ভুক্ত। এছাড়া শব্দ, বর্গ ও বাক্যের ব্যঞ্জনা নিয়েও ব্যাকরণের এই অংশে আলোচনা থাকে।

অন্যদিকে, 

• ধ্বনিতত্ত্বের আলোচ্য বিষয় সমূহ -
- ধ্বনি,
- বর্ণ,
- ধ্বনির উচ্চারণ প্রণালি,
- উচ্চারণের স্থান,
- ধ্বনি পরিবর্তন ও লোপ,
- ষ-ত্ব ও ণ-ত্ব বিধান,
- সন্ধি ইত্যাদি।

রূপতত্ত্ব:
- রূপতত্ত্বে শব্দ ও তার উপাদান নিয়ে আলোচনা করা হয়।
- এই আলোচনায় বিশেষ্য, সর্বনাম, বিশেষণ, ক্রিয়া, ক্রিয়াবিশেষণ ইত্যাদি স্থান পায়।
- বিশেষ গুরুত্ব পায় শব্দগঠন প্রক্রিয়া।
- উপসর্গ, সমাস, প্রত্যয়, পুরুষ রূপতত্ত্বের আলোচ্য বিষয়। 

বাক্যতত্ত্ব:
- বাক্যতত্ত্বে বাক্য নিয়ে আলোচনা করে ।  
- বাক্যের নির্মান ও গঠন বাক্যতত্ত্বের আলোচ্য বিষয়।
- বাক্যের মধ্যে পদ ও বর্গ কীভাবে বিন্যস্ত থাকে, বাক্যতত্ত্ব তা বর্ণনা করে।
- তাছাড়া এক ধরনের বাক্যকে অন্য ধরনের বাক্যে রূপান্তর, বাক্যের বাচ্য, উক্তি ইত্যাদি বাতক্যত্ত্বের আলোচ্য বিষয়।
- কারক বিশ্লেষন, বাক্যের যোগ্যতা, বাক্যের উপাদান লোপ, যতিচিহ্ন প্রভৃতি বাক্যতত্ত্বে আলোচনা করা হয়।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০২১-সংস্করণ)।

৮৭.
'দাঙ্গাবাজ' — কোন ধরনের শব্দ?
  1. আরবি
  2. ফারসি
  3. হিন্দি
  4. মিশ্র
ব্যাখ্যা

• বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান অনুসারে,
'দাঙ্গাবাজ' - হিন্দি 'দাঙ্গা' এবং ফারসি 'বাজ' এর সমন্বয়ে গঠিত। অর্থ্যাৎ, এটি একটি মিশ্র শব্দ।

 

কিছু মিশ্র শব্দ:
• কয়েকটি 'আরবি + ফারসি' ভাষার শব্দ: 
- আদমশুমারি, ওকালতনামা, কেতাদুরস্ত, বরকন্দাজ। 

• কয়েকটি 'ইংরেজি + ফারসি' ভাষার শব্দ:
- হেডমৌলভি, ডাক্তারখানা, ডাক্তারবাবু, সিলমোহর, জেলখানা।

উৎস: বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান।

৮৮.
"তবুও থামে না যৌবন বেগ জীবনের উল্লাসে
চলেছে চন্দ্র মঙ্গল গ্রহে স্বর্গে অসীমাকাশে।" - কে লিখেছেন?
  1. সুকান্ত ভট্টাচার্য 
  2. হেলাল হাফিজ 
  3. কাজী নজরুল ইসলাম
  4. ফররুখ আহমদ
ব্যাখ্যা

• 'তবুও থামে না যৌবন-বেগ, জীবনের উল্লাসে
চলেছে চন্দ্র-মঙ্গল-গ্রহে স্বর্গে অসীমাকাশে।'
-এ কবিতাংশটুকু 'কাজী নজরুল ইসলাম' এর 'জীবন - বন্দনা' কবিতার অংশবিশেষ।   
---------------------------- 
• 'জীবন-বন্দনা' কবিতা: 
- 'জীবন-বন্দনা' কবিতাটি কাজী নজরুল ইসলামের 'সন্ধ্যা' কাব্যগ্রন্থ থেকে সংকলিত হয়েছে।
- কবিতাটি মাত্রাবৃত্ত ছন্দে রচিত। 
- সন্ধ্যা কাব্য গ্রন্থটি প্রকাশিত হয় ১৯২৯ খ্রিষ্টাব্দে। 
- বাংলাদেশের রণসংগীত “চল চল চল, উর্ধ গগণে বাঝে মাদল” এই কাব্য থেকে নেয়া হয়েছে।
----------------------------

• জীবন-বন্দনা- কবিতা, 
--------------– কাজী নজরুল ইসলাম। 

গাহি তাহাদের গান –
ধরণির হাতে দিল যারা আনি ফসলের ফরমান।
শ্রম-কিণাঙ্ক-কঠিন যাদের নির্দয় মুঠি-তলে
ত্রস্তা ধরণি নজরানা দেয় ডালি ভরে ফুলে ফলে।
বন্য-শ্বাপদ-সংকুল জরা-মৃত্যু-ভীষণা ধরা
যাদের শাসনে হল সুন্দর কুসুমিতা মনোহরা।
যারা বর্বর হেথা বাঁধে ঘর পরম অকুতোভয়ে
বনের ব্যাঘ্র মরুর সিংহ বিবরের ফণী লয়ে।
এল দুর্জয় গতিবেগ সম যারা যাযাবর-শিশু
– তারাই গাহিল নব প্রেমগান ধরণি-মেরির জিশু –
         যাহাদের চলা লেগে
উল্কার মতো ঘুরিছে ধরণি শূন্যে অমিত বেগে !
-----------
-------------
তবুও থামে না যৌবন বেগ জীবনের উল্লাসে
চলেছে চন্দ্র মঙ্গল গ্রহে স্বর্গে অসীমাকাশে। (সংক্ষেপিত)

-----------------
• কাজী নজরুল ইসলাম রচিত কাব্যগ্রন্থ:
- অগ্নিবীণা, 
- বিষের বাঁশি , 
- ভাঙার গান , 
- সাম্যবাদী, 
- সর্বহারা, 
- সন্ধ্যা,
- ঝিঙে ফুল, 
- ফণি-মনসা , 
- জিঞ্জিরা, 
- প্রলয়শিখা ইত্যাদি। 

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, বাংলাপিডিয়া, জীবন-বন্দনা- কবিতা।

৮৯.
নিম্নলিখিত বাক্যটি পরোক্ষ উক্তিতে রূপান্তর করুন:
সোহেল বলল, "আমি এখানে থাকব"।
  1. সোহেল বলল, "আমি সেখানে থাকব।"
  2. সোহেল বলল যে, সে সেখানে থাকবে। 
  3. সোহেল জানাল যে আমি এখানে থাকব।
  4. সোহেল বলল, "সে এখানে থাকবে।
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর — খ) সোহেল বলল যে, সে সেখানে থাকবে।

ব্যাখ্যা:
প্রত্যক্ষ উক্তি: বলল সোহেল, "আমি এখানে থাকব"।
সঠিক পরোক্ষ উক্তি: সোহেল বলল যে, সে সেখানে থাকবে।

উক্তি রূপান্তরের নিয়মসমূহ:
১. পুরুষের পরিবর্তন:
"আমি" → "সে" (প্রথম পুরুষ থেকে তৃতীয় পুরুষে)।

২. স্থানের পরিবর্তন:
"এখানে" → "সেখানে" (নিকট স্থান থেকে দূর স্থানে)।

৩. বাক্য গঠন:
উদ্ধৃতি চিহ্ন সরিয়ে "যে" সংযোজক অব্যয়।

৪. ক্রিয়ার রূপ:
"থাকব" → "থাকবে" (পুরুষ অনুযায়ী পরিবর্তন)।

অন্যান্য অপশনগুলো কেন ভুল:
ক) এখনও প্রত্যক্ষ উক্তি (উদ্ধৃতি চিহ্ন আছে) এবং পুরুষ পরিবর্তন হয়নি।
গ) পুরুষ ও স্থান পরিবর্তন হয়নি ("আমি এখানে" রয়ে গেছে)।
ঘ) এখনও প্রত্যক্ষ উক্তি (উদ্ধৃতি চিহ্ন আছে)।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ), ভাষা শিক্ষা- ড. হায়াৎ মামুদ।

৯০.
শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের কোন উপন্যাসের চরিত্র: সতীশ, সাবিত্রী, কিরণময়ী?
  1. চরিত্রহীন
  2. পল্লীসমাজ
  3. শ্রীকান্ত
  4. পথের দাবী
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: ক) চরিত্রহীন।

ব্যাখ্যা:
শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের ‘চরিত্রহীন’ উপন্যাসে সতীশ, সাবিত্রী, এবং কিরণময়ী চরিত্রগুলো রয়েছে। এই উপন্যাসে সতীশ একজন গুরুত্বপূর্ণ চরিত্র, সাবিত্রী হলেন তার স্ত্রী, এবং কিরণময়ী হলেন একটি কেন্দ্রীয় নারী চরিত্র, যার জীবন ও সম্পর্কের জটিলতা গল্পের মূল বিষয়।
-----------------------
• 'চরিত্রহীন' উপন্যাস:

- শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় রচিত 'চরিত্রহীন' উপন্যাসটি প্রথম প্রকাশিত হয় ১৯১৭ সালে। প্রথা বহির্ভূত প্রেম ও নারীপুরুষের সম্পর্ক নিয়ে এটি রচিত। উপন্যাসের নামকরণ তাই চরিত্রহীন।

- গল্পটিতে চারটি নারী চরিত্র রয়েছে। প্রধান দুটি নারী চরিত্রের নাম — সাবিত্রী ও কিরণময়ী। ছোট দুটি নারী চরিত্রের নাম — সুরবালা ও সরোজিনী। উপন্যাসের সবচেয়ে আকর্ষণীয় বিষয় হচ্ছে যে চারটি চরিত্র সম্পূর্ণ ভিন্ন।

উপন্যাসের চরিত্রগুলোর বর্ণনা:
সাবিত্রী চরিত্রটি বিশুদ্ধ, সে তার ভালবাসার মানুষ — সতীশ-এর প্রতি অনুগত। সুরবালা উপেন্দ্রনাথের স্ত্রী। তিনি বয়সে তরুণ, ধর্মীয় গ্রন্থগুলিতে অন্ধবিশ্বাসের কারণে তার চরিত্রও চিত্তাকর্ষক। সরোজিনী পাশ্চাত্য শৈলীতে শিক্ষিত এবং চিন্তা-ভাবনায় অগ্রসর কিন্তু পারিবারিক পরিস্থিতিত এবং একটি জাদরেল মা দ্বারা তার জীবনযাপন অবরুদ্ধ। সরোজিনী শেষতক সতীশকে বিয়ে করেন। উপন্যাসের সবচেয়ে আকর্ষণীয় চরিত্র কিরণময়ী। তরুণ এবং অত্যন্ত সুন্দরী, বুদ্ধিমতী। তবে তার আবেগ ও আকাঙ্ক্ষাগুলি সর্বদা বিবাহিত বিষয়গুলির তুলনায় স্বামীকে শিক্ষাদান করার জন্য এবং স্বামী ও শাশুড়ীর দ্বারা সর্বদা দমিত হয়।

• শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের কিছু উপন্যাসের চরিত্র: 
• 'দেবদাস' উপন্যাসের চরিত্র- দেবদাস, পার্বতী, চন্দ্রমূখী, চুনিলাল, ধর্মদাস।
- 'পল্লীসমাজ' উপন্যাসের চরিত্র - রমা, রমেশ, বললাম, বেণী।
• 'দত্তা' উপন্যাসের চরিত্র- বিজয়া, নরেন, রাসবিহারী, বনমালী।
- 'শ্রীকান্ত' উপন্যাসের চরিত্র - ইন্দ্রনাথ, রাজলক্ষ্মী, অভয়া, গহর প্রমুখ।
- 'গৃহদাহ' উপন্যাসের চরিত্র - সুরেশ, মহিম, অচলা।
- 'পথের দাবী' উপন্যাসের চরিত্র - ভারতী, সব্যসাচী ওরফে ডাক্তার সাহেব।

উৎস: বাংলা ভাষা ও জিজ্ঞাসা, বাংলাপিডিয়া।

৯১.
এন্টনি ফিরিঙ্গি কোন কাব্যরীতির জন্য বিখ্যাত ছিলেন?
  1. মঙ্গলকাব্য
  2. কবিগান
  3. প্রণয়কাব্য
  4. শাক্ত পদাবলি
ব্যাখ্যা

• এন্টনি ফিরিঙ্গি — কবিগান এর জন্য বিখ্যাত ছিলেন। 

• এন্টনি ফিরিঙ্গি: 
- ছিলেন আঠারো শতকের বাংলা ভাষার কবিয়াল। 
- তাঁর  প্রকৃত নাম হেনসম্যান এন্টনি (Hensman Anthony)।
- তিনি জাতিতে ছিলেন পর্তুগিজ এবং ধর্মে খ্রিস্টান।
- পশ্চিমবঙ্গের চন্দননগরের ফরাসডাঙায় তিনি বসবাস করতেন।
- তিনি খ্রিস্টান হলেও বাঙালি কালি সাধক হিন্দুর মত জীবনযাপন করতেন। 
- তিনি হিন্দু বিধবা কে বিয়ে করেন এবং কলকাতার বউবাজারে ফিরিঙ্গি কাকীমন্দির প্রতিষ্ঠা করেন।

• তাঁর একটি বিখ্যাত গান-
‘আমি ভজন সাধন জানি নে মা
নিজে ত ফিরিঙ্গি।
যদি দয়া করে কৃপা কর
হে শিবে মাতঙ্গী।’

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, বাংলাপিডিয়া।

৯২.
নিচের কোনটি 'অনুগ্রহ' এর বিপরীতার্থক শব্দ?
  1. প্রতিগ্রহ
  2. বিগ্রহ
  3. নিগ্রহ
  4. অপ্রতিগ্রহ
ব্যাখ্যা

• 'অনুগ্রহ' শব্দের অর্থ - দয়া, কৃপা, করুণা।
• 'নিগ্রহ' শব্দের অর্থ - শাসন, লাঞ্ছনা, কষ্ট।

• অর্থ্যাৎ,
'অনুগ্রহ' এর বিপরীতার্থক শব্দ - নিগ্রহ।

অন্যদিকে,
•  'বিগ্রহ' এর বিপরীতার্থক শব্দ - সন্ধি।
• 'প্রতিগ্রহ' এর বিপরীতার্থক শব্দ - অপ্রতিগ্রহ।

উৎস: ভাষা শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ এবং বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান।

৯৩.
বাংলা নাটকে অ্যাবসার্ড ধারার প্রচলন করেন কে?
  1. সেলিম আল দীন
  2. সাঈদ আহমদ
  3. মামুনুর রশীদ
  4. আবদুল্লাহ আল মামুন
ব্যাখ্যা

• বাংলা নাটকে অ্যাবসার্ড ধারার প্রবর্তক : সাঈদ আহমদ। 

• সাঈদ আহমদ: 
- সাঈদ আহমদ (১৯৩১-২০১০) নাট্যকার, চিত্রসমালোচক, শিক্ষাবিদ। তাঁর জন্ম পুরানো ঢাকার ইসলামপুরে ১ জানুয়ারি ১৯৩১ সালে। 
- বাংলা সাহিত্যের অন্যতম প্রতিভভাবান নাট্যকার - সাঈদ আহমদ।
- ১৯৫৪ সালে লন্ডনে স্যামুয়েল ব্যাকেটের নাটক দেখে সাঈদ আহমদ এই ধরনের নাটকের প্রতি আকৃষ্ট হন এবং বাংলায় অ্যাবসার্ডধর্মী নাটকের প্রচলন করেন।

তার রচিত উল্লেখযোগ্য নাটক:
- কালবেলা,
- মাইলপোস্ট,
- তৃষ্ণায়,
- প্রতিদিন একদিন,
- শেষ নবাব।

উল্লেখ্য, 
• ১৯৭৫ সালে অ্যাবসার্ডধারার বাইরে এসে দেশের আর্থ-সামাজিক অবস্থা নিয়ে সাঈদ আহমদ রচনা করেন - 'প্রতিদিন একদিন' নাটক।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা।

৯৪.
"পথের পাঁচালী" উপন্যাসের কেন্দ্রীয় চরিত্র কোনটি?
  1. সন্দীপ
  2. আদিত্য
  3. অপু
  4. শশাঙ্ক
ব্যাখ্যা

• "পথের পাঁচালী" উপন্যাস:
- 'পথের পাঁচালী' (১৯২৯) বিভূতিভূষণের প্রথম উপন্যাস এবং অনেকের মতে শ্রেষ্ঠ উপন্যাস। প্রথম রচিত এই উপন্যাসের মাধ্যমেই তিনি বিপুল খ্যাতি অর্জন করেন। উপন্যাসটি প্রথম প্রকাশিত হয় 'বিচিত্রা' পত্রিকায়। গ্রন্থাকারে প্রকাশিত হয় সজনীকান্ত দাসের রঞ্জন প্রকাশালয়, কলকাতা থেকে।

- এই কাহিনির পটভূমিতে আছে বাংলাদেশের গ্রাম ও তার পরিচিত, মানুষের জীবন। এর প্রধান অংশই হলো একটি শিশুর চৈতন্যের জাগরণ, মানুষ ও প্রকৃতির সঙ্গে তার পরিচয়। প্রত্যেকটি আপাততুচ্ছ বিষয় ও ঘটনা নিয়ে আসে রহস্য ও সৌন্দর্যের আভাস, সবই মূল্যবান ও আনন্দময়।

- এর তিনটি ভাগ: বল্লালী বালাই, আমআঁটির ভেঁপু, অক্রুর সংবাদ।'পথের পাঁচালী'র নায়ক বালক — অপু। উপন্যাসের দ্বিতীয় খণ্ড 'অপরাজিত' (১৯৩১)। দ্বিতীয় অংশে অপুর কৈশোর ও যৌবনের কাহিনি বর্ণিত হয়েছে। 'পথের পাঁচালী' ও 'অপরাজিত' অবলম্বনে সত্যজিৎ রায় চলচ্চিত্র নির্মাণ করেন।
- পথের পাঁচালী উপন্যাসটি ভারতীয় বিভিন্ন ভাষাসহ ইংরেজি ও ফরাসি ভাষায় অনূদিত হয়েছে।

'পথের পাঁচালী'র উল্লেখযোগ্য চরিত্রগুলো-
- অপু,
- দুর্গা,
- ইন্দির ঠাকরুন,
- সর্বজয়া।

অন্যদিকে, 
• রবীন্দ্রনাথের 'ঘরে-বাইরে' উপন্যাসের চরিত্র- নিখিলেশ, বিমলা, সন্দীপ, চন্দ্রনাথ, মেজরাণী। 
• রবীন্দ্রনাথের 'মালঞ্চ' উপন্যাসের চরিত্র- আদিত্য, নীরজা, সরলা। 
• রবীন্দ্রনাথের 'দুইবোন' উপন্যাসের চরিত্র- শর্মিলা, উর্মিমালা, শশাঙ্ক। 

উৎস: "পথের পাঁচালী" উপন্যাস এবং বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা।

৯৫.
'অষ্টধাতু' — কোন ধরনের সমাস?
  1. তৎপুরুষ সমাস 
  2. দ্বিগু সমাস
  3. বহুব্রীহি সমাস 
  4. কর্মধারয় সমাস 
ব্যাখ্যা

• দ্বিগু সমাস:
সমাহার (সমষ্টি) বা মিলন অর্থে সংখ্যাবাচক শব্দের সঙ্গে বিশেষ্য পদের যে সমাস হয়, তাকে দ্বিগু সমাস বলে। দ্বিগু সমাসে সমাসনিষ্পন্ন পদটি বিশেষ্য পদ হয়।

দ্বিগু সমাস নির্ণয়ের সহজ উপায়-
দ্বিগু সমাসে প্রথম পদটি সংখ্যাবাচক হয় এবং পরপদটি হবে বিশেষ্য। সমস্তপদটি দ্বারা সমষ্টি বা সমাহার বোঝায়। এবং সমস্তপদটি একটি বিশেষ্য পদ হয়। যেমন: 
- সাত সমুদ্রের সমাহার = সাতসমুদ্র। 

["সাতসমুদ্র" দ্বিগু সমাস কারণ এটি একটি সংখ্যাবাচক শব্দ ("সাত") এবং একটি বিশেষ্য পদ ("সমুদ্র") নিয়ে গঠিত এবং "সাতসমুদ্র" শব্দটি সাতটি সমুদ্রের সমষ্টি বা মিলন বোঝায়।]

এরূপ কিছু উদাহরণ হলো-
আটটি ধাতুর সমাহার = অষ্টধাতু;
তিন কালের সমাহার = ত্রিকাল;
পাঁচ সেরের সমাহার = পঁসুরি;
শত বর্ষের সমাহার = শতবর্ষ;
শত অব্দের সমাহারারা = শতাব্দী;
সপ্ত ঋষির সমাহার = সপ্তর্ষি;
ত্রি (তিন) পদের সমাহার = ত্রিপদী ইত্যাদি।

এরূপ- অষ্টধাতু, চতুর্ভুজ, চতুরঙ্গ, ত্রিমোহিনী, তেরনদী, পঞ্চভূত, সাতসমুদ্র ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯-সংস্করণ) এবং ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।

৯৬.
ভাষা আন্দোলনকে নিয়ে লেখা প্রথম গবেষণামূলক গ্রন্থ কোনটি?
  1. ভাষা আন্দোলনের ইতিহাস
  2. ভাষার জন্য সংগ্রাম
  3. ভাষা আন্দোলন ও বাঙালী মানস
  4. পূর্ব বাঙলার ভাষা আন্দোলন ও তৎকালীন রাজনীতি
ব্যাখ্যা

• 'পূর্ব বাঙলার ভাষা আন্দোলন ও তৎকালীন রাজনীতি':
- 'পূর্ব বাঙলার ভাষা আন্দোলন ও তৎকালীন রাজনীতি'  হলো বদরুদ্দীন উমর রচিত বাংলা ভাষা আন্দোলনের সামগ্রিক পটভূমি তথা সমকালীন রাজনৈতিক সামাজিক ও অর্থনৈতিক বাস্তবতার প্রেক্ষাপটে তিন খণ্ডে প্রকাশিত বই।
- এটি বাংলা ভাষা আন্দোলন নিয়ে সবচেয়ে তথ্যবহুল সমাদৃত বাংলা বই এবং ভাষা আন্দোলনকে নিয়ে লেখা প্রথম গবেষণামূলক গ্রন্থ।

-----------------
• বদরুদ্দীন উমর:
- তিনি ২০শে ডিসেম্বর, ১৯৩১ সালে পশ্চিমবঙ্গের বর্ধমানে জন্মগ্রহন করেন।
- তিনি মূলত অধ্যাপক এবং রাজনীতিক হিসেবে পরিচিত।
- তিনি 'সংস্কৃতি' সাময়িকী সম্পাদনা করেন।
- ২০২৫ সালের ৭ সেপ্টেম্বর ঢাকায় মারা যান। 

• তাঁর প্রকাশিত উল্লেখযোগ্য গ্রন্থ:
- সাম্প্রদায়িকতা,
- সংস্কৃতির সাম্প্রদায়িকতা,
- পূর্ব বাঙলার ভাষা আন্দোলন ও তৎকালীন রাজনীতি,
- ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর ও উনিশ শতকের বাঙালী সমাজ,
- যুদ্ধপূর্ব বাঙলাদেশ,
- যুদ্ধোত্তর বাঙলাদেশ,
- ভাষা আন্দোলন ও অন্যান্য প্রসঙ্গ,
- বঙ্গভঙ্গ ও সাম্প্রদায়িক রাজনীতি,
- সংস্কৃতির সংকট ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা ও বাংলাপিডিয়া।

৯৭.
অন্ত্য যতিচিহ্ন নয় কোনটি?
  1. বিস্ময়চিহ্ন
  2. দাঁড়ি
  3. প্রশ্নচিহ্ন
  4. সেমিকোলন
ব্যাখ্যা

• অন্ত্য যতিচিহ্ন নয়- সেমিকোলন। এটি অভ্যন্তর যতিচিহ্ন।

• বাংলা একাডেমির প্রমিত বাংলা ভাষার ব্যাকরণ অনুসারে, বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত যতিচিহ্ন হলো
• অন্ত্যযতি:
১. দাঁড়ি (।),
২. প্রশ্নচিহ্ন (?),
৩. বিস্ময়চিহ্ন (!),
৪. দুই দাঁড়ি (।।)।

• অভ্যন্তর যতি:
৫. কমা (,),
৬. সেমিকোলন (;),
৭. হাইফেন (-),
৮. ড্যাশ (_),
৯. কোলন (:),
১০. কোলন-ড্যাশ (:-),
১১. বিন্দু (.)।

• অন্যান্য যতি:
১২. ঊর্ধ্বকমা ('),
১৩. ত্রিবিন্দু (...),
১৪. উদ্ধৃতিচিহ্ন ('.../"..."),
১৫. বন্ধনীচিহ্ন (({{-]})),
১৬. বিকল্পচিহ্ন (/)। 

উৎস: বাংলা একাডেমি, প্রমিত বাংলা ভাষার ব্যাকরণ (দ্বিতীয় খণ্ড)।

৯৮.
জ্ঞানদাসকে আর কী নামে ডাকা হতো? 
  1. গোবিন্দ দাস
  2. শ্রীমঙ্গল
  3. মদনমোহন
  4. শ্রীকান্ত
ব্যাখ্যা

• জ্ঞানদাস:
জ্ঞানদাস চৈতন্যোত্তর বাংলা সাহিত্যের অন্যতম শ্রেষ্ঠ কবি। পশ্চিমবঙ্গের বর্ধমান জেলার কাটোয়ার কাঁদড়া গ্রামে এক মঙ্গল-ব্রাহ্মণ বংশে তাঁর জন্ম।
এজন্য তিনি — মঙ্গল ঠাকুর, শ্রীমঙ্গল, মদন-মঙ্গল প্রভৃতি নামেও পরিচিত ছিলেন।

- বৈষ্ণব সাধকদের মধ্যেও তিনি বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য ছিলেন।
- তিনি বৈষ্ণবগুরু নিত্যানন্দের পত্নী জাহ্নবী দেবীর শিষ্য ছিলেন।
- জ্ঞানদাসই প্রথম ‘ষোড়শ-গোপাল’-এর রূপ বর্ণনা করে পদ রচনা করেন।
- তিনি বাংলা এবং ব্রজবুলিতে রাধাকৃষ্ণ বিষয়ক প্রায় দুশ (মতান্তরে চারশ) পদ রচনা করেন।
- তাঁর রচিত মাথুর ও মুরলীশিক্ষা বৈষ্ণবগীতিকাব্যের দুটি মূল্যবান গ্রন্থ।

উল্লেখ্য,
পদরচনায় তিনি বিদ্যাপতি ও চণ্ডীদাসকে অনুসরণ করলেও সংস্কার ত্যাগ করে নিজের মতো করে সরল সুরে পদ রচনা করেন, যে কারণে পাঠক সহজেই তাঁর লেখায় আকৃষ্ট হয়। প্রেম, সৌন্দর্য ও আধ্যাত্মিকতা জ্ঞানদাসের রচনার মুখ্য বিষয়। বৃন্দাবনের কিশোর-কিশোরীর লীলাকে জ্ঞানদাস মানবজীবনের আলোকে বর্ণনা করেছেন।

উৎস: বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস, মাহবুবুল আলম ও বাংলাপিডিয়া।

৯৯.
“মুখরা রমণী বশীকরণ” নাটকটি কোন নাটকের অনুবাদ?
  1. The Silver Box
  2. The Taming of the Shrew
  3. You Never Can Tell
  4. The Tempest
ব্যাখ্যা

• "মুখরা রমণী বশীকরণ" (১৯৭০): উইলিয়াম শেক্‌স্‌পিয়ারের "The Taming of the Shrew" নাটকের বাংলা অনুবাদ।
------------------------

মুনীর চৌধুরীর জীবনী ও সাহিত্যকর্ম: 
মুনীর চৌধুরী ছিলেন একজন বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ, নাট্যকার, এবং সাহিত্যসমালোচক। তিনি ১৯২৫ সালের ২৭ নভেম্বর মানিকগঞ্জ শহরে জন্মগ্রহণ করেন। তবে তাঁর পৈতৃক নিবাস ছিল নোয়াখালী জেলায়। তিনি তাঁর অসাধারণ প্রতিভার মাধ্যমে বাংলা সাহিত্যকে সমৃদ্ধ করেছেন এবং ভাষা আন্দোলনসহ বিভিন্ন সামাজিক ও রাজনৈতিক ঘটনা তাঁর সাহিত্যকর্মে প্রভাব ফেলেছে।

তাঁর জীবনের গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা:

• জন্ম ও পৈতৃক নিবাস: মুনীর চৌধুরীর জন্ম মানিকগঞ্জে হলেও, তাঁর পৈতৃক নিবাস ছিল নোয়াখালীতে।
• ১৯৫২ ভাষা আন্দোলন: ভাষা আন্দোলনের পটভূমিতে তিনি কারাবন্দী অবস্থায় ১৯৫৩ সালে "কবর" নাটকটি রচনা করেন, যা তাঁর অন্যতম বিখ্যাত সাহিত্যকর্ম।

বাংলা টাইপরাইটার উদ্ভাবন:
১৯৬৫ সালে মুনীর চৌধুরী কেন্দ্রীয় বাঙলা উন্নয়ন বোর্ডের উদ্যোগে বাংলা টাইপরাইটারের জন্য একটি উন্নতমানের কী-বোর্ড উদ্ভাবন করেন, যার নাম ছিল "মুনীর অপ্‌টিমা"।
----------------------- 
রচিত নাটকসমূহ:
মুনীর চৌধুরী অনেক মৌলিক ও অনুবাদ নাটক রচনা করেছেন, যা বাংলা নাট্যসাহিত্যে অমূল্য সংযোজন হিসেবে বিবেচিত।

মৌলিক নাটক:
• "কবর" (১৯৫৩): এটি ভাষা আন্দোলনের পটভূমিতে লেখা একটি বিশেষ নাটক, যা বাংলা নাটকের ইতিহাসে এক বিশেষ স্থান দখল করে আছে।
• "রক্তাক্ত প্রান্তর": পানিপথের তৃতীয় যুদ্ধের উপর ভিত্তি করে লেখা।
• "মানুষ": ১৯৪৬ সালের সাম্প্রদায়িক দাঙ্গার ঘটনা উপজীব্য।
• "নষ্ট ছেলে": একটি রাজনৈতিক চেতনাসমৃদ্ধ নাটক।
• "পলাশী ব্যারাক ও অন্যান্য": রাজনৈতিক ও ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপটে রচিত নাটক।
• "দণ্ডকারণ্য": তিনটি নাটকের সমন্বয়ে রচিত।
• "রাজার জন্মদিন": একটি চমৎকার নাট্যকর্ম যা রাজনীতি ও সামাজিক প্রেক্ষাপট নিয়ে লেখা।
--------------------- 
অনুবাদ নাটক:
• "কেউ কিছু বলতে পারে না" (১৯৬৯): জর্জ বার্নার্ড শর-এর "You never can tell" নাটকের বাংলা অনুবাদ।
• "রূপার কৌটা" (১৯৬৯): জন গলজ্‌ওয়র্দির "The Silver Box" নাটকের বাংলা অনুবাদ।
• "মুখরা রমণী বশীকরণ" (১৯৭০): উইলিয়াম শেক্‌স্‌পিয়ারের "The Taming of the Shrew" নাটকের বাংলা অনুবাদ।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, সাহিত্যপাঠ একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি (২০২০-২১ সংস্করণ)।

১০০.
বাংলা সাহিত্যে কখন থেকে অনুবাদ কাব্যের সূচনা হয়?
  1. আধুনিক যুগে
  2. মধ্যযুগে
  3. প্রাচীন যুগে
  4. উত্তর-আধুনিক যুগে
ব্যাখ্যা

• বাংলা অনুবাদ কাব্যের সূচনা হয়— মধ্যযুগে।
-----------------------
• এক্ষেত্রে প্রধানত অনুবাদ হয়েছে:
ক) সংস্কৃত থেকে,
খ) হিন্দি সাহিত্য থেকে,
গ) আরবি-ফারসি সাহিত্য থেকে।
----------------
কয়েকটি উল্লেখযোগ্য অনুবাদ সাহিত্য:
- লায়লী মজনু পারসি কবি জামির লায়লী মজনু থেকে অনুবাদ করেছেন দৌলত উজির বাহরাম খান।
- মধুমালতী হিন্দি কবি মনঝনের মধুমালতী কাব্য থেকে বাংলা অনুবাদ করেন মুহম্মদ কবীর।
- পদ্মাবতী হিন্দি কবি মালিক মুহম্মদ জায়সরি পদুমাবৎ কাব্য থেকে বাংলায় অনুবাদ করেন আলাওল।
- মালাধর বসু ভাগবতের প্রথম বাংলা অনুবাদক।
- মহাভারত প্রথম বাংলায় অনুবাদ করেন কবীন্দ্র পরমেশ্বর।
- মুহম্মদ কবির হিন্দি কবি মনঝনের মধুমালত্ বা সাধনের মৈনাসত্ কাব্যের অনুসরণে তাঁর বাংলা ‘মধুমালতী’ কাব্য রচনা করেন।
- রামায়ণের প্রথম বাংলা অনুবাদক কৃত্তিবাস ওঝা ।

উৎস : বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, বাংলাপিডিয়া।

১০১.
'ময়নামতির চর' — কবিতাটির লেখক কে?
  1. আল মাহমুদ
  2. আবু জাফর ওবায়দুল্লাহ
  3. বন্দে আলী মিয়া
  4. জসীম উদ্‌দীন
ব্যাখ্যা

• 'ময়নামতির চর'- কবি বন্দে আলী মিয়া রচিত কবিতা।

• ‘ময়নামতীর চর’ কবিতার মূলভাব:
নদীমাতৃক বাংলাদেশের নদীগুলোতে ভাঙা–গড়ার কারণে অনেক চর সৃষ্টি হয়। ‘ময়নামতীর চর’ তেমনি একটি চরের নাম। এই চরে যারা বাস করে তারা অনেক সংগ্রাম করে টিকে থাকে। চরের সেই সংগ্রামী মানুষের প্রতিদিনকার জীবনচিত্র আর চরের প্রাকৃতিক পরিবেশের বিবরণ ‘ময়নামতীর চর’ কবিতায় ফুটে উঠেছে।

--------------------
ময়নামতির চর - কবিতা,

– বন্দে আলী মিয়া।

এ-পারের এই বুনো ঝাউ আর ও পারের বুড়ো বট
মাঝখানে তার আগাছায় ভরা শুকনো গাঙের তট ;
এরি উঁচু পারে নিত্য বিহানে লাঙল দিয়েছে চাষী,
কুমীরেরা সেথা পোহাইছে রোদ শুয়ে শুয়ে পাশাপাশি |

------------------ 
বন্দে আলী মিয়া:
- বন্দে আলী মিয়া ১৯০৬ সালে পাবনা জেলায় জন্মগ্রহণ করেছেন। 
- তাঁর সম্পাদিত পত্রিকাগুলোর নাম: কিশোর পরাগ, শিশুবার্ষিকী, জ্ঞানের আলো। 

তাঁর রচিত কাব্যগ্রন্থ:
- ময়নামতির চর, 
- অনুরাগ, 
- পদ্মানদীর চর, 
- মধুমতীর চর, 
- ধরিত্রী।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, প্রথম আলো- পত্রিকা রিপোর্ট, বাংলাপিডিয়া।

১০২.
অধিকাংশ বৈষ্ণব পদাবলী কোন ভাষায় রচিত হয়েছে?
  1. বাংলা
  2. ব্রজবুলি
  3. মৈথিলি
  4. সংস্কৃত
ব্যাখ্যা

• বৈষ্ণব পদাবলির অধিকাংশ পদ রচিত হয়েছে — বাংলা ও মৈথিলি ভাষার সংমিশ্রণে সৃষ্ট — এক প্রকার কৃত্রিম ভাষায়, যা — ব্রজবুলি ভাষা নামে পরিচিত।

• বৈষ্ণব পদাবলি সম্পর্কিত কিছু তথ্য:
- বৈষ্ণব পদাবলি মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যের শ্রেষ্ঠ ফসল।
- বাঙালি কবি জয়দেবকে বৈষ্ণব পদাবলির প্রথম পদকর্তা বা পদাবলির আদিকবি বলা হয়। তাঁর রচিত রাধাকৃষ্ণের প্রেমলীলা অবলম্বনে রচিত ‘গীতগোবিন্দম্‌' কাব্যটি আদি বৈষ্ণব পদাবলির নিদর্শন। তবে গ্রন্থটি বাংলা ভাষায় নয়, সংস্কৃত ভাষায় রচিত।
- পরবর্তীতে বিদ্যাপতি ব্রজবুলি ভাষায় প্রথম বৈষ্ণব পদ রচনা করেন। অবাঙালি কবি বিদ্যাপতিকে ব্রজবুলি ভাষায় বৈষ্ণব পদাবলির আদি কবি বলা হয়। উনি অভিনব জয়দেব নামেও পরিচিত।
- বাংলা ভাষায় প্রথম বৈষ্ণব পদাবলি রচনা করেন চণ্ডীদাস। সুতরাং বাংলা ভাষায় বৈষ্ণব পদাবলীর আদি রচয়িতা চণ্ডীদাস।

উৎস: লাল নীল দীপাবলি, হুমায়ুন আজাদ; বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা।

১০৩.
কোনটি বিশেষণবাচক শব্দ?
  1. দহন
  2. জীবনী
  3. জীবাণু 
  4. জীবাশ্ম
ব্যাখ্যা

• বাংলা একাডেমির অভিধান অনুসারে,
 'জীবনী' — বিশেষণবাচক শব্দ।



অপশনগুলোর বিশ্লেষণ:
ক) দহন - বিশেষ্য (জ্বালানোর কাজ/প্রক্রিয়া)।
গ) জীবাণু - বিশেষ্য (ক্ষুদ্র জীব)।
ঘ) জীবাশ্ম - বিশেষ্য (প্রাচীন জীবের দেহাবশেষ)।

উৎস: বাংলা একাডেমি আধুনিক বাংলা অভিধান; বাংলা বানান প্রয়োগ ও অপপ্রয়োগ - ড. মোহাম্মদ আমীন।

১০৪.
ধ্বনি উৎপন্ন হয় মূলত—
  1. শ্বাস গ্রহণের সময়
  2. শ্বাস ত্যাগের সময় 
  3. হৃদপিণ্ডের ধকধকের সাথে
  4. সবগুলোই
ব্যাখ্যা

বাগ্‌যন্ত্র:
- ধ্বনি উচ্চারণ করতে যেসব প্রত্যঙ্গ কাজে লাগে, সেগুলােকে একত্রে বাগ্‌যন্ত্র বলে।
- মানবদেহের উপরিভাগে অবস্থিত ফুসফুস থেকে শুরু করে ঠোঁট পর্যন্ত ধ্বনি উৎপাদনে ব্যবহৃত প্রতিটি প্রত্যঙ্গই বাগ্‌যন্ত্রের অন্তর্ভুক্ত।

ফুসফুস:
- ধ্বনি সৃষ্টিকারী বায়ুপ্রবাহের উৎস ফুসফুস।
- ফুসফুস শ্বাস গ্রহণ ও ত্যাগ করে।
- মূলত — শ্বাস ত্যাগের মাধ্যমে ধ্বনি উৎপন্ন হয়।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০২২ সংস্করণ)।

১০৫.
মুক্তিযুদ্ধের প্রেক্ষাপটে রচিত উপন্যাস কোনটি?
  1. যে অরণ্যে আলো নেই 
  2. পায়ের আওয়াজ পাওয়া যায়
  3. ওঙ্কার
  4. দুই সৈনিক
ব্যাখ্যা

• 'দুই সৈনিক' উপন্যাস:
- মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাস 'দুই সৈনিক' এর রচয়িতা শওকত ওসমান।
- উপন্যাসটি প্রকাশ হয় — ১৯৭৩ সালে।
- ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ পরবর্তী কোনো দিনের অনুর্ধ্ব পাঁচ ঘন্টার মধ্যে সংঘটিত একটি ঘটনার বাণীস্বরূপ 'দুই সৈনিক' উপন্যাস।

শওকত ওসমানের মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক বিখ্যাত উপন্যাস-
- জাহান্নম হইতে বিদায়, 
- দুই সৈনিক, 
- নেকড়ে অরণ্য, 
- জলাঙ্গী ইত্যাদি।

অন্যদিকে,
• 'যে অরণ্যে আলো নেই' — নীলিমা ইব্রাহীমের মুক্তিযুদ্ধের পটভূমিকায় রচিত একটি — নাটক।
- নাটকটি ১৯৭৪ সালে প্রকাশিত হয়।

 • পায়ের আওয়াজ পাওয়ার যায় সৈয়দ শামসুল হক রচিত একটি — কাব্যনাট্য। 
- এখানে মুক্তিযুদ্ধকে মহাকাব্যিক ব্যঞ্জনায় তুলে ধরা হয়েছে। 

• মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাস নয়— ওঙ্কার।
- এটি '৬৯-এর গণঅভ্যুত্থানের পটভূমিতে লেখা আহমদ ছফার — উপন্যাস।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা এবং বাংলাপিডিয়া।

১০৬.
'ছিঁচকাঁদুনে' বাগ্‌ধারাটি কোন অর্থ নির্দেশ করে? 
  1. দুর্বল
  2. বিপর্যস্ত
  3. ব্যক্তিত্বহীন
  4. সামান্যতে কেঁদে ফেলে
ব্যাখ্যা

• 'ছিঁচকাঁদুনে' বাগ্‌ধারাটির অর্থ- সামান্যতে কেঁদে ফেলে।
• বাক্য গঠন- এম.এ. পাশ করেও মেয়েটার ছিঁচকাঁদুনে স্বভাব গেল না।

অন্যদিকে, 
• 'উনপাঁজুরে' অর্থ- দুর্বল ও ব্যক্তিত্বহীন। 
• 'ঝড়ো কাক' অর্থ- বিপর্যস্ত অবস্থা।

কিছু গুরুত্বপূর্ণ বাগ্‌ধারা:
• 'কড়ি কপালে, লগন চাঁদা' বাগ্‌ধারাটির অর্থ - ভাগ্যবান।
• 'কপাল ফেরা' বাগ্‌ধারাটির অর্থ - সৌভাগ্য লাভ।
• ‘ক-অক্ষর গোমাংশ’ বাগ্‌ধারাটির অর্থ - সম্পূর্ণ মূর্খ।
• 'কেউকেটা' বাগ্‌ধারাটির অর্থ - সামান্য।
• ‘আটাশে ছেলে’ বাগ্‌ধারাটির অর্থ - দুর্বল ছেলে।
• ‘আক্কেল সেলামি’ বাগ্‌ধারাটির অর্থ - নির্বুদ্ধিতার দণ্ড।

উৎস: ভাষা-শিক্ষা , ড. হায়াৎ মামুদ; বাংলা একাডেমি আধুনিক বাংলা অভিধান। 

১০৭.
বাংলায় প্রকাশিত প্রথম সাময়িক পত্রিকা কোনটি?
  1. সংবাদ প্রভাকর
  2. দিগ্‌দর্শন
  3. সমাচার দর্পণ
  4. বঙ্গদূত
ব্যাখ্যা

• দিগ্‌দর্শন — পত্রিকা:
- বঙ্গভূমিতে বাংলা ভাষায় প্রকাশিত — প্রথম সাময়িক পত্রিকা।
- দিগ্দর্শনের প্রথম সংখ্যাটি — ১৮১৮ সালের এপ্রিল মাসে প্রকাশিত হয়।
- এটি ছিল মাসিক পত্রিকা।
- পত্রিকাটি শ্রীরামপুরের ব্যাপটিস্ট মিশন থেকে প্রকাশিত হয়।
-  বিখ্যাত খ্রিস্টান ধর্মপ্রচারক — জোশুয়া মার্শম্যান এর পুত্র — জন ক্লার্ক মার্শম্যান সম্পাদিত মাসিক সাময়িকী ছিল।
- কলকাতার বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষদ গ্রন্থাগারে দিগদর্শনের কপিসমূহ সংরক্ষিত আছে।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।

১০৮.
"বৃষ্টি আসে আসুক।" - এই বাক্যে ক্রিয়ার ভাব কোনটি?
  1. সাপেক্ষ ভাব 
  2. নির্দেশক ভাব 
  3. অনুজ্ঞা ভাব 
  4. আকাঙ্ক্ষা প্রকাশক ভাব
ব্যাখ্যা

• 'বৃষ্টি আসে আসুক' - বাক্যটি 'আকাঙ্ক্ষা প্রকাশক ভাব' প্রকাশ করে। 
------------------ 
• ক্রিয়ার ভাব:
- ক্রিয়ার যে অবস্থার দ্বারা তা ঘটার ধরন বা রীতি প্রকাশ পায়, তাকে ক্রিয়ার ভাব বলে।
- ক্রিয়ার ভাব ৪ প্রকার।
যথা -

নির্দেশক ভাব:
- সাধারণ ঘটনা নির্দেশ করলে বা কিছু জিজ্ঞাসা করলে ক্রিয়াপদের নির্দেশক ভাব হয়।
যথা:
- তারা বাড়ি যাবে।

অনুজ্ঞা ভাব:
- আদেশ, নিষেধ, উপদেশ, অনুরোধ, আশীর্বাদ ইত্যাদি সূচিত হলে ক্রিয়া পদের অনুজ্ঞা ভাব হয়।
যথা:
- চুপ করো, মিথ্যা বলবে না, ডেকে দেয় পাষণ্ড!

সাপেক্ষ ভাব:
- একটি ক্রিয়ার সংঘটন অন্য একটি ক্রিয়ার ওপর নির্ভর করলে, নির্ভরশীল ক্রিয়াকে সাপেক্ষ ভাবের ক্রিয়া বলে।
যথা:
- যদি সে পড়ত, তবে পাস করত।
- আজ বাবা বেঁচে থাকলে আমার এত কষ্ট হতো না।

আকাঙ্ক্ষা প্রকাশক ভাব:
- যে ক্রিয়াপদের বক্তা সোজাসুজি কোনো ইচ্ছা বা আকাঙ্ক্ষা প্রকাশ করে, তাকে আকাঙ্ক্ষা প্রকাশক ভাবের ক্রিয়া বলা হয়।
যথা:
- সে যাক, বৃষ্টি আসে আসুক, তার মঙ্গল হোক।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ), ভাষা শিক্ষা- ড. হায়াৎ মামুদ।

১০৯.
'সূর্য-দীঘল বাড়ী' — উপন্যাসটি কত সালে গ্রন্থাকারে প্রকাশ পায়?
  1. ১৯৪৫ সালে
  2. ১৯৫৫ সালে
  3. ১৯৫৮ সালে
  4. ১৯৫১ সালে
ব্যাখ্যা

• 'সূর্য-দীঘল বাড়ী' উপন্যাস: 
- 'সূর্য-দীঘল বাড়ী' — আবু ইসহাক রচিত একটি উপন্যাস। 
- ১৯৫৫ সালে উপন্যাসটি প্রকাশিত হয়। 
- বাংলাদেশের গ্রামীণ জীবনের বিশ্বস্ত দলিল এই গ্রন্থটি।  

- উপন্যাসের উল্লেখযোগ্য চরিত্র:
→ জয়গুন,
→ হাসু, 
→ মায়মুন,
→ শাফি,
→ ডা. রামেশ,
→ মোড়ল গদু প্রমুখ।
------------------
• আবু ইসহাক:
- তিনি ১৯২৬ সালে শরিয়তপুর জেলার শিরঙ্গল গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।
- কাজী নজরুল ইসলাম সম্পাদিত 'নবযুগ' পত্রিকায় আবু ইসহাকের ‘অভিশাপ’ নামে একটি গল্প প্রকাশিত হয়।
- আবু ইসহাকের প্রথম উপন্যাস 'সূর্য দীঘল বাড়ি।
- তার দ্বিতীয় উপন্যাস 'পদ্মার পলিদ্বীপ'।

• তার অন্যান্য সাহ্যিতকর্ম:
• তাঁর রচিত উপন্যাস:
- সূর্য-দীঘল বাড়ী,
- পদ্মার পলিদ্বীপ,
- জাল।

• তাঁর রচিত গল্পগ্রন্থ:
- হারেম,
- মহাপতঙ্গ।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা; 'সূর্য-দীঘল বাড়ী' উপন্যাস।

১১০.
'পাঞ্জেরি' — কবিতাটি কে লিখেছেন?
  1. আহসান হাবীব
  2. কায়কোবাদ
  3. ফররুখ আহমদ 
  4. গোলাম মোস্তফা
ব্যাখ্যা

• 'পাঞ্জেরি' কবিতা:
- ফররুখ আহমদ রচিত — 'পাঞ্জেরি' কবিতাটি 'সাত সাগরের মাঝি' কাব্যগ্রন্থের অন্তর্গত।
- মুসলিম জাগরণের কবি ফররুখ আহমদ রচিত প্রথম ও শ্রেষ্ঠ কাব্যগ্রন্থ 'সাত সাগরের মাঝি' ১৯৪৪ সালে প্রকাশিত হয়।

পাঞ্জেরি- কবিতা;
ফররুখ আহমদ।

রাত পোহাবার কত দেরি পাঞ্জেরি?
এখনো তোমার আসমান ভরা মেঘে?
সেতারা, হেলাল এখনো ওঠেনি জেগে?
তুমি মাস্তলে, আমি দাঁড় টানি ভুলে;
অসীম কুয়াশা জাগে শূন্যতা ঘেরি।
রাত পোহাবার কত দেরি পাঞ্জেরি? (সংক্ষিপ্ত)

• ফররুখ আহমদ রচিত অন্যান্য কাব্যগ্রন্থ:
- সিরাজাম মুনীরা,
- নৌফেল ও হাতেম,
- মুহূর্তের কবিতা,
- সিন্দাবাদ,
- হাতেমতায়ী,
- নতুন লেখা,
- হাবেদা মরুর কাহিনী ইত্যাদি

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, এবং বাংলাপিডিয়া।

১১১.
‘Criminology’ শব্দের বাংলা পরিভাষা কোনটি?
  1. প্রতিষেধকবিদ্যা
  2. দুষ্ক্রিয়াবিদ্যা
  3. রোগপ্রতিরোধ বিজ্ঞান
  4. দুর্লভ অভিজ্ঞান
ব্যাখ্যা

• 'Criminology' শব্দের বাংলা পরিভাষা - দুষ্ক্রিয়াবিদ্যা; অপরাধতত্ত্ব; অপরাধবিদ্যা।

অন্যদিকে, 
• 'Immunology' অর্থ - প্রতিষেধকবিদ্যা; রোগপ্রতিরোধ বিজ্ঞান।
• Antique - দুর্লভ অভিজ্ঞান।

গুরুত্বপূর্ণ কিছু পারিভাষিক শব্দ:
• Demobilize - ভেঙ্গে দেওয়া।
• Criminology - দুষ্ক্রিয়াবিদ্যা।
• Crossed - রেখিত।
• Booklet - পুস্তিকা।
• Antique - দুর্লভ অভিজ্ঞান।
• 'Archaeology' অর্থ - প্রত্নতত্ত্ব; প্রত্নবিদ্যা।
• 'Logic' অর্থ - যুক্তিবিদ্যা; বিতর্কশক্তি।

উৎস: বাংলা একাডেমি, প্রশাসনিক পরিভাষা এবং অভিগম্য অভিধান।

১১২.
'নবোঢ়া' শব্দটির সঠিক সন্ধিবিচ্ছেদ কোনটি?
  1. নবো + ঊঢ়া
  2. নব + ঊঢ়া
  3. নবো + উঢ়া
  4. নব + উঢ়া
ব্যাখ্যা

• সঠিক সন্ধি বিচ্ছেদ — "নব + ঊঢ়া = নবোঢ়া"। এটি স্বরসন্ধির উদাহরণ।

• সন্ধির নিয়ম:
- অ-কার কিংবা আ-কারের পর উ-কার কিংবা ঊ-কার থাকলে উভয় মিলে ও-কার হয়;ও-কার পূর্ববর্তী ব্যঞ্জনে যুক্ত হয়।
যেমন-
- অ + উ = ও; সূর্য উদয় = সূর্যোদয়]
- আ + উ = ও; যথা + উচিত = যথোচিত]
- অ + ঊ = ও; গৃহ + ঊর্ধ = গৃহোর্ধ্ব
- আ + ঊ = ও; গঙগা + ঊর্মি = গঙ্গোর্মি
এরূপ - নীলোৎপল, চলোর্মি, ফলোদয়, পরোপকার ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ- ৯ম ও ১০ম শ্রেণি (২০১৮ সংস্করণ)।

১১৩.
কোন সাহিত্যিক ফরিদপুর জেলার তাম্বুলখানা গ্রামে জন্মেছেন?
  1. জীবনানন্দ দাশ 
  2. গোলাম মোস্তফা
  3. আল মাহমুদ 
  4. জসীম উদ্‌দীন
ব্যাখ্যা

• জসীম উদ্‌দীন:
- তিনি ছিলেন কবি, শিক্ষাবিদ। তিনি পল্লিকবি হিসেবে পরিচিত।
- তিনি ১৯০৩ সালের ১ জানুয়ারি — ফরিদপুর জেলার তাম্বুলখানা গ্রামে মাতুলালয়ে জন্মগ্রহণ করেন।
- তাঁর প্রকাশিত প্রথম উপন্যাস — 'বোবা কাহিনী'। তাঁর রচিত 'নক্সী কাঁথার মাঠ' একটি বিখ্যাত গাথাকাব্য। এটি ১৯২৯ সালে প্রকাশিত হয়।
- E.M. Millford গ্রন্থটি 'The Field of the Embroidered Quilt' নামে অনুবাদ করেন।
- তিনি প্রেসিডেন্টের প্রাইড অব পারফরমেন্স পুরস্কার (১৯৫৮), বাংলাদেশ সরকারের একুশে পদক (১৯৭৬) ও স্বাধীনতা দিবস পুরস্কারে (মরণোত্তর, ১৯৭৮) ভূষিত হন।
- ১৯৭৬ সালের ১৩ মার্চ তিনি ঢাকায় মারা যান।

• জসীম উদ্‌দীন রচিত গানের সংকলনগুলো হলো:
- রঙ্গিলা নায়ের মাঝি,
- গাঙ্গের পাড়,
- জারিগান।

তাঁর রচিত উল্লেখযোগ্য কাব্যগ্রন্থ-
- বালুচর,
- রূপবতী,
- রাখালী,
- নক্সী কাঁথার মাঠ,
- ধানখেত,
- সোজন বাদিয়ার ঘাট,
- মাটির কান্না,
- মা যে জননী কান্দে ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা এবং বাংলাপিডিয়া।

১১৪.
নিচের কোন বানানটি শুদ্ধ?
  1. দুষ্কৃতিকারী
  2. দুষ্কৃতকারি
  3. দুষ্কৃতকারী
  4. দুষ্কৃতিকারি
ব্যাখ্যা

• বাংলা একাডেমি আধুনিক বাংলা অভিধান অনুসারে,
- শুদ্ধ বানান- দুষ্কৃতকারী।



• দুষ্কৃতকারী (বিশেষণ):
- সংস্কৃত শব্দ।
অর্থ: দুষ্কর্মকারী, অন্যায়কারী, অপরাধী।

উৎস: বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান।

১১৫.
আফগানিস্তানের কাবুল শহর নিয়ে লেখা ভ্রমণকাহিনি কোনটি?
  1. পেশোয়ার থেকে তাসখন্দ
  2. দেশে বিদেশে
  3. যে দেশে মানুষ বড়
  4. পশ্চিমের যাত্রী
ব্যাখ্যা

• 'দেশে বিদেশে' ভ্রমণকাহিনীমূলক গ্রন্থটির  রচয়িতা- 'সৈয়দ মুজতবা আলী'। 

------------------------
• 'দেশে বিদেশে' ভ্রমণকাহিনি: 
- 'দেশে বিদেশে' ভ্রমণকাহিনির রচয়িতা-  সৈয়দ মুজতবা আলী।
- এটি সৈয়দ মুজতবা আলীর প্রথম গ্রন্থ। 
- সৈয়দ মুজতবা আলী কাবুল বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যাপনা করেছিলেন। তাঁর আফগানিস্তানের অভিজ্ঞতা এই গ্রন্থে লিপিবদ্ধ
- ভ্রমণ কাহিনীটি আফগানিস্তানের কাবুল শহর নিয়ে লেখা।

অন্যদিকে,
• পল্লিকবি জসীম উদ্‌দীন রচিত ভ্রমণকাহিনি- 'যে দেশে মানুষ বড়'। তিনি ভ্রমণ করেছিলেন রুশদেশে। লিখেছেন বৈচিত্র্যময় অভিজ্ঞতা।

• 'পেশোয়ার থেকে তাসখন্দ' ভ্রমণকাহিনির রচয়িতা - শহীদুল্লাহ কায়সার।  বইটি ককেশাস পাদদেশ থেকে শুরু করে পামীর মালভূমি, হিন্দুকুশ ও হিমালয়ের মধ্য দিয়ে হরপ্পা-মহেনজোদাড়োর পূর্বসূরিদের সাথে মিলিত হওয়া এক ঐতিহাসিক পথকে তুলে ধরে, যা সভ্যতার দীর্ঘ যাত্রাপথের সাক্ষী। 

• ড. সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায় রচিত ভ্রমণকাহিনি 'পশ্চিমের যাত্রী'। এটি ইউরোপের ভ্রমণকাহিনি।

------------------------
• সৈয়দ মুজতবা আলী: 
- ১৯০৪ সালে তিনি জন্মগ্রহণ করেন।
- তিনি  কাজী নজরুল ইসলামের 'রুবাইয়াৎ- ই- ওমর খৈয়াম' গ্রন্থের ভূমিকা লিখেন।  
- ১৯৭৪ সালের ১১ ফেব্রুয়ারি ঢাকায় তিনি মৃত্যুবরণ করেন।
- 'দেশে বিদেশে' তাঁর রচিত বিখ্যাত ভ্রমণ কাহিনি।
- 'দেশে বিদেশে' সৈয়দ মুজতবা আলীর প্রথম গ্রন্থ। 
- 'দেশে বিদেশে' ভ্রমণ কাহিনীটি আফগানিস্তানের কাবুল শহর নিয়ে লেখা।

তাঁর রচিত উপন্যাস:
- অবিশ্বাস্য।
- শবনম।

• তাঁর রচিত ছোটগল্প:
- চাচা-কাহিনী।
- টুনি মেম।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা।

১১৬.
"ময়ূরের ডাক" — কে এক কথায় কী বলে?
  1. বৃংহিত
  2. কুহু
  3. কেকা
  4. ক্রেঙ্কার
ব্যাখ্যা

• "ময়ূরের ডাক" — কে এক কথায় বলে — কেকা।

গুরুত্বপূর্ণ কিছু এক কথায় প্রকাশ হলো:
• সিংহের নাদ (ডাক) - হুঙ্কার।
• ময়ূরের ডাক - কেকা।
• কোকিলের ডাক - কুহু।
• ‘পেঁচার ডাক’ - ঘূৎকার।
• অশ্বের ডাক - হ্রেষা।
• হাতির ডাক - বৃংহিত বা বৃংহণ।
• রাজহাঁসের কর্কশ ডাক - ক্রেঙ্কার।
• মোরগের ডাক - শকুনিবাদ।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা; ভাষা শিক্ষা- ড. হায়াৎ মামুদ।

১১৭.
Which one of the following words can be used as a verb?
  1. Interim
  2. Mobile
  3. Time
  4. Scarce
ব্যাখ্যা

• The correct answer is - Time.

• Time (Noun)
- English Meaning: the point or period when something occurs: occasion; what is measured in minutes, hours, etc.
- Bangla Meaning: সময়; অতীত, বর্তমান ও ভবিষ্যতের সব দিন; কাল।
- যেমন: It's time for reading.

• Time (Verb)
- English Meaning: to arrange or set the time of: schedule; to decide that something will happen at a particular time.
- Bangla Meaning: সময় বা মুহূর্ত নির্বাচন করা; সময় নির্ধারণ/ধার্য/ঠিক করা।
- যেমন: We timed our trip to coincide with my cousin's wedding.

অন্যদিকে,
• Interim:
- (noun) an intervening time: interval - ইতোমধ্যে; অন্তবর্তীকালে।
- (adjective) done, made, appointed, or occurring for an interim - অস্থায়ী; সাময়িক।

• Mobile:
- (adjective) - সচল; ভ্রাম্যমাণ; গতিময়। 
- (noun) - ভাস্কর্য বা অনুরূপ বস্তু, যার অংশসমূহ বাতাসে নড়ে।

• Scarce:
- (adjective) not easy to find or get - অপ্রতুল; দুষ্প্রাপ্য; দুর্লভ; দুষ্প্রাপণীয়।
- (adverb) almost not; scarcely, hardly - না-বললেই চলে।

Source:
1. Cambridge Dictionary.
2. Merriam-Webster Dictionary.

১১৮.
We were waiting for the train.
Here, the underlined part is-
  1. Noun phrase
  2. Adjective phrase
  3. Prepositional phrase
  4. Appositive phrase
ব্যাখ্যা

• We were waiting for the train.
- Here, the underlined part is a Prepositional phrase.

• Prepositional Phrase:
- A prepositional phrase consists of a preposition followed by its object (usually a noun phrase).
- যে phrase - preposition দিয়ে শুরু হয়, কিন্তু Adjective বা Adverb -এর কাজ করে, তাকে Prepositional Phrase বলে।

- প্রশ্ন প্রদত্ত বাক্যে phrase টি preposition দিয়ে শুরু হয়েছে এবং object হিসেবে the train কে গ্রহণ করেছে।
- এখানে এটি Adverb -এর কাজ করছে কারণ "were waiting" কে modify করছে।
- It answers the question "What were we waiting for?" (showing purpose or direction), তাই এটি একটি Prepositional Phrase.
- তবে অপশনে adverbial phrase থাকলে, উত্তর হবে adverbial phrase.

অন্যদিকে,
• Noun phrase:
- Noun phrase হলো সেইসব phrase, যেসব phrase দ্বারা noun -এর কাজ সম্পন্ন হয়।

• Adjective phrase:
- যে phrase গুলো sentence -এ adjective -এর মত কাজ করে, অর্থাৎ, কোনো Noun/Pronoun -কে modify করে, সেই phrase গুলোকে Adjective phrase বলে।
- Noun/pronoun -এর পর যদি কোনো phrase বসে ঐ noun/pronoun -কে modify করে তাহলে সেটি Adjective phrase হবে।

• Appositive phrase:
- It renames another noun in the sentence.
- যে noun phrase অন্য একটি noun সম্মন্ধে comma ব্যবহার করে নতুন তথ্য যোগ করে তাকে appositive বলে।
- যেমন: Mr. Alam, my favorite English teacher, is doing this assignment for me.

১১৯.
Trying is learning.
Here, the underlined word acts as-
  1. Noun
  2. verb
  3. Adjective
  4. Adverb
ব্যাখ্যা

• Trying is learning. (চেষ্টা করা মানেই শেখা।)
- Here, the underlined word acts as a Noun.

- প্রদত্ত বাক্যে, learning (verb+ing)- functions as a noun (specifically, a gerund).
- এখানে Linking verb (is) -এর complement হিসেবে Gerund হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে।
- অর্থাৎ, (verb+ing) verb -এর complement হিসেবে বসে কাজের নাম বুঝালে তখন সেটি Gerund হবে।
- এখানে Trying -ই হচ্ছে learning (learning renaming the subject "Trying").

• Gerund:
- Verb -এর সাথে ing যোগ হয়ে যদি noun -এর কাজ করে অর্থাৎ, একই সাথে Verb ও noun -এর কাজ করে, তখন তাকে Gerund বলে।
- সহজে → Gerund = Verb + ing = noun = Verb + noun -এর কাজ করে।
- Gerunds don’t describe action—they act as nouns.

• Functions of the Gerund:
1. As a subject of a verb: Rising early is a good habit.
2. As an object of a verb: I like reading poetry.
3. As an object of a preposition: I am tired of waiting.
4. As a complement of a verb: Seeing is believing.
5. As absolutely (part of a compound noun): This is my writing table.

Source: 
1. High School English Grammar and Composition by Wren And Martin.
2. A Passage to the English Language by S M Zakir Hussain.

১২০.
The bridegroom arrived at the community center exactly ____ time.
  1. on
  2. in
  3. by
  4. with
ব্যাখ্যা

• Complete sentence: The bridegroom arrived at the community center exactly on time.
- Bangla Meaning: বর একবারে ঠিক সময়ে কমিউনিটি সেন্টারে পৌঁছেছে।

• On time (যথাসময়ে)
- (right) on time: at the agreed or expected time; happening or done at the particular moment that it was expected to happen or be done.
- অর্থাৎ, একেবারে ঠিক সময়ে (when scheduled) অর্থে 'on time' ব্যবহার হয়।
- উল্লিখিত বাক্যে exactly দ্বারা একেবারে ঠিক সময়ে বুঝাচ্ছে, তাই শূন্যস্থানে সঠিক preposition হিসেবে on বসবে।

• More examples:
- My parents got to the house right on time.
- The plane is expected to arrive on time (= when scheduled).

আবার,
• In time 
- early enough: to be in time for something is to arrive at the right moment, before it is too late to do something.
- অর্থাৎ, ঠিক সময়ের পূর্বেই কোথাও আসা/যাওয়া অর্থে  'in time'  ব্যবহার হয়।
- যেমন: I got home just in time - it's starting to rain.

• More examples:
- I'm glad you got here in time to see Julie before she goes.
- We arrived just in time for the show.

অন্যদিকে,
• with time (idiom): as time passes, অর্থে idiomatic ভাবে use হয়।
- যেমন: Her condition should improve with time.

• by-time (noun): a leisure interval
 
Source:
1. Cambridge Dictionary.
2. Merriam-Webster Dictionary.

১২১.
The news that Rajib got married took everyone by surprise.
Here, the underlined part is-
  1. Noun clause
  2. Adjective clause
  3. Adverb clause
  4. Independent clause
ব্যাখ্যা

• The news that Rajib got married took everyone by surprise.
- Here, the underlined part is a noun clause.

- Noun বা pronoun -এর apposition হিসেবে- News, Hope, Belief, Fact, Rumour ইত্যাদির পরে Noun Clause বসে।
- Noun in apposition হিসেবে Clause টি that দ্বারা শুরু হয় এবং একটি single noun এর মত কাজ করে।
- Here, it acts as the appositive to the noun "news", explaining what the news is.
- তাই 'that Rajib got married' একটি Noun clause.

• উল্লেখ্য যে,
- Apposition বলতে এমন কিছু বোঝায়, যা কোনো Noun বা pronoun সম্পর্কে অতিরিক্ত তথ্য প্রদান করে।
- এই অতিরিক্ত তথ্য noun/pronoun কে modify করে না। তাই তা adjective clause হবে না।
- যখন noun কে modify করে (দোষ, গুণ, সংখ্যা, পরিমাণ, ইত্যাদি বুঝায়) তখন adjective হয়।
- আর যখন noun সম্পর্কে অতিরিক্ত তথ্য প্রদান করে সে ক্ষেত্রে apposition হিসেবে noun clause হবে।
- Noun clause এর ক্ষেত্রে অর্থের দিক থেকে লক্ষ্য করলে "এটাই সেটা" এরকম তথ্য পাওয়া যায়।
- যেমন: 'that Rajib got married' টাই এখানে news.

• Noun clause:
- যে সব subordinate clause noun -এর কাজ করে থাকে অর্থাৎ, subject, object, compliment, বা case in apposition -এর কাজ করে থাকে তাদেরকে noun clause বলে।
- Noun clauses are used when a single word isn't enough.

• একটি বাক্যের বিভিন্ন স্থানে noun clause বসতে পারে। যেমন:
1. Verb -এর subject হিসেবে;
2. Transitive verb -এর object হিসেবে;
3. Verb -এর complement হিসেবে;
4. Preposition -এর object হিসেবে;
5. Noun/pronoun -এর apposition হিসেবে।

Source: A Passage to the English Language by S M Zakir Hussain.

১২২.
The prefix 'mis' can be added to which one?
  1. anarchy
  2. fool
  3. trust
  4. pleasure
ব্যাখ্যা

• The prefix 'mis' can be added to -trust.

• Trust→ Mistrust
- English Meaning: a lack of confidence: distrust.
- Bangla Meaning: আস্থা/বিশ্বাস না থাকা।

• The prefix "mis-" means "wrongly" or "badly".

• Some words with the prefix 'Mis':
- Misunderstand,
- Misbehave,
- Mislead,
- Misdeed,
- Mistake,
- Misfire,
- Misinterpret,
- Misconduct,
- Mischievous,
- Misprint,
- Mismatch, etc.

- অন্যদিকে, বাকি অপশনগুলোর সাথে prefix 'mis' যুক্ত হয়ে নতুন শব্দ (standard English word) তৈরি হয় না।

Source:
1. Accessible Dictionary by Bangla Academy.
2. Merriam-Webster Dictionary.

১২৩.
Fill in the blank: I almost wish I _____ invited him.
  1. haven't
  2. hadn't
  3. didn't
  4. have had
ব্যাখ্যা

• Complete sentence: I almost wish I hadn't invited him.
- Bangla meaning: আমার প্রায় ইচ্ছে করছিল যদি আমি তাকে আমন্ত্রণ না জানাতাম।

• Wish -এর ব্যবহার:
- অতীতের কোনও নির্দিষ্ট কাজের জন্য দুঃখ প্রকাশ করার জন্য past perfect tense -এর সাথে use হয়।
• যেমন: 
- I wish (that) I hadn't eaten so much.

- প্রদত্ত বাক্যে অতীতে কাউকে invite করার জন্য দুঃখ প্রকাশ করছে তাই past perfect হিসেবে শূন্যস্থানে hadn't বসবে।
- Structure: Subject + wish + (that) + subject + had/hadn't + past participle.

• আবার,
- বর্তমানের কোনো অবস্থা বা পরিস্থিতির জন্য দুঃখ প্রকাশ করতে past simple tense -এর সাথে use হয়।
- প্রথম subject -এর wish দিয়ে Sentence শুরু হলে পরের Clause-টিতে Verb -এর past form হয় অথবা could + verb এর base form হয়।
- ইচ্ছা বা কল্পনা প্রকাশ করতে wish -এরপর to be verb হিসেবে were ব্যবহৃত হয়।

• যেমন:
- I wish I sang a sweet song.
- I wish I were back home in Sylhet.

অন্যদিকে,
ক) haven't: Incorrect. "Haven't" is present perfect tense (have not + past participle).

গ) didn't: "didn't invited" is grammatically incorrect.
-(did not + base verb) বসে, কিন্তু এখানে "invited" (past participle) ব্যবহৃত হয়েছে।

ঘ) have had: Incorrect. "Have had" is present perfect tense and does not fit the past regret context.
-তাছাড়া, "have had invited" grammatically valid construction নয়।

Source: 
1. A Passage to the English Language by S M Zakir Hussain.
2. Cambridge Dictionary.

১২৪.
None but the brave deserves the fair.
Here, 'but' is a/an-
  1. Pronoun
  2. Adverb
  3. Preposition
  4. Conjunction
ব্যাখ্যা

• None but the brave deserve the fair.
- Here, 'but' is a Preposition.

এখানে but শব্দটির কাজ হচ্ছে “except” (অর্থাৎ ‘ছাড়া’ বা ‘ব্যতীত’) বোঝানো।
অর্থ দাঁড়াচ্ছে — “সাহসী ছাড়া আর কেউই সুন্দরী পাওয়ার যোগ্য নয়।”

যখন but = except হয়, তখন এটি Preposition হিসেবে কাজ করে।

অন্যদিকে,
• But শব্দটি বিভিন্ন parts of speech হিসেবে ব্যবহৃত হতে পারে। যেমন-

• But (Pronoun): Nobody but has his fault. (কেউই নেই যার কোনো দোষ নেই।)
- এখানে But (that not: who not) অর্থে Pronoun হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে।

• But (preposition): No one there but me. (আমি ছাড়া ওখানে আর কেউ ছিল না।)
- এখানে, ছাড়া (except; apart from; other than) অর্থে But হলো preposition.

• But (adverb): You can but request.
- English meaning: only; no more than.
- Bangla meaning: শুধু; কেবল; মাত্র।
- অর্থাৎ, শুধু; কেবল; মাত্র অর্থে But - adverb হিসেবে ব্যবহৃত হয়।

• But (Noun): But me no buts. (আর কোনো কিন্তু কিন্তু করো না।)
- সাধারণত no হলো adjective, তাই এর পরে Noun বসে।
- এখানে buts অর্থ হলো কিন্তু কিন্তু (an argument against something; an objection).

• But (verb): But me no buts.
- আবার প্রথম But টি হলো verb, কারণ imperative sentence -এর শুরুতে verb বসে।
- এখানে But অর্থ হলো কিন্তু বা আপত্তি করা।

Source: 
1. Accessible Dictionary by Bangla Academy.
2. Merriam-Webster Dictionary.

১২৫.
Find out the common gender:
  1. Mayor
  2. Monarch
  3. Nun
  4. Hunter
ব্যাখ্যা

• The common gender: Monarch.

• Monarch (noun)

- English Meaning: A sovereign head of state, especially a king, queen, or emperor.
- Bengali Meaning: সর্বোচ্চ শাসক (রাজা, রানি, সম্রাট বা সম্রাজ্ঞী) অধিরাজ; সার্বভৌম।

• Common Gender:
- যে Noun দ্বারা পুংবাচক বা স্ত্রীবাচক উভয়কেই বুঝায় তাকে Common Gender বলে।
- Monarch শব্দটি নারী, পুরুষ উভয় অর্থেই ব্যবহৃত হয়।
- তাই এটি একটি Common gender.

অন্যদিকে,
ক) Mayor (masculine gender)
- English Meaning: A person who is elected or chosen to lead the group who governs a town or city.
- Bangla Meaning: নগরের পৌরসংস্থার প্রধান; মেয়র।

- এর feminine form হলো Mayoress (মেয়রপত্নী; মহিলা মেয়র).

গ) Nun (feminine gender)
- English Meaning: a woman belonging to a religious order.
- Bangla Meaning: মঠবাসিনী; সন্ন্যাসিনী।

- এর masculine gender হচ্ছে - Monk (সন্ন্যাসী)। 

ঘ) Hunter (masculine gender)
- English Meaning: a person or animal that hunts.
- Bangla Meaning: শিকারি; শৌনিক; ব্যাধ।

- এর feminine form হলো Huntress - শিকারি স্ত্রীলোক।

Source: 
1. Accessible Dictionary by Bangla Academy.
2. Merriam-Webster Dictionary.

১২৬.
The synonym of 'Vociferous'-
  1. Dishonest
  2. Soft-spoken
  3. Noisy
  4. Silent
ব্যাখ্যা

• The synonym of 'Vociferous'- Noisy.

• Vociferous (adjective)
- English Meaning: expressing or characterized by vehement opinions; loud and forceful.
- Bangla Meaning: উচ্চনাদী; হট্টগোলকারী।

• Given options:
ক) Dishonest - অসৎ; অসাধু; প্রতারণামূলক।

খ) Soft-spoken -  মৃদুভাষী; মধুভাষী।

গ) Noisy - কোলাহলপূর্ণ; হৈচৈপূর্ণ।

ঘ) Silent -  নীরব; শব্দহীন।

• সুতরাং, অপশনের অর্থ বিবেচনা করে দেখা যায় যে, The synonym of 'Vociferous'- Noisy.

Source: 
1. Accessible Dictionary by Bangla Academy.
2. Merriam-Webster Dictionary.

১২৭.
Fill in the blank with the correct one:
Planting trees ______ air pollution.
  1. contributes to reduce
  2. contributes to reducing
  3. contribute for reducing
  4. contribute to reduce
ব্যাখ্যা

• Complete sentence: Planting trees contributes to reducing air pollution.
- Bangla meaning: বৃক্ষরোপণ বায়ু দূষণ কমাতে অবদান রাখে।

- “Contribute to” is followed by a gerund (-ing form).
- আবার, "Planting trees" (a gerund phrase acting as the subject),হলো singular subject তাই verb টি singular (contributes) হবে।
- Contribute এর পরে to বসে for নয়।

• সাধারণত to এর পর Verb এর base form হলেও কিছু কিছু শব্দগুচ্ছের পরে verb+ing হয়।

• এমন কিছু শব্দগুচ্ছ হলো:
- With a view to,
- With an eye to,
- Accustomed to,
- Adhere to,
- Adverse to,
- Addicted to,
- Contribute to,
- Committed to,
- Confess to,
- Devoted to,
- Look forward to,
- Conducive to,
- Addicted to,
- Be used to,
- Get used to, etc.

Source:
1. Cambridge Dictionary.
2. Advanced Learner's Communicative English Grammar and Composition by Chowdhury and Hossain.

১২৮.
A group of elephants is called-
  1. A pride
  2. A herd
  3. A pack
  4. A squad
ব্যাখ্যা

• A group of elephants is called 'A herd'.

• Herd (Collective noun)
- English Meaning: a large group of animals of the same type that live and feed together; a congregation of gregarious wild animals.
- Bangla Meaning: (বিশেষত গবাদিপশুর) দল; পাল; দঙ্গল; যূথ; হলকা; (তুচ্ছার্থে) মানুষের দল।

- যেমন: A herd of cattle/deer/elephants/goats was grazing in the parkland.

অন্যদিকে,
ক) A pride - দল; ঝাঁক: (বিশেষত) a pride of lions/peacocks.

গ) A pack - একত্রে রাখা শিকারি কুকুরের দল; একত্রে বিচরণ করা বন্য প্রাণীর দল; (সাধারণত অবজ্ঞার্থে) দল; গুচ্ছ।
 - যেমন: a pack of hounds/wolves/wild dogs/a pack of thieves/a pack of lies.

ঘ) A squad - কয়েক ব্যক্তি সমন্বয়ে ছোট গোষ্ঠী বা দল, যথা সৈন্য বা প্রশিক্ষণার্থীর দল।
 - যেমন: A squad of watchmen/homeguards.

Source:
1. Accessible Dictionary by Bangla Academy.
2. Cambridge Dictionary.

১২৯.
Just now she ____ her lunch, but she says she will see you when she's finished.
  1. was having
  2. is having
  3. has had
  4. had
ব্যাখ্যা

• Complete sentence: Just now she has had her lunch, but she says she will see you when she's finished.
- Bangla meaning: এইমাত্র সে দুপুরের খাবার খেয়েছে, কিন্তু সে বলেছে যে তার শেষ হলে সে তোমার সাথে দেখা করবে।

• Present perfect tense:
- Already, just, yet, recently, lately, ever, just now, still, ইত্যাদি হচ্ছে present perfect  tense indicator বা নির্দেশক। 
- অর্থাৎ, কোনো বাক্যে already, just, just now, yet, recently, lately, ever, still ইত্যাদি নির্দেশক শব্দগুলো থাকলে বাক্যটি সাধারণত present perfect tense এ হয়।

• Present perfect tense -এর সঠিক structure:
- Subject + has/have + Verb এর past participle + object.

- প্রদত্ত বাক্যে Just now থাকায় শূন্যস্থানে সঠিক উত্তর হবে- গ) has had.

১৩০.
'Acumen' is incompatible with-
  1. Acuity
  2. Shrewdness
  3. Greenness
  4. Sagacity
ব্যাখ্যা

• 'Acumen' is incompatible with 'Greenness'.

• Acumen (Noun)
- English meaning: The ability to understand and decide things quickly and well.
- Bangla meaning: তীক্ষ্ণ বিচারবুদ্ধি/ধীশক্তি; বুদ্ধিপ্রকর্ষ।

• Given options:
ক) Acuity - (আনুষ্ঠানিক) তীক্ষ্ণতা; সৌক্ষ্ম্য; বিচক্ষণতা; তৈক্ষ্ণ্য।

খ) Shrewdness - চতুরতা; কটুভাষিতা; কলহপরায়ণতা।

গ) Greenness - অপক্ব; কাঁচা; সবুজ।

ঘ) Sagacity -  বিচক্ষণতা, বিজ্ঞতা।

• সুতরাং, অপশনের অর্থ বিবেচনা করে দেখা যায় যে,  'Acumen' is incompatible with 'Greenness'.

Source: 
1. Accessible Dictionary by Bangla Academy.
2. Merriam-Webster Dictionary.

১৩১.
Fill in the gap: Let the sentence be _____ through.
  1. pen
  2. penned
  3. with pen
  4. penning
ব্যাখ্যা

• Complete sentence: Let the sentence be penned through.
- Bangla meaning: বাক্যটি কেটে দেওয়া হোক।

• সাধারণত be এর past participle পরে বসে।
- প্রশ্নে প্রদত্ত বাক্যটি passive voice এ আছে এবং এটি একটি imperative sentence.
- The structure "let + object + be + past participle" is used here to form a passive imperative.
- অর্থাৎ, Imperative sentence এর passive করতে হলে- let + subject + be + v3 ব্যবহার করতে হয়।
- প্রদত্ত বাক্যে pen verb হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে তাই এর Past Participle form হবে penned.

- সুতরাং, শূন্যস্থানে সঠিক উত্তর হবে- penned.

১৩২.
"She was on cloud nine" means-
  1. She was very happy.
  2. She was very sad.
  3. She was very nervous.
  4. She was very confused.
ব্যাখ্যা

• "She was on cloud nine" means- She was very happy.

• Be on cloud nine
- English Meaning: be extremely happy and excited; delighted, or in a state of bliss.
- Bangla Meaning: অত্যন্ত খুশি হওয়া।

• Example: After winning the competition, she was on cloud nine.
- Bangla: প্রতিযোগিতায় জেতার পর, সে অত্যন্ত খুশি হয়েছিল।

Source:
1. Cambridge Dictionary.
2. Merriam-Webster Dictionary.

১৩৩.
Make it passive: Has anyone seen my photos?
  1. Has my photos be seen?
  2. Have my photos been seen?
  3. Has my photos been seen?
  4. My photos have been seen?
ব্যাখ্যা

- Active voice: Has anyone seen my photos?
- Passive voice: Have my photos been seen?

• Have/Has/Had যুক্ত interrogative sentence -এর passive করার নিয়ম:

- প্রথমে subject ও Tense অনুযায়ী auxiliary verb (Have/Has/Had) বসবে।
- তারপর Active voice -এর object টি passive voice -এর subject হবে।
- তারপর been বসবে এবং মূল verb -এর past participle বসবে।
- তারপর preposition (by, with, to, at, in etc. বসবে)।
- এরপর active voice- এর subject টি passive voice - এর object হবে; (objective ফর্ম বসবে)।

- তবে subject হিসেবে someone/anyone ইত্যাদি থাকলে তা না লিখলেও চলে।

- সুতরাং, নিয়ম অনুসারে সঠিক passive form হবে - Have my photos been seen?

Source: A Passage to the English Language by S M Zakir Hussain.

১৩৪.
Which underlined word is an adverb?
  1. He had to pay a fine.
  2. The house is fine.
  3. This shirt suits me fine.
  4. The water bottle has to be fine.
ব্যাখ্যা

• সঠিক উত্তর: This shirt suits me fine.

- এই বাক্যে verb "suits" কে modify করায় "fine" adverb হিসেবে use হয়েছে।
- It describes how the shirt suits the person.

• Fine (adverb)
- English Meaning: finely: such as; very well.
- Bangla Meaning: (কথ্য) খুব ভালো।

অন্যদিকে,
ক) He had to pay a fine. (Noun)
- "a fine" (a monetary penalty).
- Article -এর পরে একটিমাত্র word থাকলে তা noun হয়।

খ) The house is fine. (Adjective)
- "fine" describes the house (meaning "in good condition").
- Be verb (linking verb) -এর পরে সাধারণত Adjective বসে।

ঘ) The water bottle has to be fine. (Adjective)
- "fine" describes the water bottle (meaning "acceptable" or "undamaged").
- অর্থাৎ, "fine" এখানে subject কে বিশেষায়িত করেছে।

Source: 
1. Accessible Dictionary by Bangla Academy.
2. Merriam-Webster Dictionary.

১৩৫.
The positive degree of:
Imran is more talented than all other officers in the camp.
  1. Very few officers in the camp is as talented as Imran.
  2. No other officer in the camp is as talented as Imran.
  3. Very few officers in the camp are as talented as Imran.
  4. No other officers in the camp is as talented as Imran.
ব্যাখ্যা

- Comparative: Imran is more talented than all other officers in the camp.
- Positive: No other officer in the camp is as talented as Imran.

• Than any other/ than all other যুক্ত Comparative Degree কে Positive Degree তে রুপান্তর করার নিয়ম:
• Structure: No other + than any other/than all other এর পরের অংশ Object (singular) + verb (singular)
+ so/as + Comparative Degree এর Positive form + as + প্রদত্ত sentence এর subject.

• More Example:
- Comparative: He runs faster than anyone in the team.
- Positive: No one in the team runs as fast as he does.

Source:
1. A Passage to the English Language by S M Zakir Hussain.
2. Advanced Learner's Communicative English Grammar and Composition by Chowdhury and Hossain.

১৩৬.
Identify the correct sentence:
  1. The twins resembled with each other more strongly when they were young.
  2. The twins resembled each other more strongly when they were young.
  3. The twins resembled to each other more strongly when they were young.
  4. The twins resembled each other more strong when they were young.
ব্যাখ্যা

• Correct sentence: The twins resembled each other more strongly when they were young.

• সাধারণত resemble (transitive verb) এর পর কোনো preposition বসে না, সরাসরি object বসে।
- Correct structure is: Subject + resemble + direct object.
- আবার, "resembled" verb টিকে modify করার জন্য সঠিক adverb হলো "strongly".
- তাই সঠিক বাক্য হবে- The twins resembled each other more strongly when they were young.

• এই রকম আরো কিছু verb হচ্ছে-
- Reach, resemble, violate, discuss, investigate, recommend, order, command, enter, ইত্যাদি verb গুলো transitive বলে এদের পরে কোনো preposition বসে না।
- এদের পর সরাসরি object বসে।

অন্যদিকে,
ক) "resembled with each other"
- preposition "with" ব্যবহার হবে না।

গ) "resembled to each other":
- preposition "to" ব্যবহার হবে না।

ঘ) "resembled each other more strong":
- "Strong" should be the adverb "strongly"

১৩৭.
Which of the following is correct?
  1. Knowing little vocabulary, the question was difficult to answer.
  2. Knowing little vocabulary, answering the question was difficult.
  3. Knowing little vocabulary, it was difficult to answer the question.
  4. Knowing little vocabulary, I found it difficult to answer the question.
ব্যাখ্যা

• Correct sentence: ঘ) Knowing little vocabulary, I found it difficult to answer the question.
- প্রশ্নটি dangling modifier -এর উপর ভিত্তি করে করা হয়েছে।

• Dangling modifier:
- যখন কোনো modifier সঠিক subject কে modify না করে অন্য কিছুকে modify করে তখন তাকে dangling modifier/illogical/misplaced modifier বলে।
- প্রশ্নে dangling modifier এর ক্ষেত্রে সাধারণত simple sentence এর দুইটি অংশ থাকে যা কমা (,) দ্বারা আলাদা করা থাকে।
- প্রথম অংশটি gerund/infinitive/participle/adjective phrase/having been +v3/preposition+verb+ing, ইত্যাদি দ্বারা শুরু হয়ে থাকে কিন্তু প্রথম অংশে subject থাকে না।
- প্রথম অংশের এই অনুল্লিখিত subject টিকেই দ্বিতীয় অংশের subject হিসেবে সঠিকভাবে use করতে হবে।

- উল্লিখিত বাক্যে "Knowing little vocabulary" phrase টি দ্বারা এমন একজন person কে বুঝাচ্ছে যার vocabulary knowledge -এ ঘাটতি আছে।
- অপশন ঘ) তে subject "I" modifier -এর সাথে correctly match করে (I know little vocabulary).
- অর্থাৎ,এই বাক্যে modifier -এর সঠিক ব্যবহার হয়েছে (Knowing little vocabulary, I found it difficult to answer the question.)

অন্যদিকে,
ক) "Knowing little vocabulary, the question was difficult to answer."
- এখানে modifier "Knowing little vocabulary" টি illogically "the question" কে ভুলভাবে modify করছে।

খ) "Knowing little vocabulary, answering the question was difficult."
- এখানে modifier "Knowing little vocabulary" টি illogically "answering" কে ভুলভাবে modify করছে।

গ) "Knowing little vocabulary, it was difficult to answer the question."
-এখানে "Knowing little vocabulary" modifier টি illogically (dummy subject) "it" কে ভুলভাবে modify করছে কারণ "it" কোনো vocabulary জানতে পারে না।

১৩৮.
Select the correct sentence:
  1. The team of players has ready for the match.
  2. The team of players are ready for the match. 
  3. The team of players is ready for the match.
  4. The team of players have ready for the match.
ব্যাখ্যা

• Correct sentence: The team of players is ready for the match.

• Subject-Verb Agreement অনুযায়ী,
- Subject -এর সাথে preposition দিয়ে যে শব্দ বা শব্দসমষ্টি যুক্ত থাকে তারা কখনোই verb -এর উপর কোনো প্রভাব ফেলে না।
- তাই সাধারণত preposition/ prepositional phrase -এর পূর্বের subject অনুসারে verb বসে।
- অর্থাৎ, preposition/ prepositional phrase -এর পূর্বের subject টি plural হলে verb টি plural হবে এবং subject টি singular হলে verb টি singular হবে।
- এখানে subject হলো "The team" (a collective noun), যা singular entity, তাই verb টি singular (is) হবে।

অন্য অপশনগুলো ভুল,

ক) The team of players has ready for the match.
- "has ready" ভুল, কারণ "Has" present perfect tense -এ verb -এর past participle এর সাথে use করা হয় ("has been ready" হবে).

খ) The team of players are ready for the match. 
- subject "team" হলো singular, তাই are না হয়ে (is) হবে।

ঘ) The team of players have ready for the match.
- subject "team" হলো singular, তাই have হবে না।

১৩৯.
"Oh, lift me as a wave, a leaf, a cloud!
I fall upon the thorns of life! I bleed!"
Who wrote these poetic lines?
  1. William Wordsworth
  2. S. T. Coleridge
  3. P.B. Shelley
  4. John Keats
ব্যাখ্যা

• "Oh, lift me as a wave, a leaf, a cloud!
I fall upon the thorns of life! I bleed!"
- These poetic lines are written by P.B. Shelley.

- কবি তার জীবনের যন্ত্রণা ও দুঃখের কথা বর্ণনা দিতে গিয়ে এখানে প্রার্থনা করছেন যেন প্রাকৃতিক শক্তি তাকে ঢেউ, পাতা, বা মেঘের মতো বহন করে নিয়ে যায়।
- এটি তার জীবনের ভারমুক্তির আকাঙ্ক্ষাকে প্রকাশ করে। তিনি প্রকৃতির সাথে একাত্ম হয়ে নিজেকে হালকা এবং মুক্ত অনুভব করতে চান।

• Ode to the West Wind:
- এই বিখ্যাত কবিতাটি রচনা করেন P.B. Shelley.
- ১৮২০ সালে এটি প্রকাশিত হয়।
- কবিতায় তিনি West Wind কে destroyer and preserver বলে আখ্যায়িত করেছেন।
- এই কবিতাকে গণ্য করা হয়, কবির passionate language and symbolic imagery ব্যবহারের একটি অনন্য দৃষ্টান্ত রুপে।
- কবি এখানে West Wind -এর কাছে সাহায্য আহবান করছেন। 
- কবিতাটি লেখা হয় Cascine wood near Florence, Italy তে।
- কারো কারো মতে, কবিতাটি Shelley তার পুত্র William এর মৃত্যুশোকে লিখেছিলেন। 
- কবি West Wind এর প্রলয়ংকারী ক্ষমতাকে সমাদর করেছেন এবং একইভাবে আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন এভাবেই যেন বৈপ্লবিক চিন্তাগুলো সারা পৃথিবীতে ছড়িয়ে যায়। 
- কবিতার শেষ লাইনটিও বিখ্যাত: “O Wind, If Winter comes, can Spring be far behind?”

• P.B. Shelley (1792-1822):
- তার পুরো নাম Percy Bysshe Shelley.
- P. B. Shelley ছিলেন একজন প্রখ্যাত ইংরেজি কবি এবং রোমান্টিক আন্দোলনের প্রধান ব্যক্তিত্ব। তাকে ইংরেজি সাহিত্যের অন্যতম শ্রেষ্ঠ কবি হিসেবে গণ্য করা হয়।
- তিনি ছিলেন একজন ইংরেজ রোমান্টিক কবি, যিনি তাঁর বিপ্লবী ধারণা, কল্পনাপ্রসূত সঙ্গীতশৈলী এবং সামাজিক পরিবর্তনের জন্য প্রবল সমর্থনের জন্য পরিচিত।
- তিনি রোমান্টিক আন্দোলনের একজন অগ্রগণ্য ব্যক্তি হিসেবে বিবেচিত হন এবং তাঁর ভাষা এবং বিষয়ের উদ্ভাবনী ব্যবহারের জন্য প্রশংসিত।
- তিনি বিশ্বাস করতেন সমাজের পরিবর্তনের জন্য একটি গুনগত বিপ্লবের প্রয়োজন।
- এজন্য তাকে ইংরেজি সাহিত্যের অন্যতম একজন Revolutionary poet হিসেবে গণ্য করা হয়।
- তাঁর নিরন্তর লক্ষ্য ছিল ভবিষ্যতের জন্য একটি গৌরবময় স্বর্ণযুগ নিয়ে আসা।

• Some of his famous quotations are:
- 'Our sweetest songs are those that tell of saddest thought' (Ode To A Skylark).
- 'O Wind, If Winter comes, can spring be far behind?' (Ode to the West Wind).
- 'The more we study, the more we discover our ignorance' (Queen Mab).
- 'A poet is a nightingale, who sits in darkness and sings to cheer its own solitude with sweet sounds' (A Defense of Poetry).
- 'Death is the veil which those who live call life;
They sleep, and it is lifted' (Prometheus Unbound).
- 'Familiar acts are beautiful through love' (Prometheus Unbound).

• Notable works (Poems):
- Ode to the West Wind,
- To a Skylark,
- Ozymandias,
- Queen Mab,
- Adonais,
- The Cloud,
- Rosalind and Helen,
- The Revolt of Islam,
- Hymn to Intellectual Beauty, etc.

• Drama:
- Prometheus Unbound,
- The Cenci (1819).

• Books:
- A Defence of Poetry,
- A Philosophical View of Reform,
- The Necessity of Atheism,
- Peter Bell the Third, etc.

Source: Britannica.

১৪০.
The literary creation "An Essay on Criticism" is a/an-
  1. Poem
  2. Prose
  3. Essay
  4. Play
ব্যাখ্যা

• The literary creation "An Essay on Criticism" is a Poem.

• An Essay on Criticism:
- কবিতাটি হচ্ছে একটি didactic poem in heroic couplets.
- ১৭১১ সালে কবির ২২ বছর বয়সে এই কবিতাটি anonymously প্রকাশিত হয়।
- পোপ এই রচনায় কবিতা সম্পর্কিত সমালোচনার নিয়ম-কানুন উপস্থাপন করেন।
- তিনি সতর্ক করেছেন যে সমালোচককে অহংকারী বা দায়িত্বহীনভাবে সমালোচনা করা উচিত নয়, বরং যুক্তি ও বিচক্ষণতার সঙ্গে বিচার করা উচিত।

• Alexander Pope (1688-1744):
- তিনি Neo-Classical Period- এর 'Augustan Age' -এর একজন কবি ও satirist.
- তার নাম অনুসারে Augustan Age -এর নামকরণ করা হয় 'Age of Pope'.
- তিনি 'Mock Heroic Poet' নামে পরিচিত।
- তিনি ইংরেজি সাহিত্যের বুদ্ধিদীপ্ত সাহিত্যিকদের মধ্যে অন্যতম। 
- তিনি গ্রিক কবি Homer -এর কালজয়ী সৃষ্টি 'The Iliad' & 'The Odysse' কাব্যগ্রন্থ ইংরেজিতে অনুবাদ করেন।

• Famous quotes:
- A little learning is a dangerous thing.
- To err is human, to forgive, divine.
- Fools rush in where angels fear to tread.
- Blessed is the man who expects nothing, for he shall never be disappointed.
- Hope springs eternal in the human breast.
- The proper study of mankind is man.

• Notable works (Poems):
- An Essay on Criticism,
- The Rape of the Lock (Mock Epic),
- The Dunciad,
- The New Dunciad,
- An Essay on Man,
- An Epistle to Dr. Arbuthnot,
- Windsor-Forest, etc.

Source: Britannica.

১৪১.
Who is famously known for his English translation of "The Rubaiyat of Omar Khayyam"?
  1. George Chapman
  2. Matthew Arnold
  3. Edward FitzGerald
  4. Makepeace Thackeray
ব্যাখ্যা

• Edward FitzGerald is famously known for his English translation of "The Rubaiyat of Omar Khayyam".

• The Rubaiyat of Omar Khayyam:
- Victorian period -এর সাহিত্যিক Edward FitzGerald, ১৮৫৯ সালে "The Rubaiyat of Omar Khayyam" কাব্য গ্রন্থটি Persian থেকে English -এ অনুবাদ করেন।
- যার মাধ্যমে পশ্চিমা বিশ্বের কাছে এটি পরিচিতি পায়।
- প্রথম প্রকাশিত হয় ১৮৫৯ সালে।
- যুগ শ্রেষ্ঠ জ্যেতির্বিজ্ঞানী ওমর খৈয়ামের রচনা থেকে অনুপ্রাণিত।
- এটি মূলত: অনুবাদ নয় বরং মূল গ্রন্থকে সামনে রেখে মৌলিক রচনা।
- এটি ইংরেজি সাহিত্যের ইতিহাসে একটি Classic হিসেবে বিবেচিত।
- It is one of the most frequently quoted lyric poems, and many of its phrases are passed into common currency.
- ইংরেজি সংস্করণে এই নামের সাথে যুক্ত হয়- "the Astronomer-Poet of Persia" বাক্যটি।
- "Be happy for this moment. This moment is your life." এটি 'The Rubaiyat of Omar Khayyam' -এর একটি বিখ্যাত লাইন।
- “Rubaiyat of Omar Khayyam” হলো জীবন ও মৃত্যুর রহস্য, সময়ের অস্থায়িত্ব, এবং মুহূর্তের আনন্দকে উদযাপনকারী দার্শনিক কবিতা সংকলন।

• Edward FitzGerald (1809-1883):
- একজন প্রখ্যাত ইংরেজ কবি ও অনুবাদক।
- তিনি পারস্য কবি ওমর খৈয়ামের Rubaiyat -এর ইংরেজি অনুবাদ করে বিশ্বসাহিত্যে খ্যাতি অর্জন করেন।
- তার অনুবাদটি Rubaiyat -কে পশ্চিমা সাহিত্যের গুরুত্বপূর্ণ দৃষ্টান্তে পরিণত করেছে।
- FitzGerald was educated at Trinity College, Cambridge, where he formed a lifelong friendship with William Makepeace Thackeray.
- এছাড়া তার অনেক ঘনিষ্ঠ বন্ধু ছিল, যাদের মধ্যে ছিলেন আলফ্রেড টেনিসন এবং টমাস কার্লাইল, যাদের সাথে তিনি নিয়মিত চিঠিপত্র রাখতেন।

• Notable Work:
- The Rubaiyat of Omar Khayyam (1859)
- Salaman and Absal (1859) – A translation/adaptation of a Persian romantic tale.

Source: Britannica.

১৪২.
The novelist of the novel "Things Fall Apart" is-
  1. Pearl S. Buck
  2. Franz Kafka
  3. Chinua Achebe
  4. Wole Soyinka
ব্যাখ্যা

• The novelist of the novel "Things Fall Apart" is Chinua Achebe.
- Chinua Achebe হলো একজন Nigerian author.

• Things Fall Apart:
- এটি Chinua Achebe লিখিত প্রথম novel যা 1958 সালে প্রকাশিত হয়।
- এটি ঐতিহ্যবাহী Igbo সমাজে মিশনারি ও ঔপনিবেশিক শাসনের আগমনের সময়কার ঘটনাগুলো তুলে ধরে।
- এই novel টি Igbo community এর Leader Okonkwo এর জীবন সম্পর্কে লেখা।
- এই novel এর protagonist হলো Okonkwo.
- ঘটনা শুরু হয় যখন তাকে community থেকে বিতাড়িত করা হয় কারণ তিনি ভুলবশত একজন clansman কে হত্যা করে ফেলেন।
- এর সিক্যুয়েল No Longer at Ease (1960) উপন্যাসে তিনি এমন এক সদ্যনিযুক্ত সরকারি কর্মচারীর কাহিনি তুলে ধরেছেন, যে ইংল্যান্ডে বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পড়াশোনা শেষ করে দেশে ফিরে এসেছে, কিন্তু তার নতুন অবস্থানের দায়িত্ব ও প্রলোভনের মুখে নিজ বিশ্বাসের নৈতিক মূল্যবোধ বজায় রাখতে ব্যর্থ হয়।

• Chinua Achebe (1930-2013):
- Chinua Achebe ছিলেন নাইজেরিয়ার একজন বিশিষ্ট সাহিত্যিক, যিনি আফ্রিকান সাহিত্যকে বিশ্ব দরবারে পরিচিত করার অন্যতম পথিকৃৎ।
- তিনি মূলত ঔপনিবেশিকতার প্রভাব, আফ্রিকান সমাজের ঐতিহ্য ও আধুনিকতার সংঘাত নিয়ে লেখালেখি করেছেন।

• Notable works:
- Arrow of God,
- Things Fall Apart,
- Home and Exile,
- Hopes and Impediments,
- A Man of the People,
- Anthills of the Savannah,
- Morning Yet on Creation Day,
- No Longer at Ease, etc.

Source: Britannica.

১৪৩.
The setting of the play 'Macbeth' is in-
  1. Denmark
  2. Scotland
  3. Ireland
  4. England
ব্যাখ্যা

• The setting of the play 'Macbeth' is in Scotland.

• Macbeth:
- এটি ১৬০৭-০৭ সালের দিকে লেখা এবং ১৬২৩ সালে প্রথম প্রকাশিত।
- এই tragedy টি William Shakespeare রচিত Tragedy গুলোর মধ্যে সবচেয়ে সংক্ষিপ্ত।
- নাটকটির মূল বিষয়বস্তু হলো King Duncan এর হত্যা ও তার ফলে ঘটে যাওয়া ঘটনাবলি।
- এই Tragedy টি হচ্ছে William Shakespeare এর অন্যতম শ্রেষ্ঠ tragedy এবং Macbeth হলো এর মূল চরিত্র/tragic hero.
- William Shakespeare -এর Macbeth নাটকটির মূল সেটিং বা প্রেক্ষাপট হলো স্কটল্যান্ড।
- নাটকটির প্রধান চরিত্র Macbeth ছিলেন স্কটল্যান্ডের রাজা Duncan এর একজন বিশ্বস্ত General, যিনি স্কটল্যান্ডের রাজা হওয়ার জন্য উচ্চাকাঙ্ক্ষী হয়ে ওঠেন।
- নাটকটির বেশিরভাগ ঘটনাই স্কটল্যান্ডের বিভিন্ন রাজপ্রাসাদ, যুদ্ধক্ষেত্র এবং প্রাসাদে ঘটে।

• Short-Summary:
- নাটকে দেখা যায় তিনজন ডাইনী (Three Witches) সেনাপতি Macbeth এর সাথে দেখা করে এবং সে ভবিষ্যতে Scotland এবং পার্শ্ববর্তী অঞ্চলের রাজা হবে বলে ভবিষ্যদ্বাণী করে।
- এই ভবিষ্যদ্বাণী তার মনে লোভের বীজ বপন করে। তার স্ত্রী লেডি ম্যাকবেথ তাকে প্ররোচিত করে, এবং তারা বর্তমান রাজা ডানকানকে হত্যা করে। ম্যাকবেথ রাজা হলেও, পাপবোধ এবং ভয় তাকে তাড়া করে। ক্ষমতা ধরে রাখতে, সে একের পর এক হত্যাকাণ্ড ঘটায়।
- পরিণামে, লেডি ম্যাকবেথ পাগল হয়ে মারা যায়, এবং ম্যাকবেথ তার শত্রুদের মুখোমুখি হয়। ম্যাকডাফ নামে এক সাহসী যোদ্ধার হাতে ম্যাকবেথ নিহত হয়, এবং স্কটল্যান্ডে শান্তি ফিরে আসে।
- ম্যাকবেথ নাটকটি দেখায়, কীভাবে ক্ষমতার আকাঙ্ক্ষা এবং নৈতিক বিচ্যুতি মানুষের ধ্বংস ডেকে আনতে পারে।

• Main characters:
- Macbeth;
- Lady Macbeth;
- Duncan;
- Banquo;
- Three Witches.

• Famous quotations of Macbeth:
- "Fair is foul, and foul is fair."
- "All the perfumes of Arabia will not sweeten this little hand"
- "Life is but a walking shadow."
- "What's done cannot be undone."
- "Life is but a walking shadow, a poor player."
- "What's done can't be undone."
- “Look like the innocent flower,
   But be the serpent under it.”

• William Shakespeare (1564-1616):
- William Shakespeare একাধারে একজন English poet, dramatist এবং actor.
- তাকে 'English National Poet' বলা হয়।
- Stratford-upon-Avon -এ জন্মগ্রহণ করেছেন বলে তাকে Bard of Avon বা Swan of Avon বলা হয়।
- তাকে অনেকেই সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ নাট্যকার হিসেবে বিবেচনা করেন।
- Shakespeare occupies a unique position in world literature.
- William Shakespeare মূলত তাঁর Drama and Sonnet -এর জন্য পরিচিত।
- তিনি মোট ১৫৪ টি sonnet এবং ৩৭ টি play লিখেছেন।
- এছাড়া তিনি Long narrative poem ও লিখেছেন।

• Notable works:
• Tragedy:
- Hamlet,
- Macbeth,
- Othello,
- King Lear,
- Julius Caesar, etc.

• Comedy:
- As You Like It,
- The Tempest,
- Twelfth Night,
- The Merchant of Venice,
- A Midsummer Night's Dream, etc.

Source:
1. Britannica.
2. SparkNotes.

১৪৪.
Who is not an Irish author?
  1. William Butler Yeats
  2. James Joyce
  3. Rudyard Kipling
  4. Oscar Wilde
ব্যাখ্যা

• Rudyard Kipling is not an Irish author.
- He was an English short-story writer, poet, and novelist.

• Rudyard Kipling (1865-1936):
- তার পুরো নাম Joseph Rudyard Kipling.
- তিনি একজন ইংরেজ ছোটগল্পকার, কবি এবং ঔপন্যাসিক ছিলেন।
- তিনি মূলত ব্রিটিশ সাম্রাজ্যবাদের উদযাপন, ভারতে ব্রিটিশ সৈন্যদের গল্প ও কবিতা এবং শিশুদের জন্য লেখা তাঁর গল্পের জন্য স্মরণীয়।
- তিনি ১৯০৭ সালে সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন।

• Notable Works:
- Kim,
- The Jungle Book,
- Puck of Pook's Hill,
- Captain Courageous,
- The White Man's Burden,
- Limits & Renewals,
- Just So Stories,
- Soldiers Three,
- The Light that Failed,
- Plain Tales from the Hills,
- Seven Seas, etc.

অন্যদিকে,
- অপশনের বাকি তিনজন হলেন iconic Irish authors.
ক) William Butler Yeats: Nobel Prize winner Irish poet.

খ) James Joyce: Irish novelist.

ঘ) Oscar Wilde: Irish playwright and author.

Source:
1. Britannica.
2. An ABC of English Literature by Dr. M. Mofizar Rahman.

১৪৫.
'Heathcliff' is a-
  1. Modern character
  2. Victorian character
  3. Romantic character
  4. Restoration character
ব্যাখ্যা

 • 'Heathcliff' is a Victorian character.
- Victoriano period -এর লেখিকা Emily Bronte -এর উপন্যাস Wuthering Heights -এর কেন্দ্রীয় চরিত্র।

• Wuthering Heights:
- 'Wuthering Heights' is a novel by Emily Bronte.
- এই উপন্যাসটি ১৮৪৭ সালে Emily Bronte ছদ্মনাম Ellis Bell নামে প্রকাশিত হয়।
- This intense, solidly imagined novel is distinguished from other novels of the period by its dramatic and poetic presentation, its abstention from authorial intrusion, and its unusual structure.
- Wuthering Heights by Emily Bronte হচ্ছে Gothic Novel -এর একটি অন্যতম উদাহরণ।

• Summary:
- 'Heathcliff' এই উপন্যাসের কেন্দ্রীয় চরিত্র একজন এতিম বালক।
- অন্যের আশ্রয়ে থাকে এবং পরবর্তীতে আশ্রয়দাতার কন্যা Catherine Earnshaw এর সাথে তার মনের মিলন ঘটে, দুইজন দুইজনকে ভালোবেসে ফেলে।
- কিন্তু Catherine প্রতিশ্রুতি ভঙ্গ করে অন্যত্র বিয়ে করলে Heathcliff নিরুদ্দেশ হয়ে যায়।
- যখন ফিরে আসে তখন সে অঢেল অর্থ বিত্তের মালিক।
- কাহিনীর এ পর্যায়ে তাকে তার মালিকের বাড়ী Wuthering Heights কিনে নেয়ার পাশাপাশি প্রাক্তন প্রেমিকা Catherine এর ননদের সাথে প্রেমের অভিনয় করে সম্পত্তির লোভে তাকে বিয়ে করতে দেখা যায়।
- পরবর্তীতে এই বিয়েটা ভেঙে যায় এবং এরপর Catherine মারা যায়। তার ভাই Hindley ও মারা যায়। কিন্তু তাদের সন্তানরা ধীরে ধীরে বড় হতে থাকে।
- Heathcliff এর সন্তানও এদের সাথে যোগ দেয়। এভাবে কাহিনী এক প্রজন্ম থেকে পরের প্রজন্মের মাঝে এগিয়ে চলে।

• Main characters of this novel:
- Catherine Earnshaw,
- Heathcliff (The central character),
- Cathy Linton,
- Edgar Linton,
- Isabella Linton,
- Lockwood, etc.

• Emily Bronte (1818-1848):
- In full: Emily Jane Bronte.
- তার ছদ্মনাম Ellis Bell.
- Charlotte Bronte এর ছোট বোন।
- “Wuthering Heights” উপন্যাসকে ঘিরেই মূলত: তার পরিচতি।
- ত্রিশ বছর বয়সেই মৃত্যু বরণ করেন।

• Notable Works:
- Poems by Currer, Ellis and Acton Bell,
- Wuthering Heights, etc.

Source:
1. Britannica.
2. SparkNotes.

১৪৬.
Who wrote the play 'Bury the Dead'?
  1. Samuel Beckett
  2. Henry James
  3. Irwin Shaw
  4. Harold Pinter
ব্যাখ্যা

• The play 'Bury the Dead' was written by Irwin Shaw.

• Bury the Dead:
- “Bury the Dead” হলো আমেরিকান নাট্যকার Irwin Shaw -এর লেখা একটি যুদ্ধ-বিরোধী নাটক।
- এটি মূলত প্রথম বিশ্বযুদ্ধের প্রেক্ষাপটে মানুষের মনস্তত্ত্ব, যুদ্ধের নির্মমতা ও মানবিকতা নিয়ে লেখা।
- নাটকটি দেখায় যে যুদ্ধ শুধু শারীরিক ক্ষতি নয়, বরং মানুষের মানসিক ও নৈতিক ক্ষতি করে।
- He wrote his pacifist one-act play Bury the Dead for a 1935 contest; though it lost, the play appeared on Broadway the next year, the first of his 12 plays that were professionally produced.
- "Bury The Dead" নাটকের অনুসরণে এদেশীয় ঘটনা কেন্দ্র করে মুনীর চৌধুরীর 'কবর' নাটকটি লেখা হয়েছে।

• Irwin Shaw (1913-1984):
- তার প্রকৃত নাম Irwin Gilbert Shamforoff.
- একজন প্রখ্যাত আমেরিকান সাহিত্যিক ও নাট্যকার।
- তিনি গল্প, উপন্যাস ও নাটক লিখেছেন এবং মূলত মানবিক ও সামাজিক বাস্তবতা ফুটিয়ে তোলার জন্য পরিচিত।
- Shaw studied at Brooklyn College (B.A., 1934) এবং ২১ বছর বয়সে জনপ্রিয় অ্যান্ডি গাম্প এবং ডিক ট্রেসি রেডিও অনুষ্ঠানের স্ক্রিপ্ট লেখার মাধ্যমে তার কর্মজীবন শুরু করেন।

• Notable Works:
- Bury the Dead (play),
- The Big Game (play),
- Rich Man, Poor Man (novel),
- The Young Lions (novel),
- Two Weeks in Another Town (novel), 
- Evening in Byzantium (novel),
- Beggarman, Thief (novel).

Source: Britannica.

১৪৭.
The poem “Lullaby” was written by-
  1. T. S. Eliot
  2. W. H. Auden
  3. W. B. Yeats
  4. Emily Dickinson
ব্যাখ্যা

• The poem “Lullaby” was written by W. H. Auden.

• Lullaby:
- “Lullaby” কবিতাটি লিখেছেন ব্রিটিশ-আমেরিকান poet W. H. Auden.
- It is one of his most famous lyrical works
- কবিতাটি মূলত প্রেম ও মানবিক mortality (মৃত্যু ও ক্ষণস্থায়িত্ব) নিয়ে রচিত।
- Auden এখানে প্রেমকে সময় ও মৃত্যু অতিক্রমকারী শক্তি হিসেবে দেখিয়েছেন।
- কবিতার লিরিক্যাল টোন কোমল, স্নেহময় ও শান্তিপূর্ণ, যা শিশুকে দোলন বা ঘুম পাড়ানোর গান (lullaby) এর মতো অনুভূত হয়।
- কবিতায় মানব জীবনের ক্ষণস্থায়িত্ব এবং মুহূর্তকে উপভোগ করার গুরুত্ব ফুটে উঠেছে।
- কবিতাটি শুরু হয়েছে এই লাইনটি দিয়ে: “Lay your sleeping head, my love” – যেখানে প্রেমিককে শান্তিতে শয়ন করতে বলা হয়েছে।

• W. H. Auden (1907-1973):
- তার পুরো নাম Wystan Hugh Auden.
- তিনি একজন প্রখ্যাত ব্রিটিশ কবি, লেখক ও নাট্যকার ছিলেন যিনি আধুনিক ইংরেজি সাহিত্যে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন।
- তাঁর কবিতার জন্য বিংশ শতাব্দীর একজন Leading literary figure হিসেবে পরিচিত।
- তিনি "The Age of Anxiety" কবিতার জন্য ১৯৪৮ সালে Pulitzer Prize পেয়েছিলেন।

• Notable works:
• Poems:
- Lullaby,
- September 1, 1939,
- In Memory of W. B. Yeats,
- The Age of Anxiety,
- Journey to Iceland,
- The Shield of Achilles,
- Spain (1937),
- The Dance of Death (play),
- On This Island, etc.

Source: Britannica.

১৪৮.
ভৌগোলিক দিক বিবেচনায় পৃথিবীর সমগ্র ভূমিরূপকে কয় ভাগে ভাগ করা যায়?
  1. ২ ভাগে
  2. ৩ ভাগে
  3. ৪ ভাগে
  4. ৫ ভাগে
ব্যাখ্যা

পৃথিবীর প্রধান ভূমিরূপ:
- ভূপৃষ্ঠ সর্বত্র সমান নয়। এর আকৃতি, প্রকৃতি এবং গঠনগত বেশ কিছু পার্থক্য আছে।
- ভূমির এই আকৃতি ও গঠনগত বৈশিষ্ট্যকেই ভূমিরূপ বলে।
- ভূপৃষ্ঠের কোথাও রয়েছে উঁচু পর্বত, কোথাও সমতল, কোথাও পাহাড় এবং কোথাও মালভূমি।
- এছাড়া বিভিন্ন স্থানের উচ্চতা, বন্ধুরতা এবং ঢালের মধ্যে পার্থক্য রয়েছে।
- ভৌগোলিক দিক দিয়ে বিচার করলে পৃথিবীর সমগ্র ভূমিরূপকে তিনটি ভাগে ভাগ করা যায়। এগুলো হলো-
(১) পর্বত,
(২) মালভূমি ও
(৩) সমভূমি।

পর্বত (Mountains):
- সমুদ্রতল থেকে অন্তত ১,০০০ মিটারের বেশি উঁচু সুবিস্তৃত ও খাড়া ঢালবিশিষ্ট শিলাস্তূপকে পর্বত বলে।
- সাধারণত ৬০০ থেকে ১,০০০ মিটার উঁচু স্বল্প বিস্তৃত শিলাস্তূপকে পাহাড় বলে।

মালভূমি (Plateaus):
পর্বত থেকে নিচু কিন্তু সমভূমি থেকে উঁচু খাড়া ঢালযুক্ত ঢেউ খেলানো বিস্তীর্ণ সমতলভূমিকে মালভূমি বলে।

সমভূমি (Plains):
- সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে অল্প উঁচু মৃদু ঢালবিশিষ্ট সুবিস্তৃত ভূমিকে সমভূমি বলে।
- বিভিন্ন ভূপ্রাকৃতিক প্রক্রিয়া যেমন- নদী, হিমবাহ ও বায়ুর ক্ষয় ও সঞ্চয়ক্রিয়ার ফলে সমভূমির সৃষ্টি হয়।

তথ্যসূত্র- ভূগোল ও পরিবেশ, নবম ও দশম শ্রেণি।

১৪৯.
ইংলিশ চ্যানেল কোন মহাসাগরের অংশ?
  1. প্রশান্ত মহাসাগর
  2. ভারত মহাসাগর
  3. আটলান্টিক মহাসাগর
  4. আর্কটিক মহাসাগর
ব্যাখ্যা

ইংলিশ চ্যানেল:
- ইংলিশ চ্যানেল আটলান্টিক মহাসাগরের একটি অংশ।
- এই চ্যানেল উত্তর সাগর ও আটলান্টিক মহাসাগরকে সংযুক্ত করেছে।
- এটি উত্তর ফ্রান্স থেকে গ্রেট ব্রিটেনের দ্বীপকে পৃথক করে।
- এটি প্রায় ৫৬৩ কিমি (৩৫০ মাইল) দীর্ঘ এবং এর প্রস্থে ২৪০ কিমি (১৫০ মাইল)।

উল্লেখ্য,
- ডোভার প্রণালী হলো এই চ্যানেলের সবচেয়ে সংকীর্ণ অংশ।
- পূর্বদিকে এর বিস্তার কমে মাত্র ৩৪ কিলোমিটার হয়ে যায় এবং সেখানে এটি ডোভার প্রণালীর মাধ্যমে উত্তর সাগরের সাথে সংযুক্ত।
- ইংলিশ চ্যানেলের প্রধান দ্বীপগুলির মধ্যে আছে আইল অভ ওয়াইট এবং চ্যানেল দ্বীপপুঞ্জ।

তথ্যসূত্র: Britannica.

১৫০.
ভূগোলবিদ কার্ল রিটার ভূগোলকে কী হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন?
  1. প্রকৃতির বিজ্ঞান
  2. পৃথিবীর বিজ্ঞান
  3. মানুষের কর্মকাণ্ড ও জীবনধারা
  4. পৃথিবী ও এর অধিবাসীদের বর্ণনা
ব্যাখ্যা

ভূগোলের ধারণা:
- ইংরেজি 'Geography' শব্দটি থেকে ভূগোল শব্দ এসেছে।
- 'Geo' শব্দের অর্থ 'ভূ' বা পৃথিবী এবং 'graphy' শব্দের অর্থ বর্ণনা।
- সুতরাং 'Geography' শব্দটির অর্থ পৃথিবীর বর্ণনা।
- প্রাচীন গ্রিসের ভূগোলবিদ ইরাটোসথেনিস প্রথম 'Geography' শব্দ ব্যবহার করেন।

ভূগোলের বিভিন্ন সংজ্ঞা:
⇒ ভূগোলবিদ ডাডলি স্ট্যাম্পের (Professor L. Dudley Stamp) মতে, পৃথিবী ও এর অধিবাসীদের বর্ণনাই হলো ভূগোল। 

⇒ জার্মান ভূগোলবিদ কার্ল রিটার (Professor Carl Ritter) ভূগোলকে বলেছেন 'পৃথিবীর বিজ্ঞান'।


⇒ বৃটিশ ভূগোলবিদ অধ্যাপক ম্যাকনি (Professor E. A. Macnee) মানুষের আবাসভূমি হিসেবে পৃথিবীর আলোচনা বা বর্ণনাকে বলেছেন ভূগোল। তাঁর মতে, ভৌত ও সামাজিক পরিবেশে মানুষের কর্মকান্ড ও জীবনধারা নিয়ে যে বিষয় আলোচনা করে তাই ভূগোল। বৃটিশ 

⇒ বিখ্যাত মার্কিন ভূগোলবিদ অধ্যাপক রিচার্ড হার্টশোর্ন (Professor Richard Hartshorne) বলেন, পৃথিবীপৃষ্ঠের পরিবর্তনশীল বৈশিষ্ট্যের যুক্তিসংগত ও সুবিন্যস্ত বিবরণের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট বিষয় হলো ভূগোল।

⇒ আধুনিক ভূগোল শাস্ত্রের প্রতিষ্ঠাতা জার্মান ভূগোলবিদ আলেকজান্ডার ফন হামবোল্টের (Alexander von Humbolt) মতে, ভূগোল হলো প্রকৃতির সঙ্গে সম্পর্কিত বিজ্ঞান; প্রকৃতিতে যা কিছু আছে তার বর্ণনা ও আলোচনা এর অন্তর্ভুক্ত।

তথ্যসূত্র- ভূগোল ও পরিবেশ, নবম ও দশম শ্রেণি।

১৫১.
সামাজিক চুক্তি মতবাদ অনুযায়ী, রাষ্ট্র কেন সৃষ্টি হয়?
  1. শাসকের ব্যক্তিগত ইচ্ছায়
  2. প্রাকৃতিক সুযোগ-সুবিধা ভোগের জন্য
  3. অর্থনৈতিক উন্নয়নের জন্য
  4. অরাজকতা ও বিশৃঙ্খলা থেকে মুক্তির জন্য
ব্যাখ্যা

⇒ সামাজিক চুক্তি মতবাদ অনুযায়ী, প্রকৃতির বিশৃঙ্খলা থেকে মুক্তি পেতে মানুষ পারস্পরিক চুক্তির মাধ্যমে রাষ্ট্র সৃষ্টি করে।

রাষ্ট্রের উৎপত্তি:
- রাষ্ট্র একটি রাজনৈতিক প্রতিষ্ঠান।
-  রাষ্ট্রবিজ্ঞানীরা অতীত ইতিহাস ও রাজনৈতিক ঘটনাপ্রবাহ পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে রাষ্ট্রের উৎপত্তি সম্পর্কে কতগুলো মতবাদ প্রদান করেছেন।
- তন্মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো-
১। ঐশী মতবাদ,
২। বল বা শক্তি প্রয়োগ মতবাদ,
৩। সামাজিক চুক্তি মতবাদ ও
৪। ঐতিহাসিক বা বিবর্তনমূলক মতবাদ।

সামাজিক চুক্তি মতবাদ:
- এ মতবাদের মূলকথা হলো- সমাজে বসবাসকারী জনগণের পারস্পরিক চুক্তির ফলে রাষ্ট্রের জন্য হয়েছে।
- ব্রিটিশ রাষ্ট্র দার্শনিক টমাস হবস্ ও জন লক এবং ফরাসি দার্শনিক জ্যাঁ জ্যাক রুশো সামাজিক চুক্তি মতবাদের প্রবর্তক ছিলেন।
- এ মতবাদ অনুযায়ী, রাষ্ট্র সৃষ্টির পূর্বে মানুষ প্রকৃতির রাজ্যে বসবাস করত। তারা প্রকৃতির নিয়ম মেনে চলত এবং প্রাকৃতিক সুযোগ-সুবিধা ভোগ করত।
- কিন্তু প্রকৃতির রাজ্যে আইন অমান্য করলে শাস্তি দেওয়ার কোনো কর্তৃপক্ষ ছিল না।
- ফলে সামাজিক জীবনে অরাজকতা ও বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি হয়।
- এ অরাজকতাপূর্ণ অবস্থা থেকে মুক্তি পাওয়ার জন্য মানুষ নিজেদের মধ্যে চুক্তির মাধ্যমে রাষ্ট্র সৃষ্টি করে এবং নিরাপত্তার বিনিময়ে নিজেদের উপর শাসন করার জন্য স্থায়ীভাবে শাসকের হাতে ক্ষমতা অর্পণ করে।

তথ্যসূত্র- পৌরনীতি ও নাগরিকতা, নবম ও দশম শ্রেণি।

১৫২.
'An Introduction to the Principles of Morals and Legislation'- গ্রন্থটির রচয়িতা কে?
  1. টমাস হবস
  2. জোনাথান হেইট
  3. ইমানুয়েল কান্ট
  4. জেরেমি বেন্থাম
ব্যাখ্যা

জেরেমি বেন্থাম:
- জেরেমি বেন্থাম একজন ইংরেজ দার্শনিক, অর্থনীতিবিদ, এবং তাত্ত্বিক আইনবিদ।
- তিনি ছিলেন উপযোগবাদের প্রকৃত প্রবক্তা।
- তাঁর লেখা বিখ্যাত গ্রন্থ 'An Introduction to the Principles of Morals and Legislation'.
- বইটি ১৭৮৯ সালে প্রকাশিত হয়।
- এই গ্রন্থে জেরেমি বেন্থাম উপযোগ নীতি (Principle of Utility)-কে সংজ্ঞায়িত করেছেন।

উল্লেখ্য,
- বেন্থাম বলেন, মানুষের দুটি প্রধান চালিকা শক্তি: সুখ ও দুঃখ।
- সব আইন প্রণয়নের উদ্দেশ্য হওয়া উচিত “সর্বাধিক সংখ্যক মানুষের সর্বাধিক সুখ”।
- বেন্থামের মতে, শাস্তি এক ধরনের অমঙ্গল, কারণ এতে কষ্ট সৃষ্টি হয়।
- তাই শাস্তি শুধু তখনই দেওয়া উচিত, যখন তা বড় কোনো অমঙ্গল থেকে বাঁচাতে সাহায্য করে।

উৎস: Britannica.

১৫৩.
“স্থান, কাল ও পাত্রভেদে মূল্যবোধ ভিন্ন হতে পারে”- এটি মূল্যবোধের কোন বৈশিষ্ট্য বোঝায়?
  1. নির্দিষ্টতা
  2. আপেক্ষিকতা
  3. নৈতিক প্রাধান্য
  4. কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা

মূল্যবোধের বৈশিষ্ট্য:

নৈতিক প্রাধান্য:
মূল্যবোধ বিষয়টি নৈতিকতার উপর নির্ভরশীল। নীতি-নৈতিকতাহীন ব্যক্তি সাধারণত মূল্যবোধসম্পন্ন হয় না।

নির্দিষ্টতা:
যেমন, মায়ের প্রতি কারো সম্মান। আবার তা সাধারণও হতে পারে। যেমন, যে প্রতিবেশীকে ভালবাসে আসলে সে নিজেকেই ভালবাসে।

বিভিন্নতা:
সংস্কৃতি ভেদে মূল্যবোধ ভিন্ন হতে পারে। উদাহরণস্বরূপ, খাদ্যাভ্যাস, পোশাক থেকে শুরু করে নানা দিক থেকে পশ্চিমা সংস্কৃতির মূল্যবোধের সাথে বাঙালি সংস্কৃতির মূল্যবোধের পার্থক্য আছে।

আপেক্ষিকতা:
মূল্যবোধ একটি আপেক্ষিক বিষয়। একই মূল্যবোধ ভিন্ন-ভিন্ন দেশে বা সংস্কৃতিতে নানারকম হতে পারে। অর্থাৎ স্থান, কাল, পাত্রভেদে মূল্যবোধের মাত্রা কম বা বেশি দেখা যায়।

সামাজিক মানদণ্ড: 
বিদ্যমান মূল্যবোধ দিয়ে একটি সমাজের বা রাষ্ট্রের পরিবেশ, সংস্কৃতি, চিন্তা-ভাবনার মূল্যায়ন করা যায়। যেমন, কৃষি প্রধান সমাজের মূল্যবোধ একরকম, আবার শিল্পসমৃদ্ধ সমাজের মূল্যবোধ অন্যরকম।

পরিবর্তনশীলতা:
মূল্যবোধ যেহেতু চর্চার বিষয় এবং অভ্যাসের দ্বারা গড়ে উঠে, তাই ভিন্ন সংস্কৃতিতে দীর্ঘদিন বসবাসের ফলে একজন ব্যক্তির পুরনো মূল্যবোধে পরিবর্তন আসতে পারে। 

সম্পর্কের সেতু: 
অপরিচিত ব্যক্তিরা অনেক সময় একই মূল্যবোধের হলে, তাদের মাঝেও একটি আত্মিক সম্পর্ক গড়ে উঠে।

তথ্যসূত্র: পৌরনীতি ও সুশাসন ১ম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম; উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১৫৪.
নিচের কোন সংস্থার মতে ‘আইনি কাঠামো’ সুশাসনের একটি স্তম্ভ?
  1. জাতিসংঘ
  2. বিশ্ব ব্যাংক
  3. জাতিসংঘ উন্নয়ন কর্মসূচি
  4. ইসলামি উন্নয়ন ব্যাংক
ব্যাখ্যা

⇒ World Bank- এর মতে, ‘আইনি কাঠামো’ সুশাসনের একটি স্তম্ভ।

বিশ্বব্যাংক ও সুশাসন:
- 'সুশাসন' ধারণাটি বিশ্ব ব্যাংকের উদ্ভাবিত একটি ধারণা।
- ১৯৮৯ খ্রিস্টাব্দে বিশ্ব ব্যাংকের এক সমীক্ষায় সর্বপ্রথম ‘সুশাসন' (Good Governance) প্রত্যয়টি ব্যবহার করা হয়।
- এছাড়াও একটি রাষ্ট্রে সুশাসন প্রতিষ্ঠিত হলে সে রাষ্ট্রে টেকসই উন্নয়ন সাধিত হয়।
- ১৯৯৪ সালে বিশ্ব ব্যাংক প্রদত্ত সংজ্ঞায় বলা হয়েছে যে, ‘সার্বিক উন্নয়নের লক্ষ্যে একটি দেশের সামাজিক এবং অর্থনৈতিক সম্পদের ব্যবস্থাপনার জন্য ক্ষমতা প্রয়োগের পদ্ধতিই হলো গভর্নেন্স।'
- ২০০০ সালে বিশ্বব্যাংক প্রকাশ করে যে, সুষ্ঠু গভর্নেন্স বা সুশাসন চারটি প্রধান স্তম্ভের ওপর নির্ভরশীল।

⇒ বিশ্বব্যাংকের ঘোষিত চারটি স্তম্ভ হলো:
১. দায়িত্বশীলতা,
২. স্বচ্ছতা,
৩. আইনি কাঠামো,ও
৪. অংশগ্রহণ।

উৎস: পৌরনীতি ও সুশাসন ১ম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, মো: মোজাম্মেল হক।

১৫৫.
এইচ. জে. লাস্কি স্বাধীনতাকে কী হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন?
  1. মানবিক শক্তি
  2. নৈতিক কর্তব্য
  3. সামাজিক মর্যাদা
  4. অধিকারের ফল
ব্যাখ্যা

স্বাধীনতা:
- স্বাধীনতা শব্দের ইংরেজি প্রতিশব্দ হল 'Liberty'।
- স্বাধীনতাকে শাব্দিক অর্থে বলা যায় নিজের ইচ্ছে মতো কাজ করা।
- বাস্তবে স্বাধীনতা মানে যৌক্তিক ও আইনসিদ্ধভাবে কোন কিছু করাকেই বুঝায়।
- গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে নাগরিকগণ নানা ধরনের স্বাধীনতা ভোগ করে থাকে।
যেমন- চলাফেরার স্বাধীনতা, মত প্রকাশের স্বাধীনতা, ধর্ম সংক্রান্ত স্বাধীনতা।

স্বাধীনতার বিভিন্ন সংজ্ঞা:
- রাষ্ট্রবিজ্ঞানী অধ্যাপক এইচ জে লাস্কি (H.J.Laski) বলেছেন "স্বাধীনতা হল অধিকারের ফল"।
- রাষ্ট্রবিজ্ঞানী টি এইচ গ্রিন (T.H. Green) বলেন, "যা উপভোগ করার এবং সম্পন্ন করার যোগ্য তা উপভোগ ও সম্পাদন করার ক্ষমতাকে স্বাধীনতা বলে"।

তথ্যসূত্র: পৌরনীতি ও সুশাসন ১ম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম; উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১৫৬.
বাংলাদেশের সংবিধানের কত অনুচ্ছেদে ‘শোষণমুক্ত ন্যায়ানুগ ও সাম্যবাদী সমাজলাভ নিশ্চিতকরণ’-এর কথা উল্লেখ রয়েছে?
  1. অনুচ্ছেদ ১০
  2. অনুচ্ছেদ ১১
  3. অনুচ্ছেদ ১২
  4. অনুচ্ছেদ ১৩
ব্যাখ্যা

⇒ বাংলাদেশের সংবিধানের ১০ অনুচ্ছেদে ‘মানুষের ওপর মানুষের শোষণ থেকে মুক্ত ন্যায়ানুগ ও সাম্যবাদী সমাজলাভ নিশ্চিতকরণ’-এর কথা বর্ণিত রয়েছে।

ধারার মূল বক্তব্য:
মানুষকে মানুষের শোষণ থেকে মুক্ত করে ন্যায়নিষ্ঠ ও সমতা ভিত্তিক সমাজ গঠন নিশ্চিত করার জন্য সমাজতান্ত্রিক অর্থনৈতিক ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা করতে হবে।

এই ধারার লক্ষ্য হলো:
- প্রতিটি মানুষ যাতে অন্য কোনো মানুষের শোষণের শিকার না হয়
- সমাজে অর্থনৈতিক ও সামাজিক সমতা প্রতিষ্ঠা করা।
- ধনী ও গরিবের মধ্যে বৈষম্য কমানো।
- সমাজে ন্যায় ও মানবিকতা প্রতিষ্ঠা করা।
- সবাইকে তার অধিকার ও সুযোগের সমান ভাগ নিশ্চিত করা।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের সংবিধান।

১৫৭.
‘আইন হলো ন্যায় প্রতিষ্ঠায় রাষ্ট্র কর্তৃক স্বীকৃত ও প্রয়োগকৃত নীতিমালা’- কে বলেছেন?
  1. লাস্কি
  2. জন অস্টিন
  3. অধ্যাপক হল্যান্ড
  4. আইনবিদ স্যামন্ড
ব্যাখ্যা

আইন:
- আইনের ইংরেজি প্রতিশব্দ 'Law'।
- সাধারণভাবে আইন বলতে আমরা সুনির্দিষ্ট নীতি ও নিয়ম কানুনকে বুঝে থাকি যা সকলের ক্ষেত্রে সমভাবে প্রযোজ্য।
- বিশেষজ্ঞগণ বিভিন্নভাবে আইনের সংজ্ঞা দিয়েছেন:

• এরিস্টটল বলেন, "সমাজের যুক্তিসিদ্ধ ইচ্ছার অভিব্যক্তিই হচ্ছে আইন।”
• অধ্যাপক হল্যান্ড এর মতে, আইন হচ্ছে, "সেই সাধারণ নিয়ম যা মানুষের আচরণকে নিয়ন্ত্রণ করে এবং সার্বভৌম কর্তৃপক্ষ কর্তৃক প্রয়োগ ও বলবৎ করা হয়।"
• আইনবিদ স্যামন্ড এর মতে, "আইন হলো ন্যায় প্রতিষ্ঠায় রাষ্ট্র কর্তৃক স্বীকৃত ও প্রয়োগকৃত নীতিমালা।”

সংক্ষেপে বলতে গেলে, আইন বলতে সমাজ স্বীকৃত এবং রাষ্ট্র কর্তৃক অনুমোদিত নিয়ম-কানুনকে বোঝায় যা মানুষের বাহ্যিক আচরণ নিয়ন্ত্রণ করে।

তথ্যসূত্র: পৌরনীতি ও নাগরিকতা, নবম-দশম শ্রেণি।

১৫৮.
নিচের কোনটি সামাজিক অধিকার?
  1. ভোটাধিকার
  2. সম্পত্তি লাভের অধিকার
  3. শ্রমিক সংঘ গঠনের অধিকার
  4. ন্যায্য মজুরি লাভের অধিকার
ব্যাখ্যা

আইনগত অধিকার:
- যেসব অধিকার রাষ্ট্রের আইন কর্তৃক স্বীকৃত ও অনুমোদিত, সেগুলোকে আইনগত অধিকার বলে।
- আইনগত অধিকারকে বিভিন্ন ভাগে ভাগ করা যায়। যেমন- ক. সামাজিক খ. রাজনৈতিক ও গ. অর্থনৈতিক অধিকার।

ক. সামাজিক অধিকার:
- সমাজে সুখ-শান্তিতে বসবাস করার জন্য আমরা সামাজিক অধিকার ভোগ করি।
- যেমন- জীবন রক্ষার, স্বাধীনভাবে চলাফেরার ও মত প্রকাশের, পরিবার গঠনের, শিক্ষার, আইনের দৃষ্টিতে সমান সুযোগ লাভের, সম্পত্তি লাভের ও ধর্মচর্চার অধিকার ইত্যাদি।

খ. রাজনৈতিক অধিকার:
- নির্বাচনে ভোটাধিকার, নির্বাচিত হওয়া এবং সকল প্রকার অভাব-অভিযোগ আবেদনের মাধ্যমে প্রতিকার পাওয়াকে রাজনৈতিক অধিকার বলে।
- এসব অধিকার ভোগের বিনিময়ে নাগরিকরা রাষ্ট্র পরিচালনায় পরোক্ষভাবে অংশগ্রহণের সুযোগ পায়।

গ. অর্থনৈতিক অধিকার:
- জীবনধারণ করা এবং জীবনকে উন্নত ও এগিয়ে নেওয়ার জন্য রাষ্ট্রপ্রদত্ত অধিকারকে অর্থনৈতিক অধিকার বলে।
- যেমন- যোগ্যতা অনুযায়ী কাজ করার অধিকার, ন্যায্য মজুরি লাভের অধিকার, অবকাশ লাভের অধিকার, শ্রমিকসংঘ গঠনের অধিকার।

তথ্যসূত্র- পৌরনীতি ও নাগরিকতা, নবম ও দশম শ্রেণি।