পরীক্ষা আর্কাইভ

প্রাইমারি জব সল্যুশন

পরীক্ষাDPEতারিখ১৮ মার্চ, ২০২৩সময়50 minutes৭৯ বৈধ · অসম্পূর্ণ
মোট প্রশ্ন৮০
সিলেবাস
রেজিস্টার্ড বেসরকারি প্রাথমিক নিয়োগ পরীক্ষা-২০১১ (টগর) পরীক্ষার তারিখ: ০৯.১২.২০১১
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

প্রাইমারি জব সল্যুশন

DPE · ১৮ মার্চ, ২০২৩ · ৮০ প্রশ্ন

.
পূর্ণ বয়স্ক ব্যক্তির হৃৎপিণ্ডের ওজন কত?
  1. ক) ১ কিলোগ্রাম
  2. খ) ৫০০ গ্রাম
  3. গ) ৩০০ গ্রাম
  4. ঘ) ২০০ গ্রাম
ব্যাখ্যা
-‌ হৃৎপিণ্ড একটি পেশীবহুল অঙ্গ।
- এটি পৌনপৌনিক ছান্দিক সংকোচনের মাধ্যমে রক্তনালীর ভেতর দিয়ে রক্ত সারা দেহে প্রবাহিত করে। এনালাইড, মলাস্কা এবং আর্থোপোডাতেও অনুরূপ অঙ্গ বিদ্যমান।
- স্বাভাবিক পূর্ণবয়স্ক ব্যক্তির হৃৎপিন্ডের ওজন ২৫০-৩৫০ গ্রাম (৯-১২ আউন্স)।
- মানব হৃৎপিন্ড ৪টি মূল প্রকোষ্ঠে বিভক্ত, ডান অলিন্দ ও ডান নিলয় এবং বাম অলিন্দ ও বাম নিলয় ।
.
মাটিতে নাইট্রোজেন আবদ্ধ করতে কোন মৌল সাহায্য করে?
  1. ক) ক্যালসিয়াম
  2. খ) অক্সিজেন
  3. গ) জিংক
  4. ঘ) সোডিয়াম
ব্যাখ্যা
- ক্যালসিয়াম মাটিতে নাইট্রোজেন আবদ্ধ করতে মৌল সাহায্য করে।
- মাটিতে নাইট্রোজেন (N) এর পরিমাণ বৃদ্ধি হয় রাইজোবিয়াম জাতীয় উদ্ভিদের মূলের নডিউলে নাইট্রোজেন সংবন্ধন করে।
- মাটিতে নাইটোজেন, অক্সিজেন, কার্বন-ডাই-অক্সাইড সহ ইত্যাদি বায়ুবীয় পদার্থ উপস্থিত থাকে।
- মাটির উর্বরতা বৃদ্ধিতে সাহায্য করে নাইট্রোজেন।
- বাতাসের নাইট্রোজেন পানিতে মিশে মাটিতে শোষিত হওয়ার পরে মাটির উর্বরতা বৃদ্ধি করে।
- নাইট্রেট হিসাবে উদ্ভিদ মাটি থেকে নাইট্রোজেন গ্রহণ করে।
- উদ্ভিদ মাটি থেকে বেশি পরিমাণে গ্রহণ করে নাইট্রোজেন।

উৎস: বিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
বৈদ্যুতিক পাখা ধীরে ঘুরলে বিদ্যুৎ খরচ—
  1. ক) বেশি হয়
  2. খ) একই হয়
  3. গ) কম হয়
  4. ঘ) খুব কম হয়
ব্যাখ্যা
এই প্রশ্নটির উত্তর দেওয়ার জন্য প্রথমেই আমরা বৈদ্যুতিক পাখার কার্যপ্রণালী সম্পর্কে কিছুটা জেনে নিবো।

প্রথমেই দেখা যাক বৈদ্যুতিক পাখা কীভাবে ঘোরে:

একটি পাখায় একটি বৈদ্যুতিক মোটর এবং কয়েকটি ধাতব ব্লেড (সাধারণত ৩টি), সংযুক্ত থাকে। যখন আমরা একটি পাখার সুইচ অন করি, তখন ভোল্টেজের পার্থক্যের জন্য মোটরটির মধ্য দিয়ে বিদ্যুৎ যায় এবং তার ফলাফল হিসাবেই পাখাটি ঘুরতে থাকে। নিয়ন্ত্রক বা রেগুলেটর মোটরের ভোল্টেজ নিয়ন্ত্রণ করে এবং মোটরের মধ্য দিয়ে প্রবাহিত বিদ্যুতের পরিমাণ কমিয়ে বা বাড়িয়ে দেয়।

সুতরাং, একটি পাখার ভোল্টেজর মাত্রা নিয়ন্ত্রণ সম্পূর্ণরূপে তার নিয়ন্ত্রক বা রেগুলেটরের ওপর নির্ভরশীল। আর একটি পাখার ভোল্টেজের পরিমাণ তার ঘূর্ণন গতির সমানুপাতী, অর্থাৎ ভোল্টেজ যত বাড়বে, পাখার গতিও ততটাই বাড়বে।

এখন, বিভিন্ন রেগুলেটর ও তাদের কর্মপদ্ধতি নিয়ে আলোচনা করা যাক:

এই মুহূর্তে, বাজারে মোটামুটি দুই ধরনের রেগুলেটর পাওয়া যায়—

১) ইলেক্ট্রিক রেগুলেটর (Electric Regulator): এই রেগুলেটরগুলিতে পাখার ভোল্টেজ হ্রাস করার জন্য রোধ বসানো থাকে। যখন পাখার ভোল্টেজ কমানো হয় তখন রোধটি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে আর বিদ্যুৎ সরবরাহ কমার কারণে পাখার গতিও কমে যায়। কিন্তু এর ফলে পাখার ভোল্টেজ তথা গতি কমিয়ে যে বিদ্যুৎ বাঁঁচানো হয়, সেই বিদ্যুৎ এই রোধ-মধ্যস্থ তাপশক্তিতে রূপান্তরিত হয়ে যায়। অর্থাৎ শেষ পর্যন্ত, এই রেগুলেটরের মাধ্যমে পাখার গতি কমিয়ে বিদ্যুৎ খরচ বিশেষ কমে না বললেই চলে।ফলে ইলেকট্রিক্যাল রেগুলেটর ব্যবহার করলে ফ্যানের গতি কম-বেশির সাথে রেগুলেটর লস যথাক্রমে বেশি ও কম হয় ফলে বৈদ্যুতিক পাখার গতি যাই হোক, বিদ্যুৎ খরচ প্রায় একই হয়।

২) ইলেকট্রনিক রেগুলেটর (Electronic Regulator): এই রেগুলেটরগুলিতে পাখার ভোল্টেজ হ্রাস করার জন্য মূলতঃ ট্রায়াক থাকে যার গেটে ট্রিগার নিয়ন্ত্রণ করে ফ্যানের ভোল্টেজের সাইন ওয়েভকে নিয়ন্ত্রণ করা হয় এবং ভোল্টেজের আরএমএস ভ্যালুকে পরিবর্তণ করে ফ্যানের গতি নিয়ন্ত্রণ করা হয়। এইগুলি কখনই গরম হয়ে ওঠে না, ফলে পাখা যখন কম গতিতে চলে তখন যথেষ্ট বিদ্যুৎ সাশ্রয় হয়। সাধারণত ইলেকট্রনিক রেগুলেটরগুলি ইলেক্ট্রিক রেগুলেটরগুলির থেকে প্রায় ৪০ শতাংশ বেশী বিদ্যুতসাশ্রয়ী।

তাই সবশেষে বলা যেতে পারে, বৈদ্যুতিক পাখা কম গতিতে চালালে বিদ্যুৎ খরচ তখনই কম হবে যখন ইলেক্ট্রিক রেগুলেটরের পরিবর্তে ইলেকট্রনিক রেগুলেটর ব্যবহৃত হবে।
.
সমুদ্রের গভীরতা মাপা হয় কোন যন্ত্র দিয়ে?
  1. ক) জাইরো কম্পাস
  2. খ) সাবমেরিন
  3. গ) অ্যানিওমিটার
  4. ঘ) ফ্যাদোমিটার
ব্যাখ্যা
ফ্যাদোমিটার - সমুদ্রের গভীরতা নির্ণায়ক যন্ত্র।
জাইরাে কম্পাস - জাহাজের দিক নির্ণয়ের যন্ত্র।
অ্যানিওমিটার - বাতাসের গতিবেগ ও শক্তি পরিমাপক যন্ত্র।
.
কোন মৌলিক পদার্থ পৃথিবীতে বেশি আছে?
  1. ক) অক্সিজেন
  2. খ) হাইড্রোজেন
  3. গ) লৌহ
  4. ঘ) নাইট্রোজেন
ব্যাখ্যা
• ভূত্বকের প্রধান উপাদান বা সবচেয়ে বেশি পরিমাণে পাওয়া যায় অক্সিজেন।
- ভূত্বকে অক্সিজেনের পরিমাণ- ৪২.৭%, 
- সিলিকনের পরিমাণ- ২৭.৭%,
- অ্যালুমিনিয়ামের পরিমাণ- ৮.১%,
- লোহা বা আয়রনের পরিমাণ- ৫.১%, 
- ক্যালসিয়ামের পরিমাণ- ৩.৭%
- সোডিয়ামের পরিমাণ- ২.৮%,
- পটাসিয়ামের পরিমাণ- ২.৬% এবং
- ম্যাগনেসিয়ামের পরিমাণ- ২.১%।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।
.
কোনটি রাসায়নিক পরিবর্তন নয়?
  1. ক) লোহাতে মরিচা পড়া
  2. খ) হাইড্রোজেন ও অক্সিজেন পানি তৈরি করা
  3. গ) বরফকে পানিতে পরিণত করা
  4. ঘ) চাল সিদ্ধ করে ভাতে পরিণত করা
ব্যাখ্যা
• যে পরিবর্তনের ফলে এক বা একাধিক বস্তু প্রত্যেকে তার নিজস্ব সত্তা হারিয়ে সম্পূর্ণ নতুন ধর্ম বিশিষ্ট এক বা একাধিক নতুন বস্তুতে পরিণত হয় তাকে রাসায়নিক পরিবর্তন বলে। যেমন:
- লোহায় মরিচা পড়া।
- দুধকে ছানায় পরিণত করা।
- লোহাতে মরিচা পড়া।
- হাইড্রোজেন ও অক্সিজেন পানি তৈরি করা।
- চাল সিদ্ধ করলে ভাতে পরিণত হয়।
- দিয়াশলাইয়ের কাঠি জ্বালানো ইত্যাদি।

• আবার যে পরিবর্তনের ফলে পদার্থের শুধু বাহ্যিক আকার বা অবস্থার পরিবর্তন হয় কিন্তু নতুন কোনো পদার্থে পরিণত হয় না তাকে ভৌত বা অবস্থানগত পরিবর্তন করে। যেমন:
- তাপ দিয়ে মোম গলানো।
- পানিকে ঠান্ডা করে বরফে এবং তাপ দিয়ে জলীয় বাষ্পে পরিণত করা।
- একটি লোহার টুকরাকে চুম্বক দ্বারা ঘর্ষণ করে চুম্বকে পরিণত করা ইত্যাদি।

উৎস: রসায়ন বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
.
কম্পিউটারে মেকানিক্যাল ডিভাইসকে বলা হয়-
  1. ক) সফটওয়্যার
  2. খ) ডাটা
  3. গ) হার্ডওয়্যার
  4. ঘ) ইউজার
ব্যাখ্যা
কম্পিউটারের মেকানিক্যাল ডিভাইসকে বলা হয় হার্ডওয়্যার
কম্পিউটারের সাংগঠনিক কাঠামোর যে সকল যন্ত্রপাতি আমরা দেখতে পারি, স্পর্শ করতে পারি, যার বস্তুগত আয়তন আছে, তার সমষ্টিকেই হার্ডওয়্যার বলে।
হার্ডওয়্যার ছাড়া সফটওয়্যার অচল, এর কোন মূল্য নেই।

কম্পিউটার হার্ডওয়্যারকে প্রাথমিকভাবে তিন ভাগে ভাগ করা যায়। যথা -
১. ইনপুট ইউনিট,
২. কেন্দ্রীয় প্রক্রিয়াকরণ ইউনিট এবং
৩. আউটপুট ইউনিট।
.
'অয়োময়' নাটকটির রচয়িতা কে?
  1. ক) ইমদাদুল হক মিলন
  2. খ) সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
  3. গ) মমতাজউদদীন আহমেদ
  4. ঘ) হুমায়ূন আহমেদ
ব্যাখ্যা
• হুমায়ূন আহমেদের একটি বিখ্যাত নাটক অয়োময়‌
- ক্ষয়িষ্ণু জমিদার প্রথা নাটকটির মূল উপজীব্য।
- নাটকটি মূলত জমিদার মির্জা সাহেবের বিচিত্র চরিত্রকে কেন্দ্র করেই আবর্তিত।
- একসময় জমিদার নিজে জমিদারি প্রথার প্রতি বীতশ্রদ্ধ হয়ে গভীর রাতে সংসার ত্যাগ করেন।

উৎস: শীকর বাংলা প্রশ্ন-পাঠ, মোহসীনা নাজিলা।
.
'পদ্মানদীর মাঝি' কার লেখা?
  1. ক) মুনীর চৌধুরী
  2. খ) মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
  3. গ) শরৎচন্দ্র
  4. ঘ) বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
ব্যাখ্যা
- মানিক বন্দ্যোপাধ্যায় রচিত 'পদ্মানদীর মাঝি' একটি উপন্যাস।

• পদ্মানদীর মাঝি:
- পদ্মা তীরবর্তী ধীবর- জীবন এর মূল কাহিনি।
- উল্লেখযোগ্য চরিত্র - কুবের, কপিলা, মালা, ধনঞ্জয়, গণেশ, শীতলবাবু, হোসেন মিঞা ইত্যাদি।
- উপন্যাসে "আমারে নিবা মাঝি লগে?"- বিখ্যাত সংলাপটি কপিলা, কুবের কে উদ্দেশ্য করে বলে ।
- মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রকৃত নাম প্রবোধকুমার বন্দোপাধ্যায়, ‘মানিক' তাঁর ডাকনাম।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর এবং পদ্মানদীর মাঝি।
১০.
‘আবার আসিব ফিরে ধানসিঁড়িটির তীরে'- কোন কবির কবিতা থেকে নেয়া?
  1. ক) জীবনানন্দ দাশ
  2. খ) মাইকেল মধুসূদন দত্ত
  3. গ) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
  4. ঘ) গিরিশচন্দ্র সেন।
ব্যাখ্যা
• ‘আবার আসিব ফিরে ধানসিঁড়িটির তীরে'- জীবনানন্দ দাশ রচিত কবিতা থেকে নেয়া হয়েছে।

- জীবনানন্দ দাশ ১৮৯৯ সালের ১৭ ফেব্রুয়ারি বরিশালে জন্মগ্রহণ করেন। তাঁদের আদি নিবাস ছিল বিক্রমপুরের গাওপাড়া গ্রামে।
- জীবনানন্দ দাশকে ধূসরতার কবি বলা হয়।
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর জীবনানন্দ দাশের কবিতাকে চিত্ররূপময় কবিতা বলেছেন।

• জীবনানন্দ দাশ রচিত কাব্যগ্রন্থ:
- ঝরাপালক (প্রথম প্রকাশিত),
- ধূসর পান্ডুলিপি,
- বনলতা সেন,
- রূপসী বাংলা,
- মহাপৃথিবী,
- সাতটি তারার তিমির,
- বেলা অবেলা কালবেলা ইত্যাদি।

• ‘সেইদিন এই মাঠ’ কবিতাটি রূপসী বাংলা কাব্যগ্রন্থভুক্ত প্রথম কবিতা। ‘রূপসী বাংলা’ প্রকাশিত হয় কবির মৃত্যুর পর, ১৯৫৭ সালে। গ্রন্থটি উৎসর্গ করা হয় ‘আবহমান বাংলা, বাঙালী’কে।
• ‘রূপসী বাংলা’ ১৯৫৭ সালে প্রকাশিত হয়। কবিতাগুলির গঠন সনেটের। এদের বিষয় বাংলার গ্রাম-প্রিকৃতি, নদীনালা, পশু-পাখি, উৎসব, অনুষ্ঠান। এ কাব্যের একটি বিখ্যাত পঙক্তি হলো-
‘আবার আসিব ফিরে ধানসিঁড়িটির তীরে এই বাংলায়’

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা এবং বাংলাপিডিয়া।
১১.
‘বৃষ্টি’-এর সন্ধি বিচ্ছেদ কি হবে?
  1. ক) বৃ + টি
  2. খ) বৃশ + টি
  3. গ) বৃষ + তি
  4. ঘ) বৃষ + টি
ব্যাখ্যা
• ষ্‌ এর পরে ত্‌ বা থ্‌ থাকলে ত্‌ ও থ্‌ স্থানে যথাক্রমে ট ও ঠ হয়।
যেমন-
বৃষ্টি - বৃষ্‌ + তি
কৃষ্টি - কৃষ্‌ + তি
ষষ্ঠ - ষষ্‌ +থ

উৎসঃ বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি এবং ভাষা-শিক্ষা, ড.হায়াৎ মামুদ
১২.
কোন বানানটি শুদ্ধ?
  1. ক) সায়ত্বশাসন
  2. খ) স্বায়ত্তশাসন
  3. গ) সায়ত্তশাসন
  4. ঘ) স্বায়ত্বশাসন
ব্যাখ্যা
• সঠিক বানানটি হচ্ছে স্বায়ত্তশাসন।

- স্বায়ত্তশাসন হলো সংবিধান স্বীকৃত উপায়ে প্রদেশে 'স' শাসন প্রতিষ্ঠা করা।
- অর্থাৎ সংবিধানের আওতাধীন কেন্দ্রীয় সরকারের নিয়ন্ত্রণ মুক্ত থেকে প্রাদেশিক সরকার পরিচালনা করাকে স্বায়ত্তশাসন বলা হয়।

উৎসঃ প্রমিত বাংলা বানান রীতি ও বাংলা একাডেমির অভিধান।
১৩.
‘বিশ্বকবি' সমাস কি হবে?
  1. ক) বিশ্বরূপ কবি
  2. খ) যিনি বিশ্বের কবি
  3. গ) বিশ্ব ও কবি
  4. ঘ) বিশ্বের কবি
ব্যাখ্যা
- প্রদত্ত প্রশ্নের সঠিক উত্তর হচ্ছে বিশ্বের কবি।
‘বিশ্বকবি' - এর ব্যাসবাক্য 'বিশ্বের কবি' যা ষষ্ঠী তৎপুরুষ সমাস।
১৪.
নিচের কোন বানানটি অশুদ্ধ?
  1. ক) জবা কুসুম
  2. খ) তিমির বিদারী
  3. গ) সলীল সমাধী
  4. ঘ) যৌবন সূর্য
ব্যাখ্যা
- উল্লেখিত প্রশ্নের অপশগুলোর মধ্যে সলীল সমাধী বানানটি অশুদ্ধ। এর সঠিক বানান হচ্ছে সলিল সমাধি।
- অপশনের বাকি বানানগুলো সঠিক।

• 'Watery grave'-এর অর্থ = সলিল সমাধি।
সলিল অর্থ হচ্ছে  পানি, water.
সলিল সমাধি (noun) watery grave; drowning; (figurative) utter/ irrevocable loss.
'সলিল' 'পানি' এর প্রতিশব্দ। 

উৎস: আধুনিক বাংলা অভিধান, বাংলা একাডেমি।
১৫.
হাট-বাজার কোন অর্থে দ্বন্দ্ব?
  1. ক) মিলনার্থে
  2. খ) সমার্থে
  3. গ) বিপরীতার্থে
  4. ঘ) বিয়োগার্থে
ব্যাখ্যা
• প্রদত্ত প্রশ্নে হাট-বাজার সমার্থে দ্বন্দ্ব।
হাট-বাজার, ঘর-দুয়ার, কল-কারখানা, মোল্লা-মৌলভী, খাতা-পত্র ইত্যাদি সমার্থক শব্দ যোগে গঠিত দ্বন্দ্ব সমাস।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ নবম-দশম শ্রেণি।
১৬.
"তিনি চোখে দেখেন না' বাক্যে চোখ কোন কারক?
  1. ক) সম্প্রদান
  2. খ) করণ
  3. গ) অধিকরণ
  4. ঘ) অপাদান
ব্যাখ্যা
- "তিনি চোখে দেখেন না' বাক্যে চোখ হচ্ছে করণ কারক।

• করণ কারক
- যার দ্বারা বা যার সাহায্যে ক্রিয়া সম্পাদিত হয় তাকে করণ কারক বলে।
- ‘করণ' শব্দের অর্থ উপায় বা সহায়।
- বাক্যের ক্রিয়াপদকে ‘কার দ্বারা' বা 'কী উপায়ে' জিজ্ঞাসা করলে যে উত্তর পাওয়া যায় তা-ই করণ কারক।
১৭.
'আয়ু যেন পদ্ম পাতায় নীর'- বাক্যে পদ্ম পাতায় কোন কারক?
  1. ক) কর্মকারক
  2. খ) করণ কারক
  3. গ) অপাদান কারক
  4. ঘ) অধিকরণ কারক
ব্যাখ্যা
- উল্লেখিত বাক্যে পদ্ম পাতায় অধিকরণ কারক

• অধিকরণ কারক:
ক্রিয়ার আধারকে বলা হয় অধিকরণ কারক। আধার বলতে ক্রিয়া নিষ্পন্ন হওয়ার স্থান, কাল ও ভাবকে বােঝায়।
অর্থাৎ ক্রিয়া সম্পাদনের কাল এবং আধারকে বলা হয় অধিকরণ কারক।
বাক্যের ক্রিয়াপদকে কোথায়, কখন ও কোনাে বিষয় বােঝাতে অধিকরণ কারক হয়।
অধিকরণ কারকে সপ্তমী বিভক্তি অর্থাৎ এ, য়, তে ইত্যাদি বিভক্তি যুক্ত হয়।
যেমন- আধার (স্থান) : আমরা প্রতিদিন কলেজে যাই। কাল (সময়) সকালে সূর্য উঠবে।

• অধিকরণ কারকের উদাহরণ - 
- তিলে তৈল আছে - অধিকরণ কারকে ৭মী বিভক্তি 
- কাননে কুসুম কলি সকলি ফুটিল - অধিকরণ কারকে ৭মী বিভক্তি 
- শিশুগণ দেয় মন নিজ নিজ পাঠে  - অধিকরণ কারকে শূন্য বিভক্তি
- পাতায় পাতায় পড়ে শিশির নিশির - অধিকরণ কারকে ৭মী বিভক্তি 
- বাংলাদেশ আমাদের জন্মভূমি - অধিকরণ কারকে শূন্য বিভক্তি
- বন্যেরা বনে সুন্দর - অধিকরণ কারকে ৭মী বিভক্তি 
- ছাদে পানি আছে - অধিকরণ কারকে ৭মী বিভক্তি 
- কপালের লিখন যায় না খণ্ডন - অধিকরণ কারকে ষষ্ঠী বিভক্তি

উৎস: মাধ্যমিক বাংলা ২য় পত্র, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৮.
'যে বহু বিষয় জানে'- এক কথায়-
  1. ক) বহুদর্শী
  2. খ) সর্বজ্ঞ
  3. গ) সবজান্তা
  4. ঘ) কোনোটিই নয়
ব্যাখ্যা

বহুদর্শী - যে বহু বিষয়ে জানে; বিবিধ বিষয় সম্পর্কে অভিজ্ঞ; বিচক্ষণ
সবজান্তা - সব বিষয়ে জানে এমন; সর্বজ্ঞ
বহুজ্ঞ - বহুবিষয়বিদ; অনেক বিষয় জানে এমন।

উৎস: বাংলা একাডেমি অভিধান।

১৯.
'কর দান করে যে'- এক কথায়-
  1. ক) অধীন
  2. খ) আশ্রিত
  3. গ) করদ
  4. ঘ) প্রজা
ব্যাখ্যা
'কর দান করে যে'- এক কথায় 'করদ' বলে।

• গুরুত্বপূর্ণ কিছু এক কথায় প্রকাশ:
- 'পাওয়ার ইচ্ছা' এর এক কথায় প্রকাশ- ঈপ্সা,
- 'জয় করার ইচ্ছা' এর এক কথায় প্রকাশ- জিগীষা,
- 'ভোজন করার ইচ্ছা' এর এক কথায় প্রকাশ- বুভুক্ষা,
- 'লাভ করার ইচ্ছা' এর এক কথায় প্রকাশ- লিপ্সা,
- 'দেখবার ইচ্ছা' এর এক কথায় প্রকাশ- দিদৃক্ষা,
- 'মুক্তি লাভে/পেতে ইচ্ছুক এর এক কথায় প্রকাশ- মুমুক্ষা।

উৎস: ভাষা-শিক্ষা, হায়াৎ মামুদ, বাংলা একাডেমি অভিধান।
২০.
নিচের কোনটি 'আকাশ' শব্দের সমার্থক নয়?
  1. ক) অন্তরীক্ষ
  2. খ) হিমাংশু
  3. গ) অম্বর
  4. ঘ) ব্যোম
ব্যাখ্যা
• আকাশ শব্দের সমার্থক হচ্ছে - আসমান, অম্বর, গগন, নভঃ, নভোমণ্ডল, খ, ব্যোম, দ্যু, অন্তরীক্ষ

• অপরদিকে,
চাঁদ এর সমার্থক হচ্ছে - শশী, শশধর, শশাঙ্ক, শুধাংশু, হিমাংশু, সুধাকর, সুধাংশু, হিমাংশু, সোম, বিধু, ইন্দু, নিশাকর ইত্যাদি।

উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।
২১.
'হাতের পাঁচ'-এর সঠিক অর্থ কোনটি?
  1. ক) নিকট জন
  2. খ) পরমাত্মীয়
  3. গ) বন্ধু
  4. ঘ) শেষ সম্বল
ব্যাখ্যা
• হাতের পাঁচ বাগধারা অর্থ শেষ সম্বল।

এছাড়াও,
'হাত ধুয়ে বসা' বাগধারাটির অর্থ হচ্ছে আশা ত্যাগ করা, দায়িত্ব এড়িয়ে চলা, নিশ্চিতবোধ করা।
হাতটান বাগধারাটির অর্থ হচ্ছে চুরির অভ্যাস।
হাত জুড়ানো বাগধারাটির অর্থ শাস্তি লাভ করা।
২২.
'ঔদ্ধত্য'-এর বিপরীতার্থক শব্দ-
  1. ক) স্তদ্ধ
  2. খ) বিনয়
  3. গ) গম্ভীর
  4. ঘ) মাথা নত করা
ব্যাখ্যা
- 'ঔদ্ধত্য' এর বিপরীতার্থক শব্দ - বিনয়।

• গুরুত্বপূর্ণ কিছু বিপরীতার্থক শব্দ হচ্ছে -
নম্রতা - ঔদ্ধত্য।
ব্যষ্টি - সমষ্টি।
নানা - এক। 
নগণ্য - গণ্য।
প্রশস্ত - সংকীর্ণ। 
নশ্বর - শ্বাশত। 
শত্রু - মিত্র। 
যোজক - প্রণালি।

উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।
২৩.
টাকায় ৪টি করে লিচু কিনে ৫টি করে বিক্রয় করলে শতকরা কত ক্ষতি হবে?
  1. ক) ২০%
  2. খ) ১৫%
  3. গ) ৩০%
  4. ঘ) ২৫%
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: টাকায় ৪টি করে লিচু কিনে ৫টি করে বিক্রয় করলে শতকরা কত ক্ষতি হবে?

সমাধান:
৫টি লিচুর বিক্রয়মূল্য ১ টাকা
∴ ১টি লিচুর বিক্রয়মূল্য (১/৫) টাকা
∴ ৪টি লিচুর বিক্রয়মূল্য (৪/৫) টাকা

∴ ক্ষতি = ১ - (৪/৫) = ১/৫ টাকা 

১ টাকায় ক্ষতি হয় (১/৫) টাকা
∴ ১০০ টাকায় ক্ষতি হয় (১০০/৫) টাকা = ২০ টাকা 
২৪.
৩৬ টাকা ডজন দরে কলা ক্রয় করে ২০% লাভে বিক্রয় করা হল। এক কুড়ি কলার বিক্রয়মূল্য কত হবে?
  1. ক) ৬০ টাকা
  2. খ) ৬২ টাকা
  3. গ) ৭২ টাকা
  4. ঘ) ৭৫ টাকা
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: ৩৬ টাকা ডজন দরে কলা ক্রয় করে ২০% লাভে বিক্রয় করা হল। এক কুড়ি কলার বিক্রয়মূল্য কত হবে?

সমাধান: 
১২ টি কলার ক্রয়মূল্য = ৩৬ টাকা
∴ ১টি কলার ক্রয়মূল্য = ৩৬/১২ = ৩ টাকা

২০% লাভে
ক্রয়মূল্য ১০০ হলে বিক্রয়মূল্য ১২০ টাকা
∴ ক্রয়মূল্য ১ টাকা হলে বিক্রয়মূল্য = ১২০/১০০ টাকা
∴ ক্রয়মূল্য ৩ টাকা হলে বিক্রয়মূল্য = (১২০ × ৩)/১০০ টাকা = ৩.৬ টাকা

আবার,
১টির বিক্রয়মূল্য = ৩.৬ টাকা
∴ ২০টির বিক্রয়মূল্য = (৩.৬ × ২০) টাকা = ৭২ টাকা
২৫.
পিতা ও তিন পুত্রের বয়স অপেক্ষা মাতা ও উক্ত তিন পুত্রের বয়সের গড় ১ (১/২) বছর কম। মাতার বয়স ৩০ বছর হলে পিতার বয়স কত?
  1. ক) ২৮ (১/২) বছর
  2. খ) ৩০ বছর
  3. গ) ৩১ (১/২) বছর
  4. ঘ) ৩৬ বছর
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: পিতা ও তিন পুত্রের বয়স অপেক্ষা মাতা ও উক্ত তিন পুত্রের বয়সের গড় ১ (১/২) বছর কম। মাতার বয়স ৩০ বছর হলে পিতার বয়স কত?

সমাধান: 
মাতা ও তিনপুত্র অর্থাৎ মোট চারজনের প্রত্যেকের বয়স গড়ে ১.৫ বছর কম হয়।

∴ মোট বয়স কম হয় = ৪ x ১.৫ = ৬ বছর

∴ পিতার বয়স = ৩০ + ৬ = ৩৬ বছর।
২৬.
১৫ জনের গড় বয়স ২৯ বছর। তাদের আবার দুজন। তাদের আবার দু’জন ছাত্রের বয়সের গড় ৫৫ বছর। তাহলে বাকি ১৩ জন ছাত্রের বয়সের গড় কত হবে?
  1. ক) ২৫ বছর
  2. খ) ২৬ বছর
  3. গ) ২৭ বছর
  4. ঘ) ২৮ বছর
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: ১৫ জনের গড় বয়স ২৯ বছর। তাদের আবার দুজন। তাদের আবার দু’জন ছাত্রের বয়সের গড় ৫৫ বছর। তাহলে বাকি ১৩ জন ছাত্রের বয়সের গড় কত হবে?

সমাধান: 
১৫ জন ছাত্রের বয়সের গড় ২৯ বছর
∴ ১৫ জন ছাত্রের মোট বয়স = (২৯ × ১৫) = ৪৩৫ বছর

দুজন ছাত্রের বয়সের গড় ৫৫ বছর
দুজন ছাত্রের মোট বয়স (৫৫ × ২) = ১১০ বছর

∴ ১৩ জন ছাত্রের মোট বয়স = (৪৩৫ - ১১০) বছর
= ৩২৫ বছর

∴ ১৩ জন ছাত্রের বয়সের গড় = (৩২৫/১৩) বছর
= ২৫ বছর
২৭.
কোনো ত্রিভুজের একটি বাহু উভয় দিকে বর্ধিত করার উৎপন্ন বহিঃস্থ কোণগুলো পরস্পর সমান হলে ত্রিভুজটি-
  1. ক) বিষমবাহু
  2. খ) সমদ্বিবাহু
  3. গ) সমবাহু
  4. ঘ) সমকোণী
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: কোনো ত্রিভুজের একটি বাহু উভয় দিকে বর্ধিত করার উৎপন্ন বহিঃস্থ কোণগুলো পরস্পর সমান হলে ত্রিভুজটি-

সমাধান: 
- একটি ত্রিভুজের একটি বাহুকে উভয়দিকে বর্ধিত করলে বহিঃস্থ কোণগুলো সমান হলে ত্রিভুজের অন্তস্থ কোণগুলোও সমান হয়।
- সুতরাং এটা নিশ্চিতভাবে বলা যায় যে ত্রিভুজটির অন্তত দুটি বাহু পরস্পর সমান।

সঠিক উত্তর: সমদ্বিবাহু ত্রিভুজ। ত্রিভুজটি সমবাহু হতে পারে আবার নাও হতে পারে।


২৮.
একটি সমকোণী ত্রিভুজের সমকোণ ছাড়া অন্য দুটি কি কোণ?
  1. ক) সন্নিহিত কোণ
  2. খ) সরলকোণ
  3. গ) সূক্ষ্মকোণ
  4. ঘ) পূূরককোণ
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: একটি সমকোণী ত্রিভুজের সমকোণ ছাড়া অন্য দুটি কি কোণ?

সমাধান:

সূক্ষকোণ:  এক সমকোণ অথবা ৯০ডিগ্রী অপেক্ষা ছোট কোণকে সূক্ষকোণ বলে।

সমকোণ:  একটি সরল রেখার উপর অন্য একটি লম্ব টানলে এবং লম্বের দু’পাশে অবস্থিত ভূমি সংলগ্ন কোণ দুটি সমান হলে, প্রতিটি কোণকে সমকোণ বলে। এক সমকোণ = ৯০ডিগ্রী।

একটি ত্রিভুজের তিন কোণের সমষ্টি ১৮০ ডিগ্রী। 
অতএব, ত্রিভুজের একটি কোন ৯০ ডিগ্রি অপর দুইটি কোন ৯০ ডিগ্রী অপেক্ষা কম।
২৯.
P+1/P = 5 হলে, P3+ 1/P3 = কত?
  1. ক) 100
  2. খ) 105
  3. গ) 115
  4. ঘ) 110
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: p + (1/p) = 5 হলে, p3 + (1/p3) = কত? 

সমাধান: 
দেওয়া আছে,
p + (1/p) = 5 

এখন,
p3 + (1/p3)
= {p + (1/p)}3 - 3.p.1/p{p + (1/p)} 
= (5)3 - 3(5)
= 125 - 15
= 110
৩০.
a+b = 12 এবং ab = 35 হলে  ‍a2+b2 এর মান কত হবে?
  1. ক) 4
  2. খ) 49
  3. গ) 74
  4. ঘ) 214
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: a + b = 12 এবং ab = 35 হলে, a2 + b2 এর মান কত হবে? 

সমাধান: 
দেওয়া আছে,
a + b = 12

এখন,
a2 + b2
= (a + b)2 - 2ab
= (12)2 - 2 × 35
= 144 - 70
= 74 
৩১.
যদি ১২ জন পুরুষ অথবা ১৮ জন মহিলা কাজ করে ১৪ দিন, তাহলে ৮ জন পুরুষ এবং ১৬ জন মহিলা একত্রে কাজটি করতে কতদিন সময় লাগবে?
  1. ক) ৫ দিন
  2. খ) ৬ দিন
  3. গ) ৭ দিন
  4. ঘ) ৯ দিন
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: যদি ১২ জন পুরুষ অথবা ১৮ জন মহিলা কাজ করে ১৪ দিন, তাহলে ৮ জন পুরুষ এবং ১৬ জন মহিলা একত্রে কাজটি করতে কতদিন সময় লাগবে?

সমাধান: 
১২ জন পুরুষের কাজ = ১৮ জন মহিলার কাজ
∴৮ জন পুরুষের কাজ = {(১৮×৮)/১২} জন মহিলার কাজ
= ১২

∴ মােট মহিলা = (১২ + ১৬) = ২৮ জন

১৮ জন মহিলা কাজটি করে ১৪ দিনে
∴২৮ জন মহিলা কাজটি করে = {(১৪×১৮)/২৮} দিনে
= ৯ দিন।
৩২.
একটি তেলপূর্ণ পাত্রের ওজন ৩২ কেজি এবং অর্ধেক তেল থাকাকালীন পাত্রের ওজন ২০ কেজি। পাত্রটির ওজন কত?
  1. ক) ৮ কেজি
  2. খ) ১০ কেজি
  3. গ) ১২ কেজি
  4. ঘ) ১৪ কেজি
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: একটি তেলপূর্ণ পাত্রের ওজন ৩২ কেজি এবং অর্ধেক তেল থাকাকালীন পাত্রের ওজন ২০ কেজি। পাত্রটির ওজন কত?

সমাধান: 
ধরি,
পাত্রের ওজন x কেজি
.’. সম্পূর্ণ তেলের ওজন = ৩২–x কেজি
অর্ধেক তেলের ওজন = ২০–x কেজি

শর্তমতে,
৩২–x = ২(২০–x)
বা, ৩২–x = ৪০–২x
বা, –x + ২x = ৪০–৩২
বা, x = ৮
৩৩.
১০ বছর আগে A-এর বয়স ছিল B-এর বয়সের অর্ধেক। যদি তাদের বর্তমান বয়সের অনুপাত ৩:৪ হয়, তবে তাদের বর্তমানে মোট বয়স কত?
  1. ক) ২০ বছর
  2. খ) ২৫ বছর
  3. গ) ৩৫ বছর
  4. ঘ) ৪৫ বছর
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: ১০ বছর আগে A-এর বয়স ছিল B-এর বয়সের অর্ধেক। যদি তাদের বর্তমান বয়সের অনুপাত ৩:৪ হয়, তবে তাদের বর্তমানে মোট বয়স কত?

সমাধান: 
ধরি,
ক - এর বর্তমান বয়স = ৩x
খ - এর বর্তমান বয়স = ৪x

১০ বছর আগে ক - এর বয়স = (৩x - ১০) বছর
১০ বছর আগে খ - এর বয়স = (৪x - ১০) বছর

 প্রশ্নমতে,
(৪x – ১০) = (৩x – ১০)*২
⇒ ৪x – ১০ = ৬x – ২০
⇒ ২x = ১০
∴  x = ৫

∴ ক - এর বর্তমান বয়স = ৩ ×৫ = ১৫
∴ খ - এর বর্তমান বয়স = ৪x৫ = ২০

∴ বর্তমানে তাদের মোট বয়স = ১৫ + ২০ = ৩৫ বছর
৩৪.
ক ও খ-এর বেতনের অনুপাত ৭:৫। ক, খ অপেক্ষা ৪০০ টাকা বেশি বেতন পেলে খ-এর বেতন কত?
  1. ক) ৯০০ টাকা
  2. খ) ১০০০ টাকা
  3. গ) ১১০০ টাকা
  4. ঘ) ১৬০০ টাকা
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: ক ও খ-এর বেতনের অনুপাত ৭:৫। ক, খ অপেক্ষা ৪০০ টাকা বেশি বেতন পেলে খ-এর বেতন কত?

সমাধান: 
ধরি, 
খ এর বেতন x
∴ ক এর বেতন x + ৪০০

প্রশ্নমতে,
(x + ৪০০)/x = ৭/৫
⇒ ৫x + ২০০০ = ৭x
⇒ ৭x - ৫x = ২০০০
⇒ ২x = ২০০০
∴ x = ১০০০ 

∴ খ এর বেতন ১০০০ টাকা 
৩৫.
৪৮০ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে ২৮৮ জন পাস করলে শতকরা কতজন পাস করল?
  1. ক) ৮০%
  2. খ) ৭০%
  3. গ) ৬৫%
  4. ঘ) ৬০%
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: ৪৮০ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে ২৮৮ জন পাস করলে শতকরা কতজন পাস করল? 

সমাধান: 
৪৮০ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে পাস করে ২৮৮ জন
∴ ১ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে পাস করে (২৮৮/৪৮০) জন
∴ ১০০ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে পাস করে (২৮৮ × ১০০)/৪৮০ জন = ৬০ জন 

∴ শতকরা পাস করলো ৬০% 
৩৬.
৮৪, ৪০, ১৮-এর পরবর্তী সংখ্যাটি কত?
  1. ক) ১৬
  2. খ) ১২
  3. গ) ৯
  4. ঘ) ৭
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: ৮৪, ৪০, ১৮-এর পরবর্তী সংখ্যাটি কত?

সমাধান:
এখানে, 
( ৭ × ২) + ৪ = ১৮
( ১৮ × ২) + ৪ = ৪০
( ৪০ × ২) + ৪ = ৮৪

∴ পরবর্তী সংখ্যাটি হবে ৭ 
৩৭.
৭, ১০, ১৬, ২৮, ৫২, ......... ধারাটির পরবর্তী সংখ্যা কত?
  1. ক) ১০০
  2. খ) ১০৪
  3. গ) ১৩০
  4. ঘ) ১৫২
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: ৭, ১০, ১৬, ২৮, ৫২, ......... ধারাটির পরবর্তী সংখ্যা কত?

সমাধান: 
এখানে, 

৭ + ৩ = ১০
১০ + ৬ = ১৬
১৬ + ১২ = ২৮
২৮ + ২৪ = ৫২
∴ ৫২ + ৪৮ = ১০০
৩৮.
‘নায়াগ্রা জলপ্রপাত' কোথায় অবস্থিত?
  1. ক) এশিয়া
  2. খ) উত্তর আমেরিকা
  3. গ) আফ্রিকা
  4. ঘ) দক্ষিণ আমেরিকা
ব্যাখ্যা
নায়াগ্রা জলপ্রপাত:
- নায়াগ্রা জলপ্রপাত, উত্তর আমেরিকা মহাদেশের উত্তর-পূর্ব পাশের সবচেয়ে বিখ্যাত দর্শনীয় স্থান।
- মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের অন্টারিও, কানাডা এবং নিউইয়র্ক রাজ্যের সীমান্তে এই জলপ্রপাতটি অবস্থিত৷

সোর্স: ব্রিটানিকা
৩৯.
পৃথিবীতে সর্বোচ্চ কার্বন ডাইঅক্সাইড নিঃসরণকারী দেশ-
  1. ক) জাপান
  2. খ) যুক্তরাজ্য
  3. গ) যুক্তরাষ্ট্র
  4. ঘ) জার্মানি
অনির্ধারিত
ব্যাখ্যা
পৃথিবীতে সর্বোচ্চ কার্বন ডাইঅক্সাইড নিঃসরণকারী দেশ- চীন (২৯.১৮%)
দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে - যুক্তরাষ্ট্র (১৪.০২%)

অপশনে সঠিক না থাকায় বাতিক করা হয়েছে। 
৪০.
'দারফুর' কোথায় অবস্থিত?
  1. ক) কঙ্গো
  2. খ) নাইজেরিয়া
  3. গ) জিম্বাবুয়ে
  4. ঘ) সুদান
ব্যাখ্যা
- দারফুর সুদানের পশ্চিমাঞ্চলে অবস্থিত একটি স্বায়ত্তশাসিত অঞ্চল।
- অঞ্চলটি তিনটি স্বায়ত্বশাসিত প্রদেশ নিয়ে গঠিত।
- এই তিনটি প্রদেশ হচ্ছেঃ পশ্চিম দারফুর, দক্ষিণ দারফুর এবং উত্তর দারফুর।

উৎসঃ ওয়ার্ল্ড এটলাস
৪১.
নিচের কোনটির অভাবে গলগণ্ড রোগ হয়?
  1. ক) ভিটামিন এ
  2. খ) ভিটামিন সি
  3. গ) আয়োডিন
  4. ঘ) প্রোটিন
ব্যাখ্যা
গলগণ্ড 
- গলগণ্ড মানবদেহের থাইরয়েড গ্রন্থির রোগ।
- খাবারে আয়োডিনের অভাব থাকলে থাইরয়েডের গ্রন্থির আয়তন অস্বাভাবিকভাবে বেড়ে গলগন্ডের সৃষ্টি করে।
- আয়োডিনের অভাবে বা অতিরিক্ত থাইরক্সিন নিঃসরণের কারণে গলগণ্ড হয়।
- গলগন্ড কয়েক রকমের: মৃদু, গন্ডিল (nodular), গ্রন্থিল (adenomatous) এবং ব্যাপ্ত-কলাবৃদ্ধিজনিত (diffusely hyperplastic)। 

সূত্র: জীববিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪২.
ইউরোপিয়ান ইউনিয়নের 'সদর দফতর' কোথায় অবস্থিত?
  1. ক) লন্ডন
  2. খ) ব্রাসেলস
  3. গ) হেগ
  4. ঘ) প্যারিস
ব্যাখ্যা
- রোম চুক্তির মাধ্যমে ১৯৫৮ সালের ১ জানুয়ারি ইউরোপীয় ইকোনমিক কমিউনিটি (EEC) তথা বর্তমান ইউরোপীয়ান ইউনিয়ন গঠিত হয়।
- ইইউর সদরদপ্তর বেলজিয়ামের ব্রাসেলসে অবস্থিত।
- বর্তমানে এর সদস্য দেশ ২৭টি।
- ব্রিটেন ১৯৭৩ সালের ১ জানুয়ারি এতে যোগ দেয়। ২০২০ সালের ৩১ জানুয়ারি ৪৭ বছরের সম্পর্কের অবসান ঘটিয়ে ব্রিটেন ইউরোপীয় ইউনিয়ন ত্যাগ করে যার ফলে বর্তমানে ইউরোপীয় ইউনিয়নের সদস্য সংখ্যা ২৮টি থেকে ২৭টিতে দাঁড়িয়ে।

উৎস: ইইউর ওয়েবসাইট।
৪৩.
পৃথিবীর ক্ষুদ্রতম দেশ-
  1. ক) ভ্যাটিকান সিটি
  2. খ) মালদ্বীপ
  3. গ) সিঙ্গাপুর
  4. ঘ) আয়ারল্যান্ড
ব্যাখ্যা
• আয়তন ও জনসংখ্যা বিশ্বের ক্ষুদ্রতম স্বাধীন দেশ হলো ভ্যাটিকান সিটি।
- দেশটি ইতালির রাজধানী রোমের অভ্যন্তরে অবস্থিত যার আয়তন ০.৪৯ বর্গ কিলোমিটার।
- ভ্যাটিকান সিটি জাতিসংঘের সদস্য নয়।

তথ্যসূত্র: ব্রিটানিকা ওয়েবসাইট
৪৪.
মুক্তিযুদ্ধকালীন ঢাকা কোন সেক্টরের অধীনে ছিল?
  1. ক) ১
  2. খ) ২
  3. গ) ৫
  4. ঘ) ৭
ব্যাখ্যা
মুক্তিযুদ্ধের সেক্টর
- মুক্তিযুদ্ধের সময় বাংলাদেশকে-১১টি সেক্টরে ভাগ করা হয়েছিলো।
- নৌ-বাহিনীর অধীনে ছিল-১০ নং সেক্টর (সকল নদী ও বঙ্গোপসাগর)
-১০ নং সেক্টরে কোনো সেক্টর কমান্ডার ছিল না

- চট্টগ্রাম-১নং সেক্টর
- ঢাকা-২ নং সেক্টর
- রাজশাহী-৭ নং সেক্টর
- মুজিব নগর-৮ নং সেক্টর
- সুন্দরবন-৯ নং সেক্টর

সূত্র: ঢাকা বিভাগের ওয়েবসাইট
৪৫.
সূর্যের নিকটতম গ্রহের নাম কি?
  1. ক) জুপিটার
  2. খ) ভেনাস
  3. গ) মার্কারী
  4. ঘ) মঙ্গল
ব্যাখ্যা
বুধ বা মার্কারি হলো সূর্যের নিকটতম এবং ক্ষুদ্রতম গ্রহ।
- সূর্যের নিকটতম ও ক্ষুদ্রতম গ্রহ হলো বুধ।
- সূর্য থেকে বুধ গ্রহের গড় দূরত্ব ৫.৮ কোটি কিলোমিটার।
- বুধ গ্রহের ব্যাস ৪,৮৫০ কিলোমিটার।
- সূর্যকে একবার প্রদক্ষিণ করতে বুধের সময় লাগে ৮৮ দিন।
- বুধের কোন উপগ্রহ নেই।
- বুধ গ্রহে নেই মেঘ, বৃষ্টি, বাতাস বা পানি।

- সৌরজগতের বৃহত্তম গ্রহ হলো জুপিটার। 
- পৃথিবীর নিকটতম গ্রহ হলো ভেনাস। 

সূত্র: উৎসঃ নবম-দশম শ্রেণীর ভূগোল ও পরিবেশ বোর্ড বই
৪৬.
কোন আরব দেশ স্বাধীন বাংলাদেশকে প্রথম স্বীকৃতি দান করে?
  1. ক) সৌদি আরব
  2. খ) ইরান
  3. গ) মিসর
  4. ঘ) ইরাক
ব্যাখ্যা
• ইরাক প্রথম আরব দেশ হিসেবে বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয় ৮ জুলাই ১৯৭২ সালে।
• এটি মধ্যপ্রাচ্যের স্বীকৃতিদানকারী প্রথম দেশ ছিল।

-------------------
বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দানকারী,
- প্রথম উত্তর আমেরিকার দেশ- বার্বাডোস।
- ১৯৭২ সালের ২০ জানুয়ারি বার্বাডোস বাংলাদেশকে স্বীকৃতি প্রদান করে।

- মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ৪ এপ্রিল, ১৯৭২ সালে স্বাধীন বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দিয়েছিল।
- ১৯৭২ সালের ১৪ ফেব্রুয়ারি ফ্রান্স ও কানাডা বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দিয়েছিল।

- প্রথম সমাজতান্ত্রিক বা ইউরোপীয় দেশ- পূর্ব জার্মানি।
- ১১ জানুয়ারি, ১৯৭২ সালে বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয় পূর্ব জার্মানি।
- ১২ জানুয়ারি, ১৯৭২ সালে পোল্যান্ড বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয়।
- প্রথম দক্ষিণ আমেরিকার দেশ- ভেনেজুয়েলা।

- প্রথম মুসলিম দেশ বা আফ্রিকান দেশ- সেনেগাল।
- প্রথম আরব বা মধ্যপ্রাচ্যের দেশ- ইরাক।
- প্রথম উপসাগরীয় দেশ- কুয়েত।
- প্রথম ওশেনিয়ার দেশ- টোংগা।

উৎস: পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইট, ইউএস স্টেট ডিপার্টমেন্ট ওয়েবসাইট, কালের কণ্ঠ এবং বাংলাদেশ প্রতিদিন।
৪৭.
বাংলাদেশের সবচেয়ে প্রশস্ত নদী কোনটি?
  1. ক) মেঘনা
  2. খ) পদ্মা
  3. গ) সুরমা
  4. ঘ) যমুনা
ব্যাখ্যা
- মেঘনা নদী বাংলাদেশের অন্যতম বৃহৎ নদী ও প্রশস্ততম নদী।
- চাঁদপুরের পর থেকে বঙ্গোপসাগর পর্যন্ত পদ্মা ও মেঘনার মিলিত ধারার নাম মেঘনা।
- উৎপত্তিস্থলে মেঘনার নাম ছিল বরাক নদী।
- ভোলার চরফ্যাশন এলাকায় মেঘনা বঙ্গোপসাগরের সাথে মিলিত হয়েছে।

সূত্র: মাধ্যমিক ভূগোল, নবম-দশম শ্রেণি।
৪৮.
বাংলাদেশের অন্তর্গত সুন্দরবনের আয়তন কত?
  1. ক) ২৪০০ বর্গমাইল
  2. খ) ১৯৫০ বর্গমাইল
  3. গ) ১৭৬০ বর্গমাইল
  4. ঘ) ১২২৫ বর্গমাইল
ব্যাখ্যা
সুন্দরবনের মোট আয়তন ৩৮৬০ বর্গমাইল বা ১০০০০ বর্গকি.মি প্রায়।
- এর মধ্যে ৩/৫ অংশ বা ২৩১৮ বর্গমাইল বা ৬০০০ বর্গকি.মি বাংলাদেশ অংশে পড়েছে।
- কাছাকাছি অপশন হিসাবে ক) ২৪০০ বর্গমাইল অপশনটি নেওয়া হলো।

উল্লেখ্য,
- ৬ ডিসেম্বর ১৯৯৭ সালে ইউনেস্কো সুন্দরবনকে ৭৯৮ তম ওয়ার্ল্ড হেরিটেজ হিসেবে স্বীকৃতি দেয়।
- এটি পৃথিবীর বৃহত্তম ম্যানগ্রোভ বন এবং বাংলাদেশের জাতীয় বন।

উৎস: বাংলাদেশ বনবিভাগ ওয়েবসাইট ও ব্রিটানিকা।
৪৯.
প্রধান নির্বাচন কমিশনারের মেয়াদকাল কত?
  1. ক) ৭ বছর
  2. খ) ৬ বছর
  3. গ) ৫ বছর
  4. ঘ) ৩ বছর
ব্যাখ্যা
সংবিধানের ১১৮(৩) নং দফা অনুযায়ী প্রধান নির্বাচন কমিশনার এবং অন্যান্য কমিশনারদের পদের মেয়াদকাল দায়িত্ব গ্রহণের তারিখ থেকে পরবর্তী ৫ বছর
প্রধান নির্বাচন কমিশনার ও অনধিক চার জন কমিশনার নিয়ে নির্বাচন কমিশন গঠিত।

(সূত্রঃ বাংলাদেশ সংবিধান)
৫০.
ঢাকার বিখ্যাত তারা মসজিদ তৈরি করেছিলেন-
  1. ক) নবাব সলিমুল্লাহ
  2. খ) মির্জা আহমেদ খান
  3. গ) মির্জা গোলাম পীর
  4. ঘ) শায়েস্তা খান
ব্যাখ্যা
বাংলাদশের পুরানো ঢাকার আরমানিটোলা-র আবুল খয়রাত সড়কে অবস্থিত ‘তারা মসজিদ’। খ্রিষ্টীয় আঠারো শতকে ঢাকার জমিদার মির্জা গোলাম পীর (মির্জা আহমদ জান) এই মসজিদটি নির্মাণ করেছিলেন। তারা মসজিদের আরও কিছু প্রচলিত নাম আছে, যেমন, মির্জা গোলাম পীরের মসজিদ বা সিতারা মসজিদ।

সূত্র: dhaka.gov.bd
--------------------

তারা মসজিদ পুরানো ঢাকার আরমানিটোলায় আবুল খয়রাত সড়কে অবস্থিত। সাদা মার্বেলের গম্বুজের ওপর নীলরঙা তারায় খচিত এ মসজিদ নির্মিত হয় আঠারো শতকের প্রথম দিকে। মসজিদের গায়ে এর নির্মাণ-তারিখ খোদাই করা ছিল না।

জানা যায়, আঠারো শতকে ঢাকার 'মহল্লা আলে আবু সাঈয়ীদ'-এ (পরে যার নাম আরমানিটোলা হয়) আসেন জমিদার মির্জা গোলাম পীর (মির্জা আহমদ জান)। ঢাকার ধণাঢ্য ব্যক্তি মীর আবু সাঈয়ীদের নাতি ছিলেন তিনি। মির্জা গোলাম পীর এ মসজিদ নির্মাণ করেন। ‌মির্জা সাহেবের মসজিদ হিসেবে এটি তখন বেশ পরিচিতি পায়। ১৮৬০ সালে মারা যান মির্জা গোলাম পীর। পরে, ১৯২৬ সালে, ঢাকার তৎকালীন স্থানীয় ব্যবসায়ী, আলী জান বেপারী মসজিদটির সংস্কার করেন। সে সময় জাপানের রঙিন চিনি-টিকরি পদার্থ ব্যবহৃত হয় মসজিদটির মোজাইক কারুকাজে।

সূত্র: parjatan.gov.bd
৫১.
'Do not open the door.' বাক্যের passive form হচ্ছে—
  1. ক) Let not the door open.
  2. খ) Let not the door be opened.
  3. গ) Let not the door be open.
  4. ঘ) Let not the door opened.
ব্যাখ্যা
• Do not যুক্ত imperative বাক্যকে passive করার নিয়ম হচ্ছে - 
- প্রথমে let not বসবে।
- এরপর object বসবে।
- be বসবে 
- এরপর verb এর past participle বসবে।
structure: Let not + object + be + V3.
সুতরাং, প্রশ্নে উল্লেখিত বাক্যের সঠিক passive form হবে - Let not the door be opened.
৫২.
'Who is doing the work?' বাক্যের passive form হচ্ছে—
  1. ক) By whom is the work being done?
  2. খ) By whom is the work done?
  3. গ) By whom was the work being done?
  4. ঘ) By whom is the work has done?
ব্যাখ্যা
• Who দিয়ে শুরু হওয়া interrogative sentence কে  passive করতে হলে -
- Who এর স্থানে By whom বসে।
- এরপর বাক্যটির tense অনুযায়ী auxiliary/ be verb,
- তারপর subject এবং
- verb এর past participle form
- এবং সবশেষে object বসবে।
• Structure: By whom + auxiliary verb + Subject + verb এর past participle রূপ + object.

- সুতরাং নিয়মানুযায়ী সঠিক উত্তর - By whom is the work being done?
৫৩.
'Passion' শব্দটির adjective হচ্ছে —
  1. ক) Passionful
  2. খ) Pastoral
  3. গ) Emanation
  4. ঘ) Passionate
ব্যাখ্যা
• Passion - [Uncountable noun, countable noun]
- English meaning: strong and barely controllable emotion.
- Bangla Meaning: প্রবল অনুরাগ; উৎসাহ; ঘৃণা; ক্রোধ

- এর adjective হচ্ছে  Passionate - আবেগপ্রবণ; প্রবল আবেগপূর্ণ

• অন্য অপশন গুলোর মধ্যে - 
- Pastoral (adjective) মেষপালক ও পল্লিজীবনবিষয়ক
- Emanation [noun] [Uncountable noun] প্রবাহ; যা প্রবহমান।

Source: Bangla Academy Dictionary.
৫৪.
'Rely' শব্দটির Noun হচ্ছে—
  1. ক) Relement
  2. খ) Rely
  3. গ) Reliance
  4. ঘ) Reliment
ব্যাখ্যা
• Rely (verb transitive) - নির্ভর/ভরসা করা।
- এর noun form হচ্ছে Reliance - আস্থা; ভরসা; বিশ্বাস।

Source: Bangla Academy Dictionary.
৫৫.
He asked me where I had gone the previous day. বাক্যের direct speech হচ্ছে—
  1. ক) He asked to me, "Where did you go yesterday?"
  2. খ) He said to me, "Where did you go yesterday?"
  3. গ) He said to me, "Where you went yesterday?"
  4. ঘ) He said to me, "Where did I go yesterday?"
ব্যাখ্যা
• Indirect speech এ that clause টি past perfect tense এ হওয়ায় direct speech এ তা reported speech এ পরিণত হবে এবং তা past indefinite tense এ হবে।
- সুতরাং, সঠিক direct speech টি হবে - He said to me, "Where did you go yesterday?
- অপশন ক) ভুল কারন asked to me হয় না। asked me হলে বাক্য শুদ্ধ হত।
৫৬.
He said to me, "Which book do you want?" বাক্যের indirect speech হচ্ছে-
  1. ক) He asked me which book I wanted
  2. খ) He asked to me which book I wanted
  3. গ) He said me which book I wanted
  4. ঘ) He said to me which book I wanted
ব্যাখ্যা
• Interrogative Sentence কে Direct থেকে Indirect speech- এ পরিবর্তন করার নিয়ম:
- Reporting verb টি ask, enquire of, wonder তে পরিবর্তিত হয় ‌।
-  Reported speech এর অন্তর্গত Interrogative sentence টি যদি কোন Wh - question word দ্বারা শুরু হয়,তাহলে তা অপরিবর্তিত থাকবে অর্থাৎ সেই Wh - question word টিই Conjunction হিসাবে বসবে।
- তবে, Reported speech টি যদি Auxiliary verb দ্বারা শুরু হয় তাহলে inverted comma তুলে, linker হিসেবে if/ whether বসবে।
- Direct speech এ present Indefinite tense থাকলে Indirect narration এ তা past indefinite tense হয়।

- সুতরাং নিয়মানুযায়ী সঠিক উত্তর - He asked me which book I wanted.
৫৭.
'He is absorbed - thought' বাক্যের শূণ্যস্থানে সঠিক শব্দ হবে-
  1. ক) to
  2. খ) at
  3. গ) for
  4. ঘ) in
ব্যাখ্যা
• শূন্যস্থানে সঠিক উত্তর হবে - in.
- absorbed in something - very interested in something and not paying attention to anything else.
- অর্থাৎ কোন কিছুতে নিমগ্ন বা  নিবিষ্ট থাকা বোঝাতে absorbed এরপর in ব্যবহৃত হয়।
- তাই, সঠিক উত্তর হবে in.
- Complete sentence: 'He is absorbed in thought.
৫৮.
Karim as well as Nayeem - praise.' বাক্যের শূন্যস্থানে সঠিক শব্দ হবে—
  1. ক) are deserving
  2. খ) deserve
  3. গ) deserves
  4. ঘ) is deserving
ব্যাখ্যা
• as well as দ্বারা দুইটি বাক্য যুক্ত হলে verb as well as এর পুর্বে যে subject থাকে তার number/person অনুযায়ী হয়। 
- প্রশ্নে উল্লেখিত বাক্যে as well as এর পুর্বে Karim Third person singular হওয়ায় শূন্যস্থানে deserves বসবে।
৫৯.
Tooth and nails' phrase টির অর্থ—
  1. ক) Beautiful
  2. খ) Completely
  3. গ) Incompletely
  4. ঘ) Precise
ব্যাখ্যা
Tooth and nail (Phrase)English Meaning: 
- to try very hard to get something you want/ completely, strongly, tried hard.
- Fight very fiercely
Bangla Meaning: দাঁতমুখ খিঁচে চেষ্টা করা; যথাসাধ্য প্রবলভাবে/ তীব্রভাবে, প্রাণপণে, কঠোর চেষ্টা করা।
Example Sentence: We fought tooth and nail to get the route of the new road changed.
 
Source: Cambridge Dictionary, Oxford Dictionary, Bangla Academy Dictionary
৬০.
'Dead letter' phrase টির অর্থ —
  1. ক) Law not in force
  2. খ) Bad letter
  3. গ) Old letter
  4. ঘ) Letter written by unknown person
ব্যাখ্যা
Dead letter (phrase)

English Meaning: a law or agreement that is no longer effective/ Law not in force
Bangla Meaning: যে চুক্তি বা আইনের প্রয়োগ নেই / অচল

Ex. Sentence: No one does anything about it and the law becomes a dead letter.
Bangla Meaning: কেউই এ ব্যাপারে কিছু করলো না এবং এর ফলে এই আইন অচল হয়ে গেলো।

Source: Live MCQ Lecture
৬১.
’Calm' শব্দটির synonym হচ্ছে—
  1. ক) Agitated
  2. খ) Quiet
  3. গ) Angry
  4. ঘ) Inflamed
ব্যাখ্যা
• ’Calm' - শান্ত; নির্বাত, স্থির; নিস্তরঙ্গ।

- প্রশ্নে উল্লেখিত অন্য অপশন গুলোর মধ্যে - 
ক) Agitated - উদ্বেগ; আলোড়ন; উত্তেজনা; অস্থিরতা
খ) Quiet - শান্ত; নীরব
গ) Angry -  ক্রুদ্ধ; রুষ্ট।
ঘ) Inflamed - তৃপ্ত/প্রকুপিত/উত্তেজিত/ক্রুদ্ধ/প্রজ্জ্বলিত/রক্তবর্ণ করা বা হওয়া
- সুতরাং, বোঝা যাচ্ছে উল্লেখিত অপশন গুলোর মধ্যে Quiet শব্দটি calm এর সমার্থক অর্থ প্রকাশ করছে। 
-তাই সঠিক উত্তর হবে - Quiet.
৬২.
নিচের কোন বানানটি শুদ্ধ?
  1. ক) Sycology
  2. খ) Psykology
  3. গ) Sychology
  4. ঘ) Psychology
ব্যাখ্যা
Psychology (noun) [Uncountable noun]
English Meaning: the scientific study of the human mind and its functions, especially those affecting behaviour in a given context.
Bangla meaning: মনোবিদ্যা; মনোবিজ্ঞান।

Source: Bangla Academy Dictionary and Oxford Learners Dictionary.
৬৩.
নিচের কোন বানানটি শুদ্ধ?
  1. ক) Comision
  2. খ) Comission
  3. গ) Commission
  4. ঘ) Commision
ব্যাখ্যা
Commission (noun) (১) [uncountable noun]
English Meaning: in instruction, command, or role given to a person or group.
Bangla Meaning: অন্যকে ক্ষমতা অর্পণ
৬৪.
নিচের কোন বাক্যটি শুদ্ধ?
  1. ক) Lake Chilka is in Orrisa.
  2. খ) Lake Chilka is in the Orrisa.
  3. গ) The Lake Chilka is in the Orrisa.
  4. ঘ) The lake Chilka is in Orrisa.
ব্যাখ্যা
• প্রশ্নে উল্লেখিত অপশন গুলোর মধ্যে একমাত্র সঠিক উত্তর হচ্ছে -  Lake Chilka is in Orissa.
- কারণ Lake/ হ্রদ  এবং কোন স্থানের নামের পূর্বে সাধারণত কোনো article বসে না।
৬৫.
নিচের কোন বাক্যটি শুদ্ধ?
  1. ক) See the word in the dictionary.
  2. খ) Eind out the word in the dictionary.
  3. গ) Pick up the word in the dictionary.
  4. ঘ) Look up the word in the dictionary.
ব্যাখ্যা
• Dictionary তে কোন কিছু খোঁজা অর্থে look up phrasal verb টি ব্যবহৃত হয়।
- সুতরাং বাক্যটির সঠিক রূপ হবে: Look up the word in the dictionary.
৬৬.
মানুষের ক্রোমোজোমের সংখ্যা কত?
  1. ক) ২৩ জোড়া
  2. খ) ২৪ জোড়া
  3. গ) ২৫ জোড়া
  4. ঘ) ২১ জোড়া
ব্যাখ্যা
- মানবেদেহে সাধারণত ক্রোমোজাম থাকে ২৩ জোড়া। 
- এর মধ্যে ২২ জোড়া স্ত্রী ও পুরুষে একই রকম। এদের অটোজোম বলা হয়। 
- বাকি এক জোড়া মানুষের লিঙ্গ নির্ধারণ করে বলে এদের সেক্স ক্রোমোজোম বলে।
- মানবেদেহে সাধারণত ক্রোমোজোমের দুই সেট থাকে। 
- ২২ নং ক্রোমোজোম মানবদেহের দ্বিতীয় ক্ষুদ্রতম ক্রোমোজোম ২১ নং ক্রোমোজোমের পরে।

উৎস: জীববিজ্ঞান ২য় পত্র, এইচএসসি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৬৭.
ফকিররা কত সাল থেকে কত সাল পর্যন্ত বাংলার বিভিন্ন স্থানে বিদ্রোহ করেছিল?
  1. ক) ১৭৮১ থেকে ১৮৪০ পর্যন্ত
  2. খ) ১৭৬০ থেকে ১৮৪০ পর্যন্ত
  3. গ) ১৭৫৭ থেকে ১৮৫৭ পর্যন্ত
  4. ঘ) ১৮১৯ থেকে ১৮৬২ পর্যন্ত
ব্যাখ্যা
ফকির-সন্ন্যাসী বিদ্রোহ (১৭৬০-১৮০০)
• বাংলার ফকির-সন্ন্যাসী বিদ্রোহ ছিল প্রথম ব্রিটিশ বিরোধী বিদ্রোহ।
• ১৭৬০ খ্রিস্টাব্দে থেকে ১৮০০ খ্রিস্টাব্দ পর্যন্ত এই বিদ্রোহ চলে।
• আন্দোলনকারী ফকির-সন্ন্যাসীগণ ছিলেন মাদারিয়া সুফি তরিকার অনুসারী।
• নবাব মীর কাশিম ইংরেজদের সঙ্গে যুদ্ধে ফকির-সন্ন্যাসীদের সাহায্য চান।
• বিদ্রোহী ফকির দলের নেতার নাম ছিল মজনু শাহ।
• সন্ন্যাসীদের নেতার নাম ছিল ভবানী পাঠক।
• তাদের আক্রমণের মূল লক্ষ্য ছিল সরকারি কুঠি, জমিদারদের কাছারি ও নায়েব-গোমস্তার বাড়ি।
• ১৭৬০ খ্রিস্টাব্দে পশ্চিমবঙ্গের বর্ধমান জেলায় সন্ন্যাসীরা ইংরেজদের বিরুদ্ধে প্রথম বিদ্রোহ শুরু করে।
• ১৭৭১ খ্রিস্টাব্দে মজনু শাহ সারা উত্তর বাংলায় ইংরেজ বিরোধী তৎপরতা শুরু করেন।
• ১৭৭৭ থেকে ১৮০০ খ্রিস্টাব্দ পর্যন্ত রংপুর, রাজশাহী, দিনাজপুর, বগুড়া, ঢাকা, ময়মনসিংহ, মুর্শিদাবাদ, বীরভূম, মালদহসহ বিভিন্ন অঞ্চলে ফকির-সন্ন্যাসী বিদ্রোহ ছড়িয়ে পড়ে।
• তবে এ আন্দোলনের তীব্রতা ছিল উত্তর বঙ্গে ফকির।
• মজনু শাহর যুদ্ধ কৌশল ছিল গেরিলা পদ্ধতি, অর্থাৎ অতর্কিতে আক্রমণ করে নিরাপদে সরে যাওয়া।
• মজনু শাহর মত্যুর পর নেতৃত্ব গ্রহণ করেন মুসা শাহ, সোবানশাহ, চেরাগ আলী শাহ, করিম শাহ, মাদার বক্স প্রমুখ।ণ
• ১৮০০ খ্রিস্টাব্দে তারা চুড়ান্তভাবে পরাজিত হয়।

তথ্যসূত্র:- বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্ব সভ্যতা - ৯ম - ১০ম শ্রেনি এবং ইতিহাস প্রথম পত্র - এইচ এস সি ,উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৬৮.
ইউনেস্কোর প্রধান কার্যালয় কোথায় অবস্থিত?
  1. ক) নিউইয়র্ক
  2. খ) প্যারিস
  3. গ) রোম
  4. ঘ) জেনেভা
ব্যাখ্যা
- UNESCO (The United Nations Educational, Scientific and Cultural Organization) হলো জাতিসংঘের শিক্ষা, বিজ্ঞান ও সংস্কৃতি বিষয়ক সংস্থা।
- ১৯৪৫ সালের ১৬ নভেম্বর UNESCO এর সংবিধান স্বাক্ষরিত হয় যা কার্যকর হয় ১৯৪৬ সালের ৪ নভেম্বর।
- ইউনেস্কোর সদরদপ্তর ফ্রান্সের প্যারিসে অবস্থিত।
- বর্তমান মহাপরিচালক ফ্রান্সের আদ্রে আজুলে।
- ইউনেস্কোর বর্তমান সদস্য সংখ্যা ১৯৩টি এবং সহযোগী সদস্য ১১টি।
- বাংলাদেশ ১৯৭২ সালের ২৭ অক্টোবর ইউনেস্কোতে যোগ দেয়।
- - বাংলা ভাষাকে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ঘোষণা করে ইউনেস্কো।
- বিশ্ব ঐতিহ্যের তালিকা প্রকাশ করে ইউনেস্কো।
- বাংলাদেশের সোমপুর বিহার, ষাটগম্বুজ মসজিদ ও সুন্দরবনকে বিশ্ব ঐতিহ্য ঘোষণা করে ইউনেস্কো।

উৎসঃ ইউনেস্কোর ওয়েবসাইট।
৬৯.
দক্ষিণ পূর্ব এশিয়ার একটি দেশ-
  1. ক) উত্তর কোরিয়া
  2. খ) দক্ষিণ কোরিয়া
  3. গ) চীন
  4. ঘ) ভিয়েতনাম
ব্যাখ্যা
- ভিয়েতনাম দক্ষিণ পূর্ব এশিয়ার একটি দেশ।

-------------------------
- ইন্দোচীন হলো দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার একটি অঞ্চল।
- ইন্দোচীন একটি ভৌগোলিক শব্দ যা ঊনবিংশ শতাব্দীতে জনপ্রিয় ছিল।
- এই মহাদেশীয় অঞ্চলটি বর্তমানে দক্ষিণপূর্ব এশিয়া হিসাবে অধিক পরিচিত।
- এই অঞ্চলগুলিতে ভারত ও চীন সভ্যতার প্রভাব আছে।
 -এই অঞ্চল ভিয়েতনাম, লাওস ও কম্বোডিয়া দেশ নিয়ে গঠিত।

[উৎস: ব্রিটানিকা]
৭০.
আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা কত সালে দায়ের করা হয়?
  1. ক) ১৯৬৬ সালে
  2. খ) ১৯৬৭ সালে
  3. গ) ১৯৬৮ সালে
  4. ঘ) ১৯৭৯ সালে
ব্যাখ্যা
আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা
• ১৯৬৮ সালের ৩ জানুয়ারি আইয়ুব খান সরকার আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা দায়ের করে।
• ১৮ জানুয়ারি বঙ্গবন্ধুকে এই মামলায় অভিযুক্ত করা হয়।
• বঙ্গবন্ধুকে প্রধান আসামী করে মোট ৩৫ জনকে এই মামলার আসামী করা হয়।
• মামলার নাম “রাষ্ট্র বনাম শেখ মুজিবুর রহমান এবং অন্যান্য”। তবে এটি “আগরতলা ষড়যন্ত্র” মামলা হিসেবেই বেশি পরিচিত।
• ঢাকা ক্যান্টনমেন্টে ১৯ জুন ৩৫ জনকে আসামি করে পাকিস্তান দন্ডবিধির ১২১-ক ধারা এবং ১৩১ ধারায় মামলার শুনানি শুরু হয়।
• মোট ১০০টি অনুচ্ছেদ সম্বলিত মামলার চার্জশিট দাখিল করা হয়। সরকার পক্ষে মামলায় ১১ জন রাজসাক্ষীসহ মোট ২২৭ জন সাক্ষীর তালিকা আদালতে পেশ করা হয়। 
• এই মামলার আসামী সার্জেন্ট জহুরুল হককে ১৫ ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯ বন্দি অবস্থায় গুলি করে হত্যা করা হয়।
• গণঅভ্যুত্থানের মুখে আইয়ুব খান সরকার ১৯৬৯ সালের ২২শে ফেব্রয়ারি আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা প্রত্যাহার করে বঙ্গবন্ধু সহ সকল রাজবন্দিদের মুক্তিদানে বাধ্য হয়।

তথ্যসূত্র: পৌরনীতি ও সুশাসন দ্বিতীয় পত্র এইচ এস সি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় এবং বাংলাপিডিয়া।
৭১.
বীরশ্রেষ্ঠ পদকপ্রাপ্তদের সংখ্যা কত?
  1. ক) ৫
  2. খ) ৭
  3. গ) ৮
  4. ঘ) ১০
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে বিশেষ অবদানের জন্য ৭ জনকে সর্বোচ্চ সামরিক পদবী 'বীরশ্রেষ্ঠ' প্রদান করা হয়।

৭ জন বীরশ্রেষ্ঠ হলেন -
- বীরশ্রেষ্ঠ শহীদ ফ্লাইট লেঃ মতিউর রহমান
- বীরশ্রেষ্ঠ শহীদ সিপাহী মোহাম্মদ মোস্তফা কামাল
- বীরশ্রেষ্ঠ শহীদ ক্যাপ্টেন মহিউদ্দিন জাহাঙ্গীর
- বীরশ্রেষ্ঠ শহীদ সিপাহী হামিদুর রহমান
- বীরশ্রেষ্ঠ শহীদ ল্যান্স নায়েক নূর মোহাম্মদ শেখ
- বীরশ্রেষ্ঠ শহীদ মোহাম্মদ রুহুল আমিন
- বীরশ্রেষ্ঠ শহীদ ল্যান্স নায়েক মুন্সি আব্দুর রউফ

উৎসঃ বাংলাদেশ জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
৭২.
বিষধর সাপের কয়টি বিষদাঁত থাকে?
  1. ক) ৪টি
  2. খ) ৩টি
  3. গ) ২টি
  4. ঘ) ১টি
ব্যাখ্যা
- বিষধর সাপের দুইটি বিষদাঁত থাকে।

বিষধর সাপে কাটলে শরীরে বিষক্রিয়ার কিছু লক্ষণ দেখা যায়:

- ক্ষতস্থানে বিষদাঁতের দুটি দংশনের চিহ্নের উপস্থিতি,
- ক্ষতস্থান থেকে অনবরত রক্তপাত ও ক্ষতস্থান অস্বাভাবিকভাবে ফুলে ওঠা এবং প্রচণ্ড ব্যথা অনুভব করা,
- কখনো কখনো সারা শরীর ফুলে যাওয়া, খাবার ও ঢোক গিলতে অসুবিধা, শ্বাসকষ্ট, চোখে ঝাপসা দেখা ও চোখের পাতা বন্ধ হয়ে আসা।

উৎস: প্রথম আলো
৭৩.
কোন সালে ভারতে বাবরী মসজিদ ভাঙ্গা হয়?
  1. ক) ১৯৯৫
  2. খ) ১৯৯৪
  3. গ) ১৯৯৩
  4. ঘ) ১৯৯২
ব্যাখ্যা
• ১৯৯২ সালের ৬ ডিসেম্বর হিন্দু উগ্রপন্থীদের দ্বারা বাবরি মসজিদ ধ্বংস প্রাপ্ত হয়।
• বাবরি মসজিদ ভারতের উত্তর প্রদেশের ফৈজাবাদ জেলার অযোধ্যায় অবস্থিত মুঘল আমলের একটি স্থাপত্য।
• এটি মুঘল সম্রাট বাবরের সেনাপতি মীর বাকী ১৫২৮ সালে নির্মাণ করেন।
• বিতর্কিত এই স্থান নিয়ে ‘রাম জন্মভূমি ট্রাস্ট’ ও ‘সুন্নি ওয়াকফ বোর্ড’ দ্বারস্থ হয় সুপ্রিম কোর্টের।
• অবশেষে গত ৯ নভেম্বর ২০১৯ বিতর্কিত এই জায়গায় রাম মন্দির তৈরির পক্ষে চূড়ান্ত রায় দেয় ভারতের সুপ্রিম কোর্ট।
• সেই সাথে মসজিদ তৈরি করার জন্য মুসলিম পক্ষকে অযোধ্যার মধ্যেই পাঁচ একর জমি দেয়ার নির্দেশ দেয় সুপ্রিম কোর্ট।
• অতঃপর ১০ জুন, ২০২০ শুরু হয় বিতর্কিত রাম মন্দির নির্মাণ।

তথ্যসূত্র: ডয়েচভেলে।
৭৪.
কোনটি ক্ষুদ্রতম?
  1. ক) সেন্টিমিটার
  2. খ) ডেসিমিটার
  3. গ) হেক্টোমিটার
  4. ঘ) কিলোমিটার
ব্যাখ্যা

প্রদত্ত অপশনগুলোর মধ্যে সেন্টিমিটার সবচেয়ে ছোট।


৭৫.
কোন প্রতিষ্ঠান সুন্দরবনকে ‘ওয়ার্ল্ড হেরিটেজ সাইট' হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছে?
  1. ক) UNDP
  2. খ) UNICEF
  3. গ) UNESCO
  4. ঘ) এর কোনোটিই নয়
ব্যাখ্যা
- জাতিসংঘের বিশেষায়িত সংস্থা UNESCO 'সুন্দরবন'কে ওয়ার্ল্ড হেরিটেজ সাইট ঘোষণা করে। 

ওয়ার্ল্ড হেরিটেজ সাইট ঘোষণা করে- UNESCO.
- UNESCO হচ্ছে জাতিসংঘের শিক্ষা, বৈজ্ঞানিক ও সাংস্কৃতিক সংস্থা।
- UNESC এর পূর্ণরুপ-United Nations Educational Scientific and Cultural Organization.
- এর প্রধান কাজ হলো বিশ্ব ঐতিহ্য সংরক্ষণ করা।
- প্রতিষ্ঠাকাল: ১৬ নভেম্বর, ১৯৪৫ সালে চুক্তি স্বাক্ষর করে।
- প্রতিষ্ঠার স্থান: লন্ডন, যুক্তরাজ্য।
- সদর দপ্তর: প্যারিস, ফ্রান্স।
- UNESCO- এর বর্তমান বিশ্ব ঐতিহ্যের সংখ্যা– ১১৫৪ টি।

বাংলাদেশে ইউনেস্কো ঘোষিত বিশ্বের তিনটি ঐতিহ্য:
 ১. পাহাড়পুরের বৌদ্ধ বিহার - নওগাঁ জেলা।
 ২. ষাট গম্বুজ বিশিষ্ট মসজিদ - বাগেরহাট জেলা।
 ৩. সুন্দরবন।
→ সুন্দরবনকে বিশ্ব ঐতিহ্য ঘোষণা করে- ৬ ডিসেম্বর, ১৯৯৭ সালে।

Source:  Official website (UNESCO).
৭৬.
‘ট্রাফালগার স্কোয়ার' কোন শহরে অবস্থিত?
  1. ক) ওয়াশিংটন
  2. খ) প্যারিস
  3. গ) মস্কো
  4. ঘ) লন্ডন
ব্যাখ্যা
- ট্রাফালগার স্কয়ার ইংল্যান্ডের লন্ডনে অবস্থিত একটি সাধারণ জনগণের মিলনস্থল।
- ১৮০৫ সালে ইংল্যান্ড ফ্রান্স ও স্পেনের সম্মিলিত বাহিনীর সাথে যুদ্ধ করে জয়লাভ করে।
- ট্রাফালগারের যুদ্ধ জয়কে স্মরণীয় করে রাখতে লন্ডনের কেন্দ্রস্থল একটি চত্ত্বরের নামকরণ করা হয় ট্রাফালগার স্কয়ার।

উৎস: ব্রিটানিকা
৭৭.
কোন ধরনের ভিটামিন দাঁত ও হাড়ের জন্য প্রয়োজন?
  1. ক) ভিটামিন এ
  2. খ) ভিটামিন বি
  3. গ) ভিটামিন সি
  4. ঘ) ভিটামিন ডি
ব্যাখ্যা
- অন্ত্রে ক্যালসিয়াম ও ফসফরাস শোষণ, দাঁত ও হাড় গঠন প্রভৃতি শারীরবৃত্তীয় কাজে এই ভিটামিন প্রয়োজন।
- রিকেটস (Rikets) কোনো ভাইরাস বা ব্যাকটেরিয়াজনিত রোগ নয়, ভিটামিন 'ডি' এর অভাবে এ রোগ হয়। 
- দুধ, মাখন, ডিম, কডলিভার তেল ও হাঙ্গরের তেলে প্রচুর ভিটামিন 'ডি' পাওয়া যায়।
- সূর্যের অতি বেগুনি রশ্মির প্রভাবে মানুষের ত্বকে জমা থাকা কোলেস্টেরল থেকেও এটি তৈরি হয়, তবে সেক্ষেত্রে ভিটামিন ডি তৈরির শেষ ধাপটি সংঘটিত হয় কিডনিতে।
- দেহের হাড়গুলো দুর্বল হওয়া, গিঁট ফুলে যাওয়া, হাড়গুলো বিশেষ করে পায়ের হাড় বেঁকে যাওয়া ইত্যাদি এ রোগের লক্ষণ।
- এছাড়া এই রোগে অনেক সময় দেহের কাঠামো ঠিক থাকে না, হাড়গুলো ভঙ্গুর হয়ে যায় এবং বক্ষদেশ সরু হয়ে যায়।

উৎস: জীব বিজ্ঞান, নবম- দশম শ্রেণি।
৭৮.
সালোকসংশ্লেষণ সবচেয়ে বেশি পরিমাণে হয়-
  1. ক) লাল আলোতে
  2. খ) নীল আলোতে
  3. গ) সবুজ আলোতে
  4. ঘ) বেগুনি আলোতে
ব্যাখ্যা
সালোকসংশ্লেষণ
- যে জৈব রাসায়নিক প্রক্রিয়ায় সবুজ উদ্ভিদ শর্করা জাতীয় খাদ্য তৈরি করে তাকে বলা হয় সালোকসংশ্লেষণ।
- এটি একটি শারীরবৃত্তীয় প্রক্রিয়া।
- উদ্ভিদের সালোকসংশ্লেষণ প্লাস্টিডে ঘটে।
- সালোকসংশ্লেষ প্রক্রিয়ায় উদ্ভিদ খাদ্য প্রস্তুত করে।
- সালোকসংশ্লেষণ প্রক্রিয়া সংঘটিত হতে হলে অবশ্যই সূর্যালোক ও ক্লোরোফিল থাকতে হবে।
- পানি, আলো, কার্বন-ডাই-অক্সাইড, ক্লোরোফিল প্রধান উপকরণ।
- কার্বোহাইড্রেট, পানি ও অক্সিজেন তৈরি করে।
- পাতার মেসোফিল টিস্যু সালোকসংশ্লেষণ প্রক্রিয়ার প্রধান স্থান।
- সালোকসংশ্লেষণ প্রক্রিয়ায় পানি জারিত হয় এবং কাবন ডাইঅক্সাইড বিজারিত হয়। তাই একে একটি জারণ বিজারণ প্রক্রিয়া বলা হয়।
- জলজ উদ্ভিদে সালোকসংশ্লেষণের হার স্থলজ উদ্ভিদ থেকে বেশি।
- লাল আলোতে সালোকসংশ্লেষণ সবচেয়ে বেশি হয়।

উৎস:
১. জীববিজ্ঞান, ৯ম-১০ম শ্রেণি। 
২. উদ্ভিদবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩. উদ্ভিদবিজ্ঞান, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
৭৯.
ঐতিহাসিক ছয় দফা কোন সালে পেশ করা হয়েছিল?
  1. ক) ১৯৭০ সালে
  2. খ) ১৯৬৭ সালে
  3. গ) ১৯৬৬ সালে
  4. ঘ) ১৯৬৫ সালে
ব্যাখ্যা
১৯৬৬ সালের ছয় দফা আন্দোলন

১৯৯৬ সালের ৫-৬ ফেব্রুয়ারি লাহোরে চৌধুরী মোহাম্মদ আলীর বাসভবনে অনুষ্ঠিত বিরোধী দলগুলোর সম্মেলনে শেখ মুজিবুর রহমান ঐতিহাসিক ছয় দফা কর্মসূচি পেশ করেন। ১১ ফেব্রুয়ারি, ১৯৬৬ সালে লাহোরে বিমানবন্দরে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে বঙ্গবন্ধু বলেন, ছয় লক্ষ বাঙালি জাতির মুক্তির সনদ। ছয়দফা রচিত হয় লাহোর প্রস্তাবের ভিত্তিতে।

ঐতিহাসিক ৬ দফা দাবি

১ম দফাঃ শাসনতান্ত্রিক কাঠামো ও রাষ্ট্রের প্রকৃতি।
২য় দফাঃ কেন্দ্রীয় সরকারের ক্ষমতা।
৩য় দফাঃ মুদ্রা ও অর্থ বিষয়ক ক্ষমতা।
৪র্থ দফাঃ কর বা রাজস্ব বিষয়ক ক্ষমতা।
৫ম দফাঃ বৈদেশিক বাণিজ্য বিষয়ক ক্ষমতা।
৬ষ্ঠ দফাঃ আঞ্চলিক মিলিশিয়া বাহিনী গঠনের ক্ষমতা।

এছাড়াও 

৬ দফা উত্থাপন করা হয় মোট ৩বার। উত্থাপনকারী- বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান।
প্রথমবার ৫-৬ ফেব্রুয়ারি, ১৯৬৬ সালে লাহোরের বিরোধী দলীয় সম্মেলনে।
দ্বিতীয়বার ১৩ ফেব্রুয়ারি ১৯৬৬ সালে অনানুষ্ঠানিকভাবে।
তৃতীয়বার ২৩ মার্চ ১৯৬৬ সালে আনুষ্ঠানিকভাবে উত্থাপন করা হয় লাহোরে।
বাঙালি জাতির মুক্তির সনদ বা পূর্ব পাকিস্তানের ম্যাগনাকার্টা বলা হয়- ৬ দফাকে।
ছয় দফা দিবস পালিত হয়ে আসছে- ৭ জুন।
ছয় দফার অর্থনীতি বিষয়ক দাবি- ৩টি (৩য়, ৪র্থ, ৫ম)।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা,  এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৮০.
কোনটি জৈব সার নয়?
  1. ক) সবুজ সার
  2. খ) গোবর সার
  3. গ) কম্পোষ্ট সার
  4. ঘ) ইউরিয়া সার
ব্যাখ্যা
বিভিন্ন ধরনের জৈব সার:
- সরিষার খৈল,
- তিল-তিসি-বাদামের খৈল,
- শুকনো রক্ত,
- হাড়ের গুঁড়ো,
- মাছের গুঁড়ো,
- কচুরিপানার ছাই,
- সবুজ সার,
- গোবর সার,
- কম্পোষ্ট সার,
- কাঠের ছাই ইত্যাদি।

------------------------
- ইউরিয়া সার হচ্ছে রাসায়নিক সার।