শামসুর রাহমানের উল্লেখযোগ্য গ্রন্থাবলির নাম
কবিতা : মৃত্যুর পূর্ব পর্যন্ত তাঁর ৬৫টি কাব্যগ্রন্থ প্রকাশিত হয়েছে। এগুলোর মধ্যে উল্লেখযোগ্য : ‘প্রথম গান, দ্বিতীয় মৃত্যুর আগে' (১৯৬০), ‘রৌদ্র করোটিতে’ (১৯৬৩), ‘বিধ্বস্ত নীলিমা' (১৯৬৭), 'বন্দী শিবির থেকে' (১৯৭২), ‘এক ধরনের অহংকার' (১৯৭৫), ‘শূন্যতায় তুমি শোকসভা' (১৯৭৭), 'বাংলাদেশ স্বপ্ন দ্যাখে' (১৯৭৭), ‘উদ্ভট উটের পিঠে চলছে স্বদেশ' (১৯৮২), ‘যে অন্ধ সুন্দরী কাঁদে' (১৯৮৪), ‘অবিরল জলাভূমি' (১৯৮৬), ‘এক ফোঁটা কেমন অনল' (১৯৮৬), ‘বুক তাঁর বাংলাদেশের হৃদয়' (১৯৮৮), 'হরিণের হাড়' (১৯৯৩), ‘উজাড় বাগানে' (১৯৯৫), 'হেমন্ত সন্ধ্যায় কিছুকাল' (১৯৯৭), ‘সৌন্দর্য আমার ঘরে’ (১৯৯৮), ‘স্বপ্নে ও দুঃস্বপ্নে বেঁচে আছি' (১৯৯৯), 'শুনি হৃদয়ের ধ্বনি' (২০০০), 'হৃদপদ্মে জ্যোৎস্না দোলে' (২০০১), 'ভগ্নস্তূপে গোলাপের হাসি' (২০০২), 'ভাঙাচোরা চাঁদ মুখ কালো করে ধুঁকছে(২০০৩), ‘কৃষ্ণপক্ষে পূর্ণিমার দিকে (২০০৪), ‘গোরস্থানে কোকিলের করুণ আহ্বান' (২০০৫), ‘অন্ধকার থেকে আলোয়' (২০০৬), 'না বাস্তব না দুঃস্বপ্ন' (২০০৬)।
উপন্যাস : মোট ৪টি উপন্যাস লিখেছেন: ‘অক্টোপাস' (১৯৮৩), ‘অদ্ভুত আঁধার এক' (১৯৮৫), ‘নিয়ত মন্তাজ’ (১৯৮৫), ‘এলো সে অবেলায়' (১৯৯৪)।
প্রবন্ধ : ‘আমৃত্যু তাঁর জীবনানন্দ' (১৯৮৬), ‘কবিতা এক ধরনের আশ্রয় (২০০২)।
আত্মস্মৃতি : ‘স্মৃতির শহর’
(১৯৭৯), ‘কালের ধুলোয় লেখা' (২০০৪)।
এগুলো ছাড়াও তিনি ৯টি শিশু-কিশোর সাহিত্যগ্রন্থ, ৩টি অনুবাদ কাব্যগ্রন্থ, ৩টি অনুবাদ নাটকগ্রন্থসহ কলামগ্রন্থ, নিবন্ধগ্রন্থ ইত্যাদি মিলে শতাধিক গ্রন্থ রচনা করেন।
উৎসঃ বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।