পরীক্ষা আর্কাইভ

প্রাইমারি ফুল মডেল টেস্ট

পরীক্ষাপ্রাইমারি ফুল মডেল টেস্টতারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়01 hr 15 mins৮৬ বৈধ · অসম্পূর্ণ
মোট প্রশ্ন৮৭
সিলেবাস
ফুল মডেল টেস্ট [Live MCQ - তে প্রতি মাসের ৫, ১৫ ও ২৫ তারিখ একটি ফুল মডেল টেস্ট অনুষ্ঠিত হয়।]
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

প্রাইমারি ফুল মডেল টেস্ট

প্রাইমারি ফুল মডেল টেস্ট · তারিখ অনির্ধারিত · ৮৭ প্রশ্ন

.
‘নিখিলেশ' রবীন্দ্রনাথ রচিত কোন উপন্যাসের চরিত্র? 
  1. ঘরে বাইরে
  2. শেষের কবিতা
  3. চিত্রাঙ্গদা
  4. গোরা
সঠিক উত্তর:
ঘরে বাইরে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘরে বাইরে
ব্যাখ্যা

‘নিখিলেশ' রবীন্দ্রনাথ রচিত 'ঘরে বাইরে' উপন্যাসের চরিত্র। 
---------------------------------------------
• 'ঘরে বাইরে':
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ঘরে বাইরে উপন্যাসের মূল বিষয় হলো স্বদেশী আন্দোলনের পটভূমিতে ব্যক্তিগত প্রেম ও রাজনৈতিক দ্বন্দ্ব। 
- উপন্যাসের কেন্দ্রীয় চরিত্র হচ্ছে- নিখিলেশ, বিমলা ও সন্দীপ।
- উপন্যাসে নিখিলেশ, বিমলা ও সন্দীপের জীবনকাহিনী দিয়ে দাম্পত্য সম্পর্ক, নারী-পুরুষের স্বাধীনতা, প্রেম ও আদর্শের সংঘাত তুলে ধরা হয়েছে।
- পাশাপাশি জাতীয়তাবাদী ও উদার রাজনীতির টানাপোড়েনের চিত্র ও তুলে ধরা হয়েছে।
---------------------------------  

• রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর:
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের জন্ম ১৮৬১ সালের ৭ মে  কলকাতার জোড়াসাঁকোর অভিজাত ঠাকুর পরিবারে।
- তিনি একাধারে কবি, ঔপন্যাসিক, সংগীতস্রষ্টা, নাট্যকার, চিত্রকর ও দার্শনিক।
- তিনি বাংলা সাহিত্যের সর্বশ্রেষ্ঠ সাহিত্যিক হিসেবে পরিচিত।
- তাঁর পিতা মহর্ষি  দেবেন্দ্রনাথ ঠাকুর এবং পিতামহ প্রিন্স দ্বারকানাথ ঠাকুর।
- রবীন্দ্রনাথ ছিলেন দেবেন্দ্রনাথ ঠাকুরের চতুর্দশ সন্তান।
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরকে ‘বিশ্বকবি’ উপাধি প্রদান করেন ব্রহ্মবন্ধব উপাধ্যায়।

- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের উল্লেখযোগ্য উপন্যাসসমূহ:
- বউঠাকুরানির হাট (প্রথম উপন্যাস);
- করুণা (অগ্রন্থিত উপন্যাস);
- শেষের কবিতা (কাব্যধর্মী উপন্যাস);
- গোরা (রাজনৈতিক উপন্যাস);
- চোখের বালি (মনস্তাত্ত্বিক উপন্যাস);
- ঘরে বাইরে (মনস্তাত্ত্বিক ও রাজনৈতিক উপন্যাস)।
---------------------------------------------- 
অন্যদিকে,
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের 'শেষের কবিতা' উপন্যাসের প্রধান চরিত্রগুলি- অমিত রায় ও লাবণ্য, কেতকী ও শোভনলাল।
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের কালজয়ী নৃত্যনাট্য 'চিত্রাঙ্গদা'-র চরিত্র- রাজকন্যা চিত্রাঙ্গদা এবং পাণ্ডব অর্জুন।
- 'গোরা' উপন্যাসের প্রধান চরিত্রগুলো- গোরা, সুচরিতা, বিনয়, ললিতা, আনন্দময়ী, পরেশবাবু, কৃষ্ণদয়াল, হরিমোহিনী ও মহিম। 

উৎস:
বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা – সৌমিত্র শেখর;
বাংলাপিডিয়া।

.
নিত্য স্ত্রীবাচক শব্দ কোনটি? 
  1. জল্লাদ 
  2. সন্তান
  3. কুলটা 
  4. কবিরাজ
সঠিক উত্তর:
কুলটা 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কুলটা 
ব্যাখ্যা

• নিত্য স্ত্রীবাচক শব্দ- কুলটা। 
--------------------- 
• নিত্য স্ত্রীবাচক শব্দ:
- নিত্য স্ত্রীবাচক শব্দ হলো সেইসব শব্দ যেগুলো সবসময় বা নিত্যই স্ত্রীলিঙ্গ বোঝায় এবং যাদের সাধারণত কোনো পুরুষবাচক প্রতিশব্দ নেই।  - নিত্য স্ত্রীবাচক শব্দের কিছু উদাহরণ:
- সতীন,
- ডাইনি,
- আয়া,
- দাই,
- সদবা
- সপত্নী,
- বিধবা,
- অর্ধাঙ্গিনী,
- অসূর্যম্পশ্যা,
- অরক্ষণীয়া।
--------------------------- 
অন্যদিকে,
- কবিরাজ, জল্লাদ, সন্তান- নিত্য পুরুষবাচক শব্দ। 

উৎস: ভাষা শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ। 

.
নিচের কোন বানানটি অশুদ্ধ?  
  1. ঊর্ণা
  2. নির্মিমেষ
  3. চক্ষুষ্মান
  4. কনকাঞ্জলি
অনির্ধারিত
ব্যাখ্যা

• অশুদ্ধ বানান - ক) ঊর্ণা এবং খ) নির্মিমেষ। 
অপশনে একাধিক সঠিক উত্তর থাকায় প্রশ্নটি বাতিল করা হয়েছে।

•  ঊর্ণা:
- শব্দের শুদ্ধ বানান - 'উর্ণা'
- শব্দটির অর্থ- পশম বা পশুর লোম, বিশেষত ভেড়া বা মেষের লোম।
- উর্ণা একটি বিশেষ্য পদ। 

• নির্মিমেষ:
- শব্দের শুদ্ধ বানান - নির্নিমেষ;
- শব্দটির অর্থ অপলক, একদৃষ্টে।
- এটি বিশেষ/ক্রিয়াবিশেষণ পদ।

-----------------------------------------
অন্যদিকে,
• চক্ষুষ্মান, কনকাঞ্জলি- শব্দগুলোর বানান শুদ্ধ।

উৎস: বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান।

.
'সংবাদ প্রভাকর' কী ধরনের পত্রিকা ছিল?
  1. ষাণ্মাসিক পত্রিকা
  2. মাসিক পত্রিকা
  3. সাপ্তাহিক পত্রিকা
  4. ত্রৈমাসিক পত্রিকা 
সঠিক উত্তর:
সাপ্তাহিক পত্রিকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সাপ্তাহিক পত্রিকা
ব্যাখ্যা

‘সংবাদ প্রভাকর’ ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত সম্পাদিত সাপ্তাহিক পত্রিকা ছিল। 
--------------------------------------------------
• ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত:
- ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত ছিলেন একজন কবি ও সাংবাদিক।
- ১২১৮ বঙ্গাব্দের ২৫ ফাল্গুন (মার্চ ১৮১২) পশ্চিমবঙ্গের চবিবশ পরগনা জেলার কাঞ্চনপল্লী বা কাঁচড়াপাড়া গ্রামে তিনি জন্মগ্রহণ করেন।
- ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে মধ্যযুগ ও আধুনিক যুগের মিলনকারী কবি হিসেবে পরিচিত।
- 'ভ্রমণকারী বন্ধু' ছিল তাঁর ছদ্মনাম।
- ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত ছিলেন যুগসন্ধিক্ষণের কবি (১৭৬১ – ১৮৬০)।
- তাকে যুগসন্ধিক্ষণের  কবি বলা হয় কারণ তার রচনায় মধ্যযুগের সাহিত্যরীতি ও বিষয়বস্তু যেমন ছিল, তেমনি আধুনিক যুগের প্রভাবও ছিল স্পষ্ট।
- তিনি ছিলেন দুই যুগের মেলবন্ধনের প্রতীক।
- ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত ১৮৩১ সালে সংবাদ প্রভাকর নামক সাপ্তাহিক পত্রিকা প্রকাশ শুরু করেন।
- অল্পদিনের মধ্যেই এটি বন্ধ হলেও ১৮৩৬ সালে পুনরায় প্রকাশিত হয়।
- পরবর্তীতে ১৮৩৯ সালে ‘সংবাদ প্রভাকর’ বাংলা ভাষার প্রথম দৈনিক পত্রিকায় পরিণত হয়।
- এছাড়া ‘সংবাদ প্রভাকর’ ছাড়াও ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত সংবাদ রত্নাবলী, পাষণ্ডপীড়ন ও সংবাদ সাধুরঞ্জন প্রভৃতি পত্রিকাও সম্পাদনা করেছিলেন।

উৎস:
বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা – সৌমিত্র শেখর;
লাল নীল দীপাবলী বা বাঙলা সাহিত্যের জীবনী – হুমায়ুন আজাদ।

.
“মন দিয়া কর সবে বিদ্যা উপার্জন”- বাক্যে ‘মন দিয়া’ কোন কারকে কোন বিভক্তি? 
  1. করণ কারকে ৩য়া বিভক্তি
  2. অধিকরণ কারকে ৩য়া বিভক্তি
  3. কর্ম কারকে  ৩য়া বিভক্তি
  4. অপাদান কারকে ৩য়া বিভক্তি
সঠিক উত্তর:
করণ কারকে ৩য়া বিভক্তি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
করণ কারকে ৩য়া বিভক্তি
ব্যাখ্যা

মন দিয়া কর সবে বিদ্যা উপার্জন করণ কারকে ৩য়া বিভক্তি। 

• করণ কারক:
- বাক্যে ক্রিয়াপদের সঙ্গে যে নামপদের (বিশেষ্য বা সর্বনাম) সম্পর্ক থাকে, তাকে কারক বলে।
- কারক দেখায় যে, কে কাজটি করছে, ক্রিয়াটি কার ওপরে ঘটছে, কোথায় বা কীভাবে ঘটছে ইত্যাদি।
- যেই পদ দিয়ে বোঝায় যে কাজটি কোন যন্ত্র, উপকরণ বা উপায়ের মাধ্যমে সম্পন্ন হয়েছে সেই পদই হলো করণ কারক।
- বাক্যে ক্রিয়াপদকে যদি ‘কী দিয়ে’ বা ‘কী উপায়ে’ প্রশ্ন করা হয়, তবে যে উত্তর পাওয়া যায় সেটিই করণ কারক।

- যেমন:
“মন দিয়া কর সবে বিদ্যা উপার্জন”- এই বাক্যটিতে যদি প্রশ্ন করা হয় কিভাবে বিদ্যা অর্জন কর তাহলে প্রশ্ন আসবে মন দিয়া।
- তাই বাক্যটিতে 'মন দিয়া' করণ কারক। 

- তাছাড়া, এখানে ‘মন’ শব্দটি বিদ্যা অর্জনের উপায় বা সহায়ক বোঝাচ্ছে।
- অন্যদিকে, ‘দিয়া’ (দিয়ে) অনুসর্গটি ৩য় বিভক্তি অর্থাৎ ‘দ্বারা/কর্তৃক’ নির্দেশ করছে।
- তাই, “মন দিয়া কর সবে বিদ্যা উপার্জন” বাক্যে ‘মন দিয়া’ পদটি করণ কারকে অর্থে ৩য় বিভক্তি হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে।

উৎস:
ভাষা শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ;
বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা – সৌমিত্র শেখর।

.
‘বিটপী’ কোন শব্দটির প্রতিশব্দ? 
  1. চন্দ্র
  2. পর্বত
  3. সূর্য 
  4. বৃক্ষ
সঠিক উত্তর:
বৃক্ষ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বৃক্ষ
ব্যাখ্যা

প্রতিশব্দ:
- ‘বিটপী’ বৃক্ষ শব্দটির প্রতিশব্দ।
-  'বৃক্ষ' শব্দের আরও কিছু সমার্থক শব্দ: গাছ, পাদপ, তরু, বিটপী, দ্রুম, মহীরুহ, শাখী ইত্যাদি। 
----------------------------------
অন্যদিকে, 
• চন্দ্র এর প্রতিশব্দগুলো হল: 
- চাঁদ, সুধাংশু, সুধাকর, শশাঙ্ক, শশধর, শশী, হিমাংশু, সুধানিধি, মৃগাঙ্ক, নিশাকর, হিমকর ইত্যাদি।

• সূর্যের অনেক প্রতিশব্দ রয়েছে, যেমন: 
- রবি, তপন, ভানু, ভাস্কর, আদিত্য, দিবাকর, প্রভাকর, অর্ক, দিনমণি, মিহির, অরুণ, অংশুমান, মার্তণ্ড, ইত্যাদি।

 • 'পর্বত' শব্দের সমার্থক শব্দ হচ্ছে:
- পাহাড়, গিরি, অচল, শৈল, ভূধর, অদ্রি, শিখরী, শৃঙ্গী, শৃঙ্গধর, মহীধ্র, ভূভৃৎ, নগ, মহীধর ইত্যাদি। 

উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।

.
"সুখ যায় স্মৃতি যায় না, ক্ষত ভালো হয় দাগ যায় না, মানুষ যায় নাম থাকে"-এই উক্তিটি কোন গ্রন্থ থেকে নেওয়া?
  1. বিষবৃক্ষ
  2. কপালকুণ্ডলা 
  3. কৃষ্ণকান্তের উইল 
  4. দুর্গেশনন্দিনী
সঠিক উত্তর:
কৃষ্ণকান্তের উইল 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কৃষ্ণকান্তের উইল 
ব্যাখ্যা

• "সুখ যায় স্মৃতি যায় না, ক্ষত ভালো হয় দাগ যায় না, মানুষ যায় নাম থাকে", উক্তিটি  বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের লেখা 'কৃষ্ণকান্তের উইল' উপন্যাস থেকে নেওয়া হয়েছে। 
---------------------------------------------------------------
কৃষ্ণকান্তের উইল: 
- "সুখ যায়, স্মৃতি যায় না; ক্ষত ভালো হয়, দাগ ভালো হয় না; মানুষ যায়, নাম থাকে" - এই উক্তিটি বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের বিখ্যাত উপন্যাস 'কৃষ্ণকান্তের উইল'-এর একটি অংশ।
- গোবিন্দলাল ভ্রমরকে ভুলতে না পেরে এই উক্তিটি নিজের মনের ভাব হিসেবে প্রকাশ করছেন। 

- বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের কৃষ্ণকান্তের উইল একটি সামাজিক উপন্যাস। 
- কৃষ্ণকান্তের উইল উপন্যাসের কেন্দ্রীয় চরিত্রগুলো হলো- কৃষ্ণকান্ত, গোবিন্দলাল, তার স্ত্রী ভ্রমর, এবং সুন্দরী বিধবা রোহিনী।
- উপন্যাসটি ধনী জমিদার কৃষ্ণকান্তের সম্পত্তি বিভাজন ও এর ফলে পুত্র ও ভ্রাতুষ্পুত্রের মধ্যে সৃষ্টি হওয়া দ্বন্দ্বকে কেন্দ্র করে আবর্তিত। - উপন্যাসে ত্রিভুজ প্রেমের কাহিনী, সম্পত্তি দখলের লোভ, সামাজিক কুসংস্কার এবং বিধবা রোহিণীর জীবন ফুটে উঠেছে। 
- সম্পত্তি, লোভ ও প্রেমের সঙ্গে সামাজিক নীতি ও মানবিক সম্পর্কের জটিলতাই এই উপন্যাসের প্রধান বিষয়।
---------------------------
• বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়:
- বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের ১৮৩৮ সালের ২৬ জুন পশ্চিমবঙ্গের চব্বিশ পরগনার কানালপাড়ায় জন্মগ্রহণ করেন।
- তিনি ব্রিটিশ সরকারের ডেপুটি ম্যাজিস্ট্রেট হিসেবে কর্মজীবন অতিবাহিত করেন।
- তার মৃত্যু ঘটে ১৮৯৪ সালে।
- তাঁর ছদ্মনাম কমলাকান্ত।
- তাঁর উপাধি — বাংলার স্কট, সাহিত্যসম্রাট, এবং আধুনিক বাংলা উপন্যাসের জনক।
- বঙ্কিমের প্রথম রোমান্টিক উপন্যাস হলো কপালকুণ্ডলা।
- বাংলা সাহিত্যের প্রথম সার্থক উপন্যাস বঙ্কিমের দুর্গেশনন্দিনী।
- সাম্য তাঁর প্রবন্ধগ্রন্থ, এবং
- মানস ও ললিতা তাঁর কাব্যগ্রন্থ।
- তাঁর প্রথম প্রকাশিত উপন্যাস Rajmohan’s Wife (ইংরেজি ভাষায় রচিত)।
- বঙ্কিমের বিষবৃক্ষ বাংলা সাহিত্যের প্রথম সামাজিক উপন্যাস।
- কৃষ্ণকান্তের উইল বঙ্কিমের অন্যতম শ্রেষ্ঠ উপন্যাস।
- কমলাকান্তের দপ্তর বঙ্কিম রচিত প্রবন্ধ সংকলন। 

• তাঁর উল্লেখযোগ্য উপন্যাসগুলি হলো:
- যুগলাঙ্গুরীয়,
- দেবী চৌধুরাণী,
- আনন্দমঠ,
- রাধারাণী,
- মৃণালিনী,
- রাজসিংহ,
- সীতারাম,
- ইন্দিরা।
------------------------------------------------------ 

উৎস:
বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা – সৌমিত্র শেখর;
বাংলাপিডিয়া। 

.
‘হর্ষ’ শব্দের বিপরীতার্থক শব্দ কোনটি? 
  1. বিষাদ
  2. বিপ্রকৃষ্ট
  3. বিগ্রহ
  4. গম্ভীর 
সঠিক উত্তর:
বিষাদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিষাদ
ব্যাখ্যা

• ‘হর্ষ’ মানে আনন্দ, উল্লাস, খুশি।  
- এর বিপরীত শব্দ -‘বিষাদ’, দুঃখ, বিষণ্ণতা। 

• কিছু বিপরীতার্থক শব্দযুগল:
- হর্ষ/হরিষ ↔ বিষাদ;
- সন্নিকৃষ্ট ↔ বিপ্রকৃষ্ট; 
- সন্ধি ↔ বিগ্রহ; 
- চপল ↔ গম্ভীর;
- অবমানিত ↔ সম্মানিত;
- প্রসন্ন ↔ বিষণ্ণ;
- সরল ↔ গরল, কুটিল, জটিল;
- অমৃত ↔ গরল;
- আবিষ্কার ↔ অজ্ঞাত বস্তু;
- আবির্ভাব ↔ তিরোভাব;
- জঙ্গম ↔ স্থাবর;
- নশ্বর ↔ অবিনশ্বর;
- সুন্দর ↔ কুৎসিত;
- আপদ ↔ সম্পদ;
- নির্মল ↔ পঙ্কিল, মলিন;
- প্রসারণ ↔ সংকোচন।

উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।

.
কাজী নজরুল ইসলামের 'বিদ্রোহী' কবিতাটি কোন কাব্যগ্রন্থের অন্তর্ভুক্ত?
  1. দোলনচাঁপা
  2. অগ্নিবীণা
  3. বিষের বাঁশী
  4. চক্রবাক
সঠিক উত্তর:
অগ্নিবীণা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অগ্নিবীণা
ব্যাখ্যা

'বিদ্রোহী' কবিতাটি কাজী নজরুল ইসলামের 'অগ্নিবীণা' কাব্যগ্রন্থের অন্তর্ভুক্ত।
----------------------------------------------------
• অগ্নিবীণা: 
- কাজী নজরুল ইসলামের প্রথম প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থ।
- এই কাব্যের সবচেয়ে জনপ্রিয় কবিতা হলো বিদ্রোহী, যার জন্য মূলত তাকে ‘বিদ্রোহী কবি’ হিসেবে আখ্যা দেয়া হয়।
- কাব্যগ্রন্থের প্রথম কবিতা হলো প্রলয়োল্লাস।
- নজরুল তাঁর কাব্যগ্রন্থটি বিপ্লবী বারীন্দ্রকুমার ঘোষকে উৎসর্গ করেছেন।

- অগ্নিবীণা তে মোট ১২টি কবিতা রয়েছে। এগুলো হলো:
• প্রলয়োল্লাস, 
বিদ্রোহী,
• রক্তাম্বর-ধারিণী মা,
• আগমণী,
• ধূমকেতু,
• কামাল পাশা,
• আনোয়ার,
• রণভেরী,
• শাত-ইল-আরব,
• খেয়াপারের তরণী,
• কোরবানী,
• মহররম।
------------------------------
• কাজী নজরুল ইসলাম:
- কাজী নজরুল ইসলাম ছিলেন একজন বাঙালি কবি, ঔপন্যাসিক, গীতিকার, দার্শনিক, এবং বাংলাদেশের জাতীয় কবি।
- তিনি ১৩০৬ বঙ্গাব্দের ১১ জ্যৈষ্ঠ (২৪ মে ১৮৯৯) পশ্চিমবঙ্গের বর্ধমান জেলার চুরুলিয়া গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।
- তার ডাকনাম ছিল দুখু মিয়া।
- বাংলা সাহিত্যে তিনি ‘বিদ্রোহী কবি’ নামে পরিচিত।

• নজরুলের বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ হলো- 
- অগ্নিবীণা,
- বিষের বাঁশি,
- চক্রবাক,
- প্রলয় শিখা,
- দোলনচাঁপা,
- ও ভাঙার গান।

• তাঁর উল্লেখযোগ্য গল্পগ্রন্থ:
- শিউলিমালা,
- বেদনার দান ও
- পদ্মগোখরা।

• তাঁর বিখ্যাত নাটক:
- আলেয়া,
- ঝিলিমিলি,
- মধুমালা ও
- পুতুলের বিয়ে।

• তাঁর বিখ্যাত উপন্যাস:
- বাঁধনহারা,
- মৃত্যুক্ষুধা ও
- কুহেলিকা।

উৎস:
বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা – সৌমিত্র শেখর;
জাতীয় তথ্য বাতায়ন;
বাংলাপিডিয়া। 

১০.
'হরি ঘোষের গোয়াল’ বাগ্‌ধারাটির সঠিক অর্থ কোনটি?
  1. গণ্যমান্য ব্যক্তি
  2. নিষ্ক্রিয় দর্শক 
  3. সুচতুর ব্যক্তি
  4. বহু অপদার্থ ব্যক্তির সমাবেশ
সঠিক উত্তর:
বহু অপদার্থ ব্যক্তির সমাবেশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বহু অপদার্থ ব্যক্তির সমাবেশ
ব্যাখ্যা

'হরি ঘোষের গোয়াল' বাগ্‌ধারাটির অর্থ হলো- বহু অপদার্থ ব্যক্তির সমাবেশ। 
- এর মানে হলো- এমন একটি জায়গা বা পরিবেশ যেখানে অনেক মানুষ জড়ো হয়, হৈচৈ-গোলমাল হয়, কিন্তু বাস্তবে কোনো কাজ সম্পন্ন হয় না।

• কিছু গুরুত্বপূর্ণ বাগ্‌ধারা:
- অকাল কুষ্মাণ্ড: অপদার্থ, অকেজো,
- অক্কা পাওয়া: মারা যাওয়া,
- অগস্ত্য যাত্রা: চিরকালের জন্য প্রস্থান,
- অগাধ জলের মাছ: সুচতুর ব্যক্তি,
- অর্ধচন্দ্র: গলা ধাক্কা,
- অন্ধের নড়ি: একমাত্র অবলম্বন,
- আকাশ কুসুম: অসম্ভব কল্পনা,
- আকাশ পাতাল: অনেক পার্থক্য,
- অতি লোভে তাঁতি নষ্ট: লোভে ক্ষতি,
- অন্ধের যষ্টি: একমাত্র অবলম্বন,
- আঙুল ফুলে কলাগাছ: অপ্রত্যাশিত ধনলাভ,
- আষাঢ়ে গল্প: আজগুবি কথা,
- উভয় সংকট: দুই দিকেই বিপদ,
- উড়ে এসে জুড়ে বসা: অনধিকার চর্চা,
- এক চোখা: পক্ষপাতদুষ্ট,
- কচুকাটা করা: নির্মমভাবে ধ্বংস করা,
- কূপমণ্ডুক: সীমাবদ্ধ জ্ঞানসম্পন্ন,
- করায় গণ্ডায়: পুরোপুরি,
- গাছে কাঁঠাল গোঁফে তেল: আগেই আয়োজন,
- গোবর গণেশ: মূর্খ,
- গুড়ে বালি: আশায় নৈরাশ্য,
- চোখে ধুলো দেওয়া = প্রতারণা করা,
- ঝোপ বুঝে কোপ মারা: সুযোগ বুঝে আঘাত,
- টনক নড়া: চৈতন্যোদয় হওয়া,
- তিলকে তাল করা = বাড়িয়ে বলা,
- সাপের পাঁচ পা দেখা : অহঙ্কারী হওয়া,
- সোনায় সোহাগা : উপযুক্ত মিলন,
- সাক্ষী গোপাল : নিষ্ক্রিয় দর্শক,
- সখাত সলিলে : ঘোর বিপদে পড়া,
- সব শেয়ালের এক রা : ঐকমত্য,
- হাটে হাঁড়ি ভাঙা : গোপন কথা প্রকাশ করা,
- হাতটান : চুরির অভ্যাস,
- হ য ব র ল : বিশৃঙ্খলা,
- হরি ঘোষের গোয়াল : বহু অপদার্থ ব্যক্তির সমাবেশ,
- হরিলুট : অপচয়,
- হাড়ে দুর্বা গজানো : অত্যন্ত অলস হওয়া,
- হাতের পাঁচ : শেষ সম্বল,
- হীরার ধার : অতি তীক্ষ্ণবুদ্ধি,
- হোমরা চোমরা : গণ্যমান্য ব্যক্তি,
- হিতে বিপরীত : উল্টো ফল,
- হাড় হদ্দ : নাড়ি নক্ষত্র/সব তথ্য,
- হাড় হাভাতে : হতভাগ্য।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা – সৌমিত্র শেখর।

১১.
'ললিতার গান শেখায় আগ্রহ আছে।’- বাক্যটিতে ‘গান শেখায়’ কোন কারক নির্দেশ করে? 
  1. ঐকদেশিক অধিকরণ
  2. বৈষয়িক অধিকরণ 
  3. অভিব্যাপক অধিকরণ
  4. কালাধিকরণ
সঠিক উত্তর:
বৈষয়িক অধিকরণ 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বৈষয়িক অধিকরণ 
ব্যাখ্যা

‘ললিতার গান শেখায় আগ্রহ আছে।’— বাক্যটিতে ‘গান শেখায়’ বৈষয়িক অধিকরণ।
----------------------------------------
• অধিকরণ কারক:
- অধিকরণ কারক সময়, ভাব বা স্থানের বিশেষ অংশ নির্দেশ করার জন্য ব্যবহৃত হয় এবং 
- এটি সপ্তমী বিভক্তিতে প্রকাশ পায়।
- অধিকরণ কারকের তিনটি প্রধান ধরন রয়েছে:
১. কালাধিকরণ: যখন ক্রিয়ার সময় বোঝানো হয়। যেমন – “প্রভাতে সূর্য উঠে।” এখানে ‘প্রভাতে’ সময় নির্দেশ করছে।
২. ভাবাধিকরণ: কোনো ক্রিয়াবাচক বিশেষ্য যদি অন্য ক্রিয়ার ভাব প্রকাশ করে। সবসময় সপ্তমী বিভক্তি ব্যবহার হয়।
৩. আধারাধিকরণ: ক্রিয়ার স্থান বা আধারের সাথে সম্পর্কিত।
-------------------------------
• আধারাধিকরণ তিন ভাগে বিভক্ত।
- যথা:
১. ঐকদেশিক,
২. অভিব্যাপক এবং
৩. বৈষয়িক।

•  ঐকদেশিক অধিকরণ:
- বিশাল স্থানের যে কোনো এক অংশে ক্রিয়া সংঘটিত হলে তাকে ঐকদেশিক আধারাধিকরণ বলে।
যেমন-
- পুকুরে মাছ আছে।
- বনে বাঘ আছে।
- আকাশে চাঁদ উঠেছে।

• অভিব্যাপক অধিকরণ:
- উদ্দিষ্ট বস্তু যদি সমগ্র আধার ব্যাপ্ত করে বিরাজমান থাকে,তবে তাকে অভিব্যাপক আধারাধিকরণ বলে।
যেমন-
- তিলে তৈল আছে। (তিলের সারা অংশব্যাপী)।
- নদীতে পানি আছে। (নদীর সমস্ত অংশ ব্যাপ্ত করে)।

• বৈষয়িক অধিকরণ:
- বিষয় বিশেষে বা কোনো বিশেষ গুণে কারও কোনো দক্ষতা বা ক্ষমতা থাকলে সেখানে বৈষয়িক অধিকরণ হয়।
যেমন-
- ললিতার গান শেখায় আগ্রহ আছে।
- রাকিব অঙ্কে কাঁচা।
- আমাদের পুলিশরা সাহসে দুর্জয়। 

উৎস:
ভাষা শিক্ষা, ড. হায়াত মামুদ। 
বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা। 

১২.
বাংলা সাহিত্যের প্রথম মহিলা উপন্যাসিক কে? 
  1. বেগম রোকেয়া 
  2. সুফিয়া কামাল 
  3. চন্দ্রাবতী 
  4. স্বর্ণকুমারী দেবী 
সঠিক উত্তর:
স্বর্ণকুমারী দেবী 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্বর্ণকুমারী দেবী 
ব্যাখ্যা

বাংলা সাহিত্যের প্রথম মহিলা উপন্যাসিক-  স্বর্ণকুমারী দেবী। 
-------------------------------------
• স্বর্ণকুমারী দেবী:
- স্বর্ণকুমারী দেবী (১৮৫৫-১৯৩২) ছিলেন আধুনিক বাংলা সাহিত্যের প্রথম প্রজন্মের একজন উল্লেখযোগ্য মহিলা সাহিত্যিক।
- স্বর্ণকুমারী দেবী ছিলেন বাংলা সাহিত্যের প্রথম মহিলা উপন্যাসিক।
- তিনি জোড়াসাঁকো ঠাকুরবাড়ির সদস্য এবং রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের বড় বোন ছিলেন।
- স্বর্ণকুমারী দেবী কবি, ঔপন্যাসিক, সঙ্গীতজ্ঞ ও সমাজ সংস্কারক হিসেবে খ্যাতি অর্জন করেন।
- তিনি ‘দীপনির্বাণ’ নামে প্রথম বাংলা উপন্যাস রচনা করেন, যা তাকে প্রথম বাংলা মহিলা ঔপন্যাসিক হিসেবে পরিচিতি দেয়।
- এছাড়াও তিনি কবিতা, নাটক ও প্রবন্ধ লিখেছেন। 
- তার বিখ্যাত উপন্যাস হচ্ছে- হুগলীর ইমামবাড়ি।
- এই উপন্যাসটি হাজী মুহাম্মাদ মহসিনকে নিয়ে লিখা। 

• তাঁর অন্যান্য উল্লেখযোগ্য উপন্যাস:
- দীপনির্বাণ;
- ছিন্নমুকুল;
- মালতী;
- মিবাররাজ।
------------------------------------ 
অন্যদিকে,
- মধ্যযুগের প্রথম মহিলা কবি হচ্ছে- চন্দ্রাবতী।
- বেগম রোকেয়াকে বলা হয়- নারী জাগরণের অগ্রদুত।
- সুফিয়া কামালকে বলা হয়- জননী সাহসিকা। 

উৎস:
বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা – সৌমিত্র শেখর;
বাংলাপিডিয়া।

১৩.
কোনটি  মিলনার্থক দ্বন্দ্ব সমাসের উদাহরণ?
  1. হাট-বাজার
  2. চা-বিস্কুট
  3. ঘর-দুয়ার
  4. খাতা-পত্র
সঠিক উত্তর:
চা-বিস্কুট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চা-বিস্কুট
ব্যাখ্যা

মিলনার্থক দ্বন্দ্ব সমাসের উদাহরণ- চা-বিস্কুট। 
-----------------------------------------
দ্বন্দ্ব সমাস:
- যে সমাসে প্রত্যেকটি সমস্যমান পদের অর্থের সমান প্রাধান্য থাকে, তাকে দ্বন্দ্ব সমাস বলে।
- দ্বন্দ্ব সমাসে পূর্বপদ ও পরপদ উভয় পদের অর্থের সমান প্রাধান্য থাকে।
যেমন:
- ক্ষুধা ও পিপাসা = ক্ষুৎপিপাসা।
- জায়া ও পতি =  দম্পতি।
----------------------------------------------------
মিলনার্থক দ্বন্দ্ব:
- মিলনার্থক দ্বন্দ্ব সমাস হলো এমন একটি সমাস যেখানে দুটি বা তার বেশি পদ সমান প্রাধান্য নিয়ে একে অপরের সঙ্গে সম্পর্ক বা মিল প্রকাশ করে।
- এই সমাসের ব্যাসবাক্যে 'ও', 'এবং', 'আর'-এর মতো সংযোজক অব্যয় থাকে।
- মিলনার্থক দ্বন্দ্ব সমাসে প্রতিটি পদেরই সমান প্রাধান্য থাকে।

- মিলনার্থক দ্বন্দ্ব সমাসের উদাহরণ হলো-
 • মা-বাপ (মা ও বাপ),
চা-বিস্কুট (চা ও বিস্কুট),
• জ্বিন-পরি (জ্বিন ও পরি),
• ভাই-বোন (ভাই ও বোন),
• চাল-ডাল (চাল ও ডাল),
• দিন-রাত (দিন ও রাত),
• তাল-তমাল (তাল ও তমাল), 
• ভালো-মন্দ (ভালো ও মন্দ),
• মাতা-পিতা (মাতা ও পিতা)। 
------------------------------------------------ 
অন্যদিকে, 
- হাট-বাজার, ঘর-দুয়ার, খাতা-পত্র - সমার্থক দ্বন্দ্ব সমাস।

•  সমার্থক দ্বন্দ্ব সমাস:  
- সমার্থক দ্বন্দ্ব সমাস হলো এমন এক ধরনের সমাস যেখানে দুটি একই বা সমান অর্থের শব্দকে ‘ও’ বা ‘এবং’ দিয়ে একসাথে মিলিয়ে লেখা হয়।
- এই সমাসে দুইটি শব্দের গুরুত্ব সমানভাবে থাকে।
- যেমন:
- ‘জন ও মানব’ → জনমানব;
- ‘ধন ও দৌলত’ → ধনদৌলত;
- ‘কাগজ ও পত্র’ → কাগজ-পত্র;
- 'বই ও পুস্তুক'  → বইপুস্তুক; 
- 'কল ও কারখানা' → কল-কারখানা। 

উৎস: 
ভাষা শিক্ষা, ড. হায়াত মামুদ;
বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা। 

১৪.
'খুশি ক্রিকেট পছন্দ করে, কিন্তু অর্ণব ফুটবল পছন্দ করে'- এটি কোন ধরনের বাক্য?
  1. জটিল বাক্য
  2. সরল বাক্য
  3. যৌগিক বাক্য
  4. কোনটি নয় 
সঠিক উত্তর:
যৌগিক বাক্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যৌগিক বাক্য
ব্যাখ্যা

'খুশি ক্রিকেট পছন্দ করে, কিন্তু অর্ণব ফুটবল পছন্দ করে'- এটি যৌগিক বাক্য। 
----------------------------------------------
যৌগিক বাক্য:
- যৌগিক বাক্য হলো এমন একটি বাক্য যা দুই বা তার বেশি স্বাধীন বা স্বতন্ত্র বাক্যকে যোজক দিয়ে একত্রিত করে তৈরি করা হয়।
- এই যোজক হতে পারে ‘এবং’, ‘ও’, ‘আর’, ‘অথবা’, ‘বা’, ‘কিংবা’, ‘কিন্তু’, ‘অথচ’, ‘সেজন্য’, ‘ফলে’ ইত্যাদি।
- কখনো কখনো কমা (,), সেমিকোলন (;), কোলন (:), বা ড্যাশ (−) চিহ্নও যোজকের কাজ করতে পারে।

- যৌগিক বাক্য গঠনের জন্য-
• কমপক্ষে দুটি স্বতন্ত্র বা স্বাধীন খণ্ডবাক্য থাকতে হবে।
• খণ্ডবাক্যগুলি পরস্পরের ওপর নির্ভরশীল নয়।
• খণ্ডবাক্যগুলো যোজক বা কখনো উহ্য আকারে একে অপরের সঙ্গে যুক্ত থাকবে।

- 'খুশি ক্রিকেট পছন্দ করে, কিন্তু অর্ণব ফুটবল পছন্দ করে'-  এটি যৌগিক বাক্য কারণ-
- বাক্যটিতে দুটি স্বতন্ত্র বা স্বাধীন খণ্ডবাক্য আছে।
- খণ্ডবাক্যগুলি পরস্পরের ওপর নির্ভরশীল নয়।
-  খণ্ডবাক্যগুলো 'কিন্তু' যোজক আকারে একে অপরের সঙ্গে যুক্ত। 

- যৌগিক বাক্যের কিছু উদাহরণ:
• দোষ স্বীকার কর, তোমাকে শাস্তি দেয়া হবে না।
• হামিদ বই পড়ছে, আর সীমা রান্না করছে।
• তিনি সত্যের পূজারি, এজন্য তিনি জগতের সর্বত্র আদৃত।
• সে ভালো ফল করেছে তাই আমরা আনন্দিত হয়েছি।
• সে ঘর ঝাড়ু দিল, ঘর মুছল, তারপর পড়তে বসল।
• অন্ধকার হয়ে এসেছে অথচ সে বাসাই ফিরেনি।
• এখনই যাও, নচেৎ তার দেখা পাবে না।
• তোমরা চেষ্টা করেছ, কিন্তু আশানুরূপ ফল পাওনি এতে দোষের কিছু নেই।

উৎস:
ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ;
বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা। 

১৫.
বাংলা সাহিত্যে কবিগান ধারার প্রবর্তক- 
  1. শাহ মুহাম্মদ সগীর
  2. রামনিধি গুপ্ত
  3. গোঁজলা গুঁই 
  4. শেখ ফয়জুল্লাহ 
সঠিক উত্তর:
গোঁজলা গুঁই 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গোঁজলা গুঁই 
ব্যাখ্যা

বাংলা সাহিত্যে কবিগান ধারার প্রবর্তক- গোঁজলা গুঁই। 
-------------------------------------------
• গোঁজলা গুঁই:
-  গোঁজলা গুঁই ছিলেন অষ্টাদশ শতকের একজন খ্যাতনামা বাঙালি লোকগায়ক ও কবিওয়ালা।
- তাঁকে বাংলা কবিগানের আদিগুরু ও প্রবর্তক বলা হয়।
- সেই সময় বাংলার সাংস্কৃতিক অঙ্গনে কবিগান নামে এক ধরনের সঙ্গীতধর্মী সাহিত্য জনপ্রিয় হয়ে ওঠে।
- গোঁজলা গুঁই প্রথম পেশাদার কবিদল গঠন করে ধনীদের বাড়িতে অর্থের বিনিময়ে কবিগান পরিবেশন করতেন।
- তিনি মূলত টপ্পা রীতিতে গান রচনা করতেন।
- তাঁর গানগুলো নায়ক-নায়িকার সংলাপের মতো করে লেখা হতো।
- ‘এসো এসো চাঁদ বদনি’ ও ‘প্রাণ, তোরে হেরিয়ে’—এই ধরনের গান টপ্পা রীতির বৈশিষ্ট্য বহন করে। 
- তাঁর শিষ্য লালু, নন্দলাল, কেষ্টা মুচি, রঘুনাথ দাস ও রামজী পরবর্তীকালে কবিগানকে আরও সমৃদ্ধ ও জনপ্রিয় করে তোলেন।
----------------------------------------------------
কবিগান: 
- মধ্যযুগে বাংলা সাহিত্যের অবক্ষয়ের যুগে দুই ধরনের কবি মঞ্চে অবতীর্ণ হয়ে পরস্পরকে ঘায়েল করার উদ্দেশ্যে যে গান রচনা ও পরিবেশন করতেন, তাকে কবিগান বলা হয়।
- এই ধরনের গান যাঁরা রচনা করতেন ও গাইতেন, তাঁদের বলা হতো কবিওয়ালা।
- এই সঙ্গীত কবিওয়ালারা আসরে গেয়ে শোনাতেন। 
- সমাজের উঁচু–নিচু সব শ্রেণির মানুষই কবিগান শুনে আনন্দ পেত।
- এই কবিওয়ালাদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য ছিলেন—নিতাই বৈরাগী, কেষ্টা মুচি, গোঁজলা গুঁই, রাসু, ভোলা ময়রা, নীলমণি পাটনি ও অ্যান্টনি ফিরিঙ্গি।
- কবিগানের আদিকবি হিসেবে গোঁজলা গুঁইকে গণ্য করা হয়।
- এবং বিদেশি কবিওয়ালাদের মধ্যে অ্যান্টনি ফিরিঙ্গি বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য।
-----------------------------------------
অন্যদিকে,
• রোমান্টিক প্রণয়োপাখ্যান ধরার সূচনা করেছিলেন শাহ মুহাম্মদ সগীর।
• রামনিধি গুপ্ত বাংলা টপ্পাগানের জনক। 
• শেখ ফয়জুল্লাহকে বাংলা সাহিত্যের মর্সিয়া সাহিত্য ধারার প্রবর্তক বলা হয়। 

উৎস:
বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা;
বাংলাপিডিয়া। 

১৬.
নিম্নের কোনটি নিপাতনে সিদ্ধ ব্যঞ্জনসন্ধির উদাহরণ?
  1. একাদশ
  2. ষোড়শ 
  3. হরিশ্চন্দ্র
  4. সবগুলো  
সঠিক উত্তর:
সবগুলো  
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সবগুলো  
ব্যাখ্যা

• নিপাতনে সিদ্ধ সন্ধি:
- যেসব ব্যঞ্জনসন্ধি প্রচলিত কোনো নিয়মের অধীনে নয় বা সাধারণ ব্যাকরণের নিয়ম মেনে চলে না, কিন্তু সচল ও সুসিদ্ধভাবে বাংলা ভাষায় দীর্ঘকাল ধরে প্রচলিত হয়েছে, সেগুলোকে নিপাতনে সিদ্ধ ব্যঞ্জনসন্ধি বলা হয়।
- নিপাতনে সিদ্ধ সন্ধি সাধারণত তৎসম বা সংস্কৃত শব্দে বেশি দেখা যায়।

- উদাহরণসমূহ:
পরস্পর = পর + পর,
বনস্পতি = বন + পতি,
বৃহস্পতি = বৃহৎ + পতি,
তস্কর = তৎ + কর,
একাদশ = এক + দশ,
ষোড়শ = ষট্ + দশ,
আশ্চর্য = আ + চর্য,
হরিশ্চন্দ্র = হরি + চন্দ্র,
পতঞ্জলি = পতৎ + অঞ্জলি,
গোষ্পদ = গো + পদ,
গবাক্ষ = গো + অক্ষ, 
কুলটণ্ড = কুল + অণ্ড,
মার্তণ্ড = মার্ত + অণ্ড। 

উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ;

১৭.
'যিনি স্মৃতি শাস্ত্র জানেন’- এর এক কথায় প্রকাশ কোনটি?
  1. নৈয়ায়িক
  2. স্মার্ত
  3. শাস্ত্রজ্ঞ
  4. শাস্ত্রকার
সঠিক উত্তর:
স্মার্ত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্মার্ত
ব্যাখ্যা

‘যিনি স্মৃতি শাস্ত্র জানেন’- এর এক কথায় প্রকাশ হচ্ছে- ‘স্মার্ত’। 
--------------------------------------
অন্যদিকে, 
- ন্যায়শাস্ত্রে পণ্ডিত যিনি = নৈয়ায়িক।
- স্মৃতিশাস্ত্রে পণ্ডিত যিনি=শাস্ত্রজ্ঞ।
- স্মৃতি শাস্ত্র রচনা করেন যিনি=শাস্ত্রকার
-----------------------------------------
• গুরুত্বপূর্ণ কিছু এক কথায় প্রকাশ:
- যে নারী নিয়ন্ত্রণ করে = নিয়ন্তা;
- যে নারীর হিংসা নেই = অনসূয়া;
- যে নারীর স্বামী ও সন্তান নেই = অবীরা;
- যে নারীর স্বামী বর্তমান = সধবা;
- হিরণ্য (স্বর্ণ) দ্বারা নির্মিত =হিরন্ময়;
- বাতাসে চরে যে=কপোত;
- পূর্ব জন্মের কথা স্মরণ আছে যার=জাতিস্বর;
- যাহা সহজে লঙ্ঘন করা যায় না= অলঙ্ঘনীয়;
- যাহা সহজে উত্তীর্ণ হওয়া যায় না=দুস্তর;
- যা বলা হয়েছে=বক্ষ্যমাণ;
- যা পূর্বে চিন্তা করা যায় নি=অচিন্তিতপূর্ব;
- যা পূর্বে কখনও আস্বাদিত হয় নাই=অনাস্বাদিতপূর্ব;
- যা পূর্বে শোনা যায় নি=অশ্রুতপূর্ব;
- যা পুনঃ পুনঃ জ্বলিতেছে =জাজ্বল্যমান;
- যে ব্যক্তি এক ঘর হতে অন্য ঘরে ভিক্ষা করে বেড়ায়=মাধুকর;
- যা পূর্বে ছিল এখন নেই = ভূতপূর্ব;
- যা পূর্বে দেখা যায় নি = অদৃষ্টপূর্ব;
- যা কখনো নষ্ট হয় না = অবিনশ্বর।

উৎস: ভাষা শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।

১৮.
'মিছিলে অনেক লোকেরা উপস্থিত ছিলেন।' বাক্যটিতে কোন ধরনের অপপ্রয়োগ ঘটেছে?
  1. বিশেষ্যের অপপ্রয়োগ
  2. উপমার অপপ্রয়োগ
  3. বানানের অপপ্রয়োগ
  4. বহুবচনের অপপ্রয়োগ
সঠিক উত্তর:
বহুবচনের অপপ্রয়োগ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বহুবচনের অপপ্রয়োগ
ব্যাখ্যা

'মিছিলে অনেক লোকেরা উপস্থিত ছিলেন।' বাক্যটিতে বহুবচনের অপপ্রয়োগ ঘটেছে। 

 
• নিয়ম:
• বহুবচনের অপ্রপ্রয়োগজনিত ভুল:
- বহুত্ব বোঝাতে আমরা বহুবচন ব্যবহার করি। বিশেষ পদের সঙ্গে গুলি/গুলো/রা, এরা ইত্যাদি যুক্ত করে বহুবচন তৈরি করা হয়।
- বহুবচনের পরে দ্বিত্ব প্রয়োগ হয় না, অর্থাৎ কোনো শব্দকে একবার বহুবচনে রূপান্তরিত করলে পুনরায় তার বহুবচন অপ্রয়োজনীয়।
- তাই অগণিত, অনেক, বহু, যাবতীয়, সব ইত্যাদি যত বহুবচক পদ আছে, তাদের পরে সংশ্লিষ্ট বিশেষ পদের সঙ্গে গুলি/গুলো ইত্যাদি যুক্ত হবে না।
- যেমন:
- অশুদ্ধ: মিছিলে অনেক লোকেরা উপস্থিত ছিলেন।
- শুদ্ধ: মিছিলে অনেক লোক উপস্থিত ছিলেন।
---------------
বহুবচনের অপ্রপ্রয়োগজনিত কিছু অশুদ্ধি:

- অশুদ্ধ: সকল ছাত্ররা ক্লাসে উপস্থিত।
শুদ্ধ: সকল ছাত্র ক্লাসে উপস্থিত / ছাত্ররা ক্লাসে উপস্থিত।

- অশুদ্ধ: সকল সভ্যগণ সভায় উপস্থিত ছিলেন।
শুদ্ধ: সকল সভ্য সভায় উপস্থিত ছিলেন।

- অশুদ্ধ: শিক্ষক সকল সমস্যাগুলোর সমাধান করলেন।
শুদ্ধ: শিক্ষক সকল সমস্যার সমাধান করলেন।

- অশুদ্ধ: একে একে সব দর্শকেরা উপস্থিত হলো।
শুদ্ধ: একে একে সব দর্শক উপস্থিত হলো।

- অশুদ্ধ: রাতের আকাশে অসংখ্য তারকাবৃন্দের সমাহার।
শুদ্ধ: রাতের আকাশে অসংখ্য তারকার সমাহার।

- অশুদ্ধ: সকল সমস্যা সমূহের সমাধান হয়েছে।
শুদ্ধ: সকল সমস্যার সমাধান হয়েছে / সমস্যা সমূহের সমাধান হয়েছে।

- অশুদ্ধ: প্রধান শিক্ষক সকল বিষয়সমূহের আলোচনা করবেন।
শুদ্ধ: প্রধান শিক্ষক সকল বিষয়ের আলোচনা করবেন।

- অশুদ্ধ: অনুষ্ঠানে অনেক দর্শকেরা সমাগত হয়েছিল।
শুদ্ধ: অনুষ্ঠানে অনেক দর্শক সমাগত হয়েছিল।

- অশুদ্ধ: সকল শিক্ষার্থীগণ শিক্ষা সফরে গিয়েছিল।
শুদ্ধ: সকল শিক্ষার্থী শিক্ষা সফরে গিয়েছিল।

উৎস:
বাংলা ভাষা ২য় পত্র, এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়;
ভাষা শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ। 

১৯.
কোন বাক্যে ক্রিয়া-বিশেষণ রয়েছে? 
  1. ইশান হেলেধুলে হাঁটে। 
  2. মাহাদিকে সামান্য একটু দুধ দাও।
  3. বাস খুব দ্রুত চলে। 
  4. রকেট অতি দ্রুত চলে। 
সঠিক উত্তর:
ইশান হেলেধুলে হাঁটে। 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইশান হেলেধুলে হাঁটে। 
ব্যাখ্যা

ইশান হেলেধুলে হাঁটে- বাক্যটি ক্রিয়া বিশেষণ।
------------------------------------
• ক্রিয়া বিশেষণ:
- যে শব্দ ক্রিয়ার কাজের ধরণ, সময়, স্থান, পরিমাণ, কারণ বা অবস্থা সম্পর্কে অতিরিক্ত তথ্য দেয়, তাকে ক্রিয়া বিশেষণ বলে।
- সাধারণত ক্রিয়াকে কীভাবে দিয়ে প্রশ্ন করলে উত্তরে ক্রিয়াবিশেষণটি পাওয়া যায়।
- ইশান হেলেধুলে হাঁটে- বাক্যটিতে হাঁটা হচ্ছে ক্রিয়া আর হেলেধুলে হচ্ছে বিশেষণ।
- যদি প্রশ্ন করা হয় কিভাবে হাঁটে তাহলে উত্তর হবে হেলেধুলে হাঁটে।
- তাই ‘ইশান হেলেধুলে হাঁটে’- এই বাক্যটি ক্রিয়া বিশেষণের উদাহরণ। 

ক্রিয়া বিশেষণের কিছু উদাহরণ-
- গাড়িটি জোরে ছুটছে।
- তুমি একটু আস্তে হাঁটো।
- ছেলেটি কেঁদে কেঁদে অনুরোধ করল।
- লোকটি নাচতে নাচতে এল।
-------------------------------
অন্যদিকে,
• সামান্য একটু দুধ দাও- নাম-বিশেষনের বিশেষণ। 

• বাস খুব দ্রুত চলে ও রকেট অতি দ্রুত চলে- বাক্য দুইটি ক্রিয়া বিশেষণের বিশেষণ নির্দেশ করে।  
- এখানে "খুব" এবং “ অতি” হলো ক্রিয়া বিশেষণের বিশেষণ, কারণ এটি "দ্রুত" ক্রিয়া বিশেষণকে বিশেষিত করছে।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ)। 

২০.
নিচের কোনটি তৎসম উপসর্গ? 
  1. আন 
  2. কম
  3. লা
  4. অব 
সঠিক উত্তর:
অব 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অব 
ব্যাখ্যা

'অব' তৎসম উপসর্গ। 
--------------------------
• ‘উপসর্গ’:
- উপসর্গ’ শব্দের মূল অর্থ হলো ‘উপসৃষ্ট’।
- এর প্রধান কাজ হলো মূল শব্দের আগে বসে নতুন শব্দ তৈরি করা।
- উপসর্গের নিজস্ব অর্থ নেই, তবে এটি মূল শব্দের সঙ্গে যুক্ত হয়ে বিশেষ অর্থ প্রকাশ করে।

- উপসর্গ ৩ প্রকার:
• তৎসম বা সংস্কৃত উপসর্গ:
- তৎসম উপসর্গ হলো সেই উপসর্গ যা সংস্কৃত থেকে এসেছে এবং সংস্কৃত ধাতু/শব্দের সঙ্গে যুক্ত হয়ে নতুন শব্দ তৈরি করে।
- তৎসম উপসর্গ ২০টি: প্র, পরা, অপ, সম, নি, অব, অনু, নির্, দুর, বি, অধি, সু, উৎ, পরি, প্রতি, অভি, অতি, অপি, উপ, আ।
- উদাহরণ: অবহেলা এর ‘অব’ = তৎসম উপসর্গ।

• খাঁটি বাংলা উপসর্গ:
- বাংলা ভাষার নিজস্ব ২১টি উপসর্গ আছে:
- অ, অঘা, অজ, অনা, আ, আড়, আন, আব, ইতি, ঊন (ঊনা), কদ, কু, নি, পাতি, বি, ভর, রাম, স, সা, সু, হা।
- উদাহরন:
- আনমনা এর ‘আন’ = দেশি উপসর্গ।
- নিখুঁত এর ‘নি’ = দেশী উপসর্গ।

• বিদেশি উপসর্গ:
- বিদেশি উপসর্গগুলো মূলত ফারসি, আরবি, উর্দু-হিন্দি, এবং ইংরেজি ভাষা থেকে এসেছে।
- পাশাপাশি কিছু বিদেশি উপসর্গও বাংলা ভাষায় প্রচলিত হয়েছে।
- আরবি: আম, খাস, লা, গর, বাজে, খয়ের।
- ফারসি: কার, দর, না, নিম, ফি, বদ, বে, বর, ব, কম।
- উর্দু: হর।
- ইংরেজি: হেড, সাব, ফুল, হাফ।

উৎস:
প্রমিত বাংলা ব্যাকরণ ও নির্মিতি, ড. হায়াৎ মামুদ;  
বাংলা ভাষার ব্যাকরণ- ৯ম ও ১০ম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ)।

২১.
নিচের কোন শব্দটি নিত্য সমাসের উদাহরণ?
  1. বিরানব্বই
  2. হাসিমুখ
  3. গণতন্ত্র
  4. পলান্ন
সঠিক উত্তর:
বিরানব্বই
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিরানব্বই
ব্যাখ্যা

নিত্য সমাস:  
- যে সমাসের সমস্যমান পদগুলো সর্বদা সমাসবদ্ধ থাকে এবং ব্যাসবাক্য করা যায় না বা করতে গেলে অন্য পদের সাহায্য নিতে হয়, তাকে নিত্য সমাস বলে।
- এই সমাসে ব্যাসবাক্যের প্রথমে- ‘অন্য’ বা ‘কেবল' শব্দটি বসে।
- যেমন- অন্য দেশ = দেশান্তর।
- কেবল দর্শন = দর্শনমাত্র।

- আবার, নিত্য সমাসে ব্যাসবাক্যের শেষে অনেক সময় ‘তুল্য’ শব্দটি থাকে।
- যেমন- দুগ্ধ ফেনার তুল্য = দুগ্ধফেননিভ।
- নিত্য সমাসের কিছু উদাহরণ হলো:
- কালসাপ, আমরা, গ্রামান্তর, বিরানব্বই, উপায়ান্তর, দিগন্তর, ধর্মান্তর, লোকান্তর, দেখামাত্র, নামমাত্র ইত্যাদি। 
--------------------------- 
অন্যদিকে, 
- হাসিমুখ, গণতন্ত্র, পলান্ন- মধ্যপদলোপী কর্মধারয় সমাস। 
- হাসি মাখা মুখ = হাসিমুখ,
- গণ নিয়ন্ত্রিত তন্ত্র = গণতন্ত্র,
- পল মিশ্রিত অন্ন = পলান্ন।  

উৎস: ভাষা শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ। 

২২.
'উঁচু ভূমির ঢাল বেয়ে জল নামছে' বাক্যটিতে 'জল' কোন কারকে কোন বিভক্তি?
  1. সম্প্রদান কারকে শূন্য
  2. কর্তা কারকে শূন্য
  3. কর্ম কারকে শূন্য
  4. করণ কারকে শূন্য
সঠিক উত্তর:
কর্তা কারকে শূন্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কর্তা কারকে শূন্য
ব্যাখ্যা

'উঁচু ভূমির ঢাল বেয়ে জল নামছে' বাক্যে 'জল' শব্দটি কর্তৃকারকে শূন্য বিভক্তি (০ বিভক্তি);
- কারণ জল নিজেই ক্রিয়াটি (নামা) সম্পন্ন করছে এবং এর সাথে কোনো বিভক্তি চিহ্ন বা প্রত্যয় যুক্ত নেই।
-----------------------------------------------
কর্তৃকারক:
- বাক্যে যে বিশেষ্য বা সর্বনাম পদ ক্রিয়া সম্পন্ন করে, তাকে কর্তৃকারক বলে। 
- যিনি কাজটি করেন তিনি হলেন কর্তা বা কর্তৃকারক।
- উদাহরণ:
• "মুক্তা রান্না করছে" - এখানে 'মুক্তা' কাজটি করছে, তাই এটি কর্তৃকারক।
• "ছাত্রীরা মাঠে দৌড়াচ্ছে" - এখানে 'ছাত্রীরা' কাজটি করছে, তাই এটি কর্তৃকারক।
- ক্রিয়াপদকে "কে" বা "কারা" দিয়ে প্রশ্ন করলে যে উত্তর পাওয়া যায়, সেটিই কর্তৃকারক।
- উদাহরণ: 
• "কে রান্না করছে?" → উত্তর: "মুক্তা"।
• "কারা মাঠে দৌড়াচ্ছে?" → উত্তর: "ছাত্রীরা"।

শূন্য বিভক্তি:
- যে বিভক্তি শব্দের সাথে যুক্ত হলেও কোনো চিহ্ন বা প্রত্যয় (যেমন -কে, -র, -এ) যোগ হয় না, কিন্তু বাক্যে স্পষ্ট ভূমিকা পালন করে তাকে শূন্য বিভক্তি বলা হয়।
- সহজ কথায়, শব্দটি নিজেই কারক হিসেবে কাজ করছে, কিন্তু কোনো চিহ্ন নেই।
- উদাহরণ:
• "আমি খেলছি" - 'আমি' কর্তৃকারকে শূন্য বিভক্তি , কারণ কোনো চিহ্ন নেই, কিন্তু এটি কর্তার কাজ করছে।
• "পাখি আকাশে উড়ছে" - 'পাখি' কর্তৃকারকে শূন্য বিভক্তি, কারণ এটি কর্তার কাজ করছে।

উৎস:
বাংলা ভাষার ব্যাকরণ- ৯ম ও ১০ম শ্রেণি (২০১৮ সংস্করণ);
বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা – সৌমিত্র শেখর।

২৩.
'কফি' কোন ভাষা থেকে আগত শব্দ? 
  1. ওলন্দাজ 
  2. হিন্দি
  3. রুশ
  4. তুর্কি 
সঠিক উত্তর:
তুর্কি 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তুর্কি 
ব্যাখ্যা

‘কফি’ তুর্কি ভাষা থেকে আগত শব্দ।

• তুর্কি শব্দ:
- বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত কিছু তুর্কি শব্দ হলো:
- উজবুক, লাশ, কাচি, মুসলেকা, কোর্মা, বাবুর্চি, বাবা, বেগম, খোকা, তালাশ, কুলি, তোপ, খাতুন ইত্যাদি। 

অন্যদিকে, 
- ওলন্দাজ ভাষা থেকে আগত শব্দ- ইস্কাপন, টেক্কা, তুরুপ, রুইতন হরতন ইত্যাদি। 

- হিন্দি ভাষা থেকে বাংলা ভাষায় বহু শব্দ এসেছে, যেমন - 'জঙ্গল', ‘পালকি’,‘চাটনি’, ‘চামচা', 'হাওয়া', 'দোস্ত', 'পাগল', 'শহিদ', 'গুমটি', 'খানা', 'বাজার' ইত্যাদি। 

- রুশ ভাষা থেকে আগত শব্দ- 'কমরেড', 'বলশেভিক', ইত্যাদি। 

উৎস: ভাষা শিক্ষা, ড. হায়াত মামুদ। 

২৪.
চর্যাপদে মোট ৫১টি পদ থাকা সত্ত্বেও কোন সিদ্ধাচার্যের কোনো পদই উল্লেখ নেই?
  1. সরহপা
  2. গুণ্ডরি পা
  3. লাড়িডোম্বী পা
  4. ঢেণ্ডোণ পা
সঠিক উত্তর:
লাড়িডোম্বী পা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
লাড়িডোম্বী পা
ব্যাখ্যা

চর্যাপদে মোট ৫১টি পদ থাকা সত্ত্বেও লাড়িডোম্বী পা'র কোনো পদই উল্লেখ নেই।
------------------------------------------- 
• চর্যাপদ:
- চর্যাপদ মানে হলো প্রাচীন বাংলা সাহিত্যের লিখিত প্রথম নিদর্শন।
- চর্যাপদ বৌদ্ধ সহজিয়া সিদ্ধাচার্যদের দ্বারা রচিত এক প্রকার সাধনমূলক গীতিকবিতা।
- বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে আদি ও শ্রেষ্ঠ নিদর্শন হলো চর্যাপদ।
- এটি গানের সংকলন এবং একে সাধন-সংগীতও বলা হয়।
- চর্যাপদ মাত্রাবৃত্ত ছন্দে রচিত এবং একে চর্চাগীতিকোষ বলা হয়।
- পাল শাসন আমলে এটি রচিত হয়।
- চর্যাপদকে বলা হয় সহজিয়া বা বৌদ্ধ ধর্ম অবলম্বনকারীদের সাহিত্য।
- এর ভাষা রীতি হলো কথ্য ভাষারীতি।
- চর্যাপদের ভাষাকে সন্ধ্যাভাষা ও বলা হয়।
--------------------------------------------------- 
লাড়িডোম্বী পা:
- চর্যার তিব্বতি অনুবাদে লাড়িডোম্বী পা'র নাম ২৪, ২৫ ও ৪৮ নম্বর পদের রচয়িতা হিসেবে পাওয়া যায়।
- কিন্তু মূল পুথিতে তাঁর কোনো পদ নেই।
- তাই চর্যাপদের পদ মোট ৫১টি হলেও মোট পদ ৫০ টি ধরা হয়। 
----------------------------------
অন্যদিকে,
• সরোহপা - তাঁকে চর্যার শেষ পদরচয়িতা হিসেবে গণ্য করা হয়।

• ঢেণ্ঢণ পা ছিলেন চর্যাপদের একজন কবি, যাঁর একটি পদ (পদ ৩৩) পাওয়া গেছে।

• গুণ্ডরি পা চর্যাপদের একজন কবি।
- তিনি ৪ নং পদটি রচনা করেছেন।  
- তিনি ২৪ জন সিদ্ধাচার্যের মধ্যে অন্যতম, এবং তার পদটি "তিঅড্ডা চাপী যোইনি দে অঙ্কবালী" শিরোনামে সংকলিত হয়েছে। 

উৎস:
বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস — মাহবুবুল আলম;  
লাল নীল দীপাবলি (চর্যাপদ অধ্যায়)।

২৫.
অশুদ্ধ বানান- 
  1. পরিস্কার
  2. আবিষ্কার
  3. পুরস্কার
  4. দুষ্কৃতকারী
সঠিক উত্তর:
পরিস্কার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পরিস্কার
ব্যাখ্যা

বানান শুদ্ধিকরণ:

অশুদ্ধ বানান - 'পরিস্কার';
- শব্দের শুদ্ধ বানান - 'পরিষ্কার';
- "পরিস্কার” বানানটি ভুল কারণ এখানে ‘র’-এর পরে ষ’-ফলা যুক্ত হবে (ষ্ক)।
- বাংলা ব্যাকরণের যুক্তবর্ণের নিয়ম অনুযায়ী, ‘র’-এর পরে যুক্তাক্ষর হলে সেখানে মূর্ধন্য-ষ (‘ষ’-ফলা) বসে।
- যেমন: পুরস্কার, তিরস্কার।
-----------------------------------------
অন্যদিকে,
• আবিষ্কার, পুরস্কার, দুষ্কৃতকারী- শব্দগুলোর বানান শুদ্ধ।

উৎস: বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান।

২৬.
What is the correct plural form of the noun "louse"?
  1. Louses
  2. Lous
  3. Lice
  4. Louse
সঠিক উত্তর:
Lice
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Lice
ব্যাখ্যা

• The correct plural form of the noun "louse" is - Lice.

• Louse (Plural - lice):
- English Meaning: Any of various small wingless usually flattened insects. (informal - a bad or cruel person).
- Bangla Meaning: উকুন; উকুনজাতীয় গাছ পোকা। ঘৃণিত ব্যক্তি।

-  "Louse"  একটি irregular noun. স্বাভাবিক s বা es যোগ করে সাধারণত plural করা যায় না।
- তাই plural form হচ্ছে "lice" (not "louse," "lous," or "louse").

- একই রকম irregular plurals হলো:
- Mouse → Mice.
- Goose → Geese.

• Note: Louse দিয়ে ঘৃণিত ব্যক্তি বুঝালে Plural হবে - louses.

Source: The Britannica Dictionary, Merriam-Webster Dictionary, Accessible Dictionary, A Passage to the English Language.

২৭.
What kind of noun is the word "Kindness"?
  1. Proper Noun
  2. Common Noun
  3. Material Noun
  4. Abstract Noun
সঠিক উত্তর:
Abstract Noun
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Abstract Noun
ব্যাখ্যা

• The word "Kindness" is - Abstract Noun.

• Abstract Noun: 
- Abstract Noun হলো সেই noun যা কোন অবস্তুগত ধারণা বা গুণকে নির্দেশ করে; যার কোন বাহ্যিক অস্তিত্ব নেই এবং যা ছোঁয়া যায় না; গন্ধ বা শ্রবণ দ্বারা বুঝা যায় না; কিন্তু শুধু কল্পনা দ্বারা বুঝা যায়।

- Kindness (দয়া) দ্বারা অবস্তুগত ধারণা বা গুণকে নির্দেশ করছে , যার বাহ্যিক অস্তিত্ব নেই।

• Other options,
• যে Noun কোনো নির্দিষ্ট ব্যক্তি, স্থান বা বস্তু প্রকাশ করে Proper Noun বলে।
- Proper Noun এর প্রথম অক্ষর সব সময় Capital Letter হয়। Example: Karim, Dhaka, etc.

• যে Noun কোন এ শ্রেণীর ব্যক্তি বা বস্তুর প্রত্যেকের সাধারণ নাম বুঝায় তাকে Common Noun বলে।
- Example: Boy, City, etc.

• যে Noun দ্বারা কোন বস্তু বা পদার্থকে নির্দেশ করে তাকে Material noun বলে।
- Example: Gold, Diamond, etc.

Source: Advanced Learner's Communicative English Grammar & Composition By Chowdhury & Hossain.

২৮.
We admired her smile.
Here, the word "smile" is a/ an -
  1. Noun
  2. Adjective
  3. Verb
  4. Adverb
সঠিক উত্তর:
Noun
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Noun
ব্যাখ্যা

• We admired her smile. Here, the word "smile" is a/ an - Noun.

• প্রদত্ত sentence টিতে Verb (admired) এর object হিসেবে smile ব্যবহৃত হয়েছে।
- "Smile" মানে হাসি বা মুখের অভিব্যক্তি বোঝাতে ব্যবহৃত হয়েছে।
- "Her smile" বলতে বোঝানো হয়েছে তার হাসি বা মুখের অভিব্যক্তি, যা একটি বস্তু বা ধারণা (Noun)।
- "admired" হলো একটি ক্রিয়া (Verb), এবং verb এর পরে smile এখানে Object হিসেবে আছে, তাই এটি এখানে Noun.

• Smile (Noun):
- English meaning: To make a smile appear on your face.
- Bangla meaning: হাসি; মৃদু হাসি।

Source: Advanced Learner's Communicative English Grammar & Composition By Chowdhury & Hossain.

২৯.
I had ______ money than I thought.
  1. many
  2. less
  3. few
  4. a few
সঠিক উত্তর:
less
উত্তর
সঠিক উত্তর:
less
ব্যাখ্যা

• Correct answer: I had less money than I thought.

• Less:
- "less" is a quantifier (indicating a smaller amount (of), or to a smaller degree) modifying "money".

- অর্থাৎ, "less" এখানে quantifier determiner যা uncountable noun "money" কে নির্দেশ করছে।
- তাই, এখানে uncountable noun "money" এর আগে less এর ব্যবহার সঠিক।

• অন্যদিকে,
- many, few, a few শুধুমাত্র countable noun বা plural countable noun এর সাথে ব্যবহৃত হয়।

• Example sentence:
- It all happened many years ago.
- I have few friends.
- I just have a few photos of my parents. 

Source: A Passage To The English Language S.M Zakir Hussain.

৩০.
The roads of Rajshahi are wider ________.
  1. than those of Dhaka
  2. than Dhaka
  3. than that of Dhaka
  4. than Dhaka's road
সঠিক উত্তর:
than those of Dhaka
উত্তর
সঠিক উত্তর:
than those of Dhaka
ব্যাখ্যা

(১৫ তম শিক্ষক নিবন্ধন-১৯)

• Correct answer: The roads of Rajshahi are wider than those of Dhaka.

• প্রদত্ত sentence টিতে The roads of Rajshahi এখানে Plural Countable Noun হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে।
- তাই, দুটি Noun এর মধ্যে তুলনা করার সময় Noun এর পুনরাবৃত্তি পরিহার করতে Plural Countable Noun এর পরিবর্তে those of ব্যবহৃত হবে।
- তাই, সঠিক উত্তর হবে - than those of Dhaka.

• দুটি Noun এর মধ্যে তুলনা করার সময় পূর্বের Noun এর পুনরাবৃত্তি পরিহার করতে Uncountable Noun এর পরিবর্তে that of এবং Plural Countable Noun এর পরিবর্তে those of ব্যবহৃত হয়।
- অন্যভাবে বলা যায়, কোনো Comparative sentence এর প্রথম অংশ যদি The + Noun + of + Noun হয়, তবে verb এর পরের অংশ হবে than + that/ those of হবে।

• Structure:
- The + Uncountable Noun + of + Noun + Auxiliary verb + Comparative degree + than that of + ext.
- The + Countable Noun + of + Noun + Auxiliary verb + Comparative degree + than those of + ext.

Source: Advanced Learner's Communicative English Grammar & Composition By Chowdhury & Hossain.

৩১.
Use an article: He is ___ F. C. P. S.
  1. a
  2. an
  3. the 
  4. No article
সঠিক উত্তর:
an
উত্তর
সঠিক উত্তর:
an
ব্যাখ্যা

• Article এর ক্ষেত্রে, A, E, I, O, U এই পাঁচটি Vowel এর পূর্বে an বসে। 

- তবে প্রদত্ত বাক্যটিতে F. C. P. S. শব্দের 'F' Consonant হওয়া সত্ত্বেও Article হিসেবে 'an' বসবে। 
- 'F' উচ্চারণ করতে গেলে 'a' উচ্চারণ প্রথমে আসে, যা একটি Vowel. 

• Correct Answer: He is an F. C. P. S.

• সংক্ষিপ্ত রূপ অর্থাৎ abbreviation এর প্রথম অক্ষর vowel এর মত উচ্চারিত হলে তার পূর্বে an বসে।
- Example: an M.B.B.S., an F.R.C.S., an M.A.

• আবার, abbreviation এর প্রথম অক্ষর consonant এর মত উচ্চারিত হলে তার পূর্বে a বসে।
- Example: a B.A, a B.SC.

Source: Advanced Learner's Communicative English Grammar & Composition By Chowdhury & Hossain.

৩২.
The adjective of the word "People" is -
  1. Popularity
  2. Popular
  3. Popularize
  4. Populous
সঠিক উত্তর:
Populous
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Populous
ব্যাখ্যা

• The adjective of the word "People" is - Populous.

• Populous (Adjective): 
- English meaning: Densely populated, having a large population. 
- Bengali meaning: জনবহুল; জনাকীর্ণ; ঘনবসতিপূর্ণ।

• Other options,
- Popularity (Noun) - জনপ্রিয়তা; লোকপ্রিয়তা; লোকগ্রাহ্যতা; লোকপ্রীতি। 
- Popular (Adjective) - জনসাধারণ সম্বন্ধীয় বা জনসাধারণের জন্য; লৌকিক; লোকপ্রিয়; লোকগ্রাহ্য। 
- Popularise (Verb) [British spelling] - জনপ্রিয়/ লোকপ্রিয়/ লোকপ্রচলিত করা। 

Source: Accessible Dictionary by Bangla Academy, Merriam-Webster Dictionary.

৩৩.
He was standing ________ a crowd of children.
  1. among
  2. between
  3. within 
  4. in
সঠিক উত্তর:
among
উত্তর
সঠিক উত্তর:
among
ব্যাখ্যা

• Uses of the preposition 'between'/ 'among':
- সাধারণত দুইটি ব্যক্তি বা বস্তুর ক্ষেত্রে between এবং দুইয়ের অধিক ব্যক্তি বা বস্তুর এর ক্ষেত্রে among ব্যবহৃত হয়।
- Collective noun এর পূর্বে among ব্যবহৃত হয়।
- যখন তিন বা ততোধিক ব্যক্তির মধ্যে কিছু বিতরণ করা হয়, তখন among ব্যবহার করা হয়।

• Correct answer: He was standing among a crowd of children.
- এখানে, crowd of children- Collective noun কে নির্দেশ করছে, যা বাচ্ছাদের দল বা সমষ্টিকে বোঝায়।
- অর্থাৎ দুইয়ের বেশি বা অধিক বুঝায়।
- তাই সঠিক উত্তর হবে - among.

৩৪.
Identify the imperative sentence.
  1. It has been raining since morning.
  2. I shall go to college.
  3. Stand up.
  4. Momin is singing a song.
সঠিক উত্তর:
Stand up.
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Stand up.
ব্যাখ্যা

→ (27th BCS Preli)
• Imperative sentence হলো 'Stand up'.

• Imperative Sentence (অনুজ্ঞাসূচক বাক্য):
- যে Sentence দ্বারা কোন আদেশ, উপদেশ, নিষেধ, অনুরোধ ইত্যাদি বোঝায় তাকেই Imperative sentence বা অনুজ্ঞাসূচক বাক্য বলে।
- এই ধরনের বাক্যে Subject (you) গোপন থাকে।

• Subject উহ্য রেখে Verb দিয়ে শুরু হওয়া বাক্য imperative sentence হয়ে থাকে।
- তাছাড়া Imperative Sentence বাক্যে আদেশ, নিষেধ, উপদেশ, অনুরোধ বুঝায়।
- এখানে 'Stand up' দ্বারা আদেশ/নির্দেশ বুঝাচ্ছে। তাই, 'Stand up' হচ্ছে Imperative Sentence.

• অন্য অপশন গুলো-
ক) It has been raining since morning.
খ) I shall go to college.
ঘ) Momin is singing a song.
- এগুলো হচ্ছে বিবৃতিমূলক (Declarative) বা assertive sentences.

• বাক্যের প্রকারভেদ- অর্থানুসারে বাক্য ৫ ধরনের হয়ে থাকে। যথা-  
1. Assertive Sentence (বর্ণনামূলক বাক্য)
- যে Sentence দ্বারা কোন কিছুর বর্ননা বা বিবৃতি প্রকাশ করে তাকে Assertive sentence বলে।
- An assertive sentence is a simple statement or assertion, and it may be affirmative or negative.
- structure: “subject + verb + object/complement/adverb”.

2. Interrogative Sentence (প্রশ্নবোধক বাক্য)
যে Sentence দ্বারা কোন প্রশ্ন করা হয় অথবা কোন কিছুর প্রত্যুত্তর পাওয়ার উদ্দেশ্যে জিজ্ঞেস করা হয় তখন তাকে Interrogative Sentence বলে।

3. Imperative Sentence (অনুজ্ঞাসূচক বাক্য)
- যে Sentence দ্বারা কোন আদেশ, উপদেশ, নিষেধ, অনুরোধ ইত্যাদি বোঝায় তাকেই Imperative sentence বা অনুজ্ঞাসূচক বাক্য বলে। এই ধরনের বাক্যে Subject (you)  গোপন থাকে।
- যেমন - Never tell a lie.

4. Optative Sentence (প্রার্থনা সূচক বাক্য)
- যে Sentence দ্বারা মনে ইচ্ছা কিংবা প্রার্থনা প্রকাশ করে তাকে Optative Sentence বলে।
- যেমন -May Allah bless you.

5. Exclamatory Sentence (বিস্ময়সূচক বাক্য)
- এই ধরণের বাক্য দ্বারা হঠাৎ আকস্মিকভাবে মনের কোন পরিবর্তন যেমন হর্ষ, বিষাদ, আনন্দ, আবেগ বা বিস্ময় প্রকাশ করা হয়।
- How charming the sight is!

৩৫.
Set in means -
  1. To stop
  2. To begin
  3. To arrange
  4. none
সঠিক উত্তর:
To begin
উত্তর
সঠিক উত্তর:
To begin
ব্যাখ্যা

• The required answer is - To begin.

• Set in (Phrasal verb with verb set):
- English Meaning: To begin.
- Bangla Meaning: শুরু হওয়া; শুরু হয়ে যাওয়া।

• বৃষ্টি, খারাপ আবহাওয়া, সংক্রমণ ইত্যাদি শুরু হয়ে দীর্ঘ সময় ধরে চলতে থাকার সম্ভাবনা অর্থে set in ব্যবহৃত হয়।

• More examples:
1. This rain looks as if it has set in for the rest of the day.
2. In winter, darkness sets in so early!

Source: Oxford Dictionary, Accessible Dictionary.

৩৬.
The phrase "Beg the question" means -
  1. To refer to 
  2. To raise objections
  3. To be discussed
  4. To take for granted
সঠিক উত্তর:
To take for granted
উত্তর
সঠিক উত্তর:
To take for granted
ব্যাখ্যা

• The phrase "Beg the question" means - To take for granted.

• Beg the question:
- English meaning:
1. To assume the thing under examination as proved.
2. To pass over or ignore a question by assuming it to be established or settled.
- Bangla Meaning: কোনো বিষয়ে প্রমাণ না দিয়েই সত্য বলে ধরে নেওয়া বা অনুমান করা।

• Take for granted:
- English meaning: To take as true or as a fact without actual proof.
- Bangla Meaning: নিশ্চিতভাবে ধরে নেওয়া।

• সুতরাং, বুঝা যাচ্ছে যে, To beg the question এবং To take for granted একই অর্থ বহন করছে।

Source: English-Bangla Dictionary, Collins Dictionary, Merriam-Webster Dictionary.

৩৭.
The antonym of the word "Sporadic" is -
  1. Occasional
  2. Frequent 
  3. Intermittent 
  4. Isolated
সঠিক উত্তর:
Frequent 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Frequent 
ব্যাখ্যা

• Sporadic (Adjective):
- English Meaning: Not happening or appearing in a pattern; not continuous or regular.
- Bangla Meaning: এখানে-সেখানে বা মাঝে মাঝে ঘটে কিংবা দেখা যায় এমন; বিক্ষিপ্ত।

• উল্লিখিত অপশনগুলো,
ক) Occasional - আকস্মিক।

খ) Frequent - প্রায়ই সংঘটিত; প্রায়িক; পৌনঃপুনিক; নিয়মিত, অভ্যস্ত।

গ) Intermittent - সবিরাম।

ঘ) Isolated - পৃথক/ বিচ্ছিন্ন করা।

• সুতরাং, অপশন বিবেচনা করে দেখা যায় যে, The antonym of the word "Sporadic" is - Frequent.

Source: Merriam & Webster Dictionary, Oxford Dictionary, Accessible Dictionary.

৩৮.
The synonym of the word "Kudos" is -
  1. Applause
  2. Punishment
  3. Criticism
  4. Blame
সঠিক উত্তর:
Applause
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Applause
ব্যাখ্যা

• Kudos (Noun):
- English Meaning: The public admiration that a person receives as a result of a particular achievement or position in society.
- Bangla Meaning: - (কথ্য) সম্মান ও গৌরব; অভিনন্দন, প্রশংসা করা।

• উল্লিখিত অপশনগুলো,
ক) Applause - সমর্থন বা অভিনন্দনজ্ঞাপক তুমুল হর্ষধ্বনি বা করতালি।

খ) Punishment - শাস্তি; দণ্ড।

গ) Criticism - খুঁতসন্ধান।

ঘ) Blame - দোষ দেওয়া; নিন্দা করা।

• সুতরাং, অপশন বিবেচনা করে দেখা যায় যে, The synonym of the word "Kudos" is - Applause.

Source: Merriam & Webster Dictionary, Oxford Dictionary, Accessible Dictionary.

৩৯.
Choose the correct sentence.
  1. Would that he could understood my feelings better.
  2. The headmaster and secretary are present today.
  3. The train has already left.
  4. He says as though he know everything.
সঠিক উত্তর:
The train has already left.
উত্তর
সঠিক উত্তর:
The train has already left.
ব্যাখ্যা

• Correct Sentence: The train has already left. (অপশন গ)
- Just, Just now, Already, Recently, Yet, Ever থাকলে Sentence টি Present Perfect Tense হয়।

• Present Perfect Tense:
- কোন কাজ পূর্বে শুরু হয়ে বর্তমানে চলছে বুঝালে Present Perfect Tense হয়।

- Structure: Subject + has/ have + V3 + extension.

• উল্লিখিত বাকি অপশনগুলো,
(ক) Would that দিয়ে Sentence শুরু হলে Subject এরপর could বসে এবং verb এর Present form বসে।
- Correct Sentence: Would that he could understand my feelings better.

(খ) And দ্বারা যুক্ত Sentence এ যদি Subject একই ব্যক্তি বা বস্তুকে বুঝায় তবে তাদের Verb ও Pronoun Singular হয়।
- Correct Sentence: The headmaster and secretary is present today.

(ঘ) As if / As though এর পূর্বে Present Indefinite Tense থাকলে as if/as though এর পরে Past Indefinite Tense হয় এবং Be verb থাকলে সব সময় were হয়।
- Correct Sentence: He says as though he knew everything.

Source: Advanced Learner's Communicative English Grammar & Composition By Chowdhury & Hossain.

৪০.
"Hope springs eternal in the human breast." 
Translate into Bengali.
  1. নানা মুনির নানা মত।
  2. ক্ষুধা পেলে বাঘও ধান খায়।
  3. যতক্ষণ শ্বাস ততক্ষণ আশ।
  4. অসৎ পথের আয় অসৎ পথেই যায়। 
সঠিক উত্তর:
যতক্ষণ শ্বাস ততক্ষণ আশ।
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যতক্ষণ শ্বাস ততক্ষণ আশ।
ব্যাখ্যা

• প্রদত্ত প্রশ্নে "Hope springs eternal in the human breast" প্রবাদটির অর্থ হচ্ছে - যতক্ষণ শ্বাস ততক্ষণ আশ।

• উল্লিখিত বাকি অপশনগুলো,
• All feet tread not in one shoe.
- নানা মুনির নানা মত।

• Hunger is the best sauce.
- ক্ষুধা পেলে বাঘও ধান খায়।

• Ill got, ill spent.
- অসৎ পথের আয় অসৎ পথেই যায়। 

Source: Accessible Dictionary by Bangla Academy.

৪১.
Touhid is taller than any other boy in the class. (make it positive)
  1. Very few boy in the class is as tall as Touhid.
  2. Most other boy in the class is so tall as Touhid.
  3. No other boy in the class is as tall as Touhid.
  4. No other boy in the class is tall as Touhid.
সঠিক উত্তর:
No other boy in the class is as tall as Touhid.
উত্তর
সঠিক উত্তর:
No other boy in the class is as tall as Touhid.
ব্যাখ্যা

• Than any other/ all other যুক্ত Comparative degree কে Positive degree- তে রূপান্তরের নিয়ম:
- Positive degree এ sentence এর শুরুতে No other বসে।
- any other বা all other এর পরের অংশ বসে। 
- Verb বসে।
- as + Comparative degree এর positive form বসে + as বসে।
- Comparative degree এর subject বসে।
  
Structure: No other + any other / all other এর পরের অংশ + verb + as +Comparative degree এর positive form + as + প্রদত্ত sentence এর subject.

• Comparative degree: Touhid is taller than any other boy in the class.
• Positive degree: No other boy in the class is as tall as Touhid.

(মাঝে মধ্যে As এর পরিবর্তে So negative অর্থে এ ব্যবহার করা হয়।)

Source: Advanced Learner's Communicative English Grammar & Composition By Chowdhury & Hossain.

৪২.
Let’s go for a picnic this weekend, _________?
  1. will we
  2. shall we
  3. are
  4. have we
সঠিক উত্তর:
shall we
উত্তর
সঠিক উত্তর:
shall we
ব্যাখ্যা

 • Tag question করার নিয়ম:
- Tag question ব্যবহার করা হয় উক্তিটি সত্য না মিথ্যা তা নিশ্চিত করার জন্য।
- Statement positive হলে tag question টি negative এবং negative হলে positive হবে।
- Subject ও tense অনুসারে auxiliary verb দ্বারা tag question হয়।

• Let যুক্ত imperative sentence এর tag question করার নিয়ম:
- Let এরপর 's থাকেলে বুঝতে হবে যে 's দ্বারা us কে বুঝানো হয়েছে।
- Us এর পরিবর্তে We ব্যবহার করা হয়।
- Tag question এ shall we বসে।

• Complete sentence: Let's have a walk outside the farm, shall we?

Source: A Passage to the English Language S. M. Zakir Hussain.

৪৩.
She does not know why he left the place.
Here, the underlined clause is a/ an - 
  1. Noun Clause
  2. Adjective Clause
  3. Adverb Clause
  4. None of these
সঠিক উত্তর:
Noun Clause
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Noun Clause
ব্যাখ্যা

• Noun Clause:
- যে সব Subordinate Clause Noun এর কাজ করে থাকে, অর্থাৎ Subject, Object, Compliment বা Case in Apposition- এর কাজ করে থাকে তাকে Noun Clause বলে।

• Noun Clause বিভিন্নভাবে ব্যবহার হতে পারে। যেমন:
- Verb এর Subject হিসেবে।
- Verb এর Object হিসেবে।
- Object এর complement হিসেবে।
Complement দুই প্রকার। যেমন: 1. Subjective Complement এবং 2. Objective Complement
- Verb এর Subject এর Complement হিসেবে। 
- Preposition এর object হিসেবে।

• Noun Clause যখন verb এর Object হিসেবে কাজ করে তখন তা That, Wh word: what, when, where, whom, why, whether, how এবং if দিয়ে শুরু হয়।
- প্রদত্ত sentence টিতে 'why he left the place' Noun clause এর নিয়ম অনুযায়ী Why দ্বারা শুরু হয়েছে এবং Know (verb) এর object হিসেবে ব্যবহার করা হয়েছে।

• Correct Answer: She does not know why he left the place. Here, the underlined clause is a/ an - Noun Clause.

Source: Advanced Learner's Communicative English Grammar & Composition By Chowdhury & Hossain.

৪৪.
She is fond of reading novels.
Here, the underlined word is a/ an -
  1. Participle
  2. Infinitive
  3. Adverb
  4. Gerund
সঠিক উত্তর:
Gerund
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Gerund
ব্যাখ্যা

• Gerund:
- Gerund হল এমন একটি শব্দ যা verb + ing যুক্ত হয়ে Noun এর মতো কাজ করে।

• Gerund এর ব্যবহার:
- Subject হিসেবে বসে।
- Object হিসেবে বসে।
- Preposition এর Object হিসেবে বসে।
- Verb এর Complement হিসেবে বসে।

• প্রদত্ত Sentence টিতে 'Read' (Verb) এর সাথে ing যুক্ত হয়ে Preposition (of) এর Object হিসেবে বসে।
- যখন Preposition এর Object হিসেবে বসে Noun এর মতো কাজ করে তখন তাকে Gerund বলে।
- সহজ ভাষায়, Gerund = Verb + ing = Noun = Verb + Noun.

• Correct Answer: She is fond of reading novels. Here, the underlined word is a/ an - Gerund.

• উল্লিখিত বাকি অপশনগুলো,
• Participle:
- A participle is a verb that ends in -ing (present participle) or -ed, -d, -t, -en, -n (past participle).
- Participle may function as Adjectives, describing or modifying Nouns.
- Participle একই সাথে Verb ও Adjective এর কাজ করে।

- Example sentence: 
- We saw a burning house. ("burning" describes "house").

• Infinitive:
- Verb এর present form এর আগে to বসিয়ে Infinitive গঠন করা হয়।
- অর্থাৎ, Infinitive = to + verb.

- Example sentence:
- The mayor promised to rebuild the damaged areas.

• Adverb:
- Adverb হলো এমন একটি part of speech যা noun বা pronoun ছাড়া অন্য সকল part of speech কে modify করে।
- এমনকি বাক্যকেও modify করতে পারে।

Source: A Passage To The English Language, S. M. Zakir Hussain. 

৪৫.
Had we known the truth, we ________ you.
  1. would helped
  2. would have helped
  3. would help
  4. have helped
সঠিক উত্তর:
would have helped
উত্তর
সঠিক উত্তর:
would have helped
ব্যাখ্যা

• Third Condition এর নিয়ম অনুসারে:
- If বা Had যুক্ত দুটি clause থাকে। 
- দুটি clause এর যেকোন একটিতে If/ had দিয়ে clause টি শুরু হবে।
- If বা Had যুক্ত clause টি Past Perfect Tense হয়। 
- ২য় clause টি Past perfect Conditional (would have, might have, should have, could have) বসে।
- Verb এর Past Participle form বসে।

• Complete Sentence: Had we known the truth, we would have helped you.

Source: Advanced Learner's Communicative English Grammar & Composition By Chowdhury & Hossain.

৪৬.
Choose the correct spelling.
  1. Curricolum
  2. Curricullum
  3. Curriculum
  4. Curiculum
সঠিক উত্তর:
Curriculum
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Curriculum
ব্যাখ্যা

• The correct spelling is 'Curriculum' (Noun).

Curriculum:
- English meaning: The subjects that are included in a course of study or taught in a school, college, etc.
- Bangla meaning: পাঠ্যসূচি; পাঠক্রম।

Example sentence: The school revised its curriculum to include more technology courses.
- Bangla meaning: স্কুলটি আরও প্রযুক্তি বিষয়ক কোর্স অন্তর্ভুক্ত করতে তার পাঠ্যক্রম পুনর্গঠন করল।

Source: Accessible Dictionary, Oxford Dictionary, Merriam Webster Dictionary.

৪৭.
The word "Disparage" means -
  1. To praise highly
  2. To criticize someone or something
  3. To ignore completely
  4. To explain clearly
সঠিক উত্তর:
To criticize someone or something
উত্তর
সঠিক উত্তর:
To criticize someone or something
ব্যাখ্যা

• The word "Disparage" means - To criticize someone or something.

• Disparage (Verb):
- English Meaning: To criticize someone or something in a way that shows a lack of respect.
- Bangla Meaning: অবমূল্যায়ন করা; অবজ্ঞা করা; হীনতর কোনো কিছুর সঙ্গে তুলনাসহ অসম্মান করা।

Example Sentence: It is unkind to disparage someone just because they have a different opinion.
- Bangla meaning: কারও মত ভিন্ন থাকায় তাকে ছোট করে দেখা অশালীন।

Source: Merriam & Webster Dictionary, Oxford Dictionary, Accessible Dictionary.

৪৮.
I watched him play football. (Make it passive)
  1. He was watched playing football by me.
  2. He was watched to playing football by me.
  3. He was watch play football by me.
  4. He was watched to play football by me.
সঠিক উত্তর:
He was watched to play football by me.
উত্তর
সঠিক উত্তর:
He was watched to play football by me.
ব্যাখ্যা

• Make, See, Feel, Let, Know, heed, Bid, Dare, Watch ইত্যাদি Verb থাকলে Active Voice কে Passive Voice রূপান্তরের নিয়ম:
- Active voice এর Object টি Passive voice এর Subject হিসেবে বসে।
- Tense অনুযায়ী Auxiliary Verb বসে।
- মূল verb এর Past participle form বসে।
- Make, See, Feel, Let, Know, heed, Bid, Dare, Watch ইত্যাদি Verb থাকলে Active Voice এ to উহ্য থাকে।
- কিন্তু Passive করার সময় তাদের পর to বসে এবং ২য় verb টির Present form বসে।
- তবে, Let Verb টির পরে Active ও Passive Voice এ To বসে না। 
- by বসে।
- Active voice এর subject টি Passive voice এ object হিসেবে বসে। 

• Active Voice: I watched him play football.
• Passive Voice: He was watched to play football by me.

Source: Advanced Learner's Communicative English Grammar & Composition By Chowdhury & Hossain.

৪৯.
It is high time the students ______ (start) preparing for the final exam.
  1. to start
  2. started
  3. starting
  4. have started
সঠিক উত্তর:
started
উত্তর
সঠিক উত্তর:
started
ব্যাখ্যা

• It is time/ It is high time:
- It is time/ It is high time থাকলে আর এরপর subject বসলে subject এরপরের verb টি past form হয়।
- Example: It is high time we started the meeting.

• It is time ও It is high time এর পরে subject না এসে, কোন verb আসলে ঐ verb এর Infinitive form হবে। 
- Example: It is high time to change our attitude.

• বাক্যে It is time এর পর subject আছে তাই সঠিক উত্তর - started.

Source: A Passage To The English Language: S. M. Zakir Hussain.

৫০.
He had better ______ (listen) to the teacher carefully.
  1. listens
  2. listening
  3. listen
  4. to listen
সঠিক উত্তর:
listen
উত্তর
সঠিক উত্তর:
listen
ব্যাখ্যা

• Complete sentence: He had better listen to the teacher carefully.

• Had better:
- Had better অর্থ তবুও/ বরং ভালো।
- Had better যুক্ত sentence past tense এর হলেও তা মূলত past tense নয়।
- Had better- unreal past ইহা present/ future tense এর অর্থ প্রকাশ করে।
- Had better এর পর infinitive to বসে না।
- সর্বদা verb এর base form বসে।

• Example sentences:
- You had better study hard if you want to pass the exam.
- They had better check the tickets before leaving.

Source: A Passage to the English Language. S.M. Zakir Hossain

৫১.
০.৪ × ০.০৪ × ০.০০৪ = ?
  1. ০.৬৪
  2. ০.০০৬৪
  3. ০.০০০৬৪
  4. ০.০০০০৬৪
সঠিক উত্তর:
০.০০০০৬৪
উত্তর
সঠিক উত্তর:
০.০০০০৬৪
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: ০.৪ × ০.০৪ × ০.০০৪ = ?

সমাধান: 
০.৪ × ০.০৪ × ০.০০৪ = ০.০০০০৬৪

যে সংখ্যাগুলো গুণ করতে হবে সেসব সংখায় দশমিকের পর মোট যত ঘর আছে গুনফলেও দশমিকের পর ঠিক তত ঘর থাকবে।

৫২.
  1. 0
  2. 1
  3. 1/2
  4. 3
সঠিক উত্তর:
3
উত্তর
সঠিক উত্তর:
3
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন:


সমাধান: 

৫৩.
যদি logx144 = 4 হয়, তবে x এর মান হবে-
  1. 2
  2. 2√3
  3. 3√2
  4. 4
সঠিক উত্তর:
2√3
উত্তর
সঠিক উত্তর:
2√3
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: যদি logx144 = 4 হয়, তবে x এর মান হবে-

সমাধান:
দেওয়া আছে, 
logx144 = 4
⇒ x4 = 144
⇒ x4 = 16 × 9 
⇒ x4 = (2)4 × (3)2
⇒ x4 = (2√3)4
∴ x = 2√3

৫৪.
6 জন তাঁতী 6 দিনে 6 টি মাদুর তৈরি করতে পারে। একই হারে 12 জন তাঁতী 12 দিনে কতটি মাদুর তৈরি করতে পারবে?
  1. 12 টি
  2. 16 টি
  3. 24 টি
  4. 32 টি
সঠিক উত্তর:
24 টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
24 টি
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: 6 জন তাঁতী 6 দিনে 6 টি মাদুর তৈরি করতে পারে। একই হারে 12 জন তাঁতী 12 দিনে কতটি মাদুর তৈরি করতে পারবে?

সমাধান: 
 6 জন তাঁতি 6 দিনে মাদুর তৈরি করে = 6 টি
∴ 1 জন তাঁতি 1 দিনে মাদুর তৈরি করে = 6/(6 × 6) টি
∴ 12 জন তাঁতি 12 দিনে মাদুর তৈরি করে = (6 × 12 × 12)/(6 × 6) টি
= 24 টি 

∴ 24 টি মাদুর তৈরি করতে পারবে।  

৫৫.
মানবদেহের নাক, কান এবং শ্বাসনালিতে নিচের কোনটি পাওয়া যায়?
  1. শক্ত হাড়
  2. তরুণাস্থি
  3. টেন্ডন
  4. পেরিটেন্ডিয়াম
সঠিক উত্তর:
তরুণাস্থি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তরুণাস্থি
ব্যাখ্যা

• টেন্ডন (Tendon): 
- মাংসপেশির প্রান্তভাগ রজ্জুর ন্যায় শক্ত হয়ে অস্থিগাত্রের সাথে সংযুক্ত থাকে, এ শক্ত প্রান্তকে টেন্ডন বলে। 
- ঘন শ্বেত তন্তুময় যোজক টিস্যু দ্বারা টেন্ডন গঠিত। এসব টিস্যু শাখা-প্রশাখাবিহীন, তরঙ্গিত এবং উজ্জ্বল শ্বেততন্তু দ্বারা গঠিত। 
- এরা গুচ্ছাকারে পরস্পর সমান্তরালভাবে বিস্তৃত থাকে। অনেকগুলো তন্তু একত্রে আঁটি বা বান্ডেল তৈরি করে। এদের স্থিতিস্থাপকতা নেই। 
- আঁটিগুলো একত্রে দলবদ্ধ হয়ে আঁটিগুচ্ছ তৈরি করে। আঁটিগুচ্ছগুলো তন্তুময় টিস্যুগুচ্ছ দ্বারা বেষ্টিত হয়ে অধিকতর বড় আঁটিতে শ্রেণিবদ্ধ হয়, একে পেরিটেন্ডিয়াম বলে। 
- টেন্ডন বেশ শক্ত। পেশি বা অস্থির তুলনায় টেন্ডনের ভেঙ্গে বা ছিঁড়ে যাবার সম্ভাবনা অনেক কম। 
- টেন্ডন দেহ কাঠামো গঠন ও দৃঢ়তাদানে, অস্থিবন্ধনী গঠনে সাহায্য করে এবং চাপটানের বিরুদ্ধে যান্ত্রিক প্রতিরোধ গড়ে তোলে। 

• তরুণাস্থি (Cartilage): 
- দেহের অভ্যন্তরের নমনীয়, নরম ও স্থিতিস্থাপক যোজক কলাকে তরুণাস্থি বা কার্টিলেজ বলে। 
- মানুষের নাক, কান, হিউমেরাস ও ফিমারের মস্তক, বিভিন্ন অস্থিসন্ধি, শ্বাসনালি, আন্তঃকশেরুকা চাকতি ইত্যাদিতে তরুণাস্থি থাকে। 
- তরুনাস্থির ম্যাট্রিক্সকে কনড্রিন (chondrin) বলে। ইহা অর্ধকঠিন, নমনীয় ও স্থিতিস্থাপক। 
- এটি মূলত কন্ড্রোসাইট কোষ এবং কোলাজেন/ইলাস্টিন তন্তু দিয়ে গঠিত।
- এটি পেরিকনড্রিয়াম নামক তন্তুময় ঝিল্লি দ্বারা আবৃত থাকে।
- এতে রক্তনালী বা স্নায়ু থাকে না, তাই পুষ্টির জন্য আশেপাশের তরলের ওপর নির্ভর করে।
- প্রধানত তিন ধরনের তরুণাস্থি পাওয়া যায়: হায়ালিন, ইলাস্টিক এবং ফাইব্রাস

উৎস: জীববিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় এবং প্রাণিবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৫৬.
যদি কোনো বর্গক্ষেত্রের প্রত্যেক বাহুর পরিমাণ 10% বৃদ্ধি করা হয়, তবে তার ক্ষেত্রফল শতকরা কত বৃদ্ধি পাবে?
  1. 10%
  2. 21%
  3. 20%
  4. 50%
সঠিক উত্তর:
21%
উত্তর
সঠিক উত্তর:
21%
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: যদি কোনো বর্গক্ষেত্রের প্রত্যেক বাহুর পরিমাণ 10% বৃদ্ধি পায় তবে এর ক্ষেত্রফ শতকরা কত বৃদ্ধি পাবে?

সমাধান:
ধরি,
বর্গক্ষেত্রের এক বাহুর দৈর্ঘ্য = 100 একক
 ∴ বর্গক্ষেত্রের ক্ষেত্রফল = (100)2 বর্গ একক
= 10000 বর্গ একক 

আবার,
বাহুর দৈর্ঘ্য 10% বৃদ্ধি করা হলে,
 ∴ বাহুর নতুন দৈর্ঘ্য = (100 + 100 এর 10%) একক 
= (100 + 100 এর 10/100) একক 
= (100 + 10) একক 
= 110 একক 

∴ বর্গক্ষেত্রের নতুন ক্ষেত্রফল = (110)2 = 12100 বর্গ একক

 ∴ ক্ষেত্রফল বৃদ্ধি পায় = (12100 - 10000) বর্গ একক = 2100 বর্গ একক 

এখন,
10000 বর্গ এককে বৃদ্ধি পায় = 2100 বর্গ একক
∴ 1 বর্গ এককে বৃদ্ধি পায় = 2100/10000 বর্গ একক
∴ 100 বর্গ এককে বৃদ্ধি পায় = {(2100 × 100)/10000} বর্গ একক
= 21 বর্গ একক 

∴ ক্ষেত্রফল শতকরা বৃদ্ধি পাবে = 21%

৫৭.
(2/7), (3/7) ও (5/14) ভগ্নাংশগুলোর লঘিষ্ঠ সাধারণ গুণিতক (ল.সা.গু) হবে-
  1. 7/30
  2. 15/7
  3. 7/15
  4. 30/7
সঠিক উত্তর:
30/7
উত্তর
সঠিক উত্তর:
30/7
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: (2/7), (3/7) ও (5/14) ভগ্নাংশগুলোর লঘিষ্ঠ সাধারণ গুণিতক (ল.সা.গু) হবে- 


সমাধান: 
আমরা জানি, 
ভগ্নাংশের ল.সা.গু = (লবগুলোর ল.সা.গু)/(হরগুলোর গ.সা.গু) 

এখন, 
ভগ্নাংশগুলোর লব(2, 3, 5) এর ল.সা.গু = 30
ভগ্নাংশগুলোর হর(7, 7, 14) এর গ.সা.গু = 7

∴ ভগ্নাংশগুলোর ল.সা.গু = 30/7

অতএব, (2/7), (3/7) ও (5/14) ভগ্নাংশগুলোর লঘিষ্ঠ সাধারণ গুণিতক (ল.সা.গু) = 30/7

৫৮.
টাইপ-১ ডায়াবেটিস রোগীর প্রধান বৈশিষ্ট্য কোনটি? 
  1. শুধুমাত্র খাদ্যাভ্যাস পরিবর্তনে এটি সেরে যায়
  2. দেহে একেবারেই ইনসুলিন তৈরি হয় না
  3. শরীর অতিরিক্ত ইনসুলিন তৈরি করে
  4. উপরের সবগুলো
সঠিক উত্তর:
দেহে একেবারেই ইনসুলিন তৈরি হয় না
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দেহে একেবারেই ইনসুলিন তৈরি হয় না
ব্যাখ্যা

• বহুমূত্র বা ডায়াবেটিস (Diabetes): 
- ইনসুলিন একটি হরমোন, এটি অগ্ন্যাশয়ের Islets of langerhans এর বিটা কোষ থেকে নিঃসৃত হয় যা রক্তে বিদ্যমান গ্লুকোজকে দেহ কোষে প্রবেশে সাহায্য করে, এর ফলে গ্লুকোজের উচ্চ মাত্রা হ্রাসপ্রাপ্ত হয়ে স্বাভাবিক মাত্রায় ফিরে আসে। অগ্ন্যাশয়ে যদি প্রয়োজনমতো ইনসুলিন তৈরি না হয় তবে রক্তে শর্করার পরিমাণ স্থায়ীভাবে বেড়ে যায়, প্রস্রাবের সাথে গ্লুকোজ নির্গত হয়। এ অবস্থাকে বহুমূত্র বা ডায়াবেটিস মেলিটাস (সংক্ষেপে: ডায়াবেটিস) বলে। 
- ডায়াবেটিস প্রধানত দুই ধরনের। যথা- টাইপ-1 এবং টাইপ-2। 
- টাইপ-১ ডায়াবেটিস একটি দীর্ঘস্থায়ী অটো-ইমিউন অবস্থা। এই রোগে শরীরের রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থা ভুলবশত অগ্ন্যাশয়ের ইনসুলিন উৎপাদনকারী বিটা কোষগুলোকে (Beta cells) আক্রমণ করে ধ্বংস করে ফেলে যার ফলে অগ্ন্যাশয় শরীরের জন্য প্রয়োজনীয় ইনসুলিন তৈরি করতে পারে না বা একেবারেই সামান্য তৈরি করে, যার ফলে রক্তে শর্করার মাত্রা অত্যধিক বেড়ে যায়। 
- টাইপ-1 এ আক্রান্ত রোগীর দেহে একেবারেই ইনসুলিন তৈরি হয় না। তাই নিয়মিতভাবে ইনজেকশনের মাধ্যমে ইনসুলিন নিতে হয়। 
- অন্যদিকে টাইপ-2 রোগীর দেহে আংশিকভাবে ইনসুলিন তৈরি হয়। এক্ষেত্রে ঔষধ, অগ্ন্যাশয় কোষকে শরীরের জন্য পরিমিত ইনসুলিন তৈরিতে সাহায্য করে। তবে টাইপ-২ ডায়াবেটিসেও কোনো না কোনো পর্যায়ে ইনসুলিনের স্থায়ী ঘাটতি হয়ে যেতে পারে কিংবা বিভিন্ন অসুখ বা চিকিৎসাপদ্ধতির অংশ হিসেবে সেই সব ঔষধ বন্ধ রাখতে হতে পারে, তখন ইনসুলিন ছাড়া উপায় থাকে না। এ রোগটি সাধারণত বংশগতি এবং পরিবেশের প্রভাবে হয়ে থাকে। 

- এই বহুমূত্র বা ডায়াবেটিস রোগটি সংক্রামক বা ছোঁয়াচে রোগ নয়।
- রক্ত ও প্রস্রাবে গ্লুকোজের মাত্রা পরিমাণের চেয়ে বেড়ে গেলে এই রোগের লক্ষণ প্রকাশ পায়। 
- লক্ষণগুলো হলো ঘন-ঘন প্রস্রাব হওয়া, অধিক পিপাসা লাগা, ক্ষুধা বেড়ে যাওয়া, পর্যাপ্ত খাবার খাওয়া সত্ত্বেও দেহের ওজন কমতে থাকা, দুর্বল বোধ করা, চোখে কম দেখা, চামড়া খসখসে ও রুক্ষ হয়ে যাওয়া, ক্ষতস্থান সহজে না শুকানো ইত্যাদি। 
- পূর্বে ধারণা করা হতো কেবল বয়স্কদের এ রোগটি হয়। এ ধারণাটি সঠিক নয়। ছোট-বড় সব বয়সে এ রোগ হতে পারে। তবে যারা কায়িক পরিশ্রম করেন না, দিনের বেশির ভাগ সময় বসে কাজ করেন অথবা অলস জীবন যাপন করেন, তাদের ডায়াবেটিস হওয়ার আশঙ্কা বেশি থাকে। 
- তাছাড়া স্থূলকায় ব্যক্তিদের এ রোগ হওয়ার আশঙ্কা বেশি। যেহেতু এ রোগ বংশগত, তাই কোনো ব্যক্তির বাবা, মা, দাদা, দাদির এ রোগ থাকলে তার এ রোগ হওয়ার আশঙ্কা খুবই বেশি। 
- বংশগতভাবে অনেক শিশুর দেহে ইনসুলিন উৎপাদন কম হয়, ফলে শিশুটি ইনসুলিন ঘাটতিজনিত অসুস্থতায় ভুগতে থাকে।
 
উৎস: জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি এবং প্রাণীবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৫৯.
2x + (2/x) = 3 হলে, x2 + (1/x2) এর মান কত?
  1. 1/2
  2. 1/4
  3. 9/4
  4. 17/4
সঠিক উত্তর:
1/4
উত্তর
সঠিক উত্তর:
1/4
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: 2x + (2/x) = 3 হলে, x2 + (1/x2) এর মান কত?

সমাধান: 
দেওয়া আছে, 
2x + (2/x) = 3
⇒ 2{x + (1/x)} = 3
⇒ x + (1/x) = 3/2  

এখন, 
x2 + (1/x2) = {x + (1/x)}2 - 2 × x × (1/x)
= (3/2)2 - 2
= (9/4) - 2
= (9 - 8)/4
= 1/4

৬০.
A = {x ∈ IN : 2 < x ≤ 6} এবং B = {x ∈ IN : x জোড় সংখ্যা এবং x ≤ 8} হলে A\B এর মান কত?
  1. {3, 5}
  2. {4, 6}
  3. {3, 5, 6}
  4. {3, 5, 2, 8}
সঠিক উত্তর:
{3, 5}
উত্তর
সঠিক উত্তর:
{3, 5}
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: A = {x ∈ IN : 2 < x ≤ 6} এবং B = {x ∈ IN : x জোড় সংখ্যা এবং x ≤ 8} হলে A\B এর মান কত?

সমাধান: 
দেয়া আছে,
A = {x ∈ N : 2 < x ≤ 6}
এখানে, x এর মান 2 থেকে বড় এবং 6 এর ছোট বা সমান স্বাভাবিক সংখ্যা।
∴ A = {3, 4, 5, 6}

আবার, 
B  = {x ∈ N : x জোড় সংখ্যা এবং x ≤ 8}
x স্বাভাবিক জোড় সংখ্যা যা 8 এর ছোট বা সমান। 
∴ B = {2, 4, 6, 8}

প্রদত্ত রাশি, 
A\B = {3, 4, 5, 6} - {2, 4, 6, 8} = {3, 5}
∴ A\B =  {3, 5}

৬১.
ভাইরাসের গঠনগত প্রধান উপাদান কোনটি?
  1. সাইটোপ্লাজ্ম
  2. কোষপ্রাচীর
  3. নিউক্লিক অ্যাসিড
  4. এনজাইম
সঠিক উত্তর:
নিউক্লিক অ্যাসিড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নিউক্লিক অ্যাসিড
ব্যাখ্যা

• ভাইরাস: 
- ভাইরাস একটি ল্যাটিন শব্দ যার অর্থ বিষ। আদিকালে রোগ সৃষ্টিকারী যে কোনো বিষাক্ত পদার্থকেই ভাইরাস বলা হত। এরা অকোষীয় এবং আকারে এতই ছোট যে খালি চোখেতো দূরের কথা, সাধারণ অণুবীক্ষণ যন্ত্রেও দেখা যায় না। এদেরকে ইলেকট্রন অণুবীক্ষণ যন্ত্রের সাহায্যে দেখতে হয়। 
- ভাইরাস নিউক্লিক অ্যাসিড (যা কেন্দ্রে থাকে) ও প্রোটিন (যা আবরণ হিসেবে থাকে) দিয়ে গঠিত অতি-আণুবীক্ষণিক বস্তু যা জীবদেহের অভ্যন্তরে সক্রিয় হয় এবং দ্রুত বংশবৃদ্ধির মাধ্যমে তথায় রোগ সৃষ্টি করে কিন্তু জীবদেহের বাইরে নিষ্ক্রিয় অবস্থায় অবস্থান করে। 
- উদ্ভিদ, প্রাণী, ব্যাকটেরিয়া, সায়ানোব্যাকটেরিয়া, ছত্রাক, অ্যাকটিনোমাইসিটিস প্রভৃতি জীবদেহের সজীব কোষে ভাইরাস সক্রিয় অবস্থায় বিরাজ করে। আবার বায়ু, মাটি, পানি ইত্যাদি জড় মাধ্যমে ভাইরাস নিষ্ক্রিয় অবস্থায় অবস্থান করে। 

• ভাইরাসের বৈশিষ্ট্য: 
- ভাইরাস কখনও জীবের ন্যায় আচরণ করে। আবার কখনও জড়ের ন্যায় আচরণ করে। তাই ভাইরাসে জীব এবং জড় উভয় বৈশিষ্ট্যই বিদ্যমান।  যেমন- 
ভাইরাসে জীব বৈশিষ্ট্য: 
• ভাইরাসে নিউক্লিক অ্যাসিড হিসেবে DNA বা RNA থাকে। 
• পোষক কোষের অভ্যন্তরে এরা সংখ্যাবৃদ্ধি করতে পারে। 
• এতে জেনেটিক রিকম্বিনেশন ঘটতে দেখা যায়। 
• ভাইরাস মিউটেশন ঘটাতে এবং প্রকরণ তৈরি করতে সক্ষম। 
• নতুন সৃষ্ট ভাইরাসে মূল ভাইরাসের বৈশিষ্ট্য বজায় থাকে অর্থাৎ একটি ভাইরাস তার অনুরূপ ভাইরাস জন্ম দিতে পারে। 
• ভাইরাস সুনির্দিষ্টভাবে বাধ্যতামূলক পরজীবী। 

• ভাইরাসে জড় বৈশিষ্ট্য: 
• ভাইরাস অকোষীয়। এদের সাইটোপ্লাজম, কোষঝিল্লী, কোষপ্রাচীর, রাইবোসোম, মাইটোকন্ড্রিয়া, নিউক্লিয়াস ইত্যাদি থাকে না। 
• ভাইরাসের বিপাকীয় এনজাইম এবং পুষ্টি প্রক্রিয়া অনুপস্থিত। 
• ভাইরাসের কোনো জৈবিক কার্যকলাপ যেমন- প্রজনন অন্য সজীব কোষ ছাড়া ঘটতে পারে না। 
• ভাইরাসকে কেলাসিত করা যায়, সেন্ট্রিফিউজ করা যায়, ব্যাপন করা যায়, পানির সাথে মিশিয়ে সাসপেনশন তৈরি করা যায় এবং তলানিও করা যায়। 
• জীবকোষের বাইরে ভাইরাস রাসায়নিক কণার ন্যায় নিষ্ক্রিয় থাকে। 

উৎস: উদ্ভিদবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৬২.
দুটি তল পরস্পরকে ছেদ করলে ছেদস্থলে কী উৎপন্ন হয়?
  1. রেখা
  2. রেখাংশ
  3. রশ্মি
  4. কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
রেখা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রেখা
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: দুটি তল পরস্পরকে ছেদ করলে ছেদস্থলে কী উৎপন্ন হয়?

সমাধান: 
- দুটি তল পরস্পরকে ছেদ করলে ছেদস্থলে একটি রেখা উৎপন্ন হয়।

রেখার কিছু সাধারণ বৈশিষ্ট্য: 
• রেখার দৈর্ঘ্য আছে, কিন্তু প্রস্থ ও বেধ নাই।
• দুই দিকেই অসীম প্রসারিত করা যায়।
• রেখার নির্দিষ্ট কোনো দিক নেই। 
• রেখা প্রধানত দুই প্রকার। যথা- ক) সরলরেখা এবং খ) বক্ররেখা।

৬৩.
3 + 7 + 11 + 15 + ................ ধারাটির প্রথম 13টি পদের সমষ্টি কত?
  1. 52
  2. 110
  3. 297
  4. 351
সঠিক উত্তর:
351
উত্তর
সঠিক উত্তর:
351
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: 3 + 7 + 11 + 15 + ................ ধারাটির প্রথম 13টি পদের সমষ্টি কত?

সমাধান: 
প্রথম পদ a = 3
সাধারণ অন্তর d = 7 - 3 = 4
পদ সংখ্যা n = 13

Sn = (n/2)[2a + (n - 1)d]
⇒ S13 = (13/2)[2 × 3 + (13 - 1) × 4]
⇒ S13 = (13/2) [6 + 12 × 4]
⇒ S13 = (13/2) [6 + 48]
⇒ S13 = (13/2) × 54
⇒ S13 = 13 × 27
⇒ S13 = 351

∴ প্রথম 13টি পদের সমষ্টি 351 

৬৪.
একটি পেন্টাগনের কোণগুলোর অনুপাত 9 : 10 : 12 : 14 : 15 হলে, বৃহত্তম ও ক্ষুদ্রতম কোণের পার্থক্য কত?
  1. 54°
  2. 60°
  3. 180°
  4. 216°
সঠিক উত্তর:
54°
উত্তর
সঠিক উত্তর:
54°
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: একটি পেন্টাগনের কোণগুলোর অনুপাত 9 : 10 : 12 : 14 : 15 হলে, বৃহত্তম ও ক্ষুদ্রতম কোণের পার্থক্য কত?

সমাধান:
আমরা জানি,
পঞ্চভুজ বা পেন্টাগনের পাঁচটি কোণের সমষ্টি = (2n - 4) × 90°
 = [(2 × 5) - 4] × 90° 
 = 6 × 90°
 = 540°

কোণগুলোের অনুপাতের সমষ্টি = (9 + 10 + 12 + 14 + 15)
= 60 

ক্ষুদ্রতম কোণ = (9/60) × 540° = 81° 
বৃহত্তম কোণ = (15/60) × 540° = 135° 
∴ বৃহত্তম ও ক্ষুদ্রতম কোণের সমষ্টি = 135° - 81° = 54°

৬৫.
QR কোডে ব্যবহৃত হয় -
  1. কোয়ান্টাম কম্পিউটিং
  2. অপটিক্যাল রিডিং
  3. রেডিও ফ্রিকুয়েন্সি
  4. তড়িৎ চৌম্বকত্ব 
সঠিক উত্তর:
অপটিক্যাল রিডিং
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অপটিক্যাল রিডিং
ব্যাখ্যা

 • QR কোড: 
- QR কোড হলো এক ধরনের বারকোড, যা ছোট কালো ও সাদা বর্গক্ষেত্র দিয়ে তৈরি। 
- QR কোডে অপটিক্যাল রিডিং ব্যবহৃত হয়
- এই বর্গক্ষেত্রগুলিতে তথ্য সংরক্ষিত থাকে, যা সহজে কম্পিউটার বা স্মার্টফোন স্ক্যানার দিয়ে পড়া যায়। 
- কালো-সাদা স্কোয়ারগুলোতে সংখ্যা, ইংরেজি অক্ষর বা এমনকি জাপানি কানজি ও অন্যান্য অ-ল্যাটিন অক্ষরও রাখা যেতে পারে। 

• QR কোডের ব্যবহার: 
- মূলত QR কোড তৈরি করা হয়েছিল অটোমোবাইল যন্ত্রাংশ ট্র্যাক করার জন্য।
- এখন এটি বিজ্ঞাপন, টিকিট, পণ্য ট্র্যাকিং এবং আরও নানা কাজে ব্যবহার করা হয়। 

• QR কোড স্ক্যান ও বৈশিষ্ট্য: 
- QR কোড স্ক্যান করতে ব্যবহারকারীদের ফোন বা লেজার স্ক্যানার প্রয়োজন হয়।
- বিশেষ সফটওয়্যার তথ্যটি ডিকোড করে দেখায়।
- সবচেয়ে বড় QR কোড (Version 40) 177 × 177 পিক্সেলের হয় এবং সবচেয়ে ছোট (Version 1) 21 × 21 পিক্সেলের হয়।
- Version 40 QR কোডে প্রায় 7,089টি সংখ্যা বা 4,296টি আলফানিউমেরিক অক্ষর সংরক্ষণ করা যায়।
- অনেক স্মার্টফোনে বিল্ট-ইন QR রিডার থাকায় এগুলি বিজ্ঞাপন ও প্রচারণায় সহজেই ব্যবহার করা যায়।


উৎস:
১। Kaspersky. 
২। Britannica.

৬৬.
একটি ক্রিকেট সিরিজে শান্ত, তামিম এবং লিটন মোট ২২২ রান করেছে। শান্ত ও তামিমের রানের অনুপাত এবং তামিম ও লিটনের রানের অনুপাত ৪ : ৩। ঐ সিরিজে শান্ত কত রান করেছে?
  1. ৫৪ রান
  2. ৭২ রান
  3. ৯৬ রান
  4. ১০৮ রান
সঠিক উত্তর:
৯৬ রান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৯৬ রান
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: একটি ক্রিকেট সিরিজে শান্ত, তামিম এবং লিটন মোট ২২২ রান করেছে। শান্ত ও তামিমের রানের অনুপাত এবং তামিম ও লিটনের রানের অনুপাত ৪ : ৩। ঐ সিরিজে শান্ত কত রান করেছে?

সমাধান:
এখানে,
শান্ত : তামিম = ৪ : ৩
= (৪ × ৪) : (৩ × ৪)
= ১৬ : ১২

আবার,
তামিম : লিটন = ৪ : ৩
= (৪ × ৩) : ( ৩ × ৩)
= ১২ : ৯

∴ শান্ত : তামিম : লিটন = ১৬ : ১২ : ৯

অনুপাতগুলোর যোগফল = ১৬ + ১২ + ৯ = ৩৭

∴ শান্তর রান = ২২২ × (১৬/৩৭) 
= ৬ × ১৬ 
= ৯৬ রান

৬৭.
5 টি ভিন্ন বর্ণের ফুল দিয়ে মালা তৈরি করা যাবে কত উপায়ে?
  1. 18
  2. 12
  3. 30
  4. 60
সঠিক উত্তর:
12
উত্তর
সঠিক উত্তর:
12
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: 5 টি ভিন্ন বর্ণের ফুল দিয়ে মালা তৈরি করা যাবে কত উপায়ে?

সমাধান:
5 টি ভিন্ন বর্ণের ফুল দিয়ে মালা তৈরি করা যাবে = (5 - 1)!/2 উপায়ে;     [সুত্র: (n - 1)!/2]
= 4!/2
= (4 × 3 × 2)/2
= 12 উপায়ে

৬৮.
মহাবিশ্ব গবেষণায় অবদান রাখা জামাল নজরুল ইসলামের বিখ্যাত ইংরেজি বইটির নাম কী? 
  1. দ্য অরিজিন অফ ইউনিভার্স
  2. ব্রিফ হিস্ট্রি অফ টাইম
  3. ব্ল্যাক হোলস অ্যান্ড বেবি ইউনিভার্স
  4.  ফার ফিউচার অফ দ্য ইউনিভার্স
সঠিক উত্তর:
 ফার ফিউচার অফ দ্য ইউনিভার্স
উত্তর
সঠিক উত্তর:
 ফার ফিউচার অফ দ্য ইউনিভার্স
ব্যাখ্যা

• বাঙালি বিশ্ববিজ্ঞানী জামাল নজরুল ইসলাম: 
- বাংলাদেশের বিজ্ঞানীদের মধ্যে মৌলিক বিজ্ঞানে জামাল নজরুল ইসলামের মতো অবদান আর কারও নেই। এই বিশ্ববিখ্যাত বিজ্ঞানীর জন্ম তাঁর বাবার কর্মক্ষেত্র ঝিনাইদহে ২৪ ফেব্রুয়ারি ১৯৩৯ সালে। 
- পেশাগতভাবে তিনি ছিলেন একজন তাত্ত্বিক পদার্থবিজ্ঞানী, এবং তাঁর গবেষণার ক্ষেত্র ছিল আপেক্ষিকতা, বিশ্বতত্ত্ব এবং কোয়ান্টাম তত্ত্ব।
- আইনষ্টাইনের আপেক্ষিকতার তত্ত্ব, কোয়ান্টাম মেকানিক্স, কসমোলজি ও মহাবিশ্বের সৃষ্টি তত্ত্বের মতো জটিল বিষয় নিয়ে মৌলিক গবেষণা করেছেন।
- বাংলা একাডেমি থেকে প্রকাশিত বাংলা ভাষায় তাঁর সবচেয়ে বিখ্যাত বই 'কৃষ্ণগহ্বর’ (ব্ল্যাক হোল)।
- ছাত্রজীবনে তাঁর সমসাময়িক ও আজীবনের ঘনিষ্ঠ বন্ধু ছিলেন বিস্ময়কর বিজ্ঞান-প্রতিভা স্টিফেন হকিং। কেমব্রিজ এবং পশ্চিমে শিক্ষার গবেষণা ও অধ্যাপনায় থাকাকালে তাঁর বন্ধু ও সুহৃদমহল গড়ে ওঠে বিশ্বের সেরা বিজ্ঞানীদের নিয়ে। এঁদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলেন তাঁর শিক্ষক ফ্রিম্যান ডাইসন, পদার্থবিজ্ঞানী রিচার্ড ফাইনম্যান, ভারতের সুব্রহ্মনিয়াম চন্দ্রশেখর, পাকিস্তানের আবদুস সালাম, ভারতীয় অর্থনীতিবিদ অমর্ত্য সেন ও অমিয় বাগচী, তাঁর সহপাঠী জয়ন্ত নারলিকার, ব্রিটিশ অর্থনীতিবিদ জিম মার্লিস প্রমুখ।  

- তাঁর গবেষণা আইনস্টাইন-পরবর্তী মহাবিশ্ব গবেষণায় বিরাট অবদান রেখেছে। তিনি এই ধারায় গবেষণা অব্যাহত রেখে পরবর্তীকালে লেখেন ফার ফিউচার অব দ্য ইউনিভার্স বা মহাবিশ্বের দূরবর্তী ভবিষ্যৎ
- জামাল নজরুল ইসলাম দেশে গড়ে তুলেছেন উচ্চতর বিজ্ঞান গবেষণাগার আন্তর্জাতিক মানের প্রতিষ্ঠান গাণিতিক ও ভৌতবিজ্ঞান গবেষণাকেন্দ্র বা রিচার্স সেন্টার ফর ম্যাথমেটিক্যাল অ্যান্ড ফিজিক্যাল সায়েন্স (আরসিএমপিএস), যেটি সম্পর্কে বলতে গিয়ে দেশের প্রবীণ পদার্থবিজ্ঞানী প্রফেসর এ এম হারুন-অর রশিদ ‘পৃথিবীর বিভিন্ন দেশ থেকে এখানে আগত খ্যাতিমান পদার্থবিজ্ঞানী, আপেক্ষিকতত্ত্ববিদ এবং বিশ্ব সৃষ্টি তাত্ত্বিকদের অবদান’ স্মরণ করে এ প্রতিষ্ঠানকে প্রফেসর ইসলামের শ্রেষ্ঠ কীর্তি আখ্যা দিয়েছিলেন।
- ২০১৩ সালের ১৬ মার্চ মধ্যরাতে এ মহান বিজ্ঞানী আমাদের ছেড়ে গেছেন।

উৎস: বাংলাপিডিয়া ও দৈনিক প্রথম আলো পত্রিকা।

৬৯.
একটি সমবাহু ত্রিভুজের বাহুর দৈর্ঘ্য 2 মিটার হলে এর ক্ষেত্রফল হবে-
  1. √3 বর্গ মিটার
  2. 2√3 বর্গ মিটার
  3. 4√3 বর্গ মিটার
  4. 16√3 বর্গ মিটার
সঠিক উত্তর:
√3 বর্গ মিটার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
√3 বর্গ মিটার
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: একটি সমবাহু ত্রিভুজের বাহুর দৈর্ঘ্য 2 মিটার হলে এর ক্ষেত্রফল হবে-

সমাধান:
দেওয়া আছে,
সমবাহু ত্রিভুজের বাহুর দৈর্ঘ্য a = 2 মিটার।

আমরা জানি,
সমবাহু ত্রিভুজের ক্ষেত্রফল = (√3/4) × a2
= (√3/4) × 22
= (√3/4) × 4
= √3 বর্গ মিটার

∴ সমবাহু ত্রিভুজের ক্ষেত্রফল √3 বর্গ মিটার। 

৭০.
যদি 5x3 - 2x2 + x + p = 0 এর একটি উৎপাদক (x - 3) হয়, তাহলে p এর মান কত?
  1. 60
  2. - 60
  3. - 120
  4. 80
সঠিক উত্তর:
- 120
উত্তর
সঠিক উত্তর:
- 120
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: যদি 5x3 - 2x2 + x + p = 0 এর একটি উৎপাদক (x - 3) হয়, তাহলে p এর মান কত?

সমাধান:
ধরি,
f(x) = 5x3 - 2x2 + x + p
∴ f(3) = 5(3)3 - 2(3)2 + 3 + p
= 5 × 27 - 2 × 9 + 3 + p
= 135 - 18 + 3 + p
= 120 + p

এখন, 
5x3 - 2x2 + x + p এর একটি উৎপাদক x - 3 হলে, f(3) = 0 হবে,
এখন
f(3) = 0
⇒ 120 + p = 0
∴ p = - 120

৭১.
জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের সভাপতির সময়সীমা কতদিন?
  1. ১ মাস
  2. ২ মাস
  3. ৬ মাস
  4. ১২ মাস
সঠিক উত্তর:
১ মাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১ মাস
ব্যাখ্যা

নিরাপত্তা পরিষদ:
- এর অন্য নাম স্বস্তি পরিষদ।
- মোট সদস্য - ১৫ টি।
- স্থায়ী সদস্য: ৫টি (যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, ফান্স, রাশিয়া, চীন),
- অস্থায়ী সদস্য: ১০টি (২ বছরের জন্য নির্বাচিত)।
- নিরাপত্তা পরিষদের সভাপতির মেয়াদ ১ মাস।

উল্লেখ্য,
- ১৯৬৫ সালের আগ পর্যন্ত নিরাপত্তা পরিষদের সদস্য ছিল ১১ টি (৫ টি স্থায়ী ও ৬ টি অস্থায়ী)।
- নিরাপত্তা পরিষদের সিন্ধান্ত গ্রহনের জন্য ৯ টি সদস্যের সম্মতি প্রয়োজন (৫ টি স্থায়ী ও ৪ টি অস্থায়ী)।
- ভেটো ক্ষমতা রয়েছে ৫ টি স্থায়ী সদস্যের।

উৎস: জাতিসংঘের ওয়েবসাইট।

৭২.
বর্ণালী ও শুভ্রা কী?
  1. উন্নত জাতের আম
  2. উন্নত জাতের ভুট্রা
  3. উন্নত জাতের গম
  4. উন্নত জাতের ধান
সঠিক উত্তর:
উন্নত জাতের ভুট্রা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উন্নত জাতের ভুট্রা
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশের উন্নতমানের ফসলের জাত:
• ধান- ইরাটম, ব্রিশাইল, সোনার বাংলা-১, ময়না, হরিধান, চান্দিনাম, নারিকা-১, মালাইরি।
• গম - অগ্রণী-সোনালিকা, বলাকা, দোয়েল, আকবর, আনন্দ, কাঞ্চন, বরকত।
• ভুট্টা- উত্তরণ, বর্ণালী, শুভ্রা;
• তুলা- রূপালী ও ডেলফোজ।
• টমেটো- মিন্টু, বাহার, মানিক, রতন, ঝুমকা, সিঁদুর, শ্রাবণী।
• তামাক - সুমাত্রা ও ম্যানিলা;
• বেগুন- ইওরা, শুকতারা, তারাপুরী।
• কলা - অগ্নিশ্বর, কানাইবাঁশী, মোহনবাঁশী, বীট জবা, অমৃতসাগর, সিংগাপুরী।

উৎস: বাংলাদেশ কৃষি তথ্য সার্ভিস ওয়েবসাইট।

৭৩.
প্রাচীন পুন্ড্রনগর কোন নদীর তীরে অবস্থিত?
  1. বাঙ্গালী 
  2. করতোয়া
  3. ব্রহ্মপুত্র
  4. মহানন্দা
সঠিক উত্তর:
করতোয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
করতোয়া
ব্যাখ্যা

পুণ্ড্র:
- প্রাচীন বাংলার অন্যতম একটি গুরুত্বপূর্ণ জনপদের নাম পুণ্ড্র।
- পুণ্ড্র 'জন' বা জাতি এ জনপদ গঠন করেছিল।
- পুণ্ড্ররা বঙ্গসহ অন্যান্য জাতিগোষ্ঠীর নিকটজন ছিল।
- পুণ্ড্রদের রাজ্যের রাজধানীর নাম পুণ্ড্রনগর।
- বর্তমান বগুড়া শহরের অদূরে করতোয়া নদীর তীরে পুন্ড্রনগর অবস্থিত।
- পরবর্তী কালে এর নাম মহস্থানগড় হয়।
- সম্ভবত মৌর্য সম্রাট অশোকের রাজত্বকালে (খ্রি. পু. ২৭৩-২৩২ অব্দ) প্রাচীন পুণ্ড্র রাজ্য স্বাধীনসত্তা হারায়।
- এ রাজ্যের বিস্তৃতি বর্তমান বগুড়া, রংপুর ও দিনাজপুর পর্যন্ত ছিল।
- পুণ্ড্র রাজ্যের উত্তর অংশের নাম বরেন্দ্র, বরেন্দ্রী অথবা বরেন্দ্রভূমি ছিল।
- রাজশাহী অঞ্চলকে এখনও বরেন্দ্র বলা হয়ে থাকে।
- ক্রমবর্ধমান সমৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে পুণ্ড্র ৫ম-৬ষ্ঠ শতকে পুণ্ড্র বর্ধন নামে পরিচিত হয়।
- গুপ্ত যুগে (৪র্থ-৬ষ্ঠ শতকে) পুণ্ড্র নগর ছিল গুপ্তদের প্রাদেশিক রাজধানী।
- এখানে গুপ্তদের সুনিয়ন্ত্রিত শাসনব্যবস্থা ছিল।
- পুণ্ড্র জনপদে একটি উন্নত নগর সভ্যতা ছিল।
- প্রাচীন সভ্যতার নিদর্শনের দিক দিয়ে পুণ্ড্রই ছিল বাংলাদেশের সবচেয়ে সমৃদ্ধ রাজ্য।

উৎস: বাংলাদেশ স্টাডিজ, বিবিএস প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৭৪.
জাতিসংঘ শরণার্থী বিষয়ক কমিশন (UNHCR) -এর সদর দপ্তর কোথায় অবস্থিত?
  1. রোম
  2. নিউইয়র্ক
  3. জেনেভা
  4. লন্ডন
সঠিক উত্তর:
জেনেভা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জেনেভা
ব্যাখ্যা

UNHCR: 
- UNHCR এর পূর্ণরূপ - United Nations High Commissioner for Refugees।
- এটি জাতিসংঘের শরণার্থী বিষয়ক সংস্থা।
- বিশ্ব শরণার্থী দিবস - 20 জুন।
- সদর দপ্তর : জেনেভা, সুইজারল্যান্ড। 
- প্রতিষ্ঠা - ১৪ ডিসেম্বর, ১৯৫০ সাল।
- UNHCR প্রধানকে বলা হয় হাইকমিশনার।
- বর্তমান হাইকমিশনার - বারহাম সালিহ (ইরাক)।
- এটি দুইবার, ১৯৫৪ এবং ১৯৮১ সালে নোবেল শান্তি পুরস্কার লাভ করে। 
- কার্যক্ষেত্র - ১২৮ টি দেশ।  [ব্যাখ্যা আপডেট - মার্চ, ২০২৬]

উৎস: UNHCR ওয়েবসাইট।

৭৫.
'শপথ ও ঘোষণা' সংবিধানের কত নং তফসিলে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে?
  1. প্রথম তফসিল
  2. দ্বিতীয় তফসিল
  3. তৃতীয় তফসিল
  4. চতুর্থ তফসিল
সঠিক উত্তর:
তৃতীয় তফসিল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তৃতীয় তফসিল
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশের সংবিধান তফসিল:  
- বাংলাদেশের সংবিধানে মোট ৭টি তফসিল আছে।

• তফসিলসমূহ-
- প্রথম তফসিল: অন্যান্য বিধান সত্ত্বেও কার্যকর আইন।
- দ্বিতীয় তফসিল: রাষ্ট্রপতি নির্বাচন বর্তমানে বিলুপ্ত।
- তৃতীয় তফসিল: শপথ ও ঘোষণা।
- চতুর্থ তফসিল: ক্রান্তিকালীন ও অস্থায়ী বিধানাবলী।
- পঞ্চম তফসিল: ১৯৭১ সালের ৭ই মার্চের ভাষণ।
- ষষ্ঠ তফসিল: স্বাধীনতার ঘোষণা।
- সপ্তম তফসিল: স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র।

উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান।

৭৬.
বাংলাদেশ কমনওয়েলথের সদস্য পদ লাভ করে কবে?
  1. ১০ এপ্রিল, ১৯৭২ সালে
  2. ১৮ এপ্রিল, ১৯৭২ সালে
  3. ২৫ এপ্রিল, ১৯৭২ সালে
  4. ১৬ ডিসেম্বর, ১৯৭২ সালে
সঠিক উত্তর:
১৮ এপ্রিল, ১৯৭২ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৮ এপ্রিল, ১৯৭২ সালে
ব্যাখ্যা

Commonwealth ও বাংলাদেশ: 
- ১৯৪৯ সালে ঐতিহাসিক লন্ডন ঘোষণার মাধ্যমে কমনওয়েলথের যাত্রা শুরু হয়।
- লন্ডন ঘোষণার দিনটিকে অর্থাৎ মার্চের দ্বিতীয় সোমবারকে প্রতিবছর কমনওয়েলথ দিবস পালন করা হয়।
- কমনওয়েলথের বর্তমান প্রধান রাজা তৃতীয় চার্লস।
-  সদর দপ্তর - মার্লবোরো হাউজ, লন্ডন, যুক্তরাজ্য।
- কমনওয়েলথের বর্তমান সদস্য সংখ্যা ৫৬ টি।
- বাংলাদেশ কমনওয়েলথের সদস্য পদ লাভ করে - ১৮ এপ্রিল, ১৯৭২ সালে।
- স্বাধীন বাংলাদেশের এটাই সর্বপ্রথম কোন বৈশ্বিক জোটের সদস্যপদ লাভ।
- বাংলাদেশ কমনওয়েলথ এর ৩২-তম সদস্য রাষ্ট্র। দেশ হিসাবে বাংলাদেশ - ৩৪ তম রাষ্ট্র।
- বাংলাদেশ কমনওয়েলথের সদস্য হওয়ায় কমনওয়েলথ ত্যাগ করেছিল পাকিস্তান পরবর্তীতে ১৯৮৯ সালে পুনরায় যোগদান করে।

উৎস: কমনওয়েলথের অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।

৭৭.
সৌরজগতের ক্ষুদ্রতম গ্রহ কোনটি?
  1. বুধ
  2. শনি
  3. নেপচুন
  4. শুক্র
সঠিক উত্তর:
বুধ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বুধ
ব্যাখ্যা

বুধ (Mercury):
- বুধ সৌরজগতের ক্ষুদ্রতম এবং সূর্যের নিকটতম গ্রহ। 
- সূর্য থেকে এর গড় দূরত্ব ৫.৮ কোটি কিলোমিটার; এর ব্যাস ৪,৮৫০ কিলোমিটার।
- সূর্যের খুব কাছাকাছি থাকায় সূর্যের আলোর তীব্রতার কারণে সবসময় একে দেখা যায় না।
- সূর্যকে একবার প্রদক্ষিণ করে আসতে বুধের সময় লাগে ৮৮ দিন।
- সুতরাং বুধ গ্রহে ৮৮ দিনে এক বছর হয়।
- বুধের মাধ্যাকর্ষণ বল এত কম যে এটি কোনো বায়ুমন্ডল ধরে রাখতে পারে না।
- এখানে নেই মেঘ, বৃষ্টি, বাতাস ও পানি। সুতরাং প্রাণির অস্তিত্ব নেই।
- বুধের কোনো উপগ্রহ নেই।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম ও দশম শ্রেণি।

৭৮.
নিচের কোনটি এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার?
  1. Cobra
  2. Flash
  3. Informix
  4. Gmail
সঠিক উত্তর:
Cobra
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Cobra
ব্যাখ্যা

এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার:
- ১৯৫০ সালে কম্পিউটার ভাইরাসের উদ্ভব ঘটে।
- প্রখ্যাত গবেষক ফ্রেড কোহেন কম্পিউটার ভাইরাসের নামকরণ করেন।
- কম্পিউটারে ভাইরাসের আক্রমণ থেকে রক্ষা পেতে এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার ব্যবহার করা হয়।
- এন্টিভাইরাস ব্যবহার করলে কম্পিউটারে ভাইরাস আক্রমণের পূর্বেই তা রোধ করে অথবা ব্যবহারকারীকে সতর্ক করে দেয়।

• উল্লেখযোগ্য কয়েকটি এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার হলো -
- AVG, 
- AVAST,
- Norton,
- Panda,
- Avira,
- McAfee,
- Cobra,
- Kaspersky ইত্যাদি।

উল্লেখ্য,
- Sybase, Informix এবং MySQL হচ্ছে ডেটাবেজ সফটওয়্যার।
- ফটোশপ (Photoshop) হলো ছবি এডিটিং সফটওয়্যার,
- ফ্ল্যাশ (Flash) হলো মাল্টিমিডিয়া সফটওয়্যার এবং
- জিমেইল (Gmail) হলো ই-মেইল সার্ভিস।

তথ্যসূত্র - মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় এবং তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, ভোকেশনাল।

৭৯.
'গণতন্ত্রের মানসপুত্র' বলা হয় কাকে?
  1. মহাত্মা গান্ধী
  2. হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী
  3. মাওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানী
  4. শেরে বাংলা এ.কে ফজলুল হক
সঠিক উত্তর:
হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী
ব্যাখ্যা

হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী:
- অবিভক্ত বাংলার শেষ মুখ্যমন্ত্রী ছিলেন হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী।
- তিনি 'গণতন্ত্রের মানসপুত্র' হিসেবে খ্যাত।
- ১৮৯২ সালের ৮ সেপ্টেম্বর পশ্চিমবঙ্গের মেদিনীপুরে সম্ভ্রান্ত এক পরিবারে হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী জন্মগ্রহণ করেন।
- ১৯২১ সনে বঙ্গীয় ব্যবস্থাপক পরিষদের সদস্য নির্বাচিত হবার পর দেশবন্ধু চিত্তরঞ্জন দাসের অসাম্প্রদায়িক মানসিকতা, উদার দৃষ্টিভঙ্গি ও গভীর স্বদেশপ্রেম দ্বারা হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী দারুণভাবে অনুপ্রাণিত হন।
- ১৯২১ সালে শহীদ সোহরাওয়ার্দী বঙ্গীয় আইন পরিষদে সর্বকনিষ্ঠ সদস্য হিসেবে নির্বাচিত হন।
- তিনি ব্রিটিশ শাসন অবসানের লক্ষ্যে হিন্দু-মুসলিম ঐক্য প্রতিষ্ঠার জন্য ১৯২৩ সালে দেশবন্ধু চিত্তরঞ্জন দাশ এর নেতৃত্বে 'বেঙ্গল প্যাক্ট' চুক্তি সম্পাদনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন।
- ১৯৪৯ সালের আওয়ামী মুসলিম লীগ গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন।
- ১৯৫৬-১৯৫৭ সালে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেন।
- ১৯৬৩ সালে হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী মৃত্যুবরণ করেন।
- পাকিস্তানে গণতন্ত্র ও শিক্ষিত মানুষের রাজনীতি প্রতিষ্ঠার জন্য নিরলস প্রচেষ্টা চালিয়ে গেছেন।
- বাংলাদেশের তিনি ‘গণতন্ত্রের মানসপুত্র' নামেই পরিচিত।

উৎস: i) সিভিক এডুকেশন-২, বিএসএস প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
         ii) পৌরনীতি ও সুশাসন ২য় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৮০.
নিচের কোন সম্প্রদায়ে মাতৃতান্ত্রিক সমাজ ব্যবস্থা চালু আছে?
  1. মণিপুরী
  2. সাঁওতাল
  3. মারমা
  4. গারো
সঠিক উত্তর:
গারো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গারো
ব্যাখ্যা

গারো:
- ‘গারো' ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী বাংলাদেশের বৃহত্তর ময়মনসিংহ তথা টাংগাইল, জামালপুর, শেরপুর, ময়মনসিংহ, নেত্রকোনা, সুনামগঞ্জ, সিলেট, গাজীপুর জেলায় বাস করে।
- গারো জনগোষ্ঠীর আদি আবাসস্থল তিব্বতে।
- গারোরা ভাষা অনুযায়ী বোডো মঙ্গোলীয় ভাষাগোষ্ঠীর অন্তর্ভুক্ত।
- জাতিগত পরিচয়ের ক্ষেত্রে অনেক গারোই নিজেদেরকে মান্দি বলে পরিচয় দেন।
- গারোদের নিজস্ব ভাষার নাম  ‘আচিক খুসিক’ বা 'মান্দি খুসিক'।
- গারোদের সমাজ ব্যবস্থা মাতৃতান্ত্রিক।
- সমগ্র গারোসমাজ ১৩টি দলে বিভক্ত। 
- তাদের আদি ধর্মের নাম 'সাংসারেক'।
- তাদের প্রধান ধর্মীয় ও সামাজিক উৎসবের নাম 'ওয়ানগালা'।
- বর্তমানে গারোদের বেশিরভাগই খ্রিস্টধর্মে বিশ্বাসী।

উল্লেখ্য,
- সাঁওতাল সমাজ পিতৃতান্ত্রিক।
- চাকমা পরিবার পিতৃতান্ত্রিক ও পিতৃসূত্রীয়।
- মণিপুরী উপজাতির মধ্যে পিতৃতান্ত্রিক পরিবারব্যবস্থা চালু রয়েছে। 

উৎস: i) বাংলাপিডিয়া।
         ii) নৃ-গোষ্ঠীসনদ বাংলাদেশ।

৮১.
বাংলাদেশ একদিনের আন্তর্জাতিক ম্যাচে প্রথম জয় পায় কোন দেশের বিপক্ষে?
  1. জিম্বাবুয়ে
  2. পাকিস্তান
  3. ভারত
  4. কেনিয়া
সঠিক উত্তর:
কেনিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কেনিয়া
ব্যাখ্যা

ওয়ানডে ক্রিকেটে বাংলাদেশ:
- বাংলাদেশ ওয়ানডে স্ট্যাটাস লাভ করে ১৯৯৭ সালে।
- ১৯৮৬ সালের ৩১ মার্চ বাংলাদেশ সর্বপ্রথম একদিনের আন্তর্জাতিক ম্যাচ খেলে পাকিস্তানের বিপক্ষে।
- ১৭ মে, ১৯৯৮ সালে কেনিয়ার বিপক্ষে একদিনের আন্তর্জাতিক ম্যাচে প্রথম জয় পায়।
- ২০০৫ সালে বাংলাদেশ প্রথম ওয়ানডে সিরিজ জয় লাভ করে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে।

• টেস্ট ক্রিকেটে বাংলাদেশ:
- বাংলাদেশ টেস্ট স্ট্যাটাস লাভ করে ২০০০ সালে।
- ২০০০ সালের ১০ই নভেম্বর বাংলাদেশ সর্বপ্রথম টেস্ট ম্যাচ খেলে ভারতের বিপক্ষে।
- ২০০৫ সালে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে বাংলাদেশ টেস্ট ম্যাচে প্রথম জয় পায়।
- ১০ জানুয়ারি, ২০০৫ সালে বাংলাদেশ প্রথম টেস্ট সিরিজ জয় লাভ করে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে।

উৎস: ক্রিক ইনফো ওয়েবসাইট ও দৈনিক প্রথম আলো।

৮২.
প্রথম বিশ্বযুদ্ধের ব্যাপ্তি ছিল-
  1. ১৯১০-১৯১৪
  2. ১৯১২-১৯১৮
  3. ১৯১৪-১৯১৮
  4. ১৯১৬-১৯২০
সঠিক উত্তর:
১৯১৪-১৯১৮
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯১৪-১৯১৮
ব্যাখ্যা

প্রথম বিশ্বযুদ্ধ: 
- প্রথম বিশ্বযুদ্ধের সূচনা হয়েছিল ১৯১৪ সালে এবং এর পরিমাপ্তি হয় ১৯১৮ সালে।
- ইউরোপের কয়েকটি ক্ষুদ্র ও দুর্বল রাষ্ট্র ব্যতীত প্রায় সকল রাষ্ট্রই এ যুদ্ধে প্রত্যক্ষ কিংবা পরোক্ষভাবে জড়িত ছিল ইউরোপের বাইরেও এর বিস্তার ঘটেছিল। 
- এই ব্যাপকতার জন্য এবং এই যুদ্ধের নাশকতার জন্য একে মহাযুদ্ধ বা বিশ্বযুদ্ধ বলা হয়। 
- ১৯১৪ সালে বসনিয়ার রাজধানী সারায়েভা শহরে অস্ট্রিয়ার যুবরাজ ফ্রান্সিস ফার্ডিনান্ডের হত্যাকান্ডকে বিশ্বযুদ্ধের প্রত্যক্ষ বা আশু কারণ বলে মনে করা হয়। 
- তবে এই যুদ্ধের প্রকৃত কারণ অতীতের ঘটনাবলীতে সন্ধান করতে হবে। 
- জার্মানি-ফ্রান্সের পারস্পরিক সন্দেহ ও ঈর্ষা, অস্ট্রিয়া ও রাশিয়ার তীব্র সংঘর্ষ, বলকান অঞ্চলে রাশিয়ার প্রভাব বৃদ্ধিতে অস্ট্রিয়ার ক্ষোভ, ইউরোপের প্রধান প্রধান - শক্তিবর্গের দুটি বিবাদমান শিবিরে বিভক্ত হয়ে যাওয়া, ইঙ্গ-জার্মান নৌ প্রতিযোগিতার জন্য উত্তেজনা বৃদ্ধি, উগ্র জাতীয়তাবাদ এবং অর্থনৈতিক সাম্রাজ্যবাদ ইত্যাদি বহু কারণের সম্মিলিত ফল হল বিশ্বযুদ্ধ।

উৎস: আধুনিক ইউরোপের ইতিহাস -২, এসএসইএইচএল, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 

৮৩.
বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে মোট কতটি ব্রিগেড ফোর্স ছিল?
  1. ৪ টি
  2. ১১ টি
  3. ৩ টি
  4. ৭ টি
সঠিক উত্তর:
৩ টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩ টি
ব্যাখ্যা

ব্রিগেড ফোর্স:
- মুক্তিযুদ্ধের সময় ৩টি ব্রিগেড ফোর্স গঠন করা হয়।
• জেড ফোর্স,
• কে ফোর্স,
• এস ফোর্স।

• জিয়াউর রহমানের নেতৃত্বে জেড ফোর্স।
- ‘জেড ফোর্স’ নামে পরিচিত নিয়মিত বাহিনীর প্রথম ব্রিগেডটি জুলাই মাসে গঠিত হয়।
- ব্রিগেডটি ১ম, ৩য় ও ৮ম ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্ট নিয়ে গঠিত হয়।

• কে.এম.সফিউল্লাহর নেতৃত্বে এস ফোর্স।
- ‘এস ফোর্স’ নামে পরিচিত দ্বিতীয় নিয়মিত ব্রিগেডটি অক্টোবরে গঠিত হয়।
- ব্রিগেডটি দ্বিতীয় ও একাদশ ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টের সৈনিকদের নিয়ে অক্টোবরে গঠিত হয়।

• খালেদ মোশাররফের নেতৃত্বে কে ফোর্স।
- ‘কে ফোর্স’ গঠিত হয় ৪র্থ, ৯ম ও ১০ম ইস্ট বেঙ্গলের সদস্যদের নিয়ে।


তথ্যসূত্র- বাংলাপিডিয়া ও বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, এস এস সি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৮৪.
বাংলার প্রথম স্বাধীন সুলতান কে ছিলেন?
  1. সুলতান মাহমুদ শাহ
  2. ফখরুদ্দিন মুবারক শাহ
  3. শামসুদ্দিন ইলিয়াস শাহ
  4. ইখতিয়ারউদ্দিন মুহম্মদ বখতিয়ার খিলজি
সঠিক উত্তর:
ফখরুদ্দিন মুবারক শাহ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ফখরুদ্দিন মুবারক শাহ
ব্যাখ্যা

ফখরুদ্দিন মুবারক শাহ:
- বাংলার প্রথম স্বাধীন সুলতান ফখরুদ্দিন মুবারক শাহ।
- তিনি বাংলায় প্রথম স্বাধীন মুসলিম সালতানাতের প্রতিষ্ঠাতা।
- তার রাজধানী ছিল ঐতিহাসিক নগর সোনারগাঁয়ে।
- ১২০৪ খ্রিস্টাব্দে বাংলায় মুসলিম শাসন প্রতিষ্ঠিত হলেও ১৩৩৮ খ্রিস্টাব্দ পর্যন্ত বাংলার শাসকগণ দিল্লির সুলতানদের দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হতেন।
- দিল্লির সুলতান গিয়াসউদ্দিন তুঘলকের শাসনামলে বাংলাকে সোনারগাঁও, লখনৌতি ও সাতগাঁও এই তিনটি প্রশাসনিক অঞ্চলে বিভক্ত করা হয়।
- ১৩৩৮ খ্রিস্টাব্দে সোনারগাঁওয়ের শাসনকর্তা বাহরাম খানের মৃত্যু হলে ফখরুদ্দিন নামে তাঁর একজন সিলাদার স্বাধীনতা ঘোষণা করেন।
- তিনি 'মুবারক শাহ' উপাধি গ্রহণ করেন।
- ফখরুদ্দিন বাংলায় তাঁর কর্তৃত্ব সুদৃঢ় করলে ১৩৩৮ খ্রিস্টাব্দ থেকে বাংলায় দু'শো বছরের স্বাধীন ইতিহাসের সূচনা হয়।
- তিনি তাঁর রাজ্যসীমা দক্ষিণ-পূর্ব দিকে অনেকটা সম্প্রসারণ করেন।
- তিনি চট্টগ্রাম বিজয় করেন এবং এ পর্যন্ত সমগ্র ভূ-ভাগে তাঁর সুদৃঢ় নিয়ন্ত্রণে ছিল।

উৎস: i) বাংলাপিডিয়া।
         ii) ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি ২য় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৮৫.
সংশপ্তক ভাস্কর্যের ভাস্কর কে?
  1. হামিদুজ্জামান খান
  2. নিতুন কুন্ডু
  3. হামিদুর রহমান
  4. আব্দুর রাজ্জাক
সঠিক উত্তর:
হামিদুজ্জামান খান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হামিদুজ্জামান খান
ব্যাখ্যা

সংশপ্তক:
- মহান মুক্তিযুদ্ধকে নিয়ে নির্মিত ভাস্কর্য ‘সংশপ্তক’।
- মুক্তিযুদ্ধে অকুতোভয় বাঙালির বীরত্বগাথার স্মারক এই ভাস্কর্য।।
- জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের গ্রন্থাগার ভবনের সামনে ভাস্কর্যটির অবস্থান।
- চার স্তরের লাল সিরামিক ইটের বেদির ওপর ব্রোঞ্জের তৈরি ভাস্কর্যের উচ্চতা ১৫ ফুট।
- ২৬ মার্চ, ১৯৯০ সালে ভাস্কর্য স্থাপিত হয়।
- এর ভাস্কর স্থপতি হামিদুজ্জামান খান।
- ভাস্কর্যটিতে মূর্ত হয়েছে যুদ্ধে শত্রুর আঘাতে এক হাত ও এক পা হারিয়েও বন্দুক হাতে লড়ে যাওয়া এক বীরের প্রতিকৃতি। যিনি পঙ্গুত্ববরণ করেও নির্ভীক এবং যুদ্ধে জয়লাভে দৃঢ়প্রতিজ্ঞ।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন ও প্রথম আলো পত্রিকার রিপোর্ট।

৮৬.
জুলাই ঘোষণাপত্রের কত নং ধারায় জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সাংবিধানিক স্বীকৃতির কথা উল্লেখ আছে?
  1. ২৪ নং
  2. ২৫ নং
  3. ২৭ নং
  4. ২৮ নং
সঠিক উত্তর:
২৭ নং
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৭ নং
ব্যাখ্যা

জুলাই ঘোষণাপত্র:
-  ‘জুলাই ঘোষণাপত্র’ হলো ২০২৪ সালের জুলাইয়ের গণ-অভ্যুত্থানের একটি দলিল যার মাধ্যমে জুলাই গণ-অভ্যুত্থানকে রাষ্ট্রীয় ও সাংবিধানিকভাবে স্বীকৃতি দেওয়া হবে।
- অন্যদিকে জুলাই জাতীয় সনদ হলো রাষ্ট্রের বিভিন্ন ক্ষেত্রে সংস্কার প্রস্তাব বাস্তবায়নে ঐকমত্যের একটি রাজনৈতিক দলিল।
- অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস ৫ আগস্ট, ২০২৫ তারিখে র ‘৩৬ জুলাই উদ্‌যাপন’ শীর্ষক অনুষ্ঠানে জুলাই ঘোষণাপত্র পাঠ করেছেন।
- জুলাই ঘোষণাপত্রে ২৮টি ধারা অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।
- জুলাই ঘোষণাপত্রের ২৪ নং ধারায় জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সকল শহীদদের 'জাতীয় বীর' হিসেবে আখ্যায়িত করা হয়েছে।
- জুলাই ঘোষণাপত্রের ২৭ নং ধারায় জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সাংবিধানিক স্বীকৃতির কথা উল্লেখ আছে।

উল্লেখ্য,
- ২৪ নং ধারা: সেহেতু বাংলাদেশের জনগণ জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের সকল শহীদদের জাতীয় বীর হিসেবে ঘোষণা করে শহীদদের পরিবার, আহত যোদ্ধা এবং আন্দোলনকারী ছাত্রজনতাকে প্রয়োজনীয় সকল আইনি সুরক্ষা দেওয়ার অভিপ্রায় ব্যক্ত করছে।
- ২৫ নং ধারা: সেহেতু বাংলাদেশের জনগণ যুক্তিসংগত সময়ে আয়োজিতব্য অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ একটি নির্বাচনের মাধ্যমে গঠিত জাতীয় সংসদে প্রতিশ্রুত প্রয়োজনীয় সাংবিধানিক সংস্কারের মাধ্যমে দেশের মানুষের প্রত্যাশা, বিশেষত তরুণ প্রজন্মের আকাঙ্ক্ষা অনুযায়ী আইনের শাসন ও মানবাধিকার, দুর্নীতি, শোষণমুক্ত, বৈষম্যহীন ও মূল্যবোধসম্পন্ন সমাজ এবং গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার অভিপ্রায় ব্যক্ত করছে।
- ২৬ নং ধারা: সেহেতু বাংলাদেশের জনগণ এই প্রত্যাশা ব্যক্ত করছে যে একটি পরিবেশ ও জলবায়ুসহিষ্ণু অন্তর্ভুক্তিমূলক ও টেকসই উন্নয়ন কৌশলের মাধ্যমে বর্তমান ও ভবিষ্যৎ প্রজন্মের অধিকার সংরক্ষিত হবে।
- ২৮ নং ধারা: ৫ আগস্ট ২০২৪ সালে গণ-অভ্যুত্থানে বিজয়ী বাংলাদেশের জনগণের আকাঙ্ক্ষার প্রতিফলন হিসেবে এই ঘোষণাপত্র প্রণয়ন করা হলো।

উৎস: প্রথম আলো।

৮৭.
সংশোধিত বাজেট ২০২৫-২৬ অর্থবছরে বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচী (ADP)- এর আকার কত?
  1.  ২ লাখ ২০ হাজার কোটি টাকা
  2.  ২ লাখ কোটি টাকা
  3.  ২ লাখ ৩০ হাজার কোটি টাকা
  4.  ২ লাখ ১০ হাজার কোটি টাকা
সঠিক উত্তর:
 ২ লাখ কোটি টাকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
 ২ লাখ কোটি টাকা
ব্যাখ্যা

সংশোধিত বাজেট ২০২৫-২৬:
- বাজেটের আকার: ৭ লাখ ৮৮ হাজার কোটি টাকা।
- রাজস্ব প্রাপ্তির লক্ষ্যমাত্রা: মোট ৫ লাখ ৮৮ হাজার কোটি টাকা ।
- বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচী (ADP): ২,০০,০০০ কোটি টাকা।
- মুদ্রাস্ফীতির লক্ষ্যমাত্রা: ৭%।
- জিডিপির প্রবৃদ্ধির হারের লক্ষ্যমাত্রা: ৫%।

২০২৫-২৬ বাজেট:

- বাজেটের ক্রম: ৫৪তম (অন্তর্বর্তীকালীনসহ ৫৫তম)।
- বাজেৎ উত্থাপনকারী: অর্থ উপদেষ্টা সালেহউদ্দিন আহমেদ।
- বাজেটের শিরোনাম: বৈষম্যহীন ও টেকসই অর্থনৈতিক ব্যবস্থা গড়ার প্রত্যয়।
- বাজেট ঘোষণা: ২ জুন, ২০২৫।
- বাজেট কার্যকর: ১ জুলাই, ২০২৫।
- বাজেটের আকার: ৭,৮৯,৯৯৯ কোটি টাকা (জিডিপির ১২.৭ শতাংশ)।
- রাজস্ব প্রাপ্তির লক্ষ্যমাত্রা: ৫,৬৪,০০০ কোটি টাকা।
- বাজেট ঘাটতি: ২,২৬,০০০ কোটি টাকা (জিডিপির ৩.৬২ শতাংশ)।
- বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচী (ADP): ২,৩০,০০০ কোটি টাকা।
- অনুমিত মুদ্রাস্ফীতির হার: ৬.৫%।
- সামাজিক নিরাপত্তার ঝার বৃদ্ধি: ১২.১৮%।
- জিডিপি প্রবৃদ্ধির লক্ষ্যমাত্রা: ৫.৫%।

উৎস: জাতীয় বাজেট ও সংশোধিত বাজেট ২০২৫-২৬।