উত্তর
ব্যাখ্যা
• মৌলিক রাশি বা সাধারণ রাশি সেই ধরনের পরিমাণ যা অন্য কোনো রাশির সাহায্যে প্রকাশ করা যায় না। পদার্থবিজ্ঞানে রাশিগুলোকে মূলত দুই ধরনের হিসেবে দেখা হয়: মৌলিক (primary) এবং অনুমেয় (derived)। দেওয়া বিকল্পগুলোর মধ্যে দীপন তীব্রতা, বল, কাজ এবং তাপ বিবেচনা করলে দেখা যায়, দীপন তীব্রতা (luminous intensity) অন্য কোনো মৌলিক রাশির সমীকরণের মাধ্যমে প্রকাশ করা যায় না। অন্যদিকে, বল, কাজ এবং তাপ সবগুলোই মৌলিক রাশির সমন্বয়ে তৈরি অনুমেয় রাশি। উদাহরণস্বরূপ, বলকে ভর ও ত্বরণের গুণফল হিসেবে লেখা যায়, কাজকে বল এবং স্থানচ্যুতি হিসেবে প্রকাশ করা যায়।
- উত্তর: ক) দীপন তীব্রতা।
- বিশ্ব প্রকৃতির যা কিছু পরিামাপ করা যায় তাকে রাশি বলা হয়।
যেমন- একটি লোহার বলের ভর পরিমাপের করা যায়, ভর একটি রাশি। আবার কাপড়ের দৈর্ঘ্য পরিমাপ করা যায় যেখানে দৈর্ঘ্য একটি রাশি।
মৌলিক রাশি:
- যে সকল রাশি পরিমাপ করার জন্য অন্য কোন রাশির উপর নির্ভর করার প্রয়োজন হয় না, এ রাশিগুলোকে মৌলিক রাশি বলা হয়।
যেমন- সময় মাপতে অন্য কোন রাশির উপর নির্ভর করতে হয় না। সুতরাং সময় একটি মৌলিক রাশি।
- জ্ঞান বিজ্ঞানের সকল শাখায় বিজ্ঞানীরা পরিমাপের ক্ষেত্রে সাতটি রাশিকে মৌলিক রাশি হিসেবে চিহ্নিত করেছেন।
যেমন- দৈর্ঘ্য, ভর, সময়, তাপমাত্রা, তড়িৎপ্রবাহ, দীপন তীব্রতা এবং পদার্থের পরিমাণ।
লব্ধ বা যৌগিক রাশি:
- এমন অনেক রাশি আছে যেগুলো মাপার জন্য অন্য রাশির দরকার হয়।
অর্থাৎ, যে সকল রাশি মৌলিক রাশির উপর নির্ভরশীল অর্থাৎ মৌলিক রাশি থেকে পাওয়া যায়, তাদেরকে লব্ধ বা যৌগিক রাশি বলা হয়।
যেমন- বেগ পরিমাপের জন্য দূরত্ব এবং সময় এই রাশি দুটি জানার প্রয়োজন হয়। অতঃপর দূরত্বকে সময় দিয়ে ভাগ করে বেগের মান বের করতে হয়। এর থেকে বুঝা যায় যে, বেগ একটি লব্ধ বা যৌগিক রাশি।
- বেগ, ত্বরণ, কাজ, বল, তাপ, বিভব ইত্যাদি লব্ধ রাশির উদাহারণ।
উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।