পরীক্ষা আর্কাইভ

প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ প্রস্তুতি (আর্কাইভ)

পরীক্ষাপ্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ প্রস্তুতি (আর্কাইভ)তারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়10 minutes
মোট প্রশ্ন২১
সিলেবাস
পরীক্ষা - ২৯ সাধারণ বিজ্ঞান পরীক্ষা - ১ টপিক: বিজ্ঞান: প্রাত্যহিক জীবনে বিজ্ঞান (পদার্থ, রসায়ন ও জীববিজ্ঞান সংশ্লিষ্ট), মানবদেহ, স্বাস্থ্য, চিকিৎসা, সাধারণ রোগব্যাধি ইত্যাদি, খাদ্য ও পুষ্টি, আধুনিক বিজ্ঞান ও পরিবেশ বিজ্ঞান সংশ্লিষ্ট। কম্পিউটার ও আইসিটি: কম্পিউটার ও তথ্য প্রযুক্তির মৌলিক বিষয়সমূহ।
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ প্রস্তুতি (আর্কাইভ)

প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ প্রস্তুতি (আর্কাইভ) · তারিখ অনির্ধারিত · ২১ প্রশ্ন

.
নিম্নলিখিত কোনটি মৌলিক রাশি হিসেবে গণ্য হয়?
  1. দীপন তীব্রতা
  2. বল
  3. কাজ
  4. তাপ
সঠিক উত্তর:
দীপন তীব্রতা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দীপন তীব্রতা
ব্যাখ্যা

• মৌলিক রাশি বা সাধারণ রাশি সেই ধরনের পরিমাণ যা অন্য কোনো রাশির সাহায্যে প্রকাশ করা যায় না। পদার্থবিজ্ঞানে রাশিগুলোকে মূলত দুই ধরনের হিসেবে দেখা হয়: মৌলিক (primary) এবং অনুমেয় (derived)। দেওয়া বিকল্পগুলোর মধ্যে দীপন তীব্রতা, বল, কাজ এবং তাপ বিবেচনা করলে দেখা যায়, দীপন তীব্রতা (luminous intensity) অন্য কোনো মৌলিক রাশির সমীকরণের মাধ্যমে প্রকাশ করা যায় না। অন্যদিকে, বল, কাজ এবং তাপ সবগুলোই মৌলিক রাশির সমন্বয়ে তৈরি অনুমেয় রাশি। উদাহরণস্বরূপ, বলকে ভর ও ত্বরণের গুণফল হিসেবে লেখা যায়, কাজকে বল এবং স্থানচ্যুতি হিসেবে প্রকাশ করা যায়। 

- উত্তর: ক) দীপন তীব্রতা।


- বিশ্ব প্রকৃতির যা কিছু পরিামাপ করা যায় তাকে রাশি বলা হয়।
যেমন- একটি লোহার বলের ভর পরিমাপের করা যায়, ভর একটি রাশি। আবার কাপড়ের দৈর্ঘ্য পরিমাপ করা যায় যেখানে দৈর্ঘ্য একটি রাশি।

মৌলিক রাশি:
- যে সকল রাশি পরিমাপ করার জন্য অন্য কোন রাশির উপর নির্ভর করার প্রয়োজন হয় না, এ রাশিগুলোকে মৌলিক রাশি বলা হয়।
যেমন- সময় মাপতে অন্য কোন রাশির উপর নির্ভর করতে হয় না। সুতরাং সময় একটি মৌলিক রাশি।
- জ্ঞান বিজ্ঞানের সকল শাখায় বিজ্ঞানীরা পরিমাপের ক্ষেত্রে সাতটি রাশিকে মৌলিক রাশি হিসেবে চিহ্নিত করেছেন।
যেমন- দৈর্ঘ্য, ভর, সময়, তাপমাত্রা, তড়িৎপ্রবাহ, দীপন তীব্রতা এবং পদার্থের পরিমাণ।

লব্ধ বা যৌগিক রাশি:
- এমন অনেক রাশি আছে যেগুলো মাপার জন্য অন্য রাশির দরকার হয়।
অর্থাৎ, যে সকল রাশি মৌলিক রাশির উপর নির্ভরশীল অর্থাৎ মৌলিক রাশি থেকে পাওয়া যায়, তাদেরকে লব্ধ বা যৌগিক রাশি বলা হয়।
যেমন- বেগ পরিমাপের জন্য দূরত্ব এবং সময় এই রাশি দুটি জানার প্রয়োজন হয়। অতঃপর দূরত্বকে সময় দিয়ে ভাগ করে বেগের মান বের করতে হয়। এর থেকে বুঝা যায় যে, বেগ একটি লব্ধ বা যৌগিক রাশি।
- বেগ, ত্বরণ, কাজ, বল, তাপ, বিভব ইত্যাদি লব্ধ রাশির উদাহারণ।

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

.
দিয়াশলাইয়ের কাঠির শীর্ষে কোন প্রকারের ফসফরাস ব্যবহৃত হয়?
  1. বেগুনি ফসফরাস
  2. শ্বেত ফসফরাস
  3. লোহিত ফসফরাস
  4. ক ও খ
সঠিক উত্তর:
লোহিত ফসফরাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
লোহিত ফসফরাস
ব্যাখ্যা

• দিয়াশলাইয়ের কাঠির শীর্ষে সাধারণত লোহিত ফসফরাস (Red Phosphorus) ব্যবহার করা হয়। বাণিজ্যিক লোহিত ফসফরাস তুলনামূলকভাবে নিরাপদ এবং স্থিতিশীল, যা ঘর্ষণের মাধ্যমে জ্বলে ওঠে। অন্যদিকে, শ্বেত ফসফরাস খুবই জ্বলনশীল ও বিষাক্ত, তাই এটি ব্যবহার করা হয় না। বেগুনি ফসফরাসও সাধারণত এই কাজে ব্যবহার করা হয় না। কাঠির শীর্ষে লোহিত ফসফরাস থাকায় ঘষলে তা সহজেই আগুন ধরে, যা আমাদের আলো জ্বালানোর জন্য নিরাপদ এবং কার্যকর।
- তাই প্রশ্নে সঠিক উত্তর হলো গ) লোহিত ফসফরাস।


ফসফরাস: রূপভেদ ২ টি।
• শ্বেত ফসফরাস ও
• লোহিত ফসফরাস।

- শ্বেত ফসফরাস বেশি সক্রিয় এবং বিষাক্ত।
- দিয়াশলাইয়ের কাঠির মাথায় লোহিত ফসফরাস ব্যবহৃত হয়।
- লোহিত ফসফরাস একটু উষ্ণ অবস্থায় বায়ুর অক্সিজেনের সঙ্গে বিক্রিয়া করে। তাই লোহিত ফসফরাস ব্যবহার করে তৈরি করা হয় ম্যাচের কাঠি। ম্যাচের কাঠি বারুদে ঘর্ষণের ফলে যে তাপ তৈরি হয়, তাতে লোহিত ফসফরাস অক্সিজেনর সঙ্গে বিক্রিয়া করে জ্বলে ওঠে।

 উৎস: একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি রসায়ন বই।

.
নিউটনের প্রথম সূত্রের প্রচলিত নাম কী?
  1. মহাকর্ষ সূত্র
  2. বলের সূত্র
  3. কর্ম-প্রতিক্রিয়া সূত্র
  4. জড়তার সূত্র
সঠিক উত্তর:
জড়তার সূত্র
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জড়তার সূত্র
ব্যাখ্যা

• নিউটনের প্রথম সূত্রকে সাধারণভাবে জড়তার সূত্র (Law of Inertia) বলা হয়। এই সূত্র অনুযায়ী, একটি বস্তু যদি বিশ্রামে থাকে, তাহলে তা বিশ্রামে থাকবে এবং যদি কোনো গতিতে চলে, তাহলে তা সমমিত গতিতে চলতে থাকবে যতক্ষণ না বাহ্যিক কোনো বল তার উপর প্রয়োগ করা হয়। অর্থাৎ, বাহ্যিক বল ছাড়া কোনো বস্তু তার গতির অবস্থা পরিবর্তন করতে পারে না। এই ধারণা আমাদের দৈনন্দিন জীবনে সহজে দেখা যায়, যেমন গাড়ি হঠাৎ থামালে যাত্রী সামনে ঝোঁকানো। নিউটনের এই প্রথম সূত্র বস্তু এবং বলের মধ্যে সম্পর্ক বোঝার জন্য মৌলিক ভিত্তি তৈরি করে।

• নিউটনের প্রথম সূত্র:
- "বল প্রয়োগ না করলে স্থির বস্তু চিরকাল স্থির থাকবে এবং সমবেগে চলতে থাকা বস্তু চিরকাল সমবেগে চলতে থাকবে।"

• এই সূত্রটি স্যার আইজ্যাক নিউটন তার "ফিলোসফিয়া ন্যাচারালিস প্রিন্সিপিয়া ম্যাথমেটিকা" (1687) গ্রন্থে প্রস্তাব করেছিলেন।
- নিউটনের প্রথম সূত্রটি "জড়তার সূত্র" (Law of Inertia) নামে পরিচিত।

• জড়তা:
- জড়তা হলো বস্তুর একটি ধর্ম, যা দ্বারা বস্তু তার বর্তমান গতি বা স্থির অবস্থা বজায় রাখতে চায়। 

অন্যদিকে,
• নিউটনের দ্বিতীয় সূত্রটি হলো বলের সূত্র।
• নিউটনের তৃতীয় সূত্রটি হলো বলের ক্রিয়া-প্রতিক্রিয়া সম্পর্কিত সূত্র। 
• মহাকর্ষ সূত্র হলো মহাবিশ্বের ভর যুক্ত বস্তুর মধ্যে আকর্ষণ বল সম্পর্কিত সূত্র। 

তথ্যসূত্র:
- মাধ্যমিক পদার্থবিজ্ঞান, ৯ম ও ১০ম শ্রেণি। 

.
পারমাণবিক সংখ্যা সমান অথচ ভর সংখ্যা ভিন্ন হলে সেই পরমাণুগুলোর নাম কী?
  1. আইসোটোন
  2. আইসোমার
  3. আইসোবার
  4. আইসোটোপ
সঠিক উত্তর:
আইসোটোপ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আইসোটোপ
ব্যাখ্যা

• যে পরমাণুগুলোর পারমাণবিক সংখ্যা সমান কিন্তু ভর সংখ্যা ভিন্ন, তাদের আইসোটোপ বলা হয়। পারমাণবিক সংখ্যা বলতে বোঝায় পরমাণুর নিউক্লিয়াসে থাকা প্রোটনের সংখ্যা, যা পরমাণুর রাসায়নিক বৈশিষ্ট্য নির্ধারণ করে। অন্যদিকে ভর সংখ্যা হলো প্রোটন ও নিউট্রনের মোট সংখ্যা। তাই একই পারমাণবিক সংখ্যার পরমাণুতে নিউট্রনের সংখ্যা আলাদা হলে তাদের ভর সংখ্যা ভিন্ন হয়। উদাহরণস্বরূপ, কার্বনের দুটি আইসোটোপ—কার্বন-১২ এবং কার্বন-১৪-উভয়েরই প্রোটনের সংখ্যা ৬, কিন্তু কার্বন-১২-এ নিউট্রন সংখ্যা ৬ এবং কার্বন-১৪-এ ৮। ফলে পারমাণবিক বৈশিষ্ট্য একই থাকলেও ভর সংখ্যা ভিন্ন হয়। এই বৈশিষ্ট্য আইসোটোপের মাধ্যমে বোঝা যায়।
 
আইসোবার:
- যে সকল পরমাণুর ভর সংখ্যা সমান কিন্তু প্রোটন সংখ্যা ভিন্ন তাদেরকে পরস্পরের আইসোবার বলা হয়।

আইসোটোন:
- যে সকল পরমাণুর নিউট্রন সংখ্যা সমান কিন্তু প্রোটন ও ভর সংখ্যা ভিন্ন তাদেরকে পরস্পরের আইসোটোন বলে।

আইসোটোপ:
- যে সকল পরমাণুর পারমাণবিক সংখ্যা সমান কিন্তু ভর সংখ্যা ভিন্ন তাদেরকে পরস্পরের আইসোটোপ বলা হয়।

আইসোমার:
- যে সব নিউক্লিয়াসের পারমাণবিক সংখ্যা ও ভর সংখ্যা সমান তাদেরকে আইসোমার বলা হয়।

উৎস: রসায়ন বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।

.
মাইটোকন্ড্রিয়ার মধ্যে কোন প্রকার জৈবিক শক্তি সঞ্চিত থাকে?
  1. NADPH
  2. GTP
  3. ADP
  4. ATP
সঠিক উত্তর:
ATP
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ATP
ব্যাখ্যা

• মাইটোকন্ড্রিয়া হলো কোষের শক্তি উৎপাদনের কেন্দ্র। এটি খাদ্য থেকে শক্তি উত্তোলন করে তা এমন এক আকারে সংরক্ষণ করে, যা কোষ সহজে ব্যবহার করতে পারে। মাইটোকন্ড্রিয়ার মূল শক্তি সঞ্চয়কারী জৈবিক অণু হলো ATP (অ্যাডেনোসিন ট্রাইফসফেট)। ATP-এ থাকা রাসায়নিক শক্তি কোষের বিভিন্ন প্রক্রিয়ায়, যেমন প্রোটিন সংশ্লেষণ, সংকোচন, এবং সক্রিয় পরিবহন ইত্যাদিতে ব্যবহার করা হয়। মাইটোকন্ড্রিয়ায় খাদ্য অণুগুলো অক্সিডেশন প্রক্রিয়ার মাধ্যমে ATP-তে রূপান্তরিত হয়। অন্য বিকল্পগুলোর মধ্যে NADPH প্রধানত ক্লোরোপ্লাস্টে শক্তি পরিবহনের কাজে লাগে, GTP কিছু বিশেষ প্রক্রিয়ায় সংকেত বা প্রোটিন সংশ্লেষণে ব্যবহৃত হয়, আর ADP হলো ATP-এর পূর্বাবস্থা। তাই ATP হলো মাইটোকন্ড্রিয়ার মূল শক্তি সঞ্চয়কারী।
 
মাইটোকন্ড্রিয়া: 
- মাইটোকন্ড্রিয়া হলো প্রকৃত জীবকোষের একটি গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গাণু।
- কোষের যাবতীয় জৈবনিক কাজের শক্তি সরবরাহ থাকে, তাই মাইটোকন্ড্রিয়াকে কোষের পাওয়ার হাউস বা শক্তি ঘর বলা হয়। 
- এতে ক্রেবস চক্র, ফ্যাটি অ্যাসিড চক্র, ইলেকট্রন ট্রান্সপোর্ট সিস্টেম ইত্যাদি সংঘটিত হয়। 
- কলিকার ১৮৫০ সালে সাইটোপ্লাজমে এসব অঙ্গাণু আবিষ্কার করেন। 
- অল্টম্যান ১৮৯৪ সালে মাইটোকন্ড্রিয়ার উপস্থিতি আবিষ্কার করেন। 
- বেন্ডা ১৮৯৮ সালে মাইটোকন্ড্রিয়ার নামকরণ করেন। 
- বিভাজনের মাধ্যমে এদের সংখ্যা বৃদ্ধি ঘটে। কোষে একটিমাত্র মাইটোকন্ড্রিয়া থাকলে তা কোষ বিভাজনের সাথেই বিভাজিত হয়। 

মাইটোকন্ড্রিয়ার কাজ: 
১। কোষের যাবতীয় জৈবিক কাজের জন্য শক্তি উৎপাদন ও নিয়ন্ত্রণ করে। 
২। শ্বসনের জন্য বিভিন্ন ধরনের এনজাইম ও কোএনজাইম ধারণ করে। 
৩। শ্বসন এর বিভিন্ন পর্যায় যেমন- ক্রেবস চক্র, ইলেকট্রন পরিবহন, অক্সিডেটিভ ফসফোরাইলেশন ইত্যাদি এখানে সম্পন্ন হয়। 
৪। কিছু পরিমাণ DNA ও RNA উৎপন্ন করে। 
৫। ADP কে ATP তে রূপান্তর করার মাধ্যমে ATP তে শক্তি সঞ্চয় করে রাখতে সহায়তা করে। 
৬। স্নেহ বিপাকে অংশ গ্রহণ করে। 

উৎস: উদ্ভিদবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

.
নিম্নে উল্লিখিত কোন যন্ত্র বিদ্যুৎ শক্তিকে শব্দ শক্তিতে রূপান্তর করে?
  1. জেনারেটর
  2. লাউড স্পিকার
  3. উইন্ডমিল
  4. মাইক্রোফোন
সঠিক উত্তর:
লাউড স্পিকার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
লাউড স্পিকার
ব্যাখ্যা

• উল্লিখিত যন্ত্রগুলির মধ্যে লাউড স্পিকার বিদ্যুৎ শক্তিকে শব্দ শক্তিতে রূপান্তর করে। লাউড স্পিকারের মূল কাজ হলো বিদ্যুৎ সংকেতকে যান্ত্রিক কম্পনের মাধ্যমে বায়ুর কণার কম্পন সৃষ্টি করা, যা মানুষের কানের কাছে শব্দ হিসেবে পৌঁছায়। যখন স্পিকারে বৈদ্যুতিক সিগন্যাল প্রবাহিত হয়, তখন এটি স্পিকারের কনাস বা ঝিল্লিকে আড়ম্বরপূর্ণভাবে কম্পিত করে। এই কম্পন বায়ুর মধ্যে তরঙ্গ আকারে ছড়িয়ে পড়ে এবং শ্রোতার কানে শব্দ হিসাবে শোনা যায়। অন্যদিকে, জেনারেটর বিদ্যুৎ উৎপাদন করে, উইন্ডমিল যান্ত্রিক শক্তি উৎপাদন করে, এবং মাইক্রোফোন শব্দ শক্তিকে বৈদ্যুতিক সংকেতে রূপান্তর করে। তাই স্পিকারই একমাত্র যন্ত্র যা বিদ্যুৎকে শব্দে রূপান্তরিত করে।

শক্তির রূপান্তর:
- লাউড স্পিকার ও বৈদ্যুতিক ঘন্টা বিদ্যুৎ শক্তিকে শব্দ শক্তিতে রূপান্তর করে। 
- মাইক্রোফোন- শব্দ শক্তিকে বিদ্যুৎ শক্তিতে রূপান্তর করে। 
- জেনারেটর বা ডায়নামো- যান্ত্রিক শক্তিকে তড়িৎ শক্তিতে রূপান্তর করে। 
- বৈদ্যুতিক মোটর- তড়িৎ শক্তিকে যান্ত্রিক শক্তিতে রূপান্তর করে। 
- মোবাইল ফোনের ব্যাটারিকে বিদ্যুৎ দিয়ে চার্জ দেওয়ার ফলে তড়িৎ শক্তি রাসায়নিক শক্তিতে রূপান্তরিত হয়।

উৎস: সাধারণ বিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

.
মানবদেহে লোহিত রক্তকোষের প্রধান উৎপাদন স্থান কোনটি?
  1. অস্থিমজ্জা 
  2. লিভার 
  3. কিডনি 
  4. প্লীহা 
সঠিক উত্তর:
অস্থিমজ্জা 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অস্থিমজ্জা 
ব্যাখ্যা

• মানবদেহে লোহিত রক্তকোষের (রেড ব্লাড সেল বা রক্তকণিকা) প্রধান উৎপাদন স্থান অস্থিমজ্জা। অস্থিমজ্জা হাড়ের অভ্যন্তরে থাকে এবং এটি বিভিন্ন ধরনের রক্তকোষ উৎপাদনের জন্য একটি কেন্দ্র হিসেবে কাজ করে। নবজাতক শিশুদের জন্য প্রাথমিকভাবে বৃহৎ হাড়ের মধ্যে অস্থিমজ্জা সক্রিয় থাকে, তবে বয়স বৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে এটি কেবল দীর্ঘহাড়ের মাথা, পেরুন এবং কিছু বড় হাড়ের মধ্যে সীমিত হয়ে আসে। অস্থিমজ্জায় হেমাটোপয়েটিক স্টেম সেল থাকে, যা বিভাজনের মাধ্যমে লোহিত রক্তকোষ, শ্বেতরক্তকোষ এবং রক্তপ্লেট তৈরি করে। অন্যান্য অঙ্গ যেমন লিভার, কিডনি বা প্লীহা রক্তকোষের উৎপাদন প্রধানত সহায়ক বা সীমিত মাত্রায় কার্যকর।

- উত্তর: ক) অস্থিমজ্জা।

লোহিত রক্তকোষ: 
- মানবদেহের পরিণত লোহিত রক্তকোষ দ্বি-অবতল এবং চাকতি আকৃতির। 
- এতে হিমোগ্লোবিন নামে রঞ্জক পদার্থ থাকার কারণে দেখতে লাল বর্ণের হয়, এজন্য এদেরকে Red Blood Cell বা RBC বলে। 
অন্যভাবে বলা যায়, লোহিত কোষ প্রকৃতপক্ষে হিমোগ্লোবিন ভর্তি চ্যাপ্টা আকৃতির ভাসমান ব্যাগ, এ কারণে লোহিত কোষ অধিক পরিমাণ অক্সিজেন পরিবহণ করতে পারে। 
- পরিণত লোহিত কোষগুলোর বিভাজন হয় না, এ কোষগুলো সর্বক্ষণই অস্থিমজ্জার ভিতরে উৎপন্ন হতে থাকে এবং উৎপন্ন হওয়ার পর রক্তরসে চলে আসে। 
- মানুষের লোহিত কোষের গড় আয়ু প্রায় চার মাস অর্থাৎ ১২০ দিন। 
- স্তন্যপায়ী প্রাণীদের লোহিত রক্তকোষগুলো উৎপন্ন হওয়ার পর রক্তরসে আসার পূর্বে নিউক্লিয়াসবিহীন হয়ে যায়। 
- অন্যান্য মেরুদণ্ডী প্রাণীর ক্ষেত্রে এরকম ঘটে না অর্থাৎ এদের লোহিত কোষগুলোতে নিউক্লিয়াস থাকে। 
- লোহিত কোষ প্লীহা (Spleen) তে সঞ্চিত থাকে এবং তাৎক্ষণিক প্রয়োজনে প্লীহা থেকে লোহিত কোষ রক্তরসে সরবরাহ হয়। 

- লোহিত কোষের প্রধান কাজ হলো- 
১. দেহের প্রতিটি কোষে অক্সিজেন সরবরাহ করা। 
২. নিষ্কাশনের জন্য কিছু পরিমাণ কার্বন ডাই-অক্সাইডকে টিস্যু থেকে ফুসফুসে বহন করা। 
৩. হিমোগ্লোবিনের সাহায্যে রক্তের অম্ল-ক্ষারের সমতা বজায় রাখার জন্য বাফার হিসেবে কাজ করা। 

উৎস: বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।

.
মানুষের কানে শোনা অনুভূতির স্থায়িত্ব কত সময় ধরে থাকে?
  1. ০.৫ সেকেন্ড
  2. ০.০০১ সেকেন্ড
  3. ২.৫ সেকেন্ড
  4. ০.১ সেকেন্ড
সঠিক উত্তর:
০.১ সেকেন্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
০.১ সেকেন্ড
ব্যাখ্যা

• মানুষের কানে শোনা অনুভূতির স্থায়িত্ব সাধারণত খুবই সংক্ষিপ্ত সময়ের জন্য থাকে। একটি শব্দের শোনার পরে, মস্তিষ্ক সেই শব্দের তথ্যকে প্রায় ০.১ সেকেন্ড পর্যন্ত স্মরণ রাখতে সক্ষম হয়। এটি মানে, আমাদের কানে আসা শব্দগুলি দীর্ঘ সময় ধরে স্থায়ী হয় না, বরং খুব সংক্ষিপ্ত সময়ের জন্য উপস্থিত থাকে, যা আমাদের সঠিকভাবে শব্দ শনাক্ত এবং বিশ্লেষণ করতে সাহায্য করে। এই সংক্ষিপ্ত সময়কাল শোনার প্রক্রিয়ায় ক্রমবর্ধমান সঙ্গতি ও শব্দের ধারাবাহিকতা বুঝতে গুরুত্বপূর্ণ। অতএব, মানুষের শ্রবণ অনুভূতির স্থায়িত্ব প্রায় ০.১ সেকেন্ড। সুতরাং সঠিক উত্তর হলো ঘ) ০.১ সেকেন্ড।

• শ্রবণ অনুভূতির স্থায়িত্বকাল:
- মানুষের শ্রবণ অনুভূতির স্থায়িত্বকাল (Persistence of Hearing) হল সেই সময়কাল যখন শব্দের উৎস বন্ধ হয়ে যাওয়ার পরেও সেই শব্দের রেশ মস্তিষ্কে থেকে যায়।
- এই সময়সীমা প্রায় ০.১ সেকেন্ড (100 মিলিসেকেন্ড)।
- যদি দুটি শব্দ ০.১ সেকেন্ডের মধ্যে আসে, তবে আমরা সেটিকে একটি শব্দ হিসেবেই শুনি।
- দুইটি শব্দ আলাদাভাবে শুনতে হলে দুইটি শব্দের মাঝে কমপক্ষে ০.১ সেকেন্ড ব্যবধান দরকার।
- কোনো শব্দ যদি প্রতিফলিত হয়ে ০.১ সেকেন্ডের পরে আমাদের কানে ফিরে আসে, তবেই আমরা আলাদা প্রতিধ্বনি শুনতে পাই।
- প্রতিধ্বনি শোনার জন্য প্রতিফলক পৃষ্ঠ কমপক্ষে ১৬.৫ মিটার দূরে থাকা প্রয়োজন।

উৎস: মাধ্যমিক পদার্থবিজ্ঞান, ৯ম ও ১০ম শ্রেণি।

.
মস্তিষ্কে রক্তক্ষরণ বা রক্ত চলাচল ব্যাহত হওয়ার ঘটনা কী নামে পরিচিত? 
  1. স্ট্রোক 
  2. অস্টিওপোরোসিস 
  3. ডায়াবেটিস
  4. অস্টিওআর্থ্রাইটিস
সঠিক উত্তর:
স্ট্রোক 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্ট্রোক 
ব্যাখ্যা

• মস্তিষ্কে রক্তক্ষরণ বা রক্ত চলাচল ব্যাহত হওয়ার ঘটনাকে স্ট্রোক (Stroke) বলা হয়। এটি একটি গুরুতর স্বাস্থ্য সমস্যা যেখানে মস্তিষ্কের নির্দিষ্ট অংশে রক্ত সরবরাহ ঠিকমত হয় না। রক্ত চলাচল বন্ধ হলে সেই অংশের মস্তিষ্ক কোষগুলি অক্সিজেন ও পুষ্টি না পাওয়ায় ক্ষতিগ্রস্ত হয়। স্ট্রোকের প্রধান কারণ হতে পারে মস্তিষ্কের ধমনিতে রক্ত জমাট বাঁধা বা কোনো ধমনীর ফেটে যাওয়া। এর ফলে হঠাৎ মাথা ব্যথা, পায়ে বা হাতে দুর্বলতা, কথা বলতে বা বোঝাতে সমস্যা, দৃষ্টি ঝাপসা বা মুখের অঙ্গচলনে অসাম্য দেখা দিতে পারে। সময়মতো চিকিৎসা না নিলে স্থায়ী অক্ষমতা বা মৃত্যু পর্যন্ত ঘটতে পারে। তাই স্ট্রোককে দ্রুত সনাক্ত এবং চিকিৎসা করা অত্যন্ত জরুরি।

- সঠিক উত্তর: ক) স্ট্রোক।

স্নায়ুতন্ত্র: 
- স্নায়ুতন্ত্রের প্রধান অঙ্গ মস্তিষ্ক। 
- স্নায়ুতন্ত্রের গঠন ও কার্যকরী একক কে বলে নিউরন। 
- মস্তিষ্কের নিউরন থাকে ১০ মিলিয়ন। 
- মানুষের মস্তিষ্কের ওজন ১.৩৬ কেজি। 
- মস্তিষ্ককে আবৃতকারী পর্দার নাম মেনিনজেস। 
- মস্তিষ্কে রক্তক্ষরণ এবং রক্ত প্রবাহে বাঁধা পাওয়াকে বলে স্ট্রোক। 
- স্নায়ুকোষের এক-চতুর্থাংশ বা ২৫% ধ্বংস হয়ে গেলে মস্তিষ্কের ক্ষমতা লোপ পেতে থাকে। 
- স্নায়ুকোষ ধ্বংস হলে মস্তিষ্কের বিভিন্ন প্রকার রোগ যেমন স্মৃতিভ্রংশ, বুদ্ধিবৈকল্য ইত্যাদি হতে পারে। 

উৎস: প্রাণিবিজ্ঞান, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি এবং জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।

১০.
কোন রঙের পৃষ্ঠ থেকে আলো সবচেয়ে বেশি প্রতিফলিত হয়?
  1. লাল
  2. নীল
  3. সাদা
  4. কালো
সঠিক উত্তর:
সাদা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সাদা
ব্যাখ্যা

• সবচেয়ে বেশি আলো প্রতিফলনের ক্ষেত্রে রঙের প্রকৃতি গুরুত্বপূর্ণ। আলোকরশ্মি একটি পৃষ্ঠে পড়লে তার কিছু অংশ শোষিত হয় এবং বাকিটা প্রতিফলিত হয়। কালো পৃষ্ঠ প্রায় সমস্ত আলো শোষণ করে, তাই এটি খুব কম আলো প্রতিফলিত করে। লাল বা নীল রঙের পৃষ্ঠ নির্দিষ্ট তরঙ্গদৈর্ঘ্যের আলো বেশি প্রতিফলিত করে, কিন্তু সব রঙের আলো নয়। অন্যদিকে, সাদা পৃষ্ঠ সব রঙের আলো প্রায় সমানভাবে প্রতিফলিত করে। ফলে, সর্বাধিক আলো প্রতিফলনের জন্য সাদা পৃষ্ঠ সবচেয়ে উপযুক্ত। সুতরাং, আলো প্রতিফলনের দিক থেকে সাদা রঙের পৃষ্ঠই সবচেয়ে কার্যকর।

- উত্তর: গ) সাদা।

প্রতিফলন: 
- কোনো আলোক রশ্মি কোনো স্বচ্ছ মাধ্যমের মধ্য দিয়ে যাওয়ার সময় অন্য কোনো মাধ্যম দ্বারা বাধা প্রাপ্ত হলে দুই মাধ্যমের বিভেদতল থেকে প্রথম মাধ্যমে ফিরে আসে। আলোর এই ফিরে আসার প্রক্রিয়াকে আলোর প্রতিফলন বলে। 
- যে বিভেদ তল থেকে আলো ফিরে আসে তাকে প্রতিফলক তল বা প্রতিফলক পৃষ্ঠ বলে, আর পূর্ববর্তী মাধ্যমে ফিরে আসা আলোকে বলা হয় প্রতিফলিত আলো বা রশ্মি। 
- সাধারণত দুই মাধ্যমের বিভেদ তলে যে পরিমাণ আলো এসে পড়ে সবসময় তা সম্পূর্ণ প্রতিফলিত হয় না। 
- পতিত আলোর কতটুকু প্রতিফলিত হবে তা দুটি বিষয়ের উপর নির্ভর করে। তা হলো- 
১. মাধ্যম দুটির প্রকৃতি এবং 
২. আপতিত আলো প্রতিফলক তলের উপর কত কোণে আপতিত হয় তার পরিমাণ। 

- প্রতিফলক তল যত বেশি মসৃণ হয় প্রতিফলন তত বেশি হয়। 
- আবার অস্বচ্ছ প্রতিফলকের চেয়ে স্বচ্ছ প্রতিফলকে প্রতিফলন কম হয়। 
যেমন- সাদা তলে আলোর প্রতিফলন বেশি হয় এবং কালো রঙের তলে আলোর প্রতিফলন হয় না বললেই চলে। 
- কাচ একটি আলোক স্বচ্ছ মাধ্যম, এর উপর আলো আংশিক প্রতিফলিত হয়। আবার আলোক রশ্মি লম্বভাবে পড়লে খুব সামান্য প্রতিফলিত হয়। 
- রশ্মি যত বেশি কোণে আপতিত হয় প্রতিফলনের পরিমাণও তত বেশি হয়। 

- প্রতিফলন তলের মসৃণতা অনুযায়ী প্রতিফলনকে দু'ভাগে ভাগ করা হয়েছে। 
যেমন- 
১. নিয়মিত প্রতিফলন এবং 
২. ব্যাপ্ত প্রতিফলন। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১১.
১ ক্যালরির তাপ শক্তির যান্ত্রিক সমতুল্য শক্তি কত?
  1. ১.০ জুল
  2. ৫.০ জুল
  3. ২.৫ জুল
  4. ৪.২ জুল
সঠিক উত্তর:
৪.২ জুল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪.২ জুল
ব্যাখ্যা

• ১ ক্যালরির তাপ শক্তির যান্ত্রিক সমতুল্য শক্তি হলো ৪.২ জুল। অর্থাৎ, ১ ক্যালরি তাপ শক্তি উৎপন্ন করতে যতো কাজ করা প্রয়োজন, সেটি প্রায় ৪.২ জুলের সমান। ক্যালরি হলো তাপ শক্তির একক, যা সাধারণত খাবারের শক্তি বা তাপমাত্রা বৃদ্ধির হিসাবের জন্য ব্যবহার করা হয়, আর জুল হলো আন্তর্জাতিক একক ব্যবস্থা (SI) অনুযায়ী যান্ত্রিক কাজ বা শক্তির একক। যান্ত্রিক সমতুল্য শক্তি বলতে বোঝায় যে, নির্দিষ্ট পরিমাণ তাপ শক্তি যদি সম্পূর্ণরূপে যান্ত্রিক কাজে রূপান্তরিত করা হয়, তাহলে তা কত কাজ করতে সক্ষম হবে। সুতরাং সঠিক উত্তর হলো ঘ) ৪.২ জুল।

তাপ: 

- তাপ হল বস্তুর বা পদার্থের অভ্যন্তরস্থ অণুসমূহের গতির সঙ্গে সম্পর্কিত এক প্রকার শক্তি যা ঠান্ডা ও গরমের অনুভূতি সৃষ্টি করে। 
- তাপ শক্তির একটি রূপ, তাই শক্তি তথা কাজের এককই তাপের একক। 
- তাপের SI একক জুল (J)। 
- এক সময় তাপ পরিমাপের জন্য একক ধরা হতো ক্যালরি। এটি মেট্রিক পদ্ধতির একক যা পুষ্টি বিজ্ঞানে ব্যবহৃত হয়।
- 1 গ্রাম পানির তাপমাত্রা 1° C বাড়াতে বা কমাতে যতটা তাপের প্রয়োজন তাকে 1 ক্যালরি (Cal) ধরা হতো। 
- 4.2 জুল যান্ত্রিক শক্তি 1 ক্যালরি তাপের সমতুল্য। তাই, 1 ক্যালরি = 4.2 জুল। 
-  তাপ পরিমাপের যন্ত্র ক্যালরিমিটার। 
- তাপের প্রবাহ তাপের পরিমাণের ওপর নির্ভর করে না। 
- দুটি বস্তুর তাপের পরিমাণ এক হলেও এদের তাপমাত্রার পরিমাণ ভিন্ন হতে পারে। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১২.
বায়ুমণ্ডলের কোন স্তরে ওজোনের ঘনত্ব সর্বাধিক?
  1. স্ট্রাটোমণ্ডল
  2. ট্রপোমণ্ডল
  3. তাপমণ্ডল
  4. মেসোমণ্ডল
সঠিক উত্তর:
স্ট্রাটোমণ্ডল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্ট্রাটোমণ্ডল
ব্যাখ্যা

- বায়ুমণ্ডলের স্তরগুলোর মধ্যে ওজোনের ঘনত্ব সর্বাধিক থাকে স্ট্রাটোমণ্ডলে। স্ট্রাটোমণ্ডল পৃথিবীর পৃষ্ঠ থেকে প্রায় ১০ থেকে ৫০ কিলোমিটার উচ্চতায় বিস্তৃত। এই স্তরে সূর্য থেকে আসা অতিবেগুনী (UV) রশ্মি শোষিত হয় ওজোন দ্বারা, ফলে ওজোন স্তর গরম হয় এবং UV রশ্মি প্রতিরোধ করে পৃথিবীতে আসা ক্ষতিকারক বিকিরণ কমায়। ট্রপোমণ্ডলে ওজোনের পরিমাণ তুলনামূলকভাবে কম এবং মেসোমণ্ডল ও তাপমণ্ডলে ওজোন খুবই কমমাত্রায় থাকে। স্ট্রাটোমণ্ডলে ওজোনের ঘনত্বের এই বিশেষ বৃদ্ধি পৃথিবীর জীববৈচিত্র্য রক্ষা ও আবহাওয়া স্থিতিশীল রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। তাই ওজোন স্তর মূলত স্ট্রাটোমণ্ডলেই সর্বাধিক।

• স্ট্রাটোমণ্ডল (Stratosphere):
- বায়ুমণ্ডলের দ্বিতীয় স্তর স্ট্রাটোমণ্ডল।
- ট্রপোবিরতির উপরের দিকে প্রায় ৫০ কিলোমিটার পর্যন্ত স্ট্রাটোমণ্ডল নামে পরিচিত।
- স্ট্রাটোমণ্ডল ও মেসোমণ্ডলের মধ্যবর্তী অঞ্চলে তাপমাত্রার স্থিতাবস্থাকে স্ট্রাটোবিরতি (Stratopause) বলে।

• স্ট্রাটোমণ্ডলের বৈশিষ্ট্য (Characteristics of the Stratosphere):
- বায়ুমণ্ডলের এই স্তরেই ওজোন (O3) গ্যাসের স্তর বেশি পরিমাণে আছে।
- এ ওজোন স্তর সূর্যের আলোর বেশিরভাগ অতিবেগুনি রশ্মি (Ultraviolate rays) শুষে নেয়। ধীরে ধীরে তাপমাত্রা ৪° সেলিসিয়াস পর্যন্ত বৃদ্ধি পায় ৷
- এই স্তরের বায়ুতে অতি সূক্ষ্ম ধূলিকণা ছাড়া কোনোরকম জলীয়বাষ্প থাকে না। ফলে আবহাওয়া থাকে শান্ত ও শুষ্ক।
- ঝড়বৃষ্টি থাকে না বলেই এই স্তরের মধ্য দিয়ে সাধারণত জেট বিমানগুলো চলাচল করে ।
- প্রায় ৫০ কিলোমিটার উচ্চতায় তাপমাত্রা পুনরায় হ্রাস পেতে শুরু করে। এটি স্ট্রাটোমণ্ডলের শেষ প্রান্ত নির্ধারণ করে।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।

১৩.
কুমিল্লা থেকে বগুড়ায় বিদ্যুৎ ট্রান্সমিশনের জন্য কোন ধরনের ট্রান্সফর্মার ব্যবহার করা হয়?
  1. স্টেপ-ডাউন ট্রানফরমার
  2. তাড়িত চৌম্বক ট্রান্সফরমার
  3. আধুনিক ট্রান্সফরমার
  4. স্টেপ-আপ ট্রান্সফরমার
সঠিক উত্তর:
স্টেপ-আপ ট্রান্সফরমার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্টেপ-আপ ট্রান্সফরমার
ব্যাখ্যা

• কুমিল্লা থেকে বগুড়ায় বিদ্যুৎ পরিবহন সাধারণত উচ্চ ভোল্টেজে করা হয় যাতে বিদ্যুৎ পরিবহনের সময় শক্তির ক্ষতি কমানো যায়। এজন্য বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্র থেকে লোড সেন্টারের দিকে বিদ্যুৎ পাঠানোর আগে ভোল্টেজকে বৃদ্ধি করতে হয়। এই ক্ষেত্রে স্টেপ-আপ ট্রান্সফরমার ব্যবহার করা হয়। স্টেপ-আপ ট্রান্সফরমার ইনপুট ভোল্টেজকে আউটপুটে উচ্চ ভোল্টেজে রূপান্তরিত করে, যার ফলে লম্বা দূরত্বে বিদ্যুৎ পরিবহনের সময় লাইন রোধজনিত শক্তি ক্ষতি অনেক কম হয়। এরপর গন্তব্যে পৌঁছালে ভোল্টেজকে ব্যবহার উপযোগী মাত্রায় নামানোর জন্য স্টেপ-ডাউন ট্রান্সফরমার ব্যবহার করা হয়। সুতরাং কুমিল্লা থেকে বগুড়ায় বিদ্যুৎ পরিবহনের জন্য প্রধানত স্টেপ-আপ ট্রান্সফরমার ব্যবহৃত হয়।
 
ট্রান্সফর্মার:
- যে যন্ত্রের সাহায্যে পরিবর্তী উচ্চ বিভবকে নিম্ন বিভবে এবং নিম্ন বিভবকে উচ্চ বিভবে রুপান্তর করা হয়, তাকে ট্রান্সফর্মার বলে।
- তড়িৎ চৌম্বক আবেশ এর উপর ভিত্তি করে এই যন্ত্র তৈরি করা হয়।

ট্রান্সফর্মার দুই প্রকার:
১. স্টেপ আপ ট্রান্সফর্মার এবং
২. স্টেপ ডাউন ট্রান্সফর্মার।

• স্টেপ আপ ট্রান্সফর্মার:
- যে ট্রান্সফরমারের প্রাইমারি কয়েলের তুলনায় সেকেন্ডারি কয়েলের প্যাঁচসংখ্যা বেশি হয় এবং সে কারনে প্রাইমারি কয়েলে প্রয়োগ করা এসি ভোল্টেজ সেকেন্ডারি কয়েলে বেড়ে যায় তাকে স্টেপ আপ ট্রান্সফরমার বলে।
- বিদ্যুৎ পরিবহনের জন্য এই ধরনের ট্রান্সফরমার ব্যবহার করা হয়।

• স্টেপ ডাউন ট্রান্সফর্মার:
- যে ট্রান্সফর্মার অধিক বিভবের অল্প তড়িৎপ্রবাহকে অল্প বিভবের অধিক তড়িৎ প্রবাহে রূপান্তরিত করে তাকে অবরোহী বা স্টেপ ডাউন ট্রান্সফর্মার বলে।
অর্থাৎ, স্টেপ-ডাউন ট্রান্সফর্মারের সাহায্যে বিদ্যুতের উচ্চতর ভোল্ট থেকে নিম্নতর ভোল্ট পাওয়া যায়।
- বাসা বাড়িতে বিদ্যুৎ সরবরাহ করতে স্টেপ ডাউন ট্রান্সফর্মার ব্যবহৃত হয়।

উৎস: নবম-দশম শ্রেণি পদার্থ বিজ্ঞান বই।

১৪.
আইনস্টাইনের স্পেশাল রিলেটিভিটি থিওরির স্বীকার্যের সংখ্যা কত?
  1. একটি
  2. দুইটি
  3. তিনটি
  4. চারটি
সঠিক উত্তর:
দুইটি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দুইটি
ব্যাখ্যা

• আইনস্টাইনের স্পেশাল রিলেটিভিটি থিওরি দুটি প্রধান স্বীকার্যের উপর নির্ভর করে। প্রথমটি হলো লাইটের গতির ধ্রুবকতা, অর্থাৎ শূন্য স্থানেও আলো সর্বদা একই গতিতে (প্রায় ২.৯৯৭৯ × ১০ মি/সেকেন্ড) প্রবাহিত হয়, পর্যবেক্ষকের গতির উপর নির্ভর করে না। দ্বিতীয়টি হলো সাপেক্ষিকতার নীতি, যার অর্থ প্রাকৃতিক আইন সব অবজারভারদের জন্য একই, তারা স্থির থাকুক বা সমান গতিতে চলুক। এই দুটি মূল ধারণা স্পেশাল রিলেটিভিটি থিওরির ভিত্তি গঠন করে এবং এর ফলশ্রুতিতে সময়ের সম্প্রসারণ, দৈর্ঘ্য সংকোচন, ভর-শক্তির সমীকরণ ইত্যাদি গুরুত্বপূর্ণ ফলাফল উদ্ভূত হয়। অতএব, সঠিক উত্তর হলো খ) দুইটি।

বিশেষ আপেক্ষিক তত্ত্ব: 
- বিশেষ আপেক্ষিক তত্ত্ব মূলত স্থির জড় প্রসঙ্গ কাঠামোর সাপেক্ষে সমবেগে গতিশীল জড় প্রসঙ্গ কাঠামোর কোনো ঘটনা বা কোনো ভৌত রাশির পরিমাপ সংক্রান্ত আলোচনা। 
- ভর, সময়, দৈর্ঘ্য, বেগ ও শক্তির আপেক্ষিকতা ইত্যাদি বিশেষ আপেক্ষিক তত্ত্বের অন্তর্ভুক্ত। 

বিশেষ আপেক্ষিক তত্ত্বের স্বীকার্য: 
- আইনস্টাইনের বিশেষ আপেক্ষিক তত্ত্ব দুটি মৌলিক স্বীকার্যের উপর প্রতিষ্ঠিত। 
- ১৯০৫ সালে আইনস্টাইন বিশেষ আপেক্ষিক তত্ত্বের এই দুইটি স্বীকার্য প্রদান করেন। 

যথা - 
১। প্রথম স্বীকার্য: 
- স্থির বা গতিশীল সকল জড় প্রসঙ্গ কাঠামোতে পদার্থবিজ্ঞানের মৌলিক সূত্রসমূহ অপরিবর্তিত থাকে। 

২। দ্বিতীয় স্বীকার্য: 
- শূন্য মাধ্যমে আলোর বেগ সকল জড় প্রসঙ্গ কাঠামোর পর্যবেক্ষকের জন্য একই এবং তা আলোর উৎস বা পর্যবেক্ষকের গতির উপর নির্ভরশীল নয়। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১৫.
নিজের নাম ব্যবহার করে অন্যের লেখা প্রকাশ করা হলে কী বলা হয়?
  1. স্ফুফিং
  2. স্প্যামিং
  3. প্লেজিয়ারিজম
  4. ফিশিং
সঠিক উত্তর:
প্লেজিয়ারিজম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্লেজিয়ারিজম
ব্যাখ্যা

• নিজের নাম ব্যবহার করে অন্যের লেখা প্রকাশ করা হলে তাকে প্লেজিয়ারিজম (Plagiarism) বলা হয়। এটি এক ধরনের বৌদ্ধিক সম্পদ চুরি, যেখানে লেখক নিজের নয়, অন্য কারও লেখা, গবেষণা বা ধারণা নিজের নাম ব্যবহার করে উপস্থাপন করে। প্লেজিয়ারিজমের ফলে লেখকের খ্যাতি ও বিশ্বাসযোগ্যতা ক্ষতিগ্রস্ত হয় এবং এটি এক ধরনের অনৈতিক কার্যক্রম হিসেবে গণ্য হয়। শিক্ষার্থী, গবেষক বা পেশাদার কেউ যদি অন্যের লেখা নিজের হিসাবে প্রকাশ করে, তা শিক্ষাগত ও আইনগত সমস্যার কারণ হতে পারে। তাই লেখার উৎস উল্লেখ করা এবং যথাযথভাবে কোটেশন ব্যবহার করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

- উত্তর: গ) প্লেজিয়ারিজম। 

 • সাইবার ক্রাইম:
- ইন্টারনেট ব্যবহার করে যে অপরাধসমূহ সংঘটিত হয় তাকে সাইবার অপরাধ বা সাইবার ক্রাইম বলে।
- ইংল্যান্ড বিশ্বে প্রথম সাইবার আইন প্রণেতা হিসেবে তৈরি করে "কম্পিউটার মিসইউজ অ্যাক্ট ১৯৯০"।
- ইংল্যান্ডে জাতীয় ই-অপরাধ ইউনিট গঠন করা হয় ২০০৮ সালে।
- বাংলাদেশে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন বাতিল করে ২০২৩ সালে সাইবার নিরাপত্তা আইন তৈরি করা হয়।
- ভারতে তথ্যপ্রযুক্তি আইন তৈরি করা হয় ২০০০ সালে।
- উল্লেখযোগ্য কিছু সাইবার অপরাধ হলো- হ্যাকিং, স্প্যামিং, স্ফুফিং, ফিশিং (Phishing), ভিশিং, স্নিকিং, প্লেজিয়ারিজম (Plagiarism) প্রভৃতি।

• প্লেজিয়ারিজম (Plagiarism):
- অন্যের লেখা চুরি করে নিজের নামে প্রকাশ করাকে প্লেজিয়ারিজম বলে।
- কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের কোনো সাহিত্য, গবেষণা বা সম্পাদনা কর্ম হুবহু নকল বা আংশিক পরিবর্তন করে নিজের নামে প্রকাশ করাই প্লেজিয়ারিজম।
- তথ্য প্রযুক্তির ক্ষেত্রে প্লেজিয়ারিজমের প্রচলন লক্ষ্য করা যায়।
- বিশেষ করে অন্যের ধ্যান-ধারণা, গবেষণা, কৌশল, প্রোগ্রামিং কোড, গ্রাফিক্স, লেখা, ডেটা, ছবি, গান ইত্যাদির উৎস অনেক ক্ষেত্রেই উল্লেখ না করে নিজের নামে চালিয়ে দেয়া হয়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি (প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান)।

১৬.
কোন প্রোটোকল ই-মেইল ট্রান্সমিশনের জন্য ব্যবহৃত হয়?
  1. SMTP
  2. IMAP
  3. TCP/IP
  4. POP3
সঠিক উত্তর:
SMTP
উত্তর
সঠিক উত্তর:
SMTP
ব্যাখ্যা

• ই-মেইল ট্রান্সমিশনের জন্য SMTP (Simple Mail Transfer Protocol) ব্যবহৃত হয়। এটি একটি নেটওয়ার্ক প্রোটোকল যা ই-মেইল সার্ভারগুলোর মধ্যে ই-মেইল পাঠানোর কাজ করে। যখন একজন ব্যবহারকারী ই-মেইল লিখে পাঠান, তখন SMTP সার্ভার ই-মেইলটিকে প্রাপকের সার্ভারের কাছে ট্রান্সমিট করে। অন্যদিকে, IMAP এবং POP3 মূলত ই-মেইল গ্রহণের জন্য ব্যবহৃত হয়। IMAP ব্যবহারকারীর মেইলবক্স সার্ভারে রেখে ই-মেইল অ্যাক্সেস করতে দেয়, আর POP3 ই-মেইলগুলো লোকাল ডিভাইসে ডাউনলোড করে সংরক্ষণ করে। TCP/IP হলো ইন্টারনেটের মূল কমিউনিকেশন প্রোটোকল, যা ই-মেইলসহ সব ধরনের ডেটা আদান-প্রদানের জন্য ব্যবহৃত হয়, কিন্তু এটি সরাসরি ই-মেইল ট্রান্সমিশনের জন্য প্রোটোকল নয়। সুতরাং, ই-মেইল পাঠানোর জন্য সঠিক উত্তর হলো SMTP.
 
 • SMTP:
- SMTP এর পূর্ণরূপ হলো Simple Mail Transfer Protocol.
- যে সকল মেইল বাইরে পাঠানো হয় সেগুলো কেউ বহির্মুখী বা আউটগোয়িং মেইল বলা হয়।
- আউটগোয়িং মেইল পাঠানোর জন্য এই প্রটোকল ব্যবহার করা হয়।
- SMTP প্রোটোকল ব্যবহার করে ই-মেইল ক্লায়েন্ট থেকে আউটগোয়িং সার্ভারে এবং পরবর্তীতে সেই সার্ভার থেকে প্রাপকের সার্ভারে ই-মেইল পাঠানো হয়।
- SMTP প্রোটোকল পোর্ট 25 এর মাধ্যমে সংযোগ করা হয়।

• অন্যান্য অপশনসমূহ:
- IMAP:
- এটি এমন একটি প্রোটোকল যা ই-মেইল সার্ভারে থাকা অবস্থাতেই ই-মেইল দেখতে ও পরিচালনা করতে সহায়তা করে। এটি একই অ্যাকাউন্ট একাধিক ডিভাইসে ব্যবহারের জন্য সুবিধাজনক।

- TCP/IP:
- কোনো একক প্রোটোকল নয়, বরং প্রোটোকলের একটি সেট যা ইন্টারনেটের মূল কাঠামো তৈরি করে। এটি ডেটা আদান-প্রদানকে সহজ করে, তবে এটি সরাসরি ই-মেইল পাঠানোর জন্য ব্যবহৃত হয় না।

- POP3:
- একটি প্রোটোকল যা ই-মেইল সার্ভার থেকে বার্তা ডাউনলোড করে ডিভাইসে সংরক্ষণ করে। একবার ডাউনলোড হয়ে গেলে এটি সাধারণত সার্ভার থেকে বার্তাটি মুছে ফেলে।

উৎস:
১। মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২। ব্রিটানিকা।

১৭.
কোন কোম্পানি ক্লাউড কম্পিউটিং পরিষেবা প্রদান শুরু করেছিল?
  1. ব্লু অরিজিন
  2. ইন্টেল
  3. মাইক্রোসফট
  4. অ্যামাজন
সঠিক উত্তর:
অ্যামাজন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অ্যামাজন
ব্যাখ্যা

• ক্লাউড কম্পিউটিং পরিষেবার ধারণা প্রথম সাফল্যের সঙ্গে বাস্তবায়ন করে অ্যামাজন। ২০০৬ সালে অ্যামাজন তাদের “অ্যামাজন ওয়েব সার্ভিসেস (AWS)” শুরু করে, যা ব্যবহারকারীদের ইন্টারনেটের মাধ্যমে সার্ভার, স্টোরেজ, ডাটাবেস এবং অন্যান্য কম্পিউটিং সম্পদ ভাড়া দেওয়ার সুযোগ প্রদান করে। এর মাধ্যমে ছোট এবং বড় প্রতিষ্ঠানগুলো নিজেদের আইটি অবকাঠামো পরিচালনার পরিবর্তে প্রয়োজন অনুযায়ী ক্লাউড থেকে সম্পদ ব্যবহার করতে পারে, যা খরচ ও সময় দুইভাবেই সাশ্রয়ী। অন্য প্রতিষ্ঠান যেমন মাইক্রোসফট ও ইন্টেল পরে এই সেবায় প্রবেশ করে, কিন্তু ক্লাউড কম্পিউটিং পরিষেবার বাজারে প্রথম ধাক্কা এবং জনপ্রিয়তা অর্জন করেছে অ্যামাজন।

- সঠিক উত্তর: ঘ) অ্যামাজন। 

• ক্লাউড কম্পিউটিং:
- কম্পিউটার রিসোর্স ব্যবহার করে কম্পিউটার নেটওয়ার্কের মাধ্যমে কোনো সার্ভিস বা সেবা প্রদান করাকে ক্লাউড কম্পিউটিং বলে।
- ১৯৬০ সালে জন ম্যাকর্থি সর্বপ্রথম ক্লাউড কম্পিউটিং সম্পর্কে ধারণা দেন।
- ২০০৫ সাল থেকে আমাজন ডট কম ইলাস্টিক কম্পিউট ক্লাউড বা EC2 ব্যবহার শুরু করে।
- ২০০৬ সালে আমাজন ওয়েব সার্ভিস সর্বপ্রথম বাণিজ্যিকভাবে ক্লাউড কম্পিউটিং এর ব্যবহার শুরু করে।

- মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অফ স্ট্যান্ডার্ড এন্ড টেস্টিং (NIST) অনুসারে ক্লাউড কম্পিউটিং এর ৩টি বৈশিষ্ট্য থাকবে। যথা-
১. Resource Flexibility/Scalability: ক্রেতা যত চাইবে, সেবাদাতা ততই অধিক পরিমাণে সেবা দিতে পারবে।
২. On Demand: ক্রেতা যখন চাইবে, তখনই সেবা দিতে পারবে। ক্রেতা যখন খুশি তার ইচ্ছায় তার চাহিদা বাড়াতে বা কমাতে পারবে।
৩. Pay as you go: ক্রেতাকে আগে থেকে কোনো সার্ভিস রিজার্ভ করতে হবে না। ক্রেতা যা ব্যবহার করবে, কেবলমাত্র তার জন্যই পেমেন্ট দিতে হবে।

• ক্লাউড কম্পিউটিং সার্ভিস মডেল: 
- ক্লাউড কম্পিউটিংয়ের প্রধান সার্ভিস মডেল সেবার ধরণ অনুসারে ক্লাউড কম্পিউটিংকে তিন ভাগে ভাগ করা যায়। 

যথা- 
১. অবকাঠামোগত সেবা (Infrastructure as a services-IaaS): 
- ব্যবহারকারী তার প্রয়োজনীয় অপারেটিং সিস্টেম ও সফটওয়্যার চালানোর জন্য ক্লাউড সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠান তাদের নেটওয়ার্ক, সিপিইউ, স্টোরেজ ও অন্যান্য মৌলিক কম্পিউটিং রিসোর্স ভাড়া দেয়। 

২. প্ল্যাটফর্মভিত্তিক সেবা (Platform as a services-PaaS): 
- ক্লাউড সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠানের প্রয়োজনীয় হার্ডওয়্যার, অপারেটিং সিস্টেম, ওয়েব সার্ভার, ডেটাবেজ, প্রোগ্রাম এক্সিউশন পরিবেশ ইত্যাদি থাকে। এ্যাপ্লিকেশন ডেভেলপারগণ তাদের তৈরি করা সফটওয়্যার এই প্ল্যাটফর্মে ভাড়ায় চালাতে পারেন। 

৩. সফটওয়্যার সেবা (Software/application as a services-SaaS): 
- ক্লাউড সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠানের তৈরিকৃত এ্যাপ্লিকেশন সফ্টওয়্যার ব্যবহারকারীগণ ইন্টারনেটের মাধ্যমে চালাতে পারেন। 

উৎস:
১) তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।
২) তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১৮.
কোন প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানের জন্য ‘Big Blue’ নামটি ব্যবহৃত হয়?
  1. IBM
  2. Yahoo
  3. Intel
  4. Microsoft
সঠিক উত্তর:
IBM
উত্তর
সঠিক উত্তর:
IBM
ব্যাখ্যা

• ‘Big Blue’ নামটি প্রযুক্তি জগতে আইবিএম বা IBM কোম্পানির জন্য ব্যবহৃত হয়। IBM দীর্ঘদিন ধরে কম্পিউটার হার্ডওয়্যার, সফটওয়্যার, ক্লাউড সার্ভিস এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা খাতে নেতৃত্ব দিয়ে আসছে। এই সংস্থার নামের সাথে ‘Big Blue’ উপাধি জড়িয়ে যাওয়ার প্রধান কারণ হলো তাদের লোগোতে ব্যবহার করা নীল রঙ এবং কোম্পানির কর্পোরেট ভাবমূর্তির গুরুত্ব। ১৯৩০-এর দশক থেকে IBM বড় বড় মেইনফ্রেম কম্পিউটার তৈরি করে এবং আন্তর্জাতিক মানের প্রযুক্তিগত সেবা প্রদান করে আসছে। তাই প্রযুক্তি, উদ্ভাবন এবং বিশ্বস্ততার প্রতীক হিসেবে IBM-কে ‘Big Blue’ হিসেবে সম্বোধন করা হয়।

- সঠিক উত্তর: ক) IBM.

আইবিএম:
- IBM একটি আমেরিকান বহুজাতিক প্রযুক্তি কোম্পানি।
- IBM এর পূর্ণরূপ হচ্ছে International Business Machines Corporation.
- আইবিএম কোম্পানিকে বিগ ব্লু নামে ডাকা হয়।
- IBM এর প্রতিষ্ঠাতা হলেন চার্লস র‍্যানলেট ফ্লিন্ট।
- এটি ১৯১১ সালের ১৬ জুন প্রতিষ্ঠিত হয়।
- এটি শুরুতে কম্পিউটিং-ট্যাবুলেটিং-রেকর্ডিং কোম্পানি হিসেবে যাত্রা শুরু করে।
- পরে ১৯২৪ সালে নাম দেওয়া হয় 'ইন্টারন্যাশনাল বিজনেস মেশিনস'।
- IBM এর সদরদপ্তর আরমংক, নিউইয়র্ক, যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থিত।
- IBM এর বর্তমান লোগোটি ১৯৭২ সাল থেকে ব্যবহার করা হচ্ছে।
- আইবিএম কোম্পানির তৈরি প্রথম কম্পিউটারের নাম মেইনফ্রেম কম্পিউটার।

উৎস: আইবিএম অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।

১৯.
নিম্নলিখিত মেমোরিগুলোর মধ্যে কোনটি সবচেয়ে দ্রুত এক্সেস করা যায়?
  1. Main Memory (RAM)
  2. Register
  3. Cache Memory
  4. Virtual Memory
সঠিক উত্তর:
Register
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Register
ব্যাখ্যা

• সবচেয়ে দ্রুত এক্সেসযোগ্য মেমোরি হলো Register। Register হলো প্রসেসরের অভ্যন্তরে থাকা ছোট, অতি-দ্রুত মেমোরি যা সরাসরি CPU দ্বারা ব্যবহার করা হয়। এটি সাধারণত অল্প সংখ্যক ডেটা বা ইনস্ট্রাকশন সংরক্ষণ করে এবং Nano-সেকেন্ডেরও কম সময়ে অ্যাক্সেস করা যায়। Cache Memory কিছুটা ধীরে, কিন্তু RAM-এর তুলনায় দ্রুত। Main Memory বা RAM মূলত প্রোগ্রাম এবং ডেটা সংরক্ষণ করে, কিন্তু এটি প্রসেসরের তুলনায় অনেক ধীর। Virtual Memory আসলে হার্ড ড্রাইভের অংশ ব্যবহার করে RAM সম্প্রসারণ করে, তাই সবচেয়ে ধীর। তাই গতি অনুযায়ী ক্রম হলো: Register > Cache Memory > RAM > Virtual Memory.

• রেজিস্টার (Register):
- মূলত মাইক্রোপ্রসেসরের অস্থায়ী মেমরি রেজিস্টার হিসেবে কাজ করে।
- রেজিস্টার তৈরি হয় ফ্লিপ- ফ্লপের সাহায্যে।
- এগুলোর কাজ করার ক্ষমতা অত্যন্ত দ্রুত।
- মাইক্রোপ্রসেসরের কার্যাবলি সম্পাদানের জন্য এর অভ্যন্তরে বিভিন্ন ধরনের রেজিস্টার ব্যবহৃত হয়। যেমন: অ্যাকুমুলেটর, ইনস্ট্রাকশন রেজিস্টার, প্রোগ্রাম কাউন্টার ইত্যাদি।

• মেমরির ধারণক্ষমতা, দাম ও গতির ক্রম:

- পিরামিডের শীর্ষে অবস্থান করা রেজিস্টারের ধারণক্ষমতা কম হলেও এর গতি যেমন সবচেয়ে বেশি, খরচও তেমনি সবচেয়ে বেশি।
- আবার পিরামিডের একদম পাদদেশে অবস্থিত অপটিক্যাল ডিস্কের ধারণক্ষমতা বেশি হলেও গতি কম এবং দামও তুলনামূলক কম।

এছাড়াও,
- RAM এবং ROM হলো কম্পিউটারের প্রধান মেমোরি।
- RAM হলো অস্থায়ী মেমোরি বা ভোলাটাইল মেমোরি এবং ROM স্থায়ী মেমোরি বা নন-ভোলাটাইল মেমোরি।
- অসংখ্য ফ্লপি ডিস্কের ক্ষমতা সম্পন্ন ডিস্কই হলো হার্ড ডিস্ক।
- হার্ড ডিস্ককে একটি কম্পিউটারের তথ্য ভান্ডার বলা যায়।
- সাধারণত কম্পিউটারের ভিতরে স্থায়ীভাবে হার্ড ডিস্ক বসিয়ে রেখে কাজ করতে হয়।


উৎস:
১. মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২. ব্রিটানিকা।
৩. কম্পিউটার শিক্ষা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

২০.
কোনটি কম্পিউটারে ইনপুট সরঞ্জাম নয়?
  1. প্রিন্টার
  2. মাউস
  3. ওয়েবক্যাম
  4. কোনোটিই নয়
সঠিক উত্তর:
প্রিন্টার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রিন্টার
ব্যাখ্যা

• কম্পিউটারে ইনপুট সরঞ্জাম হলো এমন যন্ত্র যা ব্যবহারকারী থেকে ডেটা বা তথ্য গ্রহণ করে কম্পিউটারে প্রেরণ করে। যেমন, মাউস ব্যবহার করে আমরা কম্পিউটারের স্ক্রিনে কার্সর নিয়ন্ত্রণ করি এবং বিভিন্ন কমান্ড প্রদান করি। ওয়েবক্যাম ব্যবহার করে ছবি বা ভিডিও ক্যাপচার করে কম্পিউটারে ইনপুট হিসেবে পাঠানো যায়। অন্যদিকে, প্রিন্টার হলো আউটপুট ডিভাইস, যা কম্পিউটার থেকে তথ্য গ্রহণ করে কাগজে প্রিন্ট আকারে প্রদান করে। তাই প্রিন্টার কোনো ইনপুট সরঞ্জাম নয়। সঠিক উত্তর হবে: ক) প্রিন্টার।

• ইনপুট ডিভাইস:
- কম্পিউটার বিভিন্ন ধরনের হার্ডওয়্যারের বা ডিভাইসের মাধ্যমে ব্যবহারকারীর কাছ থেকে কিংবা বিভিন্ন পরিবেশ থেকে প্রক্রিয়ারণে বিভিন্ন ধরনের ডাটা গ্রহন করে। কম্পিউটার প্রক্রিয়ারণের কাজে ডাটা প্রদানে নিয়োজিত হার্ডওয়্যার সমূহই হলো ইনপুট ডিভাইস। কম্পিউটার সিস্টেমে বিভিন্ন ধরনের ইনপুট ডিভাইস ব্যবহৃত হয়। 

- তার মধ্যে কমন ইনপুট ডিভাইসসমূহ হলো-
১. কি-বোর্ড  
২. মাউস  
৩. ট্যাকবল 
৪. জয়স্টিক 
৫. বার কোড রিডার   
৬. পয়েন্ট অফ সেল
৭. ওএমআর
৮. স্ক্যানার 
৯. ডিজিটাইজার 
১০. লাইটপেন ইত্যাদি।

• আউটপুট ডিভাইস:
- কম্পিউটারের ফলাফল প্রদর্শনের বা প্রদানের কাজে বিভিন্ন ধরনের হার্ডওয়্যার জড়িত থাকে। এ সকল হার্ডওয়্যার আউটপুট ডিভাইস নামে পরিচিত।

- উল্লেখযোগ্য আউটপুট হার্ডওয়্যার সমূহ হলো:
১. মনিটর 
২. প্রিন্টার 
৩. প্লটার  
৪. স্পিকার 
৫. মাল্টিমিডিয়া প্রজেক্টর 
৬. ইমেজ সেটার 
৭. ফিল্ম রেকর্ডার 
৮. হেড ফোন  ইত্যাদি।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

২১.
ভার্চুয়াল রিয়েলিটি কোন প্রযুক্তিগত বা বৈজ্ঞানিক ভিত্তিতে তৈরি?
  1. অ্যানিমেশন ও মেকানিক্স
  2. কম্পিউটার প্রযুক্তি ও ক্লাউড স্টোরেজ
  3. কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ও ন্যানো প্রযুক্তি
  4. কম্পিউটার প্রযুক্তি ও সিমুলেশন তত্ত্ব
সঠিক উত্তর:
কম্পিউটার প্রযুক্তি ও সিমুলেশন তত্ত্ব
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কম্পিউটার প্রযুক্তি ও সিমুলেশন তত্ত্ব
ব্যাখ্যা

• ভার্চুয়াল রিয়েলিটি (VR) মূলত কম্পিউটার প্রযুক্তি ও সিমুলেশন তত্ত্বের উপর ভিত্তি করে তৈরি। এটি ব্যবহারকারীর অনুভূতি, দৃষ্টি ও শ্রবণকে নিয়ন্ত্রণ করে একটি কল্পিত বা সিমুলেটেড পরিবেশ তৈরি করে, যেন ব্যবহারকারী মনে করে যে সে সেই পরিবেশের অংশ। VR হেডসেট, সেন্সর ও স্পেশিয়াল ট্র্যাকিং ডিভাইস ব্যবহার করে ব্যবহারকারীর অবস্থান এবং গতিবিধি সনাক্ত করে, যা কম্পিউটার প্রযুক্তির মাধ্যমে সিমুলেটেড গ্রাফিক্সে রূপান্তরিত হয়। সিমুলেশন তত্ত্ব ব্যবহার করে বাস্তব পৃথিবীর গতিবিধি ও আচরণের মডেল তৈরি করা হয়, যা ভার্চুয়াল জগতে বাস্তবসম্মত অভিজ্ঞতা প্রদান করে।
- তাই সঠিক উত্তর হলো ঘ) কম্পিউটার প্রযুক্তি ও সিমুলেশন তত্ত্ব।

• ভার্চুয়াল রিয়েলিটি (VR):
ভার্চুয়াল রিয়েলিটি (VR) হলো কম্পিউটার প্রযুক্তি ও সিমুলেশন তত্ত্বের ওপর ভিত্তি করে নির্মিত একটি কল্পনাপ্রসূত পরিবেশ, যা ব্যবহারকারীর কাছে বাস্তব মনে হয়।

• প্রযুক্তির ব্যবহার:
- ত্রিমাত্রিক (3D) ইমেজ তৈরি করে।
- ব্যবহারকারী যেন সেই পরিবেশে আছেন এমন অনুভূতি দেয়।

• ব্যবহৃত সফটওয়্যার:
- Vizard,
- VRToolKit,
- 3D Studio Max,
- Maya.

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি: একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি মাহবুবুর রহমান।