পরীক্ষা আর্কাইভ

১৪০ দিনে ৫১তম বিসিএস প্রস্তুতি

পরীক্ষা১৪০ দিনে ৫১তম বিসিএস প্রস্তুতিতারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়18 minutes
মোট প্রশ্ন২৪
সিলেবাস
বিষয় - বাংলাদেশ বিষয়াবলি টপিক - বাংলাদেশের অর্থনীতি ১. উন্নয়ন পরিকল্পনা প্রেক্ষিত ও পঞ্চবার্ষিকী, জাতীয় আয়-ব্যয়, রাজস্ব নীতি ও বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি, দারিদ্র্য বিমোচন ইত্যাদি। ২. অর্থনৈতিক সমীক্ষা, বাজেট, কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ, আমদানি-রপ্তানি রিপোর্ট। এবং বিষয় - কম্পিউটার ও তথ্য প্রযুক্তি টপিক - কম্পিউটার ১. কম্পিউটার পেরিফেরালস: ইনপুট, আউটপুট ও স্টোরেজ ডিভাইসসমূহ - কি-বোর্ড, মাউস, ওসিআর (OCR) ইত্যাদি। ২. কম্পিউটারের অঙ্গ-সংগঠন: সিপিইউ, হার্ড ডিস্ক, ALU, BIOS, পাওয়ার সিস্টেম ইত্যাদি। ৩. কম্পিউটারের পারঙ্গমতা ও দৈনন্দিন জীবনে কম্পিউটারের ব্যবহার: কৃষি, যোগাযোগ, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, খেলাধুলা ইত্যাদি। ৪. কম্পিউটারের সংখ্যা পদ্ধতি ও কোড, ডিজিটাল লজিক ইত্যাদি। ------------------------------ নির্দেশনা: ১. এই রুটিনে সারাবছর জুড়ে পরীক্ষা চলমান থাকে। আজ বা যেকোন সময় পরীক্ষা শুরু করা হলেও নির্দিষ্ট সময়ে পুরো সিলেবাস সম্পন্ন হবে। ২. এই পরীক্ষাটি "Award Mania: Season - 9” এর জন্য প্রযোজ্য ।
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

১৪০ দিনে ৫১তম বিসিএস প্রস্তুতি

১৪০ দিনে ৫১তম বিসিএস প্রস্তুতি · তারিখ অনির্ধারিত · ২৪ প্রশ্ন

.
অষ্টম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা মেয়াদকাল কত?
  1. জুন ২০২০-জুলাই ২০২৫
  2. জুলাই ২০২০-জুন ২০২৫
  3. জুন ২০২১-জুলাই ২০২৫
  4. জুলাই ২০২১-জুন ২০২৬
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশ মোট আটটি পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে।

এগুলো হল:
(১) প্রথম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা (১৯৭৩-৭৮)
(২) দ্বিবার্ষিক পরিকল্পনা (১৯৭৮-৮০)
(৩) দ্বিতীয় পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা (১৯৮০-৮৫)
(৪) তৃতীয় পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা (১৯৮৫-৯০)
(৫) চতুর্থ পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা (১৯৯০-৯৫)
(৬) পঞ্চম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা (১৯৯৭-২০০২)
(৭) ষষ্ঠ পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা (২০১১-২০১৫)
(৮) সপ্তম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা (২০১৬-২০২০)
(৯) অষ্টম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা (জুলাই ২০২০-জুন ২০২৫): অষ্টম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদ (এনইসি) কর্তৃক ২৯ ডিসেম্বর ২০২০ তারিখে অনুমোদিত হয়।

উৎস: অর্থনীতি দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
বাংলাদেশ পরিকল্পনা কমিশন ওয়েবসাইট।
.
কাঁচামালের মূল্য ও উৎপাদিত পণ্যের বিক্রয় মূল্যের পার্থক্যের উপর কোন কর ধার্য করা হয়?
  1. আমদানি শুল্ক
  2. মুল্য সংযোজন কর
  3. আবগারি শুল্ক
  4. সম্পূরক শুল্ক
ব্যাখ্যা
মুল্য সংযোজন কর:
- কাঁচামালের মূল্য ও উৎপাদিত পণ্যের বিক্রয় মূল্যের পার্থক্যের উপর মুল্য সংযোজন কর ধার্য করা হয়।
- এটি এক ধরনের পরোক্ষ কর। 

আয় ও মুনাফা কর:
- আয়কর ও মুনাফা হল প্রত্যক্ষ কর।
- ব্যক্তির আয়ের উপর আয়কর ও কোম্পানীর মুনাফার উপর মুনাফা কর আরোপ করা হয়। 

আমদানি শুল্ক:
- আমদানির উপর আরোপিত করকে আমদানি শুল্ক বলে।
- এটি একটি পরোক্ষ কর। 

আবগারি শুল্ক:
- দেশের অভ্যন্তরে উৎপাদিত দ্রব্যের উপর এই কর ধার্য করা হয়। 

সম্পূরক শুল্ক:
- আমদানি শুল্ক, আবগারি কর ও মুল্য সংযোজন কর আরোপ করার পরও যে অতিরিক্ত কর আরোপ করা হয় তাকে সম্পূরক শুল্ক বলে। 

উৎস: অর্থনীতি, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
২০২৪-২৫ অর্থবছরের বাজেটে বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচিতে ব্যয় কত ধরা হয়েছে?
  1. ২,২২,০৬৩ কোটি টাকা
  2. ২,৮১,৪৫৩ কোটি টাকা
  3. ২,৬৫,০০০ কোটি টাকা
  4. ১৭,২৬১ কোটি টাকা
ব্যাখ্যা
- ভর্তুকি, প্রণোদনা ও চলতি স্থানান্তরে খরচ ২,২২,০৬৩ কোটি টাকা।
- বাজেটে উন্নয়ন ব্যয় ধরা হয়েছে ২,৮১,৪৫৩ কোটি টাকা।
- বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসুচিতে ব্যয় ২,৬৫,০০০ কোটি টাকা।
- কৃষি খাতে ভর্তুকির পরিমাণ ১৭,২৬১ কোটি টাকা। 

উৎস: জাতীয় বাজেট (২০২৪-২৫)
.
সার্বিকভাবে জিডিপি কতটি খাত নিয়ে গঠিত?
  1. ১৫টি খাত
  2. ১৭টি খাত
  3. ১৯টি খাত
  4. ২৪টি খাত
ব্যাখ্যা
অর্থনীতি/জিডিপিতে খাত অনুযায়ী অবদান:
- সার্বিকভাবে জিডিপি ১৯টি খাত নিয়ে গঠিত
- এ ১৯টি খাতের মধ্যে ৬টি খাত আবার উপখাতে বিভক্ত।
- এই ১৯টি খাত ৩টি বৃহৎ খাতের অন্তর্ভুক্ত।
- বাংলাদেশের জিডিপি'কে উৎপাদনের ভিত্তিতে ৩টি বৃহৎ খাতে বিভক্ত করা হয়েছে।
যথা – কৃষিখাত, শিল্পখাত ও সেবাখাত।
- অর্থনীতি/জিডিপিতে কৃষিখাতের অবদান = ১১.০২%
- অর্থনীতি/জিডিপিতে শিল্পখাতের অবদান = ৩৭.৯৫%
- অর্থনীতি/জিডিপিতে সেবাখাতের অবদান= ৫১.০৮%

উৎস: অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪
.
অষ্টম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনায় ২০২৫ সালের মধ্যে দারিদ্র্যের হার কত শতাংশে নামিয়ে আনতে লক্ষ্যমাত্রা স্থির করা হয়েছে?
  1. ১৫.৬ শতাংশে
  2. ১১ শতাংশে
  3. ১৮.৭ শতাংশে
  4. ৫.৬ শতাংশে
ব্যাখ্যা
- ২০২৫ সালের মধ্যে দারিদ্র্যের হার ১৫.৬ শতাংশে নামিয়ে আনতে অষ্টম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনায় (২০২০-২০২৫) লক্ষ্যমাত্রা স্থির করা হয়েছে।
- ২০২৮ সালের মধ্যে দারিদ্র্যের হার ১১ শতাংশে, ২০৩১ সালের মধ্যে চরম দারিদ্র্যের অবসান এবং
- ২০৪১ সাল নাগাদ দারিদ্র্যের হার ৩ শতাংশে নামিয়ে আনার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে।
- ২০১৬-২০২২ মেয়াদে জাতীয় পর্যায়ে আয় দারিদ্র্য ৫.৬ পার্সেন্টেজ পয়েন্টস হ্রাস পেয়েছে (২৪.৩% থেকে ১৮.৭%)।

এছাড়া, 
'খানা আয় ও ব্যয় জরিপ ২০২২' অনুযায়ী:
- দেশে বর্তমানে দারিদ্র্যের হার ১৮.৭ শতাংশ 
- অতি দারিদ্র্যের হার ৫.৬ শতাংশ।

উৎস: বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪
.
বাংলাদেশে কোন ধান সবচেয়ে বেশি জমিতে আবাদ করা হয়?
  1. আউশ
  2. আমন
  3. বোরো
  4. ইরি
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশে আমন ধান সবচেয়ে বেশি জমিতে আবাদ করা হয়।

আমন ধান চাষ হয়: ১,৪১,৪৩,২৮৬ একরে
 
আউশ ধান চাষ হয়: ২৬,২২,৪০৪ একরে
বোরো ধান চাষ হয়: ১,১৯,৮৯,১৭৪ একরে

উৎস: কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৩
.
অষ্টম পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনায় জাতীয় পর্যায়ে কর্মসংস্থান সৃষ্টির লক্ষ্য কত ধরা হয়েছে?
  1. ৮১ লক্ষ ৮০ হাজার
  2. ১৮ লক্ষ ৮০ হাজার
  3. ৮ লক্ষ ৮০ হাজার
  4. ৮০ লক্ষ ৮০ হাজার
ব্যাখ্যা
অষ্টম পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনা:
- অষ্টম পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনার মধ্য দিয়ে বাংলাদেশের দীর্ঘমেয়াদী উন্নয়ন পরিকল্পনা “ব-দ্বীপ পরিকল্পনা - ২১০০” বাস্তবায়ন শুরু হয়েছে।
- ভিশন-২০৪১ বাস্তবায়নে ৫টি পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনার প্রথমটি হচ্ছে ৮ম পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনা।
- বাংলাদেশ ইতেমধ্যে নিম্ন মধ্যম আয়ের মর্যাদা অর্জন করেছে। 
- ৮ম পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনার মাধ্যমে ২০২৪ সালের মধ্যে এলডিসি থেকে উত্তরণ ও এসডিসি বাস্তবায়নের জন্য সহায়ক হবে। 
- অষ্টম পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনায় আগামী ৫ বছরে সর্বমোট ১১.৩৩ মিলিয়ন বা ১ কোটি ১৩ লক্ষ ৩০ হাজার কর্মসংস্থান সৃষ্টি হবে।
- জাতীয় পর্যায়ে মোট কর্মসংস্থান সৃষ্টি হবে - ৮.০৮ মিলিয়ন বা ৮০ লক্ষ ৮০ হাজার।
- প্রবাসী বা বৈদেশিক কর্মসংস্থান হবে - ৩.২৫ মিলিয়ন বা ৩২ লক্ষ ৫০ হাজার।

উৎস: অষ্টম পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনা।
.
অষ্টম পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনা মেয়াদান্তে জাতীয় সঞ্চয়ের হার জিডিপির কত শতাংশ হবে?
  1. ৩০.১১ শতাংশ
  2. ৩২.২২ শতাংশ
  3. ৩৪.৪২ শতাংশ
  4. ৩৬.৫৯ শতাংশ
ব্যাখ্যা
- অষ্টম পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনা মেয়াদান্তে জাতীয় সঞ্চয়ের হার হবে জিডিপির - ৩৪.৪২%
- বর্তমান সঞ্চয়ের হার জিডিপির ৩০.১১%

- অষ্টম পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনা মেয়াদান্তে স্থূল বিনিয়োগের হার জিডিপির - ৩৬.৫৯%
- অষ্টম পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনা মেয়াদান্তে দারিদ্র্যের হার হবে উচ্চমাত্রা - ১৫.৬% এবং নিম্নমাত্রা - ৭.৪%

উৎস: অষ্টম পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনা
.
প্রথম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা চালু করেন?
  1. কার্ল মার্ক্স
  2. ভ্লাদিমির লেনিন
  3. জোসেফ স্ট্যালিন
  4. ম্যাক্স ওয়েবার
ব্যাখ্যা
পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনার ধারণা:
- আধুনিক অর্থনৈতিক ব্যবস্থায় পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনার ধারণা এসেছে মূলত সোভিয়েত ইউনিয়ন থেকে।
- সোভিয়েত নেতা জোসেফ স্ট্যালিন ১৯২৮ সালে প্রথম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা চালু করেন।
- এটি শিল্পোন্নয়ন এবং কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধির লক্ষ্যে তৈরি করা হয়েছিল।
- পরে এই ধারণা বিভিন্ন দেশে যেমন ভারত ও চীন অবলম্বন করে।

উৎস: Britannica.
১০.
দারিদ্র্য বিমোচনে পল্লী দারিদ্র্য বিমোচন ফাউন্ডেশন (পিডিবিএফ) প্রদান করে থাকে -
  1. ক্ষুদ্র ঋণ
  2. ক্ষুদ্র উদ্যোক্তা ঋণ
  3. ব্যাংক ঋণ
  4. ক ও খ উভয়ই
ব্যাখ্যা
পল্লী দারিদ্র্য বিমোচন ফাউন্ডেশন (পিডিবিএফ):  
- ১৯৯৯ সালের নভেম্বর মাসে জাতীয় সংসদে গৃহীত আইনের মাধ্যমে “পল্লী দারিদ্র্য বিমোচন ফাউন্ডেশন (পিডিবিএফ)” প্রতিষ্ঠা  করা হয়।
- পিডিবিএফ একটি সংবিদিবদ্ধ, স্ব-শাসিত, অমুনাফাকাঙ্ক্ষী, আত্মনির্ভরশীল, নন-ব্যাংকিং আর্থিক প্রতিষ্ঠান।
- পিডিবিএফ ক্ষুদ্র ঋণ এর পাশাপাশি ক্ষুদ্র উদ্যোক্তা ঋণ (SELP) পরিচালনা করে যাতে করে গ্রামীন বঞ্চিত মানুষের আর্থসামাজিক অবস্থার উন্নতি হয়।

উৎস: পল্লী দারিদ্র্য বিমোচন ফাউন্ডেশন ওয়েবসাইট। 
১১.
অর্থনৈতিক সমীক্ষা – ২০২৪ অনুসারে, বর্তমানে বিনিয়োগের হার কত শতাংশ?
  1. ২৮.৯৮%
  2. ২৯.৯৮%
  3. ৩০.৯৮%
  4. ৩১.৯৮%
ব্যাখ্যা
অর্থনৈতিক সমীক্ষা – ২০২৪ অনুসারে,
- বিনিয়োগের হার ৩০.৯৮%
- এর মধ্যে সরকারি – ৭.৪৭%
- বেসরকারি – ২৩.৫১%

অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪:
- বাংলাদেশের মোট জনসংখ্যা: ১৭১ মিলিয়ন।
- জনসংখ্যা বৃদ্ধির স্বাভাবিক হার: ১.৩৩%।
- গড় আয়ু: ৭২.৩ বছর।
- মাথাপিছু জাতীয় আয়: ২,৭৮৪ মার্কিন ডলার।
- মাথাপিছু জিডিপি: ২,৬৭৫ মার্কিন ডলার।

উৎস: অর্থনৈতিক সমীক্ষা – ২০২৪
১২.
অর্থনৈতিক সমীক্ষা – ২০২৪ অনুসারে, সেবাখাতে কতভাগ শ্রমশক্তি নিয়োজিত রয়েছে?
  1. ১৭ ভাগ
  2. ৪০ ভাগ
  3. ৩৮ ভাগ
  4. ৪৫ ভাগ
ব্যাখ্যা
- সেবাখাতে ৩৮ ভাগ শ্রমশক্তি নিয়োজিত রয়েছে।
- শিল্পখাতে ১৭ ভাগ শ্রমশক্তি নিয়োজিত রয়েছে।
- কৃষিখাতে ৪৫ ভাগ শ্রমশক্তি নিয়োজিত রয়েছে।

- সেবাখাতের জিডিপিতে অবদান ৫১.০৪%
- শিল্পখাতের জিডিপিতে অবদান ৩৭.৯৫% 
- কৃষিখাতের জিডিপিতে অবদান ১১.০২% 

- সেবাখাতের প্রবৃদ্ধির হার ৫.৮০%
- শিল্পখাতের প্রবৃদ্ধির হার ৬.৬৬% 
- কৃষিখাতের প্রবৃদ্ধির হার ৩.২১% 

উৎস: অর্থনৈতিক সমীক্ষা – ২০২৪
১৩.
MICR-এর 'R' দ্বারা কী প্রকাশ করা হয়?
  1. Recognition
  2. Routing
  3. Render
  4. Recording
ব্যাখ্যা
• MICR:
- MICR এর পূর্ণরূপ হচ্ছে Magnetic Ink Character Recognition/Reader.
- MICR চেক ব্যাংক লেনদেনের জন্য নিরাপদ এবং সময় সাশ্রয়ী।
- MICR এমন একটি প্রযুক্তি, যার মাধ্যমে চেকের বৈধতা যাচাই করা যায়।
- এতে চুম্বকীয় কালি ব্যবহার করা হয়।
- এই চেক স্ক্যান করার সময় এর চুম্বকীয় ডিজিট, কম্পিউটার নির্দিষ্ট সফটওয়্যারের মাধ্যমে পাঠ করে এবং ব্যবহারের জন্য সংরক্ষণ করে।

[সকল রিলায়েবল সোর্সেই MICR এর পূর্ণরূপ হিসাবে Magnetic Ink Character Recognition এর কথা বলা হয়েছে। তবে অপশনে Recognition না থেকে শুধুমাত্র Reader দেওয়া থাকলে উত্তর হিসাবে Magnetic Ink Character Reader সঠিক উত্তর বলে বিবেচিত হবে]।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।
১৪.
IPS এবং UPS-এর মধ্যে কোনটি দীর্ঘ সময় ব্যাকআপ দিতে সক্ষম?
  1. IPS
  2. UPS
  3. উভয়ই সমান সময় ব্যাকআপ দেয়
  4. কোনোটিই দীর্ঘ সময় ব্যাকআপ দিতে পারে না
ব্যাখ্যা
• আইপিএস:
- IPS-এর পূর্ণ অর্থ হলো Instant Power Supply.
- এটি মূলত পাওয়ার স্টোরেজ ডিভাইস হিসেবে কাজ করে।
- IPS বিদ্যুৎ সরবরাহের মেইন লাইন হতে পাওয়ার রিজার্ভ করে সঞ্চিত রাখে এবং বিদ্যুৎ বন্ধ হয়ে গেলে ব্যাকআপ প্রদান করে। এটি অনেকটা ইউপিএসের মতো। তবে UPS বিদ্যুৎ চলে যাওয়ার সাথে সাথে বিদ্যুৎ সরবরাহ দিতে পারে, সেখানে IPS 0.1 সেকেন্ড পরে স্বয়ংক্রিয়ভাবে বিদ্যুৎ সরবরাহ করে থাকে।
- UPS এর তুলনায় IPS বেশি সময় ব্যাকআপ দিয়ে থাকে।

• ইউপিএস:
- UPS -এর পূর্ণ অর্থ হচ্ছে Uninterrupted Power Supply.
- এটি এক ধরনের ইলেকট্রনিক যন্ত্র, যা কিছু সময়ের জন্য বিদ্যুৎ শক্তি সঞ্চয় করে রাখতে পারে।
- সাধারণত কোনো কারণে বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ হয়ে গেলে কিছু সময় এর জন্য কম্পিউটারকে সচল রাখার জন্য কম্পিউটারে ইউপিএস (UPS) ব্যবহার করা হয়।
- কম্পিউটার, প্রিন্টার, প্লটার, রেফ্রিজারেটর, টিভি ইত্যাদিতে UPS ব্যবহার করা যায়।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৫.
নিচের কোনটি সত্য?
  1. NOR Gate - মৌলিক লজিক গেইট
  2. XOR Gate - মৌলিক লজিক গেইট
  3. NOT Gate - সার্বজনীন লজিক গেইট
  4. OR Gate - মৌলিক লজিক গেইট
ব্যাখ্যা
• সার্বজনীন গেইট:
- যে গেইট এর সাহায্যে মৌলিক গেইটসহ (AND, OR, NOT) যেকোনো গেইট এবং যেকোনো সার্কিট বাস্তবায়ন করা যায় তাকে সার্বজনীন গেইট বলে।
- NAND ও NOR গেইটকে সার্বজনীন গেইট বলা হয়।
- কারণ, শুধুমাত্র NAND গেইট বা শুধুমাত্র NOR গেইট দিয়ে মৌলিক গেইটসহ যেকোনো লজিক গেইট বা সার্কিট বাস্তবায়ন করা যায়।

• মৌলিক লজিক গেইট:
- OR Gate,
- AND Gate,
- NOT Gate.

• সার্বজনীন লজিক গেইট:
- NAND Gate,
- NOR Gate.

• বিশেষ লজিক গেইট:
- XOR Gate,
- XNOR Gate.

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ- দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
১৬.
হার্ড ডিস্কের ম্যাগনেটিক মিডিয়া কীভাবে ডেটা সংরক্ষণ করে?
  1. লেজার রশ্মি ব্যবহার করে
  2. বৈদ্যুতিক চার্জের মাধ্যমে
  3. আলোক রশ্মি ব্যবহার করে
  4. চৌম্বকীয় ক্ষেত্রের মাধ্যমে
ব্যাখ্যা
• হার্ড ডিস্ক:
- হার্ড ডিস্ক ডেটা সংরক্ষণ করার জন্য ম্যাগনেটিক মিডিয়া ব্যবহার করে।
- অসংখ্য ফ্লপি ডিস্কের ক্ষমতা সম্পন্ন ডিস্কই হল হার্ড ডিস্ক।
- হার্ড ডিস্ককে একটি কম্পিউটারের তথ্য ভান্ডার বলা হয়।
- সাধারণত কম্পিউটারের ভিতরে স্থায়ীভাবে হার্ড ডিস্ক বসিয়ে রেখে কাজ করতে হয়।
- হার্ডডিস্ক এর প্রতিটি সেক্টরের ধারণ ক্ষমতা ৫১২ বাইট।
- হার্ড ডিস্ক প্রথম ব্যবহার হয়, IBM কোম্পানী ১৯৫৬ সালে মেইনফ্রেম বা মিনি কম্পিউটারের ডাটা সংরক্ষণের জন্য সর্বপ্রথম হার্ড ডিস্ক ব্যবহার হয়।
- তবে তখনকার সময়ে হার্ড ডিস্ক এর আকৃতি বা ধরণ ছিল বর্তমানের হার্ড ডিস্ক এর আকৃতির তুলনামুলকভাবে অনেক বেশি বড়।
- ১৯৮০ সালে ১ গিগাবাইট তথ্য ধারণ ক্ষমতা সম্পন্ন হার্ডডিস্কের আকার ছিল একটি বড়সর রেফ্রিজারেটর বা ফ্রিজের সমান এবং দাম ও ছিল তুলনামুলক অনেক বেশি।

উৎস:
১. ব্রিটানিকা।
২. কম্পিউটার শিক্ষা, এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
১৭.
হেক্সাডেসিমেলে 4D এর সমতুল্য দশমিক মান কত?
  1. 67
  2. 77
  3. 87
  4. 97
ব্যাখ্যা
• হেক্সাডেসিমেল থেকে দশমিক সংখ্যায় রূপান্তর:
- হেক্সাডেসিমেল থেকে দশমিক সংখ্যায় রূপান্তর করার সময় প্রত্যেক অংককে ১৬ দ্বারা গুণ করতে হবে।
- গুণ করার সময় স্থানীয় মান অনুযায়ী 16 এর ঘাত 0 হতে বাড়তে থাকবে।
- যেমন: একক স্থানীয় অংকটিকে 160 দ্বারা, দশক স্থানীয় অংকটিকে 161 দ্বারা, শতক স্থানীয় অংকটিকে 162 দ্বারা এভাবে গুণ করতে হবে।
- হেক্সাডেসিমেল সংখ্যাটির A, B, C, D, E ও F হলো যথাক্রমে 10, 11, 12, 13, 14 ও 15 দিয়ে গুণ করতে হবে।
- প্রাপ্ত গুণফলকে যোগ করলে উক্ত হেক্সাডেসিমেল সংখ্যাটির সমতুল্য দশমিক মান পাওয়ার যাবে।

এখানে,
(4D)16
= (4 × 161) + (13 × 160)
= (4 × 16) + (13 × 1)
= (77)10

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৮.
মনিটর সম্পর্কিত কোন বৈশিষ্ট্যটি হার্টজ এককে মাপা হয়?
  1. রেজ্যুলেশন
  2. স্পীড
  3. রিফ্রেশ রেট
  4. সাইজ
ব্যাখ্যা
- রিফ্রেশ রেট হলো পিক্সেলের উজ্জ্বলতা ঠিক রাখার জন্য প্রতি সেকেন্ডে পিক্সেলগুলো কতবার রিচার্জ হয় তার সংখ্যা।
- Refresh Rate যত বেশি হবে ইমেজ স্ক্রীনে তত বেশি দৃঢ় দেখাবে।
- Refresh Rate কে হার্টজ এককে প্রকাশ করা হয়।
- সাধারণভাবে মাউসের রাইট বাটন ক্লিক করে রিফ্রেশ করা হয়।
- এছাড়া কী F5 বোর্ডেরে বোতাম চেপে রিফ্রেশ করা যায়।

উৎস: Intel. [Link]
১৯.
মাউস প্রথম কখন এবং কোন উদ্দেশ্যে তৈরি করা হয়েছিল?
  1. ১৯৬৪ সালে, কম্পিউটারের গতি বৃদ্ধি করার জন্য
  2. ১৯৬৪ সালে, সহজে এবং দ্রুত বিভিন্ন প্রোগ্রাম নিয়ন্ত্রণ করার জন্য
  3. ১৯৭০ সালে, কম্পিউটার সিস্টেমের রক্ষণাবেক্ষণের জন্য
  4. ১৯৭০ সালে, কম্পিউটারের স্ক্রীন প্রদর্শন উন্নত করার জন্য
ব্যাখ্যা
• মাউস:
- ১৯৬৪ সালে প্রথম মাউস তৈরি করা হয় সহজে এবং দ্রুত বিভিন্ন প্রোগ্রাম নিয়ন্ত্রণ করার জন্য।
- আমেরিকান উদ্ভাবক ডগলাস এঙ্গেলবার্ট মাউস আবিষ্কার করেন।
- বর্তমানে মাউস হচ্ছে বহুল ব্যবহৃত ইনপুট যন্ত্র।
- মাউস হাত দিয়ে নিয়ন্ত্রিত একটি পয়েন্টিং ডিভাইস।
- সাধারণত কম্পিউটারকে নির্দেশনা দেবার জন্য দুই অথবা তিনটি বোতামে সমন্বিত ইনপুট ডিভাইসটিকে মাউস নামে অভিহিত করা হয়।
- মাউস বিভিন্ন পোর্টের মাধ্যমে কম্পিউটারে সরাসরি যুক্ত।
- এটি কি-বোর্ডের নির্দেশ প্রদান ছাড়াই একটি কম্পিউটার নিয়ন্ত্রণ করতে পারে।
- বিভিন্ন মেন্যুর ওপর মাউস পয়েন্টার নিয়ে এটির বাম পাশের বোতামটি চাপলে উক্ত মেন্যু সচল হয়।
- ডান পাশের বোতামটি বিশেষ ক্ষেত্রে প্রয়োজন হয়।
- সাধারণত Graphical User Interface অপারেটিং সিস্টেমে ফাইল ব্যবস্থা থেকে শুরু করে সকল কাজেই মাউসের সাহায্যে করা হয়।
- এছাড়া ওয়ার্ড প্রসেসিংয়ের কাজ একই কার্সর কি দিয়ে করা গেলেও মাউসের সাহায্যে দ্রুত করা যায়।

উৎস:
১. ব্রিটানিকা।
২. মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২০.
যদি ন্যান্ড গেইটের ইনপুটসমূহ একই ধরনের হয় সেক্ষেত্রে ন্যান্ড গেইট কোন গেইটের মত কাজ করবে?
  1. অ্যান্ড গেইট
  2. অর গেইট
  3. নট গেইট
  4. সবগুলোই সঠিক
ব্যাখ্যা
• ন্যান্ড গেইট (NAND Gate):
- ন্যান্ড (NAND) গেইট হচ্ছে অ্যান্ড গেইট ও নট গেইটের সমন্বিত রূপ।
- অ্যান্ড গেইটের আউটপুটকে নট গেইটের মধ্য দিয়ে প্রবাহিত করলে তখন তাকে বলা হয় ন্যান্ড গেইট।
- অ্যান্ড গেইট যে কাজ করে ন্যান্ড গেইট তার বিপরীত কাজ করে।

যদি দুটি ইনপুট 1 হয়, তাহলে ন্যান্ড গেইটের আউটপুট হবে 0 (যেমন নট গেইটের আউটপুট)।
যদি দুটি ইনপুট 0 হয়, তাহলে ন্যান্ড গেইটের আউটপুট হবে 1, যা নট গেইটের আচরণের সাথে মেলে।

• নট গেইটের ক্ষেত্রে:

- যদি ন্যান্ড গেইটের ইনপুটসমূহ একই ধরনের হয় সেক্ষেত্রে ন্যান্ড গেইট নট গেইটের মত কাজ করবে


• অ্যান্ড গেইটের ক্ষেত্রে:
- চিত্রে দুটি ন্যান্ড গেইটের ইনপুট A ও B এমনভাবে ব্যবহার করা হয়েছে যাতে আউটপুট AB হয়।
- অর্থাৎ, ন্যান্ড গেইট দিয়ে অ্যান্ড গেইটের কাজ করা হয়েছে।


• অর গেইট:
- তিনটি ন্যান্ড গেইট দিয়ে অর গেইটের বাস্তবায়ন করা যায়। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২১.
অক্টাল সংখ্যা 164 এর ডেসিমেল মান কত?
  1. 108
  2. 116
  3. 124
  4. 104
ব্যাখ্যা
• (164)8 এর ডেসিমেল নাম্বার 116.

• অক্টাল সংখ্যা (Octal Number):
- অক্টাল সংখ্যা পদ্ধতির বেজ বা ভিত্তি হচ্ছে ৮।
- এই পদ্ধতিতে 0, 1, 2, 3, 4, 5, 6 এবং 7 এই ৮টি মৌলিক অংক ব্যবহৃত হয়।
- উদাহরণ: (১০১)৮, (৭৩১)৮ ইত্যাদি।

এখানে,
(164)8
= (1 × 8²) + (6 × 8¹) + (4 × 8⁰)
= 64 + 48 + 4
= 116

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (মাহবুবুর রহমান), একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
২২.
নিচের কোনটি মডিফায়ার কী?
  1. Home
  2. Insert
  3. Alt
  4. F1
ব্যাখ্যা
• কী-বোর্ড:
- কম্পিউটারে বিভিন্ন তথ্য বা নির্দেশনা প্রদান, প্রচলিত ভাষায় বর্ণ, অংক বা বিশেষ চিহ্ন প্রদান করার অন্যতম মাধ্যম হিসেবে কী-বোর্ড ব্যবহৃত হয়।
- বর্তমানে কী-বোর্ডের মাল্টিমিডিয়া, উইন্ডোজ ও ওয়েব কী-গুলো ব্যবহার করে কম্পিউটারকে সরাসরি মাল্টিমিডিয়া, উইন্ডোজ ও ওয়েব ব্রাউজিং সম্পর্কে নির্দেশ প্রদান করা যায়।
- সাধারণত দুই ধরনের কী-বোর্ড পাওয়া যায়। যথা: ১. স্ট্যান্ডার্ড কী-বোর্ড ও ২. এনহ্যান্সড কী-বোর্ড।
- কী-বোর্ডে ৯৪-১০০টি কী থাকে।

• ফাংশন কী:
- কী-বোর্ডের বাম পাশের ওপরের সন্নিবেশিত F1, F2, .... F12 নম্বরযুক্ত কীগুলোকে ফাংশন কী বলা হয়।

• নেভিগেশন কী:
- কী-বোর্ডের Delete, Insert, Home, End, Page Up, Page Down, Arrow Keys সমূহ নেভিগেশন কী নামে পরিচিত। নেভিগেশন কী ১০টি রয়েছে।

• মডিফায়ার কী:
- Ctrl, Alt, the Windows logo key.

• নিউম্যারিক কী:
- নাম্বার 0 থেকে 9, Arithmetic operators: + (addition), - (subtraction), * (multiplication), and / (division) ইত্যাদি।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় এবং Microsoft website.
২৩.
হার্ড ডিস্কের সাথে মাদারবোর্ডের সংযোগের জন্য কোন ইন্টারফেস ব্যবহৃত হয়?
  1. SATA
  2. USB
  3. HDMI
  4. VGA
ব্যাখ্যা
SATA হলো হার্ড ডিস্কের সাথে মাদারবোর্ডের সংযোগের জন্য ব্যবহৃত একটি ইন্টারফেস। HDMI ভিডিও ও অডিও সিগনাল প্রেরণের জন্য, VGA মনিটরের সাথে সংযোগের জন্য, USB বাহ্যিক ডিভাইস সংযোগের জন্য ব্যবহৃত হয়।

• হার্ড ডিস্ক:
- হার্ড ডিস্ক ডেটা সংরক্ষণ করার জন্য ম্যাগনেটিক মিডিয়া ব্যবহার করে।
- অসংখ্য ফ্লপি ডিস্কের ক্ষমতা সম্পন্ন ডিস্কই হল হার্ড ডিস্ক।
- হার্ড ডিস্ককে একটি কম্পিউটারের তথ্য ভান্ডার বলা হয়।
- সাধারণত কম্পিউটারের ভিতরে স্থায়ীভাবে হার্ড ডিস্ক বসিয়ে রেখে কাজ করতে হয়।
- হার্ডডিস্ক এর প্রতিটি সেক্টরের ধারণ ক্ষমতা ৫১২ বাইট।
- হার্ড ডিস্ক প্রথম ব্যবহার হয়, IBM কোম্পানী ১৯৫৬ সালে মেইনফ্রেম বা মিনি কম্পিউটারের ডাটা সংরক্ষণের জন্য সর্বপ্রথম হার্ড ডিস্ক ব্যবহার হয়।
- তবে তখনকার সময়ে হার্ড ডিস্ক এর আকৃতি বা ধরণ ছিল বর্তমানের হার্ড ডিস্ক এর আকৃতির তুলনামুলকভাবে অনেক বেশি বড়।
- ১৯৮০ সালে ১ গিগাবাইট তথ্য ধারণ ক্ষমতা সম্পন্ন হার্ডডিস্কের আকার ছিল একটি বড়সর রেফ্রিজারেটর বা ফ্রিজের সমান এবং দাম ও ছিল তুলনামুলক অনেক বেশি।

• সাটা (SATA):
- হার্ডডিস্ক ড্রাইভ সিরিয়াল আটা বা সাটার পুরো অর্থ হলো সিরিয়াল অ্যাডভান্স টেকনোলজি অ্যাটাচমেন্ট ড্রাইভ (SATA – Serial Advance Technology Attachment Drive)।
- SATA ড্রাইভগুলো সাধারণত ৭ পিনের হয়ে থাকে। এদের মধ্যে ডেটা প্রেরণ ও গ্রহণের জন্য ৪ পিন দুইটি জোড়ায় থাকে এবং বাকি ৩ পিন গ্রাউন্ডেড অবস্থায় থাকে।
- SATA ড্রাইভগুলো সাধারণত 300MB/sec ট্রান্সফার রেট প্রদান করে।
- SATA হার্ডডিস্কগুলোকে সংযুক্ত করার জন্য SATA ক্যাবল ব্যবহার করা হয়।
- একটি সাটা ক্যাবলে শুধু একটি ড্রাইভই সংযুক্ত করা যায়।

উৎস:
১. ব্রিটানিকা।
২. কম্পিউটার শিক্ষা, এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
২৪.
ইউনিকোড উদ্ভাবন করেন কোন দুই প্রতিষ্ঠানের প্রকৌশলীরা?
  1. Microsoft এবং Intel
  2. Apple এবং Xerox
  3. IBM এবং Dell
  4. Google এবং Adobe
ব্যাখ্যা
• ইউনিকোড:
- ১৯৯১ সালে Apple Computer Corporation এবং Xerox Corporation এর একদল প্রকৌশলী যৌথভাবে ইউনিকোড উদ্ভাবন করেন।
- বিশ্বের ছোট বড় সকল ভাষাকে কম্পিউটারে কোডভুক্ত করার জন্য ইউনিকোড ব্যবহৃত হয়।
- ইউনিকোড মূলত ২ বাইট বা ১৬ বিটের কোড।
- ফলে যে সমস্ত ভাষাকে কোডভুক্ত করার জন্য ৮ বিট অপর্যাপ্ত ছিল (যেমন-চায়নিজ, কোরিয়ান, জাপানীজ ইত্যাদি) সে সকল ভাষার সকল চিহ্নকে সহজেই কোডভুক্ত করা সহজতর হলো।
- শুরু থেকেই ইউনিকোডকে আরও উন্নত করার লক্ষ্যে Unicode Consortium কাজ করে যাচ্ছে।
- ইউনিকোড অ্যাসকি কোডের সাথে কম্প্যাটিবল।
- অর্থাৎ ইউনিকোডের প্রথম ২৫৬টি কোড অ্যাসকি ২৫৬টি কোডের অনুরূপ।
- এই কোডের মাধ্যমে ৬৫,৫৩৬টি অদ্বিতীয় চিহ্নকে নির্দিষ্ট করা যায়।

উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।
২. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।