পরীক্ষা আর্কাইভ

স্পেশাল বিসিএস (স্বাস্থ্য) - লং কোর্স

পরীক্ষাস্পেশাল বিসিএস (স্বাস্থ্য) - লং কোর্সতারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়14 minutes
মোট প্রশ্ন
সিলেবাস
টপিক: বাংলা সাহিত্যের আধুনিক যুগ। উৎস: ষষ্ঠ থেকে উচ্চ-মাধ্যমিক শ্রেণি পর্যন্ত বাংলা সাহিত্যপাঠ বোর্ড বই [NCTB ও উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়], যেকোনো একজন ভালো একাডেমিক লেখকের বই; বাংলাপিডিয়া; বাজারে প্রচলিত যেকোনো ভালো গাইড বই। [গাইড বই থেকে পড়ার ক্ষেত্রে কনফিউজিং বিষয়গুলো ক্রসচেক করে পড়া উত্তম।]
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

স্পেশাল বিসিএস (স্বাস্থ্য) - লং কোর্স

স্পেশাল বিসিএস (স্বাস্থ্য) - লং কোর্স · তারিখ অনির্ধারিত · প্রশ্ন

.
’একুশের কৃষ্ণচূড়া আমাদের চেতনারই রং’-এই চরণটি কোন কবিতার অন্তর্ভুক্ত?
  1. রক্তে আমার অনাদি অস্থি
  2. আমি কিংবদন্তির কথা বলছি
  3. ফেব্রুয়ারী ১৯৬৯
  4. একুশে ফেব্রুয়ারি
ব্যাখ্যা
• ’একুশের কৃষ্ণচূড়া আমাদের চেতনারই রং’-এই চরণটি কবি শামসুর রাহমানের 'ফেব্রুয়ারী ১৯৬৯' কবিতার অন্তর্ভুক্ত। 

'ফেব্রুয়ারী ১৯৬৯' কবিতা,
---------শামসুর রাহমান।   

আবার ফুটেছে দেখো কৃষ্ণচূড়া  থরে থরে শহরের পথে
কেমন নিবিড় হয়ে। কখনো মিছিলে কখনো বা
একা হেঁটে যেতে যেতে মনে হয় ওরা
শহিদের  ঝলকিত রক্তের  বুদ্বদ স্মৃতিগন্ধে ভরপুর।
একুশর কৃষ্ণচূড়া আমাদের চেতনারই রং।
এ রংয়ে র বিপরীত আছে অন্য রং,
যে রং লাগে না ভালো চোখে, যে রং সন্ত্রাস আনে
প্রাত্যহিকতায় আমাদের মনে সকাল-সন্ধ্যা
 এখন সে রঙে  গেছে পথ- ঘাট সারা দেশ
ঘাতকের অশুভ আস্তানা।

'ফেব্রুয়ারী ১৯৬৯’ কবিতা সম্পর্কিত আলোচনা: 
- 'ফেব্রুয়ারী ১৯৬৯’ কবিতাটি নেয়া হয়েছে কবি শামসুর রহমান এর ‘নিজ বাসভূমে’ কাব্যগ্রন্থ থেকে।
- এ কবিতার পটভূমি  পাকিস্তানি শাসকগোষ্ঠীর বিরুদ্ধে ১৯৬৯ এ সূচিত পূর্ববঙ্গের মানুষের গণ আন্দোলন। 
- ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলন বাঙালির পরবর্তী আন্দোলন সংগ্রামের প্রেরণা হিসেবে কাজ করেছে।
- ১৯৫২ তে ভাষা শহিদ সালামের রক্তে অর্জিত বাংলা ভাষাই ৬৯ সালের আন্দোলনে প্রতিবাদীদের মুখে ধ্বনিত হয়েছে।
- কবি দেখেছেন যে, ১৯৫২ সালের সংগ্রামের অর্জন ১৯৬৯ সালের আন্দোলনকে আরও বেগবান করেছে। 

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর, 'ফেব্রুয়ারী ১৯৬৯' কবিতা, উচ্চ মাধ্যমিক বাংলা সাহিত্য- উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
'পথের দাবী' উপন্যাসটির রচয়িতা-
  1. বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
  2. শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
  3. রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
  4. বুদ্ধদেব বসু
ব্যাখ্যা
• শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় রচিত রাজনৈতিক উপন্যাস হলো- 'পথের দাবী'।  

• শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়: 
- ১৮৭৬ সালের ১৫ সেপ্টেম্বর হুগলি জেলার দেবানন্দপুরে তিনি জন্মগ্রহণ করেন। 
- শরৎচন্দ্রের প্রথম উপন্যাস বড়দিদি (১৯০৭) ভারতী পত্রিকায় প্রকাশিত হয়।
- তাঁঁর প্রথম প্রকাশিত গল্পের নাম 'মন্দির'।
- তিনি 'মন্দির' গল্পের জন্য ১৯০৩ সালে কুন্তলীন সাহিত্য পুরষ্কার লাভ করেন। 
- শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় রচিত রাজনৈতিক উপন্যাস হলো 'পথের দাবী' যা ১৯২৬ সালে প্রকাশিত হয়। এটি ব্রিটিশ সরকার বাজেয়াপ্ত করেছিল।
---------------------------- 
• 'পথের দাবী' উপন্যাস সম্পর্কিত আলোচনা:  
-  এটি ১৯২৬ সালে প্রকাশিত হয়। 
- এটি ব্রিটিশ সরকার বাজেয়াপ্ত করেছিল।
- কাহিনীর পটভূমি ব্রহ্মদেশ। 
- এক গুপ্ত দলের নায়ক সব্যসাচী উপন্যাসের প্রধান চরিত্র। 
- কারো কারো মতে সব্যসাচী চরিত্রে বিপ্লবী রসবিহারীবসুর ছায়াপাত ঘটেছে।  
- উপন্যাসটি বিপ্লববাদীদের প্রতি সমর্থনের অভিযোগে ব্রিটিশ সরকার বাজেয়াপ্ত করে।
- ভারতীয় রাজনৈতিক আন্দোলনের ইতিহাসে এই গ্রন্থ বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ। 

• শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় রচিত উপন্যাস গুলো হল: 
- বড়দিদি,
- শ্রীকান্ত,
- গৃহদাহ,
- দেনা পাওনা
- চরিত্রহীন,
- পল্লীসমাজ,
- বৈকুণ্ঠের উইল,
- দেবদাস ইত্যাদি।

উৎস: বাংলাপিডিয়া, বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড: সৌমিত্র শেখর, বাংলাপিডিয়া। 
.
'আবার আসিব ফিরে ধানসঁড়িটির তীরে'- চরণটি কোন কবির রচনা?
  1. জসীমউদ্‌দীন
  2. শামসুর রাহমান
  3. জীবনানন্দ দাশ
  4. দ্বিজেন্দ্রলাল রায়
ব্যাখ্যা
‘আবার আসিব ফিরে’ কবিতাটির রচয়িতা জীবনানন্দ দাশ।
- ‘আবার আসিব ফিরে’ কবিতাটি ‘রূপসীবাংলা’ কাব্যগ্রন্থ থেকে নেয়া হয়েছে।
- ‘রূপসীবাংলা' কাব্যগ্রন্থটি ১৯৫৭ সালে প্রকাশিত হয়।
কবিতাটি নিম্নরূপ- 

"আবার আসিব ফিরে ধানসিড়িটির তীরে— এই বাংলায়
হয়তো মানুষ নয়— হয়তো বা শঙ্খচিল শালিকের বেশে,
হয়তো ভোরের কাক হ'য়ে এই কার্তিকের নবান্নের দেশে
কুয়াশার বুকে ভেসে একদিন আসিব কাঁঠাল ছায়ায়;
হয়তো বা হাঁস হবো— কিশোরীর— ঘুঙুর রহিবে লাল পায়,
সারাদিন কেটে যাবে কলমীর গন্ধভরা জলে ভেসে-ভেসে;
আবার আসিব আমি বাংলায় নদী মাঠ ক্ষেত ভালোবেসে
জলঙ্গীর ঢেউয়ে ভেজা বাংলার এ সবুজ করুণ ডাঙ্গায়;"
------------------------- 
•  জীবনানন্দ দাশ: 
- ১৮৯৯ সালের ১৭ ফেব্রুয়ারি বরিশালে জন্মগ্রহণ করেন। 
- জীবনানন্দ দাশকে ধূসরতার কবি বলা হয়।
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর জীবনানন্দ দাশের কবিতাকে চিত্ররূপময় কবিতা বলেছেন।

• জীবনানন্দ দাশ রচিত কাব্যগ্রন্থ:
- ঝরাপালক (প্রথম প্রকাশিত),
- ধূসর পান্ডুলিপি,
- বনলতা সেন,
- রূপসী বাংলা,
- মহাপৃথিবী,
- সাতটি তারার তিমির,
- বেলা অবেলা কালবেলা ইত্যাদি।

উৎস: 'আবার আসিব ফিরে' কবিতা, বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
.
'বেণের মেয়ে' উপন্যাসের রচয়িতা-
  1. তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
  2. আহমদ ছফা
  3. হরপ্রসাদ শাস্ত্রী
  4. জসীমউদ্‌দীন
ব্যাখ্যা
• 'বেণের মেয়ে' উপন্যাসের রচয়িতা- হরপ্রসাদ শাস্ত্রী।

• 'বেনের মেয়ে' উপন্যাস: 
- 'বেনের মেয়ে' উপন্যাসের রচয়িতা হরপ্রসাদ শাস্ত্রী। 
- এটি প্রকাশিত হয় ১৯১৯ খ্রিষ্টাব্দে। 
- এর চরিত্রগুলি প্রায় সবই কাল্পনিক কিন্তু এর পরিবেশ ঐতিহাসিক। 
- দশম-একাদশ শতাব্দীর বাংলাদেশ, বৌদ্ধধর্মের অবসান ও হিন্দুধর্মের পুনরুত্থানের কালে সপ্তগ্রামের এর বৌদ্ধ পরিবারকে নিয়ে কাহিনিটি রচিত হয়েছে। 
-------------------
• হরপ্রসাদ শাস্ত্রী:
- তিনি ছিলেন প্রাচ্যবিদ্যা বিশারদ এবং সংস্কৃতের পন্ডিত।
- হরপ্রসাদ ভট্টাচার্য (শাস্ত্রী)-র জন্ম ৬ ডিসেম্বর, ১৮৫৩ সালে নৈহাটি, পশ্চিমবঙ্গে। এ পরিবারের আদি নিবাস ছিল খুলনা জেলার কুমিরা গ্রামে।
- তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা ও সংস্কৃত বিভাগের প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান ছিলেন।
- তিনি বাংলা ভাষার প্রথমগ্রন্থ 'চর্যাপদ' নেপালের রাজদরবার গ্রন্থাগার থেকে উদ্ধার করেন। 
- তিনি ১৮৯৮-তে 'মহামহোপাধ্যায় এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃক ডি.লিট (১৯২৭) লাভ করেন।
- ১৯৩১ সালের ১৭ নভেম্বর তাঁর মৃত্যু হয়।

• তাঁর রচিত সাহিত্যকর্ম:
- বেণের মেয়ে (উপন্যাস),
- বাল্মীকির জয়,
- মেঘদূত,
- প্রাচীন বাংলার গৌরব।

উল্লেখ্য,
'বেদের মেয়ে' নাটকটির রচয়িতা পল্লিকবি জসীমউদ্‌দীন।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর। 
.
'সঞ্চয়ন' প্রবন্ধটির লেখক কে?
  1. বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
  2. কাজী মোতাহার হোসেন
  3. কাজী আবদুল ওদুদ
  4. আহমদ শরীফ
ব্যাখ্যা
• 'সঞ্চয়ন' প্রবন্ধটির রচয়িতা- 'কাজী মোতাহার হোসেন'।

• কাজী মোতাহের হোসেন: 
- ‘শিখা’ পত্রিকার মুখপত্র হিসেবে কাজ করেছেন। 
- তিনি ঢাকায় ‘মুসলিম সাহিত্য- সমাজ’ প্রতিষ্ঠায় অবদান রেখেছেন।
- জাতীয় অধ্যাপক মর্যাদায় ভূষিত হন ১৯৮৫ সালে। 
- 'বুদ্ধির মুক্তি আন্দোলন' এর সাথে যুক্ত ছিলেন কাজী মোতাহার হোসেন। 

তাঁর উলে­খযোগ্য প্রকাশনাসমূহ হচ্ছে:
- সঞ্চয়ন, 
- নজরুল কাব্য পরিচিতি, 
- সে পথ লক্ষ্য করে, 
- সিম্পোজিয়াম, 
- গণিত শাস্ত্রের ইতিহাস, 
- আলোক বিজ্ঞান।

অন্যদিকে,
- সঞ্চয়িতা - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের কাব্য সংকলন এবং
- সঞ্চিতা - কাজী নজরুল ইসলামের কাব্য সংকলনের নাম।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা- ড. সৌমিত্র শেখর এবং বাংলাপিডিয়া।
.
'সোনালী কাবিন' কাব্যগ্রন্থের রচয়িতা কে?
  1. নির্মলেন্দু গুণ
  2. সেলিনা হোসেন
  3. আল মাহমুদ
  4. সুফিয়া কামাল
ব্যাখ্যা
⇒ 'সোনালি কাবিন' কাব্যগ্রন্থ:
- 'সোনালী কাবিন' কাব্যগ্রন্থের রচিয়তা আল মাহমুদ।
- আল মাহমুদ প্রকাশিত শ্রেষ্ঠ কাব্য গ্রন্থ 'সোনালী কাবিন'
- সোনালী কাবিন কাব্য গ্রন্থটি ১৯৭৩ সালে প্রকাশিত হয়।
- এই গ্রন্থে বিভিন্ন শিরোনামের কবিতার সঙ্গে ‘সোনালি কাবিন’ নামে চৌদ্দটি সনেটের সমন্বয়ে একটি দীর্ঘ কবিতাও অন্তর্ভুক্ত আছে।  এটিকে একটি ক্ষুদ্র কাব্যগ্রন্থও বলা যেতে পারে।
-------------------------- 
⇒ আল মাহমুদ:
- কবি আল মাহমুদের প্রকৃত নাম মীর আবদুস শুকুর আল মাহমুদ।
- আল মাহমুদ ১৯৩৬ সালের ১১ জুলাই ব্রাহ্মণবাড়ীয়া জেলার মোড়াইল গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।
- ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধে অংশ নিয়েছেন প্রবাসী সরকারের দায়িত্ব পালনের মধ্য দিয়ে।

তাঁর উল্লেখযোগ্য গ্রন্থ:
- লোক লোকান্তর,
- কালের কলস, 
- মায়াবী পর্দা দুলে ওঠো ,
- আরব্য রজনীর রাজহাঁস,
- বখতিয়ারের ঘোড়া,
- অদৃশ্যবাদীদের রান্নাবান্না,
- দিনযাপন,
- দ্বিতীয় ভাঙ্গন,
- একটি পাখি লেজ ঝোলা,
- পাখির কাছে ফুলের কাছে ইত্যাদি। 

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর এবং বাংলাপিডিয়া।
.
কাজী নজরুল ইসলাম সম্পাদিত পত্রিকা নয় কোনটি?
  1. ধূমকেতু
  2. লাঙ্গল
  3. কল্লোল
  4. দৈনিক নবযুগ
ব্যাখ্যা
• 'কল্লোল' কাজী নজরুল ইসলামের সম্পাদিত পত্রিকা নয়। 
- 'কল্লোল' পত্রিকার সম্পাদক - দীনেশরঞ্জন দাশ। 

• কাজী নজরুল ইসলাম সম্পাদিত পত্রিকা: 
- 'ধূমকেতু' ১৯২২ সালে প্রকাশিত হয়।
- ‘লাঙ্গল’ (১৯২৫) পত্রিকার প্রধান পরিচালক ছিলেন কাজী নজরুল ইসলাম, এটি ১৯২৫ সালে প্রকাশিত হয়। 
- 'দৈনিক নবযুগ' পত্রিকাটি কাজী নজরুল ইসলাম কমরেড মুজাফ্‌ফর আহমদ এর সাথে যৌথভাবে সম্পাদনা করেন ।
--------------
• 'দৈনিক নবযুগ': 
- পত্রিকাটি কাজী নজরুল ইসলাম ও কমরেড মুজাফ্‌ফর আহমদ এর সাথে যৌথভাবে সম্পাদনা করেন। 
- দৈনিক নবযুগ পত্রিকা ১৯২০ সালের ১২ জুলাই প্রথম প্রকাশিত হয়।
- এটির মালিক ও পরিচালক ছিলেন শেরে বাংলা এ কে ফজলুল হক।
- জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম ও মুজাফফর আহমদ ছিলেন যুগ্ম সম্পাদক।
- পরে ১৯৪০ সালের অক্টোবর মাসে পত্রিকাটি পুনঃপ্রকাশিত হলে নজরুল এককভাবে এর সম্পাদক হন। 

কাজী নজরুল ইসলাম সম্পাদিত অন্যান্য পত্রিকা -
- 'ধূমকেতু' ১৯২২ সালে প্রকাশিত হয়।
- ‘লাঙ্গল’ (১৯২৫) পত্রিকার প্রধান পরিচালক ছিলেন কাজী নজরুল ইসলাম, এটি ১৯২৫ সালে প্রকাশিত হয়। 

তাছাড়া,
- দীনেশরঞ্জন দাশ সম্পাদিত পত্রিকা- 'কল্লোল' 

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
.
কায়কোবাদের 'মহাশ্মশান' কাব্যটি কোন বিষয়ের উপর ভিত্তি করে রচিত?
  1. আনন্দ-বিরহ, প্রেম- বেদনা ইত্যাদির প্রকাশ
  2. পানিপথের তৃতীয় যুদ্ধ
  3. সিপাহি-বিদ্রোহ নিয়ে
  4. পানিপথের প্রথম যুদ্ধ
ব্যাখ্যা
• কায়কোবাদের 'মহাশ্মশান' কাব্যটি পানিপথের তৃতীয় যুদ্ধের প্রেক্ষাপটে রচিত। 

'মহাশ্মশান' কাব্য: 
- কাব্যটি ধারাবাহিকভাবে মহম্মদ রওশন আলী সম্পাদিত' কোহিনূর' পত্রিকায় প্রকাশিত হয়।
 -পানিপথের তৃতীয় যুদ্ধ অবলম্বনে কাব্যটি রচিত।
- কাব্যের তিনটি খন্ড রচিত।
- মুনীর চৌধুরীর রক্তাক্ত প্রান্তরের কাহিনি-উৎস এই গ্রন্থ। 
- মহাশ্মশান কাব্যে মোট তিনটি খন্ড রয়েছে।
- প্রথম খন্ড ১৯ সর্গ, দ্বিতীয় খন্ড ২৪ সর্গ এবং তৃতীয় খন্ড ৭ সর্গে সমাপ্ত। 
- উল্লেখ্য, বাংলাপিডিয়ায়, কায়কোবাদ রচিত 'মহাশ্মশান' মহাকাব্যের প্রকাশকাল ১৯০৪ সাল দেয়া।

প্রধান চরিত্র: 
- এব্রাহিম কার্দি,
- জোহরা বেগম,
- হিরণ বালা,
- আতা খাঁ,
- লঙ্গ,
- রত্নজি,
- সুজাউদ্দৌলা,
- সেলিনা,
- আহমদ শাহ্ আব্দালী।
-------------------
কায়কোবাদ: 
- কায়কোবাদের প্রকৃত নাম: কাজেম আল কোরেশী।
- তাঁর প্রথম প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থ: বিরহ-বিলাপ। 
- বাঙালি মুসলমান কবিদের মধ্যে প্রথম মহাকাব্য রচয়িতা ।
- আধুনিক বাংলা সাহিত্যে প্রথম মুসলিম কবি। 

তাঁর অন্যান্য কাব্য:
- বিরহ-বিলাপ 
- অমিয়ধারা,
- অশ্রুমালা,
- কুসুমকানন,
- শিবমন্দির প্রভৃতি।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র ও শেখর, বাংলাপিডিয়া।