পরীক্ষা আর্কাইভ

ডেইলি কুইজ [২০০ দিন]

পরীক্ষাডেইলি কুইজ [২০০ দিন]তারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়07 minutes
মোট প্রশ্ন
সিলেবাস
ন্যাথানিয়েল ব্র্যাসি হ্যালহেড, নওয়াব ফয়জুন্নেসা, নবীনচন্দ্র সেন, নির্মলেন্দু গুণ, নুরুল মোমেন, নীলিমা ইব্রাহিম, প্রমথ চৌধুরী, প্রেমেন্দ্র মিত্র, প্যারীচাঁদ মিত্র, ফররুখ আহমদ, বদরুদ্দীন ওমর, বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়, বন্দে আলী মিয়া, বিজন ভট্টাচার্য, বিষ্ণু দে, বিহারীলাল চক্রবর্তী, বেগম রোকেয়া, মানোএল দা আস্‌সুম্পসাঁউ, মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়, মামুনুর রশিদ, মীর মশাররফ হোসেন, মুনীর চৌধুরী, ডক্টর মুহম্মদ শহীদুল্লাহ, মৃত্যুঞ্জয় বিদ্যালঙ্কার, মোতাহের হোসেন চৌধুরী, মোহাম্মদ নজিবর রহমান, মোহাম্মদ মোজাম্মেল হক। সোর্স: যেকোনো গাইড বই এবং সাথে যেকোনো একজন একাডেমিক ব্যক্তির বই।
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

ডেইলি কুইজ [২০০ দিন]

ডেইলি কুইজ [২০০ দিন] · তারিখ অনির্ধারিত · প্রশ্ন

.
মুসলিম নারী মুক্তি আন্দোলনের পথিকৃৎ ছিলেন কে?
  1. ক) নওয়াব ফয়জুন্নেসা
  2. খ) সুফিয়া কামাল
  3. গ) মিসেস আর এস হোসেন
  4. ঘ) জাহানারা ইমাম
ব্যাখ্যা
মুসলিম নারী মুক্তি আন্দোলনের পথিকৃৎ ছিলেন বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন। 
- তিনি প্রথমে মিসেস আর এস হোসেন নামে লিখতেন। 
- তিনি মূলত মুসলিম নারীজাগরনের অগ্রদূত হিসেবে পরিচিত ছিলেন। 
---------------------------------------
বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন(১৮৮০-১৯৩২)  
সাহিত্যিক, শিক্ষাব্রতী, সমাজসংস্কারক এবং নারী জাগরণ ও নারীর অধিকার আন্দোলনের অন্যতম পথিকৃৎ বেগম রোকেয়া ১৮৮০ সালের ৯ ডিসেম্বর রংপুর জেলার মিঠাপুকুর থানার অন্তর্গত পায়রাবন্দ ইউনিয়নে এক সম্ভ্রান্ত মুসলিম জমিদার পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন।
- ১৮৯৮ সালে রোকেয়ার বিয়ে হয় বিহারের ভাগলপুর নিবাসী উর্দুভাষী সৈয়দ সাখাওয়াৎ হোসেনের সঙ্গে। তিনি ছিলেন ডেপুটি ম্যাজিস্ট্রেট, তদুপরি সমাজসচেতন, কুসংস্কারমুক্ত এবং প্রগতিশীল দৃষ্টিভঙ্গিসম্পন্ন। রোকেয়ার জীবনে স্বামী সাখাওয়াৎ হোসেনের প্রভাব ছিল সুদূরপ্রসারী এবং অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
- ১৯০৯ সালের ৩ মে সাখাওয়াৎ হোসেন মারা যান। স্বামীর মৃত্যুর পর নিঃসঙ্গ রোকেয়া নারীশিক্ষা বিস্তার ও সমাজসেবায় আত্মনিয়োগ করেন।
- সাহিত্যিক হিসেবে তৎকালীন যুগের প্রেক্ষাপটে রোকেয়া ছিলেন এক ব্যতিক্রমী প্রতিভা।
- নবনূর, সওগাত, মোহাম্মদী, নবপ্রভা, মহিলা, ভারতমহিলা, আল-এসলাম, নওরোজ, মাহে নও, বঙ্গীয় মুসলমান সাহিত্য পত্রিকা, The Mussalman, Indian Ladies Magazine  প্রভৃতি পত্রিকায় তিনি নিয়মিত লিখতেন।
- তাঁর প্রথম লেখা প্রকাশিত হয় ১৯০৩ সালে নবনূর পত্রিকায়। মতান্তরে, তাঁর প্রথম লেখা ‘পিপাসা’ (মহরম) প্রকাশিত হয় ইংরেজি ১৯০২ সালে, চৈত্র ও বৈশাখ ১৩০৮-১৩০৯ (যুগ্মসংখ্যা) নবপ্রভা পত্রিকায়। সমকালীন সাময়িক পত্রে মিসেস আর.এস হোসেন নামে তাঁর রচনা প্রকাশিত হতো। 
- রোকেয়ার উলে­খযোগ্য রচনার মধ্যে রয়েছে:
- মতিচূর (প্রবন্ধ, ২ খন্ড: ১ম খন্ড ১৯০৪, ২য় খন্ড ১৯২২),  
- Sultana’s Dream  (নকশাধর্মী রচনা, ১৯০৮),
- পদ্মরাগ (উপন্যাস, ১৯২৪),
- অবরোধবাসিনী (নকশাধর্মী গদ্যগ্রন্থ, ১৯৩১) প্রভৃতি। 


উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর এবং বাংলাপিডিয়া।
.
মানিক বন্দ্যোপাধ্যায় রচিত উপন্যাস নয় কোনটি?
  1. ক) সমুদ্রের স্বাদ
  2. খ) জননী
  3. গ) দিবারাত্রির কাব্য
  4. ঘ) পুতুল নাচের ইতিকথা
ব্যাখ্যা
সমুদ্রের স্বাদ মানিক বন্দ্যোপাধ্যায় রচিত গল্পগ্রন্থ। 

মানিক বন্দ্যোপাধ্যায় (১৯০৮-১৯৫৬):
- প্রখ্যাত কথাসাহিত্যিক মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়, এর জন্ম ১৯০৮ খ্রিস্টাব্দের ২৯ মে পিতার কর্মস্থল বিহারের সাঁওতাল পরগনার দুমকা শহরে।
- তাঁর পৈতৃক নিবাস ছিল ঢাকা জেলার বিক্রমপুরের নিকট মালবদিয়া গ্রামে।  
- তাঁর প্রকৃত নাম প্রবোধকুমার বন্দোপাধ্যায়, ‘মানিক’ তাঁর ডাকনাম।

তাঁর উল্লেখযোগ্য উপন্যাস:
- জননী (১৯৩৫),
- দিবারাত্রির কাব্য (১৯৩৫),
- পদ্মানদীর মাঝি (১৯৩৬),
- পুতুলনাচের ইতিকথা (১৯৩৬),
- শহরতলী (১৯৪১),
- অহিংসা (১৯৪১)
- স্বাধীনতার স্বাদ (১৯৫১)
- আরোগ্য (১৯৫৩) প্রভৃতি

ছোটগল্প
- অতসী মামী ও অন্যান্য গল্প (১৯৩৫),
- প্রাগৈতিহাসিক (১৯৩৭),
- সরীসৃপ (১৯৩৯),
- সমুদ্রের স্বাদ (১৯৪৩),
- হলুদ পোড়া (১৯৪৫),
- আজ কাল পরশুর গল্প (১৯৪৬),
- মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের শ্রেষ্ঠ গল্প (১৯৫০),
- ফেরিওয়ালা (১৯৫৩) ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর এবং বাংলাপিডিয়া।
.
বাংলা ভাষার প্রথম ও সম্পূর্ণ ব্যাকরণ গ্রন্থ 'এ গ্রামার অফ দি বেঙ্গল লেঙ্গুয়েজ' বইটির রচয়িতা কে?
  1. ক) ন্যাথানিয়েল ব্র্যাসি হ্যালহেড
  2. খ) উইলিয়াম কেরি
  3. গ) মানোএল দা আস্‌সুম্পসাঁউ
  4. ঘ) রাজা রামমোহন রায়
ব্যাখ্যা
বাংলা ভাষার প্রথম ও সম্পূর্ণ ব্যাকরণ গ্রন্থ 'এ গ্রামার অফ দি বেঙ্গল লেঙ্গুয়েজ' বইটির রচয়িতা ন্যাথানিয়েল ব্র্যাসি হ্যালহেড।
- A Grammar of the Bengal Language গ্রন্থটি ১৭৭৮ সালে প্রকাশিত হয়। 
- ওয়ারেন হেস্টিংসের অনুরোধে হ্যালহেড এটি রচনা করেন।

-----------------
ন্যাথানিয়েল ব্র্যাসি হ্যালহেড (১৭৫১-১৮৩০):
- তিনি ছিলেন প্রাচ্যবিদ ও বৈয়াকরণিক।
- তিনিই প্রথম বৈয়াকরণিক যিনি বাংলা  ব্যাকরণ রচনায় উদাহরণ ব্যবহার করে বাংলা পাঠ ও  বাংলা লিপি ব্যবহার করেন।
- এর আগে পর্তুগিজ ধর্মযাজকরা রোমান অক্ষরে অতি সাধারণভাবে বাংলা ব্যাকরণ ও  অভিধান রচনার চেষ্টা করেন।
- কিন্তু নিয়মতান্ত্রিক পদ্ধতিতে হ্যালহেডই প্রথম বাংলা ব্যাকরণ রচনা করেন।

- Vocabulario em idioma Bengalla e Portuguez, সংক্ষেপে Vocabulario। এটি সংকলন করেছিলেন বেশ কয়েকজন পর্তুগিজ ধর্মযাজক এবং সম্পাদনা করেছিলেন Manoel da Assumpcam।
- ১৭৪৩ সালে লিসবন শহর থেকে গ্রন্থটি প্রকাশিত হয়। গ্রন্থটি মূলত এদেশে  খ্রিস্টধর্ম প্রচারের সুবিধার জন্যই সংকলিত হয়েছিল।


উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর এবং বাংলাপিডিয়া।
.
"সর্বদাই হু হু করে মন,
বিশ্ব যেন মরুর মতন।
চারি দিকে ঝালাফালা।
উঃ কী জ্বলন্ত জ্বালা,
অগ্নিকুণ্ডে পতঙ্গপতন।" পঙক্তিগুলোর রচয়িতা কে?
  1. ক) কামিনী রায়
  2. খ) বিহারীলাল চক্রবর্তী
  3. গ) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
  4. ঘ) বিদ্যাপতি
ব্যাখ্যা
"সর্বদাই হু হু করে মন,
বিশ্ব যেন মরুর মতন।
চারি দিকে ঝালাফালা।
উঃ কী জ্বলন্ত জ্বালা,
অগ্নিকুণ্ডে পতঙ্গপতন।" বিহারীলাল চক্রবর্তী রচিত কবিতার বিখ্যাত চরন। 
-------------------
বিহারীলাল চক্রবর্তী (১৮৩৫-১৮৯৪):
বাংলা সাহিত্যের প্রথম গীতি-কবি হিসেবে তিনি সুপরিচিত বিহারীলাল চক্রবর্তী এর জন্ম ১৮৩৫ সালের ২১ মে কলকাতায়। 
- তাঁদের আদি পারিবারিক পদবি ছিল ‘চট্টোপাধ্যায়’।
- তার সব কাব্যই বিশুদ্ধ গীতিকাব্য। রবীন্দ্রনাথ তাকে বাঙলা গীতি কাব্য-ধারার 'ভোরের পাখি' বলে আখ্যায়িত করেন। 
- তাঁর কবিতায় রূপ অপেক্ষা ভাবের প্রাধান্য বেশি। প্রকৃতি ও রোম্যান্টিকতা, সঙ্গীতের উপস্থিতি, সহজ-সরল ভাষা এবং তৎসম ও তদ্ভব শব্দের যুগপৎ ব্যবহার বিহারীলালের কাব্যকে করেছে বৈশিষ্ট্যমন্ডিত।

বিহারীলালেরউল্লেখযোগ্য রচনাবলি:
- স্বপ্নদর্শন (১৮৫৮),
- সঙ্গীতশতক (১৮৬২)
- বন্ধুবিয়োগ (১৮৭০),
- প্রেমপ্রবাহিণী (১৮৭০),
- নিসর্গসন্দর্শন (১৮৭০),
- বঙ্গসুন্দরী (১৮৭০),
- সারদামঙ্গল (১৮৭৯),
- নিসর্গসঙ্গীত (১৮৮১),
- মায়াদেবী (১৮৮২),
- দেবরাণী (১৮৮২),
- বাউলবিংশতি (১৮৮৭),
- সাধের আসন (১৮৮৮-৮৯) এবং
- ধূমকেতু (১৮৯৯) ।

তাঁর সম্পাদিত পত্রিকা:
- পূর্ণিমা,
- সাহিত্য-সংক্রান্তি,
- অবোধবন্ধু প্রভৃতি।

উৎস: লাল নীল দীপাবলি, হুমায়ুন আজাদ এবং বাংলাপিডিয়া।
.
বাংলা চলতি ভাষার প্রয়োগে লিখিত প্রথম উপন্যাস গ্রন্থ 'আলালের ঘরে দুলাল' এর রচয়িতা কে?
  1. ক) মৃত্যুঞ্জয় বিদ্যালঙ্কার
  2. খ) প্রমথ চৌধুরী
  3. গ) প্রেমেন্দ্র মিত্র
  4. ঘ) টেকচাঁদ ঠাকুর
ব্যাখ্যা
বাংলা চলতি ভাষার প্রয়োগে লিখিত প্রথম উপন্যাস গ্রন্থ 'আলালের ঘরে দুলাল' এর রচয়িতা প্যারীচাঁদ মিত্র। 
- টেকচাঁদ ঠাকুর প্যারীচাঁদ মিত্রের ছদ্মনাম এবং এই নামেই তিনি উপন্যাসটি লিখেন। 
- 'আলালের ঘরে দুলাল' প্যারীচাঁদ মিত্রের প্রথম গ্রন্থ। 
- উপন্যাসটি 'মাসিক পত্রিকায়'য় ধারাবাহিকভাবে প্রকাশিত হয়ে ১৮৫৮ সালে গ্রন্থাকারে প্রকাশিত হয়। 
- এ গ্রন্থের গদ্যে লেখক সচেতনভাবে চলতি ভাষা প্রয়োগ করেছেন। 

তাঁর অন্যান্য উল্লেখযোগ্য সাহিত্যকর্মের মধ্যে রয়েছে 
- মদ খাওয়া বড় দায় জাত থাকার কি উপায় (১৮৫৯),
- রামারঞ্জিকা (১৮৬০),
- কৃষিপাঠ (১৮৬১),
- ডেভিড হেয়ারের জীবনচরিত (১৮৭৮) এবং
- বামাতোষিণী (১৮৮১)।

ইংরেজি গ্রন্থের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হচ্ছে:
- A Biographical Sketch of David Hare (১৮৭৭),
- The Spiritual Stray Leaves (১৮৭৯),
- Stray Thought of Spiritualism (১৮৭৯),
- Life of Dewan Ramkamal Sen (১৮৮০) এবং
- Life of Coles Worthy Grant (১৮৮১)।

উৎস: লাল নীল দীপাবলি, হুমায়ুন আজাদ এবং  বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
.
নিম্নের কোনটি নবীনচন্দ্র সেনের ত্রয়ীকাব্যের অন্তর্ভূক্ত নয়?
  1. ক) রৈবতক
  2. খ) অবকাশরঞ্জনী
  3. গ) প্রভাস
  4. ঘ) কুরুক্ষেত্র
ব্যাখ্যা
নবীনচন্দ্র সেনের(১৮৪৭-১৯০৯) ত্রয়ীকাব্য - 
- রৈবতক (১৮৮৭)
- কুরুক্ষেত্র (১৮৯৩)
- প্রভাস (১৮৯৬)

- এই তিনটি কাব্যের কাহিনি একই সুতোয় বাঁধা। 
- এই তিন কাব্যের নায়ক ই শ্রীকৃষ্ণ।
- রৈবতক- এ কৃষ্ণের আদি, কুরুক্ষেত্র-এ তাঁর মধ্য, প্রভাস-এ কৃষ্ণের আন্তর্লীলা বর্ণিত হয়েছে। 
- এই কাব্য ত্রয় মহাকাব্যের বৈশিষ্ট্যযুক্ত। 

উল্লেখ, অবকাশরঞ্জনী নবীনচন্দ্র সেনের প্রথম প্রকাশিত গ্রন্থ

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
.
মোজাম্মেল হক রচিত বিখ্যাত উপন্যাস "জোহরা" কত সালে প্রকাশিত হয়?
  1. ক) ১৯১৪
  2. খ) ১৯১৭
  3. গ) ১৯২৪
  4. ঘ) ১৯৩১
ব্যাখ্যা
- মোজাম্মেল হক (১৮৬০-১৯৩৩)  ছিলেন মূলত কবি, তবে তাঁর গদ্যরচনাও আছে।
- মুসলিম সমাজের কুসংস্কার, অন্ধবিশ্বাস, গোঁড়ামি, পশ্চাৎপদতা ও আত্মবিস্মৃতির বিরুদ্ধে তিনি লেখনী ধারণ ও সংগঠনের মাধ্যমে বিশিষ্ট ভূমিকা পালন করেন।
- তিনি 'কাব্যকণ্ঠ' উপাধি লাভ করেছিলেন। বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষৎ কর্তৃক তিনি এ উপাধি লাভ করেন। 
-------------
'জোহরা' (১৯১৭) উপন্যাসের রচয়িতা মোহাম্মদ মোজাম্মেল হক।
- তিনি তাঁর জোহরা উপন্যাসের মধ্য দিয়ে মুসলমান সমাজের বেদনাঘন চিত্র অঙ্কন করেছেন। 
- জোহরা উপন্যাসে সে আমলের মুসলমান সমাজের অন্যায় অনাচার রূপ দিয়েছেন।
- কন্যার মতামত অগ্রাহ্য করে আত্মীয় স্বজনেরা বিয়ে দিতে গিয়ে মেয়েদের জীবনে যে দুর্ভোগের সৃষ্টি করে তা-ই এ উপন্যাসের উপজীব্য।
---------------


তাঁর উল্লেখযোগ্য অন্যান্য রচনাবলি:

কাব্য:
- কুসুমাঞ্জলি (১৮৮১),
- অপূর্বদর্শন (১৮৮৫),
- প্রেমহার (১৮৯৮),
- হজরত মহাম্মদ (১৯০৩),
- জাতীয় ফোয়ারা (১৯১২),
- ইসলাম সঙ্গীত (১৯২৩);

গদ্য রচনা:

- মহর্ষি-মনসুর (১৮৯৬),
- ফেরদৌসী-চরিত (১৮৯৮),
- শাহনামা (১৯০৯),
- তাপসকাহিনী (১৯১৪, ২য় সং),
- খাজা ময়ীনউদ্দীন চিশতী (১৯১৮),
- হাতেমতাই (১৯১৯),
- টিপু সুলতান (১৯৩১);

উপন্যাস:

- দরাফ খান গাজী (১৯১৯) ইত্যাদি। 
- মোজাম্মেল হক লহরী (১৮৯৯),  মোসলেম ভারত (১৯২০) ও শান্তিপুর মাসিক সাহিত্য পত্রিকার সম্পাদক ও প্রকাশক ছিলেন।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর এবং বাংলাপিডিয়া।