পরীক্ষা আর্কাইভ

১০০ দিনে বিসিএস প্রস্তুতি [বিষয়ভিত্তিক]

পরীক্ষা১০০ দিনে বিসিএস প্রস্তুতি [বিষয়ভিত্তিক]তারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়34 minutes
মোট প্রশ্ন৪৮
সিলেবাস
বাংলাদেশ বিষয়াবলী - টপিকগুলোর বিস্তারিত সিলেবাস বাটনে বা পিএসসির সিলেবাসেই পাবেন। ১) বাংলাদেশের জাতীয় বিষয়াবলি ২) বাংলাদেশের কৃষিজ সম্পদ ৩) বাংলাদেশের অর্থনীতি ৪) বাংলাদেশের শিল্প ও বাণিজ্য [১০০ নাম্বার] (যারা প্যাকেজ নিয়েছেন তাদের জন্য সকল পরীক্ষা ফ্রি)
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

১০০ দিনে বিসিএস প্রস্তুতি [বিষয়ভিত্তিক]

১০০ দিনে বিসিএস প্রস্তুতি [বিষয়ভিত্তিক] · তারিখ অনির্ধারিত · ৪৮ প্রশ্ন

.
সপ্তম শতকে গৌড়ের রাজধানী ছিল-
  1. ক) বড়কামতা
  2. খ) কোটিবর্ষ
  3. গ) পুণ্ড্রনগর
  4. ঘ) কর্ণসুবর্ণ
ব্যাখ্যা
‘গৌড়’ নামটি সুপ্রাচীন হলেও এর অবস্থান সম্পর্কে সঠিক ধারণা করা যায়নি। তবে ৬ষ্ঠ শতকে পূর্ব বাংলার উত্তর অংশে গৌড় রাজ্য বলে একটি স্বাধীন রাজ্যের কথা জানা যায়। সপ্তম শতকে শশাঙ্ককে গৌড়রাজ বলা হতো। এ সময় গৌড়ের রাজধানী ছিল কর্ণসুবর্ণ। বর্তমান মুর্শিদাবাদ জেলায় ছিল এর অবস্থান।
রাঢ়ের প্রধান নগর বা রাজধানী ছিল কোটিবর্ষ।
‘সমতট’ এর প্রধান নগর বা রাজধানী ছিল বড়কামতা।
প্রাচীন বাংলার জনপদগুলোর মধ্যে অন্যতম হলো পুণ্ড্র। এ অঞ্চলের রাজধানী পুণ্ড্রনগর। এর বর্তমান নাম মহাস্থানগড়।
[সূত্রঃ বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি এবং এসএসসি(উন্মুক্ত)]
.
মৌর্য সাম্রাজ্যের শাসন ব্যবস্থা সম্পর্কে ‘ইন্ডিকা’ নামক গ্রন্থে লিপিবদ্ধ করেন-
  1. ক) মা-হুয়ান
  2. খ) ফা-হিয়েন
  3. গ) হিউয়েন সাঙ
  4. ঘ) মেগাস্থিনিস
ব্যাখ্যা
মৌর্য সাম্রাজ্যের প্রতিষ্ঠাতা চন্দ্রগুপ্ত মৌর্য। চন্দ্রগুপ্ত গ্রিকদের আক্রমণ শুধু প্রতিহত নয়, তাদেরকে ভারত থেকে বিতাড়িত করে এক বিশাল সাম্রাজ্য প্রতিষ্ঠা করেন। তার নামানুসারে ভারতবর্ষে খ্রিস্টপূর্ব ৪র্থ শতকে যে সাম্রাজ্য প্রতিষ্ঠিত হয় তা মৌর্য সাম্রাজ্য নামে পরিচিত। চাণক্য ছিলেন তাঁর প্রধানমন্ত্রী। চাণক্য কৌটিল্য ছদ্মনামে ‘অর্থশাস্ত্র’ নামে এক বিখ্যাত গ্রন্থ রচনা করেন। রাষ্ট্রশাসন ও কূটনীতি কৌশলের সারসংক্ষেপ হচ্ছে এই গ্রন্থ। চন্দ্রগুপ্তের সময়ে গ্রিক পরিব্রাজক মেগাস্থিনিস ভারতবর্ষে আগমন করে ভারতের শাসন প্রকৃতি, ভৌগোলিক বিবরণ, রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক অবস্থা তাঁর বিখ্যাত গ্রন্থ ‘ইন্ডিকা’তে লিপিবদ্ধ করেন।
[সূত্রঃ ইতিহাস ১ম পত্র, এইচএসসি(উন্মুক্ত)]
.
কোন শাসকের মৃত্যুর পর বাংলার ইতিহাসে অন্ধকার যুগ ‘মাৎস্যন্যায়’ এর সূত্রপাত হয়?
  1. ক) গোপাল
  2. খ) শশাঙ্ক
  3. গ) ধর্মপাল
  4. ঘ) অশোক
ব্যাখ্যা
শশাঙ্কের মৃত্যুর পর যোগ্য শাসকের অভাবে বাংলায় অরাজকতা দেখা দেয়। সর্বত্র অনিয়ম, বিশৃঙ্খলা, লুটতরাজ প্রভৃতিতে ছেয়ে যায়। ঐতিহাসিকরা এ অবস্থাকে মাৎস্যন্যায় হিসেবে অভিহিত করেন। পুকুরে যেমন বড় মাছ ছোট মাছকে খেয়ে ফেলে, এ সময়ে বাংলার অবস্থাও তেমনটিই ছিলো। যার কারণে এ সময়কে মাৎস্যন্যায় বলা হয়। ৭ম শতকের মাঝামাঝি থেকে ৮ম শতকের মাঝামাঝি পর্যন্ত প্রায় ১০০ বছর এ অবস্থা বিরাজমান ছিলো। গোপাল কর্তৃক শাসনভার গ্রহণের মাধ্যমে মাৎস্যন্যায় অবস্থার অবসান ঘটে এবং বাংলার ইতিহাসে সবচেয়ে দীর্ঘস্থায়ী রাজবংশ পালবংশের সূত্রপাত ঘটে। পাল বংশের রাজাগণ একটানা চারশ বছর এদেশ শাসন করেন।
[সূত্রঃ বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, ৯ম-১০ম শ্রেণি]
.
মৌর্য সাম্রাজ্যের পতনের পর কোন বংশের আবির্ভাব ঘটে?
  1. ক) শুঙ্গ
  2. খ) শক
  3. গ) পহ্লব
  4. ঘ) কুষাণ
ব্যাখ্যা
মৌর্য সাম্রাজ্যের পতনের পর শুঙ্গ ও পরে কন্ব বংশের আবির্ভাব ঘটে। ধারণা করা হয় তারা কিছু ছোট অঞ্চলের ওপর শাসন প্রতিষ্ঠা করেছিল। তারপর গ্রিক, শক, পহ্লব, কুষাণ প্রভৃতি বিদেশি শক্তি ভারতবর্ষে আক্রমণ করে।
[সূত্রঃ বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, ৯ম-১০ম শ্রেণি]
.
হিউয়েন-সাঙ কোন শাসককে বৌদ্ধ ধর্মের বিদ্বেষী বলে আখ্যায়িত করেছেন-
  1. ক) গোপালকে
  2. খ) শশাঙ্ককে
  3. গ) হর্ষবর্ধনকে
  4. ঘ) অশোককে
ব্যাখ্যা
গুপ্ত রাজাদের অধীনে বড় কোন অঞ্চলের শাসনকর্তাকে বলা হত ‘মহাসামন্ত’। শশাঙ্ক ছিলেন গুপ্ত রাজা মহাসেন গুপ্তের একজন মহাসামন্ত। তিনি ছিলেন বাংলার প্রথম স্বাধীন ও সার্বভৌম রাজা। শশাঙ্ক নিজেকে গৌড়েশ্বর পরিচয় দিতেন। তিনি প্রাচীন বাংলার জনপদগুলোকে গৌড় নামে একত্রিত করেন। তার রাজধানী ছিল মুর্শিদাবাদের নিকটবর্তী কর্ণসুবর্ণ। তার আমলে তাম্রলিপ্ত বন্দর গুরুত্ব লাভ করে। বিখ্যাত চীনা পর্যটক হিউয়েন সাং শৈব ধর্মের অনুসারী রাজা শশাঙ্ককে বৌদ্ধ ধর্মের বিদ্বেষী হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন।
[সূত্রঃ বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, ৯ম-১০ম শ্রেণি]
.
কোন সুলতান সর্বপ্রথম চট্টগ্রাম জয় করেন?
  1. ক) ফখরুদ্দিন মুবারক শাহ
  2. খ) শামসুদ্দিন ফিরোজ শাহ
  3. গ) ইখতিয়ার উদ্দিন গাজী শাহ
  4. ঘ) নাসিরউদ্দিন মাহমুদ শাহ
ব্যাখ্যা
বাংলায় স্বাধীন সুলতানি আমল শুরু হয় ফখরুদ্দিন মুবারক শাহের আমল থেকে। বাংলার প্রথম স্বাধীন সুলতান ছিলেন তিনি। ১৩৩৮ খ্রিষ্টাব্দে সোনারগাঁর গভর্নর বাহরাম খান মারা গেলে তাঁর বর্মরক্ষক ফখরুদ্দিন মুবারক শাহ স্বাধীন সোনারগাঁ রাজ্য প্রতিষ্ঠা করেন। তিনি নিজের নামে মুদ্রা চালু করেন। সর্বপ্রথম চট্টগ্রাম জয় করেন এবং চাঁদপুর থেকে চট্টগ্রাম পর্যন্ত সুদীর্ঘ রাস্তা নির্মাণ করেন। তাঁর সময়ে মরক্কোর বিখ্যাত পর্যটক ইবনে বতুতার আগমন ঘটে।
[সূত্রঃ বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, ৯ম-১০ম শ্রেণি]
.
নদীমাতৃক বাংলায় যুদ্ধ জয়ের জন্য সর্বপ্রথম নৌবহর প্রতিষ্ঠা করেন-
  1. ক) মুহম্মদ শিরান খলজি
  2. খ) আলি মর্দান খলজি
  3. গ) নাসিরুদ্দিন মাহমুদ
  4. ঘ) হুসামউদ্দিন ইওজ খলজি
ব্যাখ্যা
হুসামউদ্দিন ইওজ খলজি নদীমাতৃক বাংলায় যুদ্ধ জয়ের জন্য সর্বপ্রথম নৌবাহিনী গঠন করেন। নিজের নামে মুদ্রাও চালু করেন। তিনি তাঁর পূর্বের শাসক আলি মর্দান খলজির মতো স্বাধীন শাসক ছিলেন। বাংলার মুসলিম রাজ্যকে সুদূঢ় ভিত্তির উপর প্রতিষ্ঠিত করেন এবং এই নবগঠিত রাজ্যের সীমানা বিস্তারে অবদান রাখেন ইওজ খলজি। ১২২৭ খ্রিষ্টাব্দে যুবরাজ নাসিরুদ্দিন মাহমুদ লখনৌতি আক্রমণ করলে ইওজ খলজি পরাজিত ও নিহত হন।
[সূত্রঃ বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, ৯ম-১০ম শ্রেণি]
.
বাংলার কোন সুবাদার শক্ত হাতে পর্তুগিজদের দমন করেন?
  1. ক) শাহ সুজা
  2. খ) ইসলাম খান চিশতি
  3. গ) ইসলাম খান মাসহাদি
  4. ঘ) কাসিম খান জুয়িনী
ব্যাখ্যা
সম্রাট শাহজাহান ক্ষমতা গ্রহণ করার পর ১৬২৮ খ্রিস্টাব্দে কাসিম খান জুয়িনীকে বাংলার সুবাদার হিসেবে নিয়োগ করেন। হুসেন শাহি যুগ থকেই বাংলায় পর্তুগিজরা বাণিজ্য করত। এ সময় পর্তুগিজ বণিকদের প্রতিপত্তি অনেক বেড়ে যায়। ক্রমে তা বাংলার জন্য হুমকি হয়ে দাঁড়ায়। কাসিম খান জুয়িনী শক্ত হাতে পর্তুগিজদের দমন করেন।
[সূত্রঃ বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, ৯ম-১০ম শ্রেণি]
.
ইংরেজ কোম্পানিকে বাংলা, বিহার, উড়িষ্যার দেওয়ানি প্রদান করেন-
  1. ক) নাজিম-উদ-দ্দৌলা
  2. খ) দ্বিতীয় শাহ আলম
  3. গ) মীর জাফর
  4. ঘ) ফররুখ শিয়ার
ব্যাখ্যা
বক্সারের যুদ্ধে অযোদ্ধার নবাব সুজাউদ্দৌলা, মুঘল সম্রাট দ্বিতীয় শাহ আলমের সহায়তায় গড়ে তোলা মীর কাশিমের সম্মিলিত বাহিনীর সাথে ১৭৬৪ খ্রিষ্টাব্দে বিহারের বক্সার নামক স্থানে ইংরেজ বাহিনীর যে যুদ্ধ সংঘটিত হয় তাই বক্সারের যুদ্ধ নামে খ্যাত। এ যুদ্ধে মীর কাশিম শোচনীয়ভাবে পরাজিত হন। ফলে ১৭৬৫ সালে মুঘল সম্রাট এলাহাবাদ চুক্তি অনুসারে বার্ষিক ২৬ লক্ষ টাকার বিনিময়ে ইংরেজ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানিকে বাংলা, বিহার ও উড়িষ্যার রাজস্ব আদায়ের ক্ষমতা বা দেওয়ানি প্রদান করেন।
[সূত্রঃ ইতিহাস, এসএসসি প্রোগ্রাম(উন্মুক্ত) এবং বাংলাপিডিয়া]
১০.
কোন নবাব বর্গি নামে পরিচিত মারাঠি দস্যুদের অত্যাচার দমনে ভূমিকা রাখেন?
  1. ক) সরফরাজ খান
  2. খ) আলিবর্দি খান
  3. গ) সুজাউদ্দীন খান
  4. ঘ) মুর্শিদকুলী খান
ব্যাখ্যা
১৭৪০ খ্রিস্টাব্দে গিরিয়ার যুদ্ধে আলীবর্দী সরফরাজকে পরাজিত করে মুঘলদের অনুমোদন ছাড়াই বাংলার ক্ষমতায় অধিষ্ঠিত হন। ১৭৪০ সালের নভেম্বরে মুঘল সম্রাট তাকে আনুষ্ঠানিকভাবে সনদ প্রদান করেন। তার সময়ে বর্গি নামে পরিচিত মারাঠি দস্যুরা বাংলার বিভিন্ন অঞ্চলে আক্রমণ করে জনজীবন অতিষ্ঠ করে তুলেছিল। আলিবর্দি খান ১৭৪২ থেকে ১৭৫১ খ্রিস্টাব্দ পর্যন্ত ১০ বছর এদের প্রতিরোধ করে দেশছাড়া করতে সক্ষম হন।
[সূত্রঃ বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, ৯ম-১০ম শ্রেণি]
১১.
প্রেসিডেন্ট আইয়ুব খান কোন নেতাকে ‘হিলাল-ই-পাকিস্তান’ উপাধিতে ভূষিত করেন?
  1. ক) এ কে ফজলুল হক’কে
  2. খ) মাওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানী’কে
  3. গ) আবুল হাশেম’কে
  4. ঘ) হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী’কে
ব্যাখ্যা
অবিভক্ত বাংলার জাতীয় নেতা শের-ই-বাংলা এ কে ফজলুল হক। ১৯২৭ সালে তিনি কৃষক-প্রজা পার্টি নামে একটি রাজনৈতিক দল গঠন করেন। ১৯৩৫-৩৬ সালে কলকাতা কর্পোরেশনের মেয়র নির্বাচিত হন। তিনিই ছিলেন এ পদে অধিষ্ঠিত প্রথম বাঙালি মুসলমান। ১৯৩৭ সালে শের-এ-বাংলা এ. কে ফজলুল হক অবিভক্ত বাংলার প্রথম নির্বাচিত প্রধানমন্ত্রী পদে অধিষ্ঠিত হন। ১৯৪০ সালে মোহাম্মদ আলী জিন্নাহর সভাপতিত্বে লাহোরে অনুষ্ঠিত নিখিল ভারত মুসলিম লীগের অধিবেশনে জ্বালাময়ী বক্তৃতায় প্রথম পাকিস্তান প্রস্তাব(লাহোর প্রস্তাব) পেশ করেন। প্রধানমন্ত্রীত্বকালে তিনি ‘ঋণ সালিশী বোর্ড’ গঠন করেন। ১৯৫৪ সালে দেশের সাধারণ নির্বাচনে তিনি ‘যুক্তফ্রন্ট’ দলের নেতৃত্ব দিয়ে বিপুল ভোটাধিক্যে জয়লাভ করেন। তিনি পূর্ব পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী হন। ১৯৫৬ সাল থেকে ১৯৫৮ সাল পর্যন্ত তিনি পূর্ব পাকিস্তানের গভর্নর পদে অধিষ্ঠিত ছিলেন। ১৯৫৫ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় তাঁকে সম্মানসূচক ডক্টর-অব-ল এবং ১৯৫৯ সালে তৎকালীন পাকিস্তানী প্রেসিডেন্ট আইয়ুব খান তাঁকে ‘হিলাল-ই-পাকিস্তান’ উপাধিতে ভূষিত করেন।
[সূত্রঃ বাংলাদেশ জাতীয় তথ্য বাতায়ন]
১২.
জেনারেল আইয়ুব খান পাকিস্তানের প্রথম সামরিক শাসন প্রত্যাহার করেন-
  1. ক) ১৯৫৮ সালে
  2. খ) ১৯৬২ সালে
  3. গ) ১৯৬৫ সালে
  4. ঘ) ১৯৬৯ সালে
ব্যাখ্যা
পাকিস্তানের প্রথম প্রেসিডেন্ট ইস্কান্দার মির্জা ১৯৫৮ সালের ৭ অক্টোবর পাকিস্তানে প্রথম সামরিক শাসন জারি করেন এবং কেন্দ্রীয় ও প্রাদেশিক আইনসভা ও মন্ত্রীপরিষদ বাতিল করেন। ২৭ অক্টোবর জেনারেল আইয়ুব খান ইস্কান্দার মির্জাকে সড়িয়ে ক্ষমতা দখল করে নিজেকে প্রেসিডেন্ট ঘোষণা করেন। ১৯৬২ সালের ৮ জুন তিনি সামরিক শাসন প্রত্যাহার করেন। ইয়াহিয়া খান ২৫ মার্চ ১৯৬৯ সালে দ্বিতীয়বারের মতো পাকিস্তানে সামরিক শাসন জারি করেন।
[সূত্রঃ বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা : নবম-দশম শ্রেণী এবং বাংলাপিডিয়া]
১৩.
বাঙালির মুক্তির সনদ ছয় দফা। ঐতিহাসিক ‘ছয় দফা’ দিবস পালন করা হয়-
  1. ক) ৫ ফেব্রুয়ারি
  2. খ) ৬ ফেব্রুয়ারি
  3. গ) ২০ মার্চ
  4. ঘ) ৭ জুন
ব্যাখ্যা
১৯৬৬ সালের ৫-৬ ফেব্রুয়ারি লাহোরে বিরোধী দলসমূহের সম্মেলেনে বঙ্গবন্ধু পূর্ব পাকিস্তানের স্বায়ত্তশাসন সংবলিত ছয় দফা দাবি উত্থাপন করেন। পরবর্তীতে ১৮-২০ মার্চ ১৯৬৬ আওয়ামীলীগের কার্যকরী কমিটির সভায় ৬ দফা গৃহিত হয়। পরবর্তীতে, বঙ্গবন্ধু ছয়দফা উত্থাপনের জের ধরে গ্রেপ্তার হন। ৭ জুন ছয় দফা দাবী এবং বঙ্গবন্ধুর মুক্তির দাবীতে হরতাল চলাকালে নারায়ণগঞ্জে পুলিশের গুলিতে অনেকে নিহত হয়। এর ফলশ্রুতিতে ৭ জুনকে ছয় দফা দিবস হিসেবে পালন করা হয়। ছয় দফাকে বাঙালির মুক্তির সনদ বলা হয়।
[সূত্রঃ অসমাপ্ত আত্মজীবনী এবং বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা : নবম-দশম শ্রেণী]
১৪.
কোন পত্রিকাটি তথ্য বিকৃতি করে সংবাদ প্রকাশের মাধ্যমে ভাষা আন্দোলনের বিপক্ষে অবস্থান নেয়?
  1. ক) আজাদ
  2. খ) মর্নিং নিউজ
  3. গ) সৈনিক
  4. ঘ) পাকিস্তান অবজারভার
ব্যাখ্যা
ভাষা আন্দোলনে সংবাদপত্রের ভূমিকা ছিলো অসামান্য। সৈনিক, ইত্তেফাক, আজাদ, সংবাদ, অগত্যা, পাকিস্তান অবজারভার দৈনিক মিল্লাত, দৈনিক ইনসাফ, দৈনিক আমার দেশ প্রভৃতি পত্রিকা ভাষা আন্দোলনের সমর্থনে জোরালো ভূমিকা পালন করে।
অন্যদিকে মর্নিং নিউজ ছিল উর্দু ভাষার সমর্থক। পত্রিকাটি ভাষা আন্দোলনের বিরুদ্ধে মিথ্যা ও উগ্র প্রচারণা চালায়। ২১ ফেব্রুয়ারির ঘটনাকেও তারা বিকৃত করে ২২ ফেব্রুয়ারি খবর প্রকাশ করে। ২২ ফেব্রুয়ারি বিক্ষুব্ধ জনতা ভিক্টোরিয়া পার্কের কাছে অবস্থিত মর্নিং নিউজের প্রেস ও অফিস জ্বালিয়ে দেয়।
[সূত্রঃ বাংলাপিডিয়া এবং দৈনিক ইনকিলাব ও প্রথম আলো পত্রিকা]
১৫.
বঙ্গবন্ধুকে ঐতিহাসিক আগরতলা মামলায় অভিযুক্ত করে ট্রাইব্যুনালে বিচার শুরু করে-
  1. ক) ১৯৬৬ সালে
  2. খ) ১৯৬৭ সালে
  3. গ) ১৯৬৮ সালে
  4. ঘ) ১৯৬৯ সালে
ব্যাখ্যা
পাকিস্তান সরকার ১৯৬৮ সালের জানুয়ারি মাসে আওয়ামী লীগ প্রধান শেখ মুজিবুর রহমানকে প্রধান আসামি করে সেনাবাহিনীর কয়েকজন কর্মরত ও প্রাক্তন সদস্য এবং ঊর্ধ্বতন সরকারি অফিসারদের বিরুদ্ধে যে মামলা দায়ের করে তা আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা নামে পরিচিত। তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ ছিল যে, তারা ভারত সরকারের সহায়তায় সশস্ত্র অভ্যুত্থানের মাধ্যমে পূর্ব পাকিস্তানকে পাকিস্তান থেকে বিচ্ছিন্ন করার ষড়যন্ত্রে লিপ্ত ছিলেন। ঢাকা সেনানিবাসে বিশেষ ট্রাইব্যুনালে এই মামলার বিচার কার্য শুরু হয় ১৯৬৮ সালের ১৯শে জুন। গণআন্দোলনের মুখে শেষ পর্যন্ত আইয়ুব সরকার ১৯৬৯ সালের ২২ ফেব্রুয়ারি আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা প্রত্যাহার করে নিতে বাধ্য হয় এবং শেখ মুজিবসহ সকল বন্দিকে নিঃশর্ত মুক্তি দেয়া হয়।
[সূত্র: বাংলাপিডিয়া]
১৬.
বাংলাদেশের স্বাধীনতার ইশতেহার পাঠ করেন কে?
  1. ক) শাজাহান সিরাজ
  2. খ) নূরে আলম সিদ্দিকী
  3. গ) আ.স.ম আব্দুর রব
  4. ঘ) ইউসুফ আলী
ব্যাখ্যা
১৯৭১ সালের ৩রা মার্চ ঢাকায় পল্টন ময়দানে আয়োজিত জনসভায় বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের উপস্থিতিতে ছাত্রনেতা শাহজাহান সিরাজ স্বাধীনতার ইশতেহার পাঠ করেন। এই ইশতেহার স্বাধীন বাংলা ছাত্র সংগ্রাম পরিষদের পক্ষ থেকে প্রচার করা হয়। একই দিন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে জাতির জনক উপাধি দেওয়া হয়। অধ্যাপক ইউসুফ আলী ১৯৭১ সালের ১৭ এপ্রিল মুজিবনগরে স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র পাঠ করেন।
[সূত্রঃ বাংলাদেশ ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা : নবম-দশম শ্রেণী এবং বাংলাপিডিয়া]
১৭.
শেখ মুজিবুর রহমানের ঐতিহাসিক ৭ মার্চের ভাষণে জাতীয় পরিষদের অধিবেশনে যোগদানের জন্য মূল দাবি ছিল না-
  1. ক) সৈন্যদের ব্যারাকে ফিরিয়ে নেয়া
  2. খ) গণহত্যার তদন্ত করা
  3. গ) চলমান সামরিক আইন প্রত্যাহার করা
  4. ঘ) পুনরায় নির্বাচনের ব্যবস্থা করা
ব্যাখ্যা
১৯৭১ সালের ৭ মার্চ বঙ্গবন্ধু রেসকোর্স ময়দানে সমাবেশে উপস্থিত হয়ে তাঁর ঐতিহাসিক ভাষণ দেন। এই ভাষণে তিনি স্বাধীনতা সংগ্রামের জন্য প্রস্তুতি নেয়ার আহ্বান জানান এবং দেশকে মুক্ত করার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন। ঐতিহাসিক ৭ মার্চের বঙ্গবন্ধুর ভাষণে জাতীয় পরিষদের অধিবেশনে যোগদানের জন্য মূল দাবি ছিল- ৪টি। যথা:
১. চলমান সামরিক আইন প্রত্যাহার,
২. সৈন্যদের ব্যারাকে ফিরিয়ে নেয়া,
৩. গণহত্যার তদন্ত করা এবং
৪. নির্বাচিত প্রতিনিধিদের হাতে ক্ষমতা হস্তান্তর করা।
[সূত্রঃ বোর্ড বইঃ নবম-দশম শ্রেণি(বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা)]
১৮.
ঐতিহাসিক ৭ মার্চের ভাষণ স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্র থেকে কী নামে প্রচারিত হয়?
  1. ক) চরমপত্র
  2. খ) বজ্রকণ্ঠ
  3. গ) প্রতিধ্বনি
  4. ঘ) দৃষ্টিপাত
ব্যাখ্যা
১৯৭১ সালের ৭ই মার্চ রেসকোর্স ময়দানে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ভাষণটি স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্র থেকে ‘বজ্রকণ্ঠ’ নামে প্রচারিত হয়। তিনি ঘোষণা করেন “এবারের সংগ্রাম আমাদের মুক্তির সংগ্রাম, এবারের সংগ্রাম স্বাধীনতার সংগ্রাম।” তাঁর বক্তব্যের মূল বিষয় ছিল ৪টি। যথা: ১. চলমান সামরিক আইন প্রত্যাহার, ২. সৈন্যদের ব্যারাকে ফিরিয়ে নেয়া, ৩. গণহত্যার তদন্তকরা এবং ৪. নির্বাচিত প্রতিনিধিদের হাতে ক্ষমতা হস্তান্তর করা।
[সূত্রঃ বোর্ড বইঃ নবম-দশম শ্রেণি(বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা)]
১৯.
পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর আত্মসমর্পণ অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ সরকারের প্রতিনিধিত্ব করেন-
  1. ক) গ্রুপ ক্যাপ্টেন এ কে খন্দকার
  2. খ) এ. এইচ. এম. কামারুজ্জামান
  3. গ) কর্নেল (অব.) এম. এ. জি. ওসমানী
  4. ঘ) লে. কর্নেল(অব.) আবদুর রব
ব্যাখ্যা
১৯৭১ সালের ৬-১৬ ডিসেম্বর যৌথ বাহিনীর দুর্বার আক্রমণে পর্যুদস্ত পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী অবশেষে আত্মসমর্পণে সম্মত হয়। ১৬ ডিসেম্বর তৎকালীন রেসকোর্স ময়দানে পাকিস্তান বাহিনীর ইস্টার্ন কমান্ডের প্রধান লে. জেনারেল আমীর আবদুল্লাহ খান নিয়াজী ৯৩ হাজার সৈন্যসহ যৌথ বাহিনীর নিকট আত্মসমর্পণ করেন। পাকিস্তানের পক্ষে নিয়াজী এবং যৌথ বাহিনীর পক্ষে আত্মসমর্পণ দলিলে স্বাক্ষর করেন ভারতীয় সেনাবাহিনীর ইস্টার্ন কমান্ডের প্রধান লে. জেনারেল জগজিৎ সিং অরোরা। বাংলাদেশ সরকারের পক্ষে গ্রুপ ক্যাপ্টেন এ কে খন্দকার উপস্থিত ছিলেন।
[সূত্রঃ বোর্ড বইঃ নবম-দশম শ্রেণি(বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা)]
২০.
বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে ‘কে’ ফোর্সের প্রধান ছিলেন-
  1. ক) মেজর জিয়াউর রহমান
  2. খ) মেজর খালেদ মোশাররফ
  3. গ) মেজর কে এম শফিউল্লাহ
  4. ঘ) মেজর আবু ওসমান চৌধুরী
ব্যাখ্যা
মুক্তিযুদ্ধের সময় ব্রিগেড আকারে ৩ টি ফোর্স গঠন করা হয়েছিল। ফোর্স তিনটি হলো- ‘জেড’ ফোর্স যা মেজর জিয়ার নেতৃত্বে, ‘এস’ ফোর্স যা মেজর শফিউল্লাহ এর নেতৃত্ব এবং ‘কে’ ফোর্স যা মেজর খালেদ মোশারফের নেতৃত্বে গঠিত হয়েছিলো।
[সূত্র: বাংলাপিডিয়া]
২১.
বাংলাদেশের কৃষিতে ‘মোহর’ কীসের নাম?
  1. ক) উন্নত জাতের তুলা
  2. খ) উন্নত জাতের ভুট্টা
  3. গ) উন্নত জাতের পাট
  4. ঘ) উন্নত জাতের ধান
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইন্সটিটিউট এ পর্যন্ত ভুট্টার বেশ কিছু উন্নত জাত ও হাইব্রিড ভুট্টার জাত উদ্ভাবন করেছে।
এগুলো হলো শুভ্রা, বর্ণালী, মোহর, খই ভুট্টা, বারি ভুট্টা-৫, বারি ভুট্টা-৬, বারি ভুট্টা-৭, বারি মিষ্টি ভুট্টা-১, বারি হাইব্রিড ভুট্টা-১, বারি হাইব্রিড ভুট্টা-২, বারি হাইব্রিড ভুট্টা-৩, বারি টপ ক্রস হাইব্রিড ভুট্টা-১, বারি হাইব্রিড ভুট্টা-৫, বারি হাইব্রিড ভুট্টা-৬, বারি হাইব্রিড ভুট্টা-৭, বারি হাইব্রিড ভুট্টা-৮, বারি হাইব্রিড ভুট্টা-৯, বারি হাইব্রিড ভুট্টা-১০, বারি হাইব্রিড ভুট্টা-১১, বারি বেবি কর্ন-১, বারি হাইব্রিড ভুট্টা-১২, বারি হাইব্রিড ভুট্টা-১৩।
[সূত্রঃ কৃষি তথ্য সার্ভিস (এআইএস)]
২২.
সপ্তম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনার অধীনে সর্বোচ্চ শুষ্ক মৌসুমে জলজ অভয়াশ্রম (অ্যাকোয়াটিক স্যাংচুয়ারি) হিসেবে অন্তত কত শতাংশ জলাভূমি সংরক্ষণ করার লক্ষ্যমাত্রা স্থির করা হয়েছে?
  1. ক) ১০%
  2. খ) ১৫%
  3. গ) ১৭%
  4. ঘ) ২৫%
ব্যাখ্যা
সপ্তম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনার অধীনে সর্বোচ্চ শুষ্ক মৌসুমে জলজ অভয়াশ্রম (অ্যাকোয়াটিক স্যাংচুয়ারি) হিসেবে অন্তত ১৫ শতাংশ জলাভূমি সংরক্ষণ করার লক্ষ্যমাত্রা স্থির করা হয়েছে।
[সূত্রঃ সপ্তম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা, পরিকল্পনার অভীষ্ট ও লক্ষ্যমাত্রা]
২৩.
বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট কর্তৃক উদ্ভাবিত বেগুনের একটি জাত-
  1. ক) উত্তরা
  2. খ) ডেলফোজ
  3. গ) অগ্নিশ্বর
  4. ঘ) ড্রামহেড
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট কর্তৃক বেগুনের কিছু জাত উদ্ভাবিত হয়েছে।
সেগুলো হলো, বারি বেগুন-১ (উত্তরা), বারি বেগুন-২ (তারাপুরী), বারি বেগুন-৪ (কাজলা), বারি বেগুন-৫ (নয়নতারা), বারি বেগুন-৬, বারি বেগুন-৭, বারি বেগুন-৮, বারি বেগুন-৯, বারি বেগুন-১০।
এছাড়াও খটখটিয়া, ইসলামপুরী, মুক্তকেশী, চিত্রা, পুরাক্রান্তি, শিংনাথ বিভিন্ন জাতের বেগুন রয়েছে। কলার একটি জাতের নাম অগ্নিশ্বর। রূপালি ও ডেলফোজ উন্নতজাতের তুলাবীজ। ড্রামহেড উন্নতজাতের বাঁধাকপি।
[সূত্রঃ কৃষি তথ্য সার্ভিস (এআইএস)]
২৪.
বাংলাদেশে আউশ ধান কাটা হয়-
  1. ক) এপ্রিল-মে মাসে
  2. খ) জুলাই-আগষ্ট মাসে
  3. গ) নভেম্বর-ডিসেম্বর মাসে
  4. ঘ) নভেম্বর-জানুয়ারি মাসে
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশে আউশ ধান কাটা হয় জুলাই-আগষ্ট মাসে। বোনা-আমন ধান কাটা হয় নভেম্বর-ডিসেম্বর মাসে, রোপা আমন ধান কাটা হয় নভেম্বর-জানুয়ারি মাসে, স্থানীয় বোরো ধান কাটা হয় এপ্রিল-মে মাসে, উচ্চফলনশীল বোরো ধান কাটা হয় মে-জুন মাসে।
[সূত্রঃ বাংলাপিডিয়া]
২৫.
‘কাঞ্চন’ ও ‘বিজয়’ কোন ফসলের উন্নত জাত?
  1. ক) উন্নত জাতের গম
  2. খ) উন্নত জাতের ভুট্টা
  3. গ) উন্নত জাতের আলু
  4. ঘ) উন্নত জাতের ধান
ব্যাখ্যা
কয়েকটি উন্নত জাতের গম – অঘ্রানী, শতাব্দী, প্রদীপ, সুফী, বিজয়, সোনালিকা, বলাকা, দোয়েল, আনন্দ, আকবর, কাঞ্চন, সৌরভ, গৌরব, বরকত, জুপাটিকা-৭৩, ইনিয়া-৬৬। বাংলাদেশ গম ও ভুট্টা গবেষণা ইনস্টিটিউট কর্তৃক উদ্ভাবিত ‘বিডব্লিউএমআরআই গম ১’ একটি আগাম এবং উচ্চ ফলনশীল গমের জাত। এটি শতাব্দী এবং প্রদীপ জাতের মধ্যে বাংলাদেশে সংকরায়ন করে উদ্ভাবন করা হয়েছে।
[সূত্রঃ কৃষি তথ্য সার্ভিস (এআইএস)]
২৬.
বাংলাদেশে ফসল উৎপাদনের ‘খরিপ-১’ মৌসুম-
  1. ক) চৈত্র থেকে জ্যৈষ্ঠ মাস
  2. খ) বৈশাখ থেকে শ্রাবণ মাস
  3. গ) আষাঢ় থেকে ভাদ্র মাস
  4. ঘ) আশ্বিন থেকে ফাল্গুন মাস
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের ফসল উৎপাদনের জন্য জলবায়ুর ভিত্তিতে সারা বছরকে প্রধান দুটি মৌসুম যথা—রবি মৌসুম ও খরিপ মৌসুম হিসেবে ভাগ করা হয়েছে। এই দুই মৌসুমে বিভিন্ন ধরনের ফসল জন্মে। সাধারণত আশ্বিন থেকে ফাল্গুন মাস পর্যন্ত সময়কালকে রবি মৌসুম বলে। রবি শস্য মূলত শীতকালীন শস্য বা ফসল হিসেবে পরিচিত। খরিপ মৌসুমকে দুইভাগে ভাগ করা হয়।
খরিপ- ১: চৈত্র মাস থেকে জ্যৈষ্ঠ মাস পর্যন্ত সময়কে খরিপ-১ মৌসুম বা গ্রীষ্মকাল বলা হয়।
খরিপ-২ঃ আষাঢ় মাস থেকে ভাদ্র মাস পর্যন্ত সময়কে খরিপ-২ মৌসুম বা বর্ষাকাল বলা হয়।
[সূত্রঃ কৃষিশিক্ষা, ৭ম শ্রেণি]
২৭.
আম উৎপাদনে বিশ্বে বাংলাদেশের অবস্থান -
  1. ক) চতুর্থ
  2. খ) ষষ্ঠ
  3. গ) সপ্তম
  4. ঘ) অষ্টম
ব্যাখ্যা
কৃষি মন্ত্রণালয় কর্তৃক প্রকাশিত কৃষির সালতামামি ২০১৯ আম উৎপাদনে বাংলাদেশ বিশ্বে সপ্তম এবং পেয়ারায় অষ্টম। আম উৎপাদন প্রায় ২৪ লাখ মেট্রিক টনে উন্নীত হয়েছে।
[সূত্রঃ কৃষি মন্ত্রণালয়]
২৮.
স্বাধীন বাংলাদেশে ‘কৃষিশুমারি-২০১৯’ ছিল-
  1. ক) ৪র্থ কৃষিশুমারি
  2. খ) ৫ম কৃষিশুমারি
  3. গ) ৬ষ্ঠ কৃষিশুমারি
  4. ঘ) ৭ম কৃষিশুমারি
ব্যাখ্যা
স্বাধীন বাংলাদেশে ১৯৭৭ সালে প্রথম, ১৯৮৩-৮৪ সালে দ্বিতীয়, ১৯৯৬ সালে তৃতীয়, ২০০৮ সালে চতুর্থ এবং ২০১৯ সালের ৯-২০ জুন সর্বশেষ পঞ্চম কৃষিশুমারি অনুষ্ঠিত হয়৷ পাকিস্তান আমলে ১৯৬০ সালে প্রথম নমুনা আকারে কৃষিশুমারি অনুষ্ঠিত হয়েছিল।
[সূত্রঃ বিবিএস ওয়েবসাইট এবং দৈনিক বাংলাদেশ প্রতিদিন পত্রিকা]
২৯.
বর্তমানে দেশে নিয়ন্ত্রিত ফসলের সংখ্যা-
  1. ক) ৫ টি
  2. খ) ৬ টি
  3. গ) ৭ টি
  4. ঘ) ৮ টি
ব্যাখ্যা
‘বীজ আইন, ২০১৮’ অনুযায়ী জাতীয় বীজ বোর্ডের ১০০তম সভার সিদ্ধান্তের পরিপ্রেক্ষিতে ২০১৯ সালের ১৯ সেপ্টেম্বর থেকে আগামী ৩ বছরের জন্য আলুকে অনিয়ন্ত্রিত ফসল ঘোষণা করে কৃষি মন্ত্রণালয় থেকে আদেশ জারি করা হয়েছে। বর্তমানে দেশে নিয়ন্ত্রিত ফসলের সংখ্যা ৬টি- ধান, গম, পাট, আখ, মেস্তা ও কেনাফ।
[সূত্রঃ লাইভ এমসিকিউ সাম্প্রতিক সমাচার, জানুয়ারি ২০২০]
৩০.
বাংলাদেশে প্রথম চা বাগান প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল-
  1. ক) সিলেটের মালনীছড়ায়
  2. খ) মৌলভীবাজার জেলায়
  3. গ) সিলেটের তামাবিলে
  4. ঘ) চট্টগ্রাম ক্লাব সংলগ্ন এলাকায়
ব্যাখ্যা
১৮৪০ সালে চট্টগ্রাম শহরের বর্তমান চট্টগ্রাম ক্লাব সংলগ্ন এলাকায় একটি চা বাগান প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল যা কুন্ডদের বাগান নামে পরিচিত। এই বাগানটি প্রতিষ্ঠার পরপরই বিলুপ্ত হয়ে যায়। অতঃপর ১৮৫৪ সালে মতান্তরে ১৮৪৭ সালে সিলেট শহরের এয়ারপোর্ট রোডের কাছে মালনীছড়া চা বাগান প্রতিষ্ঠিত হয়। মূলতঃ মালনীছড়াই বাংলাদেশের প্রথম বাণিজ্যিক চা বাগান।
[সূত্রঃ চা বোর্ড ওয়েবসাইট]
৩১.
বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর ২০১৯-২০ অর্থবছরের সাময়িক হিসাবে, স্থিরমূল্যে জিডিপিতে কৃষিখাতের অবদান-
  1. ক) ১১.৫৬ শতাংশ
  2. খ) ১২.২৫ শতাংশ
  3. গ) ১২.৫৫ শতাংশ
  4. ঘ) ১৩.৩৫ শতাংশ
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) সাময়িক হিসাব অনুযায়ী, ২০১৯-২০২০ অর্থবছরে স্থিরমূল্যে জিডিপিতে কৃষিখাতের অবদান ১৩.৩৫ শতাংশ। শিল্পখাতের অবদান ৩৫.৩৬ শতাংশ এবং সেবাখাতের অবদান ৫১.৩০ শতাংশ। মাথাপিছু জাতীয় আয় ২০৬৪ মার্কিন ডলার এবং মাথাপিছু জিডিপি ১৯৭০ মার্কিন ডলার।
[সূত্রঃ বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) ওয়েবসাইট]
৩২.
২০২০-২০২১ অর্থবছরের বাজেটে বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচির কোন খাতে সর্বোচ্চ বরাদ্ধ দেয়া হয়েছে?
  1. ক) মানবসম্পদ
  2. খ) যোগাযোগ অবকাঠামো
  3. গ) জ্বালানি অবকাঠামো
  4. ঘ) কৃষি ও পল্লী উন্নয়ন
ব্যাখ্যা
২০২০-২০২১ অর্থবছরের বাজেটে বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচিতে বরাদ্দ করা হয়েছে দুই লাখ পাঁচ হাজার ১৪৫ কোটি টাকা। বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচিতে সর্বোচ্চ বরাদ্ধ দেয়া হয়েছে মানবসম্পদ খাতে ৫৮,৪৩৪ কোটি টাকা, যা মোট এডিপির ২৮.৫ শতাংশ। এছাড়া মোট এডিপির ২৫.৪ শতাংশ যোগাযোগ অবকাঠামো খাতে, ১৩.০ শতাংশ জ্বালানি অবকাঠামো খাতে, ২২.০ শতাংশ কৃষি ও পল্লী উন্নয়ন খাতে এবং ১১.১ শতাংশ অন্যান্য খাতে বরাদ্ধ রাখা হয়েছে।
[সূত্রঃ বাজেট বক্তৃতা : ২০২০-২০২১]
৩৩.
বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর ২০১৯-২০ অর্থবছরের সাময়িক হিসাবে, বাংলাদেশের মানুষের বার্ষিক মাথাপিছু গড় আয়-
  1. ক) ১৯০৯ মার্কিন ডলার
  2. খ) ১৯৭০ মার্কিন ডলার
  3. গ) ২০২৭ মার্কিন ডলার
  4. ঘ) ২০৬৪ মার্কিন ডলার
ব্যাখ্যা
২০১৯-২০ অর্থবছর শেষে বাংলাদেশের মানুষের বার্ষিক মাথাপিছু গড় আয় ২০৬৪ মার্কিন ডলার। ২০১৮-২০১৯ অর্থবছরে মাথাপিছু গড় আয় ছিল ১৯০৯ মার্কিন ডলার। অর্থাৎ, দেশের মানুষের মাথাপিছু গড় আয় এক বছরের ব্যবধানে ১৫৫ ডলার বেড়েছে। বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) মোট দেশজ উৎপাদন (জিডিপি) ও মাথাপিছু আয়ের সাময়িক হিসাবে এই চিত্র উঠে এসেছে।
[সূত্রঃ বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) ওয়েবসাইট এবং প্রথম আলো পত্রিকা]
৩৪.
‘বাংলাদেশ পরিকল্পনা কমিশন’এর বিকল্প চেয়ারপারসন হলেন-
  1. ক) রাষ্ট্রপতি
  2. খ) প্রধানমন্ত্রী
  3. গ) মন্ত্রী, অর্থ মন্ত্রণালয়
  4. ঘ) মন্ত্রী, পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়
ব্যাখ্যা
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার ‘বাংলাদেশ পরিকল্পনা কমিশন’ নিম্নরূপে গঠন করেছে-
প্রধানমন্ত্রী: চেয়ারপারসন
মন্ত্রী, অর্থ মন্ত্রণালয়: বিকল্প চেয়ারপারসন
মন্ত্রী, পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়: ভাইস চেয়ারপারসন
পরিকল্পনা কমিশনের সদস্যগণ: সদস্য
সচিব, পরিকল্পনা বিভাগ: সদস্য-সচিব
[সূত্র- বাংলাদেশ গেজেট, ১৫ এপ্রিল ২০১৯]
৩৫.
প্রাইস ওয়াটারহাউস কুপার্স (পিডব্লিউসি) এর মতে, ২০৫০ সালের মধ্যে বাংলাদেশ কত তম বৃহত্তম অর্থনীতির দেশ হবে?
  1. ক) ২৩ তম
  2. খ) ২৬ তম
  3. গ) ২৭ তম
  4. ঘ) ২৯ তম
ব্যাখ্যা
প্রাইস ওয়াটারহাউস কুপার্স (পিডব্লিউসি) বাংলাদেশকে এমন তিনটি দেশের মধ্যে চিহ্নিত করেছে যেখানে ২০১৫ থেকে পরবর্তী ৩৫ বছর একটানা পাঁচ শতাংশেরও বেশি প্রবৃদ্ধি অর্জিত হবে এবং ২০৫০ এর মধ্যে পরিণত হবে বিশ্বের ২৩ তম বৃহত্তম অর্থনীতির দেশ হিসেবে।
[সূত্রঃ সপ্তম পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনা]
৩৬.
রূপকল্প ২০২১ বাস্তবায়নের জন্য গৃহীত/অনুসৃত হয়-
  1. ক) দুইটি প্রেক্ষিত পরিকল্পনা
  2. খ) তিনটি পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা
  3. গ) তিনটি দারিদ্র্য নিরসন কৌশলপত্র
  4. ঘ) একটি প্রেক্ষিত পরিকল্পনা এবং দুইটি পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা
ব্যাখ্যা
রূপকল্প ২০২১ বাস্তবায়নের জন্য একটি প্রেক্ষিত পরিকল্পনা (২০১০-২০২১) এবং দুটি পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা- ষষ্ঠ (২০১১-২০১৫) এবং সপ্তম (২০১৬-২০২০) পরিকল্পনা গৃহীত/অনুসৃত হয়।
[সূত্রঃ সপ্তম পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনা]
৩৭.
২০২০ অর্থবছর নাগাদ দারিদ্র্য হার কত শতাংশ হ্রাস করা সপ্তম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনার অন্বিষ্ট ছিল?
  1. ক) ৮.৯ শতাংশ
  2. খ) ১২.৩ শতাংশ
  3. গ) ১৬.৯ শতাংশ
  4. ঘ) ১৮.৬ শতাংশ
ব্যাখ্যা
প্রবৃদ্ধি ও দারিদ্র্য নিরসন: সপ্তম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনার অন্বিষ্ট হলো ২০২০ অর্থবছর নাগাদ দারিদ্র্য হার ১৮.৬% এবং চরম দারিদ্র্য হার ৮.৯% এ হ্রাস করা। প্রবৃদ্ধি বাড়ানোর পাশাপাশি সপ্তম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনায় সমন্বিত দারিদ্র্য নিরসন কৌশলের অপরিহার্য উপাদান হিসেবে মানব উন্নয়ন, সামাজিক সুরক্ষা ও সামাজিক অন্তর্ভুক্তির ওপর জোর দেয়া হবে।
[সূত্রঃ সপ্তম পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনা]
৩৮.
বাংলাদেশ এখন পর্যন্ত কয়টি ‘দারিদ্র্য বিমোচন কৌশলপত্র (PRSP)’ গ্রহণ করে?
  1. ক) একটি
  2. খ) দুইটি
  3. গ) তিনটি
  4. ঘ) চারটি
ব্যাখ্যা
PRSP এর পূর্ণরূপ হলো Proverty Reduction Strategy Papers. PRSP হলো আইএমএফের নির্দেশনায় বাংলাদেশ সরকার গৃহিত দারিদ্র্য বিমোচন কৌশলপত্র। বাংলাদেশ সরকার ২০০৫-২০০৮ সময়ে প্রথম এবং ২০০৯-২০১১ সময়ে দ্বিতীয় দারিদ্র্য বিমোচন কৌশলপত্র গ্রহণ করে। এটি প্রণয়ন করে পরিকল্পনা কমিশন।
[সূত্রঃ IMF ও পরিকল্পনা কমিশন ওয়েবসাইট]
৩৯.
খেলাপি ঋণ আদায়ে প্রস্তাবিত সরকারি সংস্থার নাম-
  1. ক) Bangladesh Debt Management Corporation
  2. খ) Default Loan Management Company
  3. গ) Bangladesh Asset Management Corporation
  4. ঘ) Bangladesh Resource Management Company
ব্যাখ্যা
খেলাপি ঋণ আদায়ে সরকারি যে করপোরেশন বা সংস্থা করা হচ্ছে, সেটি পরিচালিত হবে অর্থ মন্ত্রণালয়ের অধীনে; যার নাম ঠিক করা হয়েছে ‘বাংলাদেশ অ্যাসেট ম্যানেজমেন্ট করপোরেশন(Bangladesh Asset Management Corporation-BAMCO)’। সংস্থাটির মূল কাজ হবে ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানের খেলাপি বা জামানতি ঋণ আদায় ও কেনাবেচা করা।
[সূত্রঃ আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগ, অর্থ মন্ত্রণালয়]
৪০.
বাংলাদেশ ইস্পাত ও প্রকৌশল করপোরেশন (BSEC) এর ব্যবস্থাপনায় কয়টি শিল্প প্রতিষ্ঠান চালু রয়েছে-
  1. ক) ৭টি
  2. খ) ৮টি
  3. গ) ৯টি
  4. ঘ) ১০টি
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ ইস্পাত ও প্রকৌশল করপোরেশন (BSEC) এর ব্যবস্থাপনায় ৯ টি শিল্প প্রতিষ্ঠান চালু রয়েছে। এই শিল্প প্রতিষ্ঠানগুলির মধ্যে এটলাস বাংলাদেশ লিঃ, ন্যাশনাল টিউবস লিঃ এবং ইস্টার্ন কেবলস লিঃ এর ৪৯% শেয়ার অফলোডকৃত। বাকী শিল্প প্রতিষ্ঠানসমূহ ইস্টার্ন টিউবস লি., গাজী ওয়্যারস লি., জেনারেল ইলেকট্রিক ম্যানুফেকচারিং কোং. লি., প্রগতি ইন্ডাস্ট্রিজ লি., বাংলাদেশ ব্লেড ফ্যাক্টরি লি., এবং ঢাকা স্টীল ওয়ার্কস লি. এর ১০০% শেয়ার বিএসইসি’র তথা সরকারের।এছাড়া ২০১৩ সালে জাপানের হোন্ডা (৭০% শেয়ার) ও বিএসইসি (৩০%শেয়ার)-এর সাথে জয়েন্ট ভেঞ্চারে বাংলাদেশ হোন্ডা প্রাইভেট লি. স্থাপন করা হয়েছে।
[সূত্রঃ বাংলাদেশ ইস্পাত ও প্রকৌশল করপোরেশন (BSEC)]
৪১.
বাংলাদেশ কেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ কর্পোরেশনের নিয়ন্ত্রণাধীন সর্ববৃহৎ ইউরিয়া সার উৎপাদনকারী সরকারি প্রতিষ্ঠান-
  1. ক) শাহজালাল ফার্টিলাইজার কোম্পানী লিমিটেড
  2. খ) ইউরিয়া ফার্টিলাইজার ফ্যাক্টরী লিমিটেড
  3. গ) যমুনা ফার্টিলাইজার কোম্পানি লিমিটেড
  4. ঘ) কর্ণফুলী ফার্টিলাইজার কোম্পানি লিমিটেড
ব্যাখ্যা
শিল্প মন্ত্রণালয়ের অধীন বাংলাদেশ রসায়ন শিল্প সংস্থার নিয়ন্ত্রণে বর্তমানে দেশে ৮টি সার কারখানা রয়েছে। শাহজালাল ফার্টিলাইজার কোম্পানী লিমিটেড শিল্প মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন বাংলাদেশ কেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ কর্পোরেশনের নিয়ন্ত্রণে স্থাপিত দেশের অত্যাধুনিক ডিসিএস, পিএলসি সম্বলিত শক্তি সাশ্রয়ী এবং পরিবেশবান্ধব দৈনিক ১৭৬০ মে.টন উৎপাদনক্ষমতা সম্পন্ন সর্ববৃহৎ ইউরিয়া সার উৎপদনকারী একটি সরকারি মালিকানাধীন প্রতিষ্ঠান। এসএফসিএল কারখানাটি সিলেট শহর থেকে ৩০ কিলোমিটার দক্ষিণে ফেঞ্চুগঞ্জ উপজেলায় অবস্থিত। অন্যদিকে যমুনা সার কারখানা এবং চিটাগাং ইউরিয়া সার কারখানা এর বার্ষিক উৎপাদন ক্ষমতা ৫ লক্ষ ৬১ হাজার মে. টন। কাফকো সার কারখানা বাংলাদেশ ও জাপানের যৌথ উদ্যোগে ১৯৯২ সালে চট্টগ্রামে প্রতিষ্ঠিত হয়। যমুনা ও কাফকো সার কারখানায় দানাদার ইউরিয়া সার উৎপাদিত হয়।
[সূত্রঃ বাংলাদেশ কেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ কর্পোরেশন ওয়েবসাইট]
৪২.
‘লাফার্জ হোলসিম বাংলাদেশ লিমিটেড’ প্রতিষ্ঠানটি কোন শিল্পের সাথে সম্পৃক্ত-
  1. ক) টেলিফোন শিল্প
  2. খ) ঔষধ শিল্প
  3. গ) সিমেন্ট শিল্প
  4. ঘ) চিনি শিল্প
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশে অবস্থিত সিমেন্ট শিল্পের বহুজাতিক কোম্পানি লাফার্জ হোলসিম বাংলাদেশ লিমিটেড। সুনামগঞ্জের ছাতকে অবস্থিত এই সিমেন্ট কারখানাটি। সিমেন্টের প্রধান কাঁচামাল ক্লিংকার উৎপাদন করে সেখান থেকে সিমেন্ট তৈরি করে থাকে প্রতিষ্ঠানটি। দেশের বেসরকারি সিমেন্ট কারখানাগুলোর মধ্যে লাফার্জই হচ্ছে একমাত্র স্বয়ংসম্পূর্ণ কারখানা।
[সূত্রঃ lafargeholcim.com.bd এবং প্রথম আলো পত্রিকা]
৪৩.
লোকসানের কারণে এবং পাটখাতে প্রতিযোগিতামূলক পরিবেশ প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে সরকার রাষ্ট্রায়ত্ত পাটকলগুলো বন্ধ ঘোষণা করে-
  1. ক) ১ জুন, ২০২০
  2. খ) ২ জুন, ২০২০
  3. গ) ১ জুলাই, ২০২০
  4. ঘ) ৩ জুলাই, ২০২০
ব্যাখ্যা
ধারাবাহিক লোকসানের কারণে এবং পাটখাতে প্রতিযোগিতামূলক পরিবেশ প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে সরকার বিজেএমসি এর নিয়ন্ত্রণাধীন ২৫টি রাষ্ট্রায়ত্ত পাটকলসমূহ ১ জুলাই ২০২০ থেকে বন্ধ ঘোষণা করে। এর মধ্যে ২২টি পুরোদমে পাটকল ও ৩টি নন-জুট ইন্ডাস্ট্রি ছিল।
[সূত্রঃ বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়]
৪৪.
‘বাংলাদেশ রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ অঞ্চল কর্তৃপক্ষ (বেপজা)’ কোনটির নিয়ন্ত্রণাধীন-
  1. ক) বাণিজ্য মন্ত্রণালয়
  2. খ) শিল্প মন্ত্রণালয়
  3. গ) প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়
  4. ঘ) অর্থ মন্ত্রণালয়
ব্যাখ্যা
দেশের ইপিজেডগুলো ব্যবস্থাপনাকারী কর্তৃপক্ষ হলো বাংলাদেশ রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ অঞ্চল কর্তৃপক্ষ (বেপজা)। এটি সরাসরি প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের নিয়ন্ত্রণাধীন। ইপিজেড প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে ১৯৮০ সালে বেপজা গঠন করা হয়। বেপজা গঠনের পর শুরু হয় ইপিজেড প্রতিষ্ঠার কাজ। চট্টগ্রাম ইপিজেড দিয়েই সেটির আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু হয়। চট্টগ্রাম ইপিজেড প্রতিষ্ঠার ১০ বছর পর ১৯৯৩ সালে এসে গড়ে ওঠে ঢাকা ইপিজেড। এরপর পর্যায়ক্রমে ১৯৯৯ সালে মংলা, ২০০০ সালে কুমিল্লা, ২০০১ সালে ঈশ্বরদী ও নীলফামারীতে উত্তরা, ২০০৬ সালে নারায়ণগঞ্জে আদমজী ও চট্টগ্রামে কর্ণফুলী ইপিজেডের যাত্রা শুরু হয়।
[সূত্রঃ বেপজা ওয়েবসাইট এবং প্রথম আলো পত্রিকা]
৪৫.
চীনের বাজারে বাংলাদেশের মোট শুল্কমুক্ত ও কোটামুক্ত রপ্তানি পণ্যের সংখ্যা-
  1. ক) ৮ হাজার ২৫৬টি
  2. খ) ৫ হাজার ১৬১টি
  3. গ) ৩ হাজার ৯৫টি
  4. ঘ) ৭ হাজার ৪৫৬টি
ব্যাখ্যা
চীনের বাজারে মোট শুল্কমুক্ত পণ্যের সংখ্যা ৮ হাজার ২৫৬টি। ফলে চীনে বাংলাদেশের মোট রপ্তানি পণ্যের ৯৭ শতাংশই শুল্কমুক্ত সুবিধার আওতায় এসেছে। ১ জুলাই, ২০২০ থেকে এ সুবিধা কার্যকর হয়েছে।
[সূত্রঃ প্রথম আলো পত্রিকা এবং বাণিজ্য মন্ত্রণালয়]
৪৬.
বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থার (WTO) ‘ওয়ার্ল্ড স্ট্যাটিসটিক্যাল রিভিউ ২০২০’ অনুযায়ী বস্ত্র বা কাপড় আমদানিতে বাংলাদেশের অবস্থান-
  1. ক) দ্বিতীয়
  2. খ) চতুর্থ
  3. গ) সপ্তম
  4. ঘ) অষ্টম
ব্যাখ্যা
পোশাক রপ্তানিতে দ্বিতীয় অবস্থানে থাকলেও বস্ত্র বা কাপড় রপ্তানিতে শীর্ষ দশে নেই বাংলাদেশ। পোশাকের মতো এখানেও চীনের রাজত্ব। গত বছর চীন ১২ হাজার কোটি ডলারের বস্ত্র রপ্তানি করেছে। রপ্তানিতে না থাকলেও কাপড় আমদানিতে শীর্ষ দশ দেশের মধ্যে চতুর্থ অবস্থানে রয়েছে বাংলাদেশ। গত বছর বাংলাদেশে ১ হাজার কোটি ডলারের কাপড় আমদানি হয়েছে।
[সূত্রঃ প্রথম আলো পত্রিকা]
৪৭.
কোন ব্যাংকটি দীর্ঘদিন মালদ্বীপের কেন্দ্রীয় ব্যাংক হিসেবে কাজ করে?
  1. ক) আরব- বাংলাদেশ ব্যাংক
  2. খ) ন্যাশনাল ব্যাংক
  3. গ) দি সিটি ব্যাংক
  4. ঘ) আইএফআইসি ব্যাংক
ব্যাখ্যা
১৯৮২ সালে বাণিজ্যিক ব্যাংক হিসেবে কার্যক্রম পরিচালনা করার জন্য সরকারের অনুমোদন প্রাপ্তি, মালদ্বীপ প্রজাতন্ত্রে প্রথম বৈদেশিক যৌথ উদ্যোগ প্রতিষ্ঠান (ব্যাংক অব মালদ্বীপ লিমিটেড) স্থাপন (পরবর্তী সময়ে ১৯৯২ সালে ব্যাংক অব মালদ্বীপ লিমিটেড-এ আইএফআইসি’র শেয়ার মালদ্বীপ সরকারের কাছে বিক্রি করা হয়)।
[ সূত্রঃ আইএফআইসি ব্যাংক]
৪৮.
বাংলাদেশের শেয়ার মার্কেট বা স্টক এক্সচেঞ্জ-
  1. ক) একটি
  2. খ) দুইটি
  3. গ) তিনটি
  4. ঘ) চারটি
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশে শেয়ার বাজারের নিয়ন্ত্রক সংস্থা হলো BSEC (Bangladesh Security Exchange Commission)। এটি ১৯৯৩ সালের ৮ জুন প্রতিষ্ঠিত হয়। এটি অর্থ মন্ত্রণালয়ের সাথে সংযুক্ত। বাংলাদেশের শেয়ার মার্কেট বা স্টক এক্সচেঞ্জ দুটো। বাংলাদেশের শেয়ার মার্কেট বা স্টক এক্সচেঞ্জ। এগুলো হলো DSE (Dhaka Stock Exchange) এবং CSE (Chittagong Stock Exchange)।
[সূত্রঃ BSEC ওয়েবসাইট]