পরীক্ষা আর্কাইভ

ICT Expert

পরীক্ষাICT Expertতারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়07 minutes
মোট প্রশ্ন১৪
সিলেবাস
পরীক্ষা – ৪ টপিক: কম্পিউটার অঙ্গসংগঠন ও পেরিফেরালস, কম্পিউটার আর্কিটেকচার, কম্পিউটার মেমরি, কম্পিউটার পারঙ্গমতা [ক্লাস ৮, ৯ ও ১০]
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

ICT Expert

ICT Expert · তারিখ অনির্ধারিত · ১৪ প্রশ্ন

.
HDD-এর কোন অংশটি SSD-তে পাওয়া যায় না?
  1. ফ্ল্যাশ চিপ
  2. কন্ট্রোলার
  3. ক্যাশ মেমোরি
  4. মেকানিক্যাল অংশ
সঠিক উত্তর:
মেকানিক্যাল অংশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মেকানিক্যাল অংশ
ব্যাখ্যা

• HDD এবং SSD এর মধ্যে প্রধান পার্থক্য হলো তাদের ডাটা সংরক্ষণের পদ্ধতি। HDD বা হার্ড ডিস্ক ড্রাইভে তথ্য সংরক্ষণ করতে ঘূর্ণনশীল ডিস্ক এবং রিড/রাইট হেড ব্যবহার করা হয়। অন্যদিকে SSD বা সলিড-স্টেট ড্রাইভে তথ্য সংরক্ষণ হয় ফ্ল্যাশ চিপে, যা সম্পূর্ণ ইলেকট্রনিক এবং কোনো চলমান মেকানিক্যাল অংশ নেই। তাই HDD-এর যে মেকানিক্যাল অংশগুলো যেমন ডিস্ক প্ল্যাটার, স্পিন্ডেল এবং হেড অ্যাকচুয়েটর, সেগুলো SSD তে পাওয়া যায় না। SSD শুধুমাত্র ফ্ল্যাশ চিপ, কন্ট্রোলার এবং ক্যাশ মেমোরি ব্যবহার করে।

- উত্তর: ঘ) মেকানিক্যাল অংশ। 

​SSD:
- SSD এর পূর্ণরূপ Solid State Drive.
- সলিড-স্টেট ড্রাইভ (SSD) কম্পিউটারে ব্যবহৃত স্টোরেজ ডিভাইসের একটি নতুন প্রজন্ম।
- SSD ফ্ল্যাশ-ভিত্তিক মেমোরি ব্যবহার করে ডেটা সংরক্ষণ করে, যা Traditional Hard Disk এর তুলনায় অনেক দ্রুত।
- SSD ব্যবহারের ফলে কম্পিউটার পরিচালনায় উল্লেখযোগ্য পরিমাণ গতি আসে।

SSD ও HDD:
SSD: ফ্ল্যাশ মেমোরি ব্যবহার করে, দ্রুতগতি, কম বিদ্যুৎ খরচ, কম তাপ উৎপাদন।
HDD: চৌম্বকীয় ডিস্ক ব্যবহার করে, তুলনামূলক ধীরগতি, যান্ত্রিক অংশ রয়েছে।

উৎস: Microsoft [link]

.
Flash Memory কোন প্রযুক্তির উপর ভিত্তি করে কাজ করে?
  1. Punch Card
  2. Magnetic
  3. Optical
  4. EEPROM
সঠিক উত্তর:
EEPROM
উত্তর
সঠিক উত্তর:
EEPROM
ব্যাখ্যা

• Flash memory মূলত EEPROM (Electrically Erasable Programmable Read-Only Memory) প্রযুক্তির উপর ভিত্তি করে কাজ করে। এটি একটি ধরনের অস্থায়ী না হওয়া মেমরি যা বৈদ্যুতিক সংকেত ব্যবহার করে তথ্য সংরক্ষণ এবং মুছে ফেলার কাজ করতে পারে। অন্য প্রযুক্তিগুলোর সাথে তুলনা করলে, যেমন পাঞ্চ কার্ড, ম্যাগনেটিক বা অপটিক্যাল মিডিয়া, এগুলোতে তথ্য সংরক্ষণ প্রক্রিয়া স্বয়ংক্রিয় বা বৈদ্যুতিকভাবে মুছা সম্ভব নয়। Flash memory এর সুবিধা হলো দ্রুত পড়া এবং লেখা সম্ভব এবং এটি বহুল ব্যবহৃত হয় USB drives, SSD এবং স্মার্টফোনের স্টোরেজে।
- তাই সঠিক উত্তর হলো ঘ) EEPROM.

EEPROM:
- EEPROM-এর পূর্ণরূপ হলো "Electrically Erasable Programmable Read-Only Memory"।
- EEPROM-এ তথ্য মুছতে EPROM-এর তুলনায় অনেক কম সময় লাগে।
- EPROM-এর একটি অসুবিধা ছিল যে এতে সংরক্ষিত তথ্য মুছতে অনেক সময় লাগতো, প্রায় আধা ঘণ্টা। এছাড়া, আংশিকভাবে তথ্য মুছা সম্ভব ছিল না। এই অসুবিধা দূর করার জন্য EEPROM ব্যবহার করা হয়।
- EEPROM-এ আংশিক বা সম্পূর্ণ ডেটা মুছে ফেলা সম্ভব। তবে, এটি করার জন্য EEPROM কে সার্কিট থেকে খুলতে হয় না। প্রয়োজনীয় বিদ্যুৎ প্রবাহ চালিয়ে তথ্য মুছে ফেলা যায় এবং নতুন তথ্য সংযোজন করা যায়।
- ফ্ল্যাশ মেমরি হলো এক ধরণের EEPROM (Electronically Erasable Programmable Read-Only Memory).

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় ও ব্রিটানিকা।

.
কন্ট্রোল ইউনিটের জন্য কোন তথ্য সঠিক?
  1. ALU এর সমতুল্য
  2. প্রোগ্রাম স্থায়ীভাবে সংরক্ষণ করে
  3. লজিক্যাল ক্যালকুলেশন করে
  4. মেমরি, CPU এবং I/O ডিভাইস নিয়ন্ত্রণ করে
সঠিক উত্তর:
মেমরি, CPU এবং I/O ডিভাইস নিয়ন্ত্রণ করে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মেমরি, CPU এবং I/O ডিভাইস নিয়ন্ত্রণ করে
ব্যাখ্যা

• সঠিক উত্তর হলো: ঘ) মেমরি, CPU এবং I/O ডিভাইস নিয়ন্ত্রণ করে।

কন্ট্রোল ইউনিট (CU) কম্পিউটারের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ যা CPU-এর নিয়ন্ত্রণ এবং সমন্বয় পরিচালনা করে। এটি প্রোগ্রামের নির্দেশাবলী পড়ে এবং সেগুলি অনুযায়ী মেমরি, ALU এবং ইনপুট-আউটপুট ডিভাইসগুলোর কার্যক্রম নিয়ন্ত্রণ করে। CU কোনো ক্যালকুলেশন বা তথ্য সংরক্ষণ করে না, বরং সব ইউনিটের মধ্যে নির্দেশ ও সময়সীমা নিয়ন্ত্রণ নিশ্চিত করে, ফলে CPU সঠিকভাবে এবং কার্যকরভাবে কাজ করতে পারে।

কম্পিউটার সিস্টেমের প্রধান পাঁচটি অংশ হলো:
১। ইনপুট ইউনিট (Input Unit)
২। নিয়ন্ত্রণ ইউনিট (Control Unit)
৩। গাণিতিক যুক্তি ইউনিট (Arithmetic Logic Unit)
৪। মেমোরি ইউনিট (Memory Unit)
৫। আউটপুট ইউনিট (Output Unit)

​নিয়ন্ত্রণ অংশ (Control Unit):
- কন্ট্রোল ইউনিটের প্রধান কাজ হলো মেমোরি থেকে নির্দেশনা কোড পড়া ও ডিকোড করা।
- মাইক্রোপ্রসেসরের অন্য অংশগুলোকে কাজে লাগানোর জন্য প্রয়োজনীয় নিয়ন্ত্রণ সংকেত তৈরি করা। যেমন—গাণিতিক কার্যক্রম সম্পন্ন করার জন্য মাইক্রোপ্রসেসরের গাণিতিক যুক্তি অংশকে নিয়ন্ত্রণ সংকেতের মাধ্যমে নির্দেশ প্রদান করা।
- নিয়ন্ত্রণ ইউনিট বা কন্ট্রোল ইউনিট কম্পিউটারের সমস্ত অংশকে নিয়ন্ত্রণ ও পরিচালনার কাজে নিয়োজিত থাকে।
- এটি কম্পিউটারের প্রতিটি নির্দেশ পরীক্ষা করে এবং কার্যকর করার জন্য প্রয়োজনীয় সংকেত তৈরি করে।
- মেমোরিতে কখন তথ্যের প্রয়োজন হবে, সহায়ক মেমোরি থেকে কখন প্রধান মেমোরিতে তথ্য নিতে হবে, কখন ইনপুট থেকে উপাত্ত নিতে হবে, কখন ফলাফল দিতে হবে - এ সব বিষয় নিয়ন্ত্রণ করে।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা (উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়, বিবিএ প্রোগ্রাম)।

.
CPU-এর কার্যক্ষমতা কী এককে নির্ধারণ করা হয়?
  1. Gigahertz
  2. Gigabytes
  3. Megapixels
  4. Kilograms
সঠিক উত্তর:
Gigahertz
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Gigahertz
ব্যাখ্যা

• CPU-এর কার্যক্ষমতা সাধারণত Gigahertz (GHz) এককে নির্ধারণ করা হয়। Gigahertz মূলত প্রসেসরের ঘড়ির গতি বোঝায়, যা প্রতি সেকেন্ডে কত কোটি চক্র সম্পন্ন করতে পারে তা নির্দেশ করে। এটি প্রসেসরের গতিশীলতা ও কমান্ড প্রক্রিয়াকরণের ক্ষমতার একটি সূচক। বেশি GHz মানে CPU দ্রুত ডেটা প্রক্রিয়াকরণ করতে পারে, ফলে কম্পিউটার দ্রুত ও কার্যকরভাবে কাজ করতে সক্ষম হয়। অন্য একক যেমন Gigabytes, Megapixels বা Kilograms CPU-এর কার্যক্ষমতা বোঝায় না; এগুলো যথাক্রমে মেমোরি, চিত্র মান ও ওজনের পরিমাপ।
- তাই সঠিক উত্তর হলো Gigahertz.
 
 • সিপিইউ/ মাইক্রোকম্পিউটারের গতি: 
- মাইক্রোকম্পিউটারের গতি বিবেচনা করা হয় সিপিইউ তথা মাইক্রোপ্রসেসরের ক্লক স্পিড (Clock Speed)-এর দ্বারা।
- ক্লক স্পিড পরিমাপ করা হয় প্রতি সেকেন্ডে কতটি স্পন্দন (Pulse) বা টিক সম্পন্ন হয় তার ওপর নির্ভর করে।
- স্পন্দন পরিমাপ করা হয় হার্টজে।

- প্রসেসরের ক্লকটি প্রতি সেকেন্ডে এক মিলিয়ন বার স্পন্দন বা টিক করার সময়কে ১ মেগাহার্টজ হিসেবে অভিহিত করা হয়।
- যেমন- কোনো প্রসেসরের গতি যদি ৩৩ মেগাহার্টজ হয়, তাহলে তার অর্থ হলো প্রতি সেকেন্ড ৩৩,০০০,০০০ স্পন্দন তৈরি হবে।
- অর্থাৎ উক্ত প্রসেসরটি প্রতি সেকেন্ডে ৩৩,০০০,০০০ ইনস্ট্রাকশন আদান-প্রদান করতে পারবে।
- এই স্পন্দনকেই ক্লক স্পিড ((Clock Speed) বলা হয়।
- সুতরাং প্রসেসরের স্পিড বা গতি বলতে প্রসেসরটি কত কিলোহার্টজ, মেগাহার্টজ বা গিগাহার্টজের তাই-ই বোঝায়।

সূত্র: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

.
কম্পিউটারে ক্যাশ মেমোরি ব্যবহারের মূল কারণ কী?
  1. ব্যাকআপ নেওয়া
  2. CPU এর কর্মক্ষমতা বৃদ্ধি
  3. স্থায়ী ডেটা সংরক্ষণ
  4. তথ্য পুনরুদ্ধার করা
সঠিক উত্তর:
CPU এর কর্মক্ষমতা বৃদ্ধি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
CPU এর কর্মক্ষমতা বৃদ্ধি
ব্যাখ্যা

• কম্পিউটারে ক্যাশ মেমোরি ব্যবহারের প্রধান কারণ হলো CPU এর কর্মক্ষমতা বৃদ্ধি। ক্যাশ মেমোরি হল একটি উচ্চগতির অস্থায়ী মেমোরি যা প্রায়শই ব্যবহৃত ডেটা এবং নির্দেশাবলী সংরক্ষণ করে। যখন CPU কোনো ডেটা প্রয়োজন, তখন এটি সরাসরি ক্যাশ থেকে দ্রুত তথ্য গ্রহণ করতে পারে, ফলে প্রধান RAM থেকে তথ্য আনার সময় নষ্ট হয় না। এর ফলে প্রসেসিং দ্রুত হয় এবং কম্পিউটারের সামগ্রিক কার্যক্ষমতা বৃদ্ধি পায়। তাই, ক্যাশ মেমোরি ব্যাকআপ বা স্থায়ী সংরক্ষণের জন্য নয়, মূলত CPU এর কার্যকারিতা উন্নত করতে ব্যবহৃত হয়।

- সঠিক উত্তর: খ) CPU এর কর্মক্ষমতা বৃদ্ধি।

ক্যাশ মেমোরি (Cache Memory):
- এটি এক ধরনের বিশেষ উচ্চগতির মেমোরি ব্যবস্থা।
- মাইক্রোপ্রসেসর ও প্রধান স্মৃতির মাঝে অতি উচ্চগতির এবং কম ধারণক্ষমতাসম্পন্ন যে মেমোরি ব্যবহার করা হয় তাকে ক্যাশ মেমোরি বলা হয়।
- ক্যাশ মেমোরি র‍্যামের চেয়ে ছোট।
- কম্পিউটারের ডেটা স্থানান্তরের গতি বৃদ্ধি তথা মাইক্রোপ্রসেসরের প্রক্রিয়াকরণের গতি বৃদ্ধির জন্য ক্যাশ মেমোরি ব্যবহৃত হয়।
- এটি এক ধরনের স্ট্যাটিক স্মৃতি, যা উচ্চগতি সম্পূর্ণ ও তুলনামূলক দামি মেমোরি।
- ক্যাশ মেমোরি থাকে EPROM-এ।
- যখন CPU কোনো ডেটা প্রয়োজন করে, তখন এটি প্রথমে ক্যাশ মেমোরিতে খোঁজে। যদি সেখানে ডেটা পাওয়া যায় (যাকে ক্যাশ হিট বলে), CPU-কে ধীরগতির RAM বা অন্যান্য স্টোরেজ থেকে ডেটা আনতে হয় না, ফলে সামগ্রিক প্রসেসিং গতি বৃদ্ধি পায়।
- ক্যাশ মেমোরি CPU-এর কাছাকাছি অবস্থান করে এবং এটি RAM-এর তুলনায় অনেক দ্রুতগতির হওয়ায় ডেটা অ্যাক্সেসের সময় কমে যায়।

উৎস:
১. মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২. ব্রিটানিকা।

.
২ নিবল = কত বিট?
  1. ২ বিট
  2. ১২ বিট
  3. ১৬ বিট
  4. ৮ বিট
সঠিক উত্তর:
৮ বিট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৮ বিট
ব্যাখ্যা

• নিবল (Nibble) হলো কম্পিউটার বিজ্ঞানে একটি তথ্যের একক যা ৪টি বিট নিয়ে গঠিত। এক বিট হলো দুটি মানের মধ্যে একটি মান ধারণ করতে সক্ষম (০ বা ১), তাই ৪টি বিট একত্রিত হলে মোট ১৬টি ভিন্ন মান প্রকাশ করা যায়। যেহেতু একটি নিবল = ৪ বিট, তাই ২ নিবল = ৪ × ২ = ৮ বিট।
- তাই প্রদত্ত অপশনগুলোর মধ্যে সঠিক উত্তর হলো ঘ) ৮ বিট, যা দুইটি নিবলকে বিটে রূপান্তরিত করার সঠিক মান।


• বিট ও বাইট:

- বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতিতে ০ অথবা ১ অংককে বিট বলে।
- বিট ডেটা কমিউনিকেশনের মৌলিক একক।
- ডেটা ও তথ্য পরিমাপের জন্য বিট একক হিসেবে ব্যবহার করা হয়।

- ১ নিবল = ৪ বিট। 
- ১ বাইট = ৮ বিট।
- ১ কিলোবিট = ১০০০ বিট।
- ১ মেগাবিট = ১০০০ কিলোবিট।
- ১ গিগাবিট = ১০০০ মেগাবিট।
- ১ টেরাবিট = ১০০০ গিগাবিট।
- ১ কিলোবাইট = ১০২৪ বাইট।
- ১ মেগাবাইট = ১০২৪ কিলোবাইট।
- ১ গিগাবাইট = ১০২৪ মেগাবাইট।
- ১ টেরাবাইট = ১০২৪ গিগাবাইট।
- ১ পেটাবাইট = ১০২৪ টেরাবাইট।

উৎস: ১। তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
২। তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ- দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।

.
GUI কোন কাজের জন্য ব্যবহৃত হয়?
  1. প্রোগ্রামিং আরও দ্রুত করা
  2. কমান্ড স্বয়ংক্রিয়ভাবে চালানো
  3. ব্যবহারকারীদের সিস্টেম দেখেই নিয়ন্ত্রণ করতে দেয়া
  4. কোড ঠিকভাবে কম্পাইল করা
সঠিক উত্তর:
ব্যবহারকারীদের সিস্টেম দেখেই নিয়ন্ত্রণ করতে দেয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্যবহারকারীদের সিস্টেম দেখেই নিয়ন্ত্রণ করতে দেয়া
ব্যাখ্যা

• GUI বা Graphical User Interface হলো একটি ব্যবহারকারীর ইন্টারফেস যা কম্পিউটার বা সফটওয়্যারের সঙ্গে যোগাযোগ সহজ করে। এটি ব্যবহারকারীদের কমান্ড লাইন টাইপ না করে সরাসরি চিত্র, আইকন এবং মেনুর মাধ্যমে সিস্টেম নিয়ন্ত্রণ করার সুযোগ দেয়। ফলে ব্যবহারকারীরা সহজেই সফটওয়্যার চালানো, সেটিংস পরিবর্তন করা এবং বিভিন্ন ফাংশন ব্যবহার করতে পারে। তাই GUI মূলত ব্যবহারকারীদের সিস্টেম দেখেই নিয়ন্ত্রণ করার জন্য ব্যবহৃত হয়, যা কমান্ড বা কোডের জটিলতা কমায় এবং ব্যবহারকে আরও সহজ ও স্বচ্ছ করে।

সঠিক উত্তর: গ) ব্যবহারকারীদের সিস্টেম দেখেই নিয়ন্ত্রণ করতে দেয়া।

• GUI:
- GUI এর পূর্ণরূপ হলো Graphical User Interface.
- GUI হলো অপারেটিং সিস্টেমের কমান্ড প্রদানের একটি ধরন বা পদ্ধতি যেখানে কমান্ড প্রদানের জন্যে চিত্র ব্যবহার করা হয়।
- কম্পিউটারের সাথে পেরিফেরাল ডিভাইসগুলোর যুক্ত হওয়ার প্রক্রিয়াকে ইন্টারফেস বলে।
- GUI-এর ক্ষেত্রে, ইন্টারফেস বলতে ব্যবহারকারী ও সিস্টেমের মধ্যকার সংযোগকেই বোঝানো হয়।
- MacOS ও Windows হলো চিত্রভিত্তিক অপারেটিং সিস্টেম ।

উৎস: কম্পিউটার শিক্ষা, এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

.
কোনটি ১ বাইটের সমান বিট নির্দেশ করে?
  1. ৩২ বিট
  2. ১৬ বিট
  3. ১২ বিট
  4. ৮ বিট
সঠিক উত্তর:
৮ বিট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৮ বিট
ব্যাখ্যা

• ১ বাইটের সমান বিট নির্দেশ করে: ৮ বিট। 

• বিট ও বাইট:
- বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতিতে ০ অথবা ১ অংককে বিট বলে।
- বিট ডেটা কমিউনিকেশনের মৌলিক একক।
- ডেটা ও তথ্য পরিমাপের জন্য বিট একক হিসেবে ব্যবহার করা হয়।

- ১ বাইট = ৮ বিট।
- ১ কিলোবিট = ১০০০ বিট।
- ১ মেগাবিট = ১০০০ কিলোবিট।
- ১ গিগাবিট = ১০০০ মেগাবিট।
- ১ টেরাবিট = ১০০০ গিগাবিট।

৮ টি বিট নিয়ে ১ টি বাইট গঠিত হয়।
- ১ কিলোবাইট = ১০২৪ বাইট।
- ১ মেগাবাইট = ১০২৪ কিলোবাইট।
- ১ গিগাবাইট = ১০২৪ মেগাবাইট।
- ১ টেরাবাইট = ১০২৪ গিগাবাইট।
- ১ পেটাবাইট = ১০২৪ টেরাবাইট।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।

.
ALU দ্বারা পরিচালিত লজিক্যাল অপারেশনগুলো হলো:
  1. Fetch, Decode, Execute
  2. AND, OR, NOT
  3. Read, Write, Store
  4. Boot, Load, Shutdown
সঠিক উত্তর:
AND, OR, NOT
উত্তর
সঠিক উত্তর:
AND, OR, NOT
ব্যাখ্যা

• ALU (Arithmetic Logic Unit) মূলত কম্পিউটারের Arithmetic ও Logic অপারেশন সম্পাদন করে। এর মধ্যে লজিক্যাল অপারেশন হলো AND, OR, NOT ইত্যাদি, যা বিভিন্ন বিট বা ডেটার মধ্যে তুলনা ও সিদ্ধান্ত গ্রহণে ব্যবহৃত হয়। ALU এর মাধ্যমে প্রোগ্রাম বিভিন্ন শর্ত পরীক্ষা করতে পারে, যেমন দুটি বিট সমান কি না বা কোন শর্ত সত্য কি মিথ্যা। অন্য অপশনগুলো যেমন Fetch, Decode, Execute বা Read, Write, Store, এগুলো ALU এর কাজ নয়, বরং CPU বা মেমরির অন্যান্য অংশের কাজ।
- তাই লজিক্যাল অপারেশন ALU দ্বারা শুধুমাত্র AND, OR, NOT দ্বারা পরিচালিত হয়।

 
 অ্যারিথমেটিক লজিক ইউনিট/গাণিতিক যুক্তি অংশ:
- এটা CPU এর সেই অংশ যেখানে বিভিন্ন ধরনের অপারেশন যেমন- যোগ, বিয়োগ, গুণ, ভাগ, OR, AND, NOR, XOR ইত্যাদি ডাটার উপর সম্পাদিত হয়।
- এতে একটি প্রোগ্রাম কাউন্টার আছে যাতে পূর্বের ইন্সট্রাকশনের ঠিকানা থাকে।
- কোন ইন্সট্রাকশন কখন সম্পাদিত হবে তা এ ঠিকানা থেকে স্মৃতি হিসেবে পাঠ করা যায়।

উৎস: কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি-১, এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল)।

১০.
কতটি ফ্লিপ-ফ্লপ ব্যবহার করে একটি n-bit রেজিস্টার বানানো যায়?
  1. n2 সংখ্যক
  2. 2n সংখ্যক
  3. n সংখ্যক
  4. 1 টি 
সঠিক উত্তর:
n সংখ্যক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
n সংখ্যক
ব্যাখ্যা

• একটি n-bit রেজিস্টার তৈরি করতে nটি বিট সংরক্ষণ করার ক্ষমতা থাকা দরকার। প্রতিটি বিটকে স্টোর করতে একটি ফ্লিপ-ফ্লপ ব্যবহার করা হয়। তাই n-bit রেজিস্টারের জন্য nটি ফ্লিপ-ফ্লপ প্রয়োজন। প্রতিটি ফ্লিপ-ফ্লপ একটি বিট ধরে রাখে, তাই রেজিস্টারের আকারের সাথে ফ্লিপ-ফ্লপের সংখ্যা সরাসরি সমানুপাতিক।

- উত্তর: গ) n সংখ্যক।

​রেজিস্টার (Register):
- রেজিস্টার হলো কম্পিউটারের প্রসেসর এর ভিতর অনেক গতিসম্পন্ন বিশেষ ধরনের স্টোরেজ বা মেমোরি।
- সব ডেটা প্রসেস হওয়ার পূর্বে রেজিস্টারে অস্থায়ীভাবে সংরক্ষিত হয়।
- রেজিস্টার হলো একগুচ্ছ ফ্লিপফ্লপ ও লজিক গেইটের সমন্বয়ে গঠিত সার্কিট, যা অস্থায়ী মেমোরি হিসেবে কাজ করে।
- n বিট রেজিস্টারে n সংখ্যক ফ্লিপ-ফুপ থাকে এবং n নিট বাইনারি তথ্য সংরক্ষণ করতে পারে।
- রেজিস্টার প্রথম মেমোরি ডিভাইস হিসেবে CPU-এর অভ্যন্তরে থাকে এবং প্রসেসিং-এর সময় অস্থায়ীভাবে ডেটা সঞ্চিত রাখে।
- সরল ও সাধারণ রেজিস্টারগুলো শুধুমাত্র ফ্লিপ ফ্লপ সার্কিট দ্বারা গঠিত এবং ক্লক পালস্ দ্বারা পরিচালিত হয়।
- গঠন অনুসারে রেজিস্টার দুই ধরনের হয়ে থাকে। যথা- প্যারালাল লোড রেজিস্টার এবং শিফট রেজিস্টার।

​রেজিস্টার-এর ব্যবহার (Application of Register):
১. অস্থায়ীভাবে ডেটা সঞ্চয় করতে ব্যবহৃত হয়।
২. ক্যাশ মেমোরি হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
৩. বিভিন্ন ধরনের প্রিন্টার ও কী-বোর্ড বাফারে ব্যবহৃত হয়।
৪. ক্যালকুলেটর ও ডিজিটাল ঘড়িতে ব্যবহৃত হয়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১১.
CPU মূলত কোন কাজ সম্পাদন করে?
  1. ঠান্ডা রাখা
  2. প্রদর্শন
  3. তথ্য প্রক্রিয়াকরণ
  4. তথ্য সংরক্ষণ
সঠিক উত্তর:
তথ্য প্রক্রিয়াকরণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তথ্য প্রক্রিয়াকরণ
ব্যাখ্যা

• CPU বা কেন্দ্রীয় প্রক্রিয়াকরণ ইউনিট মূলত কম্পিউটারের মস্তিষ্ক হিসেবে কাজ করে। এটি ব্যবহারকারীর কমান্ড অনুযায়ী তথ্য গ্রহণ করে এবং তা প্রক্রিয়াকরণ করে ফলাফল তৈরি করে। অন্য কথায়, CPU বিভিন্ন ধরনের গাণিতিক ও যৌক্তিক (logical) কাজ সম্পাদন করে, যেমন গণনা করা, ডেটা তুলনা করা এবং নির্দেশনা কার্যকর করা। এটি কম্পিউটারের অন্যান্য অংশ যেমন মেমোরি এবং ইনপুট/আউটপুট ডিভাইসের সঙ্গে সমন্বয় করে কাজ করে। তাই, CPU-এর প্রধান কাজ হলো তথ্য প্রক্রিয়াকরণ।

- সঠিক উত্তর: গ) তথ্য প্রক্রিয়াকরণ।

সেন্ট্রাল প্রসেসিং ইউনিট (CPU):
- সেন্ট্রাল প্রসেসিং ইউনিট (CPU) হলো যেকোনো ডিজিটাল কম্পিউটার সিস্টেমের প্রধান অংশ। 
- এটি সাধারণত প্রধান মেমরি, কন্ট্রোল ইউনিট এবং অ্যারিথমেটিক-লজিক ইউনিট নিয়ে গঠিত। 
- এটি একটি কম্পিউটার সিস্টেমের ফিজিক্যাল হার্ট বা মূল কেন্দ্র হিসেবে কাজ করে। 
- এর সাথে বিভিন্ন পেরিফেরাল সরঞ্জাম যেমন ইনপুট/আউটপুট ডিভাইস এবং সহায়ক স্টোরেজ ইউনিট যুক্ত থাকে। 
- আধুনিক কম্পিউটারে, CPU একটি ইন্টিগ্রেটেড সার্কিট চিপের মধ্যে থাকে, যাকে মাইক্রোপ্রসেসর বলা হয়।

- সেন্ট্রাল প্রসেসিং ইউনিটের কন্ট্রোল ইউনিট কম্পিউটারের কার্যক্রমগুলো নিয়ন্ত্রণ করে এবং একত্রিত করে। 
- এটি প্রধান মেমরি থেকে সঠিক ক্রমে নির্দেশাবলী নির্বাচন ও পুনরুদ্ধার করে এবং সেগুলোকে ব্যাখ্যা করে সিস্টেমের অন্যান্য কার্যকরী উপাদানগুলোকে সক্রিয় করে, যাতে তারা তাদের নিজ নিজ কাজগুলো সঠিক সময়ে করতে পারে। 
- সমস্ত ইনপুট ডেটা প্রধান মেমরির মাধ্যমে অ্যারিথমেটিক-লজিক ইউনিটে স্থানান্তরিত হয়। 
- অ্যারিথমেটিক-লজিক ইউনিট চারটি মৌলিক গাণিতিক ফাংশন (যোগ, বিয়োগ, গুণ এবং ভাগ) এবং ডেটা তুলনা ও সমস্যার সমাধান করার জন্য প্রয়োজনীয় পদ্ধতি নির্বাচন করার মতো কিছু লজিক অপারেশন করে।

উৎস: ব্রিটানিকা।

১২.
যখন একটি CPU-র ক্লক স্পিড বাড়ানো হয়, তখন এর মানে হলো -
  1. এটি দ্রুত নির্দেশনা সম্পাদন করতে পারে
  2. এতে বেশি স্টোরেজ ক্ষমতা থাকে
  3. এটি কম বিদ্যুৎ ব্যবহার করে
  4. এটি কম তাপ উৎপন্ন করে
সঠিক উত্তর:
এটি দ্রুত নির্দেশনা সম্পাদন করতে পারে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এটি দ্রুত নির্দেশনা সম্পাদন করতে পারে
ব্যাখ্যা

• যখন একটি CPU-র ক্লক স্পিড বাড়ানো হয়, তখন এর মানে হলো এটি দ্রুত নির্দেশনা সম্পাদন করতে পারে। ক্লক স্পিড হলো CPU-এর প্রতি সেকেন্ডে কতটি সাইকেল সম্পন্ন করতে পারে তার পরিমাপ। ক্লক স্পিড বেশি হলে CPU দ্রুততরভাবে নির্দেশনা পড়া, গণনা এবং প্রক্রিয়াকরণ করতে সক্ষম হয়। তবে এটি সরাসরি স্টোরেজ ক্ষমতা, বিদ্যুৎ ব্যবহার বা তাপ উৎপাদনের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়।
- তাই ক্লক স্পিড বাড়ানোর মূল প্রভাব হলো প্রসেসরের গতি বৃদ্ধি।

ক্লক স্পিড (Clock Speed):
- ক্লক স্পিড হলো কম্পিউটারের প্রসেসর কত দ্রুত কাজ করতে পারে তার পরিমাপ।
- এটি সাধারণত GHz (Gigahertz) বা MHz (Megahertz) এককে প্রকাশ করা হয়।
- ক্লক স্পিড যত বেশি হবে, প্রসেসর তত দ্রুত নির্দেশনা (Instruction) সম্পাদন করতে পারবে।
- এটি নির্ধারণ করে প্রতি সেকেন্ডে কতগুলো সাইকেল (Cycle) সম্পন্ন হচ্ছে।
- তবে শুধু ক্লক স্পিড বেশি হওয়াই কম্পিউটারকে দ্রুতগতির করে না, প্রসেসরের আর্কিটেকচার এবং কোর সংখ্যাও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

ক্লক সাইকেল টাইম (Clock Cycle Time):
- ক্লক সাইকেল টাইম হলো একটি ক্লক সাইকেল সম্পন্ন করতে যে সময় লাগে।
- এটি সাধারণত ন্যানোসেকেন্ড (ns) এ পরিমাপ করা হয়।
- ক্লক সাইকেল টাইম এবং ক্লক স্পিড একে অপরের বিপরীত অনুপাতিক। অর্থাৎ, ক্লক স্পিড যত বেশি হবে, ক্লক সাইকেল টাইম তত কম হবে।
- উদাহরণস্বরূপ, যদি ক্লক স্পিড হয় 2 GHz, তবে ক্লক সাইকেল টাইম হবে প্রায় 0.5 ns।
- প্রসেসরের পারফরম্যান্স বুঝতে ক্লক স্পিড এবং ক্লক সাইকেল টাইম—দুটোই গুরুত্বপূর্ণ।

সূত্র: 
- Intel. [link]

১৩.
NVMe-এর সম্পূর্ণ রূপ হচ্ছে -
  1. Non-Volatile Module Extension
  2. Network Virtual Machine Environment
  3. Non-Volatile Memory Express
  4. New Virtual Memory Exchange
সঠিক উত্তর:
Non-Volatile Memory Express
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Non-Volatile Memory Express
ব্যাখ্যা

• NVMe-এর সম্পূর্ণ রূপ হলো Non-Volatile Memory Express। এটি একটি স্টোরেজ ইন্টারফেস এবং প্রোটোকল যা SSD-র উচ্চ গতির পারফরম্যান্স ব্যবহার করার জন্য ডিজাইন করা হয়েছে। NVMe SSD সরাসরি CPU-র সাথে কম লেটেন্সি এবং উচ্চ ব্যান্ডউইথে কাজ করতে সক্ষম, ফলে ডেটা ট্রান্সফার অনেক দ্রুত হয়। এটি পারস্পরিক যোগাযোগের জন্য পুরনো SATA বা SAS-এর তুলনায় অনেক কার্যকর। মূলত, NVMe আধুনিক কম্পিউটার এবং সার্ভারে স্টোরেজের পারফরম্যান্স বাড়াতে ব্যবহৃত হয়।

- সঠিক উত্তর: গ) Non-Volatile Memory Express.

• NVMe: 
- NVMe এর পূর্ণ রূপ "Non-Volatile Memory Express". 
- এটি SSD-র মতো স্টোরেজ ডিভাইস অ্যাক্সেস করার জন্য ডিজাইন করা হয়েছে। 
এটি সিস্টেমের বাকি অংশের সাথে যোগাযোগ করার জন্য SSD- এর জন্য আরও গতিশীল এবং সুবিন্যস্ত উপায় প্রদান করে। 
- NVMe দ্রুত ডেটা স্থানান্তর এবং কম লেটেন্সির জন্য ব্যবহার করা হয়। 
- NVMe সাধারণত PCIe ইন্টারফেস ব্যবহার করে কম্পিউটারের সাথে সংযোগ স্থাপন করে। 

• NVMe প্রযুক্তির প্রয়োগ:
- ল্যাপটপ, 
- ডেস্কটপ কম্পিউটার এবং 
- ডেটা সেন্টার সহ বিভিন্ন গবেষণা প্রতিষ্ঠান।

উৎস: IBM [link]

১৪.
ভার্চুয়াল মেমরি পরিচালনার জন্য তথ্যের মূল একক হলো:
  1. Page
  2. Frame
  3. Segment
  4. Block
সঠিক উত্তর:
Page
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Page
ব্যাখ্যা

• ভার্চুয়াল মেমরি ব্যবস্থাপনার ক্ষেত্রে তথ্যের মূল একক হলো Page। ভার্চুয়াল মেমরি ব্যবহার করে একটি প্রোগ্রামকে তার বাস্তব মেমরির চেয়ে বড় মনে হতে পারে। এখানে মেমরি ছোট ছোট সমান আকারের ইউনিটে ভাগ করা হয় যেগুলোকে Page বলা হয়। এই পেজগুলোকে ফিজিক্যাল মেমরির ছোট ইউনিট Frame-এর সাথে মিলিয়ে সংরক্ষণ করা হয়। ফলে, পুরো প্রোগ্রাম একসাথে মেমরিতে থাকতে হয় না, এবং প্রয়োজন অনুযায়ী পেজ লোড বা আনলোড করা যায়। এই পদ্ধতি মেমরির ব্যবহার দক্ষ ও কার্যকর করে।

• ভার্চুয়াল মেমোরি (Virtual Memory):
- ভার্চুয়াল মেমোরি হলো অপারেটিং সিস্টেমের একটি প্রযুক্তি যা RAM এবং সেকেন্ডারি স্টোরেজ (যেমন হার্ড ডিস্ক) একত্রে ব্যবহার করে।  
- এটি প্রোগ্রামকে তার বাস্তব RAM এর চেয়ে বেশি মেমোরি ব্যবহার করতে সক্ষম করে।  
- ভার্চুয়াল মেমোরি সিস্টেম RAM পূর্ণ হলে, অপ্রয়োজনীয় ডেটা বা প্রোগ্রাম অংশকে সেকেন্ডারি স্টোরেজে স্থানান্তরিত করে।  
- অপারেটিং সিস্টেম এটি স্বয়ংক্রিয়ভাবে পরিচালনা করে, ফলে ব্যবহারকারী বা প্রোগ্রামারকে মেমোরি সীমা নিয়ে চিন্তা করতে হয় না।  
- মূল উদ্দেশ্য: সেকেন্ডারি স্টোরেজ ব্যবহার করে RAM বাড়ানো।  

সূত্র: 
- University of Illinois Chicago [link]