পরীক্ষা আর্কাইভ

নৈতিকতা, মূল্যবোধ ও সুশাসন

পরীক্ষানৈতিকতা, মূল্যবোধ ও সুশাসনতারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়07 minutes
মোট প্রশ্ন
সিলেবাস
"পরীক্ষা – ১ টপিক: বিগত সালের প্রশ্ন বিশ্লেষণ ও দিক নির্দেশনা সু-শাসনের ধারণা, প্রামাণ্য সংজ্ঞা ও পটভূমি [Live Class - 1 & 2]"
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

নৈতিকতা, মূল্যবোধ ও সুশাসন

নৈতিকতা, মূল্যবোধ ও সুশাসন · তারিখ অনির্ধারিত · প্রশ্ন

.
সুশাসনের জন্য কোনটি প্রয়োজন নয়?
  1. প্রশাসনের জবাবদিহিতা
  2. বিচার বিভাগের স্বাধীনতা
  3. রাজনৈতিক স্বাধীনতা সুরক্ষার ব্যবস্থা
  4. উপরের কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
উপরের কোনটিই নয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপরের কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা
সুশাসন (GOOD GOVERNANCE):
- ম্যাককরনী (Mac' Corney) বলেছেন যে, ‘সুশাসন বলতে রাষ্ট্রের সাথে সুশীল সমাজের, সরকারের সাথে শাসিত জনগণের, শাসকের সাথে শাসিতের সম্পর্ককে বোঝায়।'

মোটকথা,
- প্রশাসনের যদি জবাবদিহিতা (Accountability), বৈধতা (Legilimacy), স্বচ্ছতা (Transparency) থাকে, এতে যদি অংশগ্রহণের সুযোগ উন্মুক্ত থাকে, বাকস্বাধীনতাসহ সকল রাজনৈতিক স্বাধীনতা সুরক্ষার ব্যবস্থা, বিচার বিভাগের স্বাধীনতা, আইনের অনুশাসন (Rule of law), আইনসভার নিকট শাসন বিভাগের জবাবদিহিতা বা দায়িত্বশীলতার নীতি কার্যকর থাকে তাহলে সে শাসনকে ‘সুশাসন' (Good Governance) বলে।

উৎস: পৌরনীতি ও সুশাসন ১ম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, মো: মোজাম্মেল হক।
.
সুশাসনের মানদন্ড কোনটি?
  1. সামাজিক ন্যায় বিচার ও শৃঙ্খলাবোধের উপস্থিতি
  2. সামাজিক ঐক্য ও শৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠা
  3. স্বাধীন বিচার বিভাগ
  4. জনগণের সম্মতি ও সন্তুষ্টি
সঠিক উত্তর:
জনগণের সম্মতি ও সন্তুষ্টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জনগণের সম্মতি ও সন্তুষ্টি
ব্যাখ্যা
সুশাসন:
- সুশাসন (Good Governance) অর্থ হচ্ছে নির্ভুল, দক্ষ ও কার্যকরী শাসন।

⇒ সুশাসনের ধারণাটি বহুমাত্রিক।
- সুশাসনের ধারণাটি আপেক্ষিক।
- সুশাসন ধারণাটির উদ্ভাবক বিশ্বব্যাংক।
- বিশ্বব্যাংক ১৯৮৯ সালে প্রথম সুশাসন প্রত্যয়টি ব্যবহার করে।

উল্লেখ্য,
- সুশাসনের লক্ষ্য জনকল্যাণ ও মৌলিক স্বাধীনতার উন্নয়ন।
- সুশাসনের মূলভিত্তি আইনের শাসন।
- সুশাসনের চালিকাশক্তি স্বচ্ছতা।
- সুশাসনের মানদণ্ড জনগণের সম্মতি ও সন্তুষ্টি।

উৎস: i) পৌরনীতি ও সুশাসন ১ম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, মো: মোজাম্মেল হক।
ii) ক্রাইম নিউজ নেটওয়ার্ক।
.
জাতিসংঘ কত সালে 'শাসন ও ক্রমবর্ধমান উন্নয়ন' শীর্ষক প্রতিবেদন প্রকাশ করে?
  1. ১৯৮৯ সালে
  2. ১৯৯১ সালে
  3. ১৯৯৭ সালে
  4. ১৯৯৯ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৯৭ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৯৭ সালে
ব্যাখ্যা
জাতিসংঘ ও সুশাসন:
- জাতিসংঘ ১৯৯৭ সালে 'শাসন ও ক্রমবর্ধমান উন্নয়ন' শীর্ষক প্রতিবেদন প্রকাশ করে।
- এই প্রতিবেদনে সর্বপ্রথম সুশাসন সম্পর্কে স্বীয় দৃষ্টিভঙ্গি তুলে ধরে।
- জাতিসংঘের অভিমত অনুযায়ী, সুশাসনের লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য হচ্ছে মৌলিক স্বাধীনতার উন্নয়ন।

কারণ:
- মৌলিক স্বাধীনতার উন্নয়ন ঘটাতে পারলে একদিকে যেমন মৌলিক অধিকারসমূহ রক্ষিত হয়।
- অন্যদিকে তেমনি নারীর উন্নয়ন ও সুরক্ষা নিশ্চিত হয়।
- ফলে দেশের সার্বিক উন্নয়ন ঘটে এবং দারিদ্র্য দূরীভূত হয়।

উল্লেখ্য,
- জাতিসংঘ সুশাসনের ক্ষেত্রে ৮টি উপাদানের কথা উল্লেখ করেছে। উপাদানগুলো হলো:
→ অংশগ্রহণ;
→ মতামতের উপর নির্ভরশীলতা;
→ জবাবদিহিতা;
→ স্বচ্ছতা;
→ দায়বদ্ধতা;
→ কার্যকরী ও দক্ষ প্রশাসন ব্যবস্থা;
→ ন্যাযতা; এবং
→ আইনের শাসন।

উৎস: জাতিসংঘ ওয়েবসাইট।
.
২০০০ সালে বিশ্বব্যাংক প্রকাশ করে, সুষ্ঠু গভর্নেন্স ____________ স্তম্ভের ওপর নির্ভরশীল।
  1. ৩টি
  2. ৪টি
  3. ৬টি
  4. ২টি
সঠিক উত্তর:
৪টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪টি
ব্যাখ্যা
বিশ্বব্যাংক ও সুশাসন:
- 'সুশাসন' ধারণাটি বিশ্ব ব্যাংকের উদ্ভাবিত একটি ধারণা।
- ১৯৮৯ খ্রিস্টাব্দে বিশ্ব ব্যাংকের এক সমীক্ষায় সর্বপ্রথম ‘সুশাসন' (Good Governance) প্রত্যয়টি ব্যবহার করা হয়।
- এছাড়াও একটি রাষ্ট্রে সুশাসন প্রতিষ্ঠিত হলে সে রাষ্ট্রে টেকসই উন্নয়ন সাধিত হয়।
- ১৯৯৪ সালে বিশ্ব ব্যাংক প্রদত্ত সংজ্ঞায় বলা হয়েছে যে, ‘সার্বিক উন্নয়নের লক্ষ্যে একটি দেশের সামাজিক এবং অর্থনৈতিক সম্পদের ব্যবস্থাপনার জন্য ক্ষমতা প্রয়োগের পদ্ধতিই হলো গভর্নেন্স।'
- ২০০০ সালে বিশ্বব্যাংক প্রকাশ করে যে, সুষ্ঠু গভর্নেন্স বা সুশাসন চারটি প্রধান স্তম্ভের ওপর নির্ভরশীল।

⇒ চারটি স্তম্ভ হলো:
১. দায়িত্বশীলতা
২. স্বচ্ছতা,
৩. আইনি কাঠামো ও
৪. অংশগ্রহণ।

উৎস: পৌরনীতি ও সুশাসন ১ম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, মো: মোজাম্মেল হক।
.
Johannesburg Plan of implementation সুশাসনের সাথে কোন বিষয়টিকে অধিকতর গুরুত্ব দেয়?
  1. টেকসই উন্নয়ন
  2. সাংস্কৃতিক উন্নয়ন
  3. ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের উন্নয়ন
  4. উপরের সবগুলো
সঠিক উত্তর:
টেকসই উন্নয়ন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
টেকসই উন্নয়ন
ব্যাখ্যা
Johannesburg Plan of Implementation:
- জোহানেসবার্গ প্ল্যান অব ইমপ্লিমেন্টেশন হলো জাতিসংঘের কর্মপরিকল্পনা।
- ২০০২ সালে দক্ষিণ আফ্রিকার জোহানেসবার্গে অনুষ্ঠিত টেকসই উন্নয়নের বিশ্ব শীর্ষ সম্মেলন।
- বিশ্বের মনোযোগ কেন্দ্রীভূত করার জন্য রাষ্ট্র ও সরকার প্রধান, জাতীয় প্রতিনিধি এবং বেসরকারি সংস্থা (এনজিও), ব্যবসা এবং অন্যান্য প্রধান গোষ্ঠীর নেতারা সহ কয়েক হাজার অংশগ্রহণকারী একত্রিত থয়েছে এই সম্মেলনে।
- খাদ্য, পানি, আশ্রয়, স্যানিটেশন, জ্বালানি, স্বাস্থ্য পরিষেবা এবং অর্থনৈতিক নিরাপত্তার জন্য ক্রমবর্ধমান চাহিদা সহ জনসংখ্যা বৃদ্ধি পাচ্ছে এমন একটি বিশ্বে মানুষের জীবনযাত্রার উন্নতি এবং আমাদের প্রাকৃতিক সম্পদ সংরক্ষণ সহ কঠিন চ্যালেঞ্জগুলি মোকাবেলার দিকে সরাসরি পদক্ষেপ নেওয়া হয় এই সম্মেলনে।
- মূলত এই সম্মেলন সুশাসনের টেকসই উন্নয়ন এর বিষয়টিকে অধিকতর গুরুত্ব দেয়।

উৎস: UN ওয়েবসাইট।
.
জাতিসংঘ (UN) সুশাসনের কোন উপাদানটি উল্লেখ করেনি?
  1. মতামতের উপর নির্ভরশীলতা
  2. ন্যাযতা
  3. কার্যকরী ও দক্ষ প্রশাসন ব্যবস্থা
  4. কৌশলগত লক্ষ্য
সঠিক উত্তর:
কৌশলগত লক্ষ্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কৌশলগত লক্ষ্য
ব্যাখ্যা
জাতিসংঘ ও সুশাসন:
- জাতিসংঘ সুশাসনের ক্ষেত্রে ৮টি উপাদানের কথা উল্লেখ করেছে।
- উপাদানগুলো হলো:
→ অংশগ্রহণ;
→ মতামতের উপর নির্ভরশীলতা;
→ জবাবদিহিতা;
→ স্বচ্ছতা;
→ দায়বদ্ধতা;
→ কার্যকরী ও দক্ষ প্রশাসন ব্যবস্থা;
→ ন্যাযতা; এবং
→ আইনের শাসন।

উল্লেখ্য,
- জাতিসংঘ (UN) সুশাসনের কৌশলগত লক্ষ্য উপাদানটি উল্লেখ করেনি।

উৎস: জাতিসংঘ ওয়েবসাইট।