পরীক্ষা আর্কাইভ

১০০ দিনে বিসিএস প্রস্তুতি [বিষয়ভিত্তিক]

পরীক্ষা১০০ দিনে বিসিএস প্রস্তুতি [বিষয়ভিত্তিক]তারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়34 minutes
মোট প্রশ্ন৪৩
সিলেবাস
পরীক্ষা - ৬: বাংলাদেশ বিষয়াবলী - [১০০ নাম্বার] i) বাংলাদেশের ইতিহাস (১৯৪৭ - মুক্তিযুদ্ধ + সমসাময়িক) ii) বাংলাদেশের সংবিধান iii) বাংলাদেশের রাজনৈতিক ব্যবস্থা ও সরকার ব্যবস্থা iv) বাংলাদেশের জনসংখ্যা, আদমশুমারি, জাতি, গোষ্ঠী ও উপজাতি সংক্রান্ত বিষয়াদি। v) বাংলাদেশের জাতীয় অর্জন, বিশিষ্ট ব্যক্তিত্ব, গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠান ও স্থাপনাসমূহ, জাতীয় পুরস্কার, বাংলাদেশের খেলাধুলাসহ চলচ্চিত্র, গণমাধ্যম-সংশ্লিষ্ট বিষয়াদি। উৎস: উচ্চমাধ্যমিক শ্রেণির পৌরনীতি ও সুশাসন বোর্ড বই, বাংলাপিডিয়া, সংশ্লিষ্ট সরকারি ওয়েবসাইট ও যেকোনো গাইড বই।
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

১০০ দিনে বিসিএস প্রস্তুতি [বিষয়ভিত্তিক]

১০০ দিনে বিসিএস প্রস্তুতি [বিষয়ভিত্তিক] · তারিখ অনির্ধারিত · ৪৩ প্রশ্ন

.
'দেশের দুই অঞ্চলের জন্য দুটি পৃথক অথচ সহজে বিনিময়যোগ্য মুদ্রা চালু করার ব্যবস্থা থাকবে' ছয় দফার কত নং দফায় এই বিষয়টি আলোচিত হয়েছে?
  1. ক) দ্বিতীয়
  2. খ) চতুর্থ
  3. গ) পঞ্চম
  4. ঘ) তৃতীয়
সঠিক উত্তর:
ঘ) তৃতীয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) তৃতীয়
ব্যাখ্যা
• ১৯৬৬ সালের ৫ ও ৬ ফেব্রুয়ারি লাহোরে অনুষ্ঠিত বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলোর এক সম্মেলনে আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে শেখ মুজিবুর রহমান পূর্ব পাকিস্তানের স্বায়ত্তশাসন প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে '৬ দফা দাবি' পেশ করেন।
• আনুষ্ঠানিকভাবে ছয় দফা উত্থাপন করা হয় লাহোর প্রস্তাবের সাথে মিল রেখে ২৩ মার্চ।
• ছয় দফা কর্মসূচি বাঙালিদের অধিকারের সনদ যার মধ্যে বাঙালিদের জীবনের দাবি নিহিত ছিল। নিম্নে ছয় দফা কর্মসূচি উল্লেখ করা হল।

১। শাসনতান্ত্রিক কাঠামো ও রাষ্ট্রীয় প্রকৃতি: ১৯৪০ সালের ঐতিহাসিক লাহোর প্রস্তাবের ভিত্তিতে সংবিধান রচিত হবে। 

২। পররাষ্ট্র সংক্রান্ত: বৈদেশিক সম্পর্ক ও প্রতিরক্ষা ছাড়া সকল বিষয় অঙ্গরাষ্ট্র বা প্রদেশের হাতে ন্যস্ত থাকবে। বৈদেশিক সম্পর্ক ও প্রতিরক্ষা বিষয় ন্যস্ত থাকবে কেন্দ্রীয় সরকারের হাতে।

৩। অর্থ ও মুদ্রা: দেশের দুই অঞ্চলের জন্য দুটি পৃথক অথচ সহজে বিনিময়যোগ্য মুদ্রা চালু করার ব্যবস্থা থাকবে। এ রকম ব্যবস্থা চালু সম্ভব না হলে দুই অঞ্চলের জন্য একই মুদ্রা থাকবে, তবে সংবিধানে এমন ব্যবস্থা রাখতে হবে যাতে এক অঞ্চলের মুদ্রা অন্য অঞ্চলে পাচার না হতে পারে।

৪। শুল্ক সম্বন্ধীয়: সকল প্রকার ট্যাক্স, খাজনা ও কর ধার্য এবং আদায়ের ক্ষমতা প্রাদেশিক বা আঞ্চলিক সরকারের হাতে থাকবে কেন্দ্রীয় সরকারের ব্যয় নিবার্হের জন্য আদায়কৃত অর্থের একটা অংশ কেন্দ্রীয় সরকার পাবে।

৫। বৈদেশিক বাণিজ্য বিষয়ক ক্ষমতা: বৈদেশিক মুদ্রার ওপর প্রদেশ বা অঙ্গরাজ্যগুলোর পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ থাকবে। 

৬। আঞ্চলিক সেনাবাহিনী গঠনের ক্ষমতা: আঞ্চলিক সংহতি ও জাতীয় নিরাপত্তা রক্ষার কার্যকর ব্যবস্থা হিসেবে প্রদেশ বা অঙ্গরাজ্যগুলো আধা-সামরিক বাহিনী বা মিলিশিয়া বাহিনী গঠন করতে পারবে। 

তথ্যসূত্র:- পৌরনীতি ও সুশাসন দ্বিতীয় পত্র, এইচ এস সি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
এম.এ.জি. ওসমানীকে প্রধান সেনাপতি নিযুক্ত করা হয় -
  1. ক) ১১ এপ্রিল, ১৯৭১
  2. খ) ১০ এপ্রিল, ১৯৭১
  3. গ) ২৬ মার্চ, ১৯৭১
  4. ঘ) ১৭ এপ্রিল, ১৯৭১
সঠিক উত্তর:
ক) ১১ এপ্রিল, ১৯৭১
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ১১ এপ্রিল, ১৯৭১
ব্যাখ্যা
⇨ তাজউদ্দীন আহমদ আওয়ামী লীগের জাতীয় ও প্রাদেশিক পরিষদের সদস্যদের একটি অধিবেশন আহ্বান করেন। উক্ত অধিবেশনে সর্বসম্মতিক্রমে মুক্তিযুদ্ধ ও সরকার পরিচালনার জন্য মন্ত্রিপরিষদ গঠিত হয়।
⇨ এই মন্ত্রিপরিষদ সদস্যরা ১০ এপ্রিল বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে রাষ্ট্রপতি করে সার্বভৌম গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার ঘোষণা করেন।
⇨ সৈয়দ নজরুল ইসলামকে উপরাষ্ট্রপতি এবং বঙ্গবন্ধুর অনুপস্থিতিতে অস্থায়ী রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত করা হয়। তাজউদ্দীন আহমদকে
প্রধানমন্ত্রী, ক্যাপ্টেন এম মনসুর আলী, খন্দকার মোশতাক আহমদ ও এএইচএম কামরুজ্জামানকে মন্ত্রিপরিষদের সদস্য নিয়োগ করা হয়।
১১ এপ্রিল এম.এ.জি. ওসমানীকে প্রধান সেনাপতি নিযুক্ত করা হয়।
⇨ প্রধানমন্ত্রী তাজউদ্দীন ১১ এপ্রিল বাংলাদেশ বেতারে মন্ত্রিপরিষদ গঠনের ঘোষণা দিয়ে ভাষণ প্রদান করেন।
⇨ ১৭ এপ্রিল ১৯৭১ পূর্ব ঘোষণা মোতাবেক কুষ্টিয়া জেলার মেহেরপুরের বৈদ্যনাথ তলার এক আম বাগানে মন্ত্রিপরিষদের শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠান আয়োজিত হয়।
⇨ দেশি-বিদেশি প্রায় ৫০ জন সাংবাদিক উক্ত অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন। বেলা ১১ টায় শপথ অনুষ্ঠান শুরু হয়। শুরুতেই বাংলাদেশকে 'গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ' হিসেবে ঘোষণা করা হয়। এরপর অস্থায়ী রাষ্ট্রপতি একে একে প্রধানমন্ত্রী ও তাঁর তিন সহকর্মীকে পরিচয় করিয়ে দেন।  

তথ্যসূত্র:- পৌরনীতি ও সুশাসন দ্বিতীয় পত্র, এইচ এস সি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
.
বাংলাদেশের রাজধানীর নামের ইংরেজি বানান Dacca থেকে Dhaka করা হয় কোন সংশোধনীর মাধ্যমে?
  1. ক) অষ্টম সংশোধনী
  2. খ) নবম সংশোধনী
  3. গ) সপ্তম সংশোধনী
  4. ঘ) ষষ্ঠ সংশোধনী
সঠিক উত্তর:
ক) অষ্টম সংশোধনী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) অষ্টম সংশোধনী
ব্যাখ্যা
অষ্টম সংশোধনী
• সংসদে উত্থাপন: ১১ মে, ১৯৮৮
• উত্থাপনকারী: সংসদ নেতা ও প্রধানমন্ত্রী ব্যারিস্টার মওদুদ আহমেদ
• সংসদে গৃহীত: ৭ জুন, ১৯৮৮
• রাষ্ট্রপতির সম্মতি লাভ: ৯ জুন, ১৯৮৮
 
• অষ্টম সংবিধান সংশোধন আইন দ্বারা সংবিধানের ২ক, ৩, ৫, ৩০ ও ১০০ অনুচ্ছেদ সংশোধন করা হয়।
এই সংশোধনী আইনবলে -
১. ইসলাম রাষ্ট্রধর্ম হিসেবে ঘোষিত হয়; 
২. ঢাকার বাইরে হাইকোর্ট বিভাগের ছয়টি স্থায়ী বেঞ্চ স্থাপনের মধ্য দিয়ে বিচার বিভাগের বিকেন্দ্রীকরণ করা হয়;
৩. সংবিধানের ৫ অনুচ্ছেদে Bengali শব্দটি পরিবর্তন করে Bangla করা হয় এবং Dacca পরিবর্তন করে Dhaka করা হয়; 
৪. সংবিধানের ৩০ অনুচ্ছেদ সংশোধন করে বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতির পূর্বানুমতি ছাড়া এদেশের কোনো নাগরিক কর্তৃক কোনো বিদেশী রাষ্ট্রের প্রদত্ত কোনো খেতাব, সম্মাননা, পুরস্কার বা অভিধা গ্রহণ নিষিদ্ধ করা হয়।  

তথ্যসূত্র:- বাংলাদেশের সংবিধান। 
.
স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র জারি করেন কে?
  1. ক) ব্যারিস্টার আমিরুল ইসলাম
  2. খ) সৈয়দ নজরুল ইসলাম
  3. গ) অধ্যাপক ইউসুফ আলী
  4. ঘ) শেখ মুজিবুর রহমান
সঠিক উত্তর:
খ) সৈয়দ নজরুল ইসলাম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) সৈয়দ নজরুল ইসলাম
ব্যাখ্যা
⇨ ১৯৭১ সালের ২৬ মার্চ বঙ্গবন্ধু বাংলাদেশের স্বাধীনতা ঘোষণা করেন।
⇨ ১০ এপ্রিল ১৯৭১ সালে স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র খসড়া প্রণয়ন ও আনুষ্ঠানিকভাবে জারি করা হয় এবং ১৭ এপ্রিল অধ্যাপক ইউসুফ আলী আনুষ্ঠানিকভাবে স্বাধীনতার ঘোষণা পত্র পাঠ করেন।
⇨ স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র জারি করেন সৈয়দ নজরুল ইসলাম
⇨ স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র লিপিবদ্ধ করেন ব্যারিস্টার আমিরুল ইসলাম।
⇨ মুজিবনগর সরকারের শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষণাপত্রটি পাঠ করেন ইউসুফ আলী।
⇨ ৬ষ্ঠ তফসিলে ২৬ মার্চের স্বাধীনতার ঘোষনাপত্র সংযুক্ত করা হয় ।

তথ্যসূত্র:- বাংলাদেশের সংবিধান, আরিফ খান এবং পৌরনীতি ও সুশাসন ২য় পত্র, এইচ এস সি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
মন্ত্রীদের দ্বারা উত্থাপিত বিলকে কোন ধরনের বিল বলা হয়?
  1. ক) বেসরকারি বিল
  2. খ) আর্থিক বিল
  3. গ) জাতীয় বিল
  4. ঘ) সরকারি বিল
সঠিক উত্তর:
ঘ) সরকারি বিল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) সরকারি বিল
ব্যাখ্যা

• আইনের প্রাথমিক প্রস্তাবকে সংসদীয় ভাষায় বিল বলা হয়।
• আইন প্রণয়নের উদ্দেশ্যে সংসদে আনীত প্রত্যেকটি প্রস্তাব বিল আকারে উত্থাপিত হয়।
• জাতীয় সংসদে উত্থাপিত আইনের খসড়াকে বিল বলে।
• বিল দুই প্রকার। যথা- সরকারি বিল ও বেসরকারি বিল।

সরকারি বিল
• সরকারি বিল উত্থাপনের জন্য ৭ দিন সময়।
• যে বিল মন্ত্রীদের দ্বারা উত্থাপিত হয় তাকে সরকারি বিল বলে

বেসরকারি বিল

• যে বিল সাধারণ সংসদ সদস্যদের দ্বারা উত্থাপিত হয় তাকে বেসরকারি বিল বলে।
• বেসরকারি বিল উত্থাপনের জন্য ১৫ দিনের নোটিশ প্রয়োজন হয়।

তথ্যসূত্র:- পৌরনীতি ও সুশাসন, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণী, প্রফেসর মোঃ মোজাম্মেল হক এবং সংসদ সচিবালয়।

.
ছয় দফার চতুর্থ দফায় কোন বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে?
  1. ক) শুল্ক সম্বন্ধীয়
  2. খ) অর্থ ও মুদ্রা
  3. গ) বৈদেশিক বাণিজ্য বিষয়ক ক্ষমতা
  4. ঘ) পররাষ্ট্র সংক্রান্ত
সঠিক উত্তর:
ক) শুল্ক সম্বন্ধীয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) শুল্ক সম্বন্ধীয়
ব্যাখ্যা
• ১৯৬৬ সালের ৫ ও ৬ ফেব্রুয়ারি লাহোরে অনুষ্ঠিত বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলোর এক সম্মেলনে আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে শেখ মুজিবুর রহমান পূর্ব পাকিস্তানের স্বায়ত্তশাসন প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে '৬ দফা দাবি' পেশ করেন।
• আনুষ্ঠানিকভাবে ছয় দফা উত্থাপন করা হয় লাহোর প্রস্তাবের সাথে মিল রেখে ২৩ মার্চ।
• ছয় দফা কর্মসূচি বাঙালিদের অধিকারের সনদ যার মধ্যে বাঙালিদের জীবনের দাবি নিহিত ছিল। নিম্নে ছয় দফা কর্মসূচি উল্লেখ করা হল।

১। শাসনতান্ত্রিক কাঠামো ও রাষ্ট্রীয় প্রকৃতি: ১৯৪০ সালের ঐতিহাসিক লাহোর প্রস্তাবের ভিত্তিতে সংবিধান রচিত হবে। 

২। পররাষ্ট্র সংক্রান্ত: বৈদেশিক সম্পর্ক ও প্রতিরক্ষা ছাড়া সকল বিষয় অঙ্গরাষ্ট্র বা প্রদেশের হাতে ন্যস্ত থাকবে। বৈদেশিক সম্পর্ক ও প্রতিরক্ষা বিষয় ন্যস্ত থাকবে কেন্দ্রীয় সরকারের হাতে।

৩। অর্থ ও মুদ্রা: দেশের দুই অঞ্চলের জন্য দুটি পৃথক অথচ সহজে বিনিময়যোগ্য মুদ্রা চালু করার ব্যবস্থা থাকবে। এ রকম
ব্যবস্থা চালু সম্ভব না হলে দুই অঞ্চলের জন্য একই মুদ্রা থাকবে, তবে সংবিধানে এমন ব্যবস্থা রাখতে হবে যাতে এক অঞ্চলের মুদ্রা অন্য অঞ্চলে পাচার না হতে পারে।

৪। শুল্ক সম্বন্ধীয়: সকল প্রকার ট্যাক্স, খাজনা ও কর ধার্য এবং আদায়ের ক্ষমতা প্রাদেশিক বা আঞ্চলিক সরকারের হাতে থাকবে। কেন্দ্রীয় সরকারের ব্যয় নিবার্হের জন্য আদায়কৃত অর্থের একটা অংশ কেন্দ্রীয় সরকার পাবে।

৫। বৈদেশিক বাণিজ্য বিষয়ক ক্ষমতা: বৈদেশিক মুদ্রার ওপর প্রদেশ বা অঙ্গরাজ্যগুলোর পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ থাকবে। 

৬। আঞ্চলিক সেনাবাহিনী গঠনের ক্ষমতা: আঞ্চলিক সংহতি ও জাতীয় নিরাপত্তা রক্ষার কার্যকর ব্যবস্থা হিসেবে প্রদেশ বা অঙ্গরাজ্যগুলো আধা—সামরিক বাহিনী বা মিলিশিয়া বাহিনী গঠন করতে পারবে। 

তথ্যসূত্র:- পৌরনীতি ও সুশাসন দ্বিতীয় পত্র, এইচ এস সি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
বাংলাদেশের আইনসভার নাম কী?
  1. ক) House of the Nations
  2. খ) House of the Nation
  3. গ) National Parliament
  4. ঘ) House of the Parliament
সঠিক উত্তর:
খ) House of the Nation
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) House of the Nation
ব্যাখ্যা

• বাংলাদেশের আইনসভার নাম জাতীয় সংসদ (House of the Nation)।
• এটি এক কক্ষবিশিষ্ট।
• জাতীয় সংসদের সদস্য সংখ্যা ৩৫০।
• ৩০০টি আসনে সরাসরি নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। অন্য ৫০টি আসন নারীদের জন্য সংরক্ষিত থাকে।
• নারী সংসদ সদস্যগণ ৩০০ জন সংসদ সদস্য দ্বারা নির্বাচিত হয়ে থাকেন।
• সংবিধান অনুযায়ী জাতীয় সংসদ রাজধানীতে অবস্থিত।
• সরকারি বিজ্ঞপত্তি দ্বারা রাষ্ট্রপতি সংসদ অধিবেশন আহবান করেন।
• অধিবেশন পরিচালনার জন্য স্পীকার ও ডেপুটি স্পীকার নির্বাচন করা হয়।
• স্পীকারের অনুপস্থিতিতে ডেপুটি স্পীকার দায়িত্ব পালন করেন।

তথ্যসূত্র:- জাতীয় সংসদ সচিবালয়।

.
সাঁওতালদের বসবাস নেই কোন অঞ্চলে -
  1. ক) চট্রগ্রাম
  2. খ) রাজশাহী
  3. গ) বগুড়া
  4. ঘ) রংপুর
সঠিক উত্তর:
ক) চট্রগ্রাম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) চট্রগ্রাম
ব্যাখ্যা
• সাঁওতাল বাংলাদেশের অন্যতম বৃহৎ আদিবাসী জনগোষ্ঠী।
• তাদের বাসস্থান মূলত রাজশাহী, দিনাজপুর, রংপুর ও বগুড়া জেলায়।
• প্রধান নিবাস রাঢ়বঙ্গ, বিহার ও উড়িষ্যার অরণ্য অঞ্চল এবং ছোটনাগপুর; পরে সরকার কর্তৃক নির্ধারিত সাঁওতাল পরগনায়।
• সাঁওতালদের ভাষা: সাঁওতালি।
• সাঁওতালি ভাষা অস্ট্রিক ভাষার পরিবারভুক্ত। কোল ও মুন্ডারি ভাষার সঙ্গে সাঁওতালি ভাষার সাদৃশ্য রয়েছে।
• সাঁওতালদের যেমন ভাষা আছে কিন্তু লেখ্য বর্ণমালা নেই, তেমনি তাদের ধর্ম আছে কিন্তু কোন আনুশাসনিক ধর্মগ্রন্থ নেই। খ্রিস্টান মিশনারিদের দ্বারা তাদের মধ্যে খ্রিস্টধর্ম প্রচারিত হচ্ছে। 
• প্রধান উৎস: সোহরাই।

তথ্যসূত্র:- ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর ভাষা ও সংস্কৃতি, ষষ্ঠ শ্রেণি এবং বাংলাপিডিয়া।
.
কার সম্পাদনায় ‘পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা বাংলা না উর্দু’ পুস্তিকাটি প্রকাশিত হয়?
  1. ক) এম আকতার মুকুল
  2. খ) আবুল মনসুর আহমদ
  3. গ) অধ্যাপক আবুল কাশেম
  4. ঘ) কাজী মোতাহার হোসেন
সঠিক উত্তর:
গ) অধ্যাপক আবুল কাশেম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) অধ্যাপক আবুল কাশেম
ব্যাখ্যা
• পুস্তিকার নাম - ‘পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা বাংলা না উর্দু’। 
• প্রকাশ - ১৯৪৭ সালের ১৬ সেপ্টেম্বর। 
সম্পাদক -  অধ্যাপক আবুল কাশেম
• অন্যান্য লেখক - কাজী মোতাহার হোসেন, আবুল মনসুর আহমদ।  
• ‘তমদ্দুন মজলিশ’ এর প্রথম সভাপতি - দেওয়ান মোহাম্মদ আজরফ। 

বিঃদ্রঃ - যদি কোথাও তমদ্দুন মজলিসের প্রতিষ্ঠার তারিখ ২ সেপ্টেম্বর না থেকে ১ সেপ্টেম্বর থাকে তাহলে ১ সেপ্টেম্বর উত্তর করতে হবে । অনুরুপ ‘পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা বাংলা না উর্দু’ পুস্তিকাটি কখন প্রকাশিত হয় জানতে চাইলে ১৬ সেপ্টেম্বর উত্তর হবে । আর যদি ১৬ সেপ্টেম্বর না থাকে তাহলে হবে ১৫ সেপ্টেম্বর । 

তথ্যসূত্র:- স্বাধীনতা যুদ্ধের দলিলপত্র (প্রথম খন্ড), বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি ও বাংলাপিডিয়া।
১০.
ছয় দফা কর্মসূচি ১৯৬৬ সালের কত তারিখে পেশ করা হয়?
  1. ক) ৫ ফ্রেব্রুয়ারি
  2. খ) ৮ ফ্রেব্রুয়ারি
  3. গ) ১২ ফ্রেব্রুয়ারি
  4. ঘ) ২৩ মার্চ
সঠিক উত্তর:
ক) ৫ ফ্রেব্রুয়ারি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ৫ ফ্রেব্রুয়ারি
ব্যাখ্যা
• ১৯৬৬ সালের ছয় দফা বাঙালি জাতির জীবনে এক তাৎপর্যপূর্ণ অধ্যায়। ধর্মগত ঐক্যের ভিত্তিতে রাষ্ট্র তৈরি হলেও, পাকিস্তান সৃষ্টির পর থেকে বাঙালিদের প্রতি বিমাতাসুলভ আচরণ করা হয়। অর্থনৈতিক উন্নয়ন, সামরিক-বেসামরিক চাকরি, শিক্ষা ও অন্যান্য ক্ষেত্রে বাঙালীদের প্রতি ক্রমবর্ধমান বৈষম্য দেখানো হয়।
• শেখ মুজিবুর রহমান ১৯৬৬ সালের ৫ ও ৬ ফেব্রুয়ারি লাহোরে অনুষ্ঠিত বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলোর সম্মেলনে যোগ দেয়ার জন্য আওয়ামী লীগের শীর্ষস্থানীয় নেতাদের নিয়ে শেখ মুজিবুর রহমান ৪ ফেব্রুয়ারি লাহোর পৌঁছেন।
• পরদিন অর্থাৎ ৫ ফেব্রুয়ারি সাবজেক্ট কমিটির সভায় তিনি পূর্ব পাকিস্তানের জনগণের দাবি হিসেবে ‘ছয়দফা’ প্রস্তাব পেশ করেন এবং তা সম্মেলনের আলোচ্যসূচির অন্তর্ভুক্ত করার দাবি জানান। কিন্তু সম্মেলনের উদ্যোক্তারা এ প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করেন। 
• পরদিন অর্থাৎ ৬ ফেব্রুয়ারি পশ্চিম পাকিস্তানি পত্রপত্রিকায় ছয়দফার বিবরণ ছাপিয়ে শেখ মুজিবকে বিচ্ছিন্নতাবাদীরূপে চিত্রিত করা হয়। ফলে শেখ মুজিব ৬ ফেব্রুয়ারির সম্মেলন বর্জন করেন।
• আনুষ্ঠানিকভাবে ছয় দফা উত্থাপন করা হয় লাহোর প্রস্তাবের সাথে মিল রেখে ২৩ মার্চ।
• ১৯৬৬ সালের ৭ জুন হরতালে পুলিশের গুলিতে নিহত হন আওয়ামী লীগের মনু মিয়া, মজিবুল্লাহ, শফিক, শামসুল হকসহ ১১ জন।
• বর্তমানে ৭ জুন ছয় দফা দিবস হিসেবে পালিত হয়।  

নোট:- বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ১৯৬৬ সালের ৬ ফেবু্রয়ারি ঐতিহাসিক মুক্তির বাণী তথা ‘ছয় দফা’ কর্মসূচি পেশ করেন। (পৌরনীতি ও সুশাসন, এইচ এস সি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়)। যদি প্রশ্নে ৫ ফ্রেব্রুয়ারি না থাকে তাহলে ৬ ফ্রেব্রুয়ারি উত্তর করতে হবে। 

তথ্যসূত্র:- বাংলাপিডিয়া, পৌরনীতি, এস এস সি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় এবং পৌরনীতি ও সুশাসন, এইচ এস সি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১১.
মারমাদের মধ্যে কোন ধরনের পারিবারিক কাঠামো বিদ্যমান?
  1. ক) পিতৃতান্ত্রিক
  2. খ) মাতৃতান্ত্রিক
  3. গ) ভ্রাতৃতান্ত্রিক
  4. ঘ) গৃহতান্ত্রিক
সঠিক উত্তর:
ক) পিতৃতান্ত্রিক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) পিতৃতান্ত্রিক
ব্যাখ্যা
• মারমা বাংলাদেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম আদিবাসী জনগোষ্ঠী।
• মারমা জনগণের অধিকাংশই বাংলাদেশের তিনটি পার্বত্য জেলা রাঙ্গামাটি, বান্দরবান এবং খাগড়াছড়িতে বসবাস করে।
• মারমাদের পারিবারিক কাঠামো পিতৃতান্ত্রিক
• খাসিয়া ও গারো উপজাতির পারিবারিক কাঠামো মাতৃতান্ত্রিক।
• বাংলাদেশে খাসিয়াদের বসবাস- সিলেট, হবিগঞ্জ।
• গারোরা বৃহত্তর ময়মনসিংহ এবং সিলেট অঞ্চলে বসবাস করে।

তথ্যসূত্র:- বাংলাপিডিয়া।
১২.
ভাষা আন্দোলন ভিত্তিক প্রথম সংগঠন 'তমদ্দুন মজলিশ' প্রতিষ্ঠিত হয় কবে?
  1. ক) ১ সেপ্টেম্বর, ১৯৪৭
  2. খ) ১৬ সেপ্টেম্বর, ১৯৪৭
  3. গ) ১৫ সেপ্টেম্বর, ১৯৪৭
  4. ঘ) ২ সেপ্টেম্বর, ১৯৪৭
সঠিক উত্তর:
ঘ) ২ সেপ্টেম্বর, ১৯৪৭
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ২ সেপ্টেম্বর, ১৯৪৭
ব্যাখ্যা
তমদ্দুন মজলিশ
• তমদ্দুন মজলিশ ইসলামী আদর্শাশ্রয়ী একটি সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক সংগঠন। দেশে ইসলামী আদর্শ ও ভাবধারা সমুন্নত করার প্রত্যয় নিয়ে ভারত বিভাগের অব্যবহিত পরেই ঢাকায় গড়ে উঠে এই সংগঠনটি। এটি ছিলো ভাষা আন্দোলন ভিত্তিক প্রথম সংগঠন।
১৯৪৭ সালের ২ সেপ্টেম্বর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কিছু ছাত্র ও অধ্যাপকের উদ্যোগে তমদ্দুন মজলিশ প্রতিষ্ঠিত হয়।
• এই প্রতিষ্ঠানের উদ্দেশ্য ছিলো - বাংলা ভাষার মাধ্যমে সংস্কৃতির সেবা করা। পাকিস্তান সৃষ্টির পর বাংলা ভাষার পক্ষে সংস্থাটির ভূমিকা ছিলো প্রাথমিক ও গুরুত্বপূর্ণ।
• ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক আবুল কাশেমের উদ্যোগে এটি প্রতিষ্ঠিত হয় এবং তিনি এই সংগঠনের প্রতিষ্ঠাতা সাধারণ সম্পাদক ছিলেন।
• তমদ্দুন মজলিশের মুখপত্র ছিলো - সাপ্তাহিক সৈনিক পত্রিকা। এটি প্রথম প্রকাশিত হয় ১৯৪৮ সালের ১৪ নভেম্বর (২৮ কার্তিক ১৩৫৫)। শুরুতে সৈনিক পত্রিকার সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতি ছিলেন শাহেদ আলী এবং পরে সভাপতি হন আবদুল গফুর।

বিঃদ্রঃ - যদি কোথাও তমদ্দুন মজলিসের প্রতিষ্ঠার তারিখ ২ সেপ্টেম্বর না থেকে ১ সেপ্টেম্বর থাকে তাহলে ১ সেপ্টেম্বর উত্তর করতে হবে। অনুরুপ ‘পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা বাংলা না উর্দু’ পুস্তিকাটি কখন প্রকাশিত হয় জানতে চাইলে ১৬ সেপ্টেম্বর উত্তর হবে। আর যদি ১৬ সেপ্টেম্বর না থাকে তাহলে হবে ১৫ সেপ্টেম্বর।  

তথ্যসূত্র:- স্বাধীনতা যুদ্ধের দলিলপত্র (প্রথম খন্ড), বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি ও বাংলাপিডিয়া।
১৩.
মাতৃতান্ত্রিক পারিবারিক কাঠামো লক্ষ্য করা যায় কোন ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর মধ্যে?
  1. ক) মারমা
  2. খ) হাজং
  3. গ) রাখাইন
  4. ঘ) কোনটি নয়
সঠিক উত্তর:
ঘ) কোনটি নয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) কোনটি নয়
ব্যাখ্যা
• বাংলাদেশে বসবাসকারী ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীসমূহের মধ্যে খাসিয়া এবং গারো সম্প্রদায়ের পারিবারিক কাঠামো মাতৃতান্ত্রিক। 
• এছাড়া, কোচ সমাজেও আংশিক মাতৃতান্ত্রিকতা বিদ্যমান রয়েছে।
• অন্যান্য ক্ষুদ্র-নৃগোষ্ঠী সম্প্রদায়ের পারিবারিক কাঠামো পিতৃতান্ত্রিক।

তথ্যসূত্র:- বাংলাপিডিয়া।
১৪.
বঙ্গবন্ধু সহ সকল রাজবন্দিদের আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা থেকে মুক্তিদানে আইয়ুব সরকার বাধ্য হয় কখন?
  1. ক) ১৯৬৯ সালের ২২ ফেব্রয়ারি
  2. খ) ১৯৬৯ সালের ২৩ ফেব্রয়ারি
  3. গ) ১৯৬৯ সালের ১৮ ফেব্রয়ারি
  4. ঘ) ১৯৬৯ সালের ১৫ ফেব্রয়ারি
সঠিক উত্তর:
ক) ১৯৬৯ সালের ২২ ফেব্রয়ারি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ১৯৬৯ সালের ২২ ফেব্রয়ারি
ব্যাখ্যা
আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা
• ১৯৬৮ সালের ৩ জানুয়ারি আইয়ুব খান সরকার আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা দায়ের করে।
• ১৮ জানুয়ারি বঙ্গবন্ধুকে এই মামলায় অভিযুক্ত করা হয়।
• বঙ্গবন্ধুকে প্রধান আসামী করে মোট ৩৫ জনকে এই মামলার আসামী করা হয়।
• মামলার নাম “রাষ্ট্র বনাম শেখ মুজিবুর রহমান এবং অন্যান্য”। তবে এটি “আগরতলা ষড়যন্ত্র” মামলা হিসেবেই বেশি পরিচিত।
• ঢাকা ক্যান্টনমেন্টে ১৯ জুন কঠোর নিরাপত্তার মধ্যে এই মামলার বিচারকার্য শুরু হয়।
• ট্রাইব্যুনালের বৈধতা সম্পর্কে হাইকোর্টে রিট পিটিশন দায়েরের জন্য বঙ্গবন্ধুর পক্ষে ইংল্যান্ড থেকে এসেছিলেন রাণীর আইন বিষয়ক উপদেষ্টা বিখ্যাত ব্রিটিশ আইনজীবী টমাস উইলিয়াম। 
• বন্দি অবস্থায় ঢাকা সেনানিবাসে এই মামলার অন্যতম আসামি সার্জেন্ট জহুরুল হক (১৫ ফেব্রুয়ারি,১৯৬৯)  এবং রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর ড. শামসুজ্জোহা (১৮ ফেব্রুয়ারি,১৯৬৯) নিহত হলে আন্দোলন গণঅভ্যুত্থানে রূপান্তরিত হয়।
• গণঅভ্যুত্থানের মুখে আইয়ুব খান সরকার ১৯৬৯ সালের ২২ ফেব্রয়ারি আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা প্রত্যাহার করে বঙ্গবন্ধু সহ সকল রাজবন্দিদের মুক্তিদানে বাধ্য হয়।

উল্লেখ্য, 
• ২৩ ফেব্রুয়ারি বঙ্গবন্ধুর মুক্তি উপলক্ষে ছাত্র সংগ্রাম পরিষদের পক্ষ থেকে রেসকোর্স ময়দানের সংবর্ধনা সভায় শেখ মুজিবুর রহমানকে বঙ্গবন্ধু উপাধিতে ভূষিত করেন তদানীন্তন ডাকসুর ভিপি তোফায়েল আহমেদ।

তথ্যসূত্র:- বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি এবং বাংলাপিডিয়া।
১৫.
জরুরি অবস্থা চলাকালীন সময় সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদ স্থগিত করা যায় না?
  1. ক) ৪১
  2. খ) ৩৬
  3. গ) ৪০
  4. ঘ) ৪২
সঠিক উত্তর:
ক) ৪১
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ৪১
ব্যাখ্যা
অনুচ্ছেদ ১৪১খ : জরুরী-অবস্থার সময় সংবিধানের কতিপয় অনুচ্ছেদের বিধান স্থগিতকরণ
⇨ এই সংবিধানের তৃতীয় ভাগের অন্তর্গত বিধানাবলীর কারণে রাষ্ট্র যে আইন প্রণয়ন ও নির্বাহী ব্যবস্থা গ্রহণ করতে সক্ষম নয়। জরুরী-অবস্থা চলাকালে এই ভাগের পরিপন্থি কোনো আইন প্রণয়নে রাষ্ট্র কোনো বাধার সম্মুখীন হবে না।  
⇨ ৩৬, ৩৭, ৩৮, ৩৯, ৪০ ও ৪২ অনুচ্ছেদসমূহের কোন কিছুই আইন-প্রণয়ন ও নির্বাহী ব্যবস্থা গ্রহণ করতে রাষ্ট্রের ক্ষমতাকে সীমাবদ্ধ করবে না।
⇨ তবে অনুরূপভাবে প্রণীত কোন আইনের কর্তৃত্বে যা করা হয়েছে বা করা হয়নি, সেগুলো ছাড়া এ জাতীয় আইনের অন্য সবকিছু প্রত্যাহারের পরে অকার্যকর হয়ে যাবে।  
৪১ নং অনুচ্ছেদ : ধর্মীয় স্বাধীনতা। ৪১ নং অনুচ্ছেদ জরুরি অবস্থার সময় স্থগিত করা যায় না।

তথ্যসূত্র:- বাংলাদেশের সংবিধান।
১৬.
আইন বাস্তবায়নগত সকল ক্ষমতা কোন বিভাগের এখতিয়ারে?
  1. ক) বিচার বিভাগের
  2. খ) আইন বিভাগের
  3. গ) আপিল বিভাগের
  4. ঘ) শাসন বিভাগের
সঠিক উত্তর:
ঘ) শাসন বিভাগের
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) শাসন বিভাগের
ব্যাখ্যা
শাসন বিভাগ
• শাসন বিভাগের প্রকৃত ক্ষমতা ন্যস্ত থাকে প্রধানমন্ত্রীর হাতে।
• রাষ্ট্রের প্রধান হিসেবে রাষ্ট্রপতি দেশের প্রতিনিধিত্ব করবে; কিন্তু সকল ক্ষেত্রে তাঁকে প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শ গ্রহণ করতে হয়।
• প্রধানমন্ত্রী মন্ত্রীপরিষদেরও প্রধান। মন্ত্রীপরিষদের সদস্যদের প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শে রাষ্ট্রপতি নিয়োগ দান করেন।
• মন্ত্রীদের মধ্যে দায়দায়িত্ব বন্টন করেন প্রধানমন্ত্রী। সরকার প্রধান হিসেবে প্রধানমন্ত্রী সরকার ব্যবস্থার প্রধান নীতিনির্ধারক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
• তবে আইন বাস্তবায়নগত সকল ক্ষমতা শাসন বিভাগের এখতিয়ারে। 

তথ্যসূত্র:- পৌরনীতি ও সুশাসন দ্বিতীয় পত্র, এইচ এস সি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
১৭.
সংবিধানে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান স্বাক্ষর করেন -
  1. ক) ১২ নভেম্বর, ১৯৭২
  2. খ) ৪ নভেম্বর, ১৯৭২
  3. গ) ১৪ ডিসেম্বর, ১৯৭২
  4. ঘ) ১৫ ডিসেম্বর, ১৯৭২
সঠিক উত্তর:
ঘ) ১৫ ডিসেম্বর, ১৯৭২
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ১৫ ডিসেম্বর, ১৯৭২
ব্যাখ্যা
১৫ ডিসেম্বর, ১৯৭২ সালে গণপরিষদের সদস্যগণ হাতে লেখা সংবিধানের কপিতে স্বাক্ষর প্রদান করেন।
• সংবিধানে প্রথম স্বাক্ষর করেন - সংসদ নেতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান।
• তারপর যথাক্রমে - সৈয়দ নজরুল ইসলাম এবং তাজউদ্দিন আহমদ স্বাক্ষর করেন।
• একমাত্র বিরোধী দলীয় সদস্য সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত সংবিধানে স্বাক্ষর করেন নি।
• হস্তলিখিত সংবিধানে মোট ৩৯৯ জন গণপরিষদ সদস্যের স্বাক্ষর রয়েছে।

তথ্যসূত্র:- বাংলাদেশের সংবিধান, আরিফ খান।
১৮.
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ এর আহবায়ক কে ছিলেন?
  1. ক) আবদুল মতিন
  2. খ) অধ্যাপক নুরুল হক ভূঞা
  3. গ) কাজী গোলাম মাহবুব
  4. ঘ) শামসুল আলম
সঠিক উত্তর:
ক) আবদুল মতিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) আবদুল মতিন
ব্যাখ্যা
⇨ ১৯৫০ সালের ১১ই মার্চ ভাষা আন্দোলনকে কেন্দ্র করে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ গঠিত হয়। এর আহ্বায়ক ছিলেন আবদুল মতিন

অন্যদিকে, 
⇨ ১৯৪৭ সালের ডিসেম্বর মাসে তমুদ্দিন মজলিসের উদ্যোগে গঠিত প্রথম ‘রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ’ এর আহ্বায়ক ছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক নুরুল হক ভূঞা।
⇨ ১৯৪৮ সালের ২ মার্চ ছাত্রসমাজ দেশের বরেণ্য বুদ্ধিজীবীদের উপস্থিতিতে দ্বিতীয়বারের মতো রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ গঠন করে। এ পরিষদের আহবায়ক মনোনীত হন শামসুল আলম।
⇨ ১৯৫২ সালের ৩১ জানুয়ারি আওয়ামী মুসলিম লীগ সভাপতি মওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানীর সভাপতিত্বে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের সর্বদলীয় সভায় ‘সর্বদলীয় কেন্দ্রীয় রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ’ গঠিত হয়।
⇨ কাজী গোলাম মাহবুবকে আহবায়ক করে ৪০ সদস্য বিশিষ্ট সংগ্রাম পরিষদ গঠিত হয়।
⇨ এই সভায় ২১ ফেব্রুয়ারি পূর্ববাংলা ব্যবস্থাপক পরিষদের বাজেট অধিবেশনের দিন দেশব্যাপী সাধারণ ধর্মঘটের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়।

তথ্যসূত্র:- ইতিহাস প্রথম পত্র, এইচ এস সি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়, বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, নবম-দশম শ্রেণি এবং বাংলাপিডিয়া।
১৯.
নির্ণায়ক ভোট (Casting Vote) সংক্রান্ত অনুচ্ছেদ কোনটি?
  1. ক) অনুচ্ছেদ  ৭৬
  2. খ) অনুচ্ছেদ ৭৫
  3. গ) অনুচ্ছেদ ৭৭
  4. ঘ) অনুচ্ছেদ  ৭৮
সঠিক উত্তর:
খ) অনুচ্ছেদ ৭৫
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) অনুচ্ছেদ ৭৫
ব্যাখ্যা
অনুচ্ছেদ ৭৫:- কার্যপ্রণালী-বিধি, কোরাম প্রভৃতি 
(১) এই সংবিধান-সাপেক্ষে
(খ) উপস্থিত ও ভোটদানকারী সদস্যদের সংখ্যাগরিষ্ঠ ভোটে সংসদে সিদ্ধান্ত গৃহীত হবে, তবে সমসংখ্যক ভোটের ক্ষেত্র ব্যতীত সভাপতি ভোটদান করবেন না কিন্তু সমসংখ্যক ভোট হলে তিনি নির্ণায়ক ভোট (Casting Vote) প্রদান করবেন ।  

অন্যদিকে, 
• অনুচ্ছেদ  ৭৬:- সংসদের স্থায়ী কমিটিসমূহ।
• অনুচ্ছেদ ৭৭ : ন্যায়পাল।
• অনুচ্ছেদ  ৭৮ : সংসদ ও সদস্যদের বিশেষ অধিকার ও দায়মুক্তি।   

তথ্যসূত্র:- বাংলাদেশের সংবিধান। 
২০.
পাকিস্তানের গণপরিষদে বাংলাকে পাকিস্তানের অন্যতম রাষ্ট্রভাষার স্বীকৃতি দেয়া হয় কবে?
  1. ক) ১৯৫৬
  2. খ) ১৯৫৪
  3. গ) ১৯৫৩
  4. ঘ) ১৯৫৮
সঠিক উত্তর:
খ) ১৯৫৪
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ১৯৫৪
ব্যাখ্যা
বাংলা ভাষার স্বীকৃতি 
• ৯ মে মতান্তরে ৭ মে ১৯৫৪ সালে পাকিস্তানের গণপরিষদের অধিবেশনে বাংলাকে পাকিস্তানের অন্যতম রাষ্ট্রভাষার স্বীকৃতি দেয়া হয়।
• আওয়ামীলীগ দলীয় জাতীয় পরিষদ সদস্য ‘আদেলউদ্দিন আহমেদ’ জাতীয় পরিষদে বাংলাকে রাষ্ট্রভাষা করার বিল উত্থাপন করলে ১৬ ফেব্রুয়ারি মতান্তরে ২৯ ফেব্রুয়ারি ১৯৫৬ সালে তা সর্বসম্মতিক্রমে গৃহিত হয়।
• ১৯৫৬ সালের ২৩শে মার্চ পাকিস্তানের প্রথম সংবিধান গৃহিত হয়। এই সংবিধানের বাংলা ও উর্দুকে পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়। পূর্ব বাংলার মূখ্যমন্ত্রী আবু হোসেন সরকার ২১ ফেব্রুয়ারি সরকারি ছুটি ঘোষণা করেন ।
• বাংলা ভাষাকে জাতীয় জীবনে সর্বস্তরে ব্যবহারের জন্য আইন পাস করা হয় ১৯৮৭ সালে।  

তথ্যসূত্র:- বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি এবং বাংলাপিডিয়া।
২১.
প্রজাতন্ত্র কোন যুদ্ধে অংশ গ্রহণ করতে চাইলে অনুমোদনের প্রয়োজন হয় -
  1. ক) রাষ্ট্রপতির
  2. খ) জাতীয় সংসদের
  3. গ) প্রধানমন্ত্রীর
  4. ঘ) প্রধান বিচারপতির
সঠিক উত্তর:
খ) জাতীয় সংসদের
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) জাতীয় সংসদের
ব্যাখ্যা
অনুচ্ছেদ ৬৩ : যুদ্ধ
(১) সংসদের সম্মতি ব্যতীত যুদ্ধ ঘোষণা করা যাবে না কিংবা প্রজাতন্ত্র কোন যুদ্ধে অংশ গ্রহণ করবে না।   

তথ্যসূত্র:- বাংলাদেশের সংবিধান।
২২.
নিচের কোন সংশোধনী তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থার সাথে জড়িত?
  1. ক) দ্বাদশ
  2. খ) ত্রয়োদশ
  3. গ) পঞ্চদশ
  4. ঘ) খ ও গ
সঠিক উত্তর:
ঘ) খ ও গ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) খ ও গ
ব্যাখ্যা
• ২৭ মার্চ, ১৯৯৬ সালে ১৩তম সংশোধনীর মাধ্যমে সংবিধানে তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা প্রণয়ন করা হয়েছিল।
• ৩০ জুন, ২০১১ সালে ১৫তম সংশোধনীর মাধ্যমে তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা বাতিল করা হয়।

অন্যদিকে, 
• দ্বাদশ সংশোধনী - এ সংশোধনীর মাধ্যমে ১৭ বছর পর দেশে পুনরায় সংসদীয় সরকার প্রতিষ্ঠিত হয় এবং উপরাষ্ট্রপতির পদ বিলুপ্ত করা হয়। 

তথ্যসূত্র:- বাংলাদেশের সংবিধান।
২৩.
World Population Prospects 2022 অনুযায়ী, জনসংখ্যার দিক থেকে বিশ্বে বাংলাদেশের অবস্থান -
  1. ক) ৬ষ্ঠ
  2. খ) ৭ম
  3. গ) ৯ম
  4. ঘ) ৮ম
সঠিক উত্তর:
ঘ) ৮ম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ৮ম
ব্যাখ্যা
World Population Prospects 2022
জুলাই ২০২২ এ জাতিসংঘের জনসংখ্যা বিভাগ 'World Population Prospects 2022' শিরোনামে একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করে।
প্রতিবেদন অনুসারে –

• জনসংখ্যার দিক থেকে পৃথিবীর শীর্ষ তিন দেশ – ১. চীন (১৪২৬ মিলিয়ন); ২. ভারত (১৪১২ মিলিয়ন) ও ৩. যযুক্তরাষ্ট্র (৩৩৭ মিলিয়ন)।
• জনসংখ্যার দিক থেকে বিশ্বে বাংলাদেশের অবস্থান - অষ্টম (১৭০ মিলিয়ন)।
• জনসংখ্যার ঘনত্বে বিশ্বের শীর্ষ দেশ - মোনাকো (২৪,৪৭৬ জন/বর্গ কিমি)।
• জনসংখ্যার ঘনত্বে বাংলাদেশের অবস্থান - ষষ্ঠ (১,৩১৫ জন/বর্গ কিমি)
• সার্কভুক্ত দেশের মধ্যে জনসংখ্যার ঘনত্ব সবচেয়ে বেশি – মালদ্বীপ (চতুর্থ) (১,৭৪৬ জন/বর্গ কিমি)।
• ২০৫০ সালে বিশ্বের সবচেয়ে জনবহুল দেশ হবে ভারত, দ্বিতীয় চীন।
• ২০৫০ সালে বাংলাদেশের জনসংখ্যা হবে ২০৪ মিলিয়ন।
 
তথ্যসূত্র:- UNFPA ওয়েবসাইট। 
২৪.
জাতীয় পরিষদে বাংলাকে রাষ্ট্রভাষা করার বিল উত্থাপন করেন কোন আওয়ামীলীগ নেতা?
  1. ক) ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত
  2. খ) চৌধুরী খালেকুজ্জামান
  3. গ) মাওলানা আকরাম খাঁ
  4. ঘ) আদেলউদ্দিন আহমেদ
সঠিক উত্তর:
ঘ) আদেলউদ্দিন আহমেদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) আদেলউদ্দিন আহমেদ
ব্যাখ্যা
বাংলা ভাষার স্বীকৃতি 
• ৯ মে মতান্তরে ৭ মে ১৯৫৪ সালে পাকিস্তানের গণপরিষদের অধিবেশনে বাংলাকে পাকিস্তানের অন্যতম রাষ্ট্রভাষার স্বীকৃতি দেয়া হয়।
• আওয়ামীলীগ দলীয় জাতীয় পরিষদ সদস্য আদেলউদ্দিন আহমেদ জাতীয় পরিষদে বাংলাকে রাষ্ট্রভাষা করার বিল উত্থাপন করলে ১৬ ফেব্রুয়ারি মতান্তরে ২৯ ফেব্রুয়ারি ১৯৫৬ সালে তা সর্বসম্মতিক্রমে গৃহিত হয়।
• ১৯৫৬ সালের ২৩শে মার্চ পাকিস্তানের প্রথম সংবিধান গৃহিত হয়। এই সংবিধানের বাংলা ও উর্দুকে পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়। পূর্ব বাংলার মূখ্যমন্ত্রী আবু হোসেন সরকার ২১ ফেব্রুয়ারি সরকারি ছুটি ঘোষণা করেন ।
• বাংলা ভাষাকে জাতীয় জীবনে সর্বস্তরে ব্যবহারের জন্য আইন পাস করা হয় ১৯৮৭ সালে।  

তথ্যসূত্র:- বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি এবং বাংলাপিডিয়া।
২৫.
প্রথম ইনডেমনিটি অধ্যাদেশ জারির উদ্দেশ্য কী ছিল?
  1. ক) এরশাদের ক্ষমতাকে পাকাপোক্তকরন
  2. খ) জিয়ার ক্ষমতাকে বৈধতা প্রদান
  3. গ) অপারেশন ক্লিন হার্টের বৈধতা প্রদান
  4. ঘ) বঙ্গবন্ধু হত্যাকারীদের দায়মুক্তি
সঠিক উত্তর:
ঘ) বঙ্গবন্ধু হত্যাকারীদের দায়মুক্তি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) বঙ্গবন্ধু হত্যাকারীদের দায়মুক্তি
ব্যাখ্যা

• ইনডেমনিটি হলো কোন বিচারকার্যকে বাধা প্রধান সংক্রান্ত অধ্যাদেশ বা আইন। কোনো অভিযান বা অভ্যুত্থানের ক্ষয়ক্ষতি আদালতের বহির্ভূত রাখার জন্য আইনসভা যে বিল পাস করে তাকেই ইনডেমনিটি বিল বলে।
• বাংলাদেশে এ পর্যন্ত ৩ বার ইনডেমনিটি অধ্যাদেশ জারি করা হয়

প্রথম ইনডেমনিটি অধ্যাদেশ
• ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট সপরিবারে শেখ মুজিবুর রহমানকে হত্যার সাথে জড়িতদের দায়মুক্তি করে ২৬ সেপ্টেম্বর ১৯৭৫ সালে প্রথম ইনডেমনিটি অধ্যাদেশ জারি করা হয়েছিল। রাষ্ট্রপতি খন্দকার মোশতাক আহমদ ইনডেমনিটি অধ্যাদেশ জারি করেন।

দ্বিতীয় ইনডেমনিটি অধ্যাদেশ
• ১৯৮২ সালের ২৪ মার্চ থেকে ১৯৮৬ সালের ৯ নভেম্বর পর্যন্ত এরশাদ সরকারের জারিকৃত সকল প্রকার সামরিক আইন,অধ্যাদেশ,বিধি-নির্দেশ ইত্যাদিকে ও বৈধতাদানের উদ্দেশ্য ২য ইনডেমিনিটি বিলটি' ১৯৮৬ সালের ১০ নভেম্বর জাতীয় সংসদে পাস হয় এবং সংবিধানের সপ্তম সংশোধনীতে এটি অন্তর্ভুক্ত' করা হয়।

তৃতীয় ইনডেমনিটি অধ্যাদেশ
• ২০০২ সালের অপারেশন ক্লিন হার্টের বৈধতা প্রদান করার জন্য ২০০৩ সালের ২৩ ফেব্রুয়ারি তৃতীয় ইনডেমনিটি অধ্যাদেশ জারি করা হয়।

তথ্যসূত্র - পৌরনীতি ও সুশাসন, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণী, প্রফেসর মোঃ মোজাম্মেল হক।

২৬.
'দারিদ্র্যের অর্থনীতি; অতীত, বর্তমান ও ভবিষ্যৎ' গ্রন্থটির রচয়িতা কে?
  1. ক) সেলিনা হোসেন
  2. খ) আকবর আলি খান
  3. গ) রেহমান সোবহান
  4. ঘ) দেবপ্রিয় ভট্রাচার্য
সঠিক উত্তর:
খ) আকবর আলি খান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) আকবর আলি খান
ব্যাখ্যা
• সাবেক তত্ত্ববধায়ক সরকারের উপদেষ্টা আকবর আলি খান মারা গেছেন ৮ সেপ্টেম্বর ২০২২ সালে।
• তাঁর লেখা উল্লেখযোগ্য বই -
- দারিদ্র্যের অর্থনীতি; অতীত, বর্তমান ও ভবিষ্যৎ,
- পরার্থপরতার অর্থনীতি, আজব ও জবর আজব অর্থনীতি,
- অবাক বাংলাদেশ;
- বিচিত্র ছলনাজালে রাজনীতি,
- বাংলাদেশে বাজেট; অর্থনীতি ও রাজনীতি,
- পুরানো সেই দিনের কথা (আত্নজীবনী)।  

তথ্যসূত্র:- লাইভ এম সি কিউ সাম্প্রতিক সমাচার, অক্টোবর - ২০২২।       
২৭.
কতজন ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানকে 'বঙ্গবন্ধু জাতীয় কৃষি পুরস্কার' - ১৪২৫ ও ১৪২৬ প্রদান করা হয়?
  1. ক) ১৫
  2. খ) ২৫
  3. গ) ২৯
  4. ঘ) ৪৪
সঠিক উত্তর:
ঘ) ৪৪
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ৪৪
ব্যাখ্যা
• কৃষিখাতে গুরুত্বপূর্ণ অবদানের জন্য ৪৪ ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানকে 'বঙ্গবন্ধু জাতীয় কৃষি পুরস্কার' - ১৪২৫ ও ১৪২৬ দেয়া হয়েছে।
• এর মধ্যে ১৪২৫ সালের জন্য ১৫ ব্যক্তি ও সংগঠনকে এবং ১৪২৬ সালের জন্য ২৯ ব্যক্তি ও সংগঠনকে এ পুরস্কার দেয়া হবে।

তথ্যসূত্র:- লাইভ এম সি কিউ সাম্প্রতিক সমাচার, অক্টোবর - ২০২২।      
২৮.
১৯৭০ এর প্রাদেশিক পরিষদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগ সরাসরি ভোটে জয়লাভ করে কয়টি আসনে?
  1. ক) ২৯৮টি
  2. খ) ২৮৮টি
  3. গ) ১৬০টি
  4. ঘ) ১৬৭টি
সঠিক উত্তর:
খ) ২৮৮টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ২৮৮টি
ব্যাখ্যা

• ১৯৭০ এর নির্বাচনে মোট ২৪টি দল অংশ নেয়। ৩০০টি আসনে মনোনয়নপত্র জমা দেন মোট এক হাজার ৯৫৭ জন প্রার্থী। মনোনয়নপত্র বাছাই শেষে এক হাজার ৫৭৯ জন প্রার্থী নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন।
• জাতীয় পরিষদে আওয়ামী লীগ ১৭০ আসনে প্রার্থী দেয়। এর মধ্যে ১৬২টি আসন পূর্ব পাকিস্তানে এবং বাকিগুলো পশ্চিম পাকিস্তানে।
• আওয়ামী লীগ ১৬০টি আসনে জয়লাভ করে একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করে। সংরক্ষিত মহিলা আসন নিয়ে মোট আসন সংখ্যা দাঁড়ায় - ১৬৭টি।

• আবার প্রাদেশিক পরিষদের নির্বাচনে আওয়ামী লীগ পূর্ব পাকিস্তান অ্যাসেম্বলির ৩০০টি আসনের মধ্যে ২৮৮টিতে সরাসরি ভোটে জয়লাভ করে।
• সংরক্ষিত নারী আসনে জয়লাভ করে আওয়ামী লীগে যোগ দিলে আওয়ামী লীগের দলীয় আসন দাঁড়ায় - ২৯৮টি।

তথ্যসূত্র:- বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি,  পৌরনীতি ও সুশাসন ১ম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রফেসর মোঃ মোজাম্মেল হক এবং বাংলাপিডিয়া। 

২৯.
‘জয় বাংলা বাংলার জয়’ বিখ্যাত এই গানটির গীতিকার কে?
  1. ক) গাজী মাজহারুল আনোয়ার
  2. খ) আব্দুল গাফফার
  3. গ) আলতাফ মাহমুদ
  4. ঘ) আপেল মাহমুদ
সঠিক উত্তর:
ক) গাজী মাজহারুল আনোয়ার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) গাজী মাজহারুল আনোয়ার
ব্যাখ্যা
• বীর মুক্তিযোদ্ধা, চলচিত্র পরিচালক, প্রযোজক, রচয়িতা, গীতিকবি ও সুরকার গাজী মাজহারুল আনোয়ার ৪ সেপ্টেম্বর, ২০২২ সেষ নিশ্বাস ত্যাগ করে।
• ‘জয় বাংলা বাংলার জয়’ গানের গীতিকার গাজী মাজহারুল আনোয়ার। 
• তার কালজয়ী কিছু গান:-
- একবা যেতে দে না আমায়,
- একতারা তুই দেশের কথা,
- গানেরি পাতায় স্বরলিপি,
- চোখ যে মনের কথা বলে,
- আকাশের হাতে আছে একরাশ নীল,
- আছেন আমার মোক্তার,
- ভেঙ্গেছে পিঞ্জর মেলেছে ডানা,
- সবাই তো ভালবাসা চায়,
- ঢাকা শহর আইসা আমার,
- হে বন্ধু বঙ্গবন্ধু ইত্যাদি।     

তথ্যসূত্র:- লাইভ এম সি কিউ সাম্প্রতিক সমাচার, অক্টোবর - ২০২২।  
৩০.
সম্প্রতি বাংলাদেশ কোন সংস্থার কার্যনির্বাহী ও অ্যাক্রেডিটেশন কমিটির সদস্য নির্বাচিত হয়েছে?
  1. ক) কমনওয়েলথে
  2. খ) ও আই সি
  3. গ) ন্যাম
  4. ঘ) সার্ক
সঠিক উত্তর:
ক) কমনওয়েলথে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) কমনওয়েলথে
ব্যাখ্যা
কমনওয়েলথের কার্যনির্বাহী ও অ্যাক্রেডিটেশন কমিটির সদস্য নির্বাচিত হয়েছে বাংলাদেশ।
• এ দুই কমিটিতে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করবেন যুক্তরাজ্যে বাংলাদেশের হাইকমিশনার ও কমনওয়েলথ বোর্ড অব গভর্নরসের সদস্য সাইদা মুনা তাসনিম।
• বাংলাদেশ সর্বসম্মতিক্রমে ২০২২-২৪ মেয়াদের জন্য কমনওয়েলথ বোর্ড অব গভর্নরদের নির্বাহী কমিটির (এক্সকো) সদস্য নির্বাচিত হয়েছে।
• এছাড়া বাংলাদেশ ২০২২-২৩ মেয়াদের জন্য সর্বসম্মতিক্রমে কমনওয়েলথ অ্যাক্রেডিটেশন কমিটির সদস্য নির্বাচিত হয়েছে।

তথ্যসূত্র:- লাইভ এম সি কিউ সাম্প্রতিক সমাচার, অক্টোবর - ২০২২।    
৩১.
সংবিধানের কত নং অনুচ্ছেদ অনুসারে রাষ্ট্রপতি দণ্ডপ্রাপ্তদের দণ্ড মওকুফ, স্থগিত বা হ্রাস করতে পারেন?
  1. ক) অনুচ্ছেদ ৫০
  2. খ) অনুচ্ছেদ ৫২
  3. গ) অনুচ্ছেদ ৫১
  4. ঘ) অনুচ্ছেদ ৪৯
সঠিক উত্তর:
ঘ) অনুচ্ছেদ ৪৯
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) অনুচ্ছেদ ৪৯
ব্যাখ্যা
অনুচ্ছেদ ৪৯ : ক্ষমা প্রদর্শনের অধিকার
কোন আদালত, ট্রাইব্যুনাল বা অন্য কোন কর্তৃপক্ষ কর্তৃক প্রদত্ত যেকোন দণ্ডের মার্জনা, বিলম্বন ও বিরাম মঞ্জুর করার এবং যেকোন দণ্ড মওকুফ, স্থগিত বা হ্রাস করার ক্ষমতা রাষ্ট্রপতির থাকবে। 

অন্যদিকে, 
• অনুচ্ছেদ ৫০ : রাষ্ট্রপতি-পদের মেয়াদ। 
• অনুচ্ছেদ ৫১ : রাষ্ট্রপতির দায়মুক্তি।  
• অনুচ্ছেদ ৫২ : রাষ্ট্রপতির অভিশংসন। 

তথ্যসূত্র:- বাংলাদেশের সংবিধান। 

৩২.
সম্প্রতি বাংলাদেশের আনন্দ শিপইয়ার্ডে তৈরি ৬১০০ টন ধারণক্ষমতা সম্পন্ন কন্টেইনার জাহাজ ক্রয় করেছে -
  1. ক) জাপান
  2. খ) চীন
  3. গ) থাইল্যান্ড
  4. ঘ) যুক্তরাজ্য
সঠিক উত্তর:
ঘ) যুক্তরাজ্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) যুক্তরাজ্য
ব্যাখ্যা
• বাংলাদেশের আনন্দ শিপইয়ার্ডে তৈরি ৬১০০ টন ধারণক্ষমতা সম্পন্ন কন্টেইনার জাহাজ ক্রয় করেছে - যুক্তরাজ্যের প্রতিষ্ঠান এনজিয়ান শিপিং কোম্পানি লিমিটেড।  
• এর আগে ২০০৮ সালে আনন্দ শিপইয়ার্ড ডেনমার্কে প্রথম স্টেলা মেরিস নামে জাহাজ রপ্তানি করে।

তথ্যসূত্র:- লাইভ এম সি কিউ সাম্প্রতিক সমাচার, অক্টোবর - ২০২২।  
৩৩.
৪৪তম মস্কো আন্তর্জাতিক চলচিত্র উৎসবে বিশেষ জুরি পুরস্কার 'সিলভার সেন্ট জর্জ অ্যাওয়ার্ড' লাভ করে কোন বাংলাদেশি চলচিত্র?
  1. ক) আদিম
  2. খ) হাওয়া
  3. গ) পিতা
  4. ঘ) বীর
সঠিক উত্তর:
ক) আদিম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) আদিম
ব্যাখ্যা
• ৪৪তম মস্কো আন্তর্জাতিক চলচিত্র উৎসবে বিশেষ জুরি পুরস্কার সিলভার সেন্ট জর্জ অ্যাওয়ার্ড লাভ করে বাংলাদেশি চলচিত্র – আদিম (পরিচালক যুবরাজ শামীম)। 

তথ্যসূত্র:- লাইভ এম সি কিউ সাম্প্রতিক সমাচার, অক্টোবর - ২০২২।  
৩৪.
সম্প্রতি কোন বিশিষ্ট ব্যক্তিকে জাতীয় অধ্যাপক হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে?
  1. ক) ডা. এম কিউ কে তালুকদার
  2. খ) অধ্যাপক জাফর ইকবাল
  3. গ) অধ্যাপক ড. মো. আখতারুজ্জামান
  4. ঘ) ড. সৌমিত্র শেখর
সঠিক উত্তর:
ক) ডা. এম কিউ কে তালুকদার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ডা. এম কিউ কে তালুকদার
ব্যাখ্যা
• দেশের বিশিষ্ট শিশুরোগ বিশেষজ্ঞ, ‘নারী ও শিশু স্বাস্থ্যকেন্দ্র’র বোর্ড অব ট্রাস্টির চেয়ারম্যান এবং প্রতিষ্ঠানটির প্রতিষ্ঠাতা পরিচালক অধ্যাপক ডা. এম কিউ কে তালুকদারকে জাতীয় অধ্যাপক হিসেবে নিয়োগ দিয়েছে সরকার।
• সম্প্রতি শিক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে। প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, বাংলাদেশ জাতীয় অধ্যাপক (নিয়োগ, শর্তাবলি ও সুবিধাদি) সিদ্ধান্তমালা-১৯৮১ অনুযায়ী, অধ্যাপক ডা. এম কিউ কে তালুকদারকে পাঁচ বছরের জন্য জাতীয় অধ্যাপক হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হলো।

তথ্যসূত্র:- লাইভ এম সি কিউ সাম্প্রতিক সমাচার, অক্টোবর - ২০২২ এবং ইনকিলাব।
৩৫.
কবে ভারতীয় সৈন্য বাংলাদেশ ত্যাগ করে?
  1. ক) ১১ জানুয়ারি, ১৯৭২
  2. খ) ১৭ ডিসেম্বর, ১৯৭২
  3. গ) ১২ মার্চ, ১৯৭২
  4. ঘ) ১০ ফ্রেব্রুয়ারি, ১৯৭২
সঠিক উত্তর:
গ) ১২ মার্চ, ১৯৭২
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ১২ মার্চ, ১৯৭২
ব্যাখ্যা
ভারতীয় সৈন্য প্রত্যাবর্তন
• বিজয় লাভের স্বল্পতম সময়ের মধ্যে বাংলাদেশ থেকে ভারতীয় সৈন্য প্রত্যাবর্তন আওয়ামী লীগ সরকারের অন্যতম সাফল্য হিসাবে বিবেচিত হয়।
• সাধারণত দেখা যায় যে, কোন দেশের মুক্তি সংগ্রামে সাহায্যকারী বিদেশি সৈন্য স্বাধীনতার পরেও বছরের পর বছর থেকে যায়। এর ফলে নানা সমস্যা দেখা দেয়। আওয়ামী লীগ সরকার এ বিপদ সম্পর্কে অবহিত ছিলেন।
• ভারত সরকারের সাথে সমঝোতার ভিত্তিতে ১২ মার্চ, ১৯৭২ সকল ভারতীয় সৈন্য বাংলাদেশ ত্যাগ করে।

তথ্যসূত্র:- রাষ্ট্রবিজ্ঞান, এস এস এইচ এল, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩৬.
কোন দেশকে পরাজিত করে বাংলাদেশের নারীরা ২০২২ সাফ চ্যাম্পিয়নশিপ শিরোপা লাভ করে?
  1. ক) শ্রীলংকা
  2. খ) ভারত
  3. গ) মালদ্বীপ
  4. ঘ) নেপাল
সঠিক উত্তর:
ঘ) নেপাল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) নেপাল
ব্যাখ্যা
নেপালের কাঠমাণ্ডুর দশরথ স্টেডিয়ামে স্বাগতিকদের ৩-১ গোলে হারিয়ে প্রথমবার নারী সাফ চ্যাম্পিয়নশিপের শিরোপা জয় করে বাংলাদেশ।
• ১৯৯৯ সালে এই নেপালেই প্রথমবার দক্ষিণ এশিয়ার সেরা হয়েছিল বাংলাদেশ পুরুষ ফুটবল দল। 

তথ্যসূত্র:- লাইভ এম সি কিউ সাম্প্রতিক সমাচার, অক্টোবর - ২০২২।
৩৭.
সেনাবাহিনী কবে প্রথম বাংলাদেশের ক্ষমতা দখল করে?
  1. ক) ১৯ জুলাই, ১৯৭৭
  2. খ) ১০ জুন, ১৯৭৮
  3. গ) ২৫ জানুয়ারি, ১৯৭৫
  4. ঘ) ১৫ আগস্ট, ১৯৭৫
সঠিক উত্তর:
ঘ) ১৫ আগস্ট, ১৯৭৫
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ১৫ আগস্ট, ১৯৭৫
ব্যাখ্যা
• ১৯৭৫ থেকে ১৯৯০ সাল পর্যন্ত দেড় দশক কাল বাংলাদেশে সামরিক শাসন চলেছিল। এ সামরিক শাসন ছিল কখনো
প্রত্যক্ষ কখনো পরোক্ষ।
• সামরিক শাসন কালে সংবিধান, আইনের শাসন, বিচার বিভাগ, ব্যক্তি ও গণমাধ্যমের স্বাধীনতা, অর্থনীতি সকল ক্ষেত্রেই সামরিক বাহিনীর প্রাধান্য প্রতিষ্ঠিত হয়। একে সহায়তা করেছে বেসামরিক আমলাতন্ত্র এবং দুর্নীতিপরায়ণ রাজনীতিক চক্র। সামরিকীকরণ প্রক্রিয়ার ফলে বেসামরিক রাজনৈতিক কতৃর্ত্বে রাষ্ট্র পরিচালনা সম্ভব হয়নি।
১৯৭৫ সালে ১৫ আগস্ট প্রথম সামরিক সরকারের শুরু থেকেই সর্বোচ্চ রাষ্ট্রীয় কতৃর্ত্বসহ সরকার ও প্রশাসনের প্রতিটি ক্ষেত্রে সামরিকায়নের সুনির্দিষ্ট প্রক্রিয়া শুরু হয়। জেনারেল এরশাদের আমলে এ প্রক্রিয়া প্রাতিষ্ঠানিক রূপ লাভ করে। 

তথ্যসূত্র:- রাষ্ট্রবিজ্ঞান, এস এস এইচ এল, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩৮.
নিচের কোনটি যুক্তফ্রন্টের রাজনৈতিক দল নয়?
  1. ক) গণতন্ত্রী দল
  2. খ) নেজামে-ই-ইসলাম
  3. গ) খিলাফত-ই রাব্বানী
  4. ঘ) কৃষক-শ্রমিক পার্টি
সঠিক উত্তর:
গ) খিলাফত-ই রাব্বানী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) খিলাফত-ই রাব্বানী
ব্যাখ্যা
• ১৯৫৩ সালের ১৪ নভেম্বর ময়মনসিংহে আওয়ামী মুসলিম লীগের কাউন্সিলে ‘যুক্তফ্রন্ট’ গঠনের সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। 
• যুক্তফ্রন্ট গঠন  - ১৯৫৩ সালের ৪ ডিসেম্বর।
• যুক্তফ্রন্টের প্রধান অফিস - সদরঘাটের ৫৬, সিমসন রােডে।
• যুক্তফ্রন্টে রাজনৈতিক দল ছিল ৪ টি। এগুলো হলো - 
১। আওয়ামী মুসলিম লীগ (মাওলানা আব্দুল হামিদ খান ভাসানী)
২। কৃষক-শ্রমিক পার্টি (এ. কে. ফজলুল হক) 
৩। নেজামে-ই-ইসলাম (মাওলানা আতাহার আলী) 
৪। গণতন্ত্রী দল (হাজী মোহাম্মদ দানেশ)
• যুক্তফ্রন্টের সভাপতি - হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী।
• পার্লামেন্টারি বাের্ডের সদস্য - এ.কে. ফজলুল হক, হােসেন শহীদ সােহরাওয়ার্দী ও মাওলানা আব্দুল হামিদ খান ভাসানী।
• যুক্তফ্রন্টের নির্বাচনী প্রতীক - নৌকা।  

তথ্যসূত্র:- বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি, বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এস এস সি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় এবং বাংলাপিডিয়া।
৩৯.
সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে 'জাতীয় পতাকা' সম্পর্কে বলা হয়েছে?
  1. ক) ৪(২)
  2. খ) ৪(১)
  3. গ) ৩
  4. ঘ) ৪(৩)
সঠিক উত্তর:
ক) ৪(২)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ৪(২)
ব্যাখ্যা
৪ নং অনুচ্ছেদ: জাতীয় সঙ্গীত, পতাকা ও প্রতীক
• ৪(১): প্রজাতন্ত্রের জাতীয় সঙ্গীত "আমার সোনার বাংলা"র প্রথম দশ চরণ। 
• ৪(২) ‘প্রজাতন্ত্রের জাতীয় পতাকা হইতেছে সবুজ ক্ষেত্রের উপর স্থাপিত রক্তবর্ণের একটি ভরাট বৃত্ত।’
• ৪(৩) নং অনুচ্ছেদে জাতীয় প্রতীকের কথা বলা হয়েছে। 
• ৩ নং অনুচ্ছেদ: রাষ্ট্রভাষা

তথ্যসূত্র:- বাংলাদেশের সংবিধান। 
৪০.
দলীয় প্রতীকে প্রথম ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয় কত সালে?
  1. ক) ২০১৪
  2. খ) ২০১৫
  3. গ) ২০১৮
  4. ঘ) ২০১৬
সঠিক উত্তর:
ঘ) ২০১৬
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ২০১৬
ব্যাখ্যা
• ইউনিয়ন পরিষদের প্রথম নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয় ১৯৭৩ সালে এবং ২০২১ সালে দশম নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয় । 
• নারীদের জন্য সংরক্ষিত আসন চালু হয় ১৯৯৭ সাল থেকে । 
• দলীয় প্রতীক নিয়ে প্রথম ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয় ২০১৬
• একজন নির্বাচিত চেয়ারম্যান, ৯ জন নির্বাচিত সাধারণ সদস্য ও ৩ জন নির্বাচিত নারী সদস্য (সংরক্ষিত আসনে) নিয়ে ইউনিয়ন পরিষদ গঠিত ।

তথ্যসূত্র:- স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয় এবং বাংলাপিডিয়া ।
৪১.
বাংলা একাডেমি প্রতিষ্ঠিত হয় কবে?
  1. ক) ১৩৬১ বঙ্গাব্দ
  2. খ) ১৩৬৩ বঙ্গাব্দ
  3. গ) ১৩৬৯ বঙ্গাব্দ
  4. ঘ) ১৩৬২ বঙ্গাব্দ
সঠিক উত্তর:
ঘ) ১৩৬২ বঙ্গাব্দ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ১৩৬২ বঙ্গাব্দ
ব্যাখ্যা
• বাংলা একাডেমি বাংলা ভাষা সংক্রান্ত সর্ববৃহৎ গবেষণা প্রতিষ্ঠান।
• ১৩৬২ বঙ্গাব্দের ১৭ অগ্রহায়ণ (৩ ডিসেম্বর ১৯৫৫) ঢাকার বর্ধমান হাউসে এটি প্রতিষ্ঠিত হয়।
• ১৯৫৬ সালের ১ ডিসেম্বর মুহম্মদ এনামুল হক (১৯০২-১৯৮২) একাডেমীর প্রথম পরিচালকের দায়িত্ব গ্রহণ করেন।
• বাংলা একাডেমির প্রথম মহাপরিচালক প্রফেসর মাযহারুল ইসলাম (১৯৭২ সাল)।
• বাংলা একাডেমির প্রথম সভাপতি মাওলানা আঁকরাম খাঁ (১৯৬১ সাল)।
• বাংলা একাডেমির স্বপ্নদ্রষ্টা হলেন ড. মুহাম্মদ শহিদুল্লাহ।  

তথ্যসূত্র;- বাংলাপিডিয়া। 
৪২.
সাংবিধানিকভাবে প্রথম তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে অনুষ্ঠিত নির্বাচন কোনটি?
  1. ক) পঞ্চম
  2. খ) সপ্তম
  3. গ) ষষ্ঠ
  4. ঘ) অষ্টম
সঠিক উত্তর:
খ) সপ্তম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) সপ্তম
ব্যাখ্যা

• ১৯৯০ সালে অনুষ্ঠিত পঞ্চম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দেশের প্রথম তত্ত্বাবধায়ক সরকারের প্রধান ছিলেন বিচারপতি শাহাবুদ্দিন আহমেদ। তবে এটি সাংবিধানিক ভাবে স্বীকৃত ছিলো না।
• ১৯৯৬ সালের ২৭ মার্চ জাতীয় সংসদে তত্ত্বাবধায়ক সরকার আইন পাস হয়।
• এর ফলে ১৯৯৬ সালের ৩০ মার্চ বিচারপতি হাবিবুর রহমান কে প্রধান উপদেষ্টা করে সাংবিধানিকভাবে স্বীকৃত প্রথম তত্ত্বাবধায়ক সরকার গঠিত হয়।
সপ্তম জাতীয় সংসদ নির্বাচন সাংবিধানিকভাবে অনুষ্ঠিত প্রথম তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে নির্বাচন।

 তথ্যসূত্র:- আইন মন্ত্রণালয় ও বাংলাপিডিয়া।        

৪৩.
খসড়া সংবধিান কমিটির প্রথম বৈঠক অনুষ্ঠিত হয় কবে?
  1. ক) ১৭ এপ্রিল, ১৯৭২
  2. খ) ১০ এপ্রিল, ১৯৭২
  3. গ) ৮ মে, ১৯৭২
  4. ঘ) ১০ জুন, ১৯৭২
সঠিক উত্তর:
ক) ১৭ এপ্রিল, ১৯৭২
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ১৭ এপ্রিল, ১৯৭২
ব্যাখ্যা
খসড়া সংবধিান কমিটির প্রথম বৈঠক
• গণপরিষদ আদেশ অনুযায়ী খসড়া সংবিধান কমিটি দ্রুত খসড়া সংবিধান প্রণয়নের কাজ শুরু করে। ১৭ এপ্রিল ১৯৭২ কমিটির প্রথম বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।
• ঐ বৈঠকে দেশের বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ ও সংবিধান বিশেষজ্ঞের কাছ থেকে সংবিধান বিষয়ে প্রস্তাব আহবান করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
• প্রস্তাব পাঠানোর ঠিকানা কনস্টিটিউয়েন্ট অ্যাসেম্বলি বিল্ডং, তেজগাও,ঢাকা (বর্তমানে প্রধানমন্ত্রীর কারযালয়)।
• কমিটির ঘােষিত শেষ তারিখের (৮ মে ১৯৭২) মধ্যে কমিটি ৯৮টি সুপারিশমালা লাভ করে।  

তথ্যসূত্র:- বাংলাদেশের সংবিধান, আরিফ খান।