পরীক্ষা আর্কাইভ

ডেইলি কুইজ [২০০ দিন]

পরীক্ষাডেইলি কুইজ [২০০ দিন]তারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়07 minutes
মোট প্রশ্ন১১
সিলেবাস
বাংলাদেশের ইতিহাস: ১৯৪৭ থেকে ১৯৬৯। সোর্স: যেকোনো গাইড বই, ষষ্ঠ থেকে SSC & HSC বোর্ড বই।
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

ডেইলি কুইজ [২০০ দিন]

ডেইলি কুইজ [২০০ দিন] · তারিখ অনির্ধারিত · ১১ প্রশ্ন

.
আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলার অন্যতম আসামী কে ছিলেন?
  1. ক) বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান
  2. খ) সার্জেন্ট জহুরুল হক
  3. গ) তোফায়েল আহমেদ
  4. ঘ) আ. স. ম. আবদুর রব
সঠিক উত্তর:
খ) সার্জেন্ট জহুরুল হক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) সার্জেন্ট জহুরুল হক
ব্যাখ্যা
- ১৯৬৮ সালের ৩ জানুয়ারি পাকিস্তান সরকার আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা দাযের করে। ১৮ জানুয়ারি বঙ্গবন্ধুকে এই মামলায় অভিযুক্ত করা হয়।
- এই মামলায় প্রধান আসামী বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানসহ মোট আসামি ছিলো ৩৫ জন।
- ঢাকা ক্যান্টনমেন্টে ১৯ জুন কঠোর নিরাপত্তার মধ্যে এই মামলার বিচারকার্য শুরু হয়। এই মামলার অন্যতম আসামী সার্জেন্ট জহুরুল হককে ১৫ ফেব্রুযারি ১৯৬৯ ঢাকা সেনানিবাসে বন্দি অবস্থায় গুলি করে হত্যা করা হয়।
- এতে আন্দোলন আরো তীব্র আকার ধারণ করে। যার কারণে আইয়ুব খান সরকার ১৯৬৯ সালের ২২শে ফেব্রয়ারি আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা প্রত্যাহার করে বঙ্গবন্ধু সহ সকল রাজবন্দিদের মুক্তিদানে বাধ্য হয়।

(সূত্রঃ বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা : নবম-দশম শ্রেণী এবং বাংলাপিডিয়া)
.
১৯৫৬ সালের জাতীয় পরিষদে পূর্ব বাংলার জন্য কয়টি আসন বরাদ্দ ছিল?
  1. ক) ১৬৯টি
  2. খ) ১৫০টি
  3. গ) ১৪১টি
  4. ঘ) ১৪৪টি
সঠিক উত্তর:
খ) ১৫০টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ১৫০টি
ব্যাখ্যা
- পাকিস্তানের সংবিধান রচনার ক্ষেত্রে সংকট বিশেষ করে দুই অংশের মধ্যে বৈরিতা নিরসনকল্পে সােহরাওয়ার্দীর উদ্যোগে (তখন তিনি মােহাম্মদ আলী বগুড়ার মন্ত্রিসভায় আইনমন্ত্রী) পশ্চিম পাকিস্তানের মারিতে উভয় অংশের নেতৃবৃন্দের মধ্যে সরকার, সংসদ, অর্থনীতি, প্রশাসন সর্বক্ষেত্রে সমান অংশীদারিত্বভিত্তিক প্রতিনিধিত্বের বিধান সম্বলিত একটি চুক্তি সম্পাদিত হয়, যা মারি চুক্তি (৭ই জুলাই ১৯৫৫) নামে পরিচিত।- 
- এভাবে ১৯৫৬ সালের ২৯শে ফেব্রুয়ারি সংবিধান পাস হয়।
- এতে ৩০০ আসন বিশিষ্ট একটি জাতীয় পরিষদ গঠন করা হয় এবং সমতানীতি অনুযায়ী পূর্ববাংলার জন্য ১৫০টি এবং পশ্চিম পাকিস্তানের জন্য ১৫০টি আসন নির্ধারণ করে সংখ্যাগরিষ্ঠ বাঙালির নির্বাচনে বিজয়ের পথ তথা জাতীয় পরিষদে সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জনের পথ রুদ্ধ করা হয়।
- তবে সােহরাওয়ার্দী কেন্দ্রীয় সরকারের প্রথম আইনমন্ত্রী (১৯৫৪-১৯৫৫) এবং পরে প্রধানমন্ত্রী (১৯৫৬-১৯৫৭) হিসেবে বাঙালিদের সার্বিক উন্নয়নে অনেক ক্ষেত্রে সফলতার সাথে দায়িত্ব পালন করেন।
- কিন্তু মুসলিম লীগ ও পাকিস্তানি শাসকগােষ্ঠী তা কখনােই ভালাে চোখে দেখেনি।
- ১৯৫৬ সালে শাসনতন্ত্র প্রণীত হওয়ার মাত্র ২ বছর ৬ মাসের মধ্যে বিভিন্ন অজুহাত দেখিয়ে পশ্চিম পাকিস্তানি শাসকগােষ্ঠী কর্তৃক ১৯৫৮ সালে সামরিক শাসন জারি করে জাতীয় ও প্রাদেশিক পরিষদ বাতিল করা হয়। সকল ক্ষমতা আবার তাদের হাতে কুক্ষিগত হয়। এবার সামরিক জান্তা সরাসরি ক্ষমতা নেয়। এর প্রধান জেনারেল আইয়ুব খান বিভিন্ন ফরমান জারি করে নাগরিকদের অধিকার একের পর এক কেড়ে নেন, সােহরাওয়ার্দী ও শেখ মুজিবসহ বিভিন্ন নেতাকে বন্দি এবং পরবর্তী নির্বাচনের জন্য সােহরাওয়ার্দীসহ অনেক রাজনৈতিক নেতাকে অযােগ্য ঘােষণা করা হয়।

উৎস: https://www.asiaticsociety.org.bd/
.
বাংলাদেশের ইতিহাসে যে ঘটনাটি আগে ঘটেছিল -
  1. ক) ভাষা আন্দোলন
  2. খ) আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা
  3. গ) আওয়ামী মুসলিম লীগের প্রতিষ্ঠা
  4. ঘ) যুক্তফ্রন্ট গঠন
সঠিক উত্তর:
গ) আওয়ামী মুসলিম লীগের প্রতিষ্ঠা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) আওয়ামী মুসলিম লীগের প্রতিষ্ঠা
ব্যাখ্যা
আওয়ামী মুসলিম লীগের প্রতিষ্ঠা হয় ১৯৪৯ সালের ২৩ জুন ঢাকার টিকাটুলির কে এম দাস লেন রোডের রোজ গার্ডেন প্যালেসে।
এছাড়া, আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা হয় ১৯৬৮ সালে, যুক্তফ্রন্ট গঠিত হয় ১৯৫৩ সালের ৪ ডিসেম্বর এবং ভাষা আন্দোলন হয় ১৯৫২ সালে।
.
তমদ্দুন মজলিশ কবে গঠিত হয়?
  1. ক) ৩ সেপ্টেম্বর, ১৯৪৮
  2. খ) ২ সেপ্টেম্বর, ১৯৪৭
  3. গ) ২ সেপ্টেম্বর, ১৯৪৮
  4. ঘ) ৩ সেপ্টেম্বর, ১৯৪৭
সঠিক উত্তর:
খ) ২ সেপ্টেম্বর, ১৯৪৭
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ২ সেপ্টেম্বর, ১৯৪৭
ব্যাখ্যা
তমদ্দুন মজলিশ:
তমদ্দুন মজলিশ  ইসলামী আদর্শাশ্রয়ী একটি সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক সংগঠন। দেশে ইসলামী আদর্শ ও ভাবধারা সমুন্নত করার প্রত্যয় নিয়ে ভারত বিভাগের অব্যবহিত পরেই ঢাকায় গড়ে উঠে এই সংগঠনটি।
- ১৯৪৭ সালের ২ সেপ্টেম্বর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কিছু ছাত্র ও অধ্যাপকের উদ্যোগে তমদ্দুন মজলিশ প্রতিষ্ঠিত হয়।
- এই প্রতিষ্ঠানের উদ্দেশ্য ছিলো - বাংলা ভাষার মাধ্যমে সংস্কৃতির সেবা করা। পাকিস্তান সৃষ্টির পর বাংলা ভাষার পক্ষে সংস্থাটির ভূমিকা ছিলো প্রাথমিক ও গুরুত্বপূর্ণ।
- ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক আবুল কাশেমের উদ্যোগে এটি প্রতিষ্ঠিত হয় এবং তিনি এই সংগঠনের প্রতিষ্ঠাতা সাধারণ সম্পাদক ছিলেন।
- তমদ্দুন মজলিশের মুখপত্র ছিলো - সাপ্তাহিক সৈনিক পত্রিকা। এটি প্রথম প্রকাশিত হয় ১৯৪৮ সালের ১৪ নভেম্বর (২৮ কার্তিক ১৩৫৫)। শুরুতে সৈনিক পত্রিকার সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতি ছিলেন শাহেদ আলী এবং পরে সভাপতি হন আবদুল গফুর।

১৯৪৭ সালের ১৬ সেপ্টেম্বর "পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা বাংলা না উর্দু?" শিরোনামে বাংলা ভাষার পক্ষে তমদ্দুন মজলিশ একটি পুস্তিকা প্রকাশ করে।

উৎস: স্বাধীনতা যুদ্ধের দলিলপত্র (প্রথম খন্ড), পৃষ্ঠা - ৪৯ ও বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা : নবম-দশম শ্রেণী।
.
ঊনসত্তরের গণঅভ্যুত্থানের প্রথম শহীদ কে?
  1. ক) মতিউর রহমান মল্লিক
  2. খ) মুহম্মদ শামসুদ্দোহা
  3. গ) আমানুল্লাহ মোহাম্মদ আসাদুজ্জামান
  4. ঘ) সার্জেন্ট জহুরুল হক
সঠিক উত্তর:
গ) আমানুল্লাহ মোহাম্মদ আসাদুজ্জামান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) আমানুল্লাহ মোহাম্মদ আসাদুজ্জামান
ব্যাখ্যা
- আমানুল্লাহ মোহাম্মদ আসাদুজ্জামান (আসাদ) ঊনসত্তরের গণঅভ্যুত্থানের প্রথম শহীদ।
- মতিউর রহমান মল্লিক, সার্জেন্ট জহুরুল হক, মুহম্মদ শামসুদ্দোহা, শহীদ আনোয়ারা বেগম, শহীদ রুস্তম উনারা ঊনসত্তরের গণঅভ্যুত্থানে শহীদ হন।

উৎসঃ বাংলাপিডিয়া ও বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় নবম-দশম শ্রেণি।
.
আওয়ামীলীগের প্রতিষ্ঠাকালীন যুগ্ম-সম্পাদক ছিলেন -
  1. ক) আতাউর রহমান খান
  2. খ) শওকত হোসেন
  3. গ) এ.কে রফিকুল হোসেন
  4. ঘ) আলী আহমদ খান
সঠিক উত্তর:
গ) এ.কে রফিকুল হোসেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) এ.কে রফিকুল হোসেন
ব্যাখ্যা
- ১৯৪৯ সালের ২৩ জুন ঢাকার কে.এম দাস লেনের রোজ গার্ডেনে হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী ও আবুল হাশিমের নেতৃত্বাধীন বঙ্গীয় প্রাদেশিক মুসলিম লীগের একটি অংশের নেতা-কর্মীদের কনভেনশনে আওয়ামী লীগ প্রতিষ্ঠিত হয়।
- নতুন এই দলের নামকরণ হয় পূর্ব পাকিস্তান আওয়ামী মুসলিম লীগ।
- মওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানী ছিলেন সভাপতি;
- আতাউর রহমান খান, শওকত হোসেন ও আলী আহমদ খান ছিলেন সহ-সভাপতি,
- শামসুল হক ছিলেন সাধারণ সম্পাদক,
- শেখ মুজিবুর রহমান (তখন কারাবন্দি), খোন্দকার মোশতাক আহমদ ও এ.কে রফিকুল হোসেন ছিলেন যুগ্ম-সম্পাদক, এবং
- ইয়ার মোহাম্মদ খানকে কোষাধ্যক্ষ করে আওয়ামী লীগ গঠিত হয়। 
উৎস: বাংলাপিডিয়া।
.
কাকে আহবায়ক করে ‘সর্বদলীয় কেন্দ্রীয় রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ’ গঠন করা হয়?
  1. ক) অধ্যাপক নুরুল হক ভূইয়া
  2. খ) আবদুল মতিন
  3. গ) অধ্যাপক আবুল কাশেম
  4. ঘ) কাজী গোলাম মাহবুব
সঠিক উত্তর:
ঘ) কাজী গোলাম মাহবুব
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) কাজী গোলাম মাহবুব
ব্যাখ্যা
- ভাষা আন্দোলনের চূড়ান্ত পর্যায়ে ১৯৫২ সালের ৩১শে জানুয়ারি মাওলানা ভাসানীর সভাপতিত্বে বিভিন্ন রাজনৈতিক ও সাংস্কৃতিক দলের সর্বদলীয় সভায় ‘সর্বদলীয় কেন্দ্রীয় রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ’ গঠন করা হয়।
- এর আহবায়ক মনোনীত হন কাজী গোলাম মাহবুব।
- ২০শে ফেব্রুয়ারি আওয়ামী মুসলিম লীগের কার্যালয়ে এই পরিষদের সভা অনুষ্ঠিত হয়। এতে আবদুল মতিন, অলি আহাদ, গোলাম মাহবুব প্রমুখের জোরালো ভূমিকায় পরদিন ২১শে ফেব্রুয়ারি সরকার ঘোষিত ১৪৪ ধারা ভঙ্গের সিদ্ধান্ত গৃহিত হয়।
- ১৯৪৭ সালের ২ সেপ্টেম্বর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পদার্থ বিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষক অধ্যাপক আবুল কাশেমের উদ্যোগে ভাষা আন্দোলনের প্রথম সংগঠন তমুদ্দিন মজলিশ প্রতিষ্ঠিত হয়।
- ১৯৪৭ সালের ডিসেম্বর মাসে তমুদ্দিন মজলিসের উদ্যোগে গঠিত প্রথম ‘রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ’ এর আহবায়ক ছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক নুরুল হক ভূঞা।
- ১৯৪৮ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে ‘রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ’ পুনর্গঠন করা (দ্বিতীয় ‘রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ’) হলে এর আহবায়ক মনোনীত হন শামসুল আলম।
- ১৯৫২ সালের ২১শে ফেব্রুয়ারি আমতলার ছাত্রসভায় সভাপতিত্ব করেন গাজীউল হক।

(তথ্যসূত্রঃ বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা : নবম-দশম শ্রেণী, বাংলাপিডিয়া এবং ভাষা আন্দোলনে ঢাকা : আহমদ রফিক)
.
আওয়ামীলীগের ঐতিহাসিক ছয় দফার কততম দফায় 'সংসদীয় পদ্ধতির সরকার' থাকার বিষয়টি অন্তর্ভূক্ত ছিল?
  1. ক) ২য়
  2. খ) ৩য়
  3. গ) ১ম
  4. ঘ) ৪র্থ
সঠিক উত্তর:
গ) ১ম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ১ম
ব্যাখ্যা
১৯৬৬ সালের ৫-৬ ফেব্রুয়ারী পাকিস্তানের লাহোরে অনুষ্ঠিত বিরোধীদলসমূহের সম্মেলনে বঙ্গবন্ধু প্রথম ছয় দফা দাবী উত্থাপন করেন।
- একই বছরের ১৮ - ১৯ মার্চ আওয়ামীলীগের ওয়ার্কিং কমিটির সভায় ছয়দফা গৃহীত হয় এবং ২৩শে মার্চ বঙ্গবন্ধু সংবাদ সম্মেলনে আনুষ্ঠানিকভাবে ছয় দফা উত্থাপন করেন।

ছয়দফা দাবিগুলো হচ্ছেঃ
প্রথম দফাঃ
- লাহোর প্রস্তাবের ভিত্তিতে সংবিধান রচনা করে পাকিস্তানকে একটি ফেডারেশনে পরিণত করতে হবে, যেখানে সংসদীয় পদ্ধতির সরকার থাকবে এবং প্রাপ্তবয়স্ক নাগরিকদের ভোটে নির্বাচিত আইন পরিষদ হবে সার্বভৌম।
দ্বিতীয় দফাঃ
ফেডারেল সরকারের হাতে থাকবে শুধু দুটি বিষয়, প্রতিরক্ষা ও বৈদেশিক সম্পর্ক, এবং অপর সব বিষয় ফেডারেশনে অন্তর্ভুক্ত রাজ্যসমূহের হাতে ন্যস্ত থাকবে।
তৃতীয় দফাঃ
- পূর্ব ও পশ্চিম পাকিস্তানের জন্য দুটি পৃথক অথচ সহজে বিনিময়যোগ্য মুদ্রা চালু করতে হবে। যদি তা সম্ভব না হয় তাহলে সমগ্র পাকিস্তানের জন্য ফেডারেল সরকারের নিয়ন্ত্রণাধীন একটিই মুদ্রাব্যবস্থা থাকবে, একটি ফেডারেল রিজার্ভ ব্যাঙ্ক ও দুটি আঞ্চলিক রিজার্ভ ব্যাঙ্ক থাকবে। তবে এক্ষেত্রে পূর্ব পাকিস্তান থেকে পুঁজি যাতে পশ্চিম পাকিস্তানে পাচার হতে না পারে তার ব্যবস্থা সম্বলিত সুনির্দিষ্ট বিধি সংবিধানে সন্নিবিষ্ট করতে হবে।
চতুর্থ দফাঃ
- দুই অঞ্চলের বৈদেশিক মুদ্রা আয়ের পৃথক হিসাব থাকবে এবং অর্জিত বৈদেশিক মুদ্রা রাজ্যের হাতে থাকবে। তবে ফেডারেল সরকারের জন্য প্রয়োজনীয় বৈদেশিক মুদ্রা দুই অঞ্চল থেকে সমানভাবে কিংবা উভয়ের স্বীকৃত অন্য কোনো হারে আদায় করা হবে।
পঞ্চম দফাঃ
- দুই অংশের মধ্যে দেশিয় পণ্য বিনিময়ে কোনো শুল্ক ধার্য করা হবে না এবং রাজ্যগুলো যাতে যেকোন বিদেশি রাষ্ট্রের সঙ্গে বাণিজ্যিক সম্পর্ক স্থাপন করতে পারে সংবিধানে তার বিধান রাখতে হবে।
ষষ্ঠ দফাঃ
- প্রতিরক্ষায় পূর্ব পাকিস্তানকে স্বাবলম্বী করার লক্ষ্যে আধা-সামরিক রক্ষীবাহিনী গঠন, পূর্ব পাকিস্তানে অস্ত্র কারখানা স্থাপন এবং কেন্দ্রীয় নৌবাহিনীর সদর দফতর পূর্ব পাকিস্তানে স্থাপন করতে হবে।

সূত্র: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা : নবম-দশম শ্রেণী এবং বাংলাপিডিয়া।
.
বঙ্গবন্ধুর প্রথম চীন সফরের উদ্দেশ্য ছিলো-
  1. ক) চীনা কমিউনিস্ট পার্টির সম্মেলনে যোগদান
  2. খ) শান্তি সম্মেলনে যোগদান
  3. গ) সরকারি সফর
  4. ঘ) চোখে অস্ত্রোপচার
সঠিক উত্তর:
খ) শান্তি সম্মেলনে যোগদান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) শান্তি সম্মেলনে যোগদান
ব্যাখ্যা
- ১৯৫২ সালের ২-১২ অক্টোবর চীনের পিকিংয়ে ‘পিস কনফারেন্স অব দ্য এশিয়ান অ্যান্ড প্যাসিফিক রিজিওন্স’ অনুষ্ঠিত হয়।
- এই শান্তি সম্মেলনে যোগ দিতে বঙ্গবন্ধু ও তার অপর চারজন সহযাত্রী ২৫ সেপ্টেম্বর চীনের উদ্দেশ্যে ঢাকা ত্যাগ করেন।
- বঙ্গবন্ধুর প্রথম চীন সফরের অভিজ্ঞাতা তিনি ১৯৫৪ সালে কারাগারে বন্দি থাকা অবস্থায় ডায়েরিতে লিখে যান যা ‘আমার দেখা নয়াচীন’ নামে বই আকারে প্রকাশ করা হয়।
- বঙ্গবন্ধু ১৯৫৭ সালে পাকিস্তান সংসদীয় দলের নেতা হিসেবে দ্বিতীয়বার চীন সফরে যান।
(তথ্যসূত্র: আমার দেখা নয়াচীন এবং প্রথম আলো)
১০.
ভাষা আন্দোলনের সূত্রপাত হয় কত সালে?
  1. ক) ১৯৪৯
  2. খ) ১৯৫২
  3. গ) ১৯৪৭
  4. ঘ) ১৯৪৮
সঠিক উত্তর:
গ) ১৯৪৭
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ১৯৪৭
ব্যাখ্যা
তমদ্দুন মজলিস ১৯৪৭ সালে আবুল কাসেম কর্তৃক প্রতিষ্ঠিত বাংলাদেশের, (তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তান) একটি ইসলামি সাংস্কৃতিক সংগঠন। 
- পাকিস্তান প্রতিষ্ঠার পর প্রথম বাংলা ভাষাকে রাষ্ট্রভাষা হিসেবে দাবি তুলে তমদ্দুন মজলিস বাংলা ভাষা আন্দোলন শুরু করে। যদিও এই সংগঠনের প্রতিবাদ লেখালেখির মধ্যেই সীমাবদ্ধ ছিলো।
- ভাষার আন্দোলনের সূত্রপাত ঘটে ১৯৪৭ সালে এবং চূড়ান্ত রূপ লাভ করে ১৯৫২ সালে।

ভারত এবং পাকিস্তান স্বাধীনতা লাভের মাত্র ৭ মাস পরে, ১৯৪৮ সালের মার্চ মাসে পাকিস্তানের গভর্নর মোহাম্মদ আলি জিন্নাহ ২১ মার্চ ঢাকার রেসকোর্স ময়দানে এবং ২৪ মার্চ ঢাকা বিশ্ববিদ্যাল্যের বিশেষ সমাবর্তন অনুষ্ঠানে উর্দু এবং উর্দুই হবে পাকিস্তানের রাষ্ট্র ভাষা।
- এই ঘোষণা করলে সদ্য জাত রাষ্ট্রে ভাষা আন্দোলন প্রকাশ্যরূপ ধারণ করে। 


উৎস: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় অষ্টম শ্রেণী
১১.
১৯৬৫ সালের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে আইয়ুব খান বিরোধী জোট কোনটি?
  1. ক) ডেমোক্রেটিক অ্যাকশন কমিটি
  2. খ) কম্বাইন্ড অপজিশন পার্টি
  3. গ) ন্যাশনাল ডেমোক্রেটিক ফ্রন্ট
  4. ঘ) বিরোধী ঐক্য জোট
সঠিক উত্তর:
খ) কম্বাইন্ড অপজিশন পার্টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) কম্বাইন্ড অপজিশন পার্টি
ব্যাখ্যা

কম্বাইন্ড অপজিশন পার্টি:
১৯৬৫ সালের ২রা জানুয়ারি প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে আইয়ুব খান বিরােধী একক প্রার্থী দেওয়ার জন্য আওয়ামী লীগ, ন্যাপ, কাউন্সিল মুসলিম লীগ, নেজামে ইসলাম প্রভৃতি দল মিলে একটি জোট বা COP (Combined Opposition Party) গঠন করে।
-মােহাম্মদ আলী জিন্নাহর বােন ফাতেমা জিন্নাহকে কপ-এর পক্ষে প্রেসিডেন্ট প্রার্থী করা হয় ।
-নির্বাচনে আইয়ুব খান জয়ী হন।
-প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের পর জাতীয় ও প্রাদেশিক পরিষদের নির্বাচন হয়। সেখানেও আইয়ুব খানের কনভেনশন মুসলিম লীগ সংখ্যাগরিষ্ঠতা লাভ করে।
উৎসঃ বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা : নবম-দশম শ্রেণী (২০২১ সংস্করণ)।