পরীক্ষা আর্কাইভ

১৯তম জুডিসিয়াল সার্ভিস (BJS) প্রস্তুতি

পরীক্ষা১৯তম জুডিসিয়াল সার্ভিস (BJS) প্রস্তুতিতারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়12 minutes
মোট প্রশ্ন১৫
সিলেবাস
পরীক্ষা – ৩৭: সাধারণ জ্ঞান পরীক্ষা - ৪ বিষয়: সাধারণ জ্ঞান (বাংলাদেশ বিষয়াবলি) টপিক: রাষ্ট্র, নাগরিকতা, সরকার ও রাজনীতি, সরকারি ও বেসরকারি লক্ষ্য, নীতি, পরিকল্পনা (অর্থনৈতিক, সামাজিক, স্বাস্থ্য ও শিক্ষা), কর্মসূচি, বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক সম্পর্ক ও পররাষ্ট্র নীতি। উৎস: বাংলাপিডিয়া, জাতীয় তথ্যবাতায়ন, বোর্ড বই (NCTB ও উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়), যেকোনো ভালো গাইড বই।
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

১৯তম জুডিসিয়াল সার্ভিস (BJS) প্রস্তুতি

১৯তম জুডিসিয়াল সার্ভিস (BJS) প্রস্তুতি · তারিখ অনির্ধারিত · ১৫ প্রশ্ন

.
বাংলাদেশের রাষ্ট্রীয় শাসনব্যবস্থা কী ধরনের?
  1. গণতান্ত্রিক
  2. রাজতান্ত্রিক
  3. সমাজতান্ত্রিক
  4. একনায়কতান্ত্রিক
সঠিক উত্তর:
গণতান্ত্রিক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গণতান্ত্রিক
ব্যাখ্যা
• বাংলাদেশের শাসনব্যবস্থা গণতান্ত্রিক।

গণতান্ত্রিক শাসনব্যবস্থা:
- গণতন্ত্র হলো এমন এক শাসনব্যবস্থা যেখানে নীতিনির্ধারণে বা প্রতিনিধি নির্বাচনের ক্ষেত্রে সকল সদস্য বা নাগরিকের সমান অধিকার থাকে।
- গণতান্ত্রিক শাসনব্যবস্থায় সদস্য বা নাগরিকদের সরাসরি ভোটের মাধ্যমে জনপ্রতিনিধি নির্বাচনের সুযোগ থাকে।
- নাগরিক বা সদস্যদের সরাসরি ভোটে নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিগণ আইন প্রস্তাবনা, তৈরী এবং প্রণয়নের কাজ করে থাকেন।

গণতান্ত্রিক শাসনব্যবস্থাকে দুই ভাগে ভাগ করা যায়। যথা- 
১. প্রত্যক্ষ গণতন্ত্র;
২. পরোক্ষ গণতন্ত্র।

- প্রত্যক্ষ গণতন্ত্রে নাগরিকগণ রাষ্ট্রীয় কার্যাবলীতে সরাসরি বা প্রত্যক্ষভাবে অংশগ্রহণ করে থাকে।
- পরোক্ষ গণতন্ত্রে সাধারণত নাগরিকগণ সরাসরি অংশগ্রহণ না করে প্রতিনিধি নির্বাচনের মাধ্যমে শাসনকার্য পরিচালনায় অংশগ্রহণ করে।

তথ্যসূত্র: পৌরনীতি ও সুশাসন ১ম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, মো: মোজাম্মেল হক।
.
বাংলাদেশের পররাষ্ট্রনীতির মূল নীতি কী?
  1. সামরিক শক্তি বৃদ্ধি
  2. আঞ্চলিক আধিপত্য
  3. উন্নয়ন সহযোগিতা বৃদ্ধি
  4. সবার সাথে বন্ধুত্ব, কারো সাথে বৈরিতা নয়
সঠিক উত্তর:
সবার সাথে বন্ধুত্ব, কারো সাথে বৈরিতা নয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সবার সাথে বন্ধুত্ব, কারো সাথে বৈরিতা নয়
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের পররাষ্ট্রনীতির মূল নীতি:
- বাংলাদেশের পররাষ্ট্রনীতির মূল ভিত্তি হলো "সবার সাথে বন্ধুত্ব, কারো সাথে বৈরিতা নয়"
- এটি বাংলাদেশের স্বাধীনতার পরপরই ১৯৭২ সালে সংবিধানের ২৫ অনুচ্ছেদে অন্তর্ভুক্ত হয়।
- এই নীতির মূল লক্ষ্য হলো শান্তিপূর্ণ সহাবস্থান, আন্তর্জাতিক সহযোগিতা এবং বহির্বিশ্বে ইতিবাচক সম্পর্ক স্থাপন করা।
- পররাষ্ট্রনীতিতে বাংলাদেশ কোনো ধরনের শত্রুতার নীতি গ্রহণ করে না এবং জাতীয় স্বার্থে কারো পক্ষ নেওয়ার পরিবর্তে নিরপেক্ষ অবস্থান বজায় রাখে।
- বাংলাদেশ দক্ষিণ এশিয়ায় সার্ক (SAARC), বিমসটেক (BIMSTEC), এবং অন্যান্য আঞ্চলিক জোটের মাধ্যমে উন্নয়ন এবং সহযোগিতা বাড়াতে কাজ করে।
- বাংলাদেশের পররাষ্ট্রনীতির এই নীতি দেশটির আন্তর্জাতিক সম্পর্ক স্থাপন ও উন্নয়নে একটি সুসংহত কাঠামো প্রদান করে।
- এই নীতির মাধ্যমে বাংলাদেশ বিশ্বে একটি শান্তিপ্রিয়, নিরপেক্ষ এবং সহযোগিতামূলক রাষ্ট্র হিসেবে পরিচিতি লাভ করেছে।

তথ্যসূত্র: পৌরনীতি ও সুশাসন ১ম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, মো: মোজাম্মেল হক।
.
পিডিবিএফ কোন ধরনের ঋন পরিচালনা করে থাকে?
  1. ক্ষুদ্র ঋণ
  2. ক্ষুদ্র উদ্যোক্তা ঋণ
  3. ব্যাংক ঋণ
  4. ক ও খ উভয়
সঠিক উত্তর:
ক ও খ উভয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক ও খ উভয়
ব্যাখ্যা
পল্লী দারিদ্র্য বিমোচন ফাউন্ডেশন (পিডিবিএফ):  
- পিডিবিএফ একটি সংবিধিবদ্ধ, স্ব-শাসিত, অমুনাফাকাঙ্ক্ষী, আত্মনির্ভরশীল, নন-ব্যাংকিং আর্থিক প্রতিষ্ঠান।
- ১৯৯৯ সালের নভেম্বর মাসে জাতীয় সংসদে গৃহীত আইনের মাধ্যমে “পল্লী দারিদ্র্য বিমোচন ফাউন্ডেশন (পিডিবিএফ)” প্রতিষ্ঠা  করা হয়।
- পিডিবিএফ সৃষ্টির গোড়ায় ছিল আরডি-২ আরপিপি, আরডি-১২ প্রকল্প এবং পল্লী বিত্তহীন কর্মসূচী।
- ১৯৮৪ সাল থেকে বাংলাদেশ পল্লী উন্নয়ন বোর্ড (বিআরডিবি) কানাডিয়ান সিডার আর্থিক ও কারিগরী সহায়তায় এ প্রকল্পগুলো বাস্তবায়ন করে আসছিল।
- সরকারী সেক্টরে এগুলিই সর্বপ্রথম বিত্তহীন কল্যাণ প্রোগ্রাম যা পরবর্তীতে পল্লী দারিদ্র্য বিমোচন ফাউন্ডেশন (পিডিবিএফ) নামে একটি স্বশাসিত স্থায়ী প্রতিষ্ঠানে রূপান্তরিত হয়েছে।
- পিডিবিএফ ক্ষুদ্র ঋণ এর পাশাপাশি ক্ষুদ্র উদ্যোক্তা ঋণ (SELP) পরিচালনা করে, যাতে করে গ্রামীন বঞ্চিত মানুষের আর্থসামাজিক অবস্থার উন্নতি হয়।

তথ্যসূত্র: পল্লী দারিদ্র্য বিমোচন ফাউন্ডেশন ওয়েবসাইট।
.
নিচের কোনটি নাগরিকের নৈতিক কর্তব্য?
  1. ভোটদান করা
  2. ক্ষুধার্তকে খাদ্য দান
  3. নিয়মিত কর প্রদান
  4. আইন মেনে চলা
সঠিক উত্তর:
ক্ষুধার্তকে খাদ্য দান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক্ষুধার্তকে খাদ্য দান
ব্যাখ্যা
নাগরিকের কর্তব্য:
- কর্তব্য বলতে নাগরিকের দায়িত্ব বোঝায়।
- নাগরিকগণ যেমন রাষ্ট্র প্রদত্ত অধিকার ভোগ করে, তেমনি রাষ্ট্রের প্রতি নাগরিকের কর্তব্যও রয়েছে।
- নাগরিক কর্তব্য দুই ভাগে বিভক্ত।
- যথা: (ক) নৈতিক কর্তব্য (খ) আইনগত কর্তব্য।

নৈতিক কর্তব্য:
নাগরিকদের বিবেক ও সামাজিক ন্যায়বোধ থেকে সৃষ্টি হওয়া কর্তব্যকে নৈতিক কর্তব্য বলা হয়।
- ক্ষুধার্তকে খাদ্য দান,
- রোগীর সেবা,
- শোকার্তকে সান্ত্বনা প্রদান,
- দুর্যোগ, মহামারী, বন্যা, খরা ও দুর্ভিক্ষের সময় মানুষের পাশে দাঁড়ানো নৈতিক কর্তব্যের অন্তর্ভুক্ত।

আইনগত কর্তব্য:
রাষ্ট্রের আইন দ্বারা আরোপিত কর্তব্যই আইনগত কর্তব্য।
- নির্বাচনে ভোটদান করা,
- আইন মেনে চলা,
- নিয়মিত কর প্রদান করা ইত্যাদি।

তথ্যসূত্র: পৌরনীতি ও নাগরিকতা, এস এস সি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
রাষ্ট্র গঠনের মুখ্য উপাদান কী?
  1. ভূখণ্ড
  2. সরকার
  3. জনসংখ্যা
  4. সার্বভৌমত্ব
সঠিক উত্তর:
সার্বভৌমত্ব
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সার্বভৌমত্ব
ব্যাখ্যা
সার্বভৌমত্ব:
- রাষ্ট্র গঠনের মুখ্য উপাদান হচ্ছে সার্বভৌমত্ব।
- সার্বভৌম শব্দ দ্বারা চরম এবং চূড়ান্ত ক্ষমতাকে বোঝায়।
- সার্বভৌমত্ব প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে রাষ্ট্রের গঠনের পূর্ণতা পায়।
- এই ক্ষমতা রাষ্ট্রকে অন্যান্য সংস্থা থেকে পৃথক করে।
- সার্বভৌম ক্ষমতার অভ্যন্তরীণ ও বাহ্যিক দুটি দিক রয়েছে।
- অভ্যন্তরীণ ক্ষমতা প্রয়োগের মাধ্যমে রাষ্ট্রের সব ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের ওপর রাষ্ট্রের কর্তৃত্ব প্রতিষ্ঠা পায়।
- আর বাহ্যিক ক্ষমতা দ্বারা রাষ্ট্র আন্তর্জাতিক ও বহিঃশক্তির নিয়ন্ত্রণ ও হস্তক্ষেপ থেকে মুক্ত থাকবে।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় : নবম-দশম শ্রেণি। 
.
এসডিজির মেয়াদকাল কত?
  1. ২০১০-২০২০
  2. ২০১৫-২০৩০
  3. ২০১৬-২০৩০
  4. ২০২০-২০৩৫
সঠিক উত্তর:
২০১৬-২০৩০
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০১৬-২০৩০
ব্যাখ্যা
সহস্রাব্দ উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (SDG):
- সহস্রাব্দ উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রার আদলে ২০১৫ সালের ২৫-২৭ সেপ্টেম্বর নিউইয়র্কে জাতিসংঘ টেকসই উন্নয়ন সম্মেলনে সাসটেইনেবল ডেভেলপমেন্টস গোল (এসডিজি) গ্রহণ করে।
- এসডিজি-এর মূলনীতি: 'Leaving no one behind'.
- এসডিজিতে ১৭টি লক্ষ্যমাত্রা এবং ১৬৯টি টার্গেট নির্ধারণ করা হয়।
- ২০৩০ সালের মধ্যে বাস্তবায়নের জন্যে লক্ষ্যস্থির করা হয়।
- মেয়াদকাল: ২০১৬-২০৩০ সাল।
- বাস্তবায়ন শুরু: ১ জানুয়ারি, ২০১৬ সাল।
- মেয়াদ শেষ: ৩১ ডিসেম্বর, ২০৩০ সাল।

এসডিজির ১৭টি লক্ষ্যমাত্রা হলো:
 ১. দারিদ্র্য বিলোপ;
২. ক্ষুধা মুক্তি;
৩. সুস্বাস্থ্য ও কল্যাণ;
৪. মানসম্মত শিক্ষা;
৫. লিঙ্গ সমতা;
৬. নিরাপদ পানি ও পয়ঃনিষ্কাশন;
৭. সাশ্রয়ী ও দূষণমুক্ত জ্বালানি;
৮. শোভন কাজ ও অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি;
৯. শিল্প, উদ্ভাবন ও অবকাঠামো;
১০. অসমতার হ্রাস;
১১. টেকসই নগর ও জনপদ;
১২. পরিমিত ভোগ ও উৎপাদন;
১৩. জলবায়ু কার্যক্রম;
১৪. জলজ জীবন;
১৫. স্থলজ জীবন;
১৬. শান্তি, ন্যায়বিচার ও কার্যকর প্রতিষ্ঠান;
১৭. অভীষ্ট অর্জনে অংশীদারিত্ব৷

তথ্যসূত্র: United Nations Sustainable Development Group ওয়েবসাইট।
.
কোন শাস্ত্র পাঠ করে নাগরিকতা, রাজনীতি ও রাষ্ট্র সম্পর্কে জ্ঞান লাভ করা যায়?
  1. অর্থনীতি
  2. নীতিশাস্ত্র
  3. সমাজবিজ্ঞান
  4. পৌরনীতি ও সুশাসন
সঠিক উত্তর:
পৌরনীতি ও সুশাসন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পৌরনীতি ও সুশাসন
ব্যাখ্যা
পৌরনীতি ও সুশাসন:
- এটি এমন একটি শাস্ত্র যা নাগরিকতা, রাজনীতি, রাষ্ট্র এবং সুশাসন সম্পর্কিত বিভিন্ন ধারণা, তত্ত্ব এবং বাস্তব প্রয়োগ নিয়ে আলোচনা করে।
- এটি রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতি, আইন, শাসনব্যবস্থা এবং নাগরিক অধিকার ও দায়িত্ব সম্পর্কে জ্ঞান প্রদান করে।
- নাগরিক জীবন ও রাষ্ট্রীয় শাসন ব্যবস্থা সম্পর্কে সুস্পষ্ট ও সুশৃঙ্খল জ্ঞান লাভ করতে পৌরনীতি ও সুশাসন পাঠের বিকল্প নেই।
- এর মাধ্যমে নাগরিকের চিন্তাধারায় ইতিবাচক পরিবর্তন এসে রাষ্ট্র সম্পর্কিত সঠিক ধারণা জাগ্রত হয়।

অন্যদিকে,
- সমাজবিজ্ঞান সমাজ ও সামাজিক সম্পর্ক নিয়ে আলোচনা করে।
- অর্থনীতি সম্পদ উৎপাদন, বণ্টন ও ব্যবহার নিয়ে কাজ করে।
- নীতিশাস্ত্র নৈতিক মূল্যবোধ ও আদর্শ নিয়ে আলোচনা করে।

তথ্যসূত্র: পৌরনীতি ও সুশাসন, এইচএসসি প্রোগ্রাম; উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
সরকারি বেসরকারি অংশীদারীত্বে প্রতিষ্ঠিত ব্যবসাকে সংক্ষেপে কী বলে?
  1. LCG
  2. PPP
  3. BDF
  4. TCB
সঠিক উত্তর:
PPP
উত্তর
সঠিক উত্তর:
PPP
ব্যাখ্যা
• সরকারি বেসরকারি অংশীদারীত্ব ভিত্তিক ব্যবসা (PPP):
- সরকারি অনুমোদন ও সহায়তায় বেসরকারি অর্থায়ন এবং পরিকল্পনায় পরিচালিত ব্যবসায় কার্যক্রমকে সরকারি-বেসরকারি অংশীদারিত্ব ভিত্তিক ব্যবসা (PPP) বলে।
- এটি একটি উদ্ভাবনী ব্যবসায়িক ধারণা, যা বিশ্বায়নের যুগে জনপ্রিয় হয়েছে।
- PPP হলো এক ধরনের চুক্তি, যা সম্পাদিত হয় সরকারের জনকল্যাণ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ এবং ব্যক্তিমালিকানাধীন প্রতিষ্ঠানের মধ্যে।
- এই অংশীদারিত্বের মাধ্যমে গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো নির্মাণ ও সেবা প্রদান করা সম্ভব হয়।

⇒ বাংলাদেশে PPP-এর উল্লেখযোগ্য প্রকল্পগুলোর মধ্যে রয়েছে-
- ঢাকা-আশুলিয়া এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে,
- কালিয়াকৈর হাইটেক পার্ক নির্মাণ এবং মংলা বন্দরে জেটি নির্মাণ।
- এই অংশীদারিত্বের মডেলটি সাধারণত হাসপাতাল, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, সেবা প্রতিষ্ঠান এবং অবকাঠামো নির্মাণে ব্যবহৃত হয়।

PPP-এর মূল উদ্দেশ্য হলো-
জনগণের কল্যাণে উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ড পরিচালনার জন্য সরকারি অর্থায়নের অভাব পূরণ করা। একইসঙ্গে, বিদেশি ঋণের উপর নির্ভরশীলতা কমিয়ে স্বনির্ভর উন্নয়নের সুযোগ তৈরি করাও এর অন্যতম লক্ষ্য। PPP মডেলটি উন্নয়ন কর্মকাণ্ডকে আরো টেকসই ও কার্যকর করে তোলে, যা আধুনিক প্রতিযোগিতামূলক বিশ্বের চাহিদা পূরণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

অন্যদিকে,
LCG (Local Consultative Group):
এটি একটি ফোরাম যেখানে বাংলাদেশ সরকার এবং উন্নয়ন সহযোগী দেশগুলো মিলে উন্নয়নমূলক কার্যক্রম নিয়ে আলোচনা করে।

BDF (Bangladesh Development Forum)):
এটি একটি ফোরাম যা বাংলাদেশ সরকারের উন্নয়ন প্রচেষ্টাকে সহযোগিতা করার জন্য বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংস্থা এবং দাতাদের সঙ্গে সংযোগ স্থাপন করে।

TCB (Trading Corporation of Bangladesh):
- TCB একটি সরকারি সংস্থা যা পণ্যের মজুত, বাজারে সরবরাহ নিশ্চিত করা এবং মূল্য স্থিতিশীলতার জন্য কাজ করে।

তথ্যসূত্র: এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
কোনটি বাংলাদেশের রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতির অন্তর্ভুক্ত নয়?
  1. গণতন্ত্র
  2. সমাজতন্ত্র
  3. সমঅধিকার
  4. জাতীয়তাবাদ
সঠিক উত্তর:
সমঅধিকার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সমঅধিকার
ব্যাখ্যা
• 'সমঅধিকার' - বাংলাদেশের রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতির অন্তর্ভুক্ত নয়।

• বাংলাদেশের রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতি:
- বাংলাদেশ সংবিধানের দ্বিতীয় ভাগে রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতিসমূহ উল্লেখ করা হয়েছে।
- ৮ নং অনুচ্ছেদে ১ নং দফানুসারে রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতি হলো চারটি।

এগুলো হলো:
- জাতীয়তাবাদ,
- সমাজতন্ত্র,
- গণতন্ত্র ও
- ধর্মনিরপেক্ষতা।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশের সংবিধান।
১০.
অর্থনীতির ভিত্তিতে রাষ্ট্রকে কোন দুই ভাগে ভাগ করা হয়েছে?
  1. রাজতন্ত্র ও প্রজাতন্ত্র
  2. পুঁজিবাদী ও সমাজতান্ত্রিক
  3. সংসদীয় ও রাষ্ট্রপতি শাসিত
  4. গণতান্ত্রিক ও একনায়কতান্ত্রিক
সঠিক উত্তর:
পুঁজিবাদী ও সমাজতান্ত্রিক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পুঁজিবাদী ও সমাজতান্ত্রিক
ব্যাখ্যা
অর্থনীতির ভিত্তিতে রাষ্ট্র:
- সম্পত্তি বা অর্থনৈতিক ব্যবস্থার উপর নিয়ন্ত্রণ থাকা না-থাকার ভিত্তিতে রাষ্ট্র দুই ধরনের হয়, যেমন- 
১/ পুঁজিবাদী রাষ্ট্র ও
২/ সমাজতান্ত্রিক রাষ্ট্র।


• পুঁজিবাদী রাষ্ট্র:
- পুঁজিবাদী রাষ্ট্র এমন একটি রাষ্ট্রব্যবস্থা যেখানে নাগরিকদের সম্পত্তির উপর ব্যক্তিগত মালিকানা স্বীকৃত।
- এই ব্যবস্থার মূল বৈশিষ্ট্য হলো ব্যক্তির স্বাধীনতা এবং ব্যক্তিমালিকানার অধিকার।
- উৎপাদনের উপাদানসমূহ যেমন ভূমি, শ্রম, মূলধন এবং ব্যবস্থাপনা ব্যক্তিগত মালিকানায় থাকে।
- রাষ্ট্রের অর্থনৈতিক কার্যক্রম অবাধ প্রতিযোগিতার মাধ্যমে পরিচালিত হয়।
- উৎপাদন ও সরবরাহের ক্ষেত্রে সরকারের হস্তক্ষেপ থাকে না এবং নাগরিকরা সম্পদ অর্জন, মালিকানা এবং ভোগের ক্ষেত্রে সম্পূর্ণ স্বাধীন থাকে।
- বর্তমান বিশ্বের বেশিরভাগ রাষ্ট্র পুঁজিবাদী ব্যবস্থায় পরিচালিত, যেখানে মুক্ত বাজার অর্থনীতির প্রাধান্য রয়েছে।

• সমাজতান্ত্রিক রাষ্ট্র:
- সমাজতান্ত্রিক রাষ্ট্র হলো এমন একটি রাষ্ট্রব্যবস্থা যা ব্যক্তিমালিকানা স্বীকার করে না এবং উৎপাদনের উপকরণগুলোর উপর রাষ্ট্রীয় মালিকানা প্রতিষ্ঠিত।
- এটি পুঁজিবাদী ব্যবস্থার বিপরীত।
- ভূমি, শ্রম, মূলধন, এবং উৎপাদনের অন্যান্য উপকরণ রাষ্ট্রীয় নিয়ন্ত্রণে থাকে।
- অর্থনৈতিক কার্যক্রম সম্পূর্ণভাবে রাষ্ট্র দ্বারা পরিচালিত হয়।
- ব্যক্তিগত উদ্যোগ বা মালিকানার সুযোগ থাকে না, এবং ব্যক্তি স্বার্থকে প্রাধান্য দেওয়া হয় না।
- চীন ও কিউবা হলো সমাজতান্ত্রিক রাষ্ট্রের উদাহরণ।

তথ্যসূত্র: পৌরনীতি ও নাগরিকতা, নবম-দশম শ্রেণি।
১১.
বাংলাদেশে প্রথম জাতীয় জনসংখ্যা নীতির রূপরেখা প্রণীত হয় -
  1. ১৯৭২ সালে
  2. ১৯৭৬ সালে
  3. ১৯৭৮ সালে
  4. ১৯৮৬ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৭৬ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৭৬ সালে
ব্যাখ্যা
জনসংখ্যা নীতি:
- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের অন্যতম অঙ্গীকার হলো সকল নাগরিকের আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন।
- ১৯৭২ সালে প্রণীত বাংলাদেশের সংবিধানের ১৫, ১৬, ১৭ ও ১৮ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী সকল নাগরিকের জন্য স্বাস্থ্য, শিক্ষা, খাদ্য, নিরাপত্তা নিশ্চিত করা রাষ্ট্রের দায়িত্ব।
- বাংলাদেশের প্রথম পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনায় (১৯৭৩-১৯৭৮) জনসংখ্যা সমস্যাকে এক নম্বর জাতীয় সমস্যা হিসেবে চিহ্নিত করে ১৯৭৬ সালে একটি জনসংখ্যা নীতি প্রণয়ন করা হয়।

⇒ বাংলাদেশে এ পর্যন্ত মোট দুটি জনসংখ্যা নীতি প্রণীত হয়েছে -
• প্রথম জাতীয় জনসংখ্যা নীতির রূপরেখা প্রণীত হয় ১৯৭৬ সালে।
- ২০০৪ সালে আনুষ্ঠানিকভাবে গৃহীত হয়।
- ২০০৪ সালের জনসংখ্যা নীতির উদ্দেশ্য ছিল ২০১০ সালের মধ্যে নিট প্রজনন হার-১ অর্জন করা।
- কিন্তু এ লক্ষ্য অর্জিত না হওয়ায় কর্মসূচিতে গতিশীলতা আনার জন্য জনসংখ্যানীতিকে হালনাগাদ করা একান্ত প্রয়োজন হয়ে পড়ে।

• ২য় ও সর্বশেষ জাতীয় জনসংখ্যা নীতি প্রণীত হয় ২০১২ সালে।
- এই জনসংখ্যা নীতির উদ্দেশ্যে ছিলো ২০১৫ সালের মধ্যে পরিবার পরিকল্পনা পদ্ধতি ব্যবহারকারীর হার ৭২ শতাংশ উন্নীত করে নিট প্রজনন হার ১ অর্জন করা।
- এর মাধ্যমে ২০৭০ সালের মধ্যে দেশের জনসংখ্যার স্থিতিশীলতা অর্জন করা।

উৎস: পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তর ওয়েবসাইট।
১২.
PRSP হচ্ছে-
  1. বাজেট বিশ্লেষণ
  2. পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনা
  3. দারিদ্র্য বিমোচন সংক্রান্ত কৌশলপত্র
  4. স্বাস্থ্য নিরাপত্তা কৌশল
সঠিক উত্তর:
দারিদ্র্য বিমোচন সংক্রান্ত কৌশলপত্র
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দারিদ্র্য বিমোচন সংক্রান্ত কৌশলপত্র
ব্যাখ্যা
PRSP:
- PRSP-এর পূর্ণরূপ হলো: Poverty Reduction Strategy Papers.
- PRSP হল আইএমএফের নির্দেশনায় দারিদ্র্য বিমোচন কৌশলপত্র।
- বাংলাদেশ সরকার ২০০৫-২০০৮ এবং ২০০৯-২০১১ সময়ে মোট দুটি দারিদ্র্য বিমোচন কৌশলপত্র গ্রহণ করে।
- বাংলাদেশ পরিকল্পনা কমিশন PRSP প্রণয়ন করে।

তথ্যসূত্র - পরিকল্পনা কমিশন ওয়েবসাইট।
১৩.
সংবিধান অনুসারে, কয়টি নীতি বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক সম্পর্কের ভিত্তি হবে?
  1. ২টি
  2. ৩টি
  3. ৪টি
  4. ৫টি
সঠিক উত্তর:
৪টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪টি
ব্যাখ্যা
• সংবিধানের ২৫ অনুচ্ছেদে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক সম্পর্কের ভিত্তি কি সেটা আলোচনা করা হয়েছে। ২৫ অনুচ্ছেদ অনুসারে, নিম্নলিখিত ৪টি নীতি রাষ্ট্রের আন্তর্জাতিক সম্পর্কের ভিত্তি হবে-
১. জাতীয় সার্বভৌমত্ব ও সমতার প্রতি শ্রদ্ধা,
২. অন্যান্য রাষ্ট্রের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপ না করা,
৩. আন্তর্জাতিক বিরোধের শান্তিপূর্ণ সমাধান এবং
8. আন্তর্জাতিক আইনের ও জাতিসংঘের সনদে বর্ণিত নীতিসমূহের প্রতি শ্রদ্ধা।

আন্তর্জাতিক শান্তি, নিরাপত্তা ও সংহতির উন্নয়ন করতে উপরে উল্লেখিত নীতির ভিত্তিতে রাষ্ট্র-
ক) আন্তর্জাতিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে শক্তিপ্রয়োগ পরিহার এবং সাধারণ ও সম্পূর্ণ নিরস্ত্রীকরণের জন্য চেষ্টা করবে;
খ) প্রত্যেক জাতির স্বাধীন অভিপ্রায় অনুযায়ী পথ ও পন্থার মাধ্যমে অবাধে নিজস্ব সামাজিক, অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক ব্যবস্থা নির্ধারণ ও গঠনের অধিকার সমর্থন করবে; এবং
গ) সাম্রাজ্যবাদ, ঔপনিবেশিকতাবাদ বা বর্ণবৈষম্যবাদের বিরুদ্ধে বিশ্বের সর্বত্র নিপীড়িত জনগণের ন্যায়সঙ্গত সংগ্রামকে সমর্থন করবে।

উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান।
১৪.
নীতি নির্ধারণ পরিচালনা করে সরকারের কোন বিভাগ ?
  1. আইন বিভাগ
  2. বিচার বিভাগ
  3. নির্বাহী বিভাগ
  4. ক ও খ
সঠিক উত্তর:
নির্বাহী বিভাগ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নির্বাহী বিভাগ
ব্যাখ্যা
নীতিনির্ধারণ ও সরকারের নির্বাহী বিভাগ:
নীতিনির্ধারণ বলতে রাষ্ট্র পরিচালনার জন্য বিভিন্ন আইন, বিধি এবং কার্যক্রমের পরিকল্পনা, বাস্তবায়ন ও পরিবীক্ষণের কৌশল বোঝায়। এটি রাষ্ট্রের সাধারণ মানুষের কল্যাণে কাজ করে এবং ন্যায়নীতি ও সুশাসন প্রতিষ্ঠার একটি অপরিহার্য অংশ।

নির্বাহী বিভাগ:
- সরকারের নির্বাহী বিভাগ হলো সেই শাখা, যা দেশের আইনসমূহ কার্যকর করার দায়িত্ব পালন করে।
- তারা নীতিনির্ধারণ কার্যক্রম পরিচালনা করে এবং নীতিগুলো বাস্তবায়ন করার জন্য প্রয়োজনীয় উদ্যোগ গ্রহণ করে।

নির্বাহী বিভাগের নীতিনির্ধারণ প্রক্রিয়ায় ভূমিকা:
- রাষ্ট্রের সাধারণ প্রয়োজন ও লক্ষ্য বুঝে পরিকল্পনা করা।
- মন্ত্রিসভার অধীনে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও বিভাগগুলো নীতির খসড়া তৈরি করে।
- মন্ত্রিসভা এবং প্রয়োজনে সংসদ এই নীতিগুলোর পর্যালোচনা ও অনুমোদন করে।
- প্রশাসনিক সংস্থা, বিভাগ, এবং মন্ত্রণালয়গুলো প্রণীত নীতির কার্যকর বাস্তবায়ন নিশ্চিত করে।
- বাস্তবায়িত নীতির কার্যকারিতা মূল্যায়ন এবং প্রয়োজন অনুযায়ী সংশোধন করা।

তথ্যসূত্র: পৌরনীতি ও সুশাসন : একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণী : প্রথমপত্র : মো. মোজাম্মেল হক।
১৫.
নিম্নের কোনটি নাগরিকের নৈতিক কর্তব্য নয়?
  1. ক্ষুধার্তকে খাদ্য দান
  2. শোকার্তকে সান্ত্বনা প্রদান
  3. নিয়মিত কর প্রদান
  4. দুর্যোগে মানুষের পাশে দাঁড়ানো
সঠিক উত্তর:
নিয়মিত কর প্রদান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নিয়মিত কর প্রদান
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের নাগরিকতা:
- বাংলাদেশের নাগরিকতা প্রধানত জন্মসূত্রে নির্ণয় করা হয়।
- বাংলাদেশে জন্ম নেয়া সবাই বাংলাদেশের নাগরিক।

নাগরিকের কর্তব্য:
- কর্তব্য বলতে নাগরিকের দায়িত্ব বোঝায়।
- নাগরিকগণ যেমন রাষ্ট্র প্রদত্ত অধিকার ভোগ করে, তেমনি রাষ্ট্রের প্রতি নাগরিকের কর্তব্যও রয়েছে।
- নাগরিক কর্তব্য দুই ভাগে বিভক্ত। যথা: (ক) নৈতিক কর্তব্য (খ) আইনগত কর্তব্য।

• নৈতিক কর্তব্য:
- ক্ষুধার্তকে খাদ্য দান, রোগীর সেবা,
- শোকার্তকে সান্ত্বনা প্রদান,
- দুর্যোগ, মহামারী, বন্যা, খরা ও দুর্ভিক্ষের সময় মানুষের পাশে দাঁড়ানো নৈতিক কর্তব্যের অন্তর্ভুক্ত।

• আইনগত কর্তব্য:
- নির্বাচনে ভোটদান করা,
- আইন মেনে চলা,
- নিয়মিত কর প্রদান করা ইত্যাদি।

তথ্যসূত্র: পৌরনীতি ও নাগরিকতা, এস এস সি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।