পরীক্ষা আর্কাইভ

নতুনদের বিসিএস প্রস্তুতি - ২০০ দিনে পুরো সিলেবাস

পরীক্ষানতুনদের বিসিএস প্রস্তুতি - ২০০ দিনে পুরো সিলেবাসতারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়29 minutes
মোট প্রশ্ন৫৬
সিলেবাস
রিভিশন পরীক্ষা [নতুনদের বিসিএস প্রস্তুতি বাটনের বিগত ৬টি পরীক্ষার টপিকের উপর রিভিশন পরীক্ষা] ----------------- [নির্দেশিকা: এই রুটিনে সারাবছর জুড়ে পরীক্ষা চলমান থাকে। আপনি আজ ১ম পরীক্ষা দেওয়া শুরু করলে ২০০ দিনের মধ্যে পুরো সিলেবাস সম্পন্ন হবে।]
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

নতুনদের বিসিএস প্রস্তুতি - ২০০ দিনে পুরো সিলেবাস

নতুনদের বিসিএস প্রস্তুতি - ২০০ দিনে পুরো সিলেবাস · তারিখ অনির্ধারিত · ৫৬ প্রশ্ন

.
"Let us have wine and women, mirth and laughter,
Sermons and soda-water the day after." is said by :
  1. William Shakespeare
  2. Philip Sidney
  3. Francis Bacon
  4. Lord Byron
সঠিক উত্তর:
Lord Byron
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Lord Byron
ব্যাখ্যা

• "Let us have wine and women, mirth and laughter,
Sermons and soda-water the day after."
- এই লাইন দুটি এসেছে Lord Byron-এর কবিতা "Don Juan" থেকে।

• Don Juan:
- Romantic period এর অন্যতম poet and satirist Lord Byron এর অনবদ্য সৃষ্টি Don Juan হচ্ছে a satire in the form of a picaresque verse tale. 
- এই কবিতার কেন্দ্রীয় চরিত্র হচ্ছে Don Juan যাকে ঘিরে কবিতার মূল কাহিনী আবর্তিত হয়েছে এবং তার নামেই কবিতাটির নামকরণ করা।
- তবে কবিতার প্রধান চরিত্রটির নাম একজন স্প্যানীশ কিংবদন্তির নাম থেকে থেকে নেয়া হয়েছে তবে কাহিনী সম্পুর্ন আলাদা।
- Don Juan কে এখানে চিত্রায়িত করা হয়েছে womanizer এবং easily seduced by women হিসেবে।
-কবিতাটি প্রায় পাঁচ হাজার লাইন বিশিষ্ট। 

• এই poem এর কিছু বিখ্যাত উক্তি হচ্ছে - 
-"Sweet is revenge—especially to women.
- "Pleasure's a sin, and sometimes sin's a pleasure."

• Lord Byron : 
- Lord Byron রোমান্টিক যুগের কবি ছিলেন। 
- তিনি 'Rebel Poet' নামে পরিচিত। 
- তার পুরো নাম George Gordon Byron. 
- তার কন্যা Lady Ada Augusta (প্রথম কম্পিউটার প্রোগ্রামার)। 
- তার বিখ্যাত epic (মহাকাব্য) হচ্ছে Don Juan.

Notable works:
Poetry:
• Hours of Idleness,
• Don Juan,
• She Walks in Beauty,
• Love and Death.

Source: Britannica.com

.
Which of the following is a work done by Ben Jonson?
  1. Volpone
  2. Doctor Faustus 
  3. Love and Death
  4. Othello
সঠিক উত্তর:
Volpone
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Volpone
ব্যাখ্যা

• Volpone is a work done by Ben Jonson.

Volpone:
- নাটকটির পুরো নাম Volpone; Or, the Fox.
- এটি একটি 5-act drama.
- এটি Ben Jonson লিখিত একটি comedy play.
- এটি 1607 সালে প্রকাশিত হয়।
- It is a story about how a wealthy Venetian without heirs, devises a scheme to become wealthier by playing on people’s greed.
- With the complicity of his servant Mosca, Volpone pretends to be near death.
- He accepts valuable gifts from three fortune hunters.
- Mosca gives assurance to each of whom that he alone is to inherit all of Volpone’s wealth.

• Important characters:
- Volpone,
- Mosca,
- Celia,
- Bonario,
- Corvino,
- Voltore,
- Corbaccio.

Ben Jonson:
- তিনি একজন English writer.
- তিনি একাধারে English Stuart dramatist, lyric poet এবং literary critic.
- তাকে Father of Comedy of Humours বলা হয়।

• Famous works:
- The Silent Woman,
- Every Man in His Humour,
- Every Man out of His Humour,
- Sejanus,
- The Alchemist,
- The Masque of Blackness,
- The Poetaster,
- Volpone.

Other Options:
• Doctor Faustus - Christopher Marlowe.
• Love and Death - Lord Byron.
• Othello - William Shakespeare.

Source: Britannica.

.
"To err is human, to forgive is divine."
This is phrased by -
  1. Oliver Goldsmith 
  2. Alexander Pope
  3. Edmund Burke 
  4. Jonathan Swift
সঠিক উত্তর:
Alexander Pope
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Alexander Pope
ব্যাখ্যা

• "To err is human, to forgive is divine."
- This is phrased by Alexander Pope.

- এই বিখ্যাত উদ্ধৃতিটি নেওয়া হয়েছে Alexander Pop রচিত "An Essay on Criticism" কবিতা থেকে।

• An Essay on Criticism:
- "An Essay on Criticism" হলো Alexander Pope -এর একটি শিক্ষামূলক কবিতা (didactic poem).
- Pope যখন মাত্র ২২ বছর তখন এই কবিতাটি রচনা করেন।
- এটি ১৭১১ সালে বেনামে প্রকাশিত হয়েছিল।
- Horace’s Ars poetica (কবিতার শিল্প) -এর দ্বারা প্রভাবিত এই রচনাটি অগাস্টান যুগের লেখকদের থেকে ধারণা নিয়ে নিওক্ল্যাসিকাল কবিতার নিয়ম ও সমালোচনার মূলনীতিগুলিকে heroic couplet -এ উপস্থাপন করেন।
- তিনি কবিতার মাধ্যমে পাঠকদের শিখিয়েছেন কীভাবে একজন সঠিক সমালোচক হওয়া উচিত, এবং কেমন লেখা প্রকৃত সাহিত্য হিসেবে গণ্য হয়।

• Alexander Pope (1688-1744):
- Alexander Pope was a poet and satirist of the English Augustan period.
- He is the most famous poet of the Augustan Age.
- The Augustan Age is also known/called as the Age of the Pope.
- কারণ এই যুগে অন্যতম সাহিত্যিক ছিলেন Alexander Pope, যিনি এই যুগে তাঁর লেখনীর দ্বারা আধিপত্য বিস্তার করেছিলেন।
- তিনি 'Mock Heroic Poet' হিসাবেও পরিচিত।
- তিনি সমস্ত Epigrammatic ইংরেজ লেখকদের মধ্যে অন্যতম ছিলেন।

• Some famous quotations by Alexander Pope:
- "Charms strike the sight but merit strikes the heart",
- "A little learning is a dangerous thing",
- "Fools rush in where angels fear to tread",
- "To err is human, to forgive is divine",
- "An honest man is the noblest work of God",
- "The proper study of mankind is man",
- "Hope springs eternal in the human breast;
Man never is, but always to be blest."

Source:
1. Britannica.
2. An ABC of English Literature by Dr. M. Mofizar Rahman.

.
Who is the creator of the characters known as the Lilliputians?
  1. George Chapman
  2. Daniel Defoe 
  3. John Milton 
  4. Jonathan Swift
সঠিক উত্তর:
Jonathan Swift
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Jonathan Swift
ব্যাখ্যা

• "Lilliputians" was created by - Jonathan Swift.

• Gulliver's Travels: 
- Jonathan Swift রচিত একটি novel.
- এর full title হচ্ছে - Travels into Several Remote Places in the World.
- এটি 18th century এর একটি famous satire.
- এটি ৪ খন্ডের একটি রম্য রচনা। 
- Gulliver’s Travels উপন্যাসে Lemuel Gulliver নামের এক ইংরেজ ভ্রমণকারীর চারটি ভিন্ন ও কল্পনাপ্রসূত দেশে ভ্রমণের কাহিনি বর্ণিত হয়েছে। প্রতিটি দেশ একেকটি মানব প্রকৃতির রূপকে তুলে ধরে।

• Important characters:
- Gulliver,
- Blefuscudian,
- Yahoos,
- Houyhnhnms,
- Lilliputians,
- Laputans, etc.

• Jonathan Swift (1667-1745):
- তিনি একজন Anglo-Irish author এবং clergyman ছিলেন।
- তিনি Augustan age এর একজন Author.
- Jonathon Swift, an Anglo-Irish author, who was the foremost prose satirist in the English language.
- অর্থাৎ, ইংরেজি সাহিত্যের সবচেয়ে বিখ্যাত ব্যঙ্গরচয়িতা বা satirist হলেন Jonathan Swift.
- তার রচিত বিখ্যাত satire হলো ‘Gulliver’s Travels’.
- তাঁর ছদ্মনাম Isaac Bickerstaff.

• Notable works:
- Gulliver's Travels,
- A Tale of a Tub,
- A Modest Proposal,
- The Battle of Books, etc.

Source: Britannica.

.
Who is the author of the elegy Elegy Written in a Country Churchyard?
  1. Thomas Gray 
  2. S. T. Coleridge 
  3. Edward Gibbon 
  4. John Dryden 
সঠিক উত্তর:
Thomas Gray 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Thomas Gray 
ব্যাখ্যা

• "Elegy Written in a Country Churchyard" was written by Thomas Gray.

• Elegy Written in a Country Churchyard:
- এটি Thomas Gray রচিত একটি Elegy বা শোকগাঁথা।
- এই শোকগাঁথাটি ১৭৫১ সালে প্রকাশিত হয়।
- A meditative poem written in iambic pentameter quatrains published in 1751.
- ইংরেজি সাহিত্যের অন্যতম সেরা রত্নভান্ডার বলা যেতে পাারে এই সাহিত্যটিকে।
- এই কবিতাটি ইংরেজি সাহিত্যের সর্বাধিক প্রশংসিত এলেজিগুলোর একটি।
- এটি প্রাক-রোমান্টিক যুগের এক অনন্য সৃষ্টি — সাধারণ মানুষের প্রতি সহানুভূতি প্রকাশ, প্রকৃতির সৌন্দর্য, এবং মৃত্যুচিন্তা মিলেমিশে এক মানবিক উচ্চতা অর্জন করেছে।

• Thomas Gray (1716-1771):
- Thomas Gray একজন ইংরেজ কবি, পণ্ডিত এবং অধ্যাপক, যিনি তাঁর আবেগময় এবং প্রতিফলিত কবিতার জন্য সবচেয়ে পরিচিত। 
- তিনি একজন বিখ্যাত Graveyard Poet.
- তিনি আঠারো শতকের মধ্যভাগের একজন প্রভাবশালী কবি ছিলেন এবং Romantic movement -এর পূর্বসূরী ছিলেন।
- তার বিখ্যাত Elegy হলো 'Elegy Written in a Country Churchyard'.
- তিনি 'The Age of Sensibility' -এর একজন গুরুত্বপূর্ণ সাহিত্যিক।

• Notable works:
- “An Elegy Written in a Country Church Yard”,
- “Ode on a Distant Prospect of Eton College”,
- “The Bard”,
- “The Progress of Poesy”, etc.

• His famous quotations:
- 'Where ignorance is bliss, it is folly to be wise."
- "Full many a flower is born to blush unseen,
And waste its sweetness on the desert air."
- "The paths of glory lead but to the grave."
- "Sorrow never comes too late."

Source:
1. Britannica.
2. An ABC of English Literature by Dr. M. Mofizar Rahman.

.
"The Rime of the Ancient Mariner" was written by whom?
  1. Alexander Pope
  2. S. T. Coleridge
  3. John Keats
  4. William Wordsworth 
সঠিক উত্তর:
S. T. Coleridge
উত্তর
সঠিক উত্তর:
S. T. Coleridge
ব্যাখ্যা

• "The Rime of the Ancient Mariner" was written by S. T. Coleridge.

• The Rime of the Ancient Mariner:
- The poem "The Rime of the Ancient Mariner" is written by Samuel Taylor Coleridge.
- "The Rime of the Ancient Mariner" হলো ইংরেজ রোমান্টিক যুগের একটি বিখ্যাত ও রহস্যঘন কবিতা, যেখানে একজন প্রাচীন নাবিক (Mariner) নিজের অতীতের ভয়াবহ সমুদ্রযাত্রার অভিজ্ঞতা এক নববিবাহিত যুবককে শোনাচ্ছেন।
- The Rime of the ancient Mariner কবিতায় Mariner আলব্যাট্রস পাখিটিকে হত্যা করে।
- এবং সেই পাপের কারণে তাকে প্রায়াশ্চিত্ত করে যেতে হয়।
- এভাবেই কবিতার কাহিনি সামনের দিকে এগিয়ে যতে থাকে।
- এটি প্রকৃতি, পাপ, অনুশোচনা এবং পরিশুদ্ধির গল্প।
- এটি একটি ৭ পার্টের কবিতা।
- এটি সর্বপ্রথম "Lyrical Ballads" এর অন্তর্ভুক্ত হয়ে ১৭৯৮ সালে প্রকাশিত হয়।

• The important character of this poem is:
- The Mariner,
- Wedding Guest,
- Albatross,
- The Nightmare,
- Life in Death.

• Famous quotations from this poem:
- "Alone, alone, all, all alone,
Alone on a wide sea."

- "Water, water everywhere,
Not any drop to drink."

- "All things both great and small;
For the dear God who loveth us
He made and loveth all."

- "He prayeth best, who loveth best
All things both great and small."

- "A sadder and a wiser man,
He rose the morrow morn."

• Samuel Taylor Coleridge (1772-1834):
- তিনি একজন English lyrical poet, critic, এবং philosopher.
- তাকে Poet of Supernaturalism বলা হয়।
- William Wordsworth -এর সঙ্গে মিলে তিনি "Lyrical Ballads" (১৭৯৮) গ্রন্থটি রচনা করেন, যা ইংরেজি রোমান্টিক আন্দোলনের সূচনা করে।

Source:
1. Britannica.
2. Poetry Foundation.

.
Which of the following works was written by John Bunyan?
  1. The Medall 
  2. Heaven and Earth
  3. The Holy War
  4. Ode to Psyche 
সঠিক উত্তর:
The Holy War
উত্তর
সঠিক উত্তর:
The Holy War
ব্যাখ্যা

• "The Holy War" is a literary work of John Bunyan.

• The Holy War:
- এটিও John Bunyan রচিত আরেকটি religious allegory যা 1682 সালে প্রকাশিত হয়।
- এটি তার The Pilgrim’s Progress -এর মতোই খ্রিস্টান বিশ্বাসের প্রতীকী ব্যাখ্যা প্রদান করে।
- এই উপন্যাসটি একটি আধ্যাত্মিক যুদ্ধের কাহিনি, যেখানে ঈশ্বর (King Shaddai) এবং শয়তান (Diabolus) -এর মধ্যে Mansoul (মানুষের আত্মা) নামক শহরটির নিয়ন্ত্রণ নিয়ে যুদ্ধ চলে।
- এটি দেখায়, কিভাবে মানুষের আত্মা শয়তানের প্রলোভনে পতিত হতে পারে এবং কিভাবে ঈশ্বরের অনুগ্রহ ও যিশুর মধ্যস্থতায় তা উদ্ধার হয়।

• John Bunyan (1628-1688):
- Restoration period -এর একজন স্বনামধন্য সাহিত্যিক তিনি।
- তিনি একাধারে English minister, preacher ও author.
- John Bunyan ছিলেন সতেরো শতকের একজন ইংরেজ লেখক, প্রচারক এবং খ্রিস্টীয় ধর্মীয় সাহিত্যের অন্যতম প্রধান ব্যক্তিত্ব।
- তিনি তাঁর সাহিত্যকর্মের মাধ্যমে নৈতিক শিক্ষা ও ধর্মীয় চেতনা ছড়িয়ে দিয়েছেন।
- তাঁর The Pilgrim’s Progress বিশ্বসাহিত্যের অন্যতম শ্রেষ্ঠ ধর্মীয় উপন্যাস হিসেবে আজও সমাদৃত।
- তাঁর রচনা কেবল ধর্মীয় দৃষ্টিকোণ থেকেই নয়, সাহিত্যিক মূল্যবোধের দিক থেকেও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

• Notable works:
- Grace Abounding,
- The Holy War,
- The Life and Death of Mr. Badman,
- The Pilgrim's Progress, etc.

• অন্যদিকে,
- 'The Medall' হলো John Dryden রচিত একটি long satirical poem.
- 'Heaven and Earth' হলো Lord Byron এর একটি নাট্যধর্মী কবিতা।
- 'Ode to Psyche' হলো John Keats এর একটি কবিতা।

Source:
1. Britannica.
2. An ABC of English Literature by Dr. M Mofizar Rahman.

.
Which of the following works was authored by John Milton?
  1. Paradise Lost 
  2. The Pilgrim’s Progress
  3. Paradise Restored
  4. Both A and C
সঠিক উত্তর:
Paradise Lost 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Paradise Lost 
ব্যাখ্যা

• 'Paradise Lost' is written by John Milton.
- এটি John Milton রচিত একটি Epic poem.

• Paradise Lost:
- The theme of Paradise Lost is to Justify the ways of God to men.
- তার লেখা Paradise lost কে the great Epic in English হিসাবে বিবেচনা করা হয়।
- ১৬৬৭ সালে প্রকাশিত এই বইটি মোট বারো খন্ডে বিভক্ত।
- এটি Blank verse (অমিত্রাক্ষর ছন্দ)- এ রচিত।

• Main chararcters:
- Adam,
- Eve,
- Satan,
- Beelzebub,
- Raphael,
- Michael,
- Mammon,
- Belial,
- Gabriel, etc.

• Famous quotations of Paradise Lost:
- Better to reign in Hell than serve in Heaven. 
- Death is the golden key that opens the place of eternity.
- Solitude sometimes is the best society.”
- Awake, arise or be forever fallen.

• John Milton (1608-1674):
- তিনি ছিলেন একজন English poet, pamphleteer এবং historian.
- তিনি William Shakespeare -এর পর সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ English author হিসেবে বিবেচিত।
- Milton is best known for Paradise Lost.
- It is widely regarded as the greatest epic poem in English.
- তিনি 'Epic Poet' নামে পরিচিত। 
- এ দুটো মহাকাব্য তিনি অন্ধ অবস্থায় লিখেন।

• Notable Works: 
- Paradise Lost (Epic),
- Paradise Regained (Epic),
- Samson Agonistes,
- L'Allegro,
- Lycidas (Elegy),
- Of Education,
- Of Reformation Touching Church Discipline in England,
- On Shakespeare,
- On the Fifth of,
- Il Penseroso, etc.

- The Pilgrim’s Progress is written by John Bunyan.
- Paradise Restored is written by David Chilton.

Source:
1. Britannica.
2. SparkNotes.
3. An ABC of English Literature by Dr. M. Mofizar Rahman.

.
Pride and Prejudice is a work done by which of the following novelists?
  1. Samuel Johnson
  2. Alexander Pope
  3. Walter Scott
  4. Jane Austen
সঠিক উত্তর:
Jane Austen
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Jane Austen
ব্যাখ্যা

• Pride and Prejudice:
- Jane Austen লিখিত romantic novel.
- এটি একটি classic English literature.
- Jane Austen, Romantic period এর একজন author তাই এটি Romantic যুগের novel.
- Fitzwilliam Darcy, was Elizabeth's love interest in "Pride and Prejudice".
- এটি একটি Romantic novel, যেখানে Darcy এবং Elizabeth একে অপরের প্রেমে পরে তাদের মাঝে অনেক differences থাকার পরেও।

• কাহিনির সূত্রপাত ১৯ শতকের গ্রামীণ ইংল্যান্ডে।
- Bennet পরিবারের সাথে Fitzwilliam Darcy নামক একজন জমিদারের সম্পর্কে নিয়ে।
- Bennet পরিবারের মোট পাঁচজন কন্যা।
- এই পাঁচ কন্যার মা তার কন্যার বিয়ে দেয়ার জন্য বিভিন্ন Eligible Bachelor এর খোঁজ করেন।
- পাঁচ কন্যার এক কন্যা, Elizabeth Bennet এবং Fitzwilliam Darcy একে অপরের প্রেমে পড়তে চায়, কিন্তু বাঁধা হয়ে দাঁড়ায় যুক্তিহীন কিছু পূর্ব ধারণার কারণে।
 
• Some Quotes:
- “A lady's imagination is very rapid; it jumps from admiration to love, from love to matrimony in a moment.”
- “It is a truth universally acknowledged, that a single man in possession of a good fortune, must be in want of a wife.”
- “Angry people are not always wise.”
 
• Jane Austen: 
- তিনি একজন English novelist.
- She first gave the novel its distinctly modern character through her treatment of ordinary people in everyday life.
 
• Notable works: 
• Novels: 
- Sense and Sensibility (1811),
- Pride and Prejudice (1813),
- Mansfield Park (1814),
- Emma (1815).
 
Source: Britannica.

১০.
”কমলাক্ষ” কোন প্রকার সমাসের উদাহরণ?
  1. তৎপুরুষ
  2. দ্বিগু 
  3. কর্মধারয় 
  4. বহুব্রীহি 
সঠিক উত্তর:
বহুব্রীহি 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বহুব্রীহি 
ব্যাখ্যা

• বহুব্রীহি সমাস:
- যে সমাসে সমস্যমান পদগুলোর কোনটির অর্থ না বুঝিয়ে কোন নতুন অর্থ প্রকাশ করে তাকে বহুব্রীহি সমাস বলে।

- বহুব্রীহি সমাসে সমস্ত পদে 'অক্ষি' শব্দের স্থলে 'অক্ষ' এবং 'নাভি' শব্দ স্থলে 'নাভ' হয়।
যেমন:
- কমলের ন্যায় অক্ষি যার = কমলাক্ষ,
- পদ্ম নাভিতে যার পদ্মনাভ।

এরূপ- উর্ণনাভ।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা এবং বাংলা ভাষা ব্যাকরণ, নবম ও দশম শ্রেণি (২০১৯ সালে সংস্করণ)।

১১.
’অঘাচণ্ডী’ শব্দে ”অঘা” উপসর্গটি কী অর্থে ব্যবহৃত হয়?
  1. নোংরা
  2. বোকা
  3. পাগল
  4. নিন্দিত
সঠিক উত্তর:
বোকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বোকা
ব্যাখ্যা

• ’অঘাচণ্ডী’ শব্দে ”অঘা” উপসর্গটি ’বোকা’ অর্থে ব্যবহৃত হয়।

- ’অঘা’ একটি বাংলা উপসর্গ।
• বাংলা উপসর্গ:
- বাংলা উপসর্গ মোট একুশটি।
যথা-
- অ, অঘা, অজ, অনা, আ, আড়, আন, আব, ইতি, উন (উনা), কদ, কু, নি, পাতি, বি, ভর, রাম, স, সা, সু, হা।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, ৯ম-১০ম শ্রেণি, (২০২৫ সালের সংস্করণ)।

১২.
'শরতের পর আসে বসন্ত'। এখানে 'পর' অনুসর্গটি কী অর্থ প্রকাশ করেছে? 
  1. দীর্ঘ বিরতি
  2. বিরতি
  3. অল্প বিরতি
  4. নৈকট্য
সঠিক উত্তর:
দীর্ঘ বিরতি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দীর্ঘ বিরতি
ব্যাখ্যা

'শরতের পর আসে বসন্ত'। এখানে 'পর' অনুসর্গটি  “দীর্ঘ বিরতি” অর্থ প্রকাশ করে।

• অনুসর্গ বা কর্মপ্রবচনীয়:

- বাংলা ভাষায় যে অব্যয় শব্দগুলো কখনো স্বাধীন পদ রূপে, আবার কখনো শব্দ বিভক্তির ন্যায় বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বাক্যের অর্থ প্রকাশে সাহায্য করে, সেগুলোকে অনুসর্গ বা কর্মপ্রবচনীয় বলে।
- অনুসর্গগুলো কখনো প্রাতিপদিকের পরে ব্যবহৃত হয়, আবার কখনো বা 'কে' এবং 'র' বিভক্তিযুক্ত শব্দের পরে বসে।
যেমন-
- বিনা: দুঃখ বিনা সুখ লাভ হয় কি মহীতে? (প্রাতিপদিকের পরে)
- সনে: ময়ূরীর সনে নাচিছে ময়ূর। (ষষ্ঠী বিভক্তিযুক্ত শব্দের পরে)
- দিয়ে: তোমাকে দিয়ে আমার চলবে না। (দ্বিতীয়ার 'কে' বিভক্তিযুক্ত শব্দের পরে)

• বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত অনুসর্গ:
যেমন-
⇒ প্রতি, বিনা, বিহনে, সহ, ওপর, অবধি, হেতু, মধ্যে, মাঝে, পরে, ভিন্ন, বই, ব্যতীত, জন্যে, জন্য, পর্যন্ত অপেক্ষা, সহকারে, তরে, পানে, নামে, মতো, নিকট, অধিক, পক্ষে, দ্বারা, দিয়া, দিয়ে, কর্তৃক, সঙ্গে, হইতে, হতে, থেকে, চেয়ে, পাছে, ভিতর, ভেতর ইত্যাদি।
এদের মধ্যে দ্বারা, দিয়া (দিয়ে), কর্তৃক, হইতে (হতে), চেয়ে, অপেক্ষা, মধ্যে প্রভৃতি কয়েকটি অনুসর্গ বিভক্তিরূপে ব্যবহৃত হয়। 

• অনুসর্গের প্রয়োগ
- পরে: স্বল্প বিরতি অর্থে এ ঘটনার পরে আর এখানে থাকা চলে না।
- পর: দীর্ঘ বিরতি অর্থে-শরতের পরে আসে বসন্ত।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, ৯ম-১০ম শ্রেণি, (২০১৯ সালের সংস্করণ)।

১৩.
'আনন্দ' কোন জাতীয় বিশেষ্য?
  1. গুণ-বিশেষ্য
  2. নাম-বিশেষ্য
  3. ক্রিয়া-বিশেষ্য
  4. বস্তু-বিশেষ্য
সঠিক উত্তর:
গুণ-বিশেষ্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গুণ-বিশেষ্য
ব্যাখ্যা

• গুণ-বিশেষ্য:
- গুণগত অবস্থা ও ধারণার নামকে গুণ-বিশেষ্য বলে।
যেমন-
- সরলতা, দয়া, আনন্দ, গুরুত্ব, দীনতা, ধৈর্য ইত্যাদি।

• ক্রিয়া-বিশেষ্য:
- যে বিশেষ্য দিয়ে কোনো ক্রিয়া বা কাজের নাম বোঝায়, তাকে ক্রিয়া-বিশেষ্য বলে।
যেমন
- পঠন, ভোজন, শয়ন, করা, করানো, পাঠানো, নেওয়া ইত্যাদি।

• নাম-বিশেষ্য:
- ব্যক্তি, স্থান, দেশ, কাল, সৃষ্টি প্রভৃতির সুনির্দিষ্ট নামকে নাম-বিশেষ্য বলা হয়।
যেমন-
- ব্যক্তিনাম: হাবিব, সজল, লতা, শম্পা।
- স্থাননাম: ঢাকা, বাংলাদেশ, হিমালয়, পদ্মা।
- কালনাম: সোমবার, বৈশাখ, জানুয়ারি, রমজান।
- সৃষ্টিনাম: গীতাঞ্জলি, সঞ্চিতা, ইত্তেফাক, অপরাজেয় বাংলা।

• বস্তু-বিশেষ্য:
- কোনো দ্রব্য বা বস্তুর নামকে বস্তু-বিশেষ্য বলে।
যেমন
- ইট, লবণ, আকাশ, টেবিল, বই ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, ৯ম-১০ম শ্রেণি, ২০২৫ সালের সংস্করণ।

১৪.
”যাদের বুদ্ধি নেই, তারাই এ কথা বিশ্বাস করবে।”-বাক্যটির সরল বাক্যরূপ কোনটি?
  1. নির্বোধরা এ কথা বিশ্বাস করবে।
  2. নির্বোধরা যে কোন কথা বিশ্বাস করবে।
  3. নির্বোধরা এ কথা বিশ্বাস করবে না।
  4. নির্বোধরা সকল কথা বিশ্বাস করবে।
সঠিক উত্তর:
নির্বোধরা এ কথা বিশ্বাস করবে।
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নির্বোধরা এ কথা বিশ্বাস করবে।
ব্যাখ্যা

• জটিল বাক্যকে সরল বাক্যে রূপান্তর:
- মিশ্র বাক্যকে সরল বাক্যে রূপান্তর করতে হলে মিশ্র বাক্যের অপ্রধান খণ্ডবাক্যটিকে সংকুচিত করে একটি পদ বা একটি বাক্যাংশে পরিণত করতে হয়।
যথা:
- জটিল বাক্য: যাদের বুদ্ধি নেই, তারাই এ কথা বিশ্বাস করবে।
- সরল বাক্য: নির্বোধরা/বুদ্ধিহীনরা এ কথা বিশ্বাস করবে।

- জটিল বাক্য: যতদিন জীবিত থাকব, ততদিন এ ঋণ স্বীকার করব।
- সরল বাক্য: আজীবন এ ঋণ স্বীকার করব।

- জটিল বাক্য: যে সকল পশু মাংস ভোজন করে, তারা অত্যন্ত বলবান।
- সরল বাক্য: মাংসভোজী পশু অত্যন্ত বলবান।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ , ৯ম-১০ম শ্রেণি, (২০১৯ সালের সংস্করণ)।

১৫.
”এবার (তুমি) একটি গান কর।”- বাক্যটির ভাববাচ্য রূপ কী হবে?
  1. তোমার গান করা হোক।
  2. এবার একটি গান করা হোক।
  3. এবার গান করা যায়।
  4. এবার তুমি একটি গান গাও।
সঠিক উত্তর:
এবার একটি গান করা হোক।
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এবার একটি গান করা হোক।
ব্যাখ্যা

• ভাববাচ্য থেকে কর্তৃবাচ্য 
- কর্তায় প্রথমা বিভক্তি প্রযুক্ত হয় এবং ক্রিয়া কর্তার অনুসারী হয়।
যেমন-
- কর্তৃবাচ্য: তুমি হাঁটবে।
- ভাববাচ্য: তোমাকে হাঁটতে হবে।

- ভাববাচ্য: এবার একটি গান করা হোক।
- কর্তৃবাচ্য: এবার (তুমি) একটি গান কর।

- ভাববাচ্য: তার যেন আসা হয়।
- কর্তৃবাচ্য: সে যেন আসে।

উল্লেখ্য,
• কর্তৃবাচ্য: যে বাক্যের ক্রিয়া কর্তাকে অনুসরণ করে, তাকে কর্তাবাচ্য বলে।
• ভাববাচ্য: যে বাক্যের ক্রিয়া-বিশেষ্য বাক্যের ক্রিয়াকে নিয়ন্ত্রণ করে, তাকে ভাববাচ্য বলে।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, ৯ম-১০ম শ্রেণি, (২০১৯ এবং ২০২৫ সালের সংস্করণ)।

১৬.
”রাজীব বললো যে, সে কবিতা লিখতে পছন্দ করে।” - উক্তিটির প্রত্যক্ষরূপ কোনটি?
  1. রাজীব বলতেছিলো, "আমি কবিতা লিখতে পছন্দ করি”।
  2. রাজীব বললো, "আমি কবিতা লিখতে পছন্দ করি”।
  3. রাজীব বলেছিলো, "আমি কবিতা লিখতে পছন্দ করি”।
  4. রাজীব বললো, "আমি কবিতা লিখতে পছন্দ করতাম”।
সঠিক উত্তর:
রাজীব বললো, "আমি কবিতা লিখতে পছন্দ করি”।
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাজীব বললো, "আমি কবিতা লিখতে পছন্দ করি”।
ব্যাখ্যা

• উক্তি পরিবর্তন:
- প্রত্যক্ষ উক্তির যেখান থেকে উদ্ধারচিহ্ন শুরু হয়, পরোক্ষ উক্তিতে সেখানে যোজক 'যে' বসে এবং উদ্ধারচিহ্ন উঠে যায়।
যেমন
- প্রত্যক্ষ উক্তি: নেতা বললেন, "আমি জনগণের মৌলিক অধিকার নিশ্চিত করতে চাই।"
- পরোক্ষ উক্তি: নেতা বললেন যে, তিনি জনগণের মৌলিক অধিকার নিশ্চিত করতে চান।

অর্থের সংগতি রাখার জন্য বাক্যে ব্যবহৃত সর্বনামের পরিবর্তন প্রয়োজন হয়।
যেমন
- প্রত্যক্ষ উক্তি: রাজীব বললো, "আমি কবিতা লিখতে পছন্দ করি”।
- পরোক্ষ উক্তি: রাজীব বললো যে, সে কবিতা লিখতে পছন্দ করে।

- প্রত্যক্ষ উক্তি: মিহির বললো, "আমার জানামতে সবুজ এ বাসায় থাকে।"
- পরোক্ষ উক্তি: মিহির বললো যে, তার জানামতে সবুজ সে বাসায় থাকতো।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, ৯ম-১০ম শ্রেণি, (২০২৫ সালের সংস্করণ)।

১৭.
'মনে পড়ে সেই জ্যৈষ্ঠ দুপুরে পাঠশালা পলায়ন। -বাক্যে নিম্নরেখ শব্দ কোন কারকের উদাহরণ?
  1. কর্ম কারক
  2. করণ কারক
  3. অপাদান কারক
  4. অধিকরণ কারক
সঠিক উত্তর:
অপাদান কারক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অপাদান কারক
ব্যাখ্যা

- 'মনে পড়ে সেই জ্যৈষ্ঠ দুপুরে পাঠশালা পলায়ন।' - বাক্যেটি অপাদান কারকের উদাহরণ।
- বাক্যটি অপাদান কারকে প্রথমা বা শূন্য বা অ বিভক্তি

• অপাদান কারক: 
- যা থেকে কিছু বিচ্যুত, গৃহীত, জাত, বিরত, আরম্ভ, দূরীভূত ও রক্ষিত হয় এবং যা দেখে কেউ ভীত হয়, তাকেই অপাদান কারক বলে।
- অপাদান কারকে বিভিন্ন বিভক্তি ছাড়াও হইতে, হতে, থেকে, দিয়া, দিয়ে ইত্যাদি অনুসর্গ ব্যবহৃত হয়।
যেমন-

• বিচ্যুত : গাছ থেকে পাতা পড়ে। মেঘ থেকে বৃষ্টি পড়ে।
• গৃহীত : সুক্তি থেকে মুক্তো মেলে। দুধ থেকে দই হয়।
• জাত : জমি থেকে ফসল পাই। খেজুর রসে গুড় হয়।
• বিরত : পাপে বিরত হও।
• দূরীভূত : দেশ থেকে পঙ্গপাল চলে গেছে।
• রক্ষিত : বিপদ থেকে বাঁচাও।
• আরম্ভ : সোমবার থেকে পরীক্ষা শুরু।
• ভীত : বাঘকে ভয় পায় না কে?

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম দশম শ্রেণি, ২০১৯ সালের সংস্করণ।

১৮.
'বুলবুলিতে ধান খেয়েছে খাজনা দিব কীসে?'- এখানে কোন বিভক্তির প্রয়োগ হয়েছে?
  1. -তে
  2. -এ
  3. -এর
  4. শূণ্য 
সঠিক উত্তর:
-তে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
-তে
ব্যাখ্যা

'বুলবুলিতে ধান খেয়েছে খাজনা দিব কীসে?'- এখানে বাক্যটিতে বুলবুলিতে (বুলবুলি+ তে বিভক্তি) যুক্ত হয়েছে।

• বিভক্তি:

 বাক্যস্থিত একটি শব্দের সঙ্গে অন্য শব্দের অন্বয় সাধনের জন্য শব্দের সঙ্গে যে সকল বর্ণ যুক্ত হয় তাদের বিভক্তি বলে।
যেমন- ছাদে বসে মা শিশুকে চাঁদ দেখাচ্ছেন।
- বাক্যটিতে ছাদে (ছাদ + এ বিভক্তি), মা (মা +০ বিভক্তি), শিশুকে (শিশু + কে বিভক্তি), চাঁদ (চাঁদ + 0 বিভক্তি) ইত্যাদি পদে বিভিন্ন বিভক্তি যুক্ত হয়েছে। বিভক্তিগুলো ক্রিয়াপদের সঙ্গে নামপদের সম্পর্ক স্থাপন করেছে।

• বাংলা শব্দে বিভক্তি ৭ প্রকার।
যথা:
• প্রথমা বা শূণ্য বিভক্তি: : ০, অ,। 
• দ্বিতীয়া বিভক্তি: : ০, অ, কে, রে । 
• তৃতীয়া বিভক্তি: দ্বারা, দিয়া (দিয়ে), কর্তৃক। 
• চতুর্থী বিভক্তি: কে, রে।
• পঞ্চমী বিভক্তি: : এ (য়ে, য়), হইতে, *থেকে, *চেয়ে, *হতে।।
• ষষ্ঠী বিভক্তি: র, এর।
• সপ্তমী বিভক্তি: এ, য়, তে।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ) 

১৯.
হাসান একটি যন্ত্র দিয়ে ১৫ নিউটন বল প্রয়োগ করে ৯০ নিউটন ভার তোলতে পারে। যন্ত্রটির যান্ত্রিক সুবিধা কত?
  1. ৫.৬
  2. ৮.৫
সঠিক উত্তর:
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: হাসান একটি যন্ত্র দিয়ে ১৫ নিউটন বল প্রয়োগ করে ৯০ নিউটন ভার তোলতে পারে। যন্ত্রটির যান্ত্রিক সুবিধা কত?

সমাধান: লিভার যন্ত্র: লিভার হলো এমন একটি দণ্ড বা অবলম্বন, যা কোনো বস্তুর ওপর ভর করে মুক্তভাবে ওঠানামা করে।

লিভারের যান্ত্রিক সুবিধা নির্ণয়ের সূত্রটি হলো:
যান্ত্রিক সুবিধা = ভার/প্রযুক্ত বল

এখানে,
যান্ত্রিক সুবিধা = ক
প্রযুক্ত বল = ১৫ নিউটন
ভার = ৯০ নিউটন

∴ যান্ত্রিক সুবিধা = ভার/প্রযুক্ত বল
বা, ক = ৯০/১৫
∴ ক = ৬

∴ যান্ত্রিক সুবিধা ৬।

২০.
কোন বানানটি শুদ্ধ?
  1. ভদ্রতাচিত
  2. ভদ্রাচিতো
  3. ভদ্রোচিত
  4. ভদ্রোতাচিত
সঠিক উত্তর:
ভদ্রোচিত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ভদ্রোচিত
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: কোন বানানটি শুদ্ধ?

সমাধান:
শুদ্ধ বানানটি হচ্ছে- ভদ্রোচিত।
অর্থ - অভিজাত, শিষ্ট।

উৎস: বাংলা একাডেমি অভিধান।

২১.
একটি বৈদ্যুতিক মোটরে 800 J শক্তি সরবরাহ করা হলো এবং মোটরটি 640 J যান্ত্রিক শক্তি তৈরি করলো। মোটরের কর্মদক্ষতা কত?
  1. 60%
  2. 70%
  3. 80%
  4. 85%
সঠিক উত্তর:
80%
উত্তর
সঠিক উত্তর:
80%
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: একটি বৈদ্যুতিক মোটরে 800 J শক্তি সরবরাহ করা হলো এবং মোটরটি 640 J যান্ত্রিক শক্তি তৈরি করলো। মোটরের কর্মদক্ষতা কত?

সমাধান:
দেওয়া আছে,
মোট সরবরাহকৃত শক্তি = 800 J
কার্যকর যান্ত্রিক শক্তি = 640 J

আমরা জানি,
কর্মদক্ষতা = (কার্যকর শক্তি/মোট প্রদত্ত শক্তি) × 100
= (640/800) × 100%
= 0.80 × 100%
= 80%

∴ যন্ত্রটির কর্মদক্ষতা 80%

২২.
ইংরেজি অভিধানে কোন শব্দটি সবার পরে আসবে?
Nested, Nation, Nippon, Niger.
  1. Nested
  2. Nation
  3. Nippon
  4. Niger
সঠিক উত্তর:
Nippon
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Nippon
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: ইংরেজি অভিধানে কোন শব্দটি সবার পরে আসবে?
Nested, Nation, Nippon, Niger.

সমাধান:
সঠিক ক্রম হবে
Nation
Nested
Niger
Nippon

∴ সবার পরে আসবে Nippon.

২৩.
যদি স্প্রিং A-তে একটি বল প্রয়োগের ফলে এটি 15 cm সংকুচিত হয়, তাহলে একই বল স্প্রিং B-কে কতটুকু সংকুচিত করবে?
  1. 40 cm
  2. 45 cm
  3. 60 cm
  4. 80 cm
সঠিক উত্তর:
60 cm
উত্তর
সঠিক উত্তর:
60 cm
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: যদি স্প্রিং A-তে একটি বল প্রয়োগের ফলে এটি 15 cm সংকুচিত হয়, তাহলে একই বল স্প্রিং B-কে কতটুকু সংকুচিত করবে?

সমাধান: 
- সমান্তরালভাবে থাকা স্প্রিংগুলি তাদের মধ্যে প্রয়োগকৃত বলকে সমানভাবে ভাগ করে।
- যদি একই বল স্প্রিং B তে প্রয়োগ করা হয়, তাহলে বলটি চারগুণ হয়ে যাবে যেহেতু 1টি স্প্রিং আছে, তাই সংকোচনের পরিমাণ চারগুণ হবে।

∴ স্প্রিং B এর সংকোচনের পরিমাণ = 15 cm × 4 = 60 cm

২৪.
হিল্লোল শব্দের অর্থ কী?
  1. সাহস
  2. কম্পন
  3. তরঙ্গ
  4.  হাসি ঠাট্টা
সঠিক উত্তর:
তরঙ্গ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তরঙ্গ
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: হিল্লোল শব্দের অর্থ কী?

সমাধান:
হিল্লোল শব্দের অর্থ- 'তরঙ্গ' 

হিল্লোল এর কয়েকটি সমার্থক শব্দ -
- ঊর্মি,
- তরঙ্গ,
- কল্লোল,
- লহর,
- বীচি ইত্যাদি 

উৎস: বাংলা একাডেমি আধুনিক বানান অভিধান, ভাষা শিক্ষা- ড. হায়াৎ মামুদ। 

২৫.
যদি A পিস্টনে 20 N বল প্রয়োগ করা হয় তাহলে B পিস্টনে কত বল পাওয়া যাবে? (যেখানে A পিস্টনের ক্ষেত্রফল 4 বর্গমিটার এবং B পিস্টনের ক্ষেত্রফল 36 বর্গমিটার)
  1. 90 N
  2. 120 N
  3. 160 N
  4. 180 N
সঠিক উত্তর:
180 N
উত্তর
সঠিক উত্তর:
180 N
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: যদি A পিস্টনে 20 N বল প্রয়োগ করা হয় তাহলে B পিস্টনে কত বল পাওয়া যাবে? (যেখানে A পিস্টনের ক্ষেত্রফল 4 বর্গমিটার এবং B পিস্টনের ক্ষেত্রফল 36 বর্গমিটার)

সমাধান:
প্যাসকেলের সূত্র হতে পাই,
F1/A1 = F2/A2 [এখানে F1, F2 যথাক্রমে ১ম ও ২য় পিস্টনের বল, A1, A2 যথাক্রমে ১ম ও ২য় পিস্টনের ক্ষেত্রফল]
⇒ F2 = (F1 × A2)/A1
= (20 × 36)/4
= 720/4
= 180 N

২৬.
নিচের কোন যতি চিহ্নে থামার প্রয়োজন নেই?
  1. ড্যাস চিহ্ন
  2. সম্বোধন চিহ্ন
  3. লোপ চিহ্ন
  4. কোলন চিহ্ন
সঠিক উত্তর:
লোপ চিহ্ন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
লোপ চিহ্ন
ব্যাখ্যা

• বিরাম চিহ্ন:
- মুখের কথাকে লিখিত রূপ দেওয়ার সময়ে কম-বেশি থামা বোঝাতে যেসব চিহ্ন ব্যবহৃত হয়, সেগুলোকে বিরামচিহ্ন বলে। বক্তব্যকে স্পষ্ট করতেও কিছু চিহ্ন ব্যবহৃত হয়ে থাকে। যতিচিহ্নকে বিরামচিহ্ন বা বিরতিচিহ্নও বলা হয়।

• যতি বা ছেদ চিহ্নের বিরতি কাল:
১. কমা - ১ (এক) বলতে যে সময় প্রয়োজন।
২. সেমিকোলন - ১ বলার দ্বিগুণ সময়।
৩. দাঁড়ি বা পূর্ণচ্ছেদ - এক সেকেন্ড।
৪. প্রশ্নবোধক চিহ্ন - এক সেকেন্ড।
৫. বিস্ময় ও সম্বোধন চিহ্ন - এক সেকেন্ড।
৬. কোলন - এক সেকেন্ড।
৭. ড্যাস - এক সেকেন্ড।
৮. কোলন ড্যাস - এক সেকেন্ড।
৯. হাইফেন - থামার প্রয়োজন নেই।
১০. ইলেক বা লোপ চিহ্ন - থামার প্রয়োজন নেই।
১১. একক উদ্ধৃতি চিহ্ন - 'এক' উচ্চরণে যে সময় লাগে।
১২. যুগল উদ্ধৃতি চিহ্ন - 'এক' উচ্চরণে যে সময় লাগে।
১৩. ব্র্যাকেট (বন্ধনি চিহ্ন) - থামার প্রয়োজন নেই।
১৪. ধাতু দ্যোতক চিহ্ন - থামার প্রয়োজন নেই।

২৭.
ভারসাম্য রক্ষা করতে নিচের চিত্রে প্রশ্নবোধক স্থানে কত ভর রাখতে হবে?
  1. 20 Kg
  2. 25 Kg
  3. 30.5Kg
  4. 33.33 Kg
সঠিক উত্তর:
25 Kg
উত্তর
সঠিক উত্তর:
25 Kg
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: 4ভারসাম্য রক্ষা করতে নিচের চিত্রে প্রশ্নবোধক স্থানে কত ভর রাখতে হবে?

সমাধান: 
সমাধান:
আমরা জানি,
⇒ ভারসাম্য রক্ষা করতে হলে উভয় পাশে ভর ও দৈর্ঘ্যের গুণফল সমান হতে হবে।

ধরি,
ডান দিকের ভর = x কেজি 

প্রশ্নমতে,
50 × 3 = 6 × x
⇒ 150 = 6x
⇒ x = 150/6
∴ x = 25

∴ ডানদিকে 25Kg ভর রাখতে হবে।

২৮.
'D' যদি ঘড়ির কাটার দিকে 30 rpm গতিতে ঘুরে, তবে 'C' কেমন গতিতে কোনদিকে ঘুরবে?
  1. 60 rpm গতিতে ঘড়ির কাঁটার দিকে
  2. 90 rpm গতিতে ঘড়ির কাঁটার বিপরীত দিকে
  3. 120 rpm গতিতে ঘড়ির কাঁটার বিপরীত দিকে
  4. 90 rpm গতিতে ঘড়ির কাঁটার দিকে
সঠিক উত্তর:
90 rpm গতিতে ঘড়ির কাঁটার বিপরীত দিকে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
90 rpm গতিতে ঘড়ির কাঁটার বিপরীত দিকে
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: 'D' যদি ঘড়ির কাটার দিকে 30 rpm গতিতে ঘুরে, তবে 'C' কেমন গতিতে কোনদিকে ঘুরবে?

সমাধান: 
আমরা জানি, 
- পাশাপাশি সংযুক্ত গিয়ারগুলো পরস্পর পরস্পরের বিপরীতে ঘুরে।
- সমান সংখ্যক দাঁত সংশ্লিষ্ট গিয়ার একই গতিতে ঘুরে।
- যে গিয়ারের দাঁত কম থাকে তার গতি বেশি এবং দাঁত বেশি হলে গতি কম থাকে। 

এখানে,
- 'D' ঘড়ির কাঁটার দিকে ঘুরে।
- 'C' গিয়ারটি 'D' গিয়ারের সাথে যুক্ত হওয়ায় 'C' ঘড়ির কাঁটার বিপরীত দিকে ঘুরে।
- 'D' এর দাঁত সংখ্যা 'C' এর দাঁতের তিনগুণ হওয়ায়। 'C' এর গতি 'D' এর তিনগুণ হবে। 
অর্থাৎ, 'C' এর গতি হবে = 3 × 30 = 90 rpm.

∴ C গিয়ারটি 90 rpm গতিতে ঘড়ির কাঁটার বিপরীত দিকে ঘুরবে।

২৯.
ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েব (WWW) কোন দেশ থেকে সূচনা হয়েছে?
  1. United States
  2. Germany
  3. Switzerland
  4. United Kingdom
সঠিক উত্তর:
Switzerland
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Switzerland
ব্যাখ্যা

- ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েব (WWW) বা ওয়েবের সূচনা হয়েছে Switzerland থেকে। 

- ১৯৮৯ সালে, সার্ভারের মাধ্যমে তথ্য আদানপ্রদান সহজ করার জন্য টিম বার্নার্স-লি নামের একজন বিজ্ঞানী সর্নর্নাল ইন্সটিটিউট অফ ফিজিকাল সায়েন্সেসে (CERN) কাজের সময় ওয়েবের ধারণা প্রস্তাব করেন।
- ১৯৯১ সালে তিনি প্রথম ওয়েবসাইট চালু করেন যা তথ্য শেয়ারিং এবং ইন্টারনেট ব্রাউজিং এর পথপ্রদর্শক হয়।
- এই আবিষ্কার ইন্টারনেটের গতি ও ব্যাপ্তি বৃদ্ধি করে বিশ্বব্যাপী যোগাযোগ ও তথ্য প্রবাহে বিপ্লব ঘটায় ।

• WWW:
- WWW এর পূর্ণরূপ হলো World Wide Web.
- ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েব(WWW) হলো সুইজারল্যান্ডের গবেষকদের দ্বারা উদ্ভাবিত একটি হাইপারটেক্সট ভিত্তিক ডিস্ট্রিবিউটেড ইনফরমেশন সিস্টেম।
- এটি একটি বৃহৎ সিস্টেম যা অনেকগুলো সার্ভার সংযুক্তির মাধ্যমে গঠিত হয়।
- টিম বার্নাস লি ১৯৮৯ সালে সুইজারাল্যান্ডের জেনেভায় WWW তৈরি করেন।
- টিম বার্নাস লিকে WWW এর জনক বলা হয়।
- ECRN (The European Center for Nuclear Research) -এ ১৯৮৯ সালে WWW এর সূচনা হয়। 
- WWW এর বহুল প্রচলন শুরু হয় ১৯৯৩ সালে।

উৎস: মৌলক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৩০.
কোন প্রযুক্তি বা ধারণার মাধ্যমে দৈনন্দিন ব্যবহারের বিভিন্ন বস্তু, যেমন গৃহস্থালি সরঞ্জাম ও যানবাহন,ইন্টারনেট ব্যবহার করে ডেটা আদান-প্রদান করতে পারে?
  1. ক্লাউড কম্পিউটিং
  2. মেশিন লার্নিং
  3. ইন্টারনেট অফ থিংস (IoT)
  4. সাইবার সিকিউরিটি
সঠিক উত্তর:
ইন্টারনেট অফ থিংস (IoT)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইন্টারনেট অফ থিংস (IoT)
ব্যাখ্যা

• IoT হল এমন একটি নেটওয়ার্ক যেখানে সেন্সর সমৃদ্ধ ডিভাইস, যন্ত্রপাতি ও উপকরণ ইন্টারনেটের মাধ্যমে যুক্ত থাকে এবং তথ্য সংগ্রহ, প্রেরণ ও গ্রহণ করে।

• ইন্টারনেট:
- ইন্টারনেট হলো একটি বিশ্বব্যাপী কম্পিউটার নেটওয়ার্কের সংযোগ ব্যবস্থা, যা বিভিন্ন নেটওয়ার্ককে একত্রিত করে একটি "নেটওয়ার্ক অফ নেটওয়ার্কস” তৈরি করেছে।
- এটি প্রথম যুক্তরাষ্ট্রে ১৯৭০ এর দশকে শুরু হলেও সাধারণ মানুষের জন্য এটি পরিচিত হয় ১৯৯০ এর দশকের
শুরুতে।
- ২০২০ সালের মধ্যে পৃথিবীর অর্ধেকের বেশি, প্রায় ৪.৫ বিলিয়ন মানুষ ইন্টারনেট ব্যবহার করছিলেন।
- ইন্টারনেটের জনপ্রিয়তা বাড়ার একটি বড় কারণ হলো "স্মার্ট” ডিভাইস ও "ইন্টারনেট অফ থিংস” (IoT), যেখানে বিভিন্ন যন্ত্রপাতি যেমন স্মার্টফোন, যন্ত্র, থার্মোস্ট্যাট, নিরাপত্তা ক্যামেরা, গাড়ি, এমনকি পুরো শহর ইন্টারনেটের মাধ্যমে সংযুক্ত থাকে।

• IoT (Internet of Things) :
- IoT (Internet of Things) এমন একটি প্রযুক্তি, যার মাধ্যমে নানা ধরণের বস্তু (যন্ত্র, সেন্সর, ডিভাইস) ইন্টারনেটের মাধ্যমে একে অপরের সাথে সংযুক্ত থাকে এবং তথ্য আদান-প্রদান করে তাকে ইন্টানেট অব থিংস বা আইওটি (Internet of Things IOT) বলে।
- আমাদের চারপাশে প্রতিদিনকার জীবনে আমরা যেসব যন্ত্রপাতির ব্যবহার যেমন গাড়ির গ্যারেজের দরজা, গাড়ি, কন্ট্রোল, ফ্যান, টিভি, দরজার ইলেট্রিক লক ইত্যাদি বিভিন্ন প্রয়োজনে যন্ত্র বা জিনিসপত্রকে অটোমেটিক করার জন্য এসবের সাথে কম্পিউটার সিস্টেম সংযুক্ত থাকে।
- এই প্রযুক্তিতে আমাদের ঘরের বিভিন্ন ইলেক্ট্রনিক যন্ত্রপাতি যেমন: টিভি, ফ্রিজ, লাইট প্রভৃতি ইন্টারনেট-এর সাথে সংযুক্ত করে এগুলোকে দুর থেকে নিয়ন্ত্রণ করা যায়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, মো. মাহবুবুর রহমান। 

৩১.
নিচের কোনটি সাইবার অপরাধ নয়?
  1. Data diddling
  2. Trojan Horse
  3. Debugging
  4. Denial of Service Attack
সঠিক উত্তর:
Debugging
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Debugging
ব্যাখ্যা

- Debugging সাইবার অপরাধ নয়। এটি প্রোগ্রামিং এর ভুল ত্রুটি খুঁজে বের করে তা দূর করে থাকে ।

• সাইবার অপরাধ :
বিভিন্ন ধরনের সাইবার অপরাধ হয়ে থাকে। নিচে অতি সংক্ষিপ্তভাবে অপরাধসমূহের তালিকা দেওয়া হলো:
- কম্পিউটার সিস্টেম অথবা নেটওয়ার্কে অযাচিত প্রবেশ করা।
- ইলেকট্রনিক ফর্মে থাকা তথ্য চুরি করা।
- প্লেজিয়ারিজম- অন্যের লেখা চুরি করে নিজের নামে চালিয়ে দেওয়া বা প্রকাশ করা।
- স্মিকিং- গোপনে ব্যবহারকারীর চোখ এড়িয়ে কম্পিউটার বা নেটওয়ার্ক সিস্টেমে প্রবেশ করে নিজের আওতায় আনা।
- ই-মেইল বম্বিং (বিশাল ই-মেইল পাঠানোর মাধ্যমে সিস্টেম ক্র্যাশ করা)।
- Data diddling (কম্পিউটার প্রসেসিং এর পূর্বে কোন ডেটাকে কম্পিউটার থেকে সরিয়ে ফেলা এবং প্রসেসিং সম্পন্ন হবার পর পুনরায় সে ডেটাকে কম্পিউটারে স্থাপন করা।
- Salami Attack (অবৈধ আর্থিক বিনিময় কিংবা আর্থিক ক্ষতি সাধন।)
- Denial of Service Attack (বেশি পরিমাণে রিকোয়েস্ট পাঠায়ে সিস্টেম ক্র্যাশ করা)।
- ভাইরাস/ওয়ার্ম আক্রমণ।
- লজিক বম্ব (ইভেন্ট নির্ভর প্রোগ্রামের মাধ্যমে সিস্টেমে এ্যাটাক করা)।
- ট্রোজান এ্যাটাক (পরোক্ষভাবে কারো সিস্টেমে প্রবেশ করে সিস্টেমের কন্ট্রোল গ্রহণ করা।
- ইন্টারনেটের ব্যবহার্য সময় বা ইউনিট চুরি।
- ওয়েব সাইট হ্যাক করে তথ্য পরিবর্তন করা।

উৎস:
- কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি-২, ভোকেশনাল ৷
- তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।

৩২.
কোন নেটওয়ার্কের মাধ্যমে একটি অফিস বা স্কুলের অভ্যন্তরীন কম্পিউটার নেটওয়ার্ক তৈরি হয়?
  1. WAN
  2. PAN
  3. MAN
  4. LAN
সঠিক উত্তর:
LAN
উত্তর
সঠিক উত্তর:
LAN
ব্যাখ্যা

Local Area Network - LAN এর মাধ্যমে একটি অফিস বা স্কুলের অভ্যন্তরীন কম্পিউটার নেটওয়ার্ক তৈরি হয় ।

• নেটওয়ার্কের কাজ ও গঠন অনুসারে নেটওয়ার্ককে চারভাগে ভাগ করা যায়।
১। পার্সোনাল এরিয়া নেটওয়ার্ক বা প্যান (Personal Area Network - PAN),
২। লোকাল এরিয়া নেটওয়ার্ক (Local Area Network - LAN),
৩। মেট্রোপলিটান এরিয়া নেটওয়ার্ক (Metropolitan Area Network - MAN),
৪। ওয়াইড এরিয়া নেটওয়ার্ক (Wide Area Network - WAN).

• পার্সোনাল এরিয়া নেটওয়ার্ক :
- ব্যক্তিগত পর্যায়ে নেটওয়ার্ক তৈরির কৌশলকে বলা হয় পার্সোনাল এরিয়া নেটওয়ার্ক বা প্যান (PAN)।
- পার্সোনাল কম্পিউটার ডিভাইসসমূহের মধ্যে যোগাযোগের জন্য ব্যবহৃত হয়।
- খরচ তুলনামূলক কম ।
- দ্রুত ডেটা আদান-প্রদান করতে পারে।
- এ ধরনের নেটওয়ার্ক যে কোন জায়গায় তৈরি করা যায়।
- ব্যাপ্তি সাধারণত ১০ মিটারের মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকে।
• উদাহরণ: ব্লুটুথ হচ্ছে এক ধরনের PAN নেটওয়ার্ক।

• লোকাল এরিয়া নেটওয়ার্ক :
- যেসব নেটওয়ার্ক খুব কাছাকাছি অবস্থিত কম্পিউটার সমূহ ও যন্ত্রপাতির মধ্যে করা হয়ে থাকে তাকে লোকাল এরিয়া নেটওয়ার্ক বলা হয় ।
- ছোট পরিসরে ব্যবহৃত হয়।
- একাধিক ডিভাইস একসঙ্গে যুক্ত থাকে ।
- রিপিটার, হাব, নেটওয়ার্ক ইন্টারফেস কার্ড (NIC) ইত্যাদি LAN-এর উপযোগী ডিভাইস ব্যবহার হয়।
- দ্রুত গতির ডেটা ট্রান্সফার সম্ভব।
- উদাহরণ: একটি অফিস, স্কুলের কম্পিউটার ল্যাব, বাড়ির অভ্যন্তরীন নেটওয়ার্ক।

• মেট্রোপলিটান এরিয়া নেটওয়ার্ক:
- লোকাল এরিয়া নেটওয়ার্কের চেয়ে কিছুটা বৃহৎ অঞ্চল জুড়ে যে নেটওয়ার্ক থাকে তাকে মেট্রোপলিটান এরিয়া নেটওয়ার্ক বলে।
- LAN এর চেয়ে বড় পরিসরে ব্যবহৃত।
- একটি শহর বা কয়েকটি শহরের মধ্যে নেটওয়ার্ক গঠিত হয় ।
- উচ্চ গতির ডেটা আদান-প্রদান সম্ভব।
- সাধারণত টেলিফোন কোম্পানির ক্যাবল বা নিজস্ব ক্যাবল ব্যবহার করে। - উদাহরণ: ঢাকা শহরের বিভিন্ন অফিসে যুক্ত কম্পিউটার নেটওয়ার্ক।

• ওয়াইড এরিয়া নেটওয়ার্ক:
- বিশাল ভৌগলিক এলাকার মধ্যে একাধিক ল্যান বা ম্যান নিয়ে গড়ে ওঠে ওয়াইড এরিয়া নেটওয়ার্ক। - সবচেয়ে বিস্তৃত নেটওয়ার্ক।
- টেলিফোন লাইন বা স্যাটেলাইট ব্যবহৃত হয় ।
- গেটওয়ে ব্যবহার করে ভিন্ন ভিন্ন নেটওয়ার্ক সংযুক্ত করা হয়।
- উদাহরণ: ইন্টারনেট, ই-মেইল ইত্যাদি সুবিধা দেয়।

উৎস:
- এসএসসি প্রোগ্রাম, কম্পিউটার শিক্ষা, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
- তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান ।

৩৩.
ই-মেইল প্রেরণে আউটগোয়িং প্রোটোকল-
  1. POP3
  2. IMAP
  3. SMTP
  4. FTP
সঠিক উত্তর:
SMTP
উত্তর
সঠিক উত্তর:
SMTP
ব্যাখ্যা

• SMTP (Simple Mail Transfer Protocol) ই-মেইল প্রেরণের জন্য (Send /Outgoing) ব্যবহৃত হয়।

• ই-মেইল:
- ১৯৭১ সালে আরপানেট ইলেকট্রনিক মাধ্যমে পত্রালাপের সূচনার মাধ্যমে প্রথম ইমেইল সিস্টেম চালু করেন রেমন্ড স্যামুয়েল টমলিসন।
- ইলেকট্রনিক মেইল বা ই-মেইল হলো একজন বার্তা লেখকের কাছ থেকে এক বা একাধিক প্রাপকের কাছে কোন বাৰ্তা বা ডিজিটাল মেসেজ বিনিময় করার নির্ভরযোগ্য পদ্ধতি।
- ই-মেইল ঠিকানায় @ চিহ্নটি অবশ্যই থাকতে হয় ৷
- একটি ইমেইল ঠিকানা ইউজার আইডি ও ডোমেইন নেম নিয়ে গঠিত।
- abc@def.com এ @ অংশের পূর্বে থাকে ইউজার আইডি এবং @ অংশের পরে থাকে ডোমেইন নেম।
- ই-মেইল সার্ভারে POP, IMAP এবং SMTP প্রোটোকল ব্যবহার করা হয়।

• POP:
- POP এর পূর্ণরূপ হল Post Office Protocol.
- ব্যবহারকারী যে সকল মেইল গ্রহণ করে বা তার কাছে আসে সেগুলোকে অন্তর্মুখী বা ইনকামিং মেইল বলা হয় ।
- মেইল সার্ভার থেকে ইনকামিং মেইল গ্রহণ করার জন্য সর্বাধিক জনপ্রিয় প্রোটোকল POP3.

• SMTP:
- SMTP এর পূর্ণরূপ হল Simple Mail Transfer Protocol.
- মেইল সার্ভার এবং অন্যান্য বার্তা স্থানান্তর এজেন্ট মেল বার্তা পাঠাতে এবং গ্রহণ করতে SMTP ব্যবহার করে।

• IMAP:

- IMAP এর পূর্ণরূপ হল Internet Message Access Protocol.
- IMAP প্রটোকল ব্যবহার করে মেইল বক্সে শুধু প্রবেশ করা যায় ।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ - দ্বাদশ শ্রেণি।

৩৪.
গোপনে কম্পিউটার বা নেটওয়ার্কে প্রবেশ করা কোন সাইবার অপরাধের অন্তর্ভুক্ত?
  1. স্পুফিং
  2. স্নিফিং
  3. লজিক বম্ব
  4. কোনোটি নয়
সঠিক উত্তর:
স্নিফিং
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্নিফিং
ব্যাখ্যা

স্নিফিং হচ্ছে গোপনে কম্পিউটার বা নেটওয়ার্কে প্রবেশ করা ।

• সাইবার অপরাধ:
বিভিন্ন ধরনের সাইবার অপরাধ হয়ে থাকে। নিচে অতি সংক্ষিপ্তভাবে অপরাধসমূহের তালিকা দেওয়া হলো:
- কম্পিউটার সিস্টেম অথবা নেটওয়ার্কে অযাচিত প্রবেশ করা।
- ইলেকট্রনিক ফর্মে থাকা তথ্য চুরি করা।
- প্লেজিয়ারিজম- অন্যের লেখা চুরি করে নিজের নামে চালিয়ে দেওয়া বা প্রকাশ করা।
- স্নিফিং- গোপনে ব্যবহারকারীর চোখ এড়িয়ে কম্পিউটার বা নেটওয়ার্ক সিস্টেমে প্রবেশ করে নিজের আওতায় আনা।
- স্পুফিং- ভুল তথ্য দিয়ে নেটওয়ার্ককে বিভ্রান্ত করা।
- ই-মেইল বম্বিং (বিশাল ই-মেইল পাঠানোর মাধ্যমে সিস্টেম ক্র্যাশ করা)।
- Data diddling (কম্পিউটার প্রসেসিং এর পূর্বে কোন ডেটাকে কম্পিউটার থেকে সরিয়ে ফেলা এবং প্রসেসিং সম্পন্ন হবার পর পুনরায় সে ডেটাকে কম্পিউটারে স্থাপন করা। )
- Salami Attack (অবৈধ আর্থিক বিনিময় কিংবা আর্থিক ক্ষতি সাধন। )
- Denial of Service Attack (বেশি পরিমাণে রিকোয়েস্ট পাঠিয়ে সিস্টেম ক্র্যাশ করা)।
- ভাইরাস/ওয়ার্ম আক্রমণ।
- স্প্যামিং (Spamming): অনাকাঙ্ক্ষিত ও অবাঞ্ছিত ই-মেইল কিংবা মেসেজ পাঠানোকে স্প্যামিং বলে। এই কাজ যারা করে তাদেরকে স্প্যামার বলা হয়।
- লজিক বম্ব (ইভেন্ট নির্ভর প্রোগ্রামের মাধ্যমে সিস্টেমে এ্যাটাক করা)।
- ট্রোজান এ্যাটাক (পরোক্ষভাবে কারো সিস্টেমে প্রবেশ করে সিস্টেমের কন্ট্রোল গ্রহণ করা।
- ইন্টারনেটের ব্যবহার্য সময় বা ইউনিট চুরি।
- ওয়েব সাইট হ্যাক করে তথ্য পরিবর্তন করা।

উৎস:
- কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি-২, ভোকেশনাল।
- তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।

৩৫.
ফিনটেক (FinTech) কোন ক্ষেত্রে কম্পিউটার ও প্রযুক্তির ব্যবহার নির্দেশ করে?
  1. কৃষি
  2. চিকিৎসা
  3. আর্থিক পরিষেবা
  4. পর্যটন
সঠিক উত্তর:
আর্থিক পরিষেবা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আর্থিক পরিষেবা
ব্যাখ্যা

- ফিনটেক (FinTech) হলো Financial Technology-এর সংক্ষিপ্ত রূপ, যা আর্থিক পরিষেবা (financial services) খাতে কম্পিউটার ও প্রযুক্তির ব্যবহারকে নির্দেশ করে।

• ফিনটেক (FinTech):
- আর্থিক (ফাইন্যান্সিয়াল) খাতে প্রযুক্তির (টেকনোলজি) ব্যবহারকে সংক্ষেপে ফিনটেক বলে।
- ফাইন্যান্সিয়াল স্ট্যাবিলিটি বোর্ডের (এফএসবি) মতে, ফিনটেক হলো প্রযুক্তিগতভাবে সক্ষম আর্থিক উদ্ভাবন। যেমন নতুন ব্যবসায়িক মডেল, মডেলের প্রয়োগ, প্রসেসিং, পণ্য উৎপাদন ও সরবরাহ ব্যবস্থা ইত্যাদি, যা আর্থিক পরিষেবা খাতকে বিশেষভাবে প্রভাবিত করে।
- ফিনটেক এরই মধ্যে পি-টু-পি, চেক জমা, অর্থের লেনদেন, বিল পরিশোধ, সম্পদ ব্যবস্থাপনা, ক্রাউড ফান্ডিং ইত্যাদি কর্মকাণ্ডে ব্যাপক সাড়া পেয়েছে।

• ফিনটেকের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হচ্ছে:
- ডিজিটাল ব্যাংকিং,
- মোবাইল পেমেন্ট (যেমন: bKash, Nagad),
- ব্লকচেইন ও ক্রিপ্টোকারেন্সি (যেমন: Bitcoin),
- অনলাইন লেনদেন ও ইনভেস্টমেন্ট প্ল্যাটফর্ম,
- ইন্সুরেন্স টেকনোলজি (InsurTech).

উৎস: IBM. [লিংক]।

৩৬.
RDBMS-এর প্রধান বৈশিষ্ট্য কোনটি?
  1. ডেটা ফ্ল্যাট টেক্সট ফাইলে রাখে
  2. ট্রানজেকশন সমর্থন করে না
  3.  ডেটা XML ফাইলের মধ্যে রাখে
  4. ডেটা টেবিল ব্যবহার করে সংরক্ষণ করে
সঠিক উত্তর:
ডেটা টেবিল ব্যবহার করে সংরক্ষণ করে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ডেটা টেবিল ব্যবহার করে সংরক্ষণ করে
ব্যাখ্যা

- RDBMS বা Relational Database Management System-এর প্রধান বৈশিষ্ট্য হলো ডেটা টেবিল আকারে সংরক্ষণ করা।
- প্রতিটি টেবিলে সারি (Row) ও কলাম (Column) থাকে, যেখানে সারি দ্বারা রেকর্ড এবং কলাম দ্বারা অ্যাট্রিবিউট প্রকাশ করা হয়।
- এর মাধ্যমে ডেটাকে সহজে সংগঠিত, অনুসন্ধান ও হালনাগাদ করা যায়৷ এছাড়া টেবিলগুলোর মধ্যে সম্পর্ক (Relation) স্থাপন করা যায়, যা ডেটার পুনরাবৃত্তি কমায় এবং নির্ভুলতা বজায় রাখে।
- SQL (Structured Query Language) ব্যবহার করে এই ডেটার উপর বিভিন্ন অপারেশন চালানো যায়। 

• রিলেশনাল ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম (RDBMS):
- একাধিক টেবিলের সম্পর্কযুক্ত ডাটার সমষ্টিকেই রিলেশনাল ডাটাবেজ বলা হয় ।
- RDBMS হলো এমন একটি ডাটাবেজ সিস্টেম যেখানে একাধিক টেবিল থাকে।
- এই টেবিলগুলোর মধ্যে নির্দিষ্ট ফিল্ডের মাধ্যমে সম্পর্ক (Relation) তৈরি করা হয়।
- আধুনিক সময়ের প্রায় সব ডাটাবেজ সফটওয়্যারই RDBMS ভিত্তিক।

• জনপ্রিয় RDBMS সফটওয়্যারসমূহ:
- Microsoft Access,
- Oracle,
- MySQL,
- Informix.

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় ।

৩৭.
নীট জাতীয় উৎপাদন (NNP) কীভাবে পাওয়া যায়?
  1. মোট জাতীয় উৎপাদন + মূলধনের অবচয়
  2. মোট জাতীয় উৎপাদন – মূলধনের অবচয়জনিত ব্যয়
  3. মোট দেশজ উৎপাদন – কর
  4. মোট দেশজ উৎপাদন + মূলধনের অবচয়
সঠিক উত্তর:
মোট জাতীয় উৎপাদন – মূলধনের অবচয়জনিত ব্যয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মোট জাতীয় উৎপাদন – মূলধনের অবচয়জনিত ব্যয়
ব্যাখ্যা

NNP:
- NNP এর পূর্ণরূপ Net National Product.
- মোট জাতীয় উৎপাদন থেকে মূলধনের অবচয়জনিত ব্যয় বাদ দিলে পাওয়া যায় নীট জাতীয় উৎপাদন।
- মোট জাতীয় উৎপাদন করতে সারা বছর ধরে বিভিন্ন যন্ত্রপাতি ব্যবহার করতে হয়।
- ফলে যন্ত্রপাতির অবচয়জনিত কারণে প্রকৃত মূল্য হ্রাস পেতে থাকে।
- দেশের উৎপাদন ক্ষমতা বজায় রাখতে হলে মোট জাতীয় উৎপাদনের কিছু অংশ মূলধনের ক্ষয়ক্ষতি পুরণের জন্য কর্তন করতে হয়।
- একে মূলধনের অবচয়জনিত ব্যয় বলে।
- নীট জাতীয় উৎপাদন মোট জাতীয় উৎপাদন মূলধনের অবচয়জনিত ব্যয়।

তথ্যসূত্র - অর্থনীতি, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৩৮.
জিডিপি বা মোট দেশজ উৎপাদন গণনায় নিচের কোনটি পরিমাপ করা হয়?
  1. শুধু দেশীয় নাগরিকদের আয়
  2. চূড়ান্ত দ্রব্য ও সেবার মূল্য
  3. প্রাথমিক দ্রব্য ও সেবার মূল্য
  4. সরকারি ও বেসরকারি মোট আয়
সঠিক উত্তর:
চূড়ান্ত দ্রব্য ও সেবার মূল্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চূড়ান্ত দ্রব্য ও সেবার মূল্য
ব্যাখ্যা

মোট দেশজ উৎপাদন:
- একটি নির্দিষ্ট সময়ে সাধারণত এক বছরে একটি দেশের ভৌগোলিক সীমানার মধ্যে মোট যে পরিমাণ চূড়ান্ত দ্রব্য ও সেবা উৎপাদিত হয়, তার বাজার দামের সমষ্টিকে মোট দেশজ উৎপাদন বা GDP বলে।
- মোট দেশজ উৎপাদনে দেশের অভ্যন্তরীণ আয় এবং দেশের অভ্যন্তরে বিদেশিদের আয় অন্তর্ভুক্ত (includes) হয় এবং দেশীয় নাগরিক যারা প্রবাসে, তাদের প্রেরিত অর্থ ধরা হয় না।
- কোনো নির্দিষ্ট সময়ে দেশের অভ্যন্তরে উৎপাদিত দ্রব্য ও সেবার বাজার মূল্য এবং উক্ত দেশে অবস্থানরত বিদেশিদের উপার্জিত আয় এর সমষ্টি (includes) থেকে বিদেশে অবস্থানকারী দেশীয় নাগরিক কর্তৃক বিদেশ হতে প্রেরিত অর্থ বাদ (excludes) দেয়ার পর অবশিষ্ট আর্থিক মূল্যকে মোট দেশজ উৎপাদন বলে।
- অর্থাৎ GDP = মোট জাতীয় উৎপাদন (GNP)+ উক্ত দেশে অবস্থানকারী বিদেশিদের অর্জিত আয় বিদেশে অবস্থানকারী দেশীয় নাগরিকদের আয়।

তথ্যসূত্র - অর্থনীতি, নবম-দশম শ্রেণি, বোর্ড বই ও বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৩৯.
দেশের অভ্যন্তরে উৎপাদিত ও ব্যবহৃত দ্রব্যের উপর কোন কর ধার্য করা হয়?
  1. আমদানি শুল্ক
  2. রপ্তানি শুল্ক
  3. আয়কর
  4. আবগারি শুল্ক
সঠিক উত্তর:
আবগারি শুল্ক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আবগারি শুল্ক
ব্যাখ্যা

আবগারি শুল্ক (Excise Duties):
- দেশের অভ্যন্তরে উৎপাদিত ও ব্যবহৃত দ্রব্যের উপর যে কর ধার্য করা হয়, তাকে আবগারি শুল্ক বলা হয়।
- রাজস্ব সংগ্রহ ছাড়াও বিভিন্ন ক্ষতিকর দ্রব্যের ভোগ হ্রাস করার উদ্দেশ্যেও আবগারি শুল্ক ধার্য করা হয়।
- বাংলাদেশে প্রধানত চা, সিগারেট, চিনি, তামাক, কেরোসিন, ওষুধ, স্পিরিট, দিয়াশলাই প্রভৃতি দ্রব্যের উপর আবগারি শুল্ক ধার্য করা হয়।

তথ্যসূত্র - অর্থনীতি, নবম-দশম শ্রেণি, বোর্ড বই।

৪০.
বাংলাদেশ প্রথম পোশাক রপ্তানি করে কোন দেশে?
  1. জার্মানি
  2. ফ্রান্স
  3. যুক্তরাষ্ট্র
  4. যুক্তরাজ্য
সঠিক উত্তর:
ফ্রান্স
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ফ্রান্স
ব্যাখ্যা

⇒ বাংলাদেশ প্রথম পোশাক রপ্তানি করে ফ্রান্সে।

বাংলাদেশের প্রথম তৈরি পোশাক রপ্তানিকারক:

- বাংলাদেশের সবচেয়ে সফল শিল্প খাত হচ্ছে তৈরি পোশাক।
- বর্তমানে মোট রপ্তানির ৮০ শতাংশের বেশি এই খাতটি থেকেই আসে।
- ১৯৭৮ সালের ২৮ জুলাই রিয়াজউদ্দিন ফরাসি ক্রেতা হল্যান্ডার ফ্রঁসের কাছে দশ হাজার শার্ট রপ্তানি করেন।
- স্বাধীনতার পর রিয়াজউদ্দিন ব্যবসা শুরু করেন, ১৯৭৩ সালে তিনি এর নাম দেন রিয়াজ গার্মেন্টস লিমিটেড এবং স্বাধীন বাংলার প্রথম তৈরি পোশাক কারখানা হিসেবে স্বীকৃতি পান।
- ২৮ জুলাই, ১৯৭৮ সালে রিয়াজউদ্দিন ১০ হাজার রিয়াজ শার্ট ফরাসি ক্রেতা হলান্ডার ফ্রঁসের কাছে রপ্তানী করেন।
- শার্টের ওই চালানের ফরাসী মুদ্রায় দাম ছিল ১৩ মিলিয়ন ফ্রা, বাংলাদেশী টাকায় যা ছিল ৪ লাখ ২৭হাজার টাকা।
- সেটিই ছিল বাংলাদেশ থেকে প্রথম পোশাক রপ্তানি।
- ১৯৯৮ সালে গাজীপুরের বোর্ডবাজারে তৈরি হয় পাঁচ হাজার শার্ট তৈরির ক্ষমতাসম্পন্ন রিয়াজ এক্সপোর্ট অ্যাপারেল।

তথ্যসূত্র - দৈনিক প্রথম আলো ও বিজনেস স্ট্যান্ডার্ড।

৪১.
কাবিখা কর্মসূচি কোন ধরনের কর্মসূচির অন্তর্ভুক্ত?
  1. শিক্ষা কর্মসূচি
  2. স্বাস্থ্য কর্মসূচি
  3. দারিদ্র্য বিমোচন কর্মসূচি
  4. যুব উন্নয়ন কর্মসূচি
সঠিক উত্তর:
দারিদ্র্য বিমোচন কর্মসূচি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দারিদ্র্য বিমোচন কর্মসূচি
ব্যাখ্যা

কাবিখা:
- 'কাবিখা' বা 'কাজের বিনিময়ে খাদ্য' দারিদ্র বিমোচন কর্মসূচীর অন্তর্ভুক্ত।
- ১৯৭৪ সালে দেশব্যাপী চরম খাদ্যাভাব দেখা দিলে বিশেষ করে খাদ্যশস্যের উচ্চমূল্য এবং গ্রামীণ এলাকায় বেকারত্বের কারণে বৃহত্তর রংপুর জেলার মানুষ অনাহারের সম্মুখীন হলে সরকার 'ফুড ফর ওয়ার্ক' বা কাজের বিনিময়ে খাদ্য কর্মসূচি চালু করে।

⇒ কাজের বিনিময়ে খাদ্য কর্মসূচি (কাবিখা) কর্মসূচীর উদ্দেশ্য ও লক্ষ্য:
- প্রাকৃতিক দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্থ গ্রামীন অবকাঠামো নির্মাণ/পুননির্মাণ।
- স্বাভাবিক অবস্থায় গ্রামীন অবকাঠামো উন্নয়নের জন্য এই কর্মসূচীর আওতায় বিভিন্ন ধরনের প্রকল্প বাস্তবায়ন।
- গ্রামীণ এলাকায় কর্মসংস্থান সৃষ্টি।
- গ্রামীণ দরিদ্র জনগনের আয় বৃদ্ধি।
- দেশের সর্বত্র খাদ্য সরবরাহের ভারসাম্য আণয়ন এবং
- দারিদ্র বিমোচনে ইতিবাচক প্রভাব সৃষ্টি।

তথ্যসূত্র - সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচি ওয়েবসাইট ও জাতীয় তথ্য বাতায়ন।

৪২.
বাংলাদেশ ডেল্টা প্ল্যান ২১০০ প্রণয়ন ও বাস্তবায়নে কোন দেশ সহযোগিতা করছে?
  1. নেদারল্যান্ডস
  2. জাপান
  3. ভারত
  4. যুক্তরাষ্ট্র
সঠিক উত্তর:
নেদারল্যান্ডস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নেদারল্যান্ডস
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশ ডেল্টা প্ল্যান:
- ডেল্টা প্ল্যান ২১০০ বা ব-দ্বীপ পরিকল্পনা দেশের সবচেয়ে বড় উন্নয়ন পরিকল্পনা।
- বাংলাদেশের ডেল্টা প্ল্যান ১০০ বছরের জন্য প্রণয়ন করা হয়েছে।
- এই পরিকল্পনা প্রণয়নে ও বাস্তবায়নে নেদারল্যান্ডস সরকার বাংলাদেশকে সহায়তা করছে।
- ২০১৮ সালের ৪ সেপ্টেম্বর জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদে এই পরিকল্পনা অনুমোদন দেওয়া হয়।

উল্লেখ্য,
- ডেল্টা প্ল্যানে ছয়টি লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে: বন্যা, নদী ভাঙন, নদী ব্যবস্থাপনা, নগর ও গ্রামে পনি সরবরাহ, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা, বন্য নিয়ন্ত্রণ ও নিষ্কাশন।
- ধাপে ধাপে বাস্তবায়নযোগ্য এই মহাপরিকল্পনার প্রথম ধাপে অর্থাৎ ২০৩০ সাল নাগাদ বাস্তবায়নের জন্য গ্রহণ করা হয়েছে ৮০টি প্রকল্প।

⇒ ব-দ্বীপ পরিকল্পনা ২১০০ তে দেশের আটটি হাইড্রোলজিক্যাল অঞ্চলকে ভিত্তি হিসেবে ব্যবহার করে প্রতিটি অঞ্চলের প্রাকৃতিক দুর্যোগজনিত ঝুঁকির মাত্রার উপর গুরুত্ব প্রদান করা হয়েছে।
- একই ধরণের প্রাকৃতিক দুর্যোগজনিত ঝুঁকির সম্মুখীন জেলাসমূহকে একেকটি গ্রুপের আওতায় আনা হয়েছে যাকে "হটস্পট" (পানি ও জলবায়ু উদ্ভূত প্রায় অভিন্ন সমস্যাবহুল অঞ্চল) হিসেবে অভিহিত করা হয়েছে।

⇒ দুর্যোগ ঝুঁকিপ্রবণ ৬টি হটস্পট:
১. উপকূলীয় অঞ্চল: সাইক্লোনপ্রবণ অঞ্চল- ১৩ টি উপকূলীয় ও ৬ টি নদী বাহিত জেলা।
২. বরেন্দ্র ও খরাপ্রবণ অঞ্চল: খরা (মূলত কৃষি)।
৩. হাওর এবং আকস্মিক বন্যাপ্রবণ অঞ্চল: ৭ টি জেলা।
৪. পার্বত্য চট্টগ্রাম অঞ্চল: পাহাড় ধস ও আকস্মিক বন্যাপ্রবণ অঞ্চল।
৫. নদী অঞ্চল এবং মোহনা: বন্যাপ্রবণ অঞ্চল।
৬. নগরাঞ্চল: ভূমিকম্প, জলাবদ্ধতা ইত্যাদি।

তথ্যসূত্র - পরিকল্পনা কমিশন ওয়েবসাইট।

৪৩.
বাংলাদেশে ক্ষুদ্র ঋণের জনক কে?
  1. ফজলে হাসান আবেদ
  2. ড. মুহাম্মদ ইউনুস
  3. ড. আখতার হামিদ খান
  4. স্যার ফজলে হোসেন
সঠিক উত্তর:
ড. মুহাম্মদ ইউনুস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ড. মুহাম্মদ ইউনুস
ব্যাখ্যা

ক্ষুদ্র ঋণ:
- বাংলাদেশের ক্ষুদ্র ঋণের জনক ড. মুহাম্মদ ইউনুস।

⇒ বহু পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর মুহাম্মদ ইউনুসের প্রতিষ্ঠিত গ্রামীণ ব্যাংক বিশেষ আইনবলে যাত্রা শুরু করে ১৯৮৩ সালে।
- এ গ্রামীণ ব্যাংকের মাধ্যমে বহুমাত্রিক সামাজিক ও অর্থনৈতিক বিপ্লবের সূচনা হয়।
- এ জন্য ২০০৬ সালে গ্রামীণ ব্যাংকের সঙ্গে যৌথভাবে শান্তিতে নোবেল পুরস্কারও পান ড. মুহাম্মদ ইউনুস।

উল্লেখ্য,
- ক্ষুদ্রঋণের মূল ধারণাটি হচ্ছে, দরিদ্র ব্যক্তিদের কিছু টাকা ঋণ দেওয়া।
- সেই টাকায় তাঁরা ছোট আকারে ব্যবসা শুরু করবেন। ব্যবসার মুনাফা থেকে ঋণের টাকা ফেরত দেবেন প্রতিষ্ঠানকে।
- প্রতিষ্ঠান আবার ওই টাকা ঋণ দেবে অন্য কাউকে।
- এভাবেই বিষয়টি দারিদ্র্য বিমোচনে ভূমিকা রাখবে।

তথ্যসূত্র - প্রথম আলো ও বিবিসি বাংলা পতিকার রিপোর্ট।

৪৪.
জাতীয় বাজেট ২০২৫-২৬ অনুযায়ী, জিডিপি প্রবৃদ্ধির হার কত?
  1. ৪.৮%
  2. ৫.৫%
  3. ৬.১%
  4. ৭.৩%
সঠিক উত্তর:
৫.৫%
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫.৫%
ব্যাখ্যা

জাতীয় বাজেট ২০২৫-২৬:
- বাজেটের ক্রম: ৫৪তম (অন্তবর্তীকালীনসহ ৫৫তম)।
- বাজেটের শিরোনাম: 'বৈষম্যহীন ও টেকসই অর্থনৈতিক ব্যবস্থা গড়ার প্রত্যয়'।
- বাজেট উত্থাপনকারী: ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ (অর্থ উপদেষ্টা)।
- বাজেট উত্থাপন: ২ জুন, ২০২৫।
- অনুমোদন হয় : ২২ জুন, ২০২৫।
- কার্যকর হয়: ১ জুলাই, ২০২৫।
- জিডিপির আকার: ৬২ লাখ ৪৪ হাজার ৫৭৮ কোটি টাকা।
- জিডিপি প্রবৃদ্ধির হার: ৫.৫%।
- বাজেটের আকার: ৭ লাখ ৯০ হাজার কোটি টাকা।
- অনুদান ব্যতিত বাজেট ঘাটতি: ২ লাখ ২৬ হাজার কোটি টাকা।
- অনুদান সহ বাজেট ঘাটতি: ২,২১,০০০ কোটি টাকা।
- সর্বোচ্চ বরাদ্দ প্রাপ্ত খাত (পরিচালন ও উন্নয়ন বাজেট): জনপ্রশাসন।
- উন্নয়ন বাজেটে সর্বোচ্চ বরাদ্দপ্রাপ্ত খাত: পরিবহন ও যোগাযোগ।
- অনুন্নয়ন (পরিচালন) বাজেটে সর্বোচ্চ বরাদ্দ প্রাপ্ত খাত: সুদ।
- মাথাপিছু আয়: ২,৮২০ মার্কিন ডলার।
- বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচী (ADP): ২ লাখ ৩০ হাজার কোটি টাকা (জিডিপির ৩.৭%)।
- উন্নয়ন বাজেটে বরাদ্দের পরিমাণ: ২,৪৫,৬০৯ কোটি টাকা।
- অনুমিত মুদ্রাস্ফীতির হার: ৬.৫%।

তথ্যসূত্র - জাতীয় বাজেট ২০২৫-২৬।

৪৫.
পল্লী দারিদ্র্য বিমোচন ফাউন্ডেশন প্রতিষ্ঠিত হয় কত সালে?
  1. ১৯৯৬ সালে
  2. ১৯৯৭ সালে
  3. ১৯৯৮ সালে
  4. ১৯৯৯ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৯৯ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৯৯ সালে
ব্যাখ্যা

পল্লী দারিদ্র্য বিমোচন ফাউন্ডেশন:
- জাতীয় সংসদে গৃহীত আইনের মাধ্যমে 'পল্লী দারিদ্র্য বিমোচন ফাউন্ডেশন (পিডিবিএফ)' প্রতিষ্ঠিত হয়।
- প্রতিষ্ঠা করা হয়: ১৯৯৯ সালে।
- পিডিবিএফ একটি সংবিদিবদ্ধ, স্ব-শাসিত, অমুনাফাকাঙ্ক্ষী, আত্মনির্ভরশীল, নন-ব্যাংকিং আর্থিক প্রতিষ্ঠান।
- পিডিবিএফ ক্ষুদ্র ঋণ এর পাশাপাশি ক্ষুদ্র উদ্যোক্তা ঋণ (SELP) পরিচালনা করে যাতে করে গ্রামীন বঞ্চিত মানুষের আর্থসামাজিক অবস্থার উন্নতি হয়।

তথ্যসূত্র - পল্লী দারিদ্র্য বিমোচন ফাউন্ডেশন ওয়েবসাইট।

৪৬.
কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৪ অনুযায়ী, আমন ধান উৎপাদনে শীর্ষ জেলা কোনটি?
  1. কুমিল্লা
  2. দিনাজপুর
  3. রংপুর
  4. ময়মনসিংহ
সঠিক উত্তর:
দিনাজপুর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দিনাজপুর
ব্যাখ্যা

ধান উৎপাদন:
- বাংলাদেশের প্রায় ৮০-৮৫ ভাগ জমিতে ধান চাষ করা হয়।
- কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ - ২০২৪ অনুসারে ময়মনসিংহ জেলায় সবচেয়ে বেশি ধান উৎপন্ন হয়।
- বিভাগ অনুসারে রংপুর বিভাগে সবচেয়ে বেশি ধান উৎপন্ন হয়।
- আউশ ধান উৎপাদনে শীর্ষে কুমিল্লা জেলা।
- আমন ধান উৎপাদনে শীর্ষে দিনাজপুর জেলা।
- বোরো ধান উৎপাদনে শীর্ষে ময়মনসিংহ জেলা।

তথ্যসূত্র - কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৪।

৪৭.
সংবিধান রচনার জন্য 'বাংলাদেশ গণপরিষদ আদেশ’ জারি করেন কে?
  1. মাওলানা আব্দুর রশিদ তর্কবাগীশ
  2. আবু সাঈদ চৌধুরী
  3. ড. কামাল হোসেন
  4. মনসুর আলী
সঠিক উত্তর:
আবু সাঈদ চৌধুরী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আবু সাঈদ চৌধুরী
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশের প্রথম গণপরিষদ:
- সংবিধান রচনার জন্য তৎকালীন রাষ্ট্রপতি আবু সাঈদ চৌধুরী ১৯৭২ সালের ২৩ মার্চ 'বাংলাদেশ গণপরিষদ আদেশ’ জারি করেন।
- এ আদেশ ১৯৭১ সালের ২৬ মার্চ থেকে কার্যকরী বলে ধরে নেয়া হয়।
- এ আদেশ বলে ১৯৭০ সালের ৭ ডিসেম্বর থেকে ১৯৭১ সালের ১ মার্চ পর্যন্ত জাতীয় ও প্রাদেশিক পরিষদে বাংলাদেশ থেকে নির্বাচিত প্রতিনিধিদের নিয়ে গণপরিষদ গঠন করা হয়।
- আইনের দৃষ্টিতে অযোগ্য বলে বিবেচিত এমন ব্যক্তিকে গণপরিষদের সদস্য হতে পারতেন না। 
- গণপরিষদের মোট সদস্য সংখ্যা ছিল ৪০৩ জন।
- বহিস্কৃত ও পাকিস্তানের প্রতি আনুগত্য পোষণকারী সদস্যরা গণপরিষদের সদস্য পদ লাভে অযোগ্য ছিলেন।
- সংবিধান প্রণয়নই ছিল গণপরিষদের একমাত্র লক্ষ্য।
- এই আদেশ জারির মধ্য দিয়ে সংবিধান প্রণয়নের আনুষ্ঠানিক কাজ শুরু হয়।

⇒ ৪০৩ সদস্য বিশিষ্ট গণপরিষদের প্রথম অধিবেশন ১৯৭২ সালের ১০ এপ্রিল ঢাকায় অনুষ্ঠিত হয়।
- গণপরিষদের স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকার মনোনীত না হওয়া পর্যন্ত বঙ্গবন্ধুর প্রস্তাব অনুযায়ী গণপরিষদের প্রবীনতম সদস্য মাওলানা আব্দুর রশিদ তর্কবাগীশ-এর সভাপতিত্বে গণপরিষদের কার্যক্রম শুরু হয়। 

⇒ ১১ এপ্রিল, ১৯৭২ গণপরিষদের অধিবেশনে মনসুর আলী বাংলাদেশের জন্য একটি সংবিধানের খসড়া প্রণয়ন করার উদ্দেশ্যে একটি প্রস্তাব করেন।
- সেই প্রস্তাবে ছিল, 'গণপরিষদের ৩৪ জন সদস্যদের সমন্বয়ে গঠিত খসড়া প্রণয়ন কমিটি- যার সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন ড. কামাল হোসেন'।
- ১৯৭২ সালের ১০ জুনের মধ্যে কমিটি বিল আকারে একটি খসড়া শাসনতন্ত্রসহ রিপোর্ট পেশ করার কথা থাকলেও কমিটির পক্ষে সভাপতি কামাল হোসেন ১২ অক্টোবর ১৯৭২ 'সংবিধান বিল' গণপরিষদে উত্থাপন করেন।

উৎস: i) জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
ii) বাংলাদেশের রাজনৈতিক উন্নয়ন, এসএসএইচএল, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৪৮.
বাংলাদেশের সংবিধানের চতুর্থ অধ্যায়ের আলোচ্য বিষয় কোনটি?
  1. মহা হিসাব-নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রক
  2. বিচার বিভাগ
  3. নির্বাচন
  4. নির্বাহী বিভাগ
সঠিক উত্তর:
নির্বাহী বিভাগ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নির্বাহী বিভাগ
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশের সংবিধান:
- সংবিধানের ভাগ আছে ১১টি।

⇒  সংবিধানের ভাগ:
- প্রথম ভাগ: প্রজাতন্ত্র,
- দ্বিতীয় ভাগ: রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতি,
- তৃতীয় ভাগ: মৌলিক অধিকার,
- চতুর্থ ভাগ: নির্বাহী বিভাগ,
- পঞ্চম ভাগ: আইনসভা,
- ষষ্ঠ ভাগ: বিচারবিভাগ,
- সপ্তম ভাগ: নির্বাচন,
- অষ্টম ভাগ: মহা হিসাব-নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রক,
- নবম-ক ভাগ: জরুরী বিধানাবলী ও নবম ভাগ: বাংলাদেশের কর্মবিভাগ,
- দশম ভাগ: সংবিধান-সংশোধন,
- একাদশ ভাগ: বিবিধ।

উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান।

৪৯.
বাংলাদেশের সংবিধানের প্রথম সংশোধনীর বিষয়বস্তু কী?
  1. জরুরি অবস্থা ঘোষণা 
  2. রাষ্ট্রপতি শাসিত ব্যবস্থা প্রবর্তন
  3. যুদ্ধাপরাধীদের বিচার
  4. মহিলা সদস্যের পদ সংখ্যা বৃদ্ধি
সঠিক উত্তর:
যুদ্ধাপরাধীদের বিচার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যুদ্ধাপরাধীদের বিচার
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশের সংবিধান সংশোধন:
- সংবিধান গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান ১৯৭২ সালের ৪ নভেম্বর গণপরিষদে গৃহীত হয়।
- সংবিধান কার্যকর হয় ১৬ ডিসেম্বর, ১৯৭২ সালে।
- সংবিধান সর্বমোট ১৭বার সংশোধন হয়েছে। 

⇒ প্রথম সংশোধনী: যুদ্ধাপরাধীদের বিচার
- সংবিধানের প্রথম সংশোধনী গৃহীত হয় ১৯৭৩ সালের ১৫ জুলাই ।
- এ সংশোধনীর মাধ্যমে ৪৭ অনুচ্ছেদে দুটি নতুন উপধারা সংযোজন করা হয়।
- এই সংশোধনীর মূল কারণ ছিল যুদ্ধাপরাধের বিচার নিশ্চিত করা।
- বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে গণহত্যাজনিত অপরাধ, মানবতাবিরোধী অপরাধ বা যুদ্ধাপরাধের বিচারের জন্য আইন তৈরি এবং তা কার্যকর করার বিষয় আনা হয় এই সংশোধনীতে। পরে এর আওতায় আন্তর্জাতিক মানবতাবিরোধী অপরাধ আইন করা সম্ভব হয়।  এর দু'দিন পরই রাষ্ট্রপতি তা অনুমোদন করেছিলেন। সংসদে বিলটি এনেছিলেন সে সময় আওয়ামী লীগ সরকারের আইনমন্ত্রী মনোরঞ্জন ধর। সংসদে উপস্থিত সদস্যদের মধ্যে শুধু তিনজন সদস্য ভোট দেয়া থেকে বিরত ছিলেন।

- এ সংশোধনীর মূল কারণ ছিল গণহত্যাজনিত অপরাধ, মানবতাবিরোধী অপরাধ, যুদ্ধাপরাধ ও আন্তর্জাতিক আইনের অধীন অন্যান্য অপরাধের জন্য আইন তৈরি এবং তা কার্যকর করা।

উৎস: i) BBC.
ii) বাংলাদেশের রাজনৈতিক উন্নয়ন, এসএসএইচএল, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৫০.
সংবিধান সংস্কার কমিশনের সুপারিশ অনুযায়ী রাষ্ট্রের মূলনীতির অন্তর্ভুক্ত নয় কোনটি?
  1. সাম্য
  2. মানবিক মর্যাদা
  3. বহুত্ববাদ
  4. ধর্মনিরপেক্ষতা
সঠিক উত্তর:
ধর্মনিরপেক্ষতা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধর্মনিরপেক্ষতা
ব্যাখ্যা

সংবিধান সংস্কার কমিশনের সুপারিশ অনুযায়ী রাষ্ট্রের মূলনীতির অন্তর্ভুক্ত নয় ধর্মনিরপেক্ষতা।

রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতিসমূহ: 
- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের ৮(১) অনুযায়ী রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতি চারটি। যথা: জাতীয়তাবাদ, সমাজতন্ত্র, গণতন্ত্র ও ধর্মনিরপেক্ষতা।
- সংবিধানের ২য় অধ্যায়ের ৮ম - ২৫তম অনুচ্ছেদ পর্যন্ত রাষ্ট্রপরিচালনার মূলনীতিগুলো বর্ণিত হয়েছে।
- এই চারটি মূলনীতিকে রাষ্ট্রের স্তম্ভ বা মৌলিক আদর্শ হিসেবে অভিহিত করা হয়েছে।

• জাতীয়তাবাদ: ভাষাগত ও সংস্কৃতিগত একক সত্তাবিশিষ্ট যে বাঙালী জাতি ঐক্যবদ্ধ ও সংকল্পবদ্ধ সংগ্রাম করে জাতীয় মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব অর্জন করেছেন, সেই বাঙালী জাতির ঐক্য ও সংহতি হবে বাঙালী জাতীয়তাবাদের ভিত্তি,(অনুচ্ছেদ ৯)।
• সমাজতন্ত্র: মানুষের উপর মানুষের শোষণ হতে মুক্ত ন্যায়ানুগ ও সাম্যবাদী সমাজ লাভ নিশ্চিত করার উদ্দেশ্যে সমাজতান্ত্রিক অর্থনৈতিক ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা করা হল রাষ্ট্রের লক্ষ্য, (অনুচ্ছেদ ১০)।
• গণতন্ত্র: প্রজাতন্ত্র হবে একটি গণতন্ত্র, যেখানে মৌলিক মানবাধিকার ও স্বাধীনতার নিশ্চয়তা থাকবে, মানব সত্তার মর্যাদা ও মূল্যের প্রতি শ্রদ্ধাবোধ নিশ্চিত হবে। প্রশাসনের সকল পর্যায়ে নির্বাচিত প্রতিনিধিদের মাধ্যমে জনগণের কার্যকর অংশগ্রহণ নিশ্চিত হবে, (অনুচ্ছেদ ১১)।
• ধর্মনিরপেক্ষতা: ধর্মনিরপেক্ষতার অর্থ হল সকল প্রকার সাম্প্রদায়িকতা অবসান, রাষ্ট্র কর্তৃক কোনো ধর্মকে রাজনৈতিক মর্যাদা না দেওয়া, রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে ধর্মকে ব্যবহার না করা এবং কোনো বিশেষ ধর্ম পালনকারী ব্যক্তির প্রতি বৈষম্যমূলক আচরণ নিপীড়নের অবসান, (অনুচ্ছেদ ১২)।

উল্লেখ্য,
- সম্প্রতি বাংলাদেশের সংবিধান সংস্কার কমিশন বর্তমান সংবিধানে রাষ্ট্রের মূলনীতির পরিবর্তে নতুন মূলনীতি হিসেবে 'সাম্য, মানবিক মর্যাদা, সামাজিক সুবিচার, বহুত্ববাদ এবং গণতন্ত্র'র কথা সুপারিশ করেছে।

উৎস: i) BBC.
ii) পৌরনীতি ও সুশাসন দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৫১.
বাংলাদেশের সংবিধানের ১৪২ নং অনুচ্ছেদের বিষয়বস্তু কী?
  1. সংবিধান সংশোধনের পদ্ধতি
  2. জরুরি অবস্থার ঘোষণা
  3. ক্রান্তিকালীন ও অস্থায়ী বিধানাবলী
  4. আন্তর্জাতিক চুক্তি
সঠিক উত্তর:
সংবিধান সংশোধনের পদ্ধতি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সংবিধান সংশোধনের পদ্ধতি
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশের সংবিধান:
- বাংলাদেশের সংবিধানের ১৪২ নং অনুচ্ছেদের মূল বিষয়বস্তু হলো সংবিধান সংশোধনের পদ্ধতি।
- এই অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, সংবিধান সংশোধন করতে হলে জাতীয় সংসদের মোট সদস্যসংখ্যার কমপক্ষে দুই-তৃতীয়াংশ সদস্যের ভোটের প্রয়োজন হয়। 

⇒ ১৪২ নং অনুচ্ছেদ:
- এই সংবিধানে যা বলা হয়েছে, তা সত্ত্বেও—
(ক) সংসদের আইন দিয়ে এই সংবিধানের যেকোনো অংশ যোগ করা, বদলানো, নতুন করে লেখা বা বাদ দেওয়ার মাধ্যমে সংশোধিত হতে পারবে:
তবে শর্ত আছে যে,
(অ) এমন সংশোধনির জন্য আনা কোনো বিলের পুরো শিরোনামে এই সংবিধানের কোনো অংশ সংশোধন করা হবে বলে স্পষ্টভাবে উল্লেখ না থাকলে সেই বিলটি আলোচনার জন্য গ্রহণ করা যাবে না;
(আ) সংসদের মোট সদস্য সংখ্যার অন্তত দুই-তৃতীয়াংশ ভোটে পাস না হলে এমন কোনো বিল রাষ্ট্রপতির কাছে সম্মতির জন্য পাঠানো যাবে না;
(খ) উপরোক্ত উপায়ে কোনো বিল পাস হয়ে সম্মতির জন্য রাষ্ট্রপতির কাছে পাঠানো হলে, পাঠানোর সাত দিনের মধ্যে তিনি সেই বিলে সম্মতি দিতে হবে, এবং তিনি তা করতে না পারলে সেই সময়ের শেষে তিনি সম্মতি দিয়েছেন বলে গণ্য হবে।]

উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান।

৫২.
সংবিধানের কোন সংশোধনী দ্বারা বাংলাদেশে একজন নামমাত্র রাষ্ট্রপতি ব্যবস্থা প্রবর্তন করা হয়?
  1. একাদশ সংশোধনী
  2. দ্বাদশ সংশোধনী
  3. ত্রয়োদশ সংশোধনী
  4. চতুর্দশ সংশোধনী
সঠিক উত্তর:
দ্বাদশ সংশোধনী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দ্বাদশ সংশোধনী
ব্যাখ্যা

সংবিধানের দ্বাদশ সংশোধনী:
- এই সংশোধনী আইন পাস হয় ১৯৯১ সালের ৬ আগস্ট।
- এ সংশোধনীর মূল প্রতিপাদ্য বিষয় হল রাষ্ট্রপতি শাসিত সরকার ব্যবস্থার পরিবর্তে মন্ত্রিপরিষদ শাসিত সরকার ব্যবস্থা প্রবর্তন।
- ১৯৯১ সালের ৬ই আগস্ট ৩০৭-০ ভোটে এ সংশোধনী বিলটি গৃহীত হয়।

⇒ এ সংশোধনীর প্রধান প্রধান দিক:
(১) সংসদীয় সরকার: দ্বাদশ সংশোধনীর প্রধান দিক হল সংসদীয় সরকার ব্যবস্থা প্রবর্তন। এ সংশোধনীর দ্বারা বাংলাদেশের সরকার পদ্ধতি পরিবর্তন করা হয়। রাষ্ট্রপতি শাসিত সরকার ব্যবস্থার পরিবর্তে সংসদীয় সরকার পদ্ধতি প্রবর্তন করা হয়।
(২) নামমাত্র রাষ্ট্রপতি: এ সংশোধনীর দ্বারা বাংলাদেশে একজন নামমাত্র রাষ্ট্রপতি ব্যবস্থা প্রবর্তন করা হয়। তিনি আইনানুসারে সংসদ সদস্য দ্বারা নির্বাচিত হবেন। তিনি যাবতীয় বিষয় প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে পরামর্শক্রমে কাজ করবেন।
(৩) রাষ্ট্রপতির মেয়াদ: এ সংশোধনীর মাধ্যমে রাষ্ট্রপতির মেয়াদ নির্ধারিত হয়। রাষ্ট্রপতি ৫ বছরের জন্য নির্বাচিত হবেন। একাধিক্রমে তিনি ১০ বছরের বেশি মেয়াদে ক্ষমতায় থাকবেন না।
(৪) উপ-রাষ্ট্রপতির পদ বিলোপ: উপ-রাষ্ট্রপতির পদ বিলোপ দ্বাদ্বশ সংশোধনীর একটি উল্লেখযোগ্য দিক। দ্বাদশ সংশোধনীর দ্বারা উপ-রাষ্ট্রপতির পদটি বিলোপ করা হয়। এ সংশোধনীতে বলা হয়, কোন কারণে রাষ্ট্রপতির পদ শূন্য হলে জাতীয় সংসদের স্পীকার অস্থায়ীভাবে রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করবেন।
(৫) মন্ত্রিসভা গঠন: মন্ত্রিসভা গঠন পদ্ধতি সংবিধানের দ্বাদশ সংশোধনীর একটি বিশেষ দিক। এ সংশোধনীতে বলা হয় বাংলাদেশ সরকার ব্যবস্থায় একটি মন্ত্রিসভা থাকবে। রাষ্ট্রপতি সংখ্যাগরিষ্ঠ দলের আস্থাভাজন ব্যক্তিকে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে নিযুক্ত করবেন। তিনি হবেন এ মন্ত্রিসভার নেতা।
(৬) গণভোট পদ্ধতি: এ সংশোধনীতে গণভোট পদ্ধতির কথা বলা হয়। দ্বাদশ সংশোধনী দ্বারা কেবল প্রস্তাবনা, সংবিধানের প্রস্তাবনা, অনুচ্ছেদ ৮, ৪৮, ৫৬ ও ১৪২ সংক্রান্ত কোন সংশোধনী বিল গণভোট আকারে পেশ করার বিধান রাখা হয়।

উৎস: i) BBC.
ii) বাংলাদেশের রাজনৈতিক উন্নয়ন, এসএসএইচএল, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৫৩.
সংবিধানের তৃতীয় তফসিল অনুযায়ী প্রতিমন্ত্রী ও উপমন্ত্রী কে শপথ বাক্য পাঠ করান কে?
  1. প্রধান বিচারপতি
  2. প্রধানমন্ত্রী
  3. রাষ্ট্রপতি
  4. স্পীকার
সঠিক উত্তর:
রাষ্ট্রপতি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাষ্ট্রপতি
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশের সংবিধানের তৃতীয় তফসিল: [১৪৮ অনুচ্ছেদ]
- শপথ ও ঘোষণা।

⇒ সংবিধানের তৃতীয় তফসিল অনুসারে:
১। রাষ্ট্রপতি [শপথ বাক্য পাঠ করান স্পীকার]।
২। প্রধানমন্ত্রী এবং অন্যান্য মন্ত্রী, প্রতি-মন্ত্রী ও উপমন্ত্রী [শপথ বাক্য পাঠ করান রাষ্ট্রপতি]।
৩। স্পীকার [শপথ বাক্য পাঠ করান রাষ্ট্রপতি]।
৩। ডেপুটি স্পীকার [শপথ বাক্য পাঠ করান রাষ্ট্রপতি]।
৫। সংসদ সদস্য [শপথ বাক্য পাঠ করান স্পীকার]।
৬। প্রধান বিচারপতি বা বিচারক [শপথ বাক্য পাঠ করান রাষ্ট্রপতি]।
৭। প্রধান নির্বাচন কমিশনার বা নির্বাচন কমিশনার [শপথ বাক্য পাঠ করান প্রধান বিচারপতি]।
৮। মহা হিসাব-নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রক [শপথ বাক্য পাঠ করান প্রধান বিচারপতি।
৯। সরকারী কর্ম কমিশনের সদস্য [শপথ বাক্য পাঠ করান প্রধান বিচারপতি]।

উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান।

৫৪.
সংবিধানের কত নং অনুচ্ছেদ অনুযায়ী প্রজাতন্ত্রের নির্বাহী ক্ষমতা প্রধানমন্ত্রীর কর্তৃত্বে প্রযুক্ত হয়?
  1. ৪৮ নং
  2. ৫৫ নং
  3. ৫৮ নং
  4. ৬২ নং
সঠিক উত্তর:
৫৫ নং
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫৫ নং
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশের সংবিধান:
⇒ সংবিধানের ৫৫ নং অনুচ্ছেদ অনুযায়ী মন্ত্রিসভা -
- ৫৫ (১) প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে বাংলাদেশের একটি মন্ত্রিসভা থাকবে এবং প্রধানমন্ত্রী ও সময়ে সময়ে তিনি যেরূপ স্থির করবে, সেইরূপ অন্যান্য মন্ত্রী নিয়ে এই মন্ত্রিসভা গঠিত হবে।
- ৫৫ (২) প্রধানমন্ত্রী কর্তৃক বা তাঁহার কর্তৃত্বে এই সংবিধান অনুযায়ী প্রজাতন্ত্রের নির্বাহী ক্ষমতা প্রযুক্ত হবে।
- ৫৫ (৩) মন্ত্রিসভা যৌথভাবে সংসদের নিকট দায়ী থাকবেন।
- ৫৫ (৪) সরকারের সকল নির্বাহী ব্যবস্থা রাষ্ট্রপতির নামে গৃহীত হয়েছে বলে প্রকাশ করা হবে।
- ৫৫ (৫) রাষ্ট্রপতির নামে প্রণীত আদেশসমূহ ও অন্যান্য চুক্তিপত্র কিভাবে সত্যায়িত বা প্রমাণীকৃত হবে, রাষ্ট্রপতি তা বিধিসমূহ-দ্বারা নির্ধারণ করবেন এবং অনুরূপভাবে সত্যায়িত বা প্রমাণীকৃত কোন আদেশ বা চুক্তিপত্র যথাযথভাবে প্রণীত বা সম্পাদিত হয় নাই বলে তার বৈধতা সম্পর্কে কোন আদালতে প্রশ্ন উত্থাপন করা যাবে না।
- ৫৫ (৬) রাষ্ট্রপতি সরকারী কার্যাবলী বন্টন ও পরিচালনার জন্য বিধিসমূহ প্রণয়ন করবেন।

এছাড়া,
- ৪৮ নং অনুচ্ছেদ: রাষ্ট্রপতি।
- ৫৮ নং অনুচ্ছেদ: প্রধানমন্ত্রী ব্যতীত অন্যান্য মন্ত্রীগণের পদের মেয়াদ।
- ৬২ নং অনুচ্ছেদ: প্রতিরক্ষা কর্মবিভাগে ভর্তি প্রভৃতি। 

উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান।

৫৫.
সংবিধান অনুযায়ী নিম্নলিখিত কোনটি অর্থবিল হিসেবে গণ্য হবে না?
  1. সরকার কর্তৃক ঋণ গ্রহণ বা গ্যারান্টি প্রদানের বিল
  2. সরকারের হিসাব-নিরীক্ষা সংক্রান্ত বিল
  3. সংযুক্ত তহবিলের উপর দায় আরোপ সংক্রান্ত বিল
  4. স্থানীয় কর্তৃপক্ষ কর্তৃক ফি বা লাইসেন্স-ফি আরোপ সংক্রান্ত বিল
সঠিক উত্তর:
স্থানীয় কর্তৃপক্ষ কর্তৃক ফি বা লাইসেন্স-ফি আরোপ সংক্রান্ত বিল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্থানীয় কর্তৃপক্ষ কর্তৃক ফি বা লাইসেন্স-ফি আরোপ সংক্রান্ত বিল
ব্যাখ্যা

- স্থানীয় কর্তৃপক্ষ কর্তৃক ফি বা লাইসেন্স-ফি আরোপ সংক্রান্ত বিল অর্থবিল হিসেবে গণ্য হবে না। 

অর্থবিল:
- বাংলাদেশের সংবিধানের ৮১ নং অনুচ্ছেদে 'অর্থবিল' নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে।
- সরকার যদি দেশের উন্নয়নের জন্য কোন ঋণ গ্রহণ করেন এবং এই সম্পর্কিত কোন বিল সংসদে উত্থাপন করেন তাহলে সেই বিলকে অর্থবিল বলে। 

⇒ ৮১ (১) এই ভাগে "অর্থবিল" বলতে শুধুমাত্র নিম্নলিখিত বিষয়সমূহের সকল বা যে কোন একটি সম্পর্কিত বিধানাবলী-সংবলিত বিল বুঝবে:
- (ক) কোন কর আরোপ, নিয়ন্ত্রণ, রদবদল, মওকুফ বা রহিতকরণ;
- (খ) সরকার কর্তৃক ঋণগ্রহণ বা কোন গ্যারান্টি দান, কিংবা সরকারের আর্থিক দায়-দায়িত্ব সম্পর্কিত আইন সংশোধন;
- (গ) সংযুক্ত তহবিলের রক্ষণাবেক্ষণ, অনুরূপ তহবিলে অর্থপ্রদান বা অনুরূপ তহবিল হতে অর্থ দান বা নির্দিষ্টকরণ;
- (ঘ) সংযুক্ত তহবিলের উপর দায় আরোপ কিংবা অনুরূপ কোন দায় রদবদল বা বিলোপ;
- (ঙ) সংযুক্ত তহবিল বা প্রজাতন্ত্রের সরকারী হিসাব বাবদ অর্থপ্রাপ্তি, কিংবা অনুরূপ অর্থ রক্ষণাবেক্ষণ বা দান, কিংবা সরকারের হিসাব-নিরীক্ষা;
- (চ) উপরি-উক্ত উপ-দফাসমূহে নির্ধারিত যে কোন বিষয়ের অধীন কোন আনুষঙ্গিক বিষয়।

⇒ ৮১ (২) কোন জরিমানা বা অন্য অর্থদণ্ড আরোপ বা রদবদল, কিংবা লাইসেন্স-ফি বা কোন কার্যের জন্য ফি বা উসুল আরোপ বা প্রদান কিংবা স্থানীয় উদ্দেশ্যসাধনকল্পে কোন স্থানীয় কর্তৃপক্ষ বা প্রতিষ্ঠান কর্তৃক কোন কর আরোপ, নিয়ন্ত্রণ, রদবদল, মওকুফ বা রহিতকরণের বিধান করা হয়েছে, কেবল এই কারণে কোন বিল অর্থবিল বলে গণ্য হবে না।

⇒ ৮১ (৩) রাষ্ট্রপতির সম্মতির জন্য তাঁর নিকট পেশ করিবার সময়ে প্রত্যেক অর্থবিলে স্পীকারের স্বাক্ষরে এই মর্মে একটি সার্টিফিকেটে থাকিবে যে, তা একটি অর্থবিল, এবং অনুরূপ সার্টিফিকেট সকল বিষয়ে চূড়ান্ত হবে এবং সেই সম্পর্কে কোন আদালতে প্রশ্ন উত্থাপন করা যাবে না।

উৎস: i) বাংলাদেশের সংবিধান।
ii) বাংলাপিডিয়া।

৫৬.
সংবিধানের কত নং অনুচ্ছেদ অনুযায়ী 'বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট' প্রতিষ্ঠিত হয়েছে?
  1. ৯৪ নং
  2. ৯৫ নং
  3. ১২২ নং
  4. ১২৩ নং
সঠিক উত্তর:
৯৪ নং
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৯৪ নং
ব্যাখ্যা

সুপ্রিম কোর্ট:
- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানে বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের এখতিয়ার বর্ণিত হয়েছে।
- সংবিধানের ৯৪ (১) অনুচ্ছেদে বর্ণিত হয়েছে যে, আপীল বিভাগ এবং হাইকোর্ট বিভাগ নিয়ে বাংলাদেশের জন্য সুপ্রিম কোর্ট গঠিত হবে।
- সুপ্রিম কোর্টের এই দুই বিভাগের পৃথক এখতিয়ার রয়েছে।
- সংবিধান ও সংবিধানের পাশাপাশি দেশের সাধারণ আইন (সংসদ কর্তৃক পাশকৃত আইন) এই এখতিয়ারের উৎস।
- ১৯৭২ সালের ১৮ ডিসেম্বর বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট প্রতিষ্ঠিত করা হয়।

অন্যদিকে -
- সংবিধানের ৯৫ (১) অনুচ্ছেদে বর্ণিত হয়েছে যে, 'প্রধান বিচারপতি রাষ্ট্রপতি কর্তৃক নিযুক্ত হবেন এবং প্রধান বিচারপতির সাথে পরামর্শ করে রাষ্ট্রপতি অন্যান্য বিচারককে নিয়োগদান করবেন।

উৎস: i) সুপ্রিম কোর্ট ওয়েবসাইট।
ii) বাংলাদেশের সংবিধান।