পরীক্ষা আর্কাইভ

৪৯তম বিসিএস ⎯ প্রাণিবিদ্যা [৫৯১]

পরীক্ষা৪৯তম বিসিএস ⎯ প্রাণিবিদ্যা [৫৯১]তারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়25 minutes
মোট প্রশ্ন৫০
সিলেবাস
Exam - 10 Topics: (Genetics and Evolution) Mendelian ratios and there modifications Linkages and crossing overs Multiple alleles Blood groups Epistasis Gene interactions Genetic engineering Steps in preparing insulin from genetically engineered E.coli. Evidences of evolution Speciation Allopatric and sympatric evolution [Source: Class - 08 and Relevant Books]
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

৪৯তম বিসিএস ⎯ প্রাণিবিদ্যা [৫৯১]

৪৯তম বিসিএস ⎯ প্রাণিবিদ্যা [৫৯১] · তারিখ অনির্ধারিত · ৫০ প্রশ্ন

.
বংশগতিবিদ্যার জনক কে? 
  1. নিউটন 
  2. অ্যাডাম স্মিথ 
  3. মেন্ডেল 
  4. ডারঊইন 
সঠিক উত্তর:
মেন্ডেল 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মেন্ডেল 
ব্যাখ্যা

বংশগতিবিদ্যার জনক হলেন গ্রেগর জোহান  মেন্ডেল। তিনি তার মটরশুঁটি উদ্ভিদের গবেষণার মাধ্যমে বংশগতির মৌলিক সূত্রগুলি আবিষ্কার করেন, যা এই বিজ্ঞানের ভিত্তি স্থাপন করে।  
গ্রেগর ইয়োহান মেন্ডেল সম্পর্কে কিছু তথ্য:
তিনি একজন অস্ট্রিয়ার ধর্মযাজক, জীববিজ্ঞানী, গণিতজ্ঞ এবং আবহাওয়াবিদ ছিলেন।  
তিনি তার গির্জার বাগানে বিভিন্ন প্রকার মটরশুঁটি গাছ নিয়ে গবেষণা করেন এবং বংশগতির দুটি গুরুত্বপূর্ণ সূত্র প্রকাশ করেন।  
তার আবিষ্কারগুলো 'মেন্ডেলিয়ানের উত্তরাধিকার সূত্র' (Mendelian inheritance) নামে পরিচিত, যা আধুনিক বংশগতিবিদ্যা বা জেনেটিক্সের ভিত্তি।  
তিনিই প্রথম বংশগতির একককে 'ফ্যাক্টর' (factor) হিসেবে উল্লেখ করেন, যা বর্তমানে 'জিন' (gene) নামে পরিচিত। 

.
হোমোলোগাস  ক্রোমোজোমের একটি লোকাসে জিনের একত্রে থাকাকে কি বলে?
  1. জিনোম 
  2. অ্যালিলোমররফ
  3. ফিনোটাইপ
  4. জিনোটাইপ
সঠিক উত্তর:
অ্যালিলোমররফ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অ্যালিলোমররফ
ব্যাখ্যা

জিনতত্ত্বে ব্যবহৃত কতকগুলো শব্দের ব্যাখ্যা

জিনতত্ত্ব সহজভাবে বুঝতে হলে নিম্নোক্ত শব্দগুলো সম্বন্ধে স্বচ্ছ ধারণা থাকতে হবে।

১. ফ্যাক্টর (Factor) বা জিন (Gene)। জীবের বৈশিষ্ট্য নিয়ন্ত্রণের একককে জিন বলে। অর্থাৎ জিন হচ্ছে বংশগতির ধারক ও বাহক। মূলত ক্রোমোজোমে অবস্থিত যে কোনো কার্যকর একক যাতে রিকম্বিনেশন সম্ভব এবং যা মিউটেশনে অংশ নিতে পারে তা-ই জিন। আধুনিক ধারণা মতে, DNA-র যে বিশেষ বিশেষ অংশ তথ্য বেস-অনুক্রম কমপক্ষে একটি পলিপেপটাইড উৎপাদনের কোড বা সংকেত ধারণ করে, তাকে জিন বলে।

২. লোকাস (Locus) ক্রোমোজোমে জিনের নির্দিষ্ট স্থান-এর নাম লোকাস। একটি নির্দিষ্ট জিনের অ্যালিলগুলো সমসংস্থ ক্রোমোজোমের একই লোকাসে অবস্থান করে।

৩. অ্যালিল বা অ্যালিলোমরফ (Allele or Allelomorph): সমসংস্থ (homologous) ক্রোমোজোম জোড়ের নির্দিষ্ট লোকাসে অবস্থানকারী নির্দিষ্ট জিন-জোড়ার একটিকে অপরটির অ্যালিল বলে। অ্যালিলদুটি একই ধর্মী (যেমন- TT) অথবা একে অপরের বিপরীত ধর্মী (যেমন-Tt) হতে পারে। যখন দুটি বিপরীতধর্মী অ্যালিল থাকে তখন একটিকে প্রকট অ্যালিল (অর্থাৎ 1), অন্যটিকে প্রচ্ছন্ন অ্যালিল (1) বলে।

৪. হোমোজাইগাস (Homozygous) কোনো জীবে একটি নির্দিষ্ট বৈশিষ্ট্য নিয়ন্ত্রণকারী অ্যালিলদুটি সমপ্রকৃতির হলে, তাকে হোমোজাইগাস বলে। যেমন- BB = কালো পশম, bb = বাদামী পশম ইত্যাদি।

৫. হেটারোজাইগাস (Heterozygous) কোনো জীবে একটি নির্দিষ্ট বৈশিষ্ট্য নিয়ন্ত্রণকারী অ্যালিলদুটি অসমপ্রকৃতির হলে, তাকে হেটারোজাইগাস জীব বলে। যেমন। এবং। অর্থাৎ TI-ধারী জীবটি লম্বা হলেও তা হেটারোজাইগাস।

৬. প্রকট বৈশিষ্ট্য (Dominant character): একজোড়া বিপরীত বৈশিষ্ট্যসম্পন্ন হোমোজাইগাস জীবে (IT এবং (৫) সংকরায়ন ঘটালে F₁ জনুতে সৃষ্ট হেটারোজাইগাস জীবে যে বৈশিষ্ট্য প্রকাশ পায়, তাকে প্রকট বৈশিষ্ট্য বলে। যেমন-F₁ জনুর মটরগাছে লম্বা ও খাটো উভয় ধরনের লক্ষণের জন্যে একটি করে জিন থাকলেও (11) শুধুমাত্র লম্বা বৈশিষ্ট্যই প্রকাশিত হয়। অতএব মটরগাছে লম্বা বৈশিষ্ট্যটি প্রকট।

৭. প্রচ্ছন্ন বৈশিষ্ট্য (Recessive character): হেটারোজাইগাস জীবে দুটি বিপরীতধর্মী বৈশিষ্ট্যের উপাদান একত্রে থাকলেও একটিমাত্র বৈশিষ্ট্য প্রকাশিত হয়, অন্যটি অপ্রকাশিত থাকে। জীবের অপ্রকাশিত বৈশিষ্ট্যকে প্রচ্ছন্ন বৈশিষ্ট্য বলে। যেমন-F₁ জনুর মটরগাছে লম্বা ও খাটো উভয় ধরনের বৈশিষ্ট্যের জন্য একটি করে জিন থাকলেও (11) শুধু লম্বা বৈশিষ্ট্যই প্রকাশিত হয়। অতএব মটরগাছে খাটো বৈশিষ্ট্যটি প্রচ্ছন্ন।

৮. জিনোটাইপ (Genotype): কোনো জীবের লক্ষণ নিয়ন্ত্রণকারী জিন যুগলের গঠনকে জিনোটাইপ বলে। একটি জীবের জিনোটাইপ তার পূর্ব বা উত্তর পুরুষ থেকে জানা যায়। সদৃশ জিনোটাইপধারী জীবেরা যদি একই পরিবেশে বাস করে তাহলে ওদের ফিনোটাইপও সদৃশ হবে। একটি লম্বা গাছের জিনোটাইপ হতে পারে IT বা I। আর খাটো গাছের জিনোটাইপ হবে।।।

৯. ফিনোটাইপ (Phenotype): জিনোটাইপ দিয়ে নিয়ন্ত্রিত জীবের বাহ্যিক লক্ষণকে ফিনোটাইপ বলে। এটি জীবের আকার, আকৃতি, বর্ণ প্রভৃতি প্রকাশ করে। সদৃশ ফিনোটাইপধারী দুটি জীবের জিনোটাইপ একই রকম বা ভিন্ন হতে পারে। যেমন-বিশুদ্ধ লক্ষণযুক্ত লম্বা ও খাটো মটর গাছের মধ্যে পরাগসংযোগ ঘটালে ৮। জনুতে সবগুলো উদ্ভিদই লম্বা আকৃতির হয় যদিও এদের মধ্যে দুধরনের ফ্যাক্টরই (11) থাকে। এখানে ফিনোটাইপ হচ্ছে লম্বা।

১০. প্যারেন্টাল জেনারেশন ও অপত্য বংশ (Parental generation & Filial generation): কোন কসে ব্যবহৃত পিতা-মাতাকে "প্যারেন্টাল জেনারেশন" বা P। এবং উৎপন্ন সন্তান-সন্ততিকে প্রথম অপত্য বংশ বা ৮, জনু বলে। আবার।। সন্তান-সন্ততির মধ্যে ক্রস করলে উৎপন্ন সন্তান-সন্ততিকে দ্বিতীয় অপত্য বংশ বা ৮, জনু বলে।

১১. একসংকর বা মনোহাইব্রিড ক্রস (Monohybrid cross): জীবের একজোড়া বিপরীতধর্মী বৈশিষ্ট্যের উপর দৃষ্টি রেখে যে সংকরায়ন বা ক্রস ঘটানো হয়, তাকে একসংকর ক্রস বা মনোহাইব্রিড ক্রস বলে। যেমন-কালো ও বাদামী বর্ণের গিনিপিগের মধ্যে ক্রস। মনোহাইব্রিড ক্রসে ২য় বংশধরে (৮) জনু) প্রকট ও প্রচ্ছন্ন বৈশিষ্ট্যের অনুপাত সাধারণত ৩:১ হয়। মেন্ডেল তাঁর প্রথম সূত্রটি একসংকর ক্রসের উপর ভিত্তি করেই প্রণয়ন করেছিলেন।

.
জীবের প্রকাশ লক্ষণকে কি বলা হয়? 
  1. এক্সিবিশনিজম 
  2. অ্যালিল 
  3. ফিনোটাইপ 
  4. জিনোটাইপ 
সঠিক উত্তর:
ফিনোটাইপ 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ফিনোটাইপ 
ব্যাখ্যা

জিনতত্ত্বে ব্যবহৃত কতকগুলো শব্দের ব্যাখ্যা

জিনতত্ত্ব সহজভাবে বুঝতে হলে নিম্নোক্ত শব্দগুলো সম্বন্ধে স্বচ্ছ ধারণা থাকতে হবে।

১. ফ্যাক্টর (Factor) বা জিন (Gene)। জীবের বৈশিষ্ট্য নিয়ন্ত্রণের একককে জিন বলে। অর্থাৎ জিন হচ্ছে বংশগতির ধারক ও বাহক। মূলত ক্রোমোজোমে অবস্থিত যে কোনো কার্যকর একক যাতে রিকম্বিনেশন সম্ভব এবং যা মিউটেশনে অংশ নিতে পারে তা-ই জিন। আধুনিক ধারণা মতে, DNA-র যে বিশেষ বিশেষ অংশ তথ্য বেস-অনুক্রম কমপক্ষে একটি পলিপেপটাইড উৎপাদনের কোড বা সংকেত ধারণ করে, তাকে জিন বলে।

২. লোকাস (Locus) ক্রোমোজোমে জিনের নির্দিষ্ট স্থান-এর নাম লোকাস। একটি নির্দিষ্ট জিনের অ্যালিলগুলো সমসংস্থ ক্রোমোজোমের একই লোকাসে অবস্থান করে।

৩. অ্যালিল বা অ্যালিলোমরফ (Allele or Allelomorph): সমসংস্থ (homologous) ক্রোমোজোম জোড়ের নির্দিষ্ট লোকাসে অবস্থানকারী নির্দিষ্ট জিন-জোড়ার একটিকে অপরটির অ্যালিল বলে। অ্যালিলদুটি একই ধর্মী (যেমন-TT) অথবা একে অপরের বিপরীত ধর্মী (যেমন-Tt) হতে পারে। যখন দুটি বিপরীতধর্মী অ্যালিল থাকে তখন একটিকে প্রকট অ্যালিল (অর্থাৎ 1), অন্যটিকে প্রচ্ছন্ন অ্যালিল (1) বলে।

৪. হোমোজাইগাস (Homozygous) কোনো জীবে একটি নির্দিষ্ট বৈশিষ্ট্য নিয়ন্ত্রণকারী অ্যালিলদুটি সমপ্রকৃতির হলে, তাকে হোমোজাইগাস বলে। যেমন-BB= কালো পশম, bb= বাদামী পশম ইত্যাদি।

৫. হেটারোজাইগাস (Heterozygous) কোনো জীবে একটি নির্দিষ্ট বৈশিষ্ট্য নিয়ন্ত্রণকারী অ্যালিলদুটি অসমপ্রকৃতির হলে, তাকে হেটারোজাইগাস জীব বলে। যেমন। এবং। অর্থাৎ TI-ধারী জীবটি লম্বা হলেও তা হেটারোজাইগাস।

৬. প্রকট বৈশিষ্ট্য (Dominant character): একজোড়া বিপরীত বৈশিষ্ট্যসম্পন্ন হোমোজাইগাস জীবে (IT এবং (৫) সংকরায়ন ঘটালে F₁ জনুতে সৃষ্ট হেটারোজাইগাস জীবে যে বৈশিষ্ট্য প্রকাশ পায়, তাকে প্রকট বৈশিষ্ট্য বলে। যেমন-F₁ জনুর মটরগাছে লম্বা ও খাটো উভয় ধরনের লক্ষণের জন্যে একটি করে জিন থাকলেও (11) শুধুমাত্র লম্বা বৈশিষ্ট্যই প্রকাশিত হয়। অতএব মটরগাছে লম্বা বৈশিষ্ট্যটি প্রকট।

৭. প্রচ্ছন্ন বৈশিষ্ট্য (Recessive character): হেটারোজাইগাস জীবে দুটি বিপরীতধর্মী বৈশিষ্ট্যের উপাদান একত্রে থাকলেও একটিমাত্র বৈশিষ্ট্য প্রকাশিত হয়, অন্যটি অপ্রকাশিত থাকে। জীবের অপ্রকাশিত বৈশিষ্ট্যকে প্রচ্ছন্ন বৈশিষ্ট্য বলে। যেমন-F₁ জনুর মটরগাছে লম্বা ও খাটো উভয় ধরনের বৈশিষ্ট্যের জন্য একটি করে জিন থাকলেও (11) শুধু লম্বা বৈশিষ্ট্যই প্রকাশিত হয়। অতএব মটরগাছে খাটো বৈশিষ্ট্যটি প্রচ্ছন্ন।

৮. জিনোটাইপ (Genotype): কোনো জীবের লক্ষণ নিয়ন্ত্রণকারী জিন যুগলের গঠনকে জিনোটাইপ বলে। একটি জীবের জিনোটাইপ তার পূর্ব বা উত্তর পুরুষ থেকে জানা যায়। সদৃশ জিনোটাইপধারী জীবেরা যদি একই পরিবেশে বাস করে তাহলে ওদের ফিনোটাইপও সদৃশ হবে। একটি লম্বা গাছের জিনোটাইপ হতে পারে IT বা I। আর খাটো গাছের জিনোটাইপ হবে।।।

৯. ফিনোটাইপ (Phenotype): জিনোটাইপ দিয়ে নিয়ন্ত্রিত জীবের বাহ্যিক লক্ষণকে ফিনোটাইপ বলে। এটি জীবের আকার, আকৃতি, বর্ণ প্রভৃতি প্রকাশ করে। সদৃশ ফিনোটাইপধারী দুটি জীবের জিনোটাইপ একই রকম বা ভিন্ন হতে পারে। যেমন-বিশুদ্ধ লক্ষণযুক্ত লম্বা ও খাটো মটর গাছের মধ্যে পরাগসংযোগ ঘটালে ৮। জনুতে সবগুলো উদ্ভিদই লম্বা আকৃতির হয় যদিও এদের মধ্যে দুধরনের ফ্যাক্টরই (11) থাকে। এখানে ফিনোটাইপ হচ্ছে লম্বা।

১০. প্যারেন্টাল জেনারেশন ও অপত্য বংশ (Parental generation & Filial generation): কোন কসে ব্যবহৃত পিতা-মাতাকে "প্যারেন্টাল জেনারেশন" বা P। এবং উৎপন্ন সন্তান-সন্ততিকে প্রথম অপত্য বংশ বা ৮, জনু বলে। আবার।। সন্তান-সন্ততির মধ্যে ক্রস করলে উৎপন্ন সন্তান-সন্ততিকে দ্বিতীয় অপত্য বংশ বা ৮, জনু বলে।

১১. একসংকর বা মনোহাইব্রিড ক্রস (Monohybrid cross): জীবের একজোড়া বিপরীতধর্মী বৈশিষ্ট্যের উপর দৃষ্টি রেখে যে সংকরায়ন বা ক্রস ঘটানো হয়, তাকে একসংকর ক্রস বা মনোহাইব্রিড ক্রস বলে। যেমন-কালো ও বাদামী বর্ণের গিনিপিগের মধ্যে ক্রস। মনোহাইব্রিড ক্রসে ২য় বংশধরে (৮) জনু) প্রকট ও প্রচ্ছন্ন বৈশিষ্ট্যের অনুপাত সাধারণত ৩:১ হয়। মেন্ডেল তাঁর প্রথম সূত্রটি একসংকর ক্রসের উপর ভিত্তি করেই প্রণয়ন করেছিলেন।

.
মেন্ডেলের প্রথম সূত্রের নাম কি?
  1. Dihybrid cross 
  2. স্বাধীনভাবে মিলনের সূত্র
  3. জনন কোষ শুদ্ধতার সূত্র
  4. স্বাধীন সঞ্চারণের সূত্র
সঠিক উত্তর:
জনন কোষ শুদ্ধতার সূত্র
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জনন কোষ শুদ্ধতার সূত্র
ব্যাখ্যা

মেন্ডেল-এর সূত্র 

প্রকৃতপক্ষে মেন্ডেল নিজে কোনো মতবাদ বা সূত্র প্রবর্তন করেননি। তিনি তাঁর গবেষণাপত্রে সংকরায়ন সংক্রান্ত পর্যবেক্ষণের তত্ত্বীয় ও পরিসংখ্যানিক ব্যাখ্যা দিয়েছিলেন। পরবর্তীতে কার্ল করেন্স (যিনি ১৯০০ সালে মেন্ডেলের  গবেষণা-ফলাফল প্রকাশ করেছিলেন) মেন্ডেলের আবিষ্কারকে বংশগতির মৌলিক দুটি সূত্র হিসেবে উপস্থাপনের যোগ্য বলে প্রচার করেন। যেহেতু সূত্রদুটি মেন্ডেলের গবেষণার উপর ভিত্তি করে রচিত, তাই সূত্রদুটিকে মেন্ডেল-এর সালা অভিহিত করা হয়। নিচে মেন্ডেল-এর সূত্রদুটি উল্লেখ করা হলো।

১. প্রথম সূত্র: সংকর জীবে বিপরীত বৈশিষ্ট্যের ফ্যাক্টরগুলো (জিনগুলো) মিশ্রিত বা পরিবর্তিত না হয়ে পাশাপাশি অবস্থান করে এবং জননকোষ (গ্যামেট) সৃষ্টির সময় পরস্পর থেকে পৃথক হয়ে ভিন্ন ভিন্ন জনন কোষে প্রবেশ করে।

 

এ সূত্রকে মনোহাইব্রিড ক্রস সূত্র (Law of Monohybrid Cross) বা জননকোষ বিশুদ্ধতার সূত্র (Law of Pa of Gametes) বা পৃথকীকরণ সূত্র (Law of Segregation)-ও বলা হয়।

২. দ্বিতীয় সূত্র : দুই বা ততোধিক জোড়া বিপরীত বৈশিষ্ট্যসম্পন্ন জীবের মধ্যে ক্রস ঘটালে প্রথম সংকর পুরুষে 

(F1) প্রকট বৈশিষ্ট্যগুলোই প্রকাশিত হবে, কিন্তু জননকোষ (গ্যামেট) উৎপাদনকালে বৈশিষ্ট্যগুলো জোড়া ভেঙ্গে  পরস্পর থেকে স্বতন্ত্র বা স্বাধীনভাবে বিন্যস্ত হয়ে ভিন্ন ভিন্ন জননকোষে প্রবেশ করে।

এ সূত্রকে স্বাধীনভাবে মিলনের বা বণ্টনের সূত্র (Law of Independent Assortment)-ও বলা হয়। এ ধরণের ক্রসে নতুন বৈশিষ্ট্যসম্পন্ন জীবের উৎপত্তি হয়।

.
অসম্পুর্ন প্রকটতার  জন্য দায়ী জিনগুলোকে  কি বলে? 
  1. লিথাল জিন 
  2. ইন্টারমিডিয়েট জিন 
  3. পলিজিন 
  4. এপিস্ট্যাটিক জিন 
সঠিক উত্তর:
ইন্টারমিডিয়েট জিন 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইন্টারমিডিয়েট জিন 
ব্যাখ্যা

যেসব জিন হোমোজাইগাস অবস্থায় উপস্থিত থাকলে সংশ্লিষ্ট জীবের   মৃত্যু ঘটে সেসব জিন কে লিথাল জিন বলে । 

যখন একজোড়া বিপরীত বৈশিষ্ট্যসম্পন্ন দুটি জীবে সংকরায়ন ঘটে কিন্তু  প্রথম বংশধরে প্রকট ফিনোটাইপ পূর্ন প্রকাশে ব্যর্থ হয় এবং উভয় বৈশিষ্ট্যের মাঝামাঝি এক  বৈশিষ্ট্যের প্রকাশ ঘটে তখন তাকে অসম্পুর্ন প্রকটতা  বলে। 

বিভিন্ন লোকাসে অবস্থিত নন- অ্যালিলিক জিনের একটি গ্রুপ সম্মিলিত ভাবে কোন জীবের একটি পরিমাণগত   বৈশিষ্ট্য নিয়ন্ত্রণ করলে তখন সেই জিন- গ্রুপকে পলিজিন বলে। 

যে জিনটি অপর জিনের বৈশিষ্ট্য প্রকাশে বাধা দেয় সে জিনকে এপিস্ট্যাটিক জিন বলে। 

.
২:১ এই অনুপাতটি কিসের অনুপাত? 
  1. অসম্পূর্ণ প্রকটতা 
  2. লিথাল জিন
  3. পলি জিন 
  4. এপিস্ট্যাসিস 
সঠিক উত্তর:
লিথাল জিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
লিথাল জিন
ব্যাখ্যা

২:১ অনুপাতটি মেন্ডেলের মারণ জিন বা লিথাল জিন-এর ক্ষেত্রে প্রযোজ্য, যা মেন্ডেলের প্রথম সূত্রের (তিন-প্রকট (৩:১) ফিনোটাইপিক অনুপাত) একটি ব্যতিক্রম। এক্ষেত্রে, হোমোজাইগাস লিথাল জিন সম্পন্ন জীবের মৃত্যু ঘটে, ফলে F2 জনুতে ৩টি ফিনোটাইপের পরিবর্তে ২:১ অনুপাতে কেবল দুটি ফিনোটাইপিক প্রকার পাওয়া যায়।  
অসম্পূর্ণ প্রকটতা ১:২:১ 
পলি জিন ১:৪:৬:৪:১ 
প্রকট এপিস্ট্যাসিস ১৩:৩ 
দ্বৈত প্রছন্ন এপিস্ট্যাসিস ৯:৭ 

.
নিচের কোন বৈশিষ্ট্য পলিজিন দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হয় না ? 
  1. উচ্চতা 
  2. আকৃতি 
  3. ত্বকের বর্ণ 
  4. বুদ্ধিমত্তা 
সঠিক উত্তর:
আকৃতি 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আকৃতি 
ব্যাখ্যা

পলিজিন বা বহুজিন দ্বারা উচ্চতা, ত্বকের রঙ, চোখের রঙ, ওজন, এবং কিছু জটিল রোগ (যেমন হৃদরোগ, আলঝেইমার) নিয়ন্ত্রিত হয়, যেখানে একাধিক জিন সম্মিলিতভাবে একটি একক পরিমাণগত বৈশিষ্ট্যকে প্রভাবিত করে। এই বৈশিষ্ট্যগুলি বিচ্ছিন্ন না হয়ে একটি ধারাবাহিক পরিবর্তন (continuous variation) দেখায়।

.
দ্বৈত প্রচ্ছন্ন এপিস্ট্যাসিস এর উদাহরণ কোনটি?
  1. মূক-বধিরতা
  2. থ্যালাসেমিয়া
  3. রাতকানা
  4. লাল-সবুজ বর্ণান্ধতা
সঠিক উত্তর:
মূক-বধিরতা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মূক-বধিরতা
ব্যাখ্যা

দ্বৈত প্রচ্ছন্ন এপিস্ট্যাসিস (Duplicate Recessive Epistasis) হলো এমন একটি জিনগত প্রক্রিয়া যেখানে দুটি ভিন্ন লোকাসে থাকা দুটি প্রচ্ছন্ন অ্যালিল একে অপরের প্রকট অ্যালিলের বৈশিষ্ট্য প্রকাশে বাধা দেয়।
এই ক্ষেত্রে, যেকোনো একটি জিনের প্রচ্ছন্ন অবস্থা অন্য জিনের প্রকট অবস্থা প্রকাশে বাধা দেয়। এর ফলে F2 জনুতে ফিনোটাইপিক অনুপাত ৯:৭ হয়, যেখানে ৯টি জীবের মধ্যে একটি বা দুটি প্রচ্ছন্ন জিনের উপস্থিতিতে অন্য জিনের প্রকট বৈশিষ্ট্য দেখা যায়, আর ৭টি জীবের মধ্যে দুটি প্রকট জিনের যে কোনো একটির প্রচ্ছন্ন অবস্থা প্রকাশে বাধা দেয়। 

.
পরিপূরক জিন এর ফিনোটাইপিক অনুপাত-
  1. 9:3:3:1
  2. 1:2:1
  3. 13:3
  4. 9: 7
সঠিক উত্তর:
9: 7
উত্তর
সঠিক উত্তর:
9: 7
ব্যাখ্যা

পরিপূরক জিন হলো দুটি বা ততোধিক ভিন্ন জিনের সেট, যা আলাদা ভিন্ন লোকাসে অবস্থান করে কিন্তু একটি নির্দিষ্ট চারিত্রিক বৈশিষ্ট্য প্রকাশ করার জন্য একসাথে মিথস্ক্রিয়া করে বা কাজ করে। অর্থাৎ, একটি নির্দিষ্ট ফেনোটাইপ (বৈশিষ্ট্য) তৈরি করার জন্য দুটি জিনেরই প্রভাবশালী অ্যালিলের উপস্থিতি প্রয়োজন, এবং একটি জিন অন্যটির পরিপূরক হিসেবে কাজ করে। 
পরিপূরক জিনের ক্ষেত্রে সাধারণত 9:7 অনুপাতে বৈশিষ্ট্য প্রকাশ পায়.

১০.
লিঙ্কেজ কী?
  1. একই ক্রোমোজোমে অবস্থিত জিনগুলির একটি গ্রুপ যা প্রায়শই একসাথে উত্তরাধিকার সূত্রে পাওয়া যায়।
  2. ভিন্ন ক্রোমোজোমে অবস্থিত জিন।
  3. ক্রসিং ওভার প্রক্রিয়া।
  4. মিউটেশন। 
সঠিক উত্তর:
একই ক্রোমোজোমে অবস্থিত জিনগুলির একটি গ্রুপ যা প্রায়শই একসাথে উত্তরাধিকার সূত্রে পাওয়া যায়।
উত্তর
সঠিক উত্তর:
একই ক্রোমোজোমে অবস্থিত জিনগুলির একটি গ্রুপ যা প্রায়শই একসাথে উত্তরাধিকার সূত্রে পাওয়া যায়।
ব্যাখ্যা

লিঙ্কেজ (Linkage) বলতে বোঝায় যখন একই ক্রোমোজোমে অবস্থিত দুটি বা ততোধিক জিন এমনভাবে একে অপরের সাথে সংযুক্ত থাকে যে তারা একসাথে বংশগতভাবে সঞ্চারিত হওয়ার প্রবণতা দেখায়, অর্থাৎ তারা একই সংমিশ্রণে একটি প্রজন্ম থেকে অন্য প্রজন্মে স্থানান্তরিত হয়। এই জিনগুলিকে "লিঙ্কড জিন" বলা হয় এবং প্রতিটি ক্রোমোজোম একটি লিঙ্কেজ গ্রুপ তৈরি করে। 

১১.
ক্রসিং ওভার কখন ঘটে?
  1. মিয়োসিসের সময়
  2. মিয়োসিসের প্রোফেজ -I এর প্যাকাইটিন  ধাপে
  3. ইন্টারফেজ সময়
  4. মিয়োসিসের এনাফেজ সময় 
সঠিক উত্তর:
মিয়োসিসের প্রোফেজ -I এর প্যাকাইটিন  ধাপে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মিয়োসিসের প্রোফেজ -I এর প্যাকাইটিন  ধাপে
ব্যাখ্যা

ক্রসিং ওভার (Crossing Over) হলো মিয়োসিস কোষ বিভাজনের প্রোফেজ I পর্যায়ে একটি প্রক্রিয়া যেখানে সমসংস্থ ক্রোমোজোমের দুটি নন-সিস্টার ক্রোমাটিডের মধ্যে জেনেটিক উপাদান বিনিময় হয়। এর ফলে জিনগত পুনঃসংযোগ ঘটে এবং নতুন জিনের সংমিশ্রণ তৈরি হয়, যা বংশগত বৈচিত্র্য বাড়াতে সাহায্য করে।  
ক্রসিং ওভার মিয়োসিস প্রথম (Meiosis I) পর্যায়ের প্যাকেটাইন উপ-পর্যায়ে ঘটে থাকে। এই পর্যায়ে সমজাতীয় ক্রোমোজোমগুলো সিনাপসিস (Synapsis) গঠন করে এবং তাদের নন-সিস্টার ক্রোমাটিডগুলোর মধ্যে জিনের আদান-প্রদান হয়, যা ক্রসিং ওভার নামে পরিচিত।  

১২.
ক্রসিং ওভার কোন ধরনের ক্রোমাটিডের মধ্যে ঘটে?
  1. সিস্টার  ক্রোমাটিডের মধ্যে
  2. নন-সিসটার ক্রোমাটিডের মধ্যে (হোমোলগাস ক্রোমোজোম থেকে)
  3. নন-হোমোলগাস ক্রোমোজোম থেকে
  4. একই ক্রোমাটিডের মধ্যে
সঠিক উত্তর:
নন-সিসটার ক্রোমাটিডের মধ্যে (হোমোলগাস ক্রোমোজোম থেকে)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নন-সিসটার ক্রোমাটিডের মধ্যে (হোমোলগাস ক্রোমোজোম থেকে)
ব্যাখ্যা

ক্রসিং ওভার দুটি হোমোলোগাস ক্রোমোসোমের দুটি নন-সিস্টার ক্রোমাটিডের (non-sister chromatids) মধ্যে ঘটে থাকে। এই প্রক্রিয়ায়, সমসংস্থ ক্রোমোজোমের সিস্টার ক্রোমাটিডগুলো তাদের মধ্যে জেনেটিক উপাদানের আদান-প্রদান করে, যা রিকম্বিন্যান্ট ক্রোমোজোম তৈরি করে। 

১৩.
নিম্নলিখিত কোনটি  multiple allele এর  উদাহরণ? 
  1. খরগোশের লোমের রঙ
  2. মানুষের ABO রক্তের গ্রুপ
  3. ড্রোসোফিলার চোখের রঙ 
  4.  উপরের সবগুলো
সঠিক উত্তর:
 উপরের সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
 উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা

Multiple alleles are three or more different versions of a single gene found within a population, such as the ABO blood group alleles (A, B, and O) in humans.
Examples

ABO blood groups:
The ABO system is a classic example where alleles A, B, and O determine human blood types.  
Alleles A and B are codominant, meaning both A and B antigens are expressed in a person with type AB blood.  
The O allele is recessive to both A and B, and individuals with two O alleles have blood type O.  

Rabbit coat color:
This trait is controlled by a single gene with multiple alleles, leading to a variety of coat colors within the rabbit population.  

Drosophila eye color:
Fruit flies, like the Drosophila, exhibit a dozen different alleles for eye color, resulting in phenotypes ranging from wild-type red to white. 

১৪.
মানুষের সংখ্যা কোন রক্তগ্রুপে সবচেয়ে বেশি? 
  1. A
  2. AB
  3. B
সঠিক উত্তর:
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্যাখ্যা

বিশ্বে সবচেয়ে বেশি সংখ্যক মানুষের রক্ত ​​গ্রুপ হল O+ (ও পজিটিভ)। এটি ছাড়াও, অন্যান্য রক্তের গ্রুপের মধ্যে A+, B+, এবং A-, B- ও বেশি দেখা যায়, তবে বিশ্বব্যাপী মানুষের সংখ্যা ও পজিটিভ রক্তের গ্রুপেই সবচেয়ে বেশি। 

১৫.
নিচের কোন ব্লাড গ্রুপের নির্দিষ্ট কোন এন্টিজেন নেই ? 
  1. A
  2. B
  3. A  ও  B 
সঠিক উত্তর:
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্যাখ্যা

রক্তের গ্রুপ "O" এর নির্দিষ্ট A বা B অ্যান্টিজেন থাকে না।
তবে, এতে কোনো অ্যান্টিজেন না থাকার কারণে এটি "গোল্ডেন ব্লাড" বা Rh-null ব্লাড গ্রুপের সমান নয়। গোল্ডেন ব্লাড গ্রুপের ক্ষেত্রে প্রধান ৬১টি অ্যান্টিজেনেরই অভাব থাকে। 

১৬.
জার্ম প্লাজম মতবাদ কে প্রকাশ করেন ? 
  1. হেকেল 
  2. ল্যামার্ক 
  3. ভাইজম্যান 
  4. ডারউইন 
সঠিক উত্তর:
ভাইজম্যান 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ভাইজম্যান 
ব্যাখ্যা

জার্ম প্লাজম মতবাদটি জার্মান জীববিজ্ঞানী অগাস্ট ভাইজম্যান (August Weismann) প্রকাশ করেন, যিনি ১৯ শতকে এই ধারণাটি বিকশিত করেছিলেন। এই তত্ত্ব অনুসারে, জীবের বংশগত তথ্য কেবল জনন কোষ (যেমন ডিম্বাণু ও শুক্রাণু) দ্বারা পরবর্তী প্রজন্মে সঞ্চারিত হয়, সাধারণ বা দেহকোষ (সোমাটিক কোষ) দ্বারা নয়। 

১৭.
জুরাসিক সময় কাল বলা হয় কত আগের সময়কে ? 
  1. ১৫ কোটি বছর আগে 
  2. সাড়ে ১৬ কোটি বছর 
  3. সাড়ে ১৩ কোটি বছর 
  4. ২৫  কোটি বছর  
সঠিক উত্তর:
সাড়ে ১৬ কোটি বছর 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সাড়ে ১৬ কোটি বছর 
ব্যাখ্যা

জুরাসিক সময়কাল বলতে আজ থেকে প্রায় ২০ কোটি ১৩ লক্ষ বছর আগে থেকে ১৪ কোটি ৫৫ লক্ষ বছর আগে পর্যন্ত বিস্তৃত একটি ভূতাত্ত্বিক সময়কালকে বোঝানো হয়। এটি মেসোজোয়িক মহাযুগের মধ্যপর্ব এবং ট্রায়াসিক যুগের শেষ থেকে ক্রিটেশিয়াস যুগের মধ্যবর্তী সময়। এই যুগে পৃথিবীতে ডাইনোসর ও প্রাগৈতিহাসিক সরীসৃপদের একাধিপত্য ছিল

১৮.
In dominant epistasis, the phenotypic ratio for a dihybrid cross is usually:
  1. 9:3:4
  2. 12:3:1
  3. 9:7
  4. 15:1 
সঠিক উত্তর:
12:3:1
উত্তর
সঠিক উত্তর:
12:3:1
ব্যাখ্যা

In dominant epistasis, the
Mendelian phenotypic ratio of 9:3:3:1 is modified, most commonly to 12:3:1, where a dominant allele at one locus masks the effect of the alleles at another locus. This results in two classes of the original 9:3:3:1 ratio combining, leading to a distinct but altered phenotypic distribution in the offspring

১৯.
নিচের কোনটি বিবর্তনের নিস্ক্রিয় অঙ্গের উদাহরণ 
  1. তিমির অগ্রপদ 
  2. বাদুর ও পাখির ডানা 
  3. আক্কেল দাঁত 
  4. উভচর তিন প্রকোষ্ঠ বিশিষ্ট 
সঠিক উত্তর:
আক্কেল দাঁত 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আক্কেল দাঁত 
ব্যাখ্যা

বিবর্তনের নিষ্ক্রিয় অঙ্গের কয়েকটি উদাহরণ হলো: মানুষের
অ্যাপেন্ডিক্স, আক্কেল দাঁত, গায়ের লোম, পুচ্ছাস্থি (লেজের হাড়), চোখের ভেতরের কোণে থাকা উপপল্লব এবং কান নাড়াতে সাহায্যকারী তিন জোড়া পেশী। এই অঙ্গগুলো একসময় আমাদের পূর্বপুরুষদের দেহে কার্যক্ষম ছিল, কিন্তু বিবর্তনের ধারায় এদের কার্যকারিতা কমে গেছে বা পুরোপুরি নষ্ট হয়ে গেছে। 

২০.
Pleiotropy refers to:
  1. One gene affecting several traits
  2. Several genes affecting one trait
  3. Genes located on sex chromosomes 
  4. Genes masking each other’s effects 
সঠিক উত্তর:
One gene affecting several traits
উত্তর
সঠিক উত্তর:
One gene affecting several traits
ব্যাখ্যা

Pleiotropy is defined as the phenomenon in which a single locus affects two or more distinct phenotypic traits. The term was formally introduced into the literature by the German geneticist Ludwig Plate in 1910, 100 years ago

২১.
নিচের কোনটি সরীসৃপ ও পাখির মিশ্র চরিত্রবাহী?
  1. Archaeopteryx 
  2. Peripatus 
  3. Platypus 
  4. Eohippus 
সঠিক উত্তর:
Archaeopteryx 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Archaeopteryx 
ব্যাখ্যা

আর্কিওপটেরিক্স-এর মধ্যে সরীসৃপ ও পাখির বৈশিষ্ট্য বিদ্যমান ছিল, যার মধ্যে সরীসৃপের বৈশিষ্ট্যগুলো হলো: দাঁতযুক্ত চোয়াল, লম্বা হাড়যুক্ত লেজ এবং ডানার অগ্রভাগে তিনটি নখরযুক্ত আঙ্গুল। অন্যদিকে, পাখির বৈশিষ্ট্যগুলো হলো: ডানা, পালকযুক্ত শরীর, পালকযুক্ত লেজ এবং উইশবোন (ইচ্ছার হাড়), যা তাকে একটি ক্রান্তিকালীন প্রাণী হিসেবে চিহ্নিত করে।  
সরীসৃপ বৈশিষ্ট্য:  
দাঁতযুক্ত চোয়াল:
আর্কিওপটেরিক্সের মুখে দাঁত ছিল, যা আধুনিক পাখির ক্ষেত্রে দেখা যায় না।
লম্বা, হাড়যুক্ত লেজ:
এর লেজটি একটি লম্বা হাড়ের সমষ্টি ছিল, যা আধুনিক পাখিদের খাটো লেজের চেয়ে ভিন্ন।
নখরযুক্ত ডানা:
এর ডানার প্রতিটিতে তিনটি নখরযুক্ত আঙ্গুল ছিল, যা সরীসৃপ বৈশিষ্ট্য।
পাখির বৈশিষ্ট্য:
ডানা এবং পালক:
এর ডানা এবং শরীরের লেজ পালকযুক্ত ছিল, যা উড়ার জন্য ব্যবহৃত হত।  
উইশবোন (ইচ্ছার হাড়):
এর উইশবোন ছিল, যা পাখির একটি গুরুত্বপূর্ণ কঙ্কাল বৈশিষ্ট্য।  
অস্থিযুক্ত ডানা:
এর ডানার হাড়ের গঠন আধুনিক পাখিদের মতোই ছিল, যা স্বল্প পরিসরে উড়ার জন্য উপযুক্ত ছিল।  
ডাইনোসরের মতো শরীর:
এটি একটি ছোট, পালকযুক্ত ডাইনোসর ছিল এবং এর কঙ্কালের গঠনও অনেক নন-এভিয়ান ডাইনোসরের সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ ছিল।  
এই বৈশিষ্ট্যগুলোর কারণে আর্কিওপটেরিক্সকে সরীসৃপ ও পাখির মধ্যে একটি গুরুত্বপূর্ণ "অন্তর্বর্তী" বা সংযোগকারী জীবাশ্ম হিসেবে গণ্য করা হয়। 

২২.
Which enzyme is commonly used to cut DNA at specific sequences in genetic engineering?
  1. DNA polymerase
  2. Ligase
  3. Restriction endonuclease
  4. RNA polymerase
সঠিক উত্তর:
Restriction endonuclease
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Restriction endonuclease
ব্যাখ্যা

The enzyme commonly used to cut DNA at specific sequences in genetic engineering is the restriction enzyme. These enzymes, also known as restriction endonucleases, recognize and cleave DNA at specific recognition sites, which are short, defined DNA sequences, acting as "molecular scissors" to cut out genes for cloning and other genetic modifications.  

২৩.
Which of the following methods is commonly used for gene cloning?
  1. transformation
  2. Transcription
  3. Translation
  4. Replication
সঠিক উত্তর:
transformation
উত্তর
সঠিক উত্তর:
transformation
ব্যাখ্যা

Commonly used methods for gene cloning include restriction enzyme cloning, PCR cloning (like TA cloning), and gateway cloning; essentially all of these methods involve inserting a desired gene into a vector, often a plasmid, for further study or manipulation in a host organism. 

Transcription: ট্রান্সক্রিপশন হল জিনের অভিব্যক্তির উদ্দেশ্যে ডিএনএর একটি অংশকে আরএনএ- তে অনুলিপি করার প্রক্রিয়া। ডিএনএর কিছু অংশকে আরএনএ অণুতে প্রতিলিপি করা হয় যা প্রোটিনকে এনকোড করতে পারে, যাকে মেসেঞ্জার আরএনএ (mRNA) বলা হয়।

Translation: ট্রান্সলেশন হচ্ছে RNA অণুকে ছাঁচরূপে ব্যবহার করে জীবিত কোষে পলিপেপটাইড বা প্রোটিন তৈরির প্রক্রিয়া।প্রোটিন মূলত অ্যামিনো এসিডের শৃঙ্খল যা আরএনএ তে নিউক্লিওটাইড এর বিন্যাস অনুসারে তৈরি হয় ।এটি কোষের সাইটোপ্লাজমে ঘটে।

Replication: রেপ্লিকেশন (Replication) একটি প্রক্রিয়া যার মাধ্যমে একটি অণু থেকে একই রকম দুটি অণু তৈরি হয়। জীববিজ্ঞানে, ডিএনএ (DNA) রেপ্লিকেশন হলো মাতৃ ডিএনএ থেকে নতুন ডিএনএ অণু তৈরি হওয়া, যা কোষ বিভাজনের মাধ্যমে বংশগতিকে নিশ্চিত করে। 

২৪.
E.coli থেকে ইনসুলিন তৈরি করার  জীনিয় প্রকৌশলের প্রথম ধাপ কোনটি?
  1. প্লাসমিডে জিন প্রবেশ করানো
  2. মানব ডিএনএ থেকে ইনসুলিন জিনকে পৃথক করা
  3. Transformation of E.Coli
  4. Extraction of insulin 
সঠিক উত্তর:
মানব ডিএনএ থেকে ইনসুলিন জিনকে পৃথক করা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মানব ডিএনএ থেকে ইনসুলিন জিনকে পৃথক করা
ব্যাখ্যা

২৫.
কোনটি আণবিক কাঁচি নামে পরিচিত?
  1. প্লাজমিড
  2. রেস্ট্রিকশন এনজাইম
  3. লাইগেজ এনজাইম
  4. ইন্টারফেরন
সঠিক উত্তর:
রেস্ট্রিকশন এনজাইম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রেস্ট্রিকশন এনজাইম
ব্যাখ্যা

আণবিক কাঁচি বলতে মূলত রেস্ট্রিকশন এনজাইমকে বোঝানো হয়, যা DNA-এর একটি নির্দিষ্ট অংশকে সুনির্দিষ্টভাবে কেটে ফেলার জন্য ব্যবহৃত হয়। এই এনজাইমগুলো জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং এবং জৈবপ্রযুক্তিতে ব্যবহৃত হয়, যেখানে DNA-এর অংশবিশেষ বিচ্ছিন্ন বা পরিবর্তন করার প্রয়োজন হয়।

প্লাজমিড হলো ব্যাকটেরিয়া এবং অন্যান্য অণুজীবের কোষে প্রাপ্ত ক্রোমোজোমাল ডিএনএ থেকে আলাদা, ছোট, বৃত্তাকার, দ্বিসূত্রক ডিএনএ অণু। এটি নিজে নিজে সংখ্যাবৃদ্ধি (প্রতিলিপি) করতে পারে এবং জীবের জন্য অপরিহার্য না হলেও বিশেষ সুবিধা প্রদানকারী জিন ধারণ করে। প্লাজমিড জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং, জিন ক্লোনিং এবং রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা সম্পন্ন ফসল উৎপাদনে গুরুত্বপূর্ণ বাহক হিসেবে ব্যবহৃত হয়। 

ইন্টারফেরন হলো এক ধরনের প্রোটিন যা শরীরের রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থার অংশ এবং এটি ভাইরাস ও অন্যান্য সংক্রমণের বিরুদ্ধে লড়াই করতে সাহায্য করে। ভাইরাস দ্বারা আক্রান্ত কোষ থেকে ইন্টারফেরন নিঃসৃত হয় এবং অন্যান্য কোষকে ভাইরাস সংক্রমণ থেকে রক্ষা করে। এটি ভাইরাসের সংখ্যাবৃদ্ধি প্রতিহত করে, যার ফলে ভাইরাস আরও ছড়িয়ে পড়তে পারে না

লাইগেজ হলো এক ধরনের এনজাইম যা দুটি অণুকে রাসায়নিক বন্ধনের মাধ্যমে জুড়তে সাহায্য করে এবং নতুন রাসায়নিক বন্ধন তৈরি করতে অনুঘটকের কাজ করে।

২৬.
E. coli অণুজীবে ক্রোমোসোম সংখ্যা-
  1. ৩২
  2. ১০
  3. ৪৬ 
সঠিক উত্তর:
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্যাখ্যা

E. coli অণুজীবে একটি (১টি) বৃত্তাকার ক্রোমোজোম থাকে।
এটি একটি একক, বৃত্তাকার ডিএনএ অণু যা ব্যাকটেরিয়ার নিউক্লিয়য়ে অবস্থিত এবং প্রায় ৪.৬ মিলিয়ন বেস পেয়ারের সমান। 

২৭.
Yeast-এ ক্রোমোসোম সংখ্যা-
  1. ১০
  2. ১৬
সঠিক উত্তর:
১৬
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৬
ব্যাখ্যা

ইস্ট বা ঈস্টের ক্রোমোজোম সংখ্যা হলো ১৬টি।
Saccharomyces cerevisiae নামক ইস্টের জিনোমে ১৬টি ক্রোমোজোম থাকে, যা প্রায় ১২.১ মিলিয়ন বেস পেয়ারের ডিএনএ ধারণ করে।  

২৮.
জীবের জিনোমে নতুন জিন বিন্যাস তৈরির কোনটি? সর্বাধুনিক পদ্ধতি
  1. সংকরায়ন
  2. টিস্যু কালচার
  3. ক্লোনিং
  4. জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং
সঠিক উত্তর:
জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং
ব্যাখ্যা

জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং জীববিজ্ঞানের একটি নবীনতম ও প্রয়োগমুখী শাখা। এর মূল লক্ষ্য কোনো কাঙ্ক্ষিত ‘জিন’ স্থানান্তরের মাধ্যমে উন্নতমানের নতুন জীবপ্রকরণ সৃষ্টি করা। কোনো জীবকোষ থেকে কোনো সুনির্দিষ্ট জিন নিয়ে অন্যকোনো জীবকোষে স্থাপন ও কর্মক্ষম করা বা নতুন বৈশিষ্ট্য সৃষ্টির জন্য কোনো জীবের DNA-তে পরিবর্তন ঘটানোকে জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং বা জিন প্রকৌশল বলা হয়।

জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং-এর মাধ্যমে DNA অণুর কাঙ্ক্ষিত অংশ ব্যাকটেরিয়া থেকে মানুষে, উদ্ভিদ থেকে প্রাণীতে, প্রাণী থেকে উদ্ভিদে স্থানান্তর করা সম্ভব হয়েছে। এ ধরনের জীবকে বলা হয় GMO (Genetically Modified Organism) বা GEO (Genetically Engineered Organism) বা ট্রান্সজেনিকস (TO = Transgenic Organism)।
মানুষের ইনসুলিন তৈরির জিন ব্যাকটেরিয়াতে (E. coli) প্রবেশ করিয়ে এখন ঐসমস্ত ব্যাকটেরিয়া দিয়ে ইনস্যুলিন উৎপাদন করা সম্ভব হচ্ছে। ১৯৫১ খ্রিস্টাব্দে সায়েন্স ফিকশন লেখক Jack Williamson তাঁর বিখ্যাত পুস্তক Dragon's Island-এ সর্বপ্রথম Genetic engineering শব্দটি ব্যবহার করেন। একটি জীবের কোষ থেকে কোনো কাঙ্খিত DNA অংশ রেস্ট্রিকশন এনজাইমের সাহায্যে কেটে নিয়ে অন্য জীবের কোষের DNA এর সাথে সংযুক্ত করার ফলে যে নতুন (মিশ্রিত) DNA উৎপন্ন হয় তাকে Recombinant DNA বলে।জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং এর জন্য যে পদ্ধতি বা টেকনোলজি প্রয়োগ করা হয় তাকে বলা হয় রিকম্বিনেন্ট DNA টেকনোলজি (recombinant DNA technology)।

২৯.
সাধারণত রেস্ট্রিকশন এনজাইম কতটি বেস অংশ কেটে থাকে?
  1. ৪-৬ টি
  2. ৮-১২ টি
  3. ১-২ টি
  4. ২-৪টি
সঠিক উত্তর:
৪-৬ টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪-৬ টি
ব্যাখ্যা

রেস্ট্রিকশন এনজাইম সাধারণত ৪ থেকে ৬ বেস জোড়ার অংশ কেটে থাকে, তবে কিছু এনজাইম ৬-এর বেশি বেস জোড়ার সিকোয়েন্সও কাটতে পারে। এই এনজাইমগুলি DNA-এর একটি সুনির্দিষ্ট অংশকে চিহ্নিত করে (রেস্ট্রিকশন সাইট) এবং সেখানেই ডিএনএ অণুতে দ্বি-স্তম্ভিত ছেদ ঘটায়।

৩০.
Plasmid-এর বৈশিষ্ট্য নয় কোনটি?
  1. DNA বৃত্তাকার
  2. DNA দ্বি-সূত্রক
  3. ভর 106- 200 x 106 dalton
  4. জিন থাকে না 
সঠিক উত্তর:
জিন থাকে না 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জিন থাকে না 
ব্যাখ্যা

১। প্লাজমিড হলো চক্রাকার দ্বি-সূত্রক DNA অণু।
২। এর আণবিক ওজন 106-200×106  ডাল্টন।
৩। ইহাতে অল্প পরিমাণ জিন থাকে।
৪। রেস্ট্রিকশন এনজাইম দ্বারা প্লাজমিড এর নির্দিষ্ট অংশ কাটা যায়।
৫। কোন কোন প্লাজমিড বিশেষ ধরনের রাসায়নিক বস্তু সংশ্লেষণ করে। যেমন Colicin, Vibrin.
৬। প্লাজমিডের সংখ্যা প্রতি কোষে ১-১০০০।
৭। অর্ধসংরক্ষণশীল প্রক্রিয়ায় প্লাজমিডের প্রতিলিপন ঘটতে পারে।
৮। এরা ব্যাকটেরিয়ার এককোষ থেকে অন্য কোষে স্থানান্তরিত হতে পারে।
৯। ইহা অন্য প্লাজমিড বা মূল এর সাথে পুনঃসমন্বয় ঘটাতে সক্ষম।
১০। ইহা ব্যাকটেরিয়ার মূল ক্রোমোজোম থেকে ছোট ও ভিন্ন ধরনের

৩১.
কোন বাংলাদেশী বিজ্ঞানী ও তার সহযোগীরা তোষা পাটের জীবন রহস্য তথা জিনোম সিকোয়েন্সিং উন্মোচন করেছেন?
  1. ড. ইনাম আলী
  2. ড. আবুল হাসান
  3. ড. মাহবুব আলম
  4. ড. মাকসুদুল আলম
সঠিক উত্তর:
ড. মাকসুদুল আলম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ড. মাকসুদুল আলম
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশের বিজ্ঞানী ড. মাকসুদুল আলম এবং তাঁর সহযোগীরা তোষা পাটের জীবন রহস্য বা জিনোম সিকোয়েন্সিং উন্মোচন করেছেন। এই গবেষণাটি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, বাংলাদেশ পাট গবেষণা ইনস্টিটিউট ও তথ্যপ্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান ডাটাসফটের গবেষকদের যৌথ প্রচেষ্টায় ২০১০ সালের মাঝামাঝি সময়ে সম্পন্ন হয়।

৩২.
জিন প্রকৌশলে DNA এর খণ্ডিত অংশ কোন এনজাইম জোড়া লাগায়?
  1. অ্যামাইলেজ
  2. এন্ডোনিউক্লিয়েজ
  3. লাইগেজ
  4. লাইপেজ 
সঠিক উত্তর:
লাইগেজ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
লাইগেজ
ব্যাখ্যা

৩৩.
রিকম্বিনেট ডিএনএ টেকনোলজি প্রয়োগে সৃষ্ট নতুন জীবকে কি বলে?
  1. ট্রান্সজেনিক
  2. হাইব্রিড
  3. সাইব্রিড
  4. ক্লোন
সঠিক উত্তর:
ট্রান্সজেনিক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ট্রান্সজেনিক
ব্যাখ্যা

রিকম্বিন্যান্ট ডিএনএ (DNA) টেকনোলজি প্রয়োগে সৃষ্ট নতুন জীবকে ট্রান্সজেনিক জীব বলে। এই পদ্ধতিতে এক জীব থেকে জিন নিয়ে অন্য জীবের ডিএনএ-র সাথে যুক্ত করে একটি নতুন জেনেটিক গঠন তৈরি করা হয়, যা প্রজাতিগত বাধা অতিক্রম করে।  

৩৪.
কোনটি জীবিত জীবাশ্ম নয়? 
  1. Platypus 
  2. Limulus 
  3. Latimaria 
  4. Archaeopteryx 
সঠিক উত্তর:
Archaeopteryx 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Archaeopteryx 
ব্যাখ্যা

জীবন্ত জীবাশ্মের উদাহরণগুলোর মধ্যে রয়েছে প্রাণীজগতের লিমুলাস (রাজকাঁকড়া), স্ফেনোডন এবং প্লাটিপাস, এবং উদ্ভিদ জগতের ইকুইজিটাম, নিটাম, এবং গিঙ্কো বাইলোবা। এই জীবগুলো প্রাচীনকালে উৎপত্তি লাভ করেও নিজেদের রূপ অপরিবর্তিত রেখে আজও টিকে আছে, যেখানে তাদের সমগোত্রীয় অনেক প্রজাতি বিলুপ্ত হয়ে গেছে।  

প্রাণীজগতের উদাহরণ

লিমুলাস (হর্সশু ক্র্যাব):
এই সামুদ্রিক সন্ধিপদী প্রাণীটির উৎপত্তি প্রায় ৪৫০ মিলিয়ন বছর আগে হয়েছিল, এবং এর গঠন ও বৈশিষ্ট্য আজও প্রায় একই রকম।  

স্ফেনোডন (টুয়াটারা):
নিউজিল্যান্ডের এই স্থানীয় সরীসৃপটি অনেক প্রাচীন বৈশিষ্ট্য বহন করে, যা এটিকে জীবন্ত জীবাশ্মের উদাহরণে পরিণত করেছে।  

প্লাটিপাস:
এই স্তন্যপায়ী প্রাণীটি ডিম পাড়ে এবং এর কিছু বৈশিষ্ট্য প্রাচীন স্তন্যপায়ী প্রাণীদের অনুরূপ। 
১৯৩৮ সালে আবিষ্কারের পরপরই, কোয়েলাক্যান্থ ল্যাটিমেরিয়াকে "জীবন্ত জীবাশ্ম" এর প্রতীকী উদাহরণ হিসেবে বিবেচনা করা হয় 

৩৫.
সমবৃত্তীয় অঙ্গ হলো -
  1. বাদুড়ের ডানা - পাখির ডানা
  2. পাখির ডানা - মানুষের হাত
  3. মানুষের হাত - বাদুড়ের ডানা
  4. পাখির ডানা - পতঙ্গের ডানা
সঠিক উত্তর:
পাখির ডানা - পতঙ্গের ডানা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পাখির ডানা - পতঙ্গের ডানা
ব্যাখ্যা

সমবৃত্তীয় অঙ্গ হলো এমন সব অঙ্গ যা বিভিন্ন প্রাণীর মধ্যে দেখা যায়, যাদের গঠন ভিন্ন হলেও কাজ একই রকম।
উদাহরণস্বরূপ, পাখির ডানা ও প্রজাপতির ডানা হলো সমবৃত্তীয় অঙ্গ, কারণ উভয়েরই উড়ার কাজ, কিন্তু তাদের গঠন আলাদা।  
বৈশিষ্ট্য  
গঠনগত পার্থক্য:
সমবৃত্তীয় অঙ্গগুলোর শারীরিক গঠন বা অণুবীক্ষণিক গঠন ভিন্ন হয়।
কাজের মিল:
এই অঙ্গগুলো একই ধরনের কাজ করে, যেমন – উড়ে বেড়ানো বা শিকার করা।
উদাহরণ  
পাখির ডানা ও প্রজাপতির ডানা:
উভয়ই উড়তে সাহায্য করে, কিন্তু এদের গঠনগত পার্থক্য রয়েছে।
পোকামাকড় ও পাখির ডানা:
দুটিই ডানা, যা দিয়ে পাখি ও পোকামাকড় উড়তে পারে, কিন্তু এদের মূল গঠন ও উপাদান ভিন্ন।

৩৬.
ল্যামার্কবাদের মূল বিষয়বস্তু কোনটি? 
  1. স্বতঃস্ফূর্তভাবেই জীবদেহে পরিবর্তন সূচিত হয়
  2. ধারাবাহিকভাবে পরিবর্তনগুলো বংশানুসরণযোগ্য
  3. অর্জিত সকল বৈশিষ্ট্যই বংশানুসরণযোগ্য
  4. জীবন সংগ্রামে পরাজিত জীব বিলুপ্ত হয়
সঠিক উত্তর:
অর্জিত সকল বৈশিষ্ট্যই বংশানুসরণযোগ্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অর্জিত সকল বৈশিষ্ট্যই বংশানুসরণযোগ্য
ব্যাখ্যা

ল্যামার্কবাদের মূল বিষয় হলো, জীব নিজের জীবনে অর্জিত বা অব্যবহারের ফলে হারানো শারীরিক বৈশিষ্ট্যগুলো তার বংশধরদের মধ্যে স্থানান্তর করতে পারে। এর দুটি প্রধান ভিত্তি হলো অঙ্গ-প্রত্যঙ্গের ব্যবহার ও অব্যবহার এবং অর্জিত বৈশিষ্ট্যের উত্তরাধিকার। অর্থাৎ, কোনো অঙ্গ বেশি ব্যবহৃত হলে তা শক্তিশালী ও বড় হয় এবং অব্যবহৃত অঙ্গ দুর্বল বা ছোট হয়ে বিলুপ্ত হয়, এবং এই পরিবর্তনগুলো পরবর্তী প্রজন্মে স্থানান্তরিত হয়।  

ল্যামার্কবাদের মূল বিষয়বস্তুগুলো হলো:  
পরিবেশের প্রভাব ও জীবের সক্রিয় প্রচেষ্টা (Use and Disuse):
পরিবেশের পরিবর্তনের সাথে সাথে জীবের মধ্যে নতুন চাহিদা তৈরি হয়। এই চাহিদা পূরণের জন্য জীব বিশেষ কিছু অঙ্গের ব্যবহার শুরু করে, যা সেই অঙ্গগুলোর আকার বৃদ্ধি করে এবং কার্যকারিতা বাড়ায়। অন্যদিকে, যে অঙ্গগুলোর ব্যবহার কমে যায়, সেগুলো ধীরে ধীরে দুর্বল ও ছোট হয়ে বিলুপ্ত হয়ে যায়।
অর্জিত বৈশিষ্ট্যের উত্তরাধিকার (Inheritance of Acquired Characteristics):
ল্যামার্কের মতে, কোনো জীব তার জীবদ্দশায় অর্জিত বা বিকশিত হওয়া শারীরিক বৈশিষ্ট্যগুলো (যেমন – কোনো অঙ্গের আকার বৃদ্ধি) তার সন্তানদের মধ্যে সঞ্চারিত করতে পারে।

৩৭.
নিচের কোনটি ডারউইনের তত্ত্ব? 
  1. জীবের ওপর পরিবেশের প্রভাব
  2. জীবন সংগ্রাম
  3. অর্জিত বৈশিষ্ট্যের উত্তরাধিকার
  4. অঙ্গের ব্যবহার ও অব্যবহার
সঠিক উত্তর:
জীবন সংগ্রাম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জীবন সংগ্রাম
ব্যাখ্যা

ডারউইনের তত্ত্ব, যা "ডারউইনবাদ" নামেও পরিচিত, জৈবিক বিবর্তনের একটি ধারণা যা বলে যে প্রজাতি সময়ের সাথে সাথে পরিবর্তিত হয় এবং একটি সাধারণ পূর্বপুরুষ থেকে বিবর্তিত হয়। এই তত্ত্বের মূল ভিত্তি হলো প্রাকৃতিক নির্বাচন, যেখানে অনুকূল বৈশিষ্ট্যযুক্ত ব্যক্তিরা পরিবেশের সাথে ভালো মানিয়ে নিতে পারে এবং টিকে থাকার ও প্রজননের জন্য ভালো সুযোগ পায়, ফলে সেই বৈশিষ্ট্যগুলো পরবর্তী প্রজন্মে প্রবাহিত হয়।  

তত্ত্বের প্রধান উপাদানসমূহ:
বৈচিত্র্য (Variation):
একটি প্রজাতির সদস্যদের মধ্যে ব্যক্তিগতভাবে ভিন্নতা থাকে।  
উত্তরাধিকার (Inheritance):
এই ভিন্ন বৈশিষ্ট্যগুলো বংশপরম্পরায় পরবর্তী প্রজন্মে স্থানান্তরিত হতে পারে।  
অস্তিত্বের জন্য সংগ্রাম (Struggle for Existence):
জীবজগতে টিকে থাকার জন্য প্রতিযোগিতা বিদ্যমান, যেখানে কেবল অনুকূল বৈশিষ্ট্যযুক্ত ব্যক্তিরাই টিকে থাকতে পারে।  
প্রাকৃতিক নির্বাচন (Natural Selection):
পরিবেশের দ্বারা অনুকূল বৈশিষ্ট্যগুলোর নির্বাচন ঘটে, যা ব্যক্তির বেঁচে থাকা ও প্রজননের ক্ষমতা বৃদ্ধি করে। 

৩৮.
কোনটি জীবিত? 
  1. মেরিকহিপ্পাস
  2. মেসোহিপ্পাস
  3. ইকুয়াস
  4. ইয়োহিপ্পাস 
সঠিক উত্তর:
ইকুয়াস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইকুয়াস
ব্যাখ্যা

৩৯.
মানুষের নিষ্ক্রিয় অঙ্গ কোনটি? 
  1. কক্কিক্স
  2. নখ
  3. ডায়াফ্রাম
  4. কর্ণাস্থি 
সঠিক উত্তর:
কক্কিক্স
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কক্কিক্স
ব্যাখ্যা

মানুষের নিষ্ক্রিয় অঙ্গ (Vestigial organs) হলো সেই সব অঙ্গ যা পূর্বপুরুষের দেহে কার্যক্ষম ছিল কিন্তু বর্তমানে মানুষের শরীরে অকেজো বা গুরুত্বহীন। যেমন: চোখের ভেতরের কোণায় থাকা উপপল্লব, আক্কেল দাঁত, গায়ের লোম, বৃহদান্ত্রের সাথে যুক্ত অ্যাপেন্ডিক্স, এবং পুচ্ছাস্থি (লেজ না থাকলেও) হলো মানুষের নিষ্ক্রিয় অঙ্গের উদাহরণ।  
কিছু নিষ্ক্রিয় অঙ্গের তালিকা:
উপপল্লব (Plica semilunaris):
চোখের ভেতরের দিকে থাকা একটি ছোট মাংসপিণ্ড, যা পূর্বপুরুষের চোখে একটি তৃতীয় চোখের পাতা হিসেবে কাজ করত।  
আক্কেল দাঁত:
বর্তমানে মানুষের চোয়ালে ভালোভাবে বসতে পারে না এবং খাওয়ার কাজেও তেমন দরকারি নয়।  
গায়ের লোম:
মানুষের পূর্বপুরুষের শরীরে লোম উষ্ণতা ধরে রাখতে সাহায্য করত, কিন্তু মানুষের ক্ষেত্রে এটি এখন প্রায় নিষ্ক্রিয়।  
অ্যাপেন্ডিক্স:
বৃহদান্ত্রের সাথে যুক্ত একটি ছোট থলির মতো অঙ্গ, যা একসময় খাদ্য হজমে সাহায্য করত, কিন্তু এখন এর কার্যক্ষমতা অনেক কমে গেছে।  
পুচ্ছাস্থি (Coccyx):
এটি হলো লেজ না থাকলেও মেরুদণ্ডের শেষাংশ। পূর্বপুরুষের লেজ নাড়ানোর কাজে এটি ব্যবহৃত হতো।  
কর্ণপেশী:
কানের বাইরের অংশে থাকা কিছু পেশী, যা দিয়ে পূর্বপুরুষরা কান নাড়াতে পারত। 

৪০.
What is speciation? 
  1. The process of evolution of new species from existing species
  2. The fusion of two species into one
  3. The extinction of a species
  4. The migration of species to new habitats
সঠিক উত্তর:
The process of evolution of new species from existing species
উত্তর
সঠিক উত্তর:
The process of evolution of new species from existing species
ব্যাখ্যা

Speciation is the evolutionary process by which a single ancestral species gives rise to two or more new, distinct species. This process involves the disruption of gene flow between populations, leading to reproductive isolation where members can no longer interbreed and produce viable, fertile offspring. Speciation is a key mechanism in the development of life's diversity and can occur through geographical separation (allopatric speciation) or within the same area (sympatric speciation) due to factors like habitat changes or behavioral shifts.  

৪১.
Which of the following is not a type of speciation?
  1. Sympatric speciation
  2. Allopatric speciation
  3. Autopatric speciation
  4. Parapatric speciation
সঠিক উত্তর:
Autopatric speciation
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Autopatric speciation
ব্যাখ্যা

 
The four primary types of speciation—allopatric, peripatric, parapatric, and sympatric—differ in the geographical relationship between diverging populations, occurring when they are geographically isolated (allopatric, peripatric), separated by a contiguous range (parapatric), or live in the same area (sympatric). A fifth type, artificial speciation, involves human intervention to create new species.  

৪২.
Allopatric speciation occurs because: 
  1. Populations are geographically isolated
  2. Populations live in the same area but do not interbreed
  3. Populations reproduce at different times
  4. Populations exhibit different behaviors in the same environment
সঠিক উত্তর:
Populations are geographically isolated
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Populations are geographically isolated
ব্যাখ্যা

Allopatric speciation is the evolutionary process where new species form due to a geographic barrier that isolates populations, preventing gene flow between them. Over time, the isolated populations accumulate genetic differences through mutation and natural selection, eventually becoming so genetically distinct that they can no longer interbreed to produce fertile offspring, thus becoming separate species.

৪৩.
Which factor is most likely to lead to sympatric speciation? 
  1. Geographical barriers
  2. Reproductive isolation within the same area
  3. Large physical distance between populations
  4. Complete reproductive compatibility
সঠিক উত্তর:
Reproductive isolation within the same area
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Reproductive isolation within the same area
ব্যাখ্যা

Sympatric speciation is the evolutionary process where a new species evolves from a single ancestral species while both groups continue to live in the same geographic region, without any physical barrier separating them. This process involves the development of reproductive isolation within a single, continuous population, often through mechanisms like disruptive selection on mating or habitat preferences, and can be driven by genetic changes such as polyploidy

৪৪.
AB রক্ত গ্রুপের ক্ষেত্রে কোনটি প্রযোজ্য? 
  1. O’ গ্রুপের রক্ত নিতে পারে
  2. উভয় অ্যান্টিবডি a ও b বিদ্যমান
  3. A’ গ্রুপকে রক্ত দান করতে পারে
  4. লোহিত কণিকায় এন্টিজেন ‘B’ বিদ্যমান
সঠিক উত্তর:
O’ গ্রুপের রক্ত নিতে পারে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
O’ গ্রুপের রক্ত নিতে পারে
ব্যাখ্যা

৪৫.
"সরীসৃপের যুগ" বলা হয়- 
  1. সিনোজয়িক 
  2. মেসোজয়িক 
  3. প্যালিওজয়িক 
  4. প্রোটোরোজয়িক 
সঠিক উত্তর:
মেসোজয়িক 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মেসোজয়িক 
ব্যাখ্যা

সরীসৃপের যুগ" বা "The Age of Reptiles" বলা হয় মেসোজোয়িক মহাকালকে (Mesozoic Era), যা প্রায় ২৫২ মিলিয়ন বছর আগে শুরু হয়ে ৬৬ মিলিয়ন বছর আগে শেষ হয়েছিল। এই সময়ে পৃথিবীতে ডাইনোসরসহ বিভিন্ন সরীসৃপ প্রাণীর ব্যাপক বিস্তার ঘটেছিল এবং তারা স্থলজ মেরুদণ্ডী প্রাণীদের মধ্যে প্রভাবশালী ছিল

৪৬.
পুনরাবৃত্তি মতবাদের প্রবক্তা -
  1. ডারউইন 
  2. ল্যামার্ক 
  3. হেকেল 
  4. মেন্ডেল 
সঠিক উত্তর:
হেকেল 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হেকেল 
ব্যাখ্যা

- পুনরাবৃত্তি মতবাদের প্রবক্তা হলেন আর্নেস্ট হেকেল (Ernst Haeckel)। এটি বায়োজেনেটিক তত্ত্ব নামেও পরিচিত, যা বলে যে প্রতিটি জীবের ভ্রূণ-বিকাশ তার বিবর্তনের ইতিহাসকে পুনরাবৃত্তি করে।

৪৭.
" রাজকীয় রোগ "-
  1. মাসকুলার ডিসট্রফি
  2. হিমোফিলিয়া 
  3. DMD
  4. Colour blindness 
সঠিক উত্তর:
হিমোফিলিয়া 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হিমোফিলিয়া 
ব্যাখ্যা

- রাজকীয় রোগ" বলতে হিমোফিলিয়া (Haemophilia) নামক রোগটিকে বোঝায়, কারণ এটি রানী ভিক্টোরিয়ার মাধ্যমে ইউরোপীয় রাজপরিবারে ছড়িয়ে পড়েছিল এবং তাদের মধ্যে এই রোগটি সুপরিচিত ছিল। হিমোফিলিয়া একটি রক্তক্ষরণজনিত রোগ, যেখানে রক্ত জমাট বাঁধার প্রক্রিয়া ব্যাহত হয়।

৪৮.
প্লাজমায় কোন এন্টিবডি থাকে না ?
  1. AB
  2. O
  3. A
  4. B
সঠিক উত্তর:
AB
উত্তর
সঠিক উত্তর:
AB
ব্যাখ্যা

AB রক্তের গ্রুপযুক্ত ব্যক্তিদের প্লাজমায় A বা B অ্যান্টিজেনের বিরুদ্ধে কোনো অ্যান্টিবডি থাকে না, কারণ তাদের লোহিত রক্তকণিকায় A এবং B উভয় অ্যান্টিজেন থাকে। এই কারণে, AB গ্রুপের ব্যক্তিরা যেকোনো রক্তের গ্রুপ থেকে রক্ত গ্রহণ করতে পারেন, তাই তাদের সর্বজনীন প্রাপক বলা হয়। 

৪৯.
নিচের কোনটি সরীসৃপ এর বৈশিষ্ট্য নয় ? 
  1. ডানা বিদ্যমান 
  2. চোয়াল দাঁতযুক্ত 
  3. ডানার অগ্রভাগে নখ বিদ্যমান 
  4. কশেরুকা যুক্ত লম্বা লেজ 
সঠিক উত্তর:
ডানা বিদ্যমান 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ডানা বিদ্যমান 
ব্যাখ্যা

৫০.
সেক্স-লিংকড ইনহেরিটেন্স এর বৈশিষ্ট্য- 
  1. জিনগুলি Y ক্রোমোজোমে থাকে
  2. জিনগুলি পিতা হতে শুধুমাত্র কন্যাতে যায়
  3. জিনগুলি পিতা হতে শুধুমাত্র পুত্রে যায়
  4. বৈশিষ্টগুলি মহিলাদের বেশি প্রকাশিত হয়
সঠিক উত্তর:
জিনগুলি পিতা হতে শুধুমাত্র কন্যাতে যায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জিনগুলি পিতা হতে শুধুমাত্র কন্যাতে যায়
ব্যাখ্যা

- সেক্স-লিংকড ইনহেরিটেন্স-এর প্রধান বৈশিষ্ট্যগুলো হলো: ১. লিঙ্গ-নির্ভরতা: এই বৈশিষ্ট্যগুলো যৌন ক্রোমোজোমের (X বা Y) উপর থাকা জিন দ্বারা নির্ধারিত হয়, যা সাধারণ (অটোসোমাল) ক্রোমোজোমে থাকে না। ২. X-লিংকড বৈশিষ্ট্য: বেশিরভাগ সেক্স-লিংকড বৈশিষ্ট্য X ক্রোমোজোমে থাকে, যা X-লিংকড বৈশিষ্ট্য নামে পরিচিত। ৩. পুরুষদের মধ্যে বেশি দেখা যায়: যেহেতু পুরুষদের একটি মাত্র X ক্রোমোজোম থাকে, তাই সেক্স-লিংকড বৈশিষ্ট্য, বিশেষ করে প্রচ্ছন্ন (recessive) বৈশিষ্ট্যগুলো তাদের মধ্যে বেশি দেখা যায়। ৪. বাহক মহিলা: মহিলাদের দুটি X ক্রোমোজোম থাকে এবং তারা প্রচ্ছন্ন বৈশিষ্ট্য বহনকারী (বাহক) হতে পারে, যদিও তাদের মধ্যে রোগ দেখা যায় না কারণ অন্য X ক্রোমোজোমে স্বাভাবিক জিন থাকে। ৫. Y-লিংকড বৈশিষ্ট্য: খুব অল্প সংখ্যক বৈশিষ্ট্য Y ক্রোমোজোমে থাকতে পারে, যা শুধুমাত্র পুরুষদের মধ্যে দেখা যায়।